Tag: Madhyom

Madhyom

  • BJP: মমতার পদত্যাগ-বিনীতের গ্রেফতারি চেয়ে আন্দোলনে বিজেপি, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব শুভেন্দু-সুকান্ত

    BJP: মমতার পদত্যাগ-বিনীতের গ্রেফতারি চেয়ে আন্দোলনে বিজেপি, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব শুভেন্দু-সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্যাতিতার বিচার চায় বিজেপি (BJP)। একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ ও কলকাতার নগরপাল বিনীত গোয়ালের গ্রেফতারিও চায়। এমনটাই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নির্যাতিতার বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলনেই থাকবেন বলে জানিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    সরকারি মদতেই খুন! (BJP)

    এদিন ধর্মতলার সভামঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, প্রথম দিন থেকেই নির্যাতিতার বিচার চেয়ে নিঃস্বার্থভাবেই জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে রয়েছে বিজেপি (BJP)। প্রথম দিন থেকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়েনি গেরুয়া শিবির। বিজেপিই প্রথম রাজ্যপালের কাছে সিবিআই তদন্তের আবেদন করেছিল। এমনকী, কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতিরও কাছে সিবিআই তদন্তের দাবি করে বিজেপি। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারি মদতে এই খুন হয়েছে। পুলিশমন্ত্রী সরাসরি যুক্ত বলেও এদিন দাবি করেছে বিজেপি। শুভেন্দু বলেন, ‘‘টালা থানার ওসির গ্রেফতারি প্রমাণ করে দিল যে তথ্যপ্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এখন মিথ্যার পর মিথ্যা কথা বলেছেন। টালা থানার ওসির বাড়িতে সহমর্মিতা দেখানোর জন্য পুলিশ পাঠিয়েছেন যাতে সিবিআইয়ের কাছে বিনীত গোয়ালের নাম না নেন অভিজিৎ মণ্ডল।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা মনে করি প্রমাণ লোপাট করার জন্য ২০ জনের টিম পাঠানো হয়েছিল। এটাও একটা তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা।’’

    আরও পড়ুন: জ্বলবে না উনুন! আজ পালিত হচ্ছে অরন্ধন উৎসব, জানুন রান্না পুজোর তাৎপর্য

    মমতার পদক্ষেপ থেকে সরকারি কর্মচারীরা শিক্ষা নিন

    শুভেন্দু (BJP) অধিকারী এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘তথ্যপ্রমাণ লোপাটে ভূমিকা পালনকারীদের জেলে পাঠানো উচিত। পৈশাচিক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়া শুধুমাত্র কয়েকজন আধিকারিকের পক্ষে সম্ভব নয়। আমাদের রায়ে সকলেই জানেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ ছাড়া পিন থেকে হাতি, কিছুই নড়ানো যায় না।’’ ফলে রাজ্যের স্বাস্থ্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমান পরিস্থিতির জন্য অন্যতম দায়ী বলে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু। শুভেন্দু লেখেন, ‘‘মমতার পদত্যাগও যথেষ্ট নয়। গোটা বিষয়ে তাঁর ভূমিকা নিয়েও উপযুক্ত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সমস্ত সরকারি কর্মচারীদের বলব, এই অধ্যায় থেকে অনুগ্রহ করে শিক্ষা নিতে। কেন না সময় এলে, নিজেকে বাঁচাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি কর্মচারীদের বলিদানের ভেড়া মনে করে ফিরেই তাকাবেন না। সে কারণে সংবিধানের বর্ণিত নির্দেশিকা, আইন মেনে ন্যায়পরায়ণ থেকেই দায়িত্ব পালন করুন।’’

    বাংলার মানুষের কাছে হেরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী

    রাজ্য বিজেপি (BJP) সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘শুধু জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলন নয়, শহর-গ্রাম-মফস্বলে যে ন্যায়বিচার চেয়ে আন্দোলন চলছে। তার চাপে পড়ে কিছু ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০ কোটি মানুষের আন্দোলনে তিনি ভয় পেয়ে পদক্ষেপ করেছেন। তবে না আঁচালে বিশ্বাস নেই।’’ সুকান্ত বলেন, ‘‘যতক্ষণ সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন না হচ্ছে ততক্ষণ বিশ্বাস নেই। টালা থানার প্রাক্তন ওসি তথ্যপ্রমাণ লোপাটে অভিযুক্ত হয়ে গ্রেফতার। বিনীত গোয়েল আগে সিবিআইয়ে ভরসা রেখেছিলেন। বলেছিলেন, সিবিআই তথ্যপ্রমাণ লোপাটের প্রমাণ পেলে পদক্ষেপ করুক। ফলে তথ্যপ্রমাণ লোপাটকারীদের কাউকে সরালে হবে না। শাস্তি দিতে হবে। বিনীতকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে হবে না। তাঁকে জেলে যেতে হবে বলে মনে করি।’’ সুকান্ত আরও বলেন, ‘‘কয়েকজন স্বাস্থ্য অধিকর্তাকেও সরানোর কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আসলে তিনি বাংলার মানুষের কাছে হেরে গেলেন। ঘুণ ধরা ব্যবস্থা তিনিই তৈরি করেছেন। সরকারি কর্মচারীরা আনন্দে বলির পাঁঠা হচ্ছেন। বাংলার মানুষ বলির পাঁঠা হতে চান না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ২৩ তারিখ রাষ্ট্রসঙ্ঘের ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’ সম্মেলনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ২৩ তারিখ রাষ্ট্রসঙ্ঘের ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’ সম্মেলনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’ সম্মেলনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২৩ সেপ্টেম্বর ভাষণ (UN Summit) দেওয়ার কথা তাঁর। তিনি রাষ্ট্রসঙ্ঘের বার্ষিক সাধারণ সভায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ভাষণ দেবেন না। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাম্প্রতিক শিডিউল থেকেই জানা গিয়েছে একথা। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় ২৬ সেপ্টেম্বরের অধিবেশনে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না তিনি। প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’ সম্মেলনে। সেপ্টেম্বরের ২৪ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত হবে ওই সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রীর জায়গায় বার্ষিক সাধারণ সভায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ২৮ তারিখ ভাষণ দেবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

