Tag: Madhyom

Madhyom

  • Winter Disease: তাপমাত্রার ওঠানামায় বাড়ছে রোগের দাপট, শিশুদের বাড়তি ঝুঁকি চিকেন পক্স

    Winter Disease: তাপমাত্রার ওঠানামায় বাড়ছে রোগের দাপট, শিশুদের বাড়তি ঝুঁকি চিকেন পক্স

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ ওঠানামা করছে‌। দুপুর বাড়তেই গরম লাগলেও, রাতে নামছে তাপমাত্রার পারদ। আর নিয়মিত এই তাপমাত্রার ওঠানামার জেরেই বাড়ছে ভোগান্তি। বাতাসে সক্রিয় হচ্ছে একাধিক ভাইরাস (Winter Disease)। আর তার জেরেই দুশ্চিন্তা বাড়ছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।‌ বিশেষত শিশুদের নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এই আবহাওয়া। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কেন বাড়তি উদ্বেগ? (Winter Disease)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার এই রকমফেরের জেরে বাতাসে একাধিক ভাইরাস সক্রিয় হয়। তার জেরেই জ্বর, সর্দি, কাশির মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আট থেকে আশি, সব বয়সীরাই এই ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। ভাইরাসঘটিত জ্বরের জেরেই ভোগান্তি বাড়ছে। তবে, করোনার দাপট দেশ জুড়ে বাড়ছে। তাই এই সময়ে জ্বর-সর্দির মতো সমস্যা দেখা দিলে বাড়তি সতর্ক থাকা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল। তবে, এই পরিবেশে শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ দেখা দিচ্ছে। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার এই ওঠানামার জেরে চিকেন পক্সের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ে। বিশেষত শিশুদের খুব দ্রুত এই ধরনের রোগে আক্রান্ত (Winter Disease) হওয়ার ঝুঁকি দেখা দেয়। তাই এই আবহাওয়ায় শিশুদের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

    কীভাবে মোকাবিলা হবে? (Winter Disease)

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, সতর্ক থাকা জরুরি। না হলে বড় বিপদ এড়ানো‌ মুশকিল হবে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বছর শেষে নানান উৎসব উদযাপনে অনেকেই ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু পোশাকের ক্ষেত্রে নজরদারি জরুরি। গরম পোশাক পরা দরকার। বিশেষত রাতে বাইরে থাকলে গলা, কান ঢেকে রাখা দরকার। যাতে হঠাৎ আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশন না হয়। কারণ, হঠাৎ ঠান্ডা হাওয়ার জেরে অনেকের শ্বাসনালীতে সংক্রমণ হয়। তার জেরে কাশি-সর্দি-জ্বরের মতো একাধিক ভোগান্তি হয়। 
    খাওয়ার দিকেও বিশেষ নজরদারি দেওয়া দরকার। বিশেষত শিশুদের খাবারে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত লেবু, কিউইয়ের মতো ফল খাওয়া দরকার। কমলালেবু, মাল্টা বা কিউই জাতীয় যে কোনও ফল দিনে একটা খেলে, শরীরে ভিটামিন সি-র জোগান পর্যাপ্ত থাকে। ফলে, সর্দি-কাশির মতো সমস্যার সঙ্গে লড়াইয়ের ক্ষমতা বাড়ে। রোগ (Winter Disease) প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। তাই এই ধরনের ফল নিয়মিত খেতে হবে। 
    পাশপাশি এই আবহাওয়ায় একেবারেই আইসক্রিম খাওয়া চলবে না। উৎসবের মরশুমে অনেকেই আইসক্রিম খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু সুস্থ থাকতে হলে এই ধরনের খাবার এড়িয়ে চলতে হবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    পাশপাশি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত এক চামচ মধু খেলে শরীর ভালো থাকবে। পাশপাশি দুধে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে খেলেও শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। পক্সের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ কমবে।
    সবুজ সব্জি ও মাছ নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ, শরীরে প্রোটিন ও ভিটামিনের জোগান ঠিকমতো থাকলে বড় বিপদ এড়ানো‌ যায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    তবে, দিন কয়েক টানা জ্বর, সর্দি, কাশির মতো উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করা দরকার বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।‌ করোনার গ্রাফ উর্ধ্বমুখী। তাই বাড়তি সতর্কতা জরুরি, মত বিশেষজ্ঞদের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: কাশ্মীরকে জঙ্গি-মুক্ত করা হবে কীভাবে? জোড়া পদ্ধতিতে জোর কেন্দ্রের

