Tag: Madhyom

Madhyom

  • BCCI: না মানলেই কড়া শাস্তি! রোহিত-বিরাটদের জন‍্য ১০ দফা নিষেধাজ্ঞা জারি বোর্ডের

    BCCI: না মানলেই কড়া শাস্তি! রোহিত-বিরাটদের জন‍্য ১০ দফা নিষেধাজ্ঞা জারি বোর্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় দলে তারকা পুজো আর হওয়ার নয়, তা আকারে ইঙ্গিতে পরিষ্কার করে দিতে চাইছে বিসিসিআই। দলে বিশৃঙ্খলতা রুখতে এবার ১০ দফা ফতোয়া জারি করল ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এই ১০ দফার নিষেধাজ্ঞা না মানলে ভারতীয় ক্রিকেটারদের শাস্তিও দিতে চলেছে বিসিসিআই (BCCI)। কোথাও খেলতে গেলে এই নিষেধাজ্ঞাগুলি মানতে হবে ভারতীয় ক্রিকেটারদের। এই নিয়ম চালু হলে এখন থেকে রোহিত-কোহলিদের অনেক ধরনের সুখ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হবে। 

    ক্রিকেটারদের কী কী নির্দেশিকা বোর্ডের

    ১) ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা এ বার থেকে বাধ্যতামূলক। প্রত্যেক ক্রিকেটারকে এ বার থেকে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতেই হবে। জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য এবং বার্ষিক চুক্তিতে থাকার জন্য ভারতীয় ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতেই হবে।

    ২) কোনও সফর বা সিরিজ চলাকালীন কোনও ভারতীয় ক্রিকেটার এবার থেকে আর অ্যাড (বিজ্ঞাপন) শ্যুট করতে পারবেন না। 

    ৩) কোনও সফরে স্ত্রী বা বান্ধবীদের নিয়ে যাওয়াতে ফতোয়া জারি করেছে বোর্ড। ৪৫ দিনের কোনও সফরে ১৪ দিনের বেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে তাঁদের স্ত্রী বা বান্ধবীরা থাকতে পারবেন না।

    ৪) সিরিজের মাঝপথে কোনও ক্রিকেটার আগে ভাগে ঘরে ফিরতে পারবেন না। ব্যক্তিগত জরুরি অবস্থা না হলে পুরো সিরিজ ক্রিকেটারদের দলের সঙ্গে থাকতে হবে।

    ৫) কোনও ক্রিকেটার এবার থেকে ভারতীয় দলের ডিউটিতে থাকাকালীন ব্যক্তিগত ম্যানেজার বা নিজের কোনও কর্মীকে নিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন না। যদি কেউ যান ও, সেক্ষেত্রে তাঁকে আলাদা থাকতে হবে।

    ৬) কোনও সফরে অতিরিক্ত মালপত্র নিয়ে যাওয়া যাবে না। লাগেজের ওজন ১৫০ কেজির (৩টে স্যুটকেস আর ২টো কিট ব্যাগ) বেশি হলে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারকেই।

    ৭) কোনও ক্রিকেটারের বাড়তি ব্যাগ নেওয়ার প্রয়োজন হলে, তা প্রথমে বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পাঠাতে হবে। সেখান থেকে অনুমতি পেলে তবেই তা নিয়ে যাওয়া যাবে।

    ৮) কোনও সিরিজের আগে বা মধ্যে এবার থেকে আর অনুশীলন সেশন মিস করা চলবে না। বোর্ডের অপশনাল ট্রেনিং সেশন থাকলে বিষয়টা আলাদা।

    ৯) এ বার থেকে বোর্ডের কাজে ভারতের সকল ক্রিকেটারকে উপস্থিত থাকতেই হবে। আসলে বিসিসিআইয়ের যে আনুষ্ঠানিক শুটিং হয়, বা প্রচার হয়, তাতে ভারতীয় ক্রিকেটারদের এবার থেকে হাজিরা বাধ্যতামূলক।

    ১০) কোনও সফর চলাকালীন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আর আলাদা করে ভ্রমণ করতে পারবেন না ভারতীয় ক্রিকেটাররা। সে বিষয়েও বোর্ড নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

    কেন এই নির্দেশিকা

    নতুন নিয়মগুলি আনার নেপথ্যে বোর্ডের কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। তারা চায় ক্রিকেটারেরা খেলার প্রতি আরও মনোযোগী হয়ে উঠুক। সেই সঙ্গে দলে একাগ্রতা, শৃঙ্খলা এবং ইতিবাচক মনোভাব চাইছে বোর্ড। ক্রিকেটারদের আরও পেশাদার করাই লক্ষ্য তাদের। অধিনায়ক রোহিত শর্মা, কোচ গৌতম গম্ভীর, প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকর ও বিসিসিআই সভাপতি রজার বিন্নির মধ্যে বৈঠকে ১০ দফা আচরণবিধি তৈরি হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: শীতের শেষে কলকাতা কাঁপবে ক্রিকেট জ্বরে! ইডেনে আইপিএলের উদ্বোধনী ও ফাইনাল-সহ ৯টি ম্যাচ

