Tag: Madhyom

Madhyom

  • JP Nadda: “আগামী নির্বাচনে বাংলায় আমরাই ক্ষমতায় আসব”, প্রত্যয়ী নাড্ডা

    JP Nadda: “আগামী নির্বাচনে বাংলায় আমরাই ক্ষমতায় আসব”, প্রত্যয়ী নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় বিজেপির ভোট ছিল ১০ শতাংশ, আসন ছিল তিনটি। বর্তমানে সেটা বেড়ে হয়েছে ৩৮.৫ শতাংশ, আসন হয়েছে ৭৭টি। আগামী নির্বাচনে আমরাই ক্ষমতায় আসব।” শনিবার বিজেপির দু’ দিন ব্যাপী কনভেনশনে কথাগুলি বললেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি বলেন, “২০১৪ সালে বিজেপি পাঁচটি রাজ্যে রাজ করত। আর বর্তমানে দেশের ১২টি রাজ্যের কুর্সিতে রয়েছে পদ্ম-পার্টি। ১৭টি রাজ্যে রয়েছে এনডিএ।”

    ঠিক কী বললেন নাড্ডা?

    নাড্ডা বলেন, “তিরিশ বছর পরে ২০১৪ সালে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে একটি দল। ঠিক পাঁচ বছর পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ফের ক্ষমতায় আসে সরকার।” তিনি বলেন, “এখন আমরা গর্বের সঙ্গে অধিবেশনকে মহা অধিবেশন বলতে পারি। দলীয় নেতা-কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমেই এটা সম্ভব হয়েছে। গত সাত দশক ধরে ভারতীয় জনসঙ্ঘ এবং ভারতীয় জনতা পার্টি অনেক কিছু দেখেছে। আমরা লড়াইয়ের পর্ব দেখেছি, আমরা উপেক্ষা পর্বের সাক্ষী হয়েছি। আমরা জরুরি অবস্থা দেখেছি। নির্বাচনে বিজয় এবং হারের পর্বেরও সাক্ষী হয়েছি।”

    মোদির আমলে শুধুই প্রাপ্তি!

    তিনি (JP Nadda) বলেন, “তবে গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আমাদের শুধুই প্রাপ্তি হয়েছে। ২০২৪ সালে বিজেপির জাতীয় কনভেনশনের সাক্ষী আমরা যারা হয়েছি, তারা ভাগ্যবান। অতীতে বিজেপির জয়ের সাক্ষী আমরা হয়েছি। আবারও জয়ের সাক্ষী হব। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের স্বপ্নও পূরণ হয়েছে।” বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে চাই। কারণ তাঁরই নেতৃত্বে রাজনীতিতে একটা নয়া গতি এসেছে। গতি এসেছে পার্টিতে, সমাজে। প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় বর্তমানে ৮০ কোটি মানুষ সুবিধা পাচ্ছেন।”

    নাড্ডা বলেন, “গত দশ বছরে মোদি সরকার প্রায় ২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্রসীমার ওপরে নিয়ে এসেছে। স্বাস্থ্য, পরিকাঠামো, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান সব ক্ষেত্রেই প্রতিটি ভারতবাসীর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।” তিনি (JP Nadda) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে।”

    আরও পড়ুুন: রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার, পড়ে রয়েছে গণেশ মূর্তি, হুগলির শিশু খুনের নেপথ্যে কে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly Murder: রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার, পড়ে রয়েছে গণেশ মূর্তি, হুগলির শিশু খুনের নেপথ্যে কে?

    Hooghly Murder: রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার, পড়ে রয়েছে গণেশ মূর্তি, হুগলির শিশু খুনের নেপথ্যে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর আটেকের শিশুর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য হুগলির কোন্নগরের (Hooghly Murder) আদর্শনগর এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন শিশুটির ঘরে জোরে জোরে চলছিল টিভি। কী ব্যাপার জানতে ঘরে ঢুকেছিল তাঁর খুড়তুতো দিদি। সে-ই প্রথম রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে।

