Tag: Madhyom

Madhyom

  • Panchayat Vote: এলাকায় পোস্টার “নো ব্রিজ নো ভোট”, পঞ্চায়েত ভোটের আগে শুরু রাজনৈতিক তরজা

    Panchayat Vote: এলাকায় পোস্টার “নো ব্রিজ নো ভোট”, পঞ্চায়েত ভোটের আগে শুরু রাজনৈতিক তরজা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ব্রিজের দাবিতে ভোট বয়কটের ডাক দিয়ে পড়ল পোস্টার। আর তাকে ঘিরে শোরগোল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের কেশেডাল এলাকায়। এই গ্রামের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী ভগবন্তপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের চৈতন্যপুরে শিলাবতী নদীর উপর স্থায়ী ব্রিজ তৈরির দাবিতেই এই পোস্টার বলে জানা যায়। পোস্টারে ‘গ্রামবাসীবৃন্দ’-এর নাম উল্লেখ করা হলেও তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর। পোস্টারে উল্লেখ রয়েছে, ‘নো ব্রিজ নো ভোট’, ‘আর প্রতিশ্রুতি চাই না। এবার ব্রিজ চাই, নইলে ভোট বয়কট’ (Panchayat Vote)। আবার কোনও পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘অনেক হল বোকা বানানো আর নয়, ব্রিজ দাও ভোট নাও’।

    নদী পারাপারে ভরসা কাঠের পোল

    জানা যায়, ভগবন্তপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের চৈতন্যপুরে শিলাবতী নদী ও চাষিবাড় এলাকায় কেঠিয়া নদীর উপর স্থায়ী কংক্রিটের ব্রিজ তৈরির দাবি জানিয়ে আসছেন চৈতন্যপুর, কেশেডাল সহ একাধিক গ্রামের মানুষ। দীর্ঘ প্রায় ৪৫ বছর ধরে সরকারের কাছে দাবি জানানো হলেও বাস্তবে কিছুই হয়নি। এমনকী বর্তমান তৃণমূল সরকারের জমানাতেও স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি থেকে জেলা এবং রাজ্যস্তরে তদ্বির করেও ব্রিজের দাবি পূরণ হয়নি। ভগবন্তপুর-১ ও ভগবন্তপুর-২, এই দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে শিলাবতী ও কেঠিয়া নদী। ভগবন্তপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কেশেডাল, কমরপুর, দেউলবেড়িয়া, গদাধরপুর, ভগবন্তপুর, খিরেটি সহ একাধিক গ্রামের সংযোগকারী শিলাবতী নদী পারাপারে ভরসা কাঠের পোল। বর্তমানে এই পোলের উপর দিয়ে যাতায়াত করেন দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের (Panchayat Vote) ২০-২৫ টি গ্রামের বাসিন্দারা। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী হুগলি জেলার সঙ্গেও সংযোগ রয়েছে চৈতন্যপুরের এই কাঠের পোলের। 

    কাঠের সেতু ভেঙে গেলেও সারানো হয়নি

    জানা যায়, শিলাবতী ও কেঠিয়া নদী পারাপারের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে কয়েক বছর আগে লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে চারটি কাঠের সেতু তৈরি করা হয়। কিন্তু বিগত বছর দুই আগে বন্যায় জলের তোড়ে তিনটি সেতু ভেঙে যায়। এখনও তা মেরামত বা নতুন করে তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিন স্কুল, কলেজ থেকে জরুরি পরিষেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন পেশার হাজারো মানুষকে এইসব এলাকায় নদী পারাপারে চরম হয়রানির শিকার হতে হয়। বন্যার সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠে। গ্রামের মানুষ নিজ উদ্যোগে অস্থায়ী সাঁকো বানিয়ে নদী পারাপারের বন্দোবস্ত করে। ভগবন্তপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের চৈতন্যপুর ও চাষিবাড় এলাকায় দুটি স্থায়ী কংক্রিটের ব্রিজ তৈরির জন্য বিগত ৪৫ বছর ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন এলাকাবাসীরা। লিখিত আকারে বিভিন্ন দফতরে সেই দাবিপত্র পেশ করা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই চৈতন্যপুর ও চাষিবাড় এলাকায় কংক্রিটের ব্রিজের দাবিতেই ভোট (Panchayat Vote) বয়কটের ডাক দিয়ে এই পোস্টারিং বলে জানাচ্ছেন একাধিক গ্রামের মানুষ।

    শাসক-বিরোধী তরজা শুরু

    ভোটের আগে এই পোস্টারিংকে ঘিরে শাসক-বিরোধী তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপির দাবি, গ্রামবাসীদের দাবি ন্যায্য। তারা তাদের পাশে থেকে আন্দোলন করবে এবং পঞ্চায়েত ভোটে এই ব্রিজের দাবিকে হাতিয়ার করে প্রচারে নামবে। অপরদিকে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতারা এই পোস্টারিংয়ের পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে বলে দাবি করেছেন। তাঁদের দাবি, গ্রামবাসীদের নাম করে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে বিজেপিই এই পোস্টারিং করেছে। মানুষ সরকারের উন্নয়নের সঙ্গেই রয়েছে বলে দাবি তাঁদের। সামনে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Vote)। তার আগে ব্রিজের দাবিকে ঘিরে ভোট বয়কটের ডাক দিয়ে এলাকায় পোস্টারিং অস্বস্তিতে ফেলেছে শাসকদলকে, এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Google Password: ‘পাসওয়ার্ড’ নয়! গুগল অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করতে এবার লাগবে ‘পাস কি’