    আচরণবিধি না মানলে শাস্তি

    সূত্রের খবর, এই সব আচরণ বিধিগুলি কোনও ক্রিকেটার যদি না মানে তবে তা শৃঙ্খলাভঙ্গ বলেই মনে করা হবে। এর ফলে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে সেই ক্রিকেটারকে। যার ফলস্বরূপ ওই প্লেয়ারের আইপিএল খেলার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে। কাটা হতে পারে তাঁর বার্ষিক চুক্তি এবং ম্যাচ ফি-র টাকাও। সূত্রের খবর, বিসিসিআই জানিয়েছে, যদি ব্যক্তিগত বা অন্য কোনও সমস্যার কারণে এই আচরণ বিধি-র বাইরে গিয়ে কোনও কাজ করতে হয় তবে সেই ব্যাপারটি আগে থেকে জানিয়ে রাখতে হবে কোচ এবং প্রধান নির্বাচককে, তবেই এড়ানো যাবে শাস্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে অস্ত্র নিয়ে হামলা, একা মহিলা জওয়ানের বীরত্বে লেজ গুটিয়ে পালাল বাংলাদেশিরা!

    BSF: সীমান্তে অস্ত্র নিয়ে হামলা, একা মহিলা জওয়ানের বীরত্বে লেজ গুটিয়ে পালাল বাংলাদেশিরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মালদার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে (India Bangladesh Border) চলল গুলি। উদ্ধার হয়েছে পাঁচটি গবাদি পশু। বুধবার মধ্যরাতে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের সীমান্তে গরুপাচার ঠেকাতে তৎপর বিএসএফ। দুষ্কৃতীরা বিএসএফ জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইট, পাথর, অস্ত্র ছোড়ে। পাল্টা গুলি ছুড়তে হয় বিএসএফকে। ব্যাস, তার পরই দে দৌড় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর দল। এর আগে মালদার (Malda) বৈষ্ণবনগরে কাঁটাতার দেওয়া নিয়ে আগেই উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। সেখানে বিএসএফ-এর (BSF) সঙ্গে গ্রামবাসী হাতে হাত লাগিয়ে নেমেছিলেন লড়াইয়ের ময়দানে। এবার পুরানো মালদার সীমান্তে আউট পোস্ট (India Bangladesh Border) নানহালভঙ্গে এক মহিলা বিএসএফ জওয়ানের ওপর হামলা চালায় অনুপ্রবেশকারীরা। সেই সময় একাই কার্যত দেবী দুর্গার মতো ‘রণাঙ্গনে’ রুখে দেন বাংলাদেশিদের। অনুপ্রবেশকারী ও পাচারকারীদের দেন যোগ্য জবাব। আত্মরক্ষার স্বার্থে ওই মহিলা জওয়ান চালালেন পরপর গুলি। ‘লেজ’ গুটিয়ে পালায় অনুপ্রবেশকারীরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে সীমান্তে (India Bangladesh Border)  নজরদারির কাজ করছিলেন এক মহিলা জওয়ান। সেই সময় বাংলাদেশের দিক থেকে গবাদি পশু নিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডের দিক থেকে বাংলাদেশের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বেশ কয়েকজন গরু পাচারকারী। মহিলা বিএসএফ জওয়ান সেই সময় ওই এলাকায় পাহারায় ছিলেন। আওয়াজ পেয়েই তিনি সেই দিকে ছুটে যান। পাচারকারী এবং অনুপ্রবেশকারীদের সতর্ক করতে চিৎকার শুরু করেন। তখনই বাংলাদেশের দিকে থাকা অনুপ্রবেশকারীরা ধারাল অস্ত্র দিয়ে ওই মহিলা জওয়ানের ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ার চেষ্টা করে (India Bangladesh Border)। সেই সময় মহিলা জওয়ান আকাশের দিকে তাক করে পরপর গুলি ছোড়েন। চোরাকারবারীরা তখনও এগিয়ে যেতে থাকেন। এরপর পাচারকারীদের দিকে তাক করে এক রাউন্ড গুলি চালান। ব্যস। তাতেই আত্মারাম খাঁচা হয়ে যায় পাচারকারীদের। রণে ভঙ্গ দিয়ে তৎক্ষণাৎ অনুপ্রবেশকারীরা অন্ধকারে বাংলাদেশের দিকেই পালিয়ে যায়। ফেলে যায় গরুগুলিকে। সেগুলিকে উদ্ধার করেন ওই বিএসএফ জওয়ান।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য ছিল সইফের ছোট ছেলে জেহ্! পুলিশকে দেওয়া পরিচারকের বয়ানে হাড়হিম করা তথ্য