    খুনিদের কঠোর সাজার দাবি

    শিশুটির বাবার অভিযোগ, ছেলেকে পাশবিকভাবে হত্যা করেছে কেউ। ছেলের খুনিদের কঠোর সাজা দাবি করেছেন তিনি। ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ ওই ব্যক্তি। বলেন, “বাড়ির সিঁড়ির কাছে একটি থান ইট ছিল। সেটি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়েছে। ঘরে একটি গণেশমূর্তি ছিল। সেটি দিয়েও আঘাত করা হয়েছে। রান্নাঘরে যে সবজি কাটার ছুরিটি ছিল, সেটি ঘরেই মিলেছে রক্তমাখা ও বেঁকে যাওয়া অবস্থায় (Hooghly Murder)।” তিনি বলেন, “বাড়িতে যে ভলিউমে টিভি চলছিল, তা কোনও বাড়িতেই চলে না। তাঁর ছেলেও কখনও এত ভলিউম দিয়ে টিভি চালাত না।”

    ‘শীঘ্রই অপরাধীদের ধরা হবে’

    পুলিশ জানিয়েছে, খুনে ব্যবহৃত জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ডিসিপি শ্রীরামপুর অর্ণব বিশ্বাস বলেন, “ঘর থেকে কিছু জিনিসপত্র উদ্ধার হয়েছে। শ্রীরামপুরের হাসপাতালে দেহের ময়নাতদন্ত হচ্ছে। সেই রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হয়ে যাবে। মৃতের পরিবার ও এলাকার লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শীঘ্রই অপরাধীদের ধরা হবে।”

    আরও পড়ুুন: পাক রাজনীতিতে সক্রিয় আইএসআই, গাঁটছড়া বাঁধছে পিটিআই-পিপিপি!

    কানাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান আচ্ছালাল যাদব বলেন, “খুবই দুঃখজনক ঘটনা। কেউ খুন করে পালিয়ে গিয়েছে। বালকের মা-বাবা বাইরে কাজ করেন। সেই সময় তাঁর বাবা বাড়িতে ছিলেন না।” পুলিশ সূত্রে খবর, বালকের মাথার পিছনে ভারী ও ভোঁতা কিছু দিয়ে আঘাত করার চিহ্ন রয়েছে। দেহের একাধিক জায়গায় কোপানো হয়েছে। দেহ উদ্ধারের সময় ফুল ভলিউমে চলছিল টিভি। চন্দননগর কমিশনারেটের কমিশনার অমিত পি জাভালগি বলেন, “ফরেন্সিক দলকে বলা হয়েছে নমুনা সংগ্রহ করবে…আশা করছি, তাড়াতাড়ি খুঁজে আমরা পাব, ঘটনাটি কে ঘটিয়েছে। শিশুটির দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তে। এদিন ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা (Hooghly Murder)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Pakistan Election 2024: পাক রাজনীতিতে সক্রিয় আইএসআই, গাঁটছড়া বাঁধছে পিটিআই-পিপিপি!

    Pakistan Election 2024: পাক রাজনীতিতে সক্রিয় আইএসআই, গাঁটছড়া বাঁধছে পিটিআই-পিপিপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক রাজনীতির ডামাডোলের বাজারে হঠাৎই সক্রিয় হয়ে উঠেছে গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজকে ঠেকাতে (Pakistan Election 2024) ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-এ-ইনসাফ এবং প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। এই জোট সরকারে ইমরান ঘনিষ্ঠ মুত্তাহিদ কওমি মুভমেন্ট পাকিস্তান যোগ দিতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

    ম্যাজিক ফিগার

    পাক পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে আসন রয়েছে ৩৩৬টি। তার মধ্যে নির্বাচন হয়েছে ২৬৫টি আসনে। বাকি ৭০টি আসন মহিলা এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে মহিলাদের জন্য ৬০টি এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য ১০টি আসন সংরক্ষিত। এই সংরক্ষিত আসনগুলির ওপর সরকার গঠন নির্ভর করে না (Pakistan Election 2024)। বর্তমান পরিস্থিতিতে ১৩৩ জনের সমর্থন পেলেই পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ম্যাজিক ফিগার সম্ভব হবে।

    নির্বাচন কমিশন

    এই নির্বাচনে পিটিআই সমর্থিত নির্দল প্রার্থীরা ৯৩টি আসনে জয়ী হয়েছেন। যেহেতু পিটিআইয়ের স্বীকৃতি বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন, তাই নির্দলকেই সমর্থন দিয়েছে ইমরানের দল। নওয়াজের দল পেয়েছে ৭৫টি আসন। আর পিপিপির দখলে গিয়েছে ৫৩টি আসন। এমকিউএমপি জয়ী হয়েছে ১৭টি আসনে। এককভাবে কোনও রাজনৈতিক দল ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে না পারায় প্রয়োজন দেখা দিয়েছে জোট গঠনের। জোট সরকারের পক্ষে সওয়াল করেছেন পাক সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরও।

