Tag: Madhyom

Madhyom

  • Recruitment Scam: পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে প্রথম রাজ্যের ‘হেভিওয়েট’ মন্ত্রীকে তলব সিবিআই-এর

    Recruitment Scam: পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে প্রথম রাজ্যের ‘হেভিওয়েট’ মন্ত্রীকে তলব সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরনিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (municipality recruitment scam) এবার রাজ্যের এক মন্ত্রীকে তলব করল সিবিআই। ইতিমধ্যেই তাঁর কাছে তলবের চিঠি স্পিড পোস্ট করে দেওয়া হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর,আগামী ৩১ অগাস্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। 

    কেন মন্ত্রীকে তলব

    পুর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আস্তে আস্তে জাল গোটাচ্ছেন তদন্তকারীরা। হাইকোর্টের আইনি জটিলতা কেটে যাওয়ার পরই আরও তৎপর সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, নিজাম প্যালেস থেকে বুধবারই স্পিড পোস্টে নোটিস পাঠানো হল রাজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে। যাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে তিনি একজন হেভিওয়েট মন্ত্রী। তিনি দুর্নীতির সময় পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া অয়ন শীলের কীভাবে পরিচয়, দুর্নীতি কাণ্ডে তাঁর ভূমিকাই বা কী ছিল, কীভাবে এবং কবে এই দুর্নীতির শুরু, তা জানতেই ডেকে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। 

    আরও পড়ুন: ল্যান্ডারের ‘সফট ল্যান্ডিং’ নয়, বিজ্ঞানীদের চিন্তায় রেখেছে চাঁদের ধুলো! কেন?

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    প্রসঙ্গত, অয়ন শীল গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথম পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। এই মামলায় সিবিআই-কে তদন্ত করার নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পরে হাইকোর্টে এই মামলার বেঞ্চ বদল হয়। ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখে। এরপর সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। কিন্তু সেখানেও কার্যত ধাক্কা খায় রাজ্য। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত চালিয়ে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই-এর পক্ষে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এ এস ভি রাজু সওয়াল করেছিলেন, দুটি মামলা অর্থাৎ স্কুল ও পুরসভায় নিয়োগে দুর্নীতির ক্ষেত্রে এক সাধারণ অভিযুক্ত রয়েছেন। এই সওয়ালকে মান্যতা দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ পরই প্রথম রাজ্যের কোনও মন্ত্রীকে তলব করলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mizoram Bridge Collapse: রেলের সেতু ভেঙে মিজোরামে বড় বিপর্যয়, মৃত ১৭, আহত অন্তত ৪০

    Mizoram Bridge Collapse: রেলের সেতু ভেঙে মিজোরামে বড় বিপর্যয়, মৃত ১৭, আহত অন্তত ৪০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিজোরামে রেলের সেতু ভেঙে (Mizoram Bridge Collapse) মৃত ১৭ জন। ভাঙা সেতুর নিচে আটকে পড়েছেন অনেক মানুষ। মূলত মাটি ধসে যাওয়ার জন্য নির্মীয়মাণ রেলের সেতুটি ভেঙে পড়েছে বলে জানা গেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ট্যুইটারে দুর্ঘটনার কথা জানিয়ে মুখ্যসচিবকে খোঁজ নিতে বলেছেন। পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু পরিযায়ী শ্রমিক এই দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেখানকার প্রশাসন উদ্ধারকাজে তৎপর।

    কোথায় ঘটল বিপত্তি (Mizoram Bridge Collapse)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ১০ টায় রেলের সেতু (Mizoram Bridge Collapse) তৈরির কাজ চলছিল। সেই সময় মাটি ধসে যাওয়ার জন্য এই দুর্ঘটনা ঘটে। মিজোরামের রাজধানী আইজল থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাস্থল হল সাইরাং। এখানে কুরুং নদীর উপর একটি রেলের সেতু তৈরি হচ্ছিল। এলাকায় সেতু ভেঙে এখনও পর্যন্ত মারা গেছেন প্রায় ১৭ জন। সেই সঙ্গে ভাঙা সেতুর নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন ৩৫ থেকে ৪০ জন মানুষ।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামাথাঙ্গা এই সেতু বিপর্যয়ের (Mizoram Bridge Collapse) ঘটনায় মৃতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করছেন। তিনি জানিয়েছেন, স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজে নেমে পড়ছে। আহতদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উদ্ধর করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। উদ্ধার করতে সরকারি আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছেন। মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্রে আরও জানা গেছে এই সেতুর উচ্চতা ছিল ১০৪ মিটার। এই সেতুপথেই মিজোরামকে দেশের রেলপথের সঙ্গে সংযুক্ত করার বিশেষ প্রকল্পে কাজ চলছিল।

    থাকতে পারেন মালদার শ্রমিকরা

    আইজলের এই সেতু ভেঙে দুর্ঘটনার (Mizoram Bridge Collapse) জেরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মালদা থেকে বেশ কিছু শ্রমিক সেখানে কাজ করতে গেছেন। তাঁদের অবস্থা জানার জন্য ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিজোরাম প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • GST: পণ্য কেনার সময় পাকা রসিদ নিন আর পেয়ে যান ১০ লক্ষ থেকে ১ কোটির পুরস্কার, কীভাবে?