    Google Password: ‘পাসওয়ার্ড’ নয়! গুগল অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করতে এবার লাগবে ‘পাস কি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাসওয়ার্ড (Google Password) মনে রাখার দিন শেষ। এমনটাই জানা গেল গুগলের তরফ থেকে। পরিবর্তে এল ‘পাস কি’। গুগলে ইমেল অ্যাকাউন্ট খোলার সময় থেকেই দরকার পড়ে পাসওয়ার্ড (Google Password)। সময় যত এগিয়েছে ততই কাজের পরিধির সঙ্গে বেড়েছে ইমেল ব্যবহার। একাধিক কাজের জন্য তৈরি করতে হয় একাধিক ইমেল। ব্যবহারকারীদের সেসব পাসওয়ার্ড (Google Password) মনে রাখতে হয়। অনেকে আবার পাসওয়ার্ড লিখে রাখেন। এবার এসব ঝামেলা থেকে রেহাই পেতে চলেছেন ব্যবহারকারীরা।

    পাস কি…

    অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনে লক খুলতে যেভাবে আমরা ফিঙ্গার প্রিন্ট, ফেস স্ক্যান, পিন ব্যবহার করি। এটাই হল পাস কি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা অনেক সহজ এবং নিরাপদ। মনে রাখার কোনও ঝামেলা যেমন নেই, তেমনি পাসওয়ার্ড প্রতারকদের হাতে যাওয়ার বা হ্যাক হওয়ার মতোও কোনও সমস্যা নেই। গুগলের তরফে জানা গেছে, আপাতত পাসওয়ার্ড (Google Password) এবং পাস কি একসঙ্গেই কাজ চালাবে। প্রসঙ্গ, ফি বছর মে মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার সারা বিশ্বজুড়ে পালিত পাসওয়ার্ড ডে (Google Password)। চলতি বছরে তা ৪ মে পালন হল। এদিনই গুগলের তরফ থেকে নতুন এই ঘোষণা সামনে এল। ইতিমধ্যে নতুন এই ফিচার চালু হয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে। আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করতে গেলেই এখন এই অপশনটি দেখাবে গুগল। তবে সংস্থার তরফে এও জানানো হয়েছে আপাতত শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রেই এই পরিষেবা মিলবে, পরে কোম্পানি অ্যাকাউন্টে জুড়বে এই সুবিধা।

    গতবছর থেকেই কাজ শুরু করে গুগল

    জানা গিয়েছে, গত বছর থেকেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে উদ্যোগ নেয় গুগল। সেইমতো সংস্থার কর্তারা অ্যাপেল এবং মাইক্রোসফটের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন, পাস কি চালুর ব্যাপারে যাতে সাইন-ইন আরও নিরাপদ হয়। চলতি বছরের পাসওয়ার্ড ডে থেকেই চালু হয়ে গেল গুগলের নতুন ফিচার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Buddha Purnima: বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনই হয় মা উলাইচণ্ডী পুজো! বীরনগরে এই পুজোর ইতিহাস জানেন?

    Buddha Purnima: বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনই হয় মা উলাইচণ্ডী পুজো! বীরনগরে এই পুজোর ইতিহাস জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চণ্ডী মঙ্গলের বণিক খণ্ডের কাহিনী মনে আছে? সওদাগরের বাণিজ্যতরী ডুবে যাওয়া আর শেষপর্যন্ত দেবী চণ্ডীর পুজো করে চরম বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়ার গল্পটা? বুদ্ধ পূর্ণিমার (Buddha Purnima) সকালে নদিয়ার ‘উলা’-র মাটিতে এসে দাঁড়ালে সে কাহিনীতে একদম ডুবে যেতে পারেন আপনিও। লোকসংস্কৃতির এক প্রাচীন ধারাকে ছুঁতে তো পারবেনই, ব্যক্তিগত ধর্ম বিশ্বাস থাকলে পেয়ে যেতে পারেন দেবী চণ্ডীর আশীর্বাদও। 

    কীভাবে শুরু হল মা উলাই চণ্ডীপুজো?

    চণ্ডী মঙ্গলের এই কাহিনীর রেশ ধরেই জনশ্রুতি রয়েছে, উজানী নগর থেকে ত্রিবেণী যাওয়ার পথে এই উলা গ্রামে এসে বড় দুর্যোগের মধ্যে পড়েছিলেন ধনপতি সওদাগরের পুত্র শ্রীমন্ত সওদাগর। তখন এ গাঁয়ের পাশ দিয়েই নাকি গঙ্গা বইত। কুলীন বণিক ধনপতি ছিলেন শিবের উপাসক। কোন মতেই দেবী চণ্ডীর পুজো করতে চাইতেন না। এদিকে দেবী তার হাত দিয়ে পুজো পেতে নানা ছলনার আশ্রয় নিয়েছিলেন। উলা গাঁ অবশ্য জড়িয়ে আছে ধনপতিপুত্র শ্রীমন্তর গল্প ঘিরে। বড় রকমের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে পড়েও শ্রীমন্তের বাণিজ্য তরী শেষপর্যন্ত রক্ষা পেয়েছিল দেবী চণ্ডীর পুজো করেই। কী করে তিনি এ দেবীর ভক্ত হয়ে উঠেছিলেন সে গল্প শোনা যায় কান পাতলেই। গাছ তলায় বসে তিনি এক খন্ড শিলাকে দেবী চণ্ডী রূপে পুজো করেছিলেন।

