Tag: Madhyom

Madhyom

  • RBI Recruitment: রিজার্ভ ব্যাঙ্কে প্রচুর কর্মী নিয়োগ! বেতন শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    RBI Recruitment: রিজার্ভ ব্যাঙ্কে প্রচুর কর্মী নিয়োগ! বেতন শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিজার্ভ ব্যাঙ্কে নিয়োগের (RBI Recruitment) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ। শুরু হয়েছে আবেদন প্রক্রিয়া। বেতন মিলবে লক্ষাধিক টাকা। আবেদন জানাতে হবে ব্যাঙ্কের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে।

    নিয়োগের খুঁটিনাটি

    কোন পদে নিয়োগ:

    নিয়োগ হবে গ্রেড ‘বি’ অফিসার (জেনারেল), গ্রেড ‘বি’ অফিসার (ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক অ্যান্ড পলিসি রিসার্চ) এবং গ্রেড ‘বি’ অফিসার (ডিপার্টমেন্ট অব স্ট্যাটিস্টিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট) পদে

    শূন্যপদের সংখ্যা:

    ২৯১ টি পদে হবে এই নিয়োগ

    নিয়োগস্থল:

    দেশজুড়েই করা হবে নিয়োগ

    শিক্ষাগত যোগ্যতা:

    গ্রেড ‘বি’ অফিসার (জেনারেল) পদের জন্য প্রার্থীদের যে কোনও বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন বা সমতুল টেকনিক্যাল বা পেশাদারি কোর্সে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। যদি যে কোনও বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন বা সমতুল টেকনিক্যাল বা পেশাদারি কোর্সে ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর থাকে, তা হলেও আবেদন জানাতে পারবেন প্রার্থীরা

    বয়স সীমা:

    প্রার্থীকে অবশ্যই ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে

    বেতন:

    নিয়োগের পর প্রাথমিক ভাবে মোট মাসিক বেতন হবে ১,১৬,৯১৪ টাকা

    নির্বাচন পদ্ধতি:

    অনলাইন পরীক্ষা ও ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করে নিয়োগ করা হবে

    আবেদন পদ্ধতি:

    আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনেই করতে হবে আবেদন। আরবিআই-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে করতে হবে আবেদন

    আবেদন শুরুর তারিখ:

    ৯ মে থেকে শুরু হবে আবেদন প্রক্রিয়া

    আবেদনের শেষ তারিখ:

    ৯ জুন আবেদনের শেষ তারিখ

    কীভাবে করবেন আবেদন?

    প্রথমেই আপনাকে ঢুকতে হবে ব্যাঙ্কের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট opportunities.rbi.org.in এ

    এরপরে হোম পেজে আপনাকে দেখাবে বর্তমান শূন্যপদ, সেখানে ক্লিক করতে হবে

    এখানে আপনাকে একটি লিংক দেখাবে, অফিসার্স ইন গ্রেড বি

    এই লিংকে ক্লিক করার পরে অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম এর লিংক দেখাবে

    এরপরে যাবতীয় তথ্য এবং নথি দিয়ে আবেদন পত্রটি ফিলাপ করতে হবে

    তারপর ফি অনলাইনে জমা দিতে হবে

    সবকিছু সম্পন্ন হওয়ার পরে আপনাকে একটি প্রিন্ট কপি বের করতে হবে

    আবেদন ফি:

    জেনারেল এবং ওবিসি প্রার্থীদের আবেদন ফি ৮৫০ টাকা এবং তপশিলি জাতি এবং তপশিলি উপজাতিদের আবেদন ফি ১০০ টাকা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: এবার কেষ্ট গড়ে ব্যালট ছিনতাই! অভিষেক চলে যেতেই নবজোয়ারে মারপিট

