Tag: Madhyom

Madhyom

  • Afghanistan Earthquake: মৃত্যু ৮০০ পার, ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত আফগানিস্তানকে পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস মোদি, জয়শঙ্করের

    Afghanistan Earthquake: মৃত্যু ৮০০ পার, ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত আফগানিস্তানকে পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস মোদি, জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার গভীর রাতে আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পে আফগানিস্তানে (Afghanistan Earthquake) মৃতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়াল। আহতের সংখ্যা আড়াই হাজারের বেশি। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। এই বিপর্যয়ে আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াল ভারত। চিন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) জানিয়েছেন, ‘সাহায্যের জন্য প্রস্তুত ভারত।’ একই কথা জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করও।

    সাহায্যের আশ্বাস ভারতের

    এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে বর্তমানে চিন সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকেই তিনি এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে (Afghanistan Earthquake) প্রাণহানিতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। এই কঠিন সময়ে আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির পাশে রয়েছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। ভারত সবরকম মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ পাঠাতে প্রস্তুত।” প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) পাশাপাশি, আফগানিস্তানের এই বিপর্যয়ে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রীও। এস জয়শঙ্কর এই বিপর্যয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “এই কঠিন সময়ে ভারত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে। নিহতদের পরিবারের প্রতি রইল আমাদের গভীর সমবেদনা এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”

    মধ্যরাতে শক্তিশালী ভূমিকম্প

    মার্কিন ইউএসজিএস-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর কেন্দ্র ছিল জালালাবাদ শহর থেকে প্রায় ২৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী রিখটার স্কেলে প্রথম ভূকম্পনের (Afghanistan Earthquake) মাত্রা ছিল ৬.৩। মূল কম্পনের পর আরও অন্তত চারটি আফটারশক অনুভূত হয়, যার মাত্রা ছিল ৪.৫ থেকে ৫.২ তীব্রতার মধ্যে। শেষ খবর মেলা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮২০। বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি উদ্ধারকারী দলগুলো দুর্গম এলাকাগুলিতে পৌঁছাতে লড়াই করছে। সেখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল, ফলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নির্ধারিত হয়নি। তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছে শুধুমাত্র প্রত্যন্ত কুনার প্রদেশেই প্রায় ৮০০ জন নিহত এবং ২ হাজার ৫০০ জন আহত হয়েছেন। নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। তিনি আরও জানান, পার্শ্ববর্তী নাঙ্গারহার প্রদেশে আরও ১২ জন নিহত এবং ২৫৫ জন আহত হয়েছেন। তালিব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র আব্দুল মতিন কানি জানান, অসংখ্য বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে।

    কেন ভূমিকম্পপ্রবণ আফগানিস্তান

    আফগানিস্তান একটি ভূমিকম্পপ্রবণ (Afghanistan Earthquake) অঞ্চল, কারণ এটি ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরে ভূমিধসের ঝুঁকি থাকে ব্যাপক, ফলে উদ্ধারকার্যও চরমভাবে ব্যাহত হয়। এর আগে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে তালিবান সরকারের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৪,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ১৯৯৮ সালে তাখার ও বাদাখশন প্রদেশে প্রায় ৪,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে। রাষ্ট্রসংঘের হিসেব অনুযায়ী, গত এক দশকে আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৭,০০০ জনের, অর্থাৎ প্রতিবছর গড়ে ৫৬০ জনের প্রাণহানি ঘটে।

  • SCO Summit: বড় জয় ভারতের, শাহবাজের সামনে পহেলগাঁও হামলার নিন্দা করে বিবৃতি এসসিও-র

    SCO Summit: বড় জয় ভারতের, শাহবাজের সামনে পহেলগাঁও হামলার নিন্দা করে বিবৃতি এসসিও-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে (SCO Summit) কোনঠাসা পাকিস্তান। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী সদস্য দেশগুলি গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে ভারতকে পূর্ণ সমর্থন করেছে এসসিও গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলো। সন্ত্রাসে মদতদাতাদের বিরুদ্ধে বিচারের দাবিও উঠল। তবে সরাসরি পাকিস্তানের নামোল্লেখ নেই বিবৃতিতে। চিনের তিয়ানজিন শহরে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে থেকে নাম না-করে পাকিস্তানকে ফের এ বিষয়ে নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    এসসিও-র বিবৃতিতে পহেলগাঁও হামলার নিন্দা

    তিয়ানজিন ঘোষণাপত্রে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এসসিও সদস্য দেশগুলি সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং চরমপন্থার বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা জানিয়েছে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোনও ধরনের ‘দ্বিমুখী নীতি’ বরদাস্ত করা হবে না। একইসঙ্গে, পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে যুক্ত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক এই জোটের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সদস্য রাষ্ট্রগুলি ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। নিহত এবং আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে তারা।” ঘটনাচক্রে, ভারত, চিনের পাশাপাশি এই বহুদেশীয় জোটে পাকিস্তানও রয়েছে। তিয়ানজিনে এসসিও-র শীর্ষ সম্মেলনে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর সামনেই সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে নাম না-করে ইসলামাবাদকে বিঁধেছেন মোদি।

