Tag: Madhyom

Madhyom

  • Durga Puja 2023 : উৎসবের অধিকার সবার! নিউটাউনে বিজেপির দুর্গাপুজোয় অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    Durga Puja 2023 : উৎসবের অধিকার সবার! নিউটাউনে বিজেপির দুর্গাপুজোয় অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দুর্গাপুজো পুজো হলেও শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, আসলে এটি একটি ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব।’ দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। একটি মেলার মাঠে কলকাতার এক পুজো সংগঠন দুর্গাপুজো করার অনুমতি পাবে কিনা সেই মামলায় শুনানি চলাকালীন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টচার্য এই মত দেন।

    পুজোর অনুমতি

    জনসাধারণের জন্য নির্দিষ্ট মেলার মাঠ, পার্কে পুজো (Durga Puja 2023) করা যাবে কিনা এবং পুজোর অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিল এক পুজো কমিটি। ওই কমিটির লোকেরা বিজেপি কর্মী বলে এলাকায় পরিচিত। কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মেলার জন্য নির্দিষ্ট অনুমতি না পেয়ে হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করেন ‘মানবজাতি কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ নামে সংগঠন। শুক্রবার সেই মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে। বিচারপতি জানান, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯ মোতাবেক সকল নাগরিকের স্বাধীন ভাবে চিন্তাভাবনা প্রকাশ করার অধিকার রয়েছে। সেই অধিকারের মধ্যে দুর্গাপুজোর মতো উৎসবও রয়েছে। ফলে এই অধিকার খর্ব করা যায় না। হাই কোর্টের নির্দেশ, নিউটাউন মেলা গ্রাউন্ডে পুজো করতে পারবে ‘মানবজাতি কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ নামে মামলকারী সংগঠনটি। এলাকায় এই সংগঠনের সদস্যেরা বিজেপিকর্মী হিসাবেই পরিচিত।

    আরও পড়ুুন: গ্রিসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    কর্তৃপক্ষের তরফে আদালতে (Calcutta High Court) দাবি করা হয়, সংবিধানে ২৫ ধারা অনুযায়ী জনসাধারণের জন্য তৈরি পার্ক, রাস্তা এবং ফুটপাতে কোনও ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান করা যাবে না। এই দাবি সম্পূর্ণ খারিজ করে বিচারপতি ভট্টাচার্য পর্যবেক্ষণে জানান, ‘একথা সর্বজনবিদিত, যে দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) শুধু ধর্মীয় পুজোর্চনা নয়, এটি আসলে নারী শক্তির উদযাপন। দুর্গাপুজো শুধু পুজো নয়, বিভিন্ন সংস্কৃতির মেলবন্ধন। পুজোর্চনার থেকেও সেখানে উৎসব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আনন্দের ভাগটা অনেকটা বেশি। পুজোর থেকেও উদযাপনটাই প্রত্যক্ষ। এই সমস্ত কিছুর কারণেই দুর্গাপুজোকে শুধুই একটা সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচরণ বা রীতিনীতি পালন হিসেবে দেখা ঠিক হবে না, এর প্রকৃতি আদতে ধর্মনিরপেক্ষ। অতএব একে শুধু এক সম্প্রদায়ের ধর্মীয় রীতিনীতি পালন বলে দাগিয়ে দেওয়া আসলে দুর্গাপুজোর মান হ্রাস করবে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan Super Giant: এএফসি কাপের সূচি ঘোষিত! যুবভারতীতে কবে খেলবে মোহনবাগান?

    Mohun Bagan Super Giant: এএফসি কাপের সূচি ঘোষিত! যুবভারতীতে কবে খেলবে মোহনবাগান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মধ্যেই এএফসি কাপে (afc cup) মোহনবাগানের (Mohun Bagan) খেলা  পড়ল। ২৪ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিন যুবভারতীতে হোম ম্যাচ খেলবে মোহনবাগান। বাংলাদেশের ক্লাব বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে খেলবেন সবুজ মেরুন। গ্রুপ ডি-তে মোহনবাগানের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে ওড়িশা এফসি, মাজিয়া স্পোর্টস এবং বসুন্ধরা কিংস।

    পাখির চোখ এএফসি কাপ

    এএফসি কাপে (AFC Cup 2023-24) দক্ষিণ এশিয়া জোনের মূলপর্বে চলে গিয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant)। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এএফসি কাপের প্রিলিমিনারি পর্বের ম্যাচে ব্যাক-টু-ব্যাক জিতেছে জুয়ান ফেরান্দোর শিষ্যরা। প্রথম ম্যাচে নেপালের মাচিন্দ্রা এফসিকে (Mohun Bagan Super Giant vs Machhindra FC) ৩-১ হারিয়েছিল মোহনবাগান। দ্বিতীয় ম্যাচে মেরিনার্স ৩-১ গোলে বাংলাদেশের আবাহনী লিমিটেড ঢাকাকে (Mohun Bagan vs Abahani Dhaka) হারিয়েছে।

