Tag: Madhyom

Madhyom

  • Chandrayaan 3: চাঁদের দেশে কেমন আছে প্রজ্ঞান ও বিক্রম? জানতে অপেক্ষা আরও ৯ দিনের

    Chandrayaan 3: চাঁদের দেশে কেমন আছে প্রজ্ঞান ও বিক্রম? জানতে অপেক্ষা আরও ৯ দিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সূর্য অস্ত গিয়েছে বেশ কয়েকদিন আগেই। ইসরোর বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামী ২২ সেপ্টেম্বর নাগাদ আবার দক্ষিণ মেরুতে সূর্য উঠবে। বর্তমানে সেখানে কনকনে ঠান্ডা। এমন অবস্থায় ল্যান্ডার বিক্রম অথবা রোভার প্রজ্ঞান ঠিক কেমন আছে? আদৌ কি কার্যক্ষমতা বজায় রয়েছে চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3) এর? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখন নয় এর উত্তর মিলবে আরও ৯ দিন পরেই। তবে তাঁরা এও জানাচ্ছেন, বিক্রমের প্রযুক্তি স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। পৃথিবীর রাত্রি ও চাঁদের রাত্রির পার্থক্য তাপমাত্রার দিক থেকে অনেকটাই বেশি। চাঁদে সূর্য ডুবলে তাপমাত্রা নেমে যায় ২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর নিচে। এই প্রবল ঠান্ডায় চন্দ্রযানের (Chandrayaan 3) প্রযুক্তি ঠিক কাজ করবে কিনা তা স্পষ্ট বলা যাচ্ছে না, কিন্তু এতেও আশা ছাড়ছে না ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

    স্লিপ মোডে রয়েছে বিক্রম ও প্রজ্ঞান

    ল্যান্ডার বিক্রম ও রোভারকে স্লিপ মোডে পাঠানো হয়েছে। তথ্য সংগ্রহ হবে যেখান থেকে সেই যন্ত্রাংশগুলি এখনও  চালু রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২৩ অগাস্ট চাঁদের মাটিতে সফট ল্যান্ডিং করে ল্যান্ডার বিক্রম (Chandrayaan 3)। তারপর পেটের ভিতর থেকে গুটিগুটি পায়ে বেরিয়ে আসে রোভার প্রজ্ঞান। সেসময় দক্ষিণ মেরুতে সূর্যের আলো ছিল। এই সময়ে চাঁদের বায়ুমন্ডলের গঠন সমেত চন্দ্রপৃষ্ঠের রাসায়নিক উপাদান এসব কিছুরই অনুসন্ধান চালায় রোভার প্রজ্ঞান। ল্যান্ডার বিক্রমের একাধিক ছবিও তোলে প্রজ্ঞান।

    চন্দ্রপৃষ্ঠে ১০০ মিটারেরও বেশি হেঁটেছে প্রজ্ঞান

    ইসরো নিজেদের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করে সেসব ছবি। ছয় চাকার প্রজ্ঞান চাঁদে ১০০ মিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে ইসরো। পরবর্তীকালে চাঁদে রাত নামার আগে হফ পরীক্ষাও করা হয়, অর্থাৎ ল্যান্ডার বিক্রম (Chandrayaan 3) মাটি থেকে ৪০ সেন্টিমিটার লাফ দেয়। এই হফ পরীক্ষা পরবর্তীকালে চন্দ্রপৃষ্ঠে মানব অভিযানে সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানী মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shanti Swarup Bhatnagar Prize: ‘‘এখনও বহু পথ চলা বাকি’’, বললেন দেশের সেরা চিকিৎসক দীপ্যমান

    Shanti Swarup Bhatnagar Prize: ‘‘এখনও বহু পথ চলা বাকি’’, বললেন দেশের সেরা চিকিৎসক দীপ্যমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিশেষ অবদানের জন্য শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize) পেলেন বাঙালি চিকিৎসক দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায় (Dipyaman Ganguly)। চার দশক পর বঙ্গের কোনও প্রতিষ্ঠানে কাজ করে বাঙালি হিসেবে এ বছর এই সম্মান পেয়েছেন দীপ্যমান। বাংলায় কাজ করে একমাত্র বাঙালি হিসেবে পুরস্কৃত হওয়ার ক্ষেত্রে মেডিক্যাল সায়েন্স বিভাগে দীর্ঘদিনের খরা কাটিয়েছেন তিনি। তবে এটা শুরু, এখনও অনেক পথ চলা বাকি বলে জানালেন বাঙালি চিকিৎসক-গবেষক।

    কেন এই সম্মান

    দীর্ঘদিন ধরেই অনাক্রম্যতা (ইমিউনোলজি) বিষয়ে গবেষণা করছেন দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায় (Dipyaman Ganguly)। তাতে বিশেষ ভাবে ছিল অটোইমিউন ডিজিজ। সাম্প্রতিক কালে কোভিডে অনাক্রম্যতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কী ভাবে প্রভাব ফেলেছিল, সেটি নিয়েও গবেষণা করেন তিনি। করোনাকে হারাতে প্লাজমা থেরাপিকে হাতিয়ার করেছিলেন চিকিৎসকরা। প্লাজমা থেরাপির নেপথ্য কারিগর ছিলেন বাঙালি চিকিৎসক-গবেষক দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি এখন ইনস্টিটিউট অফ কেমিক্যাল বায়োলজিতে গবেষণা করছেন। পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize) পাওয়া প্রসঙ্গে নির্বিকার দীপ্যমান বলেন, “সম্মান পেয়ে ভাল লাগছে। তবে এখনও বহু পথ চলা বাকি। মানুষের স্বার্থে কাজ করতে চাই। গবেষণা চালিয়ে যাব। আরও বড় কিছুর সন্ধান করাই আমার লক্ষ।”

