Tag: Madhyom

Madhyom

  • BSF: কাঁটাতারে হাত দিলে জ্বলে উঠবে আগুন, অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে যন্ত্র বসাল বিএসএফ

    BSF: কাঁটাতারে হাত দিলে জ্বলে উঠবে আগুন, অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে যন্ত্র বসাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে অশান্ত হয়ে রয়েছে বাংলাদেশ (BSF)। এই আবহের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-র সঙ্গে বিএসএফ-এর সংঘাতের খবর সামনে আসছে বারবার। এমনকী কাঁটাতার দিতে গিয়ে একাধিক অরক্ষিত সীমান্তে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বিএসএফকে। বিষয়টি যে যথেষ্ট অস্বস্তির, তা কিছুটা হলেও বুঝতে পারছে বিএসএফের শীর্ষ কর্তারা। তাই তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিল বিএসএফ।

    কী পদক্ষেপ নিল বিএসএফ? (BSF)

    জানা গিয়েছে, বর্ডার আউটপোস্ট (BSF) পেট্রোপোল সীমান্ত থেকে বর্ডার আউটপোস্ট জয়ন্তীপুর পর্যন্ত নিজেদের কাজ সেরে ফেলল বিএসএফ। এই গোটা অংশে যতটুকু অরক্ষিত এলাকা রয়েছে, সেখানে ফেন্সিং বা কাঁটাতার দেওয়ার জন্য জমি চিহ্নিত করে বাঁশ লাগিয়ে দেওয়া হল। যেখান থেকে কাঁটাতার দেওয়া শুরু হবে এবং যেখানে শেষ হবে সেটা মাপজোক করে বাঁশ দিয়ে জমি নির্ধারণ করে দেওয়া হল।

    সীমান্তে লাগানো হল “ট্রিপ ফ্লেয়ার” নামক একটি যন্ত্র

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৩২ কিলোমিটার অংশ বয়েছে এর মধ্যে। যার মধ্যে ১১ কিলোমিটার কাঁটাতার থাকলেও, বাকি ২১ কিলোমিটার অংশে নেই। এখানেই শেষ নয়। কাঁটাতার লাগানোর সময় যাতে কেউ বাধা দিতে না পারে এবং বর্তমানে অস্থায়ী রূপে লাগানো থাকা কাঁটাতার কেউ যাতে কাটতে না পারে, তার জন্য অত্যাধুনিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে সীমান্ত জুড়ে। নির্দিষ্ট অংশ অন্তর অন্তর “ট্রিপ ফ্লেয়ার” নামক একটি যন্ত্র লাগানো হয়েছে। এই যন্ত্রের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, কাঁটাতার যদি কেউ কাটতে আসে বা অবৈধভাবে কেউ ঢুকতে পড়ে, তাহলে তাদের শরীর যন্ত্রে সংযোগকারী তারে লাগলে সঙ্গে সঙ্গে যন্ত্র থেকে আগুন বেরতে শুরু করবে। একইসঙ্গে ব্যাপক আকারে ধোঁয়া বের হবে। তখনই সতর্ক হবেন বিএসএফ জওয়ানরা। এতে অনায়াসে অনুপ্রবেশ আটকানো যাবে।

    কাঁটাতার দিলেন গ্রামবাসীরা

    বিজিবি-র বাধা উপেক্ষা করে কোচবিহারের কুচলিবাড়ি সীমান্তে কাঁটাতার দিলেন গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামবাসীদের দাবি, নষ্ট করা হচ্ছিল ফসল। চুরিও হচ্ছিল। সে কারণেই নিজেদের উদ্যোগেই শেষ পর্যন্ত তাঁরা কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সূত্রের খবর, যে সময় বেড়া দেওয়া হচ্ছিল সেই সময় বাধা দেয় বিজিবি। তাঁদের সঙ্গে গ্রামবাসীদের বেশ কিছুক্ষণ বচসাও হয়। যদিও বিজিবির বাধায় বিশেষ ঠেকাতে পারেনি গ্রামবাসীদের। বাংলাদেশি সেনাকে তোয়াক্কা না করেই নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকেন সীমান্তপারের লোকজন। কৃষকরাই উদ্যোগ নিয়ে লাগিয়ে দেন কাঁটাতারের বেড়া। তাঁদের পাশে দাঁড়ায় বিএসএফ (BSF)। কৃষকদের অভিযোগ, তাদের ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশিরা। সে কারণেই বাধ্য হয়ে তাঁরা এই পথে হেঁটেছেন। এখানেই শেষ নয়, বাংলাদেশকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছন তাঁরা। তাঁদের সাফ কথা, যদি তাঁদের কাঁটাতারের বেড়া দিতে বাধা দেওয়া হয় তাহলে তিনবিঘা করিডোর বন্ধ করে দেবেন। প্রসঙ্গত, এই তিনবিঘা করিডোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। তা বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে পাটগ্রাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandra Arya: কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত চন্দ্র আর্য, মসনদে কি এবার ‘গর্বিত হিন্দু’?

