Tag: Madhyom

Madhyom

  • Jimmy Carter: প্রয়াত প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার, মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ১০০ বছর

    Jimmy Carter: প্রয়াত প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার, মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ১০০ বছর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্রয়াত হলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার (Jimmy Carter)। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (US president) ৩৯তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮১ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন জিমি। চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই নিজের শততম জন্মদিন পালন করেছিলেন জিমি কার্টার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তিনি জর্জিয়া প্রদেশের গভর্নর ছিলেন বলে জানা যায়। তার আগে জর্জিয়া স্টেট সেনেটেরও সদস্য ছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত, গত প্রায় সাড়ে চার দশকে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা জারি রেখেছিলেন। এই কারণে গত ২০০২ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারও পেয়েছিলেন।

    জিমি কার্টারের (Jimmy Carter) ছেলের বিবৃতি

    ১৯৪৬ সালে রোজালিন স্মিথের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল জিমি কার্টারের। ২০২৩ সালের নভেম্বরেই তাঁর স্ত্রী প্রয়াত হন। আর তার ১১ মাসের মধ্যেই প্রয়াত হলেন জিমি। এক বিবৃতিতে জিমি কার্টারের ছেলে চিপ কার্টার বলেন, ‘‘আমার বাবা একজন নায়ক ছিলেন। শুধু আমার কাছেই নন, যাঁরা শান্তি, মানবাধিকার এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় বিশ্বাস করেন, এমন সবার কাছেই তিনি নায়ক ছিলেন।’’ প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ইজরায়েল এবং মিশরের মধ্যকার যুদ্ধ থামাতে পেরেছিলেন কার্টার।

    কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন

    এদিকে জিমি কার্টারের (Jimmy Carter) প্রয়াণে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সহ বহু নেতাই শোক জ্ঞাপন করেছেন। জিমি কার্টারের স্বাক্ষরিত তাঁদের একটি ছবি পোস্ট করে বাইডেন লেখেন, ‘‘৬ দশক ধরে জিমি কার্টারকে বন্ধু বলে ডাকার সৌভাগ্য পেয়েছি জিল এবং আমি। তবে জিমির সবথেকে বড় কৃতিত্ব ছিল, আমেরিকা এবং গোটা বিশ্বে এমন কয়েক লাখ লোক হবে, যাঁরা কখনও জিমির সঙ্গে দেখা করেননি, তাও তাঁরা মনে করতেন জিমি তাঁদের বন্ধু।’’ প্রসঙ্গত, জিমি এক মেয়াদেই প্রেসিডেন্ট থাকতে পেরেছিলেন। প্রেসিডেন্ট পদ খোয়ানোর পরও বিশ্ব রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব ছিল যথেষ্ঠ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 30 December 2024: অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ করবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 30 December 2024: অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ করবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) কর্মস্থানে বন্ধুদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য মানসিক চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথাবেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণাবোধ হতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ থেকে সংযত থাকুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) রক্তহীনতা বাড়তে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis15: অশান্ত বাংলাদেশে মৌলবাদীদের অত্যাচার থেকে বাদ যায়নি তৃতীয় লিঙ্গরা! বেড়েছে বন্দিমৃত্যুও

    Bangladesh Crisis15: অশান্ত বাংলাদেশে মৌলবাদীদের অত্যাচার থেকে বাদ যায়নি তৃতীয় লিঙ্গরা! বেড়েছে বন্দিমৃত্যুও

    অনেকেই বলছেন, হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। বেছে বেছে যেমন মন্দির এবং ধর্মস্থানে অবাধে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়িতে, একই সঙ্গে মারাত্মক বেড়ে গিয়েছে গণপিটুনি এবং খুন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু অথবা বিরোধী রাজনৈতিক কণ্ঠ। সারা বিশ্ব দেখছে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের স্বরূপ। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস গ্রেফতার হওয়ার পর গোটা বিশ্ব স্তম্ভিত। আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদের কী করুণ পরিণতি হয়েছে, তাও কারও অজানা নয়। প্রথম খণ্ডে আমরা ১২টি পর্বে তুলে ধরেছিলাম নানা অত্যাচারের কাহিনি। এবার সেসব নিয়েই আমাদের দ্বিতীয় খণ্ডের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ তৃতীয় পর্ব।

