Tag: Madhyom

Madhyom

  • Parliament Security Breach: সংসদ হানার মাথা ললিত ভিডিও পাঠায় হালিশহরের নীলাক্ষকে! কে এই যুবক?

    Parliament Security Breach: সংসদ হানার মাথা ললিত ভিডিও পাঠায় হালিশহরের নীলাক্ষকে! কে এই যুবক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে (Parliament Security Breach) স্মোক গ্রেনেড হামলার ঘটনায় যোগ মিলল বাংলার। এই হামলার ঘটনায় অন্যতম সন্দেহভাজন ললিত ঝা নামে এক যুবকের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। সে কলকাতার বড়বাজারে থাকত। তার সঙ্গে নীলাক্ষ আইচ নামে এক কলেজ পড়ুয়ার  আলাপ ছিল। ঘটনার পর পরই ললিত তার মোবাইলে স্মোক গ্রেনেড হামলার ছবি পাঠিয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার পুলিশ হালিশহরে নীলাক্ষর বাড়িতে পৌঁছে যায়। দিনভর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। প্রশ্ন উঠছে. ললিতের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে তো অনেকেরই যোগাযোগ। তাহলে হঠাৎ তাকেই কেন ভিডিও পাঠানো হল? তবে কি লোলিতের হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট হিস্ট্রিতে প্রথমেই নাম ছিল নীলাক্ষর? সবই বিচারাধীন বিষয়।

    কে এই নীলাক্ষ? ললিতের সঙ্গে তাঁর আলাপ কী করে? (Parliament Security Breach) 

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নীলাক্ষ আইচের বাড়ি হালিশহরের জেটিয়া এলাকায়। বিধাননগর কলেজের ইংরাজি বিভাগে স্নাতকের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ‘সাম্যবাদী সুভাষ সভা’ নামে একটি এনজিও করেন নীলাক্ষ। তিনি আদিবাসী ছেলেমেয়েদের পড়াশুনা করাতেন বলে জানা গিয়েছে। এনজিও-র সূত্রেই ললিত ঝা’র সঙ্গে আলাপ। চলতি বছরে এপ্রিল মাসে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে একটি অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলেন নীলাক্ষ। সেখানেই ললিতের সঙ্গে নীলাক্ষর আলাপ হয়েছিল। নীলাক্ষ তাঁদের এনজিওতে যোগ দেওয়ার জন্য বলেছিলেন। ললিত তাতে যোগ দিয়েছিল। সেই সূত্রে দুজনের মধ্যে মোবাইল আদানপ্রদান হয়েছিল। সংসদের (Parliament Security Breach) হামলার ভিডিও নীলাক্ষর মোবাইলে পাঠিয়েছিল ললিত। সেই সূত্র ধরে দিল্লি পুলিশ যোগাযোগ করে। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা তাঁর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক আধিকারিক নীলাক্ষর বাড়়িতে যান। তাঁর সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে কথা বলেন। রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিক বলেন, দিল্লি পুলিশ এই বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে নীলাক্ষকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। দিল্লি পুলিশও আসবে।

    কী বললেন নীলাক্ষ?

    নীলাক্ষ বলেছেন, ‘আমি তখন কলেজে ছিলাম। কলেজ থেকে বেরনোর পরে হোয়াটসঅ্যাপে দেখি একটি ভিডিও এসেছে। ললিত ঝা পাঠিয়েছিলেন। সংসদের (Parliament Security Breach) বাইরে রাস্তায় যেটা হয়েছিল, স্মোক টর্চ নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন দুই জন। ওই ভিডিও পাঠিয়েছিলেন। আমি তখন পুরোটা দেখিনি। তখন জানতামও না সংসদে এমন ঘটে গিয়েছে। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম এটা কোথায় হয়েছে? তারপর থেকে কোনও উত্তর পাইনি। শুধু আমাকে মিডিয়া কভারেজ দেওয়ার জন্য বলেছিল। আমি আর ভিডিও দেখিনি।’

    নীলাক্ষর বাবার কী বক্তব্য?