    Chandra Arya: কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত চন্দ্র আর্য, মসনদে কি এবার ‘গর্বিত হিন্দু’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম হিন্দু প্রধানমন্ত্রী (Canada PM Race) কি পেতে চলেছে কানাডা? কারণ, জাস্টিন ট্রুডোর ইস্তফার পর তাঁরই দল লিবারেল পার্টির পরিবহণমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিতা আনন্দের নাম ঘোরাফেরা করছিলই। এবার সেই দৌড়ে অবতীর্ণ হলেন আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত তথা নিজেকে ‘গর্বিত হিন্দু’ বলে পরিচয় দেওয়া চন্দ্র আর্য।

    সম্প্রতি ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান সংসদ সদস্য চন্দ্র আর্য (Chandra Arya) ঘোষণা করেছেন যে, তিনি লিবারেল পার্টির তরফে কানাডার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে কানাডাকে সার্বভৌম প্রজাতান্ত্রিক গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন চন্দ্র আর্য। ইতিমধ্যেই কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন জাস্টিন ট্রুডো। যদিও পরবর্তী কেউ দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত তিনিই সবকিছু সামলাবেন।

    চন্দ্রের প্রতিশ্রুতি 

    পেশায় ইঞ্জিনিয়র ও কানাডার নেপিয়ানের সাংসদ চন্দ্র আর্য (Chandra Arya) । ভারতের কর্নাটকে জন্ম তাঁর। বৃহস্পতিবার এক্স পোস্টে তিনি জানান, কানাডাকে সার্বভৌম প্রজাতান্ত্রিক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি। বিবৃতিতে চন্দ্র লেখেন, কানাডাবাসীর কাছে নিজের ভবিষ্যৎ নিজেই রচনা করার সুযোগ এসেছে। চন্দ্রের দাবি, তাঁর মন্ত্রিসভায় সংরক্ষণের ভিত্তিতে নয়, মেধার ভিত্তিতে আসন বণ্টন হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, তিনি কানাডা পুনর্গঠনের জন্য একটি ‘ছোট এবং আরও দক্ষ’ সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আরও একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই কানাডিয়ান সাংসদ। তার মধ্যে অন্যতম অবসর গ্রহণের বয়স বাড়ানো। নাগরিকত্বের উপর ভিত্তি করে কর ব্যবস্থার প্রবর্তন ও প্যালেস্তাইনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। 

    কানাডার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার বার্তা

    ২০১৫ সালে প্রথম সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন চন্দ্র আর্য। প্রজন্মের পর প্রজন্ম কানাডায় বেশকিছু সমস্যা চলে আসছে, যেগুলির সমাধান আজও হয়নি বলে দাবি তাঁর। ক্ষমতায় এলে সেগুলিই আগে নিরসনের ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন চন্দ্র আর্য। কানাডার অর্থনীতিকেও ঘুরে দাঁড় করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাংসদ। তাঁর কথায়, “কানাডার মধ্যবিত্তরা জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজই করে চলেছে। এমনকী মরণকালেও তাদের দরিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে। কঠোর হলেও সিদ্ধান্ত আমাদের এখনই নিতে হবে। অর্থনীতির চাকা ঘোরাতে আমার কাছে উপায় রয়েছে। সেগুলি বাস্তবায়ন করতে আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।” কানাডাবাসীর কাছে সমর্থনের জন্য আহ্বানও জানান চন্দ্র আর্য।

    কর্নাটক থেকে কানাডা

    চন্দ্র আর্য (Chandra Arya)  কর্নাটকের সিরা তহশিলের দ্বারলু গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন। তিনি ধরওয়াদের কৌশালি ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ থেকে এমবিএ করেন। ভারত থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জনের পর ২০ বছর আগে তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে কানাডায় চলে যান। রাজনীতিতে প্রবেশের আগে, তিনি প্রযুক্তি ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন। পরে ব্যবসা শুরু করেন। প্রথমে অটোয়ায় একটি দু-কামরার বাড়িতে পরিবার নিয়ে থাকতে শুরু করেন চন্দ্র। প্রথমে একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ শুরু করেন, তারপর ছোট ছোট শিল্প প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। পরে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন চন্দ্র। এরপর কানাডায় তিনি একটি ব্যাঙ্কে বিনিয়োগ পরামর্শক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। রাজনীতিতে আসার আগে, তিনি একটি ছোট প্রযুক্তিগত প্রতিরক্ষা সংস্থার এক্সিকিউটিভ হিসেবে ছয় বছর কাটান। ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো কানাডার পার্লামেন্টে নির্বাচিত হন চন্দ্র। ২০১৯ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন তিনি।

    মাতৃভাষা নিয়ে গর্বিত চন্দ্র

    ২০২২ সালে কানাডার সংসদে তাঁর মাতৃভাষা কন্নড়ে বক্তৃতা দেওয়ার সময় চন্দ্র আর্য গর্বের সঙ্গে নিজের সাংস্কৃতিক শিকড়ের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। বলেছিলেন, “আমি কানাডিয়ান পার্লামেন্টে আমার মাতৃভাষা কন্নড় ভাষায় কথা বললাম। এই সুন্দর ভাষার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং প্রায় ৫ কোটি মানুষ এই ভাষায় কথা বলেন। ভারতের বাইরে বিশ্বের কোনও সংসদে এই প্রথম কন্নড় ভাষায় কথা বলা হচ্ছে।” 

    কানাডায় গর্বিত হিন্দু চন্দ্র

    কানাডার হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি তাঁর সমর্থনের কথা বারবার প্রকাশ্যে জানিয়েছেন চন্দ্র আর্য (Chandra Arya)। গতবছর নভেম্বর মাসে, চন্দ্র কানাডার পার্লামেন্টের সামনে একটি গৈরিক পতাকা উত্তোলন করেন, যাতে ‘ওম’ প্রতীক ছিল। তিনি হিন্দু হেরিটেজ মাস উদযাপন করেন এবং কানাডার রাজনৈতিক পরিসরে হিন্দু কানাডিয়ানদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জানান। কানাডায় একের পর এক হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন চন্দ্র। এরপরই  নিষিদ্ধ খালিস্তানপন্থী সংগঠন ‘শিখস ফর জাস্টিস’ (এসএফজে)-এর প্রধান গুরপতবন্ত সিং পান্নুনের হুমকির মুখে পড়েন তিনি। কানাডায় খালিস্তানি উগ্রবাদের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন চন্দ্র। খালিস্তানি কট্টরপন্থীরা কানাডার বিভিন্ন অংশে ভারতবিরোধী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: হিন্দু হওয়ায় বাংলাদেশে চাকরি থেকে তাড়ানো হল দুই সরকারি আধিকারিক, প্রধানশিক্ষককে

