Tag: Madhyom

Madhyom

  • Tiredness: ‘লাঞ্চ ব্রেক’-এর পরেই কাজে অনীহা! কোন খাবারে দূর হবে দিনভর ক্লান্তি?

    Tiredness: ‘লাঞ্চ ব্রেক’-এর পরেই কাজে অনীহা! কোন খাবারে দূর হবে দিনভর ক্লান্তি?

    মাধ্যম ডেস্ক: সকাল থেকে একনাগাড়ে কাজ! এনার্জিও ভরপুর। কিন্তু দুপুরের সাময়িক বিরতি সব কিছু বিগড়ে দেয়।‌ লাঞ্চ ব্রেকের পরেই কাজের গতি কমে যায়। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে ঝিমিয়ে থাকতে হয়। কথা বলা বা কাজ করার এনার্জি পাওয়া যায় না। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন। যার ফলে তাদের কাজের জায়গায় যথেষ্ট ভোগান্তির শিকার হতে হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এর অন্যতম কারণ ক্লান্তি! শরীরের পেশি, স্নায়ু এবং মস্তিষ্ক ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যায়। আর তার জন্যই কাজের প্রতি অনীহা তৈরি হয়। মনোযোগ নষ্ট হয় এবং কাজের গতিও শ্লথ হয়ে যায়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবারের (Food) তালিকায় সামান্য রদবদল পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।‌ দূর করতে পারে দিনভর ক্লান্তি। কিন্তু কী রদবদলের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা (Tiredness)?

    সঙ্গে থাকুক কয়েকটা খেজুর

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবার খাওয়ার মাঝে অনেকটা সময় বিরতি থাকলে শরীর বাড়তি ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যায়। সকালের জলখাবার এবং দুপুরে অফিসের লাঞ্চ ব্রেকের মাঝে অনেকটা বিরতি থাকে। এর ফলে অনেকের শরীর বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তারপরে অনেকটা বেশি‌ পরিমাণ খাবার একসঙ্গে খেয়ে ফেললে কাজের গতি কমে যায়। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশ বলেন, নিয়মিত সঙ্গে থাকুক কয়েকটা খেজুর। খেজুর সহজেই খাওয়া যায়, তাই কাজের ফাঁকে একটা খেজুর খেতে বেশি সময় নষ্ট হয় না। লাঞ্চ ব্রেকের আগেই তাই সহজেই খেজুর খাওয়া যায়। আর খেজুরে (Food) থাকে আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো নানান রকমের খনিজ পদার্থ। এর ফলে এই খাবার মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে‌ বিশেষ সাহায্য করে। তাই ক্লান্তি বোধ দূর হয়।

    সপ্তাহে দুদিন এক চামচ ঘিয়ের তৈরি খাবার

    শরীর ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ১২-র অভাব। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। পেশির নানান সমস্যাও বাড়ছে। আর তার ফলেই কাজের প্রতি মনোযোগ কমছে। মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, সপ্তাহ অন্তত দু’দিন এক চামচ ঘি-য়ে তৈরি সবজি লাঞ্চের মেনুতে থাকুক। তাঁরা বলেন, শরীরে ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ১২ সবচেয়ে সহজে পূরণ করে ঘি। তাই অন্তত দুদিন এক চামচ ঘি (Food) শরীরে পৌঁছলে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হবে। এর ফলে ক্লান্তি দূর হবে।

    কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিনের ব্যালান্স ডায়েট জরুরি

    তরুণ প্রজন্মের রোগা হওয়ার চাহিদা এবং তার জন্য অপরিকল্পিত ডায়েট ক্লান্তি বোধ (Tiredness) আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই সারাদিন সম্পূর্ণ কার্বোহাইড্রেট মুক্ত খাবার খাচ্ছেন। এর ফলে শরীরে এনার্জির জোগান‌ হচ্ছে না। তার ফলেই ক্লান্তি বোধ বাড়ছে। মস্তিষ্কও সক্রিয় থাকছে না। তাঁদের পরামর্শ, লাঞ্চে কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিনের ব্যালান্স ডায়েট জরুরি। রুটি, ডাল, সবজি জাতীয় খাবার (Food), তার সঙ্গে সামান্য ফল থাকলে শরীর এনার্জি সহজেই পাবে। এতে ক্লান্তি বোধ কমবে।

    পর্যাপ্ত জল জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ক্লান্তি বোধ গ্রাস করে জলের ঘাটতি হলে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই বাইরে থাকলে খুব কম পরিমাণে জল খান (Food)। এর ফলে খাবার খাওয়ার পরেই শরীরের বিভিন্ন পেশির সক্রিয়তা আরও কমে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে শরীরের সমস্ত পেশি সক্রিয় থাকে। তখন ক্লান্তি (Tiredness) বোধ কম হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 18 March 2025: দিনটি বিশেষ অনুকূল নয় এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 18 March 2025: দিনটি বিশেষ অনুকূল নয় এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো কাটবে।

    ২) নিজের কাজে সাফল্য লাভ করবেন আজ।

    ৩) ব্যবসায়ে নতুন ও লাভজনক পরিকল্পনা শুরুর ভালো সুযোগ পাবেন।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ ভালো নয়।

    ২) কর্মক্ষেত্রে বিরোধীদের থেকে সতর্ক থাকা জরুরি।

    ৩) কারও ওপর অধিক ভরসা করবেন না।

    মিথুন

    ১) সময় অনুকূল নয়।

    ২) কাজে মনোনিবেশ করতে হবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে নিজের কাজে অগ্রসর হন।

    কর্কট

    ১) নিজের সাফল্যকে শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

    ২) কাজে কঠিন পরিশ্রম করায় ভালো পরিণাম পাবেন।

    ৩) বিরোধীদের থেকে দূরে থাকুন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) নিজের জীবনে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছনোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবেন।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি নানান ওঠাপড়ায় ভরপুর থাকবে।

    ২) মনের মধ্যে নানান ধরনের চিন্তাভাবনা উৎপন্ন হতে পারে।

    ৩) পারিবারিক বিষয়ে চিন্তিত থাকবেন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে বাধা উৎপন্ন হতে পারে।

    ৩) ব্যবসা ও চাকরিতে সাফল্য লাভের জন্য অধিক পরিশ্রম করতে হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি শুভ।

    ২) নিজের কাজে সাফল্য লাভ করতে পারবেন।

    ৩) নতুন সুযোগ পাবেন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কাজের ফলাফল পাবেন, সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছবেন।

    ৩) লগ্নির দ্বারা ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    ৩) খাওয়া-দাওয়ার যত্ন নিতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি শুভ ফলাফল প্রদান করবে।

    ২) সমস্ত অসম্পূর্ণ ইচ্ছা পূরণ হবে।

    ৩) মনের মধ্যে আনন্দ থাকবে।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ।

    ২) সতর্কতার সঙ্গে কাজ এগিয়ে নিয়ে যান।

    ৩) কাজের চাপের কারণে ক্লান্তি অনুভব করবেন।

     

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • BJP: তেল উত্তোলনে রাজ্যের ছাড়পত্র পেল ওএনজিসি, মমতা সরকারকে আক্রমণ বিজেপির

