Tag: Madhyom

Madhyom

  • Anubrata Mondal: বাপ-বেটি একই জেলে! মেয়ের চিন্তায় তিহাড়ে ঘুম উড়েছে কেষ্টর

    Anubrata Mondal: বাপ-বেটি একই জেলে! মেয়ের চিন্তায় তিহাড়ে ঘুম উড়েছে কেষ্টর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাপ-বেটি এবার একই জেলে! গরু পাচার মামলায় গতবছরই গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। চলতি মাসেই গ্রেফতার হয়েছেন কেষ্ট-কন্যা। এবার আপাতত তাঁরও ঠাঁই হচ্ছে তিহাড়ে। অন্দরের খবর, মেয়ের জন্য যথেষ্ট উদ্বিগ্ন অনুব্রত। রাতে তাঁর ঘুমও ঠিকঠাক হচ্ছেনা।  প্রসঙ্গত, ইডি জেরায় কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal) কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। জানা গিয়েছে, গরু পাচার মামলা সম্পর্কে তাঁর কাছে কোনও তথ্য নেই, এই কথাই বারবার বলে এসেছেন তিনি। বাবার সঙ্গেও কথা বলতে চেয়েছিলেন সুকন্যা। কিন্তু, স্বস্তি পেলেন না তিনি।

    ১৩ দিনের জেল হেফাজত সুকন্যার

    রবিবার সুকন্যা মণ্ডলকে ১৩ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতের বিচারক নরেশ কুমার লাকা। এদিনই তিহাড়ে পাঠানো হবে সুকন্যাকে।  উল্লেখ্য, এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সুকন্যাকে আদালতে পেশ করা হয়। তিনি প্রতিদিন দশ মিনিট করে বাবা এবং বান্ধবী সুতপা পালের সঙ্গে ফোনে কথা বলার আর্জি জানিয়েছেন। ইডি জানিয়েছে, জেল কর্তৃপক্ষ যদি অনুমতি দেয় সেক্ষেত্রে তাদের কোনও আপত্তি নেই। পাশাপাশি সংশোধনাগারে ধর্মীয় বই পড়তে চান সুকন্যা। জানা গিয়েছে, এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সুকন্যা মণ্ডলকে উপস্থিত করা হয়। নতুন করে তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়নি ইডি-র তরফে। আদালত তাঁকে ১৩ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ মে।

    তিহাড়ে মেয়ের চিন্তায় ঘুম উড়েছে অনুব্রত মণ্ডলেরও

    সূত্রের খবর, তিহাড়ে মেয়ের চিন্তায় ঘুম উড়েছে অনুব্রত মণ্ডলেরও (Anubrata Mondal)। বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার রাতে ঘুম হচ্ছে না, ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়াও করছেন না তিনি, জানা গিয়েছে এমনটাই। সূত্রের খবর, ইডি-র জেরার মুখে সুকন্যা বারবার জানিয়েছেন, গরু পাচার মামলা নিয়ে তিনি কিছু জানেন না। যদিও, তদন্তকারীরা তা মানেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: স্বামী শহিদ হন গালওয়ান সংঘর্ষে, সেনায় যোগ দিয়ে চিন সীমান্তে গেলেন স্ত্রী!

    Indian Army: স্বামী শহিদ হন গালওয়ান সংঘর্ষে, সেনায় যোগ দিয়ে চিন সীমান্তে গেলেন স্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালে গালওয়ানে চিনা ফৌজের হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন স্বামী নায়েক দীপক সিং। শনিবার সেই শহিদ সেনার স্ত্রী রেখা সিং লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দিলেন ভারতীয় সেনায়। তিনি পোস্টিং পেলেন পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায়। জানা গিয়েছে, গত একবছর ধরে তিনি প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন চেন্নাইয়ে। শনিবার সেই প্রশিক্ষণ শেষে তিনি যোগ দিলেন ভারতীয় সেনায় (Indian Army)। প্রসঙ্গত, রেখার স্বামী দীপক ছিলেন, বিহার রেজিমেন্টের ষোড়শ ব্যাটেলিয়নে। ২০২১ সালে তাঁকে মরণোত্তর বীর চক্রে ভূষিত করা হয়। পরের বছরই রেখা মহিলা ক্যাডেট হিসেবে প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দেন। অবশেষে তিনি যোগ দিলেন লেফটেন্যান্ট হিসেবে।

    ভারতীয় সেনায় যোগ দিয়ে রেখা কী বললেন সাংবাদিকদের?

