Tag: Madhyom

Madhyom

  • Suvendu Adhikari: ‘‘কালীঘাটের কাকু’র সহযোগীদের চিনে নিন’’! বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর, রয়েছে কাদের নাম?

    Suvendu Adhikari: ‘‘কালীঘাটের কাকু’র সহযোগীদের চিনে নিন’’! বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর, রয়েছে কাদের নাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে মঙ্গলবার রাতে ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে ইডি গ্রেফতার করে। তার পরই সুজয়কৃষ্ণর ‘সাহেব’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে ফের সরব হলেন শুভেন্দু অধিকারী। 

    ঠিক কি লিখেছেন শুভেন্দু?

    সুজয়কৃষ্ণ গ্রেফতার হতেই একটি ট্যুইট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেখানে তিনি লেখেন, ‘‘আইনের লম্বা হাত অবশেষে মাস্টারমাইন্ড পর্যন্ত পৌঁছল। কেউ রেহাই পাবে না। মাথারা ও প্রভাবশালীরাও জেলে যাবে। সময় ঘনিয়ে আসছে।’’ ওই ট্যুইটেই ‘কালীঘাটের কাকুর সহযোগীদের চিনে নিন’ বলে উল্লেখ করেন শুভেন্দু। তাতে ‘লিপস্ অ্যান্ড বাউন্ডস প্রাইভেট লিমিটেড’ (LEAPS & BOUNDS PRIVATE LIMITED) নামের একটি সংস্থার ডিরেক্টরদের তালিকা বলে একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করেন শুভেন্দু।

    তালিকায় রয়েছে কাদের নাম?

    শুভেন্দুর পেশ করা তালিকায় যাদের নাম দেখা যাচ্ছে, তাতে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’-র নাম সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে দেখা যাচ্ছে। এছাড়া, ওই তালিকা অনুযায়ী, সংস্থার ডিরেক্টর পদে রয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়, মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়, স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। রয়েছে বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য নামে আরেকজনের নাম।

    আরও পড়ুন: অভিষেককে ‘সাহেব’ বলে সম্বোধন করা ‘কালীঘাটের কাকু’র পরিচয় কী?

    গ্রেফতার ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র

    মঙ্গলবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ‘কালীঘাটের কাকু’র ভূমিকা জানতে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল ইডি। সকাল ১১টা নাগাদ তিনি সেখানে পৌঁছে যান। তারপর থেকেই সুজয়কৃষ্ণকে জেরা করতে থাকে কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা ধরে ম্যারাথন জেরার পর অবশেষে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। আজ, বুধবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। তাঁর হেফাজত চাইতে পারে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: অভিষেককে ‘সাহেব’ বলে সম্বোধন করা ‘কালীঘাটের কাকু’র পরিচয় কী?

    Kalighater Kaku: অভিষেককে ‘সাহেব’ বলে সম্বোধন করা ‘কালীঘাটের কাকু’র পরিচয় কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির টাকা কুন্তল ঘোষ পাঠাতেন ‘কালীঘাটের কাকু’কে! ধৃত কুন্তলের ডায়েরিতে পাওয়া এমনই নাম নিয়ে তৈরি হয় জল্পনা। কৌতূহল বাড়তে থাকে কালীঘাটের কাকুকে (Kalighater Kaku) নিয়ে! কে তিনি? কীই বা তাঁর পরিচয়? উত্তর মেলে নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত তাপস মণ্ডলের কাছে। তদন্তকারী সংস্থার গাড়িতে বসে হঠাৎই তিনি বলেন, ‘‘কালীঘাটের কাকু আসলে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র!’’ পরবর্তীতে ক্যামেরার সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাহেব বলে সম্বোধনও করেন কাকু। তাঁর (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) একটি সংস্থাও দেখভাল করেন বলে জানান সুজয়কৃষ্ণ।

    কালীঘাটের কাকুর (Kalighater Kaku) ঠিকুজি

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কালীঘাটের কাকুর সন্ধান পায় বেহালায়‌। বাড়ির নাম রাধারানি। একাধিকবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বাড়িতেও চালানো হয় তল্লাশি অভিযান। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের সঙ্গে যোগ মেলে তিন তিনটি সংস্থারও। সেই সংস্থার ডিরেক্টর এবং অ্যাকাউন্টেন্টদের ডেকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারী সংস্থা। ইডির দাবি, এই সংস্থাগুলি থেকেই নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকাকে সাদা করা হতো। মঙ্গলবার ইডি অফিসে ফের তলব করা হয় সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। টানা বারো ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি।

    বাড়ি বেহালায় কিন্তু কালীঘাটের কাকু (Kalighater Kaku) বলে তাঁকে কেন ডাকা হতো?

    নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃতরা সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে কালীঘাটের কাকু কেন বলতেন? তাঁর বাড়ি তো বেহালায়। সেক্ষেত্রে হওয়া উচিত ছিল বেহালার কাকু। এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। তবে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ইতিপূর্বে শোনা গিয়েছিল কালীঘাটের কাকুর মুখে। সংবাদমাধ্যমে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র দাবি করেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মালিক। অভিষেকের লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস নামে একটা জলের কারখানা রয়েছে সেটাই দেখাশোনা করেন তিনি। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এখন আর নাকি একদমই সময় দিতে পারেন না। ক্যামেরার সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাহেব বলেও সম্বোধন করেছিলেন কাকু (Kalighater Kaku)। পরে এও বলেন তিনি, ‘‘আমি কখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করিনি অথবা তার সঙ্গে দেখাও করিনি।’’ নিজেকে তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী বলেও দাবি করেছিলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র! কালীঘাটের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক রয়েছে। তাই এখন তদন্ত করে দেখছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

     

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku Arrested: নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র

    Kalighater Kaku Arrested: নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১২ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে গ্রেফতার (Kalighater kaku Arrested) করল ইডি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই কলকাতার ইডি দফতরে তাঁকে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছিলেন আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে সন্ধ্যার পর থেকেই খবর আসতে থাকে তদন্তে সহযোগিতা করছেন না কালীঘাটের কাকু। এবং তাঁর বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ছে। সকাল ১১টা থেকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে (Kalighater kaku Arrested)। রাত্রি এগারোটা নাগাদ তাঁকে গ্রেফতার করেন ইডি আধিকারিকরা। 

    কীভাবে উঠে এল সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের নাম?

    গত বছরের জুলাই মাসে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৫০ কোটি নগদ টাকা। এরপরেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে একের পর এক নাম উঠে আসতে থাকে। তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষের ডাইরিতে কালীঘাটের কাকু নামের উল্লেখ মেলে। পরবর্তীকালে গোপাল দলপতি এবং তাপস মন্ডল নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত এই দুইয়ের মুখ থেকে শোনা যায় কালীঘাটের কাকু আসলে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র (Kalighater kaku Arrested)। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের কোম্পানির ডিরেক্টর এবং অ্যাকাউন্টেটদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেই বয়ানের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার তলব করা হয় সুজয় কৃষ্ণকে। এর আগেও প্রায় ১৫ ঘণ্টা তল্লাশি চালানো হয়েছিল সুজয় কৃষ্ণের বাড়িতে।

    তিনটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত সুজয়কৃষ্ণ

    জানা গেছে তিনটি সংস্থার সঙ্গে জড়িত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। ইডির অভিযোগ এই সংস্থাগুলির সাহায্যেই কালো টাকাকে সাদা করা হতো। ইডি আধিকারিকরা মনে করছেন যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে যে বিপুল পরিমাণে টাকা উঠে আসতো সেই টাকাই এখানে সাদা করা হতো।

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে যথেচ্ছ গাছ কাটার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    TMC: রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে যথেচ্ছ গাছ কাটার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রী গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের (TMC) প্রধান। স্বামী এলাকার বেতাজ বাদশা। তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার কারও সাহস নেই। তাই, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে একের পর এক সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার চোঁয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসক দলের প্রধানের স্বামী ও স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর বিরুদ্ধে এই গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    হরিহরপাড়ার আমতলা রাজ্য সড়কের ধারে লাইন দিয়ে বড় বড় প্রচুর গাছ ছিল। গত কয়েকদিন ধরেই রাস্তার ধারে সেই গাছ কাটা চলছিল। রীতিমতো শ্রমিক লাগিয়ে এই গাছ কাটা হচ্ছিল। তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী দাঁড়িয়ে এই কাজ করায় কেউ গাছ কাটার প্রতিবাদ করার সাহস দেখাননি। ফলে, গত কয়েকদিনে ১৪ থেকে ১৫ টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এদিনও গাছ কাটা চলছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে অভিযোগ পেয়ে এদিন হরিহরপাড়ার বিডিও রাজা ভৌমিক সহ প্রশাসনের কর্তারা গজনীপুরে যান। তিনি গাছ কাটার কাজ বন্ধ করে দেন। শ্রমিকদের বক্তব্য, বন দফতরের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না জানি না। তবে, প্রধানের নির্দেশে আমরা গাছ কাটতে এসেছিলাম। যদিও এই ঘটনার পর অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ব্লক প্রশাসনের কর্তারা।

