Tag: Madhyom

Madhyom

  • Bangladesh Crisis: মধ্যরাতে তাণ্ডব বাংলাদেশে, মুজিবের বাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা!

    Bangladesh Crisis: মধ্যরাতে তাণ্ডব বাংলাদেশে, মুজিবের বাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তির বাংলাদেশে ইতিহাস হয়ে গেল ‘ইতিহাস’! এবং সেটাও হল এমন সময় যখন বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) তদারকি সরকারের মাথায় যিনি রয়েছেন, সেই মহম্মদ ইউনূস নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন শান্তির জন্য! ফেরা যাক খবরে। বুধবার রাতে ঢাকায় শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় (Sheikh Hasina)। প্রথমে মুজিবের বাড়িতে তাণ্ডব চালায় উন্মত্ত জনতা। ভাঙচুর করার পাশাপাশি লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। গভীর রাতে বুলডোজার নিয়ে এসে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয় ‘ইতিহাস’।

    বাংলাদেশে তাণ্ডব (Bangladesh Crisis)

    এদিন বাংলাদেশবাসীর উদ্দেশে ভার্চুয়ালি ভাষণ দেন সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর ভাষণ শুরুর আগেই তাণ্ডব চালানো হয় হাসিনার বাবার বাড়িতে। এই ধানমন্ডিতেই বাড়ি রয়েছে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও। বাড়ির নাম সুধা সদন। আওয়ামি লিগ সুপ্রিমোর সেই বাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এদিন রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ ভোলা সদরের গাজিপুর সড়কে প্রিয় কুটির নামে একটি বাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এটি আওয়ামি লিগ নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ তোফায়েল আহমেদের বাড়ি। রাত ১টা নাগাদ কুমিল্লার মুন্সেফবাড়ি এলাকায় প্রাক্তন সাংসদ বাহাউদ্দিন বাহারের বাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুনও।

    অগ্নিসংযোগ শেখ হাসিনার বাড়িতেও

    হাসিনা-বিরোধী জনতার রোষের আগুনের হাত থেকে রেহাই পায়নি খুলনায় শেখ বাড়িও (Bangladesh Crisis)। এই বাড়িটি হাসিনার কাকার। এদিন রাত ৯টা নাগাদ তাণ্ডব শুরু হয় এই বাড়িতে। প্রথমে বাড়িটি ভাঙচুর করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। পরে সিটি কর্পোরেশনের দুটি বুলডোজার নিয়ে বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। কুষ্টিয়ায়ও বুলডোজার চলেছে প্রাক্তন সাংসদ মাহবুব উল আম হানিফের বাড়িতে। জাহাঙ্গিরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও মুজিব ও হাসিনার ম্যুরালও ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

    ফ্যাসিবাদের তীর্থভূমি!

    বাংলাদেশের ‘ইতিহাস’ যে এদিন ধুলোয় মিশিয়ে যাবে, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। এদিন বিকেল থেকেই ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি (এটাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাড়ি) গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে সোস্যাল মিডিয়ায়। সন্ধ্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহও সোস্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, ‘আজ রাতে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের তীর্থভূমি মুক্ত হবে।’ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল (Sheikh Hasina) সংবাদ মাধ্যমকেও। বলা হয়েছিল, কোনও সংবাদমাধ্যম হাসিনার ভাষণ প্রচার করলে, সেই গণমাধ্যম হাসিনাকে সহযোগিতা করছে বলে ধরে নেওয়া হবে।

    ধুলোয় মিশল ইতিহাস

    ধানমন্ডির এই বাড়িটিই পাঁচ দশক আগে বাংলাদেশে রক্তাক্ত পালাবদলের সাক্ষী। সেই সময় গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিল শেখ মুজিবুর রহমানের দেহ। হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পর তাঁর পৈত্রিক বাড়িটিকে পরিণত করেছিলেন সংগ্রহশালায়। ইতিহাসের সেই সাক্ষীই এখন মিশে গেল ধুলোয়। গত ৫ অগাস্ট আন্দোলনের জেরে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন হাসিনা। সেই সময়ও ভাঙচুর চালানো হয় মুজিবের ধানমন্ডির বাড়িতে। তার পর থেকে বাড়িটি ছিল পরিত্যক্ত অবস্থায়ই। এবার আগুন লাগিয়ে ভস্মীভূত করা হল সেই বাড়ি।

    কী বললেন হাসিনা

    পৈত্রিক ভবনের এই দুর্দশার প্রসঙ্গ এদিন উঠে এসেছে হাসিনার ভার্চুয়াল ভাষণেও। তিনি বলেন, “ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি থেকে জাতির পিতা (শেখ মুজিব) স্বাধীনতার (Bangladesh Crisis) কথা ঘোষণা করেছিলেন। ওই ঘটনার পর পাকিস্তানি হানাদাররা তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছিল। তখনও এই বাড়িটিতে তারা লুটপাট করেছিল। কিন্তু আগুন দিয়ে পোড়ায়নি, ভাঙেনি।” স্মৃতির সরণী বেয়ে হাঁটতে গিয়ে হাসিনা বলেন, “শেখ মুজিব কখনও দেশের রাষ্ট্রপতি ভবন কিংবা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে থাকেননি। তিনি ছিলেন এই ছোট্ট বাড়িটিতেই। আমার মা অনেক কষ্ট করে এই বাড়িটির প্রতিটি ইট নিজের হাতে গেঁথেছিলেন।” আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো বলেন, “এই বাড়িতে অনেক রাষ্ট্রপ্রধান, সরকার প্রধান, বিশ্বের বড় বড় নেতারা এসেছেন। আজ এই বাড়িটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। কেন? বাড়িটির কী অপরাধ? এই বাড়িটিকে কেন এত ভয় পাচ্ছেন (Sheikh Hasina)?”