    আরও পড়ুন: দুরন্ত থ্রোয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নীরজ, সঙ্গে প্যারিস অলিম্পিক্সের যোগ্যতাও

    মোহনবাগানের কাছে পাখির চোখ এএফসি কাপ। সেই জন্যেই ৭০ কোটি টাকা দিয়ে দল গড়া হয়েছে। কোচ জুয়ান ফেরান্দো বার বার বুঝিয়ে দিয়েছেন সে কথা। তার জন্যে ডার্বিতে হারের পরেও মন খারাপ হয়নি তাঁর। তবে গ্রুপ পর্ব নয়, মোহনবাগানের আসল লড়াই শুরু হবে নকআউট থেকে। সেই পর্বে এশিয়ার শক্তিধর ক্লাবগুলির বিরুদ্ধে খেলতে হবে তাদের।

    অভিযান শুরু ১৯ সেপ্টেম্বর

    মোহনবাগানের এএফসি-র গ্রুপ পর্বের অভিযান শুরু ১৯ সেপ্টেম্বর। খেলা আইএসএল ক্লাব ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে। প্রথম ম্যাচই অ্যাওয়ে ম্যাচ। দ্বিতীয় ম্যাচ ২ অক্টোবর মলদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টসের বিরুদ্ধে। বাগান সমর্থকরা এই ম্যাচ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বসে দেখতে পারবেন। তৃতীয় ম্যাচও হোম ম্যাচ। সল্টলেক স্টেডিয়ামে ফেরান্দোর শিষ্যরা খেলবেন বসুন্ধরার বিরুদ্ধে। চতুর্থ ম্যাচ আবার অ্যাওয়ে। খেলা ৭ নভেম্বর, এবার মোহনবাগান বাংলাদেশ যাবে। খেলবে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে। ২৭ নভেম্বর ফের খেলা কলকাতায়। প্রতিপক্ষ ওড়িশা। গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের শেষ ম্যাচ মাজিয়ার বিরুদ্ধে ১১ ডিসেম্বর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gadar 2: ‘গদর ২’-এর মুকুটে নয়া পালক, প্রথম কোনও ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে সংসদ ভবনে

    Gadar 2: ‘গদর ২’-এর মুকুটে নয়া পালক, প্রথম কোনও ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে সংসদ ভবনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১১ অগাস্ট মুক্তি পেয়েছে সানি দেওল-আমিশা প্যাটেল অভিনীত ‘গদর-২’ (Gadar 2)। মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই বক্স অফিসে ঝড় তোলে সানি দেওল অভিনীত ছবি ‘গদর-২’ (Gadar 2)। ৪০০ কোটির গণ্ডি আগেই পেরিয়েছে। এবার লক্ষ্য ৫০০ কোটি। এবার ছবির মুকুটে জুড়লো নয়া পালক। সানি দেওল অভিনীত ছবি এবার লোকসভায় প্রদর্শিত হচ্ছে।

    সংসদে দেখানো হচ্ছে ‘গদর-২’ (Gadar 2)

    জানা গিয়েছে, এ বিষয়ে সানি দেওয়াল সমেত অনেক সাংসদরাই অনুরোধ করেছিলেন। শনিবার ও রবিবারও এই ছবি দেখতে পারবেন সাংসদরা। ভারতীয় সংসদের ইতিহাসে এটা প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। মোট পাঁচটি শো হবে সংসদ ভবনে। সেখানকার বালযোগী অডিটোরিয়ামে দেখানো হচ্ছে এই ছবি। ২৫ অগাস্ট থেকেই শুরু হয়েছে প্রদর্শনী (Gadar 2)। প্রসঙ্গত, ধর্মেন্দ্র পুত্র সানি দেওল নিজে গুরুদাসপুরের বিজেপি সাংসদ।

    আরও পড়ুন: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    বক্স অফিসে দূর্দান্ত পারফরমেন্স করছে ‘গদর-২’ (Gadar 2)

