Tag: Madhyom

Madhyom

  • PM Modi: ‘‘চলিয়ে, আপকো এক পানিশমেন্ট দেনা হ্যায়’’, আট সাংসদকে নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ মোদির

    PM Modi: ‘‘চলিয়ে, আপকো এক পানিশমেন্ট দেনা হ্যায়’’, আট সাংসদকে নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘চলিয়ে, আপকো এক পানিশমেন্ট দেনা হ্যায়’’, সংসদের আট সাংসদের উদ্দেশে একথা বলে, তাঁদেরকে নিয়ে ক্যান্টিনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। শুক্রবার বিভিন্ন দলের আট সাংসদকে নিয়ে এভাবেই  মধ্যাহ্নভোজ সারলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সংসদের ক্যান্টিনে খোশগল্প করতে থাকলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই আট সাংসদকে খাওয়ালেন বিশেষ লাড্ডুও। দুপুর আড়াইটা নাগাদ ওই সাংসদরা এই আমন্ত্রণ পান বলে খবর।

    কোন কোন সাংসদ ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে

    প্রসঙ্গত, মধ্যাহ্নভোজের আসরে বিজেপির সাংসদরা তো ছিলেনই, ওই আট জনের মধ্যে ছিলেন অন্য দলের সাংসদরাও। জানা গিয়েছে, সংসদের ক্যান্টিনে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ হিনা গাভিত, এস ফাংগন কোনিয়াক, জাময়াং সেরিং নামগিয়াল, এল মুরুগান। ছিলেন তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি) সাংসদ রামমোহন নাইডু, বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) সাংসদ রীতেশ পাণ্ডে এবং বিজু জনতা দলের (বিজেডি) সাংসদ সস্মিত পাত্র।

    সাংসদরা কী খেলেন?

    জানা গিয়েছে, খাবারের তালিকায় ছিল, ভাত, ডাল, খিচুড়ি এবং রাগির তৈরি লাড্ডু। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তরফে জানা গিয়েছে, ৪৫ মিনিট ধরে চলে মধ্যাহ্নভোজ। সূত্রের খবর, খাবার খেতে খেতে প্রধানমন্ত্রীর জীবনযাপনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) কখন ঘুম থেকে ওঠেন, কী খাবার খান, এসব নিয়েই কথোপকথন চলতে থাকে।

    মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত একজন সাংসদ সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘সংসদের ক্যান্টিনে দুপুরের খাবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সৌহার্দ্য বিনিময় হয়। গল্প হয়। ভাল সময় কেটেছে।’’ উপস্থিত অন্য একজনের কথায়, ‘‘আমরা যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে খাবার খাচ্ছিলাম, তা এক বারের জন্যও মনে হয়নি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Election: সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলেও তাঁর দল জিতেছে ভোটে, দাবি নওয়াজ শরিফের

    Pakistan Election: সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলেও তাঁর দল জিতেছে ভোটে, দাবি নওয়াজ শরিফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে (Pakistan Election) নিজের দলের জয়ের দাবি করলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। শুক্রবার রাতে তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) নির্বাচনে সবচেয়ে বড় দল হিসাবে অলিখিত স্বীকৃতি পেয়ে গিয়েছে। শরিফ আরও জানিয়েছেন, দেশে জোট সরকার গড়তে সমমনস্ক দলগুলির সঙ্গে আলোচনাও শুরু করে দিতে চান। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেই আলোচনা নাকি শুরুও হয়ে গিয়েছে। শরিফের দলের তরফে শাহবাজ শরিফ পিপিপির আসিফ আলি জারদারি এবং জামিয়াত উলেমা-এ-ইসলাম (এফ)-এর মৌলানা ফজলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করছেন বলেও শোনা গিয়েছে।

