Tag: Madhyom

Madhyom

  • School: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম স্কুল পরিচালন কমিটিতে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    School: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম স্কুল পরিচালন কমিটিতে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাটের কবিতীর্থ স্কুলের (School) পরিচালন কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্যের তালিকায় দণ্ডিকাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতার নাম। যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে জেলায়। জানা গিয়েছে, ৪ এপ্রিল বালুরঘাট শহরের ১০টি স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতিদের নামের তালিকা এসেছে। ওই তালিকাতে তৃণমূল নেতা ও বেশিরভাগ ব্যবসায়ীদের নাম মনোনীত করা হয়েছিল। যা নিয়েও ক্ষোভ ছিল শিক্ষামহলে। এবারে বালুরঘাট ও হিলির ১৫টি স্কুলের পরিচালন কমিটির শিক্ষানুরাগীদের নাম এসেছে। ওই কমিটিতে একটি স্কুলে সভাপতি, দুইজন করে শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবক, মেডিক্যাল অফিসার, এসআই সহ অনেকেই থাকবে। জেলার ১৫টি স্কুলের পরিচালন সমিতির শিক্ষানুরাগী সদস্যের বেশিরভাগই তৃণমূল নেতা বলেই পরিচিত। তার মধ্যে একটি স্কুলের শিক্ষানুরাগী সদস্য হিসেবে আনন্দ রায়ের নাম প্রকাশিত হয়েছে। আনন্দ রায় তৃণমূলের যুব নেতা বলেই পরিচিত। সম্প্রতি আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডি কাটানোর অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। যদিও সে এখন জামিনে মুক্ত। তাই ওই যুব নেতার নাম ঘিরেই শোরগোল শুরু হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি?

    এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডি কাটানোর মত একটা বড় অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ওই তৃণমূল নেতা। তাকে তৃণমূল শিক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গায় দায়িত্ব দিয়েছে। আদিবাসীদের প্রতি এমন নির্যাতনের পরেও তৃণমূলের মধ্যে কোন অনুশোচনা নেই।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, আনন্দ রায় তৃণমূলের, তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। তবে স্কুলের (School) পরিচালন কমিটির এই তালিকায় তার নাম মাস চারেক আগেই শিক্ষা দফতরে গেছিল। যা সম্প্রতি ঘোষণা হয়েছে। দণ্ডিকাণ্ডে তার নাম আসার পর আমরা এবিষয়ে চিন্তাভাবনা করেছি। এই নাম পরিবর্তনের জন্য রাজ্য শিক্ষা দফতরের কাছে আর্জি জানাব। এবিষয়ে তৃণমূল নেতা আনন্দ রায়কে বহুবার ফোন ও মেসেজ করলেও তিনি কোনও উত্তর দেননি।

    কী বললেন স্কুলের (School) ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক?

    ওই কবিতীর্থ স্কুলের (School) ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সন্তু রায় বলেন, কারা এই তালিকায় থাকবে, তা আমাদের জানা ছিল না। তবে এই তালিকায় নাম যুক্ত বা বাতিলের বিষয় আমাদের হাতে নেই। সম্পূর্ণ বিষয় রাজ্য শিক্ষা দফতরের হাতে রয়েছে।

    এনিয়ে স্কুল (School) পরিদর্শকের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা দফতর স্কুল (School) পরিদর্শক মৃন্ময় ঘোষ বলেন, রাজ্য থেকে ওই তালিকা এসেছে, সেই তালিকা আমরা স্কুলগুলিকে পাঠিয়েছি। যা করার রাজ্য থেকেই করে। বাকি বিষয়ে জানা নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Education: ‘উন্নয়নের শপথ’ কি নামেই? খুদে পড়ুয়াদের ক্লাসরুমেও ঢুকে পড়ছে বিষধর সাপ!

    Education: ‘উন্নয়নের শপথ’ কি নামেই? খুদে পড়ুয়াদের ক্লাসরুমেও ঢুকে পড়ছে বিষধর সাপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলে ঢুকে পড়ছে বিষধর সাপ। বৃষ্টি হলেই ফুটো হওয়া টিনের চাল দিয়ে জল পড়ছে ক্লাসরুমে। এমনকী বৃষ্টির জল স্কুল চত্বরেও ঢুকে পড়ছে। এছাড়া টিনের গরমে নাজেহাল অবস্থা খুদে পড়ুয়াদের (Education)। এমনই বেহাল দশা বালুরঘাট শহর লাগোয়া খিদিরপুরের শান্তিময় ঘোষ স্মৃতি কলোনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।