    ভারতের কথা মানল এসসিও

    সাম্প্রতিক অতীতে এসসিও-র সদস্য দেশগুলির প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং বিদেশমন্ত্রীদেরও বৈঠক হয়েছে তিয়ানজিনে। সেখানেও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে বিবৃতি ঘিরে জটিলতার জেরে গত জুন মাসে এসসিও-র প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সম্মেলন কোনও যৌথ বিবৃতি ছাড়াই শেষ হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে নয়াদিল্লি জানিয়েছিল, ভারত চায় বিবৃতিতে সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ উল্লেখ থাকুক। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট দেশ তা মানতে চায়নি। সেই কারণেই এসসিও-র সদস্য রাষ্ট্রগুলির প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সম্মেলনে বিবৃতি চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। সোমবার এসসিও-র বৈঠকে পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে মোদি বলেন, ‘‘পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলা তো শুধু ভারতের আত্মায় আঘাত নয়, বরং তা সেই সমস্ত দেশের প্রতি খোলামেলা চ্যালেঞ্জ, যারা মানবতায় বিশ্বাস রাখে। আমাদের এটা নিশ্চিত করতে হবে যে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোনও দ্বিচারিতা বরদাস্ত করা হবে না।’’

    সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ লড়াই

    বৈঠকশেষে যৌথ বিবৃতিতেও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, “সদস্য দেশগুলি সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পাশাপাশি, সন্ত্রাসবাদী, বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলিকে ‘ভাড়াটে সেনা’ হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা প্রতিহত করার দিকেও জোর দিচ্ছে সদস্য রাষ্ট্রগুলি।” সম্মেলন শেষে প্রধানমন্ত্রী মোদি জোর দিয়ে বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের কোন বিকল্প নেই এবং এসসিও সেই প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    ভারতের উদ্যোগকে স্বীকৃতি

    সোমবার, সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে বিশেষ বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে দুই নেতা একই গাড়িতে যাত্রা করেন, যার ছবি ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তেজনার আবহে মোদির এই চিন সফর কূটনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। শীর্ষ সম্মেলনে ভারতের উদ্যোগকেও বিশেষভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ঘোষণাপত্রে ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ’- এই ধারণাকে সমর্থন জানানো হয়।

  • Kiren Rijiju: “আদিবাসী সম্প্রদায়গুলিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বাইরে রাখা হবে”, বললেন রিজিজু

    Kiren Rijiju: “আদিবাসী সম্প্রদায়গুলিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বাইরে রাখা হবে”, বললেন রিজিজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের আদিবাসী সম্প্রদায়গুলিকে প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) বাইরে রাখা হবে। তাদের ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতি এবং জীবনধারা যাতে অক্ষত থাকে, তাই এই ব্যবস্থা।” ফের একবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)।

    ভুল প্রচার করা হচ্ছে (Kiren Rijiju)

    নয়াদিল্লিতে বনবাসী কল্যাণ আশ্রম আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। সেখানেই তিনি সাফ জানিয়ে দেন, সরকারের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভুল প্রচার করা হচ্ছে। সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রিজুজু বলেন, “আমাদের সরকার ও দল (বিজেপি) সংবিধান অনুযায়ী দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনার কথা ভাবছে। যখন ফৌজদারি আইন সবার জন্য সমান, তখন দেওয়ানি আইনও কেন সমান হবে না? কিন্তু আমরা স্পষ্ট বলেছি যে, আদিবাসীদের এর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। আদিবাসীদের নিজেদের মতো করে বাঁচার স্বাধীনতা দেওয়া হোক।” তিনি জানিয়ে দেন, ইউসিসি সংবিধানের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফশিলভুক্ত অঞ্চলে কিংবা উত্তর-পূর্বের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় কার্যকর হবে না।

    ইউসিসির পরিধি সম্পর্কে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে

    রিজিজু বলেন, “কিছু গোষ্ঠী এবং ব্যক্তি ইউসিসির পরিধি সম্পর্কে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। তবে সরকার আদিবাসী পরিচয় ও প্রথা রক্ষার ব্যাপারে অটল।” বর্তমানে ভারতের আইন কমিশন একটি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর প্রস্তাব পরীক্ষা করছে। এই বিধির লক্ষ্য হল ভারতের বহুবিধ ধর্মভিত্তিক ব্যক্তিগত আইন, যেমন বিবাহ, তালাক, উত্তরাধিকার, দত্তক গ্রহণ এবং ভরণপোষণের বদলে সব নাগরিকের জন্য একটি একক আইন কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা (Kiren Rijiju)। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতে উত্তরাখণ্ড প্রথম রাজ্য হিসেবে ইউসিসি প্রয়োগ করে। পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি যার নেতৃত্বে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই একটি বিস্তৃত খসড়া আইন প্রস্তুত করে। ৩৯২টি ধারা এবং সাতটি সূচি নিয়ে গঠিত এই খসড়াটি ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালে জমা দেওয়া হয় এবং দ্রুতই রাজ্য মন্ত্রিসভা ও গভর্নরের অনুমোদন পায় (UCC)।

    উত্তরাখণ্ডের ইউসিসিতে মুসলিম ব্যক্তিগত আইনের অধীনে হালাল, ইদ্দত এবং তাৎক্ষণিক তালাকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এটি সাম্প্রতিক দশকগুলিতে অন্যতম সবচেয়ে ব্যাপক সংস্কার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে (Kiren Rijiju)।

  • SCO Summit: ‘‘কোনও দেশ খোলাখুলি সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করছে, আমরা মেনে নেব?’’ শরিফের সামনেই এসসিও সম্মেলনে প্রশ্ন মোদির

    SCO Summit: ‘‘কোনও দেশ খোলাখুলি সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করছে, আমরা মেনে নেব?’’ শরিফের সামনেই এসসিও সম্মেলনে প্রশ্ন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসসিও সম্মেলনের (SCO Summit) মঞ্চ থেকে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) উপস্থিতিতেই সীমান্ত সন্ত্রাস নিয়ে সরব হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী লড়াইয়ে কোনও দ্বিচারিতা থাকতে পারে না। সন্ত্রাসবাদ মানবতার জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ। এই হুমকি যতদিন থাকবে, ততদিন কোনও দেশ বা সমাজ নিরাপদ নয়। তাই সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবে সহ্য করা যায় না, অভিমত প্রধানমন্ত্রী মোদির।

