Tag: Madhyom

Madhyom

  • Fever Detector App: থার্মোমিটারের দরকার নেই! ফোন থেকেই চেক করতে পারবেন ডেঙ্গির জ্বর 

    Fever Detector App: থার্মোমিটারের দরকার নেই! ফোন থেকেই চেক করতে পারবেন ডেঙ্গির জ্বর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি হোক বা কোভিড কিংবা ভাইরাল জ্বর, বডি টেম্পারেচার মাপতে হবে ঘন ঘন। জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে গা। অথচ হাতের কাছে নেই থার্মোমিটারটা। হাতের কাছে স্মার্টফোনটা তো আছে! থার্মোমিটারের প্রয়োজন পড়বে না স্মার্টফোনে ডাউনলোড করুন একটি বিশেষ অ্যাপ তাহলেই বডি টেম্পারেচার মাপতে পারবেন।

    জেনে নিন সেই বিশেষ অ্যাপ

    ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের (UW) গবেষকরা একটি স্মার্টফোনকে থার্মোমিটারে রূপান্তর করতে ‘ফিভারফোন’ অ্যাপ তৈরি করেছেন। এতে আপনি কোনও হার্ডওয়্যার কানেকশন ছাড়াই আপনার জ্বর আছে কি না পরীক্ষা করতে পারবেন। ইউডব্লিউ-এর ছাত্র জোসেফ ব্রেডা গবেষণাটি শুরু করেন। এই অ্যাপটি ফোনে আপনার তাপমাত্রা নিরীক্ষণ করবে। এতে লাগানো সেন্সরটি ডিভাইসের কাছে আসা যে কোনও গরম জিনিসকে শনাক্ত করবে। অ্যাপটিকে অন করে কপালের সামনে ধরতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, যাতে ফোনের টাচ স্ক্রিনটি কপালের সামনে থাকে। সঠিক ভাবে দেহের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য ফোনটিকে ৯০ সেকেন্ড মতো কপালে ঠেকিয়ে রাখতে হবে। যদি স্ক্রিনে তাপমাত্রার পরিবর্তন হয় তবে জ্বর এসেছে। অ্যাপটি নিয়ে এখন নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য তা কবে বাজারে আনা হবে, সেটা নিয়ে এখনও জানাতে পারেননি গবেষকরা। এখন শুধু বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থার থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে অ্যাপটি।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    অন্য অ্যাপগুলি

    বডি টেম্পারেচার থার্মোমিটার: এই অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোরে দশ লাখেরও বেশি ডাউনলোড হয়েছে। অ্যাপটি আপনার শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে পারে, যাতে সহজেই বোঝা যায় আপনার জ্বর আছে কি না।
    বডি টেম্পারেচার অ্যাপ: এই অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোরে ৩.৭ রেটিং পেয়েছে এবং এটি এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ব্যবহারকারী ডাউনলোড করেছেন।
    থার্মোমিটার ফর ফিভার ট্র্যাকার: শরীরের তাপমাত্রা চেক করতে পারবেন এই অ্যাপটির সাহায্যে। এই অ্যাপটি এখন পর্যন্ত গুগল প্লে স্টোরে ১ লাখ ব্যবহারকারী ডাউনলোড করেছেন এবং এটি ৩.২ রেটিং পেয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: ৩৮ বছর পরে বদলাচ্ছে থার্ড রেল! এবার থেকে প্রতি আড়াই মিনিট অন্তর মেট্রো