    মোট আসন ২৬৬, কে কতগুলি পেল

    প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে মোট ২৬৬টি আসন রয়েছে। আরও ৭০টি আসন ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। সেগুলি সরকার নির্ধারণে কোনও ভূমিকা পালন করে না। সরকার গড়ার জন্য দরকার ন্যূনতম ১৩৩টি আসন। যদিও এখনও পর্যন্ত  জয়ের দাবি করা নওয়াজ শরিফ, তাঁর দল কতগুলি আসন পেয়েছে সেই সংখ্যা জানাতে পারেননি। ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ৯টায় শরিফের দল পিএমএল-এন ৪৩টি আসনে জয়লাভ করেছে বলে জানা গিয়েছে। বিলাবল ভুট্টোর পাকিস্তান (Pakistan Election) পিপ্‌লস পার্টি বা পিপিপি পেয়েছে ৩৬টি আসন। তবে সকলকে পিছনে ফেলে এগিয়ে চলেছে ইমরানের দল পিটিআই সমর্থক নির্দল প্রার্থীরা। রাত সাড়ে ৯টায় পাকিস্তানের নির্দল প্রার্থীরা ৬২টি আসনে জয়লাভ করেছেন।

    দলগতভাবে এগিয়ে শরিফ 

    পাকিস্তানের ভোট (Pakistan Election) বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরিফের দাবি ঠিকই রয়েছে। বস্তুত, শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ দলগত ভাবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। তার কারণ  ইমরান সমর্থিত নির্দল প্রার্থীরা কেউই দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেননি। ফলে, দলগত ভাবে পিএমএল-এন পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় দল। ভোট বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সেদেশে ত্রিশঙ্কু সরকার তৈরি হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: পুলিশি হেফাজত আরাবুল ‘কারাবুলে’র, সিঁদুরে মেঘ দেখছে জাহাঙ্গিরের অনুগামীরা

    Arabul Islam: পুলিশি হেফাজত আরাবুল ‘কারাবুলে’র, সিঁদুরে মেঘ দেখছে জাহাঙ্গিরের অনুগামীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ আরাবুল ‘কারাবুলে’র (আগেও কারাবাস ভোগ করায় আরাবুলকে এই নামেই চেনেন স্থানীয়দের একটা বড় অংশ)। পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তি পাকানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তৃণমূলের তাজা নেতা আরাবুল ইসলামকে। পরে পাঠানো হয় গারদে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২১ ফেব্রুয়ারি। 

    আরাবুলের নামে খুনের অভিযোগ

    শুক্রবার বারুইপুর আদালতে হাজির করানো হয় আরাবুলকে। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে পাঠানো হয় পুলিশি হেফাজতে। গত বছর জুন মাসে হয় পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেই সময় খুন হন জনৈক মহম্মদ মহিউদ্দিন মোল্লা। তিনি আইএসএফের সদস্য ছিলেন। ১৫ জুন ভাঙড়-২ বিডিও অফিসে মনোনয়নপত্র পেশ করতে গেলে গুলি করে খুন করা হয় তাঁকে। মৃত আইএসএফ কর্মীর বাবা কুতুবউদ্দিন খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। আরাবুলের (Arabul Islam) নামে দায়ের হয় এফআইআর। আরাবুলের ছেলে হাকিমুল এবং আরও ২০ জনের নামেও অভিযোগ দায়ের হয়। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় আইএসএফ কর্মী খুনে অভিযুক্ত আরাবুলকে। মাসখানেক আগে ভাঙড় কলকাতা পুলিশের আওতায় আসে। তার পরেই গ্রেফতার হন আরাবুল। পুলিশ জানিয়েছে, জুন মাসে খুনের ঘটনায় নাম জড়ানোয় গ্রেফতার করা হয়েছে আরাবুলকে।

    লজ্জা ঢাকতে সাদা কাপড়!

    এদিন সাদা কাপড়ে মুখ ঢেকে আদালতে ঢোকেন আরাবুল। বিরোধীদের একাংশের মতে, লজ্জার হাত থেকে বাঁচতে আরাবুল তৃণমূলের ঝান্ডা নয়, মুখ লুকিয়েছেন সাদা কাপড়ের আড়ালে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিকেলে উত্তর কাশীপুর থানায় তলব করা হয় আরাবুলকে। সেখানেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। নিয়ে আসা হয় লালবাজারে। আদালতে তোলা হলে ঠাঁই হয় জেলে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘হাজার বার বলব জয় শ্রীরাম’’, ধর্মান্ধদের কড়া জবাব মহম্মদ শামির

    তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগ থাকা সত্ত্বেও মমতার পুলিশ যেভাবে গ্রেফতার করল আরাবুলকে, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন সন্দেশখালির শেখ জাহাঙ্গিরের অনুগামীরা। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় তাঁর বাড়িতে হানা দেয় ইডি। অভিযোগ, বাড়িতে থাকা সত্ত্বেও ঘণ্টাখানেক ধরে তালা খোলা হয়নি জাহাঙ্গিরের বাড়ির ফটকের। তার পর আচমকাই বেশ কিছু তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী (যারা জাহাঙ্গিরের অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত) হামলা চালায় ইডির তদন্তকারী আধিকারিকদের ওপর। তাদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। তার পর থেকে বেপাত্তা জাহাঙ্গির। আরাবুলের (Arabul Islam) গ্রেফতারির খবর পেয়ে আদৌ তিনি আর প্রকাশ্যে আসেন কিনা, আপাতত সেটাই কোটি টাকার প্রশ্ন।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mohammad Shami: ‘‘হাজার বার বলো জয় শ্রীরাম’’, ধর্মান্ধদের কড়া জবাব মহম্মদ শামির

    Mohammad Shami: ‘‘হাজার বার বলো জয় শ্রীরাম’’, ধর্মান্ধদের কড়া জবাব মহম্মদ শামির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একই কণ্ঠে ‘আল্লাহ হু আকবর’ ও ‘জয় শ্রী রাম’ শব্দবন্ধনী উচ্চারিত হতেই পারে, এতে সমস্যা কোথায়? এমনই প্রশ্ন তুললেন ভারতীয় ক্রিকেটে বিতর্কিত তথা জনপ্রিয় এক চরিত্র মহম্মদ শামি। ব্যক্তিগত জীবন থেকে তাঁর ধর্মাচরণ সব কিছু নিয়েই চর্চা হয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তারকা পেসার বলেন, ” যদি রাম মন্দির তৈরি হয়, তাহলে জয় শ্রী রাম বলতে আপত্তি কোথায়? হাজার বার বলো। আমি যদি আল্লাহু আকবর বলতে চাই, তাহলে হাজার বার বলব। এতে কী ফারাক তৈরি হবে?”

    ধর্মান্ধদের তুলোধোনা

    গত একদিনের বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি উইকেট নিয়েছেন মহম্মদ শামি। বিশ্বকাপে মাত্র সাতটা ম্যাচ খেলে মোট ২৪টা উইকেট নেন শামি। বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে উইকেট নেওয়ার পর শামির সেলিব্রেশন নিয়ে কথা ওঠে। তিনি সাজদা করতে গিয়েও তা করতে পারেননি বলে অনেকে মন্তব্য করেন। যার জবাবে সামি জানিয়েছিলেন, ভারতে থেকে তিনি যা ইচ্ছে সেটা করতে পারেন। তিনি কাউকে ভয় পান না। কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘আমি টানা পাঁচ ওভার বল করছিলাম, আমি নিজের ক্ষমতার থেকে বেশি চেষ্টা করছিলাম। আমি ক্লান্ত ছিলাম। আমি যখন পঞ্চম উইকেট পাই, আমি হাঁটু মুড়ে বসে পড়ি। কেউ আমাকে ধাক্কা মারে, আমি তাই এগিয়ে যাই সামনের দিকে। সবাই মনে করছিল আমি সাজদা করতে গিয়েছি, কিন্তু তা নয়।’

