Tag: Madhyom

Madhyom

  • Calcutta High court: বাড়িতে সারাক্ষণ কাজ করলে গৃহবধূরাও বেতন পাওয়ার যোগ্য! মত হাইকোর্টের

    Calcutta High court: বাড়িতে সারাক্ষণ কাজ করলে গৃহবধূরাও বেতন পাওয়ার যোগ্য! মত হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের কাজ করেই কেটে যাচ্ছে দিন রাত। তবু শুনতে হয় ‘ঘরেই তো বসে থাক! কোনও কাজ তো নেই…’। এমন কথা প্রায়শই অনেকে বলে থাকেন। কিন্তু আইন বলছে অন্য কথা। আইনের চোখে গৃহবধূর শ্রম পারিশ্রমিকের যোগ্য। বৃহস্পতিবার একটি মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High court) বলল, গৃহবধূদের বেকার বলা যাবে না। তাঁরাও স্বোপার্জনকারী। সংসারে তাঁরা দিবারাত্রি যে কাজ করেন, তার মূল্য রয়েছে।

    কী বলল আদালত

    ৫ বছরের পুরনো একটি ঘটনা নিয়ে মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। বৃহস্পতিবার সেই মামলা উঠেছিল বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের বেঞ্চে। মামলার রায় দেওয়ার সময় বিচারপতি বলেন, ‘‘কে বলেছে, গৃহবধূরা বেকার? সংসারে গৃহবধূদের অবদান অনেক বড়। তাঁরা কোনও ছুটি না নিয়ে ৩৬৫ দিন সংসারের যাবতীয় কাজ করেন। একই কাজ অন্য কাউকে দিয়ে করালে যে খরচ হত, তা ব্যয় করতে হয় না ওঁদের দৌলতেই। তাই সংসারে ওঁদের কাজের আর্থিক মূল্যও রয়েছে। আর সেই জন্যই গৃহবধূদের বেকার বলা যাবে না। তাঁদেরকেও উপার্জনকারী হিসাবেই দেখতে হবে।’’  এক্ষেত্রে হাইকোর্ট (Calcutta High court) মনে করে দিয়েছে ২০০৮ সালে দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের কথা। সর্বোচ্চ আদালত ব্যাখা করেছিল, যাঁরা বাড়িতে থাকেন তাঁদের বেকার বলে গণ্য করলে হবে না। প্রত্যেকদিন ১০০ টাকা করে ধার্য্য করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ইডির চার্জশিটে প্রিয়ঙ্কার নাম! আর্থিক তছরুপ মামলায় চাপে কংগ্রেস নেত্রী

    কোন প্রসঙ্গে এই মত

    প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে গাড়ি দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন বর্ধমানের বাসিন্দা লুফতা বেগম। পরে মৃত্যু হয় তাঁর। ছেলে মীর শামিম আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁর অভিযোগ ছিল, মোটর অ্যাক্সিডেন্ট ক্লেম ট্রাইব্যুনাল থেকে ক্ষতিপূরণের যথেষ্ট অর্থ তাঁরা পাচ্ছেন না। সংশ্লিষ্ট বিমা সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেন মৃতের ছেলে। কারণ যে গাড়িটির দ্বারা দুর্ঘটনা ঘটেছিল সেই গাড়িটির বিমা করা ছিল। এই মামলারই শুনানিতে বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তা ২০০৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া রায়ের উল্লেখ করেন। সেখানে তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, যাঁরা গৃহবধূ তাঁদের বেকার ভাবলে চলবে না। তাঁদের শ্রমের মূল্য তা গণ্য করতে হবে। এরপর হাইকোর্টে (Calcutta High court) ওই বিমা সংস্থাকে ৪ লক্ষ ৫১ হাজার ৭০০ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। মামলার শুনানিতে বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তার একক বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, ওই মহিলার ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্য টাকা অবিলম্বে তাঁকে দিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Qatar Death Penalty: ভারতীয় নৌসেনার ৮ প্রাক্তন কর্মীর মৃত্যুদণ্ড রদ কাতারে, বড় জয় মোদির কূটনীতির

    Qatar Death Penalty: ভারতীয় নৌসেনার ৮ প্রাক্তন কর্মীর মৃত্যুদণ্ড রদ কাতারে, বড় জয় মোদির কূটনীতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনীতির (India Qatar Relations) ময়দানে বড় জয় মোদি সরকারের। কাতারে ৮ ভারতীয়র মৃত্যুদণ্ডের সাজা রদ হল বৃহস্পতিবার (Qatar Death Penalty)। 