    GST: পণ্য কেনার সময় পাকা রসিদ নিন আর পেয়ে যান ১০ লক্ষ থেকে ১ কোটির পুরস্কার, কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিনিসপত্র কেনার পর বিল যত্ন করে না রাখার অভ্যাস আমাদের অনেকেরই আছে। যে সামগ্রীতে ওয়ার‍্যান্টি থাকে, সেই বিলগুলোই সাধারণভাবে আমরা এক বছর পর্যন্ত রেখে দিই। বাকি বিলগুলো ডাস্টবিনেই চলে যায়। কিন্তু আপনি কি জানেন, পণ্যসামগ্রী (GST) কেনার বিল যদি বাড়িতে আপনি রেখে দেন, তাহলে এবার জিততে পারবেন নগদ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ১ কোটি পর্যন্ত পুরস্কার (GST)। এই পুরস্কার দিতে চলেছে স্বয়ং কেন্দ্রীয় সরকার। জানা গিয়েছে, নরেন্দ্র মোদি সরকার উপভোক্তাদের জন্য এই পুরস্কার নিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে একটি অ্যাপও চালু করতে চলেছে সরকার, যার নাম হবে ‘মেরা দিল মেরা অধিকার’ (GST)। এই অ্যাপটির মাধ্যমে গ্রাহকরা তাঁদের পণ্যের কেনাকাটার বিল আপলোড করে নগদ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ১ কোটি পর্যন্ত জিততে পারবেন। কিন্তু হঠাৎ পণ্যের বিল আপলোড করে কেন প্রাইজ জেতা যাবে (GST)?

    ১০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা জেতার সুযোগ

    বিশেষজ্ঞ মহল বলছে, জিএসটি’র (GST) ফাঁকি ঠেকাতেই কেন্দ্রীয় সরকার এই বিশেষ সুযোগ দিচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার জিএসটি বিল তৈরির প্রচার করছে। অর্থাৎ জিএসটি সহ পাকা বিল নিয়েই পণ্য কেনার উপর জোর দিচ্ছে সরকার। সাধারণভাবে দেখা যায় জিএসটি ছাড়াই এখনও পর্যন্ত স্থানীয় প্রচুর দোকানদার জিনিস বিক্রি করেন। এই প্রতিযোগিতায় প্রতি মাসে ৫০০টি লাকি ড্র করা হবে (GST)। ‘মেরা বিল মেরা অধিকার’ এই পোর্টালে বিল আপলোড করা যাবে। এর ফলে কর ফাঁকি কমবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। সম্প্রতি, সম্পন্ন হয় ৫০ তম বৈঠক জিএসটি কাউন্সিলের। সেখানে পাঁচ হাজার কোটি টাকারও বেশি কর ফাঁকির তথ্য তুলে ধরা হয়েছিল। এই কর ফাঁকি রুখতেই নরেন্দ্র মোদি সরকারের এই প্রয়াস বলে মনে করা হচ্ছে।

    কীভাবে আপলোড করা যাবে ওই বিল (GST)?

    ‘মেরা বিল মেরা অধিকার’ এই অ্যাপটি যে কোনও অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে ইন্সটল করতে হবে। ডাউনলোড করার পরে সেখানে তাঁদের পণ্যের বিল আপলোড করতে পারবেন গ্রাহকরা। বিল নম্বর, টাকার অঙ্ক, করের পরিমাণ এ সমস্ত কিছুই দিতে হবে। জানা গিয়েছে ‘মেরা বিল মেরা অধিকার’-এর অধীনে একজন গ্রাহক মাসে সর্বাধিক ২৫টি বিল ওই পোর্টালে আপলোড করতে পারবেন। সর্বনিম্ন ২০০ টাকার কেনাকাটা করলেই ওই বিল (GST) আপলোড করা যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: অবতরণের পর কাজ করবে পেলোডগুলিই! ২ সপ্তাহ ধরে কী কী কাজ করবে রম্ভা-চ্যাস্টেরা?

    Chandrayaan-3: অবতরণের পর কাজ করবে পেলোডগুলিই! ২ সপ্তাহ ধরে কী কী কাজ করবে রম্ভা-চ্যাস্টেরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষনিকের অপেক্ষা! কিছুক্ষণ পরে চাঁদের মাটি ছুঁয়েই অরবিটারে বার্তা পাঠাবে ল্যান্ডার বিক্রম। তার পর কিছু অপেক্ষা। ল্যান্ডার-এর পেটের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসবে রোভার প্রজ্ঞান। চাঁদে অবতরণের কিছুক্ষণ পরে, বিক্রম ল্যান্ডারটি খুলবে এবং রোভারের জন্য একটি র‌্যাম্প তৈরি করবে। অর্থাৎ সেই র‌্যাম্প ধরেই রোভারটি এদিক ওদিক ঘুরে বেরাবে। ছয় চাকার রোভারে ভারতের পতাকা এবং ইসরোর লোগো রয়েছে। অবতরণের প্রায় চার ঘণ্টা পর এটি ল্যান্ডারের ভিতর থেকে বেরিয়ে এসে নামতে শুরু করবে। অবতরণের সময় রোভারের গতিবেগ হবে প্রতি সেকেন্ডে ১ সেমি। রোভার তার নেভিগেশন ক্যামেরার মাধ্যমে আশেপাশের পরিবেশ অনুধাবন করতে থাকবে।

    কীভাবে কাজ করবে সাতটি পে-লোড

    সৌরশক্তি চালিত ল্যান্ডার এবং রোভারটি চাঁদের চারপাশে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে দুই সপ্তাহ (পৃথিবীর হিসেবে) সময় পাবে। চন্দ্রযান-৩ এর সাতটি পেলোড রয়েছে – চারটি বিক্রম ল্যান্ডারে, দুটি প্রজ্ঞান রোভারে এবং একটি প্রপালশন মডিউলে। ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমানাথ জানিয়েছেন, “আমরা জানি চাঁদের কোনো বায়ুমণ্ডল নেই। কিন্তু এটা ঠিক নয় কারণ এর থেকে গ্যাস বের হয়। বরং তারা আয়নিত হয় এবং পৃষ্ঠের খুব কাছাকাছি থাকে। এটি দিন এবং রাতের সাথে পরিবর্তিত হয়।” 