    পুজোকে কেন্দ্র করে বসে মেলা

    অনেক পরে নদিয়া রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় সেই শিলা খন্ডে নিয়মিত পুজোর ব্যবস্থা হয়। আর এখন চন্ডী মাতা পুজো কমিটির হাতে এই প্রাচীন পুজোর ভার। প্রাচীন বট অশ্বত্থের সারির মাঝেই বর্তমানে বাঁধানো অবস্থায় আছে দেবীর বেদি তল। বুদ্ধ পূর্ণিমার (Buddha Purnima) দিন  কাক ভোর থেকে পুজো শুরু হয়। আর পুজো ঘিরে বেশ বড় এলাকা জুড়ে মেলা। তবে একবেলার মেলা। বলি প্রথা কবে থেকে যুক্ত হল তা অবশ্য সঠিক ভাবে জানা যায় না। সে প্রথা আজও টিকে। একবেলাতেও মেলা শেষ হয়ে যাওয়ায় মনোকষ্টও ছিল স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের। তাই চন্ডী পুজোর শেষে কোথাও বিন্ধ্যবাসিনি , কোথাও মহিষমর্দিনি ইত্যাদি দেবীর চারদিনের পুজো শুরু হয়। সেখানেও বসে যায় মেলা। এই মৃন্ময়ী দুর্গা পুজোগুলোও শতাধিক বছরের পুরনো।

    কীভাবে যাবেন?

    গল্প কাহিনী থেকে মেলার কথা সবই তো শোনা হল। এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন ‘উলো’ জায়গাটা নদিয়ার ঠিক কোথায়? কিভাবেই বা যাবো? ‘উলা’ বা ‘উলো’ গ্রাম নামটা অনেক পুরোনো। পুরানো উলা গ্রামই এখন বীরনগর। নদিয়ার এই পুর শহরের নামটা বললে চিনতে অসুবিধে হয় না। শিয়ালদহ কৃষ্ণনগর ট্রেন লাইনে রানাঘাট ও কৃষ্ণনগরের মাঝের একটি স্টেশন বীরনগর। বীরনগর স্টেশন থেকে উলাই চণ্ডীতলা এক কিমি তো বটেই। তবে বুদ্ধ পূর্ণিমার (Buddha Purnima) দিন সকালে স্টেশন সংলগ্ন বাস রাস্তা থেকে সোজা পথে চন্ডীতলায় যেতে হলে প্রায় আধ ঘন্টা হেঁটে জনস্রোত ঠেলে ঠেলে সেখানে পৌঁছাতে পারা যাবে। ঘুর পথে অবশ্য টোটো পাওয়া যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: কমিশনের কোর্টে বল ঠেলে ভোট-পরবর্তী হিংসার দায় এড়িয়েছিলেন তিন-তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী!

    Post Poll Violence: কমিশনের কোর্টে বল ঠেলে ভোট-পরবর্তী হিংসার দায় এড়িয়েছিলেন তিন-তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী!

    ঠিক দু-বছর আগের কথা। ২০২১ সালের ২ মে। কোভিড দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাজ্যে। কিন্তু তাতে কী। শাসক তৃণমূল তখন ফের ‘মধুভাণ্ড’ ফিরে পাওয়ার নেশায় বুঁদ। ভোটের ফলে যখন পরিষ্কার হয়ে গেল, তৃতীয়বারের জন্য মসনদের দখলদারি তাদের হাতেই থাকছে, তখনই যেন বেরিয়ে পড়ল নখ-দন্ত। বিরোধীদের অভিজ্ঞতা অন্তত তেমনটাই। তাদের অভিযোগ, বিজয়োল্লাসের নামে শুরু হয়ে গেল প্রতিপক্ষকে ‘টাইট’ দেওয়ার কাজ। তাদের স্মৃতিতে ভাসছে, চটুল গান, অশ্রাব্য গালিগালাজ, অভব্য অঙ্গভঙ্গি, রাস্তার দোকানে ভাঙচুর এবং বিরোধী দলের কর্মীদের প্রতি হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড-কিছুই বাদ যায়নি। ভয়ঙ্কর সেইসব ঘটনা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের অষ্টম পর্ব।