    ধর্মের আগে দেশ

    এই প্রসঙ্গ উঠতেই সম্প্রতি সাক্ষাতকারে স্পিডস্টারের বক্তব্য, “আরে, সাজদা বিষয়টি হঠাৎ কীভাবে উঠে এল, সেটাই তো বুঝতে পারলাম না। রাম মন্দির তৈরি হলে, জয় শ্রী রাম বলতে বাধা কোথায়? হাজার বার বলো জয় শ্রী রাম। আমার যদি আল্লাহ-র কাছে প্রার্থনা করার ইচ্ছা হয় আমি হাজার বার বলব। কী ফারাক হবে এতে?” তাঁর কথায়, “প্রত্যেক ধর্মেই ৫-১০ জন ব্যক্তি থাকেন, যাঁরা ভিন্নধর্মী ব্যক্তিদের পছন্দ করেন না। এতে আমার কোনও সমস্যা নেই। আমি কাউকে ভয় পাইনা। আমি যদি সত্যি সত্যি প্রার্থনা করতে চাইতাম, কে আটকাত আমাকে? আমি তো কাউকে প্রার্থনা করা থেকে বিরত করি না। যদি আমি প্রার্থনা করতে চাই, অবশ্যই করব। এতে সমস্যা কোথায়? আমি গর্বের সঙ্গে বলি আমি মুসলিম, আমি গর্বিত যে আমি ভারতীয়। সবসময় ধর্মের আগে দেশ আমার কাছে প্রাধান্য পাবে। এতে যদি কারোর সমস্যা হয় আমি নিরুপায়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MS Swaminathan: ভারতরত্ন পাচ্ছেন ‘সবুজ বিপ্লবে’র জনক এমএস স্বামীনাথন, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    MS Swaminathan: ভারতরত্ন পাচ্ছেন ‘সবুজ বিপ্লবে’র জনক এমএস স্বামীনাথন, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন সবুজ বিপ্লবের জনক এম স্বামীনাথন (MS Swaminathan)। শুক্রবার তাঁর নাম ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমহা রাও এবং চৌধুরী চরণ সিংহকেও দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক নাগরিক সম্মান দেওয়া হচ্ছে।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমাদের দেশের কৃষিক্ষেত্র ও কৃষকদের কল্যাণের ক্ষেত্রে অভাবনীয় অবদানের জন্য ডক্টর স্বামীনাথনজিকে যে ভারতরত্ন প্রদান করছে ভারত সরকার, তা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। কঠিন সময় কৃষিক্ষেত্রে ভারতকে আত্মনির্ভর করে তোলার ক্ষেত্রে উনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ডক্টর স্বামীনাথনের দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলে শুধু যে ভারতের কৃষিক্ষেত্রের আমূল পরিবর্তন হয়েছে, তা-ই নয়। তিনি দেশের খাদ্যসুরক্ষা ও সমৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করে গিয়েছেন। তাঁকে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। আমি সব সময় ওঁর চিন্তাভাবনা এবং পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছি।”

    কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান 

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তিনি চ্যালেঞ্জিং সময়ে ভারতকে কৃষিতে স্বনির্ভরতা অর্জনে সাহায্য করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন ও ভারতীয় কৃষির আধুনিকীকরণের জন্য চমৎকার প্রচেষ্টা করেছেন।” তিনি বলেন, “স্বামীনাথনের অন্তর্দৃষ্টিকে আমি মূল্য দিতাম।” গত সেপ্টেম্বরে চেন্নাইয়ে ৯৮ বছর বয়সে প্রয়াত হন তিনি (MS Swaminathan)। দেশে দুর্ভিক্ষ রুখতে ও কৃষিক্ষেত্রে দেশকে স্বয়ং সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে ছয়ের দশকের শেষের দিকে সবুজ বিপ্লবের সূচনা করে ভারত সরকার। এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন স্বামীনাথন। উন্নত বীজ এবং জলসেচের মাধ্যমে পশ্চিম ভারত, মূলত পঞ্জাবে কৃষিক্ষেত্রের আমূল সংস্কার সাধন করা হয়। খাদ্যশস্যের জন্য বিদেশি রাষ্ট্র নির্ভরতা যে অনেকাংশে কমানো গিয়েছিল, তা স্বীকার করেন সকলেই।

    ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চের ডিরেক্টর জেনারেল পদে ছিলেন স্বামীনাথন। সেই সময় ভারত সরকারের কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা দফতরের সচিবও ছিলেন তিনি। ২০০৭ ও ২০১৩ সালে পর পর দুবার রাজ্যসভায় মনোনয়ন দেওয়া হয় তাঁকে। কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৭১ সালে তাঁকে দেওয়া হয় রমন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার। পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ও পদ্মবিভূষণ পুরস্কারেও ভূষিত হন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “কৃষিতে বৈপ্লবিক অবদানের বাইরেও ডক্টর স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভরকেন্দ্র। বহু মানুষের পথ প্রদর্শক ছিলেন তিনি। গবেষণার প্রতি তাঁর সঙ্কল্প বহু বিজ্ঞানী এবং গবেষককে অনুপ্রাণিত করেছিল (MS Swaminathan)।”