    BJP: তেল উত্তোলনে রাজ্যের ছাড়পত্র পেল ওএনজিসি, মমতা সরকারকে আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের উদাসীনতায় অশোকনগরে ওএনজিসির প্রকল্প থেকে তেল-গ্যাসের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হতে পারছে না বলে গত নভেম্বরে অভিযোগ তুলেছিল কেন্দ্র। ওই মাসের (BJP) শেষের দিকে সংসদে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী দাবি করেছিলেন, রাজ্য উত্তোলনের জন্য জমি লিজ মঞ্জুরে গড়িমসি করায়ই দেরি হচ্ছে। ২০২০ সাল থেকে একাধিকবার লিজ মঞ্জুরের জন্য আবেদন করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। কিন্তু এখনও তা পাওয়া যায়নি। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীর সেই অভিযোগের পর কেটে গিয়েছে তিন মাসেরও বেশি সময়। শেষমেশ উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে তেল উত্তোলনের কাজ শুরু করার ছাড়পত্র পেল ওএনজিসি। সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার ওই ছাড়পত্র দিয়েছে। সরকার এই প্রকল্পের জন্য ৫০ একর জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    তেল ও গ্যাস উত্তোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা (BJP)

    ২০২০ সালে তৎকালীন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান অশোকনগরে বাণিজ্যিক তেল ও গ্যাস উত্তোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। রাজ্য সরকারের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র না মেলায় তাঁর সেই চেষ্টা আর এগোয়নি। সরকারি ছাড়পত্র মেলায় এবার কোমর বেঁধে নামছে রাজ্য সরকার। উত্তর ২৪ পরপনার চারটি জায়গায় তেল খননের প্রস্তুতি ও জমি লিজ সংক্রান্ত কাজ প্রায় শেষের পথে। পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর ২ ব্লক ও উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার চপতলা গ্রাম পঞ্চায়েতে শুরু হয়েছে জমি অধিগ্রহণের কাজ। ওএনজিসি উত্তর ২৪ পরগনার ১৩টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩টি, নদিয়া জেলার একটি এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ৫টি জায়গা তেল উত্তোলনের জন্য নির্বাচন করেছে।

    মমতাকে নিশানা বিজেপির

    পাঁচ বছর পরে তেল উত্তোলনের ছাড়পত্র মেলায় মমতা সরকারকে নিশানা করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। তাঁর মন্তব্য (BJP), “২০২৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি অনুমোদিত এই লিজটি নতুন অনুসন্ধান লাইসেন্সিং নীতির অধীনে ৯৯.০৬ বর্গ কিলোমিটার এলাকা কভার করে। এটি বহু বছর আগেই (Mamata Banerjee) একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক বিলম্বের কারণে বাংলা বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।” সরকারি পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তাঁর প্রশ্ন, “বাংলায় রয়েছে অপার জ্বালানি সম্ভাবনা। কিন্তু আমরা কি আবার এমন বিলম্ব সহ্য করতে পারি?” তিনি বলেন, “বাংলার সম্পদ যেন তার উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে তা নিশ্চিত করতে কার্যকর সরকারের সময় এসেছে। এখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতা থেকে সরানোর সময়।”

    রাজ্য সরকারের গড়িমসি

    পশ্চিমবঙ্গের অশোকনগরে যে তেল-গ্যাসের বিপুল মজুত রয়েছে, তা নিয়ে ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তি। তার পরেই ২০২০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ওএনজিসি খনন কার্য চালাতে ৫.৮৮ বর্গ কিলোমিটার জমি লিজে নেওয়ার জন্য আবেদন করে রাজ্যের কাছে। ওএনজিসিকে পিএমএল দেওয়ার জন্য যে কেন্দ্র সুপারিশ করেছিল, সেই তথ্যও ওই বছরই ২১ অক্টোবর রাজ্য সরকারকে জানিয়ে দেয় ওএনজিসি। পুরীর দাবি, তার পর থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে এবং গত জানুয়ারিতে ফের রাজ্যের কাছে পিএমএল মঞ্জুরের জন্য দরবার করে ওএনজিসি। ওই বছরের আবেদনটি প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির কাছে পেশ করেন ডিরেক্টর জেনারেল (হাইড্রোকার্বন)। পিএমএল মঞ্জুরের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে গত জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত পূর্বাঞ্চলের কাউন্সিলের বৈঠকেও বিষয়টি উত্থাপন করা হয়।

    বিজেপির দাবি

    গত নভেম্বরেই (BJP) সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছিলেন, “অশোকনগরে উৎপাদনের জন্য ইতিমধ্যেই ওএনজিসি ১০৪৫.৫৪ কোটি টাকা লগ্নি করেছে। জমি লিজ পেতে সংস্থা ১৪ বার ও কেন্দ্রীয় তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক চার বার রাজ্যকে চিঠি দিয়েছে। তেল-গ্যাসের ভান্ডার থাকা সত্ত্বেও তা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে না পারায় রাজ্য বিপুল রয়্যালটি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে (Mamata Banerjee)।”

    অশোকনগর

    প্রসঙ্গত, অশোকনগর ক্ষেত্রটি (BJP) মহানদী-বাংলা-আন্দামান অববাহিকার অন্তর্গত। পশ্চিমবঙ্গ দীর্ঘদিন ধরে তেল ও গ্যাসের সম্ভাবনাময় স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। যদিও ওএনজিসি বহু বছর ধরে এই রাজ্যে অনুসন্ধান চালাচ্ছে এবং প্রচুর পরিমাণ বিনিয়োগ করেছে। তবে নমুনার অর্থনৈতিক লাভজনকতা সবসময়ই একটি সমস্যা ছিল। আশোকনগর তৈল ক্ষেত্র থেকে ২০ কিলোলিটার অপরিশোধিত তেল উত্তোলনের পর, ওএনজিসি নমুনাটি প্রক্রিয়াকরণের জন্য ইন্ডিয়ান অয়েলের হলদিয়া শোধনাগারে পাঠায়। পরীক্ষার ফলে দেখা যায়, উৎপাদিত তেলের গুণমান খুবই ভালো।

    ভারত সরকারের (BJP) প্রাথমিক-মুদ্রাকরণ পরিকল্পনা অনুযায়ী, আশোকনগর-১ এখন একটি তেল উৎপাদক ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর অর্থ হল, ওএনজিসি ভারতে তার আটটি অববাহিকার মধ্যে সাতটি আবিষ্কার ও উন্নয়ন করেছে। এটি দেশের মোট পরিচিত তেল ও গ্যাস মজুতের ৮৩%। কোম্পানিটি ভারতের মোট হাইড্রোকার্বন উৎপাদনের ৭২% জোগান দেয়।

  • Tulsi Gabbard: ‘খালিস্তানিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন’, ইন্দো-প্যাসিফিক নিয়েও তুলসীর সঙ্গে কথা রাজনাথের

    Tulsi Gabbard: ‘খালিস্তানিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন’, ইন্দো-প্যাসিফিক নিয়েও তুলসীর সঙ্গে কথা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইচ্ছাতে ভারতে এসেছেন তুলসি গ্যাবার্ড (Tulsi Gabbard)। সোমবার তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সূত্রের খবর, সিং ও গ্যাবার্ডের মধ্যে বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্পর্ক বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এদিকে বৈঠকে নাকি রাজনাথ সিং দাবি করেন, মার্কিন নিবাসী খালিস্তানি নেতা গুরপতবন্ত সিং পান্নুনের ‘শিখস ফর জাস্টিস’ সংগঠনটিকে জঙ্গি সংগঠনের তকমা দেওয়া হোক।

    দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় সাধন

    সূত্রের খবর, সিং এবং গ্যাবার্ডের মধ্যে এই বৈঠকে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে সমন্বয় জোরদার করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এই সফর এবং বৈঠক ভারত-মার্কিন সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্বকে আরও একবার তুলে ধরেছে, বিশেষ করে এমন সময়ে যখন বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। রবিবার ভারত সফরে এসেছেন মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসি গ্যাবার্ড ৷ সেদিন রাতেই তিনি বৈঠকে বসেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার অজিত ডোভালের সঙ্গে। ওই বৈঠকে ডোভাল ও মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসী ছাড়াও ছিলেন ভারতের গোয়েন্দা প্রধান, কানাডার গোয়েন্দা প্রধান, ব্রিটেনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাও। সূত্রের খবর, অজিত ডোভালের সঙ্গে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে সবিস্তারে আলোচনা হয়েছে ৷ ভারতে রওনা দেওয়ার আগে এক্স হ্যান্ডেলে তুলসি লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্যপূরণই হবে তাঁর এই সফরের উদ্দেশ্য।”

    ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা রক্ষা

    ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা গত দুই দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৫ সালে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব শুরু হয় এবং ২০২০ সালে ট্রাম্পের ভারত সফরের সময় এটি একটি ব্যাপক গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে উন্নীত হয়। গ্যাবার্ডের এই সফর এই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার একটি প্রতিফলন। রাজনাথ সিং এবং তুলসী গ্যাবার্ডের বৈঠকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়

    এই বৈঠকে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যৌথ মহড়া, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয়েও কথা হয়েছে। ভারত সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে উন্নত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ের দিকে ঝুঁকেছে। লজিস্টিকস এক্সচেঞ্জ মেমোরেন্ডাম অফ অ্যাগ্রিমেন্ট (LEMOA), কমিউনিকেশনস কম্প্যাটিবিলিটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাগ্রিমেন্ট (COMCASA) এবং বেসিক এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (BECA)-এর মতো চুক্তিগুলি দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। গ্যাবার্ডের সঙ্গে এই আলোচনা এই সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে।

    তুলসী গ্যাবার্ড-এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির সম্পর্ক

    ৪৩ বছর বয়সী তুলসী গ্যাবার্ড মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম হিন্দু সদস্য হিসেবে পরিচিত। তিনি হাওয়াই থেকে ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি হিসেবে কংগ্রেসে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালে তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ত্যাগ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করেন এবং এখন তাঁর প্রশাসনে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি ভগবদ্গীতার হাতে শপথ নিয়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন এবং ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে সেই বইটি উপহার দিয়েছিলেন। গ্যাবার্ড ভারতের প্রতি তাঁর সমর্থনের জন্য পরিচিত। তিনি ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদির আমন্ত্রণে ভারত সফর করেছিলেন এবং আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের প্রস্তাবকে সমর্থন করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের বিষয়ে সোচ্চার হয়েছেন, যা ভারতীয়-মার্কিন সম্প্রদায়ের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে।

    খালিস্তান প্রসঙ্গ

    নিষিদ্ধ খালিস্তানপন্থী জঙ্গিগোষ্ঠী ‘শিখস ফর জাস্টিস’ (এসএফজে) এবং তার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান গুরপতবন্ত সিং পান্নুনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য আমেরিকার গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ডের কাছে দাবি জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সোমবার দিল্লিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠকে রাজনাথ-গ্যাবার্ড বৈঠকে খলিস্তান-প্রসঙ্গ এসেছে বলেও খবর। জো বাইডেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন খালিস্তান নিয়ে একাধিক বার নয়াদিল্লি-ওয়াশিংটন টানাপড়েন তৈরি হয়েছে। পান্নুনকে হত্যার চেষ্টার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বছর নিখিল গুপ্ত নামে এক ভারতীয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল মার্কিন প্রশাসন। চেক প্রজাতন্ত্র থেকে ওই ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হয়েছিল আমেরিকায়। এমনকি, ওই ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে গত সেপ্টেম্বরে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালকে তলব করেছিল আমেরিকার আদালত।

    একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা

    খালিস্তান প্রসঙ্গের পাশাপাশি, ডোভাল এবং রাজনাথের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের গোয়েন্দা প্রধানের বৈঠকে অবৈধ অভিবাসন, মাদক বিরোধিতা, সীমান্ত নিরাপত্তা, গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মধ্যে সহযোগিতা, যৌনশোষণ রোধ, মানব পাচার, সাইবার নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলি এসেছে বলে সরকারি সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, ট্রাম্প দ্বিতীয় বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই প্রথম কোনও শীর্ষস্থানীয় মার্কিন আধিকারিক ভারত সফরে এলেন। আড়াই দিনের এই সফরে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বৈঠকে যোগদানের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সম্পর্কে নিয়ে একাধিক বৈঠক করবেন গ্যাবার্ড। ভারত সফর শেষে তিনি যাবেন জাপান ও সেখান থেকে ফ্রান্সে পৌঁছবেন।

  • PCB: ৮৬৯ কোটি খরচ করে লোকসান ৮৫ শতাংশ! বাবরদের ব্যর্থতায় ভাঁড়ার শূন্য পাক ক্রিকেট বোর্ডের

    PCB: ৮৬৯ কোটি খরচ করে লোকসান ৮৫ শতাংশ! বাবরদের ব্যর্থতায় ভাঁড়ার শূন্য পাক ক্রিকেট বোর্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পাক ক্রিকেট (PCB)। ২৯ বছর পর দেশের মাটিতে কোনও আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিল পাকিস্তান। সেখানে লাভের বদলে বিপুল লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে মহসিন নকভিদের। তার প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে। ভাঁড়ার খালি হওয়ায় কমেছে ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি।

    কেন লোকসানের মুখে পাক ক্রিকেট

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে সকলের আগে বিদায় নিয়েছে পাকিস্তান (PCB)। মাত্র চার দিনেই তাদের প্রতিযোগিতা শেষ হয়ে গিয়েছে। দেশে খেলেছে মাত্র একটি ম্যাচ। ফলে পাকিস্তানের দর্শক এই প্রতিযোগিতা থেকে আগ্রহ হারিয়েছে। পরের ম্যাচগুলিতে মাঠ ফাঁকা ছিল। টিকিটের চাহিদা কমেছে। তার ফলে মুখ ফিরিয়েছে স্পনসররা। সব মিলিয়ে সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান। সূত্রের খবর, দেশের তিনটি জায়গায় আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর বসানোর জেরে ইতিমধ্যে প্রায় ৭৩৭ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। যার জেরে কোপ পড়েছে ক্রিকেটারদের বিলাস-ব্যাসনে। বাবর আজমরা বিদেশ সফরে গেলে আগে বিলাসবহুল পাঁচতারা হোটেলে থাকতেন। এবার থেকে ছাপোষা হোটেলেই দিন কাটাতে হবে।