    পাকিস্তানিদের পদলেহন করাটাই পছন্দ!

    এদিন বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের উদ্দেশে হাসিনার ৫২ মিনিটের অডিও বার্তায় বাংলাদেশবাসীর বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ করেন হাসিনা। তিনি বলেন, “আমরা দুই বোন যে স্মৃতিটুকু নিয়ে বেঁচেছিলাম, আজ সেই স্মৃতিটুকুও ভেঙে ফেলা হচ্ছে। এর আগে আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। আজ ভেঙে ফেলা হল।” গলা ধরে এল বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর। হাসিনা বলেন, “লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা যে সংবিধান, স্বাধীনতা, পতাকা পেয়েছি – তা কয়েকজন বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে পারবে না। এ শক্তি তাঁদের এখনও হয়নি। এটি তাঁদের দুর্বলতার প্রকাশ। তাঁরা দালান ভাঙতে পারে, কিন্তু ইতিহাসকে ধ্বংস করতে পারেন না। ইতিহাস যে প্রতিশোধ নেয়। এ কথা তাঁদের মনে রাখতে হবে। যাঁরা এ সব করছেন, তাঁরা হীনন্মন্যতার পরিচয় দিচ্ছেন। তাঁদের হয়তো বাংলাদেশের স্বাধীনতা পছন্দ নয়। পাকিস্তানিদের অধীনে থাকা ও পদলেহন করাটাই হয়তো তাঁদের পছন্দ।”

    বাংলাদেশকে ক্ষতবিক্ষত করে দিচ্ছে

    মুজিব কন্যা বলেন, “বাংলাদেশকে নিয়ে ধ্বংসের খেলা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সারা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল ছিল, উন্নয়নের বিস্ময় ছিল। সেই বাংলাদেশকে চরমভাবে ধ্বংস করে জঙ্গি, সন্ত্রাসীদের দেশ হিসেবে পরিণত করা হয়েছে। এটিই হল সব চেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয়।” বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁর। হাসিনা বলেন, “কেউ রেহাই পাচ্ছেন না। এদের ধ্বংসের খেলা, রক্তের খেলা বাংলাদেশকে ক্ষতবিক্ষত করে দিচ্ছে।” তাঁর ধারণা, বাংলাদেশের কোটা সংস্কার আন্দোলনও আসলে একটি ষড়যন্ত্র।

    ইউনূসকে নিশানা হাসিনার

    এদিন ইউনূসকেও নিশানা করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “১৯৯০ সালে গ্রামীণ ব্যাঙ্কের ম্যানেজারের পদে ৬ হাজার টাকা বেতনের চাকরি পেয়েছিলেন। আমি ১৯৯৬ সালে সরকারে আসার পরে এই গ্রামীণ ব্যাঙ্ককে ৪০০ কোটি টাকা দিয়ে দাঁড় করিয়ে দিই। গ্রামীণ ফোনের ব্যবসাও ইউনূসকে দিয়েছিলাম। আমার কাছে বারবার ধর্না দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সেখান থেকে লাভের অংশ গ্রামীণ ব্যাঙ্কে যাবে। কিন্তু তা যায়নি। তিনি আর্থিক দুর্নীতি করেছেন। তাঁর ক্ষমতার লোভ আজ বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে এসেছে (Bangladesh Crisis)।” তিনি বলেন, “কয়েকজন বুলডোজার দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ভেঙে ফেলবে, এই শক্তি তাদের হয়নি। তারা একটা দালান ভেঙে ফেলতে পারবে, কিন্তু ইতিহাস মুছতে পারবে না।” এদিন রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, শিলেট, বরিশাল এবং রংপুরেও হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা। হামলা চালানো হয়েছে আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের বাড়িতেও।

    মধ্যরাতে মুজিবের স্মৃতিবিজড়িত যে বাড়িতে ভাঙচুর চালানো শুরু হয়েছিল, তা চলেছে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্তও। এদিন সকাল ৯টা নাগাদ বাড়িটির সিংহভাগ অংশই ভেঙে ফেলা হয়েছে। বাড়িটির সামনে জড়ো হওয়া লোকজনের বক্তব্য, স্বৈরাচারের কোনও চিহ্ন তাঁরা রাখতে চান না। ভবনের বড় অংশ ভাঙার পর উল্লাসও করতে দেখা গিয়েছে তাদের।

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, বাংলাদেশ থেকে আওয়ামি লিগকে মুছে ফেলতে চায় ইউনূস প্রশাসন। তার জেরে ‘ইতিহাস’ ভাঙচুর শুরু (Sheikh Hasina) হলেও, গদি বাঁচাতে হাত গুটিয়ে বসে থাকেন অন্তর্বর্তী সরকারের নোবেল জয়ী প্রধান (Bangladesh Crisis)!