    আরও পড়ুুন: ধর্ষণের প্রমাণ কোথায়? নির্যাতিতাকে প্রশ্ন পুলিশের! বিস্ফোরক সন্দেশখালির মহিলা

    ২০২২ সালে ইমরান প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি হারানোয় পিএমএলএন-পিপিপি জোট সরকারে শাহবাজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী ও বিলাবল ভুট্টো বিদেশমন্ত্রী হয়েছিলেন। এবার দুই দলই ছিল পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী। তাই এই দুই দলের জোট আদৌ হবে কিনা, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। তাই নয়া রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে চলছে চায়ের ঠেকে চর্চা। আইএসআই ইমরানের সঙ্গে গোপন সমঝোতা করেছে বলেও তৈরি হয়েছে জল্পনা। এই আবহেই ইমরানের দলের নেতা-কর্মীরা শরিফকে সরকার গড়ার সুযোগ দেওয়ার বিরোধিতা করে নেমেছেন আন্দোলনে। ফলে পাক রাজনীতির আকাশে ফের ঘনিয়ে আসছে দুর্যোগের কালো মেঘ।

    জানা গিয়েছে, পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই আদিয়ালা জেলে গিয়ে কথা বলেছেন ইমরানের (Pakistan Election 2024) সঙ্গে। দু’পক্ষে একটি ডিলও হয়েছে। তার পরেই ইমরান প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন ওমর আয়ুব খানের নাম।

    পাক রাজনীতির জল কোন দিকে গড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • India vs England: যশস্বীর শতরান, সিরাজের চার উইকেট, বড় রানের লিড নিতে চলেছে ভারত

    India vs England: যশস্বীর শতরান, সিরাজের চার উইকেট, বড় রানের লিড নিতে চলেছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফের শতরান যশস্বী জয়সওয়ালের। দ্বিতীয় ইনিংসে ১২২ বলে কেরিয়ারের তৃতীয় শতরান পূর্ণ করলেন এই তরুণ ক্রিকেটার। ইংল্যান্ডকে (India vs England) প্রথম ইনিংসে ৩১৯ রানে মুড়িয়ে দিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে ভারত। অধিনায়ককে হারালেও, গিলকে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান যশস্বী। দিনেরে শেষে ৩২২ রানে এগিয়ে রয়েছে ভারত। ৬৫ রানে ক্রিজে রয়েছেন শুভমন গিল। সঙ্গে রয়েছেন কুলদীপ যাদব।  

    বিধ্বংসী সিরাজ

    শনিবার থেকে রাজকোট টেস্টে খেলতে পারছেন না রবিচন্দ্রন অশ্বিন। প্রথম দু’দিন খেললেও হঠাৎ তাঁর মায়ের শরীর খারাপ হওয়ায় বাড়ি ফিরে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু অশ্বিনের অভাব ঢেকে দিলেন ভারতের বাকি বোলারেরা। শুরুটা করেছিলেন যশপ্রীত বুমরা এবং কুলদীপ যাদব। শেষ করলেন সিরাজ। মধ্যাহ্নভোজে যাওয়ার সময় ইংল্যান্ডের ২৯০ রান ছিল। হাতে তখনও ৫ উইকেট। সেখান থেকে ৩১৯ রানে শেষ হয়ে গেল ইংল্যান্ডের ইনিংস। মধ্যাহ্নভোজের পর ফিরে এসে ২৯ রানে ৫ উইকেট হারানোটাই চাপ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের জন্য। মধ্যাহ্নভোজের পরই সিরাজের বিধ্বংসী বোলিংয়ে শেষ হয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় ইংরেজদের বাজবল ক্রিকেট। ধরে খেলার সময়, চালিয়ে খেলতে গিয়ে পরপর আউট হয় ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। ৪ উইকেট নিলেন মহম্মদ সিরাজ। ২টি করে উইকেট তুলে নেন কুলদীপ যাদব ও রবীন্দ্র জাদেজা।

