Tag: Madhyom

Madhyom

  • Pakistan Train Hijack: বালোচ আন্দোলনের জন্য দায়ী জিন্নার বিশ্বাসঘাতকতা!

    Pakistan Train Hijack: বালোচ আন্দোলনের জন্য দায়ী জিন্নার বিশ্বাসঘাতকতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন তিনেক আগে পাকিস্তানের বালোচিস্তানে হাইজ্যাক (Pakistan Train Hijack) করা হয়েছিল জাফর এক্সপ্রেস। পণবন্দি করা হয়েছিল বহু যাত্রীকে। পাকিস্তানের অভিযোগ, জাফর এক্সপ্রেস অপহরণের ছক কষা হয়েছে আফগানিস্তান থেকে (Baloch Movement)। ট্রেন অপহরণের পর থেকেই এমনই অভিযোগ ও দাবি তুলেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যে বলে পাল্টা দাবি তালিবানের।

    বালোচিস্তান (Pakistan Train Hijack)

    পাকিস্তানের চারটি প্রদেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় ও কম জনবহুল এলাকা বালুচিস্তান। ১১ মার্চ এখান থেকেই জাফর এক্সপ্রেস ছিনতাই করেছিল বালোচ বিদ্রোহীরা। পণবন্দি করা হয়েছিল নিরাপত্তা কর্মী-সহ ১০০ জন যাত্রীকে। এই বিদ্রোহের মূল কারণ বালোচবাসীর সঙ্গে পাকিস্তানের জনক মহম্মদ আলি জিন্নার বিশ্বাঘাতকতা। ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট জন্ম হয় পাকিস্তানের। তার ঠিক পরের বছর থেকেই সদ্যোজাত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হাতে অস্ত্র তুলে নেন বালোচ জাতীয়তাবাদীরা। তারপর থেকে অশান্তি লেগেই রয়েছে পাকিস্তানের এই অংশে। ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছে ১৯৫৮-৫৯, ১৯৬২-৬৩, ১৯৭৩-৭৭ সালে। ২০০৩ সাল থেকে প্রায়ই ঘটছে হিংসার ঘটনা।

    হাইজ্যাক আস্ত এক্সপ্রেস ট্রেন

    চমকে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটল গত ১১ মার্চ। এদিন বালুচ বিদ্রোহীরা হাইজ্যাক করে আস্ত একটা এক্সপ্রেস ট্রেন। পণবন্দি করা হয় যাত্রীদের। বালুচিস্তান একটি শুষ্ক এলাকা (Pakistan Train Hijack)। খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। ঐতিহাসিকভাবে পাকিস্তানের পাঞ্জাব-প্রভাবিত রাজনীতির দ্বারা উপেক্ষিত এলাকা। বালুচবাসী অর্থনৈতিকভাবে নিপীড়িত। তাদের খনিজ সম্পদ আহরণ করে কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়নে ব্যবহার করা হয়েছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, বালুচবাসীর অসন্তোষের অন্যতম কারণ এটাই। বালুচবাসীর অসন্তোষের অন্যতম লক্ষ্য হল গওদর বন্দর। চিনের সহায়তায় এই বন্দরের উন্নয়ন করছে পাকিস্তান। বালুচ বিদ্রোহীরা চিনা কর্মীদর ওপর আক্রমণ চালিয়েছে। প্রসঙ্গত, গওদর বন্দরটি চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের একটা অংশ।

    রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের সাক্ষী

    ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স রিভিউ’য়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “বালোচ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নেতৃত্ব বিভক্ত। ফলস্বরূপ, বালোচ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন তার লক্ষ্য বা কৌশলের ক্ষেত্রে একক নয়।” সশস্ত্র বিদ্রোহের সর্বশেষ পর্বটি শুরু হয় ২০০৪ সালে। ২০০৬ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে প্রভাবশালী বালোচ নেতা আকবর খান বুগতি নিহত হওয়ার পর এটি আরও তীব্রতা পায় (Baloch Movement)। বুগতি বেশি স্বায়ত্তশাসন, সম্পদের নিয়ন্ত্রণ এবং বালুচিস্তানের প্রাকৃতিক গ্যাস আয় থেকে ন্যায্য ভাগ দাবি করছিলেন। প্রসঙ্গত, এর আগে সাতের দশকে বালোচবাসী বিদ্রোহের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের সাক্ষী হয়েছিলেন (Pakistan Train Hijack)।

    রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের সাক্ষী

    ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার দাবিতে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে। ওই বছরই স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ। তার পরেই অক্সিজেন পান বালোচবাসী। বালোচিস্তানে ন্যাশনাল আওয়ামি পার্টির নেতারা স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে উদ্দীপিত হয়েছিলেন। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, মারি, মেঙ্গল এবং বুগতি গোত্রপ্রধানদের নেতৃত্বে প্রায় ৫৫ হাজার বালোচ যোদ্ধা ৮০ হাজার পাকিস্তানি সেনার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। পাকিস্তান বিমান বাহিনী বালোচিস্তানের বিভিন্ন গ্রামে বোমা বর্ষণ করে। তার ফলে নিহত হন হাজার হাজার সাধারণ বালোচবাসী। একাত্তরের সংঘর্ষ এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে ইরান আশঙ্কা করেছিল বালোচ জাতীয়তাবাদের প্রভাব তাদের এলাকায় হয়ত ছড়িয়ে পড়বে। সেই আশঙ্কায়, পাকিস্তানকে সামরিক সহায়তা দিয়েছিল তারা।

    বালোচ বিদ্রোহীদের জন্য মজুত করা অস্ত্র উদ্ধার

    ১৯৭৭ সালে জেনারেল জিয়াউল হক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ভুট্টোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেন। পরে উপজাতিদের ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। বালোচিস্তান থেকে প্রত্যাহার করা হয় সেনা। তার পরেই বালোচিস্তানে অবসান ঘটে সশস্ত্র সংগ্রামের। প্রথমে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টো এই দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তার জেরেই ঢেউ ওঠে প্রতিবাদের (Baloch Movement)। ১৯৭৩ সালে ভুট্টো বালুচিস্তানের প্রাদেশিক সরকার প্রধান আকবর খান বুগতিকে বরখাস্ত করেন। তিনি দাবি করেন, ইরাকি দূতাবাস থেকে বালোচ বিদ্রোহীদের জন্য মজুত করা অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এই অজুহাতে তিনি জানিয়ে দেন, বালুচিস্তানে হবে ব্যাপক সামরিক অভিযান। এরই ফলে একটি পূর্ণাঙ্গ সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু হয়। এই সংগ্রাম চলেছিল ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত, টানা চার বছর ধরে। এই ঘটনা চতুর্থ বালুচিস্তান সংঘাত নামে পরিচিত (Pakistan Train Hijack)।

