Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sukanta Majumdar: সুকান্তর ওপর হামলা, হস্তক্ষেপ লোকসভার, তলব ৫ প্রশাসনিক কর্তাকে

    Sukanta Majumdar: সুকান্তর ওপর হামলা, হস্তক্ষেপ লোকসভার, তলব ৫ প্রশাসনিক কর্তাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) ওপর হামলারঘচনা ঘটে বুধবার। যা নিয়ে তোলপাড় হয় রাজ্য। বৃহস্পতিবারও এর বিরুদ্ধে পথে নামেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। সাংসদের ওপর এমন হামলার ঘটনায় এবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার-সহ ৫ জন প্রশাসনিক কর্তাকে তলব করা হল লোকসভায়। জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার লোকসভার স্বাধিকার রক্ষা কমিটি (প্রিভিলেজ কমিটি)-র মুখোমুখি হতে বলা হয়েছে তাঁদের। এই ব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে লোকসভার সচিবালয় থেকে। সূত্রের খবর, ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজ্য পুলিশের ডিজি, বসিরহাট পুলিশ জেলার সুপার এবং অতিরিক্ত সুপার যাতে স্বাধিকার রক্ষা কমিটির মুখোমুখি হন, তা নিশ্চিত করতে হবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে।

    কোন কোন আমলাকে তলব করা হল?

    রাজ্যের মুখ্যসচিব ভগবতী প্রসাদ গোপালিক, ডিজি রাজীব কুমার, উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শরৎ কুমার দ্বিবেদী, বসিরহাটের এসপি হুসেন মেহেদি রহমান এবং উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ ঘোষকে তলব করেছে সংসদীয় কমিটি (Sukanta Majumdar)। বিষয়টি যে হালকা ভাবে নিচ্ছে না সংসদীয় কমিটি, তা এই তলবেই পরিষ্কার। এখন দেখার এই আধিকারিকরা হাজিরা দিতে যান কিনা। জানা গিয়েছে, ওই পুলিশ অফিসারদের আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ের ২ নম্বর কমিটি রুমে হাজির থাকতে হবে। উক্ত পুলিশকর্তারা যাতে সঠিক সময় সঠিক স্থানে পৌঁছে যান, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে।

    বুধবার অসুস্থ হন সুকান্ত

    বুধবারই সন্দেশখালি যাওয়ার পথে পুলিশি ধস্তাধস্তিতে বালুরঘাটের সাংসদ (Sukanta Majumdar) অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত বিজেপি নেতা-কর্মীরা প্রথমে তাঁকে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁকে ওই আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে খবর। বিজেপির অভিযোগ, সুকান্তকে হেনস্থা করা হয়েছে। তাতে সাংসদের প্রাণ সংশয়ও হতে পারত বলে দাবি বিজেপির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India vs England: রোহিত-জাদেজার শতরান, দুরন্ত অভিষেক সরফরাজের, ভাল জায়গায় ভারত

    India vs England: রোহিত-জাদেজার শতরান, দুরন্ত অভিষেক সরফরাজের, ভাল জায়গায় ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজকোটে ভারত-ইংল্যান্ড তৃতীয় টেস্টে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ঘুড়ে দাঁড়াল টিম ইন্ডিয়া। সৌজন্যে রোহিত শর্মা ও রবীন্দ্র জাদেজার অনবদ্য ব্যাটিং। শেষ বেলায় দুরন্ত ইনিংস সরফরাজ খানের। এই তিন জনের ব্যাটে প্রথম দিনের শেষে ভারতের রান ৫ উইকেটে ৩২৬। দিনের শেষে ক্রিজে রয়েছেন জাদেজা। ১১০ রানে খেলছেন তিনি। সঙ্গে রয়েছেন কুলদীপ যাদব। 

