Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sandeshkhali: ‘‘সন্দেশখালি গিয়েই ছাড়ব’’, রাজভবনে রিপোর্ট দিল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    Sandeshkhali: ‘‘সন্দেশখালি গিয়েই ছাড়ব’’, রাজভবনে রিপোর্ট দিল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশি বাধায় সন্দেশখালি (Sandeshkhali) না গিয়েই কলকাতায় ফিরতে হল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যদের। এর পরেই তাঁরা সটান চলে যান রাজভবনে। বিজেপির এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমে ছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল, হরিয়ানার সিরসার সাংসদ সুনীতা দুগ্গলও। শুক্রবার সুনীতা বলেন, “আমরা শুনতে পাচ্ছি যে আমাদের সঙ্গে যে মহিলারা কথা বলেছেন, তাঁদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এরকম প্রতিটি ঘটনার রিপোর্ট আমরা দেব মহামহিমকে।” তিনি বলেন, “আমরা শুনতে পেলাম, যে মহিলারা ভিডিও কলে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাঁদের এখন মারধর করছে পুলিশ।” এ ব্যাপারে অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছে পুলিশ।

    ১৪৪ ধারা

    আদালতের নির্দেশে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হয়েছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে। কয়েকটি পকেটে অবশ্য এখনও জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। এদিন সকালে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা। এই দলে অগ্নিমিত্রা এবং সুনীতা ছাড়াও ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক প্রমুখ। রামপুর এলাকায় তাঁদের পথ আগলায় পুলিশ। জানিয়ে দেয়, জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। এনিয়ে দু’পক্ষে বচসা শুরু হয়। বিজেপির তরফে পাঁচজনকে যেতে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। অভিযোগ, তাতে কর্ণপাত করেনি পুলিশ।

    প্রতিবাদ বিজেপির 

    এর পরেই ওই এলাকায় রাস্তার ওপর বসে পড়েন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা। তাঁদের তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়। তৃণমূল বিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। বেশ কিছুক্ষণ পরে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন বিজেপির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সটান চলে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে। রাজভবনে একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিজেপির ওই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের তরফে। অগ্নিমিত্রা বলেন, “সন্দেশখালি যাওয়ার চেষ্টা করি। রামপুরে আটকে দেয়। রাজ্যপালকে বলি। উনিও দুঃখিত। আমরা উচ্চ আদালতে বিষয়টি জানাব। সন্দেশখালি গিয়ে ছাড়ব। যাঁদের ওপর অত্যাচার করেছে, তাঁদের সঙ্গে দেখা করবই। পুলিশ এখন রক্ষক নেই। পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে।”

    আরও পড়ুুন: কেন দলে দলে কংগ্রেস ত্যাগ করছেন নেতারা? আসল কারণ খোলসা করলেন মোদি

    প্রসঙ্গত, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডির আধিকারিকরা। তার পরেই গা ঢাকা দেয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। এবার শাহজাহানের দলবলের বিরুদ্ধে মহিলাদের রাতে ডেকে নির্যাতন করা হত বলে অভিযোগ। তার জেরেই তপ্ত হয়ে রয়েছে সন্দেশখালি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কেন দলে দলে কংগ্রেস ত্যাগ করছেন নেতারা? আসল কারণ খোলসা করলেন মোদি

    PM Modi: কেন দলে দলে কংগ্রেস ত্যাগ করছেন নেতারা? আসল কারণ খোলসা করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “স্বজনপোষণ ও পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির চক্রব্যূহে আটকে পড়েছিলেন আপনারা। তাই কংগ্রেস ছাড়ছেন।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকজন কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। লোকসভা নির্বাচনের আগে কেন তাঁরা কংগ্রেস-সঙ্গ ত্যাগ করছেন, তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়েই গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির স্বজনপোষণ ও পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতিকে কাঠগড়ায় তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিকশিত ভারত