    “ওয়ান ইউনিট” পরিকল্পনা

    ১৯৫৪ সালে পাকিস্তান চালু করে “ওয়ান ইউনিট” পরিকল্পনা। এর মাধ্যমে দেশটির প্রদেশগুলি পুনর্গঠিত করা হয়। এই পরিকল্পনায় বালোচিস্তানকে অন্যান্য প্রদেশের সঙ্গে একীভূত করা হয়। তার জেরে স্বায়ত্তশাসন খর্ব হয় বালোচিস্তানের। এতেই খেপে যান বালোচ নেতারা। ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয় নেতাদের মধ্যে। কালাতের খান, নওরোজ খান ১৯৫৮ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। শুরু করেন পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ। ১৯৫৯ সালে পাকিস্তান নওরোজ খানকে আত্মসমর্পণে রাজি করায়। সেজন্য পাক সরকার তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করে বলে অভিযোগ। তাঁকে ক্ষমা করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। যদিও আত্মসমর্পণ করার পর রুদ্রমূর্তি ধারণ করে তৎকালীন পাক সরকার। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে তাঁকে ও তাঁর ছেলেদের গ্রেফতার করা হয়। মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় তাঁর পাঁচ আত্মীয়কে।

    ক্ষোভের আগুন উসকে দেয়

    পাক সরকারের এই বিশ্বাসঘাতকতা বালোচবাসীদের মধ্যে ক্ষোভের আগুন আরও উসকে দেয়। যার জেরে আরও জোরালো হয় স্বাধীনতাকামী আন্দোলন। তবে বালোচিস্তান বিদ্রোহ শুরুর বীজ অঙ্কুরিত হয় ১৯৪৭ সালে, পাকিস্তান যখন বিচ্ছিন্ন হয় ভারতের থেকে। বালোচিস্তান অঞ্চলটি আগে চারটি দেশীয় রাজ্য হিসেবে ছিল—কালাত, খারান, লাস বেলা এবং মাকরান। সেই সময় তাদের সামনে তিনটি বিকল্প ছিল—ভারতের সঙ্গে যোগদান, পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হওয়া, আর না হয় স্বাধীনতা বজায় রাখা। জিন্নার প্রভাবে তিনটি রাজ্য পাকিস্তানের সঙ্গে মিশে যায় (Pakistan Train Hijack)। কালাতের শাসক খান মীর আহমেদ ইয়ার খান, যিনি খান অব কালাত নামেও পরিচিত, তিনিই বেছে নেন স্বাধীনতা।

    জিন্নাকে তার আইনি উপদেষ্টা

    ১৯৪৬ সালে খান অব কালাত জিন্নাকে তার আইনি উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করেন। তিনি যাতে ব্রিটিশ ক্রাউনের সামনে তাঁর মামলা উপস্থাপন করতে পারেন, তাই এই ব্যবস্থা। ১৯৪৭ সালের ৪ অগাস্ট দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বালোচবাসীর স্বাধীনতার সিদ্ধান্ত সমর্থিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন, খান অব কালাত এবং জওহরলাল নেহরু। ছিলেন জিন্না স্বয়ংও। জিন্নার জোরালো দাবির ফলে খারান ও লাস বেলাকে কালাতের সঙ্গে একীভূত করে একটি সম্পূর্ণ বালুচিস্তান গঠনের পরিকল্পনা করা হয় (Baloch Movement)। প্রসঙ্গত, বালোচরা কখনওই “ওয়ান ইউনিট” নীতিকে মেনে নেয়নি। পাঁচ বছরের মধ্যেই, ১৯৬৩ সালে বালুচিস্তানে তৃতীয় বালোচ বিদ্রোহ দেখা দেয়।

    বিদ্রোহের লক্ষ্য

    শের মুহাম্মদ বিজরানি মারির নেতৃত্বে, এই বিদ্রোহের লক্ষ্য ছিল বালোচিস্তানের গ্যাস সম্পদের রাজস্ব ভাগাভাগির জন্য পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, “ওয়ান ইউনিট” পরিকল্পনার বিলুপ্তি এবং বালোচ বিদ্রোহীদের মুক্তি। এই বিদ্রোহ শেষ হয় ১৯৬৯ সালে সাধারণ ক্ষমার মাধ্যমে। বন্দি বালোচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মুক্তি দেওয়া হয়। ১৯৭০ সালে “ওয়ান ইউনিট” নীতি বাতিল করার পর বালোচিস্তানকে পাকিস্তানের চারটি প্রদেশের একটি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। পরে অবশ্য স্বাধীনতা লাভ করে বালোচিস্তান। তবে সেটা মাত্র ২২৬ দিনের জন্য। পরে বালুচবাসীর ইচ্ছায় নয়, বরং জিন্নার বিশ্বাসঘাতকতা ও ইসলামাবাদের সামরিক শক্তির মাধ্যমে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হয়। ৭৫ বছর আগের এই বিশ্বাসঘাতকতা ও অঞ্চল (Baloch Movement) এবং জনগণের শোষণ আজও বালুচ জনগণের সশস্ত্র প্রতিরোধের মূল কারণ হিসেবে রয়ে গেছে (Pakistan Train Hijack)।

  • India France Rafale Deal: ৬৬ হাজার কোটি টাকায় ২৬টি রাফাল-এম জেট কিনছে ভারত, চুক্তি এপ্রিলেই