    আরও পড়ুুন: ‘কেষ্ট’র নাকি শনির দশা চলছে! ৫০ কেজি ঘি দিয়ে বিরাট হোম-যজ্ঞের আয়োজন বোলপুরে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • 100 Days Job Corruption: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, বোনকে নিয়ে ইডি দফতরে রথীন্দ্রকুমার দে

    100 Days Job Corruption: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, বোনকে নিয়ে ইডি দফতরে রথীন্দ্রকুমার দে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি অফিসে হাজিরা দিলেন একশো দিনের কাজে ‘দুর্নীতি’র দায়ে অভিযুক্ত প্রাক্তন পঞ্চায়েত কর্মী রথীন্দ্রকুমার দে। ইডির তলবে সাড়া দিয়ে বোন ইতি চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন রথীন্দ্রকুমার। একশো দিনের কাজের টাকা নয়ছয় করার মামলা দায়ের হয়েছে মুর্শিদাবাদের দুই সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে। তাঁদের মধ্যে এক জন প্রাক্তন পঞ্চায়েত কর্মী রথীন্দ্রকুমার এবং অন্য জন, মুর্শিদাবাদ জেলার মনরেগা প্রকল্পের বর্তমান নোডাল অফিসার সঞ্চয়ন পান। 

    ইডির জিজ্ঞাসাবাদ

    শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ ইডি দফতরে যান মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাক্তন নির্বাহী সহায়ক রথীন্দ্রকুমার দে ও তাঁর বোন ইতি চট্টোপাধ্যায় ৷ এদিন তাঁরা ইডি অধিকারিকদের হাতে কিছু নথি তুলে দেন। রথীন্দ্রকুমার দে-র আইনজীবীর অভিযোগ, সেই নথিতেই প্রমাণ রয়েছে যে, দুর্নীতি হয়েছে বুঝতে পেরে উপরমহলে অভিযোগ জানিয়েছিলেন রথীন্দ্র ৷ তবে তাঁর কথায় আমলই দেওয়া হয়নি ৷ ইডি সূত্রে খবর, ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি নিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    দুর্নীতির অভিযোগ

    মঙ্গলবার সকালে একশো দিনের কাজে দুর্নীতির তদন্তে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের মধুপুরের কালীবাড়ি এলাকায় দুই সরকারি কর্মীর বাড়িতে ইডি কর্তারা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসেন। তাঁদের বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশি চালানোর পর বুধবার ইডি দফতরে হাজিরার নোটিস দেওয়া হয় রথীন্দ্রকে। তাঁর বোনকেও সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়। সেই নির্দেশ মেনেই কলকাতার ইডি দফতরের হাজিরা দিলেন রথীন্দ্র এবং তাঁর বোন। ২০১৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বেলডাঙা ১ ব্লকের বিডিও বিরূপাক্ষ মিত্র এই পঞ্চায়েত কর্মীর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ তুলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। তখন রথীন্দ্র বেলডাঙা ১ এর সুজাপুর-কুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এগ্‌‌জিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে কর্মরত। সেই অভিযোগের তদন্ত শেষে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয় রথীন্দ্রকে। এমনটাই দাবি ইডি কর্তাদের। 

    আরও পড়ুুন: ব্যালটের পর এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খেলেন তৃণমূল কর্মী!