    এদিন ভার্চুয়াল মাধ্যমে রাজস্থানের জয়পুরে ‘বিকশিত ভারত, বিকশিত রাজস্থান’ অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন করেন ১৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের। এই অনুষ্ঠানেই কংগ্রেসকে নিশানা করার সুযোগ হাতছাড়া করেননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কংগ্রেসের একমাত্র লক্ষ্যই হল মোদির বিরোধিতা করা।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ওদের (কংগ্রেসের) মোদির প্রতি এত ঘৃণা যে তা সমাজে বিভাজন তৈরি করে। এটাই হয় যখন কেউ স্বজনপোষণ ও পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির চক্রব্যূহে আটকে পড়ে। আজ সবাই কংগ্রেস ছেড়ে দিচ্ছেন। একমাত্র একটি পরিবারই কংগ্রেসে রয়েছে।”

    কংগ্রেসকে নিশানা মোদির 

    তিনি বলেন, “কংগ্রেসের সব চেয়ে বড় সমস্যা হল এদের দূরদর্শিতা ও ইতিবাচক নীতি গঠনের অভাব। কংগ্রেস ভবিষ্যতও দেখতে পায় না। আর তাদের কাছে ভবিষ্যতের কোনও রোডম্যাপও নেই।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস বিকশিত ভারত নামটা পর্যন্ত গ্রহণ করেনি। কারণ এতে কাজ করছে মোদি। কংগ্রেস মেড ইন ইন্ডিয়াকেও সমর্থন করেনি। সমর্থন করেনি ভোকাল ফর লোকালকেও। কারণ মোদি একে সমর্থন করে।”  

    বিকশিত ভারত প্রকল্প প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা শুধু একটা শব্দ নয়, বরং আবেগ। এই প্রকল্প প্রতিটি পরিবারের সকলের জীবনকে সমৃদ্ধ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। গরিবি দূর করবে এই প্রকল্প। যুব প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান ও দেশে আধুনিক পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যে কাজ করছে এই প্রকল্প।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘মণিপুর-ধাঁচে হোক তদন্ত’’! সন্দেশখালি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই যে ভারত উন্নত দেশে পরিণত হবে, এদিন আরও একবার তা মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “ভারতকে উন্নত দেশ তৈরি করতে সরকার চারটি ক্ষেত্রকে মজবুত করছে – যুব প্রজন্ম, মহিলা, কৃষক ও গরিব। আমাদের কাছে এরাই সব থেকে বড় শ্রেণি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘দলদাস পুলিশের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে’’, সুকান্তর ভূয়সী প্রশংসায় তথাগত

    Sukanta Majumdar: ‘‘দলদাস পুলিশের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে’’, সুকান্তর ভূয়সী প্রশংসায় তথাগত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) গিয়ে সুকান্ত অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন বলে মনে করেন ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়। তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যান বিজেপি নেতা (Tathagata on Sukanta)। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি রাজ্য বিজেপি সভাপতির (Sukanta Majumdar) ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    কী বলেছেন তথাগত?

    তথাগত (Tathagata on Sukanta) বলেন, ‘‘এই বিষয়ে বিশেষ করে বলতে চাই, সুকান্ত অসাধারণ সাহসের পরিচয় দিয়েছে৷ জঙ্গি নেতা হিসেবে ওর রূপান্তর হয়েছে৷ সুকান্তকে (Sukanta Majumdar) আমাদের দল প্রেসিডেন্ট করেছিল৷ বিচক্ষণ, অল্পবয়সি কার্যকর্তা হিসেবে৷ কিন্তু আজ ওর অন্য একটা পরিচয় পাওয়া গিয়েছে৷ দলদাস পুলিশের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো, এটা খুব বেশি লোকের সাহস থাকে না৷’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এটা নিয়ে সবাই ধন্য ধন্য করছে৷ আমিও করছি৷ আগামিদিনে এটা বিজেপির সব কার্যকর্তাদের, বিজেপির সমর্থক, সবাইকে সাহস দেবে৷’’

    আরও পড়ুন: ‘‘সন্দেশখালিতে যে আওয়াজ উঠেছে, তাকে আটকানো যাবে না’’, হুঙ্কার মিঠুনের

    কেমন আছেন সুকান্ত?