    বিক্রমের পে-লোড

    বিক্রমের চারটি পে-লোড হল মুখ্য। রম্ভা, চ্যাস্টে, ইলসা এবং অ্যারে। চাঁদে অবতরণের পর পরই কাজ শুরু করবে ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকা এই চারটি পেলোড। এই পেলোডগুলির সাহায্যেই চাঁদে বাজিমাত করবে চন্দ্রযান। এই পেলোডগুলিই চাঁদের ‘অজানা রহস্য’ খুলে দেবে ইসরোর বিজ্ঞানীদের সামনে।

    রম্ভা (RAMBHA)- রেডিও অ্যানাটমি অব মুন বাউন্ড হাইপারসেনসিটিভ আয়নোস্ফিয়ার এবং অ্যাটমোস্ফিয়ার বা রম্ভা চাঁদের বুকে সূর্য থেকে আসা প্লাজমা কণার ঘনত্ব, পরিমাণ এবং পরিবর্তনগুলি নিরীক্ষণ করবে।
    চ্যাস্টে (ChaSTE)- চন্দ্রের সারফেস থার্মোফিজিকাল এক্সপেরিমেন্ট বা চ্যাস্টে মেপে দেখবে চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা। 
    ইলসা (ILSA)- অবতরণস্থলের আশপাশের মাটির কম্পন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করবে ইলসা বা ইনস্ট্রুমেন্ট ফর লুনার সিসমিক অ্যাক্টিভিটি।
    এলআরএ (LRA)- ‘লেজার রেট্রোরিফ্লেক্টর’ অ্যারে চাঁদের গতিশীলতা বোঝার চেষ্টা করবে। চাঁদের প্রাকৃতিক কার্যপ্রণালী সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য নিরীক্ষণ করে তা পৃথিবীতে পাঠানোর দায়িত্ব থাকছে এই চার পেলোডের কাঁধে।

    রোভারের পে-লোড

    আলফা পার্টিকেল এক্স-রে স্পেকট্রোমিটার (APXS)- রোভারের ‘আলফা পার্টিকল এক্স-রে স্পেকট্রোমিটার’ নামে যন্ত্রটি অবতরণস্থলের কাছে চন্দ্রপৃষ্ঠে কী কী উপাদান রয়েছে তা দেখবে। ওই যন্ত্রে কিউরিয়াম নামে তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে এক্স-রে ও আলফা পার্টিকল নির্গত হবে এবং তার মাধ্যমে চন্দ্রপৃষ্ঠের ছবি তুলবে। চাঁদের পাথরের মধ্যে লোহা, ম্যাগনেশিয়াম, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম, টাইটেনিয়ামের মতো খনিজ রয়েছে কি না, তার সন্ধানও করবে সে। 
    লেজার ইনডিউসড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কোপ (LIBS)-রোভারের ‘লেসার ইনডিউসড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কোপ’ যন্ত্রের কাজ হল অবতরণস্থলের আশপাশে চাঁদের মাটিতে কী উপাদান কত পরিমাণে রয়েছে তা খুঁজে বার করা, তবে প্রথম যন্ত্রের থেকে আলাদা পদ্ধতিতে। 

    প্রপালশন মডিউলের পে-লোড

    প্রপালশন মডিউলটি চন্দ্রের কক্ষপথ থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল অধ্যয়ন করবে। এই কাজে তাকে সাহায্য করবে তার একমাত্র পেলোড, বাসযোগ্য প্ল্যানেট আর্থের স্পেকট্রো-পোলারিমেট্রি (শেপ)। এটি কয়েক মাস (বা বছর) চাঁদকে প্রদক্ষিণ করবে, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং মেঘের উপর স্পেকট্রোস্কোপি এবং পোলারাইজেশন অধ্যয়ন করবে, বায়োসিগনেচার সংগ্রহ করবে যা বাসযোগ্য এক্সোপ্ল্যানেট সনাক্ত করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: ল্যান্ডারের ‘সফট ল্যান্ডিং’ নয়, বিজ্ঞানীদের চিন্তায় রেখেছে চাঁদের ধুলো! কেন?

    চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই, চৌম্বকক্ষেত্রও নেই। তবে বিপুল জলের খোঁজ পেলে, (H2O)সেখান থেকে তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে হাইড্রজেন ও অক্সিজেনে ভেঙে নেওয়া সম্ভব। এই অক্সিজেন শ্বাসপ্রশ্বাসকে স্বাভাবিক রাখবে। আর হাইড্রজেন ব্যবহার করা যেতে পারে জ্বালানি হিসেবে। চাঁদের ওই মেরুতে আবার বরফ থাকার সম্ভাবনাও অনেক বেশি। চাঁদের আধাঁর পিঠের ঠিক কোথায় বরফ জমে আছে তার খোঁজ চালাবে প্রজ্ঞান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: ল্যান্ডারের ‘সফট ল্যান্ডিং’ নয়, বিজ্ঞানীদের চিন্তায় রেখেছে চাঁদের ধুলো! কেন?

