Tag: Madhyom

Madhyom

  • Tarapith: তন্ত্রসাধনায় নিজের ভাইঝিকে নরবলি দেওয়ার চেষ্টা! তারাপীঠে গ্রেফতার মহিলা সন্ন্যাসী

    Tarapith: তন্ত্রসাধনায় নিজের ভাইঝিকে নরবলি দেওয়ার চেষ্টা! তারাপীঠে গ্রেফতার মহিলা সন্ন্যাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোমহর্ষক ঘটনা। এ যেন সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানাবে। তন্ত্রসাধনার জন্য কাউকে ধরে নিয়ে এসে বলিকাঠে চড়ানো হচ্ছে, এমন হাড়হিম করা দৃশ্য বহু সিনেমাতেই দেখা যায়। কিন্তু তা বলে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য নিজেরই ভাইঝিকে কেউ ধরে নিয়ে যেতে পারে, এ যেন কল্পনার অতীত। কিন্তু বাস্তবে তেমনটাই ঘটেছে। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। তন্ত্রসাধনায় নরবলি দেওয়ার আগেই তারাপীঠ (Tarapith) থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে সন্ন্যাসী মহিলাকে। আর তারপরই পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ওই চাঞ্চল্যকর তথ্য। বোলপুর থানা এবং বীরভূম জেলা পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের জালে সন্ন্যাসী মহিলা রেখা সরকার। ঘটনার গভীরে ঢুকতে বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত। 

    কীভাবে পুলিশ পৌঁছে গেল মহিলা সন্ন্যাসীর ডেরায়?

    দিন চারেক আগে বীরভূমের বোলপুর থানার অন্তর্গত তাতারপুর কলোনি থেকে এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়। তার পরিবারের তরফ থেকে বোলপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। বিশেষ টিমে ছিলেন বীরভূম জেলা পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের আধিকারিক সহ বোলপুর থানার পুলিশ অফিসাররা। নিখোঁজ নাবালিকার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনে নেওয়া হয়, তাদের কোথায় কোথায় আত্মীয়স্বজন রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে তারই দিদি রেখা সরকার তারাপীঠে থাকে বলে খোঁজ মেলে। শনিবার বীরভূম জেলা পুলিশের এই স্পেশাল টিম হানা দেয় তারাপীঠে (Tarapith)। প্রথমে রেখা সরকার নামে ওই মহিলা জানিয়ে দেয়, তার ভাইঝি তার কাছে আসেনি। সমগ্র ঘটনা এড়িয়ে যায়। পরে পুলিশ চাপ দিলে ওই নাবালিকাকে বের করে দেয়। 

    বলি দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, বলছেন পুলিসের আধিকারিকই

    এই পুরো ঘটনায় বোলপুরের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার সুরজিৎকুমার দে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, রেখা সরকার দীর্ঘদিন ধরে তন্ত্র সাধনার সঙ্গে যুক্ত। প্রথমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সম্পূর্ণ বিষয় অস্বীকার করে। পরবর্তী সময়ে তাকে চাপ দেওয়া হলে ওই নাবালিকাকে বের করে দেয়। তারপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশি তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রাথমিকভাবে উঠে এসেছে, তন্ত্রসাধনার কাজে তারাপীঠে (Tarapith) ওই নাবালিকাকে বলি দেওয়ার প্রয়াস চালিয়েছিল ধৃত রেখা। এই ঘটনার আরও গভীরে ঢুকতে সাতদিনের পুলিশি হেফাজতে নিয়েছে বোলপুর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের কমিটিতে চারজন সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম! শোরগোল

    TMC: তৃণমূলের কমিটিতে চারজন সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব বর্ধমান জেলায় তৃণমূলের (TMC) যুব এবং ব্লক কমিটিতে চারজন সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম! এদের একজন আবার ব্লক কমিটির সভাপতি, অপর তিনজন ব্লক কমিটির সদস্য। সদ্য প্রকাশিত তৃণমূল জেলা যুব কমিটি এবং মাস কয়েক আগে প্রকাশিত তৃণমূলের ব্লক কমিটিতে কালনা ২ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলের দায়িত্বে এলাকার চার সিভিক ভলান্টিয়ারের নামের তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এদের মধ্যে তিন সিভিক ভলান্টিয়ার কালনা থানার অধীনে কর্মরত। ওই তিনজন হলেন সঞ্জয় ঘোষ, সৈকত পূজারি এবং রেজাউল মন্ডল। বাকি একজন সৌভিক ঘোষ। ওই এলাকার তৃণমূলের ব্লক সভাপতির দাবি, নাম থাকতেই পারে। এর মধ্যে তিনি অন্যায় কিছু দেখছেন না। তিনি যাই বলুন, দলের কমিটিতে সিভিক ভলান্টিয়ারদের নাম ওঠায় অস্বস্তিতে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল। 