    ভারতীয় সেনায় (Indian Army) যোগ দিয়ে রেখা সিং সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, “আজ আমার প্রশিক্ষণ শেষ হল। আমি এখন থেকে লেফটেন্যান্ট পদে কাজ করব। সেনায় যোগ দিতে পেরে অত্যন্ত গর্ববোধ হচ্ছে। স্বামীর মৃত্যুর পর স্থির করেছিলাম সেনায় যোগ দেব। আজ সেই স্বপ্ন, সেই লক্ষ্যপূরণ করতে পারলাম।”

    রেখার সঙ্গে আরও ৫ জন যোগ দিলেন গোলন্দাজ বাহিনীতে 

    তবে শুধুমাত্র রেখাই নন, শনিবার একসঙ্গে পাঁচজন মহিলা আর্মি অফিসার হিসেবে গোলন্দাজ বাহিনীতে যোগ দিলেন সেনায়। তাঁরা সকলেই চেন্নাইয়ের ‘অফিসার্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমি’তে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। পাঁচ মহিলা অফিসারের মধ্যে দু’জনকে পাক সীমান্তের কাছে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। বাকি তিনজন (রেখা-সহ) যোগ দিচ্ছেন লাদাখে চিনের সীমান্তের কাছে। তাঁদের সঙ্গে ১৯ জন পুরুষ অফিসারও যোগ দিলেন রেজিমেন্টে। গত জানুয়ারিতে চিফ অফ আর্মি স্টাফ জেনারেল মনোজ পান্ডে জানিয়েছিলেন মহিলা অফিসারদের গোলন্দাজ বাহিনীতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা। পরে তাঁর প্রস্তাবে সম্মতি দেয় সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: টুইটারে বিজেপি বিধায়ককে খুনের হুমকি! কেন জানেন?

    BJP: টুইটারে বিজেপি বিধায়ককে খুনের হুমকি! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি কালিয়াগঞ্জে দ্বাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের পর গোটা রাজ্য তোলপাড় হয়। মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে রাজ্য জুড়ে সমালোচিত হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সম্প্রতি শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP) বিধায়ক তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে প্রতিবাদ জানান। তাঁর সেই প্রতিবাদের জন্য বিপ্লব নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক। এনিয়ে শনিবার তিনি শিলিগুড়ি থানায় এফআইআরও করেছেন।