    ভারতের ইনিংস

    যদিও বৃহস্পতিবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি ভারতীয় দলের। ৩৩ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। যশস্বী জয়সওয়াল ১০, শুভমান গিল ০ ও রজত পাতিদার ৫ রান করে আউট হন। সেখান থেকে দলকে টানেন রোহিত ও জাদেজা জুটি। চা বিরতি পর্যন্ত ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ১৮৫ রানে ৩ উইকেট। কঠিন পরিস্থিতিতে রোহিতের সঙ্গে ব্যাট করতে নামেন জাদেজা। ঘরের মাঠে আত্মবিশ্বাসী শুরু করেন তিনি। হাতের তালুর মতো চেনা পিচে ব্যাট করতে কোনও সমস্যা হচ্ছিল না তাঁর। রোহিতও হাত খোলেন। তিনি জানতেন, সুযোগ পেলে রান নিতেই হবে। স্লিপে রোহিতের একটি ক্যাচ ছাড়েন জো রুট। এক বার উডের বল হেলমেটে লাগে তাঁর। তাতে মনোযোগ নষ্ট হয়নি রোহিতের। নিজের খেলাটা খেলে যান তিনি। চা বিরতির পর শতরান করেন রোহিত। শতরানের পরেও রোহিতের খেলার ধরন বদলায়নি। বাধ্য হয়ে লেগ সাইডে ছ’জন ফিল্ডার রেখে ক্রমাগত বাউন্সার করার পরিকল্পনা করে ইংল্যান্ড। তাতে ধৈর্য হারিয়ে ১৩১ রানের মাথায় আউট হন রোহিত।

    অভিষেকে চমক সরফরাজের

    তার পরে ব্যাট করতে নামেন সরফরাজ। দেখে মনেই হল না অভিষেক টেস্ট খেলতে নেমেছেন তিনি। শুরু থেকেই সাবলীল, বিশেষ করে স্পিনারদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেন সরফরাজ। মাত্র ৪৮ বলে অর্ধশতরান করলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬৬ বলে ৬২ রান করে জাদেজার ভুলে রান আউট হন সরফরাজ। জাদেজা অবশ্য নিজের শতরান হাতছাড়া করেননি। ঘরের মাঠে আরও একটি শতরান করলেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi In Qatar: ‘‘ভারত-কাতার সম্পর্কের পুনর্জাগরণ’’, দোহায় বৈঠকের পর কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    PM Modi In Qatar: ‘‘ভারত-কাতার সম্পর্কের পুনর্জাগরণ’’, দোহায় বৈঠকের পর কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাতারেও আবেগে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি কাতারে নামতেই উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায় প্রবাসী ভারতীয়রা। ‘মোদি মোদি’ স্লোগান এবং ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি দেন তাঁরা। কাতার সরকারের কাছেও রাজকীয় সম্মান পান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার কাতারের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল-থানির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। 

    নয়াদিল্লি-দোহা সম্পর্ক 

    পশ্চিম এশিয়া সফরে গিয়ে নয়াদিল্লি-দোহা সম্পর্ক নিবিড় করতে সক্রিয় হলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কাতারের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানির সঙ্গে বৈঠকের পর ইতিবাচক বার্তা দেন তিনি। বৈঠকের পর এক্স হ্যান্ডেলে মোদি লেখেন, “কাতারের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানির সঙ্গে দুর্দান্ত বৈঠক। আমাদের আলাপচারিতায় পুনর্জাগরণ হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত-কাতার সম্পর্কের।” ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, অর্থ এবং প্রযুক্তিক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’’ 

    কী কী নিয়ে আলোচনা

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার পাশাপাশি মোদি-থানির বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। দুই রাষ্ট্রনেতা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে এটি মোদির দ্বিতীয় কাতার সফর। এর আগে ২০১৬ সালে কাতারে গিয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সংক্রান্ত সাতটি চুক্তি করেছিলেন তিনি। কাতারের তরফে বিবৃতিতেও শক্তি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে দুই দেশে শীর্ষ নেতার আলাপচারিতার কথা বলা হয়। পাশাপাশি উভয় রাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথাও উল্লেখ করা হয়। এখানেই মোদি তথা নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সাফল্য দেখছে বিশ্লেষকরা।

    এক সময় মুসলিম দেশগুলির আন্তর্জাতিক সংগঠন ওআইসি কার্যক্ষেত্রে ভারতবিরোধী ছিল। অযোধ্যার পর আবু ধাবিতে মন্দির তৈরি করার পরেও সেই মুসলিম বিশ্বকে বন্ধুত্বের বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্বও বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mukul Roy: এবার মুকুল রায়কে দিল্লিতে তলব করল ইডি, জানেন কোন মামলায়?

