Tag: Madhyom

Madhyom

  • INS Vindhyagiri: কতটা শক্তিশালী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’? চিনে নিন এই স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেটকে

    INS Vindhyagiri: কতটা শক্তিশালী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’? চিনে নিন এই স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেটকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার কলকাতায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Draupadi Murmu) হাতে শুভ সূচনা হলো ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) নতুন যুদ্ধজাহাজের। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) নামের ওই স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট গোত্রের রণতরীকে নির্মাণ করেছে গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স। ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’ বা সংক্ষেপে ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের আওতায় ৭টি স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট তৈরি হয়েছে দেশে। এর মধ্যে ৪টে নির্মিত হয়েছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডকইয়ার্ডে। বাকি তিনটির নির্মাণ হয়েছে জিআরএসই-তে। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ হলো প্রকল্পের ষষ্ঠ তথা এখানে তৈরি হওয়া বরাতের তৃতীয় তথা শেষ জাহাজ। এর আগে, এখান থেকেই উদ্বোধন হয়েছে যথাক্রমে ‘আইএনএস হিমগিরি’ ও ‘আইএনএস দুনাগিরি’। এই দুটিই এখন সমুদ্র-ট্রায়ালে রয়েছে। সম্ভবত, চলতি মাসেই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ‘আইএনএস হিমগিরি’।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় নৌসেনার নতুন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    জাহাজের মূল বৈশিষ্ট্য ‘স্টেলথ’

    প্রজেক্ট-১৭ আলফা-র আওতায় নির্মিত জাহাজগুলোর নকশা করেছে নৌসেনার (Indian Navy) অধীনস্থ সংস্থা ওয়ারশিপ ডিজাইন ব্যুরো (পূর্বতন ডিরেক্টরেট অফ নেভাল ডিজাইন)। ডিজেল-ইলেক্ট্রিক শক্তিচালিত এই জাহাজের মূল বৈশিষ্ট্য হল এগুলো ‘স্টেলথ’ (Stealth Missile Frigate) প্রকৃতির। অর্থাৎ, শত্রুর রেডারে এই জাহাজগুলো সহজে ধরা পড়ে না। এর প্রধান কারণ হলো, জাহাজের নকশা এমনভাবে করা হয়, যাতে ধারালো কোণ থাকে না। এই জাহাজগুলোর নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে কম্পোজিট মেটিরিয়াল। এছাড়া, এদের রঙের আস্তরণ এমন থাকে, যা রেডারের তরঙ্গ প্রতিফলিত করে না। ফলত, এই শ্রেণির জাহাজগুলোর রেডার-ক্রস সেকশন অত্যন্ত নগন্য।

    ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র ডিজেল-ইলেকট্রিক ইঞ্জিন

    ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র (INS Vindhyagiri) মূল চালিকাশক্তি হলো চারটি ইঞ্জিন। ২টি ডিজেল ও ২টি ইলেক্ট্রিক ইঞ্জিন চালিত এই জাহাজটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ১৫০ মিটার। এর ওজন প্রায় ৬ হাজার ৬৭০ টন। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩২ নট। (প্রায় ৬০ কিমি/ঘণ্টা)। এই জাহাজটি ২৮ নট গতিতে একটানা ২,৫০০ নটিক্যাল মাইল অতিক্রম করতে সক্ষম। অন্যদিকে, ১৬-১৮ নট গতিতে এটির পাল্লা বেড়ে যায় ৫,৫০০ নটিক্যাল মাইল। জাহাজে ৩৫ অফিসার সহ ২২৬ জনের থাকার সংস্থান রয়েছে।

    যুদ্ধজাহাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা

    জাহাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত মজবুত। এতে রয়েছে একাধিক সেন্সর, রেডার ইডব্লিউ সুইট। ‘আইএনএস বিন্ধ্যাগিরি’-তে রয়েছে অত্যাধুনিক এমএফ-স্টার আয়সা রেডার। আকাশ হোক বা ভূমি— শত্রুর যে কোনও জাহাজ, ড্রোন, বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র, তা সে যত ছোটই হোক না কেন, ৩৬০ ডিগ্রি নজরদারি চালানোর ক্ষমতাসম্পন্ন এই রেডারে সব ধরা পড়বে। ৪৫০ কিমি দূরত্ব পর্যন্ত যে কোনও নিশানাকে ট্র্যাক করতে সক্ষম এই বিশেষ রেডার। এছাড়া, এতে রয়েছে দ্বিতীয় সারফেস-সার্চ রেডার, যা ৪৬০ কিমি পর্যন্ত যে কোনও যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রকে ট্র্যাক করতে সক্ষম। 

    এই জাহাজে সোনার ও রেডারের ক্ষমতা কেমন?

    ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) জাহাজে রয়েছে ডিআরডিও-নির্মিত সোনার, যা জলের নিচে থাকা সাবমেরিন ও টর্পিডোকে বা আন্ডার-ওয়াটার মাইনকে ট্র্যাক ও ট্র্যাক করতে সক্ষম। এর পাশাপাশি, এতে লাগানো হয়েছে অত্যাধুনিক ‘শক্তি’ ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুইট (ইডব্লিউ স্যুইট)। দেশীয় ওই বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা একদিকে যেমন যে কোনও জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা চিহ্নিত করতে সক্ষম, তেমন ভাবেই প্রথাগত রেডারের সিগন্যাল জ্যাম করতে বা নিরস্ত্র করতেও পারে। শুধু তাই নয়, শত্রু যদি চায় এই জাহাজের সিগন্যাল ব্লক করতে, তখন এই ইডব্লিউ স্যুইট পাল্টা তাকে রুখে দিতে সক্ষম, যাতে জাহাজের নিজস্ব যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

    অস্ত্রের বৈচিত্র্যে ভরপুর ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’

    এবার নজর দেওয়া যাক এই ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র অস্ত্রসম্ভারের দিকে। ‘পি-১৭এ’ ফ্রিগেটগুলোতে বিভিন্ন বিপদের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র মজুত করা হয়েছে। স্থলে বা জলে (ভাসমান) যে কোনও হামলা প্রতিহত করার জন্য এতে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এই জাহাজে রয়েছে ৮টি ‘ব্রহ্মোস’ জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর গতি শব্দের ৩ গুণ। এছাড়া রয়েছে একটি ৭৬ এমএম ‘ওটো মেলারা’ নেভাল গান এবং ১টি ৩০ এমএম ‘একে-৬৩০’ ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম (সিআইডব্লিউএস)।

    আকাশপথে হামলা প্রতিহত করার জন্য এই জাহাজে রয়েছে ৩২টি ‘বারাক-৮’ ইআর মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র। ১৫০ কিমি পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র যে কোনও যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, জাহাজ-বিধ্বংসী মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করতে পারদর্শী। ইজরায়েলের এই মিসাইল বর্তমানে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে ভারতেই উৎপাদন করা হচ্ছে। 

    ভূমি ও জলের ওপরের মতোই জলের নিচে দিয়ে করা হামলার জবাব দিতেও পারদর্শী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri)। সাবমেরিন বা টর্পিডো ধ্বংস করতে এতে রয়েছে ২টি টর্পিডো লঞ্চার। এক-একটি লঞ্চারে ৩টি করে টর্পিডো তৈরি থাকে। এছাড়া রয়েছে, সাবমেরিন-বিধ্বংসী রকেট লঞ্চার যা ১ কিমি পর্যন্ত যে কোনও বস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। 

    আত্ম-সুরক্ষা ব্যবস্থাও জোরদার

    প্রতিঘাতের পাশাপাশি ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) জাহাজে আছে অত্যাধুনিক আত্ম-সুরক্ষা ব্যবস্থা। যার মধ্যে রয়েছে ২টি ‘মারীচ’ টর্পিডো-কাউন্টার মেজার ডিকয় সিস্টেম এবং চারটি ‘কবচ’ ক্ষেপণাস্ত্র-বিধ্বংসী ডিকয় লঞ্চার। শত্রুর টর্পিডো বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে এই মারীচ ও কবচ জাহাজের ঢাল হয়ে দাঁড়ায়। তখন, শত্রু টর্পিডো-ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এদের টার্গেট ভেবে ধ্বংস করে, বেঁচে যায় জাহাজ। অন্যদিকে, এই জাহাজে ২টি হেলিকপ্টার থাকতে পারে। হ্যাঙ্গারে থাকে একটি, অন্যটি থাকতে পারে ডেকে। সম্ভবত, অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (এএলএইচ) ‘ধ্রুব মার্ক-৩’ বা ‘ওয়েস্টল্যান্ড সি-কিং’ হেলিকপ্টার থাকবে। পরবর্তীকালে, উল্লেখিত হেলিকপ্টারের জায়গায় আসবে সিকর্সকি ‘এমএইচ-৬০ রোমিও’ হেলিকপ্টার (Indian Navy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: কলকাতায় নৌসেনার নতুন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Draupadi Murmu: কলকাতায় নৌসেনার নতুন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হলো ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। এক তারকাখচিত অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সে (GRSE) নৌসেনার নতুন স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেটের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri Launch) নামের এই রণতরী ভারতীয় নৌসেনার ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’ বা সংক্ষেপে ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের ষষ্ঠ জাহাজ। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার সহ শীর্ষ পদাধিকারীরা। এছাড়া, উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মেয়র ফিরহাদ হাকিম, প্রাক্তন ভারত ক্রিকেট অধিনায়ক তথা প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ।