    Bangladesh: হিন্দু হওয়ায় বাংলাদেশে চাকরি থেকে তাড়ানো হল দুই সরকারি আধিকারিক, প্রধানশিক্ষককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনার পতনের পর ক্ষমতায় ইউনূস প্রশাসন। আর এই সরকারের হাত ধরেই বাংলাদেশ (Bangladesh) জুড়ে হিন্দু নিধন শুরু হয়েছে। একদিকে ধর্মান্তরিত করার জন্য হিন্দুদের নানাভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। না মানলে খুন করে প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। হিন্দু মা, বোনেদের ওপর অত্যাচার চলছে। এর পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন পদে যে সব হিন্দুরা রয়েছেন, তাঁদের নানা অছিলায় চাকরি ছাড়তে বাধ্য করছে ইউনূস প্রশাসন। এককথায় প্রাণে না মেরে ভাতে মারতে চাইছে প্রশাসন। সম্প্রতি, দুজন হিন্দু আধিকারিককে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করার ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Bangladesh)

    ইউনূস প্রশাসন দুজন সরকারি আধিকারিককে (Bangladesh) চাকরি ছাড়তে বাধ্য করিয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রথম জন বাংলাদেশ রাবার বোর্ডের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জনেন্দ্রনাথ সরকার এবং অন্যজন চট্টগ্রামের শিল্প এলাকার সহকারি পুলিশ সুপার রণজিৎ কুমার বড়ুয়া। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজশাহীর মেধাবী ছাত্র জনেন্দ্রনাথ সরকার বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একাদশ ব্যাচের সভাপতি। ১৯৯৩ সালে জেলাশাসকের সহকারি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। প্রশাসনের অন্দরে দক্ষ আমলা হিসেবে পরিচিত। স্বতন্ত্র নাগরিক সহ একাধিক মন্ত্রকেরও অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলে ছিলেন তিনি। ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরই তিনি রোষানলে পড়েন। একাধিক জায়গায় বদলি করার পর এবার তাঁকে চাকরি থেকে তাড়ানো হল। এছাড়াও সামাজিক সংগঠনে কর্মরত থেকে তাড়ানো হয়েছে চট্টগ্রাম শিল্প প্রশাসনের সহকারি পুলিশ সুপার রণজিৎ কুমার বড়ুয়াকে। চাকরি থেকে তাড়ানোর পথ প্রশস্ত হয় গত নভেম্বরেই। তাঁর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ এনে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়।

    আরও পড়ুন: ‘২০৩১ সালের পরে হিন্দুদেরও পালানোর রাস্তা খুঁজতে হবে’, কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

     হিন্দু প্রধান শিক্ষককে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হল!

    অন্যদিকে, চট্টগ্রামের হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক প্রধান শিক্ষককে (Bangladesh) জোর করে পদত্যাগ করানো হয়েছে। এর পিছনে স্কুল পরিচালনা কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে বলে প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু, বাস্তবে প্রধান শিক্ষক হিন্দু হওয়ার কারণে তাঁকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হল। পদত্যাগের পর ওই শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন। জানা গিয়েছে, বুধবার (৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পূর্ব বরৈয়া ঠান্ডা মিয়া চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার শিকার ওই প্রধান শিক্ষকের নাম চন্দন মহাজন।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    জানা গিয়েছে, স্থানীয় একদল চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ লোক প্রধান শিক্ষক চন্দন মহাজনের (Bangladesh) বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ এনে শিক্ষার্থী ছাড়াও কিছু অভিভাবককে উস্কে দেয়। এদের মধ্যে স্কুল পরিচালনা কমিটির দখল নিতে চাওয়া লোকজনও আছে। তাঁরা অভিযোগ তোলেন, চন্দন মহাজন ইসলামবিদ্বেষী কথাবার্তা বলেছেন। দাড়ি রাখলে জঙ্গি বা হিজাব-নিকাব নিয়ে কটুক্তি করেছেন-এমন অভিযোগও তোলেন তাঁরা। এছাড়া অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও তোলা হয়। এসবের পিছনে মৌলবাদীরা রয়েছে। তারা পিছন থেকে স্কুল পড়ুয়াদের মগজ ধোলাই করে ওই প্রধান শিক্ষককে চাকরি ছাড়াতে বাধ্য করিয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযোগগুলো তদন্তের জন্য বুধবার (৮ জানুয়ারি) প্রধান শিক্ষক চন্দন মহাজনকে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডাকা হয়। কিন্তু ওই সময় হঠাৎ করে একদল শিক্ষার্থীকে সেখানে নিয়ে আসা হয়। তারা তদন্ত ছাড়াই প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবি জানাতে থাকে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন প্রধান শিক্ষক চন্দন মহাজন।

    স্কুলের এক শিক্ষক কী বললেন?