    এদিকে বক্স অফিসে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করছে ‘গদর-২’ (Gadar 2) এবং ভেঙেই চলেছে একের পর এক রেকর্ড। সারাদেশেই এই মুহূর্তে ছবিকে ঘিরে উন্মাদনা অব্যাহত রয়েছে। প্রসঙ্গত, ২২ বছর আগে সানি দেওল এবং আমিশা প্যাটেলের অভিনীত সিনেমা ‘গদর – এক প্রেম কথা’ (Gadar 2) মুক্তি পেয়েছিল। আবারও এই জুটি ফিরে আসায় দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে লোকসভাতে যেমন এই ছবি দেখানো হচ্ছে তেমনই এর আগে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বাড়িতেও প্রদর্শিত হয় এই ছবি। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় সপ্তাহে মোট ১৩৪.৪৭ কোটি টাকা আয় করেছে। অন্যদিকে প্রথম সপ্তাহে ২৮৪.৬৩ কোটি টাকা আয় করেছিল এই ছবি। ফলে সবটা মিলিয়ে দুই সপ্তাহে ‘গদর-২’ (Gadar 2) এর ঝুলিতে সঞ্চয় ৪১৯.১০ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BCCI: ম্যাচ প্রতি ৪.২ কোটি! হোম সিরিজে নতুন টাইটেল স্পনসর পেল ভারতীয় ক্রিকেট

    BCCI: ম্যাচ প্রতি ৪.২ কোটি! হোম সিরিজে নতুন টাইটেল স্পনসর পেল ভারতীয় ক্রিকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটে এল নতুন স্পনসর। দেশের মাঠে হওয়া ম্যাচগুলির জন্য টাইটেল স্পনসর চেয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। প্রতি ম্যাচে ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা দরে নতুন স্পনসর হল আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক। প্রসঙ্গত, বিসিসিআই (BCCI) কর্তারা যে দাম বেঁধে দিয়েছিলেন তাতে দেখা যাচ্ছে যে ম্যাচ প্রতি অন্তত ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা দিতে হতো। এগিয়ে আসে ভারতের তিনটি সংস্থা, এরমধ্যে মাঝপথে একটি সংস্থার টেকনিক্যাল কারণে সরে যায়। বাকি থাকে দুটি সংস্থা সোনি স্পোর্টস এবং আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক। শেষমেষ বরাত পায় আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক। জানা গিয়েছে তিন বছরের জন্য চুক্তি হয়েছে বিসিসিআইয়ের (BCCI)। ২০২৬ সালের অগাস্ট পর্যন্ত মোট ৫৬টি ম্যাচে আইডিএফসি ফাস্ট ব্যাঙ্কের কাছে ২৩৫ কোটি টাকা পাবে বিসিসিআই (BCCI)।

    আরও পড়ুন: দুরন্ত থ্রোয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নীরজ, সঙ্গে প্যারিস অলিম্পিক্সের যোগ্যতাও

    ২৫ অগাস্ট চুক্তি সম্পন্ন হয় 

    প্রসঙ্গত, আইডিএফসি ফার্ ব্যাঙ্ক হল একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে। শুক্রবার ২৫ অগাস্ট মুম্বাইয়ের এক পাঁচ তারা হোটেলের বসে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় ব্যাঙ্ককর্তাদের সঙ্গে বিসিসিআইয়ের (BCCI)। আপাতত এশিয়া কাপ, পরবর্তীকালে ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ এবং বিশ্বকাপও রয়েছে তার মধ্যে।

    সোনি স্পোর্টস দ্বিতীয় হল 

    প্রসঙ্গত টাকার দৌড়ে দ্বিতীয় হওয়া সোনি স্পোর্টস এর আগেও প্রতিযোগিতায় নেমেছিল ভারতীয় ক্রিকেটের (BCCI) সম্প্রচার স্বত্ত্ব কেনার। সেই প্রতিযোগিতা ছিল ২০১৪ সালে। সোনির প্রতিযোগী ছিল স্টার ইন্ডিয়া। কিন্তু সম্প্রচার সত্ত্ব সোনির হাতে থাকলেও জার্সির লোগো ছিল স্টার ইন্ডিয়ার কাছে। তাই খেলা সম্প্রচার এর সঙ্গে সর্বক্ষণ তাদের প্রতিযোগী চ্যানেলের লোগো দেখাতে হয়েছিল সোনিকে। চলতি বছরে টাইটেল স্পনসর হওয়ার দৌড়ে নেমেছিল সোনি স্পোর্টস। প্রসঙ্গত, এখন ক্রিকেটের সম্প্রচার সত্ত্ব রয়েছে স্টার ইন্ডিয়ার কাছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JU Student Death: ‘পিক অ্যান্ড চুজ করে মারা হয়েছে’! যাদবপুরকাণ্ডে ধৃত সৌরভের জেল হেফাজত

