Tag: Madhyom

Madhyom

  • Suvendu Adhikari: ‘‘পুরো সিস্টেমেই মরচে ও পচন’’, এসএসকেএমের কাঁচিকাণ্ডে মমতাকে কাঠগড়ায় তুললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘পুরো সিস্টেমেই মরচে ও পচন’’, এসএসকেএমের কাঁচিকাণ্ডে মমতাকে কাঠগড়ায় তুললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাতেই মরচে ও পচন ধরেছে, এমনই অভিমত বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। এসএসকেএম হাসপাতালে প্রসূতি বিভাগের অপারেশন থিয়েটারে রোগীর পেট কাটতে গিয়ে মরচে ধরা কাঁচি ভেঙে যাওয়ার অভিযোগে সরব শুভেন্দু। শহরে একটি কালীপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে তুলোধনা করেন বিরোধী দলনেতা। 

    কী বললেন শুভেন্দু

    রবিবার এসএসকেএম হাসপাতালে এক অন্তঃসত্ত্বার অস্ত্রোপচার করার সময় চিকিৎসক দেখতে পান যে হাতের কাঁচি জং ধরা। জানা গিয়েছে, সদ্য মেডিক্যাল স্টোর থেকে নতুন কাঁচি হিসেবেই এগুলোকে পাঠানো হয়েছে। এই জং ধরা কাঁচি অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারত ওই প্রসূতির অপারেশনে। নতুন স্টকের যে ক’টি কাঁচি বা সিজার এসেছে তার সবকটিতেই পুরনো জং ধরা কাঁচিতে রঙের প্রলেপ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ, চিকিৎসক সংগঠনের। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari) প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘পুরো সিস্টেমেই মরচে ও পচন ধরে গিয়েছে। ভালো ভালো যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য সামগ্রী আরজি কর হাসপাতাল থেকে বের করে নিয়ে গিয়ে নেতাদের হাসপাতালে পাঠানো এবং সেই শাসক ঘনিষ্ঠ হাসপাতাল বা নার্সিংহোমগুলোর পচা এবং বাতিল যন্ত্রপাতি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে এলে এই অবস্থাই হবে। জং ধরা কাঁচি পাওয়া গিয়েছে এরপর আরও অনেক কিছুই পাওয়া যাবে।’’

    আরও পড়ুন: প্রকৃতিবান্ধব দীপোৎসব, লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম! নিরাপত্তার চাদরে মোড়া অযোধ্যা

    স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে গিলোটিনে তোলা হয়েছে

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কথায়, এসএসকেএম নিয়ে একসময় গর্ব হতো, এখন বেহাল দশা। তিনি বলেন, ‘‘জং ধরা কাঁচি পাওয়া যাচ্ছে এসএসকেমে, যাকে নিয়ে আমরা গর্ব করি, যে পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে ভালো হাসপাতাল। আমাদের তো বলার কিছু নেই। ১৩ বছর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় স্বাস্থ্য বাজেট হয় না। এরাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে গিলোটিনে পাঠানো হয়েছে। এজন্য দায়ী রাজ্যের অপদার্থ-অযোগ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী, যিনি সন্দীপ ঘোষের মাথার উপরে হাত রেখেছিলেন, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: আয়ুষ্মান ভারত চালু করেনি মমতা, প্রধানমন্ত্রীর সুরেই আক্রমণ শুভেন্দুরও

    Suvendu Adhikari: আয়ুষ্মান ভারত চালু করেনি মমতা, প্রধানমন্ত্রীর সুরেই আক্রমণ শুভেন্দুরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়ুষ্মান ভারত কার্ড নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের এই কার্ড রাজ্যে অবিলম্বে চালু করার আর্জি রাখেন তিনি। মূলত, আয়ুষ্মান ভারত কার্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে আক্ষেপ করেছিলেন, তা নিয়ে এই ভাষাতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিরোধী দলনেতা।

    প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী বলেছেন? (Suvendu Adhikari)

    মঙ্গলবার প্রবীণদের জন্য নতুন স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের উদ্বোধন করতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং দিল্লি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল এবং দিল্লির আপ সরকার অসুস্থ মানুষকে কেন্দ্রীয় সরকারের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করছে, যা অমানবিক। এই প্রকল্প চালু না হওয়ায় বাংলার প্রবীণ নাগরিকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প ( Ayushman Bharat Card) সম্পর্কে বলতে গিয়েই প্রধানমন্ত্রী রীতিমতো আক্ষেপ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী , সিনিয়র সিটিজেন আয়ুষ্মান কার্ড চালুর ব্যবস্থা করবে বলে প্রতিক্রিয়া দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    ঠিক কী বলেছেন শুভেন্দু?