    অক্টোবরে মৃত্যুর সাজা 

    চরবৃত্তির অপরাধে অক্টোবর মাসে ভারতীয় নৌসেনার আট প্রাক্তন আধিকারিককে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছিল কাতার (Qatar Death Penalty)। এই ৮ জন হলেন— ক্যাপ্টেন নবতেজ সিং গিল, ক্যাপ্টেন বীরেন্দ্রকুমার বর্মা, ক্যাপ্টেন সৌরভ বশিষ্ঠ, কমান্ডার অমিত নাগপাল, কমান্ডার পূর্ণেন্দু তিওয়ারি, কমান্ডার সুগুণাকর পাকালা, কমান্ডার সঞ্জীব গুপ্তা এবং নাবিক রাজেশ। কাতারের নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালাচ্ছিল কেন্দ্র। একইসঙ্গে, কাতার প্রশাসনের সঙ্গে বিষয়টি কূটনৈতিক (India Qatar Relations) স্তরেও আলোচনা চালাচ্ছিল বিদেশমন্ত্রক। আজ মৃত্যুদণ্ড রদ করে হাজতবাসের সাজা শুনিয়েছে কাতারের আদালত।

    কোর্ট অফ আপিলে জয়

    বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘‘আজ কোর্ট অফ আপিল অফ কাতারের রায় অনুযায়ী, দাহরা গ্লোবান কেসে মৃত্যু দণ্ডের সাজা মকুব করা হয়েছে৷ তবে বিস্তারিত রায় এখনও আসেনি৷ আমরা এ বিষয়ে কাতারের আদালতে পূর্ণাঙ্গ রায়ের প্রতীক্ষা করছি। কাতারে আমাদের রাষ্ট্রদূত এবং অন্য আধিকারিকরা আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন৷ তাঁদের সঙ্গে ৮ জনের পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন৷ এই বিষয়ের প্রথম থেকেই আমরা নৌ-আধিকারিকদের পাশে রয়েছি৷ আমরা তাঁদের আইনি সব সাহায্য করে যাব৷’’

    চরবৃত্তির অভিযোগে গত বছর গ্রেফতার 

    গত বছর অগাস্ট মাসে নৌসেনার এই ৮ জন প্রাক্তন আধিকারিককে আটক করেছিল কাতারের গোয়েন্দা সংস্থা। কাতারের সশস্ত্র বাহিনীকে প্রশিক্ষণ পরিষেবা প্রদান করা দাহরা গ্লোবাল টেকনোলজিস অ্যান্ড কনসালটেন্সি সার্ভিসেস নামের একটি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন তাঁরা। ঠিক কী কারণে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, প্রথমে তা দোহার ভারতীয় দূতাবাসকেও জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। চলতি বছরের এপ্রিলে আদালতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর জানা যায়, তাঁদের বিরুদ্ধে চরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পর অক্টোবর মাসে ৮ জনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায় কাতারের নিম্ন আদালত (Qatar Death Penalty)। 

    কাতার আদালতের নির্দেশে কার্যতই স্তম্ভিত হয়ে যায় দিল্লি। এর পরই কেন্দ্রের তরফে তৎপরতা দেখা যায়। নভেম্বরে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, মৃত্যদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত ভারতীয়দের (India Qatar Relations) ছাড়িয়ে আনতে সব রকম আইনি সাহায্য করবে ভারত সরকার৷ গত মাসেই ভারত কাতারের কোর্ট অফ আপিলে মৃত্যুদণ্ডের সাজার বিরুদ্ধে আবেদন জানায়৷ তারপর আজ মৃত্যুদণ্ড রদ হওয়ার খবর এল (Qatar Death Penalty)।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Electra Wicket: কাজ কমল আম্পায়ারদের! ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি ‘ইলেকট্রা’ উইকেট 

    Electra Wicket: কাজ কমল আম্পায়ারদের! ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি ‘ইলেকট্রা’ উইকেট 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগে আনা হল নতুন প্রযুক্তি ইলেক্ট্রা স্টাম্প। এই নতুন ধরনের স্টাম্পগুলিতে ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রঙের আলো জ্বলে উঠবে। নতুন এই স্টাম্পগুলির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইলেকট্রা’। বিগ ব্যাশ লিগে এই স্টাম্পের উদ্বোধন করেছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন এবং প্রাক্তন অসি ক্রিকেটার মার্ক ওয়। 

