Tag: Madhyom

Madhyom

  • Pakistan: অপারেশন সিঁদুর থামাতে আমেরিকার হাতে-পায়ে পড়েছিল পাকিস্তান! প্রকাশ্যে মার্কিন নথি

    Pakistan: অপারেশন সিঁদুর থামাতে আমেরিকার হাতে-পায়ে পড়েছিল পাকিস্তান! প্রকাশ্যে মার্কিন নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের সামরিক অভিযান অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে এক নজিরবিহীন কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছিল পাকিস্তান (Pakistan)। মার্কিন সরকারি নথি থেকে জানা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার জবাবে ভারতের সামরিক অভিযানের (অপারেশন সিঁদুর) থামাতে পাকিস্তান সরাসরি মার্কিন হস্তক্ষেপ দাবি করে। মার্কিন প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে জমা দেওয়া সরকারি নথি অনুযায়ী, পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত এবং প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে সব মিলিয়ে ৬০ জনেরও বেশি মার্কিন সরকারি কর্তা, নীতিনির্ধারক ও প্রভাবশালী মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। উদ্দেশ্য ছিল, যেকোনও উপায়ে, যেনতেন প্রকারে ভারতের সামরিক অভিযান বন্ধ করতে ওয়াশিংটনের চাপ সৃষ্টি করা।

     কী বলছে ফাঁস হওয়া নথি? (Pakistan)

    নথি অনুযায়ী, পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক প্রচারাভিযানের লক্ষ্য ছিল, হোয়াইট হাউস ও মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা, মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরা, পেন্টাগনের প্রতিরক্ষা কর্তারা, মার্কিন বিদেশ দফতর (স্টেট ডিপার্টমেন্ট) এবং প্রভাবশালী মার্কিন সাংবাদিক ও নীতিবিশেষজ্ঞরা। এই তৎপরতার মূল উদ্দেশ্য ছিল, ভারতের সামরিক পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ফেলে সীমিত বা বন্ধ করে দেওয়া। সংবাদ মাধ্যমে (Pakistan) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন সরকারি নথিতে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে যে পাকিস্তান ভারতীয় সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে সরাসরি আমেরিকার চেয়ে কার্যত হাতে-পায়ে পড়ে গিয়েছিল। কূটনৈতিক ভাষায় বলা হলেও, বার্তা ছিল পরিষ্কার, ভারতের অভিযান যেভাবেই হোক থামাতে হবে (Operation Sindoor)।

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা প্রমাণ করে যে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী কঠোর অবস্থানের পর পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে কোণঠাসা মনে করছে। বিশেষত, দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে তৃতীয় পক্ষকে টানার পাকিস্তানি প্রবণতা ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে।ভারত সরকার অবশ্য আগেই স্পষ্ট করেছে যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আত্মরক্ষামূলক প্রয়াস, এবং এতে কোনও বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রশ্ন নেই (Pakistan)। মার্কিন ফরেন এজেন্টস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের আওতায় জমা দেওয়া এই নথিগুলিতে বলা হয়েছে, ওই সময়ের মধ্যে পাকিস্তানি প্রতিনিধিরা অন্তত ৫০টিরও বেশি বৈঠক করেছেন বা বৈঠকের অনুরোধ জানিয়েছেন প্রভাবশালী মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ও শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে (Operation Sindoor)।

    পাকিস্তানের এই লবিং

    জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের এই লবিং অভিযানে কেবল কাশ্মীর ইস্যুই নয়, আলোচনায় উঠে এসেছে, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, কাশ্মীর সংকট, বিরল খনিজ ও রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস, পাকিস্তান–মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ। অনেক ক্ষেত্রেই পাক প্রতিনিধিরা প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার ও ব্যাকগ্রাউন্ড ব্রিফিংয়ের আবেদনও করেছেন (Pakistan)। এই নথির একাধিক এন্ট্রিতে পাকিস্তানের এই কার্যকলাপকে সরাসরি “অনগোয়িং রিপ্রেজেন্টেশন অফ পাকিস্তান” বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ই-মেল, ফোন এবং সরাসরি বৈঠকের মাধ্যমে ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়টি এই লবিং অভিযানের তীব্রতা ও পরিকল্পিত চরিত্রকেই স্পষ্ট করে (Operation Sindoor)। রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, এই লবিংয়ের মূল লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় করে ভারতের সামরিক প্রতিক্রিয়াকে নরম করা। ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করেই ইসলামাবাদ ভারতের চাপ মোকাবিলায় কৌশলগত সুবিধা নিতে চেয়েছিল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

    দ্রুত প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্য

    এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরেই আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, সংঘর্ষ চলাকালীন এমন সক্রিয় লবিং কতটা ন্যায্য?, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় বিদেশি প্রভাব কতটা গভীর? ভারত–পাকিস্তান সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই লবিং অভিযানের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখন আলোচনা তুঙ্গে (Pakistan)। জানা গিয়েছে, মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ মহলে দ্রুত প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে পাকিস্তান গত কয়েক বছরে ব্যাপক লবিং করেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসলামাবাদ প্রায় ছ’টি ওয়াশিংটনভিত্তিক লবিং সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছিল, যার আর্থিক মূল্য বছরে ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি (Operation Sindoor)। এই লবিং প্রচেষ্টার লক্ষ্য ছিল পূর্বাতন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে দ্রুত ও সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই কৌশলের ফল খুব দ্রুতই স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Pakistan)।

    লবিং কার্যকলাপ

    নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান সেইডেন ল এলএলপির সঙ্গে একটি চুক্তি করে, যারা জ্যাভেলিন অ্যাডভাইসরসের মাধ্যমে লবিং কার্যকলাপ পরিচালনা করছিল। এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই হোয়াইট হাউসে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে আতিথ্য দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Operation Sindoor)। এই বৈঠককে ঘিরে কূটনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এটি শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং পাকিস্তানের সুপরিকল্পিত কূটনৈতিক ও লবিং প্রচেষ্টারই প্রত্যক্ষ ফল। বিশ্লেষকদের দাবি, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান তার অবস্থান মজবুত করতে এবং মার্কিন প্রশাসনের সমর্থন পেতে এই ধরনের লবিং কৌশলকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে হোয়াইট হাউস বা পাকিস্তান সরকারের তরফে এই বৈঠকের বিষয়ে (Operation Sindoor) বিস্তারিত কোনও সরকারি বিবৃতি এখনও প্রকাশ করা হয়নি (Pakistan)।

