Tag: Madhyom

Madhyom

  • Lok Sabha Election 2024: ১৭ লক্ষ ‘ভুয়ো ভোটার’! ২৪ ব্যাগ ভর্তি অভিযোগ নিয়ে কমিশনে শুভেন্দু

    Lok Sabha Election 2024: ১৭ লক্ষ ‘ভুয়ো ভোটার’! ২৪ ব্যাগ ভর্তি অভিযোগ নিয়ে কমিশনে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভুয়ো ভোটার নিয়ে ফের সরব বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার প্রায় ১৭ লক্ষ ডুপ্লিকেট ভোটারের তালিকাসহ রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। এদিন বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commission) দফতরে গিয়ে এই সংক্রান্ত তালিকা জমা দিয়ে আসে বিজেপির প্রতিনিধি দল। 

    ভুয়ো ভোটারের নথি

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষে গত ২৫ জানুয়ারি লোকসভা নির্বাচনের সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় প্রায় ১৭ লাখ নাম ‘ভুয়ো’ বলে দাবি বিজেপির। একই ভোটারের নাম একাধিকবার তালিকায় রয়েছে। বিজেপির পক্ষে দাবি করা হয়েছে, দলের হিসাবে মোট ‘ভুয়ো ভোটার’-এর সংখ্যা ১৬,৯১,১৩২। বুধবার ২৪টি ব্যাগে করে দলের দাবি করা ‘ভুয়ো ভোটার’-দের তালিকা কমিশন দফতরে জমা দিয়েছে বিজেপি। সেই সঙ্গে কমিশনকে দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি তৃণমূলের থেকে ১৭ লাখ ভোট কম পেয়েছিল। আর ‘ভুয়ো ভোটার’-এর সংখ্যাও সমান সমান। বুধবার কমিশন দফতরে এই অভিযোগ জানাতে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং দলের দুই নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় ও শিশির বাজোরিয়া। 

    শুভেন্দুর দাবি

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘এই মেকানিজমটা মমতা ব্যানার্জি করে রেখেছেন। আমরা এটা, চুরিটাকে ধরেছি। কারণ, আমরা ভোটার তালিকাটাকে পরিষ্কার এবং পরিচ্ছন্ন চাই। পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র শেষ হয়ে গিয়েছে, পঞ্চায়েতে ১ কোটি গ্রামের মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। সন্দেশখালির যার কাছে গিয়ে আপনারা জিজ্ঞাসা করছেন – ভোট দিয়েছেন? বলছে, না…ভোট দিইনি। যতদিন মমতা, ততদিন আমাদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। শেষ ১১ সালে ভোট দিয়ে তো ওনাকে ক্ষমতায় এনেছিলাম। এই ১৬ লক্ষ ৯১ হাজার ১৩২ ভোটারের ডকুমেন্ট আমরা নিয়ে এলাম, দিয়ে গেলাম।’  রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ এলে সেখানেও এই অভিযোগ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতির ‘সেতু’ প্রসন্নর ২০০টি অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৭০ কোটি টাকা! আদালতে দাবি ইডির

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতির ‘সেতু’ প্রসন্নর ২০০টি অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৭০ কোটি টাকা! আদালতে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ ‘দুর্নীতি’তে (SSC Scam) ধৃত প্রসন্ন রায়ের ২০০টিরও বেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭০ কোটি টাকা জমা পড়েছে। আদালতে বিস্ফোরক দাবি ইডির। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রসন্নকে গ্রেফতার করে ইডি। বুধবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতে প্রসন্নের মামলার শুনানি ছিল। আদালতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, নিয়োগ দুর্নীতিতে একেবারে মিডলম্যান হিসাবে কাজ করতেন প্রসন্ন। এদিন আগামী সোমবার পর্যন্ত প্রসন্নকে নিজেদের হেফাজতে চেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।

