Tag: Madhyom

Madhyom

  • Narendra Modi: জি৭-এ মুখোমুখি মোদি-ঋষি! কথা শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সমেত একাধিক ইস্যুতে

    Narendra Modi: জি৭-এ মুখোমুখি মোদি-ঋষি! কথা শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সমেত একাধিক ইস্যুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপানের হিরোশিমাতে বসেছিল জি৭ সম্মেলন। চলতি মাসের ১৯ তারিখ সেখানে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। রবিবার তাঁর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের। জানা গেছে, ভারতে অনুষ্ঠিত জি২০ সম্মেলনে সেপ্টেম্বরে ঋষিকে এদেশে আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, রবিবারই শেষ হয়েছে সম্মেলন, এরপরেই প্রধানমন্ত্রী রওনা হন পাপুয়া-নিউগিনির উদ্দেশে। সোমবার তাঁর অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার কথা রয়েছে।

    কী কী আলোচনা হয় দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে?

    ঋষি সুনকের সঙ্গে এদিনের বৈঠকের পরেই ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেখানে তিনি লেখেন, ‘‘আমরা আলোচনা করেছি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, উদ্ভাবনী এবং বিজ্ঞান সমেত অন্যান্য ক্ষেত্রে আদানপ্রদান কীভাবে বাড়ানো যায় তা নিয়ে। বৈঠক সফল।’’

    প্রসঙ্গত ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকেও যে ট্যুইট করা হয়েছে তাতে বলা হয়, ‘‘ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, উচ্চশিক্ষা সমেত একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক গভীর করে তুলতে ভারত এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে কথা হয়েছে।’’ সূত্রের খবর, দুই রাষ্ট্র প্রধানের মধ্যে কথা হয়েছে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য নিয়েও।

    ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য হলে কী সুবিধা?

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন ভারত এবং ব্রিটেনের মধ্যে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য চালু হলে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যেমন দুই দেশেরই জিডিপি বাড়বে, তেমনি ব্যাপক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও তৈরি হবে। বাণিজ্য শুল্কমুক্ত হলে এক দেশের উৎপাদিত পণ্য অন্য দেশে কম দামেই মিলবে। অর্থনীতিবিদরা আরও মনে করছেন যে দুই দেশের মধ্যে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য শুরু হলে ভারতের দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য বিক্রির একটি মার্কেট পাওয়া যাবে ব্রিটেনে। এতে দেশের ছোট বড় উদ্যোগপতিরা খুবই লাভবান হবেন বলে মনে করছেন, অর্থনীতিবিদদের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মোদি সরকারের ৯ বর্ষ পূর্তি, বাংলায় ১০০ জনসভা করবে বিজেপি

    BJP: মোদি সরকারের ৯ বর্ষ পূর্তি, বাংলায় ১০০ জনসভা করবে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছিলেন বিজেপির (BJP) নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২৬ মে শপথ নিয়েছিলেন তিনি। সেই হিসেবে এবার প্রধানমন্ত্রী পদে ৯ বছর পূর্তি হচ্ছে তাঁর। এই উপলক্ষে দেশজুড়ে এক মাস ব্যাপী ব্যাপক প্রচারাভিযান শুরু করতে চলেছে বিজেপি। প্রথম সভাটি হবে ৩০ মে। ওই জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ ছাড়াও আরও ৫১টি সভা করবেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। দেশের পাশাপাশি বাংলায়ও প্রধানমন্ত্রী পদে মোদির ৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ প্রচারাভিযানে নামতে চলেছে পদ্ম শিবির। এই প্রচারাভাযানে মূলত তুলে ধরা হবে মোদি সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের কথা। তুলে ধরা হবে মোদি সরকারের সাফল্যের কথাও।

    বিজেপি (BJP) শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ

    বিজেপি (BJP) সূত্রে খবর, মোদি সরকারের এই ৯ বছর পূর্তিতে এ রাজ্যে কমপক্ষে ১০০টি জনসভা করবে গেরুয়া শিবির। এই সব জনসভায় নেতাদের পাশাপাশি এলাকার প্রভাবশালীদের হাজির করা হবে। আয়োজন করা হবে চা চক্র এবং নৈশভোজেরও। জনসভাগুলিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সাংসদ এবং দলীয় বিধায়কদেরও উপস্থিত থাকতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। শীর্ষ নেতৃত্বের জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে জনসভাগুলির ব্যাপক প্রচার করতে হবে। তুলে ধরতে হবে মোদি সরকারের সাফল্যের সাতকাহনও। কর্মসূচি শুরু হবে ৩০ মে। শেষ হবে জুনের ৩০ তারিখে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বাংলায় মণ্ডলস্তরে ১০০টি জনসভা করতে হবে। সব লোকসভা কেন্দ্রে একত্রিত করতে হবে বুদ্ধিজীবীদের।