    যশস্বীর যাদু

    প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরিতে সমালোচকদের জবাব ফিরিয়ে দিলেন শুভমন গিল। তবে, তৃতীয় দিনে সবাইকে ছাপিয়ে গেল যশস্বীর ব্যাট। বিশাখাপত্তনমে প্রথম ইনিংসে দ্বিশতরান করেছিলেন যশস্বী। কিন্তু তার পরের দুই ইনিংসে রান করতে পারেননি। রাজকোটে প্রথম ইনিংসে স্লিপে খোঁচা গিয়ে ফিরেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে সেই ভুলটা করলেন না যশস্বী। রোহিত শর্মা রান করতে না পারায় ইনিংস ধরার দরকার ছিল। শুরুতে সেই কাজটা করলেন তিনি। প্রথম ৫০ বলে মাত্র ১৮ রান করেন এই বাঁ হাতি ব্যাটার। একবার জমে যাওয়ার পর চালিয়ে খেলেন যশস্বী। ১০৪ রান করে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে যান যশস্বী। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতির টাকা বিনিয়োগ ঢাকার কাপড়ের দোকানে! ধৃত বিশ্বজিতের ইডি হেফাজত

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতির টাকা বিনিয়োগ ঢাকার কাপড়ের দোকানে! ধৃত বিশ্বজিতের ইডি হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি মামলায় (Ration Scam) গ্রেফতার হওয়া বিশ্বজিৎ দাসকে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত।  শুক্রবার এই নির্দেশ দেন বিশেষ ইডি আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক শুভেন্দু সাহা। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার শংকর আঢ্যর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দাসের কলকাতার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি৷ এর পর বুধবার তাঁকে গ্রেফতার করেন ইডির আধিকারিকরা। গ্রেফতারির আগের মুহূর্তে বিশ্বজিৎ বাংলাদেশে ছিলেন বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। ফেরেন মঙ্গলবারই। বিমানবন্দরে তাঁকে পাকড়াও করে ইডি। শুধু তাই নয়, প্রতিবেশী রাষ্ট্রে কাপড়ের ব্যবসায় বিশাল অঙ্কের টাকা বিনিয়োগও করেছেন রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) ধৃত বিশ্বজিৎ দাস, এমনটাই দাবি গোয়েন্দাদের৷ 

    বিশ্বজিৎকে জেরা করে কী জানতে পারলেন গোয়েন্দারা?

    বিশ্বজিৎকে জেরা করে তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, ঢাকায় বিশ্বজিতের একটি বড় কাপড়ের দোকান রয়েছে৷ এখানেই জোরালো হচ্ছে হাওয়ালার মাধ্য়মে (Ration Scam) দুর্নীতির টাকা বাংলাদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে বিশ্বজিতের ভূমিকা। তদন্তকারীদের দাবি, শুধু দুবাইতে নয়, বাংলাদেশে কাপড়ের ব্যবসার মাধ্যমেও রেশন দুর্নীতির টাকা পাচার হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসেই রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হন বনগার তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্য৷ তাঁকে জেরা করেই বিশ্বজিতের নাম পেয়েছেন ইডির আধিকারিকরা৷

    টাকা পাচারের মাস্টারমাইন্ড বিশ্বজিৎ

    ইডির দাবি, বিশ্বজিৎ দাসই রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের (Ration Scam) বিপুল টাকা বিদেশে পাচার করতেন৷ তাঁর হাতেই কোটি কোটি টাকা বাংলাদেশে পাচার করেছে৷ গোয়েন্দাদের মতে, কালো টাকা পাচারের ক্ষেত্রে গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এমন কয়েকজন ব্যবসায়ীকে বেছে নিয়েছিলেন। যাঁদের আন্তর্জাতিক কারবার ও বিদেশেও একাধিক ব্যবসা আছে৷ ইডির সন্দেহের তালিকায় রয়েছে এমন আরও চার ব্যবসায়ী। আগামী সপ্তাহে তাঁদেরও ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন গোয়েন্দারা। তদন্তের জাল ক্রমশই গুটিয়ে আনছে ইডি।

     

    আরও পড়ুন: মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা লোকসভা ভোট! রাজ্যে নোডাল অফিসার নিয়োগ কমিশনের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগকাণ্ডে এবার বিদেশে নোটিশ পাঠাচ্ছে ইডি! কাকে তলব করা হচ্ছে?