    মঙ্গলবার একটি কালীপুজোর উদ্বোধনে আসানসোলে আসেন রাজ্যের  বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পূজোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘আমি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুনেছি, যেখানে পশ্চিমবঙ্গ এবং দিল্লি সিনিয়র সিটিজেনদের কাছে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। কারণ, সিনিয়র সিটিজেন ৭০ বছর বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য আয়ুষ্মান ভারত কার্ড লাগু হবে। কিন্তু, এই দুই রাজ্যে তা হচ্ছে না।’’ পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এই কার্ড পশ্চিমবঙ্গের বাইরে কোনও কাজে লাগে না সেখানে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড কাজ করে। এমনকী রাজ্যের বহু নার্সিংহোম এই কার্ডের মান্যতা দেন না। রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড চালু না করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তার আক্ষেপের কথা বলেছেন।’’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘মমতা, মূর্খ মুখ্যমন্ত্রী! আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প প্রবীণ নাগরিকদের জন্য। বাংলার রাজ্য সরকার আয়ুষ্মান ভারত চালু করতে দিচ্ছে না। রাজ্য সরকারের উচিত অবিলম্বে আয়ুষ্মান প্রকল্প চালু করা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Security in Ayodhya: প্রকৃতিবান্ধব দীপোৎসব, লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম! নিরাপত্তার চাদরে মোড়া অযোধ্যা

    Security in Ayodhya: প্রকৃতিবান্ধব দীপোৎসব, লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম! নিরাপত্তার চাদরে মোড়া অযোধ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলিতে বারাণসী এবং অযোধ্যাকে (Security in Ayodhya) আলোয় সাজিয়ে তোলা হয় প্রতি বছরই। তবে এ বছরই প্রথম বার দীপাবলির (Diwali in Ayodhya) সাক্ষী হতে চলেছে রাম মন্দির। অষ্টমতম দীপোৎসবে অযোধ্যাকে সাজিয়ে তুলতে তাই পুরোদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সরকার। তিন দিন ধরে দীপোৎসব চলবে। লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হবে অযোধ্যায়। তার আগেই গোটা শহরকে দুর্গে পরিণত করে ফেলা হয়েছে। পুলিশ তো আছেই, নজরদারির জন্য মোতায়েন করা হয়েছে এনএসজি কমান্ডো। তৈরি রয়েছে সন্ত্রাসদমন শাখাও (এটিএস)।

    কড়া নিরাপত্তা অযোধ্যায়

    প্রশাসন সূত্রে খবর, অযোধ্যার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলি চিহ্নিত করে সেখানে নিরাপত্তা (Security in Ayodhya) বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাম মন্দির-সহ এই গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে মোতায়েন করা হয়েছে ৫০০০ পুলিশ, ১৫০ এনএসজি কমান্ডো, সন্ত্রাসদমন শাখা। দীপাবলিতে অযোধ্যার নিরাপত্তা নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে বসেন পুলিশ সুপার রাজকরণ নায়ার। মন্দির শহরে দীপোৎসব যাতে মৃসণ ভাবে পালন করা যায় তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশ সুপারের। শহরে যাতে কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তাই অযোধ্যানগরীর প্রতিটি কোনা মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। পুলিশ, এনএসজি কমান্ডোর পাশাপাশি থাকছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, জল পুলিশ, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং আরও উদ্ধারকারী দল। সরযূ নদীতে প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালানো হবে।