    স্কুলের বেহাল দশা, আতঙ্কিত পড়ুয়ারা

    অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ওই স্কুল সংস্কার করা হয়নি। জেলার প্রায় অধিকাংশ স্কুলের ছাদ পাকা হলেও এখনও ওই স্কুলের ছাদ হয়নি। তাই বৃষ্টি ও ঝড়বাদলে চরম দুর্দশার মধ্যে পড়তে হয়। শুধু ওই স্কুল (Education) নয়, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়েই বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংস্কার হয়নি। অনেক স্কুলের বিল্ডিং পুরনো ও জীর্ণ দশায় পরিণত হয়েছে। কোথাও বা ছাদের একাংশ খসে পড়ছে। যা নিয়ে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, বালুরঘাট শহরের সীমানা বরাবর ওই স্কুলটি (Education) অবস্থিত। ১৯৮৯ সালের হলেও ওই স্কুল এখনও টিনের। চারদিকে দেওয়াল থাকলেও একেবারে জীর্ণ। একটিমাত্র ঘর ও একটি রান্নাঘর নিয়েই চলছে স্কুল। ছাত্র সংখ্যা ২৫ জন। শিক্ষিকা ২ জন। কিন্তু ওই স্কুলের বেহাল দশায় দিন দিন পড়ুয়ার সংখ্যা কমে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। স্কুলের চারদিকই ঢোবা-জঙ্গলে পরিপূর্ণ। তাই এই গরমে সাপের উৎপাত বাড়ছে। যা নিয়ে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্কও বাড়ছে। 

    কী বলছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ও জেলা সংসদ চেয়ারম্যান?

    এবিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নীতা ঘোষ দাস বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের স্কুল (Education) খারাপ হয়ে আছে। স্কুল সংস্কারের জন্য দফতরে জানিয়েছি। ওই স্কুলের এক ছাত্রের অভিভাবক মিলন মোহন্ত বলেন, স্কুলে সাপ ঘুড়ে বেড়ায়। টিন ফুটো হয়ে জল পড়ে। এমনকী বৃষ্টির জল ঢুকে যায়। যার ফলে আমরা খুব উদ্বিগ্ন। এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান সন্তোষ হাঁসদা বলেন, কিছু স্কুল (Education) খারাপ আছে। সেই রিপোর্ট আমার কাছে এসেছে। তবে স্কুলগুলি কেন সংস্কার হচ্ছে না, তা নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohini Ekadashi 2023: আজ মোহিনী একাদশী! জানুন এর পৌরাণিক কাহিনী

    Mohini Ekadashi 2023: আজ মোহিনী একাদশী! জানুন এর পৌরাণিক কাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মোহিনী একাদশী (Mohini Ekadashi 2023)। বৈশাখ মাসের শুক্ল পক্ষের একাদশী তিথিটিকে বলা হয় মোহিনী একাদশী (Mohini Ekadashi 2023)। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে দিনটি অত্যন্ত শুভ। এই বিশেষ একাদশী তিথির আলাদা মাহাত্ম্যও রয়েছে। পরিবারের মঙ্গলকামনায় এইদিনে নানা রকমের শুভকাজের অনুষ্ঠান করা হয়। পুরাণ অনুসারে, মোহিনী একাদশীতে (Mohini Ekadashi 2023) মোহিনী রূপ অর্থাত্‍ নারী রূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন ভগবান শ্রীবিষ্ণু। পণ্ডিতরা বলছেন, বিষ্ণুর অসংখ্য রূপের মধ্যে এই মোহিনী রূপই একমাত্র নারী রূপ। এই তিথিতে শ্রীবিষ্ণুর নারী-রূপের আরাধনা করা হয়। মনে করা হয়, মোহিনী একাদশীতে বিষ্ণু ও লক্ষ্মীর পুজো করলে অর্থ লাভ হয়।

    মোহিনী একাদশী তিথি ও শুভক্ষণ 

    ২০২৩ সালে, মে মাসের প্রথম দিনেই পড়েছে মোহিনী একাদশী। একাদশী তিথি শুরু হয়েছে ৩০ এপ্রিল রাত ৮টা ২৮ মিনিটে এবং পয়লা মে রাত ১০টা ০৯ মিনিটে শেষ হবে। উদয় তিথি অনুসারে একাদশী উদযাপিত হবে পয়লা তারিখ। 
    একাদশী তিথির দিন দু’টি শুভ যোগ তৈরি হচ্ছে – রবি যোগ সকাল ৫টা ৪১ থেকে সন্ধ্যা ৫টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। আর, ব্রহ্ম মুহূর্ত থেকে বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত থাকবে ধ্রুব যোগ।

    পুজো বিধি 

    একাদশীর দিন (Mohini Ekadashi 2023) ব্রহ্ম মুহূর্তে ঘুম থেকে উঠে স্নান সেরে নিন। এর পরে কলশ স্থাপন করুন। শ্রী বিষ্ণুর মূর্তি স্নান করিয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে দিন। নতুন জামাকাপড় পরান। ফুল, ফল, অক্ষত, মালা, চন্দন, হলুদ বস্ত্র, হলুদ মিষ্টি নিবেদন করুন। ধূপ ও প্রদীপ জ্বালান। সঠিক বিধি মেনে পূজার্চনা করুন। পুজোর সময় বিষ্ণু মন্ত্র জপ করুন। পুজো শেষে আরতি করুন।