     

     আতঙ্কের বাংলাদেশে জঙ্গলের রাজত্ব -৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis15) হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই শুরু হয় অরাজকতা। ইউনূসের অনাচারের রাজত্বে বাংলাদেশে বেড়েই চলে অত্যাচার। মহিলাদের ধর্ষণ-গণধর্ষণ তো রুটিন হয়ে দাঁড়ায়। এর পাশাপাশি বাদ যায়নি (Targeting Minority) তৃতীয় লিঙ্গের ওপরেও অত্যাচারের ঘটনা। একাধিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানকার তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজন বিক্ষোভে নামেন নিরাপত্তার দাবিতে। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজনের এই বিক্ষোভগুলির খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন আকারেও প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের দিনাজপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল, কক্সবাজার প্রভৃতি এলাকাতে চলে এই নির্যাতন। এর পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজনকে খুন করার খবরও সামনে আসে। তাঁদেরকে নানাভাবে হেনস্তা করতে থাকে মৌলবাদীরা। তাঁদের সম্পত্তি লুট করা, ভাঙচুর করার খবরও প্রকাশিত (Bangladesh Crisis15) হয়। শুধু তাই নয়, সেখানকার মৌলবাদীরা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজনকে কোনও রকম অধিকার দেওয়ার বিপক্ষেই সরব হয়েছেন বারবার। মৌলবাদীদের দাবি ছিল, শিক্ষা থেকে চাকরি-কোথাও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের সংরক্ষণ দেওয়া চলবে না।

    বেড়েছে বন্দিমৃত্যুর সংখ্যা

    একই সঙ্গে হাসিনা সরকারের (Bangladesh Crisis15) পতনের পর থেকেই পুলিশ ও জেল হেফাজতে একের পর এক বন্দির মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসতে থাকে। ইউনূস সরকারের এমন অরাজকতায় প্রশ্নের মুখে পড়ে মানবাধিকার। বারবার আন্তর্জাতিক স্তরেও সমালোচিত হতে হয় ইউনূস সরকারকে। তবে তাতে কি! বন্দিমৃত্যুর তদন্ত তো দূরের কথা, সামান্য বিবৃতি পর্যন্তও দেয়নি ইউনূস সরকার। হাসিনা সরকারের পতনের ঠিক পর পরেই দুইজন জেলবন্দির মৃত্যু হয়। একজন এলাহি সিকদার এবং অপরজন আলিজ্জামান চৌধুরী। দুজনেই বন্দি ছিলেন গোপালগঞ্জের জেলা সংশোধনাগারে।

    বন্দিমৃত্যুর একাধিক ঘটনা

    প্রসঙ্গত এই বন্দিদের (Bangladesh Crisis15) বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তাঁরা বাংলাদেশের সেনার ওপরে হামলা করেছেন এবং অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়েছিলেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের কারাগারের এক বন্দি গত ২৭ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে মারা যান। অন্যদিকে, সেখানেই দুইজন বন্দিকে যখন বাংলাদেশের পুলিশ পাকড়াও করে, তখনই তাঁদের ওপর এতটাই নির্যাতন করা হয় যে তাঁরা মারা যান। অন্যদিকে, সম্প্রতি জেল হেফাজতে আরও দুই বন্দির মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। একজন হলেন সোহরাব হোসেন আপেল, অন্যজন হলেন শফিকুল ইসলাম। অন্যদিকে বাংলাদেশের আর এক বন্দি শেখ আরিফুজ্জামান রুপমকে বাংলাদেশের পুলিশ গ্রেফতার করার সময়ই মৌলবাদীরা গণপিটুনি দিতে শুরু করে। এই ধরনের একাধিক ঘটনা বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলি তুলে ধরতে থাকে। সে দেশের বেশ কিছু সাহসী সংবাদমাধ্যম এগুলি এ নিয়ে খবরও করতে থাকে। আন্তর্জাতিক স্তরেও চর্চা শুরু হয় বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে।

