Tag: Madhyom

Madhyom

  • Anantnag Encounter: জম্মুর অনন্তনাগে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে শহিদ দুই সেনা, এক পুলিশ আধিকারিক

    Anantnag Encounter: জম্মুর অনন্তনাগে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে শহিদ দুই সেনা, এক পুলিশ আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরের অনন্তনাগে (Anantnag Encounter) জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন সেনার দুই অফিসার এবং জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক। দুই সেনা আধিকারিকদের মধ্যে একজন কর্নেল এবং অপরজন মেজর পদমর্যাদার অফিসার ছিলেন। অন্যদিকে, পুলিশের ডেপুটি সুপার (ডিএসপি) পদমর্যাদার এক অফিসারও জঙ্গিদের ছোড়া গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। 

    মঙ্গলবার শুরু হয়েছিল অভিযান

    সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, কাশ্মীরের অনন্তনাগ (Anantnag Encounter) জেলার কোকেরনাগের অন্তর্গত গাদোলে এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, জঙ্গিদের উপস্থিতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং সিআরপিএফ-এর একটি যৌথ দল মঙ্গলবার রাতে এলাকায় অনুসন্ধান অভিযান শুরু করে৷ 

    বাহিনীর যৌথ দলটি সন্দেহভাজন স্থানে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে জঙ্গিরা তাদের উপর গুলি চালায়৷ পালটা গুলি চালানো হয় নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে৷ সেই থেকেই এই এনকাউন্টারের শুরু৷ বেশি রাতে অভিযান স্থগিত করা হয়৷ বুধবার সকালে আবার অভিযান শুরু হয়৷ সময়ই জঙ্গিদের গুলিতে গুরুতর জখম হন ওই কর্নেল৷ পরে তাঁর মৃত্যু হয়। 

    ৩ শহিদ অফিসারের পরিচয়

    জানা গিয়েছে, নিহত কর্নেলের নাম মনপ্রীত সিং। তিনি রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ১৯ ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন। একই ভাবে জঙ্গিদের বুলেটে আহত হন সেনার মেজর পদের অফিসার এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের ডেপুটি সুপারিন্টেডেন্ট। নিহত সেনা মেজরের নাম আশিস ধনচক। অন্যদিকে, নিহত জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের (Jammu Kashmir) ডেপুটি সুপারিন্টেডেন্টের নাম হিমায়ুন মুজামিল ভাট। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তিন নিরাপত্তা আধিকারিকের মৃত্যুর পরেই জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। কর্ডন করে দেওয়া হয়েছে একাধিক রাস্তা। চলছে ব্যাপক তল্লাশি (Anantnag Encounter)।

    রাজৌরিতেও সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ

    এর আগে, এদিনই রাজৌরি জেলায় সেনার সঙ্গে গুলি বিনিময়ে ২ জঙ্গি খতম হয়েছে। সেখানেও টানা ২ দিন ধরে চলেছে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই। সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন এক সেনা জওয়ানও। আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। জওয়ানকে রক্ষা করতে গিয়ে জঙ্গিদের গুলিতে মারা গিয়েছে এক সামরিক সারমেয়র (Jammu Kashmir)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Saheb Chatterjee: ডেঙ্গিতে অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায়ের বোনের মৃত্যু, ‘‘শহরটা ভাগাড়ে পরিণত’’, ক্ষোভ টলিপাড়ার

    Saheb Chatterjee: ডেঙ্গিতে অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায়ের বোনের মৃত্যু, ‘‘শহরটা ভাগাড়ে পরিণত’’, ক্ষোভ টলিপাড়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরে এসেছিলেন পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাতে। সেটাই কাল হল। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায় (Saheb Chatterjee)-এর বোন পিয়াসী চট্টোপাধ্যায়ের। সাহেব তাঁর সোশ্যাল সাইটে নিজেই এই শোক সংবাদ দেন। বোনের মৃত্যুতে ভীষণ ভেঙে পড়েছেন টলিউড তারকা। ডেঙ্গিতে সাহেবের বোনের মৃত্যুর পর প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছে টলিপাড়া। অনেকে বলছেন, “শহরটা ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।”

    শোকাহত অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায়

    উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই ফেসবুকের মাধ্যমেই অভিনেতা (Saheb Chatterjee) জানান, তাঁর বোন পিয়াসী ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। বেলভিউর ক্রিটিকাল কেয়ারে ভর্তি রয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি বেশ খারাপ ছিল। কারণ অভিনেতা জানিয়েছিলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাঁদের এ পজিটিভ প্লেটলেটের রক্তদাতা চাই। রক্তদাতার বয়স যেন চল্লিশের নিচে হয়। আজ, বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেতা জানান, ‘বেলভিউতে ভর্তি থাকা আমার ছোট বোন পিয়াসির জন্য এ+ ডোনারের ব্যবস্থা করার বিষয়ে আমার শেষ পোস্টের (গতকালের) প্রসঙ্গে, আমি প্রত্যেককে এবং সকল প্লেটলেট দাতাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। যারা আমাকে আমার বোনকে বাঁচাতে সাহায্য করার জন্য বহুদূর থেকে এগিয়ে এসেছিলেন।’ অভিনেতা আরও বলেন, ‘কিন্তু, আমি আপনাদের অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাতে চাই যে বোন আর নেই। খুব বিধ্বস্ত বোধ করছি আমি। ডেঙ্গি তাকে কেড়ে নিয়েছে। তাই তার জন্য আমার আর কোনও দাতার প্রয়োজন হবে না। তার অনন্ত সুখ এবং শান্তি জন্য প্রার্থনা করুন সকলে। ওম শ্রী সাঁইরাম।’