    JU Student Death: ‘পিক অ্যান্ড চুজ করে মারা হয়েছে’! যাদবপুরকাণ্ডে ধৃত সৌরভের জেল হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরের প্রথম বর্ষের ছাত্রের (JU Student Death) রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় ধৃত সৌরভ চৌধুরীকে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আলিপুর আদালত। তাঁকে জেলে গিয়ে জেরা করতে পারবে পুলিশ। শুক্রবার সৌরভকে আদালতে হাজির করানো হয়। আদালতে সরকারি আইনজীবী গোপাল হালদার বলেন, ‘পিক অ্যান্ড চুজ’ করে প্রথম বর্ষের সেই ছাত্রকে মারা হয়েছে।

    প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা

    সরকারি আইনজীবী জানান, একটি গামছা উদ্ধার হয়েছে। যেটা দিয়েই মৃত ছাত্রের মুখ চাপা দেওয়া হয়েছিল। সেই রক্ত মাখা গামছা ও ২ টো ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ফোনে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মেসেজ চালাচালি হত। আইনজীবীর দাবি, সেখানে তদন্ত প্রভাবিত করার প্রমাণ হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। ফোনে ‘জেইউএমএইচ’ নামে একটি গ্রুপ তৈরি করা হয়েছিল। সৌরভের সেই গ্রুপে ‘ইনস্ট্রাকশন’ দিতেন। মাঝেমধ্যে সেই গ্রুপে অ্যাক্টিভ হতেন নির্দেশ দেওয়ার জন্য।

    র‌্যাগিংয়ের প্রমাণ

    আদালতে সৌরভের আইনজীবীর সঙ্গে সরকার পক্ষের আইনজীবীর সওয়াল পাল্টা সওয়াল চলে। সৌরভের আইনজীবী জানান, তদন্তে সৌরভ সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে অগ্রগতি হয়নি। যদিও পুলিশ দাবি করেছে, এই মামলায় অনেক অগ্রগতি হচ্ছে। দাগী বন্দিদের সঙ্গে যাতে জেলে সৌরভকে না রাখা হয়, সেই আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী। এই প্রসঙ্গে সরকার পক্ষের আইনজীবী জানান, এই নিয়ে যা নিয়ম রয়েছে, তা মেনে চলা উচিত। গত ৯ অগাস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের তিন তলার বারান্দা থেকে এক ছাত্র নীচে পড়ে যান বলে অভিযোগ। পরের দিন ভোরে বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রের মৃত্যু (JU Student Death) হয়। র‌্যাগিংয়ের জেরে ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। তদন্তে নেমে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় প্রাক্তনী এবং পড়ুয়া মিলিয়ে ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

    আরও পড়ুন: মালদায় রাজ্যপাল, দেখা করলেন নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে

    সৌরভই ‘কিংপিন’

    ছাত্রমৃত্যুর (JU Student Death) ঘটনায় প্রথম সৌরভকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। সৌরভকেই ‘কিংপিন’ বলে দাবি করেছে পুলিশ। যদিও নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন সৌরভ।  লালবাজার সূত্রে খবর, হস্টেলের ৭০ নম্বর ঘরে ওই ছাত্রকে বিবস্ত্র করানো হয়েছিল। তার পর তাঁকে বারান্দায় বিবস্ত্র করে হাঁটানো হয়। কী ভাবে র‌্যাগিং হয়েছে, তার নথি মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে জমা করেছে পুলিশ। গত ৯ অগস্ট রাতে ওই ছাত্রকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল বলে দাবি। এই ঘটনায় শুক্রবার যাদবপুরকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের আরও চার আবাসিক ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কলকাতা পুলিশের অপরাধ দমন শাখার যুগ্ম কমিশনার শঙ্খশুভ্র চক্রবর্তী। যাদবপুর থানায় বৃহস্পতিবারও টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করেন কলকাতা পুলিশের ডিসি এসএসডি বিদিশা কলিতাও। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যুগ্ম কমিশনার জানান, চার পড়ুয়াকে আটক করা হয়নি। তবে তাঁরা ঘটনার দিন উপস্থিত ছিলেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Neeraj Chopra: দুরন্ত থ্রোয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নীরজ, সঙ্গে প্যারিস অলিম্পিক্সের যোগ্যতাও