    কেমন এই নতুন স্টাম্প

    ইতিপূর্বে রঙিন আলো ঝলমলে ইলেক্ট্রা উইকেট স্টাম্প মহিলাদের বিগ ব্যাশ লিগে ব্যবহার করা হয়েছিল। এবার পুরুষদের ক্রিকেট লিগে তা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই স্টাম্পের প্রধান আকর্ষণ এই স্টাম্পে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আলাদা আলাদা আলো জ্বলতে থাকে। ওয়াইড বল কিংবা নো-বলে বদলে যাবে উইকেটের রং। বাউন্ডারি কিংবা টাইম আউটের সময়ও বদলে যাবে স্টাম্পের রং। এই বিশেষ স্টাম্পে আলাদা আলাদা ডিসপ্লে দেখতে পাওয়া যায়। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের দাবি, নতুন এই স্টাম্পগুলি দর্শকদের আরও বেশি করে আকৃষ্ট করবে এবং ম্যাচের মাঝে কী হচ্ছে সেটা সম্পর্কে আরও বেশি করে তাঁদের জানাবে।

    ক্রিকেটকে আরও দর্শনীয় করে তুলতেই এই ব্যবস্থা। কোনও ব্যাটার আউট হলে স্টাম্পের রং লাল হয়ে যাবে। চার বা ছয় হলে স্টাম্পে একাধিক আলোর খেলা দেখা যাবে। দর্শকদের আনন্দের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন রঙের খেলা দেখানো হবে। তেমন ভাবে নো বল হলে লাল এবং সাদা রং মিশিয়ে আলোর খেলা দেখানো হবে। আম্পায়ারদেরও এতে সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, দু’টি ইনিংসের বিরতির মাঝেও বেগুনি এবং নীল রঙের আলোর কারিকুরি থাকছে। সিডনি সিক্সার্স বনাম অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স ম্যাচে প্রথম বার এই ধরনের স্টাম্প দেখা যায়। বিবিএলে এটি নতুন ইতিহাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Priyanka Gandhi: ইডির চার্জশিটে প্রিয়ঙ্কার নাম! আর্থিক তছরুপ মামলায় চাপে কংগ্রেস নেত্রী

    Priyanka Gandhi: ইডির চার্জশিটে প্রিয়ঙ্কার নাম! আর্থিক তছরুপ মামলায় চাপে কংগ্রেস নেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক প্রতারণা মামলায় (money laundering case) এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির দাখিল করা চার্জশিটে এবার উঠে এল কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর নাম। এনআরআই ব্যবসায়ী সিসি থাম্পির সঙ্গে যুক্ত আর্থিক তছরুপ মামলায় প্রিয়ঙ্কা ও তাঁর স্বামী রবার্টের যুক্ত থাকার দাবি করে ইডির তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

    চার্জশিটে ইডির দাবি

    ইডির দাবি, ২০০৬ সালে প্রিয়ঙ্কা এবং রবার্ট দিল্লির রিয়েল এস্টেট এজেন্ট এইচএল পাহওয়ালের মাধ্যম হরিয়ানার ফরিদাবাদে পাঁচ একর কৃষি জমি কিনেছিলেন। এরপর সেই জমি ২০১০ সালে এনআরআই ব্যবসায়ী সিসি থাম্পিকে বিক্রি করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। সূত্রের খবর, ওই চার্জশিটে প্রিয়ঙ্কাকে অভিযুক্ত হিসাবেই দেখানো হয়েছে। রবার্ট বঢরাও ওই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত। রবার্টের নাম অবশ্য এই মামলায় আগেও জড়িয়েছে।

    অভিযুক্ত প্রিয়ঙ্কার স্বামী

    ইডির তরফে মঙ্গলবার ব্রিটেনে বসবাসকারী ভারতীয় ব্যবসায়ী সিসি ওরফে চেরুভাতুর চাকুট্টি থাম্পি এবং সুমিত চড্ডাকে বেনামে সম্পত্তি কেনাবেচার মামলায় ‘অভিযুক্ত’ করে একটি চার্জশিট পেশ হয়। প্রিয়ঙ্কা এবং রবার্ট হরিয়ানায় তাঁদের একটি জমি থাম্পিকে বিক্রি করেছিলেন বলেও চার্জশিটে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ইডি দাবি করেছিল, অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ডকে ভিভিআইপি হেলিকপ্টারের বরাত এবং একটি বিদেশি সংস্থাকে তেল মন্ত্রকের বরাত পাইয়ে দেওয়ার ঘুষ হিসেবেই লন্ডনের সম্পত্তি পেয়েছিলেন রবার্ট।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ ‘দুর্নীতি’র তদন্তে সকালেই বড়বাজার-মানিকতলা সহ ৯ জায়গায় ইডির তল্লাশি