  • PM Modi: ‘‘সনাতন ধর্মের প্রসারে আন্তরিক প্রধানমন্ত্রী মোদি’’, মত মহাকুম্ভের সন্ন্যাসীর

    PM Modi: ‘‘সনাতন ধর্মের প্রসারে আন্তরিক প্রধানমন্ত্রী মোদি’’, মত মহাকুম্ভের সন্ন্যাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্ম প্রচার ও পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভূয়সী প্রশংসা করলেন গীতা মণিষী মহামণ্ডলেশ্বরের স্বামী জ্ঞাননন্দজি মহারাজ। প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার ৫ ফেব্রুয়ারি মহাকুম্ভে (Mahakumbh 2025) পবিত্র স্নান করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ নিয়ে এই স্বামী জ্ঞাননন্দজি মহারাজ জানিয়েছেন, এভাবেই প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি সনাতন ধর্মের প্রচার এবং পালন করছেন। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী জ্ঞাননন্দজি মহারাজ প্রয়াগরাজের পবিত্র কুম্ভে প্রধানমন্ত্রীর স্নান (Modi Kumbh Holy Dip) ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘‘এটা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মহাকুম্ভে প্রধানমন্ত্রীর পবিত্র স্নানে (MahaKumbh Holy Dip) সনাতন ধর্ম ধর্মাবলম্বীরা গর্বিত হয়েছেন। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বার্তাও দিয়েছেন যে সনাতন ধর্মের প্রচারে এবং প্রসারে তিনি ঠিক কতটা আন্তরিক। পবিত্র স্নান করতে তিনি আলাদা কোনও সুযোগ নেননি। তাঁর এই পবিত্র স্নানে প্রতিফলন দেখা গিয়েছে হয়ে প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের।’’

    সনাতন ধর্মের সকল গুণ রয়েছে মোদির (PM Modi) মধ্যে

    স্বামী জ্ঞাননন্দজি মহারাজ, এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) আন্তরিকতা, মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভক্তিরও প্রশংসা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে সেই সমস্ত গুণগুলি আছে যেগুলি একজন সনাতনীর মধ্যে থাকা প্রয়োজন। স্বামী জ্ঞাননন্দজি মহারাজ আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী পবিত্র স্নান (Mahakumbh 2025) করতে হাজির হয়েছেন, অন্তরের গভীর ভক্তির সঙ্গে। সাধারণ তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে তিনি স্নান করেছেন। এত বড় উচ্চপদে অধিষ্ট যিনি, তাঁর মধ্যেও সনাতন ধর্মের প্রতি এমন গভীর আস্থা লক্ষ্য করা গিয়েছে।’’

    দেশের প্রয়োজন মোদির (PM Modi) মতো নেতা

    তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতবর্ষের এখন সত্যিই প্রয়োজন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো নেতা। যাঁর মধ্যে এমন মানবতা দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে। তার সঙ্গে সঙ্গে যার মধ্যে থাকবে আধ্যাত্মিকতা এবং বিশেষত ভারতবর্ষের সনাতন ঐতিহ্য-পরম্পরার প্রতি আস্থা (Mahakumbh 2025)। এর পাশাপাশি জয়া বচ্চনের বিতর্কিত মন্তব্যেরও উত্তর দিয়েছেন জ্ঞাননন্দজি মহারাজ। জয়া বচ্চন সম্প্রীতি মন্তব্য করেন যে কুম্ভে পদপৃষ্টের ঘটনায় বহু দেহকে গঙ্গা জলে ফেলে গায়েব করা হয়েছে। এ নিয়ে জ্ঞাননন্দজি মহারাজ বলেন, ‘‘পদপিষ্টের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা সত্যিই গভীর দুঃখ পেয়েছি। যে সমস্ত ভক্তরা নিহত হয়েছেন তাঁদের জন্য। কিন্তু এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়।’’

  • Daily Horoscope 06 February 2025: কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 06 February 2025: কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কর্মদক্ষতায় চাকরির স্থানে সুনাম অর্জন করতে পারবেন।

    ২) বিষয়সম্পত্তি নিয়ে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর জন্য বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটিতে বিবাদে জড়াবেন না।

    মিথুন

    ১) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ২) সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কর্কট

    ১) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ২) বন্ধুদের দিক থেকে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    সিংহ

    ১) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ২) প্রতিযোগিতায় জেতার আশা রাখতে পারেন।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে বেশি।

    কন্যা

    ১) মাত্রাছাড়া আবেগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    তুলা

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ২) শরীরের সমস্যায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ২) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

    ২) ঘরের পরিবেশ অনুকূল থাকলেও বাইরে পরিবেশ খুব একটা উপযুক্ত হবে না।

    ৩) সংযমী হতে হবে।

    মকর

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে কেউ আপনাকে ঠকাতে পারে।

    ২) সাংসারিক সমস্যার সমাধান হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনায় সফল হবেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Solo Trekking in Nepal: হিমালয়ে সোলো-ট্রেকিং বন্ধের নির্দেশ! একা পর্বতারোহণে না নেপালের

    Solo Trekking in Nepal: হিমালয়ে সোলো-ট্রেকিং বন্ধের নির্দেশ! একা পর্বতারোহণে না নেপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোলো ট্রেকিং (Solo Trekking in Nepal) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল নেপাল। পর্বতারোহী বা অভিযাত্রীদের সুরক্ষার কথায় মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানায় নেপাল সরকার। মঙ্গলবার রাতে নেপাল গেজেটের মাধ্যমে সরকার ঘোষণা করেছে যে তারা ৮,০০০ মিটার উচ্চতার সব পর্বত শৃঙ্গের একক অভিযান নিষিদ্ধ করছে। নতুন নিয়মাবলী অনুযায়ী, ৮,০০০ মিটার বা তার বেশি উচ্চতার পর্বত শৃঙ্গের অভিযানে প্রতিটি দুই সদস্যের দলের সঙ্গে অন্তত একজন গাইড রাখতে হবে। এই বিধি এখন থেকে এভারেস্টসহ সব ৮,০০০ মিটার উচ্চতার পর্বতের জন্য প্রযোজ্য।

    কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল?