    সেনাকে বিশেষ ক্ষমতা

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পরেই ইউনূস সরকার সে দেশের সেনাকে স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেশন ক্ষমতা প্রদান করে। সরকারের এমন পদক্ষেপ কড়াভাবে সমালোচিত হয় বাংলাদেশের সর্বত্র। নানা ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের খবর সামনে আসে। যেমন চট্টগ্রামের সেনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, ইসকন ভক্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা চালানোর। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সেনাকে স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেশনের ক্ষমতা প্রদানের ধারণা ইউনূসের নিজের নয়। ২০০১ সালে বাংলাদেশের ক্ষমতায় ছিল বিএনপি এবং জামাতের নেতৃত্বাধীন জোট। তখনই তারা দাবি জানাত, এই স্পেশাল মিলিটারি ম্যাজিস্ট্রেশন পাওয়ারের। কিন্তু যখনই সেনার ক্ষমতা বৃদ্ধির এমন প্রস্তাব বিএনপি দিত, তখনই তার প্রতিবাদ করত আওয়ামি লিগ। কিন্তু বর্তমান বাংলাদেশে ক্ষমতায় রয়েছে বিএনপি-জামাতের বন্ধু ইউনূস সরকার। ইউনূসের প্রাণভোমরা রয়েছে খালেদা জিয়ার দলের কাছেই। মৌলবাদী সংগঠনগুলিকে (Targeting Minority) খুশি করতে তাই তাদের মতোই চলতে হচ্ছে ইউনূসকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhatrapati Shivaji: চিন সীমান্তে ১৪ হাজার ৩০০ ফুট উচ্চতায় ছত্রপতি শিবাজির মূর্তি! কড়া বার্তা ভারতের

    Chhatrapati Shivaji: চিন সীমান্তে ১৪ হাজার ৩০০ ফুট উচ্চতায় ছত্রপতি শিবাজির মূর্তি! কড়া বার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন সীমান্তের কাছে প্যাংগং হ্রদের তীরে ভারতীয় সেনা ১৪ হাজার ৩০০ ফুট উঁচুতে মারাঠা যোদ্ধা ছত্রপতি শিবাজির (Chhatrapati Shivaji) মূর্তি স্থাপন করেছে। ভারত-চিন সীমান্তে ভারতীয় শৌর্য-বীর্যের প্রতীক শিবাজির এই মূর্তিটি প্রাচীন কৌশলগত বুদ্ধিমত্তারও পরিচয়বাহী। সেনাবাহিনীর (Indian Army) লে-এর ১৪ কর্পস জানিয়েছে, “এই মূর্তি প্রতিস্থাপনার মধ্যে ভারতীয় শাসনের ‘অটল চেতনা’-র প্রতিফলন দেখানো হয়েছে।”

    বীরত্ব, দূরদৃষ্টি এবং অটল ন্যায়বিচারের প্রতীক (Chhatrapati Shivaji)

    লাদাখের লে অঞ্চলের প্রকৃত সীমান্ত রেখা বরাবর ১৪ কোরের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং লেফটেন্যান্ট জেনারেল (Indian Army) হিতেশ ভাল্লা মূর্তিতি উন্মোচন করেছেন। সামাজিক মাধ্যম এক্স হ্যান্ডলে তিনি জানিয়েছেন, “এই মূর্তিটি (Chhatrapati Shivaji) আদতে বীরত্ব, দূরদৃষ্টি এবং অটল ন্যায়বিচারের সুউচ্চ প্রতীক। ভারতীয় শাসকের দৃঢ়তা এবং জনকল্যাণের প্রতীক। আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দান করবে এই মূর্তি। প্রাচীন ভারতের ভাস্কর্য, বুদ্ধিমত্তা এবং প্রকৌশলকে বহন করবে এই ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের মূর্তি।”

    আরও পড়ুনঃ “তামিল বিশ্বের প্রাচীনতম ভাষা”, ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    সীমান্তে ভারতীয় সেনা সর্বদা অটল