    Neeraj Chopra: দুরন্ত থ্রোয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নীরজ, সঙ্গে প্যারিস অলিম্পিক্সের যোগ্যতাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যারিস অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জন করে ফেললেন সোনার ছেলে নীরজ চোপড়া (Neeraj Chopra)। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ফের স্বমহিমায় টোকিয়ো অলিম্পিক্সের সোনা জয়ী নীরজ। বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জয়ের লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগোলেন ভারতীয় অ্যাথলিট।

    মরসুমে সেরা থ্রো

    শুক্রবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে জ্যাভলিনে গ্রুপ এ-র লড়াই ছিল। সেখানে ৮৩ মিটার দূরে জ্যাভলিন ছুড়তে পারলে সরাসরি ফাইনালে ওঠার সুযোগ ছিল। নীরজ ৮৮.৭৭ মিটার ছুড়ে সেই কাজটাই করে ফেললেন। অলিম্পিক্সে সোনা জয়ের জন্য নীরজ ছুড়েছিলেন ৮৭.৫৮ মিটার। তার থেকেও বেশি দূরে জ্যাভলিন ছুড়লেন নীরজ। এই মরসুমে এখনও পর্যন্ত সব থেকে দূরে জ্যাভলিন ছুড়লেন তিনি। আগামী রবিবার ফাইনালে নামবেন নীরজ। অলিম্পিক্স-সহ নানা প্রতিযোগিতায় সোনার পদক পেলেও, বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে এখনও প্রথম স্থান অধিকার করতে পারেননি নীরজ।

    হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়েছেন নীরজ-সহ তিনজন ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ার। ৩৭ জনের মধ্যে ১২ জন ফাইনালে উঠতে পারবেন। তার মধ্যেই প্রথম হিসাবে ফাইনালে জায়গা করে নিলেন এই প্রতিযোগিতায় গতবারের রুপোজয়ী নীরজ। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যোগ্যতা অর্জন করার জন্য যে দূরত্বে জ্যাভলিন ছুড়েছিলেন , তাতেই পরের অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জন করলেন তিনি। ২০২৪ সালে প্যারিস অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জন করার জন্য এই বছর ১ জুলাইয়ের পর কোনও প্রতিযোগিতায় ৮৫.৫ মিটার দূরে জ্যাভলিন ছুড়তে হত। সেটাই করলেন নীরজ। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে যোগ্যতা অর্জন করার সঙ্গে প্যারিস অলিম্পিক্সেও নিজের জায়গা পাকা করে ফেললেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LCA Tejas Mk-1A: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    LCA Tejas Mk-1A: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন-পাকিস্তান দ্বৈত সীমান্তের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় বায়ুসেনাকে (Indian Air Force) শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া বেশ কয়েক বছর ধরেই করে আসছে মোদি সরকার। সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দেশীয় লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (এলসিএ) তেজস যুদ্ধবিমানের আরও ১০০টি নতুন ‘মার্ক ১এ’ (LCA Tejas Mk-1A) সংস্করণ কেনার বিষয়ে উদ্যোগী হলো বায়ুসেনা। এই প্রেক্ষিতে একটি প্রস্তাব বায়ুসেনার তরফে কেন্দ্রের কাছে পেশ করা হতে পারে। সূত্রের খবর, হয়ত তা কেন্দ্রের সবুজ সঙ্কেত পেয়েও যাবে। সব ঠিকঠাক চললে, খুব শীঘ্রই এই বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডকে বরাত দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    বায়ুসেনায় ৩০০টির ওপর তেজস

    বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেই অনুযায়ী, ‘তেজস মার্ক ১এ’ (LCA Tejas Mk-1A) যুদ্ধবিমানের আধুনিক সংস্করণের ১০০টি ইউনিট কেনা হবে। খুব দ্রুত এর জন্য বরাত দেওয়া হবে হ্যাল-কে। জানা গিয়েছে, এই ১০০টি বিমান হাতে আসতে প্রায় ১৫ বছর লাগবে। সেটা হওয়ার পর বায়ুসেনার হাতে ৪০টি এলসিএ তেজস মার্ক-১, ১৮০টি এলসিএ তেজস মার্ক-১এ এবং অন্তত ১২০টি তেজস মার্ক-২ (বর্তমানে পরীক্ষার স্তরে) যুদ্ধবিমান থাকবে। 

    গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বায়ুসেনা প্রধান

    বুধবার, বায়ুসেনার (Indian Air Force) সদর দফতরে এলসিএ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভি আর চৌধুরি। সেখানেই বায়ুসেনার উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে বায়ুসেনার শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, হ্যাল, ডিআরডিও এবং এডিএ-র শীর্ষ পদাধিকারীরা। সেখানেই এই ১০০টি যুদ্ধবিমান (LCA Tejas Mk-1A) কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়। মৌখিকভাবে, হ্যালকে সেই সিদ্ধান্ত জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। আপাতত, অপেক্ষা সরকারি সিলমোহরের। 