    Amit Shah: কাশ্মীরকে জঙ্গি-মুক্ত করা হবে কীভাবে? জোড়া পদ্ধতিতে জোর কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে সাম্প্রতিককালে ঘটে যাওয়া পরপর জঙ্গি-হামলার প্রেক্ষিতে উপত্যকা অঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক (J&K Security Meet) করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং একইসঙ্গে নাশকতা নির্মূল করার কী কী কৌশল হতে পারে, তা স্থির করতে বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়। 

    দিল্লিতে শাহের দফতরে হওয়া ওই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা, স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা (J&K Security Meet)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে, আইবি প্রধান তপন ডেকা, জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যসচিব ও ডিজিপি, এবং কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর প্রধানরা।

    স্পর্শকাতর অঞ্চলে বেশি বাহিনী মোতায়েন

    সূত্রের দাবি, জঙ্গিদমন অভিযানে আরও জোর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শাহ (Amit Shah)। একইসঙ্গে, জম্মু-কাশ্মীর থেকে সন্ত্রাসকে সমূলে উৎখাত করার ডাক দিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রের মুখপাত্র জানান, স্পর্শকাতর অঞ্চলে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করতে নিরাপত্তা বাহিনীগুলিকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি মনে করিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে আপসহীন নীতি বজায় রাখবে (J&K Security Meet)।

    বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধিতে জোর

    সূত্রের দাবি, সন্ত্রাসবাদকে নির্মূল করতে বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে আরও সমন্বয় বাড়ানোর ডাকও দিয়েছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। এই প্রেক্ষিতে বৈঠকে এরিয়া ডমিনেশন-এর উপর আরও জোর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। উপত্যকায় পুলিশ, সেনা ও আধা সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় আরও ভালো করার জন্যও বলেছেন তিনি। তিনি মনে করিয়ে দেন, সাফল্য পেতে হতে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে (J&K Security Meet)।

    স্থানীয় গোয়েন্দা নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করার ডাক

    একইসঙ্গে, জম্মু-কাশ্মীর থেকে সন্ত্রাসকে সমূলে উৎখাত করতে হলে স্থানীয় গোয়েন্দা তথ্যের নেটওয়ার্ককে যে আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত করতে হবে, তাও বৈঠকে মনে করিয়ে দেন অমিত শাহ (Amit Shah)। এর জন্য স্থানীয়দের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতাকে বাড়ানোর পরামর্শ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি মনে করিয়ে দেন, কাশ্মীরকে জঙ্গি-মুক্ত করতে হলে স্থানীয়দের পাশে পেতেই হবে। 

    ২০২৩ সালে একাধিক সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গি ও বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিকতম ঘটনাটি ঘটেছে গত ২১ ডিসেম্বর। পুঞ্চ জেলার ডেরা কি গলি সেক্টরের অন্তর্গত থানামন্ডিতে এলাকায় ভারতীয় সেনার দুটি গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল জঙ্গিরা। এরপর শুরু হয় গুলির লড়াই। জঙ্গিদমন অভিযান চলাকালীন চার সেনা জওয়ান শহিদ হন। আহত হন আরও ২ জন। এর আগে, নভেম্বরে রাজৌরির কালকোটে জঙ্গিদমন অপারেশন চলাকালীন দু’জন ক্যাপ্টেন-সহ পাঁচ সেনাকর্মী শহিদ হয়েছিলেন। তারও আগে, মে মাসে এক মেজর পদমর্যাদার অফিসার সহ পাঁচ সেনা জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন চারমের জঙ্গলে। এক জঙ্গিও খতম হয়েছিল।

    সরকারি তথ্য বলছে, গত বছর রাজৌরি, পুঞ্চ ও রেয়াসি সেক্টরে চলা জঙ্গিদমন অভিযানে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই তালিকায়, ২৮ জন জঙ্গি ও ১৯ জন নিরাপত্তাকর্মী রয়েছে। এই ৫৪ জনের মধ্যে, ১০ জঙ্গি ও ১৪ নিরাপত্তা কর্মী সহ ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজৌরিতে। পুঞ্চে ১৫ জঙ্গি ও ৫ নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে এবং রেয়াসিতে ৩ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সীমান্ত পার করে অনুপ্রবেশ করার সময় সেনা-জঙ্গির এনকাউন্টার হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কাশ্মীরে পারদ মাইনাস ৫ ডিগ্রির নীচে! তাপমাত্রা কমল কলকাতাতেও