    উল্লেখ্য প্রায় সাড়ে চার বছরের বেশি সময়ের ভারত-চিন সীমান্তে উভয় রাষ্ট্রে এক অস্থিরতা চলছিল। প্যাংগং হ্রদে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সীমান্তের সীমার অধিকার নিয়ে দুই দেশের সেনা কর্মীদের (Indian Army) মধ্যে সংঘর্ষে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। ২০২০ সালের ৫ মে গালওয়ান উপত্যকায় ২০ জন ভারতীয় সেনা নিজের মাতৃভূমি রক্ষার জন্য বীরগতি প্রাপ্ত হয়েছিলেন। পাল্টা প্রত্যাঘাতে ঠিক কতজন চিনা সৈনিক প্রাণ হারিয়েছিলেন তা কমিউনিস্ট চিন সরকার প্রকাশ্যে আনেনি। যদিও পরে একাধিক সংস্থা সূত্রে জান গিয়েছিলে ৪০ জনের বেশি চিনা সৈনিকের এই সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের ২১ শে অক্টোবর ভারত-চিনের সম্পর্কে একটি সমঝোতা হয়। তাতে দীর্ঘ সময়ের অচলাবস্থার কিছুটা পরিবর্তন হয়। এই বছর দীপাবলির সময় উভয় দেশের সেনা-কর্মীদের মধ্যে কুশল বিনিময় হয়। তবে নিরাপত্তা বিশেজ্ঞরা মনে করছেন এবার এই শিবাজি (Chhatrapati Shivaji) মূর্তি স্থাপন করে চিনকে পরোক্ষভাবে ভারত জানান দেয় যে ভারত সীমান্তের সীমা নিয়ে আগের অবস্থান থাকে এক পাও পিছনে সরে যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mann ki Baat: “তামিল বিশ্বের প্রাচীনতম ভাষা”, ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    Mann ki Baat: “তামিল বিশ্বের প্রাচীনতম ভাষা”, ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তামিলকে বিশ্বের প্রাচীনতম ভাষা বলে প্রশংসা করেছেন। এই ভাষা শেখার জন্য বিশ্ববাসীকে অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি ফিজিতে তামিল ভাষায় শিক্ষাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। একই ভাবে প্যারাগুয়েতে আয়ুর্বেদের জনপ্রিয়তার প্রশংসা করেছেন মোদি। রবিবার আকাশবাণীতে ‘মন কি বাত’ (Mann ki Baat) অনুষ্ঠানে একাধিক বক্তব্য দেশবাসীর সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি।

    ফিজিতে তামিল ভাষা শিক্ষাদান কর্মসূচি শুরু

    ‘মন কি বাত’ (Mann ki Baat) অনুষ্ঠানের ১১৭ তম পর্বের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “তামিল ভাষার ব্যবহার এখন বিশ্বের অন্যান্য দেশে দিন দিন বেড়ে চলছে। গত শেষ মাসে ফিজিতে একটি তামিল ভাষা শিক্ষাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। গত ৮০ বছরে এই প্রথম তামিল ভাষায় শিক্ষার এত বড় কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। এই ভাষা অত্যন্ত প্রাচীন এবং ঐতিহ্যশালী। বিশ্বের প্রাচীনতম ভাষাগুলির মধ্যে তামিল একটি অন্যতম ভাষা এবং ভারতীয় সংস্কৃতিকে বহন করে চলেছে এই ভাষা।” ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যমণ্ডিত একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রায় ২৩০০ মিশরীয় ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই রকম একটি অনুষ্ঠানের কথা তুলে ধরেন মোদি। ভারতীয় পরম্পরার প্রতিভা কোথায় কোথায় লুকিয়ে আছে সেই বিষয়কেও এদিন তুলে ধরেন তিনি। সেই সঙ্গে মিশরের সঙ্গে ভারতের সাংস্কৃতিক যোগের কথাও দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।

    আরও পড়ুনঃ ‘মিশন’ ওড়িশার পর এবার ঝাড়খণ্ড! রঘুবর দাসের বিজেপির রাজনীতিতে ফেরা নিয়ে জোর জল্পনা

    আয়ুর্বেদ নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ প্যারাগুয়েতে

    প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও বলেন, “দক্ষিণ আমেরিকায় প্যারাগুয়ে নামে একটি দেশ রয়েছে। সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দের সংখ্যা এক হাজারের বেশি হবে না। এখানকার দূতাবাসে আয়ুর্বেদ পরামর্শদাতা এরিকা হুবাব একটি অনুষ্ঠান করেছিলেন। তাতে জনসাধারণের মধ্যে আয়ুর্বেদ নিয়ে ব্যাপক চর্চা হয়। এই বিষয়ে আয়ুর্বেদ নিয়ে ভাবনা স্থানীয় মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল।”