    কমল পাক ক্রিকেটাদরদের ম্যাচ ফি

    এর প্রভাব পড়েছে ঘরোয়া ক্রিকেটে (PCB)। আসন্ন জাতীয় টি২০ প্রতিযোগিতায় ক্রিকেটারদের বেতন ৯০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। জাতীয় টি২০ প্রতিযোগিতায় আগে প্রতিটি ম্যাচের জন্য ক্রিকেটাররা ৪০ হাজার টাকা করে পেতেন। সেটা কমে ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে। ঘরোয়া লাল বলের প্রতিযোগিতাতেও আগে ম্যাচপিছু ৪০ হাজার টাকা করে দেওয়া হত। এ বার থেকে দেওয়া হবে ৩০ হাজার টাকা।

    ৭৩৭ কোটি টাকা লোকসান

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য স্টেডিয়াম ঠিকঠাক করার পর টুর্নামেন্ট আয়োজন বাবদ পিসিবিকে কয়েক প্রস্থ অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৫২০ কোটি টাকা। এছাড়, প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিতে খরচ হয়েছে আরও প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। এতকিছুর পর আয়োজন ফি বাবদ পিসিবি-র হাতে আসে ৫২ কোটি টাকা। মোট খরচের তুলনায় যা নামমাত্র। আর দিনের শেষে লাভ-ক্ষতির যোগ-বিয়োগের পর পাক ক্রিকেট বোর্ডের ভাঁড়ার থেকে কিছু আসার বদলে বেরিয়ে গিয়েছে প্রায় ৭৩৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ, ক্ষতির পরিমাণ ৮৫ শতাংশ।

  • PM Modi: হায়দরাবাদ হাউসে মোদি-লুক্সন বৈঠক, প্রতিরক্ষা থেকে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চল নিয়ে আলোচনা

    PM Modi: হায়দরাবাদ হাউসে মোদি-লুক্সন বৈঠক, প্রতিরক্ষা থেকে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চল নিয়ে আলোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে এসেছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুক্সন। সোমবারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে তিনি একটি বৈঠক করেন। এরপরে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান নিজেদের যৌথ ভাষণে বলেন, ‘‘উভয় দেশই ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলকে মুক্ত, নিরাপদ ও উন্নত করার নীতিতে বিশ্বাস রাখে।’’

    দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তিও

    জানা গিয়েছে, নয়া দিল্লিতে হায়দরাবাদ হাউসে দুই রাষ্ট্র প্রধানের বৈঠকে একটি প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সময়ের সুসম্পর্কের জন্য সেদেশের রাষ্ট্রপ্রধান লুক্সনের ভূয়সী প্রশংসাও করেন। এর পাশাপাশি অকল্যান্ডে নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) নেতারা যেভাবে ভারতীয় হিন্দু পরম্পরার উৎসব হোলি উদযাপন করেছেন সেটিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ‘‘ভারত ও নিউজিল্যান্ডের দ্বিপাক্ষিক নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা দুই দেশের প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সম্পর্ককে শক্তিশালী এবং কৌশলগত রূপ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা যেকোনও ধরনের সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ এগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখব।’’

    কী বললেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লুক্সন

    অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বক্তব্যকে সমর্থন করে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুক্সন বলেন, ‘‘ইন্দো প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নতির জন্য আমরা এক সঙ্গে কাজ করব।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর এই বৈঠককে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলেও বর্ণনা করেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। সাংবাদিকের সামনে নিজের বিবৃতিতে নিউজিল্যান্ডের রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘‘আমি আশা করি আমাদের এই আলোচনা ভারতের সঙ্গে গভীর এবং একটি তাৎপর্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার বিষয়ে যথেষ্ট দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এতে কোনও সন্দেহ নেই।’’

    দুই দেশের ১০০ বছরের ক্রীড়া সম্পর্ক

    প্রসঙ্গত, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই বৈঠকে উঠে আসে ক্রীড়া সম্পর্কের কথাও। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ভারতের ১০০ বছরের ক্রীড়া সম্পর্ক নিয়ে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান নিজেদের মধ্যে ভাব বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উল্লেখ করেন যে ভারত ও নিউজিল্যান্ড যে কোনও খেলার ক্ষেত্রে, তা সে ক্রিকেট হোক বা হকি, সবকিছুতেই একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া প্রশিক্ষণ, ক্রীড়াবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান চিকিৎসা ক্ষেত্রের মতো অন্যান্য বিষয় নিয়েও সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন, ‘‘আমরা ২০২৬ সালে দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্কের ১০০ বছর উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’

    আলোচনায় উঠে এল নিউজিল্যান্ডের ভারত বিরোধী কার্যকলাপ

    একই সঙ্গে নিউজিল্যান্ডে বেশকিছু ভারত বিরোধী কার্যকলাপও এদিনের বৈঠকে আলোচিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হায়দরাবাদ হাউসের ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এনিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এর পাশাপাশি দুই দেশেই অবৈধ অভিবাসনের সমস্যার মোকাবিলার একটি চুক্তি তৈরি করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইসঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘‘ ২০১৯ সালে ক্রাইস্ট চার্চ মসজিদ হামলা এবং ২৬/১১-র সন্ত্রাসবাদ হামলা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’’

    ২০ মার্চ পর্যন্ত তিনি ভারত সফরে থাকবেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, রবিবারই নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুক্সন পাঁচ দিনের ভারত সফরে আসেন। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠক সম্পন্ন হল। জানা যাচ্ছে, ২০ মার্চ পর্যন্ত তিনি ভারত সফরে থাকবেন। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে তাঁর সঙ্গে বড় সংখ্যার প্রতিনিধি দলও এসেছে। রবিবার দিল্লি এয়ারপোর্টে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসপি সিং বাঘেল তাঁদের অভ্যর্থনা জানান। জানা গিয়েছে, এই প্রতিনিধি দলে নিউজিল্যান্ডের মন্ত্রী, শিল্পপতিরাও রয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ভারতে থাকাকালীন মুম্বই সফরেরও কর্মসূচি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্র সরকারের তরফে।

    রবিবার দিল্লিতে পা রেখে কী বলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী?

    রবিবার দিল্লিতে পা রেখে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব অনেক গুণ বাড়াতে চলেছি। ভারত বর্তমান বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। ইন্দো-প্রশান্তমহাসাগর অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা ও উন্নয়নে কী করতে পারি সেই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আলোচনা করব। নিউজিল্যান্ডকে বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা হবে।’’

  • Rabies Vaccine: কুকুর কামড়ালে শুধু জলাতঙ্কের টিকা যথেষ্ট নয়! কী নিতে বলছেন বিজ্ঞানীরা?