    জনসংযোগ বাড়ানোর নির্দেশ

    সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি, দেশের বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ, শিল্পী, শিল্পপতি এবং যুদ্ধের নায়কদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলতে হবে। জনসংযোগ বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে। নির্দেশিকায় (BJP) বলা হয়েছে, জনগণের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রে অন্তত ২৫০টি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলতে হবে। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে ২৯ মে সাংবাদিক সম্মেলন করবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। উপস্থিত থাকবেন দলের বর্ষীয়ান নেতারাও।

    আরও পড়ুুন: “মুখ্যমন্ত্রী, পোড়া লাশের গন্ধ পাচ্ছেন?” বজবজ-বিস্ফোরণের পর বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর

    বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ৩০ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মোদি সরকারের সাফল্যের প্রচার অভিযান চলবে। বিশেষভাবে পালন করা হবে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বলিদান দিবস। তিনি বলেন, লোকসভাভিত্তিক সভার কথা বলা হলেও, মণ্ডলভিত্তিক সভায় জোর দিচ্ছি আমরা। বিধানসভাওয়াড়ি সব মোর্চাকে একত্রিত করে সংযুক্ত মোর্চার সম্মেলন করা হবে। সর্বশক্তি দিয়ে এই প্রচারে নামতে হবে আমাদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Health: “এভাবে চলতে পারে না”! হাসপাতাল নিয়ে মদনের মতোই বেজায় চটেছেন শতাব্দী রায়

    West Bengal Health: “এভাবে চলতে পারে না”! হাসপাতাল নিয়ে মদনের মতোই বেজায় চটেছেন শতাব্দী রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মদন মিত্রের সুরে এবার হাসপাতালে (West Bengal Health) দালাল চক্রের অভিযোগ তুললেন দলেরই দুই সাংসদ এবং বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার। এনিয়ে সতর্ক করা হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককেও। সিসিটিভি দেখে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা। মাস দুয়েকের মধ্যে এনিয়ে ফের পর্যালোচনা বৈঠকে জবাব দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন শতাব্দী রায়? কেনই বা বললেন? 

    প্রসঙ্গত, ধীরে ধীরে নতুন পালক লেগেছে রামপুরহাট হাসপাতালের (West Bengal Health) মাথায়। এক সময়ের রামপুরহাট মহকুমা হাসপাতাল সুপার স্পেশালিটি থেকে স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতাল হয়ে এখন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে উন্নীত হয়েছে। কিন্তু পরিষেবা সেই তলানিতে। আজও রোগীদের বদলি করা হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কিংবা স্থানীয় কোনও নার্সিং হোমে। অভিযোগ, এক শ্রেণির দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন রোগীর আত্মীয়রা। এনিয়ে একাধিক অভিযোগ পেয়েছেন সাংসদ থেকে বিধায়ক। সেই সমস্ত পাহাড় প্রমাণ অভিযোগ নিয়ে রবিবার রামপুরহাটের নিশ্চিন্তপুরে তারাবিতান গেস্ট হাউসের সভাকক্ষে বৈঠকে বসেন বীরভূম এবং বোলপুরের সাংসদ শতাব্দী রায়, অসিত মাল, ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলা শাসক বিধান রায় সহ স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। সেখানেই দালাল রাজ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। শতাব্দী রায় অভিযোগ করেন, একজন রোগীর জন্য তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কয়েকবার ফোন করেছিলেন। কিন্তু কোনও সদুত্তর পাননি। বাধ্য হয়ে রোগীকে নার্সিং হোমে ভর্তি করতে হয়। তিনি বলেন, “আমরা জনপ্রতিনিধি হয়ে যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কীভাবে পরিষেবা পাবে। এভাবে চলতে পারে না। আরও কিছু অভিযোগ রয়েছে। এনিয়ে আলোচনা হয়েছে।”

    কী বললেন তৃণমূলের আর এক সাংসদ অসিত মাল?