    ভিন রাজ্যে বাংলার মেধা

    চিকিৎসা ক্ষেত্রে ১৯৮৫-র পর আর কোনও বাঙালি বাংলায় কাজ করে ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize) পাননি। নিউরোসায়েন্সে অবদানের জন্য সে বছর এই পুরস্কার পেয়েছিলেন ডিকে গঙ্গোপাধ্যায়। তার পর বীরেন্দ্রনাথ মল্লিক (নিউরোবায়োলজি/২০০১), অনিলকুমার মণ্ডল (নিউরো-ফিজিওলজি/২০০৩), মিতালি মুখোপাধ্যায় (গ্লকোমা/২০১০) ও সন্দীপ বসু (হিউম্যান জিনোমিক্স/২০১২) ভাটনগর পুরস্কার পেলেও তাঁরা প্রত্যেকেই রাজ্যের বাইরের প্রতিষ্ঠানে কাজের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। ৩৯ বছর পর কলকাতায় কাজ করে মেডিক্যাল সায়েন্সে শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize) পেয়ে দীপ্যমান বলেন, “এত বছর পর মেডিক্যাল সায়েন্সে যে বাংলার প্রাপ্তি হলো, সেটাই আমায় রোমাঞ্চিত করছে। কিন্তু ভাবতে হবে  কেন ভিন রাজ্যে রাজ্যের মেধা চলে যাচ্ছে?‌ রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এই রাজ্যে আর‌ও বেশি করে গবেষণার পরিকাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন।”

    আরও পড়ুন: গর্বিত বাংলা! বিজ্ঞান ক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ ভাটনগর পুরস্কার পেলেন চার বাঙালি

    দীপ্যমানের পড়াশোনা

    রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তনী কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস উত্তীর্ণ হয়েছিলেন দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায় (Dipyaman Ganguly)। এখন ঢাকুরিয়ায় থাকলেও দীপ্যমানবাবুদের আদি বাড়ি খড়দহের রিজেন্ট পার্কে। প্রায় এক দশক আগে সেখান থেকে সপরিবারে কলকাতায় চলে আসে গঙ্গোপাধ্যায় পরিবার। চিকিৎসক মহলের একটা বড় অংশেরই বক্তব্য, ডাক্তারি পাস করার পরেও ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসের জৌলুস থেকে নিজেকে দূরে রেখে যে ভাবে এই ইমিউনোলজিস্ট নিরলস গবেষণা করে চলেছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানের একেবারে মৌলিক বিষয়ে, তা কুর্নিশ যোগ্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asia Cup 2023: আজ ফের ম্যাচ, ক্লান্ত কোহলি! পাকিস্তান-বধে পাঁচ উইকেটের রহস্য জানালেন কুলদীপ

    Asia Cup 2023: আজ ফের ম্যাচ, ক্লান্ত কোহলি! পাকিস্তান-বধে পাঁচ উইকেটের রহস্য জানালেন কুলদীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার এই গরমে টানা তিন দিন খেলা বেশ ক্লান্তির, জানালেন কিং কোহলি। রবিবার ২৪ ওভার, সোমবার খেলতে হল ৫৭ ওভার, মঙ্গলবার আবার মাঠে নেমে ১০০ ওভার খেলতে হতে পারে। এশিয়া কাপে ভারতের কঠিন সূচির কথা মেনে নিলেন বিরাট। পাকিস্তানকে হারিয়ে ম্যাচের সেরার পুরস্কার নিতে এসে সঞ্চালক সঞ্জয় মঞ্জরেকরকে আগে ভাগেই কোহলি বলে দিলেন, “আমি অনুরোধ করব আপনি যাতে সাক্ষাৎকারটা খুব ছোট নেন। আমি প্রচণ্ড ক্লান্ত।”

    টানা ক্রিকেটের ধকল বিরাটের মুখে

    সোমবার বৃষ্টির কারণে স্বাভাবিক সময়ে খেলা শুরু হয়নি। প্রায় দেড় ঘণ্টার বেশি দেরি হয়েছে শুরু হতে। মাঝেও বৃষ্টিতে অনেক ক্ষণ খেলা বন্ধ থেকেছে। পাকিস্তান পুরো ৫০ ওভার খেললে রাত প্রায় ১টা বেজে যেত ম্যাচ শেষ হতে। মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি ভারত। ক্লান্তি প্রসঙ্গে কোহলি বললেন, “মাঠে প্রচুর দৌড়ে রান নিয়েছি। প্রত্যেক সময়েই মনে হচ্ছিল, কাল আবার দুপুর ৩টের সময় আমাদের মাঠে নামতে হবে। ভাগ্য ভাল যে আমরা নিয়মিত টেস্ট খেলি। আমি ১০০টার উপর টেস্ট খেলেছি। তাই কী ভাবে পর দিন মাঠে নামতে হয় সেটা আমার জানা। তবে এটাও ঠিক, এই মাঠে প্রচণ্ড গরম। নভেম্বরে আমার ৩৫ বছর বয়স হবে। তাই শরীরের দিকে বাড়তি খেয়াল তো রাখতেই হবে। চাইব যত দ্রুত সম্ভব নিজেকে তৈরি করতে।”