    উদ্ধার ৫টি গবাদি পশু

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ওপার সীমান্তের ১৫ থেকে ২০ জন সশস্ত্র একটি দুষ্কৃতীর দল জড়ো হয়েছিল। মালদার হবিবপুর সীমান্তের (India Bangladesh Border)  নানহালভঙ্গে বা নাঙ্গোলবান্দা এলাকা দিয়ে গরু-মোষ পাচারের চেষ্টা চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। কিন্তু বিএসএফের প্রহরারত মহিলা জওয়ান অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গেই বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের অপরাধ ঠেকিয়েছেন। পরে উদ্ধার হওয়া ওই পাঁচটি গবাদি পশু হবিবপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ (BSF) কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Aadhaar SIM Card: জঙ্গি কার্যকলাপ রুখতে সিমকার্ড কেনার সময় বায়োমেট্রিক যাচাই হবে বাধ্যতামূলক

    Aadhaar SIM Card: জঙ্গি কার্যকলাপ রুখতে সিমকার্ড কেনার সময় বায়োমেট্রিক যাচাই হবে বাধ্যতামূলক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোবাইল ফোনের সিমের (Aadhaar SIM Card) নতুন সংযোগ দিতে এবার থেকে গ্রাহকের যাচাইয়ে কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না কেন্দ্রীয় সরকার। ফলে এবার দ্রুত বড়সড় বদল আসতে চলেছে। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং টেলিকম দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন আর্থিক জালিয়াতি এবং জঙ্গি কর্মকাণ্ডকে আটকাতে এবার থেকে প্রতিটি সিমকার্ডের ক্রেতাকে যাচাই করে নিতে হবে বায়োমেট্রিক (Biometric Verification)। ফলে আধার ভিত্তিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হতে চলেছে আগামী দিনে।

    গ্রাহকের আধার নম্বর এবং বায়োমেট্রিক মেলাবে (Aadhaar SIM Card)

    এবার থেকে নতুন সিম কিনলেই তা আর চালু হবে না। গ্রাহকের আধার নম্বর এবং বায়োমেট্রিক (Biometric Verification) অর্থাৎ হাতের আঙুলের ছাপ, বা চোখের মণি কিংবা মুখের ছবিকে মিলয়ে দেখবে টেলিকম সংস্থা। একইভাবে, আগামী দিনে একজন ব্যক্তির নামে সর্বাধিক ৬টির বেশি সিম নেওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে। ভুল তথ্য দিয়ে সিম নেওয়া এবং নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য অপরাধীদের কিনারা করা যাচ্ছে না বলে এই ধরনের নিয়ম করা হচ্ছে। তবে আগে দেখা গিয়েছে যে, আধারের বায়োমেট্রিক হাতিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য জোগাড় করে আর্থিক প্রতারণা হয়েছে। যে কারণে, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া ছাড়া অন্যত্র এই আধারকে বাধ্যতামূলক করা হয়নি। ফলে সেই সম্ভাবনা একটা থেকে যাচ্ছে। তাকে কী উপায়ে মোকাবিলা করছে সরকার, তা দেখার।

    আরও পড়ুনঃ ভারত, হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিরাট ছক কষছে চারটি জঙ্গি সংগঠন! ফাঁস সেই নাশকতামূলক চক্রান্ত

    বায়োমেট্রিক যাচাই সফল না হলে চালু হবে না সিম

    সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ভুয়ো আধার (Aadhaar SIM Card) দিয়ে সিম তুলে বেআইনি কাজের ঝোঁক বাড়ছে। যার প্রধান ক্ষেত্রগুলি হল, আর্থিক প্রতারণা, ডিজিটাল অ্যারেস্টের মতো সাইবার অপরাধ। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দফতর রীতিমতো উদ্বিগ্ন হয়ে রয়েছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুষ্কৃতীদের ধরা হবে। ফলে এখন টেলিকম সংস্থাগুলির মতামত জেনে দ্রুত নির্দেশিকা জারি করবে সরকার। নতুন সিম নেওয়ার নিয়মে আধার ছাড়া অন্য নথি গ্রাহ্য করা যাবে না। বায়োমেট্রিক যাচাই সফল না হলে চালু হবে না সিম। একই ভাবে বিএসএনএল সংস্থা জানিয়েছে, “আমাদের কাছে এখনও কোনও তথ্য আসেনি। এলে ভালো করে বলতে পারব।”

    উল্লেখ্য বর্তমানে ব্যক্তিগত পরিচয়ের ঠিকানার প্রমাণ দেখে যে কোনও সিম দেওয়া হয়। ফলে যে কোনও নথি দিয়েই সিম তোলা যায়। যেহেতু আধার বাধ্যতামূলক নয়। আবার জিও, ভোডাফোন জানিয়েছে,  এতদিন পর্যন্ত আধার নম্বর নেওয়া হত এবং তা মিলিয়ে দেখা হত। তবে যাচাইয়ের প্রধান পদ্ধতি ছিল মোবাইলে ওটিপি। আধার নম্বর দিলেও সিম চালু হলেও কিন্তু বায়োমেট্রিক (Biometric Verification) পদ্ধতি যাচাই করা হত না। এবার থেকে নিয়ম বদল হচ্ছে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Laurene Powell Jobs: বসন্ত পঞ্চমীতে ফের ফিরবেন মহাকুম্ভে, অমৃত স্নানের অপেক্ষায় সনাতন ধর্মে দীক্ষিত লরেন