    লন্ডনে রবার্ট বঢরার সম্পত্তি আছে বলে দাবি করেছে ইডি। মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত করার সময় সেই সম্পত্তির কথা জানা যায় বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। তারা জানিয়েছে, থাম্পির সঙ্গে রবার্টের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল থাম্পিকে। প্রিয়ঙ্কার স্বামীর সঙ্গে তাঁর ১০ বছরের বেশি বন্ধুত্বের সম্পর্ক জিজ্ঞাসাবাদের সময় থাম্পি জানিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন ইডির তদন্তকারীরা। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Black Fever: করোনার ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফের মাঝেই কালাজ্বরের দাপট, রাজ্যে বাড়ছে উদ্বেগ 

    Black Fever: করোনার ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফের মাঝেই কালাজ্বরের দাপট, রাজ্যে বাড়ছে উদ্বেগ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা।‌ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, অযথা ভয় পাওয়ার দরকার নেই। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সতর্ক থাকা জরুরি। আর এর মধ্যেই রাজ্যে আরেক বিপদ! বছর শেষে নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে কালাজ্বর (Black Fever)। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, কালাজ্বরের দাপট বাড়ছে। তাই ডেঙ্গি, করোনার মাঝে রাজ্যবাসীর জন্য নয়া বিপদ তৈরি করেছে কালাজ্বর।

    কী বলছে সরকারি তথ্য? (Black Fever)

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছরে রাজ্যে ১৪ জন কালাজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। হাওড়ার এক বাসিন্দা কালাজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। ফলে, উদ্বেগ বাড়ছে। ন্যাশনাল ভেক্টর বোর্ন ডিজিজের তথ্য অনুযায়ী, গোটা দেশে প্রায় সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি মানুষ চলতি বছরে কালাজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ১৪ জন আক্রান্ত।  ২০০৩ সাল থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার দেশ থেকে কালাজ্বর (Black Fever) নির্মূল করার একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রের পাশপাশি রাজ্যগুলোকেও এ ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে। তবেই এই জ্বর দেশ থেকে নির্মূল হবে বলে সাফ জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কর্তারা। কিন্তু কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয়ের অভাব অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যা তৈরি করে বলে জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    কালাজ্বর থেকে সতর্ক থাকতে কী বলছেন চিকিৎসকেরা? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কালাজ্বরের কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ রয়েছে। জ্বরের পাশপাশি এই রোগ হলে বমি, পেটে যন্ত্রণা, গোটা শরীরে ব্যথা অনুভব হয়। পাশপাশি খিদে একদম কমে যায়। ত্বকের একাধিক জায়গায় কালো ছোপ হয়। অনেকের কালাজ্বর হলে ডায়েরিয়া হয়। তাই এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করা দরকার। তবে, বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকের কালাজ্বর (Black Fever) হলে জ্বর ছাড়া আর কোনও উপসর্গ দেখা যায় না। তাই দীর্ঘদিন জ্বর আর পেট ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ, চিকিৎসা শুরুতে দেরি হলে বিপদ বাড়তে পারে বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কেন বিপদ বাড়ায় কালাজ্বর? (Black Fever) 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কালাজ্বরে আক্রান্ত হলে পাকস্থলী এবং লিভারে প্রভাব পড়ে। পাকস্থলীতে ঘা হতে পারে। পাশপাশি লিভারের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। এই দুই অঙ্গ বিকল হয়ে গেলে বড় সমস্যা দেখা যায়। তাই কালাজ্বরের চিকিৎসা দেরিতে শুরু হলে একাধিক শারীরিক জটিলতা তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশপাশি, কালাজ্বর সংক্রমণ ছড়ায়। মাছির মাধ্যমে এই রোগ একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে ছড়িয়ে পড়ে‌। তাই একজনের এই রোগ (Black Fever) বাসা বাঁধলে দ্রুত রোগ নির্ণয় করা জরুরি। সংক্রামক রোগে রোগ নির্ণয়ে দেরি হলে আরও বেশি রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকবে, বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Russia Ukraine War: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানতে ‘বন্ধু’ মোদিকে পাশে চান পুতিন!