    কোহলির রেকর্ড

    এদিন এক দিনের ক্রিকেটে ১৩ হাজার রান হয়ে গেল কোহলির। দ্রুততম ব্যাটার হিসাবে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি। সোমবার রিজার্ভ ডে-র দিনে শুরু থেকেই চালিয়ে খেলতে শুরু করেন তিনি। কোহলির আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের সামনে পাকিস্তানের ক্রিকেটারেরা দাঁড়াতেই পারেননি। হ্যারিস রউফকে হারিয়ে এমনিতেই একটু চাপে ছিল পাকিস্তান। শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহেরা কোহলির আগ্রাসনের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। এই নিয়ে ২৭৭ ইনিংসে ১৩ হাজার রান করলেন কোহলি। টপকে গেলেন সচিন তেন্ডুলকরকে, যিনি ৩২১ ইনিংসে ১৩ হাজার রান করেছিলেন। শাহিনের বলে দু’রান নিয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন কোহলি। এক দিনের ক্রিকেটে ৪৭তম শতরান হল কোহলির। শীর্ষে থাকা সচিনের থেকে আর দু’টি শতরান পিছনে তিনি।

    আরও পড়ুন: কুলদীপের কেরামতি! কোহলি-রাহুলের শতরান, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সহজ জয় ভারতের

    কুলদীপের কেরামতি

    কিছু দিন পরে ভারতের মাটিতে শুরু হচ্ছে এক দিনের বিশ্বকাপ। সেই প্রতিযোগিতায় ভারতের অন্যতম অস্ত্র কুলদীপ যাদব। পাঁচ উইকেট নিয়ে একার হাতে পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে দিয়ে এদিন কুলদীপ বলেন, “চার বছর আগে ২০১৯-এর বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলেছিলাম। ওদের দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটারকেই চিনি। তাই স্পিন ওরা কী ভাবে খেলে সেটাও জানি। চেষ্টা করেছিলাম বলের মধ্যে বৈচিত্র আনতে। উইকেট লক্ষ্য করে বল করতে চেয়েছিলাম। স্পিন ভাল খেলে এমন দলের বিরুদ্ধে খেলার সুবাদে দেখেছি, ওরা শুধু সুইপ এবং রিভার্স সুইপ মারার চেষ্টা করে। ওখানেই উইকেট নেওয়ার সুযোগ চলে আসে।”

    কুলদীপ জানিয়েছেন, পাঁচ উইকেট নেওয়া কখনওই তাঁর লক্ষ্য ছিল না। তিনি চেয়েছিলেন ভাল বল করতে। কুলদীপের কথায়, “প্রথম ওভার থেকেই ভাল ছন্দ পেয়ে গিয়েছিলাম। ধারাবাহিক ভাবে ভাল বল করে গিয়েছি। পাঁচ উইকেট পেলে ভাল লাগে ঠিকই। কিন্তু চারটে উইকেট পেয়ে যাওয়ার পরে কখনও ভাবি না যে আর একটা উইকেট আমাকে পেতেই হবে। সেই মুহূর্তে ভাল লেংথে বল করাই আমার লক্ষ্য থাকে। কিন্তু পাঁচ উইকেট পাওয়ার অনুভূতি যে আলাদা সেটা স্বীকার করতে বাধা নেই।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘কনভয়ের গতিবিধির ওপর নজরদারি করছে রাজ্য’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘কনভয়ের গতিবিধির ওপর নজরদারি করছে রাজ্য’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকার তাঁর কনভয়ের রাখা যাতায়াতের গতিবিধির ওপর নজরদারি রাখে, এই দাবি তিনি প্রায় বেশ কয়েক মাস আগে করেছিলেন। সোমবার তা হাতেনাতে ধরলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলনেতা এদিন তোপ দাগেন। এমনকী জেলা পুলিশ সুপারকেও তিনি নিশানা করেছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    এদিন উত্তর ২৪ পরগনায় একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগদানের জন্য জাতীয় সড়ক ধরে যাচ্ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) । পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাটের হলদিয়া মোড় পেরিয়ে বেশ খানিকটা পথ অতিক্রম করার পর বিশেষ কাজে তিনি ফিরে আসেন হলদিয়া মোড়ের কাছে। তখন তিনি দেখতে পান জাতীয় সড়কের কোলাঘাটে জাতীয় সড়কের পাশে স্পিডোমিটার সরিয়ে নিচ্ছেন পুলিশ কর্মচারীরা। গাড়ি থেকে নেমে হাতেনাতে ধরে ফেলেন শুভেন্দু এবং একগুচ্ছ অভিযোগ করেন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে।

    বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) কী অভিযোগ?