    বুধবার সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) গিয়ে পুলিশের গাড়ির বনেটের উপর উঠে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার৷ তারপরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন৷ সন্ধ্যায় কলকাতায় নিয়ে এসে বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে৷ সেদিন রাতে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) নিউরো আইসিইউ থেকে ডে-কেয়ার বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয়৷ আপাতত তাকে হাসপাতালের ডে কেয়ার বিল্ডিংয়ের ৬ তলায় ৩৬১২ নম্বর কেবিনে রাখা হয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতির স্বাভাবিক হয়েছে শ্বাস প্রক্রিয়া। তাঁকে হালকা খাদ্য দেওয়া হচ্ছে। 

    সুকান্তকে ফোন ওম বিড়লার

    সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) দেখতে গতকাল হাসপাতালে যান অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তথা বিজেপি নেতা কল্যাণ চৌবে৷  বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে দেখতে হাসপাতালে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী যাদব এবং আসানসোলের বিজেপি বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পালও। তার আগে, সকালে ফোন করে বালুরঘাটের সাংসদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: ‘‘মণিপুর-ধাঁচে হোক তদন্ত’’! সন্দেশখালি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    Sandeshkhali Incident: ‘‘মণিপুর-ধাঁচে হোক তদন্ত’’! সন্দেশখালি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি ইস্যুতে এবার সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল। মণিপুরের মতো সন্দেশখালিতে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়ে মামলা করা  হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে। আবেদন করা হয়েছে, সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে হওয়া মামলা বাংলার বাইরে সরানো হোক।  

    সুপ্রিম দুয়ারে আবেদন

    মামলাকারী আইনজীবী অলোক শ্রীবাস্তবের দাবি, বাংলার বাইরের তদন্তকারীদের দিয়ে এই ঘটনার তদন্ত হোক। প্রয়োজনে সিবিআই বা বিশেষ সিট গঠনের দাবিও করেছেন তিনি। তাঁর আর্জি, সন্দেশখালির ঘটনায় যে সমস্ত পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে বা যাদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠেছে তাদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করুক আদালত। তিন বা চার সদস্যের বেঞ্চ গঠন করে মামলার শুনানি চলুক। পুরো কার্যকলাপই হোক পশ্চিমবঙ্গের বাইরে।  সন্দেশখালির ঘটনায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবিও জানিয়েছেন আইনজীবী অলোক শ্রীবাস্তব। তাঁর কথায়, এলাকার যে মহিলারা নিপীড়িত বলে অভিযোগ করছেন তাঁদের আর্থিকভাবে সাহায্য করা হোক। এলাকায় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করে স্থানীয়দের নিরাপত্তা দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

    দ্রুত শুনানির আর্জি

    আইনজীবী বলেছেন, ‘‘মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান এখনও অধরা। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে, স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন কতটা নিষ্ক্রিয়! এ রকমও অভিযোগ রয়েছে, পুলিশের সঙ্গে শাহজাহানের যোগসাজশ রয়েছে। সেই কারণেই সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে সিট বা সিবিআই দিয়ে তদন্ত হওয়া জরুরি।’’ শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে সন্দেশখালি সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলাটি উল্লেখ করেন আইনজীবী অলোক। দ্রুত শুনানির আবেদন জানান তিনি। আবেদন পড়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। 

    আরও পড়ুন: মহিলা জেলেই অন্তঃসত্ত্বা! সব রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    মামলা কলকাতা হাইকোর্টেও

    শুক্রবারই সন্দেশখালি নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়েছেন আইনজীবী সংযুক্তা সামন্ত। ওই এলাকার পরিস্থিতি দেখে দ্রুত সিআরপিএফ বাহিনী মোতায়েন করতে হবে বলে আর্জি। মামলা দায়ের করার অনুমতি বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চের। আগামী সোমবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। এখনও সন্দেশখালি যেতে চেয়ে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বিজেপি সহ বিরোধীরা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই নিয়েও আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সন্দেশখালির একাধিক জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি আছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘‘পরিস্থিতি রাষ্ট্রপতি শাসনের অনুকূল’’, রাষ্ট্রপতি ভবনে রিপোর্ট পেশ তফশিলি কমিশনের