    টুইটারে কী লিখেছিলেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    শঙ্করবাবু তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, হীরক রানির রাজ্যে এভাবেই ধর্ষিতা কন্যাদের মৃতদেহ সম্মান পায়। সঙ্গে একটি কার্টুন ছবিও তিনি তুলে ধরেন, যেখানে একজন নির্যাতিতাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা দেখানো হয়েছে। তাঁর এই টুইটারের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে বিপ্লব নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শঙ্কর ঘোষকে গ্রেফতার করে মারার হুমকি দেওয়া হয়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, এই ঘটনার পিছনে আমি তৃণমূলের যুক্ত থাকার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। কেননা আমাকে গ্রেফতার করে মারার কথা বলা হয়েছে। গ্রেফতার কে করবে? পুলিশ, আর পুলিশ তৃণমূল সরকারের। এছাড়াও যে অ্যাকাউন্ট থেকে আমাকে গ্রেফতার করে মারার হুমকি দেওয়া হয়েছে, সেই টুইটার অ্যাকাউন্টে নিয়মিত ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়। শুধু তাই নয়, ওই টুইটার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে তৃণমূলের নব জোয়ারের ট্যাগ করা রয়েছে। কাজেই আমাকে মারার ক্ষেত্রে তৃণমূলের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। সে কারণে আমি পুলিশে এফআইআর করেছি।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের দার্জিলিং(সমতল) জেলা কমিটির মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলেন, তৃণমূল নয়, এ রাজ্যে যাবতীয় অশান্তি পাকাচ্ছেন শঙ্কর বাবু ও তাঁর দল। অপরাধীরা অপরাধ করে এরাজ্যে পার পায় না। শঙ্করবাবু পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পুলিশ যদি কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road Accident: পথ দুর্ঘটনায় মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ এলাকা, টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    Road Accident: পথ দুর্ঘটনায় মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ এলাকা, টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার হুগলির শ্রীরামপুর পিয়ারাপুর মোড়ে দিল্লি রোডে পথ দুর্ঘটনায় (Road Accident) এক মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। দোষীদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে রাস্তার ওপর টায়ার জ্বালিয়ে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে দিল্লি রোড অবরোধ করে রাখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উত্তেজিত জনতা পুলিশ কিয়স্কে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম পুষ্পা সাঁতরা(৫৬)। তাঁর বাড়ি বড়বেলু মনসাতলা এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ বালিভর্তি ডাম্পার সিঙ্গুর থেকে বাঁক নিয়ে দিল্লি রোডে উঠে চুঁচুড়ার দিকে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি (Road Accident) ঘটে। ওই মহিলা সাইকেল করে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। ডাম্পারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই মহিলাকে পিষে দেয়। ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় ওই মহিলাকে উদ্ধার করে শ্রীরামপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়েই বড়বেলু গ্রাম থেকে হাজার খানেক বাসিন্দা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। আসেন দুর্ঘটনায় (Road Accident) মৃত্যু হওয়া ওই মহিলার বাড়ির লোকজনও। এসেই তাঁরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। জ্বালানো হয় টায়ার। স্তব্ধ হয়ে যায় দিল্লি রোড। অবরোধের জেরে দিল্লি রোডে তীব্র যানজট তৈরি হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় শ্রীরামপুর থানার পাশাপাশি চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের  এসিপি-২ শুভঙ্কর বিশ্বাস নিজে ঘটনাস্থলে যান।

    বিক্ষোভকারীদের কী বক্তব্য?

    ঘাতক ডাম্পারের চালককে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করতে থাকেন অবরোধকারীরা। বিক্ষোভকারীদের পক্ষে বাবলু সর্দার নামে এক যুবক বলেন, পিয়ারাপুর মোড়ের কাছেই পুলিশ ফাঁড়ি। সামনেই ট্রাফিক গার্ডের কিয়স্ক। অসংখ্য সিসি ক্যামেরা রয়েছে। তারমধ্যে সাতসকালে কি করে একটা ওভারলোড গাড়ি বাঁক নিতে গিয়ে পথচারীকে চাপা দিল? আসলে সিভিক ভলান্টিয়াররা রাস্তায় কোনও ডিউটি করে না। লরি থেকে পয়সা তুলতে এবং মোবাইল দেখতে তারা ব্যস্ত থাকে। তাই ওদের বিরুদ্ধে আগে ব্যবস্থা নিতে হবে।

    কি জানালো প্রশাসন

    এদিন অবরোধ তুলতে এসে পুলিশ কর্তাদের হিমশিম খেতে হয়। আসলে দিল্লি রোডে এরকম ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। সেদিক দিয়ে দেখলে বলা যেতে পারে, এদিনের এই বিক্ষোভ আসলে জনরোষের প্রতিফলন। ইতিমধ্যেই বালি ভর্তি ডাম্পার সহ চালককে আটক করেছে পুলিশ। এসিপি শুভঙ্কর বিশ্বাসের আশ্বাসে প্রায় সাড়ে তিনঘণ্টা পর অবরোধ ওঠে। এসিপি শুভঙ্করবাবু বলেন, আমরা ডাম্পারের চালককে আটক করেছি। পরিবারের লোক যাতে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পান সেটা দেখা হচ্ছে। এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া এই পিয়ারাপুর এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থার আরও উন্নত করা হবে। দুর্ঘটনার (Road Accident) সময় যারা ডিউটি করছিল, তাদের কোনও গাফিলতি থাকলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • John Barla: অভিষেকের তাঁবু খাটিয়ে জনসংযোগকে তীব্র কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা

    John Barla: অভিষেকের তাঁবু খাটিয়ে জনসংযোগকে তীব্র কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল দলটাই চোর লুটেরায় ভরে গিয়েছে। মানুষ এখন হাড়ে হাড়ে তা বুঝতে পারছেন। আলিপুরদুয়ারে এসে একথা বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা (Jhon Barla)। তিনি বলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূল বিধায়করা জেলে যাচ্ছেন। এখনও অনেকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তৃণমূল এখন চোরেদের দলে পরিণত হয়েছে। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করবে।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Jhon Barla) কী বললেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা (Jhon Barla) বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যতই আলিপুরদুয়ারে এসে তাঁবু খাটিয়ে জনসংযোগ করুক না কেন, কোনও লাভ হবে না। ওরা (তৃণমূল) বলছে টাকা নেই, আর এদিকে উৎসব চলছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে যেভাবে প্যান্ডেল করা হয়েছে, ওই টাকা যদি গরিব মানুষদের মধ্যে বিলি করা হত, তাহলে বুঝতাম যুবরাজ জনগণের মানুষ। সাধারণের বাড়িতে রাত কাটালে বুঝতাম ওদের (তৃণমূল) সঙ্গে লোক আছে। যুবরাজের তো আবার এসি লাগবে। কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জন বার্লার (Jhon Barla) সমালোচনা করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়ে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী কেন উচ্চ পর্যায়ের কেন্দ্রীয় কমিটি আনতে পারেননি? যদিও অভিষেকের সেই অভিযোগকে কটাক্ষ করে জন বার্লা (Jhon Barla) বলেন, রাজ্য সরকার এমনকী জেলা প্রশাসন আমাদের কোনওরকমভাবে সহযোগিতা করছে না। জেলার উন্নয়ন করতে হলে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যের সমন্বয় দরকার। কেন্দ্রের ইচ্ছা থাকলেও রাজ্যের অসহযোগিতায় কোন উন্নয়নমূলক কাজ এই এলাকার মানুষের জন্য করা যাচ্ছে না। অথচ অন্যান্য রাজ্যগুলো এগিয়ে আসছে। আমাদের রাজ্য এক সময় দেশের মধ্যে সব দিক থেকেই শীর্ষে ছিল, সেই রাজ্য আজকে অন্যান্য অনেক রাজ্যের থেকে পিছিয়ে পড়ছে।  

    চা শ্রমিকদের নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Jhon Barla)?

    জন বার্লা বলেন, ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আদিবাসীরা চা বাগানে রয়েছেন। কয়েক পুরুষ ধরে বসবাস করলেও তারা চা বাগানের এক ইঞ্চি জমিতে বাড়ি বানাতে পারছেন না, রাজ্য সরকার জমির পাট্টা দেয়নি। আমি তো জোর করে বাড়ি বানিয়েছি। আমার চার পুরুষ ওই জমিতে বসবাস করছে, আমি কেন বাড়ি বানাতে পারবো না? আমাকে দেখে সবাই বাড়ি বানাবেন, এই জমি আমরা ছাড়তে পারবো না, পারলে আমাকে উঠিয়ে দিক। ১৫০ বছর হয়ে গেছে আমরা জমির অধিকার পাইনি। রোহিঙ্গারা এসে জমি বাড়ি পেয়ে যাবে, আমরা এই দেশের আদিবাসী বাসিন্দা হয়ে কেন জমি বাড়ি পাব না?