    Laurene Powell Jobs: বসন্ত পঞ্চমীতে ফের ফিরবেন মহাকুম্ভে, অমৃত স্নানের অপেক্ষায় সনাতন ধর্মে দীক্ষিত লরেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মের প্রতি অনেকের মনেই ক্রমশ আস্থা জাগছে। বিদেশিরাও সনাতন ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। এই তালিকায় এবার নাম লেখালেন বিশ্বের ধনী মহিলাদের মধ্যে অন্যতম অ্যাপল কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত স্টিভ ডোবসের স্ত্রী লরেন পাওয়েল। মহাকুম্ভে প্রয়াগরাজে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেখানেই মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে স্বামী কৈলাশানন্দ গিরির শিবিরে সমস্ত নিয়ম মেনে পূজার্চনা করার পর তাঁকে দীক্ষা দেওয়া হয়। তবে অসুস্থতার কারণে লরেন সঙ্গমে মকর সংক্রান্তির দিন অমৃত স্নান করতে পারেননি। এখন তিনি ভুটানে রয়েছেন। তবে বসন্ত পঞ্চমীতে ফের ভারতে আসতে পারেন লরেন। সেই সময় তিনি প্রয়াগে সারবেন অমৃত-স্নান। 

    সনাতন ধর্মে আকৃষ্ট লরেন

    আগামী, ৩ ফেব্রুয়ারি বসন্ত পঞ্চমী, স্বরস্বতী পুজো সেদিন অমৃত স্নান মহাকুম্ভে। ১৪ জানুয়ারি মহাকুম্ভে পুণ্যস্নান করতে পারেননি লরেন। কুম্ভের ভিড়ে লরেনের অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দেয়। এত জনাকীর্ণ জায়গায় থাকার অভ্যাস নেই পৃথিবীর অন্যতম ধনী মহিলার। তবে শারীরিক সমস্যা থাকলেও তিনি পুণ্যস্নান করবেন বলে শোনা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, সনাতন ধর্মের প্রতি গভীর আস্থা রয়েছে জোব্‌‌স-জায়ার। এর আগেও তিনি স্বামীর সঙ্গে ভারতে এসেছিলেন। কুম্ভ তথা ভারতে এটি তাঁর দ্বিতীয় সফর। এবার স্বামী কৈলাশানন্দ গিরির কাছে তিনি দীক্ষা নেন। কৈলাশানন্দ সঙ্গমের জল ছিটিয়ে লরেনকে পুণ্য প্রদান করেন। পাশাপাশি সঙ্গমে স্নানের মাহাত্ম্য ব্যাখ্যা করেন।

    আরও পড়ুন: আগামী বছর থেকেই অষ্টম বেতন কমিশন, কত মাইনে বাড়বে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের?

    হিন্দু রীতি নীতির প্রতি টান

    সনাতন ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার পর লরেন গলায় রুদ্রাক্ষের মালা ধারণ করার সংকল্পও নেন। নতুন নামে ভূষিত হন তিনি। পাশাপাশি হিন্দু রীতি-নীতি মেনে নতুন গোত্র দেওয়া হয় তাঁকে। মকর সংক্রান্তি থেকে লরেন পাওয়েল পরিচিত হন কমলা নামে। তাঁকে অচ্যুত গোত্র দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ভারতের হিন্দু ঐতিহ্যের সঙ্গে লরেনের প্রথম পরিচয় ঘটে তাঁর স্বর্গীয় স্বামী স্টিভ জোবসের হাত ধরে। ১৯৭৪ সালে স্টিভ জোবস যখন বাবা নিম করোলি দরবারে আসেন। সেই সময় স্টিভের সঙ্গী ছিলেন স্ত্রী লরেন। এই সফরে স্টিভ জবসের সঙ্গে তিনি বেশ কয়েকদিন ছিলেন নিম করোলির আশ্রমে। সেই থেকে হিন্দু রীতি নীতির প্রতি টান বাড়ে লরেন পাওয়েলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মমতা সরকার ৫০ লক্ষ না দিলে নেবেন না”, স্যালাইনকাণ্ডে মৃতের পরিবারকে বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মমতা সরকার ৫০ লক্ষ না দিলে নেবেন না”, স্যালাইনকাণ্ডে মৃতের পরিবারকে বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্যালাইনকাণ্ডে মৃত্যু হয় মামণি রুইদাস নামে এক প্রসূতির। বৃহস্পতিবার মেদিনীপুরে মৃতের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে দেখা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি ১০ লক্ষ টাকা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার তিনি (Suvendu Adhikari) আশ্বাস দিয়ে যান। একইসঙ্গে, মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরিমাণ নিয়ে কটাক্ষ করেন তিনি।