    পৌরাণিক আখ্যান…

    পুরাণ অনুসারে, সমুদ্র মন্থনে অমৃতের ভাণ্ড উঠেছিল এবং তা নিয়ে দেবতা ও অসুরদের মধ্যে কাড়াকাড়ি শুরু হয়। অসুররা দেবতাদের কাছ থেকে অমৃত ভাণ্ড ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হয়। এতে দেবতারা ভয় পেয়ে যান। এমতাবস্থায় দেবতারা নারায়ণের শরণাপন্ন হন, তখন বিষ্ণু এক অপরূপ সুন্দরী নারীর রূপ ধারণ করেন। বিষ্ণুর সেই মনোমোহিনী রূপে অসুররা মোহিত হয়ে পড়ে। সেই সুযোগে রূপে দ্বারা অসুরদের ভুলিয়ে তাদের থেকে অমৃত নেন বিষ্ণু। মোহিনী অবতার সত্ত্বেও বিষ্ণুকে চিনতে পেরে যান দুই অসুর, রাহু ও কেতু। অমৃত পান করার অভিলাসে, তারা দেবতার ছদ্মবেশে দেবতাদের মধ্যে ঢুকে পড়ে। তাদের চিনে ফেলে সূর্য ও চন্দ্র এবং বিষ্ণুকে তা জানান। বিষ্ণু সুদর্শন চক্র দিয়ে রাহু ও কেতুর মাথা শরীর থেকে কেটে আলাদা করে দেন। কিন্তু ততক্ষণে অমৃত রাহু ও কেতুর গলা পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। অমৃতের দৌলতে তাদের মাথা থেকে গলা অবধি অমর হয়ে যায়। সূর্য ও চন্দ্রর প্রতি রাগে রাহু, কেতু সুযোগ পেলেই সূর্য ও চন্দ্রকে গিলে ফেলে। কিন্তু রাহু, কেতুর ধড় না থাকায়, সূর্য ও চন্দ্র বেরিয়ে আসেন। এই পৌরাণিক কাহিনীর উপর ভিত্তি করেই, পুরাণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণের কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tarek Fatah: ধর্মীয় বিভাজন এবং ইসলামি চরমপন্থার কঠোর সমালোচক ছিলেন তারেখ ফাতেহ

    Tarek Fatah: ধর্মীয় বিভাজন এবং ইসলামি চরমপন্থার কঠোর সমালোচক ছিলেন তারেখ ফাতেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারেক ফাতেহ (Tarek Fatah) জন্মসূত্রে পাকিস্তানি হলেও মননে একজন ভারতীয় হিন্দুস্থানি। অত্যন্ত বিদগ্ধ বক্তা, লেখক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, গবেষক এবং কট্টর জেহাদিদের বিশেষ সমালোচক ছিলেন তারেক ফাতেহ (Tarek Fatah)। তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালের ২০ নভেম্বর এবং মৃত্যু ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল। পৈতৃক বাসস্থান ছিল অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে। মুসলমান পাঞ্জাবি পরিবারে জন্ম। পাকিস্তানের করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জৈব রসায়নে ডিগ্রি। ১৯৬০ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত ছাত্র আন্দোলনে যোগদান করেন। ৭৩ বছরের অতিহাবিত করার পর মারণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তাঁর জীবনাবসান ঘটে।

    জীবনাদর্শ

    ভারতীয় সংস্কৃতির একক সূত্রকে অনুভব করতেন তিনি (Tarek Fatah) এবং এই সংস্কৃতি ভারতকে বিশ্বের সঙ্গে এবং বিশ্বকে ভারতের সঙ্গে এক সূত্রে বাঁধতে পারে বলে বিশ্বাস করতেন। ভারতের ধর্মীয় বিভাজন এবং জেহাদি ইসলামি চরমপন্থার কঠোর সমালোচক ছিলেন। ইসলামি শরিয়াবিধি শাসনের ছিলেন তীব্র বিরোধী। পাকিস্তান রাষ্ট্রের পরিকাঠামো, উন্নয়ন এবং সামজিক প্রগতিশীলতা নিয়ে গভীর চিন্তার রেখাপাত ঘটেছে বিভিন্ন সময়ে তাঁর লেখা এবং বক্তৃতায়। আর এজন্য পাকিস্তানের জেহাদি কট্টরপন্থীরা বেশ কয়েকবার হামলা চালায় তাঁর উপর।