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা রাজ্যজুড়ে ঘটে চলা সন্ত্রাসের (Post Poll Violence) তথ্য এবং কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়ে তৎকালীন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিপি-কে ৮ মে ডেকে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। কিন্তু রাজভবনে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে ব্যর্থ ছিলেন তাঁরা। রাজ্যপাল ১৪ মে এবং ১৫ মে হিংসা (Post Poll Violence) কবলিত এলাকা শীতলকুচি, আলিপুরদুয়ার, অসমের রিলিফ ক্যাম্প এবং নন্দীগ্রাম অঞ্চল পরিদর্শন করেন। শিলিগুড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন অসম, তামিলনাড়ু, পুদুচেরিতে নির্বাচনে একটাও হিংসার ঘটনা ঘটেনি। সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে নব নির্বাচিত শাসকদলের তরফে কোনও রক্তক্ষয়ী আক্রমণ করা হয়নি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে শুধুমাত্র ভোট দেওয়ার অপরাধেই নবনির্বাচিত শাসকদলের হিংসাত্মক আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে বহু মানুষকে। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর রিপোর্ট চেয়ে ৮ জুন নবনিযুক্ত তৎকালীন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে ডেকে পাঠান রাজ্যপাল। উল্লেখ্য, মুখ্যসচিবও নিজে কোনও প্রকার তথ্য দিতে ব্যর্থ ছিলেন।

    মানবিক ছিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনও 

    ২ জুলাই হাইকোর্ট পশ্চিমবঙ্গে হিংসার (Post Poll Violence) সঠিক তদন্তের জন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বিশেষ কমিটি গঠন করে। কমিশন ২০ দিনে ৩১১টি স্থান পরিদর্শন করে। মোট পঁচিশ হাজার মানুষের প্রায় ১৬৫০টি অভিযোগ জমা পড়ে। সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটির কাছে ভোট-পরবর্তী হিংসার (Post Poll Violence) প্রায় ৯৯৪৯ জনের ৩১৫টি অভিযোগ জমা পড়ে। মানবাধিকার কমিশন বলে, মহিলা নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৫৭টি। ২ মে-র পর তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা উচ্চস্বরে ডিজে বাজিয়ে লাঠি, বাঁশ, কাঠ, রড, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সর্বত্র লুটপাট, ধর্ষণ, হত্যা ভাঙচুর চালায়। কমিশন বলে, যাদবপুর, মালদা, চাপড়া, কোচবিহারে শাসকদলের দুষ্কৃতীরা মানবাধিকার কমিশনের সদস্যের উপরও হামলা করে। সবথেকে বেশি রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা হয় কোচবিহার, বীরভূম, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। ২৩টি জেলায় মোট ১৯৭৯টি হিংসার ঘটনা ঘটে। তথ্য দিয়ে কমিশন বলে, পুলিশ ৯৩০৪ জন অভিযুক্তের নামে এফআইআর দায়ের করেছিল। এর মধ্যে ১৩৫৪ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। আবার অভিযুক্তদের ১০৮৬ জন জামিনে মুক্ত হয়েছিল। খুব স্পষ্ট করে কমিশন বলে, মোট অভিযুক্তদের ১৪ শতাংশকে গ্রেফতার করে পুলিশ এবং তার মধ্যে ৮০ শতাংশ জামিনে মুক্ত হয়। কমিশন রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। কমিশনের সদস্যা ডঃ শ্রীমতী রাজুলবেন দেশাই ৭ জেলা পরিদর্শন করে মোট ৪২৫ জন আক্রান্ত মহিলার চরম ভয়াবহ নির্যাতনের কথা তুলে ধরেন।

    হাইকোর্টের আদেশে তদন্তে সিবিআই ও সিট

    পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসার বিষয়ে মানবাধিকার কমিশন, শিশু সুরক্ষা, নারী সুরক্ষা, তফশিলি জাতি-উপজাতি কমিশন এবং আদালতের পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে হাইকোর্ট ১৯ অগাস্ট ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল। বলেছিল, এই তদন্ত হবে দ্বিমুখী। ভোট পরবর্তী হিংসার (Post Poll Violence) মামলার তদন্ত করবে সিবিআই, আর বাকি মামলার তদন্ত করবে সিট। ৩৩৮৮৭টি মামলার মধ্যে ১০০০ মামলায় রাজ্য পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। ধর্ষণ, খুন, লুট মামলার বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছে কোনও খবরই নেই বলে দাবি করা হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনও রাজ্য সরকারের দায়বদ্ধতার বিষয়ে বিশেষ কোনও সক্রিয়তা দেখায়নি। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল মন্তব্য করেছিলেন “অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য প্রশাসনকে নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাখা হয়। তার মানে এই নয় যে সাধারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজ পুলিশ বন্ধ করে দেবে’’।

    কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

    তৃতীয়বারের জন্য শপথ নেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছিলেন, “যে সময়কার অত্যাচারের (Post Poll Violence) কথা বলা হচ্ছে, তখনও নির্বাচন কমিশনের অধীনে ছিল প্রশাসন, আমার অধীনে ছিল না। গত তিনমাস ধরে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।” বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, হিংসার দায়ভার সম্পর্কে তিন-তিনবারের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবের পাঠানো এক চিঠির মধ্যেও রাজ্য সরকারকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছিল, হিংসা ঠেকাতে রাজ্য কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। রাজ্য থেকে দ্রুত রিপোর্ট না পেলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। উল্লেখ্য, এতে স্পষ্ট বোঝা গিয়েছিল, রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা কতটা নিষ্ক্রিয় ছিল। আজ পশ্চিমবঙ্গের ভোট-পরবর্তী হিংসার দু-বছর পার হয়ে গেল। অনেক হিংসার ঘটনাই বিচারাধীন। অনেক বিরোধী রাজনৈতিক সমর্থক ঘরছাড়া। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, হিংসা, হানাহানি, মারামারি, খুন, ধর্ষণ, লুটপাট কিন্তু এখনও রোজ খবরের শিরোনামে।  (শেষ)

     

    পর্ব ১: গলায় সিসিটিভি-র তার পেঁচিয়ে, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছিল অভিজিৎ সরকারকে!