    Kolkata Metro: ৩৮ বছর পরে বদলাচ্ছে থার্ড রেল! এবার থেকে প্রতি আড়াই মিনিট অন্তর মেট্রো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৮ বছর পরে উত্তর-দক্ষিণ মেট্রোয় পরিকাঠাময় বড় বদল আসতে চলেছে। প্রসঙ্গত, মেট্রো (Kolkata Metro)  পরিষেবা শুরুই হয়েছিল ৩৮ বছর আগে। জানা গিয়েছে, প্রতি আড়াই মিনিটের ব্যবধানে ট্রেন চালাতে প্রায় চার দশক আগেকার ইস্পাতের থার্ড রেল বদলে এবার অ্যালুমিনিয়ামের থার্ড রেল বসতে চলেছে। জানা গিয়েছে, সিঙ্গাপুর, লন্ডন, মস্কো, ইস্তানবুল, বার্লিন শহরে যেমনভাবে মেট্রো (Kolkata Metro) চালানো হয়, সেই ধাঁচেই এবার চলবে কলকাতার মেট্রো। ওই সমস্ত দেশগুলিতে মেট্রো পরিষেবার শুরুর দিকে ইস্পাতের থার্ড রেল ব্যবহার করা হতো এবং তা পরবর্তীকালে বদলে ফেলা হয় অ্যালুমিনিয়ামের থার্ড রেলে। এবার ঠিক এমনটাই হতে চলেছে কলকাতা মেট্রোতে।  কিন্তু হঠাৎ ইস্পাতের পরিবর্তে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার কেন? এর উত্তর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে ইস্পাতের তুলনায় অ্যালুমিনিয়াম উত্তম পরিবাহী এবং অ্যালুমিনিয়ামের থার্ড রেলের বিদ্যুতের অপচয় ইস্পাতের তুলনা অনেক কম হবে। সাধারণভাবে ইস্পাতের রোধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় যখন বিদ্যুৎ পরিবহন হয়, তখন তা অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিদ্যুৎ প্রবাহের ক্ষেত্রে রোধকে আরও বাড়িয়ে তোলে। শুধু তাই নয় থার্ড রেল অত্যন্ত উত্তপ্ত হলে তাতে আগুনের স্ফুলিঙ্গ পর্যন্ত সৃষ্টি হতে পারে এবং ট্রেনের বৈদ্যুতিক মোটরে তড়িৎ ঠিকঠাক পৌঁছতে পারেন। এর ফলে মেট্রো চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয়। মূলত এই সমস্ত সমস্যাগুলির কথা মাথায় রেখেই কলকাতা ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো, জোকা-তারাতলা, নিউ গড়িয়া-রুবি মেট্রোতে অ্যালুমিনিয়ামের থার্ড রেল ইতিমধ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। 

    কি বলছেন মেট্রো আধিকারিকরা

    মেট্রো রেলের (Kolkata Metro) মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘আগামী দু বছরের মধ্যে অ্যালুমিনিয়ামে থার্ড রেল বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। এবং প্রথম পর্যায়ে এই কাজ চলবে দমদম থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশন পর্যন্ত। আরও খবর মিলেছে অ্যালুমিনিয়ামের থার্ড রেল বসানো হলে বিদ্যুতের অপচয় ৮৪ শতাংশ কমানো যাবে। হিসাব বলছে থার্ড রেল বসানো হলে যা খরচ হবে, সেই খরচ তিন বছরের বিদ্যুৎ সাশ্রয়তেই উঠে আসবে। এছাড়াও ইস্পাতের থার্ড রেল উত্তপ্ত হওয়ার হলে মেট্রো সুরঙ্গ যেভাবে গরম হয়ে যেত সেটাও বন্ধ হবে। 

    বর্তমানে উত্তর দক্ষিণ লাইন বা ব্লু লাইনের মেট্রো সবচেয়ে কম পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে চলাচল করে, ট্রেনের (Kolkata Metro) এই ব্যবধান আড়াই মিনিটে নিয়ে আসতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন সিগন্যাল ব্যবস্থা তেও পরিবর্তন করতে হবে এবং আধুনিক স্বয়ংক্রিয় কমিউনিকেশন বেস্ট ট্রেন কন্ট্রোল সিস্টেম চালু করার জন্য থার্ড রেল বদল এর কাজ করা হচ্ছে।  ওয়াকিবহুল মহল বলছে এই ব্যবস্থার ফলে মানুষ আরো দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।

    ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোতে যাত্রী বৃদ্ধি ৪৩৬ শতাংশ 

    অন্যদিকে জানা গিয়েছে, যাত্রীদের মধ্যে ক্রমশই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো, যা গ্রীন লাইন নামে পরিচিত। বর্তমানে শিয়ালদহ থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত এই মেট্রো (Kolkata Metro) চড়ে গন্তব্যে পৌঁছান শহর এবং শহরতলীর অসংখ্য মানুষ।  চলতি বছরে, শিয়ালদহ মেট্রো চালু হওয়ায় এই লাইনে যাত্রীবৃদ্ধি হয়েছে প্রথম চার মাসে ৪৩৬ শতাংশ যা নয়া রেকর্ড। এই মেট্রোতে যাত্রীসংখ্যা আরও বাড়তে চলেছে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের অনুমান। তার কারণ চলতি বছরের শেষেই হুগলি নদীর নিচ দিয়ে মেট্রো পরিষেবা শুরু হলে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোর সঙ্গে তা জুড়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: তৃণমূলকে হটাতে বিরোধীরা এককাট্টা, সিপিএমের সমর্থনে মহিষাদলে বোর্ড গঠন বিজেপির

    BJP: তৃণমূলকে হটাতে বিরোধীরা এককাট্টা, সিপিএমের সমর্থনে মহিষাদলে বোর্ড গঠন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রে বিজেপিকে হারাতে তৃণমূল, বাম, কংগ্রেস সহ এককাট্টা হয়েছে বিরোধীরা। সেই মতো বিরোধীদের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। আর গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে হারাতে মরিয়া বামেরা। সিপিএমের সমর্থনে বোর্ড গঠন করল বিজেপি (BJP)। পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের অমৃতবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা।

    কীভাবে বিজেপি (BJP) বোর্ড গঠন করল?

    অমৃতবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন ১৮টি। বিজেপি ও তৃণমূল ৮ টি করে আসন পেয়েছে। আর সিপিএমের দখলে রয়েছে দুটি আসন। বোর্ড গঠনের সময় সিপিএমের নির্বাচিত গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বুলুপ্রসাদ জানা বিজেপিকে সমর্থন করেন। সিপিএমের সমর্থনে ভোটে এক আসনে জিতে বিজেপি এই পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করে। বিজেপি বোর্ডের প্রধান হন শুভ্রা পন্ডা এবং উপপ্রধান হন পরেশ পানিগ্রাহি। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    কী বললেন বিজেপিকে সমর্থনকারী সিপিএমের জয়ী সদস্য?

    সিপিএমের জয়ী সদস্য বুলুপ্রসাদ জানা বলেন, স্থানীয় নেতৃত্বের নির্দেশ মেনেই আমি বিজেপিকে সমর্থন করেছি। তৃণমূলকে হারাতেই এই সমর্থন। নতুন বোর্ডের হাত ধরেই এলাকায় অনেক উন্নয়ন হবে বলে আমার বিশ্বাস। আমরা একসঙ্গে থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করব।

    কী বললেন বিজেপির প্রধান?

    বিজেপির (BJP) প্রধান শুভ্রা পন্ডার বক্তব্য, তৃণমূল কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত দল তা রাজ্যবাসী জানেন। এই এলাকার মানুষ জানেন, তৃণমূল ফের ক্ষমতায় আসলে কাটমানি, তোলাবাজি শুরু হয়ে যাবে। এলাকায় আর উন্নয়ন হবে না। তাই, সিপিএম নেতৃত্ব মনে করেছেন এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকেই প্রয়োজন। আর পঞ্চায়েতে দুর্নীতি রুখতে সিপিএমের সমর্থনে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আগামীদিনে এই পঞ্চায়েতের হাত ধরে এলাকায় সার্বিক উন্নয়ন করা হবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা সৌমেন মহাপাত্র বলেন, উঁচুতলার নেতাদের কথা মানছে না নিচুতলার কর্মীরা। তার জন্য এই ঘটনা ঘটছে। আসলে তৃণমূলকে রুখতে বিজেপি মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাই, বামেদের সমর্থন নিয়ে বিজেপি (BJP) বোর্ড গঠন করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Consensual Sex: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    Consensual Sex: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুটি পৃথক মামলা, পৃথক হাইকোর্ট! সম্মতিক্রমে শারীরিক সম্পর্ককে (Consensual Sex) ধর্ষণ বলতে রাজি নয় দিল্লি ও কর্নাটক হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণে এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। ‘পকসো আইনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হল ১৮ বছরের কম বয়সি মেয়েদের যৌনশোষন থেকে রক্ষা করা। আইনটি তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে স্বেচ্ছায় প্রেম বা শারীরিক সম্পর্ককে অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত করে না।’ একটি পকসো মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের। বিচারপতি আরও উল্লেখ করেছেন, জেলে অপরাধীদের সঙ্গে রাখা একজন যুবকের ভাল হবে না, আরও খারাপের দিকে চলে যাবে সে। এই বলে অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছে আদালত।

    দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    অভিযোগ, ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরী ২০ বছর বয়সি এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এরপর তাদের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হলে শারীরিক সম্পর্ক হয়। ঘটনায় গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। তখন পরিবারের সদস্যরা ওই যুবকের বিরুদ্ধে কিশোরীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ তোলে। সেই ঘটনায় ২০২১ সালে ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে জেলে রয়েছে ওই যুবক। জামিনের জন্য দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানায় ওই যুবক। মামলাটি ওঠে বিচারপতি বিকাশ মহাজনের বেঞ্চে। আদালতের মতে, ১৭ বছর বয়সি ওই মেয়েটির সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।  বিচারপতি বিকাশ মহাজনের পর্যবেক্ষণ, ‘যখন তাদের শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তখন যুবতীর বয়স ছিল প্রায় সাড়ে ১৭ বছর। একটা প্রেমের সম্পর্ক বোঝার জন্য এই বয়স যথেষ্ট। এছাড়া অভিযুক্তের সঙ্গে সহমতেই সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। শারীরিক সম্পর্কের পথে তারা এগিয়েছিল নিজেদের ইচ্ছায়।’