    এভারেস্ট-সহ (Solo Trekking in Nepal) বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ৮টি পর্বত অবস্থিত নেপালে। প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষেরা নেপাল আসেন শুধু ট্রেকিংয়ের লোভে। এভারেস্ট ছাড়াও মাউন্ট লোৎসে, অন্নপূর্ণা ইত্যাদি পর্বত শৃঙ্গের ট্রেকিং শুরু হয় নেপাল থেকে। কিন্তু এবার নেপালে একা-একা পর্বতারোহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নেপালের পাহাড়ি পথ বেশ দুর্গম। হিমালয়ের কোলে একাধিক দুর্ধর্ষ ট্রেকিং রুট শুরু হয় নেপাল থেকেই। নেপালের হিমালয়ের বাঁকে বাঁকে রয়েছে রোমাঞ্চ। কিন্তু এই অ্যাডভেঞ্চারের মাঝে বিপদের মুখে কোনও পর্যটক পড়ুক, তা চায় না সে দেশের সরকার। তাই দুর্ঘটনা এড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল সরকার। হিমালয়ের আচরণ বোঝা কঠিন। অন্তত এ দেশে ঘুরতে আসা পর্যটকদের ক্ষেত্রে। প্রতি বছর নেপাল ভয়াবহ ভূমিকম্প, তুষারপাত ও তুষারঝড়ের সম্মুখীন হয়। তাছাড়া উচ্চতায় দেখা দেয় অক্সিজেনের সমস্যা। এমন পরিস্থিতিতে বিপদের মুখে পড়লে কিংবা দুর্ঘটনা শিকার হলে উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিল নেপাল সরকার।

    নয়া নির্দেশে কী কী বলা হয়েছে?

    নেপালের ট্যুরিজম (Solo Trekking in Nepal) বোর্ডের মতে, সরকারের এই সিদ্ধান্তে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। নেপালে ট্রেকিংয়ের জন্য এমন গাইড নিয়ে হবে যাঁর লাইসেন্স রয়েছে। গাইডরা দুর্গম পরিবেশ এবং পাহাড়ি পথের সঙ্গে পরিচিত। সুতরাং, এই গাইডদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিচ্ছে নেপাল সরকারের এই সিদ্ধান্ত। নতুন নিয়মের আওতায়, বিদেশি অভিযাত্রীদের জন্য এভারেস্টের দক্ষিণ রুটে বসন্তে ১৫,০০০ মার্কিন ডলার রাজস্ব ফি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১১,০০০ ডলার। এছাড়া, শরতে রাজস্ব ফি বেড়ে ৭,৫০০ ডলার হয়েছে, যা আগে ছিল ৫,৫০০ ডলার। শীতকালীন অভিযান ফি ২,৭৫০ ডলার থেকে বেড়ে ৩,৭৫০ ডলার হয়েছে।

  • Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের ঐতিহাসিক সফর! বদলে যাবে বঙ্গ রাজনীতি?

    Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের ঐতিহাসিক সফর! বদলে যাবে বঙ্গ রাজনীতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বেশ কিছু সমাধানসূত্র বের করা বাকি গেরুয়া শিবিরে। বিজেপির পরবর্তী সভাপতি কে হবেন তা ঠিক করতে হবে। ২০২১ এর পর যে প্রতিকূল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তার জেরে আরএসএসেরও (RSS) সেভাবে শ্রী বৃদ্ধি হয়নি। তার ওপর সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পর পর বাধা। বাংলায় দুয়ারে হিন্দুদের অস্তিত্ব সংকট। এই পরিস্থিতিতেই বঙ্গে দশ দিনের জন্য সফরে আসছেন সংঘপ্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সংঘের তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে বলা না হলেও অনুগামীদের আশা সব প্রশ্নের উত্তর দেবেন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত।

    মোহন ভাগবতের কর্মসূচি

    সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, ৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গে আসছেন মোহন ভাগবত। ৭ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় সংঘের কার্যকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ের সাংগঠনিক বিষয়ে বৈঠক করবেন। সূত্রের খবর সেখানে আরএসএস এবং শাখা সংগঠনগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ১১ এবং ১২  ফেব্রুয়ারি সংঘের অখিল ভারতীয় টোলি অর্থাৎ জাতীয় স্তরের ৬ জন গুরুত্বপূর্ণ সর্বভারতীয় কর্তার সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি বর্ধমানে সংঘের নতুন প্রান্ত কার্যালয়ের উদ্বোধন হবে এবং ১৬ই ফেব্রুয়ারি বর্ধমানের সাই কমপ্লেক্সে মধ্য বঙ্গ প্রান্ত কর্তাদের প্রকাশ্য সম্মেলন হবে।