    শহরে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তে ক্ষুব্ধ টলিপাড়া

    ডেঙ্গিতে সাহেবের (Saheb Chatterjee) বোনের মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ টলিপাড়া। অভিনেত্রী দেবলীনা দত্তের কথায়, “আমি এই ঘটনার কথা জানতাম না। তবে ডেঙ্গি বা এমন অতিমারি চিন্তা তো বাড়াবেই। রোগের উৎসটা চিন্তার। এ ধরনের রোগ তো হবেই। এমন একটা নোংরা শহর। কোনও রক্ষণাবেক্ষণ নেই।’’ দেবলীনার আরও ক্ষোভ, ‘‘রাস্তাঘাটের কী খারাপ অবস্থা! বছরের পর বছর দেখে যাচ্ছি, যেখানে জল জমার সেই জমেই থাকছে। কোনও সুরাহা হচ্ছে না। এগুলোই তো অসুখের উৎস। সেগুলোকে ঠিক করার জন্য কোনও সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।” নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আর এক অভিনেতার কথায়, “আমাদের শহরটা কার্যত ভাগাড়ে ভরে গিয়েছে। তাতেই মশার আঁতুড়ঘর। যা বিপদ বাড়াচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: কেরলে নিপা আতঙ্ক! মৃত ২, পৌঁছল কেন্দ্রীয় দল, ৭টি গ্রামকে ‘কনটেনমেন্ট জোন’ ঘোষণা

    পিয়াসী হলেন সাহেবের (Saheb Chatterjee) মাসতুতো বোন কিন্তু ছোট থেকে অভিনেতার বাড়িতে একসঙ্গেই বড় হয়েছেন। ছোটবেলায় মা-বাবাকে হারানোর জন্য সাহেবের মায়ের কাছেই থাকতেন তিনি। মৃত্যুকালে পিয়াসীর বয়স হয়েছিল ৪০ বছর। মাত্র দু’দিনে শরীরের সমস্ত অঙ্গ বিকল হয়ে গিয়েছিল তাঁর। পিয়াসীর একটি দুমাসের মেয়ে আছে। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলা, বর্ষা বাড়লেই প্রত্যেক বছরের মতোই এবছরও বেড়েছে ডেঙ্গির চোখরাঙানি। প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। কোনওভাবেই ডেঙ্গিকে আয়ত্ত্বে আনতে পারছে না প্রশাসন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Primary TET: এই বছরেই হবে টেট! প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার তারিখ এবং নিয়ম জানাল পর্ষদ

    Primary TET: এই বছরেই হবে টেট! প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার তারিখ এবং নিয়ম জানাল পর্ষদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রাথমিকের টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে। বুধবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের (Primary Education Board)সভাপতি গৌতম পাল সাংবাদিক বৈঠক করে টেট পরীক্ষার দিন ঘোষণা করলেন।  তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর এ বছরের টেট পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি পর্ষদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে বুধবারই। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টা থেকে আবেদন করার সময় শুরু হচ্ছে। তিন সপ্তাহ সময় থাকবে প্রার্থীদের কাছে। কারও পেমেন্টের ক্ষেত্রে কোনও অসুবিধা থাকলে সময়সীমা আরও একদিন বর্ধিত করা হবে। পুরো প্রক্রিয়াই হবে অনলাইনে।

    কারা কারা পরীক্ষায় বসতে পারবেন

    পর্ষদ সভাপতি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে টেটের দিন ঘোষণার বিজ্ঞপ্তি খবরের কাগজগুলিতে প্রকাশিত হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পর্ষদের ওয়েবসাইটে গিয়ে টেটের ফর্ম পূরণ করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, বিএড যাঁরা করেছেন, তাঁরা এ বছর টেটে (TET 2023) বসতে পারবেন না। তবে ডিএলএড-সহ প্রাথমিক শিক্ষকের অন্য প্রশিক্ষণ যাঁরা নিয়েছেন, তাঁরা টেট দিতে পারবেন। তা ছাড়া, গত বছরের টেটে যাঁরা অকৃতকার্য হয়েছিলেন, তাঁরাও নতুন করে এ বছর ফর্ম পূরণ করতে পারবেন। ২০২১-২৩ সালের ডিএলএড পরীক্ষার প্রথম পর্ব সম্পন্ন হয়েছে, সে কথাও বুধবারের সাংবাদিক বৈঠকে জানান পর্ষদ সভাপতি। ১৫০টি কেন্দ্রে প্রায় ৩৭ হাজার পরীক্ষার্থী ছিলেন। এই পরীক্ষার যাবতীয় প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেরলে নিপা আতঙ্ক! মৃত ২, পৌঁছল কেন্দ্রীয় দল, ৭টি গ্রামকে ‘কনটেনমেন্ট জোন’ ঘোষণা