    নীলাক্ষর বাবা নীলয় আইচ বলেন, ছোট থেকেই ছেলের নেতাজির প্রতি ভালোবাসা ছিল। ও কোনও রাজনীতি করে না। ছেলের সঙ্গে দিল্লি পুলিশ কথা বলেছে। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছেলে একটি এনজিও করত। পিছিয়ে পড়া ছেলেমেয়েদের পড়াত। ললিত ঝাকে চিনি না। সংসদ হামলার অন্যতম চক্রী ললিতের সঙ্গে পাড়ার ছেলে নীলাক্ষর নাম জড়িয়ে যাওয়ার কারণে এলাকার লোকজন হতবাক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অযোধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেশ-বিদেশের শিল্পীদের

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অযোধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেশ-বিদেশের শিল্পীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের (Ram Mandir)। সেই দিনই অযোধ্যাতে হাজির থাকবেন দেশ-বিদেশের শিল্পীরা। সেখানে একাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তাঁরা। এমনটাই জানা গিয়েছে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ সূত্রে। প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনটিকে একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে উপহার দিতে চাইছে। জানা গিয়েছে, সরকার চাইছে যে ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের আদর্শ এবং মূল্যবোধ সম্পর্কে দেশ-বিদেশের সকল স্তরের মানুষ জানুক। এজন্যই জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন। ইতিমধ্যে দেশের বিশিষ্টজনদের কাছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছাতেও শুরু করেছে। উদ্বোধনের দিন দেশের প্রধানমন্ত্রী রামলালাকে কোলে নিয়ে ৫০০ মিটার হেঁটে গর্ভগৃহে রাম মূর্তি প্রতিষ্ঠা করবেন।

    কোন কোন দেশের শিল্পীরা যোগ দেবেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে?

    প্রসঙ্গত, প্রায় ৫০০ বছর আগে রাম মন্দির (Ram Mandir) ভেঙে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন বাবরের সেনাপতি মীর বাকি। তারপরে ৫০০ বছর ধরে লড়াই-আন্দোলন। অবশেষে তৈরি হতে চলেছে রাম মন্দির। তাই এই দিনটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখতে চায় না যোগী সরকার। জানা গিয়েছে, নেপাল, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া থেকে শিল্পীরা আসবেন।

    সাংস্কতিক অনুষ্ঠানের বাজেট ধরা হয়েছে ২ কোটি

    এছাড়াও ভারতবর্ষের মধ্যে মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, কর্নাটক, সিকিম, কেরল, ছত্তিসগড়, জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ এবং চণ্ডীগড়ের শিল্পীরা অংশ নেবেন রামলীলা অনুষ্ঠানে। মঞ্চস্থ হবে রামচন্দ্রের আদর্শ ও জীবনীর ওপর নানা অনুষ্ঠান। এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য বাজেট ধরা হয়েছে দু কোটি টাকারও বেশি। আগামী বছরে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হতে রামনগরীতে (Ram Mandir)। অযোধ্যার বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হবে বিভিন্ন মঞ্চও। যেমন রামকথা পার্কে পুরুষোত্তম মঞ্চ তৈরি হচ্ছে, ভজন সন্ধ্যাতলে তৈরি হচ্ছে সরযূ মঞ্চ। তুলসী উদ্যানে তৈরি হচ্ছে কাকভুষণ্ডি মঞ্চ, তুলসী স্মারক ভবনে তৈরি হচ্ছে তুলসী মঞ্চ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Medicine: ঠিক নেই ৫৯ ধরনের ওষুধের গুণমান, রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল কেন্দ্র   

    Medicine: ঠিক নেই ৫৯ ধরনের ওষুধের গুণমান, রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল কেন্দ্র   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজারে রয়েছে ওষুধ (Medicine)। আমজনতা তা কিনেও খাচ্ছেন। তবে তার গুণগত মান ঠিক রয়েছে কিনা, তা জানেন না তাঁরা। জানার কথাও নয়। তবে এখন যখন জানা গিয়েছে, তখন চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। জানা গিয়েছে, সুগার, হৃদরোগ, শিশুদের ওষুধ এবং অ্যান্টি বায়োটিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ ৫৯ ধরনের ওষুধের গুণমান ঠিক নেই। সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন এই মর্মে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে সব রাজ্যকে।

    রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগকে সতর্ক

    সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের তরফে সারা বছর বিভিন্ন ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষায়ই জানা গিয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি হয় এমন ৫৯টি ওষুধ, যেগুলির গুণমান ঠিক নয়। এই তথ্য হাতের আসের পরেই দেশের সব রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগকে সতর্ক করা হয়েছে সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের তরফে। এই অর্গানাইজনের তরফে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি ১ হাজার ১০৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল (Medicine)। এর মধ্যে ৫৯ ধরনের ওষুধের গুণমান ঠিক নয়। এই তালিকায় রয়েছে সুগার, হৃদরোগ, শিশুদের ওষুধ এবং অ্যান্টি বায়োটিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ। যে ব্যাচগুলি থেকে সংশ্লিষ্ট ৫৯ ধরনের ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেই ব্যাচ নম্বর ধরে সতর্ক করা হয়েছে সব রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগকে।