    রথীন্দ্রকুমারের দাবি

    প্রাক্তন পঞ্চায়েত কর্মী রথীন্দ্রকুমারের দাবি, চাকরি করার সময় তিনি বেশ কিছু দুর্নীতি হতে দেখেন। এই নিয়ে জেলা প্রশাসন ও রাজ্যের আমলাকে লিখিতভাবে অভিযোগ জানানো হলেও তৎকালীন জেলা প্রশাসন এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি । উলটে দুর্নীতিগ্রস্ত জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি ও তৎকালীন এডিএম, জেলা পরিষদ ক্ষমতার অপব্যবহার করেন ৷ নওদা ও বেলডাঙা এক ব্লকের বিডিও এবং পুলিশের সহায়তায় গ্রামের মানুষকে ভয় দেখিয়ে সই নকল করে তাঁর বিরুদ্ধে লিখিয়ে নেওয়া হয় ৷ কোনও শোকজ ছাড়াই মিথ্যা মামলায় তাঁকে অভিযুক্ত করে চাকরি থেকে বিতাড়িত করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paytm Payments Bank: এবার পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত পিএফ অ্যাকাউন্টগুলিতেও পড়ছে কোপ!

    Paytm Payments Bank: এবার পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত পিএফ অ্যাকাউন্টগুলিতেও পড়ছে কোপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের (Paytm Payments Bank) সঙ্গে যুক্ত ইপিএফ অ্যাকাউন্টগুলিতে লেনদেন চলতি মাসেই বন্ধ হতে চলেছে। এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অরগানাইজেশনের (ইপিএফও) তরফে ওই অ্যাকাউন্টগুলির লেনদেন বন্ধ করার কথা জানানো হয়েছে। এর ফলে ওই সমস্ত অ্যাকাউন্টগুলিতে কোনও টাকা জমা বা সেখান থেকে টাকা তোলা যাবে না।

    পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত অ্যাকাউন্টগুলির লেনদেন বন্ধ

    জানা গিয়েছে, পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের (Paytm Payments Bank) উপর রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলেই আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে তার সঙ্গে যুক্ত অ্যাকাউন্টগুলির লেনদেনও বন্ধ করে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে আধিকারিকদের এই সংক্রান্ত নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত বছরই ইপিএফও পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্ক এবং এয়ারটেল পেমেন্টস ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ইপিএফের লেনদেনের ছাড়পত্র দিয়েছিল।

    ২৯ ফেব্রুয়ারির পর থেকে আর ব্যাঙ্কিং পরিষেবা দিতে পারবে না পেটিএম

    প্রসঙ্গত, পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের (Paytm Payments Bank) বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। আরবিআই ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারির পর থেকে আর ব্যাঙ্কিং পরিষেবা দিতে পারবে না পেটিএম। আরবিআই আরও জানিয়েছে, কোনও গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট, ওয়ালেট বা ফাসট্যাগে কোনও টাকা জমা নিতে বা ক্রেডিটে লেনদেনও করতে পারবে না তারা। আরবিআই-এর মতে, ‘ক্রমাগত নিয়ম লঙ্ঘন’ এবং তত্ত্বাবধানের অভাবেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন লেনদেন মাধ্যমটির উপরে।

    দুর্নীতি তদন্তে নামতে পারে ইডি

    সব থেকে বড় অভিযোগ হল, উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে পেটিএমে (Paytm Payments Bank)। একটি প্যান নম্বরের সঙ্গে জোড়া হয়েছে হাজারেরও বেশি অ্যাকাউন্ট। ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে কোটি কোটি টাকা লেনদেনও সামনে এসেছে। আরবিআই-এর আরও দাবি, উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ ছাড়া যেসমস্ত অ্যাকাউন্টগুলি পেটিএমে রয়েছে, সেগুলির কোনওটা আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গেও যুক্ত থাকতে পারে। এ ভাবে দুর্নীতির টাকা লেনদেন হতে পারে। সম্ভাব্য সেই দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে তদন্তে নামতে পারে ইডি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lokpal: ভারতের পরবর্তী লোকপাল হতে চলেছেন খানউইলকার, তিনি কে জানেন?