  • Assam: বাংলাদেশের জেহাদি মডিউলের পর্দাফাঁস অসম পুলিশের

    Assam: বাংলাদেশের জেহাদি মডিউলের পর্দাফাঁস অসম পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের জেহাদি মডিউলের (Jihadi Module) পর্দাফাঁস করল অসম পুলিশ। মঙ্গলবার অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ কথা জানান। এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে আত্মগোপন করে থাকা জেহাদিদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। তিনি লিখেছেন, “কয়েকদিন আগেই অসম পুলিশ একটি জেহাদি মডিউলের পর্দা ফাঁস করেছে। রাজ্যে অনেক জেহাদি লুকিয়ে রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।”

    ভিডিও বার্তা (Assam)

    ওই পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিও বার্তাও দিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। সেই বার্তায় তিনি জানান, জেহাদিদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অসমে জেহাদিরা আছে, এবং আমরা গত ১০ বছর ধরে নিয়মিত এর প্রমাণ পাচ্ছি। রাজ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই ধরনের অভিযান চালিয়ে যাব। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর এই পোস্ট থেকেই জানা গিয়েছে, নিষিদ্ধ জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। এই বাংলাদেশভিত্তিক জেহাদি মডিউলটি অসমের যুবকদের মৌলবাদী মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ করছিল। তারা পুবা-আকাশের মতো এনক্রিপ্টেড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিয়োগ, মতাদর্শ প্রচার এবং জঙ্গি কার্যকলাপে অর্থায়ন করত।

    মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট

    মুখ্যমন্ত্রীর করা পোস্টে এও জানানো হয়েছে, অসম পুলিশ বাংলাদেশ থেকে হ্যান্ডলার এবং স্থানীয় অপারেটিভদের নিয়ে আন্তঃসীমান্ত জঙ্গি সংযোগ উন্মোচন করেছে (Assam)। এসটিএফ এবং অসম পুলিশের দ্রুত অভিযানে অসম ও ত্রিপুরাজুড়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এটি একটি বড় নিরাপত্তা হুমকি এড়াতে সাহায্য করেছে (Jihadi Module)।

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে অসম সরকার রাজ্যে উগ্রপন্থার প্রচার বন্ধ করতে জেএমবি, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, আনসার আল ইসলাম / প্রো-একিউআইএস এবং অন্য সহযোগী গোষ্ঠীর মতো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত যে কোনও মৌলবাদী বা জেহাদি উপাদানের প্রকাশ, প্রচার এবং দখল নিষিদ্ধ করেছিল। এতে আরও বলা হয়েছে, অসম পুলিশ স্পেশাল ব্রাঞ্চ, ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট, জেলা সিনিয়র পুলিশ সুপার, সাইবার ক্রাইম ইউনিট এবং সমস্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এই বিজ্ঞপ্তির কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করবে (Assam)। এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইনের অধীনে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবে। এর মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা তথ্য, সাইবার প্যাট্রোলিং রিপোর্ট এবং অসম পুলিশ ও স্পেশাল টাস্কফোর্স, অসমের সাম্প্রতিক তদন্তে ওই নিষিদ্ধ সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত মৌলবাদী কিংবা জেহাদি সাহিত্য প্রকাশনা, নথি এবং ডিজিটাল প্রচার সামগ্রীর (Jihadi Module) ক্রমাগত প্রচার, দখল, বিতরণ এবং ডিজিটাল ট্রান্সমিশনও (Assam)।

  • Dhurandhar: ৮৩১ কোটিতে ইতিহাস গড়ল ‘ধুরন্ধর’, ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি ছবি

    Dhurandhar: ৮৩১ কোটিতে ইতিহাস গড়ল ‘ধুরন্ধর’, ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বক্স অফিসে ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে ‘ধুরন্ধর’ হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্থাপন করল। রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ একের পর এক রেকর্ড ভেঙে চলেছে বক্স অফিসে। একটি ভাষায় নির্মিত ভারতীয় ছবির মধ্যে সর্বোচ্চ আয় করা ছবির তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে এই স্পাই থ্রিলার, টপকে গিয়েছে আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা ২’-কেও। ৩৩তম দিনের শেষে ছবিটি ভারতে নেট আয় করেছে ৮৩১.৪০ কোটি টাকা, যা একে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি চলচ্চিত্রে পরিণত করেছে।

    এক ভাষায় সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা ভারতীয় ছবি

    বুধবার নিজেদের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম পেজে একটি বিশেষ নোট শেয়ার করে ‘ধুরন্ধর’-এর নির্মাতা আদিত্য ধর এবং জিও স্টুডিওসকে অভিনন্দন জানায় যশ রাজ ফিল্মস। পোস্টে লেখা হয়, “ধুরন্ধর শুধুমাত্র একটি ছবি নয়… এটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে এক মাইলস্টোন, যা চিরদিন মনে রাখা হবে। এক ভাষায় সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা ভারতীয় ছবি হিসেবে ইতিহাস গড়ার জন্য আদিত্য ধর এবং জিও স্টুডিওসকে অভিনন্দন।” উত্তর আমেরিকায় বক্স অফিসে ইতিমধ্যে ইতিহাস গড়েছে ‘ধুরন্ধর’। গত সপ্তাহে ছবিটি শাহরুখ খানের ‘পাঠান’-কে টপকে উত্তর আমেরিকায় সর্বোচ্চ আয় করা বলিউড ছবির তকমা দখল করেছে। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, চতুর্থ মঙ্গলবারের শেষে উত্তর আমেরিকায় ‘ধুরন্ধর’-এর আয় পৌঁছেছে ১৭.৫০ মিলিয়ন ডলারে, যেখানে ‘পাঠান’-এর মোট আয় ছিল ১৭.৪৯ মিলিয়ন ডলার।