    Russia Ukraine War: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানতে ‘বন্ধু’ মোদিকে পাশে চান পুতিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব নেতাদেরও ভরসাস্থল হয়ে উঠছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) প্রেক্ষিতে এসসিও-র পার্শ্ব বৈঠকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে শান্তির ললিত বাণী শুনিয়েছিলেন রাম-বুদ্ধের দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    “এটা যুদ্ধের সময় নয়”

    প্রেসিডেন্টকে তিনি বলেছিলেন, “এটা যুদ্ধের সময় নয়।” রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র খুঁজে বের করার ওপরও জোর দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এতদিন সেকথা কানে না তুললেও, এখন পুতিনের কানে অনুরণিত হচ্ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উচ্চারিত সেই শান্তি-বাণী। তাই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বসে রাশিয়া-ইউক্রেন সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য বন্ধু নরেন্দ্র মোদির সাহায্য চেয়ে বসলেন পুতিন।

    মোদিকে আমন্ত্রণ পুতিনের 

    পাঁচ দিনের রাশিয়া (Russia Ukraine War) সফরে গিয়েছেন জয়শঙ্কর। বুধবার ক্রেমলিনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে মুখোমুখি হন পুতিন-জয়শঙ্কর। সেখানেই ভারতের বিদেশমন্ত্রীর মাধ্যমে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট আমন্ত্রণ জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। বছর দুয়েক ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এই যুদ্ধেরই শান্তিপূর্ণ সমাধান করতে চায় রাশিয়া। সেজন্য তাঁর বড় প্রয়োজন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। মোদিকে ইউক্রেন প্রসঙ্গে অতিরিক্ত তথ্য দিয়েও সাহায্য করতে চান বলেও জয়শঙ্করকে জানিয়েছেন পুতিন।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি জানি উনি (মোদি) এই বিষয়ে (রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ) শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ বের করার ক্ষেত্রকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেবেন। তাই এই বিষয়ে আমরা তাঁকে অতিরিক্ত তথ্য দেব।”

    প্রধানমন্ত্রীকে ‘বন্ধু’ সম্বোধন করে পুতিন বলেন, “আমরা খুশি হব, যদি তাঁকে রাশিয়ায় দেখতে পাই।” রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি জানি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শান্তিপূর্ণভাবে ইউক্রেন-রাশিয়া সঙ্কট মেটাতে চান। ইউক্রেনে কী চলছে, তা আমি ওঁকে বহুবার জানিয়েছি। এ নিয়ে আমরা এক সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব। প্রয়োজনে অতিরিক্ত তথ্যও দেব।”

    আরও পড়ুুন: “ওরা ভাগ করতে জানে, ঐক্যবদ্ধ হতে নয়”, রাহুলের ‘ন্যায় যাত্রা’কে খোঁচা বিজেপির

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকও করেন পুতিন-জয়শঙ্কর। এই বৈঠকে পুতিন বলেন, “পর পর দ্বিতীয় বছরেও আমাদের ব্যবসার টার্নওভার বাড়ছে একই সময় ও একই ধারার গতিতে। এবারের বৃদ্ধি আগের বছরের চেয়েও ভালো (Russia Ukraine War)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

  • BJP:  “ওরা ভাগ করতে জানে, ঐক্যবদ্ধ হতে নয়”, রাহুলের ‘ন্যায় যাত্রা’কে খোঁচা বিজেপির

    BJP:  “ওরা ভাগ করতে জানে, ঐক্যবদ্ধ হতে নয়”, রাহুলের ‘ন্যায় যাত্রা’কে খোঁচা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর খানেক আগে তিনি বেরিয়েছিলেন ‘ভারত জোড়ো’ যাত্রায়। এবার ফের নামছেন পথে। লোকসভা নির্বাচনের আগে আবারও একবার যাত্রা শুরু করছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এই যাত্রার পোশাকি নাম ‘ন্যায় যাত্রা’। রাহুলের যাত্রা শুরু হবে ১৪ জানুয়ারি, মণিপুর থেকে। ১৪টি রাজ্যের ৮৫টি জেলা পেরিয়ে যাত্রা শেষ হবে ২০ মার্চ। কংগ্রেসের প্রাক্তন এই সভাপতির ‘ন্যায় যাত্রা’কে কটাক্ষ করেছে বিজেপি (BJP)।

    ‘আসল ন্যায় করছেন মোদি’

    দলের মুখপাত্র নলীন কোহলি বলেন, “আসল ন্যায় করছেন নরেন্দ্র মোদি। আর তা তিনি করছেন ২০১৪ সাল থেকে।” মোদির আমলে দেশজুড়ে উন্নয়নের বন্যা বয়ে যাচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, “এসবের কারণ প্রধানমন্ত্রী মোদি মানুষের কথা ভাবেন। যা দিয়ে কারওর লক্ষ্যকে ভাল করা যায় বা ভাল নীতি কার্যকর করা যায়, তা-ই করছেন প্রধানমন্ত্রী।” এই প্রসঙ্গেই তিনি তুলে ধরেন বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প, ভর্তুকিযুক্ত বাড়ি, মুদ্রা ঋণের বিষয়গুলি।

    ন্যায় বিচার দেবে কীভাবে? 