    Chandrayaan 3: ল্যান্ডারের ‘সফট ল্যান্ডিং’ নয়, বিজ্ঞানীদের চিন্তায় রেখেছে চাঁদের ধুলো! কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তার পরেই আসতে চলেছে বহুকাঙ্খিত মাহেন্দ্রক্ষণ। বুধবার সন্ধেয় চাঁদের মাটি ছুঁতে চলেছে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। সেই সঙ্গে ১৪০ কোটি ভারতবাসীর স্বপ্নপূরণ হতে চলেছে আজ। ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, আজ ভারতীয় সময় সন্ধে পৌনে ৬টা থেকে শুরু হবে অবতরণের প্রক্রিয়া। চাঁদের মাটিতে ৩০ কিলোমিটার ওপর থেকে নামবে ল্যান্ডার বিক্রম। সন্ধে ৬টা ৪ মিনিটে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফট ল্যান্ডিং করবে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ (Lander Vikram) ও তার মধ্যে থাকা রোভার ‘প্রজ্ঞান’ (Rover Pragyan)। 

    দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণ করবে ‘চন্দ্রযান ৩’

    ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণ করবে ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) ল্যান্ডার এবং রোভার। ৭০ ডিগ্রি দ্রাঘিমাংশে অবতরণ করার কথা এই মহাকাশযানের। এই এলাকাটি চাঁদের দক্ষিণ মেরু থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে এর আগে কোনও দেশই মহাকাশযান পাঠায়নি। ফলে ভারত আজ সফল হলে, বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণের কৃতিত্ব অর্জন করবে। চাঁদের বুকে অবতরণের সেই দৃশ্য বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিট থেকে সরাসরি সম্প্রচার হবে ইসরোর ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ, ইউটিউবে।

    আরও পড়ুন: আজ চাঁদের মাটি ছোঁবে ‘চন্দ্রযান ৩’, সাফল্য কামনায় দেশ-বিদেশে পুজো-যজ্ঞ-নমাজ পাঠ

    সফট-ল্যান্ডিং করা একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ

    তবে, এই অঞ্চলে সফট-ল্যান্ডিং করা একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ। তা হলো, অবতরণ প্রক্রিয়ার ওই শেষের ২০ মিনিট। চার বছর আগে এই পর্বে এসে চাঁদের বুকে আছড়ে পড়েছিল (বিজ্ঞানের পরিভাষায় হার্ড ল্যান্ডিং) ‘চন্দ্রযান ২’-এর ল্যান্ডার। এই পর্যায়টিই হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন এবং গুরুত্বপূর্ণ। ইসরোর বিজ্ঞানীরা যদিও আত্মবিশ্বাসী, যে এবার তাঁরা সফল হবেনই। ইসরোর দাবি, ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3) ও তার ল্যান্ডার ‘বিক্রম’-কে (Lander Vikram) এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে প্রতিকূল পরিস্থিতি হলেও তা সঠিকভাবে সফট-ল্যান্ডিং করতে পারবে। ল্যান্ডারে থাকা যাবতীয় সেন্সর কাজ না করলেও, সঠিকভাবে অবতরণ করতে সক্ষম ‘বিক্রম’। তেমনভাবেই তৈরি করা হয়েছে তাকে।

    তবে ইসরোর বিজ্ঞানীদের মাথায় অন্য আরেকটা চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে। তা হলো, চাঁদের মাটি। অবতরণের সময় ল্যান্ডার স্পর্শ করার সময় চারদিকে ধুলোর আস্তরণ উড়বে। কার্যত প্রায় ঢাকা পড়ে যাবে ল্যান্ডার। এমতাবস্থায়, বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না ধুলো পুরো থিতিয়ে বসে যাচ্ছে, ততক্ষণ ‘বিক্রম’-এর পেট থেকে ‘প্রজ্ঞান’-কে বের করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিজ্ঞানীদের এই আশঙ্কার নেপথ্যে রয়েছে কোন বিজ্ঞান? 

    বিজ্ঞানীদের চিন্তায় রেখেছে ‘রেগোলিথ’, কী এটা?

    চাঁদের ধুলোকে বলা হয় ‘রেগোলিথ’। এই ধুলো চার্জড পার্টিকলে ভরপুর, খনিজ উপাদানও আছে। এর মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন, টাইটানিয়াম এবং আয়রনের মতো খনিজ মৌল। তাদের অণু-পরমাণুর মধ্যে নিরন্তর ধাক্কাধাক্কি চলছে। রেগোলিথ মহাজাগতিক রশ্মির বিকিরণে উত্তেজিত হয়ে ওঠে। চাঁদে যেহেতু পৃথিবীর মতো বায়ুমণ্ডল নেই, তাই মহাজাগতিক রশ্মি, সৌরঝড় সরাসরি আছড়ে পড়ে চাঁদে। আর মহাজাগতিক রশ্মিদের বিকিরণে চাঁদের ধুলো উত্তেজিত থাকে সারাক্ষণ। 

    মহাজাগতিক রশ্মিদের বিকিরণে চাঁদের ধুলো আরও উত্তেজিত হয়ে লাফালাফি শুরু করে। সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি বা অন্য কোনও মহাজাগতিক রশ্মি চাঁদের মাটিতে সরাসরি আছড়ে পড়ার সময় এই সূক্ষাতিসূক্ষ ধূলিকণাগুলিকে আঘাত করে। ফলে এগুলির মধ্যে বিদ্যুৎ তরঙ্গ তৈরি হয়। গরম হলে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার জন্য ধুলোকণাগুলো তড়িৎ ঋণাত্মক কণা বা ইলেকট্রন ছাড়তে থাকে। তাপমাত্রার ফারাক এবং মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাবে বিরাট এলাকা জুড়ে ধুলোর ঝড় শুরু হয় যাতে ইলেকট্রোস্ট্যাটিক ফোর্স চুম্বকীয় স্তর তৈরি করে। 

    প্রজ্ঞানকে বাঁচাতে এখন কী করণীয়?