    Rabies Vaccine: কুকুর কামড়ালে শুধু জলাতঙ্কের টিকা যথেষ্ট নয়! কী নিতে বলছেন বিজ্ঞানীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুকুর আঁচড়ালে বা কামড়ে দিলে শুধুমাত্র জলাতঙ্কের টিকা (Rabies Vaccine) নিলেই যে মুক্তি পাওয়া যাবে তা নয়। সঙ্গে নিতে হবে র‍্যাবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন। সম্প্রতি ল্যানসেটের একটি গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে, দশকের পর দশকে এই ভাইরাস মৃত্যুর সংখ্যা কমে গেলেও, এখনও প্রতিবছর প্রায় ৫৭২৬ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন। চিকিৎসকরা বলেন, কুকুরের কামড় বা হাঁচড়ের পর পরই র‍্যাবিস ভ্যাকসিন নেওয়া দরকার। তা না হলে এই ভাইরাস প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। ডাক্তার মত, এই ভাইরাসকে আটকাতে শুধু ভ্যাকসিন নয়, নিতে হবে র‍্যাবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন।

    কত দ্রুত ছড়ায় র‌্যাবিস ভাইরাস

    ‘দ্য ল্যানসেট’ মেডিক্যাল জার্নালে কুকুরের কামড়ে মৃত্যু নিয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকেরা জানাচ্ছেন, এ দেশে প্রতি বছর পাঁচ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় র‌্যাবিস ভাইরাসের (Rabies Vaccine) কারণে। অনেকেই সময় মতো জলাতঙ্কের টিকাও নেন, কিন্তু তার পরেও শরীরে সংক্রমণ ঘটে। এর কারণ হল, কেবল অ্যান্টি-র‌্যাবিস টিকা ভাইরাস ধ্বংস করতে পারে না। যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, যেমন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে কুকুর কামড়ে দিলে কেবল ওই একটি টিকা নিয়ে ভাইরাস ঠেকানো যাবে না। র‌্যাবিস ভাইরাস খুব দ্রুত দেহকোষের মধ্যে বিভাজিত হয়ে বংশবিস্তার করতে পারে। এই ভাইরাস শরীরের রোগ প্রতিরোধী কোষগুলিকে একের পর এক নষ্ট করতে থাকে। আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল, টিকা নেওয়ার ৭-১০ দিন পরে ধীরে ধীরে অ্যান্টিবডি তৈরি শুরু হয়। এর মধ্যেই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে সারা শরীরে।

    র‌্যাবিস ভাইরাস থেকে মুক্তির উপায়?

    কুকুরের কামড়ে যদি গভীর ক্ষত তৈরি হয়, তা হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রতিষেধক নিলে তবেই র‌্যাবিস ভাইরাসের (Rabies Vaccine) থেকে রেহাই পাওয়া যাবে বলেই দাবি গবেষকদের। তবে গবেষকদের তে সবচেয়ে ভালো, জলাতঙ্কের টিকার পাশাপাশি আরও একটি প্রতিষেধক নিয়ে নোওয়া, যার নাম র‌্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিন (আরআইজি)। এই প্রতিষেধকটি কৃত্রিম অ্যান্টিবডি দিয়েই তৈরি হয়েছে। ইঞ্জেকশন নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যান্টিবডি রক্তে মিশে যাবে ও ভাইরাসগুলিকে ধ্বংস করতে শুরু করবে। জলাতঙ্কের টিকার সঙ্গেই র‌্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিন প্রতিষেধক নিলে দ্বিস্তরীয় সুরক্ষাবলয় তৈরি হবে শরীরে। ফলে প্রাণসংশয়ের ঝুঁকি থাকবে না।

    জলাতঙ্কের আতঙ্ক

    জলাতঙ্ক একসময়ে রীতিমতো আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল! এই ভাইরাস (Rabies Vaccine) সরাসরি মানুষের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে আঘাত করে। যা মূলত আক্রান্ত প্রাণীর লালারস থেকে ছড়ায়। যার ফলে মৃত্যুর হারও অনেক ছিল। তবে জলাতঙ্কের টিকা আবিস্কারের পর, চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর হার কমে।

    কী এই র‍্যাবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন

    র‌্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিন জলাতঙ্ক রোগ থেকে রক্ষা করে। এই ইঞ্জেকশন অ্যান্টিবডি থাকে। যা জলাতঙ্ক ভাইরাসকে (Rabies Vaccine) রুখে দিতে পারে। আহমেদাবাদের শালবি হাসপাতালের সংক্রামক রোগ পরামর্শদাতা ডাঃ সংকেত মানকড় বলেন, “যাদের আগে জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হয়নি তাঁদের ক্ষেত্রে এই রেবিজ ইমিউনোগ্লোবুলিন তাৎক্ষণিক সুরক্ষা হিসাবে কাজ করে।” এই ইঞ্জেকশন ভারতে পাওয়া যায়। তবে, র‍্যাবিস ভ্যাকসিনের থেকে এটি অনেক বেশি দামি। যেখানে র‍্যাবিস ভ্যাকসিন ৩০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। সেখানে র‍্যাবিস ইমিউনোগ্লোবুলিনের দাম ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার।

    কুকুর কামড়ালে কখন নেবে র‍্যাবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র একটি নির্দেশিকা রয়েছে। সেই নির্দেশিকা অনুযায়ী, কুকুর কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতস্থানটি ভাল করে জল দিয়ে ধুতে হবে। অন্তত ১৫ মিনিট জায়গাটিতে টানা জল দিয়ে যেতে হবে। এর পরে আয়োডিন বা অ্যালকোহল (৭০ শতাংশ) দিয়ে জায়গাটি পরিষ্কার করতে হবে, যাতে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে না পারে। এর পরে যদি জলাতঙ্কের টিকা বা ‘অ্যান্টি-র‌্যাবিস ভ্যাকসিন‘ (এআরভি) নেন তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সময় দেখে র‌্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিন টিকাও নিয়ে নিতে হবে। পাঁচটি ডোজে নিতে হবে এই টিকা। একটি ডোজ সঙ্গে সঙ্গে নিতে হবে। অন্যগুলি ৩, ৫, ৭ ও ১৪ দিনের ব্যবধানে নিতে হবে। পঞ্চম ডোজটি নিতে হবে ২৮ দিন পরে।

  • Terrorist Organisations: ৬৭টি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ও বেআইনি সংস্থার তালিকা প্রকাশ কেন্দ্রের, জানুন বিশদে

    Terrorist Organisations: ৬৭টি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ও বেআইনি সংস্থার তালিকা প্রকাশ কেন্দ্রের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ ৬৭টি জঙ্গি সংগঠন (Terrorist Organisations) ও বেআইনি সংস্থার তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (MHA)। এই সংগঠনগুলি হয় জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, নয়তো ভারতের নিরাপত্তার প্রতি হুমকি স্বরূপ। সেই কারণে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ)-র আওতায় ওই জঙ্গি সংগঠন ও বেআইনি সংস্থাগুলিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    ইউএপিএ-র ধারা ৩৫ (Terrorist Organisations)

    জানা গিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক প্রকাশিত তালিকায় ৪৫টি সংগঠনকে ইউএপিএ-র ধারা ৩৫-এর অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে জঙ্গি সংগঠন হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এদের এই আইনটির প্রথম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাকি ২২টি সংগঠনকে ইউএপিএর ধারা ৩(১) অনুযায়ী বেআইনি সংস্থা হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যেসব সংগঠন ও সংস্থাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেগুলির অনেকগুলিই ভারতে বিদ্রোহ, বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন এবং সহিংস কার্যকলাপে জড়িত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নিয়মিত এই তালিকা আপডেট করে। সেই তালিকায় হল প্রকাশিত। এই প্রক্রিয়া ভারতের জঙ্গিবাদ ও উগ্রপন্থা দমনের চেষ্টার একটি অঙ্গ। ইউএপিএ-র আওতায় যে জঙ্গি সংগঠনগুলিকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, সেগুলির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হয়। এর মধ্যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত সদস্যদের গ্রেফতার করাও অন্তর্ভুক্ত।