    India France Rafale Deal: ৬৬ হাজার কোটি টাকায় ২৬টি রাফাল-এম জেট কিনছে ভারত, চুক্তি এপ্রিলেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার জন্য ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান (Rafale-M jets) কেনার বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত। সম্প্রতি, দর কষাকষির পর্ব মিটিয়ে ফেলেছে দুই দেশের প্রতিনিধিরা। জানা যাচ্ছে, ৭.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৬৬ হাজার কোটি টাকা) বিনিময়ে ওই জেটগুলি কিনতে চলেছে ভারত। সূত্রের খবর, এই নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তি (India France Rafale Deal) স্বাক্ষরিত হতে পারে এপ্রিল মাসেই। সেই সময় ভারত সফরে আসার কথা ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর। জানা যাচ্ছে, তাঁর উপস্থিতিতেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে চলেছে।

    মিগ-২৯ বিমানের পরিবর্তে রাফাল-এম (Rafale-M jets)

    বুড়ো হয়ে যাওয়া মিগ-২৯কে ও মিগ-২৯কেইউবি যুদ্ধবিমানগুলির পরিবর্তে এবার ভারতীয় নৌসেনার জোড়া বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও আইএনএস বিরাট-এ মোতায়েন করা হবে রাফাল-এম জেটগুলিকে। নতুন বিমানগুলির দায়িত্বে থাকবে নৌসেনার আইএনএএস ৩০০ ‘হোয়াইট টাইগার্স’ এবং আইএনএএস ৩০৩ ‘ব্ল্যাক প্যান্থার্স’ এভিয়েশন স্কোয়াড্রন। ২৬টি বিমানের ভেরিয়েন্টের বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে না আসলেও, কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ২২টি বিমান হবে এক-আসন বিশিষ্ট রাফাল-এম ফাইটার, যেগুলি রণতরীতে মোতায়েন থাকবে (India France Rafale Deal)। বাকি চারটে হবে দুই-আসন বিশিষ্ট ‘রাফাল-বি’ ট্রেনার বা প্রশিক্ষণ বিমান। এই বিমানগুলিকে রণতরীতে মোতায়েন করা যায় না। মূলত, গোয়ায় অবস্থিত ভারতীয় নৌসেনার ঘাঁটি আইএনএস হানসা-র বিমান প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এগুলি থাকবে পাইলটদের প্রশিক্ষণের জন্য। যদিও, অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে খবরে প্রকাশিত অনুযায়ী, সবকটি বিমানই রাফাল-এম (Rafale-M jets) ভেরিয়েন্ট হবে। ফ্রান্স এবং ভারতে থাকা অত্যাধুনিক সিমুলেটরে প্রশিক্ষণ হবে। তবে, আখেরে কী হবে, তা চুক্তির সময় প্রকাশ্যে আসবে।

    ভারতে পৃথক অ্যাসেম্বলি লাইন তৈরির পরিকল্পনা

    রাফাল বিমানের নির্মাতা ফরাসি সংস্থা দাসো ভারতে একটি পৃথক অ্যাসেম্বলি লাইন বা কারখানা তৈরির ভাবনাচিন্তা করছে। এতে, ভারত ভবিষ্যতে যদি আরও রাফাল কিনতে ইচ্ছুক হয়, তাহলে এখানেই সেগুলিকে তৈরি করা সম্ভব হবে (India France Rafale Deal)। এর প্রধান কারণ হল, ভারতীয় নৌসেনার রাফাল-এম চুক্তিতে ভবিষ্যতে অতিরিক্ত বিমান কেনার সংস্থানও থাকছে। বর্তমানে নৌসেনায় ৪৫টি মিগ-২৯কে/কেইউবি যুদ্ধবিমান রয়েছে। ভারত চাইছে সবগুলিকে সরিয়ে পুরোটাই রাফাল দিয়ে মুড়ে দিতে। সেক্ষেত্রে ভারতে অ্যাসেম্বলি লাইন হলে বাড়তি সুবিধা মিলবে। একদিকে, বিমান কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ কমবে। অন্যদিকে, দ্রুত বিমানগুলি হাতে পাবে ভারত।

    এমআরএফএ চুক্তিতে নজর দাসোর

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত যে আগামী দিনে বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি মিডিয়াম রোল যুদ্ধবিমান (এমআরএফএ) কেনার দরপত্র পেশ করতে চলেছে, তাতে এক ধাপ এগিয়ে থাকবে দাসো। কারণ, ওই ক্যাটেগরিতে বরাত জিততে রাফালের লড়াই হবে মার্কিন এফ-১৬, সুইডেনের গ্রিপেন সাব, রাশিয়ার মিগ-৩৫ এবং ইউরোফাইটার টাইফুনের সঙ্গে। ভারতীয় বায়ুসেনা ইতিমধ্যেই ৩৬টি রাফাল ব্যবহার করে। তার ওপর নৌসেনাও কিনছে ২৬টি রাফাল (Rafale-M jets)। এবার ভারতে অ্যাসেম্বলি লাইন হয়ে গেলে, সেক্ষেত্রে, দাসো বলতে পারবে, তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-কে সমর্থন করে। স্বভাবতই ১১৪টি মিডিয়াম যুদ্ধবিমানের বরাতে পাল্লা ভারি ঝুঁকে পড়বে রাফালের দিকেই (India France Rafale Deal)।

     

  • Railway Minister: ট্রেনে খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা দেখানো হবে যাত্রীদের, জানালেন রেলমন্ত্রী

    Railway Minister: ট্রেনে খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা দেখানো হবে যাত্রীদের, জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রীদের স্বচ্ছ ও মানসম্মত পরিষেবা অনেক ক্ষেত্রেই বহু ক্ষেত্রে প্রশংসিত। আবার কিছুক্ষেত্রে যাত্রীরা সমালোচনাও করেন। রেলের খাবার এবং তার নির্দিষ্ট দাম থাকে না বলে অনেকেই অভিযোগ করেন। তবে এবার থেকে আর তেমনটা হবে। উদ্যোগ নিল রেল। ট্রেনে পরিবেশিত খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়ছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Railway Minister)। লোকসভায় দেওয়া এক লিখিত উত্তরে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, যাত্রীদের সুবিধার্থে আইআরসিটিসি ওয়েবসাইট ও এসএমএস-এর মাধ্যমে মেনু ও মূল্য তালিকা জানানো হচ্ছে। এছাড়াও, ট্রেনের ওয়েটারদের কাছে প্রিন্টেড মেনু কার্ড থাকবে। যাত্রীরা চাইলে তা দেখতে পারবেন। ট্রেনের প্যান্ট্রি কারেও এই মূল্য তালিকা দেখানো থাকবে।