    Mukul Roy: এবার মুকুল রায়কে দিল্লিতে তলব করল ইডি, জানেন কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মুকুল রায়কে (Mukul Roy) তলব করল ইডি। ইডি সূত্রে খবর, অ্যালকেমিস্ট মামলায় ডেকে পাঠানো হয়েছে মুকুলকে। জানা গিয়েছে, এই মামলায় প্রায় ১৯০০ কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল। শুক্রবারই দিল্লিতে ইডির দফতরে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তবে তা আগামিকাল না কি পরের সপ্তাহের শুক্রবার, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    কী বলছেন মুকুল-পুত্র?

    ইডির এই তলব নিয়ে ইতিমধ্যে সামনে এসেছে মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশু রায়ের বিবৃতি। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থা ভাল নয়। তিনি কিছুই মনে রাখতে পারেন না। একারণে দিল্লিতে যাওয়া সম্ভব নয়। তবে ইডি আধিকারিকরা যদি বাড়ি এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান, তা হলে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করা হবে।

    মামলার খুঁটিনাটি

    ইডি সূত্রে খবর, তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ কেডি সিংয়ের সংস্থা ছিল ‘অ্যালকেমিস্ট ইনফ্রা রিয়ালটি’। এই সংস্থার বিরুদ্ধে লগ্নিকারীদের কাছ থেকে বেআইনি ভাবে টাকা তোলার অভিযোগ ওঠে। এই মর্মে মামলাও দায়ের করা হয়েছিল। ২০১৬ সালেই এই মামলার তদন্ত শুরু করে ইডি। অভিযোগ, সেবি-র অনুমতি ছাড়াই ওই সংস্থাটি বাজার থেকে ১,৯১৬ কোটি টাকা তুলেছে। তদন্তে নেমে ইডি ২০১৯ সালে কেডি-র কুফরির রিসর্ট, চণ্ডীগড়ের শো-রুম, হরিয়ানার পঞ্চকুলার সম্পত্তি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট-সহ ২৩৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে।

    ২০২১ সালে গ্রেফতার হন কেডি সিংহ

    ২০২১ সালে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে এই মামলায় কেডি সিংকে গ্রেফতারও করে ইডি। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। মুকুলকে এ বার অ্যালকেমিস্ট মামলায় ডেকে পাঠাল ইডি। তবে তাঁর শরীরের যা অবস্থা, তাতে তাঁর পক্ষে দিল্লিতে ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয় বলেই পরিবার সূত্রে খবর। ২০২১ সালের জুন মাসে, অর্থাৎ রাজ্য বিধানসভার ফল বের হওয়ার একমাস পরেই ফের নিজের পুরনো দল তৃণমূলে ফেরেন মুকুল। এই সময় থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থাও খারাপ হতে শুরু করে। গত বছরের এপ্রিল মাস নাগাদ আচমকাই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছিলেন মুকুল (Mukul Roy)। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। সেই সময় শুভ্রাংশু রায় দাবি করেছিলেন, তাঁর বাবা (Mukul Roy) মানসিক ভাবে সুস্থ নন। সেসময় মুকুলও দিল্লিতে বসে দাবি করেছিলেন, বাড়ির লোক তাঁকে মানসিক ভারসাম্যহীন প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cancer Vaccine: ক্যান্সারের টিকা প্রায় তৈরি! চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিপ্লবের দাবি রুশ প্রেসিডেন্টের

    Cancer Vaccine: ক্যান্সারের টিকা প্রায় তৈরি! চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিপ্লবের দাবি রুশ প্রেসিডেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যান্সারের ভ্যাকসিন (Cancer Vaccine) তৈরির খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছে রাশিয়া, এমনই দাবি করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মস্কো ফোরামে বক্তৃতার সময় পুতিন বলেন, “নতুন প্রজন্মের ক্যান্সারের টিকা বানিয়েছি আমরা। ভ্যাকসিন তৈরি প্রায় শেষের দিকেই। আমরা আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি এই ভ্যাকসিন মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।” তবে রাশিয়া কী ধরনের ভ্যাকসিন বানিয়েছে, কোন ধরনের ক্যান্সারের প্রতিষেধক তৈরি হচ্ছে তা অবশ্য বলেননি পুতিন।