    জঙ্গি সংগঠনের তালিকা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক যে সংগঠনগুলিকে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেগুলি হল – বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল, খালিস্তান কমান্ডো ফোর্স, খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্স, ইন্টারন্যাশনাল শিখ ইয়ুথ ফেডারেশন, লস্কর-ই-তৈবা বা পাসবান-এ-আহলে হাদিস বা দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট এবং এদের সকল শাখা ও সহযোগী সংগঠন, জইশ-ই-মহম্মদ বা তাহরিক-ই-ফুরকান বা পিপলস অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট ফ্রন্ট (PAFF) এবং এদের সকল শাখা ও সহযোগী সংগঠন, হরকত-উল-মুজাহিদিন বা হরকত-উল-আনসার বা হরকত-উল-জেহাদ-ই-ইসলামি বা আনসার-উল-উম্মাহ, হিজবুল মুজাহিদিন বা হিজবুল মুজাহিদিন পীর পাঞ্জাল রেজিমেন্ট, আল-উমর-মুজাহিদিন, জম্মু ও কাশ্মীর ইসলামিক ফ্রন্ট, ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব অসম (ULFA), অসমের ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট অফ বডোল্যান্ড (NDFB), পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA), ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (UNLF), পিপলস রেভল্যুশনারি পার্টি অব কাংলেইপাক (PREPAK), কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টি (KCP), কাংলেই ইয়াওল কানবা লুপ (KYKL), মণিপুর পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (MPLF), অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স (ATTF), ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরা (NLFT), লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম (LTTE), স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া (SIMI), দিনদার আনজুমান, কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী)-পিপলস ওয়ার এবং এর সমস্ত শাখা, মাওবাদী কমিউনিস্ট সেন্টার (MCC), এর সমস্ত গঠন ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি। তালিকায় (Terrorist Organisations) রয়েছে আল বদর, জামিয়াত-উল-মুজাহিদিন, আল-কায়েদা বা ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়দা (AQIS) এবং এর সমস্ত রূপ, দুখতারান-ই-মিলাত (DEM); তামিলনাড়ু মুক্তি বাহিনী (TNLA); তামিল ন্যাশনাল (MHA) রিট্রিভাল ট্রুপস (TNRT); অখিল ভারতীয় নেপালি একতা সমাজ (ABNES); এবং ২০০৭ সালের রাষ্ট্রসংঘের সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও দমন (নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব বাস্তবায়ন) নির্দেশের তফসিলে তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলি, যা ১৯৪৭ সালের রাষ্ট্রসংঘ (নিরাপত্তা পরিষদ) আইন অনুসারে তৈরি এবং সময়ে সময়ে সংশোধিত হয়েছে; তেমনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী) এবং এর সমস্ত সংগঠন ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি; গারো ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (GNLA) এবং এর সমস্ত গঠন ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি; কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং এর সমস্ত গঠন ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি; ইসলামিক স্টেট বা ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক ও লেভান্ত বা ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক ও সিরিয়া বা দাইশ এবং এর সমস্ত রূপ; ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অফ নাগাল্যান্ড (খাপলাং) এবং এর সমস্ত গঠন ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি; খালিস্তান লিবারেশন ফোর্স এবং এর সমস্ত রূপ; তেহরিক-উল-মুজাহিদিন (TuM); জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জামাত-উল-মুজাহিদিন ভারত বা জামাত-উল-মুজাহিদিন হিন্দুস্তান এবং এর সমস্ত রূপ; জম্মু ও কাশ্মীর গজনবি ফোর্স (JKGF) এবং এর সমস্ত রূপ ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি; খালিস্তান টাইগার ফোর্স (KTF) এবং এর সমস্ত রূপ ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি;
    এবং হিজব-উত-তাহরির (HuT) এবং এর সমস্ত রূপ ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি।

    অবৈধ সংগঠন

    অবৈধ সংগঠন হিসেবে ঘোষিত গোষ্ঠীগুলি হল, শিক্ষার্থী ইসলামী আন্দোলন, ভারত (SIMI), ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম (ULFA), অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স (ATTF), ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (NLFT), হ্নিউত্রেপ ন্যাশনাল লিবারেশন কাউন্সিল (HNLC), লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম (LTTE), ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অফ নাগাল্যান্ড (খাপলাং) (Terrorist Organisations), ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন (IRF), জম্মু ও কাশ্মীর জামাত-এ-ইসলামি, জম্মু ও কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (মোহাম্মদ ইয়াসিন মালিক গোষ্ঠী), শিখস ফর জাস্টিস (SFJ), জম্মু ও কাশ্মীর ডেমোক্রেটিক ফ্রিডম পার্টি, মুসলিম লিগ জম্মু ও কাশ্মীর (মাসরাত আলম গোষ্ঠী), তেহরিক-ই-হুরিয়ত, জম্মু ও কাশ্মীর, মুসলিম কনফারেন্স জম্মু ও কাশ্মীর (ভাট গোষ্ঠী), মুসলিম কনফারেন্স জম্মু ও কাশ্মীর (সুমজি গোষ্ঠী), জম্মু ও কাশ্মীর ন্যাশনাল ফ্রন্ট, জম্মু ও কাশ্মীর পিপলস ফ্রিডম লিগ।

    আরও অবৈধ সংগঠন

    এছাড়াও, সাতটি মৈতেই চরমপন্থী সংগঠনকেও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলি হল, পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA) এবং এর রাজনৈতিক শাখা, রেভোলিউশনারি পিপলস ফ্রন্ট (RPF), ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (UNLF) এবং এর সশস্ত্র শাখা ‘রেড আর্মি’, পিপলস রেভোলিউশনারি পার্টি অফ কাংলেইপাক (PREPAK) এবং এর সশস্ত্র শাখা ‘রেড আর্মি’, কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টি (KCP) এবং এর সশস্ত্র শাখা, যা ‘রেড আর্মি’ নামে পরিচিত, কাংলেই ইয়াওল কানবা লুপ (KYKL), কোঅর্ডিনেশন কমিটি (CorCom), অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যালিস্ট ইউনিটি কাংলেইপাক (ASUK)। এছাড়াও, পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI) এবং এর সহযোগী, অধিভুক্ত বা শাখাগুলিকেও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলি হল: রিহ্যাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, ক্যাম্পাস ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া, অল ইন্ডিয়া ইমামস কাউন্সিল, ন্যাশনাল কনফেডারেশন অফ হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন, ন্যাশনাল উইমেন্স ফ্রন্ট, জুনিয়র ফ্রন্ট, এমপাওয়ার ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, রিহ্যাব ফাউন্ডেশন, কেরালা। জম্মু ও কাশ্মীর পিপলস লিগের চারটি গোষ্ঠী, যথা জেকেপিএল (মুখতার আহমদ ওয়াজা), জেকেপিএল (বশির আহমেদ টোটা), জেকেপিএল (গুলাম মোহাম্মদ খান (MHA) ওরফে সোপোরি) এবং জেকেপিএল (আজিজ শেখ), যা ইয়াকুব শেখের নেতৃত্বে রয়েছে, তাদের নামও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ইউএপিএ ১৯৬৭ ভারতের প্রধান সন্ত্রাসবিরোধী আইন, যা সরকারকে বিভিন্ন সংগঠন জঙ্গি গোষ্ঠী বা অবৈধ সংস্থা (Terrorist Organisations) হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতা দেয়, যাতে সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। এই আইনটি একাধিকবার সংশোধন করা হয়েছে। ২০০৮ সালে মুম্বই হামলার পর এটি আরও কঠোর করা হয়েছে।