    খাবারের মান হবে উন্নত (Railway Minister)

    পাশাপাশি, খাবারের মান নিশ্চিত করতেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রেলমন্ত্রী (Railway Minister) বলেন, ‘‘নির্ধারিত বেস কিচেন থেকে খাবার সরবরাহ করা, আধুনিক বেস কিচেন চালু করা ও রান্নার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।’’ খাবারের মানোন্নয়নে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের কাঁচামাল ব্যবহারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। যেমন- নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের তেল, চাল, আটা, ডাল, মশলা, দুধ ও পনির ইত্যাদি। এ ছাড়াও, প্রতিটি বেস কিচেনে খাদ্য নিরাপত্তা তদারকি করতে ফুড সেফটি সুপারভাইজারদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। যাঁরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি পর্যবেক্ষণ করবেন।

    বেস কিচেন ও প্যান্ট্রি কারগুলো নিয়মিত পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে

    রেলমন্ত্রী (Railway Minister) আরও জানিয়েছেন, ট্রেনে আইআরসিটিসি সুপারভাইজাররা দায়িত্ব পালন করবেন। খাবারের প্যাকেটে দেওয়া হবে কিউআর কোড। এটা স্ক্যান করে যাত্রীরা জানতে পারবেন খাবার কোথায় প্রস্তুত হয়েছে ও কখন প্যাকেজিং করা হয়েছে। খাবারের গুণগত মান বজায় রাখতেও নেওয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ। বেস কিচেন ও প্যান্ট্রি কারগুলোতে নিয়মিত গভীর পরিচ্ছন্নতা ও কীটনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে খবর। একইসঙ্গে প্রতিটি ক্যাটারিং ইউনিটের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (FSSAI) সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভালো মানের খাবার নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে সমীক্ষা চালানো হচ্ছে বলে খবর। একইসঙ্গে যাত্রীদের মতামতও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান রেলমন্ত্রী।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘কোনও অনুমতি নেবেন না, রামনবমীতে পথে নামবে ১ কোটি হিন্দু’’, হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘কোনও অনুমতি নেবেন না, রামনবমীতে পথে নামবে ১ কোটি হিন্দু’’, হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীকে (Ram Navamai) কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে চড়ছে পারদ। বিগত কয়েক বছর ধরেই রামনবমীকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা গিয়েছে। লাখে লাখে রামভক্তরা নেমেছেন রাজপথে। এই আবহে চলতি বছরের রামনবমীতে ১ কোটি হিন্দু রাস্তায় থাকবেন বলে হুঙ্কার দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতা এদিন সাফ বললেন, ‘‘রামনবমীতে ২০০০ মিছিল হবে। ১ কোটি হিন্দু রাস্তায় থাকবেন। কোনও অনুমতি নেবেন না।’’  ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, রাজ্যে রামনবমীকে কেন্দ্র করেই জনজাগরণ করতে চাইছে বিজেপি।

    হুঙ্কার শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari), পথে থাকবে ১ কোটি হিন্দু

    এদিন কার্যত হুঙ্কারের সুরেই শুভেন্দু বলেন, ‘‘ভালো করে রাম নবমী করবেন। আমিও থাকব মাঠে। গতবার ৫০ লক্ষ হিন্দু নেমেছিল, একহাজার মিছিল হয়েছিল। এবার ২ হাজার মিছিল হবে, ১ কোটি হিন্দু রাস্তায় থাকবে। কোনও অনুমতি নেবেন না। কোনও অনুমতির প্রয়োজন নেই।’’

    গতকালই বিরোধী দলনেতা হাজির ছিলেন শহিদ দিবসে

    গতকাল শুক্রবার নন্দীগ্রামে শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে রাম মন্দির তৈরির এমনই ঘোষণা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ৬ এপ্রিল রাম নবমীর (Ram Navamai) দিন নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে শুক্রবার ঘোষণা করলেন তিনি। একইসঙ্গে শুক্রবার সোনাচূড়া গ্রামে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির শহিদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপণও করেন তিনি।

    সাড়ে তিন বিঘা জমির ওপর নির্মাণ হবে রাম মন্দির

    জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া গ্রামে প্রায় সাড়ে তিন বিঘা জমির ওপর রাম মন্দির তৈরি হতে চলেছে। এক বছরের মধ্যে সেই নির্মাণ শেষ হবে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রামে শহিদদের শ্রদ্ধা জানানোর মঞ্চ থেকে সেই কথা ঘোষণা করলেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘রাম নবমীর দিন মন্দির নির্মাণ শুরু হবে। নন্দীগ্রামের দক্ষিণপ্রান্তে সোনাচূড়াতে মন্দিরের নির্মাণ শুরু হবে। এখানে অয্যোধার রাম মন্দিরের আদলে মন্দির তৈরি হবে।’’

  • ISIS: ইরাকের বাহিনীর অভিযানে সিরিয়াতে খতম আইসিস প্রধান আবু খাদিজা

    ISIS: ইরাকের বাহিনীর অভিযানে সিরিয়াতে খতম আইসিস প্রধান আবু খাদিজা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খতম বিশ্বের কুখ্যাত জঙ্গি আবদাল্লা মাকি মোসলেহ আল-রিয়াফি ওরফে আবু খাদিজা। ইসলামিক স্টেট (ISIS) জঙ্গি সংগঠনের প্রধান ছিলেন তিনি। ইসলামিক স্টেট-এর প্রধানের নিকেশের খবরটি ইতিমধ্যে নিশ্চিত করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ শিয়া আল-সুদানি। জানা গিয়েছে, পশ্চিম ইরাকে (Iraq) আনবার প্রদেশের ওপর আকাশ পথে অভিযান চালানো হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার রাতে এই অভিযান হয়। আবু খাদিজা’র মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয় শুক্রবার।

    কী বললেন ইরাকের (Iraq) প্রধানমন্ত্রী?

    শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘অন্ধকার ও সন্ত্রাবাদের শক্তিকে পরাজিত করে লাগাতার জয়ী হয়ে চলেছে ইরাক৷’’ একইসঙ্গে নিজের পোস্টে আইএস (ISIS) জঙ্গি সংগঠনের নেতা আবদাল্লা মাকি মোসলেহ আল-রিয়াফিকে ইরাক ও বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর জঙ্গি হিসাবে উল্লেখ করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ শিয়া আল-সুদানি তাঁর পোস্টে ইরাকের গোয়েন্দা সংস্থার কর্মীদের প্রশংসা করে লেখেন, ‘‘ইরাকি ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের হিরোদের সঙ্গে জয়েন্ট অপারেশনস কমান্ড এবং ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিশন ফোর্সেস একসঙ্গে কাজ করে। সকলের সক্রিয় সহযোগিতায় জঙ্গি (ISIS) আবদাল্লা মাকি মোসলেহ আল-রিয়াফি ওরফে আবু খাদিজাকে নিকেশ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি তথাকথিত ডেপুটি কালিফ ছিল। ইরাক ও সিরিয়ার তথাকথিত গভর্নরের পদে ছিল।’’ আবু খাদিজাকে ইরাক ও বিশ্বের অন্যতম নৃশংস জঙ্গি বলে অভিহিত করেছেন তিনি।

    কী বললেন ইরাকের বিদেশমন্ত্রী?

    অন্যদিকে, ইরাকের বিদেশমন্ত্রী ফৌয়াদ হুসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘সিরিয়া ও ইরাক একই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিশেষত আইএস জঙ্গিদের বিষয়ে।’’ ইরাকের বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘জঙ্গি মোকাবিলায় জর্ডনের রাজধানী আম্মানে একটি বৈঠক করেছে সিরিয়া, ইরাক, তুরস্ক, জর্ডন এবং লেবানন। এই দেশগুলি একসঙ্গে একটি অভিযান চালানোর কথা ভাবনাচিন্তা করেছে। খুব শীঘ্রই তারা কাজ শুরু করবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।’’ ঘটনাচক্রে শুক্রবারই সিরিয়ার শীর্ষস্তরীয় এক কূটনীতিক ইরাক সফরে আসেন। দু’দেশ জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করার সংকল্প গ্রহণ করে। তখনই ইরাক-সিরিয়ার আইএস প্রধান আবদাল্লা মাকি মোসলেহ আল-রিয়াফির মৃত্যুর খবরটিও প্রকাশ্যে আনা হয়।

  • Daily Horoscope 14 March 2025: ব্যবসা নিয়ে চিন্তা থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 14 March 2025: ব্যবসা নিয়ে চিন্তা থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) নম্র স্বভাবের জন্য কর্মস্থলে পদোন্নতি।

    ২) বাসস্থান পরিবর্তন নিয়ে খরচ বৃদ্ধি।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভালো হবে।

    ২) ভ্রমণে সমস্যা বাড়তে পারে, একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের সদুপদেশে কর্মে উন্নতি।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় দারুণ অর্থপ্রাপ্তির যোগ রয়েছে।

    ২) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুদের সহায়তায় ব্যবসায় উন্নতি।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) সব কাজেই সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় সহকর্মীর দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) দাম্পত্য সমস্যার কারণে মন চঞ্চল হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পরে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

    ২) ব্যবসা নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে প্রচুর চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) বাড়িতে অশান্তির  সম্ভাবনা ও সেই কারণে মানহানি হতে পারে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Holi: দোল পূর্ণিমায় এই দেবতাদের পুজোয় জীবনে আসে সাফল্য

    Holi: দোল পূর্ণিমায় এই দেবতাদের পুজোয় জীবনে আসে সাফল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে যেকোনও অনুষ্ঠানে তিথি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়। দোলের তিথি দেখেই বাঙালি গৃহস্থ বাড়িতে বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয়। দোল পূর্ণিমা হিন্দুদের কাছে এক অত্যন্ত পবিত্র তিথি হওয়াতে, শাস্ত্র মতে এই তিথিতে বিশেষ কিছু নিয়ম-কার্য পালন করলে মানুষের আর্থিক, পরমাত্মিক এবং সাংসারিক শ্রীবৃদ্ধি লাভ সম্ভব হয়। বহু বাড়িতেই দোলের দিন শ্রীরাধাগোবিন্দের পুজো হয়। আবার শালগ্রাম শিলার পুজোও দেখা যায় এই দিন। পূর্ণিমার পুজো সকাল থেকেই চলে বাঙালি হিন্দু বাড়িতে। এই বিশেষ তিথিতে সমস্ত নিয়মকানুন মেনে গোপাল পূজা করলে ঈশ্বরের বিশেষ কৃপা লাভ করা যায়। নিম্নে গোপাল পুজোর নিয়ম কারণ সম্পর্কে জানানো হল। এছাড়া আপনারা নিজেদের আরাধ্য দেবতাদেরও পূজা করতে পারেন এই দিন।

    দোল পূর্ণিমার দিন গোপাল পুজোর রীতি (Dol Purnima)

    শাস্ত্রমতে, মনে করা হয় এই তিথিতে বিশেষ কিছু নিয়ম পালন করলে সংসারের সার্বিক সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এই দিনে বিশেষ কিছু নিয়ম পেলে গোপালের পুজো করলে ঈশ্বরের কৃপাদৃষ্টি বজায় থাকে। শাস্ত্র অনুযায়ী, এই দিনেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গোপীদের সঙ্গে আবির খেলায় মেতে উঠেছিলেন। হিন্দু শাস্ত্র মতে, এই তিথি অত্যন্ত পবিত্র একটি তিথি। তাই এই দিনে কিছু নিয়ম মেনে চললে ঈশ্বরের কৃপা দৃষ্টি সর্বদা বজায় থাকবে আপনার উপর। একই সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে সংসারের সমৃদ্ধিও।