    স্কুলটির (Bangladesh) একজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে প্রধান শিক্ষক চন্দন মহাজনকে ফাঁসানোর জন্যই বেশিরভাগ অভিযোগ তোলা হয়েছে। ছোট ছোট শিশুদের আন্দোলনে যেতে উস্কে দেওয়া হচ্ছে। অথচ এদের অনেকে জানেই না শিক্ষকের অপরাধ কী?” স্থানীয় এক অভিভাবক অভিযোগ করেন, “এই হেনস্থার ঘটনার নেপথ্যে মূলত কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব। বাকি অভিযোগগুলো সাজানো।” এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধান শিক্ষক চন্দন মহাজনের কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। কারণ, মৌলবাদীদের দাপাদাপির কারণে তাঁর চাকরি গিয়েছে তা সহকর্মীদের কথাতেই স্পষ্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL Derby: শনির ডার্বিতে এগিয়ে মোহনবাগান, তবুও সতর্ক মোলিনা! হুংকার ইস্টবেঙ্গল কোচ ব্রুজোর

    ISL Derby: শনির ডার্বিতে এগিয়ে মোহনবাগান, তবুও সতর্ক মোলিনা! হুংকার ইস্টবেঙ্গল কোচ ব্রুজোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মরসুমে দ্বিতীয় ডার্বিতে (ISL Derby) নামতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। খাতায় কলমে এটা মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের হোম ম্যাচ হলেও দুই দলের কাছেই এটা অ্যাওয়ে, কারণ ম্যাচটা হচ্ছে গুয়াহাটিতে। এই ম্যাচে লাল হলুদ ও সবুজ মেরুন দুই দলেই (Mohun Bagan vs East Bengal) রয়েছে চোটের সমস্যা। একাধিক প্লেয়ারকে পাবে না দুই দল।  

    এগিয়ে সবুজ-মেরুন

    গ্রেগ স্টুয়ার্ট, দিমিত্রি পেত্রাতোসকে বাইরে রেখে ডার্বির (ISL Derby) একাদশ সাজাচ্ছেন হোসে মোলিনা। বন্ধ দরজার আড়ালে প্রস্তুতিতে জেমি ম্যাকলারেন, জেসন কামিংস জুটির ওপরই ডার্বির গোলের দায়িত্ব দিতে চলেছেন মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট কোচ। খাতায় কলমে এবং পারফরম্যান্স গ্রাফে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এগিয়ে, তারাই ফেভারিট। আইএসএল ডার্বিতে (Mohun Bagan vs East Bengal) এখনও অপরাজিত সবুজ-মেরুন। তবে ইতিহাস বলছে ডার্বির মেজাজ, চাপ আলাদা। মোলিনার দলে সবচেয়ে বড় শক্তি আক্রমণ-মাঝমাঠ-রক্ষণ, প্রতিটি বিভাগের ফুটবলারই গোলের মধ্যে রয়েছেন। ম্যাকলারেনের সঙ্গে গোল করার প্রতিযোগিতায় পাল্লা দিচ্ছেন আলবার্তো।  রক্ষণে আলবার্তো রড্রিগেজ এবং টম অলড্রেট থাকছেন। দুই সাইডব্যাক শুভাশিস বসু এবং আশিস রাই। মাঝমাঠে আপুইয়ার সঙ্গে সাহাল আবদুল সামাদ। দুই উইং ধরে মনবীর সিং এবং লিস্টন কোলাসো দৌড়বেন। আক্রমণে কামিংস​ এবং জেমি ম্যাকলারেন। চোট সারিয়ে মাঠে ফিরেছেন গ্রেগ স্টুয়ার্ট। অনুশীলনে যথেষ্ট সাবলীল। তবে স্কটিশ মিডফিল্ডারকে আরও একটু দেখে শুনে ব্যবহার করতে চান মোলিনা। 

    ব্যাকফুটে ইস্টবেঙ্গল

    এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ব্যাকফুটে থেকে খেলতে নামবে। এর কারণ হচ্ছে সাম্প্রতিক ফর্ম। গত ম্যাচে মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে যেভাবে গোল খেয়েছে তারপর লাল হলুদের রক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। যদিও নিজেদের আন্ডারডগ মানতে নারাজ কোচ অস্কার ব্রুজো। পয়েন্ট তালিকায় মোহনবাগান শীর্ষে। এই ম্যাচে হারলে বা ড্র করলে সবুজ মেরুনের খুব একটা বেশি সমস্যা হবে না। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল রয়েছে ১১ নম্বর স্থানে। এই ম্যাচের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে লাল হলুদের শেষ ছয়ে শেষ করাটা। মুম্বই ম্যাচে চোট পেয়ে হুইল চেয়ারে করে মাঠ ছাড়েন আনোয়ার। ব্রুজো জানান, আগামী ৪৮ ঘণ্টা আনোয়ারকে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সল ক্রেস্পোর খেলার কোনও সম্ভাবনা নেই। শুক্রবার সকালে অনুশীলন করে দুপুরে বিমানে গুয়াহাটি পৌছেছে দুই দল। স্নায়ুর লড়াইও শুরু হয়ে গিয়েছে। দু-দলের কাছেই  তিন পয়েন্ট পাখির চোখ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi Podcast: “অ্যাম্বিশন নয়, মিশন নিয়ে রাজনীতিতে আসতে হবে”, প্রথম পডকাস্টেই স্বমহিমায় মোদি

    Narendra Modi Podcast: “অ্যাম্বিশন নয়, মিশন নিয়ে রাজনীতিতে আসতে হবে”, প্রথম পডকাস্টেই স্বমহিমায় মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সবাই ভুল করে। আমিও করি। আমিও তো মানুষ। দেবতা নই।” প্রথম পডকাস্টে এমনই মন্তব্য নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi Podcast)। আর ট্রেলারেই চমকে নমো। ২ মিনিট ১৩ সেকেন্ড পডকাস্টের ট্রেলার রয়েছে। প্রথম পডকাস্টে আসার কথা নিজেই বলেছেন মোদি। শনিবার রাতে ট্রেলার নিজের এক্স হ্যান্ডেল পোস্ট করেন পডকাস্টের হোস্ট বা সঞ্চালক জেরোধার সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাথ (Nikhil Kamath Show)। পরে নিজের এক্স হ্যান্ডেল শেয়ার করেন নমো। পডকাস্টে যে সব বিযয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা দেশজুড়ে সাড়া ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    “রাজনীতিতে নিয়মিত ভালো লোক আসা দরকার”(Narendra Modi)