    এসএসকেএমে রোবোটিক সার্জারি 

    এই ওষুধগুলির মধ্যে রয়েছে অ্যামক্সিলিন, পটাশিয়াম ক্লেভালনেট অ্যান্ড ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাসিলাস ট্যাবলেট, রাবেপ্রাজল সোডিয়াম অ্যান্ড ডমপেরিডোন ক্যাপসুলস, ডাইক্লোফেনেক সোডিয়াম ট্যাবলেটস আইপি ৫০ এমজির মতো ওষুধও। এদিকে, এসএসকেএম হাসপাতালে এবার চালু হতে চলেছে রোবোটিক সার্জারি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, নতুন আউটডোর ভবনের একটি তলে বিশেষ অপারেশন থিয়েটার তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এখানেই হবে রোবোটিক সার্জারি।

    আরও পড়ুুন: মথুরার শাহি মসজিদে সমীক্ষায় সায় আদালতের, হদিশ মিলবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থানের?

    নতুন বছরের গোড়ায়ই চালু হয়ে যাবে এই সার্জারি। তবে কোন কোম্পানির তৈরি যন্ত্রে ওই সার্জারি হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। এজন্য ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে টেন্ডার প্রক্রিয়া। চিকিৎসকদের মতে, রোবোটিক সার্জারি প্রযুক্তিতে বিশেষভাবে উপকৃত হবেন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা। জানা গিয়েছে, নামে রোবোটিক সার্জারি হলেও, আদতে চিকিৎসা করবেন রোবটের নিয়ন্ত্রক শল্য চিকিৎসকরাই। কম্পিউটার স্টেশনে বসে রোবোটিক হাতের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করবেন তাঁরাই (Medicine)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • KKR: আইপিএলে নাইটদের ব্যাটন শ্রেয়সের হাতেই! সহকারী হলেন কে?

    KKR: আইপিএলে নাইটদের ব্যাটন শ্রেয়সের হাতেই! সহকারী হলেন কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল (IPL 2024) শুরুর চার মাস আগে অধিনায়কের নাম ঘোষণা করল কেকেআর (KKR)। বেগুনি জার্সিতে আবার নেতা হয়ে ফিরছেন শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer)। গত মরসুমে চোটের কারণে শ্রেয়স খেলতে না পারায় নাইটদের ব্যাটন ছিল নীতীশ রানার হাতে। 

    নাইট-নেতা শ্রেয়স

    বৃহস্পতিবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের সিইও বেঙ্কি মাইসোর নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করেন। তিনি জানান, শ্রেয়স আগামী মরসুমে দলের অধিনায়ক হবেন। নীতীশ হবেন তাঁর সহকারী। বেঙ্কি বলেন, ‘‘চোটের কারণে ২০২৩ সালের আইপিএল (IPL 2024)  খেলতে পারেনি শ্রেয়স। এটা দুর্ভাগ্যজনক। তবে এ বার ও খেলবে। আমরা খুশি যে আবার নেতৃত্বে ফিরেছে শ্রেয়স। যে ভাবে ও চোট সারিয়ে ফিরেছে তা শ্রেয়সের দৃঢ় মানসিকতার পরিচয় দেয়।’’

    গম্ভীর-শ্রেয়স আলোচনা

    ২০২২ সালের আইপিএল (IPL) মরসুমে শ্রেয়সকেই নেতা করা হয়েছিল। কিন্তু গত মরসুমে চোটের কারণে আইপিএল থেকে সরে দাঁড়াতে হয়েছিল মুম্বইয়ের ক্রিকেটারকে। এবার শ্রেয়স ফিরতে তাঁকেই দলের অধিনায়ক করা হয়েছে। গত মরসুমের অধিনায়ক নীতীশ হয়েছেন সহ-অধিনায়ক। গম্ভীর মেন্টর হয়ে আসার পর শ্রেয়সের সঙ্গে বেশ কয়েক দফা আলোচনাও করেছেন। কীভাবে সাজানো হবে টিম, নিলামে কাদের দিকে নজর রাখা হবে, এই সমস্ত সিদ্ধান্তই শ্রেয়সকে সঙ্গে নিয়েই গৌতম নিয়েছেন। গম্ভীরের টার্গেট কেকেআরকে আবার ট্রফির আলোয় ফেরানো। আর সেটা যে শ্রেয়সের মতো অভিজ্ঞ এবং পরিণত ব্যাটার ও ক্যাপ্টেনই করতে পারেন, ভালোই জানেন কেকেআর মেন্টর।

    আরও পড়ুন: নিলামে নজর গম্ভীরের! শ্রেয়স না নীতীশ, আইপিএলে নাইট অধিপতি কে?