    কী বলছেন ক্ষেত্রীয় সহ প্রচার প্রমুখ

    প্রসঙ্গত, এর আগে বঙ্গে কোনওদিন কোনও সংঘপ্রধান ১০ দিনের জন্য আসেননি। স্বাভাবিকভাবেই এর একটা সাংগঠনিক এবং রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, যেভাবে রাজ্যে অনুপ্রবেশ, সীমান্ত সমস্যা, জন্যবিন্যাসে বদল এসেছে, তা ভালোভাবে নেয়নি আরএসএস। তাই সমাজের কঠিন সমস্যা মোকাবিলা করতে নির্দেশ আসার ইঙ্গিত রয়েছে সংঘ প্রধানের তরফে (Mohan Bhagwat)। সেই বার্তা এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে দিয়েছেন ক্ষেত্রীয় সহ প্রচার প্রমুখ জিষ্ণু বসু।

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন এ রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের জন্য নির্ণায়ক লড়াই হতে চলেছে। তার জন্য এখন থেকেই সর্বশক্তিতে ঝাঁপানো প্রয়োজন। মনে করা হচ্ছে সেই দিশা দেখাতেই বঙ্গে আসছেন আরএসএস (RSS) প্রধান। তাঁর দেখানো পথেই বঙ্গ জয়ের রণকৌশলের প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি হতে চলেছে। শাখা সংগঠনগুলিতেও সাংগঠনিক রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে (Mohan Bhagwat)।

  • Delhi Election: দিল্লি বিধানসভার কুর্সিতে এবার পদ্ম, বলছে জনমত সমীক্ষা

    Delhi Election: দিল্লি বিধানসভার কুর্সিতে এবার পদ্ম, বলছে জনমত সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দল আপকে নির্বাসনে পাঠাচ্ছেন দিল্লিবাসী (Delhi Election)! অন্তত একাধিক জনমত সমীক্ষায় (Exit Poll) উঠে এসেছে এমনই তথ্য। ৫ ফেব্রুয়ারি এক দফায় হয়েছে দিল্লির ৭০ আসনে নির্বাচন। নির্বাচনের ফল বের হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। তার আগে বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় প্রকাশ, দিল্লিতে এবার ফুটছে পদ্ম।

    জনমত সমীক্ষার ফল (Delhi Election)

    জেভিসির এক্সিট পোল বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৫টি আসন। আপের ঝুলিতে যেতে পারে ২২ থেকে ৩১টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ০ থেকে ২টি আসন। পি মার্কের জনমত সমীক্ষা বলছে দিল্লিতে বিজেপি পেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৯টি আসন। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আপ পেতে পারে ২১ থেকে ৩১টি আসন। কংগ্রেসের অবস্থা শোচনীয়। সোনিয়া-রাহুল গান্ধীর দল পেতে পারে ০ থেকে ১টি আসন।

    দিল্লি পদ্মময়

    পিপলস ইনসাইটের এক্সিট পোলের (Delhi Election) রিপোর্ট অনুযায়ী, বিজেপি পেতে পারে ৪০ থেকে ৪৪টি আসন। আপ পেতে পারে ২৫ থেকে ২৯টি আসন। আর কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ০ থেকে ১টি আসন। পিপলস প্লাসের জনমত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৫১ থেকে ৬০টি আসন। কেজরিওয়ালের দল পেতে পারে ১০ থেকে ১৯টি আসন।

    চাণক্যস স্ট্র্যাটেজি বলছে, পদ্ম পার্টির ঝুলিতে যেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৪টি আসন। আপ পেতে পারে ২৫ থেকে ২৮টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২ থেকে ৩টি আসন। ম্যাট্রিজের জনমত সমীক্ষা বলছে, দিল্লিতে বিজেপি পেতে পারে ৩৫ থেকে ৪০টি আসন। আপের ঝুলিতে যেতে পারে ৩২ থেকে ৩৭টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে মাত্র ১টি আসন।

    জনমত সমীক্ষার ইঙ্গিত বাস্তবায়িত হলে এবার দিল্লি হবে পদ্মময়। অবসান হবে আপ জমানার। তবে সাতটি জনমত সমীক্ষার ফল বলছে, খাস দিল্লিতেই কংগ্রেসের অবস্থা করুণ। তারা বড়জোর পাবে ১ থেকে ৩টি আসন। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিল্লিতে (Exit Poll) ভোট পড়েছে ৫৭.৭০ শতাংশ (Delhi Election)।

  • India vs England: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মহড়া! ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে রান চান রোহিত-বিরাট

    India vs England: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মহড়া! ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে রান চান রোহিত-বিরাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মহড়া শুরু হতে চলেছে ভারতের। বৃহস্পতিবার নাগপুরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে (India vs England) একদিনের সিরিজের প্রথম ম্যাচ। তিন ম্যাচের সিরিজকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতি হিসেবেই নিচ্ছে রোহিত-গম্ভীর জুটি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫ ম্যাচের টি-২০ সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। এবার লড়াই দু’দলের ওয়ান ডে সিরিজের। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে তিন ম্য়াচের এই ওয়ান ডে সিরিজ দু’দলের কাছেই মিনি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কোচ হিসেবে এই সিরিজেও সোনা ফলাতে চান গম্ভীর। যা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মতো গুরুত্বপূর্ণ আইসিসি টুর্নামেন্টে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে।