    সফট ল্যান্ডিং (Chandrayaan 3) ঠিকঠাক ভাবে করতে হলে রেট্রো-রকেট চালাতে হতে পারে ল্যান্ডারকে (Lander Vikram)। ইসরো জানিয়েছে, অবতরণের সময় যদি চাঁদের মাটির ধুলো ওড়ে, তাহলে ক্ষতি হতে পারে রোভারের। ধুলোর আয়নিক কণারা রোভারের যন্ত্রপাতির ক্ষতি করতে পারে। ধুলোকণা যন্ত্রের উপর গিয়ে পড়লে বেতার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। ‘ডিপ স্পেস নেটওয়ার্ক‘ (DSN)-এর মাধ্যমে তথ্য পাঠাতে পারবে না রোভার ‘প্রজ্ঞান’। সেক্ষেত্রে কী করণীয়? ইসরো জানিয়েছে, ল্যান্ডারের চারটি পা যখন মাটি ছোঁবে, ইঞ্জিন বন্ধ করে দেবেন বিজ্ঞানীরা। শুধুমাত্র সেন্ট্রাল ইঞ্জিন কাজ করবে। তাও সতর্ক ভাবে, যাতে ধুলো না ওড়ে। অবতরণের পর ওই মাটি থিতিয়ে আসার জন্য অপেক্ষা করা হবে। এর পর ল্যান্ডার থেকে আলাদা হয়ে চাঁদের মাটিতে নামবে রোভার ‘প্রজ্ঞান’ (Rover Pragyan)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heath Streak : মৃত্যু নিয়ে গুজব! হোয়্যাটসঅ্যাপ মেসেজে হিথ স্ট্রিক জানালেন তিনি জীবিত

    Heath Streak : মৃত্যু নিয়ে গুজব! হোয়্যাটসঅ্যাপ মেসেজে হিথ স্ট্রিক জানালেন তিনি জীবিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মারণ রোগ ক্যান্সারের বিরুদ্ধে জীবন যুদ্ধের লড়াইয়ে হার মানলেন হিথ স্ট্রিক (Heath Streak)। বুধবার সকালে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে এই খবর। সোশ্যাল মিডিয়ায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ জিম্বাবোয়ের প্রাক্তন অলরাউন্ডারকে শ্রদ্ধা জানাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জিম্বাবোয়ের প্রাক্তন ক্রিকেটার হেনরি ওলোঙ্গা ট্যুইটারে জানান, এটা ভুয়ো খবর। হিথ সিট্রকত জীবিত। হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর সঙ্গে চ্যাট করার স্ক্রিন শট তিনি পোস্ট করেন। তবে মজার ব্যাপার হল, ওলোঙ্গাই কিন্তু হিথ স্ট্রিকের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিলেন ট্যুইটারে। 

    জীবিত  হিথ স্ট্রিক

    বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ওলোঙ্গা একটি কথোপকথনের স্ক্রিনশট পোস্ট করেন টুইটারে। সেটি স্ট্রিকের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন বলে দাবি করেছেন তিনি। সঙ্গে লিখেছেন, “আমি নিশ্চিত ভাবে জানাতে চাই যে হিথ স্ট্রিকের মৃত্যুর খবর নিয়ে বাড়াবাড়ি করা হয়েছে। আমি নিজেই ওর মুখ থেকে শুনেছি যে ও এখনও জীবিত। তৃতীয় আম্পায়ার আবার ওকে ফিরিয়ে এনেছে। ও বেঁচে রয়েছে।” পরে তাঁর মেয়েও বেঁচে থাকা খবর নিশ্চিত করেছেন।

    হিথ স্ট্রিকের রেকর্ড

    ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল হিথ স্ট্রিকের। ১৮৯টি ওয়ান ডে এবং ৬৫টি টেস্ট খেলেছেন তিনি। অলরাউন্ডার হিসেবে নিজেকে মেলে ধরতে সফল হয়েছিলেন স্ট্রিক (Heath Streak)। টেস্ট তাঁর ব্যাটে এসেছিল ১৯৯০ রান। ঝুলিতে রয়েছে ২১৬টি উইকেট। সাদা বলের ক্রিকেটেও তিনি যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছিলেন। ২৯৪৩ রানের পাশাপাশি ২৩৯টি উইকেটের মালিক তিনি। ২০০৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে আলবিদা জানান জিম্বাবোয়ের এই প্রাক্তন তারকা অলরাউন্ডার। তিনি অধিনাকত্ব করেন ২১টি টেস্ট ও ৬৮টি ওয়ান ডে ম্যাচে। তবে ম্যাচ গড়াপেটা কাণ্ডে জড়িয়ে তিনি নির্বাসিত হন। ২০২১ সালে তাঁকে আট বছরের জন্য নির্বাসিত করেছিল আইসিসি। তবে হিথ স্ট্রিক বরাবরই দাবি করেছিলেন, তিনি কোনওভাবেই গড়াপেটার সঙ্গে যুক্ত নন। 

    আরও পড়ুন: নয়া ভূমিকায়! নির্বাচন কমিশনের ন্যাশনাল আইকন হচ্ছেন সচিন

    হিথ স্ট্রিক চিকিৎসাধীন

    গত বছর মে মাসে স্ট্রিক (Heath Streak) গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে জানা যায়, তাঁর শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ রোগ ক্যান্সার। কোলন ও যকৃতের ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখনও তিনি চিকাৎসাধীন। তবে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতি থেকে হিথ স্ট্রিকের বেঁচে ফেরার সম্ভাবনা কম। তবুও হাল ছাড়েননি প্রাক্তন অলরাউন্ডার। বাইশ গজে বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানদের তিনি কাঁদিয়ে ছেড়েছিলেন তাঁর গতি ও সুইয়ে। শুধু বল হাতে নয়, ব্যাটসম্যান স্ট্রিকের নজরকাড়া বিধ্বংসী ইনিংস আজও চোখের সামনে ভাসে ক্রিকেট জনতার। তাই হাল ছেড়ো না বন্ধু বলে এখনও জীবনের পিচে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছন স্ট্রিক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sachin Tendulkar: নয়া ভূমিকায়! নির্বাচন কমিশনের ন্যাশনাল আইকন হচ্ছেন সচিন