    Sandeshkhali: ‘‘পরিস্থিতি রাষ্ট্রপতি শাসনের অনুকূল’’, রাষ্ট্রপতি ভবনে রিপোর্ট পেশ তফশিলি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রতিবাদের ঢেউ এবার পৌঁছে গেল রাইসিনা হিলসে। সেখানকার আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে রিপোর্ট জমা পড়ল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে। এলাকা জুড়ে মহিলাদের ওপর হওয়া অত্যাচার শুনে এসেছেন তফশিলি কমিশনের প্রতিনিধিরা। সেই নিয়েই এবার রিপোর্ট জমা পড়ল রাষ্ট্রপতি ভবনে। শুক্রবার সকাল ১১ টায় কমিশনের প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে রিপোর্ট জমা করেছেন বলে খবর। কী আছে সেই রিপোর্টে?

    রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে কমিশনের প্রধান অরুণ হালদার জানিয়েছেন, সন্দেশখালির হিংসার ঘটনা নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ করা হয়েছে সেই রিপোর্টে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা যখন গতকাল সন্দেশখালিতে যাই, তখন শাহজাহান এবং তার বাহিনী এলাকায় সন্ত্রাসের পরিস্থিতি কায়েম করেছিল। তার জন্য স্থানীয়রা কথা বলতে ভয় পেয়েছেন। বলা হয়েছিল, কমিশন চলে যাওয়ার পরেই তাঁদের উপর হামলা চালানো হবে।’’ অরুণ জানান, তাঁরা সন্দেশখালি থানায় গিয়েছিলেন পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে। কিন্তু কমিশনের সদস্যদের দেখে থানা ছেড়ে অফিসাররা পালিয়ে যান। তিনি বলেন, ‘‘সেখানকার পরিস্থিতি এক কথায় ভয়াবহ। আদিবাসীরা ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন। এই অবস্থায় কমিশন মনে করে, অবিলম্বে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা দরকার।’’

    বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি গিয়েছিল তফশিলি কমিশন

    গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকালেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়েছিল তফশিলি কমিশন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। তাঁদের কাছে মহিলারা জানিয়েছেন, রাতের পর রাত কীভাবে তাঁদেরকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হত পার্টি অফিসে। রাতভর চলত অত্যাচার। দিনের পর দিন এমন ঘটনা ঘটতে থাকলেও, পুলিশ কোনও ব্য়বস্থা নেয়নি। শুধুমাত্র মহিলাদের নয়, পুরুষদেরও মারধর করা হত বলে অভিযোগ উঠেছে।

    বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে আটকাল পুলিশ

    আগেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা সন্দেশখালি নিয়ে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম তৈরি করেছিলেন। সেই মতো শুক্রবার সকালে বিজেপির ৬ সদস্যের একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম সন্দেশখালির (Sandeshkhali) উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু সন্দেশখালি পৌঁছনোর আগেই ধামাখালির কাছে তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশের দাবি, সন্দেশখালিতে এখন ১৪৪ ধারা। এই পরিস্থিতিতে ৬ জনকে সেখানে যেতে দেওয়া হবে না। এর পরই পুলিশের সঙ্গে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের বচসা বেঁধে যায়। পরে বিজেপির প্রতিনিধি দলের ৪ জন সেখানে যেতে চাইলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে ৪ জন থেকে কমিয়ে ২ জনের যাওয়ার অনুমতি চাওয়া হলেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। ১৪৪ ধারা সন্দেশখালির সব অংশে লাগু নেই, তবু কেন বাধা দেওয়া হল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং দলকে।

    আরও পড়ুন: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করুন, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    Calcutta High Court: সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করুন, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী সংযুক্তা সামন্ত। শুক্রবার জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে চেয়ে সংযুক্তার আর্জি, সন্দেশখালিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য মোতায়েন করা হোক কেন্দ্রীয় বাহিনী। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ। সোমবার শুনানি হতে পারে মামলাটির।

    ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিকে বাধা

    এদিকে, শুক্রবার (Calcutta High Court) পুলিশ সন্দেশখালিতে ঢুকতে বাধা দেয় বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিকেও। এদিন সকালে ওই কমিটির সদস্যরা নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। সন্দেশখালির কয়েকটি গ্রামও পরিদর্শন করার কথা ছিল তাঁদের। ১৪৪ ধারা জারি থাকায় তাদের বাধা দেয় পুলিশ। শুরু হয় বচসা। পরে রামপুরে রাস্তার ওপরই বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখান ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা।