    Weather Update: কাশ্মীরে পারদ মাইনাস ৫ ডিগ্রির নীচে! তাপমাত্রা কমল কলকাতাতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের সঙ্গেই ঠান্ডার প্রবেশ ঘটেছে বাংলায়, তা টের পাচ্ছেন শীতপ্রেমীরা। বছরের শুরুতে তাপমাত্রার পতন লক্ষ্য করা গিয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বুধবার কলকাতার তাপমাত্রা আরও কমেছে। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রবল ঠান্ডার কবলে সমগ্র উত্তর ভারতও। সঙ্গে রয়েছে ঘন কুয়াশা। সব থেকে খারাপ অবস্থা জম্মু ও কাশ্মীরে। সেখানকার বেশিরভাগ হ্রদের জল বরফ হয়ে গিয়েছে। এদিন শ্রীনগরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মাইনাস ৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

    বঙ্গে শীতের দাপট

    দক্ষিণ বঙ্গের শীতবিলাসীরাও বেশ খুশি। পারদ নেমেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণ বঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই। পশ্চিমের জেলাগুলির তাপমাত্রা আরও কমেছে। বুধবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে থাকতে পারে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার তুলনায় তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। তাপমাত্রা কমার পাশাপাশি বেড়েছে কুয়াশার পরিমাণও। ভোর হতেই চার দিক কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে। যদিও বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশার আস্তরণ সরে গিয়ে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। 

    শীত দীর্ঘস্থায়ী নয়

    তবে এই শীত দীর্ঘস্থায়ী নয়। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে যে, বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। তা ছাড়া রাজ্যের পূর্ব দিক থেকে আসা জলীয় বাষ্পপূর্ণ বাতাস বঙ্গে প্রবেশ করার কারণে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাজ্যের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আলিপুর হাওয়া দফতর। চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত সাতটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ‘সংযুক্ত মোর্চা বৈঠক’-এ বসছে রাজ্য বিজেপি, কী কী নিয়ে আলোচনা?

    উত্তর ভারতে শীতের দাপট

    উত্তর ভারতে ঝোড়ো ইনিংস চালাচ্ছে শীত। আগামী দুদিন পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ ও উত্তর রাজস্থানের কিছু অংশে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে। দিল্লির তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির নীচে। পাঁচ জানুয়ারি পর্যন্ত দিল্লি, হরিয়ানা ও পঞ্জাবের কিছু অংশে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সাতদিন দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সাত ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asian Cup 2024: বিশেষ ক্লাস কিংবদন্তি বোরার! এশিয়ান কাপে সুনীলদের ট্রেনিং ট্রেভরের

    Asian Cup 2024: বিশেষ ক্লাস কিংবদন্তি বোরার! এশিয়ান কাপে সুনীলদের ট্রেনিং ট্রেভরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোহায় এএফসি এশিয়ান কাপের মঞ্চে ভারতীয় দলের অনুশীলনে দেখা গেল বোরা মিলুটিনোভিচকে। নোভাক জোকোভিচের দেশ সার্বিয়ার কিংবদন্তি কোচ বোরা মাঠে নেমে পরামর্শ দিয়ে গেলেন সুনীল ছেত্রীদের। আর কয়েকদিন পরেই শুরু হচ্ছে এশিয়ান কাপ। ইতিমধ্যেই পুরো দমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় দল। এরই মাঝে দলের ফুটবলারদের জন্য আসে বিশেষ চমক। দোহায় প্রস্তুতি সেশনে ভারতীয় দলের হেড কোচ ইগর স্টিম্যাচের সহকারী হিসেবে যোগ দেন প্রাক্তন ইংলিশ তারকা ফুটবলার ট্রেভর সিনক্লেয়ার্স।

    বোরার ভোকাল টনিক

    বোরা মানেই ইতিহাস, তিনি বিশ্ব ফুটবলে কোচদের মধ্যে বিশ্বরেকর্ডধারী। তিনি বর্তমানে সার্বিয়া দলের কোচের পদে রয়েছেন। কিন্তু বিশ্বকাপের আঙিনায় মোট ৫টি দলকে কোচিং করিয়ে তিনি মহানজির গড়েছেন। ১৯৮৬ সালে মেক্সিকো, ১৯৯০ সালো কোস্টা রিকা, ১৯৯৪ সালে আমেরিকা, ১৯৯৮ সালে নাইজিরিয়া এবং ২০০২ সালে চিন জাতীয় দলের কোচ হিসেবে বোরা আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন বিশ্বফুটবলে। ব্রাজিল বিশ্বকাপেও তাঁকে দেখা গিয়েছে আলজিরিয়ার দলের মেন্টর হিসেবে। সেই অভিজ্ঞ কোচ এদিন সুনীলদের অনুশীলনে এসে ভোকাল টনিকে মাত করে দিয়েছেন। তিনি দলের ফুটবলারদের মানসিক সমস্যা কাটিয়ে নতুন পথ দেখিয়েছেন। সেইসময় শ্রোতার ভূমিকায় ছিলেন ইগর স্টিমাচও।