    আদালতে ইডির দাবি

    আদালতে ইডি লিখিত আকারে জানিয়েছে, প্রসন্নর নামে ১০০টির বেশি সংস্থা রয়েছে। তিনি একাই ২০০টির বেশি অ্যাকাউন্টের মালিক অথবা নিয়ন্ত্রক। প্রসন্ন বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কিনেছেন বলেও দাবি করেছে ইডি। তারা জানিয়েছে, ওই সমস্ত সম্পত্তি কেনা হয়েছে অত্যন্ত কম দামে। অভিযোগ, এ ভাবে ‘দুর্নীতি’র টাকা কাজে লাগিয়েছেন প্রসন্ন। ইডির দাবি, গ্রেফতারের পর প্রসন্নকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং সংশ্লিষ্ট তদন্তের মাধ্যমে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে। ইডি আরও জানিয়েছে, যে সময়ের মধ্যে এসএসসি নিয়োগে ‘দুর্নীতি’র অভিযোগ উঠেছে, সেই সময়ে প্রসন্নর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে অন্তত ৭০ কোটি টাকা জমা পড়েছে। প্রসন্নই সেই লেনদেন সম্পর্কে জেরার মুখে ইডিকে জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘মমতার পুলিশের সেফ কাস্টডিতে শাহজাহান’’, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    প্রসন্নর ইডি হেফাজত

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রসন্ন রায়ের ছক কাজে লাগানো হয়েছিল। ইডি অফিসাররা তদন্ত করে জানতে পারেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, এসপি সিনহা, জীবনকৃষ্ণ সাহা–সহ শিক্ষা দফতরের একাধিক কর্তাব্যক্তির ঘনিষ্ঠ লোক ছিলেন প্রসন্ন রায়। আগে সিবিআইয়ের চার্জশিটে বলা হয়েছিল, যারা অর্থের বিনিময়ে চাকরি পেয়েছে, তারা এই প্রসন্ন রায়ের হাতেই টাকা দিয়েছে। সেই টাকা এই দুর্নীতির রাঘব বোয়ালদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন প্রসন্ন রায়। কেন্দ্রীয় সংস্থা আদালতে জানায়, এই ‘দুর্নীতি’র শিকড় পর্যন্ত পৌঁছতে প্রসন্ন নিয়ন্ত্রিত সমস্ত সংস্থা নিয়ে বিশদে তদন্ত প্রয়োজন। তাই তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। এর পরেই প্রসন্ন রায়ের ইডি হেফাজতের আবেদন মঞ্জুর করে আদালত। আগামী ৪ মার্চ পর্যন্ত আদালতের নির্দেশে ইডির হেফাজতে থাকবে প্রসন্ন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu On Shahjahan: ‘‘মমতার পুলিশের সেফ কাস্টডিতেই শাহজাহান’’, শুভেন্দুর এই দাবিই তাহলে সত্যি?

    Suvendu On Shahjahan: ‘‘মমতার পুলিশের সেফ কাস্টডিতেই শাহজাহান’’, শুভেন্দুর এই দাবিই তাহলে সত্যি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে ডিজি রাজীব কুমারের রাত্রিযাপনের পরই গ্রেফতার শেখ শাহজাহান। ৫৫ দিন টালবাহানার পর সন্দেশখালি থেকেই গ্রেফতার তৃণমূলের দাপুটে নেতা। তাহলে কি বিরেধীদের দাবিই সত্যি? পুলিশের সুরক্ষিত হেফাজতেই এতদিন কাটিয়েছেন শাহজাহান। রাজ্য পুলিশ জানত কোথায় ছিলেন তিনি। চলছিল শেষ সময়ের দর কষাকষি। শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার আগের দিনই, অর্থাৎ বুধবারই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের সেফ কাস্টডিতে রয়েছেন শেখ শাহজাহান।’’

    কী বললেন শুভেন্দু

    ‘‘পুলিশি হেফাজতেই রয়েছেন শেখ শাহজাহান। আনুষ্ঠানিক গ্রেফতারির আগে তাঁর সঙ্গে দর কষাকষি চলছে পুলিশের।’’ বুধবার দুপুরে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে শুভেন্দুবাবু লিখেছেন, ‘সন্দেশখালির বজ্জাত শেখ শাহজাহান মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে মমতা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তাঁকে বেড়মজুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। তার আগে প্রভাবশালীদের মাধ্যমে মমতা পুলিশের সঙ্গে চুক্তি করেছে সে। চুক্তি অনুসারে পুলিশ ও জেল হেফাজতে থাকাকালীন তাকে পর্যাপ্ত যত্ন আদ্দি করতে হবে। তাকে জেলে থাকাকালীন ৫ তারা বিলাশের ব্যবস্থা করতে হবে। ব্যবহার করতে দিতে হবে মোবাইল ফোন। যার মাধ্যমে সে জেল থেকেই তৃণমূলকে নেতৃত্ব দেবে। এমনকী উডবার্ন ওয়ার্ডে তাঁর জন্য একটা শয্য সব সময় খালি রাখতে হবে। যাতে ইচ্ছা করলেই সেখানে এসে সময় কাটাতে পারে সে’।