    ট্রেলারে দেখা যায়, নিখিল জানান, মোদির মতো একজন ব্যক্তিত্বের সামনে তিনি নার্ভাস প্রকাশ করেছেন তিনি। পাশাপাশি, সাবলীলভাবে হিন্দি বলতে না পারায় ভুলের জন্য মোদির কাছে ক্ষমাও চেয়ে নেন তিনি। ট্রেলারে অনেক বেশি সহজ-সরল, স্বমেজাজে দেখা যায় মোদিজিকে (Narendra Modi Podcast)। মোদিকে নিখিল (Nikhil Kamath Show) প্রশ্ন করেন, রাজনীতিতে যুবক-যুবতীরা আসতে চাইলে তাদের জন্য কী বার্তা দেবেন? নাগরিকদের উদ্দেশে মোদি বলেন, “রাজনীতিতে নিয়মিত ভালো লোক আসা দরকার।” সেইসঙ্গে নমো এও বলেন, “রাজনীতিতে আসতে হলে মিশন নিয়ে আসতে হবে, অ্যাম্বিশন নিয়ে নয়।”

    ট্রেলারের শেষদিকে নিখিলকে (Nikhil Kamath Show) বলতে শোনা যায়, “দক্ষিণ ভারতে মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের বলা হয়, রাজনীতি নোংরা লোকেদের জায়গা। সেখানে গিয়ে কেউ কিছু করতে পারবে না।” এই প্রসঙ্গে মোদির (Narendra Modi Podcast) মতামত জানতে চান তিনি। মোদি তাঁর উদ্দেশে বলেন, “এই ভাবনা সত্যি হলে এখানে আমরা আসতাম না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে আগের রায়ে ‘কোনও ভুল নেই’, রিভিউ পিটিশন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে আগের রায়ে ‘কোনও ভুল নেই’, রিভিউ পিটিশন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ বিবাহ (Same Sex Marriage) নিয়ে রায় পুনর্বিবেচনার একগুচ্ছ আর্জি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সমলিঙ্গে বিবাহকে যে আইনি স্বীকৃতি দেয়নি শীর্ষ আদালত, তা নিয়ে একগুচ্ছ রিভিউ পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল। যদিও সেগুলি খারিজ করে দিয়ে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, শীর্ষ আদালত যে রায় দিয়েছিল, তাতে কোনও ত্রুটি মেলেনি। যে মতামত প্রকাশ করা হয়েছিল, তা আইন মেনেই ছিল। তাই কোনও হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই। 

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ

    ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) রায় এবারও বহাল রেখে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। আগের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি বিআর গভাই, বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি বিভি নাগরত্ন, বিচারপতি পিএস নরসিং এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ। আদালত জানিয়েছে, এই সংক্রান্ত পূর্বের রায়ে কোনও ভুল নেই। যে পাঁচজন বিচারপতির বেঞ্চ রিভিউ পিটিশনের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে, তাঁদের মধ্যে মাত্র একজনই পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চে ছিলেন, যে বেঞ্চ সমলিঙ্গে বিবাহকে আইনি স্বীকৃতি দেয়নি। মূল বেঞ্চের চার সদস্য (তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি সঞ্জয় কিষান কৌল, বিচারপতি রবীন্দ্র ভট্ট এবং বিচারপতি হিমা কোমলি) অবসরগ্রহণ করেছেন। ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে রায় দিয়েছিল। আদালত জানিয়েছিল, একমাত্র সংসদ বা বিধানসভাই সমলিঙ্গের বিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দিতে পারে। আদালত আইন তৈরি করতে পারে না, ব্যাখ্যা করতে পারে মাত্র।

    সংসদের অধিকার

    সমলিঙ্গে বিবাহকে (Same Sex Marriage) আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার আর্জি জানিয়ে যে একগুচ্ছ মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেটার প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে সেই পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ চারটি আলাদা রায় দিয়েছিল। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ‘স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট’-র আওতায় সমলিঙ্গে বিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি সংসদের অধিকারের মধ্যে পড়ছে। আর যে সব রিভিউ পিটিশন দাখিল হয়েছিল, তাতে সওয়াল করা হয়েছিল যে সাংবিধানিক মূল্যবোধের সঙ্গে ২০২৩ সালের রায় ‘স্পষ্টতই অন্যায্য’ ছিল। মূল মামলার অন্যতম পিটিশনার সোনু সুদ প্রথম রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছিলেন। ২০২৩ সালের নভেম্বরে দাখিল করেছিলেন সেই রিভিউ পিটিশন।

    কী বলেছিল শীর্ষ আদালত

    ২০২৩ সালের রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, সমলিঙ্গ যুগলকে (Same Sex Marriage) কোনও রকম ভাবে হেনস্থা করা যাবে না। এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষিত করার বিষয়টিতেও বিচারপতিরা সকলেই একমত হয়েছিলেন। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, সমকামিতা অথবা ছকভাঙা যৌন রুচি একেবারেই স্বাভাবিক বিষয়। সেই অনুসারে কোনও সম্পর্কের অধিকারের কোনও তারতম্য হতে পারে না। তবে সমলিঙ্গ বিয়েতে আইনি সম্মতি দেওয়ার বিষয়টি আইনসভার উপরে ছেড়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, দ্রুত একটি কমিটি তৈরি হবে সমলিঙ্গ বিবাহ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের জন্য। এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের মানুষজন এই রায় পুনর্বিবেচনা করার আর্জি জানান আদালতে। 

    আরও পড়ুন: বাংলায় ছাত্রশূন্য স্কুলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি! কেন্দ্রের রিপোর্টে রাজ্যে শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল দশা