    রাহুলের ‘ন্যায় যাত্রা’কে নিশানা করেছেন বিজেপির (BJP) আর এক নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরও। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “যারা ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের নামে দেশ ভাগ করছে, তারা কীভাবে ন্যায় বিচার দেবে? ১৯৮৪ সালে শিখ-বিরোধী হিংসায় যারা এখনও বিচার দিতে পারেনি, তারা কীভাবে ন্যায় বিচার দেবে? ওই হিংসার শেকড়ে পৌঁছতে সিট গঠন করেছে মোদি সরকার।” অনুরাগ বলেন, “ইন্ডি-জোট, যাতে কংগ্রেসও রয়েছে, তারা ভাগ করতে জানে, ঐক্যবদ্ধ করতে নয়। সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনগুলিতে হেরে গিয়ে পরাজয় স্বীকার না করে তারা দুষছে ইভিএমকে! অন্য দিকে দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। ধর্ম এবং সম্প্রদায়িক বিভাজনের নামে রাজনীতি করছে।”

    আরও পড়ুুন: বাংলার ৬০ শতাংশ মানুষ মোদিকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাইছেন, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

    তিনি বলেন, “আজ দেশ খুব দ্রুত এগোচ্ছে। বৃহত্তম অর্থনীতির দেশেগুলির তালিকায় ভারতের স্থান পাঁচে। অচিরেই দেশ পরিণত হবে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে। উন্নয়নের এই ধারা থেকে মানুষের নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে এরা। এরা হয়ত জানেন না, যে ১৪০ কোটি ভারতবাসী রয়েছেন মোদিজির পাশে।” অনুরাগ বলেন (BJP), “কংগ্রেস শ্রী রামকেও কাল্পনিক বলছে। তাদের সহযোগী দলগুলি সবসময় সনাতন ধর্মকে অসম্মান করার চেষ্টা করে চলেছে। উল্টো দিকে দেখুন, মোদি সরকারের একমাত্র পাখির চোখ – দেশের উন্নয়ন, দরিদ্রদের কল্যাণ। মোদির নেতৃত্বেই দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

     

      দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

  • ED Raid Kolkata: নিয়োগ ‘দুর্নীতি’র তদন্তে সকালেই বড়বাজার-মানিকতলা সহ ৯ জায়গায় ইডির তল্লাশি

    ED Raid Kolkata: নিয়োগ ‘দুর্নীতি’র তদন্তে সকালেই বড়বাজার-মানিকতলা সহ ৯ জায়গায় ইডির তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শহরের একাধিক জায়গায় হানা দিল ইডি। বড়বাজার, মানিকতলা, নিউ আলিপুর সহ প্রায় ৯টি জায়গায় তদন্ত চালায় ইডির আধিকারিকরা। অভিযানে ইডির (ED Raid Kolkata) সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও রয়েছেন। ইডির আধিকারিকরা এই তল্লাশি সম্পর্কে প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি। সূত্রের খবর, প্রাথমিকে শিক্ষক দুর্নীতি মামলার তদন্তেই অভিযান।

    কোথায় কোথায় তল্লাশি

    বৃহস্পতিবার সকালে ডালহৌসি অঞ্চলের একটি অফিসে, বড়বাজারের একটি অফিসে এবং সল্টলেকের বেঙ্গল কেমিক্যালসে দেখা যায় ইডি (ED Raid Kolkata) আধিকারিকদের। ইডির তরফে এই তল্লাশির কারণ নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু জানা না-গেলেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকে শিক্ষক দুর্নীতি মামলার তদন্তের সূত্রেই এই অভিযান। বড়বাজারে যে জায়গায় ইডি আধিকারিকেরা হানা দিয়েছেন, সেটি এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টের অফিস বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, হিসাবে গরমিল সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্তের সূত্রেই সেখানে হানা দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ডাল, আটার পর সরকারি চাল! ২৫ টাকা কেজি দরে বাজারে আসছে ‘ভারত রাইস’