    বিশ্বজুড়ে ছবিটির মোট আয় পেরিয়েছে ১২০০ কোটি টাকা

    নির্মাতাদের দাবি অনুযায়ী, এক ভাষায় মুক্তিপ্রাপ্ত ভারতীয় ছবির মধ্যে সর্বোচ্চ আয়কারী হিসেবেও ‘ধুরন্ধর’ এখন শীর্ষে। ছবিটি হিন্দি ভাষায় আয় করেছে ৮৩১ কোটি টাকারও বেশি, যা ‘পুষ্পা ২’-এর হিন্দি কালেকশনকে ছাপিয়ে গিয়েছে। যদিও ‘পুষ্পা ২’ অন্যান্য ভাষা অর্থাৎ তেলুগু, তামিল, মালয়ালম ও কন্নড় মিলিয়ে আরও প্রায় ৪০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছিল। আদিত্য ধরের এই স্পাই-অ্যাকশন থ্রিলারটি একটি দুই পর্বের সিরিজের প্রথম ছবি। ‘ধুরন্ধর’-এ রণবীর সিংকে দেখা গেছে হামজা চরিত্রে – এক ভারতীয় গুপ্তচর, যিনি পাকিস্তানের লিয়ারির অপরাধজগত ও রাজনৈতিক আন্ডারওয়ার্ল্ডে অনুপ্রবেশ করেন এক গোপন সন্ত্রাস দমন অভিযানের অংশ হিসেবে। ছবির গল্পে বাস্তব ইতিহাসের ছায়াও স্পষ্ট। ১৯৯৯ সালের আইসি-৮১৪ বিমান হাইজ্যাক, ২০০১ সালের সংসদ হামলা এবং ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার মতো ঘটনাগুলি গল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়া ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন সারা অর্জুন, অর্জুন রামপাল, রাকেশ বেদি এবং সঞ্জয় দত্ত। স্যাকনিল্কের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ছবিটির মোট আয় পেরিয়েছে ১২০০ কোটি টাকা। আর এই বছরের মার্চ মাসেই মুক্তি পাওয়ার কথা ‘ধুরন্ধর’-এর সিক্যুয়েলের।

  • Bangladesh Crisis: নৈরাজ্যের বাংলাদেশে ফের নিশানায় হিন্দু, গণপিটুনি থেকে বাঁচতে খালে ঝাঁপ যুবকের, ডুবে মৃত্যু

    Bangladesh Crisis: নৈরাজ্যের বাংলাদেশে ফের নিশানায় হিন্দু, গণপিটুনি থেকে বাঁচতে খালে ঝাঁপ যুবকের, ডুবে মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের (Hindu Community) উপর আক্রমণের ঘটনা বেড়েই চলেছে। নৈরাজ্যের বাংলাদেশে আরও একটি মর্মান্তিক ঘটনার খবর সামনে এসেছে। মঙ্গলবার বিকেলে চোর সন্দেহে একদল মানুষের তাড়া খেয়ে প্রাণ বাঁচাতে খালে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৫ বছর বয়সি এক হিন্দু যুবকের (Hindu Young Man)। মৃতের নাম মিঠুন সরকার। তিনি বাংলাদেশের ভান্ডারপুর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ খাল থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করে। অভিযোগ, চোর সন্দেহে একদল উন্মুক্ত জনতা তাঁকে তাড়া করে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন। এমনকী মিঠুনের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ নিয়েও কিছু জানাতে ব্যর্থ বাংলাদেশ পুলিশ। তাহলে কী সত্যিই সে চোর নাকি শুধু হিন্দু হওয়ার অপরাধেই ফের অকালে ঝড়ে গেল আরও একটি প্রাণ?

    কী ঘটেছিল মিঠুনের সঙ্গে

    পুলিশ এবং প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চোর সন্দেহে মঙ্গলবার দুপুরে হাট চকগৌরি বাজার এলাকায় বেশ কিছু যুবক মিঠুনকে ধাওয়া করে। প্রাণে বাঁচতে দৌড় শুরু করেন মিঠুন। জনতার হাত থেকে প্রাণে বাঁচতে রাস্তার পাশে একটি খালে ঝাঁপ দেন। এরপর থেকেই আর মিঠুনের খোঁজ মিলছিল না। বেশ কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পরেও তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষমেশ রাজশাহী এলাকা থেকে ডুবুরি আনিয়ে শুরু হয় খোঁজ। জানা যায়, বিকেলের দিকে ভেসে ওঠে মিঠুনের নিথর দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মহাদেবপুর উপজেলার নওহাটা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম মোস্তাফা জানিয়েছেন, দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে চুরির যে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে তদন্ত চলছে বলে জানান ওই পুলিশ আধিকারিক।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের উপরে নির্যাতনের ছবি ক্রমশ ভয়ংকর

    বছরের শেষদিনে খোকন দাস নামের এক হিন্দু ব্যক্তিকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে উন্মত্ত জনতা। প্রাণে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপা দেন। কিন্তু মার খেয়ে আধ-মরা হয়ে যান খোকন। দিনদুয়েক পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। এরও আগে ময়মনসিংহের ভালুকায় খুন হন বজেন্দ্র বিশ্বাস। সহকর্মীর গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়। সোমবার যশোর জেলায় অজ্ঞাত হামলাকারীরা এক হিন্দু ব্যবসায়ী ও একটি খবরের কাগজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদককে মাথায় গুলি করে হত্যা করে। একই দিনে নরসিংদী শহরে ৪০ বছরের এক হিন্দু মুদি দোকানদারকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয়। সবমিলিয়ে গত তিন সপ্তাহে বাংলাদেশে হিংসার শিকার হয়েছেন একাধিক সংখ্যালঘু হিন্দু। বাদ পড়ছেন না মহিলারাও। সম্প্রতি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক বিধবা হিন্দু মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এমনকী নারকীয় নির্যাতনের ভিডিও করে তা সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয় দুই অভিযুক্ত। সামগ্রিক ভাবেই সংখ্যালঘুদের উপরে নির্যাতনের ছবিটা ক্রমেই ভয়ংকর হয়ে উঠেছে ইউনূসের ‘নতুন’ বাংলাদেশে।