    কী ভাবছেন রাজনীতিকরা

    শুধু শুভেন্দু অধিকারী নন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও শহরে এসে স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘শেখ শাহজাহান কোথায়, সব জানে।’ মমতা সরকারকেই নিশানা করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। শাহজাহান শেখের সন্দেশখালির বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডির গোয়েন্দারা ৫ জানুয়ারি হানা দিয়েছিলেন। সেদিন থেকে শাহজাহান নিঁখোজ। প্রায় ৫৫ দিন ধরে বেপাত্তা। অনেকের ধারণা ছিল শাহজাহান বুঝি বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছে। কেউ বা দাবি করছিলেন, শাহজাহান রয়েছে পুজালীতে। কিন্তু বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবিই কিছুটা হলেও সত্য বলে মনে করছেন রাজনীতির কারবারিরা। বুধবার শুভেন্দু যা বলেছিলেন , সেই সন্দেশখালির গ্রাম থেকেই বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতার হলেন শেখ শাহজাহান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Shahjahan Sheikh: সন্দেশখালির ‘হাঙর’ তৃণমূলের শেখ শাহজাহান গ্রেফতার

    Shahjahan Sheikh: সন্দেশখালির ‘হাঙর’ তৃণমূলের শেখ শাহজাহান গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) গ্রেফতার। রাজ্যের শাসক দলের এই ‘অপরাধী’কে ধরতে পুলিশের সময় লাগল ৫৫ দিন। শাহজাহান যে এলাকায়ই গা ঢাকা দিয়েছিলেন, তার প্রমাণ মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। গ্রেফতার করার পরেই তৃণমূলের এই নেতাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বসিরহাট কোর্ট লকআপে। আজ, বৃহস্পতিবারই তাঁকে তোলা হবে আদালতে।

    তৃণমূলের ‘ছেঁদো’ যুক্তি

    শাহজাহানকে ধরার জন্য রাজ্যকে ৭২ ঘণ্টা সময়সীমা দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। সেই মন্তব্যের দুদিন পরই গ্রেফতার সন্দেশখালির এই তৃণমূল নেতা। শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে দেরি হওয়া প্রসঙ্গে আদালতকেই দুষছে তৃণমূল। গত ২৫ তারিখে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “শেখ শাহজাহানকে ধরার ক্ষেত্রে রাজ্যের হাত বেঁধে রেখেছে বিচার ব্যবস্থা।” অভিষেকের আইনি জটিলতা মন্তব্যের বিষয়টি আদালতে উত্থাপন করেছিলেন আদালত বান্ধব জয়ন্ত নারায়ণ। সেই সময় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেছিলেন, “শাহজাহানকে গ্রেফতার না করার জন্য পুলিশকে কোনও নির্দেশই দেওয়া হয়নি। আমরা পুলিশকে বলিনি যে কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না। ইডির মামলায় শুধু সিট গঠনের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল (Shahjahan Sheikh)।”

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের জেলা সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানার গাড়ি ও হোটেল খরচ কত জানেন?

    শাহজাহান বাহিনীর (কু)কীর্তি!

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে নাম জড়ায় তৃণমূলের শাহজাহানের। এর পরেই তাঁর সন্দেশখালির বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যান ইডির আধিকারিকরা। অভিযোগ, শাহজাহানের অনুগামী তৃণমূল কর্মীদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। তাঁদের বাঁচাতে গিয়ে জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। তার পরেই গা ঢাকা দেন শাহজাহান। তৃণমূলের এই নেতা ও তাঁর শাগরেদদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগে সরব হয়েছেন স্থানীয় মহিলারা। নানা অছিলায় স্থানীয়দের জমি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তৃণমূলের এই নেতার দলবলের বিরুদ্ধে। তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে জবকার্ডের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়রা। শাহজাহান বাহিনীর কথা মতো না চললে মারধর, শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ সহ নানা অত্যাচার করা হত বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ, এহেন এক অপরাধী নিশ্চিন্তে ছিলেন তৃণমূলের আশ্রয়ে এবং প্রশ্রয়ে। যার জেরে শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে সময় লাগল প্রায় দু’মাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ইসরোর রকেটের গায়ে চিনের পতাকার ছবি! ডিএমকের ‘কীর্তি’তে কড়া সমালোচনা মোদির