    Lokpal: ভারতের পরবর্তী লোকপাল হতে চলেছেন খানউইলকার, তিনি কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পরবর্তী লোকপাল (Lokpal) হতে চলেছেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএম খানউইলকার। লোকপাল নির্বাচনের জন্য বুধবার উচ্চ পর্যায়ের একটি বৈঠক হয়েছিল। কমিটিতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। সেই বৈঠকেই খানউইলকারের নামে শিলমোহর পড়েছে। প্রসঙ্গত, দুর্নীতি রোধের জন্য তৈরি এই চেয়ারে ২০২২ সালের পর থেকে পূর্ণ সময়ের জন্য কেউ বসেননি।

    গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন খানউইলকার

    ২০২২ সালের ২৯ জুলাই অবসর নিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি খানউইলকার (Lokpal)। সেই সময় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন। ২০০২ সালে গুজরাট হিংসা সংক্রান্ত ঘটনায় নরেন্দ্র মোদিকে ক্লিন চিট দেওয়ার বিরোধিতা করে দাখিল করা পিটিশন খারিজও করে দিয়েছিলেন তিনি। বিচারপতি হিসেবে প্রথমে বম্বে হাইকোর্টের দায়িত্ব সামলেছেন খানউইলকার। পরে হন হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। হয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিও। ২০১৬ সালে হন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি।

    লোকপাল বিল 

    নয়াদিল্লিতে সেন্ট্রাল ভিস্তা ও নয়া সংসদ ভবন তৈরির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মামলা করেছিলেন বেশ কয়েকজন সমাজকর্মী ও পরিবেশবিদ। সেই মামলা যে বেঞ্চে ছিল, সেই বেঞ্চেরও নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন বিচারপতি খানউইলকার। সেই বেঞ্চের নির্দেশেই কেটে যায় সেন্ট্রাল ভিস্তা তৈরির শেষ আইনি বাধা। শবরীমালা মামলার বেঞ্চেও ছিলেন তিনি (Lokpal)। ২০১৩ সালে পাশ হয় লোকপাল বিল। ভারতের প্রথম লোকপাল হন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পিনাকিচন্দ্র ঘোষ।

    আরও পড়ুুন: ব্যালটের পর এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খেলেন তৃণমূল কর্মী!

    ২০২২ সালের ২৪ জুন বিচারপতি খানউইলকার সমাজকর্মী তিস্তা শেতলবাদ ও জাকিয়া জাফরির পিটিশন খারিজ করে দেন। পিটিশনে মেরিটের অভাব রয়েছে বলে সেটি খারিজ করে দেওয়া হয়। আদালতের রায়ের পরের দিনই আমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে গ্রেফতার হন তিস্তা শেতলবাদ।

    সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে অবসর নেওয়ার ঠিক আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় রায় দিয়েছিলেন খানউইলকারের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। পিএমএলএর কড়া ধারাগুলিতে সম্মতি দিয়েছিল সেই বেঞ্চ। তল্লাশি, বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা, গ্রেফতার করার ক্ষমতা, সম্পত্তি অ্যাটাচ করার মতো ক্ষমতা দেওয়ার ধারা নিয়ে মামলা ছিল সেটা (Lokpal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • India-Maldives Relationship: সেনার বদলে মলদ্বীপে পাঠানো হবে ‘যোগ্য’-দের, জানাল দিল্লি

    India-Maldives Relationship: সেনার বদলে মলদ্বীপে পাঠানো হবে ‘যোগ্য’-দের, জানাল দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপ থেকে সেনা সরানোর সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি। তবে, এখনই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা হচ্ছে না। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, মলদ্বীপের (India-Maldives Relationship) বিমানক্ষেত্রগুলি থেকে ভারতীয় সেনা সরিয়ে পরিবর্তে সেখানে মোতায়েন করা হবে ‘যোগ্য ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ’। 