    বোতাম টিপে রণতরীর শুভ-সূচনা

    এদিন বোতাম টিপে ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’কে (INS Vindhyagiri Launch) জলে ভাসিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এর আগে, স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে, নারকেল ফাটিয়ে ও মালা পরিয়ে জাহাজের পুজো করা হয়। সেই শুভ কাজ করেন রাষ্ট্রপতি। তার পর তিনি জাহাজটিকে জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন এবং বোতাম টিপে জাহাজের নাম ফলক প্রকাশ করেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেশের জলসীমার সুরক্ষিত রাখার জন্য ভারতীয় নৌসেনার প্রশংসা করেন। সময়মতো জাহাজের নির্মাণ শেষ করার জন্য জিআরএসই কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান নৌসেনা প্রধান আর হরি কুমার। 

    ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের ষষ্ঠ জাহাজ ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’

    নৌসেনার ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের অধীনে সাতটি নিলগিরি-শ্রেণির (এই প্রজেক্টের প্রথম জাহাজ ‘আইএনএস নিলগিরি’-র নামে শ্রেণিভুক্ত) ৭টি স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে ৪টে নির্মিত হয়েছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডকইয়ার্ডে। বাকি তিনটির নির্মাণ হয়েছে কলকাতায় গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই)-তে। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri Launch) হলো এই প্রকল্পের ষষ্ঠ তথা এখানে তৈরি হওয়া তৃতীয় তথা শেষ জাহাজ। সেই দিক থেকে কলকাতার জাহাজ নির্মাণকারী সংস্থা জিআরএসই-র মুকুটে যুক্ত হলো নতুন পালক। এর আগে, এখান থেকেই উদ্বোধন হয়েছে যথাক্রমে ‘আইএনএস হিমগিরি’ ও ‘আইএনএস দুনাগিরি’। এই দুটিই এখন সমুদ্র-ট্রায়ালে রয়েছে। সম্ভবত, চলতি মাসেই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ‘আইএনএস হিমগিরি’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: প্রপালশন মডিউল থেকে ছিন্ন হল চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম

    Chandrayaan-3: প্রপালশন মডিউল থেকে ছিন্ন হল চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের (Moon) কক্ষপথে প্রদক্ষিণ শেষ হওয়ার পর অবশেষে সফলভাবে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এর প্রোপালশন মডিউল থেকে আলাদা হল ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ (Lander Vikram)। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর তরফে একথা জানানো হয়। চাঁদের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার জন্য ল্যান্ডার বিক্রম ধন্যবাদ জানিয়েছে প্রপালশন মডিউলকে। এই প্রক্রিয়া যে সফল হয়েছে, জানানো হয়েছে এমনটাই। এরপর ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা হবে ল্যান্ডারের গতি এবং তা অবতরণ করা হবে চাঁদের বুকে। আগামীকাল থেকেই এই কাজ শুরু হবে।

    কবে চাঁদে পা

    ২৩ অগাস্ট বিকেল পৌনে ছ’টা নাগাদ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের কথা রয়েছে চন্দ্রযান-৩-এর (Chandrayaan-3) ল্যন্ডার ‘বিক্রম’-এর। পরিকল্পনা সফল হলেই আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের পর সফল ভাবে চাঁদের জমিতে মহাকাশযান অবতরণ করানোর তালিকায় নাম তুলে নেবে ভারত। একই সঙ্গে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথমবার পা পড়বে কোনও দেশের মহাকাশযানের। ভারতীয় সময় ১টা থেকে ১.৩০টার মধ্যে এই বিছিন্ন হওয়ার কাজটি হয়। চন্দ্রকক্ষে ম্যানুয়েভর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর প্রপালশন বিচ্ছেদের কাজটি শুরু হয়েছিল।

    কী বলছে ইসরো

    ইসরোর তরফে জানান হয়েছে বিক্রম ল্যান্ডার চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এর প্রপালশন মডিউল থেকে আলাদা হয়ে গেছে। এখন এটি দ্রুত চাঁদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ২৩ আগস্ট চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে বিক্রম ল্যান্ডার। প্রপালশন মডিউলটি এখন চাঁদের কক্ষপথে ঘুরবে। বিক্রম ল্যান্ডার, এখন চাঁদের দিকে এগোচ্ছে। ২৩ আগস্ট চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে বিক্রম ল্যান্ডার। চন্দ্রযান বর্তমানে চাঁদের শেষ কক্ষপথে রয়েছে। চন্দ্রযান-৩ চাঁদ থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা নাগাদ বিক্রম তার একক যাত্রা শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় গর্বিত নারীরা! প্রতিক্রিয়া মহিলা পাইলটের