    কী বলছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের বক্তব্য, সিভিক ভলান্টিয়ার ডিউটির পরে রাজনীতি করতেই পারে। আসলে বিরোধীদের কোনও কাজ না থাকায় তারা এই নিয়ে খোঁচাখুঁচি করছে। গণতান্ত্রিক অধিকার তো সব মানুষেরই আছে। রাজনৈতিক দল করারও স্বাধীনতা আছে। যারা সরাসরি রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী, তারা রাজনীতি করতে পারে না। কিন্তু সিভিক ভলান্টিয়াররা তো রাজ্য সরকারের কর্মচারী নয়। তারা মাস গেলে একটা ভাতা পায়। এরা শ্রম দেয় এবং তার বিনিময়ে সরকার তাদের কিছু মজুরি দেয়। সংবিধান বা আইনগতভাবে কোনও বাধা আছে বলে আমার মনে হয় না। বিজেপির তো পায়ের তলায় মাটি নেই। তাই যতটা সম্ভব বিব্রত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

    তীব্র সমালোচনায় বিজেপি

    স্থানীয় বিজেপি নেতা বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। দল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। এরা তো প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত। তাহলে তৃণমূল (TMC) দলের পদাধিকারী হয়ে তারা কী করে নিরপেক্ষভাবে পঞ্চায়েত ভোট পরিচালনা করবে? এই ধরনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা দাবি করেছি, পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোনও সিভিক ভলান্টিয়ারকে কাজে লাগানো যাবে না। সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়ে সরকার যে আসলে পার্টির কাজ করায়, এই ঘটনায় সেটা প্রমাণ হয়ে গেল। আসলে ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে বিরোধী দলের কোন নেতা কী করছেন, কোথায় যাচ্ছেন, সেই সমস্ত খবরাখবর নেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Atiq Ahmed: আতিক খুনের প্রতিবাদে বাংলায় পুলিশি ঘেরাটোপে মোমবাতি মিছিল! কারা করল?

    Atiq Ahmed: আতিক খুনের প্রতিবাদে বাংলায় পুলিশি ঘেরাটোপে মোমবাতি মিছিল! কারা করল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে আতিক আহমেদকে (Atiq Ahmed) গুলি করে খুন করার ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে মোমবাতি মিছিল করল রাজা ইসলামিক মিশন নামে একটি সংগঠন। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের রামগঞ্জ এলাকায়। ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় রামগঞ্জ বাজারে এই মোমবাতি মিছিল হয়। মিছিলে সংগঠনের বহু সদস্য পা মেলান। আতিক আহমেদ খুন হওয়ার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করেছিলেন, উত্তরপ্রদেশে নৈরাজ্য এবং আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার ছবি দেখে আমি স্তম্ভিত। পাল্টা টুইট করে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের নৈরাজ্য ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি দেখে আপনি কবে স্তম্ভিত হবেন? স্বাভাবিকভাবে আতিক আহমেদ (Atiq Ahmed) ইস্যুতে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে তর্ক, বিতর্কের মাঝে ১৬ এপ্রিল রাজা ইসলামিক মিশনের ব্যানারে প্রকাশ্যে মোমবাতি মিছিল হওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। একজন দাগি দুষ্কৃতীর মৃত্যুর ঘটনায় মোমবাতি মিছিল করা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    কী বললেন মোমবাতি মিছিলের উদ্যোক্তারা?

    মোমবাতি মিছিলে রাজা ইসলামিক মিশনের সঙ্গে একাধিক সংগঠনের সদস্যরা ছিলেন বলে উদ্যোক্তাদের দাবি। মোমবাতি মিছিলের একটি ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, সকলের হাতে মোমবাতি ছিল। আর পিছনে পুলিশের একটি গাড়ি এসকর্ট করে মিছিলটি নিয়ে যাচ্ছিল। মিছিল শেষে সংগঠনের সদস্যরা উত্তরপ্রদেশ সরকার মুর্দাবাদ বলে স্লোগান দেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকেও তাঁরা কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি এই রাজ্যের পুলিশের প্রশংসা করেন তাঁরা। রাজা ইসলামিক মিশনের সভাপতি আসজাদ রাজা বলেন, উত্তর প্রদেশে আতিক আহমেদকে (Atiq Ahmed) যে ভাবে খুন করা হয়েছে, তাতে সংবিধানকে খুন করা হয়েছে। কারণ, আতিকের সাজা ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। তার উপর পুলিশের সামনে দুষ্কৃতীরা হামলা চালাল? পুলিশের সামনে হামলা হওয়ার পরও পাল্টা হামলা পুলিশ করল না। উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন গুন্ডা, মাফিয়াদের বাড়িতে বুলডোজার চালায়। আতিককে (Atiq Ahmed) যারা খুন করল তাদের বাড়িতে বুলডোজার কবে চালানো হবে? এই ঘটনার প্রতিবাদে আমরা এদিন শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছিলাম। পুলিশও আমাদের সঙ্গে ছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Baby: হাসপাতালে মায়ের কোল থেকে সদ্যোজাত শিশু চুরি! শোরগোল এলাকায়