    প্রকৃতিবান্ধব দীপাবলি

    প্রশাসন সূত্রে খবর, এ বার সরযূ নদীর তীরে ২৮ লক্ষ প্রদীপ জ্বালানো হবে। এই দীপোৎসবের (Diwali in Ayodhya) জন্য বিশেষ প্রকৃতিবান্ধব দীপ আনানো হয়েছে। রাম মন্দির সেজে উঠবে সেই প্রকৃতিবান্ধব দীপে। যাতে মন্দিরের কোনও রকম ক্ষতি না হয়, সে কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন এক প্রশাসনিক আধিকারিক। প্রকৃতিবান্ধব এই দীপোৎসবের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার একটা বার্তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। দীপোৎসবে যাতে সাধারণ মানুষ শামিল হতে পারেন তার জন্য ২৯ অক্টোবর থেকে ১ নভেন্বরের মধ্যরাত পর্যন্ত মন্দির খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র। দর্শনার্থীরা ৪বি গেট থেকে মন্দিরের সজ্জা দেখার সুযোগ পাবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: উপনির্বাচনের আগে ‘দানা’য় ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ির তালিকা তৈরির নির্দেশ, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    BJP: উপনির্বাচনের আগে ‘দানা’য় ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ির তালিকা তৈরির নির্দেশ, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমিশনের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’য় (Cyclone Dana) ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি মেরামতির জন্য ‘হাউস বিল্ডিং গ্রান্ট’ প্রকল্পের উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে বাঁকুড়ার ইন্দপুর ব্লক প্রশাসন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিডিও-র তরফে সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতে পাঠানো ওই নির্দেশিকায় নির্বাচনী বিধিভঙ্গ হয়েছে, এই দাবি তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি (BJP)। অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিওর বরখাস্ত দাবিও করেছে পদ্ম শিবির।

    ঠিক কী অভিযোগ? (BJP)

    আগামী ১৩ নভেম্বর বাঁকুড়ার তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। উপনির্বাচন উপলক্ষে গোটা বাঁকুড়া জেলায় লাগু হয়েছে আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি। আর এই সময়ের মধ্যে গত ২৮ অক্টোবর ইন্দপুরের বিডিও সুমন্ত ভৌমিকের তরফে পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে পাঠানো একটি চিঠিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলি যাচাই করে দেখে ‘হাউস বিল্ডিং গ্রান্ট’ প্রকল্পের উপভোক্তাদের বেছে তার তালিকা আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উপভোক্তাদের কাছে থেকে প্রয়োজনীয় নথি এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিশদ তথ্য নিয়ে ব্লক প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েতগুলিকে। যাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। 

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে তপ্ত বাঁকুড়ার রাজনীতি। নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি (BJP)। দলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুনীলরুদ্র মণ্ডল বলেন, “এলাকার কাঁচা বাড়ির বাসিন্দাদের সরকারি প্রকল্পে পাকা বাড়ি দেওয়ার দাবিতে আমরা বারবার ইন্দপুরের বিডিও-র দ্বারস্থ হয়েছি। তখন তিনি কাঁচা বাড়ির বাসিন্দাদের না দিয়ে সেই ঘর দিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের। এখন তৃণমূলকে উপনির্বাচনে জেতানোর লক্ষ্যে নির্বাচনী বিধি ভেঙে সরকারি প্রকল্পের বাড়ি দেওয়ার ব্যাপারে তোড়জোড় শুরু করছেন। আমরা কমিশনে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি ওই বিডিওকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছি।” এ নিয়ে বিডিও আলাদা করে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 30 october 2024: নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 30 october 2024: নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ২) প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) বন্ধুদের দিক থেকে খারাপ কিছু ঘটতে পারে।

    ২) প্রেমে বিবাদ বাধতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় চাপ বাড়লেও আয় বৃদ্ধি পাবে।

    ২) বুদ্ধির দোষে কোনও কাজ পণ্ড হতে পারে। 

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় নিজের বুদ্ধিতেই আয় বাড়বে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক বাধতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    তুলা

    ১) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়।

    ২) ব্যবসায় বিবাদ থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ২) কর্মস্থানে সম্মানহানির সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) খেলাধুলায় নাম করার ভালো সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) কাজের জায়গায় কথার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ২) দূরে ভ্রমণের জন্য বাড়িতে আলোচনা হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ২) সংসারের জন্য অনেক করেও বদনাম হবে।

    ৩) সমাজে আপনার প্রশংসা বৃদ্ধি পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বর-তারাপীঠ, রাজ্যের বিভিন্ন কালীমন্দিরে কী কী ভোগ নিবেদন করা হয়?

    Kali Puja 2024: কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বর-তারাপীঠ, রাজ্যের বিভিন্ন কালীমন্দিরে কী কী ভোগ নিবেদন করা হয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্ত্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে দীপান্বিতা কালীপুজো (Kali Puja 2024) বিশেষ জাঁকজমক সহকারে পালিত হয়। আজ কালীপুজো। দুর্গাপুজার পাশাপাশি কালীপুজোতেও বিভিন্ন আচার-নিয়ম (Rituals) থাকে। আর কালীপুজোর বিশেষ আকর্ষণই হল মায়ের ভোগ। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে শ্যামামায়ের মন্দির। আর সেই এক এক মন্দিরের এক এক রকমের ভোগ মাকে নিবেদন করা হয়। কলকাতার সবচেয়ে বিখ্যাত কালীমন্দিরটি হল কালীঘাট মন্দির। এটি একটি সতীপীঠ। এছাড়া দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি, আদ্যাপীঠ, ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি ইত্যাদি কলকাতার বিখ্যাত কয়েকটি কালীমন্দির। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের সেভকেশ্বরী কালীমন্দিরও বেশ বিখ্যাত।

    কোন মন্দিরে মাকে কী কী ভোগ দেওয়া হয়?