    সাংবাদিকতা ও রাজনীতি

    ১৯৭০ সালে ‘করাচি সান’ পত্রিকায় বিশেষ লেখালেখির কাজ শুরু করেন। পরে পাকিস্তানের টেলিভিশন সংবাদ মাধ্যমে বিশেষ তদন্তমূলক সংবাদ প্রকাশনার কাজ শুরু করেন। তাঁর (Tarek Fatah) বিতর্কিত সরকার বিরোধী মনোভাব সম্পর্কে লেখালেখির জন্য জিয়া-উল-হক পাক সরকার তাঁর লেখালেখি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাঁর উপর বিশেষ নিষেধজ্ঞা জারি করে। এরপর ১৯৮৭ সালে পাকিস্তান ছেড়ে প্রথমে সৌদি আরব এবং পরে কানাডায় চলে যান। সেখানে গিয়ে ২০০৬ সালে NDP ছেড়ে রাজনৈতিক দল Liberal Party Of Canada’s Leadership-এ যোগদান করেন। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত টরন্টো রেডিও স্টেশন ‘CFRB নিউজ টক ১০১০’ তে কাজ করেছেন। পাশাপাশি ২০২১ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত টরন্টো সান নিউজ নেটওয়ার্কে সম্প্রসারণের কাজ করতেন। ২০১৮ সালে থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি (Tarek Fatah) ‘হোয়াট দ্য ফাতেহ’ নামে নিউ দিল্লি টাইমস নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে নিয়মিত বক্তৃতা রাখতেন। তাঁর বক্তব্য এবং বিষয়ের বিশ্লেষণ কট্টরপন্থীদের বিরুদ্ধে এবং মানবতার পক্ষে থাকত।

    প্রগতিশীল চিন্তাবিদ এবং লেখক 

    পাকিস্তান রাষ্ট্র নির্মাণের পিছনে যে সংকীর্ণ দ্বিজাতিতত্ত্ব সক্রিয় ছিল, সেই বিষয়কে তাঁর (Tarek Fatah) সময় দিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করতেন। দেশ বিভাজন এবং সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করে তুলতেন। ভারতের কাশ্মীর প্রসঙ্গে তাঁর ভাবনা ছিল খুব স্পষ্ট। কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাক জঙ্গিদের অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং নাশকাতামূলক কাজে ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করতেন। তাঁর লেখা বইগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল “চেজিং এ মিরাজ: দ্য ট্রাজিক ইলিউজন অফ অ্যান ইসলামিক স্টেট” ২০০৮ এবং “দ্য জিউ ইজ নট মাই এনিমি: অ্যান লেভিং দ্য মিথস দ্যাট ফুয়েল মুসলিম অ্যান্টি-সেমিজম” ২০১০। শুধু তাই লেখার সাহিত্যগুণে বার্ষিক হেলেন, স্যান ভাইন কানাডিয়ান সাহিত্য পুরস্কারের মতো বিশেষ সম্মান পান ফাতেহ সাহেব।

    মৃত্যুর পর বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া

    পাঞ্জাবের সিংহ, হিন্দুস্থানের পুত্র, কানাডাপ্রেমী এবং সত্যের জন্য বিশিষ্ট বক্তা বলে মৃত্যুর পর সম্মাজ্ঞাপক শব্দ নিবেদন করেন তাঁর কন্যা। তারেক ফাতেহের (Tarek Fatah)  মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরকার্যবাহ শ্রী দত্তাত্রেয় হোসাবলে বলেন, উনি একজন বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, লেখক এবং অত্যন্ত সুবক্তা ছিলেন। সাহিত্য রচনা এবং সংবাদ মাধ্যমে তাঁর অবদান খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিজের ব্যক্তিত্বের ভাবনা দিয়ে সমাজের কাছে প্রয়োজনীয় বিষয় উপস্থাপন করতেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দিচ্ছেন শুভেন্দু, কেন জানেন?

    Suvendu Adhikari: রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দিচ্ছেন শুভেন্দু, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তা পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। অথচ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দিচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবারই ডিজিকে চিঠি দেবেন বলে নন্দীগ্রামে মন কি বাত কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে একথা জানান তিনি।

    রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দেওয়া নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা একেবারে শেষ হয়ে গিয়েছে। রাজ্যে যেভাবে প্রতিদিন কালিয়াচক, কালিয়াগঞ্জের মতো ঘটনা ঘটছে, তারই প্রেক্ষিতে আমি রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দিয়ে জানতে চাইব, তৃণমূলের পার্টি ভোটের জন্য যে পুলিশ মোতায়েন করেছে, তাতে কত টাকা তৃণমূল ট্রেজারিতে দিয়েছে? অভিষেকের সভা থেকে ফেরার পথে গাড়ি উলটে পুলিশ কর্মীরা জখম হয়েছেন। গোটা রাজ্য থেকে পুলিশ নিয়ে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর ভাইপোর সেবায় ব্যবহার করা হচ্ছে। আর রোজ রোজ রাজ্যে সাধারণ মানুষ খুন হচ্ছে। বর্ধমানে এক মাসের মধ্যে তিনজন খুন হয়েছে। রানিগঞ্জে আমাদের দলের নেতা রাজেন্দ্র সাউকে খুন করা হল। আমরা নিরাপত্তা পাই। কিন্তু, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কে দেবে?

    ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে নন্দীগ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রবিবার দেশের পাশাপাশি এই রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনতে কয়েক হাজার মানুষ জমায়েত হয়েছিল। গত বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) জয়ী করেছিলেন নন্দীগ্রামবাসী। স্বাভাবিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত অনুষ্ঠান ঘিরে সাজ সাজ রব ছিল নন্দীগ্রাম। প্রধানমন্ত্রী নন্দীগ্রামবাসীর সঙ্গে কথাও বলেছেন। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, প্রায় ১০ হাজার মানুষ মন কি বাত অনুষ্ঠান শুনেছেন। আর মন কি বাতে নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে কথা বলার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

    অভিষেককে নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    অভিষেক ব্যানার্জীর নবজোয়ার যাত্রা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, অভিষেক ব্যানার্জীকে হরি দাস পাল ব্যানার্জী বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “পিসি ছাড়া জিরো! দু হাজার পুলিশ নিয়ে বের হয়। চার কোটি টাকার বাস। আগে বলেছিল না, অমিত শাহজি নাটক করতে খেতে যায়। কালকে কি করছিল ? নাটক করছিল ? কয়লা, বালি খাচ্ছিল?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Travel: পায়ে হেঁটে দেশ ভ্রমণে বেরিয়েছেন যুবক, কেন জানেন?

    Travel: পায়ে হেঁটে দেশ ভ্রমণে বেরিয়েছেন যুবক, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবেশ নিয়ে সচেতনতার বড়ই অভাব। বিশেষ করে এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা এই বিষয়ে উদাসীন। তাই পরিবেশ সচেতনতার বার্তা দেশে ছড়িয়ে দিতে চান তিনি। পাশাপাশি জীবনে সুস্থ থাকতে গেলে যোগাসনের যে প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তা সকলকে জানাতে পায়ে হেঁটে সারা দেশ ভ্রমণে (Travel) বেরিয়েছেন কর্ণাটকের বছর ঊনত্রিশ এর যুবক কৃষ্ণা নায়েক। তামিলনাড়ু , তেলেঙ্গানা, ছত্রিশগড়, ওড়িশা পেরিয়ে এখন তিনি এই রাজ্যের হুগলিতে।

    কবে পদযাত্রা শুরু করেছিলেন পরিবেশপ্রেমী যুবক?

    গত ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে কর্নাটকের মহীশূর থেকে তিনি পথ চলা শুরু করেন। ভারতবাসীকে পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ ও যোগাসনে শরীর সুস্থ রাখার বার্তা দিতে ২৮টি রাজ্যে পায়ে হেঁটে ভ্রমণের (Travel) সিদ্ধান্ত নেন মহীশূরের এই যুবক। কর্নাটকের মহীশূর থেকে পায়ে হেঁটে গত ৬ মাসে ৪ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছেন কৃষ্ণা। স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মোট ২ বছরে ২৮ টি রাজ্য পাড়ি দেবেন তিনি। ইতিমধ্যেই পার করেছেন কর্ণাটক, কেরালা, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, ছত্রিশগড়, উড়িষ্যা রাজ্য। যাওয়ার পথে প্রতিটি রাজ্যের বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের শেখাচ্ছেন যোগাভ্যাস এবং ছাত্র ছাত্রীদের দিচ্ছেন নিজের জন্মদিনে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ। সিঙ্গুর হয়ে তিনি শৈব তীর্থ তারকেশ্বরে এসে পৌঁছলে, তাঁকে শুভেচ্ছা জানান তারকেশ্বর থানার ওসি অনিল রাজ। তারকেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় ও ইছাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতনতার বার্তা দেন তিনি।

    কী বার্তা দিলেন তিনি?