    শুভেন্দু বলেন, ‘বেশ কয়েক মাস আগে তিনি যে অভিযোগ করেছিলেন সেই অভিযোগের সত্যতা প্রকাশ পেল। বিরোধী দলনেতার যানবাহনের গতিবিধির নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্য সরকার স্পিডোমিটার যে ব্যবহার করছিল এটাই তার প্রমাণ। আমি চলে যাওয়ার পর ফিরে আসব ওরা বুঝতে পারেনি। আসলে রাজ্য সরকার বিরোধী দলনেতাকে দমিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন দিক থেকে চেষ্টা করে চলেছে। কিন্তু, সম্পূর্ণটাই বিফলে পরিণত হয়।’

    পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে তিনি কী বললেন?

    বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘প্রশাসন তার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করুক।’ জাতীয় সড়কের ওপর বিভিন্ন বেআইনি বিষয়গুলিও তুলে ধরেন স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে। সমস্তটাই দায়ভার চাপিয়ে দেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলা পুলিশ  সুপার অমরনাথ কে-র উপর। স্থানীয় প্রশাসন থেকে জানা যায়, ‘যাই অভিযোগ আসুক না কেন বলেন, নিরাপত্তার বিষয়টিকে সামনে রেখেই স্পিডোমিটার বসানো হয়েছিল সাধারণ মানুষের স্বার্থে।’

    কিন্তু, প্রশ্ন হল, সাধারণের নিরাপত্তার স্বার্থেই যদি স্পিডোমিটার বসানোই হয়ে থাকে, তাহলে, আচমকা কেন তা গুটিয়ে নেওয়া হচ্ছিল?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shanti Swarup Bhatnagar Prize: গর্বিত বাংলা! বিজ্ঞান ক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ ভাটনগর পুরস্কার পেলেন চার বাঙালি

    Shanti Swarup Bhatnagar Prize: গর্বিত বাংলা! বিজ্ঞান ক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ ভাটনগর পুরস্কার পেলেন চার বাঙালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize) পেলেন আইআইসিবি-র বাঙালি চিকিৎসক-গবেষক ইমিউনোলজিস্ট দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়। বিজ্ঞান ক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত চার বাঙালি বিজ্ঞানী। ৩৯ বছর পর কলকাতায় কাজ করে মেডিক্যাল সায়েন্সে শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার পেলেন ইমিউনোলজিস্ট শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কারমোট ১২ জন এই সম্মান পাচ্ছেন। এর মধ্যে ৪ জন বাঙালি। 

    শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার কী

    দেশে বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় পুরস্কার শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize)। কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (CSIR) এর প্রতিষ্ঠা দিবসে এই পুরস্কার দেওয়া হয়ে থাকে। সিএসআইআর-এর প্রথম ডিরেক্টর শান্তি স্বরূপ ভাটনাগরের নামানুসারে, প্রতি বছর সাতটি বৈজ্ঞানিক শাখায় এই পুরস্কার দেওয়া হয়। জীববিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, পদার্থবিদ্যা, চিকিৎসা, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড আর্থ, বায়ুমণ্ডল, মহাসাগর এবং গ্রহ বিজ্ঞানের মতো ৭ টি বিষয়ে এই পুরস্কার দেওয়া হয়৷ ভাটনগর পুরস্কার স্বরূপ গবেষকদের ৫ লক্ষ টাকা নগদ দেওয়া হয়৷ ৪৫ বছরের কম বয়সী বিজ্ঞানীরা এই সম্মান পেয়ে থাকেন৷

    দীপ্যমানের কীর্তি 

    চিকিৎসা ক্ষেত্রে ১৯৮৪-র পর এই প্রথম কোনও বাঙালি শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize) পেলেন। কোভিডের উপর কাজ করে এই পুরস্কার পেয়েছেন দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরেই অনাক্রম্যতা (ইমিউনোলজি) বিষয়ে গবেষণা করছেন দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়। তাতে বিশেষ ভাবে ছিল অটোইমিউন ডিজিজ। সাম্প্রতিক কালে কোভিডে অনাক্রম্যতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কী ভাবে প্রভাব ফেলেছিল, সেটি নিয়েও গবেষণা করেন তিনি। কোভিডে প্লাজমা থেরাপির পরীক্ষামূলক গবেষণাও করেছেন। সেই সমস্ত কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই এই পুরস্কার পেয়েছেন দীপ্যমান। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়কে। লিখেছেন, ‘সম্মানপ্রাপক দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা জানাই। বহু বছর পর বাংলায় স্বাস্থ্যক্ষেত্রে একজন গবেষকের হাত ধরে এই ভাটনগর সম্মান এল।’

    কেন ভিন রাজ্যে রাজ্যের মেধা?