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    কর্নাটক হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    অন্যদিকে ৬ বছর ধরে সম্মতিক্রমেই শারীরিক সম্পর্ক। বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই মহিলাকে বিয়ে করেননি এক ব্যক্তি। এরপর ধর্ষণের অভিযোগ আনেন ওই মহিলা। তবে কর্নাটক হাইকোর্ট ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত সোশ্য়াল মিডিয়ার মাধ্য়মে তাদের মধ্য়ে পরিচয় হয়েছিল। তবে দীর্ঘ ৬ বছর ধরে তাদের মধ্য়ে শারীরিক সম্পর্ক হয়। সেই ২০১৯ সাল থেকে তাদের মধ্য়ে সম্পর্ক। তবে কর্নাটক হাইকোর্ট জানিয়েছে, ৬ বছর ধরে যাদের মধ্য়ে শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে সেটাকে কখনওই ধর্ষণ বলে বলা যাবে না। আদালত জানিয়েছে ৫ বছর ধরে সম্মতিক্রমে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হলে সেটা কোনওভাবেই তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে নয়। এরপর কর্নাটক হাইকোর্ট ধর্ষণের অভিযোগকে খারিজ করে দিয়েছে।  বিচারপতি এম নাগাপ্রসন্ন জানিয়েছেন, প্রথম দিন থেকে তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত এটা হয়েছিল। তবে পারস্পরিক সম্মতিতে যে যৌনক্রিয়া সেটাকে ধর্ষণ বলে উল্লেখ করা যাবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Fire at Eden Gardens: সামনে বিশ্বকাপ! গভীর রাতে আগুনে পুড়ল ইডেনের ঐতিহ্যবাহী ড্রেসিং রুম

    Fire at Eden Gardens: সামনে বিশ্বকাপ! গভীর রাতে আগুনে পুড়ল ইডেনের ঐতিহ্যবাহী ড্রেসিং রুম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডেনে আগুন (Fire at Eden Gardens)। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার গভীর রাতে। ইডেনের ড্রেসিং রুমে আচমকা আগুন লেগে যায়। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা চত্বর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের দু’টি ইঞ্জিন। অনেক চেষ্টার পর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    কখন লাগল আগুন

    দমকল সূত্রে খবর, রাত ১১টা ৫০ নাগাদ আচমকা ধোঁয়ায় ভরে যায় ইডেনের (Fire at Eden Gardens) ড্রেসিং রুম। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কর্মীরাই দমকলে খবর দেন। সঙ্গে সঙ্গে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ। দমকলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ” সব কিছু দেখে মনে হচ্ছে শর্ট সার্কিটের ফলে এই আগুন লেগে থাকতে পারে। তবে সঠিক কারণ খুঁজে বের করতে আরও তদন্ত প্রয়োজন। ড্রেসিং রুমে ফলস সিলিং থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাড়াতাড়ি আমাদের খবর দেওয়ার ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সুবিধা হয়েছে।”

    আগুনে কী কী ক্ষতি

    প্রাথমিক তদন্তের পর দমকল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শর্ট-সার্কিট থেকেই আগুন (Fire at Eden Gardens) লেগেছে। দ্রুত ব্যাবস্থা গ্রহণের ফলে বড়সড় ক্ষতি এড়ানো গেছে। তবে ড্রেসিংরুমের মধ্যে রাখা খেলোয়াড়দের কিটস আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ইডেনের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর দু’মাস। তার আগে শনিবার ইডেন পরিদর্শন করতে এসেছিল আইসিসি ও বিসিসিআই এর প্রতিনিধি দল। ইডেনের কাজকর্ম দেখে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে আগুন লাগার ঘটনায় ইডেনের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।

    আরও পড়ুন: অপরাজিত থেকে সেমিফাইনালে! হকিতে পাকিস্তানকে ৪-০ গোলে চুরমার করল ভারত

    সামনে বিশ্বকাপ

    ২০২৩-এর ক্রিকেট বিশ্বকাপের পাঁচটি ম্যাচ হবে ইডেনে। তার মধ্যে ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা যেমন রয়েছে, তেমনি একটি সেমি ফাইনাল ম্যাচ হবে ইডেনে। খেলবে পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সেজে উঠছে ইডেন। ক্লাব হাউসের আপার টিয়ারে বসেছে নতুন চেয়ার। আধুনিকতার ছাপ পড়েছে প্রেস বক্স, মিডিয়া সেন্টারে। ড্রেসিং রুমের বদল হচ্ছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে পুরো বদলে ফেলা হচ্ছে ইডেনের চালচিত্র। তার মধ্যে আগুন (Fire at Eden Gardens) লাগার ঘটনা সি এ বি কর্তাদের কাছে খুবই অস্বস্তির হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ind vs Pak Hockey: অপরাজিত থেকে সেমিফাইনালে! হকিতে পাকিস্তানকে ৪-০ গোলে চুরমার করল ভারত