    Abhishek Banerjee: এবার কেষ্ট গড়ে ব্যালট ছিনতাই! অভিষেক চলে যেতেই নবজোয়ারে মারপিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহের পর এবার অনুব্রত মণ্ডলের গড় বীরভূমে নবজোয়ার কর্মসূচিতে ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রার্থী ঠিক করার জন্য দলের পক্ষ থেকে ভোটাভুটির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই ব্যালট বক্স নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে তৃণমূলের একটি দল। পুলিশের সামনেই দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতিও শুরু হয়ে যায়। পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাই নিয়ে প্রথমে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। পরে, তাঁরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) চলে যাওয়ার পর পরই ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ব্যাপক গণ্ডগোল হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগে মালদহের ইংরেজবাজার এলাকায় গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। এবার কেষ্ট গড়ে ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এদিনের ব্যালট লুট হওয়ার দৃশ্য দেখে অনেকেই বলেন, কেষ্ট গড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন কেমন হবে তার মহড়া হয়ে গেল।

    ঠিক কী নিয়ে গণ্ডগোল?

    জনসংযোগ যাত্রায় ১৫ তম দিনে কেষ্ট গড়ে নবজোয়ার কর্মসূচির প্রথম দিনেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)  মুরারইয়ে চাতরা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে একটি সভায় উপস্থিত ছিলেন। সেই সভাতেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “ভারতবর্ষের কোনও রাজনৈতিক দল সাধারণ মানুষকে এমন সুযোগ দেয় না, যারা পঞ্চায়েতে প্রার্থী ঠিক করে। আমাদের দল তৃণমূল কংগ্রেস সেই সুযোগ দিয়েছে।” এমনকী, তিনি হাতে একটি ব্যালট পেপার দেখিয়ে বলেন, “আপনারা নিজেদের প্রার্থী নিজেরাই ঠিক করবেন। “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সভা শেষ করে বেরিয়ে যাওয়ার পরেই শুরু হয় পঞ্চায়েতের প্রার্থী নির্বাচনের ভোটাভুটি । আর তাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বচসা ও অশান্তি। ব্যালট নিয়ে ছুটতে থাকেন কয়েকজন তৃণমূল কর্মী। তাঁদের আবার ধরে ফেলেন অন্য কর্মীরা। ব্যালট নিয়ে রীতিমতো হাতাহাতি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

    কী বললেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা?

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, অভিষেক (Abhishek Banerjee) যে ভাবে ভোট করার কথা বলে গিয়েছেন, সেই নিয়ম মেনে সব কিছু হওয়া দরকার। এলাকার মানুষের পক্ষ থেকে যে প্রার্থীদের নামের তালিকা দেওয়া হয়েছিল, সেই তালিকায় নেই। ব্যালট খুলে দেখা যায়, একেবারে অন্য তালিকা রয়েছে। ষড়যন্ত্র করে এই কাজ করেছে। তাই, প্রকাশ্যে এই গণ্ডগোল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb: পঞ্চায়েত ভোটের আগে শাসনে উদ্ধার হল ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা, আতঙ্ক

    Bomb: পঞ্চায়েত ভোটের আগে শাসনে উদ্ধার হল ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার শাসনে তেঘরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছেই ব্যাগ ভর্তি বোমা (Bomb) উদ্ধার হল। স্কুলের সামনে বোমা পড়ে থাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আর কিছুদিন পরই পঞ্চায়েত ভোট। তার আগেই শাসনের মতো জায়গায় ব্যাগ ভর্তি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ব্যাগ ভর্তি বোমা (Bomb) কোথায় রাখা ছিল?