    Baby: হাসপাতালে মায়ের কোল থেকে সদ্যোজাত শিশু চুরি! শোরগোল এলাকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে এক সদ্যোজাত শিশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। যা নিয়ে হাসপাতাল জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চরম গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়িবাড়ি বাতাসির চব্বিশ বছরের গৃহবধূ রঞ্জিতা সিংহ ১৮ এপ্রিল খড়িবাড়ি ব্লক হাসপাতালে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। প্রসূতির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বুধবার তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এদিন দুপুরে ওই প্রসূতির বেড থেকে সদ্যোজাত পুত্রসন্তানকে তুলে নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠল এক মহিলার বিরুদ্ধে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    প্রসূতির পাশের বেডের এক রোগীর আত্মীয়া বলেন, এদিন বেলা বারোটার পর রঞ্জিতা সিংহ নামে ওই প্রসূতির কোলে শিশুটি ছিল। প্রসূতিকে খাইয়ে দিচ্ছিলেন তাঁর মা। সে সময় তাঁর সন্তান কাঁদছিল। অজ্ঞাত পরিচয় এক মহিলা এসে তাঁর শিশুসন্তানটিকে শান্ত করার নাম করে নিয়ে যায়। বলে তুমি খাও। বাইরে থেকে বাচ্চাকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসছি। সরল বিশ্বাসে ওই প্রসূতি ও তাঁর মা তাঁদের সদ্যোজাত সন্তানকে ওই মহিলার হাতে তুলে দেন। তার পরই মহিলা ওয়ার্ড থেকে বেরিয়ে যায়। অনেকক্ষণ হয়ে যাওয়ার পরও শিশু নিয়ে মহিলা ফিরে না আসায় সকলে তার খোঁজ শুরু করে। কিন্তু, কোথাও তার হদিশ মেলেনি।

    কী বললেন প্রসূতির পরিবারের লোকজন?

    হাসপাতালের প্রসূতিদের এই ওয়ার্ড থেকে বাইরে বের হতে গেলে তিনটি গেট অতিক্রম করতে হয়। সেখানে বেসরকারি সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। তাহলে একটি শিশুকে নিয়ে এক মহিলা বেরিয়ে যাচ্ছে, তার ছুটি হয়েছে কি না বা সে কেন যাচ্ছে, তার কাছে ডিসচার্জ সার্টিফিকেট রয়েছে কি না-এসব যাচাই কেন করা হয়নি, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রসূতির স্বামী নিত্যানন্দ সিংহ বলেন, বেসরকারি সিকিউরিটি গার্ড যাঁরা গেটে রয়েছেন, তাঁরা কেন ওই মহিলাকে জিজ্ঞাসা করেননি। যে ওয়ার্ডে ঘুরছে, তার পরিচয় কি? যেখান থেকে আমার সন্তানকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখান থেকে বাইরে বের হতে গেলে প্রসূতি ওয়ার্ডের প্রধান গেটের পাশেই রয়েছে নার্স ও ডাক্তারের টেবিল। সেখানে অনেক নার্স ও ডাক্তার থাকার পরও তাঁদের নজরে কেন ধরা পড়ল না?

    কী বললেন হাসপাতালে সুপার?

    এদিকে খবর পেয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ পুলিশ আউটপোস্ট তদন্তে নামে। মেডিক্যাল কলেজের মূল গেটে পুলিশের লাগানো সিসিটিভিতে ধরা পড়ে, এক মহিলা একটি টোটোতে করে বাচ্চা নিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ টোটোচালককে আটক করে জেরা করছে। কোথায় ওই মহিলাকে টোটোচালক ছেড়ে এসেছে তা জানার জন্য টোটোচালককে নিয়ে পুলিশ সেই মহিলার সন্ধানে বেরিয়েছে। কেন হাসপাতালের সব জায়গায় সিসিটিভি নেই, নিরাপত্তা কেন ঢিলে-ঢালা, প্রসূতি ওয়ার্ডে বাইরের লোক কী করে ঢোকে? এধরনের প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক। তিনি বলেন, গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Eid 2023: ঈদের জন্য রেড রোড ও ময়দানের প্রস্তুতির যাবতীয় খরচ এবার করছে মমতার সরকার!