    সাংসদ অসিত মাল বলেন, “হাসপাতালের কিছু চিকিৎসকের সঙ্গে অসাধু কর্মী এবং দালাল চক্র রোগীদের নার্সিংহোমে যেতে বাধ্য করে। হাসপাতালে (West Bengal Health) উন্নত পরিষেবা থাকা সত্ত্বেও বাইরে থেকে এক্স রে, ইউএসজি সহ বিভিন্ন পরীক্ষা করতে বাধ্য করছে দালাল চক্র। এছাড়া রোগীদের সঙ্গে নার্সিং স্টাফদের দুর্ব্যবহার বন্ধ হওয়া দরকার। দুপুরে ভর্তি হওয়া রোগীকে একদিন পর কেন চিকিৎসক দেখবেন?” এছাড়াও জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র দ্রুত দেওয়ার দাবি জানান অসিতবাবু। এতদিন হাসপাতালের সামনে জল জমা নিয়ে সরব হয়েছিলেন রোগীর আত্মীয়রা। এবার এনিয়ে অভিযোগ তুললেন খোদ সাংসদ অসিত মাল। তিনি বলেন, “অবিলম্বে হাসপাতালের সামনে জল জমা বন্ধ করতে হবে”।

    নজর দেওয়ার চেষ্টা হবে, মিলল শুধু আশ্বাস

    দালাল চক্রের কথা মেনে নেন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী অনেক উন্নয়ন করেছেন। কিছু ত্রুটি রয়েছে। তা সংশোধনের চেষ্টা চলছে”। জেলা শাসক বিধান রায় বলেন, “কিছু অভিযোগ (West Bengal Health) উঠেছে। সেগুলি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। আগামী দিনে যাতে কোনও ত্রুটি না থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের বলা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Martial Art: ক্যারাটের দশটি প্যাঁচ শিখে উজ্জ্বল ক্লাস টু-এর বর্ণালী

    Martial Art: ক্যারাটের দশটি প্যাঁচ শিখে উজ্জ্বল ক্লাস টু-এর বর্ণালী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ছয়। আর এই বয়সেই ক্যারাটেতে ‘ব্ল্যাক বেল্ট’! চুঁচুড়া সেন্ট থমাস চার্চ স্কুলের ক্লাস টু-এর ছাত্রী বর্ণালী চন্দ। ক্যারাটের (Martial Art) যে প্যাঁচ, তাকে বলা হয় কাতা। মাত্র ছয় বছর বয়সেই বর্ণালী দশটি কাতা শিখে ফেলে দেশের মধ্যে ক্ষুদে ব্ল্যাক বেল্টের অধিকারী হয়েছে। পরিবার তো বটেই, তার এই অসামান্য সাফল্যে খুশি এলাকার মানুষজনও। স্বাভাবিকভাবেই সকলে চাইছেন, এই বিরল প্রতিভা যেন নষ্ট হয়ে না যায়।

    মাত্র ৩ বছর বয়সে প্রশিক্ষণ (Martial Art) শুরু

    চুঁচুড়ার কারবালা মোড় শুভপল্লি এলাকার বাসিন্দা সুজয় চন্দ এক সময় শৈশবকালে নিজেও ক্যারাটে শিখতেন। কিন্তু সাংসারিক চাপে বেশি দূর এগতে পারেননি। বর্তমানে ছোটখাট ব্যবসা করে মোটামুটি স্বচ্ছল তিনি। তাঁর দুই কন্যাসন্তান। বড়টি বর্ণালী, আর তার এক বছরের বোন রিতমা। নিজের যে সুপ্ত ইচ্ছা, সেটা মেয়ের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে চান তিনি। তাই খুব ছোট অবস্থাতেই মেয়েকে ক্যারাটে (Martial Art) ক্লাসে ভর্তি করে দেন। বাবার হাত ধরে মাত্র তিন বছর বয়স থেকে ক্যারাটের প্রশিক্ষণ শুরু হয় বর্ণালীর, চন্দননগরের ক্যারাটে প্রশিক্ষক অমিতাভ ঘোষের কাছে। ফলে তাঁর ইচ্ছা খুব শীঘ্রই বাস্তবায়িত হয়েছে দেখে খুশি বাবাও।

    পুরস্কারের তালিকা দীর্ঘ

    সুজয়বাবু বলেন, করোনার সময় স্কুল ছুটি। তাছাড়াও সব কিছু বন্ধ থাকায় সুবিধা হয়েছে মেয়ের। ওর ইচ্ছা দেখে প্রতিদিন দুবেলা প্রশিক্ষণ (Martial Art) দিতে নিয়ে গেছি প্রিয়নগর মাঠে। একা একাই শিক্ষকের কাছে শিখত। ফলে অনেকটা বেশি সময় ধরে শিখতে পেরেছে। ইতিমধ্যেই ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস, ইন্টারন্যাশনাল কালামস গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড, ইন্টারন্যাশনাল বুক অফ রেকর্ডস, ওএমজি রেকর্ডস, আমেরিকা রেকর্ডস থেকে স্বীকৃতি মিলেছে বর্ণালীর। লিমকা বুক অফ রেকর্ডস এবং গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর জন্য আবেদন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Health: এসএসকেএমে মদন মিত্রের ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা! 