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শাসকদলের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিকবড়াইক বলেন, আলিপুরদুয়ারের মানুষ এতদিন তাঁকে খুঁজে পাননি। তাই নিজেকে বাঁচাতে তিনি ওইসব আবোল তাবোল বকে যাচ্ছেন। রাজ্য সরকার চা শ্রমিকদের জমির পাট্টা দিচ্ছে। চা সুন্দরীর ঘর করে দিচ্ছে। তিনি ওই সব উন্নয়নের কাজ দেখতেও পান না, শুনতেও পান না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: মুখ থুবড়ে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জলস্বপ্ন প্রকল্প’! গরমে জল সংকটে ভুগছেন বাসিন্দারা

    Drinking Water: মুখ থুবড়ে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জলস্বপ্ন প্রকল্প’! গরমে জল সংকটে ভুগছেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরম পড়তেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের (Drinking Water) সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও রাস্তার ট্যাপকল আছে, তাতে ঠিকমতো জল পড়ে না, আবার কোথাও জল আসে অনিয়মিত। উখড়া পাঠকপাড়া, চ্যাটার্জীপাড়া এবং রুইদাসপাড়াতে সপ্তাহখানেক ধরে ট্যাপকলে জল পড়ছে না বলে অভিযোগ। এরপরই শুক্রবার উখড়া-মাধাইগঞ্জ রোডের আনন্দমোড়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশ গিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেয়। ঘণ্টা দুয়েক পর অবরোধ ওঠে। কিন্তু, সেই অবরোধ করেও কোনও লাভ হয়নি। ফলে, ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের পক্ষ থেকে এই এলাকায় কয়েক বছর আগে রাস্তার ধারে প্রায় ৭ হাজার ট্যাপ বসানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর জলস্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার নতুন করে পানীয় জলের (Drinking Water) সংযোগ দেওয়া হয়। তবে, মেন লাইনের সঙ্গে এখনও সংযোগ না দেওয়ার কারণে বাড়ি বাড়ি জল সরবরাহ শুরু হয়নি। আর রাস্তায় যে সাত হাজার ট্যাপ রয়েছে, সেখান দিয়ে ঠিকমতো জল সরবরাহ হচ্ছে না বলেও এলাকাবাসীর ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গরমে পর্যাপ্ত পানীয় জলের (Drinking Water) পরিষেবা না থাকার কারণে বাইরে থেকে জল কিনে খেতে হচ্ছে। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জল সরবরাহ করার কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করছে না। বহুবার এই বিষয়ে পঞ্চায়েতে আবেদন জানানো হয়েছে। তাতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। তাই, এলাকার মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে রাস্তা অবরোধে সামিল হয়েছিল। এখন পঞ্চায়েত কী উদ্যোগ নেয় সেদিকে আমরা তাকিয়ে রয়েছি।

    কী বললেন উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান?

    অবরোধের পর পরই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রাজু মুখোপাধ্যায়। তাঁর হস্তক্ষেপে অবরোধ ওঠে। রাজুবাবু বলেন, সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় প্রতিদিন পানীয় জলের (Drinking Water) ট্যাঙ্ক পাঠানো হবে। এছাড়াও তিনি আরও বলেন, পাইপ লাইনের কাজ অনেক বাকি রয়েছে। ঠিকাদার কেন পাইপ লাইনের কাজ বাকি রেখেছে সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কারণ, এই ঠিকাদারের জন্যই হাজার হাজার বাসিন্দাকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে ঠিকাদার উদ্যোগ না নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: মে মাসেই হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত ও নিউ গড়িয়া-রুবি মেট্রোর উদ্বোধন, আসছেন প্রধানমন্ত্রী?

    Kolkata Metro: মে মাসেই হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত ও নিউ গড়িয়া-রুবি মেট্রোর উদ্বোধন, আসছেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পেয়েছে দ্বিতীয় বন্দে ভারত। শোনা যাচ্ছে, হাওড়া-পুরী রুটের এই ট্রেনের উদ্বোধন করতে কলকাতায় পা রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি ওই দিনই তিনি সবুজ পতাকা দেখাতে পারেন গড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত নতুন মেট্রো রুটকে (Kolkata Metro)। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরেই উদ্বোধন হতে পারে এই বহু প্রতিক্ষীত মেট্রো রুটের (Kolkata Metro)। মে মাসেই গড়াতে পারে এই রুটের মেট্রোর চাকা। জানা গিয়েছে, গড়িয়া-বিমানবন্দরের মেট্রো করিডরের এই রুটে মেট্রো চলাচলের জন্য ইতিমধ্যেই রেলওয়ে সেফটি কমিশনারের ছাড়পত্র এসে গিয়েছে। কেটে গিয়েছে সমস্ত জট। এবার কেবলমাত্র চাকা গড়ানোর অপেক্ষা। আর তার জন্যই অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন শহরবাসী।