    নেপথ্য কথন

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। অভিযোগ, বাড়িতে থাকলেও, দরজা খুলে ইডির আধিকারিকদের ঘরে ঢুকতে দেননি তাঁর পরিবারের লোকজন। কিছুক্ষণ পরে শাহজাহানের অনুগামী তৃণমূল নেতা-কর্মীরা ইডির তদন্তকারী আধিকারিকদের ওপর হামলা চালায়। জখম হন ইডির দুই আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ান। ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা শাহজাহান।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সন্দেশখালিতে যে আওয়াজ উঠেছে, তাকে আটকানো যাবে না’’, হুঙ্কার মিঠুনের

    শাহজাহান গা ঢাকা দিতেই ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় মহিলারা। তাঁদের অভিযোগ, শাহজাহানের দলবল স্থানীয় মহিলাদের রাতে ডেকে পাঠাতেন পার্টি অফিসে। করা হত বর্বরোচিত নির্যাতন। এরই প্রতিবাদে দফায় দফায় অশান্তি শুরু হয় সন্দেশখালিতে। ঘটেছে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও। অশান্তি রুখতে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। এ নিয়ে রাজ্যের উদ্দেশে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর প্রশ্ন ছিল, “গোটা সন্দেশখালিজুড়ে উত্তেজনা কেন? গোটা এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা? এর পর তো বলবেন কলকাতাজুড়েই জারি করতে হবে ১৪৪ ধারা।” এর পরেই সন্দেশখালি থেকে তুলে নেওয়া হয় ১৪৪ ধারা। তবে বেশ কয়েকটি জায়গায় এখনও জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা।

    ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    এদিকে, সন্দেশখালিতে যেতে গিয়ে বাধা পেয়ে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে এই মামলারও। শুভেন্দুর বক্তব্য, আদালত ১৪৪ ধারা বাতিল করেছে। ফের ১৪৪ ধারা জারি করে পথ আটকাচ্ছে পুলিশ। শাসকদলের নেতাদের যেতে দেওয়া হলেও, বিরোধীদের যেতে দেওয়া হচ্ছে না। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Women Prisoners: মহিলা জেলেই অন্তঃসত্ত্বা! সব রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    Women Prisoners: মহিলা জেলেই অন্তঃসত্ত্বা! সব রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলা জেলে কয়েদিরা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ছেন! কীভাবে এই ঘটনা ঘটছে? বাংলার মামলাটি স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে গ্রহণ করেছিল শীর্ষ আদালত। সেই মামলায় এবার সব রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল সুপ্রিম কোর্ট। জেলে মহিলা বন্দিরা কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা হচ্ছেন, এখন তাঁরা কী অবস্থায় আছেন? তা জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত। রিপোর্ট দিয়ে সব রাজ্যকে সেই তথ্য জানাতে হবে। এ বিষয়ে সব রাজ্যকে নোটিস দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

    জেলবন্দি মহিলাদের গর্ভবতী হওয়ার ঘটনা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানিতে বিচারপতি হিমা কোহলি এবং আসানুদ্দিন আমানুল্লাহর বেঞ্চ বিভিন্ন রাজ্যের জেলে মহিলা বন্দিরা কী অবস্থায় রয়েছেন সেবিষয়ে খোঁজ নেওয়ার জন্য কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে।  রাজ্যে রাজ্যে কারাগারগুলিতে মহিলা বন্দিদের কী অবস্থায় রাখা হয়েছে, তাঁদের জন্য কী পরিষেবা রয়েছে, খোঁজ নেবে ওই কমিটি। এরপর সব রাজ্যেকে মহিলা কয়েদিদের কী পরিষেবা দেওয়া হয় তা নিয়ে রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে। শুক্রবার এই মামলার শুনানিতে পশ্চিমবঙ্গের মামলা প্রসঙ্গে বিচারপতি কোহলি বাংলার জেলগুলিতে মহিলা বন্দিদের জন্য পর্যাপ্ত স্যানিটারি ন্যাপকিনের বন্দোবস্ত রয়েছে কি না, তার খোঁজও নেন।

    আরও পড়ুন: প্রথমে দেব, এবার মিমি! পদত্যাগের হিড়িক তৃণমূলের তারকা-সাংসদদের, কেন?