    পরীক্ষার নানা নিয়ম

    এদিন গৌতম পাল বলেন, ‘আগের বছরের নিয়মেই এবার পরীক্ষা নেওয়া হবে।’ পরীক্ষার্থীদের একটা সিল করা খাম দেওয়া হবে যার মধ্যেই থাকবে প্রশ্নপত্র এবং ওএমআর শিট। পরীক্ষা শেষে প্রশ্নপত্র বাড়ি নিয়ে যাওয়া যাবে। পরীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মূল ওএমআর শিটের নীচে একটি ডুপ্লিকেট শিট থাকবে। মূল ওএমআর শিটে উত্তর মার্ক করলে যার ছাপ পড়বে ডুপ্লিকেট শিটেও। ওই শিটটিও বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। এছাড়া সমস্ত পরীক্ষা কেন্দ্রেই ভিডিও রেকর্ডিং-এর ব্যবস্থা থাকবে। টেট দুর্নীতি সামনে আসার পরই একাধিক বিষয় নিয়ে হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল পর্ষদকে। ‘অযোগ্য’দের টাকার বিনিময়ে চাকরি করিয়ে দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। সিবিআই-ইডি, এই দুর্নীতির তদন্ত করছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nipah Virus: কেরলে নিপা আতঙ্ক! মৃত ২, পৌঁছল কেন্দ্রীয় দল, ৭টি গ্রামকে ‘কনটেনমেন্ট জোন’ ঘোষণা

    Nipah Virus: কেরলে নিপা আতঙ্ক! মৃত ২, পৌঁছল কেন্দ্রীয় দল, ৭টি গ্রামকে ‘কনটেনমেন্ট জোন’ ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে (Kerala) খোঁজ মিলল নিপা ভাইরাসের (Nipah Virus)। ইতিমধ্যেই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নিপায় আক্রান্ত আরও দুইজন। মঙ্গলবার নিপা ভাইরাসের খোঁজ মেলার খবর নিশ্চিত হতেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে রাজ্যজুড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞের দল পাঠানো হয়েছে। পুণের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজির (National Institute of Virology) একটি দলও ইতিমধ্যেই কেরলে পৌঁছে গিয়েছে। 

    শিশুর দেহেও নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি

    জানা গিয়েছে অজানা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কোঝিকোড়ের বেসরকারি হাসপাতালে গত ১১ সেপ্টেম্বর এবং ৩০ অগাস্ট ২ ব্যক্তির মৃত্যু হয়। সেই সঙ্গে ৩ শিশু সহ মোট ৪ জন জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। চিকিৎসাধীন চারজননের রক্তের নমুনা পাঠানো হয়েছি পুনের ন্যাশনাল ইনিস্টটিউট অফ ভাইরোলজিতে। মঙ্গলবার পাওয়া রিপোর্টে ১ শিশু সহ ২ জনের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে একজন গত ১১ সেপ্টেম্বর প্রয়াত ব্যক্তির আত্মীয়। মৃত ওই ব্যক্তিও নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য।

    নিপার উপসর্গ

    কোঝিকোড়ে নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক এই প্রথম নয়। ২০১৮ এবং ২০২১ সালেও আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। প্রথমবার মোট ২৩ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারমধ্যে মৃত্যু হয়েছিল ১৮ জনের। এবার নতুন করে আতঙ্ক ছড়াল। নিপা ভাইরাসের উপসর্গ কী? এই ভাইরাসে আক্রান্তে হলে, জ্বর, সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে মাথাব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গগুলি দেখা যায়। সেই সঙ্গে থাকে বমিবমি ভাব। খিঁচুনির মতো উপসর্গ দেখা দিলে আক্রান্ত কোমায় চলে যেতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মূলত বাদুড় থেকে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ায়। পরবর্তীকালে অন্যান্য পশু এবং মানুষের শরীরে ছড়িয়ে থাকে। অনেক সময় শূকর থেকেও নিপা ভাইরাস ছড়াতে পারে বলে ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ভারতে আইফোন ১৫ সিরিজ! এদেশে কত দাম চারটি মডেলের? বিক্রি শুরু কবে?

    নিপা রুখতে পদক্ষেপ

    বুধবার কেরল বিধানসভায় রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ বলেন, “নিপা ভাইরাসে চারজন আক্রান্তের খোঁজ মেলার পর থেকেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এটা নিপা ভাইরাসের বাংলাদেশ ভ্যারিয়েন্ট যা মানবদেহ থেকে অপর মানবদেহে সংক্রমিত হয়। এই স্ট্রেনের সংক্রমণের হার কম হলেও, এতে মৃত্যুর হার অনেক বেশি।” স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আক্রান্তদের প্রায় সকলেই সে রাজ্যের কোঝিকোড় জেলার বাসিন্দা। সংক্রমণ রুখতে ওই জেলার সাতটি গ্রামকে গণ্ডিবদ্ধ এলাকা (কনটেনমেন্ট জ়োন) বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু স্কুল। নিপা ভাইরাসে আক্রান্তদের নমুনা সংগ্রহ এবং তা পরীক্ষা করে দেখার জন্য কোঝিকোড় মেডিক্যাল কলেজে একটি ভ্রাম্যমান পরীক্ষাগার তৈরি করছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি (এনআইভি)।  পাশাপাশি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR)-ও মবোক্লোনাল অ্যান্টিবডি পাঠাচ্ছে নিপা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত-মামলার শুনানি এবার দিল্লিতে, দুই সুটকেসে ফাইল নিয়ে গেল ইডি