    পর্ব ২: ৩-৪ মাসে খুন ৬২ জন, দুষ্কৃতীরা ছাড়েনি অন্তঃসত্ত্বাকেও!

    পর্ব ৩: ৪০ হাজার ঘরবাড়িতে লুটপাট, এক লক্ষ পরিবার ঘরছাড়া, হামলা চলেছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কনভয়েও!

    পর্ব ৪: ছেলে বিজেপি করে, এই ‘অপরাধে’ই কি নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল মাকে!

    পর্ব ৫: পলাশকে খাটের নিচ থেকে খুঁচিয়ে বের করে নৃশংসভাবে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা!

    পর্ব ৬: এমএ পাশ অরূপকে অকালে চলে যেতে হয়েছিল শুধুমাত্র বিজেপির বুথ এজেন্ট ছিলেন বলে?

    পর্ব ৭: দরিদ্র চাষিকে রাজনৈতিক মত প্রকাশের মূল্য দিতে হয়েছিল নিজের জীবন দিয়ে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: এবার মালদহ! অভিষেক চলে যেতেই প্রার্থী বাছাই ঘিরে তুুমুল বিশৃঙ্খলা, প্রকাশ্যে কোন্দল

    Abhishek Banerjee: এবার মালদহ! অভিষেক চলে যেতেই প্রার্থী বাছাই ঘিরে তুুমুল বিশৃঙ্খলা, প্রকাশ্যে কোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরের পর এবার মালদহের ইংরেজবাজার। এই জেলায় নবজোয়ার কর্মসূচির শেষ দিনে ইংরেজবাজারের সুস্থানী এলাকায় ব্যালট পেপার দিয়ে প্রার্থী বাছাই-এর প্রক্রিয়া শুরু হতেই তুমুল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাই নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। পরে, তাঁরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) চলে যাওয়ার পর পরই ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ব্যাপক গণ্ডগোল হয়। এই ঘটনার আগেই বৃহস্পতিবার দুপুরে ইংরেজবাজার থানার বিনোদপুর অঞ্চলের সাতটারি এলাকায় অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় ঘিরে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখান। তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ এনে এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই প্রার্থী বাছাই নিয়ে গণ্ডগোলের জেরে তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল।

    ঠিক কী নিয়ে গণ্ডগোল?

    এদিন অভিষেক (Abhishek Banerjee) সভা করার পর ইংরেজবাজার ব্লকের সব বুথে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু হয়। যদিও এই কর্মসূচি শুরু করে দিয়ে অভিষেক (Abhishek Banerjee) চলে যান। জেলা নেতৃত্বের উপস্থিতিতে চলছিল ভোটদান পর্ব। অভিযোগ, ইংরেজবাজার ব্লকের কাজিগ্রাম পঞ্চায়েতের নওদা বাজার এলাকার ৪৬ নম্বর বুথের সভাপতি তাহির মহালদারের নাম বুথ কমিটির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। জনসংযোগ যাত্রায় ভোট দান করতে গিয়ে অঞ্চল সভাপতি দেখেন লিস্টে বুথ সভাপতির নাম নেই। বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন উপস্থিত তৃণমূল কর্মীরা। ভোটদান প্রক্রিয়া বন্ধ রেখেই দুপক্ষের মধ্যে বচসা চলে। পরে, হাতাহাতি হয়। জেলা নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। গণ্ডগোলের জেরে এই বুথের প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    কী বললেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা?

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, নিয়ম মেনে সব কিছু হওয়ার দরকার। এলাকার মানুষ বুথের সভাপতিকে প্রার্থী হিসেবে চেয়েছিলেন। কিন্তু, ভোট দেওয়ার সময় দেখা যায় বুথ সভাপতির নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আসলে মালদহ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ প্রতিভা সিংহ ষড়যন্ত্র করে এই কাজ করেছে। এরপরই আমরা ক্ষোভে ফেটে পড়ি।

    কী বললেন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ?

    যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ প্রতিভা সিংহ। তিনি বলেন, কারও নাম বাদ দেওয়া হয়নি। আর তালিকায় একাধিক নাম থাকতেই পারে। কোনও গণ্ডগোল হয়নি। আসলে যাদের সঙ্গে কোনও মানুষ নেই, তারা এই ধরনের অভিযোগ করছে। এসব করে কোনও লাভ নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত সেই তৃণমূল নেত্রীকে আইনি নোটিশ পাঠাল পুলিশ, জেলাজুড়ে শোরগোল