    Ind vs Pak Hockey: অপরাজিত থেকে সেমিফাইনালে! হকিতে পাকিস্তানকে ৪-০ গোলে চুরমার করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকিতে দাপট দেখিয়ে জিতল ভারত।  ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে ৪-০ গোলে হারাল মেন ইন ব্লু। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকিতে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে অন্তত পক্ষে ড্র করতে হত পাকিস্তানকে। হেরে যাওয়ায় প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গেল তারা। গ্রুপ শীর্ষে থেকেই সেমিফাইনালে গেল ভারত।  সেমিফাইনালে তাদের সামনে জাপান। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া। পঞ্চম স্থানের জন্য চিনের সঙ্গে খেলবে পাকিস্তান। ট্যুইটারে হরমনপ্রীতদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, বিসিসিআই সচিব জয় শাহ।

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দাপট 

    ভারতে পা রেখেই পাকিস্তান হকি দলের কোচ হুঙ্কার ছেড়েছিলেন, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে তারাই সুবিধাজনক জায়গায় থাকবেন। মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, বড় টুর্নামেন্টে তাদের রেকর্ডও। ভারতীয় শিবির যদিও নীরবই ছিল। কেন তাঁরা পাকিস্তান শিবিরের হুঁশিয়ারিতে কান দেননি, বুধবার তা দেখিয়ে দিলেন হরমনপ্রীতরা। চেন্নাইতে এদিন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগে দু-দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিলিত হন তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন, ভারতীয় দলের ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন এবং হকি ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট দিলীপ তিরকে। দু-দেশের জাতীয় সঙ্গীতের পর।

    আরও পড়ুন: সামনে বিশ্বকাপ! গভীর রাতে আগুনে পুড়ল ইডেনের ঐতিহ্যবাহী ড্রেসিং রুম

    শুরু থেকেই আক্রমণে ভারত

    ম্যাচ শুরুর ৩ মিনিটের মাথায়, প্রথম কোয়ার্টারে প্রথম বিপক্ষের সার্কলে ঢুকে পড়ে ভারতই। হার্দিক সিংয়ের এরিয়ান বল পান শামসের সিং। কোনওমতে বিপদ এড়ায় পাকিস্তান। এরপরই পাকিস্তান একটি গোল করে। যদিও ভারত রিভিউ নেওয়ার পর সেই গোল বাতিল হয়। একটি পেনাল্টি কর্নার পায় পাক দল। ভারতের গোলকিপার কৃষ্ণণ বাহাদুর পাঠক গোল বাঁচিয়ে দেন। কিন্তু গোলের গন্ধ পেয়ে যেন তেড়েফুঁড়ে খেলতে শুরু করে পাক দল। বারবার ভারতের ডি-তে ঢুকে আক্রমণ শানাচ্ছিল পাকিস্তান। তবে প্রথম কোয়ার্টার শেষ হওয়ার ঠিক আগে গোল পায় ভারত। পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। প্রথম কোয়ার্টার শেষ হয় ভারতের পক্ষে ১-০ ব্যবধানে। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তান। কিন্তু ২৩ মিনিটের মাথায় ফের গোল পায় ভারত। গোলদাতা, ফের অধিনায়ক হরমনপ্রীত। পেনাল্টি কর্নার থেকেই ফের গোল করেন তিনি। ভারত এগিয়ে যায় ২-০।

    তৃতীয় কোয়ার্টারে ৩৬ মিনিটের মাথায় ফের পেনাল্টি কর্নার পায় ভারত। জোরাল শট থেকে গোল করেন যুগরাজ সিং। ভারত এগিয়ে যায় ৩-০। ৩৯ মিনিটের মাথায় চতুর্থ গোল করে ভারত। কিন্তু ভিডিও রেফারেল নিয়ে তা বাতিল করেন আম্পায়ার। ম্যাচ শেষ হওয়ার ঠিক ৫ মিনিট আগে, ৫৫ মিনিটের মাথায় চতুর্থ গোল ভারতের। গোল করেন আকাশদীপ সিং। ৪-০ গোলে ম্যাচ শেষ হয়। পাকিস্তান দু’এক বার আক্রমণ করলেও অমিত রুইদাসের নেতৃত্বে ভারতীয় রক্ষণ সজাগ ছিল। টুর্নামেন্টে ইতিমধ্যে ৭টি গোল করেছেন হরমনপ্রীত। সব কটিই করেছেন পেনাল্টি কর্নার থেকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: মিছিলকে লক্ষ্য করে কটূক্তি, তৃণমূলের পার্টি অফিসে আগুন দিলেন আদিবাসীরা