    Eid 2023: ঈদের জন্য রেড রোড ও ময়দানের প্রস্তুতির যাবতীয় খরচ এবার করছে মমতার সরকার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন ঈদের দিন (Eid 2023) রেড রোডে নামাজ পড়বেন, এরমধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই। কিন্তু এবার এই ঘটনাকে ঘিরেই ঝুলি থেকে বেরিয়ে পড়েছে বিড়াল, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এমনই জোরালো অভিযোগ তোলা হয়েছে। রাজ্য সরকারের পূর্ত দফতরের এক টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যাচ্ছে, রেড রোড এবং ময়দান এলাকা জুড়ে ঈদের নামাজ পড়ার জন্য যাবতীয় বন্দোবস্ত করতে মাঠে নেমেছে রাজ্য সরকারই। তিনটি পৃথক কাজের জন্য সব মিলিয়ে বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ২৬ লক্ষ টাকা। বিরোধী মহল থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কোনও একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ধর্মাচরণের জন্য রাজ্য সরকার কি এভাবে দরাজ হস্তে দানধ্যান করতে পারে?

    ঈদের টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে ঠিক কী বলা হয়েছে?

    এবার ৫ ই এপ্রিল জারি করা ওই টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যাচ্ছে, ঈদ-উল-ফিতর (Eid 2023) উপলক্ষে আশপাশের গ্রাউন্ড থেকে আবর্জনা সরানো, মাঠ পরিষ্কার করা, বাস্কেটবল ক্লাবের সামনে জমে থাকা জলকাদা বালি দিয়ে ভর্তি করা ইত্যাদি কাজের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৬ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩ টাকা। ঈদ-উল-ফিতরের জন্য অস্থায়ী প্যান্ডেল, স্টেজ এবং আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৯ লক্ষ ৯৭ হাজার ৮৮৯ টাকা। ময়দান এলাকায় গেট এবং এই সংক্রান্ত কাজের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৯ লক্ষ ৯৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।  এই সমস্ত কাজই তিনদিনের মধ্যে শেষ করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এমনকি টাকা আরও লাগলে দেবে গৌরী সেন, এমনও আশ্বাস দিয়ে রাখা হয়েছে। 

    দল এবং সরকার একাকার হয়ে গিয়েছিল তৃণমূলের সভাতেও

    উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে একই ধরনের একটি ঘটনা এভাবেই প্রকাশ্যে এসেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ছিল শহিদ মিনারে। আর ওই সভার জন্য যাবতীয় বন্দোবস্ত করতে মাঠে নেমেছিল খোদ রাজ্য সরকার। সেবারও দেখা গিয়েছিল, পূর্ত দফতর রেড রোড এবং আশপাশের এলাকায় প্যান্ডেল তৈরি, ব্যারিকেড বসানো ইত্যাদি কাজের জন্য তড়িঘড়ি টেন্ডার ডেকেছিল। তখনও প্রশ্ন উঠেছিল, একটি রাজনৈতিক দলের জন্য সরকার কি এভাবে টাকা খরচ করতে পারে? বিরোধীরা তখনও তীব্র সমালোচনা করে বলেছিল, দল ও সরকার যে একাকার হয়ে গেছে, এটাই তার বড় প্রমাণ।

    তোষণের রাজনীতিরই জ্বলন্ত প্রমাণ, তোপ বিজেপির

    ঈদের (Eid 2023) ওই টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি নেতৃত্ব রাজ্য সরকারের ব্যাপক সমালোচনায় নেমেছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, সরকার তাহলে সব জায়গাতেই নামাজ পড়ার জন্য খরচের ব্যবস্থা করুক। আর শুধু একটি ধর্ম কেন, সব ধর্মের জন্যই সরকার এমন দরাজহস্ত হোক। পরে এ ব্যাপারে ট্যুইট-বাণও নিক্ষেপ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। 

    বিজেপির সাফ কথা, তৃণমূল সরকারের তোষণের রাজনীতি যে কোন পর্যায়ে পৌঁছতে পারে, তার আরও একটি জলজ্যান্ত প্রমাণ সামনে এল। বিজেপি নেতৃত্ব বলছে, যে রাজ্যে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পুজো বন্ধ করে দেওয়া হয়, দুর্গাপুজোর বিসর্জনের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় মিছিলে নির্লজ্জ আক্রমণের ঘটনা ঘটে, সেখানে ঈদের নামাজের যাবতীয় খরচ বহন করছে রাজ্য সরকার? এরপরেও সাধারণ মানুষের আর বোঝার কিছু বাকি থাকে কি?
    বিজেপি নেতৃত্বের কটাক্ষ, মুসলিমদের ঠকিয়ে রাজনীতি করার দিন যে শেষ, তা সাগরদিঘিই বুঝিয়ে দিয়েছে। তৃণমূল সরকারের শেষের সেই দিন যে এগিয়ে আসছে, তা এই ধরনের তোষণনীতি থেকেই পরিষ্কার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচাবে তরমুজ-ডাবের জল, বিরিয়ানি কিংবা মদ্যপান কি বাড়াবে বিপদ?