    কালীপুজোর সময় মায়ের যে ভোগ হয়, তা অন্যান্য পুজোর থেকে বেশ কিছুটা আলাদা। এক নজরে দেখে নিন, কোন মন্দিরে মাকে কী কী ভোগ দেওয়া হয়?

    কালীঘাট মন্দির

    সতীর একান্নপীঠের অন্যতম এই কালীঘাট (Kalighat)। সকালে মা-কে আমিষ পদ ভোগে দেওয়া হয়। সেই ভোগের মধ্যে রয়েছে বেগুনভাজা, পটলভাজা, কপি, আলু ও কাঁচকলা ভাজা, ঘিয়ের পোলাও, ঘি ডাল, শুক্তো, শাকভাজা, মাছের কালিয়া, পাঁঠার মাংস ও চালের পায়েস। তবে রাতে মা-কে নিরামিষ ভোগ নিবেদন করা হয়। লুচি, বেগুনভাজা, আলু ভাজা, দুধ, ছানার সন্দেশ আর রাজভোগ থাকে কালীঘাটের ভোগে।

    সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির

    আনুমানিক ১৭০৩ সালে উদয়নারায়ণ ব্রহ্মচারী নামে এক তান্ত্রিক সন্ন্যাসী সেই সময় জঙ্গলের মধ্যে পঞ্চমুণ্ডির আসনে ও ঘটে পুজো (Kali Puja 2024) শুরু করেন। কালীপুজোর রাতে ভোগ দেওয়া হয় লুচি, পটলভাজা, ধোঁকা বা আলুভাজা, আলুর দম ও মিষ্টি।

    দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির

    ভোরে দেবী ভবতারিণীর বিশেষ আরতি দক্ষিণেশ্বরের পুজোর (Kali Puja 2024) বিশেষ আকর্ষণ। আর ভোগে নিবেদন করা হয় সাদাভাত, ঘি, পাঁচরকমের ভাজা, শুক্তো, তরকারি, পাঁচরকমের মাছের পদ, চাটনি, পায়েস ও মিষ্টি।

    তারাপীঠ ম

    কালীপুজোর (Kali Puja 2024) দিন খুব সকালে ডাবের জল দিয়ে শুরু হয় মায়ের ভোগ। সকালের ভোগে থাকে পাঁচ রকম বা ন’রকমের ভাজা, সাদা অন্ন, পায়েস ও মিষ্টি। আমিষ ভোগের মূল উপাদান হল শোল মাছ। ভোগের পাতে এই মাছ না থাকলে ভোগ গ্রহণ করেন না মা তাঁরা। কালীপুজোর দিন তারা মা-এর ভোগ হিসেবে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, পাঁচ মিশালি তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস এবং মিষ্টি। এখানকার অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা।

    সেভকেশ্বরী কালী মন্দির

    শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক যাওয়ার পথে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে এই কালীমন্দির। কালীপুজোর (Kali Puja 2024) দিনগুলিতে এই সেভকেশ্বরী কালীমন্দিরে ভক্তদের ঢল নামে। সেবক পাহাড়ের নির্জনতায় হয় কালী মায়ের আরাধনা। অনেকেরই বিশ্বাস, দেবী অত্যন্ত জাগ্রতা। এখানে মা-এর ভোগে থাকে সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, তরকারি, পায়েস, লুচি, দই, মিষ্টি। আর এখানে ভোগের আকর্ষণ হল বোয়াল মাছ। এদিন এই মাছ দেবীর ভোগ হিসেবে নিবেদন করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    Indian Army: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানববিহীন যান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করেই জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) সাফল্য পেল ভারতীয় সেনা। মঙ্গলবার সেনার তরফে এ খবর জানানো হয়েছে।

    কী বলছেন সেনা কর্তা? (Indian Army)

    ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল সমীর শ্রীবাস্তব বলেন, “আমরা মানববিহীন যান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করেছি। এটি আমাদের দ্রুত এবং নির্ভুল ফল দিয়েছে… আমরা এক সেনা কুকুর হারিয়েছি।” তিনি বলেন, “আমরা যখন জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিলাম, তখন কুকুরটি সামনে ছিল। জঙ্গিরা তাকেই লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তার আত্মত্যাগের কারণে অনেকের জীবন রক্ষা পেয়েছে।”