    ইসরোর তরফে বলা হয়েছে, বক্স আকৃতির প্রপালশন মডিউলটিতে রয়েছে একটি অতিকায় সৌর প্যানেল ও একটি সিলিন্ডার। এর সঙ্গেই যুক্ত রয়েছে ল্যান্ডার বিক্রম ও রোভার প্রজ্ঞান। এদের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর প্রপালশন মডিউলটি কাজ করবে রিলে স্যাটেলাইট হিসেবে। এখন বিক্রম এগিয়ে চলেছে চন্দ্রপৃষ্ঠে সফট ল্যান্ডিং করতে। সেটি চাঁদের (Moon) মাটিতে নেমে পড়লে শুরু হবে প্রজ্ঞানের কাজ।  

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Captain Zoya Agarwal: প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় গর্বিত নারীরা! প্রতিক্রিয়া মহিলা পাইলটের

    Captain Zoya Agarwal: প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় গর্বিত নারীরা! প্রতিক্রিয়া মহিলা পাইলটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের  ভাষণে ভারতীয় মহিলাদের অগ্রগতির এক রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। লালকেল্লা থেকে প্রশংসা করেছিলেন ভারতীয় মহিলা পাইলটদের। প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় গর্বিত ভারতের মহিলা পাইলট ক্যাপ্টেন জোয়া আগরওয়াল (Captain Zoya Agarwal)। প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা তাঁর কাছে অনুপ্রেরণার কাজ করবে বলে প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন ভারতীয় ওই বাণিজ্যিক মহিলা পাইলট।

    কী বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী

    ৭৭ তম  স্বাধীনতা দিবসে মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়নে মনোনিবেশ করেছে। বিমান চালনা থেকে শুরু করে একাধিক ক্ষেত্রে পারদর্শিতা দেখিয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের নারী শক্তির সাফল্যকে কুর্নিশ জানাই। আমরা ভারতের অগ্রগতিতে নারীদের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিই। আমাদের সরকার নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে যাবে।” দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে নারী শক্তির প্রয়োজনের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। সিভিল এভিয়েশনে মহিলা পাইলটের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে মোদি বলেন, “বর্তমানে সিভিল এভিয়েশনে সর্বাধিক মহিলা পাইলট আছে। আর এটা দেশের পক্ষে গর্বের বিষয়।”

    আরও পড়ুন: অতিভারী বৃষ্টিতে তিনদিনে ৭১ জন মৃত হিমাচলে, ‘পর্বত সমান চ্যালেঞ্জ’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    শুধু এভিয়েশন নয়, ভারতের চন্দ্রযান মিশনের নেতৃত্বেও মহিলারা আছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জি-২০ ভুক্ত দেশগুলিও ভারতে মহিলাদের অগ্রগতির গুরুত্ব স্বীকার করেছে বলে জানান তিনি। মহিলা পরিচালিত গ্রামীণ ভারতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির কাজেরও প্রশংসা করেন মোদি। সেই সঙ্গে উল্লেখ করেন মহিলাদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নই তাঁর সরকারে প্রধান লক্ষ্য বলে তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের আগামী দিনে ড্রোন ওড়ানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ার সরকারি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। ড্রোন মেরামতের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেন। 

    গর্বিত জোয়া

    মহিলাদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নানান ঘোষণার প্রশংসা করেন মহিলা পাইলট ক্যাপ্টেন জোয়া আগরওয়াল (Captain Zoya Agarwal)। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা, আগামী দিনে আরও বেশি করে মহিলাদের বাণিজ্যিক পাইলটের পেশা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা যোগাবে। শুধু পাইলট নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও মহিলাদের যোগদানের সংখ্যা বাড়বে বলে মনে করছেন জোয়া। কোভিডের সময় বিদেশ থেকে ভারতীয়দের আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন জোয়া আগরওয়াল। বেঙ্গালুরু-সান ফ্রান্সিসকো দীর্ঘতম রুটে বিমান চালানোর ছাড়পত্র রয়েছে তাঁর।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: এই প্রথম স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উড়ল ছত্তিশগড়ের আটটি গ্রামে