    শাসনের সদ্যারআটি তেঘরিয়া এলাকায় রাস্তার ধারে একটি কালভার্টের নীচেই ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা (Bomb) দেখতে পান এলাকার বাসিন্দারা। তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে বোমা বাজেয়াপ্ত করে। পুলিশ সূত্রে খবর, ব্যাগে ৮ টি তাজা বোমা পাওয়া গিয়েছে। তবে কে বা কারা রেখে গিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের এলাকায় সন্ত্রাস করার জন্যই দুষ্কৃতীরা হয়তো বোমা রাখতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। শাসনের মাটি বিভিন্ন সময় রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বাম জমানায়। পালাবদলের পর তৃণমূল সরকার আসে। তৃণমূল কংগ্রেস আসার পর মাঝে মধ্যেই অশান্ত হয়ে ওঠে শাসনের মাটি। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই সেই শাসনেই কালভার্টের নীচে থেকে উদ্ধার হল বোমা (Bomb)। কারা কোন উদ্দেশ্যে বোমাগুলি রেখেছিল তা তদন্ত করে দেখছে শাসন থানার পুলিশ। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব মুখ খুলতে রাজি হয়নি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    সামনেই পঞ্চায়েত ভোটের আগে কীভাবে এল এতগুলো তাজা বোমা (Bomb) তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপি বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস মিত্র বলেন, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর সেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল জেনে গিয়েছে, তারা এবার একটি ভোটও পাবে না। তাই যেভাবে হোক সেই পঞ্চায়েত নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে না হয় তার জন্যই তারা বোমা (Bomb), গুলি, পিস্তল আগে থেকেই মজুত করে রাখছে। তিনি আরও বলেন, মানুষ তৃণমূল সরকারের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তাই এসব করে আর লাভ হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বাংলাদেশ আচমকা জল ছাড়ায় আত্রেয়ীর জলস্তর হু হু করে বাড়ছে, দুর্ঘটনায় ত্র্যস্ত প্রশাসন

    Balurghat: বাংলাদেশ আচমকা জল ছাড়ায় আত্রেয়ীর জলস্তর হু হু করে বাড়ছে, দুর্ঘটনায় ত্র্যস্ত প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাটে (Balurghat) আত্রেয়ী নদীর উপর নির্মীয়মাণ বাঁধের কাজ প্রায় শেষের দিকে। কিন্তু মাঝে বাংলাদেশ থেকে জল ছেড়ে দেওয়ায় আত্রেয়ীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে। বিপদ এড়াতে নির্মীয়মাণ বাঁধের পশ্চিমপ্রান্ত দিয়ে জল ছাড়া হচ্ছে। আর সেখানেই স্নান করতে উপচে পড়ছে ভিড়। ওই জলের স্রোতে ইতিমধ্যেই অনেকে ভেসে গিয়েছে। আবার বেশ কয়েকজন নির্মীয়মাণ বাঁধের লোহার আঘাতে জখম হয়েছে। যা নিয়ে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। সেচ দফতর ও নির্মাণ সংস্থা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে। পুলিশ গিয়ে সকলকে তুলে দিলেও সমস্যা কাটেনি। তাই ওই এলাকাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার প্রক্রিয়া শুরু করছে প্রশাসন।

    কী বলছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা?

    এবিষয়ে বালুরঘাট (Balurghat) সদর মহকুমাশাসক সুমন দাশগুপ্ত বলেন, আমাকে সেচ দফতরের তরফে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আমি পুলিশকে জানিয়েছি। পুলিশ ব্যবস্থাও নিয়েছে। আগামীতে ওই এলাকা বিপজ্জনক ও নিষিদ্ধ বলে প্রচার করা হবে। কেউ যাতে স্নান করতে না নামে, তার জন্য দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো হবে। বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজা বলেন, ওই জায়গাটা এমনিতেই বিপজ্জনক। তাই সেখানে কেউ যাতে স্নান করতে না নামে, তার জন্য পুলিশ নজরদারি চালাবে। পাশাপাশি সেচ দফতরকেও প্রচার ও সতর্কমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। সেচ দফতরের ওই কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার সঞ্জয় পারেখ বলেন, আমাদের কাজ এখনও শেষ হয়নি। এর মধ্যেই বাংলাদেশ থেকে জল ছেড়ে দেওয়ায় জলস্তর বেড়েছে। যার ফলে নদীর একপাশ থেকে জল ছেড়ে দিয়েছি আমরা। সেই জলস্রোতে স্থানীয় বহু মানুষ স্নান করতে নামছে। একজন তলিয়ে গিয়েছিল। আমরা বাঁচিয়েছি। এছাড়া দুজন জখম হয়েছে। আমরা কাজ করব, না মানুষ বাঁচাব? যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি।