    কেন্দ্রের যুক্তিকে মান্যতা

    সমলিঙ্গ বিবাহ (Same Sex Marriage) নিয়ে নরেন্দ্র মোদি সরকারের পাশাপাশি, সাতটি রাজ্যের সরকার তাদের মতামত জানিয়েছিল। কেন্দ্রের পাশাপাশি, অসম, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং রাজস্থান সরকার সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি বৈধতার দাবির বিরোধিতা করে। কেন্দ্রের তরফে সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি স্বীকৃতির বিরোধিতা করে জানানো হয়, এটা নেহাতই ‘শহুরে অভিজাত সমাজের ভাবনা’। পাশাপাশি, এমন ‘স্পর্শকাতর বিষয়ে’ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার সংসদের হাতে তুলে দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। মোদি সরকারের সেই যুক্তিই কিয়দাংশে মেনে নিয়েছিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: মকর সংক্রান্তিতে জাঁকিয়ে শীত নয়, জানাল আলিপুর, বৃষ্টির সম্ভাবনা কোথায়?

    Weather Update: মকর সংক্রান্তিতে জাঁকিয়ে শীত নয়, জানাল আলিপুর, বৃষ্টির সম্ভাবনা কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাজ্যজুড়ে ঠান্ডার আমেজ থাকবে। শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হল ২২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২.৪ ডিগ্রি কম। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হল ১৩.২ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৭ ডিগ্রি কম। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানিয়েছে, শনিবারও তাপমাত্রার হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে, রবিবার থেকে পারদ চড়তে পারে। সোমবারও আরও তাপমাত্রা বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে। আগামী পাঁচ দিন দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।

    মকর সংক্রান্তিতে জাঁকিয়ে শীত নয় (Weather Update)

    রবিবার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Weather Update) যথাক্রমে ২৬ ডিগ্রি ও ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। এরপর সোমবার ১৩ জানুয়ারি আরও একটু বাড়তে পারে তাপমাত্রা। সোমবার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৭ ডিগ্রি ও ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। তারপর ফের মঙ্গল থেকে সামান্য কমতে পারে তাপমাত্রা। তবে, কনকনে শীত এখনই ফিরে আসবে না বলেই পূর্বাভাস। রবিবার থেকে উত্তুরে হাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে মূলত পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। নতুন করে রাজ্যে প্রবেশ করছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এছাড়াও উত্তরপ্রদেশ ও অসম সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। এছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন নিরক্ষীয় ভারত মহাসাগরের উপর এবং উত্তর তামিলনাড়ু সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে দুটি ঘূর্ণাবর্ত। যার জেরে পৌষ সংক্রান্তিতে শীতের পথে রয়েছে একাধিক বাধা। মকর সংক্রান্তিতে (Makar Sankranti) (১৪ জানুয়ারি) জাঁকিয়ে শীত থাকবে না।

    আরও পড়ুন: ‘২০৩১ সালের পরে হিন্দুদেরও পালানোর রাস্তা খুঁজতে হবে’, কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    বৃষ্টির সম্ভাবনা কোথায়?

    পৌষ সংক্রান্তিতে (Weather Update) হালকা বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। ১৩ জানুয়ারি দার্জিলিং ও কালিম্পঙের কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিঙেও। উত্তরবঙ্গেও আগামী ২ দিন তাপমাত্রা একই থাকবে। তারপর বাড়তে পারে তাপমাত্রা। আপাতত শুষ্ক আবহাওয়াই বিরাজ করবে রাজ্যজুড়ে। ভোরের দিকে কুয়াশার দাপটও বজায় থাকবে আপাতত। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশার দাপট কমে যাবে। উত্তরবঙ্গে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও উত্তর দিনাজপুর জেলায়। মাঝারি কুয়াশার সতর্কবার্তা রয়েছে বাকি জেলাগুলিতেও। আপাতত ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। এদিকে উত্তর ভারতজুড়ে চলছে শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গিয়েছে রাজধানী দিল্লি। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন অংশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে ও সর্বোচ্চ ২০ ডিগ্রির কাছে থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: বাম আমলে শিক্ষা-দুর্নীতি! ২০০৯ সালে প্রাথমিকে চাকরিপ্রাপ্তদের নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বাম আমলে শিক্ষা-দুর্নীতি! ২০০৯ সালে প্রাথমিকে চাকরিপ্রাপ্তদের নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক, নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। শাসকদলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিরোধীরা। এই পরিস্থিতিতে বাম আমলে ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড দেখিয়ে প্রাথমিকে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর এই বিষয়ে বড় পদক্ষেপ করল কলকাতা হাইকোর্ট।

    আদালতের কী পর্যবেক্ষণ? (Calcutta High Court)

    জানা গিয়েছে, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ কার্ড (Calcutta High Court) ব্যবহার করে ২০০৯ সালে প্রাথমিকে চাকরি (Primary Recruitment) পান কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী। অভিযোগ ওঠে, বহু চাকরিপ্রার্থী ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার ২০০৯ সালের প্রাথমিকে চাকরি পাওয়া সব শিক্ষকের এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ কার্ড যাচাই করতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশ, পরবর্তী শুনানির দিন ওই বিষয়ে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থাকে। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, কার্ড জালিয়াতি করে চাকরি মামলায় আগামী ২৭ জানুয়ারি সব কার্ড যাচাই করে রিপোর্ট দিতে হবে শিক্ষা দফতরের কমিশনারকে। ওই দিনই এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    আরও পড়ুন: ‘২০৩১ সালের পরে হিন্দুদেরও পালানোর রাস্তা খুঁজতে হবে’, কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    সিট গঠনের ইঙ্গিত!