    বিশেষ অনুশীলন ট্রেভরের

    শনিবার, অর্থাৎ ১৩ জানুয়ারি, এএফসি এশিয়ান কাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। জয় দিয়ে শুরু করার লক্ষ্যে মনোযোগের সঙ্গে প্রশিক্ষণ শিবিয়ে যোগ দিয়েছেন সুনীল, শুভাশিস, লিস্টনরা। তবে ভারতীয় ফুটবলাররা যাতে সব রকমভাবে প্রস্তুত থাকে, সেই কারণে প্রশিক্ষণ শিবিরে ভারতীয় দলের হেড কোচ ইগর স্টিম্যাচকে সাহায্য করতে গেলেন তাঁর এক সময়ের সতীর্থ ট্রেভর সিনক্লেয়ার্স। ইংলিশ প্রিমিয়র লিগে এক ক্লাবের হয়েই খেলতেন দুজনে। দীর্ঘদিন পর নিজের সতীর্থকে পেয়ে খুশি ইগর। তবে ট্রেভর এসেই দলকে সেট-পিস ঘিরে ট্রেনিং ও পরামর্শ দেন। সুনীল ছেত্রীর প্রশংসা করেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: লোকসভা নির্বাচনের আগেই লাগু হচ্ছে সিএএ! নাগরিকত্ব পাচ্ছেন কারা?

    CAA: লোকসভা নির্বাচনের আগেই লাগু হচ্ছে সিএএ! নাগরিকত্ব পাচ্ছেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেজে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের দামামা। তার আগেই লাগু হয়ে যেতে পারে সিএএ (CAA)। কিছু দিন আগেই বঙ্গ সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তখনই তিনি বলেছিলেন, “আজ আমি আপনাদের সামনে বলে যাচ্ছি, সিএএ হচ্ছে এই দেশের আইন। একে কেউ আটকাতে পারবে না।”

    কী বলছেন অমিত শাহ?

    শাহ এও বলেছিলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার তৈরি হওয়া মানে শরাণার্থীদের সিএএর মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়া। আর দিদি, শরাণার্থী ভাইদের বিভ্রান্ত করেন যে সিএএ হবে, হবে না। আইন বানিয়ে কেন্দ্র আটকে গিয়েছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমি আপনাদের সামনে বলে যাচ্ছি, সিএএ হবেই।” তার পর থেকেই চলছিল জল্পনা। শেষমেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিকের দাবি, শীঘ্রই আইনটি কার্যকর করা হতে পারে। তার পরেই যোগ্যদের দেওয়া হতে পারে ভারতীয় নাগরিকত্ব (CAA)।

    কী বলছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিক?

    তিনি বলেন, “আমরা শীঘ্রই সিএএ নিয়ম জারি করতে যাচ্ছি। আইনটি চার বছরেরও বেশি সময় বিলম্বিত হয়েছে এবং আইনটি বাস্তবায়নের জন্য বিধি প্রয়োজন।” ওই আধিকারিক বলেন, “বিধি প্রস্তুত। অনলাইন পোর্টালও প্রস্তুত। পুরো প্রক্রিয়াটি হবে অনলাইনে।” তিনি জানান, আবেদনকারীদের অবশ্যই ঘোষণা করতে হবে যে তারা ভ্রমণ সংক্রান্ত কোনও নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছে। আবেদনকারীদের কাছ থেকে কোনও নথি চাওয়া হবে না।

    উনিশের ডিসেম্বর মাসে লোকসভা ও রাজ্যসভায় পাশ হয় সিএএ বিল। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনও মেলে। তার পরেও ওই আইন লাগু করা হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার ছ’মাসের মধ্যে কোনও আইনের রুল জারি করতে হবে। অথবা লোকসভা ও রাজ্যসভার কাছ থেকে তা বাড়ানোর অনুরোধ করতে হবে। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর প্রতি ছ’ মাস অন্তর ওই আইনের ধারা তৈরির জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।  

    আরও পড়ুুন: ইজরায়েলের নিঁখুত ড্রোন নিশানা, খতম হামাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা আল-অরৌরি

    প্রসঙ্গত, সিএএ আন্দোলনের জেরে এ পর্যন্ত ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সিএএর (CAA) সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে একাধিক পিটিশন। এই আইন অনুযায়ী, ২০১৫ সালের আগে প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা অ-মুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। নাগরিকত্ব পাবেন হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal BJP: ‘সংযুক্ত মোর্চা বৈঠক’-এ বসছে রাজ্য বিজেপি, কী কী নিয়ে আলোচনা?