    Sachin Tendulkar: নয়া ভূমিকায়! নির্বাচন কমিশনের ন্যাশনাল আইকন হচ্ছেন সচিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া ভূমিকায় ক্রিকেটের ঈশ্বর সচিন তেন্ডুলকর (Sachin Tendulkar)। তবে ক্রিকেট মাঠে নয়, তিনি এবার দূত হলেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনে। মাস্টার ব্লাস্টারকে কমিশনের ‘ন্যাশনাল আইকন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কিংবদন্তী ক্রিকেটারের সঙ্গে বুধবার এই মর্মে একটি মৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত করা হবে। মঙ্গলবার এ কথা ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। আগামী বছর লোকসভা ভোট। তার আগে সচিনকে সামনে রেখে প্রচার করতে চায় নির্বাচন কমিশন। সকলে যাতে ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহ পায়, সেই কারণেই সচিনকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে।

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ট্যুইট-বার্তা

    ভারতীয় ক্রিকেটে তথা বিশ্ব ক্রিকেটে সচিন তেন্ডুলকরের (Sachin Tendulkar) অবদান অনস্বীকার্য। সচিনের অবসরের পর কেটে গিয়েছে এক দশক। কিন্তু এখনও তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। অবসরের পর নানা সামাজিক কাজে নিজেকে লিপ্ত রেখেছেন। ভারতরত্নও পেয়েছেন। এবার তাঁকে জাতীয় আইকনের স্বীকৃতি দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)।

    বুধবার থেকেই নির্বাচন কমিশনের ‘জাতীয় আইকন’ হিসাবে কাজ করবেন সচিন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মুখপত্রের ট্যুইটারে এই খবর জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জোহানেসবার্গে বসেই ‘চন্দ্রযান ৩’-এর ঐতিহাসিক ল্যান্ডিং দেখবেন প্রধানমন্ত্রী

    তরুণ প্রজন্মকে প্রেরণা দেবেন সচিন

    বুধবার, ২৩ অগাস্ট রাজধানী নয়াদিল্লির রং ভবন অডিটোরিয়ামে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেই অনুষ্ঠানেই সচিনকে (Sachin Tendulkar) জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে জাতীয় আইকনের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। সেখানেই তিনি নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) সঙ্গে একটি মৌ স্বাক্ষর করবেন। তিন বছরের জন্য তিনি চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে দেশের নাগরিকদের ভোট দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন করতে দেখা যাবে সচিনকে। এই অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের প্রধান শ্রী রাজীব কুমার, নির্বাচন কমিশনার শ্রী অনুপ চন্দ্র পাণ্ডে এবং শ্রী অরুণ গোয়েল এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, “তরুণদের উপর সচিনের প্রভাব দেশের ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন রয়েছে। তার আগে তরুণদের ভোট দেওয়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: জোহানেসবার্গে বসেই ‘চন্দ্রযান ৩’-এর ঐতিহাসিক ল্যান্ডিং দেখবেন প্রধানমন্ত্রী

    Chandrayaan 3: জোহানেসবার্গে বসেই ‘চন্দ্রযান ৩’-এর ঐতিহাসিক ল্যান্ডিং দেখবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। চন্দ্রপৃষ্ঠ স্পর্শ করতে চলেছে ভারতের ‘চন্দ্রযান ৩’। দেশের মহাকাশ গবেষণার এই মাহেন্দ্রক্ষণে ইসরোর সদর দফতরে বসে বিজ্ঞানীদের উৎসাহ দান করতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে, সরকারি সূত্রে খবর, ব্রিকস’ (BRICS SUMMIT 2023) শীর্ষবৈঠক উপলক্ষ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকতে হলেও ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3 Mission) সফট ল্যান্ডিংয়ের সময় ‘ভার্চুয়ালি’ উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী।

    মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় প্রধানমন্ত্রীও

    সূত্রের খবর, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ‘চন্দ্রযান ৩’-এর ল্যান্ডিং উপভোগ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মুহূর্তে তিনি ১৫তম ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়েছেন। মঙ্গলবারই তিনি পৌঁছেছেন জোহানেসবার্গে। জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধের আগেই ইসরোর (ISRO) সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কানেক্ট করবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সঙ্গে তিনিও এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকবেন। প্রসঙ্গত, ‘চন্দ্রযান ৩’ উৎক্ষেপণের দিনও ভারতে ছিলেন না তিনি। থাকবেন না অবতরণেও। উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই যখন শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় চন্দ্রযানের তখন বাস্তিল দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ফ্রান্স সফরে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু, তাঁর তরফে রকেট উৎক্ষেপণের প্রাক্কালে এসেছিল বড় বার্তা।

    আরও পড়ুন: ঢাক-ঢোল বাজিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রধানমন্ত্রী বরণ, উঠল ‘হর হর মোদি’ ধ্বনি