    দেশের গর্ব এলসিএ তেজস

    চতুর্থ প্রজন্মের ‘লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্‌ট’ গোত্রের তেজস সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। এর ৬৫ শতাংশেরও বেশি যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামও ভারতীয় সংস্থাগুলি তৈরি। ছ’দশকের পুরনো রুশ যুদ্ধবিমান মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমানের পরিবর্ত হিসেবে তেজস ব্যবহার করতে শুরু করে ভারতীয় বায়ুসেনা। ভারতীয় বায়ুসেনায় এলসিএ তেজস মার্ক-১ যুদ্ধিবিমানের অন্তর্ভুক্তি হয়েছিল ২০১৬ সালে। প্রথম স্কোয়াড্রনটি ছিল বায়ুসেনার ৪৫ স্কোয়াড্রন, পোশাকী নাম ‘ফ্লাইং ড্যাগার্স’। তেজস ব্যবহারের আগে, এই স্কোয়াড্রন মিগ-২১ বাইসন ব্যবহার করতো। 

    চলছে আধুনিকীকরণ

    পরবর্তীকালে, ২০২১ সালের গোড়ায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৮৩টি হালকা যুদ্ধবিমান তেজসের উন্নত সংস্করণ মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk-1A) কেনার বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি। এখন সেগুলির উৎপাদন চলছে সংস্থার বেঙ্গালুরুর কারখানায়। হ্যাল-এর তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৪ ফেব্রুয়ারি থেকেই ওই শুরু হবে এই বিমানগুলোর ডেলিভারি প্রক্রিয়া। তার আগেই, বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে আরও ১০০টি আধুনিক সংস্করণের যুদ্ধবিমানের বরাত পেতে চলেছে হ্যাল। উৎপাদনের পাশাপাশি, প্রতিনিয়ত এই যুদ্ধবিমানকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার প্রক্রিয়া একইসঙ্গে চলছে। তেজসকে সম্প্রতি ‘অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যান্‌ড অ্যারো রেডার’ (এএসইএ), মিড এয়ার ফুয়েলিংয়ে সজ্জিত করার কাজও সম্পূর্ণ করে ফেলেছে হ্যাল। ইতিমধ্যেই ভারতীয় নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য (INS Vikramaditya) থেকে সফল উড়ান এবং অবতরণ পরীক্ষা হয়েছে তেজসের। 

    শক্তিশালী ‘অস্ত্র’-এ সজ্জিত তেজস

    শুধু তাই নয়, তেজস-এর (LCA Tejas Mk-1A) মারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পরীক্ষাও চলছে ক্রমাগত। বুধবারই ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় তেজস যুদ্ধবিমান থেকে পরীক্ষামূলকভাবে নিক্ষেপ করা হয় স্বদেশীয় ‘অস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্রের। গোয়ায় ডিআরডিও-র তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা চলে। ‘অস্ত্র’  হলো ১০০ কিলোমিটার পাল্লার মাক ৪.৫ (শব্দের চেয়ে সাড়ে চার গুণ বেশি গতি) বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ বা দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম আকাশ-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র। এক কথায়, বিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যায়। এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত আকাশপথে হামলাকারী শত্রু বিমান, হেলিকপ্টার, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম। সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে ইতিমধ্যেই যুক্ত করা হয়েছে এই মিসাইল। বুধবারের পরীক্ষা সফল হওয়ায়, শীঘ্রই তেজসেও এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা হবে। বর্তমানে এই ক্ষেপণাস্ত্রের আরও উন্নত ও অধিক ১৬০ কিমি পাল্লার সংস্করণ নিয়ে পরীক্ষা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda News: মালদায় রাজ্যপাল, দেখা করলেন নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে

    Malda News: মালদায় রাজ্যপাল, দেখা করলেন নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিজোরামে নির্মীয়মান সেতু দুর্ঘটনায় মৃত শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Malda News)। মৃতদের পরিবার পিছু রেলের ক্ষতিপূরণ বাবদ ১০ লাখ টাকা, গুরুতর আহতদের ২ লাখ টাকা এবং কম আহতদের ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন তিনি। এদিন মালদার (Malda News) পুকুরিয়া থানার চৌদুয়ার গ্রামের মৃত শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

    মালদায় (Malda News) কী বললেন রাজ্যপাল? 

