Tag: Madhyom

Madhyom

  • Manipur Violence: ফের অশান্তির আগুন, গুলি চলল মণিপুরে, উদ্ধার ১৩ লাশ  

    Manipur Violence: ফের অশান্তির আগুন, গুলি চলল মণিপুরে, উদ্ধার ১৩ লাশ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে (Manipur Violence)। হিংসার শিকার কমপক্ষে ১৩ জন। সোমবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে টেংনুপাল জেলার সাইবোলের কাছে লেইথু গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন দুপুরে সংঘর্ষ বাঁধে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর। এলোপাথাড়ি চলে গুলি। ঘটনাস্থল থেকে তখন নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন ১০ কিলোমিটার দূরে।

    হিংসার বলি ১৩

    খবর পেয়ে দ্রুত চলে আসেন রক্ষীরা। ততক্ষণে পড়ে গিয়েছে ১৩টি লাশ। জানা গিয়েছে, যাঁদের দেহ উদ্ধার হয়েছে, তাঁরা কেউই লেইথু কিংবা আশপাশ এলাকার নন। সম্ভবত অন্য জায়গা থেকে এসেছিলেন। মৃতদের পরিচয় জানা যায়নি। স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা কোন সম্প্রদায়ের, তাও জানা যায়নি। মণিপুর পুলিশের এক কর্তার কথায়, “পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তারাই তদন্ত করবে বিষয়টি।” নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে (Manipur Violence) খবর, যে এলাকায় এদিন দেহ উদ্ধার হয়েছে, সাম্প্রতিক অতীতে সেখানে হিংসার ঘটনা ঘটেনি। তাই ঠিক কী কারণে এখানে জ্বলল অশান্তির আগুন, তা নিয়ে ধন্দে বাহিনীর একাংশও। মাত্র এক দিন আগেই মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হয়েছিল মণিপুরের বিস্তীর্ণ অংশে। তার পরেই ফের জ্বলল হিংসার আগুন। যার বলি হলেন অন্তত ১৩ জন।

    ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করেছিল সরকার

    দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রবিবারই মণিপুরের কয়েকটি জায়গা বাদে সর্বত্র ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করেছিল সরকার। পরিষেবা চালু থাকার কথা ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, “রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হচ্ছে। এদিকে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা না থাকায় সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ। এসব কথা বিবেচনা করেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হল।” 

    আরও পড়ুুন: অধ্যাপিকাকে অশ্লীল মন্তব্য টিএমসিপি ছাত্রনেতার! কলেজে বিক্ষোভ এবিভিপির

    গত ৩ মে সংঘর্ষ শুরু হয় মণিপুরে। হিন্দু মেইতেইদের সঙ্গে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী কুকিদের সংঘর্ষ বাঁধে। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের বলি হয়েছেন ১৮০ জন। মেইতেইদের তফশিলি উপজাতির স্বীকৃতি দেওয়া নিয়ে শুরু হয় সংঘর্ষ। হিংসার আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে বহু ঘরবাড়ি। ক্ষতি হয়েছে ফসলেরও। প্রসঙ্গত, মাত্র চারদিন আগেই কেন্দ্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় মণিপুরে সশস্ত্র সংগঠন ইউএনএলএফের। তার ঠিক চারদিন পরেই ফের সংঘর্ষ বাঁধায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন চিত্রাঙ্গদার দেশের বাসিন্দারা (Manipur Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Primary TET 2023: বদলে গেল সূচি! ১০ ডিসেম্বরের পরিবর্তে কবে হবে প্রাইমারি টেট?

    Primary TET 2023: বদলে গেল সূচি! ১০ ডিসেম্বরের পরিবর্তে কবে হবে প্রাইমারি টেট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে গেল ২০২৩ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষার (Primary TET 2023) দিন। আগে ১০ ডিসেম্বর প্রাইমারি টেটের দিন ঘোষণা করেছিল পর্ষদ। সোমবার পর্ষদ জানাল, ১০ ডিসেম্বর পরীক্ষা হবে না। পরিবর্তে পরীক্ষা হবে আগামী ২৪ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা থেকে দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত। যদিও কী কারণে আচমকা টেট পরীক্ষার দিনক্ষণ বদল করা হল, সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। পর্ষদ সূত্রে জানানো হয়েছে, পলিসিগত কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কারা পরীক্ষা দিতে পারবেন