    গাছ কাটা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    প্রাক্তন বিধায়ক তথা সিপিএম নেতা ইনসার আলি বিশ্বাস বলেন, তৃণমূল (TMC) কোনও আইন মানে না। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। যারা গাছ কেটেছে তাদের গ্রেফতার করতে হবে। প্রধান বা প্রধানের স্বামী বলে কেউ যেন ছাড়া না পায়। প্রয়োজনে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি জাহাঙ্গির শা বলেন, তৃণমূল মানে একটি চোরের দল। বিধায়ক গোটা বিধানসভার সব গাছ কেটে সাফ করে দিচ্ছে। আর এই প্রধান তার নিজের এলাকার সব গাছ কেটে ফেলছে। আমরা এই ঘটনার কঠোরতম শাস্তি চাই। তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি হাতাদউদ্দিন শেখ বলেন, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। দল এসব বেআইনি কাজে পাশে নেই। আইন মেনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে আমি আবেদন জানাব। দলের পঞ্চায়েত প্রধান বলে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

    কী বললেন অভিযুক্ত প্রধানের স্বামী?

    তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী রাকিবুল হক বলেন, কয়েকদিন আগে ঝড়ে ডাল ভেঙে পড়ায় রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছিল। তাই, বিডিওর কাছে আবেদনপত্র জমা দিয়ে আমরা গাছ কাটার কাজ শুরু করেছি। মূলত রাস্তার ধারে কয়েকটি গাছ কেটেছি। বড় গাছ কাটা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: তৃণমূলের চেয়ারম্যানকে দলের মিটিংয়ে ডেকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ

    Malda: তৃণমূলের চেয়ারম্যানকে দলের মিটিংয়ে ডেকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় (Malda) তৃণমূলের চেয়ারম্যানকে দলের মিটিংয়ে ডেকে এনে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল। অভিযোগ তৃণমূলেরই সম্পাদক, অঞ্চল সভাপতি, পঞ্চায়েত সদস্য সহ অন্যান্য নেতাদের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের এই গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তেজনা মালদার হবিবপুরের ঋষিপুরে।

    মালদায় (Malda) কেন খুনের চেষ্টা?

    ঋষিপুর অঞ্চলের দলের চেয়ারম্যান (Malda) শিবানন্দ শর্মাকে দলের মিটিং-এর জন্য কানতুর্কা গ্রামে ডাকা হয়। সেখানে রাতেই যান তৃণমূলের চেয়ারম্যান শিবানন্দ। কানতুর্কার মিটিং-এ শিবানন্দ এবং অঞ্চল সভাপতির মধ্যে বাদানুবাদ হয় বলেই শোনা যায়। এরপর মিটিং থেকে ফেরার সময় তিনি নাকি বাইক দুর্ঘটনার শিকার হন। এই ঘটনার পরই ঘটনাস্থলে শিবানন্দের ভাই ছুটে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মালদা মেডিক্যালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় ঋষিপুর অঞ্চলের সম্পাদক, সভাপতি, পঞ্চায়েত সদস্য সহ চার তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ করেছে শিবানন্দর পরিবার। হবিবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই চেয়ারম্যান ও অঞ্চল সভাপতির সঙ্গে দলীয় বিবাদ চলছিল।

    শিবানন্দের ভাইয়ের আশঙ্কা খুনের প্রচেষ্টা হয়েছে

    শিবানন্দের ভাই রমানন্দ শর্মা বলেন, দাদা মিটিং (Malda) থেকে আসার সময় বাইক দুর্ঘটনার কথা বলা হলেও যে বাইকে করে আসছিলেন, সেই বাইকের কোনও ক্ষতি হয়নি। তপন মজুমদার, দিলীপ সিংহ, নিমাই বর্মন, সৌগত সরকারের মতো তৃণমূল নেতারাও সঙ্গে ছিল। কিন্তু কারও ক্ষতি হয়নি। কেবলমাত্র যে পিছনে বসেছিল, সেই দিলীপ সিংহের হাতে সামান্য লেগেছে। আশপাশে কারও কিছু না হওয়ার ফলে আমার মনে হয়, দাদার কি দুর্ঘটনা ঘটেছে, না খুনের চেষ্টা? দাদা রাজনীতি করতে গিয়ে কিছু হয়ে গেলে তাঁর ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের কী হবে? আমি চাই দাদা সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরুক।