    খোলাখুলি সন্ত্রাস-কে সমর্থন

    সোমবার চিনের তিয়ানজিন শহরে এসসিও সম্মেলন (SCO Summit) উপলক্ষে ভারত, পাকিস্তান-সহ মোট ২০টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত হয়েছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের সঙ্গে সম্মেলনের আগে মোদি একান্তে কথা বলেন। তার পরেই মঞ্চ থেকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরব হন। বলেন, ‘‘কোনও কোনও দেশ যে ভাবে খোলাখুলি সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করছে, তা কি আমরা মেনে নিতে পারি? প্রশ্ন ওঠে।’’ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সামনে দাঁড়িয়ে সন্ত্রাসবাদে মদত নিয়ে কঠোর বার্তা দিলেন মোদি। আল কায়েদার মতো জঙ্গি সংগঠনের নামও করলেন। জানালেন, সন্ত্রাসের জন্য শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বের ক্ষতি হচ্ছে।

    পহেলাগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলা

    পহেলাগাঁও হামলা (Pahalgam Terror Attack) নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মোদি বলেন, ‘‘পহেলাগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলা তো শুধু ভারতের আত্মায় আঘাত নয়, বরং তা সেই সমস্ত দেশের প্রতি খোলামেলা চ্যালেঞ্জ, যারা মানবতায় বিশ্বাস রাখে। আমাদের এটা নিশ্চিত করতে হবে যে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোনও দ্বিচারিতা বরদাস্ত করা হবে না।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘পহেলগাঁওয়ে আমরা সন্ত্রাসবাদের একটা খুব খারাপ, উগ্র রূপ দেখেছি। আমাদের সন্তানদের হারিয়েছি। অনেকে অনাথ হয়ে গিয়েছে। গত চার দশক ধরে ভারত এই সন্ত্রাসবাদের শিকার। যে সমস্ত দেশ আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদের ধন্যবাদ।’’ মোদির এই ভাষণের সময় সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শরিফও।

    সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধ

    সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় ভারতের ভূমিকা ব্যাখ্যা করে মোদি (PM Modi At SCO Summit) বলেন, ‘‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্বের জায়গা নিয়েছে ভারত। আল কায়েদা এবং তার সহযোগী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে আমরা লড়়াই করেছি। অর্থ দিয়ে সন্ত্রাসবাদের সহযোগিতার বিরোধিতা করি আমরা।’’ মোদি সন্ত্রাসে অর্থায়নের বিষয়টি “গভীর উদ্বেগের” বলে উল্লেখ করেন এবং এসসিও সদস্য দেশগুলোকে চরমপন্থা ও মৌলবাদ মোকাবিলায় সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    এসসিও গোষ্ঠীকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মোদি। কোনও ভাবেই সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে আপস না-করার অনুরোধ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘জঙ্গিবাদ, চরমপন্থা মানবতার জন্য যৌথ চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ থাকলে কোনও দেশ, কোনও সমাজ সুরক্ষিত বোধ করতে পারে না। নিরাপত্তা সকল দেশের অধিকার।’’

    ভারতের পাশে চিন, চাপে পাকিস্তান!

    এসসিও সম্মেলনের পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের (Vladimir Putin) সঙ্গে সোমবারই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এর আগে রবিবার চিনের প্রেসিডেন্টের (Xi Jinping) সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। বিবার ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, জিনপিঙের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সীমান্তপারের সংঘাতের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। বোঝান যে, এই সন্ত্রাসবাদ ভারত এবং চিন, দুই দেশকেই প্রভাবিত করছে। তাই সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ রুখতে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ জরুরি বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে সরব হয়েছে ভারত। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নয়াদিল্লির নিশানায় থেকেছে ইসলামাবাদ। তবে জিনপিঙের সঙ্গে বৈঠকে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গ উত্থাপন তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের সম্পর্ক বরাবরই বেশ মসৃণ। এমনকি ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময়ও পাকিস্তানকে সাহায্য করার অভিযোগ উঠেছে চিনের বিরুদ্ধে। এই আবহে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় যৌথ পদক্ষেপের কথা বলে ভারত পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দিল, বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সোমবারই ভারতে ফেরার কথা প্রধানমন্ত্রী মোদির।

  • SCO Summit: পুতিন, জিনপিং-এর সঙ্গে খোশগল্পে মগ্ন মোদি, দূরে একা দাঁড়িয়ে শাহবাজ শরিফ

    SCO Summit: পুতিন, জিনপিং-এর সঙ্গে খোশগল্পে মগ্ন মোদি, দূরে একা দাঁড়িয়ে শাহবাজ শরিফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-র শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে চিনের তিয়ানজিনে পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সম্মেলনের (SCO Summit) মূল অধিবেশনের আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আলোচনার ফাঁকে তিন নেতাকে হাস্যরসে মেতে উঠতে দেখা যায়। সম্মেলনের একটি ভিডিও সংবাদমাধ্যমে বিপুল ভাইরাল হয়েছে (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। তাতে দেখা যাচ্ছে, ভারত-চিন-রাশিয়া— তিন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান নিজেদের মধ্যে খোশগল্পে মগ্ন। এর পরেই, পুতিনের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলতে বলতে হাঁটতে শুরু করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পিছনে একা দাঁড়িয়ে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথমবার একমঞ্চে দেখা গেল যুযুধান দুই পড়শি দেশের প্রধানমন্ত্রীকে। রবিবার এসসিও বৈঠকের শুরুতেই দেখা গেল, একসারিতে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তবে একে অপরের থেকে বেশ কিছুটা দূরে ছিলেন তাঁরা।