    শহিদ ‘ফ্যান্টম’

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর চার বছরের পুরনো স্নিফার এই কুকুরটির নাম ‘ফ্যান্টম’। সেনা সূত্রে খবর, সৈন্যদের সুরক্ষা দিতে গিয়ে জঙ্গিদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে চেষ্টা করার সময় গুলির ঘায়ে কুকুরটি মারাত্মকভাবে জখম হয়। শ্রীবাস্তব (Indian Army) বলেন, “এই অভিযানের পর এমন খবর ছড়িয়েছিল যে সেনাবাহিনী বিএমপি ব্যবহার করেছে। আমরা সেই ধরনের যান ব্যবহার করেছি। কারণ এলাকাটি দুর্গম ছিল। ৩০ ডিগ্রির ঢাল ও ঘন জঙ্গলের কারণে আমরা জঙ্গিদের অবস্থান শনাক্ত করার পর ওই যান ব্যবহার করেছি।”

    আরও পড়ুন: তোষণের রাজনীতি! অবাধে চলছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ, নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছেন মমতা!

    তিনি বলেন, “গ্রামবাসীদের কাছ থেকে জঙ্গিদের সম্পর্কে খবর পেয়ে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ করি। জঙ্গিরা যে উদ্দেশ্যে এসেছিল, তা পূরণ না হওয়ায় ওরা আমাদের কনভয়ে গুলি চালিয়েছে।” শ্রীবাস্তব বলেন, “জঙ্গিরা যেভাবে সজ্জিত ছিল, তাতে মনে হয় তারা বড় কোনও উদ্দেশ্যে এখানে এসেছিল। জঙ্গি সংগঠনগুলো পোস্ট করেছিল যে, তারা বড় কিছু করার পরিকল্পনা করছিল। তাই আমরা প্রস্তুত ছিলাম। সমস্ত সংস্থা, যার মধ্যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলিও রয়েছে, সবার মধ্যে সমন্বয় থাকায় সাফল্য এসেছে।” জম্মু-কাশ্মীরের আখনুরে জঙ্গিরা একটি সেনা অ্যাম্বুলেন্সের ওপর গুলি চালায়। পাল্টা গুলি চালায় সেনাও। দ্রুত ঘিরে ফেলা হয় গোটা এলাকা। তল্লাশি শুরু করে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী (Jammu And Kashmir)। খতম হয় তিন জঙ্গি (Indian Army)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kali Puja 2024: রানাঘাটে চূর্ণী নদীর তীরে জঙ্গলে সিদ্ধেশ্বরী কালীর নামকরণ করেছিলেন ‘রণ ডাকাত’!

    Kali Puja 2024: রানাঘাটে চূর্ণী নদীর তীরে জঙ্গলে সিদ্ধেশ্বরী কালীর নামকরণ করেছিলেন ‘রণ ডাকাত’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাতা কালিকা দশম মহাবিদ্যার একটি বিদ্যা। তিনি ভীষণ-দর্শনা। শক্তি ও সাহসের দেবী। ডাকাতরা নাকি কোথাও ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে মা কালীর (Kali Puja 2024) আরাধনা করত, এমন গল্প তো প্রচলিত রয়েছেই। এ নিয়ে বহু গল্প, উপন্যাস সংকলিত হয়েছে। ‘ডাকাত কালী’ আজও বাঙালির কাছে একটা মিথ হয়ে রয়েছে। রণ ডাকাতের প্রতিষ্ঠিত নদিয়ার রানাঘাটে সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে মায়ের (Ranaghat Siddheswari Kali) আরাধনা করে তাঁর বাহিনী ডাকাতি করতে যেত।

    কেন সিদ্ধেশ্বরী নামকরণ? (Kali Puja 2024)

    সপ্তদশ শতকে চূর্ণী নদীর তীরের জঙ্গল। লোক বসতি একদমই নেই। এখানেই থাকতেন ডাকাত দলের সর্দার রণ এবং তাঁর বাহিনী। মায়ের আরাধনা করে তিনি ডাকাতি করতে যেতেন। এমনটাই জনশ্রুতি রয়েছে ওখানে। আরও প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে যে, মা কালী সমস্ত কামনা পূরণ করতেন, তাই রণ ডাকাত এই মায়ের নাম সিদ্ধেশ্বরী রাখেন। মূলত ডাকাত রণ-র নাম অনুসারে চূর্ণী নদীর এই তীর রাণাঘাট নামে পরিচিত হয় বলেও শোনা যায়।