    Chhattisgarh: এই প্রথম স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উড়ল ছত্তিশগড়ের আটটি গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার পরে এই প্রথম ছত্তিশগড়ের বস্তারের আটটি মাওবাদী অধ্যুষিত গ্রামে তেরঙা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হল মঙ্গলবার। গ্রামগুলি হল সিলগার, নালা, চিন্নাগেলুর, তিমেনার , মানহাকাল, হিরোলি, বেদ্রে, দুব্বামার্কা এবং টেন্ডামার্কা। গোটা দেশ যখন ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে মশগুল, তখন প্রথম বার তেরঙা পতাকা উত্তোলন করল ছত্তিশগড়ের মাওবাদী অধ্যুষিত বলে পরিচিত বস্তার এলাকার এই গ্রামগুলি। কেন্দ্র সরকারের সক্রিয় চেষ্টায় ক্রমশ উন্নয়নের মুখ দেখছে পিছিয়ে পড়া এই গ্রামগুলি। স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলনে এদিন সামিল হন সাধারণ মানুষও।

    উন্নয়নের পথে সামিল মানুষ

    পুলিশের দাবি, এই গ্রামগুলির আশপাশে নতুন ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। এতেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে মাওবাদীরা। ১৯৪৭-এর ১৫ অগাস্টের পর কেটে গিয়েছে প্রায় আট দশক। কিন্তু এত দিনে এক বারও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সুযোগ পাননি বিজাপুর জেলার চিন্নাগেলুর, তিমেনার এবং হিরোলি গ্রামের বাসিন্দারা। একই অবস্থা সুকমা জেলার বেদ্রে, দুব্বামার্কা এবং টোন্ডামার্কা গ্রামেরও। বস্তার রেঞ্জের আইজি সুন্দররাজ জানিয়েছেন, এই গ্রামের বাসিন্দারা এবার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন। স্বাধীনতার পর এই প্রথম বার এমনটা হল। এছাড়া স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয় সুকমা জেলার পিডামেল, ডুব্বাকোনটা, সিলগের এবং কুন্দেদ গ্রামেও। 

    আরও পড়ুন: ১০০ শহরে ১০ হাজার বৈদ্যুতিন বাস! ৫ শতাংশ সুদে ১ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন ‘বিশ্বকর্মা’রা

    পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, গ্রামগুলির খুব কাছাকাছি পুলিশ ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি সুযোগসুবিধাও সরাসরি ওই অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে। তাতে বঞ্চনার অভিযোগকে শূন্যে নামিয়ে আনা যাবে। যা মাওবাদীদের পিছনে ঠেলতে সাহায্য করবে। এর ফলে স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসে কালো পতাকা উত্তোলনের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তাঁর কথায়, ‘‘এর আগে প্রতি বছরই এমন দিনগুলিতে কালো পতাকা উত্তোলন করত মাওবাদীরা।’’ প্রসঙ্গত, মাওবাদীরা মনে করেন, দেশের নিপীড়িত, শোষিত মানুষ এখনও পরাধীন। তাঁদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই বনেজঙ্গলে চলছে বলেও দাবি করে অধুনা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: এএফসি কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে নেপালের মাচিন্দ্রা এফসিকে হারাল মোহনবাগান 

    Mohun Bagan: এএফসি কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে নেপালের মাচিন্দ্রা এফসিকে হারাল মোহনবাগান 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএল অনেক হয়েছে, এবার লক্ষ্য এশিয়া কাপ। এই মন্ত্রেই মরশুম শুরু করেছে মোহনবাগান (Mohun Bagan)। দল গড়তে ঢালা হয়েছে কোটি কোটি টাকা। কার্পণ্য করেননি মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। কারণ তিনিও চান এশিয়া সেরার স্বাদ পেতে।  সেই লক্ষ্যে এক ধাপ এগোল মোহনবাগন সুপার জায়ান্ট। বুধবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে এএফসি কাপের যোগ্যতা অর্জনের ম্যাচে নেপালের মাচিন্দ্রা এফসি কে ৩-১ গোলে চূর্ণ করল সবুজ মেরুন ব্রিগেড। দুটি গোল করলেন আনোয়ার আলি। বিশ্বকাপে খেলা জেমস কামিংসের পা থেকেও বল ঢুকলো বিপক্ষের জালে। মোহনবাগানের পরের খেলা ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে ২২ অগাস্ট। এই ম্যাচ জিততে পারলে এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বে খেলার সুযোগ পাবেন কমিংসরা।

    ডার্বি হারের ক্ষতে প্রলেপ 

    এই জয় ডার্বি হারের ক্ষতে অনেকটাই প্রলেপ দিয়েছে। কারণ ইস্টবেঙ্গলের কাছে পরাজয় ছিল অপ্রত্যাশিত। শক্তির নিরিখে মোহনবাগান ছিল অনেক এগিয়ে। সবুজ মেরুন জার্সি পরে প্রথম সেদিন মাঠে নেমে ছিলেন কামিংস। কিন্তু তাঁর খেলা মন ভরাতে পারেনি। দল হারায় তাঁকে পড়তে হয়েছিল সমালোচনায়। কিন্তু মাচিন্দ্রা এফসির বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ান বিশ্বকাপার বুঝিয়ে দিলেন, তিনি লম্বা রেশের ঘোড়া।