    ৩৯ বছর পর কলকাতায় কাজ করে মেডিক্যাল সায়েন্সে শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize) পেলেন ইমিউনোলজিস্ট দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়। এই পুরষ্কারের ঝুলিতে রয়েছে—একটি প্রশংসাপত্র, একটি ফলক এবং নগদ ৫ লক্ষ টাকা। এই পুরষ্কার পাওয়ার পর দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‌রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এই রাজ্যে আর‌ও বেশি করে গবেষণার পরিকাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন। কেন ভিন রাজ্যে রাজ্যের মেধা চলে যাচ্ছে?‌ সেটাও দেখতে হবে।’

    আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট প্রকাশ বেলুড় মঠের, স্বামীজি প্রচলন করেছিলেন এই পুজো

    আর কোন কোন বাঙালি পেলেন সম্মান

    যে চার বাঙালির আলোয় এ বারের ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize) উজ্জ্বল, তাঁরা রসায়নে আইআইটি বম্বের দেবব্রত মাইতি, পদার্থবিদ্যায় বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের (আইআইএসসি) অনিন্দ্য দাস ও টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের বাসুদেব দাশগুপ্ত এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানে কলকাতার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল বায়োলজির দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়। দেবব্রতের গবেষণা কার্বন এবং হাইড্রোজেন পরমাণুর পারস্পরিক রাসায়নিক বন্ধন নিয়ে। সন্ধিগত মৌলের অনুঘটন ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে জীবনদায়ী ওষুধ থেকে কীটনাশক পর্যন্ত বিভিন্ন কিছুর উদ্ভাবনে দিশা দিচ্ছে তাঁর কাজ। দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত দেবব্রতের পড়াশোনা পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের শ্রীরামপুর গ্রামের স্থানীয় কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ে। পদার্থবিদ্যায় পুরস্কার প্রাপক অনিন্দ্য দাসও বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দিরের ছাত্র। পদার্থবিদ্যায় পুরস্কার প্রাপক আর এক বাঙালি মুম্বইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের (টিআইএফআর) বাসুদেব দাশগুপ্ত। ২০০০ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যার স্নাতক স্তরের ছাত্র ছিলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asia Cup 2023: কুলদীপের কেরামতি! কোহলি-রাহুলের শতরান, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সহজ জয় ভারতের

    Asia Cup 2023: কুলদীপের কেরামতি! কোহলি-রাহুলের শতরান, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সহজ জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরাট কোহলি ও লোকেশ রাহুল শুরু করেছিলেন, শেষ করলেন কুলদীপ যাদব। কার্যত বিনা লড়াইয়ে ভারতের কাছে হার মানল পাকিস্তান। ভারতের ৩৫৭ রানের আকাশছোঁয়া টার্গেট তাড়া করতে নেমে পরপর উইকেট হারাল বাবররা। ৩২ ওভারেই শেষ হয়ে গেল পাকিস্তানের ইনিংস। মাত্র ১২৮ রানে গুটিয়ে গেল তারা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৮ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৫ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা কুলদীপ যাদব। কুলদীপ-জাদেজার স্পিনের ঝলক, পাকিস্তানকে ২২৮ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপে ম্যাচ পকেটে পুরল ভারত।

    ভারতীয় বোলারদের দাপট

    ফরম্যাট ওয়ান ডে। যদিও ম্যাচ হল দু-দিনে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে এত বিরতি দর্শকদের আনন্দ কেড়ে নেয়। দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে ম্যাচ সম্পূর্ণ হল। গ্রুপস্তরে ভারতের ব্য়াটিংয়ের উপর দাপট দেখালেও সুপার ফোরে সেটা দেখাতে পারলেন না শাহিনরা। পাক বোলারদের দম্ভ গুঁড়িয়ে গেল। কোহলি-রাহুলের মারকাটারি ব্যাটিংয়ের জেরে আক্ষরিক অর্থেই চোখে সর্ষেফুল দেখছিলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি, শাদাব খানের মতো পাক বোলাররা। বুঝতে পারছিলেন না ঠিক কীভাবে আটকে দেওয়া যাবে কোহলি-রাহুলের রানের গতি। প্রত্যাশিতভাবেই অপরাজিত থেকেছেন দুই ভারতীয় ব্যাটার। ১২২ রানে অপরাজিত রইলেন কোহলি। আর রাহুল অপরাজিত রইলেন ১১১ রান করে।

    কুলদীপের স্পিনের যাদু

     ভারতীয় ইনিংস শেষেই বৃষ্টি নামে। তবে খেলা শুরু হতেই কুলদীপের স্পিনের যাদু চোখে পড়ল। পাকিস্তান ন্যূনতম লড়াইটাই করতে পারল না। ওপেন করতে নেমে ফখর জামান ও ইমাম উল হকের জুটি করল মাত্র ১৭ রান। ৯ রানে ইমামকে ফেরান বুমরাহ। এটা ছিল পাকিস্তানের ব্যাটিং ধসের শুরু। এরপর আর সেটা থামেনি। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন ফখর জামান। এরপর আঘা সালমান ও ইফতিকার আহমেদ করেন ২৩ রান করে। এই তিনজন বাদে পাকিস্তানের আর কেউ পাতে দেওয়ার মত রান করতে পারেনি। বাবর আজম, মহম্মদ রিজওয়ানের মত যাদের নিয়ে পাকিস্তানের গর্ব তাদেরকেই মাটিতে ফেলল ভারত।পাকিস্তানের পাঁচজন ব্যাটার এক অঙ্কের রান করলেন। ভারতের হয়ে একটি করে উইকেট নেন জসপ্রীত বুমরাহ, হার্দিক পান্ডিয়া, শার্দূল ঠাকুর। পাঁচটি উইকেট নেন কুলদীপ যাদব। মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে এই পারফরম্যান্স হালকা রাখবে ক্রিকেটারদের।