    মন্দির তৈরির ইতিহাস

    মন্দিরের (Kali Puja 2024) দেবীমূর্তি দক্ষিণা কালিকা বিগ্রহ। জনশ্রুতি রয়েছে, সেসময় বাংলায় ইংরাজের উত্থান সবে শুরু হয়েছে। একদিন এক ইংরাজ সাহেব প্রাণভয়ে ভীত হয়ে দেবীর মন্দিরে ছুটে এসে ঢুকে পড়েছিলেন এবং আত্মত্রাণের জন্য দেবীর চরণ স্পর্শ করে প্রার্থনা জানিয়েছিলেন। তখন ছিল রাত্রিবেলা। ইংরাজটি সে রাত্রে রক্ষা পেয়েছিলেন। কিন্তু ইংরেজদের তখন ম্লেচ্ছ মানা হত। তাই ম্লেচ্ছ স্পর্শের কারণে তখনকার সংস্কারাচ্ছন্ন মানুষের বিবেচনায় দেবীকে নদীগর্ভে বিসর্জন দেওয়া হয়েছিল, সেই সঙ্গে দেবীর মন্দিরটিও ভেঙে ফেলা হয়েছিল। এরপর সে সময়কার সেবাইতের চেষ্টায় স্থানীয় ঘটক বংশীয় দুইজন ভক্ত ও জমিদার পাল চৌধুরীদের এক কর্তাব্যক্তির সহায়তায় দেবীর শিলাময়ী মূর্তি কাশীধাম থেকে এনে কোঠা মন্দির অর্থাৎ চাঁদনী জাতীয় মন্দির (বর্তমান মন্দিরের গর্ভগৃহ) নির্মাণ করে দেবীকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। তখন থেকেই শিলাময়ী দক্ষিণা কালীর মূর্তিটিই সিদ্ধেশ্বরী নামে রানাঘাটের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হিসেবে পূজিতা হচ্ছেন। এই মূর্তিটিও প্রাচীন। বয়স দু’শ বছরের কম নয়। মন্দিরের পাশে ছোট একটি মন্দিরে মহাদেব প্রতিষ্ঠিত আছেন। নাটমন্দির অনেক পরে তৈরি হয়। এ ব্যাপারে কতিপয় স্থানীয় লোকের আর্থিক সাহায্য ছিল।

    নাটমন্দির তৈরির ইতিহাস

    জনশ্রুতি আছে, নাটমন্দির (Kali Puja 2024) তৈরি হওয়ার আগে মন্দিরের দক্ষিণপূর্ব কোণে একটি বিরাট অশ্বত্থ গাছ ছিল। ওই গাছটি নাটমন্দির নির্মাণে বা মন্দিরের অন্যবিধ কাজে বাধা সৃষ্টি করেছিল। অথচ বিপদ-আপদ ঘটে যাওয়ার ভয়ে কেউই গাছটি কাটছিল না। তখন একজন নিঃসন্তান ব্যক্তি গাছটিকে কুঠারাঘাতে কেটে ফেলে। আশ্চর্য তারপর অপুত্রক সেই লোকটির ভাগ্য ফিরে যায় এবং আর্থিক উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তাঁর একাধিক সুন্দর স্বাস্থ্যবান পুত্র লাভ হয়। লোকটির প্রত্যেক পুত্রই সুপুত্র এবং তাঁরা জীবনে যথেষ্ট উন্নতি করেছিলেন। নাটমন্দিরটি দালান জাতীয় সাদামাটা আচ্ছাদিত স্থান, শিল্প- বৈশিষ্ট্য বর্জিত। সমগ্র মন্দির চত্বরটি বেশ বড়। দেবীর তত্ত্বাবধানের জন্য দেবত্র হিসেবে জায়গা দিয়েছিলেন মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র। এখন তা নেই। রানাঘাটের জনসাধারণ ও অন্যান্য দূর- দূরান্তরের মানুষ দেবী সিদ্ধেশ্বরীকে অতিশয় জাগ্রত মনে করে শ্রদ্ধাভক্তি করেন। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে, মা সিদ্ধেশ্বরী তাঁদের মনস্কামনা পূর্ণ করেন। কালী পুজোর (Kali Puja 2024) সমস্ত রীতি মেনে এই পুজো সম্পন্ন হয়।

    কষ্টিপাথরের মূর্তি!

