Tag: Madhyom

Madhyom

  • Assembly Elections 2026: বুথের বাইরে স্পষ্ট নির্দেশিকা! ভোট-কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে নিষিদ্ধ মোবাইল, এবার কী কী নতুন নিয়ম?

    Assembly Elections 2026: বুথের বাইরে স্পষ্ট নির্দেশিকা! ভোট-কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে নিষিদ্ধ মোবাইল, এবার কী কী নতুন নিয়ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Elections 2026)  ভোটারদের সুবিধার্থে ও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও সু-শৃঙ্খল করতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বুথে ঢোকার আগে থেকে ভোট দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়ায় কী কী বদল আসছে, তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ভোটারদের মধ্যে কোনওরকম ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হবে না। ফলে কথা-কাটাকাটি বা উত্তেজনা ছড়ানো সহজ হবে না। শুধু তাই নয় কমিশন জানিয়েছে, এবার রাজ্যের প্রবীণ নাগরিকরা ঘরে বসেই ভোট দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে যাঁদের বয়স ৮৫-এর উপরে, তাঁরাই এই সুবিধা পাবেন। এছাড়া বিশেষভাবে সক্ষমরাও বাড়ি বসেই ভোট দিতে পারবেন বলে জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

    ভোট-কেন্দ্রের বাইরে পোস্টারে নির্দেশিকা

    বিধানসভা নির্বাচনে প্রতি বুথের বাইরেই চার ধরনের পোস্টার টাঙিয়ে দেবে কমিশন। ওই পোস্টারগুলিতে প্রার্থীদের নাম, বুথ সংক্রান্ত তথ্য, ভোট দেওয়ার নিয়ম এবং কোন কাজ করা যাবে না, এসব স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে। ভোটার কার্ড ছাড়াও কোন কোন নথি দেখিয়ে ভোট দেওয়া যাবে, সেটাও সেখানে উল্লেখ থাকবে। ভোটারদের বোঝার সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় চিহ্নিত করা থাকবে। এগুলি এমন জায়গায় থাকবে, যাতে ভোটারেরা সহজে দেখতে পান।

    ভোটার সহায়তা কেন্দ্র

    বুথের কাছে থাকবে ভোটার সহায়তা কেন্দ্রও। সেখানে বুথ স্তরের আধিকারিকদের (বিএলও) থাকতে বলা হয়েছে। তাঁরা ভোটারদের সঠিক বুথ বা কক্ষ খুঁজে পেতে সাহায্য করবেন এবং ক্রম নম্বর অনুযায়ী নির্দেশনা দেবেন।

    ১০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশের মধ্যে রয়েছে মোবাইল ফোন সংক্রান্ত নিয়ম। কমিশন (Election Commission) স্পষ্ট জানিয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না। ভোট দিতে যাওয়ার আগে মোবাইল সুইচ অফ বা সাইলেন্ট করে নির্দিষ্ট জায়গায় জমা রাখতে হবে। ভোট দেওয়া হয়ে গেলে পরে তা সংগ্রহ করা যাবে। এই নিয়ম কঠোর ভাবে মানতে বলেছে কমিশন। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের ফল জানা যাবে ৪ মে।

    ন্যূনতম পরিষেবায় জোর কমিশনের

    রবিবার সকালে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে একাধিক নিয়মকানুনের কথা জানিয়েছে কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অসম, তামিলনাড়ু, কেরল এবং পুদুচেরিতে ভোট হচ্ছে। বলা হয়েছে, এই চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ২ লক্ষ ১৮ হাজার ৮০৭টি বুথে ভোটারদের জন্য ন্যূনতম পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতি ক্ষেত্রে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (সিইও) সেই নির্দেশ দেওয়া রয়েছে। এই ন্যূনতম পরিষেবার মধ্যে রয়েছে পানীয় জল, শৌচাগার এবং তাতে পর্যাপ্ত জল, ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত আলোর মতো কয়েকটি বন্দোবস্ত। সব বুথ একতলায় করা হচ্ছে। এই নিয়মের ফলে বয়স্করা সুবিধা পাবেন। ভোট দিতে দাঁড়ানোর জন্য ছায়ার আশ্রয়, প্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য উপযুক্ত র‌্যাম্প, বিচ্ছিন্ন ভোটকক্ষ এবং উপযুক্ত চিহ্নিতকরণ নিশ্চিত করতে বলেছে কমিশন।

    ঘরে বসেই ভোট 

    কমিশনের তরফে জানান হয়েছে, কেউ ঘরে বসে ভোট দিতে চাইলে সবার প্রথমে বিএলও-এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। ভোটার বা পরিবারের কাউকেই যোগাযোগ করতে হবে। এরপর ১২ডি ফর্ম ফিলআপ করে আবেদন করে ফেলতে হবে। তাহলেই ভোটারের তরফের কাজ শেষ। এরপর বিএলও সেই ফর্ম গিয়ে জমা দেবেন নির্দিষ্ট জায়গায়। তারপর রিটার্নিং অফিসার কবে ভোটগ্রহণ করা হবে, সেটা ঠিক করবেন। সেই মতো প্রার্থীদের জানান হবে দিন। এমনকী ভোটারদেরও বলে দেওয়া হবে। এরপর নির্দিষ্ট দিনে বাড়ি গিয়ে নেওয়া হবে ভোট। এই হল পুরো প্রক্রিয়া। তবে শুধু বাড়ি বসেই ভোট দেওয়ার সুবিধাই নয়, পোস্টাল ব্যালটেও ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে কমিশন। এক্ষেত্রে যাঁরা ভোটের কাজের সঙ্গে যুক্ত, সেই সব সরকারি আধিকারিকরা সরাসরি পোস্টল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন। এছাড়া দমকল, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, ট্র্যাফিক, অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা, সাংবাদিক সহ আরও কিছু মানুষকে পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে দফতরের জন্য মনোনিত নোডাল অফিসারের কাছে করতে হবে আবেদন। তাহলেই ভোট দেওয়া যাবে।

    অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ

    বাংলায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে। গত ১৫ মার্চ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেই একথা জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলার একটি বুথেও নজরদারিতে হালকা মনোভাব দেখাচ্ছে না কমিশন। রাজ্যজুড়ে ৮০ হাজার ৭১৯ বুথের ভিতর ও বাইরে মিলে ২ লাখ সিসিটিভি, ওয়েবক্যাম থাকবে। থাকবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই লাখের মতো জওয়ান। সিসিটিভি আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে এবার ভোট হবে বাংলায়। বিভিন্ন নির্বাচনে বাংলায় বুথ দখল, ছাপ্পার অভিযোগ ওঠে। শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয় বিরোধীরা। এবারও বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে থেকেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একাধিক দাবি জানাতে থাকে বিরোধীরা। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে বাংলা সফরে এসেছিল কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সেখানেও নিজেদের উদ্বেগের কথা জানায় রাজনৈতিক দলগুলি। তাই বাংলায় নির্বিঘ্নে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সবরকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে, বলে জানিয়েছে কমিশন।

  • Navratri Fasting: নবরাত্রিতে উপবাস! শুধু ঐতিহ্য নয়, এই রীতি কতখানি স্বাস্থ্যসম্মত জানেন?

    Navratri Fasting: নবরাত্রিতে উপবাস! শুধু ঐতিহ্য নয়, এই রীতি কতখানি স্বাস্থ্যসম্মত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে চৈত্র নবরাত্রি (Chaitra Navratri 2026)। চলবে ২৭ মার্চ রামনবমী (Ramnavami) পর্যন্ত। দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে এই উৎসব। উত্তর থেকে দক্ষিণ, ভারতের বিভিন্ন প্রদেশেই বছরের এই সময়ে নবরাত্রির উৎসব পালন হয়। হিন্দু শাস্ত্র (Hindu Traditions) মতে, নবরাত্রি অর্থাৎ নয় রাত ধরে মা দুর্গার আরাধনা করা হয়। পবিত্রতা, শান্তির প্রতি আস্থা রাখার পাশপাশি দুষ্টের দমন এবং শুভ শক্তির পালন, এই আর্জি নিয়েই দেশজুড়ে মা দুর্গার আরাধনা চলে। প্রথা অনুযায়ী, এই ন’দিন ধরে উপবাস রাখতে হয়। পালন করতে হয় সাত্ত্বিক জীবনযাপন। হিন্দু শাস্ত্রে, নবরাত্রি উদযাপনের (Navratri Fasting) এই পাঠ কিন্তু শুধুই ধর্মীয় রীতি নয়। বরং এর তাৎপর্য আরও গভীর।‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নয় রাতের এই ব্রত সুন্দর জীবন যাপনের (Healthy Lifestyle) পথ আরও সুগম করে। তাই নবরাত্রি উদযাপনের গভীরতা আরও বেশি।

    নবরাত্রি পালন কীভাবে সুস্থ জীবন যাপনের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নবরাত্রি উদযাপন শুধুই উপোস আর প্রার্থনা নয়। এই ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে এক গভীর জীবন‌বোধ এবং জীবন‌ যাপনের পদ্ধতি। যা খুবই স্বাস্থ্যকর! তাঁরা জানাচ্ছেন, নবরাত্রি পালনের সময় সকালে নির্দিষ্ট সময় ঘুম থেকে ওঠা, যোগাসন করা, ধ্যান করার মতো নিয়ম পালনের কথা বলা হয়। সকলের কল্যাণের কথা চিন্তা করে ঈশ্বরের প্রার্থনার, নবরাত্রির অন্যতম আচার। অর্থাৎ একটি নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে জীবন যাপনের দিকে এই উৎসব সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়।

    পজিটিভ এনার্জি আসে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আধুনিক জীবনে ডায়াবেটিস থেকে স্থূলতা, রক্তচাপ কিংবা হৃদরোগের মতো জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা, মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। মানসিক চাপ কমাতে, অবসাদ, উদ্বেগের মতো সমস্যা কমাতে ধ্যানের অভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। নবরাত্রি পালনের (Navratri Fasting) জন্য সেই অভ্যাস জীবনে স্থায়ী হয়। ঈশ্বরের কাছে কল্যাণ প্রার্থনার মাধ্যমে মনে পজিটিভ এনার্জি বা ইতিবাচক শক্তি তৈরি হয়। যার ফলে নানান ভালো কাজের ইচ্ছে হয়। নানান নেতিবাচক ভাবনা দূর হয়। মানসিক শান্তি বজায় থাকে। এর ফলে অবসাদ, মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মতো সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

    হজমের গোলমাল কমায়

    নবরাত্রি পালনের সময় উপোস করতে হয়। কিন্তু ঐতিহ্য মেনে এই উদযাপনে সম্পূর্ণ অভুক্ত থাকার রীতি (Hindu Traditions) নেই। নবরাত্রির সময় পুষ্টিকর অথচ সহজপাচ্য সাত্ত্বিক খাবার খাওয়ার রীতি রয়েছে। প্রাণীজ প্রোটিন নয়। পরিমিত আহার শরীরের জন্য উপকারি এই ভাবনা বোঝানোর জন্য নবরাত্রি রীতি (Navratri Fasting) খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হরমোনের ভারসাম্যের অভাব, স্থূলতা, বন্ধ্যত্ব, কোলেস্টেরলের সমস্যা কিংবা হৃদরোগের মতো জটিল অসুখের অন্যতম কারণ অতিরিক্ত খাদ্যাভ্যাস। তরুণ প্রজন্মের একাংশের অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়ার অভ্যাস, নির্দিষ্ট সময়ে খাবার না খাওয়া, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংসের পদ খাওয়ার অভ্যাস অসুখ বাড়াচ্ছে। নবরাত্রি পালনের সময়ে দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সাত্ত্বিক খাবার খাওয়ার রেওয়াজ খুবই স্বাস্থ্যকর। পাশপাশি, পরিমিত খাবারের অভ্যাস হজমের গোলমাল কমায়। দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। তাই নবরাত্রি পালন অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    মানসিক চাপ কমে