    বন্ধু পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাত আনন্দের

    চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সম্মেলনে আগত নেতাদের স্বাগত জানান। সেখানে পুতিন ও মোদিকে একসঙ্গে হাঁটতে ও প্রাণবন্ত আলোচনায় মেতে থাকতে দেখা গিয়েছে। এসসিও সম্মেলনের মধ্যেই দেখা হয় দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে পুতিনকে জড়িয়ে ধরেন মোদি। অতীতেও পুতিনের সঙ্গে আলিঙ্গন কূটনীতি সেরেছেন প্রধানমন্ত্রী। রুশ তেল কেনার শাস্তি হিসেবেই ভারতীয় পণ্যের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বারবার মার্কিন চোখরাঙানি সত্ত্বেও ভারত অবশ্য রুশ তেল কেনা বন্ধ করেনি। রাশিয়ার তরফেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, ভারতীয় পণ্যের জন্য সেদেশের বাজার খুলে দেওয়া হবে। আমেরিকা ভারতীয় পণ্য না কিনলে রাশিয়া কিনবে, এমনটাই আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি নিজের সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মোদি লেখেন, ‘প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে দেখা হওয়াটা সবসময়ই খুব আনন্দের।’ কেবল পুতিন নন, এসসিও সামিটে যেসব দেশ অংশগ্রহণ করেছে, প্রত্যেক রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গেই আলাদা করে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আলাদা করে সকলের ছবি পোস্টও করেছেন নিজের সোশাল মিডিয়ায়।

    মোদি-শরিফ দূরত্ব

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। তবে মোদি ও শাহবাজ শরিফের মধ্যে দৃশ্যত কোনও আলাপচারিতা হয়নি। বরং দুজনকে আলাদা আলাদা দেখা যায়, এমনকি একটি ছবিতে দুজনকে একে অপরের পিঠের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির এক্স (প্রাক্তন টুইটার) হ্যান্ডলে শেয়ার করা ছবিতেও দেখা যায়, শাহবাজ শরিফ পিছনের সারিতে থাকলেও মোদি কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ত টোকায়েভের সঙ্গে “গঠনমূলক মতবিনিময়”-এর কথা উল্লেখ করেন। সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ফটোতেও মোদি ও শরিফকে দূরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

    এসসিও সম্মেলনের হাইলাইটস

    এসসিও-র ১০ সদস্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের অংশগ্রহণে এবারের শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে সোমবার। দিনভর নানা আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতের দিশা নির্ধারণে উদ্যোগ নিচ্ছে এসসিও। রবিবার রাতে এক বর্ণাঢ্য ভোজসভার মাধ্যমে ২৫তম সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সেই অনুষ্ঠানে মোদির পাশাপাশি পুতিনসহ অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। চিন এবছর এসসিও-র সভাপতিত্ব করছে। এবারের সম্মেলনই এখনও পর্যন্ত সংগঠনের ইতিহাসে বৃহত্তম। এসসিও প্লাস ফর্ম্যাটে মোট ২০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান,সম্মেলনে আমন্ত্রিত। যার মধ্যে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও রয়েছেন। এই বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান, ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেস্কিয়ান ও উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জন উন। নিয়মিত সদস্য ছাড়াও অতিথি এবং পর্যবেক্ষক হিসাবে বেশ কয়েকটি দেশের প্রধানকে এবারের এসসিও সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সম্মেলনের প্রথম দিনেই অতিথিদের জন্য একটি ব্যাঙ্কোয়েটের আয়োজন করেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও তাঁর স্ত্রী পেং লিউয়ান।

  • Bad Cooking Practices: রান্নাঘরের এই পাঁচ অভ্যাস বাড়াচ্ছে বিপদ! কীভাবে এড়াবেন?

    Bad Cooking Practices: রান্নাঘরের এই পাঁচ অভ্যাস বাড়াচ্ছে বিপদ! কীভাবে এড়াবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শরীর সুস্থ রাখার চাবিকাঠি রয়েছে রান্নাঘরে! কী খাবার তৈরি হচ্ছে, কীভাবে সেটা রান্না হচ্ছে আর কখন খাওয়া হচ্ছে, এই সবকিছুই জরুরি। এগুলোর উপরে শরীর সুস্থ থাকার শর্ত অনেকটাই নির্ভর করে। অন্তত এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বহু শিশু নিয়মিত পেটের অসুখে ভোগে। অনেকেই বমি কিংবা হজমের গোলমালের জেরে হয়রানি হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, এই ধরনের নানান সমস্যা হয় খাবার থেকেই। তাই রান্নাঘরের অভ্যাস নিয়ে সচেতনতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই জানেন না, খুব সাধারণ রান্নাঘরের পাঁচটি অভ্যাস আসলে বিপজ্জনক। শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছে।

    নিয়মিত বাসি ভাত এবং ডিম খাওয়ার অভ্যাস!