    শ্রেয়সের লক্ষ্য

    আইপিএলের মঞ্চে ফিরতে পেরে খুশি শ্রেয়স। বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে চোট পাওয়ার পর দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকতে হয় শ্রেয়স আইয়ারকে। নাইট (KKR) অধিপতি শ্রেয়স বলেছেন, ‘গত মরসুমে আমাদের একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল। চোটের কারণে আমার ছিটকে যাওয়া তার মধ্যে একটা। আমার অবর্তমানে নীতীশ চমৎকার ক্যাপ্টেন্সি করেছে। শুধু তাই নয়, সামনে থেকে দলের নেতৃত্ব দিয়েছিল। ওকে ভাইস ক্যাপ্টেন হিসেবে রেখে দেওয়ায় আমি যথেষ্ট খুশি। এতে আখেরে আমাদের টিমেরই লাভ হল। আমাদের এই জুটি আগামী মরশুমে দলকে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mathuras Shahi Idgah: মথুরার শাহি মসজিদে সমীক্ষায় সায় আদালতের, হদিশ মিলবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থানের?

    Mathuras Shahi Idgah: মথুরার শাহি মসজিদে সমীক্ষায় সায় আদালতের, হদিশ মিলবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থানের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে সমীক্ষা হয়েছে আদালতের নির্দেশে। এবার মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদ (Mathuras  Shahi Idgah) চত্বরেও সমীক্ষার নির্দেশ দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈন, বিষ্ণুশঙ্কর জৈন, প্রভাস পাণ্ডে ও দেবকী নন্দন মথুরার শাহি ইদগাহকে শ্রীকৃষ্ণের জন্মভূমি বলে দাবি করে সেখানে জমি মাপজোক ও বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার দাবি জানিয়েছিলেন। এর বিরোধিতা করেছিল মুসলিম পক্ষ।

    শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান কমপ্লেক্স

    শুনানি শেষে ১৬ নভেম্বর রায় সংরক্ষিত রেখেছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি ময়াঙ্ক কুমারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। সেই রায়ই ঘোষণা করা হল বৃহস্পতিবার। আদালতের নির্দেশ, একজন কোর্ট কমিশনারের পর্যবেক্ষণে সমীক্ষার কাজ করতে হবে শাহি ইদগাহের বিতর্কিত ১৩.৩৭ একর জমিতে। উত্তরপ্রদেশের মথুরায় প্রাচীরা কাটরা স্তূপ এলাকায় রয়েছে শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান কমপ্লেক্স। এর ঠিক পাশেই রয়েছে শাহি ইদগাহ (Mathuras  Shahi Idgah)। হিন্দুত্ববাদী সংগঠগুলির দাবি, ইদগাহের ওই জমিতে প্রাচীন কেশবদাস মন্দির ছিল। এটি আদতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান। ইদগাহ চত্বরে খুঁড়লে মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ মিলতে পারে বলে অনুমান হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির।

    হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের যুক্তি 

    তাদের যুক্তি, মসজিদের দেওয়ালে খোদাই করা রয়েছে পদ্মের ছবি। কিছু কারুকাজ রয়েছে যেগুলি শেষনাগের মতো দেখতে। তাদের বিশ্বাস, মন্দির ধ্বংস করেই গড়ে তোলা হয়েছে ইদগাহ। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির দাবি, কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরের মতোই মথুরার ওই মন্দিরটি ধ্বংস করে মসজিদ নির্মাণ করেন মুখল সম্রাট ঔরঙ্গজেব। ওই জায়গাকে শ্রীকৃ্ষ্ণের জন্মভূমি বলে দাবি করে ১৩.৩৭ একর জমির অধিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেন হিন্দু সেনার নেতা বিষ্ণু গুপ্ত।

    আরও পড়ুুন: অভিষেকের আয়ের উৎস কী? মুখবন্ধ খামে আদালতে জানাল ইডি

    হিন্দু পক্ষের আবেদন মেনে নিয়ে ২৯ অগাস্ট ইলাহাবাদ হাইকোর্ট মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদে ভিডিও সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল। চার মাসের মধ্যে সমীক্ষার রিপোর্ট আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছিলেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি পীযূষ অগ্রবাল। সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়ে স্থগিতাদেশ দেয় উচ্চতর বেঞ্চ। শেষমেশ বৃহস্পতিবার মসজিদ চত্বরে সমীক্ষার নির্দেশ দিল আদালত। প্রসঙ্গত, ১৯৬৮ সালের শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা সংস্থান ও শাহি মসজিদ ইদগাহ ট্রাস্টের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তি মেনে কৃষ্ণ জন্মভূমির জন্য ১০.৯ একর জমি দিয়ে দেওয়া হয়। ইদগাহের (Mathuras  Shahi Idgah) জন্য রাখা হয় ২.৫ একর জমি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WhatsApp Pin: হোয়াটসঅ্যাপে গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ রাখা যাবে ‘পিন’ করে! কীভাবে জেনে নিন