    রানে ফিরতে মরিয়া রোহিত-কোহলি

    অধিনায়ক রোহিতের জন্য এটা শুধুমাত্র একটি সিরিজ নয়। নিজের হারিয়ে যাওয়া জায়গা ফিরে পাওয়ার লড়াই। ২০২৩ বিশ্বকাপ থেকে অন্য ভূমিকায় দেখা গিয়েছে ভারত অধিনায়ককে। প্রত্যেক ম্যাচেই শুরুটা বিধ্বংসী মেজাজে করেন। যা ভারতীয় ব্যাটিংয়ের ফাউন্ডেশন গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। কিন্তু সম্প্রতি ছন্দে নেই রোহিত। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে ব্যর্থতা কাটিয়ে রানে ফেরার চ্যালেঞ্জ হিটম্যানের সামনে। অন্যদিকে বিরাট কোহলির জন্যও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অগ্নিপরীক্ষা। তার আগে রানে ফিরতে মরিয়া থাকবেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে (India vs England) সবচেয়ে সফল কোহলি। তাই বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়ে নামবেন। একদিনের সিরিজ শুরুর আগে নেটে হাই ইনটেনসিটি ট্রেনিংয়ে নিজেদের ডুবিয়ে দিলেন রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি। নেটে দু’জনেরই পুরোনো ঝলক দেখা গেল। আগ্রাসী স্ট্রোক খেলতে দেখা যায় রোহিত, বিরাটকে। তাঁদের অনুশীলনের একটি ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বিসিসিআই।

    এগিয়ে ভারত

    ওয়ানডে ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টিম ইন্ডিয়ার (India vs England) পাল্লা অনেকটাই ভারী। দুটো দলের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১০৭ একদিনের ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছে। এরমধ্যে ৫৮ ম্যাচে জয়লাভ করেছে ভারত। ৪৪ ম্যাচে বাজিমাত করেছে ইংল্যান্ড। রোহিত শর্মার নেতৃত্বে ভারতীয় ক্রিকেট দল এই ব্যবধান বাড়াতেই মাঠে নামবে।

    ম্যাচের খুঁটিনাটি (India vs England)

    কোথায় হবে ম্যাচ: ভারত এবং ইংল্যান্ডের মধ্য়ে প্রথম একদিনের ম্যাচটি নাগপুরের বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হচ্ছে।

    কখন থেকে শুরু হবে ম্যাচ: ওয়ানডে সিরিজের প্রত্যেকটা ম্যাচ বেলা দেড়টা থেকে শুরু হবে। আর ম্যাচ শুরুর ঠিক আধঘণ্টা আগে টস হবে।

    কোথায় দেখবেন ম্যাচ: ভারত বনাম ইংল্যান্ড প্রথম একদিনের ম্যাচের লাইভ টেলিকাস্ট আপনারা স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্কে দেখতে পাবেন। ম্যাচের লাইভ টেলিকাস্ট দেখবেন ডিজনি প্লাস হটস্টারে।

  • Afghanistan: মেয়েদের পড়াশোনার পক্ষে সওয়াল, আফগানিস্তান ছাড়তে বাধ্য হলেন মন্ত্রী!

    Afghanistan: মেয়েদের পড়াশোনার পক্ষে সওয়াল, আফগানিস্তান ছাড়তে বাধ্য হলেন মন্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপরাধ’ বলতে তিনি মেয়েদের পড়াশোনার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তার জেরে তালিবান (Taliban) সরকারের মন্ত্রী মহম্মদ স্তানিকজাইকে বাধ্য করা হল আফগানিস্তান (Afghanistan) ছাড়তে। তালিবানরা যখন আফগানিস্তান দখল করে, তখন এই স্তানিকজাই হয়ে উঠেছিলেন তাদের মুখ। এখন দেশছাড়া হওয়ার পর তিনি দুবাইতে রয়েছেন বলে খবর।

     কী বললেন তালিবান সরকারের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী? (Afghanistan)

    ঘটনার সূত্রপাত গত ২০ জানুয়ারি। ওই দিন আফগানিস্তান-পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী খোস্ত প্রদেশে ‘গ্র্যাজুয়েশন’ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন তালিবান সরকারের ওই মন্ত্রী। সেই সময় তিনি মেয়েদের পড়াশোনার ওপর তালিবানি নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করেছিলেন। তালিবান সরকারের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী স্তানিকজাই বলেছিলেন, “মেয়েদের শিক্ষার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষেত্রে কোনও অজুহাত দেওয়া যায় না। বর্তমানেও না এবং ভবিষ্যতেও না। আমরা দু’কোটি মানুষের প্রতি অন্যায় করছি। হজরত মহম্মদের সময়ও ছেলে-মেয়ে সবার জন্য খোলা ছিল জ্ঞানের দরজা। এমন কিছু অসাধারণ মহিলা ছিলেন, যাদের অবদান আমি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করলে তা যথেষ্ট সময় নেবে।”

    মহিলাদের জন্য শিক্ষা বন্ধ করেছিল তালিবান সরকার 

    ২০২২ সালের ডিসেম্বরে তালিবান সরকার মহিলাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকে নিষিদ্ধ করেছিল। আফগানিস্তানে তালিবান রাজত্বে মহিলা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশাধিকার স্থগিত রয়েছে। আফগানিস্তানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জিয়াউল্লাহ হাশিমি কর্তৃক জারি করা একটি চিঠিতে সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহিলা শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার স্থগিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল (Afghanistan)।