    কোয়াড সামিট

    শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে তাঁর নিজের রাজ্য ডেলাওয়্যারে কোয়াড সামিটে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার তিনি ভাষণ দেবেন নিউইয়র্ক শহরতলির ইউনিয়নডেলে ‘মোদি অ্যান্ড ইউএস, প্রোগ্রেস টুগেদার’ শীর্ষক সমাবেশে। উদ্যোক্তাদের দাবি, এই ইভেন্টে যোগ দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন। সমাবেশ শেষ প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সাক্ষাৎ করবেন ব্যবসায়ী ও বিশ্বনেতাদের সঙ্গে।

    বাইডেনের বিদায়ী বৈঠক

    বিশ্বে মোদির জনপ্রিয়তা ক্রমবর্ধমান। তাই বহু রাষ্ট্রনেতাই তাঁর সঙ্গে বৈঠক করতে মুখিয়ে রয়েছেন। এখান থেকে কোয়াড বৈঠকও যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই বৈঠকে যোগ দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। এটি তাঁর বিদায়ী বৈঠক। কারণ ডিসেম্বরেই রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে লড়ছেন না বাইডেন। কোয়াডের বৈঠকে যোগ দেবেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবেনিজও। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাও যোগ দেবেন এই বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার কথা তাঁর। প্রসঙ্গত, একটি শান্তিপূর্ণ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিশ্চিত করতে এবং এলাকার উন্নয়নমূলক প্রচেষ্টায় সাহায্য করতে যৌথভাবে কাজ করে এই চার দেশ।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতি তদন্তে তৃণমূলের চিকিৎসক-নেতা সুদীপ্ত রায়ের বাড়ি, নার্সিংহোমে অভিযান ইডির

    সামিট অফ দ্য ফিউচার-এ ভাষণ দেবেন মোট ৭২ জন বক্তা। এই তালিকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম রয়েছে ৩৫ নম্বরে। এই সামিটে বিশ্বনেতারা ‘প্যাক্ট অফ দ্য ফিউচার’ গ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এটি একটি ভিশনারি ডকুমেন্ট যার মধ্যে রয়েছে (UN Summit) গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট। এই ডিজিটাল কমপ্যাক্ট প্রযুক্তির সুযোগ এবং বিপদ নিয়ে ডিল করে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • C.V. Ananda Bose: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে চলছে ‘মাফিয়া রাজ’, সিবিআই চেয়ে রাজ্যকে চিঠি রাজ্যপালের

    C.V. Ananda Bose: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে চলছে ‘মাফিয়া রাজ’, সিবিআই চেয়ে রাজ্যকে চিঠি রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি এবং মাফিয়া চক্র চলছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে (North Bengal Medical College)। রাজ্য সরকারি হাসপাতালে চলমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠছে। আরজি কর-কাণ্ডের জেরে যা প্রকাশ্যে এসেছে। এবার দুর্নীতির সেই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরব হলেন স্বয়ং রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C. V. Ananda Bose)। তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত দাবি করে চিঠি দিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিবকে। রাজভাবনের এই চিঠির প্রতিলিপি পাঠিয়েছেন দার্জিলিং লোকসভার সাংসদ তথা বিজেপির অন্যতম সর্বভারতীয় মুখপাত্র রাজু বিস্তাকে। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে চিঠি (C. V. Ananda Bose)