    PM Modi: ইসরোর রকেটের গায়ে চিনের পতাকার ছবি! ডিএমকের ‘কীর্তি’তে কড়া সমালোচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসরোর নয়া রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। শাসক দল ডিএমকের অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল সংবাদপত্রে। তাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের ছবির সঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে চিনের পতাকা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি রকেটের ওপর চাপানো হয়েছে চিনের জাতীয় পতাকার ছবি। পোস্টারের এই ছবি নিয়ে ডিএমকের কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ডিএমকেকে তোপ মোদির

    তিনি বলেন, “সকলে জানেন, ডিএমকে আমাদের সকল প্রকল্প নিজেদের প্রকল্প বলে চালায়। এবার তারা লজ্জা-শরমের সব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। তামিলনাড়ুতে ইসরোর লঞ্চপ্যাডের কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য তারা লাগিয়ে দিয়েছে চিনের পতাকা। ডিএমকের নেতারা অন্ধ হয়ে গিয়েছে। মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের অগ্রগতি তারা দেখতে পাচ্ছে না। ভারতের মহাকাশ গবেষণার সাফল্য বিশ্বকে দেখাতে চায় না তারা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই পোস্টার ছেপে ডিএমকে সরকার বিজ্ঞানীদের অপমান করেছে। ইসরোর অপমান করেছে, মহাকাশ কেন্দ্রের অপমান করেছে।”

    কী বললেন বিজেপি সভাপতি?

    তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাই বলেন (PM Modi), “এই বিজ্ঞাপন ডিএমকের চিনের প্রতি আনুগত্য ও ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ।” তিনি বলেন, “ষাট বছর আগে ইসরো তাদের প্রথম লঞ্চপ্যাডটি করতে চেয়েছিল তামিলনাড়ুতেই। কিন্তু ইসরোর সঙ্গে আলোচনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিএমকে মন্ত্রী বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন মদ্যপ অবস্থায়। তাই লঞ্চপ্যাডটি তৈরি হয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে।” তিনি বলেন, “অতীতের সেই ভুল ঢাকতেই যেনতেন প্রকারে ইসরোর নয়া লঞ্চপ্যাড তৈরির কৃতিত্ব নিতে চাইছে ডিএমকে সরকার।”

    আরও পড়ুুন: এবার মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস! অ্যালকেমিস্ট মামলায় তলব করল ইডি

    প্রসঙ্গত, গত অগাস্টেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ জানিয়েছিলেন, ছোট উপগ্রহ উৎক্ষেপণের জন্য কুলশেখরপট্টিনমে ইসরোকে এই নয়া মহাকাশ বন্দর স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এই নয়া মহাকাশ বন্দর থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ছোট ছোট উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হবে। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ছোট স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করতে খরচ বেশি হয় (PM Modi)।

    বেকায়দায় পড়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়েছে ডিএমকে। ডিএমকের তরফে সাংসদ কে কানিমোঝি বলেন, “আমি জানি না কে এই ছবির ডিজাইন করেছে। আমি মনে করি না যে ভারত চিনকে শত্রু দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। আমি দেখেছি, প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং চিনের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাঁরা মহাবলীপুরমে গিয়েছেন। সত্যটা গ্রহণ করতে আপনারা জানেন না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Assembly: কর্নাটকে রাজ্যসভায় জয়ী কংগ্রেসের নাসির, অনুগামীদের গলায় ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান!