    Anubrata Mondal: অনুব্রত-মামলার শুনানি এবার দিল্লিতে, দুই সুটকেসে ফাইল নিয়ে গেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। এবার সেটাই বাস্তবায়িত হতে চলল। আসানসোল থেকে দিল্লিতে সরল গরু পাচার মামলা। দু’টি সুটকেসে ফাইল ভর্তি করে দিল্লি নিয়ে গেলেন ইডির দুই আধিকারিক। মূলত, দুটি সুটকেসে থাকা ফাইলে গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এবং অন্যদের সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য রয়েছে। বুধবার সেই ফাইল আসানসোল থেকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে নিয়ে গেল ইডি। বুধবার ইডির দুই আধিকারিক এসেছিলেন আসানসোল আদালতে। সঙ্গে দুই সিআইএসএফ কর্মী ছিলেন। দু’টি সুটকেসে তাঁরা বেরিয়ে যান।

    দিল্লিতে মামলা স্থানান্তর নিয়ে কী নির্দেশ দিয়েছিল আদালত?

    গত ৬ সেপ্টেম্বর গরু পাচার মামলা আসানসোল থেকে দিল্লির আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয় আদালত। এই মামলায় অভিযুক্ত হিসাবে নাম রয়েছে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল, প্রাক্তন দেহরক্ষী সহগল হোসেনের। এ ছাড়া এনামুল হক, বিএসএফ কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমার-সহ বেশ কয়েক জন রয়েছেন। তাঁদের বেশির ভাগই এখন তিহাড় জেলে বন্দি। গত ২৮ জুলাই আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে ইডির তরফে ৪৪ (১/সি) নম্বর ধারায় এই মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করে ইডি। দুই দফায় ঘণ্টা দেড়েক ধরে ইডির আবেদনের ভিত্তিতে এই মামলার শুনানি হয়। তৃতীয় বারের শুনানিতে ইডির আর্জি গ্রহণ করে আদালত। বিচারক নির্দেশ দেন, গরু পাচার মামলার শুনানি এখন থেকে দিল্লির আদালতে হবে। ফলে, তৃণমূল নেতা অনুব্রত যে মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন, তার যাবতীয় শুনানি হবে সেখানে।

    এ বার দিল্লির আদালতে গরু পাচার মামলার শুনানি!

    বেশ কয়েকবার অনুব্রত (Anubrata Mondal) তিহাড় থেকে আসানসোলের সংশোধনাগারে তাঁকে ফেরানোর আর্জি জানিয়ে বলেন, তিনি অসুস্থ। রোগা হয়ে যাচ্ছেন। তাঁকে বাংলায় ফেরানো হোক। কিন্তু, ওই তৃণমূল নেতার আবেদনের আর শুনানি হয়নি আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে। এ বার দিল্লির আদালতে গরু পাচার মামলার শুনানির তোড়জোড় শুরু করল কেন্দ্রীয় সংস্থা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasthan Accident: বৃন্দাবনের পথে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষ, মৃত ১১ পুণ্যার্থী, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    Rajasthan Accident: বৃন্দাবনের পথে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষ, মৃত ১১ পুণ্যার্থী, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় রাজস্থানে প্রাণ হারালেন ১১ জন (Rajasthan Accident)। বুধবার ভোরে ২১ নম্বর জাতীয় সড়কের একটা উড়ালপুলের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল। এছাড়াও এই পথ দুর্ঘটনায় মৃতদের আত্মার প্রতি শান্তি কামনা করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী আশোক গেহলট। ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল এবং গুজরাট সরকারের তরফ থেকে। 

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা (Rajasthan Accident)?

    জানা যাচ্ছে, ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি (Rajasthan Accident) ঘটে। রাজস্থানের পুষ্কর থেকে যাত্রীবোঝাই বাসটি যাচ্ছিল উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনে। জয়পুর-আগরা জাতীয় সড়ক ধরে যাওয়ার পথে লক্ষণপুরের অন্তরা উড়ালপুলের উপর বাসটির তেল ফুরিয়ে যায়। সেখানেই দাঁড়িয়ে পড়ে বাসটি। তেল ফুরিয়ে যাওয়ার পর বাসের চালক, সহকারী এবং বেশ কয়েক জন যাত্রী বাস থেকে নেমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁদের সামনে দাঁড়িয়েছিল বাসটি। এমন সময় পিছন থেকে একটি ট্রাক সজোরে ধেয়ে এসে তাঁদের ধাক্কা মারে। তার পর ট্রাকটি সোজা গিয়ে ধাক্কা মারে থেমে থাকা বাসে। এই ঘটনায় ইতি মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৬ জন মহিলা এবং ৫ জন পুরুষ।