    TMC: মিছিলকে লক্ষ্য করে কটূক্তি, তৃণমূলের পার্টি অফিসে আগুন দিলেন আদিবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসীদের রোষের মুখে পড়ল তৃণমূল (TMC) কার্যালয়। বুধবার দুপুরে আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানের মিছিলকে উদ্দেশ্য করে কটুক্তির অভিযোগ। তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর করে আগুন জ্বালিয়ে দিল আদিবাসী জনকল্যাণ মঞ্চের সদস্যরা। তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার ভবানীপুর-১ নম্বর অঞ্চলের শ্যামনগর গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ঝাড়গ্রামের মঞ্চে আদিবাসী সমাজের কল্যাণে বক্তব্য রাখছেন, ঠিক সেই সময় ডেবরার শ্যামনগর গ্রামে আদিবাসী সমাজের মানুষেরা আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসকে সামনে রেখে একটি মিছিলের আয়োজন করেন। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল পার্টি অফিসে বেশ কয়েকজন তৃণমূল (TMC) কর্মী সমর্থক বসেছিলেন। পার্টি অফিসের সামনে দিয়ে আদিবাসীদের মিছিল যাওয়ার সময় পার্টি অফিসে বসে থাকা তৃণমূল কর্মীরা মিছিলে যোগ দেওয়া আদিবাসীদের উদ্দেশ্য করে কটুক্তি করেন। এতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মিছিলে থাকা আদিবাসী সমাজের মানুষেরা। রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখেই তৃণমূল কর্মীরা পার্টি অফিসে ছেড়ে দৌড়ে পালান। পরে, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। যদিও এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোন প্রতিক্রিয়া মেলেনি তৃণমূলের তরফে।

    কী বললেন আদিবাসী জনকল্যাণ মঞ্চের নেতা?

    আদিবাসী জনকল্যাণ মঞ্চের তারাপদ সিং বলেন, এদিন আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে আদিবাসী সমাজের মানুষ শান্তিপূর্ণ মিছিল করছিলাম। কিন্তু, তৃণমূলের (TMC) ওই কার্যালয় থেকে কয়েকজন আদিবাসীর নাম করে নানা কটূক্তি করেন। যা আমাদের সমাজের সদস্যদের চরম অসন্মান করা হয়। এতেই কিছু সদস্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা ওই কার্যালয়ে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালায়। পরে, আগুন ধরিয়ে দেয়। যে বা যারা আমাদের উদ্দেশ্য করে নানা কটূক্তি করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি হবে। না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। এই ঘটনার প্রতিবাদে দোষীদের বিরুদ্ধে যতদূর যেতে হয় তা আমরা যাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: দ্বিতীয় কক্ষপথ বদল সফল! চাঁদ থেকে আর মাত্র ১,৪৩৭ কিলোমিটার দূরে ‘চন্দ্রযান ৩’

    Chandrayaan 3: দ্বিতীয় কক্ষপথ বদল সফল! চাঁদ থেকে আর মাত্র ১,৪৩৭ কিলোমিটার দূরে ‘চন্দ্রযান ৩’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের আরও কাছে পৌঁছল ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। পূর্ব নির্ধারিত সময় মতোই চাঁদের চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে দ্বিতীয়বার কক্ষপথ বদল করল ভারতের মহাকাশযান (ISRO Moon Mission)। গতকাল পর্যন্ত চাঁদের থেকে ৪,৩১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল ‘চন্দ্রযান ৩’। আজ দুপুরে দ্বিতীয় কক্ষপথ বদলের পর সেই দূরত্ব কমে হলো ১,৪৩৭ কিলোমিটার। পরবর্তী কক্ষপথ বদল ঘটবে ১৪ অগাস্ট।

    চাঁদের আরও কাছে ‘চন্দ্রযান ৩’

    এদিন ইসরোর তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, চাঁদের আরও কাছে। পরিকল্পনা মাফিক কক্ষপথ সঙ্কোচন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে মহাকাশযানটি ১৭৪ কিমি x ১৪৩৭ কিমি কক্ষপথে অবস্থান করছে। পরবর্তী সঙ্কোচন প্রক্রিয়া হবে ১৪ তারিখ সকাল সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে। ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) এই কক্ষপথ বদল প্রক্রিয়াটি হয়েছে বেঙ্গালুরুস্থিত ইসরোর টেলিমেট্রে, ট্র্যাকিং অ্যান্ড কমান্ড নেটওয়ার্ক (ISTRAC) সেন্টার থেকে।