    নবরাত্রি (Navratri Fasting) উদযাপনের সময়ে সামাজিক যোগাযোগ নিবিড় হয়। প্রতিবেশি, আত্মীয় ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ হয়। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে একাকিত্ব বাড়ছে। আর একাকিত্বের হাত ধরেই শরীর ও মনে বাসা বাঁধছে নানান রোগ।‌ নিয়মিত কথা বলা, পারিবারিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে পারলে নানান সঙ্কট সহজেই কাটানো যায়। তাই নবরাত্রি উদযাপনের মতো ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করলে মানসিক চাপ কমে।

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে

    তবে, এর পাশপাশি নবরাত্রি যে সময়ে পালন হয়, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরে দু’বার নবরাত্রি (Navratri Fasting) পালন হয়। একটি চৈত্র মাসে অর্থাৎ বসন্ত ঋতুতে। আরেকটি শরৎ ঋতুতে।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরের এই দুই সময়েই ঋতু পরিবর্তনের সময়ে আবহাওয়ায় বড়সড় পরিবর্তন দেখা যায়। অর্থাৎ তাপমাত্রার রদবদল হয়। বাতাসে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার দাপট বাড়ে। ফলে নানান সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। এই সময়ে শরীর সুস্থ রাখতে বাড়তি নজরদারি জরুরি। পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত যোগাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম দেহের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আবার অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও কমায়। তাই নবরাত্রি পালন করলে শরীর সুস্থ থাকবে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

  • Assembly Election 2026: ভোটে হাই-ভোল্টেজ ভবানীপুর! বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ প্রচার কেন্দ্র স্থির করল বিজেপি

    Assembly Election 2026: ভোটে হাই-ভোল্টেজ ভবানীপুর! বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ প্রচার কেন্দ্র স্থির করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটের বাদ্যি বেজে গিয়েছে। ঘোষণা হয়েছে নির্বাচনের দিন। ভোটের (Assembly Election 2026) দিনক্ষণ ঘোষণার পর এখনও বাংলায় প্রচারে আসেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Bengal)। তিনি বাংলায় কবে প্রথম প্রচার শুরু করবেন, তা এখনও নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। তবে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ কর্মসূচি কোথায় হতে চলেছে, তার আঁচ পাওয়া গেল। হাইভোল্টেজ ভবানীপুরে তাঁর নির্বাচনী প্রচার শেষ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এবার ভোটে রাজ্যে সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। এই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একুশের নির্বাচনে যে দ্বৈরথ পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে দেখা গিয়েছিল, সেটাই এবার হচ্ছে ভবানীপুরে। গতবার নন্দীগ্রামে এই দ্বৈরথে মমতাকে টেক্কা দিয়েছিলেন শুভেন্দু।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচি

    রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর,পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026)  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কী কী কর্মসূচি থাকবে, তার রূপরেখা চূড়ান্ত করার আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সে আলোচনার শুরুতেই নির্ধারিত হয়েছে শেষ কর্মসূচিটি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয় বা শেষ দফার নির্বাচনী প্রচারে শেষ রোড শো কোথায় করবেন, স্থির করে ফেলেছে বিজেপি। এ যাত্রায় প্রধানমন্ত্রী মোদির অন্তিম রোড শো-টি ভবানীপুর ছুঁয়ে যাবে। ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। সে দফায় কলকাতায় ভোট হচ্ছে না। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৪২টি আসনে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল। তাই ২৪ থেকে ২৭ এপ্রিলের মধ্যেই এই অঞ্চলে ভোটের প্রচার তুঙ্গে উঠবে। ওই সময়েই প্রধানমন্ত্রী মোদি কলকাতায় রোড শো করবেন। সেটিই হবে পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনে তাঁর শেষ রোড শো। কোন পথ দিয়ে বা কলকাতার কোন কোন অ়ঞ্চল হয়ে প্রধানমন্ত্রীর রোড শো এগোবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সে কর্মসূচি যে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে অবশ্যই ছুঁয়ে যাবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে।

    ভবানীপুরে শেষ রোড-শো!

    বিজেপি সূত্রে খবর, বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচার মোদি শেষ করতে পারেন ভবানীপুরে। এই নিয়ে জোর আলোচনা চলছে পদ্মশিবিরে। কলকাতার দুই প্রান্তে দুটি রোড শো করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (Modi in Bengal)। তবে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অনুমোদন, এসপিজি-র ছাড়পত্র— এমন অনেকগুলি বিষয়ের উপরে যাত্রাপথ চূড়ান্ত হওয়া নির্ভর করছে। সূত্রের খবর, উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায় মোদি রোড শো, মিছিল করবেন। তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। মোদির ভোট প্রচারের শেষ কর্মসূচির আভাস পাওয়া গেলেও প্রথম কর্মসূচি সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব চাইছেন, আগামী ২৬ মার্চ বঙ্গে ভোট প্রচার শুরু করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও প্রধামন্ত্রীর দফতর থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি। শোনা যাচ্ছে, এপ্রিলের শুরুতেই উত্তরবঙ্গে আসবেন মোদি। শিলিগুড়িতে করতে পারেন রোড শো।

     

     

     

     

     

  • Tooth Decay in Indian Kids: দাঁতের সমস্যায় কাবু অধিকাংশ ভারতীয় শিশু! খাদ্যাভ্যাস নাকি সচেতনতার অভাব?