    আরও পড়ুন: ডার্বি জয়ে ফিরেছে ভাগ্য! ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

    ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে মোহনবাগান। গোল করার সুযোগও এসেছিল। কিন্তু মিস করেন আশিক কুরিয়ান। দুই প্রান্তকে কাজে লাগিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন মোহনবাগানের ফুটবলাররা। বিক্ষিপ্ত কিছু আক্রমণ তৈরি করে মাচিন্দ্রা। কিন্তু সবুজ মেরুন ডিফেন্স ভেদ করার শক্তি ছিল না তাতে। ৩৯ মিনিটে লিড নেয় মোহনবাগান (Mohun Bagan)। হুগো বোমাসের কর্নার থেকে হেডে গোল করেন আনোয়ার (১-০)। দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান করে আরও দুটি গোল করে। ৬৫ মিনিটে কমিংসের পা থেকে আসে দ্বিতীয় গোল (২-০)। তার পর একটু গা ছাড়া ভাব দেখায় ফেরান্দোর ছেলেরা। সেই সুযোগে মচিন্দ্রা (২-১) করে। তবে ৮৫ মিনিটে দিমিত্রি ফ্রি কিক থেকে হেডে নিজের ও দলের তৃতীয় তথা জয়সূচক গোল করেন আনোয়ার (৩-১)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal: ডার্বি জয়ে ফিরেছে ভাগ্য! ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

    East Bengal: ডার্বি জয়ে ফিরেছে ভাগ্য! ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরুটা দেখে মনে হয়নি সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। কিন্তু বড় ম্যাচে মোহনবাগানকে হারানোর পর বদলে যায় সব কিছু। কার্লেস কুয়াদ্রাতের ছেলেদের মনোবল তুঙ্গে। যার প্রমাণ মিলল আরও একবার। বুধবার গ্রুপ “এ” ম্যাচে রাউন্ড গ্লাস পাঞ্জাব এফসিকে ১-০ গোলে হারালো লাল হলুদ ব্রিগেড। একমাত্র গোলটি করেন জেভিয়ার সিভেরিও।

    ঝুলে মোহনবাগানের ভাগ্য

    ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) শেষ আটে জায়গা পাকা করলেও, ঝুলে রইলো মোহনবাগানের ভাগ্য। কারণ, ডুরান্ড কাপের নিয়ম অনুযায়ী ছটি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে। আর গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দলগুলির মধ্যে সেরা দুটি দল শেষ আটে খেলার সুযোগ পাবে। তাই সবুজ মেরুন ব্রিগেডকে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দল গুলির দিকে।

    আরও পড়ুন: ২৫ অগাস্ট থেকেই বিশ্বকাপের টিকিট! জেনে নিন কীভাবে পাবেন

    ম্যাচ-এর রিপোর্ট-কার্ড

    পাঞ্জাবের দলটির বিরুদ্ধে জয় পেলেও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) কিন্তু সেরা পারফরম্যান্স মেলে ধরতে পারেনি। প্রথম ১৫ মিনিটে গোল করার একাধিক সুযোগ পেয়েছিল পাঞ্জাবের দলটি। পর পর আক্রমণ আছড়ে পড়ে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সে। কিন্তু অধিনায়ক হরমোনজ্যোত খাবরা ও গোলকিপারের প্রচেষ্টায় সেই আক্রমণ সফল হয়নি। তবে প্রাথমিক ভুল শুধরে ঘুরে দাঁড়ায় ইস্ট বেঙ্গল। ২২ মিনিটে পাঞ্জাব এফসি-র বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পায় ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু পাঞ্জাবের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বল বাইরে গেলে কর্নার হয়। সেই কর্নার থেকে হেডে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন জেভিয়ার সিভেরিও। গোটা ম্যাচে আর গোল হয়নি। তবে দুই দল অনেক সুযোগ পেয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Cabinet: ১০০ শহরে ১০ হাজার বৈদ্যুতিন বাস! ৫ শতাংশ সুদে ১ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন ‘বিশ্বকর্মা’রা

    Modi Cabinet: ১০০ শহরে ১০ হাজার বৈদ্যুতিন বাস! ৫ শতাংশ সুদে ১ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন ‘বিশ্বকর্মা’রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ই-বাস পরিষেবার অধীনে ১০০টি শহরে ১০০০ নতুন বৈদ্যুতিন বাসের ঘোষণা করল কেন্দ্র। বুধবার ‘পিএম বিশ্বকর্মা’ বা ‘প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা’ প্রকল্পেরও অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা। এই প্রকল্পের অধীনে, প্রথম কিস্তিতে ‘উদার শর্তে’ ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় কিস্তিতে আরও ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, সুদ দিতে হবে মাত্র ৫ শতাংশ হারে।