    West Bengal Health: এসএসকেএমে মদন মিত্রের ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে রোগী যাবেন। চিকিৎসক প্রয়োজন বুঝে ভর্তি করাবেন। চলবে চিকিৎসা। এই সহজ স্বাভাবিক নিয়ম আর চলে না। রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলে দরকার শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীদের সুপারিশ। ক্ষমতার লম্বা হাত না থাকলে পাওয়া যাবে না সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা (West Bengal Health)। সম্প্রতি এসএসকেএম হাসপাতালে রোগী ভর্তিকে কেন্দ্র করে মদন মিত্র-বিতর্ক অন্তত সেটাই স্পষ্ট করে দিল।

    কী কারণে বিতর্ক? 

    সম্প্রতি পথ দুর্ঘটনায় জখম এক যুবককে এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ারে ভর্তি করাতে গিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। কিন্তু সেই রোগীকে ভর্তি করানো যায়নি। এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মদন মিত্র। শনিবার থেকে তিনি বারবার বলতে থাকেন, ‘সে নো টু পিজি’! মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ না করলে পিজি-র পরিষেবা কেউ নেবেন না। এমনকী তিনি মুখ্যমন্ত্রীর চক্ষুশূল, একথাও বলেন। পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করেন এসএসকেএম হাসপাতালের অধিকর্তা মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, হাসপাতাল চত্বরে কোনও গণ্ডগোল বরদাস্ত করা হবে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মদন মিত্রের বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় অভিযোগও দায়ের করে। রবিবার রাতে অবশ্য অনেকটাই অবস্থান বদল করে মদন মিত্র বলেন, ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এসএসকেএম-এর পরিষেবা ভালো। চাপ অনেক। কিন্তু এই পুরো ঘটনায় একটা প্রশ্নই সবচেয়ে জোরালো হচ্ছে, মাথার উপরে শাসকদলের হাত না থাকলে কি স্বাস্থ্য পরিষেবা (West Bengal Health) পাওয়া যাবে না?

    কী বলছেন ভুক্তভোগীরা? 

    এসএসকেএম হাসপাতালে আউটডোরে চিকিৎসক দেখাতে লাইন দিতে হয় ভোরবেলা থেকে। রাত থেকেই রোগী ও পরিজনেরা ভিড় জমান। সকাল দশটায় চিকিৎসক দেখাতে হলে, ভোর তিনটেয় এসে বসে থাকতে হয়। রোগীদের পরিজনেরা জানাচ্ছেন, অস্ত্রোপচারের দিন পেতে অপেক্ষা করতে হয় দিনের পর দিন। বিশেষত, কার্ডিওলজি, কার্ডিওভাসকুলার, প্লাস্টিক সার্জারির মতো বিভাগে দেখা যায়, কয়েক বছর পরে অস্ত্রোপচারের দিন পাচ্ছেন রোগী। অনেক সময় এক-দু মাস নয়, অপেক্ষা করতে হয় দেড় থেকে দু’বছর! তালিকা থাকে এতটাই দীর্ঘ! রোগী হয়রানির (West Bengal Health) চূড়ান্ত।

    কী বলছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মহল? 

    রাজ্যের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, এসএসকেএম হাসপাতালে রোগীদের অপেক্ষার লাইন প্রমাণ করে, জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজের ঘোষণাই হয়েছে মাত্র। কাজ কিছুই হয়নি। যদি সব মেডিক্যাল কলেজে সম মানের পরিকাঠামো (West Bengal Health) থাকত, তাহলে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য এত হয়রানির শিকার হতে হত না। অধিকাংশ সময় এই ভিড়ের জন্য সুপারিশ ছাড়া কোনও পরিষেবা পাওয়া যায় না। রাজ্যের শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীর সুপারিশেই একমাত্র এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ পাওয়া যায়। তা না হলে, অপেক্ষা করতে হয় মাসের পর মাস। কিন্তু স্বাস্থ্য পরিষেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। সেই অধিকার সুরক্ষিত থাকছে না।

    স্বাস্থ্যসাথী কি শুধুই বিজ্ঞাপনে? 

    রোগীর পরিজনদের একাংশ জানাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী বারবার স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের কথা বলেন। কিন্তু সরকারি হাসপাতালে ভর্তির সুযোগ পেতে বারবার শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীদের অনুরোধ করতে হয়। ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন, সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরিষেবা (West Bengal Health) কেন আগে সুনিশ্চিত হচ্ছে না? কার্ড হাতে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল ঘুরে অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসার সুযোগও থাকে না। বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা অনেকটাই বিজ্ঞাপনে আটকে থাকছে, অভিযোগ রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের রোগী ও পরিবারের একাংশের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Strike: দণ্ডিকাণ্ডে আদিবাসীদের ডাকে বন্‌ধ! দক্ষিণ দিনাজপুরে কেমন সাড়া মিলল?