    Bengal BJP: ‘সংযুক্ত মোর্চা বৈঠক’-এ বসছে রাজ্য বিজেপি, কী কী নিয়ে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে একশো দিনের কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্য বিজেপি (Bengal BJP)। তারই অঙ্গ হিসেবে নতুন বছরের তৃতীয় দিনেই বৈঠকে বসছে রাজ্য বিজেপির সব মোর্চা। সব মোর্চা নেতৃত্বকে নিয়ে আলোচনায় বসার কর্মসূচির সাংগঠনিক নাম দেওয়া হয়েছে— ‘সংযুক্ত মোর্চা বৈঠক’। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘এটা একেবারেই সাংগঠনিক বৈঠক। নিয়মিত ভাবেই সব মোর্চাকে নিয়ে বসা হয়। আর লোকসভা নির্বাচনের আগে তো এমন বৈঠক হতেই থাকবে।’’

    কারা থাকবেন বৈঠকে

    বিজেপির (Bengal BJP) সংগঠনে মোট সাতটি মোর্চা রয়েছে। মূলত যুব এবং মহিলা মোর্চাকে বিভিন্ন আন্দোলনে দেখা গেলেও বিজেপিতে রয়েছে তফসিলি জাতি, তফসিলি জনজাতি, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি এবং সংখ্যালঘু মোর্চা। এ ছাড়াও কৃষকদের নিয়ে কিসান মোর্চা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বিজেপির দলীয় কোনও ছাত্র ও শ্রমিক মোর্চা নেই। সঙ্ঘ পরিবারের ছাত্র সংগঠন ‘অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ’ এবং শ্রমিক সংগঠন ‘ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ’ থাকায় এই দুই ক্ষেত্রের কোনও মোর্চা নেই বিজেপির। আজ, বুধবার দলের সাত মোর্চার রাজ্য নেতৃত্বকে নিয়েই বৈঠকে বসতে চলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। শুধু রাজ্যের নেতারাই নন, গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে প্রতিটি মোর্চার দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্যের পর্যবেক্ষকেরাও ওই বৈঠকে হাজির থাকবেন।

    রামমন্দির নিয়ে প্রচার

    বিজেপি (Bengal BJP) সূত্রে খবর, রাজ্যে রামমন্দির নিয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার-পুস্তিকা পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মকর সংক্রান্তির দিন পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। এর পরে রামমন্দির উদ্বোধন হয়ে গেলে বাংলার মানুষকে অযোধ্যায় পাঠানোর দায়িত্বও নিতে হবে দলের নেতা-কর্মীদের। এই সব কর্মসূচিতে যাতে সব মোর্চা একসঙ্গে কাজ করে সেই লক্ষ্যেই বুধবারের বৈঠক বলে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    যুব মোর্চার প্রচার

    জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বিজেপি যুব মোর্চার আলাদা কর্মসূচি রয়েছে। গোটা রাজ্যের সব গ্রামে যেতে হবে মোর্চাকে। কেন্দ্রের মোদি সরকারের নানা প্রকল্পের সুফলগুলি তুলে ধরতে হবে বাংলারা গ্রামের মানুষের কাছে। কেন্দ্রের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের উপরে বাংলায় ১০টি যুব সমাবেশ করার লক্ষ্য নিয়েছে বিজেপি (Bengal BJP)। কমপক্ষে এক হাজার নতুন ভোটারকে নিয়ে আসার কথা ভাবা হয়েছে। প্রথম বারের ভোটারদের নিয়ে আসার জন্য সব মোর্চাকে বুধবারের বৈঠকে নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

    ‘বিকশিত ভারত সঙ্কল্প সভা’

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘দুয়ারে সরকার’-এর মতো কেন্দ্রীয় সরকারও ‘বিকশিত ভারত সঙ্কল্প যাত্রা’ নামে একটি কর্মসূচি নিয়েছে। বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে সরকারি উদ্যোগে এই কর্মসূচি হলেও বাংলায় দলের তরফেই করার পরিকল্পনা রাজ্য বিজেপির। মোদি সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে, কোনও প্রকল্পের সুবিধা নিতে কী কী করতে হবে তা জানাতে বিজেপি কর্মীরা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যাবেন। এই কর্মসূচি ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চালানোর কথা। রাজ্য বিজেপি ঠিক করেছে সব মোর্চাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ‘বিকশিত ভারত সঙ্কল্প সভা’ করবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: গোপনে ফোনে নজরদারি! মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের দ্বারস্থ প্রাক্তন বন্ধু