    প্রধানমন্ত্রীর মন পড়ে রয়েছে চাঁদে

    এবারও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগদান করতে জোহানেসবার্গে থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর মন পড়ে রয়েছে চাঁদে। প্রতি মুহূর্তে ইসরোর প্রস্তুতি এবং ‘চন্দ্রযান ৩’-এর অবস্থানের আপডেট নিচ্ছেন মোদি। আর তাই শত ব্যস্ততার মধ্যেও বুধবার সন্ধে ঠিক ৬টা বেজে ৪ মিনিটে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ইসরোর বিজ্ঞানীদের পাশে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বরেও ‘চন্দ্রযান ২’-এর ‘টাচডাউন’ দেখবেন বলে বেঙ্গালুরু উড়ে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর জানা যায়, ‘চন্দ্রযান ২’-এর ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ চন্দ্রপৃষ্ঠে আছড়ে পড়েছে। তৎকালীন ইসরো ডিরেক্টর কে শিবনকে দেখা গিয়েছিল চোখের জল ফেলতে। তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুধু আশ্বাস নয়, ৩০ মিনিট ইসরোর বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে বার্তাও দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আমাদের চাঁদকে ছোঁয়ার ইচ্ছা আজ থেকে আরও শক্তিশালী হয়ে গেল। সেরা সময় এবার আসবে।’ আজ, বুধবার গোধূলি বেলায় সেই সময় আসতে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: অবতরণ-পর্বে শেষ ২০ মিনিটই চ্যালেঞ্জ! ‘চিন্তা নেই, সফট-ল্যান্ডিং হচ্ছেই’, আশ্বাস ইসরোর

    Chandrayaan 3: অবতরণ-পর্বে শেষ ২০ মিনিটই চ্যালেঞ্জ! ‘চিন্তা নেই, সফট-ল্যান্ডিং হচ্ছেই’, আশ্বাস ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে ‘দ্য ফাইনাল কাউন্টডাউন’। রাত পোহালেই ইতিহাসের পাতায় ঢুকে পড়বে ভারত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করার নজির গড়তে চলেছে দেশ। অনাবিষ্কৃত আঁধারে ঘেরা চাঁদের সেই মেরু অঞ্চলে ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) অবতরণ ঘিরে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে গোটা দেশে, থুরি বলা ভালো গোটা বিশ্বে। ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী যা থাকতে পারে দেশবাসী, তার জন্য গোটা অবতরণ প্রক্রিয়ার সরাসরি স্ট্রিমিং ৫টা ২০ মিনিট থেকে করবে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো।

    অবতরণ-পর্বে শেষের ২০ মিনিটই প্রধান চ্যালেঞ্জ

    ইসরোর পরিকল্পনা অনুযায়ী, ল্যান্ডার ‘বিক্রম’-এর (Lander Vikram) চূড়ান্ত অবতরণ প্রক্রিয়া (দ্য ফাইনাল ডিসেন্ট) শুরু হবে বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিট নাগাদ। আর সন্ধেয় ৬টা ৪ মিনিটে হবে কাঙ্খিত ‘টাচডাউন’। মহাকাশ বিজ্ঞানীদের দাবি, চির-আঁধারে ঘেরা চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের পরতে পরতে রয়েছে রহস্য। এই দক্ষিণ মেরু অঞ্চলই সবচেয়ে এবড়ো-খেবড়ো, খানা-খন্দে ভরা। রয়েছে শয়ে শয়ে গহ্বর। ফলে, এই অঞ্চলে সফট-ল্যান্ডিং করা একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ। ইসরোর বিজ্ঞানীদের মাথায় একটাই চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে। তা হলো, অবতরণ প্রক্রিয়ার ওই শেষের ২০ মিনিট। চার বছর আগে এই পর্বে এসে চাঁদের বুকে আছড়ে পড়েছিল (বিজ্ঞানের পরিভাষায় হার্ড ল্যান্ডিং) ‘চন্দ্রযান ২’-এর ল্যান্ডার।

    আরও পড়ুন: চাঁদে অবতরণের পরই তো আসল কাজ শুরু ‘চন্দ্রযান ৩’-এর! জানেন কী করবে বিক্রম-প্রজ্ঞান?

    যদিও এবার, সফল সফট ল্যান্ডিংয়ের বিষয়ে আশাবাদী ইসরো। তারা জানিয়েছে, ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3) ও তার ল্যান্ডার ‘বিক্রম’-কে (Lander Vikram) এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে প্রতিকূল পরিস্থিতি হলেও, তা সঠিকভাবে সফট-ল্যান্ডিং করতে পারবে। কীভাবে গোটা অবতরণের প্রক্রিয়া কাজ করবে, তা বিশদে ইসরোর তরফে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে, ধাপে ধাপে ‘বিক্রম’-কে নিচে নামানো হবে। একইসঙ্গে ভারসাম্য বজায় রেখে কমানো হবে তার গতিও। এই পুরো বিষয়টা একেবারে অঙ্ক কষার মতো সাজিয়ে ল্যান্ডারের সিস্টেমকে বলে দেওয়া হয়েছে। 

    ধাপে ধাপে গতি কমানোর সঙ্গে নিচে নামবে ‘বিক্রম’

    বর্তমানে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ (Lander Vikram) চাঁদের ২৫ কিলোমিটার x ৭০ কিলোমিটার কক্ষপথে অবস্থান করছে। সেখান থেকে চাঁদের বুকে পা রাখতে মিনিট ২০ সময় লাগবে। ইসরো জানিয়েছে, প্রথম ধাপে ‘বিক্রম’-কে বর্তমান অবস্থান থেকে ৭.৪ কিমি উচ্চতায় নামিয়ে আনা হবে। এই সময়ে ল্যান্ডারের গতি থাকবে সেকেন্ডে ৩৫৮ মিটার। সময় লাগবে ১১ মিনিট। দ্বিতীয় ধাপে ৬.৮ কিলোমিটার উচ্চতায় নামিয়ে আনা হবে। এখানে ‘বিক্রম’-এর গতি আরও কমে হবে সেকেন্ডে ৩৩৬ মিটার। 