    Karnataka Assembly: কর্নাটকে রাজ্যসভায় জয়ী কংগ্রেসের নাসির, অনুগামীদের গলায় ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি জিতেছেন কংগ্রেসের প্রতীকে। সাংসদ হয়েছেন ভারতের সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার। অথচ দলীয় প্রার্থীর জয়ে উল্লসিত কংগ্রেসের নাসির হুসেনের অনুগামীরা ধ্বনি দিতে শুরু করলেন পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলে (Karnataka Assembly)। অন্তত এমনই অভিযোগ বিজেপির। কর্নাটকের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য গোটা দেশে। কংগ্রেস অবশ্য খারিজ করে দিয়েছে বিজেপির অভিযোগ।

    পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান

    মঙ্গলবার গোটা দেশে রাজ্যসভার ১৫টি আসনে হয় নির্বাচন। এর মধ্যে ছিল কর্নাটকের একটি আসনও। এখানে কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের রাজনৈতিক সচিব নাসির হুসেন। নির্বাচনে জয়ের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নাসির। সেই সময় হঠাৎই পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দিতে থাকেন (Karnataka Assembly) নাসিরের অনুগামীরা। এর কিছুক্ষণ পরেই নাসিরের অনুগামীদের পাকিস্তান-প্রেমের কথার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেন বিজেপির আইটি সেলের সভাপতি অমিত মালব্য। ভিডিওটিতে স্পষ্টই পাকিস্তানের হয়ে গলা ফাটাতে দেখা গিয়েছে নাসিরের অনুগামীদের। তবে এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম

    ‘কংগ্রেসের আবেগ বিপজ্জনক’

    এক্স বার্তায় অমিত জানিয়েছেন, “পাকিস্তানের প্রতি কংগ্রেসের আবেগ বিপজ্জনক। এটা দেশের পক্ষে নিরাপদ নয়। এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামবে বিজেপি।” নাসিরের অনুগামীদের পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগানের নিন্দায় সরব হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর ও কর্নাটকের নেতা সিটি রবি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও শেয়ার করেছেন তাঁরাও।

    আরও পড়ুুন: এবার মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস! অ্যালকেমিস্ট মামলায় তলব করল ইডি

    নাসির ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বেঙ্গালুরু পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন কর্নাটকের বিজেপি নেতৃত্ব। মামলা করা হয়েছে ১৫৩ ধারায়। বুধবার বিধান সৌধের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা। রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারকে বরখাস্ত করার দাবিও জানানো হবে বলে জানান তাঁরা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বলেন, “বিধানসভার মধ্যে নাসির হুসেনের অনুগামীরা পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিয়েছেন। ভিডিওতে তা স্পষ্ট। তার পরেও কংগ্রেস সাংসদ বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।” তিনি বলেন, “কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের ঘনিষ্ঠ নাসির হুসেন। পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান নিয়ে কংগ্রেস কোনও ব্যবস্থা না নিলে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে নামবে বিজেপি (Karnataka Assembly)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Virat Kohli: বিরাট সম্মান! কোহলিকে ম্যানুয়েল ন্যুরের সমতুল্য ঘোষণা করল বায়ার্ন মিউনিখ

    Virat Kohli: বিরাট সম্মান! কোহলিকে ম্যানুয়েল ন্যুরের সমতুল্য ঘোষণা করল বায়ার্ন মিউনিখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব ক্রিকেটে তিনি রাজা। ব্যাট হাতে বাইশ গজে বারবার নিজের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছেন কিং কোহলি (Virat Kohli)। শুধু ম্যাচ জেতানোই নয়, বহু কঠিন পরিস্থিতি থেকেও দলকে জিতিয়েছেন তিনি। তাই তাঁর জনপ্রিয়তা মাত্রা ছাড়িয়েছে প্রতিদিন। ক্রিকেটের বাইরে সম্পূর্ণ ক্রীড়া জগতে তিনি এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। জার্মানির জনপ্রিয় ফুটবল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ এফসি এবার তাঁকে নিয়ে বড় মন্তব্য করল। ৬ বারের ইউইএফএ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী দল দাবি করেছেন যে কিং কোহলি, তাদের দলের কিংবদন্তি গোলরক্ষক ও অধিনায়ক ম্যানুয়েল ন্যুরের সমতুল্য। 

    বিরাট বন্দনা

    সম্প্রতি এক ফুটবলপ্রেমী নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে বায়ার্ন মিউনিখ এফসি দলকে জিজ্ঞেস করেন দুটি আলাদা খেলার অ্যাথলিটদের নাম করতে যারা একে অপরের সমতুল্য। এই প্রশ্নের উত্তরে ক্লাবের তরফ থেকে দেওয়া হয় বিরাট কোহলি ও ম্যানুয়েল ন্যুরের নাম। জনপ্রিয় এই ফুটবল ক্লাবের একাধিক ভারতীয় সমর্থক এই উত্তর দেখেই আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েন। চোখের নিমেষে ভাইরাল হয় ট্যুইট।। সকলেই ক্লাব কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এর জন্য। জার্মান ক্লাবের এই উত্তর দেখে খুশি হয়েছেন বহু ভারতীয় ক্রিকেট দলের সমর্থকও। আগামী ম্যাচগুলির জন্য বায়ার্নকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে কোহলির (Virat Kohli) ভক্তরা।