    ক্যান্সার নিয়ে গবেষণা

    দেশ-বিদেশে একাধিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান ক্যান্সারের (Cancer Vaccine) চিকিৎসা নিয়ে নানান গবেষণা চালাচ্ছে। গত বছরেই, ব্রিটেনের সরকার, জার্মানির বায়োএনটেক নামের এক সংস্থার সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী, ‘পার্সোনালাইসজ ক্যান্সার ট্রিটমেন্টের’ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হবে। যা ১০ হাজার রোগীর দেহে করা হবে। আর তা চলবে ২০৩০ সাল পর্যন্ত। বিশ্বের অন্য দুই ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থাও পরীক্ষামূলক ভাবে ক্যান্সারের টিকা তৈরি করেছে, যা ত্বকের ক্যান্সারে মৃত্যুর সম্ভাবনা কমিয়ে দিয়েছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র মতে, হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস-এর বিরুদ্ধে বর্তমানে ছ’টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত টিকা রয়েছে। এই ভাইরাস জরায়ুমুখের ক্যান্সার-সহ অনেক ক্যান্সার সৃষ্টির কারণ। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস বি-র টিকাও রয়েছে, যা যকৃতের ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে।

    আরও পড়ুন: উপচে পড়া ভিড়! ভারত-কাতার বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করতে দোহায় প্রধানমন্ত্রী মোদি

    ভারতে গবেষণা

    ভারতে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া ও কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে সার্ভাইক্যাল ক্যান্সারের (Cancer Vaccine) নতুন ভ্যাকসিন আসছে যার নাম সার্ভাভ্যাক। এইচপিভি টাইপ ৬, ১১, ১৬ ও ১৮ প্রজাতিকে ঠেকাতে পারবে এই টিকা। ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সি কিশোরীদের জন্য এই টিকার ২টি ডোজ আছে। প্রথম ডোজ নেওয়ার ৬ মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে। আর ১৫ থেকে ২৬ বছর অবধি এই টিকার তিনটি ডোজ আছে। এবার ক্যান্সার ভ্যাকসিন তৈরির খুব কাছে রাশিয়াও। চিকিৎসা ক্ষেত্রে বড় বিপ্লবের ইঙ্গিত দিলেন পুতিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED: এবার ইডির তলব অভিনেতা-সাংসদ দেবকে, ২১ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ

    ED: এবার ইডির তলব অভিনেতা-সাংসদ দেবকে, ২১ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার অভিনেতা তথা তৃণমূল সাংসদ দেবকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। জানা গিয়েছে, ‘প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’ বা আর্থিক তছরুপের মামলাতেই অভিনেতাকে এই সমন পাঠানো হয়েছে। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে দেবকে।

    ই-মেল মারফত সমন পাঠানো হয়েছে দেবকে

    বুধবার রাতেই ই-মেল মারফত একটি চিঠিতে (ED) তাঁকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে তাঁকে হাজির হতে বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি তাঁকে বেশ কিছু নথিপত্র নিয়ে যেতে বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগেই গরু পাচারকাণ্ডে সাক্ষী হিসেবে দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। এবার দেবকে ডেকে পাঠালো ইডি (ED)। নিজের ঘনিষ্ঠ মহলে দেব জানিয়েছেন, ইডি দফতরে (ED) হাজিরা দেবেন তিনি। 