    নিউ গড়িয়া থেকে রুবি অবধি কতগুলি স্টেশন রয়েছে

    নিউ গড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত রয়েছে মোট পাঁচটি স্টেশন। এগুলি হল – কবি সুভাষ (নিউ গড়িয়া), সত্যজিৎ রায় (হাইল্যান্ড পার্ক), জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী (অজয়নগর এলাকা), কবি সুকান্ত (অভিষিক্তা ক্রসিং) এবং হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবির মোড়)। তবে, নতুন রুটে মেট্রো ছুটলে আমজনতার যাতায়াতে সুরাহা হবে তা বলাই বাহুল্য।

    কোন স্টেশনে কত ভাড়া

    কবি সুভাষ অর্থাৎ গড়িয়া স্টেশন থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় অর্থাৎ রুবি পর্যন্ত ভাড়া লাগবে ২০ টাকা। এই রুটের সঙ্গেই এবার সিঙ্গল টিকিটে যাতায়াত করা যাবে কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর স্টেশন পর্যন্ত। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে কবি সুভাষ হয়ে দক্ষিণেশ্বর কিংবা দমদম পর্যন্ত মেট্রো চড়লে ভাড়া পড়বে ৪৫ টাকা। এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট এবং কালীঘাট স্টেশন পর্যন্ত টিকিটের ভাড়া ৪০ টাকা। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে উত্তম কুমার মেট্রো স্টেশনের ভাড়া ৩৫ টাকা। এই প্রথম কলকাতা মেট্রোর দু’টি পৃথক রুটে সিঙ্গল টিকিটে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।

    মোদি-শাহ একসঙ্গে পা রাখতে পারেন কলকাতায়

    শোনা যাচ্ছে, উদ্বোধনের দিন কলকাতায় একসঙ্গে পা রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় সরকারের দুই প্রধান ব্যক্তিত্বের কলকাতা আগমনে সরগরম হতে পারে রাজ্য রাজনীতি। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রসঙ্গত, এর আগে ডিসেম্বরে যখন হাওড়া নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধন হয়েছিল সেই সময়ে পরিকল্পনা থাকলেও মায়ের মৃত্যুর কারণে আসতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। ভার্চুয়াল উদ্বোধন সারা হয় রাজ্যের প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ECL: খনি এলাকায় বাড়ছে ফাটল! নতুন করে ধসের আতঙ্কে এলাকাবাসী