    Tooth Decay in Indian Kids: দাঁতের সমস্যায় কাবু অধিকাংশ ভারতীয় শিশু! খাদ্যাভ্যাস নাকি সচেতনতার অভাব?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দাঁতের সমস্যায় কাবু অধিকাংশ ভারতীয় শিশু। দাঁতের ক্ষয়, মাড়ি ফুলে যাওয়া কিংবা মুখের ভিতরে সংক্রমণে ভোগান্তি বাড়ছে ভারতীয় শিশুদের। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মুখের ভিতরের স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সচেতনতার অভাবের জেরেই এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ভারতীয় শিশুদের ওরাল হাইজিন সব সময় ঠিকমতো মেনে চলা হচ্ছে না। তাই দাঁত ও মুখের ভিতরের নানান রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

    কেন ভারতীয় শিশুদের দাঁতের সমস্যা বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় শিশুদের দাঁতের সমস্যা বাড়ার অন্যতম কারণ, খাদ্যাভ্যাস। অধিকাংশ ভারতীয় শিশুর প্রতিদিনের খাবারে প্রয়োজনের অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় উপাদান ব্যবহার করা হয়। বিশেষত ছয় বছরের কম বয়সি শিশুদের অনেকেই নিয়মিত মিষ্টি এবং ক্যান্ডি, চকলেট জাতীয় খাবার খায়। তাই তাদের দাঁতের সমস্যা দেখা যায়। মিষ্টি দাঁতের ক্ষয় বাড়িয়ে দেয়। তাই অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে দাঁত ক্ষয় হয়। দাঁত মজবুত হয় না। খাবারের পাশপাশি মুখের ভিতরের স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলার জেরেও দাঁতের সমস্যা দেখা যায়। নিয়মিত দুবার ব্রাশ করা উচিত। অধিকাংশ শিশুই নিয়মিত দুবার ব্রাশ করে না।‌ প্রত্যেকবার খাবার খাওয়ার পরে মুখ ও দাঁত ঠিকমতো পরিষ্কার করা জরুরি। অনেক সময়েই সেটা হয় না। তাই মুখের ভিতরে নানান সংক্রমণ দেখা যায়। ফলে, দাঁতের সমস্যাও তৈরি হয়। অতিরিক্ত চটজলদি খাবার খাওয়ার অভ্যাস দাঁতের সমস্যা তৈরি করছে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রক্রিয়াজাত চটজলদি খাবারে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়। তাছাড়া শরীরে ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য ভিটামিনের অভাব তৈরি করে। শরীরে খনিজ ও ভিটামিনের ঘাটতি হলে দাঁতের সমস্যা দেখা যায়।

    কোন ধরনের সমস্যা বেশি হচ্ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,‌ দাঁতের ভিতরে গর্ত হয়ে যাওয়া, কালো দাগ পড়ে যাওয়া আসলে দাঁতের ক্ষয় হয়ে যাওয়ার লক্ষণ। অধিকাংশ ভারতীয় শিশুর দাঁতের ক্ষয় রোগ হয়। ফলে দাঁতে যন্ত্রণা হয়। ভোগান্তি বাড়ে। তাছাড়া মুখের ভিতরে সংক্রমণের জেরে মারি ফুলে যাওয়া, লাল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা যায়। আবার দুধের দাঁত ঠিকমতো পড়া এবং ওঠা নিয়েও সমস্যা দেখা যাচ্ছে।

    কোন বয়সে দাঁতের সমস্যা বেশি হচ্ছে?

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ৬ থেকে ১২ বছর বয়সে দাঁতের সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তিন বছরের কম বয়সি শিশুদের অনেকের দাঁত ওঠা নিয়ে জটিলতা দেখা যায়। তবে ৬ থেকে ১২ বছর বয়সিদের দাঁতের ক্ষয় এবং মারির সংক্রমণের সমস্যা বাড়ছে। এই বয়সি ছেলেমেয়েদের মধ্যে প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। আবার মুখের ভিতরের স্বাস্থ্যবিধি ও অনেক সময় তারা মেনে চলে না।‌ ঠিকমতো ব্রাশ করা কিংবা মুখ ধোয়া ঠিকমতো হয় না।‌ ফলে সংক্রমণ আটকানো কঠিন হয়।

    কীভাবে সন্তানের দাঁত ও মাড়ির যত্ন নিতে হবে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, প্রথম থেকেই দাঁতের মজবুত গঠনে নজর দেওয়া জরুরি। শিশু খাবারে পর্যাপ্ত ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম থাকছে কিনা সেদিকে নজরদারি জরুরি। নিয়মিত দুধ, ডিম, পনির, লেবু, বেরি জাতীয় খাবার খাদ্য তালিকায় রাখা জরুরি। এই ধরনের খাবার থেকে শিশু সহজেই শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম সংগ্রহ করতে পারে। এতে দাঁত মজবুত হয়। দাঁতের ক্ষয় রোগের ঝুঁকি কমাতে চিনি খাওয়ার পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি। শিশুদের নিয়মিত চকলেট বা ক্যান্ডি দেওয়া উচিত নয়। তাহলে দাঁতের ক্ষয় রোগের ঝুঁকি বাড়বে। তাছাড়া, শিশুরা যাতে চটজলদি প্রক্রিয়াজাত খাবারে অভ্যস্ত হয়ে না পড়ে, সেদিকে নজরদারি জরুরি। মুখের ভিতরের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে দাঁত ও মাড়ির সমস্যা কমবে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 23 March 2026: ধর্মস্থানে যেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 23 March 2026: ধর্মস্থানে যেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সন্তানের ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) শরীরে কোথাও আঘাত লাগার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) প্রতিকূল দিন।

    বৃষ

    ১) ব্যবসা বা অন্য কোনও কাজে বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কর্কট

    ১) উচ্চশিক্ষার্থীদের সামনে ভালো যোগ রয়েছে।

    ২) সপরিবার ভ্রমণে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    সিংহ

    ১) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

    ২) কোনও অসৎ লোকের জন্য আপনার বদনাম হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বৃদ্ধি বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে খুব বেশি।

    তুলা

    ১) অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর পেতে পারেন।

    ২) কাউকে টাকা ধার দিলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না কারও সঙ্গে।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথাবার্তা বলুন।

    ধনু

    ১) আপনার ব্যবহারের কারণে বাড়িতে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় কর্মচারীদের নিয়ে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) কোনও উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হওয়ায় উপকার পাবেন।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

    ২) শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের কাছে সুনাম অর্জন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • PM Balendra Shah: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, রামনবমীতে জনকপুরেই শপথ গ্রহণ

    PM Balendra Shah: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, রামনবমীতে জনকপুরেই শপথ গ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র তথা জনপ্রিয় নেতা বালেন্দ্র শাহ পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী (PM Balendra Shah) হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। সূত্রের খবর, শপথ গ্রহণের জন্য রামনবমীর (Ram Navami) দিন ২৬ মার্চকেই বেছে নিয়েছেন তিনি।

    রামনবমীর দিন শপথ কেন(PM Balendra Shah)?