    পরিবারের মাসির বক্তব্য গোষ্ঠী কোন্দল

    শিবানন্দের মাসি পুতুল চক্রবর্তী বলেন, ঘটনার দিন শিবাকে বাড়ি (Malda) থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। শিবানন্দ নিজে তৃণমূল দল করে। এই রাজ্যে মা মাটির সরকারের আমলে রাজনীতি করতে গিয়ে কি প্রাণ বিসর্জন দিতে হবে? তিনি আরও বলেন, কেউ কেউ বলছেন পড়ে গেছে, আবার কেউ বলছেন দুর্ঘটনা হয়েছে। বুঝতেই পারছি না! আর তাই আমার সন্দেহ হচ্ছে! তিনি আরও বলেন, মনে হয় ওকে নেশা করিয়ে পিছন থেকে কিছু একটা দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তৃণমূল দলের লোকেরাই এই কাজ করিয়েছে। এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেরই ফল বলে মনে করছেন পুতুল চক্রবর্তী। থানায় এই নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Municipal Recruitment Scam: পুর নিয়োগ-দুর্নীতিতেও সিবিআই তদন্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য

    Municipal Recruitment Scam: পুর নিয়োগ-দুর্নীতিতেও সিবিআই তদন্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরসভার নিয়োগ-দুর্নীতি (Municipal Recruitment Scam) সংক্রান্ত মামলাতেও সিবিআই তদন্তের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল রাজ্য। উল্লেখ্য, এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এজলাশ বদল হলেও সেই নির্দেশই বহাল রাখেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টেরই অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু তাতে কোনও সুবিধা হয়নি। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু এবং বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এখনই তদন্তে (Municipal Recruitment Scam) কোনওরকম হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয় ৬ জুন। একই সঙ্গে ইডি-কেও তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সূত্রের খবর, তারই জেরে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর এবং মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছে ওই তদন্তকারী সংস্থা। গত ৮ বছরে রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় কী পদ্ধতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, কতজনের চাকরি হয়েছে, এই ধরনের বিভিন্ন তথ্য জানতে চেয়েছে ইডি।

    আগেও মামলা (Municipal Recruitment Scam) ফেরত পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট

    স্কুলের নিয়োগে যে বিরাট দুর্নীতি হয়েছে, তা নিয়ে তোলপাড় চলছে গোটা রাজ্যে। ওই তদন্ত চলাকালীনই ধরা পড়ে, পুরসভার নিয়োগেও মারাত্মক রকমের দুর্নীতি (Municipal Recruitment Scam) হয়েছে। বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ হুগলির প্রোমোটার অয়ন শীলের অফিসে তল্লাশিতে উদ্ধার হয় এই সংক্রান্ত বহু নথি, হার্ডডিস্ক। গত ২১ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (Municipal Recruitment Scam) তদন্ত করতে পারবে সিবিআই। প্রয়োজনে তারা নতুন করে এফআইআর দায়ের করতে পারবে বলেও হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়। এমনকী সিবিআইকে প্রয়োজনে যাবতীয় সাহায্য করার জন্যও রাজ্যের মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজিকে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য গেলেও কিছুই সুবিধা হয়নি। মামলা কলকাতা হাইকোর্টেই ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

    কোথায় কোথায় দুর্নীতি!

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মজদুর, সুইপার, ক্লার্ক, পিওন, অ্যাম্বুলেন্স অ্যাটেন্ড্যান্ট, অ্যাসিস্ট্যান্ট মিস্ত্রি, পাম্প অপারেটর, হেল্পার, স্যানিটারি অ্যাসিস্ট্যান্ট, ড্রাইভার-সহ বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে (Municipal Recruitment Scam) টাকা-পয়সার লেনদেন হয়েছিল। রাজ্যে শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার করা হয়েছে হুগলির প্রোমোটার অয়ন শীলকে। অয়নের সল্টলেকের অফিসে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করেছিল ইডি। ওই অফিস থেকে পুরসভার বিভিন্ন পদে চাকরিপ্রার্থীদের ওএমআর শিট (উত্তরপত্র) পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন তদন্তকারীরা। ইডি মনে করছে, অয়নের সংস্থা যে সব উত্তরপত্রের মূল্যায়ন করেছে, সে সব ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়ে থাকতে পারে। পুর নিয়োগের জন্য চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে অয়ন ৩৫-৪০ কোটি টাকা তুলেছেন বলে ইডি সূত্রে খবর। কাঁচরাপাড়া, টাকি, দক্ষিণ দমদম, হালিশহর, বরানগর-সহ বহু পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতিতে অয়ন জড়িত ছিলেন বলে দাবি ইডির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: মণিপুরে আর্থিক সাহায্য কেন্দ্র-রাজ্যের! মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ, একজনকে চাকরি