    Strike: দণ্ডিকাণ্ডে আদিবাসীদের ডাকে বন্‌ধ! দক্ষিণ দিনাজপুরে কেমন সাড়া মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে গ্রেফতারসহ একাধিক দাবিতে সোমবার ১২ ঘণ্টা বাংলা বন্‌ধের (Strike) ডাক দিয়েছিল আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযান। সকাল থেকে সংগঠনের সদস্যরা বন্‌ধ সফল করতে রাস্তায় নামে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাস্তায় পুলিশ মোতায়েন ছিল।

    বন্‌ধে (Strike) কেমন প্রভাব পড়ল?

    রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও এদিন সকাল থেকে বন্‌ধ (Strike) পালিত হচ্ছে। বন্‌ধের কারণে বালুরঘাট পাবলিক বাসস্ট্যান্ডে বেসরকারি বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। বেসরকারি বাস চলাচল না করলেও সকালের দিকে কিছু সরকারি বাস চলাচল করেছে। বন্‌ধ সমর্থকরা বালুরঘাটের মঙ্গলপুর মোড়ে পথ অবরোধ করেন। ফলে, বালুরঘাট থেকে মালদা ও রায়গঞ্জের দিকে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও বালুরঘাটে বন্‌ধ সমর্থকরা শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দোকানপাট বন্ধ করে দেন। বালুরঘাট শহরের দোকান বাজার এদিন বন্ধ ছিল। সমগ্র দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় প্রায় একই চিত্র দেখা গিয়েছে। এদিকে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বালুরঘাট শহর জুড়ে বিশাল পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। এদিকে বন্‌ধের কারণে নিত্যযাত্রীরা চরম নাকাল হন। বালুরঘাটসহ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে বেসরকারি যানবাহন চলাচল না করলেও হাতে গোনা কিছু টোটো রাস্তায় চলাচল করেছে।

    কী বললেন আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযানের নেতা?

    প্রসঙ্গত, দণ্ডিকাণ্ডে প্রথম থেকেই তৃণমূল নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে আড়াল করেই রাখা হয়েছে বলে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আগেই সরব হয়েছিল আদিবাসী সংগঠনগুলি। গত ৭ এপ্রিল তপনের গোফানগরের কয়েকজন আদিবাসী মহিলাকে দণ্ডি কাটিয়ে তৃণমূলে যোগদান করানো হয়। ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে একান্তভাবে কথা বলার পরেই রাতারাতি পুরসভার ভাইস চেয়ারপার্সনের পদ থেকে প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে সরানো হয়। পাশাপাশি পুলিসও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠায় তাঁকে। কিন্তু, এতেও খুশি নয় আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযান। তাই এবারে ফের বন্‌ধের (Strike) ডাক দিয়েছে তারা। আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযান এর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার নেতা বিক্রম মুর্মু বলেন, এদিনের বন্‌ধ সফল। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আদিবাসীদের সামাজিক বহিষ্কারের প্রতিবাদে, কুর্মিদের এসটি সূচিতে সামিলের চক্রান্তের বিরুদ্ধে, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের দণ্ডিকাণ্ডের মূল অভিযুক্তের গ্রেফতারের দাবিতে এদিনের বন্‌ধ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drishyam In Korean: ‘দৃশ্যম’ তৈরি হচ্ছে কোরিয়ান ভাষায়! অভিনয়ে অস্কারজয়ী ‘প্যারাসাইট’-এর নায়ক 

    Drishyam In Korean: ‘দৃশ্যম’ তৈরি হচ্ছে কোরিয়ান ভাষায়! অভিনয়ে অস্কারজয়ী ‘প্যারাসাইট’-এর নায়ক 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল মালয়ালম ছবি ‘দৃশ্যম’। পরবর্তীতে তা হিন্দি-সহ দেশের বহু আঞ্চলিক ভাষায় রিমেক হয়। এবার দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ‘দৃশ্যম’ এর রিমেক হতে চলেছে কোরিয়ান ভাষায় (Drishyam In Korean)। জানা গিয়েছে, অস্কারজয়ী কোরিয়ান ছবি ‘প্যারাসাইট’(২০১৯)-এর অভিনেতা সং ক্যাং হো অভিনয় করবেন এই নতুন ‘দৃশ্যম’-এ। প্রসঙ্গত, প্রথম কোনও ভারতীয় ছবির রিমেক কোরিয়ান ভাষায় হতে চলেছে। যা ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে এক বড়ো পাওনা বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতীয় সংস্থা যৌথভাবে প্রযোজনা করবে এই ছবি  