    Heat Wave: তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচাবে তরমুজ-ডাবের জল, বিরিয়ানি কিংবা মদ্যপান কি বাড়াবে বিপদ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কলকাতা, বাঁকুড়া, বর্ধমান থেকে মেদিনীপুর। তাপপ্রবাহ (Heat Wave) অব্যাহত! প্রত্যেকদিন বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। তার সঙ্গে বাড়ছে অস্বস্তি! শিশু, বয়স্কদের পাশাপাশি সকলেই এই অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় অসুস্থ বোধ করছেন। এই গরমে কীভাবে স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখবেন? হিট স্ট্রোক কিংবা মাশল ক্র্যাম্পের মতো বিপদ এড়াতে কী করবেন আর কোন দিক থেকে বাড়তে পারে বিপদ? কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    গরমে সুস্থ থাকতে কোন কোন খাবার তালিকায় রাখতে হবে? 

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই মারাত্মক গরমে (Heat Wave) সুস্থ থাকতে খাবারের তালিকায় অবশ্যই বিশেষ নজর দিতে হবে। কারণ, নিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে শারীরিক সুস্থতার সম্পর্ক ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে থাকে। তাছাড়া, এই গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা দেখা যায়। অর্থাৎ শরীরে জলের পরিমাণ কমে যায়। যা মৃত্যুর আশঙ্কাও বাড়িয়ে তোলে। তাই কী খাওয়া হচ্ছে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। 
    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত ফল খেতে হবে। বিশেষত, তরমুজ, পেঁপে, লেবু মেনুতে রাখতে হবে। তরমুজ, পেঁপের মতো ফলের মধ্যে জল থাকে, যা শরীরকে ঠান্ডা রাখে। শরীরে বাড়তি জলের জোগান দেয়। লেবুতে থাকে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি, যা যে কোনও রোগের মোকাবিলায় সাহায্য করে। তাই এই গরমে শরীর সুস্থ রাখতে তরমুজ, পেঁপের মতো ফল জলখাবারে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। পাশপাশি, ডাবের জল খাওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। কারণ, ডাবের জলের মধ্যে কার্বোহাইড্রেট থাকে। তা শরীরে লবণ ও জলের ভারসাম্যকে বজায় রাখে, তাতে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে। তাছাড়া ডাবের জলে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম থাকে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য এই গরমে ডাবের জল বিশেষ উপকারী। তাছাড়া ত্বক ভালো রাখতেও ডাবের জল সাহায্য করে। তাই নিয়মিত একটা করে ডাব খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। 
    দুপুর কিংবা রাতের খাবারের তালিকাতেও হাল্কা ও সহজপাচ্য খাবার রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ, এই গরমে যদি বদহজম হয়, তাহলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। বিশেষত যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে, তাদের জন্য বিপদ আরও বেশি। তাই কম তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ভাত, সব্জি, হালকা সহজপাচ্য মাছের ঝোল খাবারের মেনুতে থাক, মত চিকিৎসকদের। 
    পর্যাপ্ত পরিমাণ জল অবশ্যই খেতে হবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বাড়ির বাইরে থাকলে জলের পাশপাশি নুন-চিনির সরবত সঙ্গে রাখতে হবে। এটি ওআরএসের মতো কাজ করবে। পরিমাণমতো জল না খেলে, শারীরিক সমস্যা বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। অতিরিক্ত ঘাম হলে একাধিকবার স্নানের পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। তাতে শরীর ঠান্ডা হবে, নানান শারীরিক অস্বস্তি এড়ানো যাবে। 

    কোন কোন দিক অবশ্যই এড়িয়ে যেতে হবে?