    এবিষয়ে কৃষ্ণা নায়েক বলেন, প্রতিদিন হেঁটে আমি ৩০ কিলোমিটার যাই। যোগব্যায়ামের সুবিধা সম্পর্কে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ এর বিষয়ে যুব সমাজকে সচেতন করি। যোগব্যায়াম আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মানসিক চাপ কমায়, পাশাপাশি একজন ব্যক্তিকে ভাল শারীরিক গঠনে সহায়তা করে। একসময় আমি মহীশূর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট দলের সদস্য ছিলাম এবং খুব বেশি ক্রিকেট খেলার ফলে ছাত্রজীবনে পিঠে ব্যথা হয়। ব্যথার জন্য ডাক্তারদের সঙ্গে পরামর্শ করি, তখন তাঁরা সবাই আমাকে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিয়েছিলেন। আমি অস্ত্রোপচার করতে ইচ্ছুক ছিলাম না। তাই, আয়ুর্বেদ হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখানে একজন আমাকে নিয়মিত যোগব্যায়াম করার পরামর্শ দেন। প্রায় ২ বছরের যোগাসন শেখার পর আমার সেই রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় হয়ে গিয়েছে। সাধারণ মানুষকে যোগ শেখানোর জন্য কৃষ্ণম যোগ ইনস্টিটিউট স্থাপন করি। এখন সমস্ত বয়সের ৩০ জনেরও বেশি আমার ওই প্রতিষ্ঠানে যোগ শিখছেন। যোগ ভারতের আদি পরম্পরা, সকলকে সেই বার্তা দিতেই আমার এই দেশ ভ্রমণ (Travel)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ukraine Maa Kali Controversy: মা কালীর বিকৃত ছবি পোস্ট! ভারতীয়দের তীব্র প্রতিবাদে ট্যুইট মুছল ইউক্রেন

    Ukraine Maa Kali Controversy: মা কালীর বিকৃত ছবি পোস্ট! ভারতীয়দের তীব্র প্রতিবাদে ট্যুইট মুছল ইউক্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার মা কালীর বিকৃত ছবি (Ukraine Maa Kali Controversy) পোস্ট করা হয় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যাণ্ডেল থেকে। যার জেরে সোশাল মিডিয়ায় উঠল প্রতিবাদের ঝড়। নেটিজেনদের প্রবল সমালোচনা এবং প্রতিবাদের মুখে পড়ে পোস্টটি অবশ্য সরিয়ে নেয় ইউক্রেন। যদিও ততক্ষণে ভাইরাল হয়ে যায় ওই ছবি।

    মা কালীর বিকৃত ছবি (Ukraine Maa Kali Controversy)…

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পোস্ট করা ছবিতে দু’টি অংশ দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি দুটি অংশের মধ্যে প্রথমটিতে আকাশ জুড়ে ঘন কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে। দ্বিতীয় অংশের ছবিতে উল্লম্ব মেঘের মধ্যে থেকে একজন মহিলাকে উঠে আসতে দেখা গিয়েছে। নারী মূর্তি জিভ বের করে আছেন, গলায় মুণ্ডমালা এবং যাঁর চুলের স্টাইল কিংবদন্তী হলিউড অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর মতো।

    তীব্র ক্ষোভ নেটিজেনদের

    আর এই ছবি মাইক্রো ব্লগিং সাইটে পোস্ট হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নেটিজেনরা। হিন্দুদের ভাবাবেগে চরম আঘাত বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে ইউক্রেনকে বিভিন্ন ইস্যুতে সাহায্য করা উচিত কিনা, তাই নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নেট নাগরিকরা। এক নেটিজেন লেখেন, ‘‘এই কারণে ভারতকে পাশে পায় না ইউক্রেন।” আরেক জন লেখেন, “আমাদের বিশ্বাস ইউক্রেনের কাছে ব্যঙ্গের উপকরণ! এটাই তাদের কাছে Work of Art?” অপর এক নেটিজেন বলেন, “১৪০ কোটি ভারতবাসীর বিশ্বাসে আঘাত করেছে এই বিকৃত ছবি। ইউক্রেনও হিন্দু ফোবিয়ায় আক্রান্ত!” শুধু তাই নয়, এই ইস্যুতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর ও ট্যুইটারের CEO ইলন মাস্কের কড়া পদক্ষেপ দাবি করেছেন নেটিজেনরা। 

    কী বলল ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক?

    এই ইস্যুতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের এক সর্বোচ্চ আধিকারিক লেখেন, “কয়েকদিন আগেই ইউক্রেনের উপ বিদেশমন্ত্রী দিল্লিতে এসেছিলেন। ভারতের কাছে সাহায্যও চান তিনি। কিন্তু তারপর যেটা হল, তাতে ইউক্রেনের আসল চেহারা বেরিয়ে পড়েছে। ব্যঙ্গচিত্রের নামে গোটা বিশ্বের হিন্দুদের অনুভূতির উপর হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Air India: বান্ধবীকে ককপিটে বসিয়ে মদ্যপান, ফূর্তি! পাইলটের ‘কীর্তি’তে এয়ার ইন্ডিয়াকে শো-কজ

    Air India: বান্ধবীকে ককপিটে বসিয়ে মদ্যপান, ফূর্তি! পাইলটের ‘কীর্তি’তে এয়ার ইন্ডিয়াকে শো-কজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবাই-দিল্লি বিমানে (Air India) সুরক্ষাবিধি ভঙ্গের অভিযোগে এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও-কে নোটিস দিল ডিজিসিএ। গত ২৭ শে ফেব্রুয়ারি দুবাই থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের পাইলট তাঁর এক বান্ধবীকে ককপিটে বসান এবং সেই সঙ্গে মদ্যপান করেন বলে অভিযোগ জানিয়েছিলেন ওই বিমানেরই এক কর্মী। এই ধরনের অভিযোগ যে খুবই মারাত্মক, তা বুঝতে পারে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তাই সেই ঘটনাতেই কারণ দর্শাতে বলে নোটিস পাঠানো হল।

    ঘটনা কী ঘটেছিল?  