    WhatsApp Pin: হোয়াটসঅ্যাপে গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ রাখা যাবে ‘পিন’ করে! কীভাবে জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp Pin) চ্যাটে এবার নতুন ফিচার চালু হতে চলেছে। গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ খুঁজে পেতে তাকে পিন করে রাখার সুবিধা পাবেন গ্রাহকেরা। এতদিন পর্যন্ত গ্রাহকরা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে যে কোনও কনট্যাক্ট বা গ্রুপে পিন করে রাখার অপশন পেতেন। এবার থেকে চ্যাটবক্সের মধ্যে মেসেজকে পিন করে রাখার সুবিধা মিলবে বলে জানা গিয়েছে। এই নতুন ফিচার সম্পর্কে সম্প্রতি খোলসা করেছে মেটা।

    নতুন ফিচারে কী বলা হচ্ছে (WhatsApp Pin)?

    হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp Pin) চ্যাটবক্সে আগে যে কোনও মেসেজ ‘স্টার মার্ক’ রাখার সুবিধা ছিল আগে। সেই সঙ্গে এতদিন কনট্যাক্টও ‘পিন’ রাখার সুবিধা ছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চ্যাট এবং ওয়ান টু ওয়ান চ্যাট। ফলে কম সময়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় মেসেজ খুঁজে পেতে খুব সুবিধা হবে। আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড ভার্সানে এই ফিচারের রোল আউট শুরু হয়েছে। একটি মেসেজের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মেসেজকে পিন করে রাখার সুবিধা পাওয়া যাবে এই ফিচারে।

    আর কী কী সুবিধা থাকবে পিনে?

    আরও জানা গিয়েছে, এই নতুন ফিচারের মধ্যে গ্রাহকরা লেখা, পোল ইমেজ, ছবি এবং ইমোজিও পিন করে রাখার সুবিধাও পাবেন। সমস্ত মেসেজ পিনড্ চ্যাটে অন্য মেসেজের মতো এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন পদ্ধতিতে সুরক্ষিত থাকবে বলে জানা গিয়েছে।হোয়াটসঅ্যাপে (WhatsApp Pin) যে পিন মেসেজ ফিচার চালু রাখার কথা বলেছে মেটা, সেখানে গ্রাহকরা একটি মেসেজের একেবারে উপরে একটা মেসেজকে পিন রাখার সুবিধা পাবেন। এই পিনের সময় সীমা থাকবে পছন্দ অনুসারে ২৪ ঘণ্টা, ৭ দিন বা ৩০ দিন। গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ খুঁজতে গিয়ে যাতে সময় নষ্ট না হয় তাই মেসেজ পিনের ফিচার চালু করা হয়েছে।

    হোয়াটসঅ্যাপ পিন চ্যাট ফিচার কীভাবে কাজ করবে?

    >হোয়াটসঅ্যাপের (WhatsApp Pin) যে কোনও চ্যাটের উপর ট্যাপ বা বেশিক্ষণ ধরে চেপে রাখতে হবে।

    >এরপর তিনটি ডটের মেনু থেকে পিন অপশন বেছে নিয়ে তাকে নির্বাচন করতে হবে।

    >হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে কত দিনের জন্য পিন করা হবে তা জানতে চাওয়া হবে।

    >ডিফল্ট হিসাবে ৭ দিন অপশন থাকবে। এছাড়াও ২৪ ঘণ্টা এবং ৩০ দিনের জন্য অপশন পাবেন গ্রাহকেরা।

    >তবে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মধ্যে এডমিনরাই কেবল পিন ব্যবহার করতে পারবেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Blood Sugar: রক্তে হঠাৎ কমছে শর্করার মাত্রা! ১৫ মিনিটেই কোন খাবার কমাবে বিপদ? 