    প্রসঙ্গত, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ (Calcutta High Court) কার্ড ব্যবহার করে ২০০৯ সালে প্রাথমিকে চাকরি পান কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী। অভিযোগ ওঠে, বহু চাকরিপ্রার্থী ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন। এই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। উত্তর ২৪ পরগনায় ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড ব্যবহার করে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে ২৬ জনের চাকরি বাতিল হয়। অন্য জেলাগুলিতে ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড ব্যবহার করে চাকরি পাওয়ার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ। বৃহস্পতিবার সব জেলার প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিলকে ২০০৯ সালে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের এক্সচেঞ্জ কার্ড খতিয়ে দেখতে বলল হাইকোর্ট। বৃহত্তর জালিয়াতির ইঙ্গিত পেলে সিট গঠন করা হতে পারে বলে বিচারপতি জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Schools Dropouts: বাংলায় ছাত্রশূন্য স্কুলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি! কেন্দ্রের রিপোর্টে রাজ্যে শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল দশা

    Schools Dropouts: বাংলায় ছাত্রশূন্য স্কুলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি! কেন্দ্রের রিপোর্টে রাজ্যে শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল দশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্রশূন্য স্কুলের সংখ্যা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাতেই (Schools Dropouts)। সম্প্রতি এই নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ওই রিপোর্ট অনুযায়ী সারা দেশের স্কুল-ছুটদের সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। পশ্চিমবঙ্গে গত শিক্ষাবর্ষে তিন হাজারেরও বেশি স্কুল রয়েছে যেখানে কোনও পড়ুয়াই ভর্তি হয়নি। সম্পূর্ণ ছাত্রশূন্য। রাজ্যের (West Bengal) স্কুলগুলির এই পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে, শুধুমাত্র ভাতা বা বই খাতা ট্যাব পাইয়ে দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি করা যায় না। তার জন্য দরকার বুনিয়াদি কাঠামোর উন্নয়ন, এমনই দাবি শিক্ষামহলের।

    কেন্দ্রের রিপোর্টে ভয়ঙ্কর তথ্য

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্কুলগুলিতে (Schools Dropouts) পড়ুয়া ভর্তির হার কেমন, তা নিয়ে সম্প্রতি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের হিসেবে ওই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ওই তালিকা অনুযায়ী বাংলায় স্কুলছুটের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। রাজ্যে ছাত্রশূন্য স্কুলের সংখ্যা ৩২৫৪। অথচ কোনও পড়ুয়া না থাকা এই স্কুলগুলিতে ১৪ হাজার ৬২৭ জন শিক্ষক ছিলেন। আবার এমন অনেক স্কুলও রয়েছে যেখানে পড়ুয়া ভর্তি হলেও শিক্ষক রয়েছেন মাত্র এক জন। কেন্দ্রের রিপোর্টে গত শিক্ষাবর্ষে রাজ্যে এক জন শিক্ষক থাকা স্কুল রয়েছে ৬ হাজার ৩৬৬টি।

    অন্য রাজ্যের অবস্থান

    কেন্দ্রের তরফে প্রকাশিত ২০০ পাতার ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, গোটা দেশের নিরিখে প্রায় ১৩ হাজার (১২৯৫৪টি) স্কুলে কোনও পড়ুয়া ভর্তি হয়নি গত শিক্ষাবর্ষে। সেই স্কুলগুলিতে শিক্ষক ছিলেন ৩১ হাজার ৯৮১ জন। আবার প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার স্কুলে পড়ুয়া ভর্তি হলেও সেখানে মাত্র এক জন করে শিক্ষক নিযুক্ত থেকেছেন। কোনও পড়ুয়া ভর্তি না হওয়া স্কুলের সংখ্যার নিরিখে বাংলার পরেই রয়েছে রাজস্থান। সেখানে ২১৬৭টি স্কুলে কোনও পড়ুয়া ভর্তি হয়নি। তালিকায় তৃতীয় তেলঙ্গানা। দক্ষিণের এই রাজ্যে ২০৯৭টি স্কুলে গত শিক্ষাবর্ষে কোনও পড়ুয়া ভর্তি হয়নি।

    রাজ্যের দেওয়া তথ্য থেকেই রিপোর্ট

    কোন রাজ্যে কেমন পরিস্থিতি সে বিষয়ে প্রতি বছরই একটি রিপোর্ট (Schools Dropouts) প্রকাশ করে কেন্দ্র। শিক্ষা মন্ত্রকের অধীনস্থ ‘ইউনিফায়েড ডিস্ট্রিক্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ফর এডুকেশন প্লাস’ থেকে এই রিপোর্টটি দেওয়া হয়। বস্তুত, রাজ্যগুলি থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই রিপোর্ট তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রক। রাজ্যের কোন স্কুলে কী পরিস্থিতি সে বিষয়ে রাজ্য সরকারের তরফেই একটি অনলাইন ব্যবস্থায় তথ্য আপলোড করা হয়। সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকেই তা করতে হয়। সেখান থেকে পাওয়া তথ্য এবং পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে এই রিপোর্টটি প্রকাশ করে কেন্দ্র। 