    কাজ শেষের মুখেই নয়া বিপদ

    প্রসঙ্গত, আত্রেয়ীর জলের সমস্যা মেটাতে বালুরঘাট (Balurghat) শহরে এর উপরে ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে স্বল্প উচ্চতার বাঁধ। ওই বাঁধের কাজ ইতিমধ্যেই ৯০ শতাংশ হয়ে গিয়েছে৷ বাকি অংশের কাজ শেষ করতে তোড়জোড় শুরু করেছে সেচ দফতর। ২০২১ এর ডিসেম্বর মাসে সেই কাজ শুরু হয়েছে। নদী বরাবর ২ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট বাঁধের কাজ প্রায় হয়ে গিয়েছে। দুপাশে দুটি স্লুইস গেটের কাজও চলছে। কিন্তু এখনও কাজ শেষ না হতেই বিপদ বাড়ছে এলাকায়।

    কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে প্রশাসন

    জানা গিয়েছে, ওই বাঁধের পশ্চিমপাড়ে জলের স্রোত বয়ে চলেছে। ওই জলস্রোতের সৌন্দর্য দেখতে যেমন মানুষ ভিড় করছে, তেমনি সেই জলে স্নান করতে বহু মানুষ ভিড় জমাচ্ছে। এদিকে এখনও বাঁধের কাজ শেষ হয়নি। নদীর মধ্যে অনেক জায়গায় লোহার রড, সিমেন্টের পোল সহ নানা ধারালো সরঞ্জাম রয়েছে। ফলে স্নান করতে গিয়ে অনেকেই আহত হয়েছে। একজন জলে তলিয়ে গেলে তাকে দড়ি দিয়ে কোনওরকমে উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকছে। তাই প্রশাসনের তরফে ওই এলাকায় পুলিশকে (Balurghat) নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকী বিপজ্জনক এলাকা এবং সাইরেন সহ নানা সতর্কমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিছুদিন আগেই আত্রেয়ীতে তলিয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাই কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে প্রশাসন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bus Accident: সেতুর রেলিং ভেঙে নদীখাতে বাস! মধ্যপ্রদেশে মৃত ২২, শোকপ্রকাশ মোদির

    Bus Accident: সেতুর রেলিং ভেঙে নদীখাতে বাস! মধ্যপ্রদেশে মৃত ২২, শোকপ্রকাশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেতুর রেলিং ভেঙে নদীখাতে বাস পড়ে মারা গেলেন অন্তত ২২ জন। আহতের সংখ্যা আরও ২৫। ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের খারগোনে অঞ্চলে। দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিলেন৷ 

    ঠিক কী ঘটেছে?

    জানা গিয়েছে, বাসটি মধ্যপ্রদেশের শ্রীখণ্ডি থেকে ইন্দোর যাচ্ছিল। দাসাঙ্গা গ্রামের কাছে খারগোনে বোরাদ নদীর উপর সেতুর রেলিং ভেঙে প্রায় ৫০ ফিট নিচে নদীখাতে পড়ে যায় বাসটি। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ১৫ জন। 

    আরও পড়ুন: “জ্বলেছে ১৭০০ ঘর, হিংসার বলি ৬০”, বললেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী

    আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে আরও ৭ জন মারা যান। কয়েকজন আহতের অবস্থা সঙ্কটজনক। ফলে, মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে অনুমান। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বাস চালকের কোনও ভুল না কি বাসটিতে কোনও যান্ত্রিক গোলযোগ ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷

    দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার প্রতি ৪ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। গুরুতর আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য আর স্বল্প আহতদের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে মধ্যপ্রদেশ সরকারের তরফে।

    শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। হতাহতদের জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। নিহতদের পরিবারের জন্য ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর৷ আহতদেরও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য করা হবে৷

  • Memari: অবাককাণ্ড! সামান্য ড্রেন তৈরি নিয়ে গুলি চালাল এক স্কুল পড়ুয়া, কেন জানেন?