    ওই দিনই বক্তৃতার সময় স্তানিকজাই তালিবানের সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদারও সমালোচনা করেছিলেন বলে অভিযোগ। শিক্ষানীতি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে এই তালিবান নেতা সরাসরি আখুন্দজাদার কাছে আবেদন জানিয়ে বলেছিলেন, “আমরা নেতৃত্বকে আবার শিক্ষার দরজা খোলার আহ্বান জানাচ্ছি।” এরপরেই তাঁকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর। এর পরেই আফগানিস্তান ছাড়েন তিনি। যদিও স্তানিকজাইয়ের দাবি, শারীরিক সমস্যার কারণেই দেশ ছেড়েছেন তিনি।

    জানা গিয়েছে, ভারতের দেরাদূনের ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমির ১৯৮২ ব্যাচ ছিলেন স্তানিকজাই (Taliban)। ব্যাচমেটদের কাছে ‘শেরু’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন স্তানিকজাই (Afghanistan)।

  • AB-PMJAY Scheme: প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় বিপুল সাড়া, প্রকল্পের অধীনে সাড়ে ৮ কোটির বেশি মানুষ

    AB-PMJAY Scheme: প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় বিপুল সাড়া, প্রকল্পের অধীনে সাড়ে ৮ কোটির বেশি মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়ুষ্মান ভারত – প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (AB-PMJAY Scheme) প্রকল্পে বিপুল সাড়া মিলেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda) মঙ্গলবার রাজ্যসভায় জানান, চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত – প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (AB-PMJAY Scheme) প্রকল্পের অধীনে ৮.৫ কোটির বেশি মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে পাবলিক ও প্রাইভেট দুই সেক্টরই রয়েছে। পাবলিক সেক্টরে ৪.২ কোটি এবং প্রাইভেট সেক্টরে ৪.৩ কোটি মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা নিয়েছেন।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা কী

    ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এই প্রকল্পে বছরে ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ পায় কোনও পরিবার। গত ২৯ অক্টোবর পরিবারের প্রবীণ সদস্যের জন্য আলাদা স্বাস্থ্যবিমার ঘোষণা করেন মোদি। তিনি জানান, কোনও পরিবারে ৭০ বছর কিংবা তার বেশি বয়সি সদস্য আলাদা করে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ পাবেন। তিনিও বছরে ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমা পাবেন। এর সঙ্গে ওই পরিবারের স্বাস্থ্যবিমার কোনও সম্পর্ক নেই। প্রবীণ নাগরিকদের আয়ুষ্মান ভায়া বন্দনা কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করা হবে না। দেশের সমস্ত প্রবীণ নাগরিকই এই কার্ড পাবেন।

    কী বললেন নাড্ডা

    সংসদে একটি প্রশ্নের উত্তরে নাড্ডা (JP Nadda) জানান যে, ভারতের ৪০ শতাংশ আর্থিকভাবে দুর্বল জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের জন্য এই প্রকল্প অমৃত সুধার মতো। সম্প্রতি, এই প্রকল্পে ৭০ বছর বা তার উপরের ৬ কোটি প্রবীণ নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি দেশব্যাপী তিন স্তরের মডেলে বাস্তবায়িত হচ্ছে— জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ (এনএইচএ), রাজ্য স্বাস্থ্য সংস্থা (এসএইচএ) এবং জেলা বাস্তবায়ন ইউনিট (ডিআইইউ)। রাজ্য পর্যায়ে প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাজ্য সরকারগুলি এসএইচএ গঠন করেছে। এই সংস্থা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ করে। এই প্রকল্প এখন ২৫টি রাজ্যে ইউটিতে ট্রাস্ট মোডে, ৭টি রাজ্যে ইউটিতে বিমা মোডে এবং ২টি রাজ্যে হাইব্রিড মোডে বাস্তবায়িত হচ্ছে। নতুন নতুন হাসপাতালকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে।

  • Fort William Renamed: মুছে গেল ঔপনিবেশিকতার ছায়া, ফোর্ট উইলিয়ামের নতুন নাম ‘বিজয় দুর্গ’

    Fort William Renamed: মুছে গেল ঔপনিবেশিকতার ছায়া, ফোর্ট উইলিয়ামের নতুন নাম ‘বিজয় দুর্গ’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম বদলে গেল শতাব্দী-প্রাচীন ফোর্ট উইলিয়ামের (Fort William Renamed)। সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা না হলেও, ভারতীয় সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের (Army Eastern Command) সদর দফতরের প্রশাসনিক কাজকর্মে এখন থেকেই নতুন নামে ডাকা হচ্ছে ২৫০ বছরের পুরনো এই সামরিক প্রতিষ্ঠানকে। এই নাম বদল নিয়ে দেশজুড়ে তুমুল আলোড়ন পড়েছে। তবে, কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, ঐতিহ্যের পুনঃস্থাপন এবং ব্রিটিশ যুগের প্রভাব সরিয়ে ফেলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    ঔপনিবেশিকতার ছায়া থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্যে…