    কেন তল্লাশি

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে তৎপর পুলিশ। সুপ্রিম কোর্টেরও বেঁধে দেওয়া ডেডলাইন রয়েছে। তাই বছর শেষেও তৎপর ইডির আধিকারিকরা। এদিন সকালে বড়বাজারে ক্যানিং স্ট্রিট এলাকায় রাজেশ যোশী নামে এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্টের অফিসে তল্লাশির জন্য পৌঁছে যান। সূত্রের খবর, ওই অফিসের মালিকের সঙ্গেও কথা বলবেন ইডির (ED Raid Kolkata) গোয়েন্দা দল। আপাতত গোটা অফিসটি ঘিরে ফেলেছেন সিআরপিএফ জওয়ানরা।  অন্যদিকে বেঙ্গল কেমিক্যালস বাসস্টপের কাছে মণিকলা আবাসনের ১৬ ও ১৮ তলায় দু’জন ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটেও তল্লাশির জন্য পৌঁছে গিয়েছে এজেন্সি। সেখানেও নানা কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, শহরের এই জায়গাগুলিতে গিয়ে সেখান থেকে কোনও নথি উদ্ধার করা যায় কিনা তা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই দলে কয়েকজন মহিলা অফিসারও রয়েছেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Poll 2024: বাংলার ৬০ শতাংশ মানুষ মোদিকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাইছেন, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

    Lok Sabha Poll 2024: বাংলার ৬০ শতাংশ মানুষ মোদিকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাইছেন, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ একটা। দুই মুখ। একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্য দিকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কার রেটিং কত? প্রধানমন্ত্রী পদে কাকে চাইছে বাংলা? কী বলছেন বাংলার (Lok Sabha Poll 2024) ভোটাররা? সম্প্রতি জনমত সমীক্ষা চালিয়েছিল সি ভোটার। সেখানেই জানা গিয়েছে, রাহুলের চেয়ে যোজন খানেক এগিয়ে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বাংলার ৬০ শতাংশ ভোটারও তাঁকেই দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী পদে। কিছুদিন আগেই ফল বেরিয়েছে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের। এর মধ্যেই তিনটিতে উড়েছে গেরুয়া নিশান। কংগ্রেসের মুখ রক্ষা হয়েছে কেবল তেলঙ্গানায়। বিজেপির দাবি, তিন রাজ্যে জয় এসেছে মোদি ম্যাজিকেই।

    অগোছালো বিরোধীরা

    বিজেপির জয়ের গ্রাফ যখন ঊর্ধ্বমুখী, তখন ঘরই গুছিয়ে উঠতে পারেনি বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলকে নিয়ে গঠিত ইন্ডি জোট। জোট গঠনের পর থেকে চার-চারটি বৈঠক হয়েছে বটে, তবে এখনও প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীই ঠিক হয়নি। এনিয়েও জোটের অন্দরে শুরু হয়েছে অশান্তি। জোট শরিক তৃণমূল নেত্রী কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করতে চাইলেও, এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার আবার তাতে আপত্তি জানিয়েছেন।

    এগিয়ে মোদি

    ইন্ডি জোটে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী এখনও ঠিক না (Lok Sabha Poll 2024) হলেও, সি-ভোটারের সমীক্ষকরা তুল্যমূল্য বিচার করছেন মোদি বনাম রাহুলের রেটিং। তাতে দেখা যাচ্ছে, মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাইছেন ৫৯ শতাংশ মানুষ। সে ক্ষেত্রে রাহুলকে ওই পদে দেখতে চাইছেন ৩২ শতাংশ মানুষ। এই দুজনের মধ্যে কাউকেই পছন্দ করেন না ৪ শতাংশ ভোটার। মতামত দেননি ৫ শতাংশ মানুষ।

    একমাত্র পাঞ্জাবেই মোদির চেয়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছেন রাহুল। তাঁকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাইছেন ৩৬ শতাংশ মানুষ। তবে বাকি রাজ্যগুলিতে রাহুলকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গোল দিয়েছেন মোদি। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাও। এখানকার ৬০ শতাংশ মানুষই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছেন মোদিকে। ছত্তিসগড়ের ৬৭ শতাংশ, কর্নাটকের ৬৫ শতাংশ, মধ্যপ্রদেশে ৬৬ শতাংশ, রাজস্থানে ৬৫ শতাংশ, তেলঙ্গানায় ৫০ শতাংশ, বিহারে ৬৬ শতাংশ, মহারাষ্ট্রে ৫৫ শতাংশ এবং উত্তরপ্রদেশের ৬০ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছেন মোদিকেই।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রে ফের মোদিই, বলছে বছর শেষের সমীক্ষা, কত আসন পাবে বিজেপি?