    উল্লেখ্য ২০১৪ সালের ৩ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রী ‘মন কি বাত’ (Mann ki Baat) অনুষ্ঠান চালু করেছিলেন। এটি প্রতিমাসের শেষ রবিবারে আকাশবাণী রেডিও সেন্টার থেকে সম্প্রসারিত করা হয়। এই বার্তালাপের সঙ্গে দেশের নারী, পুরুষ, প্রবীণ, যুব-সমাজের স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান থাকে। মোদির ভাষণ ২২টি ভাষা এবং ২৯টি আঞ্চলিক ভাষায় তর্জমা করে সম্প্রসারিত করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cut Money: আবাসের টাকা ঢুকতেই শুরু ‘কাটমানি’র খেলা! অভিযোগ করে মার খেলেন তৃণমূল নেতাও

    Cut Money: আবাসের টাকা ঢুকতেই শুরু ‘কাটমানি’র খেলা! অভিযোগ করে মার খেলেন তৃণমূল নেতাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাসের টাকা ঢুকতেই ফের শুরু ‘কাটমানি’ (Cut Money)। শাসকদলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেই মারধর জুটল খোদ তৃণমূলকর্মীর কপালে। রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটা করে সহযোগিতার কথা বললেও এবার নিজের দলের কর্মীরাই আবাসের টাকা হাতানোর অভিযোগে সরব হয়েছেন। উপভক্তাদের কাছ থেকে জোর করে জুলুম করে সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে খোদ শাসকদলের নেতাদের বিরুদ্ধেই। উল্লেখ্য অভিযোগ করে রীতিমতো হামলার শিকার হয়েছেন তৃণমূলের (TMC) স্বয়ং পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী। ফলে আবাসে দুর্নীতির অভিযোগে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

    কারও কাছে ১০ হাজার, কারও কাছে ৫ হাজার টাকা আদায় (Cut Money)!

    ঘটনা ঘটেছে আরামবাগের আরাণ্ডি-১ পঞ্চায়েত এলাকার আরাকুল গ্রামে। আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীরদের অভিযোগ, “জোর করে কারও কাছে ১০ হাজার, কারও কাছে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এরকম প্রায় ১০-১২ জনের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। ফলে এই পরিস্থিতিকে ঘিরে গোটা গ্রামে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।” খোদ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির থেকে তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব গ্রামে গিয়ে উপভোক্তাদের বোঝান যে আপনারা কেউ ভয়ে পালাবেন না, কাউকে কোনওরকম টাকা (Cut Money) দেবেন না। ফলে ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে বিরাট পুলিশ বাহিনী পৌঁছায় ঘটনাস্থলে।

    আরও পড়ুনঃ উত্তুরে হাওয়ার দাপটে ফিরছে শীত, পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর

    টাকা ব্যাঙ্কে ঢোকার পর থেকেই আতঙ্ক!

    এদিকে উপভোক্তারা জানান, স্থানীয় তৃণমূল নেতা কাটমানি (Cut Money) নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলে তাঁকে মারধর করে তৃণমূলেরই অপর আরেক গোষ্ঠী। তাঁদের অভিযোগ, আমরা দিনমজুর খেটে কোনও ক্রমে সংসার চালাই। আবেদন করার পর টাকা ব্যাঙ্কে ঢোকে, কিন্তু এরপর থেকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা দাবি করে, তাঁদের জন্যই টাকা ঢুকেছে তাই কাটমানি দিতে হবে। ফলে ভয়ে কেউ ১০ আবার কেউ ৫ হাজার করে টাকা দিয়েছেন।

    তবে এই ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূলের (TMC) পক্ষ থেকে বলা হয়, আমরা এই ধরনের কাজকে কোনও ভাবে অনুমোদন দিই না। যারা অভিযোগ করেছে মিথ্যা বলছে। পাল্টা স্থানীয় বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, এটাই তৃণমূলের আসল কালচার। সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে কাটমানি এই রাজ্যে ফ্রি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: উত্তুরে হাওয়ার দাপটে ফিরছে শীত, পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর

    Weather Update: উত্তুরে হাওয়ার দাপটে ফিরছে শীত, পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে শীতের প্রত্যাবর্তনের পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Alipore Meteorological Department)। বছরের একেবারে শেষ লগ্ন এবং নতুন বছরের প্রথম দিনগুলিতে রাজ্যজুড়ে পারদপতনের (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। আবহবিদদের মতে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে রাজ্যে তাপমাত্রা তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

    কলকাতার তাপমাত্রা কেমন (Weather Update)?