    পাখির চোখ ২৩ অগাস্ট

    গত ১৪ জুলাই শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে এলভিএম-৩ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল ‘চন্দ্রযান ৩’। টানা ১৮ দিন পৃথিবীর চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে একদিকে কক্ষপথের পরিধি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি গতিও বাড়িয়ে চলেছিল ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। পাঁচবার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর গত ১ অগাস্ট এক লাফে চন্দ্র-বৃত্তে পৌঁছে যায় ‘চন্দ্রযান ৩’। সেখান থেকে প্রায় পৌনে চার লক্ষ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ‘চন্দ্রযান ৩’ পৌঁছে যায় চাঁদের কক্ষপথের কাছে। পরের ধাপে গত ৫ তারিখ, চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে ‘চন্দ্রযান ৩’। সেই থেকে চাঁদের চারদিকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে ভারতের মহাকাশযান। আগামী ২৩ তারিখ চূড়ান্ত অবতরণ বা ‘টাচডাউন’-এর দিকে এগিয়ে যাবে ল্যান্ডার মডিউল। সম্ভবত, সেদিনই হবে কাঙ্খিত ‘সফট-ল্যান্ডিং’।

    সফট-ল্যান্ডিং হবেই, প্রত্যয়ী ইসরো প্রধান

    ল্যান্ডার বিক্রমকে সফলভাবে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করানোই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। সফল ল্যান্ডিংয়ের বিষয়ে আশায় বুক বাঁধছেন ১৪০ কোটি ভারতবাসী। একইসঙ্গে, সকলের মনে উৎকণ্ঠাও রয়েছে। কারণ, চার বছর আগে এই পর্বেই ব্যর্থ হয়েছিল ‘চন্দ্রযান ২’। তবে, এবার যথেষ্ট প্রত্যয়ী ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। গতকালই, দেশবাসীকে অভয় দিয়ে ইসরোর প্রধান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, ল্যান্ডার ও সেন্সর ব্যর্থ হলেও, মহাকাশযান (ISRO Moon Mission) সঠিকভাবেই অবতরণ করবে চাঁদের বুকে। তিনি বলেন, “মহাকাশযানে থাকা ল্যান্ডার বিক্রম-এর সমস্ত সেন্সর এবং দু’টি ইঞ্জিনও যদি কাজ না করে, তাহলেও ২৩ অগাস্ট চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করবে যানটি। ল্যান্ডারের পুরো নকশাটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই এই মিশনটিকে ব্যর্থ হতে দেবে না।” তিনি যোগ করেন, যদি কিছু কাজ না করবে, তখন একমাত্র প্রপালশন সিস্টেম ভালোভাবে কাজ করবে।” এখানে বলে রাখা ভালো যে, এধরনের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) নকশা ব্যর্থতা-নির্ভর করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Eris Covid: আবার করোনা! ‘এরিস’ ভেরিয়্যান্ট পাওয়া গেল ভারতে, কতটা বিপদের?

    Eris Covid: আবার করোনা! ‘এরিস’ ভেরিয়্যান্ট পাওয়া গেল ভারতে, কতটা বিপদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা ভাইরাসের নতুন ভেরিয়্যান্ট ‘এরিস’ (Eris Covid)। পাওয়া গেল মহারাষ্ট্রে। মে মাসে প্রথম এই রূপটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। আর এটিই এখন অনেকের কাছে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কর্নাটকে যে ভাবে ঘরে ঘরে অসুখ ছড়াচ্ছে তাতে আতঙ্ক বাড়ছে। এক বেসরকারি সংস্থার সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, কর্নাটকে প্রতি তিনজনে অন্তত একজন, দিল্লি-এনসিআর-এ প্রতি পাঁচজনে একজন এবং মহারাষ্ট্রে প্রতি ছ’জনে একজন ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত। অথবা, তাঁদের কোভিডের মতো উপসর্গ রয়েছে।

    ‘এরিস’-এর উপসর্গ

    করোনার রূপ ওমিক্রনেরই একটি ভাগ এই ‘এরিস’ (Eris Covid)। ইংল্যান্ডে ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। হাসাপাতেল রোগীদের ভিড় বেড়েছে। এর পিছনে রয়েছে এই এরিসেরই ভূমিকা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আগের রূপগুলির যা যা উপসর্গ ছিল, এক্ষেত্রেও প্রায় তেমনই আছে। কাশি, জ্বর, সর্দি, গলায় ব্যথা, শ্বাস নিতে সমস্যা এগুলিই মূলত এই ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমণের লক্ষণ। তবে এই নতুন রূপটি নিয়ে যেটি ভয়ের, তা হল এটির সংক্রমণের হার আগের ভ্যারিয়েন্টগুলি বা সাবভ্যারিয়েন্টগুলির তুলনায় অনেক বেশি। এটি অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। 

    আরও পড়ুন: রিপোর্টে অসন্তুষ্ট! ‘ভুয়ো’ শিক্ষক মামলায় রাজ্যের ডিআইজি সিআইডিকে তলব হাইকোর্টের