    একটি সংগঠনকে জঙ্গি গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণার অর্থ হল ভারতের অভ্যন্তরে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা, তাদের আর্থিক সম্পদ ফ্রিজ করা, সদস্যদের তহবিল সংগ্রহ বা নিয়োগ প্রতিরোধ করা এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া। ভারত সরকার নিয়মিত এই তালিকা আপডেট করে, যাতে দেশ ও দেশের বাইরে সক্রিয় জঙ্গি, বিদ্রোহী এবং চরমপন্থী (MHA) গোষ্ঠীগুলোর হুমকির মোকাবিলা করা যায় (Terrorist Organisations)।

  • PM Modi: “ভারত শান্তি চাইলেও, পাকিস্তান চিরকাল ছায়াযুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছে”, সাক্ষাৎকারে বললেন মোদি

    PM Modi: “ভারত শান্তি চাইলেও, পাকিস্তান চিরকাল ছায়াযুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছে”, সাক্ষাৎকারে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত সব সময় শান্তি চেয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান (Pakistan) তার বদলে ছায়াযুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছে।” এক মার্কিন পডকাস্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভারতের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধ চালানোর অভিযোগেও পাকিস্তানকে দুষেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভারতের শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিটি প্রচেষ্টা সম্মুখীন হয়েছে তার প্রতিবেশীর শত্রুতা ও বিশ্বাসঘাতকতার। যার জন্য দেশটি পুরো বিশ্বের জন্য অশান্তির কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার (PM Modi)

    ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎকারটি নেওয়া হয়েছিল নরেন্দ্র মোদির আমেরিকা সফরের সময়ই। সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন লেক্স ফ্রিডম্যান। ঘণ্টা তিনেকের ওই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয় রবিবার। সেখানে তিনি জানান, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার সময় পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মেরামতের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন পাকিস্তানকে। ইসলামাবাদের সঙ্গে যাতে নতুনভাবে সম্পর্ক শুরু করা যায়, তাই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল পাকিস্তানকে। কিন্তু শান্তি ফেরানোর প্রতিটি চেষ্টার বদলে অপর প্রান্ত থেকে মিলেছে বিরোধিতা ও বিশ্বাসঘাতকতা।

    শত্রুতা ও বিশ্বাসঘাতকতা

    লাহোর সফরের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জানান, ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে তাঁর প্রচেষ্টা কাঙ্ক্ষিত ফল দেয়নি। তিনি বলেন, “শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিটি মহৎ প্রচেষ্টা শত্রুতা ও বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে প্রতিহত হয়েছে।” ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথ না বেছে নেওয়ার জন্য পাকিস্তানকে অভিযুক্তও করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশভাগ একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক পর্ব ছিল। তবে ভারত দেশভাগকে মেনে নিয়ে এগোতে শুরু করে।” কিন্তু পাকিস্তান শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথ বেছে নেয়নি বলেও অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর। তিনি বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম, তারা (পাকিস্তান) নিজেদের মতো করে থাকবে, আমাদেরও আমাদের মতো করে থাকতে দেবে। কিন্তু তারা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে এগোয়নি। বার বার তারা ভারতের বিরুদ্ধে গিয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধ শুরু করেছে (Pakistan)।”

    প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বাস

    প্রসঙ্গত, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে মোদির (PM Modi) এই মন্তব্য এমন একটা সময়ে এসেছে যখন কোয়েটা-পেশোয়ার ট্রেনে বালোচ বিদ্রোহীরা প্রাণঘাতী হামলা ও পণবন্দি প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে তাদের বক্তব্য আরও জোরদার করেছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বাস, পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ শান্তির পক্ষে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আশা করি তাদের (পাকিস্তানের) শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং তারা শান্তির পথ বেছে নেবে। আমি বিশ্বাস করি, পাকিস্তানের সাধারণ মানুষও শান্তি চান। কারণ তাঁরাও এই বিবাদ ও অস্থিরতার মধ্যে থাকতে থাকতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। তাঁরা নিশ্চয়ই অবিরাম চলতে থাকা সন্ত্রাসে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, যেখানে অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন, এমন কী নিরীহ শিশুরাও মারা যাচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রী জানান, পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মসৃণ করতে বার বার চেষ্টা করেছেন তিনি।

    প্রশ্ন যখন সন্ত্রাসবাদ

    সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নেও পাকিস্তানকে বেঁধেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, এর জন্য শুধু ভারতই নয়, গোটা বিশ্ব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, “বিশ্বের যেখানেই জঙ্গি হামলা হোক না কেন, কোনও না কোনওভাবে তার যোগসূত্র মেলে পাকিস্তানে। ৯/১১ হামলার ঘটনাই দেখুন না, ওই হামলার মূলচক্রী ওসামা বিন লাদেন। তিনি কোথা থেকে এলেন? তিনি পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসবাদী মানসিকতা পাকিস্তানের গভীরে গেঁথে রয়েছে এবং গোটা বিশ্ব আজ বুঝতে পারছে (Pakistan)।” ২০১৯ সালের অগাস্ট মাস থেকে (PM Modi) ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কের সামান্য যোগসূত্রটুকুও ছিঁড়ে যায়। জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ হয় ওই মাসে। তার পরেই পাক সরকার ভারতের হাই কমিশনারকে পাকিস্তান থেকে প্রত্যাহার করতে বাধ্য করে। পাকিস্তানও তার নবনিযুক্ত হাই কমিশনারকে নয়াদিল্লিতে পাঠায়নি।

    ভারত-চিন সম্পর্ক

    পডকাস্টে, ভারত-চিন সম্পর্ক সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে চলা সীমান্ত বিরোধের কথা স্বীকার করে নেন। ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে সীমান্ত সংঘর্ষের ফলে দুই দেশের মধ্যে যথেষ্ট উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তবে, প্রেসিডেন্ট শি-জিনপিংয়ের সঙ্গে আমার সাম্প্রতিক বৈঠকের পর সীমান্তে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসতে দেখা যাচ্ছে। আমরা এখন ২০২০ সালের আগের পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার করতে কাজ করছি।” তাঁর বিশ্বাস, আস্থা গঠনের প্রচেষ্টা অবশ্যই ফলপ্রসূ হবে।

    প্রসঙ্গত, মোদির (PM Modi) এই সাক্ষাৎকার যখন সম্প্রচারিত হচ্ছে, তখন ভারতের বার্ষিক বহুপাক্ষিক সম্মেলন রাইসিনা ডায়লগে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে হাজির শীর্ষস্থানীয় কূটনীতিকরা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রীও। ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতে শান্তি প্রচেষ্টার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আলোচনায় রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং উভয় পক্ষ আলোচনার (Pakistan) টেবিলে এলে সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে (PM Modi)।”