    বিমানের (Air India) মধ্যে ককপিট কক্ষে সাধারণত বিশেষ অনুমতি ছাড়া কোনও ব্যক্তির প্রবেশাধিকার থাকে না। কারণ এই কক্ষটি যাত্রীদের সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। এয়ার ইন্ডিয়ার এক চালক সুরক্ষাবিধি অমান্য করে ককপিটে তাঁর বান্ধবীকে নিয়ে মদ খেয়ে ফূর্তি করেন বলে জানা যায়। এবং এ নিয়ে ওই বিমানের এক কর্মী অভিযোগ করায় গত ২১ শে এপ্রিল এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও ক্যাম্বেল উইলসনকে ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA) বিশেষ নোটিশ পাঠায়। বিমানের সুরক্ষাবিধি কীভাবে অমান্য করা হয়েছে, তা নিয়ে সংস্থার আধিকারিককে ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

    কর্তৃপক্ষের অবস্থান 

    ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহণের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (DGCA) বিমানের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার বিষয়ে নজর রাখে। বিমান পরিষেবায় (Air India) যাত্রীদের জন্য সুরক্ষাবিধির বিশেষ গুরুত্ব থাকে। এই সুরক্ষার উপর বিমান পরিষেবার সম্মানও নির্ভর করে। সেই সঙ্গে থাকে বিশ্বাসযোগ্যতা, দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ। তাই এই অভিযোগ ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিনা অনুমতি এবং বিশেষ কারণ ছাড়া ককপিটে বসার আদেশ থাকে না। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে তা যে অমান্য করা হয়েছে, তা পরিষ্কার। এই বিষয় নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। যাত্রীদের একটি অংশও এই নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করছে। তদন্তের ফলাফল কী হয়, তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: এবার বোলপুরের ভাস্কর্য কর্মশালায় স্থান পেল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের আবক্ষ মূর্তি

    Justice Abhijit Ganguly: এবার বোলপুরের ভাস্কর্য কর্মশালায় স্থান পেল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের আবক্ষ মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত ১ বছর ধরে তিনি প্রায় রোজই খবরের শিরোনামে থাকেন। রাজ্যের বহুচর্চিত নাম কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে একের পর এক সিদ্ধান্ত এবং নির্দেশ তাঁকে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে ভীষণ রকমের জনপ্রিয় করে তুলেছে। দিন কয়েক আগেই এক নজিরবিহীন ঘটনা দেখা গেল খাস কলকাতার বুকে। বেহালায় হোর্ডিং পড়েছিল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) নামে। এবার বোলপুরের এক ভাস্কর্য কর্মশালায় স্থান পেল তাঁর আবক্ষ মূর্তি। জীবন্ত মানুষকে বসিয়ে মাটি দিয়ে ভাস্কর্য নির্মাণ কর্মশালা চলছে৷ সেখানে ছবি থেকে তৈরি করা হয় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) মূর্তি৷

    কী বলছেন শিল্পীরা?

    তিনি এখন ‘প্রতিবাদী মুখ’ তাই এই ভাস্কর্য নির্মাণ, বলছেন মৃৎশিল্পীরা। বীরভূমের দুবরাজপুরের কবিরাজপাড়ার বাসিন্দা শিল্পী ঝুলন মেহেতরী। ২০১৫ সাল থেকে বোলপুরের জাম্বুনীতে বসবাস করেন৷ বেসরকারি একটি আর্ট প্রতিষ্ঠান থেকেই শিল্পকর্মে হাতে খড়ি৷ মূলত তাঁর উদ্যোগেই বোলপুরের গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহের শান্তিদেব কক্ষে শুরু হয়েছে দুদিনের ভাস্কর্য কর্মশালা। জীবন্ত মানুষকে সামনে বসিয়ে মাটি দিয়ে তার অবয়ব নির্মাণের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন শিল্পীরা৷ পাশাপাশি, এই কর্মশালায় দেখা গেল মাটি দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) আবক্ষ মূর্তি তৈরি করছেন শিল্পীরা। ছবি দেখে এই মূর্তি নির্মাণ করা হয়৷ শিল্পীরা জানান, “এই মুহূর্তে রাজ্যের একজন ‘প্রতিবাদী মুখ’ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাই অন্যান্য ভাস্কর্যের পাশাপাশি তারও মূর্তি বানানো হল এই কর্মশালায়।” একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Justice Abhijit Ganguly) নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি মামলা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চ কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে এই নির্দেশ দিয়েছে। তারপর থেকে আরও চর্চায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mental Disorder: কীভাবে বুঝবেন সন্তান অবসাদগ্রস্ত, কীভাবে রুখবেন আত্মহত্যার প্রবণতা?