    কিছুদিন আগে দ্বিতীয়বার বাবা হয়েছেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। গতসপ্তাহে নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে তিনি এই খুশির খবরটি দেন। স্ত্রী অনুষ্কার পাশে থাকার জন্য বর্তমান ক্রিকেট থেকে ছুটি নিয়েছেন কোহলি। তবু বাইশ গজের রাজা তিনি। তাই কবে তিনি ফের বাইশ গজে ফিরবেন তা নিয়ে জের জল্পনা চলছে। আইপিএলের প্রথম পর্বে না হলেও দ্বিতীয় পর্বে নিশ্চয় তাঁকে দেখা যাবে, আশায় কোহলি অনুরাগীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukhwinder Singh Sukhu: হিমাচলে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফার জল্পনা ওড়ালেন সুখবিন্দর, কী বললেন জানেন?

    Sukhwinder Singh Sukhu: হিমাচলে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফার জল্পনা ওড়ালেন সুখবিন্দর, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে বিপদ আঁচ করে মঙ্গলবার রাতেই পদত্যাগ করেছিলেন কংগ্রেস মন্ত্রিসভার সদস্য বিক্রমাদিত্য সিংহ। বুধবার সকালে রটে যায় পদত্যাগ করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু। (Sukhwinder Singh Sukhu)।  তার পরেই তোলপাড় হয় রাজনৈতিক মহলে। সুখবিন্দর কার কাছে পদত্যাগপত্র পাঠালেন, কখনই বা পাঠালেন, তা জানা যায়নি। সুখবিন্দরের পদত্যাগের গুজবের জেরে যখন সরগরম হিমাচলের রাজনীতি, তখন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং বলেন, “পদত্যাগ করিনি। হাল ছাড়ব না। আমি যোদ্ধা। আমার সম্পূর্ণ মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া পর্যন্ত পদেই থাকব।”   

    হার কংগ্রেস প্রার্থীর 

    হিমাচল প্রদেশ বিজেপির হাতছাড়া হয় বছর দেড়েক আগে, বিধানসভা নির্বাচনে। ৬৮টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস জিতেছিল ৪০টিতে। তাদের সঙ্গে ছিল তিন নির্দল প্রার্থীর সমর্থনও। বিজেপির বিধায়ক ছিলেন ২৫জন। এ রাজ্যে রাজ্যসভার একটি মাত্র আসন। কংগ্রেসের প্রার্থী হন আইনজীবী নেতা তথা রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ অভিষেক মনু সিংভি। সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে এই আসনে জেতার কথা ছিল কংগ্রেস প্রার্থীরই। সিংভির প্রতিপক্ষ ছিলেন (Sukhwinder Singh Sukhu) বিজেপির হর্ষ মহাজন। তিনি জিতবেন, এমন আসা অনেকেই করেননি। যদিও ক্রসভোটিংয়ের জেরে হইহই করে জিতে যান হর্ষ। এর পরেই প্রমাদ গোণে কংগ্রেস। খেলা যে ঘুরতে চলেছে তা আঁচ করে ফেলেন কংগ্রেসের থিঙ্কট্যাঙ্করা।

    পদত্যাগ মন্ত্রীর

    পরিস্থিতি আরও ঘোরলো হয় যখন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন মন্ত্রী বিক্রমাদিত্য সিংহ। বিক্রমাদিত্যের আরও একটি পরিচয় হল তিনি হিমাচলের প্রদেশ কংগ্রেস সভানেত্রী তথা লোকসভার সাংসদ প্রতিভা সিংহের ছেলে। দলে বিধায়কদের সঠিক মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন বিক্রমাদিত্য। হিমাচলের রাজনীতির আকাশে যখন অশনি সঙ্কেত, ঠিক তখনই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন পদ্ম নেতারা। তাঁরা আস্থাভোটের দাবি জানান। গুজব ছড়ায়, মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন সুখবিন্দর। যদি তিনি বলেন, “আমায় কেউ পদত্যাগ করতে বলেননি। আমিও পদত্যাগ করিনি। আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেব। আমরা জিতবও। হিমাচলের মানুষ জিতবেন।”