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Alipore Meteorological Department) সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় দুই ডিগ্রি বেশি। আগের দিনের তুলনায় তাপমাত্রা অনেক কম ছিল। শুক্রবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৪ ডিগ্রি বেশি। আবহবিদদের আশা নতুন বছরের শুরুতে কলকাতায় তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির নিচে নেমে আসতে পারে।

    শনিবার-রবিবার সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা

    দক্ষিণবঙ্গে অধিকাংশ জেলায় আপাতত শুকনো আবহাওয়া থাকবে। তবে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে শনিবার-রবিবার সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া পরিষ্কার হওয়ার পর সকালের দিকে কুয়াশার (Weather Update) কারণে ভ্রমণে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে তা নিয়ে ইতিমধ্যে আবহাওয়া দফতর সতর্কতা জারি করেছে।

    উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা

    একইভাবে শনিবার-রবিবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পঙে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অপর দিকে আলিপুর দুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ জ্যোতিপ্রিয় জেলে থাকলেও রেশন বণ্টনে চলছে তৃণমূল নেতাদের চোরাকারবার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    রাজ্যের একাধিক জেলায় আগামী দুদিনের তাপমাত্রা ঊর্ধমুখী থাকবে। এরপর উত্তরের হাওয়ার দাপটে তাপমাত্রা তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যাবে। অনুভূত হবে ঠান্ডার আমেজ। বছরের শেষ দিন এবং প্রথম দিনে শীতের আমেজ ফের নেমে আসবে, ঠিক এমনটাই জানিয়েছেন আবহবিদরা (Alipore Meteorological Department)।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 29 December 2024: পেটের সমস্যা বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 29 December 2024: পেটের সমস্যা বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন। 

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কর্কট

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভাল সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ।

    ৩) সতর্ক থাকতে হবে।

    সিংহ

    ১) কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য বিপদে পড়তে হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    কন্যা

    ১) কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    মকর

    ১) দূর দেশে ভ্রমণের পরিকল্পনা সফল হতে পারে।

    ২) বিদ্যার্থীদের জন্য নতুন কোনও পথ খুলতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কুম্ভ

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সমাজে খ্যাতি বাড়বে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladeshi: অবৈধভাবে ভারতে থাকার জন্য ১৩ জন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করল মহারাষ্ট্র এটিএস

    Bangladeshi: অবৈধভাবে ভারতে থাকার জন্য ১৩ জন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করল মহারাষ্ট্র এটিএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ। দেশ জুড়ে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। এই আবহের মধ্যে এবার বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢোকা বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে টানা তল্লাশি চলছে সারা ভারতে। এ বার মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) ধরা পড়ল ১৩ জন বাংলাদেশি (Bangladeshi) নাগরিক। বেআইনিভাবে ভারতে ঢুকে লুকিয়ে থাকার অভিযোগে তাদের ধরা হয়েছে। মহারাষ্ট্র এটিএস (অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড) তল্লাশি চালিয়ে মহারাষ্ট্রের একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে ওই ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।

    ভুয়ো নথি দিয়ে আধার কার্ড (Bangladeshi)