    Recruitment Scam: নিয়োগকাণ্ডে এবার বিদেশে নোটিশ পাঠাচ্ছে ইডি! কাকে তলব করা হচ্ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশে বসবাসকারী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের একাধিক আত্মীয়কে তলব করতে চলেছে ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে প্রবাসে থাকা কোনও ব্যক্তিকে ইডির জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনা এই প্রথম। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের সমান্তরাল তদন্ত করছে ইডি এবং সিবিআই। তদন্তের কাজ দ্রুত শেষ করতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। তাই নানা পদ্ধতি অবলম্বন করছে তারা। 

    কাদের তলব

    ইডি সূত্রের খবর,  তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে একাধিকবার ইডি অফিসে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন তথ্য পাওয়ার পরেই ‘ইম্প্রলাইন কনস্ট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে একটি নয়া সংস্থার নাম জানতে পারেন তদন্তকারীরা। সংশ্লিষ্ট সংস্থায় একটি সময় ডিরেক্টর পদে ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার রাজীব দে। সেই সময় সংস্থায় আরও এক ডিরেক্টর ছিলেন পার্থর স্ত্রী বাবলি চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু ২০২০ সালে বাবলি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর পার্থর জামাই কল্যাণময় এবং তাঁর মামা কৃষ্ণচন্দ্র অধিকারী ওই সংস্থার ডিরেক্টর পদে আসীন হন বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। ঘটনাচক্রে এঁরা কেউই এখন দেশে নেই৷ ফলে বিদেশেই তাঁদের নোটিশ পাঠিয়ে তাঁদের তলব করার কথা ভাবছে ইডি৷

    আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটের লক্ষ্যে দিল্লিতে শুরু বিজেপির নীতি নির্ধারক কমিটির বৈঠক

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ‘ভাগ্নে’ রাজীব!

    অন্যদিকে, ইডি জানতে পেরেছ, নিজেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ‘ভাগ্নে’ পরিচয় দিয়ে শান্তিনিকেতনে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর ‘অপা’ নামের বাংলোতেই থাকছিলেন প্রোমোটার রাজীব দে৷ রাজীবের নাকতলার বাড়িতে সম্প্রতি দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি৷ সেখান থেকে একাধিক নথিপত্র উদ্ধার হয়েছে৷ তাঁর বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার৷ সূত্রের খবর, সম্ভবত ‘অপা’-তেই হত নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের একাধিক বৈঠক৷ পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিজের মামা বলেই পরিচয় দিতেন রাজীব দে৷ ‘ইম্প্রেসলাইন কনস্ট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে এক সংস্থা তৈরি করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ইডি সূত্রে জানা যায়, এই সংস্থায় এক সময় ডিরেক্টর ছিলেন পার্থ ঘনিষ্ঠ এই প্রোমোটার এই রাজীব দে ৷ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ধর্ষণের প্রমাণ কোথায়? নির্যাতিতাকে প্রশ্ন পুলিশের! বিস্ফোরক সন্দেশখালির মহিলা

    Sandeshkhali: ধর্ষণের প্রমাণ কোথায়? নির্যাতিতাকে প্রশ্ন পুলিশের! বিস্ফোরক সন্দেশখালির মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) প্রথম থেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় মহিলারা। গুন্ডা বাহিনী সঙ্গে নিয়ে রাতে মহিলাদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগও উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এবার ফের পুলিশের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ উঠল। সন্দেশখালির এক মহিলার দাবি, থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করতে গেলে পুলিশের একাংশ নাকি তাঁর কাছে জানতে চেয়েছেন, যৌন নির্যাতন হয়ে থাকলে, তার মেডিক্য়াল রিপোর্ট কোথায়? পুলিশ নির্যাতিতাকে বলে, আপনাদের সঙ্গে যে এরকম হয়েছে, প্রমাণ হিসেবে তার মেডিক্যাল রিপোর্ট দিন। এই চাঞ্চল্য়কর অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি। সংবাদমাধ্যমের সামনে ওই মহিলার আরও অভিযোগ, ‘‘কোনও দোষী কি দোষ করে আমাদের হাতে মেডিক্য়াল রিপোর্ট গুঁজে দিয়ে গিয়েছে, যে আপনারা গুছিয়ে রাখুন পরবর্তীকালে যখন কোনও কিছু হবে দেখাবেন।’’

    সন্দেশখালির মহিলাদের বক্তব্যে সিলমোহর জাতীয় মহিলা কমিশনের

    এই আবহে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলাদের বক্তব্যকে সিলমোহর দিয়ে সামনে এসেছে জাতীয় মহিলা কমিশনের বিবৃতিও। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালি যাবেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। সম্প্রতি, রাজ্যের কমিশনের প্রতিনিধিরা মহিলাদের ধর্ষণের কোনও অভিযোগ পাননি বলে সমাজ মাধ্যমের পাতায় দাবি করে রাজ্য় পুলিশ। তারই পাল্টা বিবৃতি দিয়ে জাতীয় মহিলা কমিশন জানিয়েছে, নির্যাতিতারা শারীরিক এবং যৌন নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন, যা সংগঠিত করেছেন পুলিশ এবং তৃণমূলের সদস্য়রা। জানা গিয়েছে, ২০ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে বৈঠকও করবেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা।

    নারী নির্যাতনের বধ্যভূমি সন্দেশখালি?