    জেনে নেওয়া যাক আজ ঠিক কোন নিয়মে পুজো সারবেন

    পণ্ডিতরা বলছেন, আগের দিনেই বাড়ি-ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে নিন। রান্না ঘরে মজুত রাখা খাবারের কৌট বা জায়গা কখনও একদম ফাঁকা করে রাখবেন না। কিছু না কিছু ভরে রাখবেন। এই দিনে সকালে স্নান সেরে নিন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে বাড়ির প্রধান দরজার সামনে এক বালতি জল রেখে দিন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই দরজার সামনে সেই জল ঢেলে ধুয়ে দিন। স্নানের জলে একটা বা দুটো তুলসী পাতা দিয়ে স্নান করুন। স্নানের পর ইষ্ট দেবতার স্মরণ করে পুজো সেরে নিন। গোপাল পুজো আপনি যেভাবে করেন সেই ভাবেই সারুন সঙ্গে শুধু উল্লিখিত নিয়মগুলো মেনে চলুন। এরপর ঠাকুরের পায়ে আবির দিয়ে প্রণাম সেরে নিন। ফুল মিষ্টি দিয়ে পুজো সেরে নিন। এই দিনে খাদ্য শষ্য দান অত্যন্ত পুণ্যের বলে মনে করা হয়। দুঃস্থকে খাদ্য এবং বস্ত্র বা সামর্থ অনুযায়ী এই দিনে দান করলে সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয়। সেই সঙ্গে মনের ইচ্ছাও পূরণ হয়।

  • Holi 2025: সাত ভারত বিখ্যাত মন্দির, এখানে ধুমধাম করে পালিত হয় হোলি

    Holi 2025: সাত ভারত বিখ্যাত মন্দির, এখানে ধুমধাম করে পালিত হয় হোলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোলি (Holi 2025) ভারতের এক প্রাণবন্ত উৎসব। পাড়ায় পাড়ায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যেন এই উৎসবে মেতে ওঠেন তেমনই অনেক মন্দির এই উৎসবকে আধ্যাত্মিক রীতিনীতি, ভজন ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে উদযাপন করে থাকে। মথুরা হল ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মস্থান। এর পাশাপাশি পুরীর জগন্নাথ মন্দিরেও (Indian Temples) ধুমধাম করে পালিত হয় হোলি। জেনে নেওয়া যাক, ভারত বিখ্যাত কতগুলি মন্দিরের হোলি উদযাপনের কথা।

    ১. শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির, মথুরা (Holi 2025)

    ভগবান কৃষ্ণের জন্মস্থান মথুরাতে ধুমধাম করে হোলি উৎসব পালন করা হয়। কৃষ্ণ মন্দিরে ভক্তিমূলক ভজন, ধর্মীয় রীতি এবং বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়, যা সমগ্র নগরকে মাতিয়ে রাখে এই সময়ে।

    ২. দ্বারকা ইস্কন মন্দির, দিল্লি (Holi 2025)

    দিল্লির অন্যতম বিখ্যাত মন্দির হিসেবে পরিচয় রয়েছে দ্বারকা ইস্কনের। ভক্তি ও আধ্যাত্মিক উচ্ছ্বাসের সঙ্গে এখানে হোলি উদযাপন করা হয়। এই উৎসব গুলি হল- ভগবান কৃষ্ণের উদ্দেশে ভজন ও কীর্তন। আরতি এবং হোলির তাৎপর্য নিয়ে ধর্মী আলোচনাও হয় এখানে। এছাড়া, মন্দির প্রাঙ্গণে আবির খেলাও হয়।

    ৩. দ্বারকাধীশ মন্দির, দ্বারকা

    দ্বারকার রাজা হিসেবে পরিচিত রয়েছেন হিন্দু ধর্মের ভগবান শ্রী কৃষ্ণ। তাঁর প্রতি উৎসর্গীকৃত এই মন্দিরে ভজন, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং একটি বিশাল আরতির মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী হোলি উদযাপন করা হয়।প্রতি বছরই চলে এই উৎসব। ভক্তরা কীর্তন করেন। একইসঙ্গে শ্রী কৃষ্ণের ঐশ্বরিক লীলার মাহাত্ম্যকে স্মরণ করেন।

    ৪. রাধা রমণ মন্দির, বৃন্দাবন

    বৃন্দাবনের এই মন্দির ভারত বিখ্যাত (Holi 2025)। কৃষ্ণ মূর্তির জন্য বিখ্যাত এই মন্দির। এখানে হোলি উদযাপন করা হয় ভক্তি ও শান্তির সঙ্গে। রঙ খেলার পরিবর্তে ভক্তরা ফুলের হোলি খেলেন এখানে, সুমধুর কীর্তন এবং কৃষ্ণ লীলায় অংশগ্রহণ করেন প্রত্যেকে। শান্তিপূর্ণ হলেও উৎসব মুখরিত করে রাখে চারপাশ।

    ৫. গোবিন্দ দেব জি মন্দির, জয়পুর

    রাজস্থানের জয়পুরের এই বৃহৎ মন্দিরটি ঐতিহ্যবাহী রাজস্থানি আড়ম্বরের সঙ্গে হোলি (Holi 2025) উদযাপন করে। মন্দিরকে রঙিনভাবে সাজানো হয়। শ্রী কৃষ্ণের জীবনের উপর ভিত্তি করে লোকনাট্য পরিবেশন করেন ভক্তরা। একইসঙ্গে ভক্তিমূলক গান ও ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে আবির খেলা হয়।

    ৬. শ্রীনাথজি মন্দির, নাথদ্বারা

    শ্রীনাথজি মন্দিরের হোলি (Holi 2025) উদযাপন অত্যন্ত ধুমধাম করে হয়। রাধারমণ মন্দিরের মতো এখানেও রঙের পরিবর্তে ফুল দিয়ে হোলি খেলা হয়। এর পাশপাশি ছাড়ি হোলি, যেখানে পুরোহিতরা সুন্দরভাবে সজ্জিত লাঠি ব্যবহার করে রীতি পালন করেন। হোলির দিনে অন্নকূট উৎসব পালিত হয়, যা হোলির অংশ হিসেবে ভগবান কৃষ্ণকে নিবেদিত একটি বৃহৎ ভোজ।

    ৭. জগন্নাথ মন্দির, পুরী

    ওড়িশায় হোলি বাংলার মতোই দোল পূর্ণিমা হিসেবে পালিত হয়। এদিন জগন্নাথ মন্দিরে দেবতাদের সুন্দরভাবে সজ্জিত রথে স্থাপন করা হয়। হিন্দু ধর্মের মানুষজন রঙ দিয়ে হোলি খেলেন ও ভজন গেয়ে ভক্তি প্রদর্শন করেন।

  • Holi: আজ দোল, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কোন কোন পৌরাণিক কাহিনী? উৎসবের ইতিহাসই বা কী?