    Manipur Violence: মণিপুরে আর্থিক সাহায্য কেন্দ্র-রাজ্যের! মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ, একজনকে চাকরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসা বিধ্বস্ত মণিপুরে (Manipur Violence) শান্তি ফেরানোর উদ্যোগ। এই মর্মে যৌথভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করল কেন্দ্র ও মণিপুর সরকার। ঘোষণা অনুযায়ী, মৃতদের পরিবারকে এককালীন ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি পরিবারের ১ জনের জন্য চাকরির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে সরকার।

    পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মণিপুরে অমিত শাহ

    জাতিগত হিংসায় প্রায় এক মাস ধরে উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur Violence)। এখনও পর্যন্ত এই হিংসায় প্রাণ হারিয়েছেন ৮০ জন। আহত বহু। ঘরছাড়া শতাধিক। এই পরিস্থিতিতেই চারদিনের সফরে মণিপুর গিয়েছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয়কুমার ভাল্লা এবং আইবির ডিরেক্টর তপনকুমার ডেকা। সোমবার রাতে ইম্ফলে পা রেখেই পর পর বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এক এক করে মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিং, মণিপুরের মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, নিরাপত্তা আধিকারিক এবং রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত শাহ। বৈঠক করেন রাজ্যপালের সঙ্গেও। 

    আরও পড়ুন: শান্তির লক্ষ্যে! অগ্নিগর্ভ মণিপুরে পৌঁছেই পর পর বৈঠক অমিত শাহের

    কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে?

    অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, মণিপুরে দ্রুত শান্তি (Manipur Violence) এবং স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা হবে। এই জন্য যা যা করণীয় তা করা হবে। এর পরই, এই প্যাকেজের সিদ্ধান্ত করা হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে রাজ্যের তরফে, বাকি ৫ লাখ টাকা দেবে কেন্দ্র। একই সঙ্গে সংঘর্ষে মৃতদের পরিবারের একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে বলে ঠিক করা হয়েছে। 

    পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের জন্য চাল, ডাল, রান্নার গ্যাসের মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রীও মজুত রাখার নির্দেশ সরকারকে দিয়েছেন অমিত শাহ। শাহের বৈঠকে এ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঠিক হয়েছে, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পেট্রল, রান্নার গ্যাস, চাল এবং অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের জোগান বৃদ্ধি করা হবে। যাতে অভাবজনিত মূল্যবৃদ্ধির পরিস্থিতি ঠেকানো যায় (Manipur Violence)।

  • IPL: আইপিএলে বড়সড় বেটিং চক্রের হদিশ, গ্রেফতার ৩, স্কুটির ডিকি থেকে উদ্ধার প্রায় ৪ লক্ষ টাকা