    জীবনের ব্যস্ততা বাড়ছে। অনেকেই এখন কাজ কমাতে একসঙ্গে অনেকটা রান্না করে রাখেন‌। তারপরে সময় মতো গরম করে খান। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই অভ্যাস খুবই বিপজ্জনক। তাঁরা জানাচ্ছেন, কিছু খাবার পুনরায় গরম করে খেলে, তার পুষ্টিগুণ একেবারেই থাকে না। বরং আরও বেশি শারীরিক ক্ষতি করে। তেমনি দুটো খাবার হলো ভাত এবং ডিম। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাসি ভাতে নানান ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে। বাসি ভাত খেলে ডায়রিয়ার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। দেখা যায়, নিয়মিত বাসি ভাত খেলে অনেকেই পেটের অসুখে ভুগছেন। ভাতের পাশাপাশি ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রেও এই পরামর্শ দিচ্ছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাসি ডিম শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। কারণ ডিম পুনরায় গরম করে খেলে ডিমের মধ্যে থাকা প্রোটিন একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শরীরে কোনও উপকার হয় না। বরং নানান রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    প্লাস্টিকের বোতলে জল রাখার অভ্যাস!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য যেমন ক্ষতিকারক, তেমনি শরীরের জন্যও ক্ষতিকারক। অধিকাংশ বাড়িতেই প্লাস্টিকের বোতলে জল রাখার রেওয়াজ। যা একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ প্লাস্টিক বোতল একবার ব্যবহারযোগ্য। কিন্তু বহু বাড়িতেই ওই বোতল দিনের পর দিন ব্যবহার হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্লাস্টিকের বোতল তৈরির সময় বিসফেনল জাতীয় উপাদান ব্যবহার করা হয়। এই উপাদান রক্তচাপের ভারসাম্য নষ্ট করে। হরমোনের সমস্যা তৈরি করে। এমনকি ইনসুলিন ক্ষরণের ক্ষেত্রেও নানান জটিলতা তৈরি করে। দীর্ঘদিন প্লাস্টিকের বোতলে জল রেখে জল খেলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হরমোন ঘটিত অসুখ এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও তৈরি হয়।

    রান্নাঘরে অতিরিক্ত সুগন্ধি ব্যবহার!

    রান্নাঘরে মাছ-মাংসের আঁশটে গন্ধ দূর করতে অনেকেই বাজারে সহজলভ্য সুগন্ধি ব্যবহার করেন। অনেকেই এখন রান্নার পরে ঘরে এয়ার ফ্রেশনার কিংবা সুগন্ধযুক্ত মোমবাতি জ্বালিয়ে গন্ধ দূর করেন। এতে সাময়িক স্বস্তি হলেও শরীরে মারাত্মক প্রভাব ফেলে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ এই সুগন্ধিতেই থ্যালেট সহ একাধিক রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়। এগুলো শরীরের পক্ষে বিপজ্জনক। হৃদপিণ্ড, ফুসফুসের উপরে এগুলোর গভীর প্রভাব পড়ে। তাই রান্নাঘরে নিয়মিত এই ধরনের সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। বরং তাদের পরামর্শ রান্নার পরে রান্নাঘর নিমপাতা এবং লেবুর রস মেশানো ঘরোয়া মিশ্রণে পরিষ্কার করলে জীবাণু দূর হবে আবার বাজে গন্ধ ও থাকবে না।

    পুরনো ননস্টিক বাসনে রান্না!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কী খাওয়া হচ্ছে, এর পাশপাশি কীভাবে রান্না করা হচ্ছে এটাও সমান জরুরি। শরীর সুস্থ রাখতে তাই কোথায় কীভাবে রান্না হচ্ছে সেটার দিকে নজরদারি প্রয়োজন। তাই তাঁদের পরামর্শ পুরনো ননস্টিক বাসনে রান্না করা একেবারেই উচিত নয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ননস্টিক বাসনে টেফলন নামে একটি রাসায়নিকের আস্তরন থাকে। পুরোনো বাসন বারবার ঘষা মাজার ফলে সেই আস্তরন ছিঁড়ে যায়। এতে বাসনের মধ্যে একধরনের রাসায়নিক ক্রিয়া হয়। ওই বাসনে রান্না করলে, ওই রাসায়নিক খাবারে মিশে যেতে পারে। বিষক্রিয়া দেখা দিতে পারে। যার প্রভাব শরীরেও পড়ে।

    অতিরিক্ত তেল ও কৃত্রিম চিনির ব্যবহার!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশজুড়ে ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের সুস্থ থাকার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের সবচেয়ে বড় কারণ জীবন‌ যাপন সংক্রান্ত নানান অভ্যাস। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত তেলে রান্না করা খাবার খাওয়া এবং কৃত্রিম চিনি খাওয়ার অভ্যাস শরীরে নানান রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই নিয়মিত তেলে ভাজা জাতীয় খাবার খান‌। অনেকেই একবার রান্না করা তেল, পুনরায় ব্যবহার করেন। যা খুবই বিপজ্জনক। একবার রান্না করার পরে আবার সেই তেল পুনরায় ব্যবহার করলে শরীরে নানান জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়‌। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রুখতে তরুণ প্রজন্মের একাংশ কৃত্রিম চিনি নিয়মিত ব্যবহার করছে। যা খুবই বিপজ্জনক। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কৃত্রিম চিনিতে নানান ক্ষতিকারক রাসায়নিক থাকে। যার ফলে ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাঁদের পরামর্শ, কম তেলে রান্না করতে হবে। চিনি কিংবা কৃত্রিম চিনি কোনোটাই শরীরের জন্য উপকারী নয়। তাই এগুলো‌ বাদ দেওয়া উচিত।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 01 September 2025: ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 September 2025: ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ২) সন্তানের কাজে গর্ববোধ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    ৩) আধ্যাত্মিক চিন্তায় মনোনিবেশ করুন।

    মিথুন

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ৩) সখপূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিবাদে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কন্যা

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভালো হবে।

    ২) ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) বাড়তি খরচের জন্য সংসারে বিবাদ হতে পারে।

    ২) দাঁতের রোগ বাড়তে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) বিদ্যার্থীদের জন্য নতুন কোনও পথ খুলতে পারে।

    ২) বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মীন

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) ভালোই কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ধর্মের ওপর অত্যাচার, দেখে নিন সাপ্তাহিক ছবিটা