    কিছু দিন ধরেই চর্চা চলছে দেবকে নিয়ে

    কিছুদিন ধরেই বঙ্গ রাজনীতিতে জোর চর্চা চলছে অভিনেতা তথা সাংসদ দেবকে নিয়েই। প্রসঙ্গত, দেবের বিরুদ্ধেও কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ ওঠে। একটি অডিও ক্লিপ (এই অডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি ‘মাধ্যম’) ভাইরাল হয়। যেখানে দেবের বিরুদ্ধে ‘কমিশন’ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কণ্ঠস্বর ঘাটালের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শঙ্কর দলুইয়ের বলে মনে করা হচ্ছিল। যদিও শঙ্কর দলুই এই অভিযোগ অস্বীকার করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁর কণ্ঠস্বর ওই ক্লিপে ঢোকানো হয়েছে। এরপরেই লোকসভায় বাজেট অধিবেশনে দেব ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন। আভাস দিয়েছিলেন ভোটে না দাঁড়ানোর। লোকসভার বাজেট অধিবেশনের শেষ হতেই তিনটি সরকারি কমিটি থেকে ইস্তফাও দিয়েছিলেন দেব। আর তা নিয়ে বঙ্গ রাজনীতির অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছিল। দেব সংসদে গিয়ে ভাষণে বলেছিলেন যে এটাই হয়তো সাংসদ হিসেবে তাঁর শেষ বক্তব্য। তারপর থেকে অভিষেক ও মমতার সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেন তিনি। পরে আবার রাজনীতিতে থেকে যাওয়ার কথাও বলেন তিনি। এসবের মাঝেই তাঁকে সমন পাঠাল ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: গুজরাট থেকে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    JP Nadda: গুজরাট থেকে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda) ফের রাজ্যসভায় নির্বাচিত হতে চলেছেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট রয়েছে রাজ্যসভায়। এর আগে বেশ কয়েকটি রাজ্যের রাজ্যসভায় প্রার্থী তালিকা সামনে এলেও গুজরাট ও মহারাষ্ট্রের প্রার্থা তালিকা বুধবারই ঘোষণা করে গেরুয়া শিবির। সম্প্রতি, কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চহ্বাণ। তাঁকেও রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে গেরুয়া ব্রিগেড। গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অশোক চহ্বাণ বিজেপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য তার নমিনেশন পত্র জমা দেওয়ার জন্য মাত্র দু’দিন সময় হাতে ছিল। তাই মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির আঞ্চলিক কার্যালয়ে আসেন। সেখানে উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ এবং রাজ্য সভাপতি চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলের উপস্থিতিতে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন।

    কোন রাজ্যে কে প্রার্থী হলেন? 

    বর্তমানে হিমাচল প্রদেশ থেকে রাজ্যসভার সদস্য রয়েছেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। এবার গুজরাট থেকে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল দল। বুধবার বিজেপির প্রকাশিত তালিকায় দেখা যাচ্ছে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মহারাষ্ট্র থেকে অশোক চহ্বাণ ছাড়া রয়েছেন মেধা কুলকার্নি এবং ডাঃ অজিত গোপছাদে। এবং গুজরাটের তিনজন প্রার্থী হলেন গোবিন্দভাই ধোলাকিয়া, মায়াঙ্কভাই নায়ক এবং ডাঃ যশবন্তসিংহ পারমার। বর্তমানে রেলমন্ত্রী থাকা অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ফের ওড়িশা থেকেই রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ থেকে দল রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে শমীক ভট্টাচার্যকে।

    ১৯৯৩ সালে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন নাড্ডা

    বর্তমান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিমাচল প্রদেশ থেকে তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত। হিমাচল প্রদেশের সরকারে ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী (JP Nadda)। ২০১৪ সালে, তিনি প্রথমবারের মতো রাজ্যসভার সাংসদ হন। ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত নাড্ডা কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালির মহিলাদের দৈহিক গঠন ও বর্ণ নিয়ে মন্তব্য, বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক

    Sandeshkhali: সন্দেশখালির মহিলাদের দৈহিক গঠন ও বর্ণ নিয়ে মন্তব্য, বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পলাতক তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ শিবু হজরা এবং উত্তম সর্দারের নারী নির্যাতন, যৌনশোষণ এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে গ্রামের নারীসমাজ সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে আগেই প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন। কীভবে বাড়ির সুন্দরী, কমবয়সী মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে পার্টি অফিসে ‘ভোগ’ করা হত, সে কথা জানিয়ে স্পষ্টভাবে অভিযোগও করেছেন তাঁরা। ইতিমধ্যে নির্যাতিতাদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কাছে একই বিষয়ে অভিযোগ করেন এলাকার মহিলারা। কিন্তু এর মধ্যেই গ্রামবাসীদের পরিচয়, মহিলাদের দৈহিক গঠন এবং গায়ের বর্ণ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করলেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সভাধিপতি তথা অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের কড়া সমালোচনা করেছে রাজ্যের বিরোধী দল।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক (Sandeshkhal)?