    মিথ্যা অপবাদ, অসহায় মৃত্যু

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, চোর সন্দেহে তাড়া করা হয়েছিল মিঠুন সরকারকে। মারমুখি মানুষের হাত থেকে রক্ষা পেতে পালাচ্ছিলেন তিনি। শেষে বাঁচার তাগিদে খালের জলে ঝাঁপ মেরেছিলেন ২৫ বছর বয়সি যুবক। সেই অবস্থায় প্রবল ঠান্ডায় জলে ডুবে মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁয়ের মহাদেবপুরে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। তবে তিনি চুরি করেছিলেন কি না এই বিষয়ে কোনও প্রমাণ পুলিশ পায়নি বলে জানানো হয়েছে। ফলে এই ঘটনায় ফের একবার প্রশ্নের মুখে ইউনুস সরকার।

    ভোটের আগে সংখ্যালঘুদের আতঙ্কিত করাই উদ্দেশ্যে

    বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান একতা পরিষদ জানিয়েছে, শুধুমাত্র ডিসেম্বর মাসেই অন্তত ৫১টি লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে রয়েছে ১০টি হত্যাকাণ্ড। এছাড়াও অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনা রিপোর্ট করা হয়েছে। ইউনিটি কাউন্সিল একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এর মধ্যে ১০টি খুন, চুরি ও ডাকাতির ১০টি ঘটনা, বাড়িঘর বা কোনও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জবরদখল করার পাশাপাশি মন্দির ও জমি লুটের ২৩টি ঘটনা ঘটেছে ৷ ধর্মের নামে ও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর চর হওয়ার মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার ও অত্যাচারের ঘটনা ঘটেছে ৪টি ৷ শুধু তাই নয়, একটি ধর্ষণের চেষ্টা এবং তিনটি শারীরিক নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৷ হিংসার এই ধারাবাহিকতা জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেও বজায় রয়েছে ৷পরিষদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই সহিংসতা সম্ভবত ফেব্রুয়ারি ১২-এর ভোটের আগে সংখ্যালঘুদের আতঙ্কিত করার উদ্দেশ্যে সংগঠিত। পরিষদের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, “বাংলাদেশ আগেও রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখোমুখি হয়েছে, তবে এই মুহূর্তের পরিস্থিতি বিপজ্জনক, সংস্থা-নির্ভরতা দুর্বল এবং সংখ্যালঘুদের ওপর আঘাতের ঝুঁকি বেড়েছে।”

    আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ

    একটি প্রতিবেদনে ঐক্য পরিষদ উল্লেখ করেছে, “বাংলাদেশ অতীতেও রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখোমুখি হয়েছে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও সাম্প্রদায়িক আতঙ্ক একসঙ্গে বিপজ্জনক রূপ নিচ্ছে।” মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং রাষ্ট্র নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থতা সেটাই বারে বারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে সেই উত্তর নেই কারও কাছে।

  • S Jaishankar: “সেখানকার মানুষ যেন সুরক্ষিত থাকেন”, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের

    S Jaishankar: “সেখানকার মানুষ যেন সুরক্ষিত থাকেন”, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি (Venezuela Crisis) নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সে দেশের ‘অপহৃত’ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এখন নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও সন্ত্রাস সম্পর্কিত অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলা চলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে বলেন, “ভেনেজুয়েলার জনগণের সুরক্ষা ও কল্যাণই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।” তিনি বলেন, “আমরা এখানে সব পক্ষকে শান্তিপূর্ণভাবে বসে পরিস্থিতির সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানাই, যাতে ভেনেজুয়েলার মানুষ সুরক্ষিত থাকেন।”

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (S Jaishankar)

    জয়শঙ্কর আরও বলেন, “ভারতের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক সব সময় ভালো। তাই ওই দেশটি নিশ্চয়ই সবসময় ভারতের কাছ থেকে ইতিবাচক সহযোগিতাই আশা করে।” চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি ভোরে আমেরিকার সশস্ত্র বাহিনী এবং স্পেশাল অপারেশন ইউনিট ‘ডেল্টা ফোর্স’ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে আমেরিকায় নিয়ে যায়। ম্যানহাটানে ফেডারেল আদালতে হাজিরও করা হয় ওই দম্পতিকে। আদালতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিজেকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন। বক্তব্য শুরু করেন “আমি আমার দেশের প্রেসিডেন্ট” বলে (Venezuela Crisis)।

    নির্দোষ, দাবি মাদুরোর 

    আদালতে স্প্যানিশ ভাষায় দেওয়া বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, “আমি নির্দোষ, দোষী নই এবং আমি একজন সৎ মানুষ।” বিচারকের সামনে তিনি স্পষ্টভাবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই নৈশ অভিযানে ভেনেজুয়েলার এবং কিউবা নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন বলে খবর। কিছু মার্কিন সৈনিকও জখম হয়েছেন (S Jaishankar)। জয়শঙ্কর সাফ জানিয়ে দেন, ভারতের উদ্বেগ লিডারশিপ পরিবর্তনের নৈতিক দিক ও জনগণের নিরাপত্তার প্রতি প্রাধান্য দিতে হবে। আন্তর্জাতিক স্বার্থের জন্য যে কোনও পদক্ষেপে মানুষের কল্যাণই মূল ভিত্তি হওয়া উচিত (Venezuela Crisis)।

    মামলার পরবর্তী শুনানি

    ১৭ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে (S Jaishankar)। এদিকে, নেতৃত্ব সংকট মোকাবিলায় ভেনেজুয়েলার শীর্ষ আদালতের নির্দেশে দেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ (Delcy Rodriguez) অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। রাষ্ট্রপ্রধানের পদ শূন্য হয়ে পড়ায় সৃষ্ট প্রশাসনিক শূন্যতা পূরণ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালতের একটি সূত্র। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ ভেনেজুয়েলার বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে (Venezuela Crisis)। ওই দেশটির পরিস্থিতির ওপর আন্তর্জাতিক মহলের নজরও রয়েছে (S Jaishankar)।

  • PM Modi: হাওড়া নয়, ১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সভা হবে সিঙ্গুরে?