    Mental Disorder: কীভাবে বুঝবেন সন্তান অবসাদগ্রস্ত, কীভাবে রুখবেন আত্মহত্যার প্রবণতা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্কুলের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে মাত্র দুদিন! আর তার মধ্যেই আত্মহত্যা করেছে ন’জন পড়ুয়া। অন্ধ্রপ্রদেশের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ফল প্রকাশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৯ পড়ুয়ার আত্মহত্যার এই ঘটনায় চিন্তিত গোটা দেশ। তবে, অন্ধপ্রদেশের এই ঘটনা ব্যতিক্রম নয়। শুধু স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেই নয়, আইআইটি এবং মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যেও বাড়ছে মানসিক অবসাদ (Mental Disorder) ও আত্মহত্যার প্রবণতা! 

    কী বলছে তথ্য? 

    কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য বলছে, এক বছরে গোটা দেশের সবকটি আইআইটি প্রতিষ্ঠানে ৩৩ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন। মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের তথ্যও চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, প্রতি বছর গড়ে ৩৫০ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া আত্মহত্যা করছেন। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১৩,০৮৯ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন। ওই সমীক্ষায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর এই আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। আত্মহত্যার এই পরিসংখ্যানে ৪৩ শতাংশ ছাত্রী এবং ৫৬ শতাংশ ছাত্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ৮১ শতাংশ পড়ুয়া মানসিক অবসাদের (Mental Disorder) শিকার। তাদের বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনা, বিষাদ এবং নানান অবসাদ গ্রাস করে। 

    কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, আত্মহত্যা মানসিক অবসাদের (Mental Disorder) এক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। কিন্তু যাঁরা আত্মহত্যা করছেন না, তাঁরা যে সম্পূর্ণ সুস্থ ও ভালো আছেন, এমন ভাবা যায় না। মানসিক অবসাদ পড়ুয়াদের মধ্যে মারাত্মকভাবে বাড়ছে। তার ভয়ানক বহিঃপ্রকাশ হল আত্মহত্যা।

    কীভাবে বুঝবেন সন্তান মানসিক অবসাদগ্রস্ত? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সন্তানের জীবনযাপনের ধরনের মারাত্মক পরিবর্তন লক্ষ্য করলেই সতর্ক হোন অভিভাবক। যেমন, ঘুমের অভ্যাসে যদি অতিরিক্ত পরিবর্তন হয়, তাহলে বুঝতে হবে সন্তান মানসিকভাবে অস্থির আছে। যেমন দিনে অতিরিক্ত ঘুমানো কিংবা সারারাত জেগে থাকার মতো ঘটনা ঘটলে সজাগ হতে হবে।খাদ্যাভ্যাসের বদল হলে সতর্কতা জরুরি। অবসাদগ্রস্ত মানুষ অনেক সময়ই প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খান। তাই খাবারের পরিমাণে যদি হঠাৎ মারাত্মক পরিবর্তন হয়, তাহলেও সতর্ক হওয়া জরুরি। যদি অতিরিক্ত রাগ বা দুঃখের বহিঃপ্রকাশ হয়, তাহলেও বুঝতে হবে কোনও সমস্যা (Mental Disorder) হচ্ছে। হঠাৎ আবেগতাড়িত হয়ে পড়া, কিংবা সামান্য বিষয়ে নিরাশ হয়ে পড়লে, অভিভাবকদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। 

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত সন্তানের সঙ্গে কথা বলা জরুরি। কোনও ভাবেই তাদের একা থাকতে দেওয়া যাবে না। তাদের সঙ্গে ভালো সময় কাটাতে হবে। তারা কোনও সমস্যাতেই একা নয়, অভিভাবক তাদের পাশে আছে, এই আশ্বাস তাদের দিতে হবে। তবেই তাদের নিরাপত্তাহীনতা কাটবে। যা মানসিক অবসাদ মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমস্যা জটিল মনে হলে দ্রুত মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে বিপদ আরও বাড়তে পারে। মানসিক অবসাদগ্রস্ত (Mental Disorder) হলে তাকে আরও বেশি নানান কাজের মধ্যে যুক্ত রাখতে হবে। যাতে তার শরীর ও মন সক্রিয় থাকে। সে ইতিবাচক ভাবনার সঙ্গে যুক্ত থাকে। গান, ছবি আকার মতো সৃজনশীল কাজে সময় কাটাতে হবে। নিয়মিত যোগ্যাভাসে অভ্যস্ত করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যোগ শুধু শরীর নয়, মনকে সুস্থ রাখতেও বিশেষ সাহায্য করে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share