    IPL: আইপিএলে বড়সড় বেটিং চক্রের হদিশ, গ্রেফতার ৩, স্কুটির ডিকি থেকে উদ্ধার প্রায় ৪ লক্ষ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের (IPL) বেটিংয়ে বড়সড় চক্রের হদিশ মিলল। আর এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেফতার করল বারাকপুরের নোয়াপাড়া থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম রোহিত সাউ, টি তারকেশ্বর রাও এবং রীতেশ সিং। রোহিতের বাড়ি খড়দার পিকে বিশ্বাস রোডে। তারকেশ্বরের বাড়ি টিটাগড়ের বাঁশ বাগান এলাকায়। আর রীতেশের বাড়ি টিটাগড়ের আরপি গুপ্তা পথ এলাকায়। ধৃতদের কাছে থেকে ৩ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যদিনের মতো সোমবার রাতে ঘোষপাড়া রোডে পুলিশ নাকা চেকিং করছিল। রাত আড়াইটে নাগাদ স্কুটিতে করে তিনজন বারাকপুরের দিক থেকে জগদ্দলের দিকে যাচ্ছিল। নোয়াপাড়া থানার পিনকল মোড়ে পুলিশ তাদের বাইক আটকায়। পুলিশি জেরায় সন্দেহ হওয়ায় তাদের স্কুটিতে তল্লাশি চালানো হয়। স্কুটির ডিকির ভিতর থেকে ৩ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। জেরায় ধৃতরা জানায় আইপিএলে (IPL) বেটিংয়ের টাকা। যারা বেটিং জিতেছে তাদের কাছে টাকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য তারা জগদ্দল যাচ্ছিল। এর আগেও তারা সোদপুর, খড়দা এলাকার চার-পাঁচটি জায়গায় টাকা পৌঁছে দিয়ে এসেছে। জগদ্দল যাওয়ার পথেই তারা ধরা পড়ে যায়।

    কী বললেন পুলিশ কমিশনারেটের এক কর্তা?

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, ধৃতদের চারদিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আইপিএলের (IPL) বেটিং কারবার চালানোর জন্য কোথায় অফিস ছিল, কারা কারা এর পিছনে রয়েছে সবকিছু তদন্ত করে দেখা হবে। সোদপুর, খড়দায় কাদের কাছে টাকা পৌঁছানো হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। আর জগদ্দলে যে ব্যক্তির কাছে টাকা পৌঁছানোর কথা ছিল তার খোঁজে আমরা তল্লাশি শুরু করেছি। এর পিছনে বিপুল পরিমাণ টাকার খেলা রয়েছে। বারাকপুর মহকুমার খড়দা, সোদপুর, জগদ্দলে যোগের আমরা হদিশ পেয়েছি। আর কোন কোন এলাকায় এই বেটিং চক্র ছড়িয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: আবার চাঁদের দেশে! চন্দ্রযান ৩ উৎক্ষেপণের তারিখ ঘোষণা ইসরোর

    Chandrayaan 3: আবার চাঁদের দেশে! চন্দ্রযান ৩ উৎক্ষেপণের তারিখ ঘোষণা ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার চাঁদের দেশে পাড়ি দিতে চলেছে ভারত। আর বড়জোর মাস দেড়েক। তার পরেই চন্দ্রযান ৩-কে (Chandrayaan 3) সঙ্গে নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর দৈত্যকায় জিএসএলভি রকেট। উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে ইসরোর তরফে।

    সোমবার, সফল এনভিএস-০১ নেভিগেশন উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণের পরই ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ চন্দ্রযান ৩-এর (Chandrayaan 3) বিষয়ে খোলসা করেন। তিনি বলেন, “সব ঠিকঠাক চললে ১২ জুলাই চাঁদের দিকে রওনা হবে চন্দ্রযান ৩। আমি এই অভিযানের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।” এই অভিযানের জন্য সরচেয়ে ভারি জিএসএলভি মার্ক-৩ রকেট (অধুনা লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩ বা সংক্ষেপে এলভিএম-৩) ব্যবহার করতে চলেছে ইসরো। ইসরোর এক কর্তা জানান, ইতিমধ্যেই চন্দ্রযান ৩ এসে পৌঁছেছে শ্রীহরিকোটায়। চূড়ান্ত অ্যাসেম্বলি পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যা চলছে। 

    আরও পড়ুন: ইসরোর মুকুটে নয়া পালক! মহাকাশে প্রতিস্থাপিত এনএভিএস-০১ উপগ্রহ, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    চন্দ্রযান ২-এর সময় যা ঘটেছিল

    এর আগে, ২০১৯ সালে চাঁদের বুকে অবতরণের চেষ্টা চালিয়েছিল ইসরো। সেটিই ছিল চাঁদের মাটি ছোঁয়ার ক্ষেত্রে ভারতের প্রথম প্রয়াস। চন্দ্রযান ২-কে নিয়ে পাড়ি দিয়েছিল জিএসএলভি রকেট। তাতে ছিল একটি ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ ও একটি রোভার ‘প্রজ্ঞান’। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের কথা ছিল চন্দ্রযান ২-এর। মূলত, চাঁদে জলের অস্তিত্বর প্রমাণের খোঁজ করা এবং পৃথিবীর উপগ্রহের মাটি ও তার তলায় থাকা খনিজের সন্ধান করাই ছিল প্রজ্ঞানের লক্ষ্য।