    বিরোধীদের নিশানায় রাজ্য সরকার

    কেন্দ্রের এই রিপোর্ট (Schools Dropouts) প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শিক্ষা ব্যবস্থায় রাজ্যের গাফিলতি নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধী ও শিক্ষক সংগঠনগুলি। বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে দেশের সবচেয়ে বেশি স্কুল ড্রপআউট রয়েছে, যা লজ্জার। তিনি বলেন, “বীরভূমে স্কুল ড্রপআউটের হার ১৭.২ শতাংশ, মুর্শিদাবাদে ১৬.৯ শতাংশ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১৬.১ শতাংশ। তাঁর মতে, রাজ্যের সকল জেলা গুলিতেই স্কুল ড্রপআউটের হার ১২ শতাংশের বেশি। কেউ জানে না স্কুল ড্রপআউটদের কী হচ্ছে। আমাদের রাজ্য থেকে ৭০ লাখ পরিযায়ী শ্রমিক রয়েছে। সারা রাজ্যে বেকারত্ব চরমে। এমন পরিস্থিতি, কেউ জানে না এই স্কুলছুট ছাত্রছাত্রীরা কোথায় যাচ্ছে।” শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারীও বলেন, “রিপোর্ট অনুসারে সারা দেশের নিরিখে এ রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ছাত্রশূন্য স্কুল। বহু স্কুলে এক জন করে শিক্ষক। এটি আমাদের লজ্জা। গত ১৩ বছর ধরে তৃণমূল সরকার রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে একেবারে ভেঙে দিয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভে ‘কল্পবাস’ পালন করবেন স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন! জানেন হিন্দু ধর্মে এই রীতির মাহাত্ম্য?

    তৃণমূল সরকারের অবহেলা

    রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগ, মুখে সংখ্যালঘু উন্নয়নের কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেটা শুধু ভোটের রাজনীতি, বাস্তব ছবিটা অন্য। রাজ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের (Schools Dropouts) উন্নতির জন্য কোনও কাজ হচ্ছে না। মুর্শিদাবাদে বড় একটি সংখ্যালঘু জনগণ রয়েছে, প্রায় ১৭ শতাংশ। সেখানে স্কুলছুটের সংখ্যা বেশি। এরা কোথায় যাচ্ছে, কী করছে তা জানতে আগ্রহী নয় সরকার।  রাজ্যের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ই প্রাইভেট এবং সেগুলিতে সিট খালি রয়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে কোনও মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তৃণমূল সরকার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি নিয়ে আগ্রহী নয়। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, যেখানে বলা হয়েছে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে পশ্চিমবঙ্গে মাধ্যমিক স্তরের ড্রপআউটের হার ১৮.৭৫ শতাংশ। রাজ্য প্রশাসন এবং শিক্ষা বিভাগকে এই বিষয়টি নজর দিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Case Verdict: আরজি করকাণ্ডে শেষ হল বিচার প্রক্রিয়া, শিয়ালদা কোর্টে ১৮ জানুয়ারি সাজা ঘোষণা

    RG Kar Case Verdict: আরজি করকাণ্ডে শেষ হল বিচার প্রক্রিয়া, শিয়ালদা কোর্টে ১৮ জানুয়ারি সাজা ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Case Verdict) বিচারপর্বের চূড়ান্ত রায়দানের দিনও জানিয়ে দিল আদালত। গত ১১ নভেম্বর আরজি করের ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। টানা দু’মাস ধরে তা চলল। এই মামলায় আগেই চার্জশিট দিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেখানে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কেই একমাত্র অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। আদালতে তাঁর সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। নভেম্বর থেকে মামলার শুনানি শুরু হওয়ার পর ৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার শিয়ালদা ফার্স্ট অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজ (ফার্স্ট এডিজে) অনিবার্ণ দাসের এজলাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে।

    ১৮ জানুয়ারি রায় ঘোষণা (RG Kar Case Verdict)

    আদালত (RG Kar Case Verdict) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৮ জানুয়ারি দুপুর দুটো থেকে আড়াইটের মধ্যে এই মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবেন বিচারক। এই বিষয়ে এক আইনজীবী বলেন, “আমাদের দাবি বা যারা এই ঘটনায় যুক্ত তারা যে সাজা পায়। এক চার্জশিট জমা হয়েছে। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়া হতে পারে। তদন্ত এখনও শেষ হয়নি।” গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চারতলার সেমিনার হল থেকে মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁকে ধর্ষণ এবং খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পরের দিনই কলকাতা পুলিশ অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করেছিল। চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয় বাংলা। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রতিবাদে উত্তাল হয় দেশ থেকে বিদেশ। পরে এই ঘটনার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সুপ্রিম কোর্টেও ওঠে মামলা। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ প্রথমে আর্থিক বেনিয়ম ও দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে, ধর্ষণ মামলাও যুক্ত করা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর তথ্য প্রমাণ লোপাটের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে। গ্রেফতারের ৯০ দিন পরেও চার্জশিট দিতে পারেনি সিবিআই। সে কারণেই সন্দীপ-অভিজিৎকে ধর্ষণ মামলায় জামিন দিয়েছে শিয়ালদা আদালত। তবে, আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেলেই রয়েছেন সন্দীপ।

    সঞ্জয়ের আইনজীবী কী বললেন?

    শুনানিতে সঞ্জয়কে নির্দোষ বলে দাবি করে তার আইনজীবী (RG Kar Case Verdict) সৌরভ বন্দ্যোপাধয়ায়। এই বিষয়ে ধৃতের আইনজীবী সওয়ালে বলেন, “এই ঘটনার স্বপক্ষে সিবিআই যে প্রমাণ দিচ্ছে, তা অপর্যাপ্ত। সঞ্জয় এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। এছাড়াও নির্যাতিতার শরীরে ধস্তাধস্তির কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। গোটা ঘটনা সাজানো হতে পারে। ধৃতকে ফাঁসানো হয়েছে। অভিযুক্ত কিছুই করেনি। অভিযুক্তের আঙুলের ছাপও মেলেনি। হতে পারে পুরোটাই পরে সাজানো হয়েছে।”

    ফাঁসির দাবি করেছে সিবিআই

    আরজি কর-কাণ্ড নিয়ে আদালতে এর আগেও সিবিআই নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছে। ধৃতের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সিবিআইয়ের আইনজীবীরা। চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা বিরলতম ঘটনা বলে মন্তব্য করে সঞ্জয় রায়ের ফাঁসির দাবি করেছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share