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ধর্মের ওপর অত্যাচার, দেখে নিন সাপ্তাহিক ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত হিন্দু ধর্মের ওপর অত্যাচার। ভারত তো বটেই, বিদেশেও চলছে হিন্দু ও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি অপবিত্রকরণ, ঘৃণামূলক বক্তব্য (Roundup Week), যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য — হিন্দুদের ওপর ক্রমবর্ধমান আঘাত (Hindus Under Attack) চলছেই।

    সাইয়েদা সাইয়িদাইন হামিদের বক্তব্য (Hindus Under Attack)

    এক ঝলকে দেখে নিই গত এক সপ্তাহের ঘটনা। প্রথমে আসা যাক দেশের খবরে। মানবাধিকারকর্মী সাইয়েদা সাইয়িদাইন হামিদ, যিনি মনমোহন সিং সরকারের সময় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ছিলেন, তিনি বলেন, “বাংলাদেশিদের ভারতে থাকার অধিকার রয়েছে।” তাঁর যুক্তি, “আল্লাহ মানুষের জন্য পৃথিবী তৈরি করেছেন এবং তারাও মানুষ।” ইভিআর (পেরিয়ার) আয়াপ্পা ভক্তদের অপবিত্রতা ও রোগের এজেন্ট বলে অভিহিত করেছিলেন। উদয়নিধি আবার সনাতন ধর্মকে উচ্ছেদ করার ডাক দিয়েছিলেন। কর্নাটকের অন্যতম বড় উৎসব মাইসুরু দশরা কেবল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং বিজয়নগর সাম্রাজ্যের সময় থেকে চলে আসা একটি হিন্দু ধর্মীয় ঐতিহ্য। মুসলিম কর্মী বানু মুস্তাককে দশরা উদ্বোধনের দায়িত্ব দিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে কংগ্রেস সরকার।

    গণেশ মূর্তি লক্ষ্য করে ছোড়া হল ডিম

    গুজরাটের ভাদোদরায় গণেশের মূর্তি ঘরে নিয়ে যাওয়ার সময় মুসলিম অধ্যুষিত একটি এলাকায় মূর্তি লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়া হয়। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের বেটমার কাছে দৌলতাবাদ গ্রামের রবিদাস সম্প্রদায়ের এক যুবককে একদল চরমপন্থী মুসলমান যুবক মাথা কেটে ফেলার হুমকি দেয়। উত্তরপ্রদেশের বেয়ারেলি থেকে একটি বিশাল বেআইনি ইসলামিক ধর্মান্তর চক্রের পর্দা ফাঁস করেছে পুলিশ। এই চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছিল (Hindus Under Attack) বছর পঁয়ত্রিশের মাদ্রাসা পরিচালক আবদুল মাজিদ। অন্তত দশ বছর ধরে তারা সক্রিয় এবং ১৩টি রাজ্য ও ২০টিরও বেশি ভারতীয় শহরে নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছে। ভান্নিয়ারাসুর ভগবান রাম ও সনাতন ধর্ম সম্পর্কে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যের পর, আরও এক দ্রাবিড়বাদী কণ্ঠ আক্রমণ শুরু করেছে। দ্রাবিড় নাত্পু কাজগম – দ্রাবিড় বন্ধু সংঘের বক্তা শ্রীবিদ্যার দাবি, সনাতন ধর্ম পথভোলা কুকুরের চেয়েও বিপজ্জনক।

    তৃণমূল কংগ্রেসের মহুয়া মৈত্রের বচন

    তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের ঘোষণা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের শিরশ্ছেদ করা উচিত। তাঁর কাটা মাথা প্রদর্শনের জন্য টেবিলে রাখা উচিত। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে প্রবেশ প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। চেন্নাইয়ের লয়োলা কলেজ অবৈধ বাইবেল কলেজের মাধ্যমে এক বৃহৎ শিক্ষাগত জালিয়াতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শন কমিশনের প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে, জেসুইট প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদন ছাড়াই (Roundup Week) চেন্নাইয়ের থিরুভানমিয়ূরের সৎয নিলয়ম জেসুইট সেন্টারে তাদের এমএ দর্শনশাস্ত্র পড়াচ্ছিল।

    লাভ জিহাদের খবর

    উত্তরাখণ্ডের উদ্যম সিং নগরে লাভ জিহাদের খবর (Hindus Under Attack) মিলেছে। এখানে এক মুসলমান যুবক কাশেম, নিজেকে হিন্দু যুবক ভিকি হিসেবে পরিচয় দিয়ে এক হিন্দু মহিলাকে টার্গেট করে। দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেল করার পর সে তাকে জোর করে ইসলামি বিয়েতে আবদ্ধ করার চেষ্টা করে। উত্তর প্রদেশের রামপুরেও লাভ জিহাদের খবর মিলেছে। এখানে আমান সিদ্দিকি নামের এক মুসলিম যুবক সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো হিন্দু পরিচয় তৈরি করে এক হিন্দু মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে। পরে সে মেয়েটিকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে চাপ দেয়। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে শেষমেশ তাকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে।

    অত্যাচার বাংলাদেশেও

    হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে চলেছে বাংলাদেশেও। পটুয়াখালি জেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামে নিখিল কর্মকারের বাড়িতে সশস্ত্র ডাকাতরা হামলা চালায়। ডাকাতরা পরিবারের পুরুষ সদস্যদের বেঁধে ফেলে সব লুট করে নিয়ে যায়। প্রায় ২৫০ গ্রাম সোনা ও ৫০,০০০ টাকা (বাংলাদেশি টাকা) লুট হয়। ডাকাতরা বাড়ির মহিলাদেরও মারধর এবং নির্যাতন করে। মারধর করা হয় নিখিলের স্ত্রী ও কন্যাকেও (Roundup Week)।