    নেপালের ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (RSP)-র নিরঙ্কুশ জয়ের পর ৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ এখন প্রধানমন্ত্রীর (PM Balendra Shah) পদে শপথ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। তাঁর এই শপথ গ্রহণের সময় এবং স্থান নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।  বালেন্দ্র তাঁর শপথ গ্রহণের জন্য ‘রামনবমী’র (Ram Navami) দিনটিকে বেছে নিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি ধর্মীয় তিথি নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বার্তা। সাংস্কৃতিক সংযোগের মাধ্যমে তিনি নেপালের সনাতন হিন্দু ঐতিহ্য এবং ভারতের সঙ্গে থাকা সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন। নতুন দায়িত্বের শুরু অর্থাৎ রামনবমীকে মন্দের বিনাশ এবং সুশাসনের রামরাজ্য প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। বালেন্দ্র সম্ভবত নেপালের পুরনো দুর্নীতিগ্রস্ত বাম রাজনৈতিক ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে একটি নতুন স্বচ্ছ যুগের সূচনা করতে চাইছেন।

    জনকপুর থেকে ‘মধেসি’ কার্ড

    বালেন্দ্র তাঁর নির্বাচনী প্রচারের মূল কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন জনকপুরকে। এটি মা জানকীর (সীতা) জন্মভূমি হিসেবে পরিচিত। তিনি নিজেকে মধেশের সন্তান (Son of Madhesh) হিসেবে তুলে ধরেছেন। নেপালের ইতিহাসে তিনি হতে চলেছেন প্রথম মধেশি বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী (PM Balendra Shah)। জনকপুর থেকে প্রচার শুরু করার মাধ্যমে তিনি নেপালের তরাই বা মধেসি অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    রাজনৈতিক সংকেত

    এই ঘটনাগুলি নেপালের রাজনীতিতে কয়েকটি বড় পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। পোড়খাওয়া নেতা কেপি শর্মা ওলির মতো আধিপত্যবাদকে ভেঙে দিয়ে জেন-জি (Gen Z) এবং তরুণ প্রজন্মের উত্থান হয়েছে। এতদিন নেপালের রাজনীতি মূলত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। বালেন্দ্রের (PM Balendra Shah) উত্থান মধেসি এবং মধেশে-পাহাড়ি মিশ্র সংস্কৃতির মেলবন্ধনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    বিদেশনীতিতে জোর

    প্রচারের ভাষা এবং শপথের দিন নির্বাচন দেখে মনে করা হচ্ছে, বালেন্দ্রের শাসন কালে ভারতের সঙ্গে নেপালের সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হতে পারে, যা বিগত কয়েক বছরে কিছুটা শীতল ছিল। বালেন্দ্রর (PM Balendra Shah) এই শপথ গ্রহণ নেপালের জন্য কেবল একজন নতুন প্রধানমন্ত্রী পাওয়া নয়, বরং একটি নতুন রাজনৈতিক দর্শনের জন্ম দেওয়া—যেখানে ঐতিহ্য এবং আধুনিকতা একসঙ্গে হাত মিলিয়ে চলবে।

  • Ghar Wapsi: ওড়িশার কালাহান্ডিতে ‘ঘর ওয়াপসি’, ১৩৬ জন আদিবাসী সদস্যের প্রত্যাবর্তন সনাতন ধর্মে

    Ghar Wapsi: ওড়িশার কালাহান্ডিতে ‘ঘর ওয়াপসি’, ১৩৬ জন আদিবাসী সদস্যের প্রত্যাবর্তন সনাতন ধর্মে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার কালাহান্ডি (Kalahandi-Odisha) জেলার একটি প্রত্যন্ত আদিবাসী গ্রাম ভিরিমুহানা আমপানিতে ২২ মার্চ, ২০২৬ তারিখে এক বিশেষ ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে ১৩৬ জন ব্যক্তি, যাঁরা অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন, তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের পূর্বপুরুষের সনাতন ধর্মে ফিরে (Ghar Wapsi) এলেন।

    ধর্ম জাগরণ সমন্বয় বিভাগ উদ্যোগী (Ghar Wapsi)

    অনুষ্ঠানের মূল দিকগুলি বেশ উৎসাহজনক। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল হিন্দু সংগঠন। এই কর্মসূচিটি ‘ধর্ম জাগরণ সমন্বয় বিভাগে’র  তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়েছে। এখানে হিন্দু আচার-অনুষ্ঠান এবং বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতির মাধ্যমে এই প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। আগত ব্যক্তিদের পা ধুইয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও স্বাগত জানানো হয়। এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ধর্মগুরু এবং স্থানীয় নেতৃত্ব। ‘ঘর ওয়াপসি’-র (Kalahandi-Odisha) সর্বভারতীয় প্রধান প্রবল প্রতাপ সিং জুদেব এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি নিজেই অংশগ্রহণকারীদের পা ধুইয়ে দেওয়ার আচারটি পালন করেন এবং তাঁদের সনাতন ধর্মে ফেরার প্রক্রিয়াকে সহজতর করেন। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ছিলেন স্বামী জনকানন্দ গিরি, গুরুকুল আশ্রম আমসেনার কুঞ্জদেও ঋষি, ধর্ম জাগরণের আঞ্চলিক প্রধান বিনয় কুমার ভুইঁয়া এবং ওড়িশা রাজ্য প্রধান বীর বিক্রম আচার্য-সহ অনেক ধর্মীয় নেতা ও সংগঠক।