    ECL: খনি এলাকায় বাড়ছে ফাটল! নতুন করে ধসের আতঙ্কে এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কয়েকদিনে খনি অঞ্চলে অণ্ডাল ও পাণ্ডবেশ্বর এলাকায় বেশ কয়েকটি ধসের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকদিন আগেই পাণ্ডবেশ্বরের অণ্ডাল থানার পড়াশকোল এলাকায় বহুলা – কাজোড়া যাওয়ার প্রধান রাস্তার উপর একাধিক জায়গায় বিশাল আকারে ফাটলের জেরে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। এমনকী আতঙ্কে অনেকে ঘরবাড়ি, দোকানপাট ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। সেই জের মিটতে না মিটতেই ই সি এল (ECL) এর কেন্দা এরিয়ার শংকরপুর খোলা মুখ খনি চত্বরে একাধিক জায়গায় ফাটল দেখা দেওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত তিন-চারদিন ধরেই ফাটল ক্রমশ বাড়ছে। আর এতেই আতঙ্কিত এলাকাবাসী।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    এক লরির চালক বলেন, ২৬ এপ্রিল রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আচমকা এলাকাটা কেঁপে ওঠে। প্রথমে ভূমিকম্প ভেবেছিলাম। সকাল হতেই নজরে আসে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় গভীর ফাটল। খবর দেওয়া হয় ই সি এলের (ECL) আধিকারিকদের। পাশাপাশি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে অণ্ডাল থানার বনবহাল ফাঁড়ির পুলিশ। সুরক্ষার খাতিরে সেই মুহূর্তে খনির কাজ বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু, দুদিন কাজ বন্ধ রাখার পর ফের বিপদের ঝুঁকি নিয়েই শুরু হয় খনির কাজ। শুক্রবার আবার কেন্দা এরিয়ার শংকরপুর খোলা মুখ খনি এলাকায় ফের ফাটল শুরু হয়। শনিবার সেই পুরানো ফাটল বড় আকার নেওয়ায় আতঙ্ক ছড়ায় খনি চত্ত্বর এবং আশেপাশের গ্রামেও। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই ফাটলের কারণে এলাকায় যেকোনও সময় ধস নামতে পারে। খনি এলাকার ৫০০ মিটার দূরে রয়েছে দুটি গ্রাম। যেভাবে দিনে দিনে খনি চত্ত্বর জুড়ে ফাটল দেখা দিচ্ছে, তাতে আগামীদিনে গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। সব দেখেও উদাসীন ই সি এল (ECL) কর্তৃপক্ষ। সিঁদুলি থেকে শীতলপুর যাওয়ার প্রধান রাস্তার দু’পাশেই দেখা দিয়েছে গভীর ফাটল। খনির চত্বর থেকে ৩০০ মিটার দূরে রয়েছে দিঘির বাগান নামক একটা জনবসতি। দিঘির বাগান এলাকার বাসিন্দা আরশাদ হোসেন বলেন, যেভাবে ধীরে ধীরে ফাটল বাড়ছে এবং আশেপাশের মাঠ ধীরে ধীরে বসছে তাতে আতঙ্কিত হওয়া স্বাভাবিক। আর এখন মেঘলা আবহাওয়া। বৃষ্টি নামলেই এই ফাটলই বড় ধসের আকার নেবে। এই নিয়ে ই সি এল (ECL) কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানোর পরও কোনও কাজ হয়নি। অবিলম্বে ফাটল প্রতিরোধে কোনও ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এই বিষয়ে ইসিএলের কেন্দা এরিয়ার জেনারেল ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ফোন না ধরায় তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Titagarh Shoot-out: ভরদুপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা, ফের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন

    Titagarh Shoot-out: ভরদুপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা, ফের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীরা প্রায়শই অভিযোগ করেন, বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে বাংলা। যখন তখন গুলি-বোমা নিয়ে হামলা, ধর্ষণ করে খুন ইত্যাদি ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার কলকাতার কাছেই প্রকাশ্য দিবালোকে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজনের মৃত্যু হল। ফলে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগের জায়গাটা আরও একবার সামনে চলে এল। ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। প্রকাশ্য রাস্তায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে (Titagarh Shoot-out) ঝাঁঝরা হয়ে গেল শরীর। ঘটনাটি ঘটেছে টিটাগড় থানার জি সি রোড নয়াবস্তি এলাকায়। এটি বারাকপুর পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। নিহতের নাম আনোয়ার আলি (৫০)। তৃণমূলের দাবি, নিহত ব্যক্তি তাদের দলের কর্মী। রাজনৈতিক নাকি অন্য কোনও কারণে তাঁকে গুলি করে খুন করা হল, সে ব্যাপারে তৃণমূল নেতৃত্ব কিছু জানায়নি। ব্যারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস ওই কর্মীকে দেখতে গিয়েছিলেন হাসপাতলে। সেখানে তিনি বলেন, কী কারণে এই গুলি, তা তাঁরা এখনও জানতে পারেননি। পুলিশকে তদন্ত করে দোষীদের খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা এসেছিল মোটরবাইকে। আনোয়ারকে গুলি করেই তারা এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয়।