    ‘দৃশ্যম’ যে কোরিয়ান ভাষায় রিমেক হতে চলেছে তা কান চলচ্চিত্র উৎসবেই প্রথম জানা যায়। প্রসঙ্গত, কুমার মঙ্গত পাঠকের প্যানোরমা স্টুডিয়োতেই এই ছবির হিন্দি রিমেক হয়েছিল। সেই একই প্রযোজনা সংস্থা এবার যুক্ত থাকবে ছবির কোরিয়ান রিমেকেও। দক্ষিণ কোরিয়ার অ্যান্থোলজি স্টুডিয়োর সঙ্গে ইতিমধ্যে চুক্তিও হয়েছে। ভারত এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্টুডিয়োও প্রথম বার কোনও ছবি এভাবে রিমেক হতে যাচ্ছে। যৌথ ভাবেই ছবিটির প্রযোজনা করবে তারা।

    কবে থেকে শুরু হবে ছবির কাজ

    শোনা যাচ্ছে, ‘দৃশ্যম’-এর কোরিয়ান রিমেকের (Drishyam In Korean) কাজ শুরু হবে পরের বছর। ছবির অন্যান্য আনুষাঙ্গিক কাজ অবশ্য চলতি বছর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে। ‘দৃশ্যম’-এর প্রযোজক কুমার মঙ্গত পাঠক বললেন, “ভাবতেই পারা যাচ্ছে না আমাদের ‘দৃশ্যম’ কোরিয়ান ভাষায় তৈরি হবে। কোনও হিন্দি সিনেমার ক্ষেত্রে এমনটা এই প্রথম ঘটছে! এটা শুধু আমাদের সিনেমার প্রচার নয়, হিন্দি সিনেমাকে বিশ্বের মানচিত্রে জায়গা করে দেবে। এতগুলো বছর কোরিয়ান সিনেমা দেখে মুগ্ধ হলাম, শিখলাম। এখন দেখি তাঁরাও আমাদের সিনেমায় কিছু খুঁজে পেয়েছেন!” অন্য দিকে, দক্ষিণ কোরিয়ায় অ্যান্থোলজি স্টুডিয়োর কর্ণধারের মতে, “এমন এক বিপুল সফল হিন্দি ছবিকে কোরিয়ান ধাঁচে নতুন করে বানানোর সুযোগ পেয়ে আমরা রোমাঞ্চিত। কাজের ক্ষেত্রেও ভারত আর কোরিয়ার মধ্যে এ ধরনের যৌথ প্রযোজনা এই প্রথম।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মুখ্যমন্ত্রী, পোড়া লাশের গন্ধ পাচ্ছেন?” বজবজ-বিস্ফোরণের পর বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মুখ্যমন্ত্রী, পোড়া লাশের গন্ধ পাচ্ছেন?” বজবজ-বিস্ফোরণের পর বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাজি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। এগরার পর বজবজ। ৫ দিনের ব্যবধানে আবার বিস্ফোরণের ঘটনায় আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয়েছে এক নাবালিকা-সহ ৩ জনের। বজবজ বিস্ফোরণকাণ্ডেও এনআইএ তদন্ত দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    ট্যুইটবার্তা শুভেন্দুর

    ট্যুইটবার্তায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) জানিয়েছেন, ‘খাদিকুল গ্রামে পোড়া মাংসের গন্ধ আর বিস্ফোরকের অবশিষ্টাংশ এখনও বাতাসে ভাসছে। আহতদের অবস্থা এখনও সঙ্কটজনক। সেই রেশ মেলানোর আগেই বজবজের নন্দরামপুরের দাসপাড়ায় আরও একটা বিস্ফোরণ। এখনও পর্যন্ত ৩ জনের পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এটা পুনরাবৃত্তি মনে হতে পারে, কিন্তু এক্ষেত্রেও আমি এনআইএ তদন্ত চাইছি। মুখ্যমন্ত্রী, আপনি ঘুম থেকে উঠে পোড়া লাশের গন্ধ পাচ্ছেন? আর কত মৃত্যু আপনার বিবেককে নাড়া দেবে?’ 