    মুঘল এবং ঔপনিবেশিকতার ছায়া থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্যে মোদি জমানায় দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থেকে শুরু করে জায়গা ও প্রতিষ্ঠানের নাম বদল করা হয়েছে এবং হয়ে চলেছে। যেমন এলাহাবাদ শহরের নাম পাল্টে করা হয়েছে প্রয়াগরাজ। দেশের ব্যস্ততম মোগলসরাই রেল স্টেশনের নাম পাল্টে করা হয়েছে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় স্টেশন। আবার রাজধানীর রাজপথের নাম পাল্টে করা হয়েছে কর্তব্য পথ। সেই ধারাকে অব্যাহত রেখে এবার কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামের (Fort William Renamed) নাম বদলে দেওয়া হল।

    এখন থেকে ফোর্ট উইলিয়াম হল ‘বিজয় দুর্গ’

    এ প্রসঙ্গে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র তথা মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক উইং কমান্ডার হিমাংশু তিওয়ারি সংবাদমাধ্যমকে জানান, ফোর্ট উইলিয়ামকে ‘বিজয় দুর্গ’ (Vijay Durg) নামেই ডাকা হবে। তিনি আরও জানান, গত ২ ডিসেম্বর নাম বদলের নির্দেশ আসে। শুধু ফোর্ট উইলিয়াম নয়, এর মধ্যে থাকা বেশ কয়েকটি জায়গার নামবদলও হয়েছে। যেমন ফোর্টের মধ্যে থাকা সেনা কমান্ডারের বাসভবন কিচেনার হাউসের নতুন নাম হয়েছে মানেকশ হাউস। দক্ষিণ প্রান্তের গেটের নাম ছিল সাউথ গেট বা সেন্ট জর্জ গেট। সেটি হয়েছে শিবাজি দ্বার। আবার পূর্ব প্রান্তের গেটের নাম রাখা হয়েছে স্বর্নিম বিজয় দ্বার। সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের (Army Eastern Command) এক সূত্রের মতে, ঔপনিবেশিকতা ছাপ মুছতেই ফোর্ট উইলিয়ামের (Fort William Renamed) নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    ফোর্ট উইলিয়ামের ইতিহাস

    ১৭৭ একর জমির ওপর তৈরি ২৫০ বছরের পুরনো ফোর্ট উইলিয়াম সেই তখন থেকেই কলকাতার ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে। জানা যায়, ১৬৯৬ সালে মূল দুর্গটি তৈরি করেছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। এর নামকরণ করা হয়েছিল ব্রিটেনের তৎকালীন রাজা তৃতীয় উইলিয়ামের নামে। কিন্তু, সেই সিপাই বিদ্রোহের সময় এই দুর্গ আক্রমণ করেছিলেন সিরাজ-উদ-দৌলা। তাতে বিস্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয় দুর্গটি। পরে, নতুন করে শুরু হয় নির্মাণ। প্রথমে ১৭৫৮ সাল থেকে তৈরি শুরু হয় এই সেনা ছাউনি তৈরির কাজ। পরে ১৭৮১ সালে লর্ড ক্লাইভ দুর্গটি পুনর্নির্মাণ করেন।

    নতুন নামকরণের তাৎপর্য (Fort William Renamed)

    সেনা সূত্রে খবর, বিজয় দুর্গ নামকরণের নেপথ্যে বড় যুক্তি রয়েছে। মহারাষ্ট্রের সিন্ধুদুর্গে রয়েছে বিজয় দুর্গ। যা ছত্রপতি শিবাজি মহাজারাজের নৌবহরের ঘাঁটি ছিল। বলা হয়, এই দুর্গ অভেদ্য ছিল। পুনর্নির্মাণের পর একবারের জন্যও আক্রমণ হয়নি এই ফোর্ট উইলিয়াম। নতুন আক্রমণ ঠেকাতে এখানে ৪৯৭টি তোপ মোতায়েন করেছিল ব্রিটিশরা। কিন্তু, একবারের জন্যও তা চালাতে হয়নি। আবার কিচেনার হাউসের নাম পাল্টে মানকেশ হাউস করার নেপথ্যেও রয়েছে বড় ইতিহাস। এই বিল্ডিংটি তৈরি করা হয়েছিল সেনা কমান্ডারদের থাকার জন্য। ফিল্ড মার্শাল হোরাশিও হার্বার্ট কিচেনার ছিলেন ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনার তৎকালীন সেনা কমান্ডার। তিনি ফোর্ট উইলিয়ামে ছিলেন ১৯০২-১৯১০ সাল পর্যন্ত। তাঁর নামেই নাম রাখা হয় বিল্ডিংটির (Fort William Renamed)। সেই নাম পাল্টে করা হয়েছে মানেকশ-র নামে, যিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম ফিল্ড মার্শাল। শুধু তাই নয়। ১৯৭১-এর যুদ্ধের সময়, তিনি ছিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান, যার আমলে পাকিস্তান পর্যুদস্ত হয়েছিল এবং জন্ম হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের। সেই যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল এই ইস্টার্ন কমান্ড (Army Eastern Command)। এখানেই শেষ নয়। শোনা যায়, ভারতের কাছে ৯০ হাজার পাক সেনার আত্মসমর্পণের পর তাদের তৎকালীন কমান্ডার এএকে নিয়াজিকে এই কিচেনার হাউসেই এনে আটক রাখা হয়েছিল।

LinkedIn
Share