    শ্রীলঙ্কার ভয়াবহ ছবি

    উত্তর জাফনার একটি শান্ত গ্রাম বর্তমানে শ্রীলঙ্কার ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্বল ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার প্রমাণ সামনে আনছে। এই ঘটনাগুলি দীর্ঘদিন ধরে চাপা দিয়ে রাখতে চেয়েছিল শ্রীলঙ্কা সরকার। জাফনার তামিল অধ্যুষিত অঞ্চলের চেম্মানিতে একটি গণকবরের সন্ধান মিলেছে। এই গণকবরগুলি সংঘর্ষের বছরগুলিতে নিহত ও কবর দেওয়া শ্রীলঙ্কান হিন্দুদের (Hindus Under Attack)।

    প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ পরিচালিত হয় হিন্দুবিদ্বেষ দ্বারা, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষায় ও রাজনৈতিক মতাদর্শে সযত্নে প্রোথিত। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দুবিদ্বেষ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হলেও, তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির (যেমন ভারত) প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরে আরও সূক্ষ্ম এক ধরনের হিন্দুবিদ্বেষ কাজ করে, যা (Roundup Week) হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের পরিবেশ তৈরি করে। এই সূক্ষ্ম প্রতিদিনের বৈষম্য অনেক সময় ধরা পড়ে না, যদি না প্রচলিত আইন ও প্রবণতাগুলি খুঁটিয়ে দেখা হয় (Hindus Under Attack)।

  • Trump Tariffs: ট্রাম্পের শুল্ক-সংঘাতের জের, দেশজুড়ে ডাক মার্কিন পণ্য বয়কটের

    Trump Tariffs: ট্রাম্পের শুল্ক-সংঘাতের জের, দেশজুড়ে ডাক মার্কিন পণ্য বয়কটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক (Trump Tariffs) আরোপ করার পর থেকে গোটা ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে প্রবল আমেরিকা- বিরোধী মনোভাব। রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর এই শুল্ক চাপানো হয়েছে, যা বিশ্বের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ শুল্ক। এর ফলে পেপসি, কোকাকোলা, সাবওয়ে, কেএফসি এবং ম্যাকডোনাল্ডসের মতো মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানিগুলিকে বর্জন করার আওয়াজ উঠেছে ভারতে (Swadeshi Heat)।

    মার্কিন পণ্য বর্জনের ডাক (Trump Tariffs)

    যোগগুরু বাবা রামদেব ভারতীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, ট্রাম্পের এই শুল্কের জবাবে যেন তাঁরা সব মার্কিন পণ্য বর্জন করেন। তিনি বলেন, “একজনও ভারতীয়কে পেপসি, কোকাকোলা, সাবওয়ে, কেএফসি বা ম্যাকডোনাল্ডসের কাউন্টারে দেখা যাবে না। ব্যাপক বর্জন হওয়া উচিত।”  তিনি বলেন, “যদি এমনটা হয়, তাহলে আমেরিকায় তীব্র বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে।” বিশ্বের অন্যান্য অংশে যেমন ফ্রান্স, ব্রিটেন এবং কানাডায় ইতিমধ্যেই আমেরিকা-বিরোধী বয়কট চলছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ১.৫ বিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ ভারত যদি মার্কিন কোম্পানিগুলিকে বয়কট করে, তবে তা বিপুল ক্ষতি এবং গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও ভারতীয়দের “স্বদেশি” বা দেশীয় পণ্য কেনা ও ব্যবহার করার আহ্বান জানান।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি

    তিনি বলেন, “যে কেউ ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি করতে চায় — যে কোনও রাজনৈতিক দল, যে কোনও নেতা — তাদের উচিত দেশের স্বার্থে কথা বলা এবং জনগণের মধ্যে এই বোধ জাগানো যে তাদের ‘স্বদেশি’ পণ্য কেনার সংকল্প নিতে হবে। আমরা যখন কিছু কেনার সিদ্ধান্ত নেব, তখন একটি মাত্র মানদণ্ড থাকা উচিত। আমরা সেই জিনিস কিনব, যা একজন ভারতীয় শ্রম দিয়ে তৈরি করেছেন। যা ভারতের মানুষ তৈরি করেছেন, ভারতের মানুষের দক্ষতা দিয়ে, ভারতের মানুষের ঘামের বিনিময়ে, সেটিই আমাদের কাছে ‘স্বদেশি’ (Trump Tariffs)। আমাদের ‘ভোকাল ফর লোকাল’ মন্ত্র গ্রহণ করতেই হবে।” ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্বে এখন অর্থনৈতিক স্বার্থপরতার রাজনীতি চলছে এবং প্রত্যেকে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতেই ব্যস্ত (Swadeshi Heat)।”

    ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ

    প্রসঙ্গত, ৬ অগাস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ফের একবার অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপায়। করা হয় জরিমানাও। ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে ট্রাম্প লেখেন, “ভারত শুধু বিপুল পরিমাণে রুশ তেল কিনছে তাই নয়, বরং সেই তেলের একটি বড় অংশ খোলা বাজারে বিক্রি করে বিপুল মুনাফাও করছে।” তিনি বলেন, “রাশিয়ার যুদ্ধাস্ত্র ইউক্রেনে কত মানুষকে হত্যা করছে, সে ব্যাপারে ভারতের কোনও পরোয়া নেই। এই কারণে আমি আমেরিকায় ভারত যে শুল্ক দেয়, তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াচ্ছি।” উচ্চবাচ্য না করে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দেয়, আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত অন্যায্য, অযৌক্তিক এবং অমূলক। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