    TMC: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত সেই তৃণমূল নেত্রীকে আইনি নোটিশ পাঠাল পুলিশ, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল (TMC) নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে আইনি নোটিশ পাঠাল পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে দেখা করতে বলা হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে দেখা করতে বলা হয়েছে তাঁকে। এপ্রিল মাসের প্রথমদিকে তিন আদিবাসী মহিলাকে প্রায় ১ কিলোমিটার পথ দণ্ডি কেটে এসে যেভাবে তৃণমূলে (TMC) যোগ দিতে হয়, সেই ঘটনায় প্রদীপ্তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই অভিযোগ করেছিল বিরোধীরা। দলও যে বিষয়টি ভালভাবে নেয়নি, তা প্রথম থেকেই বোঝা যাচ্ছিল। দণ্ডিকাণ্ডের প্রায় এক মাস পর পুলিশি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে চলেছেন অভিযুক্ত এই নেত্রী। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছেন তদন্তকারী অফিসার। পুলিশ সূত্রে খবর, তিন আদিবাসী মহিলার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়। এরপর দণ্ডিকাণ্ডে দু’জনকে গ্রেফতারও করা হয়। পরবর্তীতে ভিডিয়ো ফুটেজ সংগ্রহ করে চলে তদন্ত। এবার আরও কিছুটা বিপাকে পড়লেন তিনি। দলীয় পদ খোয়ানোর পর এবার আইনি নোটিশ পাঠানো হল তাঁকে। ভিডিয়ো ফুটেজের ভিত্তিতে এই আইনি নোটিস পাঠাল পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও এনিয়ে জেলা পুলিশ সুপার রাহুল দে বলেন, বিচারাধীন বিষয় হওয়ায় এনিয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) জেলা নেতৃত্ব?

    সম্প্রতি দক্ষিণ দিনাজপুরে জনসংযোগ কর্মসূচিতে গিয়ে দণ্ডিকাণ্ডের তিন আদিবাসী মহিলার সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে বালুরঘাট পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, আগেই তৃণমূলের (TMC) দক্ষিণ দিনাজপুর সাংগঠনিক জেলার মহিলা সভানেত্রী পদ খোয়ান তিনি। পুলিশি নোটিশ পাঠানো নিয়ে তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, এটাই তৃণমূল কংগ্রেস। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিন পুলিশ আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে। পুলিশ ভাল ভাবে কাজ করছে। দলকে সাধুবাদ জানাবো। আগামী দিনও দলের ঊর্ধ্বে গেলে পরে তাঁর বিরুদ্ধে এমনই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কী বললেন বিজেপি-র জেলা নেতৃত্ব

    এনিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপির জেলা সম্পাদক বাপি সরকার। তিনি বলেন, শুধুমাত্র আইনি নোটিশ পাঠানো নয়, অভিযুক্তকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে এসসি-এসটি আইন লাগু করতে হবে। তৃণমূল (TMC) নেতার নির্দেশ ছাড়া পুলিশ কোন কাজ করে না, সেটা আবারও প্রমাণিত হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: অভিষেক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে সিবিআই হানা, কী মিলল?

    CBI: অভিষেক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে সিবিআই হানা, কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বারাকপুর পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জয়দীপ দাসের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা অভিযান চালান। জয়দীপ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত। টানা প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে তাঁর বাড়িতে চলে তল্লাশি। জানা গিয়েছে, সকাল ন’টায় ওই নেতার বাড়িতে আসে সিবিআই (CBI)। বিকেল তিনটে নাগাদ তাঁরা বেরিয়ে যান। তবে, সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁরা কোনও কথা বলতে চাননি।

    কী বললেন তৃণমূলের কাউন্সিলর?

    সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা চলে যাওয়ার পর জয়দীপ দাস বলেন, ঘুম থেকে উঠেই দেখি বাড়িতে সিবিআই (CBI) এসেছে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত সূত্র ধরেই তারা এদিন আমার বাড়িতে এসেছিল। আসলে তৃণমূল করি বলেই এসব হচ্ছে। আমি সমস্তরকমভাবে তাদের সহযোগিতা করেছি। আমার বাড়িতে এবং অফিসে ওরা তল্লাশি চালায়। সমস্ত কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। আমার দুটি ফোন আর আমার স্ত্রীর একটি ফোন তারা খতিয়ে দেখেছে। আর বাড়ি থেকে দুটি কাগজ নিয়ে গিয়েছে। তাতে পাড়ার দুজনের বায়োডেটা ছিল। এর বেশি কিছু তারা নিয়ে যায়নি।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন আপ্ত সহায়কের বাড়িতে সিবিআই (CBI) হানা

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে নিউ বারাকপুরের দক্ষিণ মাসুন্দার জগদীশ বসু রোডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক সুকান্ত আচার্যের বাড়িতেও সিবিআই (CBI) হানা হয়। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআইয়ের এই হানা বলে এই সূত্রে জানা গিয়েছে। সিবিআই বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় সুকান্তবাবু বাড়িতেই ছিলেন। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সুপারিশ নথি সহ বিভিন্ন কাগজপত্র সিবিআই আধিকারিকরা খতিয়ে দেখেন। সকাল থেকে তাঁকে ম্যারাথন জেরা করা হয়। সকাল ৯ টা থেকে দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত সিবিআই তল্লাশি চালায়। তাঁর আয়-ব্যয়ের হিসাব সম্পত্তির পরিমাণ সহ একাধিক বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির অন্যতম সদস্য সুকান্ত আচার্যকে। এর আগেও দুর্নীতিকাণ্ডে নিজাম প্যালেসে ইডি হেফাজতে একাধিকবার জেরা করা হয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন এই আপ্ত সহায়ককে। সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা সুকান্তবাবুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চলে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সামনে কোনও কিছু বলতে চাননি। সুকান্তবাবুর পরিবারের এক সদস্য বলেন, সিবিআইকে (CBI) সবরকম সহযোগিতা করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয় আটকে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, কেন জানেন?