    এলাকায় চাঞ্চল্য, আতঙ্ক

    ভর দুপুরে প্রকাশ্যে রাস্তায় এইভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষ কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গুলিবিদ্ধ (Titagarh Shoot-out) হওয়ার পর ওই তৃণমূল কর্মীকে বারাকপুর বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক থাকায় তাকে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু সেখানে শেষ রক্ষা হয়নি। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তির নিজস্ব ব্যবসা ছিল। একই সঙ্গে তিনি সমাজসেবার নানা কাজেও যুক্ত ছিলেন। আনোয়ার আলির এক বন্ধু জানান, ওর ডাক নাম ছিল গুড্ডু। এখানে একটা সাইবার ক্যাফে ছিল। জমিজমার ব্যবসাও করত। সাড়ে ১২ টা থেকে ১ টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ভালো ছেলে ছিল বলেই তিনি জানিয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda School: ওর মানসিক সমস্যা রয়েছে, মন্তব্য মালদার স্কুলে ঢুকে পড়া সেই ‘বন্দুকবাজ’-এর স্ত্রীর!

    Malda School: ওর মানসিক সমস্যা রয়েছে, মন্তব্য মালদার স্কুলে ঢুকে পড়া সেই ‘বন্দুকবাজ’-এর স্ত্রীর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানাল মালদার স্কুলে (Malda School) বন্দুক নিয়ে ঢুকে পড়া সেই ধৃত দেব বল্লভ। তার বক্তব্য, মোটা টাকার বিনিময়ে বিহার থেকে বন্দুক কিনেছিল সে। বিহারের কিছু মাফিয়াদের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। তারপর পরিকল্পনা করেই স্কুলের ঘটনাটি সে ঘটিয়েছে।

    অভিযুক্তের স্ত্রীর বক্তব্য 

    অন্যদিকে তার স্ত্রী রীতা বল্লভের খোঁজ মিলল তাঁর বাবার বাড়িতে। তাঁর মুখ থেকেই শোনা যাক আসল রহস্য কী? তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ছাত্রছাত্রীদের সামনে স্কুলের মধ্যে (Malda School) ওইভাবে পিস্তল নিয়ে ঘুরছেন আপনার স্বামী। কী বলবেন? উত্তরে রীতাদেবী বলেন, ‘আমি বলতে পারব না কেন এই সব হচ্ছে। রাজনীতি করে ওর মাথাটা গেছে। আমি তো গত তিন বছর ধরে ওর সঙ্গে থাকি না; আমি আমার ছেলে নিয়ে আলাদা থাকি। ওর পরিবারের মানুষ বলতে পারবেন। কিন্তু এই আগ্নেয়াস্ত্র কোথায় সে পেল? প্রশাসনকে অনুসন্ধান করতে হবে। আপানকে কি কেউ অপহরণ করেছে? উত্তরে রীতা বলেন, আমাকে কেউ অপহরণ করেনি। ওকে কেউ ভুল বুঝিয়ে পিছন থেকে পরিচালনা করছে। আমার বিয়ের পর ওর মা আমায় বলেছেন, ওর মানসিক সমস্যা রয়েছে, বয়স বাড়লে ওর সমস্যা বাড়বে। সেই সঙ্গে আরও বলেন, ওর পরিবারের মানুষ ওর পাশে না থাকলে আমি নিজে ওর চিকিৎসার ব্যবস্থা করব। খারাপ পথ থেকে আমি ওকে ভাল পথে ফিরিয়ে আনবো। স্ত্রী সেই সঙ্গে বলেন, আগে আমি বিজেপি করতাম এবং ভোটেও দাঁড়িয়েছিলাম। বর্তমানে আমি তৃণমূল করি। তবে পুরো বিষয়ে কোনও রাজনীতির ব্যাপার নেই।

    ঘটনা কী ঘটেছিল? 

    গত ২৬ শে এপ্রিল মালদা থানার মুচিয়া চন্দ্রমোহন হাইস্কুলে (Malda School) দেব বল্লভ নামে এক ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হুমকি দেয়। নাইন এমএম পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন সমেত পেট্রল বোমা ছিল তার সঙ্গে। ক্লাসে বন্দুক উঁচিয়ে বারবার দাবি করতে থাকে যে তার স্ত্রী রীতা বল্লভ ও ছেলেকে অপহরণ করে রেখেছে তৃণমূলের নেতারা। তারপর গ্রেফতার হয় বন্দুকবাজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share