    Mahua Moitra: গোপনে ফোনে নজরদারি! মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের দ্বারস্থ প্রাক্তন বন্ধু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা থেকে তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এবার ফোনে নজরদারির অভিযোগ! মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে নালিশ জানালেন তাঁর একসময়ের বয়ফ্রেন্ড জয় অনন্ত দেহদ্রাই। জয় অনন্তের অভিযোগ, ‘পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কয়েকজন শীর্ষকর্তার সঙ্গে মিলে ষড়যন্ত্র করে তাঁর ব্যক্তিগত গতিবিধির উপর নজর রাখছেন মহুয়া।’

    মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সিবিআই ডিরেক্টর প্রবীণ সুদের কাছে চিঠি লিখে জয় অনন্ত দেহদ্রাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে তাঁর ফোনে বেআইনি ভাবে আড়িপাতা হতে পারে বা নজরদারি চালানো হচ্ছে। বাংলার পুলিশের পদস্থ কর্তাদের কাজে লাগিয়ে মহুয়া এসব করছেন। এমনকী, তাঁর ফোন নম্বরের উপরেও নজরদারি করা হচ্ছে। তিনি কোথায় থাকছেন সেটারও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এমনকী, দেহাদ্রাই কার সঙ্গে কথা বলছেন তার কল ডিটেলসও সংগ্রহ করছেন মহুয়া মৈত্র। এনিয়ে তিনি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই, ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) সাংসদ পদ খারিজ হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    আগেও এই কাজ করেছেন মহুয়া

    জয়ের আরও দাবি, মহুয়া (Mahua Moitra) আগে একাধিকবার তাঁর কাছে স্বীকার করেছিলেন যে, সুহান মুখোপাধ্যায় বলে তাঁর এক প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ড ছিল। তাঁর উপরেও নজরদারি চালাতেন মহুয়া। কারণ তাঁর সন্দেহ হত কোনও জার্মান মহিলার সঙ্গে গোপনে সম্পর্ক রাখতেন সুহান। জয় অনন্তের দাবি, সেই কল ডিটেল রেকর্ড তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করেছিলেন মহুয়া। সেই সব হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশটও সিবিআইয়ের কাছে পেশ করেছেন জয় অনন্ত। তাঁর অভিযোগ, মহুয়া তাঁর ক্ষমতা অপব্যবহার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মাধ্যমে নজরদারি চালানোর কাজ আগেও করেছেন। তাঁর আশঙ্কা যে তাঁর ফোনেও আড়ি পাতা হচ্ছে বা নজরদারি চালানো হচ্ছে। এমনকি তাঁর গাড়ি ফলো করা হচ্ছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICU: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    ICU: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ রোগী বা তাঁর পরিবারের অনুমতি ছাড়া রোগীকে আইসিইউতে (ICU) ভর্তি করা যাবে না। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। যদি রোগীর পরিস্থিতি খারাপের দিকেও যায় তবেও রোগীর পরিবার বা খোদ রোগীর অনুমতি ছাড়া তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি করা যাবে না। তবে মহামারী, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে এই নিয়ম লাগু হবে না বলেই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে নির্দেশ

    বিভিন্ন সময়েই আইসিইউ-তে (ICU) রোগী ভর্তি করানো নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং রোগী আত্মীয়দের মধ্যে দ্বিমত দেখা যায়। এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে নয়া নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্র। সব মিলিয়ে ২৪ জন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। সাধারণত রোগীর পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ হলে বা দেহের কোনও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল না হলে রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয় না। অনেক সময় হাসপাতালগুলির দিকে অভিযোগের তির ওঠে তারা নাকি জোর করে রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করিয়ে দেন। তবে এবার কেন্দ্রীয় সরকারের এই নির্দেশের ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আর কোনও দায় থাকবে না। সবটাই রোগী বা তাঁর পরিবারের ওপর বর্তাবে। 

    কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায়

    নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, কোনও গুরুতর অসুস্থ রোগীর আর কোনও চিকিৎসা সম্ভব নয় অথবা চিকিৎসার সুবিধা নেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হলে ওই রোগীকে আইসিইউতে (Centre guideline on ICU) রাখা নিরর্থক। একই ভাবে উপযুক্ত চিকিৎসার পরও রোগী যদি ‘প্রত্যাশিত সাড়া’ না দেন সে ক্ষেত্রেও তাঁকে আইসিইউতে রাখার কোনও মানে হয় না বলে জানিয়েছে কেন্দ্রের এই গাইডলাইন। তবে সবচেয়ে যে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সেটা হল, কারও বাঁচার ইচ্ছে আছে কিন্তু তিনি আইসিইউ-তে ভর্তি হতে চান না, এমনটা হলেও ওই রোগীকে আইসিইউ-তে রাখতে পারবেন না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া অতিমারি কিংবা কোনও বিপর্যয়ের পরিস্থিতিতে আইসিইউতে রোগী ভর্তি করানোর ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে বলছে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুন: শহুরে বাসিন্দাদের ৭৩ শতাংশ ভুগছেন প্রোটিনের অভাবে! কোন রোগ বাসা বাঁধছে শরীরে?