    ৫০ লক্ষের থেকে এক টাকাও কম নেবেন না (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “চিন্তা করবেন না, যা বলে গেলাম, তাই করব। বাচ্চাটার দায়িত্ব আমার। মুখ্যমন্ত্রী ৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। ৫০ লক্ষের থেকে এক টাকাও কম নেবেন না। ওর পাঁচ লক্ষ টাকার দরকার নেই, আমিই দশ লক্ষ টাকা দেব। আজকে ২ লক্ষ দিয়ে গিয়েছি, আরও ৮ লক্ষ দেব।” মামনি রুইদাসের স্বামীকে নিয়ে আশ্বস্ত করে বলেন, “আমি তোমাকে হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট লড়াই করে টাকা তোমাকে পাইয়ে দেব। আমার দায়িত্ব।” প্রসঙ্গত, প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় মেদিনীপুর মেডিক্যালের সুপার-সহ ১২ জন চিকিৎসককে সাসপেন্ড করেছে রাজ্য। ডাক্তারদের গাফিলতির তত্ত্বও খাড়া করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আশ্বস্ত করেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে রুজু হবে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলাও। পাশাপাশি মৃত পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা, পরিবারের এক সদস্যকে চাকরি দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য ছিল সইফের ছোট ছেলে জেহ্! পুলিশকে দেওয়া পরিচারকের বয়ানে হাড়হিম করা তথ্য

    সংক্রমিত স্যালাইন কাদের দেওয়া হয়েছে, তালিকা প্রকাশের দাবি!

    সংক্রমিত স্যালাইন ব্যবহারের ফলে রোগীমৃত্যুর প্রতিবাদে বিজেপি বিধায়কদের স্বাস্থ্যভবন অভিযানের শেষে রাজ্য সরকারের কাছে একগুচ্ছ দাবি তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) শুভেন্দু অধিকারী। স্বাস্থ্য ভবন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমি জানতে চেয়েছিলাম শুধুমাত্র এই ৫ জনকেই এই স্যালাইন দেওয়া হয়েছে, না কি আরও কেউ রয়েছে। আমাকে কোনও জবাব দিতে পারেনি। আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নজরদারিতে এই ঘটনার তদন্ত দাবি করছি। গত ১ মাস ধরে কোটি কোটি মানুষকে সরকারি হাসপাতালে এই স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যাদের এই স্যালাইন দেওয়া হয়েছে তাদের যে কোনও সময় কিডনি ফেল করতে পারে। তখন এই সরকার নিজের দায় ঝাড়তে কিডনি ফেলের কারণ হিসাবে অন্য কোনও কিছু যুক্তি খাড়া করবে। তাই, কাদের দেওয়ার হয়েছে স্যালাইন তার নাম প্রকাশ করতে হবে।” একই সঙ্গে ফের এই ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগমের গ্রেফতারি দাবি করেন তিনি। স্বাস্থ্য ভবন থেকে বেরিয়ে ইলেক্ট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় যান শুভেন্দুবাবু। সেখানে এই ঘটনায় স্বাস্থ্য আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘লিনিং টাওয়ার অফ পিসি’! বাঘাযতীনকাণ্ডে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর, আক্রমণ মেয়রকেও

    Suvendu Adhikari: ‘লিনিং টাওয়ার অফ পিসি’! বাঘাযতীনকাণ্ডে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর, আক্রমণ মেয়রকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার বাঘাযতীনে চারতলা ফ্ল্যাটবাড়ি হেলে পড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঠিকাদার সংস্থার পাশাপাশি কলকাতা পুরসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই আবহের মধ্যে এবার কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করতে গিয়ে চূড়ান্ত হাস্যরস ও ‘সৃষ্টিশীলতা’র পরিচয় দিলেন বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ‘লিনিং টাওয়ার অফ পিসি’! (Suvendu Adhikari)

    বৃহস্পতিবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন শুভেন্দু। সেই পোস্টে রয়েছে একটি ‘ক্রিয়েটিভ’ এবং তার ক্যাপশন হিসেবে কিছু লেখা। সেই ক্রিয়েটিভের বাঁদিকে রয়েছে ইতালির বিশ্ববিখ্যাত স্থাপত্য তথা আধুনিক জগতের অন্যতম বিস্ময়— ‘লিনিং টাওয়ার অফ পিসা’। এর ঠিক পাশেই, ক্রিয়েটিভের ডানদিকের অংশে রয়েছে বাঘাযতীনের সেই হেলে পড়া বহুতল। যার ওপরে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ক্যাপশনে লিখেছেন— ‘লিনিং টাওয়ার অফ পিসি’!

    কেন শুভেন্দু এহেন একটি ক্যাপশন দিলেন, তার ব্যাখ্যায় না গিয়ে বরং দেখে নেওয়া যাক, নন্দীগ্রামের বিধায়ক ওই পোস্টে আর কী লিখেছেন! তিনি সরাসরি নিশানা করেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে। কলকাতার মেয়রের উদ্দেশ করে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘‘কলকাতার আধুনিক স্থপতি। মেয়র জনাব ফিরহাদ হাকিম সাহেব কলকাতাকে এমনই সব স্থাপত্য বিস্ময়ে ভরিয়ে তুলছেন! গার্ডেনরিচ থেকে বাঘাযতীন (Baghajatin), সিটি অফ জয় এখন সিটি অফ ভয়-তে পরিণত হয়েছে। বাসিন্দারা সারাক্ষণ উদ্বেগে রয়েছেন – এই বুঝি পাশের বাড়িটা তাঁদের ওপর হেলে পড়ল।”

    কী বললেন শুভেন্দু?

    এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ‘তৃণমূল-প্রোমোটার-কেএমসি’-এর মধ্যে অসাধু আঁতাঁত নিয়েও সরব হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, এই অসাধু আঁতাঁতে ভর করেই কলকাতা শহরে বেআইনিভাবে ‘জলাজমি ভরাট করে বেআইনি নির্মাণ করা হচ্ছে। ত্রুটিপূর্ণ বহুতলের নকশায় অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে এবং ঘুষের বিনিময়ে বেআইনি নির্মাণ করা হচ্ছে। শুভেন্দুর আরও অভিযোগ, এতকিছু হওয়ার পরও ‘পরিদর্শনের অভাব’ পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য ছিল সইফের ছোট ছেলে জেহ্! পুলিশকে দেওয়া পরিচারকের বয়ানে হাড়হিম করা তথ্য

    নেটিজেনরা এই পোস্টে মজেছেন

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) এই পোস্ট দেখে নেট নাগরিকরা যে বেজায় মজা পেয়েছেন, তা ভালোই বোঝা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই ২৮ হাজারেরও বেশি মানুষ এই পোস্ট দেখেছেন। এটি রিপোস্ট করা হয়েছে প্রায় ২৫০ বার। সঙ্গে বহু নেট ইউজার মজার মজার সব কমেন্টও করেছেন। প্রসঙ্গত, বাঘাযতীনে বহুতল হেলে পড়া নিয়ে ইতিমধ্যেই বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। সূত্রের দাবি, বেআইনিভাবে জলাজমি ভরাট করে এই বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছিল। ফলে বছর ১০-১১ যেতে না যেতেই বাড়ি হেলতে শুরু করে। তারপর সেই বাড়ি সোজা করার জন্য অদক্ষ শ্রমিকদের কাজে লাগানো হয়। এমনকী, বাড়ি সোজা করার প্রক্রিয়া চলাকালীন সেখানে কোনও স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়রও ছিলেন না বলে অভিযোগ। ফলস্বরূপ – ভয়ঙ্করভাবে বাড়ির একতলার পিলার ও একাংশ ভেঙে যায় এবং বাড়িটি আরও বিপজ্জনকভাবে একদিকে হেলে পড়ে। আরও বিস্ময়কর বিষয় হল, বেআইনি এই বাড়ি থেকে রীতিমতো পুরকরও আদায় করা হচ্ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 8th Pay Commission: আগামী বছর থেকেই অষ্টম বেতন কমিশন, কত মাইনে বাড়বে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের? 

    8th Pay Commission: আগামী বছর থেকেই অষ্টম বেতন কমিশন, কত মাইনে বাড়বে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মকর সংক্রান্তিতে কেন্দ্র সরকারি কর্মচারীদের উপহার দিল মোদি সরকার (Modi Government)। বৃহস্পতিবার অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) গঠনে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। তারপর থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ফের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে জল্পনা তীব্র হয়েছে। ন্যূনতম বেতন কত হবে, কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে, মহার্ঘভাতায় কতটা বৃদ্ধি দেখা যাবে, সবই এখন আলোচনা সাপেক্ষ। তবে, অষ্টম পে কমিশন ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই লাগু হতে চলেছে, বলে খবর। খুব শীঘ্রই এই কমিশনের জন্য চেয়ারম্যান ও দুই সদস্যকে নিয়োগ করবে কেন্দ্র, জানিয়েছেন মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    কত টাকা হবে বেতন

    শেষবার ২০১৬ সালে সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করেছিল কেন্দ্র। শেষ গঠিত কমিশনের হাত ধরে এক ধাক্কায় ১১ হাজার টাকা বেসিক পে বেড়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের। এবার পালা অষ্টম বেতন কমিশনের (8th Pay Commission) । শোনা যাচ্ছে এবার, ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’ ২.৫৭ থেকে বাড়িয়ে ২.৮৬ হতে পারে। এর অর্থ কর্মীদের বেসিক বেতন বাড়বে হু হু করে। অর্থাৎ কারও বেসিক বেতন যদি ১৮ হাজার টাকা থাকে, তাঁর বেসিক বেতন বেড়ে হবে ৫১ হাজার ৪৮০ টাকা। ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’ হল বেতন এবং পেনশন গণনার জন্য ব্যবহৃত একটি একক। ৫০ লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা এর ফলে বেসিক থেকে, অ্য়ালাওন্সেস, পেনশন ও অন্য়ান্য সুযোগ সুবিধা- সবেতেই লাভবান হবেন। এর জেরে একদিকে ডিএ বাড়বে, বাড়বে পেনশনভোগীদের ডিআর। প্রসঙ্গত, ৬৫ লক্ষ পেনশনভোগীরা এই পে কমিশনের সুবিধা পাবেন। স্বাভাবিক ভাবেই শুরু হয়ে গিয়েছে হিসেব কষা।