    মোদি এবং রাহুলের মধ্যে কাউকেই পছন্দ নয় ছত্তিসগড়ে ১, কর্নাটকে ২, মধ্যপ্রদেশে ৩, রাজস্থানে ২, তেলঙ্গানায় ২, বিহারে ৬, মহারাষ্ট্রে ৬, পঞ্জাবে ১৪, উত্তরপ্রদেশে ৮ এবং পশ্চিমবঙ্গের ২ শতাংশ ভোটারের। মোদি-রাহুল দ্বৈরথের পর তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চান ১৩ শতাংশ মানুষ। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান ১০ শতাংশ মানুষ। আর ৯ শতাংশ মানুষ চাইছেন (Lok Sabha Poll 2024) প্রধানমন্ত্রী হোন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Bharat Rice: ডাল, আটার পর সরকারি চাল! ২৫ টাকা কেজি দরে বাজারে আসছে ‘ভারত রাইস’

    Bharat Rice: ডাল, আটার পর সরকারি চাল! ২৫ টাকা কেজি দরে বাজারে আসছে ‘ভারত রাইস’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির জেরে নাজেহাল মধ্যবিত্ত। স্বস্তি দিতে সদা সচেষ্ট কেন্দ্র সরকার। তাই ভারত ডাল ও ভারত আটার পর এবারে বাজারে চাল আনছে সরকার। আসছে ভারত রাইস (Bharat Rice)। বাজারে ভারত রাইস আসছে মাত্র ২৫ টাকা কিলো দরে। বাজারচলতি মূল্যের চেয়ে এই দাম অনেকটাই কম। সাধারণ বাজারচলতি চালের দামের প্রায় অর্ধেক। এর আগে আটা এবং ডালের ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় সরকার একই ভাবে মূল্যহ্রাসে উদ্যোগী হয়েছিল। ‘ভারত আটা’ এবং ‘ভারত ডাল’ বর্তমানে বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। যে কোনও সংস্থার ডাল বা আটার চেয়ে যার দাম বেশ কম।

    কীভাবে পাওয়া যাবে ভারত রাইস

    এর আগে, দেশে ক্রমবর্ধমান পেঁয়াজ ও টমাটোর দাম বৃদ্ধি রুখতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে পেঁয়াজ ও টমাটো কম দামে বিক্রির বন্দোবস্ত করে। তারপর ডাল ও আটা এবার চাল। সরকারি সূত্রে খবর, ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ কনজিউমার ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (এনসিসিএফ), এগ্রিকালচারাল কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (নাফেড), কেন্দ্রীয় ভান্ডারের দোকান এবং মোবাইল ভ্যানের মাধ্যমে এই চাল বিক্রি করা হবে। তবে, কবে থেকে এই চাল (Bharat Rice) বাজারে পাওয়া যাবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের তুলনায় এবার চালের মূল্যবৃদ্ধি ১৪.১ শতাংশ হয়েছে। গড়ে ৪৩.৩ টাকা কিলো দরে বিক্রি হচ্ছে চাল। 

    আরও পড়ুন: শৃঙ্খলা কাম্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পথে নেমে কাজ করার বার্তা বিজেপি কর্মীদের

    খাদ্যশস্যের দাম কমাতে সক্রিয় সরকার

    বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকার কম দামে আটা আর ছোলার ডাল বিক্রি করেছে। সরকারি সংস্থাগুলির আউটলেটে ভারত আটা প্রতি কেজিতে ২৭.৫০ টাকা ও ভারত ডাল ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কেন্দ্রের তরফে, খুচরো বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার বাসমতি চালের রপ্তানি নিষিদ্ধ করে। পরিসংখ্যান বলছে, নভেম্বরে দেশে খাদ্যশস্যের দাম ১০.২৭ শতাংশ বেড়েছে। যা মুদ্রাস্ফীতিকে পৌঁছে দিয়েছে ৮.৭০ শতাংশে। খাদ্যশস্যের দাম কমাতে তাই সক্রিয় সরকার। চাল (Bharat Rice) অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি খাদ্যশস্য। দেশের একটা বড় অংশের মানুষের জীবনে যা অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তাই চালের দামে লাগাম টানা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে, বলে অভিমত সরকারি মহলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share