    কী বলছে বিদেশ মন্ত্রক

    চিকিৎসার জন্য রোগী উড়িয়ে আনা-সহ উচ্ছেদ বিভিন্ন মানবিক কাজে ব্যবহারের জন্য, মলদ্বীপকে (India-Maldives Relationship) দুটি অ্যাডভান্স্ড লাইট ‘ধ্রুব’ হেলিকপ্টার এবং একটি ডর্নিয়ার বিমান দিয়েছিল ভারত সরকার। এতদিন ভারতীয় সেনাকর্মীরাই এই তিনটি এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতেন। কিন্তু, মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট, মহম্মদ মুইজ্জু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতীয় সেনা রাখা যাবে না তাদের দ্বীপরাষ্ট্রে। কাজেই, ওই তিনটি এয়ারক্র্যাফ্ট চালানোর জন্য সেনার বদলে ‘দক্ষ ভারতীয় প্রযুক্তি কর্মীদের’ পাটানোর সিদ্ধান্ত নিল নয়া দিল্লি। এখন মলদ্বীপে ৭০ জন জওয়ান, সমুদ্রে টহলের জন্য ডর্নিয়ের ২২৮ বিমান, দু’টি এইচএএল হেলিকপ্টার রয়েছে। সে দেশের সমুদ্রে টহলের পাশাপাশি অসুস্থ নাগরিকদের এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে আকাশপথে পৌঁছে দেয় ভারতীয় সেনা। প্রয়োজনে ত্রাণ-সহ মানবিক সাহায্য করে। বৃহস্পতিবার, বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “ওই এয়ারক্র্যাফ্টগুলি মলদ্বীপেই থাকবে। সেনাকর্মীদের জায়গায় ওই বিমানগুলি পরিচালনার জন্য দক্ষ ভারতীয় প্রযুক্তিকর্মীদের পাঠানো হবে।” 

    আরও পড়ুন: চিন-প্রেমই হল কাল! মলদ্বীপে দেখা দিতে পারে ঋণ সঙ্কট, বলছে আইএমএফ

    ক্ষমতায় আসার পরেই মলদ্বীপ (India-Maldives Relationship) থেকে সেনা সরানোর জন্য সরকারি ভাবে আর্জি জানিয়েছিল মুইজ্জু সরকার। দিন কয়েক আগে বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছিল, তাদের নির্ধারিত দিনের মধ্যেই ভারত পদক্ষেপ করতে রাজি হয়েছে। এই নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দুটি বৈঠকও হয়। তৃতীয় বৈঠকটি হবে চলতি মাসের শেষে।  এদিন, রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, মলদ্বীপের উন্নয়নে সহায়তার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভারত। ২০২৪-২৫ সালের বাজেটেও ভারত সরকার মালদ্বীপের জন্য ৭৭৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bharat Ratna: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাও, চৌধুরি চরণ সিং ও বিজ্ঞানী স্বামীনাথন পাচ্ছেন ভারতরত্ন

    Bharat Ratna: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাও, চৌধুরি চরণ সিং ও বিজ্ঞানী স্বামীনাথন পাচ্ছেন ভারতরত্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমা রাও এবং চৌধুরি চরণ সিং পাচ্ছেন ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান। পাশাপাশি বিজ্ঞানী এমএস স্বামীনাথনকেও ভারতরত্নে ভূষিত করা হবে। শুক্রবার একথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উল্লেখ্য তিনজনেই মরণোত্তর ভারত রত্ন পাচ্ছেন। প্রসঙ্গত মোদি সরকার এর আগেই দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান প্রদান করে প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী লাল কৃষ্ণ আডবাণী এবং বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কর্পুরি ঠাকুরকে।

    মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মান পাচ্ছেন পি ভি নরসিমা রাও

    মরণোত্তর ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান প্রদান করা হচ্ছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমা রাওকে। এ নিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘নরসিমা রাও ভারতকে নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন। অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল…বিদেশ নীতি, ভাষা এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।’’

    মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মান পাচ্ছেন চৌধুরি চরণ সিং

    মরণোত্তর ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান পাচ্ছেন চৌধুরি চরণ সিংহ। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ‘‘দেশের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে চৌধুরি চরণ সিং-এর। তাঁর সমস্ত জীবন তিনি কৃষকদের অধিকার এবং বিকাশের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। জরুরি অবস্থা বিরুদ্ধে তিনি রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।’’

    মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মান পাচ্ছেন এম এস স্বামীনাথন

    গত বছরই প্রয়াত হন বিজ্ঞানী এমএস স্বামীনাথন। চলতি বছরে তাঁকে মরণোত্তর ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান প্রদান করতে চলেছে মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, ‘‘তাঁর (স্বামীনাথন) উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে দেশের কৃষিক্ষেত্র এবং চাষীদের জন্য।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share