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৮ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৫ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা কুলদীপ যাদব। কুলদীপ-জাদেজার স্পিনের ঝলক, পাকিস্তানকে ২২৮ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপে ম্যাচ পকেটে পুরল ভারত।  এশিয়া কাপে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছিল ভারত। প্রথমে ব্যাট করেন রোহিতরা। ভারতীয় ইনিংস শেষেই বৃষ্টি। ম্যাচ আর সম্পূর্ণ হয়নি। সুপার ফোরে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে তাই যোগ করা হয়েছিল রিজার্ভ ডে। শেষ মুহূর্তে এই সিদ্ধান্ত নেয় এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল। রিজার্ভ ডে কাজে লাগল। তবে চাপও বাড়ল ভারতীয় শিবিরে। টানা দু-দিন খেলতে হল। রাত পোহালেই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচ। দু-দিনের দ্বৈরথে ভারত জিতল ২২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vaibhav Taneja: নাদেলা এবং সুন্দর পিচাইয়ের পর বৈভব তানেজা! টেসলার মাথায় ভারতীয় প্রতিভাবান

    Vaibhav Taneja: নাদেলা এবং সুন্দর পিচাইয়ের পর বৈভব তানেজা! টেসলার মাথায় ভারতীয় প্রতিভাবান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা বিশ্ব জুড়ে অনেক ভারতীয় প্রতিভাবান অনেক কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে মাইক্রোসফ্ট থেকে গুগল পর্যন্ত অনেক কোম্পানির সঙ্গে ভারতীয়রা যুক্ত। তার মধ্যে সত্য নাদেলা এবং সুন্দর পিচাইয়ের নাম অন্যতম। এবার আরও এক ভারতীয় প্রতিভার নাম জুড়ে গেল এই তালিকায়। তিনি এমন একজন, যাঁর কাছে ইলন মাস্ক তাঁর সমস্ত নথি ও কোম্পানির দায়ভার অর্পণ করেছেন। তাঁর নাম বৈভব তানেজা (Vaibhav Taneja)।

    কীভাবে এলেন এই পদে?

    ইলন মাস্কের কোম্পানি টেসলা বিশ্বের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির মধ্যে একটি। আর এই কোম্পানি ইলন মাস্ককে বিশ্বের ধনী ব্যক্তির মর্যাদা দিয়েছে। আর এই কোম্পানিরই সিএফও (চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার) হিসাবে ইলন মাস্ক নিযুক্ত করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত বৈভব তানেজাকে (Vaibhav Taneja)। যিনি এই কোম্পানির সমস্ত আর্থিক দায়ভার নিজে সামলান। এর আগে এই পদটি সামলাতেন টেসলার সিএফও জ্যাচারি কিরখোর্ন। সেই সময় বৈভব অ্যাকাউন্টিং বিভাগে কাজ করতেন।

    বৈভব তানেজার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্মজীবন

    এত বড় সাফল্যের পিছনে আছে অনেক সংগ্রাম ও পড়াশোনা। বৈভব দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্যে ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ভারতের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউট থেকে একজন যোগ্য চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে নিজেকে তৈরি করেন। তিনি এর পর ১৯৯৯ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাইস ওয়াটারহাউস কুপার্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডে (PwC) সিনিয়র ম্যানেজার পদে কাজ করেছেন। ২০১৬ সালে তিনি সোলারসিটির কর্পোরেট কন্ট্রোলার হিসাবে যোগদান করেন। এর পর ২০১৭ সালে তিনি টেসলাতে যোগদান করেন। ২০১৮ সালের মে মাসে তিনি (Vaibhav Taneja) কর্পোরেট কন্ট্রোলার হিসাবে নিযুক্ত হন এবং ২০১৯ সালে তিনি প্রধান অ্যাকাউন্টিং অফিসার হিসাবে নিযুক্ত হন।

    দুই সিএফও-র সঙ্গে কাজ

    বৈভব (Vaibhav Taneja) তাঁর কর্মজীবনে অনেক বহুজাতিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। টেসলাতে সিএফও হওয়ার আগে তিনি কর্পোরেট কন্ট্রোলার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। টেসলার আগে বৈভব সোলারসিটিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। টেসলার প্রাক্তন জ্যাচারি কিরখর্নের সঙ্গেও তিনি আগে কাজ করেছেন। তাছাড়াও আরও এক ভারতীয় দীপক আহুজা, যিনি তাঁরও আগে টেসলার সিএফও ছিলেন, তাঁর সঙ্গেও কাজ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UPI Loan: ব্যালান্স না থাকলেও করা যাবে লেনদেন! কী বলছে ইউপিআই ঋণের নতুন নিয়ম?