    আইসিইউ-তে ভর্তির জন্য কী দেখা হবে 

    নির্দেশিকায় (Centre guideline on ICU) রোগীর বেশ কিছু পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একমাত্র সেই পরিস্থিতিতেই রোগীকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। যেমন, কোনও রোগীর রেসপিরেটরি সাপোর্ট অর্থাৎ শ্বাসজনিত সাপোর্ট লাগলে তাকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। অন্যদিকে, ইনটেনসিভ কেয়ারের জরুরি  এমন কোনও গুরুতর রোগ (সিভিয়ার অ্যাকিউট ইলনেস) হলে রোগীকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। এছাড়াও, অস্ত্রোপচারের পর রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে বা অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর কোনও বড় সমস্যা হলে তাকে আইসিইউ-তে ট্রান্সফার করা যাবে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

    কেন নয়া নির্দেশিকা

    আইসিইউ সংক্রান্ত নির্দেশিকার (Centre guideline on ICU)  নেপথ্যে থাকা অন্যতম চিকিৎসক আর কে মনি বলেন, ভারতে আইসিইউ বেডের সংখ্যা একেবারেই সীমিত। তাই যে রোগীর দরকার, সে-ই যেন আইসিইউ পায়, তা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশিকা তৈরি করেছে কেন্দ্র। ইন্ডিয়ান কলেজ অব ক্রিটিকাল কেয়ার মেডিসিনের সেক্রেটারি চিকিৎসক সুমিত রায় বলেন, বেশিরভাগ দেশেই আইসিইউ নিয়ে নির্দিষ্ট প্রোটোকল রয়েছে। আইসিইউ যাতে লাগামছাড়া ব্যবহার না করা হয়, তার জন্যই এই নিয়ম। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lt General RC Tiwari: সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরসি তিওয়ারি

    Lt General RC Tiwari: সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরসি তিওয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের (Army Eastern Command) দায়িত্বে নতুন মুখ। ইস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ (জিওসি-ইন-সি) হিসেবে দায়িত্ব তুলে নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল রামচন্দ্র তিওয়ারি (Lt General RC Tiwari)। সদ্য অবসর গ্রহণ করা লেফটেন্যান্ট জেনারেল  আরপি কলিতার স্থলাভিষিক্ত হলেন তিওয়ারি। কলকাতা স্থিত সেনার পূর্বাঞ্চলীয় সদর ফোর্ট উইলিয়ামের দফতরে এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। বিজয় স্মারকে বীর শহিদ সেনানীদের উদ্দেশে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার পদে আসীন হন তিওয়ারি। তাঁকে গার্ড অফ অনার দিয়ে স্বাগত জানানো হয় ফোর্ট উইলিয়ামে। 

    কাউন্টার ইনসারজেন্সি যুদ্ধ-কৌশলে পারদর্শী

    কাউন্টার ইনসারজেন্সি যুদ্ধ-কৌশলে পারদর্শী হিসেবে সেনায় বিশেষভাবে পরিচিতি পাওয়া আরসি তিওয়ারি (Lt General RC Tiwari) এর আগে উত্তরপ্রদেশের বরেলি অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ছিলেন। অত্যন্ত পোড়খাওয়া সামরিক অফিসার তিওয়ারি ভারতীয় সেনায় প্রায় চার দশক কাটিয়ে ফেলেছেন। ১৯৮৭ সালে কুমাওন রেজিমেন্টের চতুর্থ ব্যাটালিয়নে কমিশন্ড হন তিওয়ারি। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে শুরু করে উত্তর-পূর্বেও দীর্ঘদিন পোস্টিংয়ে ছিলেন। এর পাশাপাশি, ভারতীয় সেনার শান্তি বাহিনীর অঙ্গ হিসেবে কঙ্গোতেও বেশ কিছুটা সময় অতিবাহিত করেছিলেন তিওয়ারি। 

    আরও পড়ুন: ‘‘চিন সীমান্ত এখন শান্ত হলেও অনিশ্চয়তায় ভরা’’, সতর্ক করলেন সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার

    উত্তর-পূর্ব সীমান্তে প্রভূত নেতৃত্বদানের অভিজ্ঞতা

    উত্তর-পূর্ব সীমান্তে তিওয়ারির (Lt General RC Tiwari) প্রভূত নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অসমে কাউন্টার ইনসারজেন্সি অভিযানের সময় তিনি কুমাওন রেজিমেন্টের চতুর্থ ব্যাটালিয়নের নেতৃত্বে ছিলেন। এছাড়া, সিকিমে মাউন্টেন ব্রিগেড ও মাউন্টেন ডিভিশনের পাশাপাশি, উত্তর-পূর্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ কোরের দায়িত্বও সামলেছেন কমান্ডার হিসেবে। দীর্ঘ কেরিয়ারে তিনি একাধিক উচ্চ সামরিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। এহেন অভিজ্ঞ অফিসারের ওপরই পূর্ব দিকে চিন সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়েছে ভারতীয় সেনা (Army Eastern Command)। গত বছরের শেষদিন পর্যন্ত এই দায়িত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরপি কলিতা। ৩১ ডিসেম্বর অবসর গ্রহণ করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UPI ATM: কোড স্ক্যান করেই টাকা তোলা যাবে এটিএম থেকে! ভাবনা আরবিআইয়ের

    UPI ATM: কোড স্ক্যান করেই টাকা তোলা যাবে এটিএম থেকে! ভাবনা আরবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন ফুরোচ্ছে এটিএম কার্ডের! কারণ ইউপিআই স্ক্যান (UPI ATM) করেই টাকা তোলা যাচ্ছে এটিএম থেকে। পয়লা জানুয়ারি থেকেই এই ব্যবস্থা চালু করেছে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। ক্ষমতায় এসেই ডিজিটাল ইন্ডিয়ার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লেনদেনের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে ইউপিআই সিস্টেম।

    ইউপিআই সিস্টেম

    এই সিস্টেমের মাধ্যমে বিকি-কিনি হয় পাড়ার মোড়ের চায়ের দোকানেও। পাঁচতারা হোটেল কিংবা মোটেল সর্বত্রই কদর রয়েছে এই ব্যবস্থার। তবে এখনও নগদ টাকার প্রয়োজনে দাঁড়াতে হয় এটিএমের সামনে। সেখানে আবার ঝক্কি অনেক। কার্ড ছাড়াই টাকা তোলার এই ব্যবস্থায় এড়ানো যায় এসব ঝামেলা। যেহেতু ইদানিং লোকজনের সঙ্গেই স্মার্ট ফোন থাকে, তাই কোনওরকম ঝক্কি পোহাতে হবে না। অথচ টাকাও তোলা যাবে। স্মার্টফোনে ইউপিআই (UPI ATM) চালু থাকলেই তোলা যাবে টাকা। শীর্ষ ব্যাঙ্ক সূত্রে খবর, নয়া এই ব্যবস্থা সহজলভ্য করতে খোলা হবে ইউপিআই এটিএম কাউন্টার।

    কিউআর কোড স্ক্যান করলেই মিলবে টাকা!

    এই কাউন্টারে গিয়ে স্মার্ট ফোন থেকে কিউআর কোড স্ক্যান করলেই মিলবে টাকা। টাকা তোলা যাবে যে কোনও ব্যাঙ্কের এটিএম থেকেই। জাপানের একটি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়েই এ দেশে চালু হচ্ছে ইউপিআই এটিএম পরিষেবা। এদিকে, ইউপিআই কোড স্ক্যান করে টাকা তোলার ক্ষেত্রে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই ইউপিআই পেমেন্টের ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে চলেছে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক। ১ জানুয়ারি থেকেই কার্যকর হয়ে গিয়েছে এই নিয়ম।

    আরও পড়ুুন: কেরলে ২ লক্ষেরও বেশি মহিলার সভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    জেনে নিন নিয়মগুলি।

    প্রথমত, এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে নিষ্ক্রিয় থাকা ইউপিআই আইডিগুলি ব্লক করে দেওয়া হবে। তাই পুরানো আইডি দিয়ে আর লেনদেন করা যাবে না। দ্বিতীয়ত, ইউপিআইয়ের মাধ্যমে টাকা লেনদেনের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ১ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। যদিও ডিসেম্বর মাসেই স্বাস্থ্য ও পড়াশোনা খাতে ইউপিআই ব্যবহার করে টাকা লেনদেনের ঊর্ধ্বসীমা ১ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।

    তৃতীয়ত, ২ হাজার বা তার বেশি অঙ্কের টাকা লেনদেনে ১.১ শতাংশ কর দেওয়ার কথা আগেই জানানো হয়েছিল। প্রিপেড পেমেন্ট ইনস্ট্রুমেন্ট বা অনলাইন ওয়ালেটে টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে (UPI ATM) এই ফি চালু হয়েছে নতুন বছরেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share