    Memari: অবাককাণ্ড! সামান্য ড্রেন তৈরি নিয়ে গুলি চালাল এক স্কুল পড়ুয়া, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিছক ড্রেন তৈরি নিয়ে গণ্ডগোল। আর তার জেরেই চলল গুলি। যদিও গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় কেউ জখম হননি। তবে, সামান্য ড্রেন তৈরির ঘটনা নিয়ে গুলি চালানোর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে মেমারি (Memari) থানার দুর্গাপুর অঞ্চলের মগলামপুর গ্রামে। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত যুবক ও তার বাবাকে আটক করে নিয়ে যায়।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    মগলামপুর গ্রামের অশোক বিশ্বাস নামে এক বাসিন্দা জল নিকাশির জন্য বাড়ির সামনে ড্রেন তৈরি করছিলেন। মিস্ত্রিরা এসে এদিন ড্রেন তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন। অশোকবাবুর প্রতিবেশী বিপ্লব সাধুখাঁ এসে ড্রেনের কাজ করতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। সেইসময় তাঁরা একে অপরের মধ্যে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। ঠিক সেই সময় বিপ্লব সাধুখাঁর ছেলে রাজীব সাধুখাঁ আচমকা ঘর থেকে তাদের লাইসেন্স প্রাপ্ত দোনালা বন্দুক বের করে গুলি চালায়। অশোকবাবুকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। স্থানীয় একজনের তত্পরতায় গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরে, স্থানীয় লোকজন ওই যুবকের কাছ থেকে বন্দুক কেড়ে নেয়। অশোকবাবু বলেন, সামনেই আমার ছেলের বিয়ে। তাই বাড়ির সামনে একটি ড্রেন তৈরির কাজ করছিলাম। এক প্রতিবেশী ওই কাজে আমাদের বাধা দেয়। এনিয়ে আমাদের মধ্যে বচসা চলছিল। আচমকা প্রতিবেশীর ছেলে আমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আমার দাদা বন্দুকটি সরিয়ে না নিলে তিন-চারজনের মৃত্যু হতে পারত। ঘটনার পর খুবই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।

    গুলি চালানো নিয়ে কী বলল অভিযুক্ত যুবক?

    রাজীব সাধুখাঁ উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়া। ঘটনার পর পরই মেমারি (Memari) থানার পুলিশ এসে রাজীব ও তার বাবাকে আটক করে নিয়ে যায়। গুলি চালানো নিয়ে রাজীবের বক্তব্য, আমার বাবাকে সকলেই মারধর করছিল। চোখের সামনে আমি সেটা সহ্য করতে পারিনি। মাথা গরম হয়ে গিয়েছিল। তাই, বাড়ি থেকে বন্দুক নিয়ে এসে গুলি চালিয়েছিলাম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: জমি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান

    Imran Khan: জমি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতার হলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। এদিন ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বাইরে তাঁকে গ্রেফতার করে সেদেশের আধাসেনা পাক রেঞ্জার্স। সূত্রের খবর, একটি জমি দুর্নীতি মামলার জেরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আপাতত, রেঞ্জার্সের হেফাজতেই রয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের চেয়ারম্যান। 

    পাক সংবাদমাধ্যমের দাবি, এদিন হাইকোর্টে একটি মামলার শুনানিতে হাজিরা দিতে এসেছিলেন ইমরান (Imran Khan)। জানা যাচ্ছে, আল কাদির ট্রাস্টের জমি দখল করার অভিযোগে সম্প্রতি ইমরানের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলার জামিন নিতেই মঙ্গলবার সকালে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে গিয়েছিলেন তিনি।

    আদালত চত্বরে হাতাহাতি

    অভিযোগ, সেই সময় কক্ষের বাইরে ইমরানকে (Imran Khan) গ্রেফতার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, হাইকোর্টের বাইরে সেই সময় চরম বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি হয়। জানা যাচ্ছে, এদিন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর আইনজীবীদের সঙ্গে রেঞ্জার্সের মারপিট বাধে। ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বাইরে ইমরান-সমর্থকদের সঙ্গেও সংঘর্ষ হয় রেঞ্জার্সদের। তাঁর আইনজীবীও আক্রান্ত হন বলেও অভিযোগ। ইমরানের দলের দাবি, গ্রেফতারের পর ইমরানকে রেঞ্জার্স বাহিনী মারধর করে। এর পর তাঁকে গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। 