    এদিন পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল বলেন, ‘‘আমরা এ বার বেশ কিছু নতুন পদক্ষেপ করছি যাতে পরীক্ষা একেবারে নির্বিঘ্নে হয়। তার জন্য বোর্ডের বেশ কিছুটা সময় প্রয়োজন। তাই পরীক্ষার (Primary TET 2023) দিন পিছনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পর্ষদ।’’ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, বিএড যাঁরা করেছেন, তাঁরা এ বছর টেটে বসতে পারবেন না। তবে ডিএলএড-সহ প্রাথমিক শিক্ষকের অন্য প্রশিক্ষণ যাঁরা নিয়েছেন, তাঁরা টেট দিতে পারবেন। তা ছাড়া, গত বছরের টেটে যাঁরা অকৃতকার্য হয়েছিলেন, তাঁরাও নতুন করে এ বছর ফর্ম পূরণ করতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: দুই প্রধানে খেলা দেশের প্রাক্তন ফুটবলার জেজে লালপেখলুয়া এখন বিধায়ক

    পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবারে কম

    উল্লেখ্য, রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই প্রচুর বেনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে। ২০২২ সালের টেট (Primary TET 2023) পরীক্ষার নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। ২০১৭ সালের টেটের নিয়োগও এখনও আটকে। এরই মধ্যে আবার ২০২৩ সালে নতুন করে আরও একটি টেট পরীক্ষার আয়োজন করছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে খবর, গত বছরের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেক হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে পর্ষদের তরফ থেকে ব্যাখ্যা, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে যে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছিল সেখানে ডিএলএড ও বিএড-এর সকল যোগ্য প্রার্থী আবেদন করতে পেরেছিলেন। তবে এ বছর শীর্ষ আদালতের নির্দেশে ডিএলএড উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরাই শুধু আবেদন করতে পারবেন। তাই আবেদনের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। পর্ষদ জানিয়েছে, এ বছর ৩ লক্ষ ৯ হাজার ৫৪ জন পরীক্ষা দেবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mizoram Election: দুই প্রধানে খেলা দেশের প্রাক্তন ফুটবলার জেজে লালপেখলুয়া এখন বিধায়ক

    Mizoram Election: দুই প্রধানে খেলা দেশের প্রাক্তন ফুটবলার জেজে লালপেখলুয়া এখন বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়দান থেকে রাজনীতিতে সগর্বে পদার্পন করলেন জেজে লালপেখলুয়া (Jeje Lalpekhlua)। এক সময় জাতীয় দলে স্ট্রাইকিং লাইনে সুনীল ছেত্রীর পাশাপাশি তিনি ছিলেন বিশ্বস্ত সৈনিক। কলকাতাতেও লাল হলুদ, সবুজ মেরুন জার্সি গায়ে দাপটের সঙ্গেই খেলেছেন জেজে। চেন্নাইয়িনের হয়ে দু’বার জিতেছেন আইএসএল। মোহনবাগানের হয়ে আই লিগ জয়েরও অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই জেজে লালপেখলুয়া এ বার মিজোরামে বিধায়ক (Mizoram Election) হয়ে গেলেন। 

    প্রথম ম্যাচেই কামাল

    বাংলাতেও মনোজ তিওয়ারি, অশোক ডিন্ডা, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়েরা রয়েছেন, যাঁরা খেলাধুলোর জগত থেকে রাজনীতিতে এসেছেন। সিকিম থেকে রয়েছেন বাইচুং ভুটিয়া। সোমবার মিজোরামে ভোটের ফল গণনা হতে দেখা গেল শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে গোল দিয়ে রাজনীতির মাঠে নিজের জয় নিশ্চিত করলেন জেজে। মিজোরামের দক্ষিণ তুইপুই আসনে জেডপিএম-এর প্রার্থী জেজে লালপেখলুয়ার কাছে পরাজিত হয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আর লালথাংলিয়ানা। জোরাম পিপলস মুভমেন্টের জেজে লালপেখলুয়া পেয়েছেন ৫৪৬৮ টি ভোট আর এমএনএফ প্রার্থী আর লালথাংলিয়ানা পেয়েছেন ৫৩৩৩ টি ভোট। ইতিপূর্বে ভাইচুং ভুটিয়া একাধিকবার ভোটে লড়লেও জিততে পারেননি। জেজে কিন্তু প্রথম ম্যাচেই গোল করলেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভোটে হেরে সংসদে রাগ দেখাবেন না’’! বিরোধীদের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    ময়দানে জেজে