    রাজ্যের সঙ্গে ফারাক

    বেতন কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স-হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘অষ্টম বেতন কমিশনের সিদ্ধান্তে জীবনযাত্রার মান বাড়বে, কেনাকাটার বাজার চাঙ্গা হবে।’’ কেন্দ্রীয় সচিবালয় সার্ভিস ফোরাম এই সিদ্ধান্তের জন্য মোদি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে তথ্য-সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, নয়া কমিশন রাজ্য সরকার ও সব মহলের সঙ্গে আলোচনা করবে। তারপরই কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গে এখন ষষ্ঠ বেতন কমিশন চলছে। যার মেয়াদ ২০২৫-এর শেষে ফুরিয়ে যাওয়ার কথা। আজ কেন্দ্রের (Modi Government) সিদ্ধান্তের পরে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা প্রশ্ন তুলেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার কবে সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করবে? এমনিতেই কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার ফারাক এখন ৩৯ শতাংশ। এরপর তা আরও বাড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 8th Pay Commission: অষ্টম পে কমিশনকে অনুমোদন মোদি সরকারের, মমতাকে ডিএ নিয়ে খোঁচা শুভেন্দুর

    8th Pay Commission: অষ্টম পে কমিশনকে অনুমোদন মোদি সরকারের, মমতাকে ডিএ নিয়ে খোঁচা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) গঠনে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের আওতায় কর্মরত চাকরিজীবীদের বেতন ও মহার্ঘভাতার কাঠামো নির্ধারণ করে থাকে এই বেতন কমিশন। সিদ্ধান্ত নেয় বেতন বৃদ্ধির বিষয়েও। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদির নেতৃত্বেই নতুন বেতন কমিশন গঠনে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা, দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের। যদিও এই খবর সামনে আসতে না আসতেই রাজ্যকে তীব্র খোঁচা দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের সরকারি কর্মীরা ঠিক কতটা ‘বঞ্চনার’ শিকার হচ্ছেন সেই তথ্য তুলে ধরে সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করলেন বিজেপি নেতা।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ রাজ্যকে

    কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার ফারাক ৩৯ শতাংশ। দাবি করছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ কেন্দ্রিক মামলার শুনানি বছরের পর বছর পিছিয়ে যাচ্ছে। দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতিরা অবসর নিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মামলার শুনানির দিন ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে। এই আবহে কেন্দ্র সরকার অষ্টম বেতন কমিশনের অনুমোদন দিতেই শুভেন্দু লেখেন, “যশস্বী প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় অষ্টম পে-কমিশনের অনুমোদন দিয়েছেন। যার ফলে ৪৯ লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং ৬৮ লক্ষ পেনশনভোগী উপকৃত হবেন।” এরপরই রাজ্যের বৈষম্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়কে খোঁচা দিয়ে লিখছেন, “ঋণে জর্জরিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার ষষ্ঠ পে-কমিশনে বাঁধা পড়ে রয়েছে। কারণ, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিনের পরদিন ঋণ বাড়িয়ে চলেছেন।”  

    অষ্টম বেতন কমিশনের ফলে সুবিধা

    বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission) গঠনের। গঠিত হয়েছে এই সংক্রান্ত একটি কমিটিও। প্রসঙ্গত, সপ্তম পে কমিশন গঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালে। যার মেয়াদ শেষ হবে ২০২৫ সালের আগামী ৩১ ডিসেম্বর। সুতরাং ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি লাগু হতে চলেছে অষ্টম পে কমিশন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘শীঘ্রই কমিশনের জন্য চেয়ারম্যান ও দুই সদস্যকে নিয়োগ করবে কেন্দ্র।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 17 January 2025: কেনাকাটার জন্য খরচ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 17 January 2025: কেনাকাটার জন্য খরচ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের জন্য সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় বিবাদের যোগ থাকলেও লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) দুর্বুদ্ধিকে প্রশ্রয় দেবেন না।

    ২) প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক-বিতর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ।

    ২) সকালের দিকে কোনও দুশ্চিন্তা মাথা খারাপ করবে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) বিষয়-সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে বাড়িতে বিবাদের সম্ভাবনা।

    ২) কোনও মহিলার জন্য বাড়িতে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কেনাকাটার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) কোনও কাজে সময় নষ্ট হতে পারে।

    ২) চাকরির শুভ যোগাযোগ লাভে আনন্দ।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) মা-বাবার সঙ্গে বিশেষ আলোচনা।

    ২) ব্যবসায় লাভের যোগ।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসার কাজে মাথাগরম করবেন না।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য ক্ষতি হতে পারে। 

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) মনের মতো স্থানে বেড়াতে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Childhood Asthma: শৈশবেও জোরালো থাবা হাঁপানির! সন্তানকে কীভাবে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখবেন?