    ভরতপুরের পুলিশ সুপার মৃদুল কাচাওয়া বলেন, “বাসটি রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল, কয়েকজন বাস থেকে নেমে দাঁড়িয়ে ছিলেন, আচমকা পেছেন থেকে একটি ট্রাক ধাক্কা মারে।” আহতদের ভরতপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর মৃতদেহগুলিকে স্থানীয় মর্গে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে মৃতদের পরিবারে খবর দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত আরও ১২ জন। উদ্ধার জখম যাত্রীদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক (Rajasthan Accident)। 

    প্রধানমন্ত্রীর শোকপ্রকাশ

    এই মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইটারে বিশেষ শোকজ্ঞাপন করেছেন। তিনি আহতদের জন্য জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা এবং মৃতদের পরিবারে পিছু ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি গুজরাট সরকারের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে মৃতদের পরিবারের পিছু ৪ লক্ষ টাকা এবং গুরুতর আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন (Rajasthan Accident)।  

    রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট গোটা ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘বাস এবং ট্রেলরের ধাক্কায় মৃত ১১ জনের প্রত্যেকেই পুণ্যার্থী ছিলেন। গুজরাটের ভরতপুর থেকে বৃন্দাবনে যাচ্ছিলেন তাঁরা। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। জখমদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। মৃতদের আত্মার শান্তিকামনা করি। তাঁদের পরিবার পরিজনদের ঈশ্বর শোক সহ্য করার শক্তি দিক। জখমরাও যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’’

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Goddess Durga: দেবী দুর্গার নয়টি রূপ কী কী? জেনে নিন তাঁদের মাহাত্ম্য

    Goddess Durga: দেবী দুর্গার নয়টি রূপ কী কী? জেনে নিন তাঁদের মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান শ্রী রামচন্দ্র রাবণকে বধ করার জন্য দেবী দুর্গার অকালবোধন করেছিলেন। এই নিয়ম বা প্রথা মেনে শারদীয়া দুর্গাপুজো করে থাকে বাঙালি সমাজ। কিন্তু দুর্গাপুজোর আসল সময় হল বসন্ত ঋতুতে, যা দেবী বাসন্তীর পুজো হিসেবে পরিচিত। নবরাত্রির সঙ্গে দেবী দশভূজার একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। তিথি-নক্ষত্র মিলিয়ে রীতিনীতির মধ্যেই পুজো করা হয়। বসন্ত ঋতুতে চৈত্র মাসে যে নবরাত্রি পালন করা হয়, তাতে দেবী দুর্গাকে (Goddess Durga) নয়টি অবতারে পুজো করা হয়।

    কবে পালিত হয়?

    চৈত্র নবরাত্রি পালিত হয় চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের প্রতিপদ তিথিতে। এই সময় মা দুর্গা (Goddess Durga) নয় রকম অবতারে পূজিতা হন। এই পুজো পশ্চিমবঙ্গে যেমন বাসন্তী পুজো নামে পরিচিত, ঠিক তেমনি মহারাষ্ট্রের কোঙ্কণে চৈত্র নবরাত্রিকে গুড়ি পদওয়া বলা হয়। আবার দক্ষিণ ভারতে নবরাত্রি উগাদি নামেও পরিচিত। নবরাত্রি পালনের সঙ্গে বসন্তকালীন চৈতালি ফসল কাটার একটা সম্পর্ক রয়েছে। এতে ভক্তের মনের বাসনা পূর্ণ হয় বলে বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে।

    দেবীর নয় অবতার

    দেবী বাসন্তীর ন’টি অবতার হল, দেবী শৈলপুত্রী, দেবী ব্রহ্মচারিণী, দেবী চন্দ্রঘণ্টা, দেবী কুস্মাণ্ডা, দেবী স্কন্ধমাতা, দেবী কাত্যায়নী, দেবী কালরাত্রি, দেবী মহাগৌরী, দেবী সিদ্ধিদাত্রী। নয় দিন ধরে পুজো করে মায়ের কাছে বর চেয়ে অশুভ শক্তির পরাজয় এবং শুভ শক্তির জাগরণের জন্য কামনা করা হয়। সংসারের শ্রীবৃদ্ধি, অর্থধন লাভ, সন্তানদের সাফল্য, পারবারিক সুখ সমৃদ্ধি এবং নারী শক্তির জাগরণের আশায় ভক্তরা এই নবরূপে দেবী বাসন্তী মায়ের পুজো করে থাকেন। বলা হয়ে থাকে, দেবী দুর্গা (Goddess Durga) মা নৌকাতে করে পরিবারের সঙ্গে মর্ত্যে বাপের বাড়িতে আসেন। নবরাত্রির পর আবার কৈলাসে পাড়ি দেন মা দুর্গা।

    দেবী শৈলপুত্রী

    দেবী শৈলপুত্রী হলেন হিমালয়ের কন্যা। তাঁর স্বামী হলেন ভগবান শিব। তাঁর দুই সন্তান কার্তিক এবং গণেশ। দক্ষরাজের কন্যা হলেন সতী। সতীর অপর নাম শৈলপুত্রী। এই দেবীর পুজো করা হয় নবরাত্রির (Chaitra Navratri 2023) প্রথম দিনে।