    সমীক্ষার রিপোর্ট

    সম্প্রতি দিল্লি-এনসিআর, মহারাষ্ট্র এবং কর্নাটকের প্রায় ১৯ হাজার বাসিন্দার মধ্যে একটি সমীক্ষাটি চালানো হয়েছিল। মোট ৬৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ শতাংশ মহিলা উত্তরদাতাকে পাওয়া গিয়েছিল। রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের ১৬ শতাংশ পরিবারে ভাইরাল জ্বর বা কোভিড-এর মতো লক্ষণ রয়েছে। দিল্লি-এনসিআর-এর ক্ষেত্রে ২১ শতাংশ পরিবারের কেউ না কেউ জ্বরে ভুগছেন। কর্নাটকের এই পরিমাণটা প্রায় ৩৩ শতাংশ। তবে চিকিৎসকদের কথায়, ভারতে এই নতুন করোনা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করছে সাধারণ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর। সেটি ঠিক থাকলে এখানে ভয়ের বিশেষ কারণ নেই। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চিকিৎসকেরা স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে বলছেন। নিয়ম করে টিকা নিতে হবে। করোনার টিকা তো বটেই, যাঁদের অন্য টিকা নেওয়ার কথা, তাঁদেরও সেগুলি নিতে হবে। কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। জীবনযাত্রার মান উন্নত রাখতে হবে। বেনিয়ম করা যাবে না। পর্যাপ্ত ঘুমোতে হবে। ভিড় এড়িয়ে চলাই ভালো।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রিপোর্টে অসন্তুষ্ট! ‘ভুয়ো’ শিক্ষক মামলায় রাজ্যের ডিআইজি সিআইডিকে তলব হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: রিপোর্টে অসন্তুষ্ট! ‘ভুয়ো’ শিক্ষক মামলায় রাজ্যের ডিআইজি সিআইডিকে তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের গোথা এয়ার স্কুলে ভুয়ো নথি দিয়ে চাকরির মামলায় বুধবার রাজ্যের ডিআইজি সিআইডিকে তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু (Justice Biswajit Basu) নির্দেশ দেন, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ডিআইজি সিআইডিকে সশরীরে আদালতে হাজিরা দিতে হবে। তলব করা হয়েছে তদন্তকারী আধিকারিকদেরও। এর পরই মামলাটির তদন্ত সিবিআইকে দেওয়ার ইঙ্গিত দেন বিচারপতি।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    এদিন শুনানির সময়,  বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু বলেন, “আমি আমার বিশ্বাস ভরসা সিআইডির উপর হারাচ্ছি।” ভুয়ো নিয়োগপত্র বানিয়ে নিজের স্কুলেই ছেলেকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল প্রধানশিক্ষক বাবার বিরুদ্ধে। মুর্শিদাবাদের সুতির গোথা স্কুলের ওই ঘটনার তদন্তভার সিআইডিকে দিয়েছিল হাইকোর্ট। ওই মামলার তদন্তে নেমে রাজ্য জুড়ে প্রায় ৩৬ জন শিক্ষকের নাম পায় সিআইডি। যাঁদের মধ্যে ১৮ জন শিক্ষক ভুয়ো নথি ব্যবহার করে চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ। ১১ জন শিক্ষকের নিয়োগের নথি পাওয়া যায়নি। তদন্তে আরও উঠে আসে যে, সাত জন শিক্ষক মেধাতালিকায় স্থান পরিবর্তন করে চাকরি পেয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: চিনকে টক্কর! উত্তর-পূর্ব সীমান্তে আরও সাতটি টানেল তৈরি করছে ভারত

    তলব তদন্তকারী আধিকারিকদের

    বুধবার বিচারপতি বসু (Justice Biswajit Basu) এজলাসে এই মামলার শুনানিতে বলেন, ‘রাজ্যের এজেন্সিকে ভরসা করেছিলাম। আমার মোহভঙ্গ হচ্ছে। তাহলে এবার কেন সিবিআই নয়? বৃহস্পতিবার এজলাসে এসে নিজের কাজের ব্যাখ্যা দিতে হবে ডিআইজি সিআইডিকে।’ শুধু তিনি একা নন, তদন্তকারী দলের বাকি সদস্যদেরও আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বসু। এদিন আদালতে তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় সিআইডির তরফে। সেই রিপোর্টে খুশি নন বিচারপতি। সেইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন তদন্তকারী অফিসারদের কেউ আদালতে উপস্থিত নেই। রাজ্যের তরফে জানানো হয়, অফিসাররা তদন্তের কাজে গিয়েছেন। যা শুনে রেগে যান বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘সবাই একসঙ্গে গেছেন? কাল আদালতে এসে তাঁরা সবাই আজ কোথায় গেছেন তা জানাতে হবে।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share