    খাবারের মেনুতে অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার একেবারেই রাখা যাবে না। বিরিয়ানি, মোগলাই পরোটার মতো খাবার এই গরমে খেলে হজমের সমস্যা আরও বাড়বে, যা নানান শারীরিক অসুস্থতার কারণ হয়ে উঠতে পারে। এই গরমে মদ্যপানেও রাশ টানার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষত, অতিরিক্ত বিয়ার সেবন বিপদ ডাকতে পারে বলেও স্পষ্ট মত তাঁদের। অনেকেই চিলড বিয়ার পান করে গরম (Heat Wave) থেকে সাময়িক আরাম পেতে চাইছেন। কিন্তু এই অভ্যাস বিপদ বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছে চিকিৎসক মহল। কারণ, বিয়ার পান করলে অতিরিক্ত ঘাম হয়। আর্দ্রতা বেশি থাকায় এমনিতেই দক্ষিণবঙ্গে গরমে ঘাম হয়। তার উপরে আরও বেশি ঘাম হলে, শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই মদ্যপানে রাশ টানা জরুরি। সফট ড্রিংকস, আইসক্রিমের ক্ষেত্রেও রাশ টানার পরামর্শ চিকিৎসকদের। বিশেষত রাস্তার রঙিন পানীয় স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলেই মত তাঁদের। 
    এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিশেষ সতর্কতা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। অনেকক্ষণ ঘরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত কম করে রাখার পর হঠাৎ ঘর থেকে বাইরে গেলে সর্দি-কাশি-জ্বর দেখা দিতে পারে। দ্রুত তাপমাত্রার তারতম্য বিপদ বাড়াবে। তাই এসি ঘর থেকে বেরনোর আগে কিছুক্ষণ এসি বন্ধ করে ধাতস্থ হয়ে বাইরে যাওয়া জরুরি। 
    ট্যালকম পাউডার ব্যবহার একেবারেই নয়। কারণ, এতে লোমকূপ ঢেকে যায়। ঘাম দেহ থেকে বেরতে পারে না। ফলে, শরীরের উত্তাপ বাড়ে, আবার নানান চর্মরোগ দেখা দিতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amartya Sen: ১৫ দিনের মধ্যে অমর্ত্য সেনকে জমি ছাড়ার নির্দেশ দিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ

    Amartya Sen: ১৫ দিনের মধ্যে অমর্ত্য সেনকে জমি ছাড়ার নির্দেশ দিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) জমি নিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে সকলের নজর ছিল। উচ্ছেদ নোটিশ দেওয়ার পর থেকে নোবেলজয়ীর জমি নিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে বলে জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার ১৫ দিনের মধ্যে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে (Amartya Sen) জমি ছাড়তে বলে বুধবার নোটিশ দিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

    নোবেলজয়ীকে (Amartya Sen) দেওয়া বিশ্বভারতীর নোটিশে কী রয়েছে?

    বিশ্বভারতীর দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, অনুমোদিত দখলদার উচ্ছেদ আইন ১৯৭১ ধারা ৫-এর উপধারা ১-এর অধীনে ক্ষমতা প্রয়োগ করে ফেরানো হবে বিতর্কিত ১৩ ডেসিমেল জমি। ৬ মের মধ্যে বিশ্বভারতীর প্লট নম্বর ২০১ উত্তর পশ্চিম কোণে ১৯০০/২৪৮৭ সুরুল মৌজার ১৯০০ জেএল নম্বর ১০৪ পাবলিক সম্পত্তির উপর অনুমোদিত দখল জমি খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত যুগ্ম কর্মসচিব ও এস্টেট অফিসার। ওই সময়সীমার মধ্যে জমি খালি করা না হলে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারির পাশাপাশি প্রয়োজনে বল প্রয়োগের মাধ্যমেও খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এর আগে ‘প্রতীচী’র গেটে উচ্ছেদের নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছিল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছিল, ১৯ এপ্রিল এই জমি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। বুধবারই সেই দিন ছিল। এবার তারা কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল।

    বিশ্বভারতীকে জবাবি চিঠিতে কী  লিখেছিলেন অমর্ত্য সেন (Amartya Sen)?

    ১৭ এপ্রিল বিশ্বভারতীকে জবাবি চিঠি দিয়েছিলেন অমর্ত্য সেন (Amartya Sen)। অমর্ত্য সেন চিঠিতে লিখেছিলেন, লিজের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত কেমন করে কেউ এই জমি দাবি করতে পারেন? পাশাপাশি নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ আরও জানান, ‘প্রতীচী’–র জমির আইনশৃঙ্খলা এবং শান্তিরক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক। এই জমি তাঁর বাবার। ১.৩৮ একর জমি অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) নামে মিউটেশন করা হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছে। মিউটেশন করার কথা জানানো হলেও বিশ্বভারতী তাঁদের নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CPM: দুর্নীতির সমস্ত পরিকল্পনা করেছেন মমতা, তিন ঘণ্টা জেরা করলেই সব বেরিয়ে আসবে, বললেন বিকাশ