    প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমগুলিতে স্থানীয় মহিলারা যে বিবৃতি দিয়েছেন তা আজ প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে সভ্যতাকে! সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এক মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রধানের দাবি, “বাচ্চাকাচ্চা থেকে শুরু করে বউ-ঝি রাতে ভয়ে বাড়ির বাইরে বেরোতে পারে না। রাত দুটোর সময়ে বলছে, ওমুক জায়গায় যেতে হবে। মিটিং মিছিল করতে হবে। না গেলেই সাদা শাড়ি হাতে ধরিয়ে দেবে। স্বামী ছেলে মেয়ে সন্তান সবাইকে নিয়ে আতঙ্কে রাত কাটাতে হচ্ছে। তাদের ওপর অত্যাচারের হত।” মহিলা প্রধান আরও বলেন, “দিনের পর দিন এই অত্যাচার চলেছে। আমরা শিক্ষিত বাড়ির বউরা সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে বেরোই না।”  সংবাদ মাধ্যম এরপর প্রশ্ন করে, তবে রাত দুটোয় কিসের মিটিং? কেন অতো রাতেই ডাকা হত? এই কথা শুনে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেক মহিলার উত্তর, “বোঝো না তোমরা। কীসের মিটিং। কেন বাড়ির বউদের কেন নিয়ে যায় রাত দুটোর সময়ে! আমরা সেসব নোংরা কথা কথা মুখে নিতে পারছি না। ভাল ভাল মেয়েদের বেছে বেছে পেয়ে…।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “আমার শিশুকে ছুড়ে ফেলেছিল পুলিশই!” বিস্ফোরক সন্দেশখালির সেই মহিলা

    Sandeshkhali: “আমার শিশুকে ছুড়ে ফেলেছিল পুলিশই!” বিস্ফোরক সন্দেশখালির সেই মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে যে বিজেপি কর্মীর স্ত্রীর কোল থেকে তাঁর শিশুকে ছুড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে, তাঁর বাড়িতে গেলেন রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিরা। শনিবারই ওই বাড়িতে (Sandeshkhali) মেডিক্যাল টিম পাঠানোর ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে।

    কী বললেন চেয়ারপার্সন?

    কমিশনের চেয়ারপার্সন তুলিকা দাস বলেন, “ওঁরা খুব ভয়ে ভয়ে রয়েছেন। বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন না। আমরা শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। ওঁরা যেহেতু বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না, তাই খাবারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি দেখতে বলেছি। ওঁদের বাড়িতে নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আমরা আমাদের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর দিয়ে এসেছি ওঁদের। প্রতিদিন সকালে ফোন করে খবর নেব বলে জানিয়েছি।”

    পুলিশে ভরসা নেই!

    তুলিকার কথায় (Sandeshkhali) যে শিশুটির পরিবার বিশেষ ভরসা পাচ্ছেন না, তা স্পষ্ট তার মায়ের কথায়ই। তিনি বলেন, “আমি ওদের বিশ্বাস করতে পারছি না। যারা আমার বাচ্চাকে ফেলে দিয়েছে, তারা কী তদন্ত করবে?” তিনি বলেন, “আমরা ভয়ে ঘর থেকে বের হতে পারছি না। কমিশনের লোকজন চলে গেলে কী হবে? সব কথাই কমিশনের লোকজনকে জানিয়েছি।” ঘটনার সঙ্গে কারা যুক্ত এদিন তাদের ছবি কমিশনের সদস্যদের দেখান ওই মহিলা।

    আরও পড়ুুন: “মমতা দু-তিনজন ছাড়া কাউকে বিশ্বাস করেন না”, তোপ দিলীপের

    কী বলেছেন ওই মহিলা?

    সেদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে ওই বিজেপি কর্মীর দিদি বলেন, “ওরা আমার ভাইকে খুন করবে বলে রাত তিনটের সময় তুলে নিয়ে যেতে এসেছিল পুলিশ-প্রশাসন সঙ্গে নিয়ে। ওদের দলে ২৫-৩০ জন ছিল। আমার ভাই বিজেপি করে বলে হামলা চালানো হয়েছে। পুলিশের কাছে কী অভিযোগ জানাব? পুলিশ তো নিজেই ছিল এখানে। সন্দেশখালি ও হিঙ্গলগঞ্জ থানার বড়বাবুরা ছিলেন। শিশুটিকে পুলিশ নিজেই ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। তৃণমূলের লোকজন আমাদের তুলে নিয়ে যাবে বলে হুমকি দিচ্ছে।” শিশুটির (Sandeshkhali) মা বলেন, “মুখে কালো কাপড় বেঁধে পুলিশ এসেছিল। স্বামীর নাম ধরে ডাকছিল। দরজা না খোলায় গালাগালি করেছিল। সন্দেশখালি থানার একজন আধিকারিক ছিল। ওরা আমার কোল থেকে বাচ্চাটাকে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল। আমার চুলের মুঠি ধরে টেনেছিল। এক পুরুষ পুলিশ কর্মী তো আবার আমার নাইটি ধরেও টেনেছিল।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “মমতা দু-তিনজন ছাড়া কাউকে বিশ্বাস করেন না”, তোপ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “মমতা দু-তিনজন ছাড়া কাউকে বিশ্বাস করেন না”, তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দু-তিনজন ছাড়া কাউকে বিশ্বাস করেন না।” শনিবার সকালে দিল্লির উড়ান ধরার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে কথাগুলি বললেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    প্রসঙ্গ: বালুর মন্ত্রীত্ব

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। প্রায় তিন মাস আগে গ্রেফতার করা হলেও, মন্ত্রীত্ব কেড়ে নেওয়া হয় শুক্রবার। এ প্রসঙ্গেই দিলীপ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দু-তিনজন ছাড়া কাউকে বিশ্বাস করতে পারেন না। উনি ভাবছেন যদি বেল পেয়ে যান জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এসে আবার মন্ত্রী হবেন। আবার কাকে করবেন, সে কি করবে, সে থাকবে না চলে যাবে এই চিন্তা-দুশ্চিন্তায় তিনি কাউকে দায়িত্ব দেন না।” বিজেপির এই সাংসদ (Dilip Ghosh) বলেন, “কেষ্ট জেলে থাকলেও পদে থাকেন, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জেলে থাকলেও মন্ত্রী থাকেন। এটা তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজ করার ধরন।”

    প্রসঙ্গ: রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি

    সন্দেশখালিকাণ্ডের জেরে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছে জাতীয় এসসি কমিশন। এ প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেখানে পৌঁছেছে এবং টিএমসির লোকজন যেভাবে অত্যাচার করছে এর থেকে বাঁচার কোন রাস্তা নেই। যে সরকার মানুষকে সুশাসন দেবে তারা যদি লুটপাট, খুনখারাপি করে তাহলে মানুষের যাওয়ার রাস্তা থাকে না। প্রত্যেকে এখান থেকে মুক্তির রাস্তা খুঁজছেন। কেউ রাজ্যপালের কাছে যাচ্ছেন, কেউ রাষ্ট্রপতির কাছে যাচ্ছেন, কেউ কোর্টে যাচ্ছেন। দেখা যাক কোন রাস্তাটা ঠিক থাকে।”

    প্রসঙ্গ: আধার কার্ড বাতিল 

    পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে একাধিক ব্যক্তির আধার কার্ড বাতিল প্রসঙ্গে বিজেপির এই সাংসদ বলেন, “অনেক জায়গায় চিঠি এসেছে। আমরা জানি, পশ্চিমবঙ্গে বহু ধরনের কার্ড আছে যেগুলি ভুয়ো। রেশন কার্ড, আধার কার্ড, জবকার্ড লক্ষ লক্ষ, একটা-দুটো নয়, ৬২ লক্ষ রেশন কার্ড বাতিল হয়েছে। সাড়ে ১৪ লক্ষ জবকার্ড আছে যেটা ভুয়ো, আধার কার্ড ভুয়ো। যাদের কাছে নথি নেই তাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে, বাতিলও করছে। এ ব্যাপারে অথরিটি সঙ্গে যোগাযোগ করুন যাঁরা সমস্যায় পড়ছেন।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালির অশান্তির আবহে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী! মার্চের প্রথম সপ্তাহে বারাসতে সভা?