    Blood Sugar: রক্তে হঠাৎ কমছে শর্করার মাত্রা! ১৫ মিনিটেই কোন খাবার কমাবে বিপদ? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রক্তে অতিরিক্ত শর্করার মাত্রা (Blood Sugar) নিয়ে ভুগতে হচ্ছে অনেককেই। ডায়াবেটিস আর এখন‌ শুধু প্রৌঢ়কালের সমস্যায় আটকে নেই। স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও বাড়ছে ডায়বেটিসের সমস্যা। তরুণ প্রজন্মের বড় অংশ এখন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি হওয়াটাই শুধু সমস্য়া নয়। কমে যাওয়াও বড় বিপদ তৈরি করে। অনেকের হঠাৎ রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। এই ওঠানামার জেরে একাধিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ছে কিনা, তা দেখার পাশপাশি খেয়াল রাখতে হবে হঠাৎ শর্করার পরিমাণ কমে যাচ্ছে কিনা।‌ দ্রুত এই সমস্যা মোকাবিলা না করলে বড় বিপদের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি? (Blood Sugar) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস আক্রান্তদের রক্তে হঠাৎ শর্করার পরিমাণ কমে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি‌ থাকে। কারণ, অধিকাংশ ডায়াবেটিস আক্রান্তের রক্তচাপ ওঠানামা করে। শর্করার মাত্রাও অস্বাভাবিক থাকে। ফলে, হঠাৎ করে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করার ঝুঁকি তাঁদের‌ বেশি হয়।‌
    ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, ডায়াবেটিস আক্রান্ত হঠাৎ অন্য কোনও রোগে আক্রান্ত হলে, কিংবা হার্ট, কিডনির জন্য নতুন কোনও ওষুধ খাওয়া শুরু করলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। শর্করার মাত্রা (Blood Sugar) কমে যায়। 
    তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশের মধ্যে ফিটনেস নিয়ে নানান ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। খাবার না খাওয়া, ডায়েটের রেওয়াজ করে ফেলেছেন অনেকেই। আর এতেই ঘটছে বিপত্তি। পর্যাপ্ত না খেয়ে অতিরিক্ত শরীর চর্চা, কিংবা সকালের জলখাবার, দুপুরের খাবার না খাওয়া, এই ধরনের অভ্যাস রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমিয়ে দেয়।

    কী ধরনের বিপদ ঘটতে পারে? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তে হঠাৎ শর্করার (Blood Sugar) মাত্রা কমে গেলে মাথা ঘোরা, বমির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এর ফল পড়ে সুদূরপ্রসারী।‌ চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বারবার রক্তে শর্করার মাত্রা কমে গেলে কিডনি, লিভার এবং হৃদযন্ত্রে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। ফলে, একাধিক অঙ্গ বিকলের ঝুঁকিও তৈরি হয়।

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের সমস্যা হলে দ্রুত মোকাবিলা করতে হবে। যাতে রক্তে শর্করার মাত্রা তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক হয়। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করে, তাদের নিয়মিত বাড়িতে গ্লুকোমিটারের সাহায্যে রক্তে শর্করার মাত্রা (Blood Sugar) পরিমাপ করতে হবে। রক্তে শর্করার মাত্রা কমলে পনেরো মিনিটের মধ্যে, তা মোকাবিলা করা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাদের পরামর্শ, চিনি নয়, বরং ক্যান্ডি বা জেলি জাতীয় খাবার ১৫ গ্রাম খেলে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে। তবে, সবচেয়ে উপকারী মিষ্টি ফলের রস। যে কোনও ধরনের জুস ১৫ মিলিলিটার খেলে, দ্রুত শর্করার পরিমাণ ঠিক হয়ে যায় বলেই পরামর্শ‌ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, চিনি অনেক সময়ে রক্তে মিশতে সময় নেয়। কিন্ত জেলি, জুসের মতো‌ খাবার দ্রুত শরীরে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই এই ধরনের খাবার খাওয়া জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Derek O’Brien: রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড তৃণমূলের ডেরেক, কী বললেন চেয়ারম্যান?

    Derek O’Brien: রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড তৃণমূলের ডেরেক, কী বললেন চেয়ারম্যান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডের জেরে দিন দুয়েক আগে লোকসভার সাংসদ পদ খারিজ হয়েছে কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রর। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই এবার শীতকালীন অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হল সেই তৃণমূলেরই রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে (Derek O’Brien)। অভিযোগ, সভার মধ্যে ডেরেক নিয়ম বিরুদ্ধ আচরণ করেছেন।

    কী বললেন চেয়ারম্যান?

    বুধবার লোকসভায় দর্শক গ্যালারি থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়ে দুই হানাদার। তা নিয়ে উত্তাল দেশের রাজনীতি। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার অধিবেশন শুরু হতেই লোকসভার ওই ঘটনা নিয়ে আলোচনার দাবি জানান ডেরেক। তাতে রাজি হননি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। তিনি জানান, লোকসভায় নিরাপত্তা লঙ্ঘনের বিষয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শুরু করা হয়েছে। পুলিশের কাছে দায়ের হয়েছে মামলাও। তার পরেও হট্টগোল করতে থাকেন ডেরেক। তখনই চেয়ারম্যান তাঁকে অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বলেন। চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে ধনখড়কে ক্ষুব্ধস্বরে বলতে শোনা যায়, “ডেরেক ও’ব্রায়েনকে (Derek O’Brien) এখনই অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হচ্ছে। ডেরেক বলেছেন, উনি চেয়ারের নির্দেশ অমান্য করবেন…বলেছেন উনি নিয়ম মানবেন না। এই আচরণ কাম্য নয়। অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। এটা ওঁর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।”  