  • ISRO: এবার চন্দ্রযান ৫ মিশনের অনুমোদন দিল কেন্দ্র, জাপানের সঙ্গে যৌথভাবে হবে অভিযান

    ISRO: এবার চন্দ্রযান ৫ মিশনের অনুমোদন দিল কেন্দ্র, জাপানের সঙ্গে যৌথভাবে হবে অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর (ISRO) চন্দ্রযান-৫। ইতিমধ্যে এবিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ছাড়পত্র পেয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO)। এমনটাই জানিয়েছেন ইসরো প্রধান ভি নারায়ণন। প্রসঙ্গত, চন্দ্রযান ৩ সফল হওয়ার পরে চন্দ্রযান-৪ অভিযানের জন্য গত বছরেই অনুমোদন করে কেন্দ্র। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে মোদি মন্ত্রিসভা চন্দ্রযান ৪ মিশন অনুমোদন করেছিল। এই অভিযানের উদ্দেশ্য হল চাঁদে একটি মহাকাশযান অবতরণ করানো, চাঁদের মাটি এবং পাথরের নমুনা সংগ্রহ করা এবং নিরাপদে তা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা। এই মিশনে জন্য খরচ ধরা হয়েছে ২১০৪ কোটি টাকা। চন্দ্রযান ৪ মিশন নিয়ে এখন ইসরোর প্রস্তুতি তুঙ্গে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে, ২০২৭ সালেই উৎক্ষেপণ করা হতে পারে চন্দ্রযান ৪। এই আবহে সামনে এল চন্দ্রযান ৫ এর অনুমোদনের খবর। চন্দ্রযান-৫ সম্পর্কে নারায়ণন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “মাত্র তিন দিন আগে আমরা চন্দ্রযান-৫ অভিযানের অনুমোদন পেয়েছি (Chandrayaan 5 Mission)। আমরা জাপানের সঙ্গে যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করব।”

    চন্দ্রযান-৫ যে রোভার নিয়ে যাবে তার ওজন হবে ২৫০ কেজি (ISRO)

    প্রসঙ্গত, রবিবারই এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা ঘোষণা করেন ইসরো (ISRO) চেয়ারম্যান ভি নারায়ণন। তিনি আরও জানিয়েছেন জাপানের সহযোগিতায় এই মিশন পরিচালিত হবে। সম্প্রতি, ইসরো চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ভি নারায়ণন। চন্দ্রযান ৫ মিশন নিয়ে তিনি জানিয়েছেন, চন্দ্রযান ৩ মিশনে রোভার যন্ত্রটির ওজন ছিল ২৫ কেজি। তবে, চাঁদের পৃষ্ঠদেশে অনুসন্ধানের জন্য চন্দ্রযান ৫ যে রোভারটি নিয়ে যাবে, সেটির ওজন হবে ২৫০ কেজি। বস্তুত, চাঁদের পৃষ্ঠদেশ নিয়ে গবেষণার জন্যই চন্দ্রযান কর্মসূচি শুরু করে ইসরো।

    ২০০৮ সালে পাড়ি দেয় চন্দ্রযান ১, ২০১৯ সালে চন্দ্রযান ২

    চাঁদের দেশে গবেষণা (ISRO) করতে ভারত একাধিক চন্দ্রযান কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। প্রথম মিশন শুরু হয় ২০০৮ সালে। চন্দ্রযান-১, ২০০৮ সালে সফলভাবেই পাড়ি দেয় মহাকাশে। চন্দ্রপৃষ্ঠে রাসায়নিক, খনিজ ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা চালায় চন্দ্রযান ১। ২০১৯ সালে উৎক্ষেপণ করা চন্দ্রযান-২-তে একটি ল্যান্ডার এবং রোভার ছিল, কিন্তু অবতরণের সময় ল্যান্ডারটি বিধ্বস্ত হয়ে মিশনটি (Chandrayaan 5 Mission) শেষ হয়ে যায়। তার পরে ২০১৯ সালে চন্দ্রযান-২ সম্পূর্ণ সাফল্য পায়নি। সেসময় ইসরো প্রধান জানান, লক্ষ্যে সফল না হলেও চন্দ্রযান ২-এর উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা থেকে প্রচুর ছবি পাচ্ছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO)।

    বিরাট সাফল্য পায় চন্দ্রযান ৩

    পরবর্তীকালে ভারতের মহাকাশ গবেষণা এবং চন্দ্রাভিযানে অন্যতম বড় সাফল্য এসেছে চন্দ্রযান ৩-এর হাত ধরেই। চন্দ্রযান ৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণ করে। উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে গোটা দেশ। চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ যেখানে অবতরণ করে, বিশ্বের অন্য কোনও দেশ সেখানে আজও মহাকাশযান পাঠাতে পারেনি। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২৩ অগাস্ট, চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল তৃতীয় চন্দ্রযানের ল্যান্ডার বিক্রম। পাখির পালকের মতো অবতরণ (সফ্‌ট ল্যান্ডিং) করে ওই ল্যান্ডারটি। যা এর আগে কোনও দেশ কখনও করতে পারেনি। তার পেট থেকে বেরিয়ে আসে রোভার প্রজ্ঞান। চাঁদের মাটি-পাথর নমুনা সংগ্রহ করে নিজের মধ্যে থাকা মিনি-গবেষণাগারে পরীক্ষা করে তার ফল পৃথিবীতে পাঠিয়েছিল প্রজ্ঞান। ১৪ দিনের কাজের পর, ল্যান্ডার ও রোভার চির-ঘুমে চলে যায়। এই সাফল্যের পরেই ২০২৪ সালে চন্দ্রযান ৪ এর অনুমোদন দেয় কেন্দ্রের মোদি সরকার। পরবর্তীকালে ২০২৫ সালে চন্দ্রযান ৫ কেন্দ্রের অনুমোদন পেল।

    মহাকাশ অভিযানে ইসরোর (ISRO) অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প

    চন্দ্রযান অভিযানের বাইরেও, ইসরো বেশ কয়েকটি অন্যান্য কর্মসূচিও গ্রহণ করেছে। যা নিয়ে চর্চা চলছে দেশজুড়ে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল গগনযান অভিযান। ভারতের প্রথম মানব মহাকাশযান কর্মসূচি হতে চলেছে এই কর্মসূচি। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল ভারতীয় নভোচারীদের মহাকাশে পাঠানো। এছাড়াও, নারায়ণন ভারতের নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন সাংবাদিক সম্মেলনে। যার নাম হবে ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন। এই প্রকল্প ভারতের স্বাধীন মহাকাশ গবেষণার সুবিধা তৈরি করবে বলে জানিয়েছেন ইসরো প্রধান। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইসরো ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মহাকাশচারী পাঠানোর জন্য কাজ করছে। বর্তমানে, আমেরিকাই একমাত্র দেশ যারা চাঁদে মানুষ পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। জানা গিয়েছে, চিন ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে নভশ্চরদের পাঠানোর জন্যও কাজ করছে।

LinkedIn
Share