    দেবী ব্রহ্মচারিণী

    দেবী ব্রহ্মচারিণী হলেন মা দুর্গার (Goddess Durga) অবতার। তাঁর পুজো করা হয় নবরাত্রির দ্বিতীয় দিনে। দেবী দুর্গার তপস্যার প্রতীক হলেন দেবী ব্রহ্মচারিণী। তিনি ভগবান ব্রহ্মার চলার পথে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেন।

    দেবী চন্দ্রঘণ্টা

    দেবী চন্দ্রঘণ্টা হলেন দেবী দুর্গার (Goddess Durga) আরেক রূপ। বাঘের উপর উপবিষ্ট থাকেন। অসুর বিনাশিনী দেবী। দশ হাতে পদ্ম, গদা, ত্রিশূল, তলোয়ার, তীরধনুক ইত্যাদি দশ অস্ত্রে সুসজ্জিত থাকেন। দেবীর মস্তকে অর্ধচন্দ্র অবস্থান করে। তাই দেবীকে চন্দ্রঘণ্টা নামে ডাকা হয়।

    দেবী কুস্মাণ্ডা

    দেবী কুস্মাণ্ডা হলেন চতুর্থ অবতার। এই দেবী স্বয়ং ব্রহ্মাণ্ডকে সৃষ্টি করেছেন। তাঁর অনাহত চক্রে মানুষকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করেন।

    দেবী স্কন্দমাতা

    দেবী স্কন্ধ হলেন পঞ্চম অবতার। তিনি ভক্তের কাছে মুক্তি এবং শক্তির প্রতীক। তিনি এই রূপে সিংহবাহনা। ত্রিনয়নী এবং চারটি মস্তকে সজ্জিত। স্কন্দের জননী হওয়ায় তাঁকে স্কন্দমাতা বলা হয়।

    দেবী কাত্যায়নী

    দেবী কাত্যায়নী হলেন মহিষাসুরমর্দিনী। তিনি হলেন মায়ের ষষ্ঠ অবতার। সকল অশুভ শক্তিকে পরাজয় করে অসুরদের বিনাশ করে থাকেন। বৈদিক যুগে কাত্যায়ন নামে এক ঋষি ছিলেন। তাঁর সূত্রেই এই নাম।

    দেবী কালরাত্রি

    দেবী কালরাত্রি হলেন দুর্গার (Goddess Durga) সপ্তম অবতার। সব রকম রাক্ষস এবং ভূতেদের বিনাশ করে থাকেন এই দেবী।

    দেবী মহাগৌরী

    মহাগৌরী হলেন দেবীর অষ্টম অবতার। তিনি হলেন ভক্তের সমৃদ্ধি এবং সুখ প্রদানের দেবী।

    দেবী সিদ্ধিদাত্রী

    সিদ্ধিদাত্রী দেবী হলেন মহা সিদ্ধি প্রদানের দেবী। নবরাত্রির নবম অবতার এবং ভগবান শিবের পত্নী। সিদ্ধিদাত্রীকে বলা হয় শিবের অর্ধাঙ্গিনী দেবী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • J-K Encounter: জম্মুর রাজৌরিতে সেনা এনকাউন্টারে খতম ২ জঙ্গি, মৃত্যু এক জওয়ানের

    J-K Encounter: জম্মুর রাজৌরিতে সেনা এনকাউন্টারে খতম ২ জঙ্গি, মৃত্যু এক জওয়ানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরিতে ভয়াবহ সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ (J-K Encounter)। টানা ২ দিন ধরে চলছে দুপক্ষের গুলির লড়াই। শেষ খবর মেলা পর্যন্ত ২ জঙ্গিকে খতম করেছে নিরাপত্তাবাহিনী (Indian Army)। সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন এক সেনা জওয়ান। আহত হয়েছেন আরও ৩ জন।  জওয়ানকে রক্ষা করতে গিয়ে জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ গেল এক সেনা সারমেয়র। 

    ‘অপারেশন সুজানিগালা’য় খতম ২ জঙ্গি, মৃত্যু এক জওয়ানের

    সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রজৌরির পত্রারা অঞ্চলে দু’জন সন্দেহভাজনের গতিবিধির লক্ষ্য করা যায়। এরপরই অভিযান  (J-K Encounter) শুরু হয়। জঙ্গিরা পালিয়ে নারলা গ্রামের দিকে চলে যায়। এরপরই শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পোশাকি নাম দেওয়া হয়— ‘অপারেশন সুজালিগালা’ (Operation Sujaligala)। কিন্তু গ্রামেই হামলার মুখে পড়ে সেনা এবং পুলিশের যৌথ বাহিনী। জম্মু জোনের অতিরিক্ত ডিজিপি মুকেশ সিং বলেন ‘‘তল্লাশির সময় জঙ্গিরা গুলিবর্ষণ করলে, পাল্টা প্রতিরোধ করে বাহিনী। দুপক্ষের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ গুলি বিনিময় হয়। এই এনকাউন্টারে ২ জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। শহিদ হয়েছেন এক জওয়ান। গুলিবিদ্ধ হয়ে আরও দুই জওয়ান এবং এক স্পেশাল পুলিশ অফিসার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।’’

    হ্যান্ডলারকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ বলিদান দিল সেনার কুকুর