    ই-বাস পরিষেবা

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অনুরাগ ঠাকুর বলেছেন, গ্রিন মোবিলিটি বাড়ানোর জন্য মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী ই বাস পরিষেবার অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রকল্পে ৫৬, ৬১৩ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে। যার মধ্যে কেন্দ্র প্রদান করবে ২০,০০০ কোটি।

    কীভাবে বাস্তবায়িত হবে এই প্রকল্প? জানা গিয়েছে ১৬৯ শহরের মধ্যে বেছে নেওয়া হয়েছে ১০০টি শহরকে। সেই শহরগুলিতে এই পরিষেবা চালু হবে যেখানে ৩ লক্ষ বা তার বেশি জনবসতি। এছাড়াও, যে সব অঞ্চলে কোনও সংগঠিত বাস পরিষেবা নেই, সেই সমস্ত শহরকেও পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এই প্রকল্পে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলে তৈরি হবে ১০ হাজার ই-বাস। দূষণ কমাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সিটি বাস পরিষেবায় ই-বাসের সংখ্যা বাড়ানোয় জোর দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফুটে উঠল ভারতের জাতীয় পতাকা! স্বাধীনতা দিবসে বুর্জ খলিফায় জ্বলল তেরঙা

    প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা স্কিম

    বুধবার (১৬ অগস্ট), প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার এক বৈঠকের পর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের অধীনে সরকার মৃৎশিল্প, কমার, নির্মাণ, টেলারিং এবং নৌকা নির্মাণ সহ ঐতিহ্যগত দক্ষতার প্রচার করবে। বিশ্বকর্মা যোজনায় উপকৃত হবে ৩০ লক্ষ কারিগর।

    এই প্রকল্পের আওতায় আসা শিল্পীরা ৫ শতাংশ সুদের হারে ১ লক্ষ টাকা ঋণ পেতে পারবেন। আর্থিক সাহায্য পাবেন আধুনিক সরঞ্জাম কেনার জন্যও। ১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বকর্মা জয়ন্তীতে ১৩,০০০ কোটি টাকার আর্থিক ব্যয়ের এই প্রকল্প চালু করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • ODI Cricket World Cup 2023: ২৫ অগাস্ট থেকেই বিশ্বকাপের টিকিট! জেনে নিন কীভাবে পাবেন 

    ODI Cricket World Cup 2023: ২৫ অগাস্ট থেকেই বিশ্বকাপের টিকিট! জেনে নিন কীভাবে পাবেন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট বিশ্বকাপের (ODI Cricket World Cup 2023) কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গেছে। আর মাত্র ৫০ দিন বাকি। এবার ভারতে বসছে আইসিসির এই মেগা আসর। যা নিয়ে ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। কারণ ২০১১ দেশের মাটিতে শেষবার খেতাব জিতেছিল ভারত। গত দশ বছরে টিম ইন্ডিয়া আইসিসির ট্রফি জিততে না পারলেও, এবার অনেকেই রোহিতের হতে ট্রফি দেখছেন। দেশের মাটিতে ক্রিকেট বিশ্বকাপের আনন্দ তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতে চান অনেকেই। মাঠে বসে খেলা দেখার আনন্দই অন্যরকম। কিন্তু তার জন্য দরকার মহামূল্যবান টিকিট। ২৫ অগাস্ট থেকেই বিশ্বকাপের টিকিট কাটতে পারবেন। কিন্তু কীভাবে টিকিট কাটবেন তা নিয়ে অনেকের মনেই রয়েছে প্রশ্ন। 

    কীভাবে পাবেন বিশ্বকাপের টিকিট

    ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ (ODI Cricket World Cup 2023) মানে টিকিটের চাহিদা থাকবে অনেক বেশি। তাই আইসিসি ধাপে ধাপে টিকিট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা অতীতে কখনও হয়নি। বিসিসিআই সচিব জয় শাহ জানিয়েছেন, ফিজিক্যাল টিকিট নিয়ে মাঠে ঢুকতে হবে। তবে টিকিট কিনতে হবে অনলাইনে। আইসিসি জানিয়েছে, টিকিট কাটার জন্য সবার আগে নাম রেজিস্টার করতে হবে আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৩ ওয়েবসাইটে। যদি একটি ম্যাচে নির্ধারিত টিকিটের চেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়ে তাহলে লটারি হবে।

    আরও পড়ুুন: আয়ারল্যান্ড উড়ে গেল টিম ইন্ডিয়া, তরুণ দলে কারা রয়েছেন জানেন?