    তৃণমূল নেতা নারায়ণ গোস্বামী সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রতিবাদী নারীদের সম্পর্কে বলেন, “একজন তফশিলি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষকে গঠন এবং দেহের রং দিয়ে বোঝা যায়। মনে রাখবেন, একজন মানুষ কোন সম্প্রদায়ের, তা শরীরের গঠন এবং রং তথাকথিত আমরা যা বলি ফর্সা, শ্যামবর্ণ এই দেখেই কিন্তু বোঝা যায়। কিন্তু ক্যামেরার সামনে যে সব মহিলা এসেছেন, তাঁরা সকলেই ধবধবে ফর্সা। তাহলে কি তাঁরা তফশিলি জনজাতি বা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর? যে মহিলারা সামনে এসেছেন, সকলে সিপিএমের মহিলা সংগঠনের সদস্য। যে বাচ্চাদের সামনে আনা হচ্ছে, সকলকে স্ক্রিপ্ট পড়িয়ে আনা হয়েছে। চিত্র পরিচালক এবং চিত্রনাট্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে সবটা। রাজ্যপালের সঙ্গে হিন্দিতে কথা বলতে দেখা গিয়েছে এক মহিলাকে। আবার সুকান্তের ধর্নামঞ্চে বোরখা পরা মহিলাকেও দেখা গিয়েছে। ওঁরা কি আদৌ সন্দেশখালির?”

    বিজেপির বক্তব্য

    তৃণমূল নেতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “জাতীয় তফসিলি জাতি এবং উপজাতি কমিশনের কাছে অভিযোগ করব। ওঁকে গ্রেফতার করা উচিত। সন্দেশখালির অপকর্ম ধরা পড়ে গিয়েছে। রুচিহীন মন্তব্য করেছেন তিনি। জনজাতি পরিবারে জন্ম হলেই গায়ের রং কালো হতে হবে?” আবার সিপিএমের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আদিবাসীদের পোশাক দিয়ে চেনে তৃণমূল।” পাশাপাশি আজ বৃহস্পতিবার তফশিলি জাতীয় কমিশনের ভাইস চেয়রাম্যান অরুণ হালদার সন্দেশখালিতে যাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ড স্কিম সাংবিধানিক নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ড স্কিম সাংবিধানিক নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bond) মামলায় রায় শোনাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের মতে, নির্বাচনী বন্ড স্কিম সাংবিধানিক নয়। ফলে, তা বাতিল হওয়া উচিত। বৃহস্পতিবার, সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে জানিয়েছে, বেনামি নির্বাচনী বন্ডের ফলে সংবিধানে প্রদত্ত বাকস্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘিত হয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “রাজনৈতিক দলের ইলেকটোরাল বন্ড বা নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলিকে আর্থিক সাহায্য আদতে নাগরিকের তথ্যের অধিকার লঙ্ঘন করে। এই আইন অসাংবিধানিক।”

    ঠিক কী বলেছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)?

    গত বছর ২ নভেম্বর শীর্ষ আদালতে এই মামলার (Electoral Bond) শুনানি শেষ হয়েছিল। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ এদিন এই মামলার রায় দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, “নির্বাচনী বন্ড অসাংবিধানিক ও বিধিবহির্ভূত। ইলেকটোরাল বন্ডের ব্যবস্থায় ‘কুইড প্রো কো’ (অর্থাৎ রাজনৈতিক দল ও আর্থিক অনুদানকারীর মধ্যে সুবিধার সম্পর্ক) তৈরি হতে পারে। পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সর্বসম্মতিতেই নির্বাচনী বন্ডকে অসাংবিধানিক ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” বেঞ্চের বাকি সদস্যরা হলেন, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বিআর গাভাই, বিচারপতি জেবি পাদরিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্র। এদিন শীর্ষ আদালতের  (Supreme Court) তরফে স্টেট ব্যাঙ্ককে নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bond) বিক্রি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছে, কে বা কারা আর্থিক অনুদান প্রদান করেছে, সেই তথ্য হাতে আসার এক সপ্তাহের মধ্যে জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।

    নির্বাচনী বন্ড কী?