    আরও পড়ুন: মাথায় বুলেটপ্রুফ টুপি, কাঁধের পিছনে ব্যালিস্টিক শিল্ড, কড়া প্রহরায় আদালতে ইমরান

    ইমরানের দলের দাবি

    পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের সহ-সভাপতি ফাওয়াদ চৌধুরি বলেন, ‘‘জোর করে ইমরানকে তুলে নিয়ে গিয়েছে পাক রেঞ্জার্স। তাঁর আইনজীবী ফয়জল চৌধুরীও হামলার শিকার হয়েছেন।’’ আর এক পিটিআই নেতা মুসররাত চিমার দাবি, ‘ওরা ইমরান খানের উপর অত্যাচার করছে। খান সাহেবকে মারধর করছে। সম্ভবত ওঁর সঙ্গে কিছু করা হয়েছে।’ পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গ্রেফতারির আগে পাকিস্তানের ক্রিকেট বিশ্বকাপজয়ী দলের ‘কাপ্তান’ (Imran Khan) না কি বলেন, ‘‘পাক সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগে অটল রয়েছি। এই জন্য গ্রেফতার বা মৃত্যুবরণ করতেও রাজি।’’

    কী বলছে প্রশাসন?

    যদিও, সব অভিযোগ খারিজ করেছে পাক রেঞ্জার্স। প্রশাসন সূত্রের খবর, গ্রেফতারির পর ইমরানকে (Imran Khan) হাইকোর্ট চত্বরের বাইরে নিয়ে গিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে রেঞ্জার্স। এদিকে, ইমরান খানের গ্রেফতারির পরই, ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আমির ফারুক অবিলম্বে ইসলামাবাদের ইন্সপেক্টর জেনারেল এবং স্বরাষ্ট্র সচিবকে তলব করেন। একইসঙ্গে পাকিস্তানের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলকে তিনি ১৫ মিনিটের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। এই গ্রেফতারির পিছনে কে বা কারা রয়েছে, তা অবিলম্বে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

     

  • Alipurduar: সই সংগ্রহ কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক-প্রাক্তন বিধায়কের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Alipurduar: সই সংগ্রহ কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক-প্রাক্তন বিধায়কের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুমন কাঞ্জিলাল ও সৌরভ চক্রবর্তী। প্রথমজন তৃণমূল বিধায়ক, দ্বিতীয়জন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক। আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) বিধানসভার সাংগঠনিক রাশ কার হাতে থাকবে তা নিয়ে শাসকদলের অন্দরেই দুই গোষ্ঠীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, দুই গোষ্ঠীর বিরোধ ততই বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    ঠিক কী নিয়ে তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে এল?

    আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) বিজেপি বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল কিছুদিন আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু বিজেপি দলের কোনও কর্মী-সমর্থক শাসক দলে যোগ দেননি। অপরদিকে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) বিধানসভা এলাকায় গত বিধানসভা নির্বাচনে সুমনবাবুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী সৌরভ চক্রবর্তী। সুমন তৃণমূলে নাম লেখালেও তাঁকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ সৌরভ অনুগামীরা। অপরদিকে সুমন কাঞ্জিলাল নিজের জমি শক্ত করতে সৌরভ বিরোধী তৃণমূল নেতাদের সঙ্গী করে ময়দানে নেমে পড়েছেন। ফলে বর্তমান এবং প্রাক্তন বিধায়কের জমি দখলের লড়াই কার্যত প্রকাশ্যেই চলে এসেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নিচু তলার নেতাকর্মীরা। তাঁরা বর্তমান, নাকি প্রাক্তন বিধায়কের সঙ্গে থাকবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গত কয়েকদিন আগেই আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) ১০০ দিনের কাজ করে টাকা না পাওয়া বঞ্চিত শ্রমিকদের সই সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন। আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের বিবেকানন্দ ১, বিবেকানন্দ ২, বঞ্চুকামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথে সই সংগ্রহের জন্য দলের জেলা নেতাদের নিয়ে গিয়েছিলেন সুমনবাবু। তবে, সেখানে দেখা যায়নি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি পীযূষ কান্তি রায়কে। পীযুষবাবু সৌরভ ঘনিষ্ঠ নেতা বলেই পরিচিত। অন্যদিকে, সোমবার পরোরপার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পীযূষ বাবুর ডাকে সৌরভ চক্রবর্তী সই সংগ্রহ কর্মসূচিতে অংশ নেন। সেখানে সুমন অনুগামী কোনও নেতাকেই দেখা যায়নি। সোমবারই বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল নিজে উদ্যোগী হয়ে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ রতন মহন্ত সহ জেলার কয়েকজন নেতাকে নিয়ে ওই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সই সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। একই অঞ্চলে কেন আলাদা আলাদাভাবে হবে দলের একই কর্মসূচি? এর ফলে বিভ্রান্তে রয়েছেন নিচু তলার নেতা কর্মীরা।