    UPI Loan: ব্যালান্স না থাকলেও করা যাবে লেনদেন! কী বলছে ইউপিআই ঋণের নতুন নিয়ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সময় যত এগিয়ে যাচ্ছে, মানুষ তত বেশি পরিমাণে আর্থিক লেনদেনের জন্য ডিজিটাল মধ্যমের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। ব্যস্ততার যুগে অনলাইন লেনদেনের উপর আগ্রহ বাড়ছে বেশি করে। লেনদেন প্রক্রিয়াও হয়ে গিয়েছে অত্যন্ত সহজ সরল। এবার অনলাইন মাধ্যমে ইউপিআইতে (UPI Loan) অতিরিক্ত আরও সুবিধা যুক্ত হতে চলেছে। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI) জানিয়েছে, এবার থেকে অ্যাকাউন্টে ব্যালান্স না থাকলেও ইউপিআই লেনদেন করা যাবে। যাঁরা নিয়মিত ডিজিটাল পেমেন্ট করেন, তাঁদের জন্যও পরিষেবার গুণমান আরও উন্নত হচ্ছে। 

    কী বলেছে আরবিআই?

    সম্প্রতি, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফ থেকে জানানো হয়, ইউপিআই (UPI Loan) ডিজিটাল লেনদেনে নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। এই নতুন নিয়মে গ্রাহকের নিজের অ্যাকাউন্টে যদি টাকা নাও থাকে, তাহলেও এবার থেকে ইউপিআই-এর মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারবেন। কিন্তু, কী করে তা সম্ভব? এই প্রসঙ্গে শীর্ষ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে যে, ইউপিআই-এর সঙ্গে ‘প্রি-অ্যাপ্রুভড ক্রেডিট লাইন’ (PCL) পরিষেবাকে এখন থেকে যুক্ত করা হচ্ছে। প্রি-অ্যাপ্রুভড ক্রেডিট লাইনের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের ক্রেডিট লাইন প্রদান করা হবে। এই ক্রেডিট লাইনের পরিমাণ নির্ধারিত হবে গ্রাহকের আর্থিক ব্যালান্স, লেনদেনের ইতিহাস এবং আরও নানান বিষয়ের উপর। গ্রাহকের আর্থিক লেনদেন কতটা পরিমাণে হয়, কতটা নিয়মিত হয়, তার উপর ভিত্তি করে ব্যাঙ্ক প্রি-অ্যাপ্রুভড ক্রেডিট লাইন দেবে বলে নির্ধারিত হয়েছে। 

    কীভাবে দেওয়া হবে সুবিধা?

    আরবিআই (RBI) জানিয়েছে, গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকলে, ইউপিআই (UPI Loan) দিয়ে প্রয়োজনীয় টাকা গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে পাঠাতে পারবেন। তবে গ্রাহকের প্রি-অ্যাপ্রুভড ক্রেডিট লাইনের মধ্যে থাকা টাকার পরিমাণ দিয়ে এই লেনদেন করা যাবে। যদিও এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, গ্রাহককে এই ডিজিটাল লেনদেনের জন্য বিশেষ সুদ দিতে হবে। ইউপিআই-তে ক্রেডিট কার্ড লিঙ্ক বা অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স যদি নাও থাকে, তাহলেও গ্রাহক পেমেন্ট করতে পারবেন। এই পরিষেবায় যে কোনও গ্রাহক, জরুরি ভিত্তিতে টাকার প্রয়োজন মেটাতে ভীষণ উপকৃত হবেন। সেই সঙ্গে ডিজিটাল পেমেন্টের আরও ব্যাপক প্রচার ও প্রসার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    গ্রাহকের পরিমাণ বৃদ্ধি হবে

    আশা করা হচ্ছে, এই নতুন নিয়মের ফলে ইউপিআই (UPI Loan) ব্যবহারকারী গ্রহাকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। যাঁরা সব সময় এই পেমেন্ট খুব একটা করেন না, তাঁরা একবার শুরু করলে পরিষেবার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে। একইসঙ্গে, এই সুবিধার ফলে গ্রাহকের ঋণ নেওয়া আরও সহজলভ্য বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে একইসঙ্গে আশঙ্কাও করা হচ্ছে, এই ব্যবস্থার ফলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের উপর বিশেষ প্রভাব পড়বে। অনেকের মতে, এতে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কম হতে পারে। 

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে ৪ চাকরিপ্রার্থীর গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করতে চায় সিবিআই

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে ৪ চাকরিপ্রার্থীর গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করতে চায় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় চারজন চাকরিপ্রার্থীর গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করানোর অনুমতি চাইল সিবিআই। আলিপুর আদালতে এই মর্মে আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কীভাবে দুর্নীতি হয়েছে, তা নিয়ে আদালতে আগেই সিবিআই-এর সামনে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন এই ৪ জন। এই প্রথম নিয়োগ দুর্নীতিতে কোনও চাকরিপ্রার্থীর গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করাতে চাইছে সিবিআই (CBI)। 