    শ্বেতমর্মর প্রস্তরে (Kali Puja 2024) তৈরি দুই ধাপ-বিশিষ্ট পঞ্চভুজ বা পঞ্চকোণ পঞ্চমুণ্ডের আসনোপরি দেবী-বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত। সিদ্ধেশ্বরী নাম হলেও দেবী মূর্তিটি সিদ্ধেশ্বরী বিগ্রহ নয়, এই মূর্তি উৎকৃষ্ট কষ্টিপাথর দ্বারা নির্মিত এবং শ্বেতপ্রস্তর খোদিত মহাদেব। প্রতি বৎসর দেবী মূর্তি রং দ্বারা অলঙ্কারিত করা হয়। মূর্তি উচ্চতায় তিন হাতের মতো। মন্দির গৃহ সাবেক আমলের-কড়ি বড়গার ছাদ, মর্মর দ্বারা বাঁধান মেঝে। সম্মুখদ্বারাটি যে প্রাচীনকালের তা দেখলেই বোঝা যায়। মন্দিরের সামনে বলিদানের ‘থান’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার বালুরঘাটের ‘বাহুবলী’ তৃণমূল নেতা

    Balurghat: নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার বালুরঘাটের ‘বাহুবলী’ তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক নাবালিকাকে নির্যাতনকাণ্ডে পলাতক দক্ষিণ দিনাজপুরের আইএনটিটিইউসি’র প্রাক্তন জেলা সভাপতি তথা বাহুবলী নেতা রাকেশ শীল। তাঁর বিরুদ্ধে নাবালিকাকে নির্যাতনের মামলায় হুলিয়া জারি করেছে আদালত। এবার ওই নাবালিকাকেই অপহরণের অভিযোগে জেলে যেতে হল বালুরঘাটের (Balurghat) তৃণমূলের আরও এক বাহুবলী নেতা লগিন দাসকে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Balurghat)

    বালুরঘাটের (Balurghat) রাজনৈতিক মহলে লগিন দাস অত্যন্ত দাপুটে নেতা হিসেবেই পরিচিত। তিনি ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিয়ে তৃণমূলের (Trinamool Congress) ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হন। তাঁর স্ত্রী মনোরমা দাস জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন। এছাড়াও বালুরঘাট পুরসভার কাজকর্মেও তাঁর প্রভাব ছিল অনস্বীকার্য। তিনি জেলা ঠিকাদার সংস্থার দীর্ঘদিনের সম্পাদকও ছিলেন। ফলে একদিকে ব্যবসা, অন্যদিকে রাজনীতিতে প্রতিপত্তি, লগিন দাসকে বেতাজ বাদশা করে তুলেছিল। তাঁর বিরুদ্ধেে খুন, জলা জমি ভরাট ইত্যাদি নানা মামলা রয়েছে। এরই মধ্যে গত জুলাই মাসে হিলির এক নাবালিকাকে অপহরণ ও মারধরের মামলা তাঁর বিরুদ্ধে হয়েছিল। ওই নাবালিকার করা পস্কো মামলায় ইতিমধ্যেই পলাতক রয়েছে আরও এক বাহুবলী নেতা। ওই নাবালিকারই দাদা ও বউদির করা পৃথক দুটি মামলাতে অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে ওই মামলায় লগিন দাসও অভিযুক্ত। ওই মামলাতেই লগিন দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন

    বিজয়া সম্মিলনী থেকে ফিরতেই গ্রেফতার

    বালুরঘাট (Balurghat) শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র ও রাজ্য নেত্রী জয়া দত্তের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিজয়া সম্মিলনী। ওই অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত হন তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান তথা বাহুবলী নেতা লগিন দাস। বিজয়া সম্মিলনী থেকে বাড়ি ফিরতেই তাঁকে গ্রেফতার করল বালুরঘাট থানার পুলিশ। রাতেই তাঁকে হিলিতে নিয়ে যাওয়া হয়। হিলি থানার দুটি মামলায় গ্রেফতার করা হয় লগিন দাসকে। তাঁকে বালুরঘাট জেলা আদালতে নিয়ে আসা হয়। আগামী ৮ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতক তরজা

    বিজেপি (Balurghat) জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, এরা সব নেতা নন, দুষ্কৃতী। তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থেকে সমাজকে দূষিত করে চলেছে। এদের জায়গা জেলখানা। তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। আইন আইনের পথেই চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: কেউ মায়ের হাজারটি হাত গুনতে পারেননি! জানুন শিবপুরের হাজার হাত কালীর মাহাত্ম্য