    শেকড়ে ফিরে যাওয়ার একটি বড় পদক্ষেপ

    এই অনুষ্ঠানটিকে ওই অঞ্চলের আদিবাসী সম্প্রদায়ের (Kalahandi-Odisha) মধ্যে তাঁদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় শেকড়ে ফিরে (Ghar Wapsi) আসার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আয়োজকদের মতে, এটি কেবল ধর্ম পরিবর্তন নয়, বরং নিজেদের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ও পরিচয়ের সঙ্গে পুনরায় যুক্ত হওয়া। ধর্মীয় প্রলোভন এবং আর্থিক সুবিধার নামে খ্রিষ্টান মিশনারি এবং ইসলামী একাধিক জেহাদি সংগঠন অনেক দিন ধরেই দেশের নানা প্রান্তে ধর্মান্তকরণের কাজ করছে। কখনও লাভ জেহাদ, কখনও ল্যান্ড জেহাদের নামে আবার কখনও দারিদ্রতাকে ঢাল করে আর্থিকভাবে লাভবান করার মতো লোভ দেখিয়ে সহজ সরল মানুষকে নিজেদের সংস্কৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। এবার এই সব সংগঠনের বিরুদ্ধে হিন্দু সংগঠনগুলি এককভাবে কাজ করছে।

  • Delhi Police: চুক্তির শর্ত না মানায় হাইকোর্টের নির্দেশে ইউএনআই সংবাদ মাধ্যমের অফিস সিল করল পুলিশ

    Delhi Police: চুক্তির শর্ত না মানায় হাইকোর্টের নির্দেশে ইউএনআই সংবাদ মাধ্যমের অফিস সিল করল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi Police) নির্দেশ এবং তার প্রেক্ষিতে সংবাদ সংস্থা ইউএনআই (United News of India)-এর অফিস সিল করে দেওয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাটি নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক চর্চা চলছে। ৪৫০ কোটি টাকা মূল্যের এই পাবলিক প্রপার্টি বা সরকারি জমি দীর্ঘ সময় ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকায় এবং চুক্তির শর্ত না মানায় আদালত জমিটি সরকারের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ভারতের অন্যতম প্রাচীন এই সংবাদ সংস্থা ইউএনআইয়ের কার্যালয়ে পুলিশি অভিযানের পর রাজধানীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার, ২০ মার্চ সন্ধ্যায়, দিল্লি পুলিশের কর্তারা আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে আদালতের নির্দেশে রফি মার্গে ইউএনআইয়ের কার্যালয়ে পৌঁছন, চালান উচ্ছেদ অভিযান। এরপর থেকেই শুরু হয় ব্যাপক বিতর্ক। তবে পুলিশের এই অভিযানে বামপন্থীরা ক্ষুব্ধ। তাঁদের দাবি, ঘটনাটি সংবাদ মধ্যেমের ওপর আক্রমণ।

    হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী সিল (Delhi Police)

    দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ শচীন শর্মা বলেন, “পুলিশ শুধুমাত্র সরকারি কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করার জন্যই সেখানে উপস্থিত ছিল। হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী, আমরা এলঅ্যান্ডডিও আধিকারিকদের নিরাপত্তা দিতে সেখানে ছিলাম। ইউএনআইয়ের (United News of India) সকল কর্মীকে চত্বরটি খালি করে দিতে বলেছিলাম।” তবে জমি বরাদ্দ বাতিলের বিরুদ্ধে ইউএনআইয়ের করা আবেদন দিল্লি হাইকোর্ট খারিজ করে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর পরপরই প্রশাসন সম্পত্তিটি সিল করে দেয়।

    কেন সিল করা হল অফিস?

    ইউএনআইয়ের অফিসটি দিল্লি পুলিশ এবং ভূমি ও উন্নয়ন দফতর সিল করে দিয়েছে। এর প্রধান কারণগুলি হল, জমি বরাদ্দের শর্ত লঙ্ঘন। ১৯৭৯ সালে এই জমিটি ইউএনআই (Delhi Police)-কে দেওয়া হয়েছিল একটি বহুতল অফিস কমপ্লেক্স তৈরি করার জন্য। কিন্তু দীর্ঘ ৪৫ বছর পেরিয়ে গেলেও, সংস্থাটি সেখানে কোনও স্থায়ী নির্মাণ কাজ করেনি।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি শচীন দত্তের পর্যবেক্ষণ, মূল্যবান সরকারি জমি এভাবে দশকের পর দশক ধরে ‘বন্দি’ করে রাখা হয়েছে। আদালত একে বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হিসেবে বর্ণনা করছে।

    ভাড়া বা বাণিজ্যিক ব্যবহার

    অভিযোগ, যে উদ্দেশ্যে জমি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ না করে সংস্থাটি জায়গাটি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে (যেমন, ক্যান্টিন) ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল।

    পুলিশি অ্যাকশন ও বিতর্ক

    আদালতের নির্দেশের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) এবং আধাসামরিক বাহিনী অফিসটি খালি করতে শুরু করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সংস্থাটি (Delhi Police) এবং কিছু বাম-লিবারেল বুদ্ধিজীবী মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

    ৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেনি

    বিগত বছরগুলোতে ১৯৮৬, ১৯৯৯ এবং ২০০০ সালে একাধিক সংশোধিত বরাদ্দপত্র জারি করা হয়েছিল, এবং প্রতিবারই ভবনটি নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কাজে সামান্যই অগ্রগতি হয়েছিল বা একেবারেই হয়নি। এমনকি ২০১২ সালে নির্মাণের অনুমোদন পাওয়ার পরেও প্রকল্পটি স্থবির হয়ে গিয়েছিল।

    ২০২৩ সাল নাগাদ, কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করার পর অসন্তোষজনক জবাব পেয়ে, এলএন্ডডিও ইজারার শর্ত লঙ্ঘনের কারণ দেখিয়ে বরাদ্দটি বাতিল করে দেয়। ইউএনআই (United News of India) এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করে, কিন্তু তাদের আবেদনটি শেষ পর্যন্ত খারিজ হয়ে যায়। হাইকোর্ট আরও উল্লেখ করেছে যে, “৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্রমাগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতাকে” কেবল এই কারণে ক্ষমা করা যায় না যে সংস্থাটি এখন পদক্ষেপ করতে ইচ্ছুক।