    আরও পড়ুুন: ১০০ টাকায় ক্যান্সারের ওষুধ! গবেষণায় নয়া দিশা দেখাল মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল

    সুখবিন্দরের বিরুদ্ধে ইদানিং যাঁরা সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন ধর্মশালার বিধায়ক সুধীর শর্মা, সুজনপুরের বিধায়ক রাজেন্দ্র রানা। জানা গিয়েছে, এঁরা ছাড়াও ক্রসভোটিং করেছেন কংগ্রেস বিধায়ক ইন্দ্রদত্ত লখনপাল, দেবেন্দ্রকুমার ভুট্টো, রবি ঠাকুর এবং চৈতন্য শর্মা। বিজেপি প্রার্থী হর্ষকে ভোট দিয়েছেন নির্দল তিন বিধায়কও।

    হিমাচলে সরকার বাঁচাতে মরিয়া কংগ্রেস হাইকমান্ড। মুখ্যমন্ত্রী বদল করে হলেও গদি ধরে রাখতে চাইছেন গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব। এহেন আবহে সুখবিন্দরের পদত্যাগের গুজব ছড়ায়। কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর, মুকেশ অগ্নিহোত্রীকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে কংগ্রেস। তবে কংগ্রেস ও নির্দলের ‘বিদ্রোহী’ বিধায়করা তাতে রাজি হবেন কিনা, তা বলবে সময়। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Himachal Pradesh: আস্থা ভোটের দাবি বিজেপির, হিমাচলে পদত্যাগ করলেন কংগ্রেসের মন্ত্রী

    Himachal Pradesh: আস্থা ভোটের দাবি বিজেপির, হিমাচলে পদত্যাগ করলেন কংগ্রেসের মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh) টলমল কংগ্রেস সরকার। এ রাজ্যের একটি মাত্র রাজ্যসভা আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। তার পরেই পদ্মশিবির দেখা করেছে রাজ্যপাল শিবপ্রতাপ শুক্লর সঙ্গে। দাবি জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখার বিরুদ্ধে আস্থাভোটের। এদিকে, রাজ্যসভায় বিজেপি প্রার্থী জয়ী হতেই মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিলেন কংগ্রেস নেতা বিক্রমাদিত্য সিংহ।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে হিমাচল প্রদেশের বিরোধী দলনেতা জয়রাম ঠাকুর বলেন, “জয়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ থাকা সত্ত্বেও আমাদের প্রার্থী হর্ষ মহাজন রাজ্যসভা নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। নীতিগতভাবে কংগ্রেসের এই রাজ্যে আর ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই বিজেপি (Himachal Pradesh) দাবি করেছিল সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে হিমাচলের কংগ্রেস সরকার।

    জয়ী বিজেপি প্রার্থী

    মঙ্গলবার রাজ্যসভা নির্বাচনে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী হর্ষ মহাজন। তিনি পরাস্ত করেছেন কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা  তথা প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ অভিষেক মনু সিংভিকে। হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার আসন সংখ্যা ৬৮। দু পক্ষই ৩৪টি করে ভোট পাওয়ায় লটারির মাধ্যমে নির্ধারিত হয় জয়-পরাজয়। হিমাচল প্রদেশ বিধানসভায় কংগ্রেসের দখলে রয়েছে ৪০টি আসন। তিন নির্দল প্রার্থীর সমর্থনও রয়েছে কংগ্রেসের সঙ্গে। তবে রাজ্যসভার নির্বাচনে ক্রসভোটিং হয়। কংগ্রেসের ছ জন সহ অন্তত নজন বিধায়কের ক্রসভোটিংয়ের জেরে জয় অনায়াস হয় বিজেপি প্রার্থীর। কারণ এ রাজ্যে বিজেপির বিধায়ক রয়েছেন মাত্র ২৫ জন।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মণিপুর নিয়ে শুধু কথা, সন্দেশখালিতে কী হচ্ছে?’’, কলকাতায় এসে প্রশ্ন অর্থমন্ত্রী নির্মলার