    Childhood Asthma: শৈশবেও জোরালো থাবা হাঁপানির! সন্তানকে কীভাবে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দূষণ বিশ্বজুড়ে এক গুরুতর সমস্যা হয়ে উঠেছে। বিশেষত বায়ুদূষণ একাধিক রোগের কারণ! বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই ভারতেও বায়ুদূষণ একাধিক রোগের কারণ হয়ে উঠছে। গত কয়েক বছরে কলকাতা, দিল্লির মতো বড় শহরে বায়ুদূষণ মারাত্মকভাবে বেড়েছে। আর তার ফল ভুগতে হচ্ছে শিশুদের (Childhood Asthma)। এমনটাই জানাচ্ছে সম্প্রতি প্রকাশিত এক সর্বভারতীয় সমীক্ষা। দেশ জুড়ে বাড়ছে হাঁপানির সমস্যা। বিশেষত শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা বাড়ছে। তাই উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, হাঁপানির মতো রোগ নিয়ে সতর্কতা ও সচেতনতা না বাড়লে আরও বড় বিপদ হতে পারে।

    কী বলছে রিপোর্ট? (Childhood Asthma)

    সম্প্রতি প্রকাশিত এই রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে হাঁপানিতে ভুক্তভোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষত শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বেশি দেখা দিচ্ছে। এক সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সি ভারতীয় ছেলেমেয়েদের ৫ শতাংশ হাঁপানিতে আক্রান্ত। কিন্তু ২ থেকে ৬ বছর বয়সিদের ৮ শতাংশ শিশু হাঁপানিতে আক্রান্ত হচ্ছে। অর্থাৎ শিশুদের মধ্যে এই সমস্যার প্রকোপ বাড়ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণের জেরেই শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে।

    কেন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাঁপানি নিয়ে সচেতনতা কম। অধিকাংশ অভিভাবকেরা অনেক সময়েই এই রোগ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকেন না। ফলে বড় বিপদ হতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রথম থেকেই সতর্কতা এবং সচেতনতা থাকলে শিশু সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবন‌যাপন করতে পারেন। তবে, ফুসফুসের রোগ নিয়ে সচেতনতা জরুরি। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, হাঁপানির (Childhood Asthma) সমস্যা থাকলে অন্যান্য সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই ভাইরাস ঘটিত অসুখ থেকে বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে। তাই সন্তানের ঘনঘন কাশি, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হলে একেবারেই সময় নষ্ট‌ করা উচিত নয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ সন্তানের হাঁপানির মতো সমস্যা থাকলে অভিভাবকদের প্রয়োজনীয় কর্মশালায় অংশগ্রহণ জরুরি। কীভাবে সন্তানকে সুস্থ জীবন‌যাপনে সাহায্য করা যায়, সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকাও দরকার।

    হাঁপানি থাকলেও স্বাভাবিক জীবনযাপন কীভাবে সম্ভব? (Childhood Asthma)

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুর হাঁপানির সমস্যা থাকলেই, সে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে না, এমনটা একদম নয়। বরং, ঠিকমতো চিকিৎসা হলে, সে সুস্থভাবেই জীবনযাপন করতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে সচেতনতা এবং সতর্কতা জরুরি। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয় নজর রাখলেই সেই কাজ হবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুকে এই রোগ সম্পর্কে জানানো জরুরি। সন্তান হাঁপানির (Childhood Asthma) মতো সমস্যায় ভুগলে, তাকে তার সমস্যা সম্পর্কে বুঝিয়ে বলা দরকার। যখন সে সুস্থ থাকবে, তখন তাকে ভালোভাবে বোঝাতে হবে, যাতে সে ভয় না পায়। কিন্তু সতর্ক থাকে। তার ইনহেলার বা যে ওষুধ, বিপদে সাহায্য করতে পারে, সেটাও ভালোভাবে চিনিয়ে দেওয়া জরুরি, যাতে তার বড় কোনও সমস্যা না হয়। সন্তানকে বোঝাতে হবে, এটা এমন কোনও বড় সমস্যা নয়, যার জন্য সে তার সমবয়সিদের মতো জীবনযাপন করতে পারবে না। কোনওভাবেই শিশুকে রোগ নিয়ে ভয় দেখানো চলবে না। খেলার মতো করেই সবটা বোঝাতে হবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এর নাম প্লে থেরাপি।

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, সন্তান হাঁপানিতে আক্রান্ত হলে তার স্কুল কর্তৃপক্ষকেও এ ব্যাপারে জানিয়ে রাখা উচিত। যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে বড় দুর্ঘটনা না হয়। হাঁপানির মতো সমস্যা থাকলে যেহেতু অন্যান্য ভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি, তাই সন্তানকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার দিকে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। তাকেও এই ব্যাপারে বোঝানো দরকার বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাহলে বারবার ভোগান্তি কম হবে (Normal life)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share