    মিজোরামে ফুটবল অত্যন্ত জনপ্রিয়, ফুটবলাররা মানুষের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। তাদের ভাবমূর্তিও যথেষ্ট ভালো। সেটাই কাজে লাগিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জেজেকে প্রার্থী করে জোরাম পিপলস মুভমেন্ট। চলতি বছরের  ফেব্রুয়ারি মাসেই পেশাদার ফুটবল থেকে অবসর নেন জেজে। দেশের হয়ে ৫৬টি ম্যাচে ২৩টি গোল করেছেন। শুরু করেছিলেন পুণে এফসি-র অ্যাকাডেমি থেকে। পুণে এফসি তাঁর প্রথম পেশাদার ক্লাব। এরপর পৈলান অ্যারোজ, ডেম্পো হয়ে ২০১৪-১৫ মরসুমে যোগ দেন মোহনবাগানে। শুধু সবুজ মেরুন নয় ২০২০-২১ মরসুমে লাল হলুদ জার্সিতে খেলেন মিজোরামের এই স্ট্রাইকার। আইএসএলে চেন্নাইয়িন দলের সদস্যও ছিলেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “এবার বুস্টার ডোজ নিয়ে আমরা নেমে পড়ব”, ‘অক্সিজেন’ পেয়ে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “এবার বুস্টার ডোজ নিয়ে আমরা নেমে পড়ব”, ‘অক্সিজেন’ পেয়ে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এবার বুস্টার ডোজ নিয়ে আমরা নেমে পড়ব। ২৪-এর নির্বাচনে দারুণ ফল হবে।” সোমবার কথাগুলি বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রবিবার ফল ঘোষণা হয়েছে চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের। এর মধ্যে কেবল তেলঙ্গানা ছাড়া বাকি তিন রাজ্যের ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তাতেই বাড়তি অক্সিজেন পেয়েছে বঙ্গ বিজেপি। সোমবার বিধানসভায় গেরুয়া টুপি ও পাগড়ি পরে এসেছিলেন পদ্ম বিধায়করা। বিলি করা হয়েছে গেরুয়া লাড্ডুও।

    কী বললেন সুকান্ত? 

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “তিন রাজ্যের ফল আমাদের বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন দিয়েছে। ইতিমধ্যেই ২৯ তারিখ অমিত শাহজি প্রথম ডোজ দিয়ে গিয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজ পেলাম কালকে। কোভিডের ডোজ কমপ্লিট। এবার বুস্টার ডোজ নিয়ে আমরা নেমে পড়ব। ২৪-এর নির্বাচনে দারুণ ফল হবে।” সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “যদি আমরা সিটের পার্সেন্টেজ দেখি যে ক’টা সিট কংগ্রেস জিতেছে লোকসভায়, বিধানসভার নিরিখে তার চেয়ে বেশি সিট আমরা জিতব।”