    মহারাষ্ট্র এটিএস জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে। নভি মুম্বই, থানে ও শোলাপুর এলাকায় স্থানীয় পুলিশের সাহায্য নিয়ে অভিযান চলেছে। মোট ৭ জন পুরুষ এবং ৬ জন মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফরেনার্স অ্যাক্ট এবং আরও নানা ধারায় তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এটিএস জানিয়েছে, এই বাংলাদেশি (Bangladeshi) নাগরিকরা ভারতে এসে ভুয়ো নথি দিয়ে আধার কার্ড বানিয়েছিলেন। এটিএস-এর তরফে জানানো হয়েছে, তল্লাশির সময়ে তারা দেখেছে যে বাংলাদেশ থেকে বেআইনিভাবে ভারতে আসা নাগরিকরা নানাভাবে ভারতের নথি জোগাড় করছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নানাভাবে ভুয়ো নথি জোগাড় করে ভারতীয় কোনও ঠিকানায় আধার কার্ড বের করছে। আধার ভারতীয় নাগরিকদের অন্যতম প্রধান পরিচয়পত্র। একাধিক নথি যাচাই করার পরে তবেই একজনকে আধার কার্ড দেওয়া হয়। গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের জেরা করছে এটিএস। অসমেও বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের ধরার জন্য তল্লাশি চালানো হচ্ছে সেখানকার নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে। বাংলাদেশ থেকে যে ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করেছে, এমনটা ইতিমধ্যেই ধরা পড়েছে। সেই কারণেই বেআইনি অনুপ্রবেশকারী রুখতে পদক্ষেপ নিচ্ছে ভারতের পুলিস। অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে নানাভাবে তল্লাশি চলছে ভারতের নানা জায়গায়।

    এর আগে ১৭ বাংলাদেশি গ্রেফতার

    এর আগে মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড (এটিএস) রাজধানী মুম্বই সহ রাজ্যের চারটি ভিন্ন শহর নভি মুম্বই, থানে এবং নাসিক শহরে অভিযান চালিয়ে ১৭ বাংলাদেশি (Bangladeshi) নাগরিককে ভারতে অবৈধ প্রবেশ এবং অনুমতি ছাড়া থাকার জন্য গ্রেফতার করেছিল। এরমধ্যে ১৪ জন পুরুষ এবং ৩ জন মহিলা ছিল। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে যে বাংলাদেশি পুরুষরা সাধারণত শ্রমিক হিসেবে কাজ করে আর নারীরা গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে। একজন আধিকারিক বলেন, ধৃত বাংলাদেশি পুরুষ ও মহিলারা ২০২৩ সাল থেকে অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছেন। তারা ভারতীয় নাগরিকত্ব বা ভ্রমণ নথির কোনও প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raghubar Das: ‘মিশন’ ওড়িশার পর এবার ঝাড়খণ্ড! রঘুবর দাসের বিজেপির রাজনীতিতে ফেরা নিয়ে জোর জল্পনা

    Raghubar Das: ‘মিশন’ ওড়িশার পর এবার ঝাড়খণ্ড! রঘুবর দাসের বিজেপির রাজনীতিতে ফেরা নিয়ে জোর জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার রাজ্যপাল রঘুবর দাস (Raghubar Das) পদত্যাগ করলেন। এরপর থেকে ঝাড়খন্ডে সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরে আসার বিষয়ে বিজেপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে  নতুন করে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। রাজভবন থেকে একটি সরকারি বিবৃতিতে রঘুবর দাসের পদত্যাগের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। মিজোরামের গভর্নর কামহামপতি হরি বাবুকে তাঁর স্থলাভিষিক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

    ওড়িশার রাজ্যপাল হিসেবে মাত্র ১৪  মাস দায়িত্ব পালন (Raghubar Das)

    ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস (Raghubar Das) ওড়িশার রাজ্যপাল হিসেবে মাত্র ১৪ মাস দায়িত্ব পালন করার পরে পদত্যাগ করেছেন। সক্রিয় রাজনীতিতে তার প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে আলোচনাটি সাম্প্রতিক ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু বিজেপি তার পুত্রবধূ পূর্ণিমা সাহুকে শক্ত ঘাঁটি জামশেদপুর পূর্ব থেকে প্রার্থী করার পর বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে। সেই আসনে পূর্ণিমা সাহু জিতেছিলেন। দাস ছিলেন ঝাড়খণ্ডের একমাত্র অ-উপজাতি মুখ্যমন্ত্রী, যিনি একটি পূর্ণ মেয়াদ শেষ করেছেন। তাঁর সক্রিয় রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

    রঘুবর দাস কী বললেন?