    CPM: দুর্নীতির সমস্ত পরিকল্পনা করেছেন মমতা, তিন ঘণ্টা জেরা করলেই সব বেরিয়ে আসবে, বললেন বিকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ-দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড় গোটা রাজ্য। দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর মানিক ভট্টাচার্য এবং সবশেষে জীবনকৃষ্ণ সাহা গ্রেফতার হয়েছেন। ইতিমধ্যেই তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বিরুদ্ধে সিবিআই-এর তদন্ত শুরু হতে চলেছে। এই দুর্নীতির সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। এরইমধ্যে বুধবার দুপুরে বারাসত জেলা আদালতে একটি মামলার সূত্রে এসে বিশিষ্ট আইনজীবী তথা সিপিএম (CPM) নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য দুর্নীতির জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) সরাসরি দায়ী করলেন। তিনি বলেন, গোটা দুর্নীতিটাই পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। আর সেই পরিকল্পনা করা হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) এবং রাজ্যের সচিবালয় থেকে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় তো দু-নম্বরে ছিলেন। আমরা বারবার সওয়াল করেছি, সমস্ত কিছুর জন্যই দায়ী হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করলেই সবকিছু বেরিয়ে আসবে। নিয়োগ-দুর্নীতি নিয়ে বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের হয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন বিকাশবাবু। ফলে, তাঁর এই বক্তব্য যথেষ্ট তাত্পর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    মুকুল রায়ের দিল্লি যাত্রা নিয়ে কী বললেন বর্ষীয়ান সিপিএম (CPM) নেতা?

    মুকুল রায়কে জোর করে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায় অভিযোগ করেছিলেন। এর পিছনে বড় টাকার খেলা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছিলেন। যদিও দিল্লিতে গিয়ে সেই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেছেন বিধায়ক মুকুল রায়। তিনি বলেছেন, কেউ জোর করেনি। আমি স্বেচ্ছায় দিল্লি এসেছি। বিজেপিতে থেকে রাজনীতি করারও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। এসব নিয়ে যখন তর্ক-বিতর্ক চলছে, তখন তাঁর দিল্লি যাত্রাকে কটাক্ষ করলেন সিপিএম (CPM) নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বিকাশবাবু আরও বলেন, মুকুল রায় কি এমনি এমনি দিল্লি গিয়েছেন। মুকুলকে মমতা (Mamata Banerjee) পাঠিয়েছেন। শরীর খারাপের যে কথা বলা হচ্ছে তা সবটাই নাটক। মমতাই তাঁকে পাঠিয়েছেন। আসলে তিনি চেষ্টা করছেন নিজেকে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাঁচাতে। কারণ, তদন্ত যে জায়গায় গিয়েছে, সেখান থেকে তাঁদের বাঁচার কোনও রাস্তা নেই, একমাত্র অমিত শাহ আর নরেন্দ্র মোদির পায়ে ধরা ছাড়া। সেইজন্যই মুকুলকে এজেন্ট করে পাঠানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Road Block: রাস্তা বেহাল, নেই পানীয় জল, ক্ষোভে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

    Road Block: রাস্তা বেহাল, নেই পানীয় জল, ক্ষোভে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা প্রবল। জল আনতে যেতে হয় বেশ কিছুটা দূরে। এছাড়া চলাচলের একমাত্র রাস্তাও বেহাল। আর এইসব দাবিকে সামনে রেখে পথ অবরোধ (Road Block) করে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তপন ব্লকের জিটিহার মোড় এলাকার ঘটনা। এদিন সকাল আটটা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত এই পথ অবরোধ চলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে তপন থানার পুলিশ। তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেও অবরোধ তুলতে পারেনি। এরপর ঘটনাস্থলে আসেন তপন ব্লকের জয়েন্ট বিডিও সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। ব্লক আধিকারিকদের আশ্বাসের পর পথ অবরোধ তুলে নেন স্থানীয় বাসিন্দারা।  

    জল ও রাস্তা নিয়ে কী অভিযোগ বাসিন্দাদের?

    বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় দরবার করেও এই সমস্যার সমাধান হয়নি। সেই ক্ষোভেই এদিন তাঁরা একত্রিত হয়ে রাজ্য সড়ক অবরোধ (Road Block) করেন। এর ফলে সকাল থেকেই রাজ্য সড়কে ব্যাপক যানজট লক্ষ্য করা যায়‌। উল্লেখ্য, তপন ব্লকের আওটিনা গ্রাম পঞ্চায়েতের কিরণ স্কুলপাড়া ও আদিবাসীপাড়া এলাকায় প্রায় এক হাজার মানুষের বসবাস। তিন কিলোমিটার রাস্তা কাঁচা হওয়ার জন্য বর্ষাকালে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এছাড়া গরম শুরু হতেই এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা এতটাই সঙ্গীন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে যে, মেশিন দিয়েও জল ওঠে না। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘ কয়েক কিলোমিটার পথ পেরিয়ে জল নিয়ে আসতে বাধ্য হন। অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে বলে তাঁরা জানান। অবরোধকারীরা বলেন, এখানে একটা জলের বড় ট্যাংকি করা হয়েছে। কিন্তু তা থেকে জল মেলে না। সাব-মার্শিবল থেকেও জল ওঠে না। আমরা অনেক কষ্টে রয়েছি। তাই রাস্তা এবং জলের দাবিতে আমরা এদিন পথ অবরোধ করেছি। অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান না হলে আমরা আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন করবো।