    তৃণমূলকে জবাব সুকান্তর 

    তৃণমূলের অভিযোগ, রাজ্যের জনহিতকর প্রকল্পগুলি নকল করে ভিন রাজ্যে জয়ের ভিত গড়েছে বিজেপি। ঘাসফুল শিবিরের অভিযোগ খণ্ডন করে বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম দিয়েছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। তার ঢের আগে থেকেই মধ্যপ্রদেশে চলছে লাডলি বেহেনা। তার টাকার পরিমাণও বেশি। ১২০০-র ওপরে দেওয়া হয়।” তিনি বলেন, “এরকম জনহিতকর প্রকল্পে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে অনেক বেশি এগিয়ে রয়েছে অন্য রাজ্যগুলো। ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গে এলে আমরাও এই প্রকল্পগুলো এগিয়ে নিয়ে যাব। জনদরদি প্রকল্প করবেন বলে শিল্পায়ন করবেন না, তা তো নয়।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভোটে হেরে সংসদে রাগ দেখাবেন না’’! বিরোধীদের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    বিজেপিকে হারাতে জোট বেঁধেছে পদ্ম-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। রাজস্থান সহ তিন রাজ্যে ধরাশায়ী হয়েছে কংগ্রেস। ভোটের ফল বিশ্লেষণ করতে ৬ ডিসেম্বর বৈঠকে বসছেন ওই জোটের (‘ইন্ডি’ জোট) নেতারা। সে প্রসঙ্গে সুকান্তর (Sukanta Majumdar) কটাক্ষ, “যাবে, খাবে-দাবে, একটু আনন্দ করবে। সব পার্টিগুলো তো পারিবারিক পার্টি। নিজের পরিবারের মুখ দেখতে দেখতে বোর হয়ে যায়। তখন একটু পার্টি ডাকে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Parliament Winter Session: ‘‘ভোটে হেরে সংসদে রাগ দেখাবেন না’’! বিরোধীদের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Parliament Winter Session: ‘‘ভোটে হেরে সংসদে রাগ দেখাবেন না’’! বিরোধীদের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session) শুরুর ঠিক আগে বিরোধীদের সাহায্য চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্ত তাতে কর্ণপাত করলেন না বিরোধীরা। প্রথম দিনে বিরোধীদের হৈ হট্টগোলে প্রথম দফায় অধিবেশন মুলতবি করে দিতে বাধ্য হলেন অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। প্রধানমন্ত্রী যে আশঙ্কা করেছিলেন তাই সত্যি হল। অধিবেশনের শুরু থেকেই হট্টগোল পাকিয়ে সভা বানচাল করার চেষ্টা চালালো বিরোধীরা। লক্ষ্য একটাই, এই সংক্ষিপ্ত অধিবেশনে যাতে কোনও বিল সরকারপক্ষ পাশ না করাতে পারে।

    প্রধানমন্ত্রীর আর্জি

    এদিন শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session) শুরুর আগেই প্রথা মেনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে সংসদে আসুন৷ আমরা দশ পা এগোলে আপনারা বারো পা এগোন৷ কিন্তু সংসদে আলোচনা করতে দিন৷ সবার ভবিষ্যৎই উজ্জ্বল৷ এই নেতিবাচক রাজনীতির ফলে দেশবাসীর মনে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, কে বলতে পারে তা হয়তো ভালবাসায় বদলে যেতে পারে৷ ফলে বিরোধীদের সামনেও এটা একটা দারুণ সুযোগ৷’ একই সঙ্গে তিন রাজ্যে বিজেপির বিপুল জয় ও বিরোধীদের পরাজয়ের কথাও উল্লেখ করেন মোদি। তার সূত্র ধরেই মোদীর পরামর্শ, ‘‘তিন রাজ্যে হার বিরোধীদের কাছে সুবর্ণ সুযোগ। এই হার থেকে তারা শিক্ষা নিক। হারের কারণে সংসদে রাগ দেখাবেন না।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘সনাতন ধর্মকে সম্মান না জানানোর পরিণতি’’! কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ ভেঙ্কটেশ প্রসাদের

    উন্নয়ন সঠিক ভাবে হলে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা বলে কিছু থাকে না, বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। মোদির কথায়, ‘‘এত ভাল জনাদেশের পর আমরা নতুন সংসদ ভবনে আজ মিলিত হচ্ছি। নেতিবাচক সবকিছুকে ত্যাগ করতে হবে। বিরোধীদের সঙ্গে আমি সবসময় আলোচনা করি। দেশের ভিত্তি আরও মজবুত করার মঞ্চ হল সংসদ। প্রত্যেক সাংসদের কাছে আবেদন, আলোচনায় অংশগ্রহণ করুন, পরামর্শ দিন। দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক পদক্ষেপ করুন, বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করবেন না।’’ তিনি এ-ও বলেন, ‘‘গণতন্ত্রের জন্য বিরোধীদের ইতিবাচক মনোভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিজেদের অভ্যেস বদলান, হার থেকে হতাশা হতেই পারে। পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে চলুন।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘গেরুয়াময়’ বিধানসভায় লাড্ডু বিলি, মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে ‘চোর’ স্লোগান, ওয়াকআউট বিজেপির