    ২০১৮ সালে নির্বাচনী বন্ড বা ইলেকটোরাল বন্ড আনা হয়েছিল। এই নিয়মে নিয়মে কোনও ব্যক্তি বা কর্পোরেট সংস্থা যদি কোনও রাজনৈতিক দলকে আর্থিক সাহায্য করতে চায়, তবে তারা বন্ড কিনে সংশ্লিষ্ট দলকে দিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলি সেই বন্ড ভাঙিয়ে নিতে পারবে। ওই নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পের আওতায় যে কোনও ভারতীয় নাগরিক নির্বাচনী বন্ড কিনতে পারেন। কিন্তু কে, কত টাকা বন্ডের মাধ্যমে অনুদান দিচ্ছেন, সেই তথ্য প্রকাশ করা হবে না। ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার, ১ লক্ষ, ১০ লক্ষ ও ১ কোটি টাকা অবধি বন্ড পাওয়া যায় স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ায়। এই বন্ডে কোনও সুদ দেওয়া হয় না। নিয়ম অনুযায়ী, শেষ লোকসভা নির্বাচন বা বিধানসভা নির্বাচনে যত ভোট পড়েছে, তার এক শতাংশের কম ভোট পায়নি, সেই দলগুলিকেই শুধুমাত্র নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bond) কেনার অনুমতি দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অধিনায়ক কে? জানিয়ে দিলেন বোর্ড সচিব জয় শাহ

    T20 World Cup 2024: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অধিনায়ক কে? জানিয়ে দিলেন বোর্ড সচিব জয় শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র তিন মাস পরেই শুরু হতে চলেছে টি-২০ বিশ্বকাপ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিকেট বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয় দলের ব্যাটন থাকবে রোহিত শর্মার হাতেই। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের সচিব জয় শাহ স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই টুর্নামেন্টে রোহিত শর্মাই ভারতীয় ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দেবেন। হার্দিক পান্ডিয়া এই বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এছাড়া দলের কোচিংয়ের দায়িত্ব থাকবে রাহুল দ্রাবিড়ের উপরেই।

    রোহিতেই ভরসা

    চলতি বছর জুন মাসে আমেরিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজে বসবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। এখনও দল ঘোষণা হয়নি। তার আগেই বোর্ড সচিব জয় শাহ জানিয়ে দিলেন দলকে নেতৃত্ব দেবেন রোহিত। জয় বুধবার বলেন, “গত বছর এক দিনের বিশ্বকাপে টানা ১০টা ম্যাচ জেতার পরেও আমরা আমেদাবাদে ফাইনালে হেরে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমি কথা দিচ্ছি এই বছর বার্বাডোজে রোহিত শর্মার নেতৃত্বেই আমরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতব।” সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট সংস্থার একটি অনুষ্ঠানে জয় এই মন্তব্য করেন। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারত অধিনায়ক রোহিত, কোচ রাহুল দ্রাবিড় এবং নির্বাচক অজিত আগরকর। ছিলেন আইপিএল চেয়ারম্যান কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমল। ছিলেন সুনীল গাওস্কর, অনিল কুম্বলের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটারেরাও।

    অধিনায়কত্ব নিয়ে জল্পনা

    টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক কে হবেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট জল্পনা চলছিল। ২০২২ সালে টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে হেরে যেতে হয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলকে। এরপর রোহিত শর্মার জায়গায় হার্দিক পান্ডিয়াকে অধিনায়কের পদে বসানো হয়েছিল। কিন্তু, গত জানুয়ারি মাসে প্রায় ১৪ মাস পর রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি আবারও টি-২০ ফরম্যাটে কামব্যাক করেন। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে আয়োজিত শেষ টি-২০ ম্যাচে রোহিত শর্মা আবার শতরানও করেছিলেন। এদিন জয় শাহ বললেন, ‘হতে পারে ২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে আমরা হেরে গিয়েছি। কিন্তু, রোহিতের ক্যাপ্টেন্সি ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকদের হৃদয় জয় করে নিয়েছে। এই টুর্নামেন্টে ভারত টানা ১০ ম্যাচে জয়লাভ করেছিল। আমার স্থির বিশ্বাস রোহিত শর্মার নেতৃত্বেই ভারতীয় ক্রিকেট দল ২০২৪ সালে আয়োজিত টি-২০ বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট খেলতে পারবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share