    কেন চাকরিপ্রার্থীদের গোপন জবানবন্দি

    সিবিআই সূত্রের খবর, টাকা দিয়ে সরকারি চাকরি পেতে চেয়েছিলেন যাঁরা, এ বার তাঁদের বক্তব্য রেকর্ড করাতে চায় সিবিআই। যে চার চাকরিপ্রার্থীর গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা আদালতকে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থাটি, তাদের সঙ্গে অবশ্য আগেও কথা বলেছে সিবিআই আধিকারিকরা। এঁদেরকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ঘুর পথে চাকরি পেতে কী পদ্ধতিতে টাকা দিতে হয়েছিল তাঁদের? কোথা থেকে কী ভাবেই বা জেনেছিলেন এ ব্যাপারে? কারা এ বিষয়ে যোগাযোগ রাখতেন তাঁদের সঙ্গে? সূত্রের খবর, আদালত যদি সিবিআইয়ের গোপন জবানবন্দির আবেদন মঞ্জুর করে, তবে ওই চাকরিপ্রার্থীদের এই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আবার জানাতে হতে পারে ম্যাজিস্ট্রের সামনে। তবে এর পাশাপাশি অন্য প্রশ্নেরও উত্তর দিতে হতে পারে। তবে যেহেতু এই প্রথম নিয়োগ মামলায় (Recruitment Scam) সিবিআই এই চাকরিপ্রার্থীদের গোপন জবানবন্দির আবেদন করেছে, তাই তাঁদের বক্তব্য এবং তা থেকে কী তথ্য উঠে আসতে পারে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।

    দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে চায় সিবিআই

    প্রথম দিকে তা কেবল শাসকদলের হেভিওয়েটের দিকে ফোকাসড থাকলেও, এখন সেই পরিধি বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তবে এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে রয়েছেন চাকরি প্রার্থীরাও। কে বা কারা এই দুর্নীতির (Recruitment Scam) শিকার হয়েছেন, বা কারা এই দুর্নীতিতে সামিল হয়েছেন, সবেতেই কড়া নজর দিয়েছে সিবিআই। এর আগে গত ৭ অগস্ট টাকা দিয়ে চাকরি পাওয়া চার অযোগ্য শিক্ষককে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তার পর বাঁকুড়ার ৭ শিক্ষককে তলব করেছিল সিবিআই। এবার চার চাকরিপ্রার্থীর গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করার পথে সিবিআই।

  • BJP: পুজো উদ্বোধনে তৃণমূলকে টক্কর দিতে প্রস্তুত বিজেপি, আসতে পারেন অমিত শাহ

    BJP: পুজো উদ্বোধনে তৃণমূলকে টক্কর দিতে প্রস্তুত বিজেপি, আসতে পারেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর উদ্বোধনেও শাসকদলকে এক ইঞ্চি মাটি ছাড়তে প্রস্তুত নয় বিজেপি (BJP)। ২০১৯ সালের পর ফের পুজো উদ্বোধনে রাজ্যে পা রাখতে চলেছেন অমিত শাহ। প্রসঙ্গত কলকাতার বিজেপি নেতা সজল ঘোষের পুজো বলে পরিচিত সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের এবছরের থিম হল রাম মন্দির। জানা গিয়েছে, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো উদ্বোধন করতে আসতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অন্যদিকে বালুরঘাটের একটি পুজো মণ্ডপেও রাম মন্দির থিম করা হয়েছে। বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের লোকসভা কেন্দ্রের এই পুজোর উদ্বোধনও করতে পারেন অমিত শাহ।

    তৃণমূলকে পুজো উদ্বোধনে টক্কর দিতে প্রস্তুত বিজেপি (BJP)

    পুজোর ময়দানে তৃণমূল নেতাদের টক্কর দিতেই এ বছরে কোমর বেঁধে নেমেছে গেরুয়া শিবির (BJP)। তৃণমূলের নেতামন্ত্রীদের জাঁকজমকপূর্ণভাবে দুর্গাপুজো করতে দেখা যায়। এবার সেখানে ভাগ বসাতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিজেপি। জানা গিয়েছে, রাম মন্দিরের থিম শুধু কলকাতা বা বালুরঘাটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। সারা রাজ্যেই বিজেপি (BJP) প্রভাবিত পুজোগুলোতেও এবার দেখা যাবে অযোধ্যার রাম মন্দির। ব্লকে ব্লকে এমন পুজো করতে উদ্যোগী হয়েছে গেরুয়া শিবির (BJP)। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে অযোধ্যার মন্দির কমিটি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাম মন্দিরের উদ্বোধন করবেন। তার আগে রাম মন্দিরের আদলে বাংলাতে পুজোর পরিকল্পনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

    উত্তর কলকাতার ১৪টি পুজো কমিটির সঙ্গে কথা গেরুয়া শিবিরের (BJP)

    সাধারণভাবে সল্টলেকের ইজেডসিসি-তে বিগত বছরগুলিতে দুর্গাপুজো করতে দেখা গিয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। কিন্তু ব্লকে ব্লকে দলীয় উদ্যোগে দুর্গাপুজো এই প্রথমবার হয়তো দেখা যাবে। কলকাতায় পুজো দেখার আনন্দে সারা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সমাগম হয়। তিলোত্তমায় রাজপথে পুজোর রাতগুলিতে ভিড় সরিয়ে হাঁটা কঠিন হয়ে পড়ে। বিজেপি (BJP) সূত্রে খবর, উত্তর কলকাতার ১৪টি পুজো কমিটির সঙ্গে ইতিমধ্যে কথা হয়েছে। সম্প্রতি নিউ মার্কেট থানা এলাকায় খুঁটিপুজো করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। জানা গিয়েছে শুধু দুর্গাপুজো নয় ১৯ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থীতেও বিভিন্ন বিজেপি নেতাদের অংশগ্রহণ করতে দেখা যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share