    ম্যাকডোনাল্ডস পরিচালনা

    আপ পার্টির সাংসদ অশোক কুমার মিত্তল ট্রাম্পকে একটি খোলা চিঠি লিখে ৭ আগস্ট ১৯০৫ সালের স্বদেশি আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “যদি আজ ১৪৬ কোটি ভারতীয় সেই চেতনা জাগিয়ে তোলে এবং মার্কিন ব্যবসার ওপর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে, তবে এর প্রভাব ভারতের থেকে অনেক বেশি ভয়াবহ হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে (Trump Tariffs)।” ওয়েস্টলাইফ ফুডওয়ার্ল্ড লিমিটেড, যা পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতে ম্যাকডোনাল্ডস পরিচালনা করে, ২০২৪ অর্থবর্ষে ২,৩৯০ কোটি টাকা মুনাফা করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি (Swadeshi Heat)।

    ভারতের অবস্থান

    এদিকে, পেপসিকো ইন্ডিয়া ২০২৪ অর্থবর্ষে ৮ হাজার ২০০ কোটি টাকার রাজস্ব অর্জন করেছে। ভারতের অবস্থান পেপসিকোর জন্য বৈশ্বিকভাবে শীর্ষ ১৫টি বাজারের মধ্যে। গত তিন বছরে পেপসিকো ভারতের বাজারে সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। কিছুদিন আগেই আমেদাবাদের একটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আত্মনির্ভরতাই উন্নত রাষ্ট্র হওয়ার একমাত্র পথ। আমাদের প্রতিদিনের জীবনে বিদেশি পণ্য কেন দরকার হবে? নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সবই দেশীয় সংস্থা উৎপাদন করে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের গ্রামে গ্রামে প্রচার করতে হবে যে, যদি বিদেশি পণ্য বিক্রি না করলে আর্থিক ক্ষতিও হয়, জাতীয় স্বার্থে বিদেশি পণ্য বয়কট করতে হবে। কেউ যেমন বিদেশি পণ্য ক্রয় করব না, তেমন বিক্রিও করবে না।” তিনি বলেন (Swadeshi Heat), “গণপতির মূর্তি পর্যন্ত বিদেশ থেকে আসছে। তাও আবার সেই গণপতির চোখ অর্ধনিমীলিত। ক্ষুদ্র চোখ। এটা কেন হবে (Trump Tariffs)?”

  • Terrorist Bagu Khan: কাশ্মীরে খতম হিউম্যান জিপিএস, চেনেন একে?

    Terrorist Bagu Khan: কাশ্মীরে খতম হিউম্যান জিপিএস, চেনেন একে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) গুরেজ সেক্টরে গত সপ্তাহে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে দুই জঙ্গি। তাদের মধ্যে একজন ছিল বাগু খান। হিউম্যান জিপিএস নামেও পরিচিত ছিল সে। বাগু (Terrorist Bagu Khan) এবং আর এক জঙ্গি নওশেরা যখন নার এলাকায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল, তখনই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় সে।

    কে এই বাগু খান? (Terrorist Bagu Khan)

    প্রশ্ন হল, কে এই বাগু খান? বাগু খান সমন্দর চাচা নামেও পরিচিত ছিল। সে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওয়ান্টেড তালিকায় ছিল। ১৯৯৫ সাল থেকে গুরেজ সেক্টরের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে সে ১০০ও বেশি জঙ্গিকে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টায় জড়িত ছিল। তার অধিকাংশ চেষ্টাই সফল হয়েছিল। কারণ সে এই অঞ্চলটির দুর্গম ভূপ্রকৃতি ও গোপন রুটগুলি সম্পর্কে সম্যক অবহিত ছিল। সে সীমান্ত পেরিয়ে আসা যাতায়াতকারীদের অন্যতম প্রবীণ হ্যান্ডলার ছিল। দক্ষতার কারণে সে বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর কাছে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হত। কখনও কোনও জঙ্গিকে সীমান্ত পার করিয়ে ভারতে ঢোকাতে হলে ডাক পড়ত বাগুর।

    হিজবুল কমান্ডার

    বাগু মূলত হিজবুল কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করত। তবে সে আরও কয়েকটি সংগঠনকেও সাহায্য করেছিল। গুরেজ ও আশপাশের সেক্টরগুলি দিয়ে ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নেও সাহায্য করেছে সে। কুখ্যাত এই জঙ্গির মৃত্যু এই অঞ্চলে জঙ্গি সংগঠনগুলিকে সাহায্যদানকারী লজিস্টিক নেটওয়ার্কের জন্য একটি বড় ধাক্কা বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। সাম্প্রতিক যে সংঘর্ষটি নৌশেরা নার এলাকায় হয়েছে, তার নাম “অপারেশন নৌশেরা নার চতুর্থ”। এখানে সেনারা ভারী অস্ত্রসজ্জিত একদল অনুপ্রবেশকারীর মুখোমুখি হয়। শুরু হয় গুলি যুদ্ধ। নিকেশ হয় বাগু-সহ দুজন। বাকিরা পালিয়ে যায় (Terrorist Bagu Khan)।

    জানা গিয়েছে, ১৯৯৫ সাল থেকে বাগু ঘাঁটি গেড়েছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। তার প্রধান কাজই ছিল, ভারতে জঙ্গি ঢোকানো। বহু বছর ধরে বাগুকে খুঁজছিল ভারতের নিরাপত্তাবাহিনী। বৃহস্পতিবার গুরেজে নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন এলাকা দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল আরও দুই জঙ্গি (Jammu Kashmir)। সেনার গুলিতে মৃত্যু হয় তাদের। এরপর ফের একবার অভিযান চালানো হয় গুরেজে। তাতেই খতম হয় বাগু (Terrorist Bagu Khan)।

LinkedIn
Share