    কিন্ত, অবতরণের ঠিক আগে মিশন কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় চন্দ্রযান ২-এর। যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে নির্দিষ্ট কক্ষপথ ও অবতরণ স্থল থেকে বিচ্যুত হয়ে গিয়ে অবশেষে চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ে (বিজ্ঞানের পরিভাষায় হার্ড ল্যান্ডিং) চন্দ্রযান ২। সেই সময় ইসরো স্পেস সেন্টারে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মিশন ব্যর্থ হওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন ইসরোর তৎকালীন প্রধান কে শিবন।

    চন্দ্রযান ৩ নিয়ে সতর্ক ইসরো

    চার বছর আগের সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে নারাজ ইসরো। তা থেকে শিক্ষা নিয়ে অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে চন্দ্রযান ৩-এ (Chandrayaan 3)। যেমন প্রথমেই অবতরণের স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। পাশাপাশি, ল্যান্ডার ও রোভার নামানোর ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। চন্দ্রযান ৩ অভিযানের মাধ্যমে চাঁদের ভৌত বৈশিষ্ট্য, ভূকম্পন, চন্দ্র পৃষ্ঠের প্লাজমা পরিবেশ এবং চাঁদে অবতরণ স্থানের আশেপাশে মৌলিক গঠন নিয়ে গবেষণায় বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি বহন করে নিয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ৬ ঘণ্টা পার! এখনও ‘কালীঘাটের কাকু’-কে জেরা করে চলেছে ইডি

    Recruitment Scam: ৬ ঘণ্টা পার! এখনও ‘কালীঘাটের কাকু’-কে জেরা করে চলেছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) আজ, মঙ্গলবার ‘কালীঘাটের কাকু’ (Kalighater Kaku) ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে তলব করেছে ইডি (ED)। এদিন সকাল ১১টায় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে (যেখানে ইডির দফতর রয়েছে) হাজিরা দেন সুজয়। এই প্রথম বার ইডি দফতরে গেলেন তিনি। জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে কি ভয় পাচ্ছেন সুজয়? সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘আত্মবিশ্বাসী কি না বেরোনোর সময় দেখবেন।’’

    কেন তলব?

    নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত তাপস মণ্ডলের মুখে প্রথম উঠে আসে কালীঘাটের কাকুর নাম। কে এই কালীঘাটের কাকু, সেই নিয়ে চর্চা হয় বিস্তর। জানা যায়, তাঁর আসল নাম সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। তাপস দাবি করেন, কুন্তল ঘোষ ও সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের যোগসাজশ রয়েছে। এমনকী টাকা লেনদেনের ব্যাপারে সবই জানতেন সুজয়। যদিও কুন্তল দাবি করেছিলেন, তিনি সুজয়কৃষ্ণকে চেনেন না। একাধিবার সুজয়কে জেরা করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দিন কয়েক আগেই নিজামে সুজয়কে ডেকে পাঠিয়েছিল সিবিআই।

    আরও পড়ুন: পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি! ফিরহাদ হাকিমের দফতরকে চিঠি ইডি-র

    গত ২০ মে ‘কালীঘাটের কাকু’র বেহালার বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন ইডি কর্তারা। সকাল ছ’টা নাগাদ কার্যত তাঁর বাড়ি গিয়ে সুজয়কে ঘুম থেকে তুলে তল্লাশি অভিযান ও জেরা শুরু করেন ইডি অফিসাররা। টানা ১৫ ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে সুজয়ের একটি মোবাইল ও কিছু নথি নিয়ে যান গোয়েন্দারা। মনে করা হচ্ছে, সেইসব সূত্র ধরেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুজয়কে সিজিও কমপ্লেক্সে ডাকা হয়েছে। সুজয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি দেখে অনেকগুলি লেনদেন সন্দেহজনক লেগেছে তদন্তকারীদের। তারপর নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর নাম জড়িয়েছে। সেটা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান অফিসাররা। কুন্তল–তাপসকে কেমন করে চিনতেন সেটা জানতে চাইতেই এই তলব। তাঁদের সঙ্গে টাকার লেনদেন হয়েছিল বলে খবর রয়েছে অফিসারদের কাছে। এমনকী এক প্রভাবশালী আমলার সঙ্গে তাঁর যোগ ছিল বলে তথ্য পেয়েছেন তাঁরা। এইসব নিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান ইডি অফিসাররা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share