    এদিকে, ওই অভিযানে জঙ্গির ছোড়া গুলিতে মৃত্যু হয়েছে সেনার (J-K Encounter) এক সারমেয়র। জানা গিয়েছে, প্রথমে এক জঙ্গি খতম হওয়ার পর আরেকজন পালিয়ে যায়। সেই সময় দ্বিতীয় জঙ্গি কোথায় লুকিয়ে আছে, তা জানতে সেনার ২১ আর্মি ডগ ইউনিটের সদস্যা ল্যাব্রাডর প্রজাতির সারমেয় ‘কেন্ট’-কে ডাকা হয় (Army Labrador Kent)। ভারতীয় সেনার (Indian Army) তরফে জানানো হয়েছে, গন্ধ শুঁকে কেন্ট যখন জঙ্গিদের একেবারে কাছে পৌঁছে যায়, তখন আচমকা এক জঙ্গি গুলি চালাতে শুরু করে। নিজের হ্যান্ডলারকে বাঁচাতে জঙ্গির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ৬ বছর বয়সী ‘কেন্ট’। হ্যান্ডলার বেঁচে গেলেও মৃত্যু হয় কেন্টের।

    পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশ করেছিল দুই জঙ্গি!

    এদিকে, মৃত জঙ্গিদের (J-K Encounter) কাছ থেকে ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে, যেখানে জামাকাপড় সহ আরও বেশ কয়েকটি অস্ত্র পাওয়া গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, নাশকতার ছক কষে পাকিস্তান থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করেছিল ওই দুই জঙ্গি। ওই এলাকায় আর কোনও জঙ্গি ঘাপটি মেরে বসে আছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে গোটা গ্রামে চিরুনি-তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Flood in Libya: ‘ড্যানিয়েল’-এ নিশ্চিহ্ন লিবিয়ার একাংশ! মৃত্যু ৫০০০ পার, নিখোঁজ আরও ১০ হাজার

    Flood in Libya: ‘ড্যানিয়েল’-এ নিশ্চিহ্ন লিবিয়ার একাংশ! মৃত্যু ৫০০০ পার, নিখোঁজ আরও ১০ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধ্বংসী ঝড় আর সঙ্গে আসা ভয়ঙ্কর বৃষ্টির জেরে সৃষ্ট প্লাবন— এই দুয়ের মিশেলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত লিবিয়া (Flood in Libya)। এমনিতে, বছরভর যুদ্ধ-বিধ্বস্ত অবস্থায় থাকে উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশ। এবার প্রাকৃতিক রোষানলে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল দেশটির একাংশ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫ হাজারের গণ্ডি। নিখোঁজ ১০ হাজারের বেশি।

    ঘাতকের নাম ‘ড্যানিয়েল’

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে প্রবল শক্তিতে সেদেশে আছড়ে পড়ে শক্তিশালী ঝড় ‘ড্যানিয়েল’ (Storm Daniel)। ঝড়ের দাপটে ব্যাপক বৃষ্টি হয়। এর জেরে পরপর নদীবাঁধ ভেঙে গেলে, প্লাবিত হয় আশেপাশের শহর ও এলাকায়। জলে তোড়ে ভেসে যায় উপকূলবর্তী ডার্না শহরের একাংশ (Flood in Libya)। একটা বড় অংশ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় জলের তলায়। আর সেই সঙ্গে তলিয়ে যান হাজার হাজার মানুষ। ডার্না ছাড়াও ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বাতাহ, আল-বায়দা, আল-মার্জ, তোবরুকের মতো শহর। ঝড়ের প্রভাবে যে দিকে তাকানো যায়, সেই দিকেই কেবল ধ্বংসস্তূপ আর মৃত দেহ, জনশূন্য এলাকা।

    সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর গ্রিসের উপকূলবর্তী ভূমধ্যসাগরে উৎপন্ন হয়েছিল ঝড় ‘ড্যানিয়েল’। ৫ ও ৬ তারিখে গ্রিসে রেকর্ড বৃষ্টিপাত হয়। প্রবল বর্ষণে গ্রিসেই ১৫ জনের মৃত্যু হয়। এর পর ড্যানিয়েল আরও শক্তি সঞ্চয় করে ‘মেডিকেন’ (মেডিটেরানিয়ান হারিকেন)-এ পরিণত হয়ে আছড়ে পড়ে লিবিয়ায় (Flood in Libya)। লিবিয়ার আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন অংশে ১৫০ থেকে ২৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। হড়পা বানের সৃষ্টি হয়। জানা গিয়েছে, সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে আল-বায়দাত শহরে। সেখানে ২৪-ঘণ্টায় ৪০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি  তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ডার্না এবং বেনগাজি শহরের।

    এত ক্ষয়ক্ষতির কারণ কী?