    সই সংগ্রহ নিয়ে শুরু হয়েছে তরজা

    তৃণমূল বিধায়ক সুমনবাবু বলেন, সবার আগেই আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) ওই কর্মসূচি শুরু করেছিলাম। তবে ওই কাজে অনেকেই এখন যুক্ত হয়েছেন। সেটা দলের পক্ষে ভালই হবে। অপরদিকে সৌরভ চক্রবর্তী তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে বিরোধের কথা স্বীকার করেননি। তিনি বলেন, দলের ওই কর্মসূচিতে নেতৃত্বের ডাকেই অঞ্চলে যাবেন। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন প্রান্তেও ওই কর্মসূচিতে আমার অংশ নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah At Jorasanko: রবীন্দ্র জয়ন্তীতে জোড়াসাঁকোয় কবিপ্রণাম অমিত শাহের, ঘুরে দেখলেন ঠাকুরবাড়ি

    Amit Shah At Jorasanko: রবীন্দ্র জয়ন্তীতে জোড়াসাঁকোয় কবিপ্রণাম অমিত শাহের, ঘুরে দেখলেন ঠাকুরবাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে কবিপ্রণাম করে রবীন্দ্র জয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন অমিত শাহ। আগেই স্থির ছিল, পঁচিশে বৈশাখ রাজ্যে আসবেন অমিত শাহ। যোগ দেবেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির রবীন্দ্র জয়ন্তী অনুষ্ঠানে। সেই জন্য গতকাল মধ্যরাতেই শহরে চলে আসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে পৌঁছে যান জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। রবীন্দ্রনাথের মূর্তিতে মালা পরিয়ে তাঁকে প্রণাম করেন। এর পর কবিগুরুর বাড়ি ঘুরে দেখেন অমিত শাহ, সংগ্রহশালায় যান। জোড়াসাঁকোর ভিজিটার্স বুকে সইও করেন। কেমন লাগল জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, নিজের ভাব ব্যক্তও করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    আজ ২৫ বৈশাখ

    আজ রবীন্দ্রনাথের ১৬৩ তম জন্মদিন। এই দিনটিকে ঘিরে প্রতি বছরই উৎসবে মেতে ওঠে ঠাকুরবাড়ি। কথায়-গানে-কবিতায় দিনভর চলে রবি-স্মরণ। তবে, এবছর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসায় ঠাকুরবাড়ির নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনেও অন্য মাত্রা যোগ হয়েছিল। অমিত শাহের সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ বিশিষ্টজনরা। তাঁরাও এদিন রবি-মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

    ট্যুইটে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

    মঙ্গলবার সকালে, ট্যুইট করে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে গুরুদেবকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। শিল্প থেকে সঙ্গীত এবং শিক্ষা থেকে সাহিত্য, বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি ছাপ রেখে গিয়েছেন। সমৃদ্ধশীল, প্রগতিশীল, আলোকিত ভারতের যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’

    বাংলায় ট্যুইট অমিত শাহের

    অন্যদিকে, বাংলায় ট্যুইট করলেন অমিত শাহ। ট্যুইটে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, ‘‘বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রকৃতিবাদ তথা মানবতাবাদের আদর্শকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিয়ে ভারতীয় দর্শনকে এক পূর্ণ রূপ প্রদান করেন। তাঁর কালজয়ী রচনা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ভিত্তিকে আরও দৃঢ় করে। সদা প্রেরণাদায়ী, এমন দূরদর্শী কবিকে তাঁর জন্মবার্ষিকীতে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি।’’