    পুরী জগন্নাথ মন্দিরে প্রার্থনা করার পর রঘুবর দাস (Raghubar Das) সাংবাদিকদের বলেন, “আমি একটি শ্রমজীবী পরিবার থেকে উঠে এসেছি। ১৯৮০ সালে আমি দলে (বিজেপি) যোগদানের পর আমাকে বুথ, মণ্ডলে অনেক কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। রাজ্য এবং জাতীয় স্তরেও আমি ঝাড়খণ্ডের মানুষের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি (মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে)। দল এবার নতুন ভূমিকা নির্ধারণ করবে।”

    ওড়়িশার বিজেপি নেতা কী বললেন?

    ওড়িশার এক বিজেপি (BJP) নেতা বলেন, ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতে দাসের (Raghubar Das) “দৃঢ় প্রভাব” রয়েছে। তাই কেন্দ্রীয় দলের নেতৃত্বের “তার জন্য একটি পরিকল্পনা” থাকতে পারে।” ওড়িশা বিজেপি প্রধান মনমোহন সামল বলেন, “দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে পরামর্শ করার পরে দাস হয়তো পদত্যাগ করেছেন। দাস গত বছরের ১৮ অক্টোবর ওড়িশার রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। গত তিন দশকে তার পাঁচজন পূর্বসূরি তাদের সম্পূর্ণ পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করেছিলেন বলে রাজভবনে তাঁর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ততম কার্যকাল ছিল।” ওড়িশায় দাসের ভূমিকাকে “গুরুত্বপূর্ণ” হিসেবে দেখা হয়েছিল। কারণ বিজেপি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি না থাকা সত্ত্বেও, নবীন পট্টনায়কের নেতৃত্বাধীন বিজু জনতা দলকে (বিজেডি) ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়ে রাজ্যে প্রথম সরকার গঠন করেছিল। 

    বিজেডি নেতা কী বললেন?

    বিজেডির অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিরা দাবি করেছেন যে একই সঙ্গে বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচনে দলের পরাজয়ের পিছনে দাসের (Raghubar Das) “ভুমিকা” ছিল। জুলাই মাসে বার্ষিক রথযাত্রার সময় পুরীতে তার ছেলে ললিত কুমারের দ্বারা রাজভবনের এক কর্মচারীর হামলার জন্যও বিজেডি দাসকে নিন্দা করেছিল। বিজেডি দাসকে তার পদত্যাগের পরেও এই ইস্যুতে টার্গেট করা অব্যাহত রেখেছিল। দলের মুখপাত্র লেলিন মোহান্তি উল্লেখ করেছেন যে সেই হামলার শিকার ব্যক্তি এখনও বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি আরও বলেন, “কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয় বলে বিজেপির দাবি একটি প্রহসন”। বিজেডি আরও অভিযোগ করেছিল যে গত মাসে ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের সময় “রাজনৈতিক কৌশলের” জন্য রাজভবনকে “যুদ্ধ কক্ষে” পরিণত করা হয়েছিল। একজন বিজেডি নেতা বলেছিলেন, “দাসই বিজেপি নেতৃত্বকে দলের মধ্যে পান্ডিয়ানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন। “

    ওড়িশায় মিশনে বিজেপি তার লক্ষ্য অর্জন করেছে

    আরেক বিজেডি নেতা বলেছিলেন, দাসকে (Raghubar Das) বিজেপি নেতৃত্ব “দলকে ক্ষমতায় আসতে সহায়তা করার জন্য ওড়িশায় মিশনে” প্রেরণ করেছিলেন। “যেহেতু বিজেপি তার লক্ষ্য অর্জন করেছে, তাদের এখন তার জন্য আলাদা পরিকল্পনা থাকতে পারে”। রঘুবর দাস অবশ্য বলেছিলেন যে রাজ্যে বিজেপির জয়ে তাঁর কোনও অবদান নেই। এটি মহাপ্রভু জগন্নাথের আশীর্বাদের কারণে হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল হিসেবে তার মেয়াদকালে রাজ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত একটি বিল নিয়ে নতুন বিজেপি সরকারের সঙ্গে তাঁর মতভেদ দেখা যায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share