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয় আটকে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবজোয়ার যাত্রায় উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভায় ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এমনকী যুবরাজের সামনেও ব্যালট লুঠ হওয়ার সাক্ষী রয়েছেন উত্তরবঙ্গবাসী। তার জের কাটতে না কাটতেই এবার গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন অভিষেক। তৃণমূলের প্রধান, উপপ্রধান এবং ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অভিষেকের কনভয় আটকে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। কনভয় থেকে নেমে দলীয় নেতাদের অপকর্মের কথা যুবরাজকে হজম করতে হল। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে ইংলিশবাজার থানার বিনোদপুর অঞ্চলের সাতটারি এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রীর মালদা সফরের মধ্যেই অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় আটকে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ?

    বৃহস্পতিবার মোথাবাড়িতে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সভা ছিল। এদিন দুপুরে ইংলিশবাজার ব্লকের সাতটারি এলাকা দিয়ে তাঁর কনভয় মোথাবাড়ির জনসভার উদ্দেশে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় সাতটারি এলাকায় অভিষেকের কনভয় আটকে এলাকাবাসীরা বিক্ষোভ দেখান। গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে অভিষেক (Abhishek Banerjee) গাড়ি থেকে নেমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। কী কারণে তাঁরা রাস্তায় নেমে এভাবে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তা তিনি জানতে চান। মূলত জেলা পরিষদের সদস্যা, ব্লক তৃণমূলের সভাপতি, পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে, এই অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অভিষেকের কাছে বিক্ষোভকারীরা দরবার করেন।

    কী বললেন বিক্ষোভকারীরা?

    এলাকাবাসী বিক্ষোভ দেখানোর সময় অভিষেক (Abhishek Banerjee) এক গ্রামবাসীর সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন। পরে, অভিষেক চলে যাওয়ার পর ওই গ্রামবাসী জানান, ১০০ দিনের কাজে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। তৃণমূলের প্রধান, উপপ্রধান, অঞ্চল সভাপতি, ব্লক সভাপতি এর সঙ্গে জড়িত। জেলা পরিষদের সদস্যা প্রতিভা সিংহ এলাকায় এসে আমাদের পুলিশের ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করে রেখেছেন। এলাকায় ৬ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। এলাকাবাসী কাজ করেও কোনও টাকা পাননি। এলাকায় কোনও উন্নয়ন হচ্ছে না। প্রতিভা সিংহ সহ সব পঞ্চায়েতের পদাধিকারীদের এবার টিকিট দেওয়া যাবে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সব কিছু শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IRCTC: ভারত গৌরব এক্সপ্রেসে উত্তর ভারতের একাধিক তীর্থস্থান ভ্রমণের সুযোগ, কবে ছাড়ছে এই ট্রেন?

    IRCTC: ভারত গৌরব এক্সপ্রেসে উত্তর ভারতের একাধিক তীর্থস্থান ভ্রমণের সুযোগ, কবে ছাড়ছে এই ট্রেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গবাসীর জন্য খুশির খবর। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকেই ট্রেনে চ়ড়ে উত্তর ভারতের একাধিক ধর্মীয় স্থান ভ্রমণ করতে পারবেন পর্যটকরা। এমনই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রেল মন্ত্রক। ভারত গৌরব এক্সপ্রেস নামে বিশেষ এই ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মূলত ধর্মীয় পর্যটনের ভাবনা থেকেই এই প্যাকেজ ট্যুরের আয়োজন করা হয়েছে। আইআরসিটিসি (IRCTC) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৭ মে আসামের ডিব্রুগড় থেকে ভারত গৌরব পর্যটন নামক ওই ট্রেনের যাত্রা শুরু হবে। উত্তরবঙ্গে দুটি স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন। আগামী ৬ জুন পর্যটকরা ফিরে আসবেন।  

    কোন কোন তীর্থস্থান ঘুরে দেখানো হবে ?

    আইআরসিটিসি (IRCTC) সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটরা বৈষ্ণোদেবী মন্দির অযোধ্যার রাম জন্মভূমি, প্রয়াগ ত্রিবেনী সঙ্গম এবং আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখানো হবে। সঙ্গে আলোপি দেবী মন্দিরও পরিদর্শন করানো হবে পর্যটকদের। একইসঙ্গে ভ্রমণ তালিকায় রয়েছে বেনারসের কাশী বিশ্বনাথ মন্দির।

    উত্তরবঙ্গের কোন কোন স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন?