    Holi: আজ দোল, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কোন কোন পৌরাণিক কাহিনী? উৎসবের ইতিহাসই বা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দরজায় কড়া নাড়ছে দোল (Holi)। হলুদ শাড়ি এবং পাঞ্জাবিতে সাজবে মেয়ে এবং ছেলেরা। বসন্ত এসে গেছে গানের তালে তালে পালিত হবে দোল। শান্তিনিকেতনের দোল (Holi) আবার বিশেষ জনপ্রিয়। সারা রাজ্য থেকেই মানুষের ভিড় দেখা যাবে ওইদিন শান্তিনিকেতনে। রবি ঠাকুরের গানে, বসন্তের আগমনে এক আলাদা মাত্রা পায় শান্তিনিকেতনের দোল। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী দোল পূর্ণিমার দিন শ্রীকৃষ্ণ রং এবং আবির দিয়ে রাধা ও অন্যান্য গোপিনীদের সঙ্গে রং খেলায় মেতে উঠেছিলেন। বিশ্বাস মতে দোল খেলার উৎপত্তি সেখান থেকেই শুরু। যা আজও সমানভাবে এগিয়ে চলেছে।

    বাংলায় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু দোলযাত্রার (Holi) শুভ সূচনা করেন

    হিন্দু শাস্ত্রবিদরা বলছেন এই দোল (Holi) পূর্ণিমার দিনটিকে গৌড় পূর্ণিমাও বলা হয়। তার কারণ ১৪৮৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার দোল পূর্ণিমা তিথিতে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম হয়েছিল। পাশাপাশি এই বাংলাতে দোল উৎসবের সূচনাও শ্রীচৈতন্যদেবের হাত ধরে হয়েছিল। ১৫১৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি গৃহত্যাগ করে অর্থাৎ নবদ্বীপ ত্যাগ করে বৃন্দাবনে গিয়ে সেখানে রং খেলা দেখে অভিভূত হয়েছিলেন তখন থেকেই নাকি বাংলাতে দোল (Holi) উৎসবের সূচনা হয় ভক্তদের বিশ্বাস এই দোল খেলায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণও হাজির হতেন মহাপ্রভুর সঙ্গে দোল খেলতে। আবার কোনও কোনও গবেষক মনে করেন, প্রায় ২০০০ বছর আগে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন প্রচলন করেছিলেন দোল উৎসব। সপ্তম শতাব্দীতে সম্রাট হর্ষবর্ধনের লেখা রত্নাবলী নাটকেও হোলি (Holi) খেলার উল্লেখ রয়েছে। শুধু উত্তর ভারত নয় দক্ষিণ ভারতের বিজয়নগরের একটি মন্দিরের গায়ে এক রাজকুমার রাজকুমারীর রং খেলার চিত্রকলা রয়েছে। এখান থেকে বলা হয় যে দোল সারা ভারতবর্ষ ব্যাপী প্রচলিত ছিল (Dol Purnima)।

    পৌরাণিক কাহিনীগুলি জানা যাক

    ভক্ত প্রহ্লাদের আখ্যান এবং হোলিকা দহন

    অন্যদিকে পৌরাণিক আখ্যান অনুযায়ী ভগবান বিষ্ণুর পরমভক্ত ছিলেন অসুর রাজ হিরণ্যকশিপুর পুত্র প্রহ্লাদ।  নিজেকে ঈশ্বর ঘোষণা করেছিলেন রাক্ষসরাজা। অহংকারী রাজার ওপর ব্রহ্মার বরদান ছিল দিন বা রাত, গৃহের ভিতর বা বাইরে, মানুষ বা পশু কেউই হিরণ্যকশিপুকে বধ করতে পারবেনা। এরপর নিজের পুত্র প্রহ্লাদকে হত্যার পরিকল্পনা নেন রাক্ষসরাজা। নিজের বোন হোলিকার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন। হোলিকার ওপর আবার ব্রহ্মার বরদান স্বরুপ একটি চাদর ছিল, যেটি ছিল একধরনের রক্ষা কবচ। এই চাদর গায়ে জড়িয়ে প্রহ্লাদকে নিয়ে অগ্নিকুণ্ডে বসেন হোলিকা। ঠিক তখনই ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় চাদর উড়ে গিয়ে পড়ে প্রহ্লাদের গায়ে। অগ্নিকুণ্ডে দগ্ধ হয়ে যান হোলিকা। এই কারণে দোল উৎসবের আগের দিন হয় হোলিকা দহন। বাংলাতে এটাই প্রচলিত ন্যাড়াপোড়া নামে। ভক্তদের বিশ্বাস, এইদিনে সকল অশুভ শক্তির নাশ হয়। ভগবান বিষ্ণু তথা কৃষ্ণের পূজা করলে জীবনে সমৃদ্ধি নেমে আসে ভক্তদের।

    পুতনা রাক্ষসী বধ

    পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, দোল (Holi) পূর্ণিমার দিনে শ্রীকৃষ্ণকে স্মরণ করার কথা কোথাও কোথাও বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে হোলিকাকে পুতনার ভূমিকায় রাখা হয় এবং পুতানার বিষ দুধে শ্রীকৃষ্ণ পান করেনি বরং তার রক্ত পান করেন, এইভাবেই ভগবান বধ করেন পুতনাকে। এরফলে শ্রীকৃষ্ণের গায়ের রং নীল হয়ে যায়। বিশ্বাসমতে দোল পূর্ণিমা হল পুতনা বধের পর উৎসব। বিবাহিত নারীরা তাদের পরিবারের কল্যাণ এবং মঙ্গল কামনায় দোল উৎসবে মাতেন এদিন। ভারতের বাইরেও দোল উৎসব ব্যাপকভাবে পালিত হয়। বৈষ্ণব ধর্ম ছাড়াও শাক্ত-শৈবরাও এই উৎসব পালন করেন। পরিবারিক, বৃহত্তর সমাজ জীবনের ক্ষেত্রে দোল পূর্ণিমার গুরুত্ব অনেক।