    কী বললেন জয়েন্ট বিডিও?

    এই বিষয়ে (Road Block) জয়েন্ট বিডিও জয়ন্ত পাঠক বলেন, এদের এই রাস্তা পথশ্রী প্রকল্পে ধরা আছে। রাস্তার কাজ এই মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। আর জলের একটা সমস্যা রয়েছে। তা মেটানোর জন্য আমরা দুটি গ্রামের মাঝখানে একটি একটি ট্যাংকি বসিয়ে দিয়েছি। সেই সমস্যাটাও এই মাসের মধ্যে মিটে যাবে। আর গ্রামের মাঝখানে কিছু কাঁচা রাস্তা আছে। সেগুলোকে আমরা পাকা করে দিচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arrest: রাজু ঝা খুনের ১৮ দিনের মাথায় প্রথম গ্রেফতার! কে এই ধৃত ব্যক্তি?

    Arrest: রাজু ঝা খুনের ১৮ দিনের মাথায় প্রথম গ্রেফতার! কে এই ধৃত ব্যক্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজু ঝা খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার (Arrest) করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম অভিজিৎ মণ্ডল। তার বাড়ি কাঁকসা থানার বামুনাড়া এলাকায়। সেখানে একটি বহুতল আবাসনের ফ্ল্যাটে থাকতো সে। সেই ফ্ল্যাট এখন তালাবন্ধ। রাজু ঝা খুনের ঘটনায় এটিই প্রথম গ্রেফতার (Arrest)। রাজু ঝাকে খুন করার পিছনে ধৃতের ঠিক কী ভূমিকা ছিল, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজু ঝা খুন হওয়ার পর বর্ধমান জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ১২ সদস্যের সিট গঠন করা হয়েছিল। এতদিন ধরে তল্লাশির পর অবশেষে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার (Arrest) করতে সমর্থ হল। ধৃত ওই যুবক শিল্পাঞ্চলের দাপুটে এক ব্যবসায়ীর গাড়ির চালক ছিলেন। যদিও এই বিষয়ে পুলিশ স্পষ্ট করে কিছু বলেনি।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    পয়লা এপ্রিল, শনিবার রাত ৮ টা নাগাদ পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে ল্যাংচার দোকানের সামনে ফিল্মি কায়দায় এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে রাজু ঝা-কে খুন করে দুষ্কৃতীরা। জানা যায়, কয়লামাফিয়া রাজু ঝা দুর্গাপুর-আসানসোল শিল্পাঞ্চলের বেতাজ বাদশা ছিলেন। তাঁর সঙ্গে গরুপাচারকাণ্ডের অন্যতম মাথা আব্দুল লতিফও ছিলেন। এই লতিফের দুধসাদা গাড়িতে করেই রাজু ঝা কলকাতায় যাচ্ছিলেন। গাড়ির পিছনের সিটে বসেছিলেন লতিফ আর ব্রতীন মুখোপাধ্যায়। গাড়ি চালাচ্ছিলেন নুরুল হোসেন নামে একজন। শক্তিগড়ে ল্যাংচার দোকানের সামনে তাঁদের গাড়ি দাঁড়িয়েছিল। শুটআউটের আগেই গাড়ির চালক নুরুল নেমে গিয়েছিলেন। হামলার সময় রহস্যজনকভাবে লতিফও গাড়ি থেকে নেমে গিয়েছিলেন। নীল রংয়ের একটি গাড়ি থেকে রাজু ঝা-কে গুলি করা হয়। পূর্ব বর্ধমানের জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন বলেন, খুন হওয়ার ১৮ দিনের মাথায় একজনকে গ্রেফতার (Arrest) করা হল। ধৃত অভিজিৎ মণ্ডলের আদি বাড়ি বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাঁটি এলাকায়। সে পানাগড় এলাকায় থাকত, চাকরি করত প্রাইভেট কোম্পানিতে। মঙ্গলবার রাতে তাকে দুর্গাপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার (Arrest) করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বুধবার তাকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। বিচারক ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share