    সাসপেন্ড ডেরেক

    পরে অসংসদীয় আরচণের অভিযোগে পুরো শীতকালীন অধিবেশন থেকেই সাসপেন্ড করা হয় তৃণমূলের এই নেতাকে। ধনখড় বলেন, “এটি একটি লজ্জাজনক ঘটনা। সতর্কবার্তা সত্ত্বেও ও’ব্রায়েন এবং অন্য বিরোধী সাংসদরা বিক্ষোভ চালিয়ে যান রাজ্যসভায়। তাই তৃণমূল সাংসদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।” ডেরেককে সাসপেন্ড করায় আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যসভার পরিস্থিতি। চেয়ারম্যানের নির্দেশের তীব্র প্রতিবাদ জানান বিজেপি বিরোধী সাংসদদের একটা অংশ। লোকসভার নিরাপত্তা লঙ্ঘনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জবাবদিহি করতে হবে বলেও জানান তাঁরা। এর পর সভা মুলতুবি ঘোষণা করেন (Derek O’Brien) রাজ্যসভার চেয়ারম্যান।

    আরও পড়ুুন: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের মহুয়া!

    এদিকে, এদিন মন্ত্রিসভার প্রবীণ মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার ঘটে যাওয়া লোকসভাকাণ্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণও শোনেন মন দিয়ে। কারণ মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রীরা শপথ নিয়েছেন বুধবার। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাই অনুপস্থিত ছিলেন লোকসভায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kumbh Mela 2025: ২০২৫ সালে ফের বসছে মহা কুম্ভ মেলা, ঘোষণা হল শাহি স্নানের তারিখ

    Kumbh Mela 2025: ২০২৫ সালে ফের বসছে মহা কুম্ভ মেলা, ঘোষণা হল শাহি স্নানের তারিখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন হিন্দু ধর্মের সবথেকে বড় ধর্মীয় উৎসব হল কুম্ভ মেলা (Kumbh Mela 2025)। প্রতি ৪ বছর অন্তর পালিত হলেও ১২ বছর পরপর মহাকুম্ভ মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। এই মহাকুম্ভ পালিত হয় প্রয়াগ, হরিদ্বার, উজ্জয়িনী এবং নাসিকে। একযুগ পর আয়োজিত এই মহাকুম্ভকে বলা হয় ‘পূর্ণকুম্ভ’। তবে প্রতি ছয় বছর অন্তর অন্তর হরিদ্বার এবং প্রয়াগরাজে অর্ধকুম্ভ মেলা পালিত হয়। ১২ বছর পর ফের বসবে মহা কুম্ভ মেলা। প্রয়াগরাজ কুম্ভ মেলা কর্তৃপক্ষ এবং ১৩টি আখাড়ার দ্রষ্টারা ২০২৫ সালের মহা কুম্ভ মেলার শাহি স্নানের সময়সূচি জানিয়েছে।

    কবে হবে মহাককুম্ভ মেলা (Kumbh Mela 2025)?

    ২০১৩ সালে শেষ বারের জন্য মহাকুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) আয়োজন করা হয়েছিল উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদে, যার বর্তমান নাম প্রয়াগরাজ। গঙ্গা, যমুনা এবং সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। এই বারও ২০২৫ সালে পূর্ণকুম্ভের আয়োজন করা হবে। মহাকুম্ভ মেলা শুরু হবে ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি এবং চলবে ৮ মার্চ পর্যন্ত। তিথি অনুযায়ী মেলার শাহি স্নান পালন করা হবে ৮ মার্চ। এই মহাকুম্ভের আয়োজন হতে চলেছে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে।

    শাহি স্নানের তারিখ

    ২০২৫ সালের মহাকুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) প্রথম শাহি স্নান করার তারিখ হল ১৩ জানুয়ারি। উল্লেখ্য ওই দিন হল পৌষ পূর্ণিমা। মকর সংক্রান্তির শাহি স্নান পালিত হবে ২৯ জানুয়ারি। মৌনী অমাবস্যার স্নান পালিত হবে ৩ ফেব্রুয়ারি। বসন্ত পঞ্চমীর স্নান পালিত হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। ১২ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমার স্নান হবে। ৮ মার্চ মহাশিব রাত্রির শাহি স্নান করা হবে। মহাকুম্ভের সময়পর্বে মোট ২১টি শাহি স্নান পালিত হবে।

    হিন্দুধর্মে গুরুত্ব কুম্ভমেলা

    হিন্দুধর্ম মতে কুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে এই কুম্ভের বিরাট তাৎপর্য রয়েছে। ভারতীয় সংস্কৃতি, জ্যোতিষশাস্ত্র এবং ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে বিশেষ গণনা রয়েছে কুম্ভ মেলার তিথিতে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে মেষ রাশি চক্রের বৃহস্পতি, সূর্য ও মকর রাশিতে প্রবেশ করলে মহাকুম্ভের আয়োজন করা হয়।

    গ্রহ, রাশি চক্রে কীভাবে কুম্ভ মেলা হয়?