    সরব দিলীপ ঘোষ

    রবিবার রাত পৌনে ৮টা নাগাদ, একটি বাড়ির ছাদে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ভেঙে পড়ে অস্থায়ী ছাউনি। তাতেই চাপা পড়েছিলেন তিনজন। পরে তাঁদের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন দিলীপ ঘোষও। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে আসেন দিলীপ ঘোষ। ইকোপার্কে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানেই এগরার পর বজবজের বাজি কারখানায় আগুন প্রসঙ্গে তিনি জানান, যেখানে বাজির কারখানা সেখানেই ভয়ের পরিবেশ থাকে। বলেন, ‘এটা অনেকদিন ধরে চলছে। বেশিরভাগ বাজি কারখানা বেআইনি ভাবে চলে। তাদের ক্যাপাসিটি বা নিয়মকানুন কিছুই মানা হয় না। বেশিরভাগ গরিব লোক এখানে কাজ করে, তাদের জীবনহানি হয়। যেখানে বাজির কারখানা সেখানেই এইরকম ভয়ের পরিবেশ থাকে। এগরাতে অনেক মহিলা কাজ করতেন, ৭-৮ জন মহিলা যারা মারা গিয়েছেন, তাদের বাড়িতে ছোট ছোট বাচ্চা রয়েছে। তারা অনাথ হয়ে গিয়েছে। পুলিশ সব জানে। সব জায়গা থেকে টাকা খাওয়ার এইরকম অভ্যাস হয়ে গেলে এই সমস্যার কোনদিন সমাধান হবে না।’

    আরও পড়ুন: এগরার পর বজবজ! বিস্ফোরণে বাজি কারখানার মালিকের স্ত্রী, মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: এবার বন্দে ভারত লোকাল ট্রেন! প্রথম ছুটবে মহারাষ্ট্রে, কী কী যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য থাকছে?

    Vande Bharat: এবার বন্দে ভারত লোকাল ট্রেন! প্রথম ছুটবে মহারাষ্ট্রে, কী কী যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য থাকছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত (Vande Bharat) আর শুধুমাত্র দূরপাল্লার ট্রেনই থাকছে না। এবার তা ছুটতে চলেছে লোকাল রুটেও। শহরতলির সঙ্গে শহরের যোগাযোগের এবার মাধ্যম হবে বন্দে ভারত। প্রথম প্রকল্প শুরু হতে চলেছে মহারাষ্ট্রতে। আধুনিক ব্যবস্থা সম্পন্ন, গতিময় এই দূরপাল্লার ট্রেন সারা ভারত জুড়েই চলছে। কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন হাওড়া পুরী বন্দে ভারতের। বন্দে ভারত (Vande Bharat) লোকাল ট্রেনের চিন্তাভাবনা কয়েক মাস আগে থেকেই শুরু হয়েছে এবং সেই মতো তা ঘোষণাও করেছিল মোদি সরকার। তবে তখন বলা হয়েছিল, মেট্রোর রেল পথে চলবে এই ট্রেন। এবং ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা দুটি শহরের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করবে বন্দে ভারত মেট্রো। এবার ভারতীয় রেলের নির্দেশেই বন্দে ভারত আসছে লোকাল হিসেবেও।

    দেশের ব্যস্ততম রেলপথ হল মহারাষ্ট্রের মুম্বই

    পরিসংখ্যান বলছে মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ে ৩১৯ কিলোমিটার বিস্তৃত রেলপথে প্রতিদিন ৩,১২৯ ট্রেন চলাচল করে। এতেও মেটেনা যাত্রী চাহিদা। মুম্বইয়ের লোকালগুলোর ভিড় দেখলেই তা বোঝা যায়। এবার এই সমস্যা মেটাতে ছুটবে বন্দে ভারত। পোশাকি নাম হতে চলেছে বন্দে ভারত মেট্রো সাব-আরবান পরিষেবা। বাতানুকূল এই ট্রেনে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতোই অধিকাংশ সুযোগ সুবিধা থাকবে এবং যাত্রী ধারণ ক্ষমতাও হবে যে কোন লোকালের থেকে বেশি।

    কেমন হবে লোকাল বন্দে ভারতের ব্যবস্থা?

    জানা যাচ্ছে চলতি লোকালগুলোর থেকে অনেক বেশি যাত্রী-স্বাচ্ছন্দ্য থাকবে বন্দে ভারত লোকালে। সর্বক্ষণ থাকবে সিসিটিভি নজরদারি। দুটি এসি ভেন্ডার কামরাও থাকবে যাতে মাছ বা অন্যান্য গন্ধ যাত্রীদের কোচে অস্বস্তি তৈরি না করে। ১২টি কোচের ভিতর দিয়ে যাতায়াতও করতে পারবেন যাত্রীরা। লোকাল ট্রেনের থেকে বেশি পরিমাণে যাত্রী বসার আসন থাকবে এবং কামরাগুলিতে থাকবে ডিসপ্লে। সেখানে স্টেশনের নাম দেখা যাবে। থাকছে টিভিও। অপ্রচলিত শক্তির উৎস ব্যবহার করে এই ট্রেনের সুবিধা দেওয়ার কথা ভেবেছে রেল কর্তৃপক্ষ। যার ফলে, সৌর বিদ্যুৎ-এ চলবে ট্রেনের পাখা এবং আলো। ট্রেনের মাথায় লাগানো সৌর প্যানেলে ৩.৬ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ তৈরি হবে বলে জানা যাচ্ছে।

    কী বলছেন রেল আধিকারিকরা?