     

     

  • Holi 2025: হোলিতে দেবতার পায়ে দেবেন কোন রঙের আবির? উৎসবের আগে জানুন রঙ-মাহাত্ম্য

    Holi 2025: হোলিতে দেবতার পায়ে দেবেন কোন রঙের আবির? উৎসবের আগে জানুন রঙ-মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় হোলি (Holi 2025)। সারা বছর এই রঙিন আবির নিয়ে উত্‍সবে মেতে থাকার আনন্দে সামিল হওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে বসে থাকেন হিন্দুরা (Hindu Festival)। তবে হোলি মানেই শুধু নানা রঙের খেলা নয়, ঈশ্বরের আরাধনা ও মাহাত্ম্য রয়েছে এর মধ্যে। শুধু হোলিকা দহন নয়, রঙের উত্‍সব শুরু হয় ভগবানের চরণ আবির দিয়ে। ছোটবেলায় বড়দের পায়ে আবির দিয়ে, ভগবানের পায়ে আবির দিয়ে তবেই রঙ খেলার অনুমতি পাওয়া যেত। সেই রীতি শুধু সংস্কৃতির জন্য নয়, হিন্দু ধর্মের ঐতিহ্যও বটে। হোলির দিনে কোন দেবতাকে কোন রঙ দিয়ে নিবেদন করা উচিত, তা অনেকেরই অজানা।

    কোন রঙে তুষ্ট কোন দেব-দেবী

    সনাতন ঐতিহ্যে, যে কোনও শুভ কাজ শুরু হয় ভগবান শ্রীগণেশের পুজো দিয়ে। সেই মতো গণেশকেও প্রথমে আবির গিয়ে হোলি উদযাপন করা উচিত। হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে, সিঁদুর হল গণপতির খুব প্রিয়। তাই হোলির দিন গণেশ পুজোয় সিঁদুর বা কমলা রঙ ব্যবহার করুন। বৈষ্ণব তে, শ্রীহরি বা বিষ্ণুর ভক্ত হোন তাহলে ভগবান রাম, কৃষ্ণ বা নরসিংহের পুজো করেন তাহলে হোলির দিন দেবতাদের পছন্দের হলুদ রঙের আবির দিয়ে বিশেষ পুজো করে থাকতে পারেন। শিবের ভক্তদের জন্যও রয়েছে নির্দিষ্ট রঙ। হোলির শুরুতে যদি ভোলেনাথকে রঙ দিয়ে পুজো করতে চান তাহলে অবশ্যই লাল বা নীল রঙ ব্যবহার করতে পারেন। সনাতন ধর্ম মতে, শক্তির পুজোয় লাল রঙের কাপড়, ফুল ও রঙ বিশেষভাবে ব্যবহার করা হয়। এর সঙ্গে লাল রঙ ভগবান হনুমানজির সঙ্গেও সম্পর্কিত। এইভাবে, হোলিতে কালী বা হনুমানজির বন্দনা করার সময় অবশ্যই লাল রঙের আবির বা রঙ নিবেদন করুন।

    কোন রঙ কিসের প্রতীক

    বিশ্বাস করা হয়, হোলিতে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী ও হনুমানজিকে লাল রঙের নিবেদন করলে আশীর্বাদ বর্ষিত হয়। লাল রঙ উর্বরতা, বিবাহ এবং প্রেমের প্রতিনিধিত্ব করে। লাল রঙ দিয়ে দোল খেললে মঙ্গলের কৃপা পাওয়া যায়। এই রঙ মনকে শান্ত করে।

    হলুদ রঙ তৃপ্তি এবং সুস্থতার প্রতীক। এই রঙ ভগবান বিষ্ণুর প্রিয়। রঙটি জ্ঞান, শিক্ষা, আনন্দ এবং শান্তির সঙ্গেও জড়িত। হলুদ রঙ হল শ্রীকৃষ্ণের প্রিয়। প্রেমিক প্রেমিকারা এই রঙ দোল খেলতে পারেন। যাঁরা সোনা-রুপোর ব্যবসা করেন, তাঁদের জন্যও হলুদ রঙ দিয়ে দোল খেলা শুভ। সৌন্দর্য ও আধ্যাত্মিকতার দিক দিয়েও হলুদ রঙ শুভ।

    সবুজ রঙ প্রকৃতি এবং এর সৌন্দর্যের প্রতীক। সতেজতা, বীরত্ব, ফসল কাটা এবং নতুন শুরুকে প্রতিনিধিত্ব করে এই রঙ। সবুজ রঙ সমৃদ্ধি ও পজ়িটিভ এনার্জির প্রতীক। এই রঙ দিয়ে দোল খেললে কারোর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি থাকলে তা কেটে যায়। ব্যবসায়ী, শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীদের সবুজ রঙ দিয়ে দোল খেলা ভালো। এর ফলে বুধের অবস্থান ভালো হয়।

    হোলির আরেকটি জনপ্রিয় রঙ হল কমলা। এটি সূর্যের রঙ বলেও মনে করা হয় এবং এটি একটি নতুন দিনের ভোর এবং আলোর বিস্তারের সঙ্গে জড়িত। কমলা রঙ শক্তি ও জ্ঞানের প্রতীক। এই রঙ মনের শক্তি, প্রেম ও সুখ বাড়ায়। মন কোনও কারণে অশান্ত থাকলে কমলা রঙ দিয়ে দোল খেলুন।

    বেগুনি রঙ আত্মবিশ্বাস ও সমতার প্রতীক। হীনমন্যতা থেকে মুক্তি পেতে এই রঙ দিয়ে দোল খেলা ভালো।
    আবার, গোলাপী রঙ মনের শক্তি বাড়ায়। এই রঙ প্রেম গাঢ় করতেও সাহায্য করে। অন্যদিকে, নীল রঙ দিয়ে দোল খেললে শনিদেবের কৃপা লাভ করবেন।

LinkedIn
Share