    PM Modi: হাওড়া নয়, ১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সভা হবে সিঙ্গুরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ব্যাপক আন্দোলনের জেরে ১৮ বছর আগে সিঙ্গুর থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে চলে গিয়েছিলেন টাটারা। টাটার ফেলে যাওয়া সেই জমিতে শিল্প হয়নি (PM Modi)। আবাদও ভালো হয় না। এহেন অবহেলিত সিঙ্গুরেই (Singur) ১৮ জানুয়ারি জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলতি বছরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন। অঙ্গ এবং কলিঙ্গ জয়ের পর এবার পদ্মশিবিরের শ্যেন দৃষ্টি বঙ্গে। বাংলায় পদ্ম-সরকার গড়তে ১৭ জানুয়ারি মালদার ইংরেজবাজারে জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরের দিনই তিনি সভা করবেন সেই সিঙ্গুরেই, যে সিঙ্গুর একটা সময় হয়ে উঠেছিল চায়ে পে চর্চা। ঘটনাচক্রে প্রধানমন্ত্রী যেদিন পা রাখবেন সিঙ্গুরের মাটিতে, সেই দিনটিও ১৮ জানুয়ারি, ঠিক যত বছর আগে সিঙ্গুর থেকে চিরকালের জন্য চলে গিয়েছিলেন টাটারা। বিজেপি সূত্রে খবর, এদিনই সিঙ্গুর থেকে হুগলি-পুরুলিয়া লোকালের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারি এই অনুষ্ঠানের পরেই জনসভা হবে আক্ষরিক অর্থেই ‘সর্বহারা’ সিঙ্গুরে।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড কোং-এর সরকার (PM Modi)

    বাম জমানার অবসানের পর রাজ্যে টানা দেড় দশক ধরে ক্ষমতায় রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড কোং-এর তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। তার পরেও ঘোচেনি রাজ্যের হা-শিল্প দশা। উল্টে একের পর এক চালু কারখানায় পড়েছে ইয়া বড় বড় সব তালা। সম্প্রতি তালা ঝুলেছে বেলঘরিয়ার প্রবর্তক জুটমিলেও। রাতারাতি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার জুটমিল শ্রমিক-কর্মী। মিল খুলতে আন্দোলনেও নেমেছেন তাঁরা (PM Modi)। তাতে অবশ্য কোনও কাজ হয়নি। মিলের গেটে ঝুলছে তালা, পাশেই সাঁটানো রয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নোটিশ (Singur)।

    তৃণমূল নেত্রীর আশ্বাস

    করোনা অতিমারি পর্বে যখন তৃতীয়বারের জন্য সরকার গড়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই সময় তিনি বলেছিলেন, তাঁর এবারের প্রথম লক্ষ্য হল শিল্প। সেই শিল্প আনতেই তিনি ছুটে গিয়েছিলেন স্পেনে। ফি বছর নিয়ম করে আয়োজন করা হয়েছে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনেরও। সেই সম্মেলনে মোটা অঙ্কের লগ্নি করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থান হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। তার পরেও রাজ্যে একটা সেফটিপিনের কারখানাও হয়নি বলে অভিযোগ। প্রতিটি সম্মেলনের সঙ্গে সঙ্গেই উঠে এসেছে, সেই অমোঘ প্রশ্নটি, সরকারি কোষাগারের গুচ্ছের টাকা খরচ করে যে বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা (PM Modi) হয়, সেই সব সম্মেলনে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, তার কী হল? সিঙ্গুরের জমিতেই বা কোন শিল্প হল? শস্য-শ্যামলাই বা হল না কেন সিঙ্গুরের টাটা অধিগৃহীত জমি(পরে অবশ্য জমি ফেরত দেওয়া হয়েছে মালিকদের)? এহেন পরিস্থিতিতেই সিঙ্গুরে (Singur) সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    সিঙ্গুরকে হাতিয়ার!

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্যের শাসক দল যখন বিজেপির বিরুদ্ধে এসআইআর-ধর্ম কিংবা বিভেদের রাজনীতির কটাক্ষ-বাণ হানবে, ঠিক তখনই সিঙ্গুরকে হাতিয়ার করতে পারে বিজেপি। তবে ওই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী বলেন, সেদিকেই তাকিয়ে সিঙ্গুরের পাশাপাশি রাজ্যের রাজনীতির কারবারিরাও। বিজেপি সূত্রে খবর, প্রথমে ঠিক ছিল ১৮ তারিখে কলকাতা লাগোয়া (PM Modi) হাওড়ায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েই ঠিক হয় হাওড়ার বদলে সিঙ্গুরে হবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা (Singur)। এই মর্মে বঙ্গ বিজেপির তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরকে। তাঁকে জানানো হয়েছে, হাওড়ার পরিবর্তে সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রী সভা করলে তাতে আদতে লাভবান হবে বিজেপিই। সেই কারণেই ঠাঁই বদল হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার।

    হা-কর্মসংস্থান এবং শিল্পায়নের দশা

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বঙ্গ বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে হাতিয়ার করছে রাজ্যে হা-কর্মসংস্থান এবং শিল্পায়নের দশাকে। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেও রাজ্যের চাকরি এবং নয়া কর্মসংস্থান তৈরির খতিয়ান তুলে ধরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন বিজেপি সাংসদরা। সম্প্রতি রাজ্যের শিল্পায়নের খতিয়ান তুলে ধরে শাসক দলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানই রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে হতে চলেছে বিজেপির তুরুপের তাস। সম্প্রতি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে পাশে বসিয়ে শুভেন্দু বলেছিলেন (Singur), “বিজিবিএস আয়োজনেই এখনও পর্যন্ত (PM Modi) রাজ্যে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। উপহার, ভাষণ, খাওয়া-দাওয়ায়ই এই টাকা খরচ। সেই তুলনায় এ রাজ্যে লগ্নির পরিমাণ জিরো। বিজিবিএস আজ একটা ফ্লপ শো।”

    রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, যে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামকে হাতিয়ার করে বামেদের হটিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল, সেভাবেই সিঙ্গুরে জনসভা করে বিজেপি বুনে দিতে পারে টাটাকে ফেরানোর স্বপ্নের বীজ। যে স্বপ্ন এখনও দেখেন সিঙ্গুরের বাসিন্দারা। যাঁরা এক সময় তৃণমূল নেতাদের মগজধোলাইয়ের জেরে শিল্পের বিপক্ষে গিয়ে বিরুদ্ধাচরণ করেছিলেন টাটার কারখানার, তাঁরাই এখন চাইছেন সিঙ্গুরের মাটিতে ফিরুক টাটারা। শিল্পই হোক সিঙ্গুরে (PM Modi)।

  • T20 World Cup 2026: ‘ভারতেই খেলতে আসতে হবে’, বাংলাদেশকে স্পষ্ট বার্তা আইসিসি’র

    T20 World Cup 2026: ‘ভারতেই খেলতে আসতে হবে’, বাংলাদেশকে স্পষ্ট বার্তা আইসিসি’র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতেই খেলতে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) বাংলাদেশকে স্পষ্ট বলল আইসিসি। ‘ভারতে খেলতে যাব না, পাকিস্তানের মতো আমাদেরও ম্যাচও শ্রীলঙ্কায় দিতে হবে’। এটা ছিল আসন্ন বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের দাবি। তাদের এই দাবি প্রথমে উড়িয়ে দিয়েছিল বিসিসিআই। এবার একই পথে হাঁটল আইসিসি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের তরফে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়, ভারতে কোনও নিরাপত্তা সমস্যা নেই। আইসিসির স্পষ্ট বার্তা, ‘ভারতেই খেলতে আসতে হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে। আর না আসলে, কাটা যাবে পয়েন্ট।’

    বাংলাদেশের আবেদন নাকচ

    বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে স্থানান্তরিত করার দাবিতে গত রবিবার, ৪ জানুয়ারি দুপুরে আইসিসিকে ই-মেল করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশের চিঠির জবাব দেয়নি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। শেষ পর্যন্ত মিলল উত্তর। বাংলাদেশের আবেদনকে পাত্তাই দিল না আইসিসি। ফিরিয়ে দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অনুরোধ। বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে ভারতেই আসতে হবে বাংলাদেশকে। নাহলে কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হবে তাদের। ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়ে দিল আইসিসি। ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ কলকাতা ও মুম্বইয়ে খেলবে। প্রস্তুতি সারা। এই পরিস্থিতিতে ম্যাচ সরে গেলে সবদিক থেকে সমস্যা হবে আয়োজকদের। তাই বিসিবিকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, বিশ্বকাপ খেলতে হলে তাদের ভারতেই আসতে হবে। যদি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না আসে, তা হলে পয়েন্ট কাটা যাবে। অর্থাৎ, বিপক্ষকে ওয়াকওভার দেওয়া হবে।

    কী করবে, নিরুপায় বাংলাদেশ

    প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকেই বাংলাদেশে চরমে উঠেছে ভারত বিরোধিতা (India-Bangladesh)। সাম্প্রতি হিন্দু যুবক দীপু দাসের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর আন্তর্জাতিক মহলেও মুখ পোড়ে বাংলাদেশের। তবে তারপরেও হিন্দু নিধন থামেনি। এদিকে বাংলাদেশে একের পর এক ঘটনার প্রতিবাদের রেশ পড়েছে ভারতেও। চলছে কূটনৈতিক টানাপোড়েন। শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া নিয়েও ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েই চলেছেন ওপারের প্রশাসনিক কর্তারা। এরইমধ্যে আবার আইপিএল থেকে বাদ পড়েছেন মুস্তাফিজুর। নিষেধাজ্ঞার কারণে তাঁকে আর নিতে পারছে না কেকেআর। এ নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে দেওয়ার জন্য আইসিসি-র কাছে দরবার করে বাংলাদেশ। তবে আইসিসি সেই দাবি নাকচ করে দেয়। এই সিদ্ধান্তে ফলে বাংলাদেশের সামনে খোলা রইল দুটো রাস্তা। তাদের খেলতে আসতে হবে। আর যদি না আসে তা হলে তাদের বিপক্ষকে ওয়াকওভার দেওয়া হবে। যদিও আরও একটা কাজ করতে পারে আইসিসি, তারা বাংলাদেশের জায়গায় অন্য দলকে ডাকতে পারে বিশ্বকাপের জন্য।

  • Stealth Underwater Drones: সমুদ্রতলে নীরব বিপ্লব! অক্টোপাসের আদলে ভবিষ্যতের আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতের

    Stealth Underwater Drones: সমুদ্রতলে নীরব বিপ্লব! অক্টোপাসের আদলে ভবিষ্যতের আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধ (Future Undersea Warfare) ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার পথে হাঁটছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্যকে (Octopus-Inspired Technology) আদর্শ হিসেবে ধরে উন্নত স্টেলথ আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন ডিফেন্স স্টার্টআপ (Defence Startups) ও প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের জন্য নতুন গবেষণার উদ্যোগ নিচ্ছে নৌবাহিনী।

    ভারতীয় নৌবাহিনীর নতুন উদ্যোগ

    🔹 কী হচ্ছে?
    অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আন্ডারওয়াটার ড্রোন তৈরির উদ্যোগ।

    🔹 কেন অক্টোপাস?
    স্টেলথ চলাচল • দ্রুত অভিযোজন • আত্মগোপন ক্ষমতা

    🔹 লক্ষ্য কী?
    আরও গোপন, দ্রুত ও কার্যকর আন্ডারওয়াটার ড্রোন

    🔹 ব্যবহার কোথায়?
    নজরদারি • রিকনেসান্স • আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার

    🔹 কারা যুক্ত?
    ডিফেন্স স্টার্টআপ • গবেষণা প্রতিষ্ঠান • প্রযুক্তি উদ্ভাবকরা

    🔹 বড় উদ্দেশ্য
    ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধে ভারতের সামুদ্রিক শক্তি বৃদ্ধি

    অক্টোপাসের রণনীতিতে ভরসা

    বাহিনী জানিয়েছে, অক্টোপাসের স্টেলথ চলাচল, দ্রুত অভিযোজন ক্ষমতা এবং অসাধারণ ফুর্তি ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Autonomous Underwater Vehicle) ও রোবোটিক সিস্টেম নকশায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যগুলিকে কাজে লাগিয়ে আরও কার্যকর ও স্টেলথ আন্ডারওয়াটার প্ল্যাটফর্ম (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    এই উদ্যোগের আওতায় নজরদারি, রিকোনেস্যান্স (রেকি) এবং অন্যান্য নৌ-অভিযানের জন্য ব্যবহৃত আন্ডারওয়াটার ড্রোনগুলির কার্যক্ষমতা, গোপনীয়তা এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্যতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রের জটিল পরিবেশে অক্টোপাস যেভাবে নিজের রূপ বদলে আত্মগোপন করে এবং দক্ষতার সঙ্গে চলাচল করে, সেই নীতিগুলিই প্রযুক্তিগত নকশায় প্রয়োগ করার কথা ভাবছে নৌবাহিনী।

    অক্টোপাস-অনুপ্রাণিত নকশা

    ভারতীয় নৌবাহিনীর মতে, এই জীববিজ্ঞান-অনুপ্রাণিত পদ্ধতির ফলে বর্তমানে ব্যবহৃত ব্যবস্থার তুলনায় আরও উন্নত এবং প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরি করা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতের আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার (Future Undersea Warfare) এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা (Maritime Security) সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এই প্রকল্পে অংশ নিতে প্রতিরক্ষা শিল্পের সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্টার্টআপগুলিকে তাদের প্রযুক্তিগত ধারণা ও প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। নৌবাহিনীর লক্ষ্য, জৈবিক অনুপ্রেরণাকে বাস্তব প্রকৌশল ও রোবোটিক সমাধানে রূপান্তর করে ভারতের সামুদ্রিক শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করা।

  • Trump-Modi: ‘‘মোদির মতো জনপ্রিয় নন ট্রাম্প’’, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ইয়ান ব্রেমারের

    Trump-Modi: ‘‘মোদির মতো জনপ্রিয় নন ট্রাম্প’’, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ইয়ান ব্রেমারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও শুল্ক চাপানোর হুমকি। কখনও আবার পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে ভারতবিরোধী মন্তব্য। প্রায় প্রতি দিনই ‘বিতর্কিত’ বিবৃতি দেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Trump-Modi) হু-হু করে কমছে জনপ্রিয়তা। অন্যদিকে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এমনই অভিমত, ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইয়ান ব্রেমার।

    কেন ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ভাঁটা

    ইয়ান ব্রেমার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বহু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন— যেমন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতারের সামরিক অভিযান— কিন্তু এর দীর্ঘমেয়াদী সুফল তিনি নাও পেতে পারেন। তিনি বলছেন, ট্রাম্পের পদক্ষেপগুলি স্বল্পমেয়াদী রাজনৈতিক লাভ এনে দিতে পারে, কিন্তু ভবিষ্যতে তা বদলে যেতে পারে। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে ট্রাম্পের তুলনা করে বলেছেন, মোদি দীর্ঘসময় ধরে জনপ্রিয়তার কারণে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। যা তাঁর সিদ্ধান্তগুলিকে স্থিতিশীল করে তুলেছে। কিন্তু দেশের ভিতরেই ট্রাম্পের বিরোধিতা অনেক বেশি। ট্রাম্পের বয় ৮০ বছর। প্রেসিডেন্ট পদে তাঁর মেয়াদ ২০২৯ পর্যন্ত সীমিত—এবং পরবর্তী কোনও প্রেসিডেন্ট তাঁর অনেক সিদ্ধান্ত বাতিল বা পরিবর্তন করে দিতে পারে। ব্রেমার বলেন, চিনের শি জিনপিং, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন এবং ভারতের মোদির মতো স্থায়ী নেতৃত্ব নেই মার্কিন নেতৃত্বে, যেখানে প্রতি চার বছর পরপর শাসক পরিবর্তন হয় এবং সেই কারণে অনেক নীতি ও পদক্ষেপ কার্যবসিত হয় না।

    ভেনেজুয়েলার তেল, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ

    ভেনেজুয়েলাতে তেলের বড় মজুদ থাকলেও সেটি কাজে লাগাতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশ প্রয়োজন, বলে মনে করেন ব্রেমার। বর্তমানে দেশটি দৈনিক প্রায় ৮ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করছে, যা আগের ৩০ লাখ ব্যারেলের তুলনায় অনেক কম। তেলের মতো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগগুলোতে বিশ্বাস থাকতে হয়— তাই মাত্র কয়েক বছর মেয়াদি একজন প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনা তা রূপান্তর করতে সর্বদা যথেষ্ট নয়। ব্রেমার বলেন, “তাই এমন ভাবনা ঠিক নয় যে আমেরিকান কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলার সব তেল দখল করে নেবে।”

    মোদির জনপ্রিয়তা বেশি

    ব্রেমার মনে করেন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকমের কথা বলে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি করেছেন ট্রাম্প। দ্বিতীয়ত, তাঁর শুল্কনীতির জেরে ক্ষতি হচ্ছে দেশের তাবড় বড় শিল্পপতিদের। তা ছাড়া বর্ষীয়ান রিপাবলিকান নেতার বিদেশনীতি নিয়েও সেখানকার আমজনতার মধ্যে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। তাঁদের একাংশের দাবি, ‘বন্ধু’দের সঙ্গে শত্রুতা তৈরি করছেন ট্রাম্প। আর ‘সুপার পাওয়ার’ থাকার গর্বে আন্তর্জাতিক স্তরে ধীরে ধীরে একা হচ্ছে আমেরিকা। দেশেও ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কম ও মেয়াদ সীমাবদ্ধ। ফলে তাঁর অনেক সিদ্ধান্ত পরবর্তী প্রেসিডেন্টের সময় বাতিল বা বদলে যেতে পারে। মোদি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে দেশে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করেছেন। ভারতে তাঁর স্থিতিশীলতা ধরে রেখেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে নেই।

  • Winter Fatigue: শীত বাড়াচ্ছে ক্লান্তিভাব! এই আবহাওয়ায় কোন পাঁচ খাবার বাড়তি এনার্জি জোগান দেবে?