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল জানান, মৃত ও আহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে সরকার। মৃতদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। যদিও রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাবের ফলেই শ্রমিকেরা ভিন রাজ্যে কাজের খোঁজে পাড়ি দিচ্ছেন কি না- সেই প্রশ্ন তিনি এড়িয়ে যান ।  শুক্রবার সকালে রেলপথে মালদা (Malda News) এসে পৌঁছান রাজ্যপাল। এদিন রাজ্যপালের সামনেই কথা বলতে বলতে জ্ঞান হারিয়েছেন নিহত কারও স্ত্রী, কারও মা। ১৩ বছরের এক মেয়ের দাদা দুর্ঘটনায় মারা যান। সে বলে, “এখানে কোনও কাজ পায়নি দাদা। তার জন্যই বাইরে গিয়েছিল। পরিবারের কষ্ট আর সহ্য করতে পারেনি। আমি কি আর পড়াশোনা করতে পারব না? আমার দাদার স্বপ্ন ছিল (Malda News) যাতে আমি ভালভাবে পড়াশোনাটা করি। তার জন্য বাড়তি দুটো পয়সার জন্য বাইরে গিয়েছিল। এখানে কিচ্ছু নাই, তার জন্যই তো বাইরে গিয়েছিল।”

    মিজোরামে নির্মীয়মান রেল সেতু ভেঙে মৃত্যু হয় বহু শ্রমিকের  

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে মিজোরামের সাইরান এলাকায় একটি নির্মীয়মান রেল সেতু ভেঙে মৃত্যু হয় বহু শ্রমিকের। এদের মধ্যে ২৩ জন মালদার বাসিন্দা (Malda News) বলে জানা যায়। ঘটনার পরপরই শোকের ছায়া নেমে আসে মৃত ও আহতদের পরিবারে। শাসক ও বিরোধী দলের নেতা-মন্ত্রীরা দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করে এলেও খোদ রাজ্যপালের এহেন কর্মসূচি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। প্রশাসন সূত্রে খবর ইতিমধ্যেই অ্যাম্বুলেন্সে করে মৃত শ্রমিকদের দেহ মালদায় ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবার রাতেই বেশ কয়েকটি দেহ মালদায় (Malda News) ফিরে আসতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19 Guidelines: রাজ্যে কোভিড বিধি সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হলো! ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Covid 19 Guidelines: রাজ্যে কোভিড বিধি সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হলো! ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আর কোভিড বিধি (Covid 19 Guidelines) রইল না। বৃহস্পতিবার টেলি সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে এই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো শুক্রবার আর খাতায় কলমে কোনও কোভিড বিধি নেই রাজ্যে। যদিও, অনেক আগে থেকেই মাস্ক পরা বা সামাজিক দূরত্ব মানার বিষয়গুলি বাসে, ট্রেনে দেখা যাচ্ছিল না। তবুও সরকারি বিধিনিষেধ ছিল। এদিন সেই বিধি নিষেধ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    সরকারি ভাবে উঠল কোভিড-বিধি

    টেলি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়েই কোভিড বিধি (Covid 19 Guidelines) প্রসঙ্গে বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ই তিনি বলেন, ‘আজ থেকে পশ্চিমবঙ্গে কোভিডবিধি প্রত্যাহার করা হল। আজ থেকে সমস্ত কোভিড গাইডলাইন তুলে দেওয়া হল।’ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কোভিডের সময় থেকে মানুষ অনেক কষ্ট পেয়েছেন। দীর্ঘদিন ঘরবন্দি হয়ে থাকতে হয়েছিল তাঁদের। সেই সময় তাঁদের সামনে কোনও অনুপ্রেরণা ছিল না। তখন এই টিভি এই সিরিয়ালই দেখত মানুষ। এবার কোভিডবিধি তুলে নেওয়া হল।’  করোনা ভাইরাসের প্রথম ঢেউয়ের সঙ্গেই ২০২০ সালের ২৩ মার্চ থেকেই লাগু হয় কোভিডবিধি। মাঝে কোভিড বিধি শিথিল করা হলেও করোনা বাড়তেই ফের কড়া হয় গাইডলাইন। করোনার ডবল ভ্যাকসিন ও বুস্টার ডোজের পর প্রকোপ কমতেই মাস্ক ভুলেছে মানুষ। কমেছে স্যানিটাইজারের ব্যবহারও। প্রতিদিনের জীবনে বাস-ট্রেনে দূরত্ববিধি অতীত। অবশেষে সরকারিভাবে এদিন কোভিডবিধি প্রত্যাহার করে নেওয়া হল।