    পশ্চিমবঙ্গের মহিলা সংশোধনাগারগুলি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেশ করেছিলেন আইনজীবী তথা আদালত বান্ধব তাপস ভঞ্জ। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি জানান, সংশোধনাগারে থাকাকালীন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ছেন একাধিক মহিলা বন্দি। আদালত জানতে পারে, সম্প্রতি রাজ্যের জেলগুলিতেই ১৯৬টি শিশুর জন্ম হয়েছে। সম্প্রতি, আলিপুর মহিলা জেলেও এক জন কয়েদি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। রাজ্যের মহিলা সংশোধনাগার বা যে সব সংশোধনাগারে মহিলা সেল রয়েছে, সেখানে কোনও পুরুষকে ঢুকতে না দেওয়ার আর্জি জানান তাপসবাবু। গত শুক্রবার বিষয়টি পৌঁছয় সুপ্রিম কোর্টে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে বাংলাদেশ যোগ! গ্রেফতারির আগে সেখানেই ছিলেন বিশ্বজিৎ

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে বাংলাদেশ যোগ! গ্রেফতারির আগে সেখানেই ছিলেন বিশ্বজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) দু’দিন আগেই গ্রেফতার হয়েছে শঙ্কর আঢ্য ঘনিষ্ঠ বিশ্বজিৎ দাস। তদন্তে নেমে ইডি জানতে পারে গ্রেফতারির আগে এই ব্যবসায়ী বাংলাদেশে গিয়েছিলেন ৷ আর এই তথ্য সামনে আসতেই রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে বাংলাদেশ যোগ রয়েছে বলে মনে করছে ইডি ৷ তদন্তকারী সংস্থার সন্দেহ, বাংলাদেশ থেকে হাওয়ালার মাধ্যমে দুবাই চলে যেত টাকা। সেই লিঙ্কই এখন খুঁজছে ইডি। বালু ও শঙ্করের কালো টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে বিদেশে পাঠাতে কি ভূমিকা নিতেন বিশ্বজিৎ? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্তকারীদের মনে। পাশাপাশি ইডি-র আরও সন্দেহ এ রাজ্যের পাশাপাশি এই দুর্নীতিতে সে দেশের (বাংলাদেশ) ব্যবসায়ীরাও (Ration Scam) যুক্ত থাকতে পারেন। প্রসঙ্গত, ইডি ইতিমধ্যে আদালতে জানিয়েছে, বালুর ২০০০ কোটি টাকা শঙ্করের মাধ্যমে দুবাই পাঠানো হয়েছে, সেই টাকার একটা অংশ দুবাইয়ে গিয়ে নিয়েছিলেন বিশ্বজিৎ।

    মঙ্গলবার বিশ্বজিৎ-এর বাড়িতে হানা দেয় ইডি

    মঙ্গলবার বিশ্বজিতের বাড়িতে তল্লাশি (Ration Scam) অভিযান চালায় ইডি। এর পাশাপাশি অভিযান হয়েছিল বড়বাজারের আর একটি স্থানেও। জানা গিয়েছে, সেখান থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছে ইডি। নথিপত্র ঘেঁটে ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ চলতি সপ্তাহের বুধবার সকালে বিশ্বজিৎ দাসকে গ্রেফতার করে ইডি। তবে গ্রেফতারির আগের মুহূর্তে যে বিশ্বজিৎ বাংলাদেশে ছিলেন তা জানতে পারেন গোয়েন্দারা। আর তাতেই দানা বাঁধছে সন্দেহ। রেশন দুর্নীতিতে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের যোগ ছিল কিনা তা এবার খতিয়ে দেখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট৷

    হাওয়ালার লেনদেনের চিরকূট বিশ্বজিৎ বাড়িতে

    প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam) বিশ্বজিৎ দাসের হাওয়ালা যোগ আদালতে আগেই জানিয়েছিল ইডির তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, বিশ্বজিৎ বাড়ি ও অফিস থেকেও উদ্ধার হয়েছে হাওয়ালার লেনদেনের চিরকূট। বাড়িতে ইডি হানার খবর পাওয়া মাত্রই বাংলাদেশ থেকে কলকাতা উড়ে আসেন বিশ্বজিৎ। দীর্ঘক্ষণ ধরে তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করেন বিশ্বজিৎ-কে। তারপরেই আটক করা হয় তাঁকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMCs Earnings: নির্বাচনী বন্ডে আঞ্চলিক দল তৃণমূলের আয় কত জানেন?