    আধার কার্ড বাতিলকে বিজেপির চক্রান্ত বলে দাবি তৃণমূলের। এদিন সে প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “শাসক দল যদি বাংলাদেশ থেকে লোক নিয়ে এসে, অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে এসে জোর করে আধার কার্ড বানিয়ে দেয়, নথি ছাড়া ভোটার লিস্টে নাম তুলে দেয়, তারা তো ভোটার হতে পারে না। সরকারের দায়িত্ব আছে বিদেশিদের আলাদা করা এবং দেশে ফেরত পাঠানো।”

    প্রসঙ্গ: কোথায় শাহজাহান

    শিবু হাজরা গ্রেফতার না হওয়া প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “শিবু হাজরা বলুন বা শেখ শাহজাহান প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সবাই জানে কে কোথায় রয়েছেন। মিডিয়াকে ইন্টারভিউ দিচ্ছেন কিন্তু পুলিশ খুঁজে পাচ্ছে না। কারণ পুলিশ ওঁদের বাঁচিয়ে রেখেছে, পুলিশই ওঁদের তৈরি করেছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anjana Bhowmick: টলিউডে শোকের ছায়া, প্রয়াত অভিনেত্রী অঞ্জনা ভৌমিক

    Anjana Bhowmick: টলিউডে শোকের ছায়া, প্রয়াত অভিনেত্রী অঞ্জনা ভৌমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলে গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী অঞ্জনা ভৌমিক।  শুক্রবার রাতে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। শনিবার দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে সকাল ১০.৩০টা নাগাদ তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুখে ভুগছিলেন তিনি।

    অঞ্জনা ভৌমিকের অভিনয় 

    ষাট থেকে আশির দশকের বাংলা সিনেমায় অঞ্জনা ভৌমিকের উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল। ‘চৌরঙ্গী’, ‘থানা থেকে আসছি’, ‘নায়িকা সংবাদ’-এর মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় এখনও মনে রেখেছেন দর্শক। তাঁর এবং উত্তম কুমারের পর্দার রসায়ন দর্শকের ছিল খুব প্রিয়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও ‘মহাশ্বেতা’ ছবিতে তাঁর অভিনয় নজর কাড়ে দর্শক ও সমালোচকদের। প্রসঙ্গত, অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের শাশুড়ি তিনি।  অঞ্জনা ভৌমিকের মেয়ে নীলাঞ্জনা ও জামাই যিশু শেষ সময়ে তাঁর পাশে ছিলেন। পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অরিন্দম শীল সহ টলিপাড়ার প্রথম সারির ব্যক্তিত্বরা এই মুহূর্তে যিশু-নীলাঞ্জনার পাশে রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধ্যক্যজনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন অঞ্জনা ভৌমিক। গত ৫-৬ মাস ধরে তিনি একপ্রকার বিছানায় শয্যাশায়ী ছিলেন। তাঁর দেখভাল করতেন মেয়ে নীলাঞ্জনা এবং চন্দনা। মাকে হাারিয়ে ভেঙে পড়েছেন দুজনই।

    আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটের লক্ষ্যে দিল্লিতে শুরু বিজেপির নীতি নির্ধারক কমিটির বৈঠক

    ১৯৪৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে জন্ম হয়েছিল অভিনেত্রী অঞ্জনা ভৌমিকের। তাঁর আসল নাম হল আরতি ভৌমিক, আর ডাক নাম বাবলি। অভিনেত্রী বাবার নাম ছিলো বিভুতিভুষন ভৌমিক। কোচবিহারের সুনীতি একাডেমি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেন তিনি। পরবর্তী সময় তিনি কলকাতায় এসে দমদমের সরোজিনী নাইডু কলেজ থেকে পড়াশোনা করেন এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন। ২০ বছর বয়সে বাংলা সিনেমায় তাঁর অভিষেক হয় ‘অনুষ্টুপ চন্দ’ ছবির মাধ্যমে। তবে প্রথম ছবি মুক্তির আগেই তিনি নাম বদলে হন অঞ্জনা। নেভি অফিসার অনিল শর্মাকে বিয়ে করেছিলেন অঞ্জনা। বিয়ের পর থেকেই অভিনয় জগতের সঙ্গে বাড়তে থাকে দূরত্ব। আশির দশকের পর সে ভাবে আর কোনও দিনই পর্দায় দেখা যায়নি তাঁকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share