    সংবাদ সংস্থাটির অভিযোগ

    সংবাদ সংস্থাটির দাবি, কর্মীদের আগাম কোনও নোটিশ না দিয়েই জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। মহিলা সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং কর্মীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে। তারা একে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ বলে অভিহিত করেছে। পুলিশ (Delhi Police) অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের মতে, আদালতের নির্দেশ পালন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং তারা কেবল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    বাম-লিবারেল প্রতিক্রিয়া

    সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন মহলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক (United News of India) তৈরি হয়েছে তাকেই ‘মেল্টডাউন’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বাম সমালোচকদের মতে, একটি ঐতিহাসিক সংবাদ সংস্থাকে এভাবে উচ্ছেদ করা গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত। অন্যদিকে, সরকার এবং আদালতের পক্ষের মানুষের দাবি, আইনের শাসন সবার জন্য সমান। চার দশক ধরে শর্ত লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া অনিবার্য।

  • Bangladesh: হিন্দুর ২৬ লাখ একর জমি বেদখল, ১২ লাখ পরিবারের ৩৫০,৪১২ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি, রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Bangladesh: হিন্দুর ২৬ লাখ একর জমি বেদখল, ১২ লাখ পরিবারের ৩৫০,৪১২ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি, রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh) গণতন্ত্র, মুক্তি ও স্থিতিস্থাপকতা নিয়ে গর্ব করে। অথচ দশকের পর দশক ধরে একটি বড় অবিচার প্রায় অনুচ্চারিতই থেকে গিয়েছে। হিন্দু সংখ্যালঘুদের পরিকল্পিতভাবে ভূমিহীন (Hindu crisis) করে দেওয়া হয়েছে। ১৯৬৫ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে হিন্দুরা ২৬ লাখ একর জমি খুইয়েছে—যা কয়েকটি ছোট দেশের চেয়েও বড়—এবং এক কোটিরও বেশি মানুষ দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। ১২ লাখ পরিবারের ওপর এর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৩৫০,৪১২ কোটি টাকা।

    ২৬ লাখ একর জমি হারিয়েছেন হিন্দুরা (Bangladesh)

    সংবাদ মাধ্যমের করা সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, পদ্মাপারের এই দেশে এই ব্যাপক ভূমি দখলের পেছনে রয়েছে পাঁচ লাখ প্রভাবশালী (Hindu crisis) ব্যক্তি। এরা রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত। মোট জমির মধ্যে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িতরা ১৭,৪৯,৫০০ একর, আওয়ামী লিগের সঙ্গে যুক্তরা ৩,৬১,৪০০ একর এবং জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠনগুলি ২,২৬,২০০ একর জমি দখল করেছে। জাতীয় পার্টির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ১,৮২,০০০ একর, মুসলিম লিগ ১,৮২০ একর এবং ছোট দলগুলির সঙ্গে যুক্ত অন্যরা ১০,৪০০ একর জমি লুট করেছে। ওই রিপোর্টেই জানা গিয়েছে, হিন্দুরা ১৯৬৫ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে ২৬ লাখ একর জমি হারিয়েছেন। বাংলাদেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের (Bangladesh) ওপর দশকের পর দশক ধরে চলা পদ্ধতিগত ভূমি দখল এবং তাঁদের দেশত্যাগে বাধ্য করার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। এর প্রধান দিকগুলি হল-

    বিপুল পরিমাণ ভূমি দখল ও আর্থিক ক্ষতি

    বাংলাদেশে (Bangladesh) ভূমি দখলের এই সংস্কৃতিতে প্রায় সব বড় রাজনৈতিক দলেরই সায় রয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার বঞ্চনার (Hindu crisis) শেকড় দেশটির রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গভীরভাবে প্রোথিত। কোনও প্রধান দলের হাতই পরিষ্কার নয়। সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র সাত লাখ একর জমিকে স্বত্বাধিকারী সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। যার ফলে বাজেয়াপ্ত করা জমির সিংহভাগই রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী দখলদারদের হাতে রয়ে গিয়েছে। এটি কেবল একটি আমলাতান্ত্রিক ত্রুটি (Hindu crisis) নয়—এটি একটি নৈতিক ব্যর্থতা। জমি শুধু সম্পত্তি নয়, এটি পরিচয়, ঐতিহ্য এবং নিরাপত্তাও। পরিকল্পিত চুরির অনুমতি দেওয়া মানে নাগরিকদের তাঁদের সবচেয়ে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা।

    ন্যায়বিচারের অভাব

    বর্তমানে সরকার (Bangladesh) মাত্র ৭ লাখ একর জমিকে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা মোট বেদখল হয়ে যাওয়া জমির একটি সামান্য অংশ মাত্র। তবে ভূমি কেবল সম্পত্তি নয়, এটি একজন মানুষের পরিচয় এবং নিরাপত্তার অংশ। পদ্ধতিগতভাবে এই জমি কেড়ে নেওয়া মানে হল নাগরিকদের মৌলিক অধিকার অস্বীকার করা।

    প্রস্তাবিত সমাধান

    বাংলাদশের (Bangladesh) হিন্দুদের এই সমস্যার সামধান কীভাবে সম্ভব এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ওই সংবাদ মাধ্যমের সমাজতাত্ত্বিক গবেষণায় বলা হয়েছে, একটি ‘ভেস্টেড প্রপার্টি ব্যাঙ্ক’ বা স্বচ্ছ তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা যাতে দখল হওয়া জমির সঠিক হিসেব রাখা যায়। অবৈধভাবে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিক বা ভূমিহীন হিন্দু পরিবারগুলিকে ফিরিয়ে দেওয়া। সরকারকে রাজনৈতিক সাহসিকতা দেখিয়ে এই ঐতিহাসিক অন্যায়ের বিচার করতে হবে। বাংলাদেশ যখন বৈষম্যের (Hindu crisis) বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, তখন সংখ্যালঘুদের ওপর এই দীর্ঘস্থায়ী অবিচারকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সমাধান করার কথা ভাবা হয়নি। আদর্শকে অসম্পূর্ণ করে রেখেছে বাংলাদেশের দেশের সরকার। যতক্ষণ পর্যন্ত না অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে এবং সমানাধিকার নিশ্চিত হবে, ততক্ষণ এই নৈতিক সঙ্কট থেকে উদ্ধার পাওয়া যাবে না।