    কবে কোন ম্যাচের টিকিট পাওয়া যাবে

    ২৫ অগাস্ট ভারত ব্যতীত অন্য ওয়ার্ম আপ ম্যাচ এবং বিশ্বকাপের অন্য ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
    ৩০ অগাস্ট ভারতীয় দলের দুটি ওয়ার্ম আপ ম্যাচের
    ৩১ অগাস্ট বিশ্ব কাপে ভারতের তিনটি ম্যাচের টিকিট বিক্রি হবে। যে ম্যাচ গুলি হবে চেন্নাই, দিল্লি ও পুনে
    ১ সেপ্টেম্বর ধর্মশালা, লখনউ , মুম্বইতে ভারতের ম্যাচের জন্য
    ২ সেপ্টেম্বর টিকিট পাওয়া যাবে বেঙ্গালুরু ও কলকাতার। যে ম্যাচের দিকে চোখ গোটা ক্রিকেট দুনিয়ার, সেই ভারত পাকিস্তান ম্যাচটি হবে ১৪ অক্টোবর আহমেদাবাদে। তার টিকিট বিক্রি হবে ৩ সেপ্টেম্বর।সেমিফাইনাল ও ফাইনালের টিকিট বুকিং করা যাবে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Burj Khalifa: ফুটে উঠল ভারতের জাতীয় পতাকা! স্বাধীনতা দিবসে বুর্জ খলিফায় জ্বলল তেরঙা

    Burj Khalifa: ফুটে উঠল ভারতের জাতীয় পতাকা! স্বাধীনতা দিবসে বুর্জ খলিফায় জ্বলল তেরঙা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্বাধীনতা দিবস (Indian Independence Day) উপলক্ষ্যে বিশ্বের উচ্চতম এই বিল্ডিং সাজল তেরঙায়। ১৫ অগাস্ট মধ্যরাতে (স্থানীয় সময়) দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা (Burj Khalifa) জুড়ে জ্বলে উঠল দেশের তেরঙা পতাকা। সেই সঙ্গেই বাজল ‘জনগণমন’, ছুটল ফোয়ারা। গায়ে কাঁটা দেওয়া মুহূর্তের সাক্ষী হলেন হাজার হাজার ভারতীয়।

    বুর্জ খলিফায় জ্বলল তেরঙা

    উল্লেখ্য, ১৪ অগাস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে এমনটা হয়নি। তাই নিয়ে ক্ষুব্ধ পাকিস্তানিরা। পাক স্বাধীনতা দিবস (Pakistan Independence Day) উপলক্ষে প্রতি বছরই বুর্জ খলিফা (Burj Khalifa) জ্বলজ্বল করে ওঠে পাকিস্তানের পতাকার রঙে। হাজার আলোয় সেজে ওঠে সবুজের উপর সাদা চাঁদ-তারার ছবি। এবছরও সেই ছবি দেখার আশায় বুর্জ খলিফার সামনে জমা হয়েছিলেন কয়েকশো পাকিস্তানি। কিন্তু এ বছর বুর্জ খলিফায় জ্বলেনি পাকিস্তানের পতাকা। সারা রাত অপেক্ষা করেও দেখা গেল না কোনও বদল। এর পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন পাকিস্তানিরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় উগরে দেন রাগ। বলেন, এটা চূড়ান্ত অপমান!

    আরও পড়ুুন: “আমি ভারতীয়, এই দেশ আমারও”, তিরঙ্গা উড়িয়ে বললেন জঙ্গির দাদা বশির

    ক্ষুব্ধ পাক নাগরিকেরা

    ১৯৪৭ সালে ভারত এবং পাকিস্তান দুই দেশই একসঙ্গে ব্রিটিশ শাসনমুক্ত হয়। পরপর দু’দিন দুই দেশের স্বাধীনতা সূচিত হয় তখন থেকেই। উদযাপনও হয় সেভাবেই। তবে এবছর দুবাইয়ের এই ঘটনায় বেশ চটেছে ইসলামাবাদ। কিন্তু কেন এমন হল, তা এখনও জানা যায়নি। বুর্জ খলিফার তরফেও কিছু বলা হয়নি। ভারতের পতাকা অবশ্য প্রতি বছরই ১৫ অগাস্ট ঠিকমতোই জ্বলে ওঠে বুর্জ খলিফা জুড়ে। এবারও তার অন্যথা হয়নি। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই দেখে খুশি ভারতীয়রা। সোশ্যাল মিডিয়া X (অতীতে নাম ছিল টুইটার) ব্যবহারকারী এক নেটিজেন বলেন, “বুর্জ খলিফাতে জাতীয় পতাকার সঙ্গে জাতীয় সংগীত, গায়ে কাঁটা দিচ্ছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share