    TMCs Earnings: নির্বাচনী বন্ডে আঞ্চলিক দল তৃণমূলের আয় কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় দলের তকমা ঘুচেছে আগেই। শিবরাত্রির সলতের মতো টিমটিম করে কেবল একটি রাজ্যেই রাজত্ব করে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এহেন ‘ক্ষয়িষ্ণু’ একটি দলের এক বছরে আয় বেড়েছে প্রায় ১২ গুণ। নির্বাচনী বন্ড থেকে তাদের আয় (TMCs Earnings) হয়েছে মোট চাঁদার ৯৭ শতাংশেরও বেশি।

    নির্বাচনী বন্ড

    ২০১৮ সালে নির্বাচনী বন্ড চালু করেছিল নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। কোনও ব্যক্তি বা কর্পোরেট সংস্থা রাজনৈতিক দলকে চাঁদা দিতে চাইলে নির্বাচনী বন্ড কিনতে হয়। সেই বন্ড বিক্রির দায়িত্বে থাকে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। বৃহস্পতিবার, নির্বাচনী বন্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে সুপ্রিম কোর্ট। এর পরই, শীর্ষ আদালতের সেই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি দিতে দেখা যায় তৃণমূলের মুখপাত্রকে। অথচ, গত ২ বছর ধরে, শতাংশের বিচারে এই তৃণমূল দলই সবচেয়ে বেশি আয় করেছে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমেই! অর্থাৎ, নির্বাচনী বন্ডের সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছিল তৃণমূল, আর সেই দলই কিনা এদিন নিষেধাজ্ঞাকে সাধুবাদ জানাচ্ছে!

    ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারে’ কত পড়ল?

    জানা গিয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে তৃণমূলের ঝুলিতে পড়েছিল প্রায় ৪১ কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে সেটাই বেড়ে হয়েছে ৫২৫ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা। যা ছিল মোট আয়ের (৫৪৫ কোটি ৭৪ লক্ষ)  ৯৬ শতাংশ। ফি বছর প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে দিতে হয় আয়-ব্যয়ের হিসেব। সেই রিপোর্টেই জানা গিয়েছে নির্বাচনী বন্ডের আয়ে উপচে পড়ছে তৃণমূলের ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’।

    গত অর্থবর্ষে (২০২২-২৩) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের আয় (TMCs Earnings) হয়েছে ৩৩৩ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৯৭ শতাংশই (৩২৫ কোটি ১০ লক্ষ টাকা) এসেছে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে। বাকি ৮ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে সদস্যদের চাঁদা, মুখপাত্রের গ্রাহক চাঁদা এবং অর্থসংগ্রহ কর্মসূচির মাধ্যমে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সন্দেশখালিতে যে আওয়াজ উঠেছে, তাকে আটকানো যাবে না’’, হুঙ্কার মিঠুনের

    অ-বিজেপি দলগুলির আয়

    আরেকটি আঞ্চলিক দল ডিএমকের কোষাগারে নির্বাচনী বন্ড বাবদ জমা পড়েছে মোট আয়ের ৮৬.৩০ শতাংশ। বিজু জনতা দলের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৮৩.৯৫ শতাংশ। ভারত রাষ্ট্র সমিতি এই খাতে আয় করেছে ৭১.৭১ শতাংশ টাকা। আর নির্বাচনী বন্ডে ৬৯.৫২ শতাংশ টাকা আয় করেছে ওয়াইএসআরসিপি। সব চেয়ে করুণ দশা গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি কংগ্রেসের। বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’তে যেসব আঞ্চলিক দল রয়েছে, তাদের মধ্যে বোধহয় নির্বাচনী বন্ডে সব চেয়ে কম আয় হয়েছে সোনিয়া গান্ধীর দলের। এই খাতে কংগ্রেসের আয় শতাংশের হিসেবে মাত্রই ৩৭.৮০ টাকা (TMCs Earnings)।