    Winter Fatigue: শীত বাড়াচ্ছে ক্লান্তিভাব! এই আবহাওয়ায় কোন পাঁচ খাবার বাড়তি এনার্জি জোগান দেবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ কমছে। রাজ্য জুড়ে শীতের দাপট। বিশেষত বর্ধমান, মেদিনীপুর, বীরভূম, পুরুলিয়ার মতো রাজ্যের একাধিক জেলার মানুষ শীত আর ঘন কুয়াশার দাপটে নাজেহাল। শীতের এই প্রবল দাপট প্রতিদিনের কাজের গতিও কমিয়ে দিচ্ছে। সকালে ঘুম থেকে ওঠা কিংবা সন্ধ্যার পরে বাইরে যাওয়া এখন রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। এমনকি ঘরের ভিতরের নিত্যদিনের কাজ এখন শ্লথ! শীত ক্লান্তি বাড়াচ্ছে। শরীরের এনার্জি কমিয়ে দিচ্ছে। বাড়িয়ে দিচ্ছে জবুথবু ভাব। বয়স্কদের পাশপাশি কম বয়সিদের মধ্যেও শীতের দাপটে জবুথবু ভাব দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়াতে শরীরে বাড়তি এনার্জির জোগান জরুরি। সেই কাজে কয়েকটি ঘরোয়া খাবারেই ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কোন খাবার এই শীতে ক্লান্তি কাটাবে?

    সবুজ সব্জি এবং মূল জাতীয় সব্জি করবে বাজিমাত!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে সুস্থ থাকতে এবং প্রয়োজনীয় এনার্জি সংগ্রহের জন্য সবুজ সব্জি এবং মূল জাতীয় সব্জিতেই তাঁরা ভরসা রাখছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিট, গাজর, শাক আলু, মূলোর মতো মূল জাতীয় সব্জি এই আবহাওয়ায় খুব উপকারি। এই ধরনের সব্জিতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ এবং ফাইবার থাকে। পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজের মতো খনিজ পদার্থ শরীরের ক্লান্তিকে সহজেই দূর করে। তাই এই ধরনের সব্জি খেলে ক্লান্তি বোধ কমে। তাছাড়া, মটরশুঁটি, পালং শাক, সিম কিংবা বাঁধাকপির মতো সবুজ সব্জি খনিজ পদার্থের পাশপাশি ফাইবার ভরপুর। ফাইবার শরীরে এনার্জির জোগান দেয়। তাই শীতকে কাবু করে স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য সবুজ সব্জি এবং মূল জাতীয় সব্জি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    নিয়মিত প্রাণীজ প্রোটিন জরুরি!

    প্রাণীজ প্রোটিন শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রাণীজ প্রোটিন শরীরে এনার্জির চাহিদা সহজেই পূরণ করে। তাই শীতের আবহাওয়ায় নিয়মিত পাতে মাছ, মাংস কিংবা ডিমের মতো প্রাণীজ প্রোটিন রাখলে উপকার হবে। এতে পেশি মজবুত হবে। ক্লান্তি ভাব সহজেই কমবে। তবে তাঁদের পরামর্শ, প্রাণীজ প্রোটিন রান্নার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। অতিরিক্ত তেল ও মশলা দিয়ে নিয়মিত প্রাণীজ প্রোটিন রান্না করলে হজমের সমস্যা হতে পারে। তাতে ক্ষতি বেশি। তাই কম তেল ও মশলা ব্যবহার করে স্যুপ বা স্ট্রু জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার।

    সন্ধ্যায় নিয়মিত বাদাম ও বীজ রাতের ঠান্ডা মোকাবিলা করবে!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের আবহাওয়ায় নিয়মিত বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার সন্ধ্যার মেনুতে রাখলে শরীরে বাড়তি উপকার হবে। এই আবহাওয়ায় উপকার পাওয়া যাবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, পেস্তার মতো বাদামে খনিজ পদার্থের পাশপাশি উপকারি ফ্যাট থাকে। যা শরীরের ক্লান্তি দূর করে। এনার্জির জোগান দেয়। পাশপাশি তিল, তিসি, কুমরো কিংবা সূর্যমুখী ফুলের বীজ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে তাপমাত্রার পারদ পতন শুধু কাজের গতি শ্লথ করে না। পাশপাশি এই আবহাওয়ায় হৃদরোগ সহ একাধিক জটিল সমস্যার দাপট বাড়ে। সন্ধ্যায় নানান ধরনের বীজ খেলে শরীরে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় থাকে। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা স্বাভাবিক থাকে। ফলে শরীর সুস্থ থাকে। স্বাভাবিক কাজ করাও সুবিধা হয়।

    লেবু, আদা এবং রসুন বাড়তি উপকারী!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত লেবু খাওয়া জরুরি। কমলালেবু, স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, মাল্টা, কিউই এই জাতীয় যেকোনও ধরনের ফল নিয়মিত খেলে শীতে বাড়তি এনার্জি পাওয়া যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে সর্দি-কাশির ভোগান্তিও কমে। আর ক্লান্তি বোধ দূর হয়। জবুথবু ভাব কমে। ফলের পাশপাশি আদা ও রসুনের মতো মশলা বিশেষ উপকারি। এই মশলা শরীরের নানান ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নষ্ট করে। বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। শরীরে এনার্জি জোগান করে। তাই রান্নায় এই দুই মশলা ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share