    BJP: ‘গেরুয়াময়’ বিধানসভায় লাড্ডু বিলি, মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে ‘চোর’ স্লোগান, ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-দুপুরে কিছুক্ষণের জন্য রাজ্যের বিধানসভা হয়ে গেল গেরুয়াময় (BJP)। কারও মাথায় গেরুয়া টুপি, তো কারও মাথায় একই রংয়ের পাগড়ি। এক মহিলার হাতে আবার গেরুয়া লাড্ডুও। সোমবার দেশের তিন রাজ্যের জয় এভাবেই বিধানসভায় পালন করলেন বিজেপি বিধায়করা।

    পুলিশকে কটাক্ষ-বাণ শুভেন্দুর 

    স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অমান্য করায় এক পুলিশ কর্মীর সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা পদ্ম-বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় পুলিশ কর্মীকে উদ্দেশ্য করে শুভেন্দুকে বলতে শোনা যায়, “ডিএ পান না। তিরিশ হাজার টাকা করে মাসে কম পান। লজ্জা করে না আপনাদের!” বিধানসভায় জয়োৎসব পালন করার সময় পদ্ম বিধায়কদের বাধা দেন বিধানসভার এক কর্মী। তাঁকে লক্ষ্য করে নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “আপনি কার দয়ায় এক্সটেনশনে কাজ করছেন, সব জানি।”

    বিজেপির জয়ে লাড্ডু বিলি

    নভেম্বর মাসে নির্বাচন হয় পাঁচটি অঙ্গরাজ্যের বিধানসভার। তার মধ্যে রবিবার গণনা হয়েছে চারটি রাজ্যের বিধানসভার ভোট। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ে জয়ী হয়েছে বিজেপি (BJP)। এদিন বিধানসভায় সেই জয়ই উদযাপন করেন বিজেপির বিধায়করা। বিতরণ করা হয় লাড্ডুও। এদিকে, এদিন অধিবেশনের শুরুতেই তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা। শীতকালীন অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। তার জেরে যে মুখ্যমন্ত্রীকে বয়কট করা হবে, সেই ইঙ্গিত বিজেপির তরফে মিলেছিল আগেই। সেই মতো সোমবার প্রশ্নোত্তর-পর্বে মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে ‘চোর’, ‘চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। পরে ওয়াকআউট করেন বিধানসভা থেকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সনাতন ধর্মকে সম্মান না জানানোর পরিণতি’’! কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ ভেঙ্কটেশ প্রসাদের

    এর আগে বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করে পদ্ম-বিধায়করা গিয়ে বসতেন বিধানসভার সিঁড়িতে। এদিন তা না করে তাঁরা চলে যান বিজেপি বিধায়কদের নিজেদের পরিষদীয় দলের ঘরে। সেখানেই স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই বিধানসভার ভেতরে ও বাইরে যে কোনও ধরনের বিক্ষোভ ও কর্মসূচির ক্ষেত্রে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে বিধানসভা। তাই বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হলে তাতে শাস্তির মুখে পড়তে পারেন বিধায়করা। সেই কারণেই এদিন পরিষদীয় দলের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখান পদ্ম বিধায়করা। তাঁরা জানিয়ে দেন, তাঁরা আর বিধানসভায় ঢুকবেন না। কারণ আজ মুখ্যমন্ত্রীকে বয়কট করেছেন তাঁরা (BJP)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Narendra Modi: ‘তিসরি বার মোদি সরকার’, লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী ঢুকতেই হর্ষধ্বনি বিজেপি সাংসদদের

    Narendra Modi: ‘তিসরি বার মোদি সরকার’, লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী ঢুকতেই হর্ষধ্বনি বিজেপি সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি (Narendra Modi) ঝড়ে ডুবেছে কংগ্রেসের জাহাজ! গতকালই তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয় পায় বিজেপি। গতকাল তিন রাজ্যের সেই জয়ের উল্লাস এদিন যেন আছড়ে পড়ল নয়া সংসদ ভবনে। শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই এই জয়ের জন্য নরেন্দ্র মোদিকে রাজকীয় অভ্যর্থনা জানালেন বিজেপি সাংসদরা। তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন ‘তিসরি বার মোদি সরকার, বার বার মোদি সরকার’।

    লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীকে দেখে রাজকীয় অভ্যর্থনা

    প্রধানমন্ত্রী সংসদে ঢোকার পর নিজের আসনে বসতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং সাংসদরা মিলে শুরু করেন হর্ষধ্বনি। মোদির (Narendra Modi) পাশে ছিলেন অমিত শাহ ও রাজনাথ সিং। প্রথমে একদল বলতে থাকে, ‘তিসরি বার মোদি সরকার’ সেটার ছন্দমিল করে অপর দল বলে, ‘বার বার মোদি সরকার’।

    বিদেশি সংবাদমাধ্যমও বলছে, ক্ষমতায় ফিরছেন মোদি  

    বছর ঘুরলেই রয়েছে লোকসভার ভোট। তার আগে সেমিফাইনালে মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপির এই বিপুল জয়, তাঁর ক্ষমতায় আসার পথকে অনেকটাই মসৃণ করে দিল। তৃতীয়বার তাঁর প্রধানমন্ত্রী হতে কোনও বাধা রইল না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সোমবারই বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলির শিরোনামও ছিলেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। লোকসভা ভোটে যেন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠলেন মোদি এবং ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে কংগ্রেস, ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ থেকে ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’, ‘রয়টার্স’ প্রত্যেকেই এই সুরে কথা বলেছে।

    ক্ষমতায় ফের মোদি?

    প্রসঙ্গত, উত্তর ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্য এখন বিজেপির দখলে। তথ্য বলছে, এই রাজ্যগুলি থেকে রয়েছে লোকসভার নির্ণায়ক আসন। এখানটাতেই অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। গতকালের ফলাফল থেকে স্পষ্ট যে মধ্যপ্রদেশে ব্যবধান যেমন বেড়েছে জয়ের, তেমনই কংগ্রেসের হাতে থাকা রাজস্থান এবং ছত্তিসগড়কেও ছিনিয়ে নিয়েছে মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mary Millben: তিন রাজ্যে উড়েছে বিজেপির বিজয় কেতন, বিশ্বখ্যাত গায়িকার কণ্ঠেও মোদি-প্রশস্তি

    Mary Millben: তিন রাজ্যে উড়েছে বিজেপির বিজয় কেতন, বিশ্বখ্যাত গায়িকার কণ্ঠেও মোদি-প্রশস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেপ্টেম্বরের পর ডিসেম্বর। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে ফের একবার মোদি-স্তুতি ঝরে পড়ল অ্যাফ্রো-মার্কিন গায়িকা তথা নামী অভিনেত্রী মেরি মিলবেনের গলায় (Mary Millben)। তিন রাজ্যে বিজেপির জয়ের নেপথ্যের কারিগর যে তিনিই, তাও জানান এই গায়িকা।

    বিজেপির বিজয় নিশান

    নভেম্বরে শেষ হয়েছে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়, তেলঙ্গানা ও মিজোরামের বিধানসভা নির্বাচন। এর মধ্যে মিজোরাম বাদে বাকি চার রাজ্যের ফল ঘোষণা হয়েছে রবিবার। আজ, সোমবার গণনা চলছে মিজোরাম বিধানসভা নির্বাচনের ভোট। রবিবার যে চার রাজ্যের ফল ঘোষণা হয়েছে, তার মধ্যে তিনটিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। গোহারা হেরেছে কংগ্রেস। সোনিয়া গান্ধীর দলের মুখরক্ষা হয়েছে কেবল তেলঙ্গানায়। তিন রাজ্যে বিজেপির বিজয়-কেতন ওড়ার যাবতীয় কৃতিত্ব দলীয় নেতৃত্বও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুশাসনকে। এবার প্রায় একই স্বর শোনা গেল বিশ্বখ্যাত এই গায়িকার গলায় (Mary Millben)।

    গায়িকার কণ্ঠে মোদি-স্তুতি

    জয়ের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে মিলবেন লিখেছেন, “ভারতে আজ নির্বাচনের ফল বেরিয়েছে। বিজেপি রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ে জয়ী হয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিপুল জয়েরই বার্তা দিয়েছে এই ফল।” তিনি এও লিখেছেন, “ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য উনিই শ্রেষ্ঠ নেতা।”