    এবার তাকানো যাক বিজেপির আয়ের দিকে। কেন্দ্রের পাশাপাশি দেশের সব চেয়ে বেশি রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে পদ্ম-পার্টি। অঙ্কের হিসেবে তাদের আয় (TMCs Earnings) সবচেয়ে বেশি। তবে শতাংশের বিচারে বিজেপির আয় তৃণমূলের আয়ের কাছে নেহাতই শিশু। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে নির্বাচনী বন্ডে গেরুয়া ঝুলিতে পড়েছে মোট আয়ের মাত্র ৫৪.৮১ শতাংশ টাকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
  • ISRO: ‘দুষ্টু ছেলে’র পিঠে চড়ে মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছে ইসরোর উপগ্রহ

    ISRO: ‘দুষ্টু ছেলে’র পিঠে চড়ে মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছে ইসরোর উপগ্রহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার উপগ্রহ নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর (ISRO) রকেট। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, যে রকেটে চড়ে উপগ্রহটি মহাকাশে পাড়ি দেবে তার নাম ‘নটি বয় (দুষ্টু ছেলে)’।  জানা গিয়েছে, আবহাওয়া সংক্রান্ত পূর্বাভাস আরও নিখুঁত ভাবে দেবে ‘নটি বয়’। এর পাশাপাশি নতুন উপগ্রহটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েও পৃথিবীপৃষ্ঠে আগাম সতর্কতা পৌঁছে দেবে। মহাকাশ থেকেই ‘নটি বয়’ মাটি এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের উপর নজরদারি চালাবে।

    কেন এমন নামকরণ?

    ‘নটি বয়’-এর ভালো নাম (ISRO) অবশ্য জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল (GSLV)। শনিবারই ঠিক বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ইনস্যাট-থ্রিডিএস-কে পিঠে বসিয়ে মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দেবে রকেটটি। ‘নটি বয়’ ডাকনামটি দিয়েছেন সংস্থার (ইসরো) প্রাক্তন চেয়ারম্যান। হঠাৎ কেন এমন আজব নাম নির্বাচন করা হল? কারণ হল, এই রকেটটির মতিগতি বোঝা খুব শক্ত। রকেটটির মতিগতি বুঝতে হিমশিমও খেতে হয়েছে ইসরোর বিজ্ঞানীদের। ঠিক যেন মুডের ওপর নির্ভর করে। ভালো থাকলে সফল, অন্যথায় ব্যর্থ। তাই আদর করে সেটির নাম রাখা হয়েছে ‘নটি বয়’। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১৫ বার উৎক্ষেপণের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে রকেটটি (ISRO) যার মধ্যে ৬বার ব্যর্থ হয়েছে এটি। শেষবারের জন্য উৎক্ষেপণ করা হয়, ২৯ মে ২০২৩। তখন উৎক্ষেপণ সফল হয়। কিন্তু তার আগে ২০২১ সালের ১২ অগাস্ট রকেটটির উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হয়েছিল।

    কী বলছেন আবহাওয়া বিজ্ঞানী?

    আবহাওয়া বিজ্ঞানী এম রবিচন্দ্রনের কথায়, ‘‘ভারতীয় আবহাওয়া উপগ্রহগুলি আরও উন্নত ভাবে তৈরি করা হয়েছে৷ এই উপগ্রহগুলি (ISRO) আকাশের চোখ হিসাবে কাজ করে। যা ভারতকে ঘূর্ণিঝড় এবং অন্যান্য দুর্যোগ সম্পর্কে নিখুঁত পূর্বাভাস দিতে সাহায্য করে।’’ জিএসএলভি একটি ত্রিস্তরীয় রকেট যা ৫১.৭ মিটার দীর্ঘ। এর ওজন ৪ লাখ কেজিরও বেশি।

     

    আরও পড়ুন: প্রথমে দেব, এবার মিমি! পদত্যাগের হিড়িক তৃণমূলের তারকা-সাংসদদের, কেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share