    Kali Puja 2024: কেউ মায়ের হাজারটি হাত গুনতে পারেননি! জানুন শিবপুরের হাজার হাত কালীর মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ভারতে বিশেষ জনপ্রিয় হাজার হাত কালী। হাওড়ার শিবপুরে হাজার হাত কালীতলায় (Kali Puja 2024) প্রায় ২৫ ফুট উঁচু মায়ের এই মূর্তি রয়েছে। শিবপুর ওলাবিবিতলায় হাজার-হাত কালীর মন্দির রয়েছে। শতাব্দী প্রাচীন এই মন্দিরে প্রতি বছর ধুমধাম করে পুজোর আয়োজন করা হয়। দেবীর নাম থেকেই এলাকার নাম হয়েছে হাজারহাত কালীতলা। শোনা যায়, এখনও পর্যন্ত কেউ মায়ের হাজারটি হাত গুনতে পারেননি। গোনা বারণও রয়েছে।

    মন্দির তৈরির ইতিহাস

    কলকাতার চোরবাগানের আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের উদ্যোগে এই মন্দির গড়ে ওঠে। শিবপুরে হাজার হাত কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠা নিয়েও অনেক ইতিহাস রয়েছে। প্রচলিত লোককথা অনুযায়ী, স্থানীয় মুখোপাধ্যায় বাড়ির ছেলে তান্ত্রিক আশুতোষ মুখোপাধ্যায়কে মা চণ্ডী স্বপ্নাদেশ দিয়ে কালীর এই রূপ দেখান এবং মন্দির তৈরির আদেশ দেন। লোকে তাঁকে তান্ত্রিক আশুতোষ তর্করত্ন নামেও চেনেন। আশুতোষ দেশের বিভিন্ন তীর্থস্থান ঘুরে বেড়াতেন। পুজোপাঠ, ধ্যান, সাধনা নিয়ে থাকতেন তিনি। এক বার স্বপ্নে কালীর এই হাজার-হাতের রূপ দেখতে পান আশুতোষ। ওলাবিবিতলায় যেখানে আজ এই মন্দির গড়ে উঠেছে, সেই জায়গাটিরও স্বপ্ন দেখেন। সেই স্বপ্নাদেশ মতো মন্দির গড়ার জন্য ১২৫ টাকায় হালদার পরিবারের কাছ থেকে ৩ কাঠা জায়গা কিনে মাটির মন্দির তৈরি করেন আশুতোষ। ১৮৭০ সালে সেই মন্দির গড়ে ওঠে। কুমোরটুলির প্রিয়নাথ পাল বিগ্রহ বানান। চণ্ডীপুরাণ অনুযায়ী, অসুর বধের সময়ে দেবী দুর্গা অনেক রূপ ধারণ করেছিলেন। তার মধ্যে অন্যতম তাঁর হাজার-হাতের রূপ। চণ্ডীপুরাণের সেই বর্ণনা মতো হাজার-হাতের কালী মূর্তি তৈরি করা হয়।

    আরও পড়ুন: মা তাঁর ভয়ঙ্কর রূপ দেখিয়েছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপাকে! জানুন তারাপীঠের মাহাত্ম্যকথা

    মা কাউকে ফেরান না

    প্রাচীন প্রথা মেনে আজও মুখোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যরা এখানে পুজো (Kali Puja 2024) করে আসছেন। মায়ের পুজো ও মঙ্গলারতিতে যাতে কোনও রকম অসুবিধা না হয় সেজন্য আশুতোষ মুখোপাধ্যায় মায়ের মন্দিরের নামে বেশ কিছু সম্পত্তি রেখে গিয়েছেন। সেই সম্পত্তি থেকেই আয় যা আসে, তা থেকে মায়ের পুজো করা হয় ও মন্দিরের সংস্কার করা হয়। কালীপুজোর দিনে পুণ্যার্থীদের ভিড় এতটাই হয় যে, পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করতে হয়। বিশ্বাস, মায়ের কাছে কিছু প্রার্থনা করলে সেটি পূর্ণ হয়। শোনা যায়, প্রায় ৬০ বছর আগে শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের এক শুক্রবার দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দা কৃষ্ণা সুব্রহ্মণ্যম এই মন্দিরে এসেছিলেন। তখন তিনি দৃষ্টিহীন। হাজার-হাত কালীর কাছে দৃষ্টি ফিরিয়ে দেওয়ার প্রার্থনা করেন। এক বছরের মধ্যে তিনি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পান। তার পর থেকে তিনি মায়ের মাহাত্ম্য প্রচার শুরু করেন দক্ষিণ ভারত জুড়ে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share