    মিলবেনের কণ্ঠে মোদি-প্রশস্তি শোনা গিয়েছিল আগেও। ফিরে যাওয়া যাক জুন মাসে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আহ্বানে রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই অনুষ্ঠানে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ‘জন-গণ-মন’ গেয়ে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন এই অ্যাফ্রো-মার্কিন গায়িকা। প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধাও জানিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সনাতন ধর্মকে সম্মান না জানানোর পরিণতি’’! কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ ভেঙ্কটেশ প্রসাদের

    মোদি ও মিলবেনের এই পারস্পরিক শ্রদ্ধা প্রদর্শন যে নিছক ফোটো-সেশনের জন্য নয়, তা বোঝা গিয়েছিল আরও তিন মাস পরে। সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে আয়োজন হয়েছিল জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের। এই সম্মেলনে আফ্রিকান ইউনিয়নকে জি২০-র সদস্য পদ দেওয়ার প্রস্তাব দেয় ভারত। তখনও মিলবেন কণ্ঠে মোদি-প্রশস্তি শুনেছিল তামাম বিশ্ব। ভিডিও-বার্তায় এই গায়িকা-অভিনেত্রী (Mary Millben) বলেছিলেন, “জি২০-তে আফ্রিকান ইউনিয়নকে সদস্য হিসেবে অন্তর্গত করার প্রস্তাব দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনেক ধন্যবাদ।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় হাইকোর্টে স্বস্তি বিজেপি বিধায়কদের

    Calcutta High Court: জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় হাইকোর্টে স্বস্তি বিজেপি বিধায়কদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় বিজেপি বিধায়কদের স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপি বিধায়কদের ‘গ্রেফতার নয়’। এমনই মৌখিক নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ফলে, আরও একটি মামলায় ধাক্কা খেল রাজ্য। এদিন উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ, হঠাৎ করে জাতীয় সঙ্গীত শুরু করা যায় না।

    তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, গত ২৯ তারিখ বিধানসভায় অম্বেডকরের মূর্তির পাদদেশে তাঁরা যখন জাতীয় সঙ্গীত গাইছিলেন, তখন নাকি বিজেপি বিধায়করা না দাঁড়িয়ে ঘাসফুল শিবিরকে চোর চোর স্লোগান দিতে থাকে! যদিও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, যেখানে সেখানে, যে কোনও জায়গায় জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া যায় না। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাজ্যের শাসক দল এফআইআর-ও দায়ের করে পুলিশের কাছে। সেইমতো বেশ কয়েকজন বিধায়ককে তলব করে লালবাজার। পুলিশি তলবকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পাল্টা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয় গেরুয়া শিবির। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে দায়ের হয় মামলা। সেখানেই আদালত এই মামলায় বিজেপিকে স্বস্তি দিয়েছে ৷ বিধায়কদের গ্রেফতার না করার মৌখিক নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট ৷

    ঠিক কী অভিযোগ বিজেপির

    গত ২৯ তারিখ ধর্মতলার সভায় বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই দিনই কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে কালো পোশাক পরে বিধানসভা চত্বরে অম্বেডকরের মূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসে তৃণমূল। নেতৃত্বে ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন সময় পাল্টা প্রতিবাদ জানাতে সেখান থেকে বেশ খানিকটা দূরে হাজির হন বিজেপি বিধায়করা। এই সময় হঠাৎ তৃণমূল জাতীয় সঙ্গীত শুরু করে।

    নেপথ্যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা?

    বিজেপির অভিযোগ, জাতীয় সঙ্গীত কোথায় বাজছিল বা ওই বিধায়করা তখন কোথায় ছিলেন— এ সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখা হয়নি। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে চরিতার্থ করতে (Calcutta High Court) এবং বিজেপি বিধায়কদের হেনস্থা করতেই এই জাতীয় এফআইআর দায়ের করেছে শাসক। বিজেপির দাবি, সেদিনই বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননার অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি দেয় তৃণমূলের পরিষদীয় দল। এর পর বিধানসভায় এসে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেন ডিসি সেন্ট্রাল দীনেশ কুমার। তার পর ১১ বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। সেই ইস্যুতেই এ বার আদালতের দ্বারস্থ হয় পদ্মশিবির।

    কী জানাল আদালত?

    বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা বিষয়ক এই মামলাটি ওঠে। সেখানে বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে জানান, ‘‘হঠাৎ করে জাতীয় সঙ্গীত শুরু করা যায় না। এখানে যদি এখন কেউ জাতীয় সঙ্গীত গাইতে শুরু করেন, তা হলে তো সব কাজ বন্ধ করে সবাইকে দাঁড়িয়ে পড়তে হবে। এমনটা করা যায় নাকি! অবশ্যই জাতীয় সঙ্গীতের জন্য একটা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা উচিত।’’ বিচারপতির আরও পর্যবেক্ষণ, বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এমন নয় যে, যখন তৃণমূল বিধায়ক, মন্ত্রীরা জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া শুরু করেন, তখন থেকে বিজেপি বিধায়কেরাও স্লোগান দিতে শুরু করেন। তাঁরা বিধানসভায় আগে থেকেই স্লোগান দিচ্ছিলেন। ফলে জাতীয় সঙ্গীতের জন্য নিয়ম মানা দরকার। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Venkatesh Prasad: ‘‘সনাতন ধর্মকে সম্মান না জানানোর পরিণতি’’! কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ ভেঙ্কটেশ প্রসাদের

    Venkatesh Prasad: ‘‘সনাতন ধর্মকে সম্মান না জানানোর পরিণতি’’! কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ ভেঙ্কটেশ প্রসাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের চার রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ফলে গেরুয়া ঝড়। তিন রাজ্য রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তীসগড়ে বিজেপি বাজিমাত করেছে। গো-বলয়ের এই রাজ্যগুলিতে এক প্রকার পদ্ম-শিবিরের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে জাতীয় দল কংগ্রেস। এই জয়কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জয় হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদ। একই সঙ্গে সনাতন ধর্মকে অসম্মান করার ফল ভোগ করছে কংগ্রেস, এমনই অভিমত প্রসাদের (Venkatesh Prasad)। 

    কী বলেছেন প্রাক্তিন ক্রিকেটার?

    প্রাক্তন ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদ (Venkatesh Prasad) রবিবার বিধানসভা নির্বাচনে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পরে কংগ্রেস এবং জোটের অংশীদারদের তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তিনি কংগ্রেসের বেশিরভাগ রাজ্যে এই শোচনীয় অবস্থার জন্য দায়ী করেছেন কংগ্রেসের সঙ্গী উদয়নিধি স্ট্যালিনের ‘সনাতন ধর্ম এরিডিকেশন সম্মেলনে’-এ সামিল হওয়ার ঘটনাকে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রসাদ লিখেছেন, “সনাতন ধর্মকে সম্মান না করলে তার এমন পরিণতি হতে বাধ্য। এই বিপুল ব্যবধানে জয় পাওয়ার জন্য বিজেপিকে অনেক অভিনন্দন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের আশ্চর্যজনক নেতৃত্বর আরেকটি প্রমাণ এবং তৃণমূল স্তরে দলের ক্যাডাররা দুর্দান্ত কাজ করেছে।”

    রবিবার চার রাজ্যের ভোটের ফলে ৩-১ ব্যবধানে জিতেছে বিজেপি। মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতা ধরে রাখার পাশাপাশি পদ্ম শিবির সরকার গড়তে চলেছে রাজস্থান ও ছত্তিসগড়েও। টানা ৫ বার মধ্যপ্রদেশে জিতেছে বিজেপি। রাজস্থান, ছত্তিসগড় থেকে কংগ্রেসকে হারিয়ে ফের ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। মোদি ম্যাজিকে একেবারে ধরাশায়ী কংগ্রেস শিবির। কংগ্রেস জিতেছে শুধুমাত্র তেলঙ্গানায়। চার রাজ্যের ফলের পর দেশে বিজেপির একক শক্তিতে চলা সরকারের সংখ্যা বেড়ে হল ১২।  বিশাল জয়ের জন্য বিজেপিকে অভিনন্দন জানিয়েছে ক্রীড়া মহলও।

    আরও পড়ুন: প্রবল বেগে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম! রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস, ল্যান্ডফল কখন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share