    বিজেপির বিরুদ্ধে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী (Himachal Pradesh) সুখবিন্দর বলেন, “আমাদের পাঁচ-ছ জন বিধায়ককে অপহরণ করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী সিআরপিএফ এবং বিজেপি শাসিত হরিয়ানার পুলিশ।”

    এদিকে, এদিন মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়ে বিক্রমাদিত্য বলেন, “মন্ত্রিত্ব আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল হিমাচলের মানুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক।” তিনি বলেন, “সরকার বিধায়কদের উপেক্ষা করেই কাজ করছে। তাঁদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে (Himachal Pradesh)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Cancer Research: ১০০ টাকায় ক্যান্সারের ওষুধ! গবেষণায় নয়া দিশা দেখাল মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল

    Cancer Research: ১০০ টাকায় ক্যান্সারের ওষুধ! গবেষণায় নয়া দিশা দেখাল মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যান্সার আক্রান্তদের (Cancer Research) নতুন দিশা দেখাচ্ছে ভারতের টাটা ইন্সটিটিউট। ১০ বছর ধরে গবেষণার পর ওষুধ আবিষ্কার করেছেন ভারতীয় চিকিৎসকেরা। মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল সেন্টারের তরফে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় বার ক্যান্সারের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে একটি ওষুধ আবিষ্কার করেছে তারা। রেডিয়েশন এবং কেমোথেরাপির মতো চিকিৎসার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেবে ওই ওষুধ। 

    কীভাবে কাজ করবে নয়া ওষুধ

    টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালের সিনিয়র ক্যান্সার (Cancer Research) সার্জন রাজেন্দ্র বড়ভে সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে জানান, “গবেষণার জন্য ইঁদুরের মধ্যে মানুষের ক্যান্সার কোষ ঢোকানো হয়েছিল। এই কোষ তাদের মধ্যে একটি টিউমার তৈরি করে। তখন ইঁদুরগুলিকে রেডিয়েশন থেরাপি, কেমোথেরাপি ও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। দেখা গিয়েছে, এই ক্যান্সার কোষগুলি মারা গেলে সেগুলি ক্রোমাটিন নামক ক্ষুদ্র কণায় টুকরো হয়। এই কণাগুলি রক্তের মাধ্যমে শরীরের অন্য অংশে যেতে পারে এবং সুস্থ কোষকে ক্যান্সারে পরিণত করতে পারে। এই ভাবে দ্বিতীয় বার ক্যান্সার হওয়ার পথ কী ভাবে রোখা যায়, তার সমাধান খুঁজতে শুরু করেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা ইঁদুরকে রেসভিরাট্রল এবং কপার-সহ প্রো-অক্সিডেন্ট ট্যাবলেট দেন। দেখা যায়, এই ট্যাবলেট ক্রোমাটিন কণাকে ধ্বংস করতে সক্ষম হচ্ছে।” 

    কত টাকায় মিলবে ওষুধ

    ক্যান্সার (Cancer Research) নাম শুনলে সকলেরই হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। অভাবের সংসারে অনেকে চিকিৎসার করানোর কথা ভাবতেই পারেন না। গবেষক বড়ভে জানান, ক্যান্সার চিকিৎসার খরচ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে কোটি টাকাও ছাড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু এই নতুন ট্যাবলেটটি সর্বত্র ১০০ টাকায় পাওয়া যাবে। এই ওষুধ কাজ করবে ফুসফুস, পাকস্থলী ও মুখের ক্যান্সারেও। আপাতত এফএসএসআই (Food Safety and Standards Authority of India)-র অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে এই ওষুধ। অনুমোদন পেলে চলতি বছরের জুন-জুলাই মাস থেকেই সেটি ব্যবহার করা সম্ভব হবে। আধুনিক চিকিৎসায় ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব হলেও জটিলতা বাড়ায় ‘সাইড এফেক্ট’। সুস্থ হওয়ার পরও কঠিন হয়ে ওঠে বেঁচে থাকাটাই। মারণ ব্যাধিকে জব্দ করতে নিরন্তর গবেষণা চলছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। এবার ক্যান্সার নিয়ে গবেষণায় নতুন আলো দেখাল মুম্বইয়ের টাটা ক্যান্সার ইনস্টিটিউট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share