    জানা গিয়েছে, ডারনায় বেশ কয়েকটি নদীবাঁধ রয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে তিনটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় হড়পা বানে জলের তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে একেবারে সমুদ্রে নিয়ে ফেলেছে বহু বসতি। আর তার জেরেই বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, প্রথমে বৃষ্টির ফলে চাপ পড়ে ভেঙে যায় ডার্না শহরের ১২ কিমি আগে থাকা একটি বাঁধ। পর্যায়ক্রমে, তা চাপ ফেলে শহরের ১ কিমি আগের একটি বাঁধের ওপর। সেটিও ভেঙে গেলে, গোটা শহর জলের তোড়ে ভেসে যায়। ডার্না শহরেই কমপক্ষে ১০০০ দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে গোটাটাই সরকারি হিসেব। প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। লিবিয়ার উপকূলবর্তী একটি শহরের জনসংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার। জলের তোড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে শহরের একটি অংশ। বেসরকারি হিসেব বলছে, এখানেই মৃতের সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে (Flood in Libya)। 

    ‘ভুতুড়ে’ শহরে পরিণত ডার্না

    সংবাদসংস্থা জানাচ্ছে, ডার্না শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। একটা অংশ রাতারাতি যেন মানচিত্র থেকে ‘ভ্যানিশ’ হয়ে গিয়েছে। সেখানে প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই। গাড়িঘোড়া উল্টে পড়ে রয়েছে রাস্তার ধারে। গাছপালা উপড়ে ঢেকে গিয়েছে রাস্তা। ঘরবাড়ি সব ভেঙে পড়ে রয়েছে। একটি লোকও চোখে পড়ছে না কোথাও। চারদিকে শুধু লাশের পাহাড়। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ছবি এবং ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে, ডার্নার বুক দিয়ে তীব্র গতিতে জল ছুটে চলেছ। এখন সেখানে শুধু শ্মশানের স্তব্ধতা। ধসের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে আরও কয়েকশো দেহ। কিছু মানুষ যাঁরা এখনও বেঁচে রয়েছেন শহরে, তাঁরা ঘরে বন্দি (Flood in Libya)। 

    প্রশাসনের বক্তব্য

    লিবিয়ার অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী এবং পূর্বাঞ্চল প্রশাসনের সদস্য হিচেম আবু চকিত্তত জানিয়েছেন, শহরের ২৫ শতাংশ ধুয়ে মুছে গেছে। ডারনা শহরেই মারা গেছেন প্রায় দুই হাজার ২০০ জন। লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রী ওথমান আবদুলজলিল সোমবার ক্ষতিগ্রস্থ শহর পরিদর্শন করেন। তিনি ঝড়ের ও বন্যার ধ্বংসলীলায় শহরকে ভুতের শহর বলে মন্তব্য করেন। এছাড়াও ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ দ্য রেড ক্রস অ্যান্ড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধিরা জানান, নিখোঁজ হওয়া মানুষের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। 

    প্রতিবেশী দেশগুলির সাহায্যের আশ্বাস

    লিবিয়ার (Flood in Libya) প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনায় প্রতিবেশী দেশগুলি নিজেদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ ১৬৮টি অনুসন্ধান এবং উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে। সম্প্রতি ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করতে ইতালি সাহায্য পাঠিয়ছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও লিবিয়াতে সৌদি আরব, আমেরিকা সাহায্যের জন্য ত্রাণ পাঠিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুরে ফের ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ, পুলিশ কী করছিল?

    Duttapukur: দত্তপুকুরে ফের ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ, পুলিশ কী করছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের মোচপোল গ্রামে কিছুদিন আগেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। সেই বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছিল আস্ত একটি তিনতলা বাড়ি। এবার সেই বিস্ফোরণের রেশ কাটতে না কাটতেই উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর (Duttapukur) থানার কদম্বগাছি উলা মাঝেরপাড়া গ্রামে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, কী করে বিস্ফোরণ ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Duttapukur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ দত্তপুকুরের (Duttapukur) কদম্বগাছি উলা মাঝেরপাড়া গ্রামে একটি জমির পাশে প্রচুর পরিমাণে  বোমা মজুদ করে রাখা হয়েছিল। আর সেই বোমা ফেটে এবার আবারও বোমা বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে তার জেরে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কম্পনের তীব্রতা অনুভব করেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি এদিন যে স্থানে বিস্ফোরণ হয় সেই স্থানে মাটি বহুদূর উড়ে যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ এই স্থানে এর আগেও বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ করেন, এই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে বোমা বাধার কাজ চলতো।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাতে বোমা বিস্ফোরণের আওয়াজ আমরা শুনতে পাই। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে বাড়িঘর পুরো কেঁপে ওঠে, এমনই অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। তারপরেই এলাকার লোকজন সবাই মিলে বেরিয়ে সেখানে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি, প্লাস্টিকের ড্রামে করে বোমা মাটির মধ্যে গর্ত করে রাখা ছিল। আর সেখানেই বিস্ফোরণ হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিনই প্রায় এখানে বোমা বাধার কাজ চলে। এলাকাবাসী আরও বলেন,  আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের উপরে আক্রমণ হয়। এলাকায় কিছু দুষ্কৃতী তারা প্রতিনিয়ত আমাদেরকে হুমকি দিতে থাকে। পুলিশের একাংশকে হাত করেই এখানে দুষ্কৃতীরা বোমা বাঁধার কাজ করত। পঞ্চায়েত নির্বাচনে আগে থেকে এসব চলত। দত্তপুকুরের (Duttapukur) ঘটনার পর কিছুদিন সব কিছু বন্ধ ছিল। ফের বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় পুলিশের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share