    এর আগে, বাংলায় আসার আগে সোমবার রাতেই ট্যুইটারে অমিত শাহ লেখেন, প্রত্যেক প্রজন্মের কাছে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ কবিগুরুর লেখনি।

    আরও পড়ুন: রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধা জানাতে কলকাতায় অমিত শাহ, জেনে নিন চূড়ান্ত কর্মসূচি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: স্টেশন চত্বরে গাড়ি-দোকান ভাঙচুর, প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল

    TMC: স্টেশন চত্বরে গাড়ি-দোকান ভাঙচুর, প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তাল হয়ে উঠল বর্ধমান স্টেশন চত্বর। রাতের অন্ধকারে বর্ধমান স্টেশন চত্বর জুড়ে তাণ্ডব চলে। ১০ থেকে ১২ টি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। পাশাপাশি  ১০টি গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। প্রকাশ্যে এই তাণ্ডব চালানোর ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের (TMC) সাধারণ সম্পাদক ইফতিকার আহমেদ ও তৃণমূল নেতা গোলাব সোনকারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এবার সেই কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ৭ মে রাতে গোলাব সোনকারের অনুগামীরা এসে স্টেশন চত্বরে একাধিক দোকানে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। স্টেশনের গ্যারাজে রাখা ১০টি প্রাইভেট গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। বর্ধমান স্টেশন চত্বরে ঢুকে স্থানীয় বিধায়কের নামে ও প্রাক্তন আই এন টি টি ইউসির সভাপতির নামে গালিগালাজও করে। হামলাকারীদের হাতে রড, লাঠি এবং তরোয়াল ছিল। এমনকী ইফতিকারসহ তাঁর কয়েকজন অনুগামীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সোমবার এই ঘটনার প্রতিবাদে ইফতিকারের নেতৃত্বে এলাকায় প্রতিবাদ মিছিল করা হয়। এই ঘটনায় রাতে বর্ধমান স্টেশনে ব্যবসায়ী থেকে  গাড়িচালক সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে বর্ধমান থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    কী বললেন ব্যবসায়ীরা?

    স্থানীয় এক ব্যবসায়ী সেখ আলিউদ্দিন বলেন, আমরা অন্যদিনের মতো দোকানে বসেছিলাম। আচমকা কয়েকজন দুষ্কৃতী এসে হামলা চালায়। বিধায়কের নামে তারা গালিগালাজ করে। আমার দোকানে তাণ্ডব চালায়। লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি।

    স্টেশনে তাণ্ডব নিয়ে শুরু হয়েছে তরজা

    তৃণমূল নেতা ইফতিকার আহমেদ বলেন, গোলাব আগে সিপিএম করত। মধ্যে বিজেপিতে গিয়েছিল। এখন তৃণমূলে (TMC) রয়েছে। অকারণে এসে ওরা হামলা চালায়। স্টেশন চত্বরে তাণ্ডব চালায়। আমাদের ওপর চড়াও হয়। আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। অন্যদিকে, তৃণমূল (TMC) নেতা গোলাব সোনকার বলেন, আমার ছেলে কয়েকজন বন্ধু নিয়ে চারচাকা গাড়ি করে ঘুরতে গিয়েছিল। উড়ালপুলের পাশে ছবি তোলার সময় তৃণমূল পার্টি অফিস থেকে কয়েকজন এসে হামলা চালায়। ইফতিকার আমার ছেলেকে গালিগালাজ করে। সেটার প্রতিরোধ করা হয়েছে। স্টেশনে কোনও তাণ্ডব চালানো হয়নি। ওরা ভাঙচুর করে আমাদের নামে দায় চাপাচ্ছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক?

    তৃণমূল (TMC) বিধায়ক খোকন দাস বলেন, কে বা কারা তাণ্ডব চালিয়েছে তা জানতে পারিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রয়েছেন। যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share