    মূলত ট্রেনটি আসামের ডিব্রুগড় থেকে ছাড়ার কথা রয়েছে। আপাতত ঠিক রয়েছে, উত্তরবঙ্গে দুটি স্টেশনে এই বিশেষ ট্রেন দাঁড়াবে। সেগুলি হল, নিউ জলপাইগুড়ি এবং নিউ কোচবিহার স্টেশন। আলিপুরদুয়ার স্টেশনে বিশেষ এই ট্রেনের কোনও স্টপেজ নেই। তবে, টিকিট কাটার হার বেশি হলে এই স্টেশনে অতিরিক্ত স্টপেজ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    এই ট্রেনের ভাড়া কত?

    আইআরসিটিসি (IRCTC) সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৪ কামরার ওই ট্রেনে ৭৮০টি আসন থাকবে। এরমধ্যে নন এসি ৫৮০ টি আসন এবং থার্ড এসি ২০০ টি আসন থাকছে। প্যাকেজ ট্যুরে স্লিপার ক্লাসের জন্য মাথাপিছু খরচ ধার্য করা হয়েছে ২০,৮৫০ টাকা। থার্ড এসির ভাড়া রাখা হয়েছে- ৩১,১৩৫ টাকা। বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ট্যুরিস্টদের রাতে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। একইসঙ্গে এসি ও নন এসি হোটেলে রাখারও ব্যবস্থা রয়েছে। বিভিন্ন পর্যটন স্থল ঘুরে দেখার জন্য বাসের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। তবে, ট্রেনের ওই যাত্রা পথে সমস্ত খাবারই থাকছে নিরামিষ। বয়স্ক পর্যটকরা যদি কেউ অসুস্থতা বোধ করেন তারজন্য ট্রেনেই থাকবে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা। প্রয়োজনে তারা বিভিন্ন রেল হাসপাতালেরও সহযোগিতা নিতে পারবেন।

    কী বললেন আইআরসিটিসি-র (IRCTC) আধিকারিক?

    আইআরসিটিসির গুয়াহাটি-র রিজিওনাল অফিসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ বিশ্বরঞ্জন সাহা বলেন, এই ট্রেনের টিকিট রেলের কোনও কাউন্টার থেকে পাওয়া যাবে না। আইআরসিটিসির পোর্টালে আইআরসিটিসি ট্যুরিজম ডট কমে গিয়ে টিকিট কাটতে হবে। অথবা কোন আইআরসিটিসির এজেন্ট যারা ট্রেনের টিকিট কেটে দেন তাঁদের থেকেও টিকিট কাটা যেতে পারে। ধর্মীয় পর্যটন ছাড়াও অদূর ভবিষ্যতে ওই ট্রেনে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণের জন্য প্যাকেজ ট্যুরের আয়োজন করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National SC Commission: “পুলিশের নেতৃত্বেই খুন”! ময়নায় বিস্ফোরক জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান

    National SC Commission: “পুলিশের নেতৃত্বেই খুন”! ময়নায় বিস্ফোরক জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় পরিদর্শনে এসে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জাতীয় এসসি কমিশনের (National SC Commission) ভাইস চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। উল্লেখ্য বিজেপি কর্মী বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়ার খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখানকার পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত। হাইকোর্ট ইতিমধ্যেই মৃতদেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপির নেতৃত্বে এখানে পালিত হয়েছে বনধ। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীও রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। এরকম একটা প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার সেখানে পৌঁছন এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান। 

    কী বললেন এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান?

    এদিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেই জেলার ডিএম এবং এসপিকে না দেখতে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। সেখানে তখন উপস্থিত ছিলেন ময়না থানার ওসি। তাঁকে ধমক দিয়ে তিনি (National SC Commission) বলেন, আগে থেকেই আমি খবর দিয়েছিলাম এবং এসপিকে ঘটনাস্থলে থাকতে বলেছিলাম। কিন্তু উনি আসেননি। এরকম একটা ঘটনায় উনারা কেন এলেন না? সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, সবার সঙ্গে কথা বলার পর একটা জিনিস পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে, পুলিশের নেতৃত্বেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এরকম একটি মর্মান্তিক ঘটনায় আমি দিল্লি থেকে ছুটে আসতে পারলাম, অথচ জেলার এসপি নিজে না এসে পাঠিয়ে দিলেন থানার আইসিকে। পুলিশ এভাবে যে তাঁকে কার্যত অপমান করেছে, সে কোথাও তিনি জানিয়ে দেন। তাঁর আশঙ্কা, কালিয়াগঞ্জের মতো এখানেও পুলিশ কোনও কিছু গোপন করতে চাইছে।

    একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল কালিয়াগঞ্জেও

    উল্লেখ্য কালিয়াগঞ্জের ঘটনাতেও দিল্লি থেকে ছুটে এসেছিলেন অরুণ হালদার। তখনও তাঁকে একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তারপরে তিনি (National SC Commission) ক্ষুব্ধ হয়ে জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারকে দিল্লিতে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ পাঠান। ময়নার ঘটনাতেও তিনি একাধিক প্রশ্ন তোলেন। তাঁর অভিযোগ, নিহত বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের পর আনুষঙ্গিক তথ্যপ্রমাণ রেখে দেওয়ার জন্য পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকী দেহ উদ্ধারের পর খবর দেওয়া হয়নি তাঁর পরিবারের লোকজনকেও। এদিনের ঘটনার পরও তিনি পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকদের দিল্লিতে তলব করবেন বলে জানিয়ে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share