    ছবি সৌজন্য – ইসরো

    তৃতীয় ধাপে উচ্চতা কমে হবে ৮০০ মিটার। এবারও আরও গতি কমবে। এই পর্যায়ে এসে ল্যান্ডার তার লেজার রশ্মির সাহায্যে অবতরণের যোগ্য জায়গা খুঁজে বের করে নেবে। লেজার রশ্মির সাহায্যে ‘বিক্রম’-এ থাকা সেন্সর অবতরণের উপযুক্ত জায়গা খুঁজে নিতে সাহায্য করবে। পরের ধাপে, ৮০০ থেকে ১৫০ মিটার উচ্চতায় নামবে ‘বিক্রম’। এখানে তার গতি থাকবে সেকেন্ডে ৬০ মিটার। এর পর, পর ১৫০ থেকে ৬০ মিটারে নামার সময়ে এই গতি হবে ৪০ মিটার প্রতি সেকেন্ড। শেষ ধাপে, ৬০ থেকে ১০ মিটারে নামতে গিয়ে ‘বিক্রম’-এর গতি থাকবে ১০ মিটার প্রতি সেকেন্ড। সেখান থেকে মাটি ছোঁয়ার সময় ল্যান্ডারের গতি কমে হবে সেকেন্ডে ১.৬৮ মিটার।

    আরও পড়ুন: বুধবার চাঁদে পা ‘বিক্রম’-এর, তার আগে ৭০ কিমি ওপর থেকে ছবি পাঠালো ‘চন্দ্রযান ৩’

    কোনও সেন্সর কাজ না করলেও নামতে পারবে ‘বিক্রম’!

    বিজ্ঞানীদের মতে, এই গোটা ধাপগুলিই হচ্ছে একটা চ্যালেঞ্জ। এই পর্যায়টিই হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন এবং গুরুত্বপূর্ণ। চার বছর আগে, এই পর্যায় থেকে ছিটকে গিয়েছিল ‘চন্দ্রযান ২’। ব্যর্থ হয়েছিল অভিযান। অধরা থেকে গিয়েছিল স্বপ্ন। তবে, ইসরো এবার অনেক বেশি সতর্ক থেকেছে। যে কারণে, ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) নকশায় আমূল বদল আনা হয়েছে। পুরোদমে প্রস্তুতি নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষ সেন্সর বসানো হয়েছে ‘বিক্রম’-এ। রয়েছে প্রচুর ক্যামেরা। শুধু তাই নয়, ইসরোর দাবি, ল্যান্ডারে থাকা যাবতীয় সেন্সর কাজ না করলেও, সঠিকভাবে অবতরণ করতে সক্ষম ‘বিক্রম’ (Lander Vikram)। তেমনভাবেই তৈরি করা হয়েছে তাকে। শর্ত বলতে শুধুমাত্র প্রোপালশন সিস্টেম ঠিক চললেই হলো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: টাকি পুরসভার পাঁচজন কাউন্সিলার একসঙ্গে পদত্যাগ করলেন, কেন জানেন?

    Basirhat: টাকি পুরসভার পাঁচজন কাউন্সিলার একসঙ্গে পদত্যাগ করলেন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের (Basirhat) টাকি পুরসভায় পাঁচজন কাউন্সিলার পদত্যাগ করলেন। মূলত, পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে মঙ্গলবার পদত্যাগ করেন তৃণমূলের ওই কাউন্সিলররা। বিধানসভায় গিয়ে তাঁরা মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ? (Basirhat)  

    বসিরহাটের টাকি পুরসভায় মোট ১৬ টি আসন রয়েছে। যাঁর মধ্যে ১৪ টি আসন তৃণমূলের দখলে ছিল। ২টি আসন পেয়ে বিরোধী আসনে রয়েছে বিজেপি। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের নাম ফারুক গাজি। তাঁর বিরুদ্ধে কাউন্সিলারদের মারধর করা এবং ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, টাকি পুরসভা এলাকায় ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজি কাজ করতে বাধা সৃষ্টি করেন। এর প্রতিবাদ করলে ভয় দেখানো, এমনকী আমাদের মারধর করা হয়েছে। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজির বিরুদ্ধে সরব হয়েই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান তাঁরা। জানা গিয়েছে, এদিন রাজ্য বিধানসভায় গিয়ে জেলার মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছে পদত্যাগ পত্র পেশ করেন পাঁচজন কাউন্সিলর। পাশাপাশি, বসিরহাটের (Basirhat) মহকুমা শাসকের কাছেও তাঁরা পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এমত অবস্থায় টাকি পুরসভায় অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। কাউন্সিলররা সেচমন্ত্রী তথা উত্তর ২৪ পরগনার ভারপ্রাপ্ত নেতা পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে দেখা করেন। এসব অভিযোগ নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যানের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    কী বললেন পদত্যাগী কাউন্সিলার?

    এদিন পাঁচ কাউন্সিলারের তরফে প্রদ্যুৎ দাস বলেন, ওই ভাইস চেয়ারম্যানের জন্য আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা  নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দিতে পারছি না। ফারুক গাজি আপাদমস্তক দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। এর আগে আমরা জেলা নেতৃত্বের কাজে বারবার অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু, কারও কাছ থেকে সুরাহা পাইনি। এমনকী ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা কাউন্সিলারদের গায়েও হাত তোলেন। সে ব্যাপারেও জেলার নেতাদের জানানো হয়েছে। দেওয়ালে পিঠ থেকে গিয়েছে বলে আমরা এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম। এদিন পাঁচজন একসঙ্গে পদত্যাগ করায় তৃণমূলের কাউন্সিলর সংখ্যা বর্তমানে ৯ জন হল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share