    আরও পড়ুন: ৫০ কোটির ‘তছরুপ’! সমবায় সমিতির দুর্নীতির তদন্তেও ইডি-সিবিআই

    প্রসঙ্গত , চলতি মাসেই রাজ্যে একাধিকজনের করোনা আক্রান্ত হওয়ার রিপোর্ট সামনে এসেছে। এমনকী কলকাতাতেই কোমর্বিডিতে এক মহিলার মৃত্যুর খবর সামনে আসে। ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তের মধ্যে অগাস্টের শুরুতেই ২ জন ষাটোর্ধ্ব করোনা রোগীর মৃত্যুর খবর মেলে। এদিনে দিন দুয়েক আগেই কেন্দ্র কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট EG.5 এবং BA.2.86 নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। আগাম সতর্কতা হিসেবে কোভিডের নয়া প্রজাতিকে রুখতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকে কেন্দ্র। আপাতত রাজ্যগুলিকে জিনোম সিকোয়েন্সিং টেস্ট বাড়ানোর উপর জোর দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। এরই মাঝে বাংলা থেকে কোভিড বিধি প্রত্যাহারের সরকারি ঘোষণা হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi At BRICS: ব্রিকস সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের কী কী উপহার দিলেন মোদি? জেনে নিন

    PM Modi At BRICS: ব্রিকস সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের কী কী উপহার দিলেন মোদি? জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকা ব্রিকস সম্মেলনে বিশ্ব নেতাদের উপহার দিলেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi At BRICS)। প্রত্যেকটি উপহারই ছিল ভারতীয় ঐতিহ্য এবং নিজস্ব শিল্পকর্ম মোড়া। ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজক দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাফোসাকে দুটি ‘সুরাহি’ উপহার দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে, এগুলি তেলেঙ্গানা থেকে তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি লেডি রামাফোসাকে মোদির উপহার ‘নাগাল্যান্ডের সাল’। জানা যাচ্ছে, ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য নাগাল্যান্ডের উপজাতিরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই শাল তৈরি করছেন। এটির জটিল নকশা উজ্জ্বল রং এক আলাদা মাত্রা দিয়েছে শালটিকে। এই সালের মধ্য দিয়েই নাগাল্যান্ডের ওই উপজাতিদের প্রাচীন ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং জীবনধারা প্রতিফলিত হয়। 

    উপহার দেওয়া হয়েছে কর্নাটকের ‘বিদ্রি’ ফুলদানি 

    এছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতিকে মোদি (PM Modi At BRICS) দিয়েছেন ‘বিদ্রি’ ফুলদানি। কী এই ফুলদানি? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‘সম্পূর্ণভাবে ভারতীয় শিল্পকলায় সৃষ্ট এটি কর্নাটকের বিদার শহরে তৈরি হয়।’’ এর উপাদানে থাকে দস্তা, তামা এবং অন্যান্য ধাতু সংকর, লোহা এতে থাকে না। ঢালাই এর উপর খোদাই করা থাকে বিভিন্ন কারুকাজ। তাতে ভারতীয় শিল্পকর্মের ছাপ থাকে। খাঁটি রুপোর তার দিয়ে এই ফুলদানি সাজানো হয়। তারপরে বিশেষ একটি মাটির দ্রবণে ফুলদানিটিকে ভিজিয়ে রাখা হয়। এর ফলে দস্তার খাদ খুবই উজ্জ্বল কালো হয়ে ওঠে, কালো ব্যাকগ্রাউন্ড এর উপর রুপোলী কারুকাজগুলি আরও সুন্দর দেখতে লাগে।  

    ‘নক্কাশি’ ও ‘গোল্ড পেইন্টিং’ উপহার দেন মোদি (Pm Modi)

    পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতিকে মোদি (PM Modi At BRICS) দিয়েছেন রুপোর ‘নক্কাশি’। কিভাবে তৈরি হয় এই শিল্পকর্ম? জানা যাচ্ছে, প্রথমে কাগজে আঁকা হয় তারপর সেই কাগজটিকে রুপোলি সিটের উপর স্থানান্তরিত করা হয়। অন্যদিকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলাদা সিলভাকে মধ্যপ্রদেশের বিশেষ ‘গোল্ড পেইন্টিং’ উপহার দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে, এগুলিও মধ্যপ্রদেশের উপজাতিদের শিল্পকর্মের অন্যতম নিদর্শন। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিন্দু এবং রেখা দিয়ে তৈরি এই ছবিগুলিকে মধ্যপ্রদেশের গোল্ড সম্প্রদায়ের দেওয়ালে দেখা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share