  • West Bengal Elections 2026: লক্ষ্য হিংসামুক্ত-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, রাজ্যে আসছে আরও ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    West Bengal Elections 2026: লক্ষ্য হিংসামুক্ত-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, রাজ্যে আসছে আরও ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে বড়সড় পদক্ষেপ করছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে অতিরিক্ত আরও ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Armed Police Forces) মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যে নিরাপত্তার এমন ব্যাপক প্রস্তুতি নজিরবিহীন।

    কত কত বাহিনী আসবে (West Bengal Elections 2026)?

    নিরাপত্তা প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে কমিশন এবার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। হিংসামুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) করতে কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ ও লক্ষ্য রয়েছে। ইতিমধ্যেই মার্চে রাজ্যে মোতায়েন হয়ে গিয়েছে ৪২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আরও অতিরিক্ত ১৯২০ কোম্পানি বাহিনী পাঁচটি ধাপে আসবে রাজ্যে। প্রথম দফায় ৩১ মার্চ রাজ্যে আসছে মোট ৩০০ কোম্পানি। এর মধ্যে সিআরপিএফ ১২৫ কোম্পানি, বিএসএফ ১০০ কোম্পানি, সিআইএসএফ ২৫ কোম্পানি। আইটিবিপি এবং এসএসবি ২৫ কোম্পানি করে। দ্বিতীয় দফায় ৭ এপ্রিল রাজ্যে আসছে আরও ৩০০ কোম্পানি বাহিনী। এর মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর এবং ত্রিপুরা থেকে কিছু বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। তৃতীয় ধাপে ১০ এপ্রিল আসবে আরও ৩০০ কোম্পানি। এই ধাপে জম্মু-কাশ্মীরের পাশাপাশি মণিপুর থেকেও আসছে বাহিনী । চতুর্থ ধাপে ১৩ এপ্রিল ২৭৭ কোম্পানি বাহিনী আসবে। অসম, হরিয়ানা ও উত্তরাখণ্ড থেকে আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানরা বাংলায় আসবেন। পঞ্চম ধাপে ১৭ এপ্রিল আসবে সর্বোচ্চ ৭৪৩ কোম্পানি বাহিনী। অসম থেকে আসবে ৪৪৩ কোম্পানি সিএপিএফ। কেরল, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, ত্রিপুরা, অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, সিকিম, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, চণ্ডীগড়, পাঞ্জাব এবং রাজস্থান-সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে মোট ৩০০ কোম্পানি বাহিনী (Central Armed Police Forces) আসবে।

    কীভাবে নির্বাচনে কাজ করবে বাহিনী?

    বাহিনীর প্রত্যেক দিনের কাজের বিবরণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দফতরে রিপোর্ট আকারে পাঠাতে হবে। বিধানসভা ভোটের (West Bengal Elections 2026) কথা মাথায় রেখে কমিশন পশ্চিমবঙ্গে সিআরপিএফের সেক্টরের আইজি শলভ মাথুরকে বাহিনী মোতায়েনের জন্য ‘স্টেট ফোর্স কোঅর্ডিনেটর’ হিসেবে নিযুক্ত করেছে। প্রতিটি কোম্পানিতে (Central Armed Police Forces) অন্তত ৭২ জন করে জওয়ান থাকবেন। ৯টি সেকশনের মধ্যে ৮টি পোলিং স্টেশনে ব্যবহার করা হবে এবং ১টি সেকশন কুইক রেসপন্স টিম হিসেব কাজ করবে ৷ ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর বাহিনীর একটি বড় অংশ রাজ্য থেকে চলে যাবে। তবে ২০০ কোম্পানিকে রাজ্যে রাখা হবে যারা ইভিএম, স্ট্রং রুম এবং কাউন্টিং সেন্টারের নিরাপত্তা দেবে। ভোটের পর গণনা পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ৫০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে রাজ্যে। বাকি কোম্পানি ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরেই ফিরে যাবে।

    শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ

    ভোটাররা যাতে ভয়ভীতি বা চাপের ঊর্ধ্বে উঠে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই বাহিনীর মূল লক্ষ্য। নিজের ভোট নিজে দেওয়া এবং প্রার্থী চয়নে কোনও চাপের মুখে না পড়াই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ।

    স্পর্শকাতর বুথে নজরদারি

    রাজ্যের যে সব এলাকা বা বুথকে ‘স্পর্শকাতর’ চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানে আগেভাগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে এরিয়া ডোমিনেশন (Area Domination) বা রুট মার্চ শুরু করা হবে। ২০২১ সালের নির্বাচনের পর ভোটে মনোনয়ন থেকে ফল ঘোষণা পর্যন্ত ব্যাপকভাবে হিংসার শিকার হয়েছেন রাজ্যবাসী। তাই কমিশন নিরাপত্তা নিয়ে ভীষণ তৎপর।

    আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা

    ভোটের দিন তো বটেই, নির্বাচনের আগের ও পরের দিনগুলিতেও যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তাই এই বিশাল বাহিনীকে (Central Armed Police Forces) কৌশলগতভাবে ব্যবহার করা হবে।

    বাহিনী মোতায়েনের পরিসংখ্যান এক নজরে

    বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের এই সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। একদিকে বিরোধী দলগুলি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলছে যে, এতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বাড়বে। শাসক শিবিরের বক্তব্য, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখা প্রয়োজন ছিল। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

    ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) ঘিরে বাংলার রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগমন এই ইঙ্গিতই দিচ্ছে যে, নির্বাচন কমিশন এবার কোনও প্রকার আপোশ করবে না। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই বাহিনী (Central Armed Police Forces) ধাপে ধাপে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাবে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে।

LinkedIn
Share