    জানা যাচ্ছে বর্তমানে মুম্বইয়ে ১৪টি মতো এসি লোকাল ট্রেন চলে। এগুলোর তত্ত্বাবধান করে সেন্ট্রাল রেল এবং পশ্চিম রেল। এর পাশাপাশি এবার শুরু হতে চলেছে বন্দে ভারত লোকাল। রেলওয়ে আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, মুম্বই আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট এর আওতায় ২৩৮টি রেক কেনা হচ্ছে। এবং এ নিয়ে ইতিমধ্যে কথাও সম্পন্ন হয়েছে রেল মন্ত্রক ও মহারাষ্ট্র সরকারের মধ্যে। রেলওয়ে আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, নতুন এই লোকাল বন্দে ভারতগুলি ট্রেনের নিজস্ব কারখানায় তৈরি হবে না। বরং তা মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে তৈরি হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Meeting: দূর্গে পরিণত ভূস্বর্গ! আজ শ্রীনগরে শুরু বিশেষ জি২০ বৈঠক

    G20 Meeting: দূর্গে পরিণত ভূস্বর্গ! আজ শ্রীনগরে শুরু বিশেষ জি২০ বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার থেকে জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে শুরু হচ্ছে জি২০ (G20 Meeting) অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির তৃতীয় ট্যুরিজম ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেয় কেন্দ্র। বিলোপ পায় জম্মু কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা। তার পর এই প্রথম উপত্যকায় কোনও আন্তর্জাতিক কর্মসূচি করতে চলেছে কেন্দ্র। 

    ভারতের সভাপতিত্বে বৈঠক

    শ্রীনগরের শের-ই-কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সন্টারকে জি২০ বৈঠকের (G20 Meeting) কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। এবারের জি২০ সম্মেলনের সভাপতিত্ব পেয়েছে ভারত। এখনও অবধি দেশে মোট ১৮টি জি২০ বৈঠক হয়েছে। এরমধ্যে শ্রীনগরের বৈঠকেই সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করবেন। জি২০ সদস্য দেশগুলি থেকে প্রায় ৬০ জন প্রতিনিধি আসবেন। তবে, এই বৈঠকে উপস্থিত না হওয়ার কথা জানিয়েছে তুরস্ক ও সৌদি আরব। বেজিংয়ের দাবি, কাশ্মীর ‘বিতর্কিত স্থান’ হওয়ায় তারা এই জায়গার বিরোধিতা করছে এবং বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পরই, চিনকে কড়া জবাব দিয়ে ভারত জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের কোথায় বৈঠক হবে, তা ভারতই সিদ্ধান্ত নেবে। সার্বভৌম ভারতের যে কোনও জায়গায় বৈঠক করার অধিকার রয়েছে সরকারের।

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে বৈঠক, তাই জি২০-তে অংশ নেবে না চিন! কড়া জবাব ভারতের

    বৈঠককে টার্গেট করছে জঙ্গিরা

    এদিকে, বিশ্ব দরবারে ভারতের ভাবমূর্তিতে ধাক্কা দিতে এই বৈঠককে (G20 Meeting) টার্গেট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। রবিবারই এনআইএ-র জালে ধরা পড়েছে জইশ চর। জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা থেকে সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত সন্দেহভাজন জইশ ই মহম্মদ কমান্ডারের কাছে স্পর্শকাতর তথ্য পাঠাচ্ছিল। ধৃতের নাম মহম্মদ উবাইদ মালিক। ওই ব্যক্তি পাকিস্তানের জইশ ই মহম্মদ কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল।

    বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় মোতায়েন

    নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে, ভূস্বর্গতে কার্যত দূর্গে পরিণত করা হয়েছে। আগত বিদেশি অতিথি সহ গোটা অনুষ্ঠানের (G20 Meeting) জন্য বহুস্তরীয় সুরক্ষা বলয় কার্যকর করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌসেনার বিশেষ ‘মার্কোস’ কমান্ডোদের মোতায়েন করা হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি)। এছাড়া, বিএসএফ, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স, সশস্ত্র সীমা বল ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের হাজার হাজার বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে জঙ্গি হামলা রুখতে। পাশাপাশি, ড্রোন হামলা রুখতে মোতায়েন করা হয়েছে অ্যান্টি-ড্রোন ইউনিট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share