    গ্রহ, রাশি চক্রের অবস্থান দেখে সূর্য এবং বৃহস্পতির অবস্থান দেখে মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। বৃহস্পতি বৃষ রাশিতে এবং সূর্য মকর রাশিতে থাকলে প্রয়াগে কুম্ভ মেলা (Kumbh Mela 2025) অনুষ্ঠিত হয়। সূর্য মেষ রাশিতে থাকে এবং বৃহস্পতি কুম্ভ রাশিতে থাকলে হরিদ্বারে কুম্ভের আয়োজন হয়। আবার সূর্য এবং বৃহস্পতি সিংহ রাশিতে থাকলে মহাকুম্ভ নাসিকে অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতি যখন সিংহ রাশিতে এবং সূর্য মেষ রাশিতে থাকলে উজ্জয়িনীতে কুম্ভ আয়োজিত হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের মহুয়া!

    Mahua Moitra: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের মহুয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডের জেরে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra)। সংসদের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন তৃণমূলের এই নেত্রী। মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আর্জিও জানিয়েছিলেন কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে ভিড়ে যাওয়া মহুয়া। সেই অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    মহুয়াকে ‘সুপ্রিম’ ধাক্কা

    এই মামলার শুনানি যাতে বৃহস্পতি-শুক্রবারের মধ্যেই করা যায় তা নিয়ে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের এজলাসে আবেদন করেন মহুয়ার আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মামলাটি জরুরি শুনানির জন্য নথিভুক্ত নাও হতে পারে। সিংভিকে এ বিষয়ে ইমেল করতে বলেছেন প্রধান বিচারপতি। তার পরেই বিষয়টি ভেবে দেখবেন বলে মহুয়ার (Mahua Moitra) আইনজীবীকে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

    কৃষ্ণনগরের সদ্য প্রাক্তন সাংসদের অভিযোগ, অসাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সাংসদ পদ খারিজ করা হয়েছে তাঁর। এই অভিযোগ তুলেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। দুদিন আগেই ফাইল করা হয়েছিল মামলাটি। বুধবার প্রথমে মামলাটির জরুরি শুনানির জন্য বিচারপতি সঞ্জয় কিষান কওলের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন মহুয়ার আইনজীবী। বিচারপতি কৌল এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশের জন্য আবেদনটি প্রধান বিচারপতির এজলাসে মেনশন করতে বলেন। বিচারপতি কৌল এও জানিয়েছিলেন, তিনি মামলাটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এর পরেই মহুয়ার আইনজীবী যান প্রধান বিচারপতির এজলাসে। প্রধান বিচারপতি তাঁকে বলেন, “এই মামলার নির্যাস সম্বলিত একটি ইমেল আমায় করুন। সেটা খতিয়ে দেখার পর ঠিক হবে শুনানির দিন।”

    আরও পড়ুুন: আঁটসাঁট হচ্ছে সংসদের নিরাপত্তা বলয়, কী ব্যবস্থা হচ্ছে জানেন?

    প্রসঙ্গত, ১৫ ডিসেম্বর থেকে শীতের ছুটির জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই কারণেই জরুরি ভিত্তিতে মামলাটির শুনানি চেয়েছিলেন মহুয়া। ঘুষ নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করেছিলেন মহুয়া। এমনই অভিযোগ তুলেছিলেন সাংসদ নিশাকান্ত দুবে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণে মহুয়াকে তলব করে লোকসভার এথিক্স কমিটি। মাঝ পথে সেই কমিটির বৈঠক ছেড়ে চলে এসেছিলেন কৃষ্ণনগরের সদ্য প্রাক্তন এই সাংসদ। বৈঠক শেষে এথিক্স কমিটি মহুয়াকে সংসদ থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করে। ৮ ডিসেম্বর লোকসভা থেকে মহুয়াকে বহিষ্কার করার প্রস্তাব পাশ হয় ধ্বনিভোটে। তার পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন এই তৃণমূল নেত্রী (Mahua Moitra)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share