    শিক্ষা দফতর, খাদ্য দফতরের পর এবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতির ইস্যুতে রাজ্যের রাজনীতির পারদ চরমে উঠেছে। আরজি কর হাসপাতলের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই ভাবে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে (North Bengal Medical College) লবিবাজি, পরীক্ষায় টুকলি, চিকিৎসা সরঞ্জামে দুর্নীতির খবর সংবাদ মাধ্যমের শিরোনামে উঠেছে। এমনকী, আরজি করের দুর্নীতির নেপথ্যেও এই ‘উত্তরবঙ্গ লবি’ প্রবলভাবে কলকাঠি নেড়েছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে, সিবিআই তদন্তের দাবি করে রাজ্যের কাছে চিঠি গেল রাজভবন থেকে। রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে চিঠি লিখেছেন রাজভবনের ডেপুটি সচিব। উল্লেখ্য এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা আগেই রাজ্যপালকে (C. V. Ananda Bose) চিঠি দিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছিলেন। রাজভবনের ওই চিঠি সম্পর্কে দার্জিলিং সাংসদ রাজু বলেন, “এই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তৃণমূল নেতারা কীভাবে মাফিয়া রাজ চালাচ্ছেন, আমি সেই বিষয়ে মাননীয় রাজ্যপালকে অবহিত করেছিলাম।” যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে চিঠি নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুনঃ দুর্নীতি তদন্তে তৃণমূলের চিকিৎসক-নেতা সুদীপ্ত রায়ের বাড়ি, নার্সিংহোমে অভিযান ইডির

    দাদাগিরির অভিযোগে সরব ডাক্তাররা (C. V. Ananda Bose)

    আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে (North Bengal Medical College) একটি কনভেনশেনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে হাসপাতালের দুর্নীতি এবং ‘মাফিয়া রাজ’ সম্পর্কে সরব হয়েছিলেন ডাক্তারদের একাংশ। হাসপাতাল ক্যাম্পাসে সবসময় ‘থ্রেট কালচার’ বা হুমকির সংস্কৃতি চলছে। অভিযোগ, উত্তরবঙ্গ লবির বহিরাগতরা ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করে রেখেছে। তৃণমূলের নেতারা নিজেদের প্রভাব ব্যাপকভাবে কায়েম করে রেখেছে। সন্দীপ ঘনিষ্ঠ অভীক দে এবং বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লবি করার অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের এই ২ চিকিৎসক-নেতার বিরুদ্ধে ‘দাদাগিরি’র অভিযোগ নিয়ে সরব হয়েছেন ডাক্তাররাও। যার জেরে বাধ্য হয়ে এই ২ জনকে সাসপেন্ড করে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India-Bangladesh: রেকর্ডের হাতছানি অশ্বিনের সামনে, বাংলাদেশের বিপক্ষে স্পিনে ভরসা ভারতের

    India-Bangladesh: রেকর্ডের হাতছানি অশ্বিনের সামনে, বাংলাদেশের বিপক্ষে স্পিনে ভরসা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হতে চলেছে ভারত-বাংলাদেশ (India-Bangladesh) টেস্ট সিরিজ। চিপকে শাকিবদের বিরুদ্ধে টেস্ট দিয়ে শুরু হবে ভারতের টানা চার মাসের ক্রিকেট যাত্রা। এর মধ্যে রয়েছে ১০টি টেস্ট ম্যাচ। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে জোড়া টেস্টের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি টেস্ট খেলবে রোহিত শর্মার দল। এরপর অস্ট্রেলিয়ায় বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে নভেম্বরে খেলতে নামবেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা। দেশের মাটিতে বরাবরই ভারতীয় দলের সব থেকে বড় শক্তি হল স্পিন বোলিং। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টেও তিন স্পিনারেই খেলতে পারে রোহিতরা।

    স্পিন আক্রমণে কারা

    প্রথম টেস্টে ভারতীয় দল (India-Bangladesh) তিন স্পিনার ও দুই পেসারে খেলার কথাই ভাবছে। রবীন্দ্র জাদেজা এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন (Ravichandran Ashwin) যে খেলবেন চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে সেটা বলাই যায়। কিন্তু তৃতীয় বোলার কে হবেন, সেদিকেই নজর থাকছে। কুলদীপ যাদব এবং অক্ষর প্যাটেলের মধ্যে লড়াই এই পজিশন নিয়ে, তবে পাল্লা ভারি কুলদীপের দিকেই। কারণ টেস্ট ফরম্যাটে চায়নাম্যান বোলার থাকা ভারতকে ঘরের মাঠে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। এছাড়া ইংল্যান্ডের মাটিতে বছরের শুরুতে টেস্ট সিরিজেও ১৯ উইকেট নিয়ে সিরিজ জয়ের ক্ষেত্রে বড় অবদান রেখেছিলেন কুলদীপ।

    আরও পড়ুন: বিরাট-শটে ভাঙল দেওয়াল, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নামার আগে গম্ভীর-ক্লাসে ক্রিকেটাররা

    রেকর্ডের সামনে অশ্বিন

    ভারতের স্পিন (India-Bangladesh) ত্রয়ীর মধ্যে অনেকগুলি রেকর্ডের হাতছানি রয়েছে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের (Ravichandran Ashwin) সামনে। ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে ১০০ ম্য়াচ ও ১৮৯ ইনিংস খেলেছেন অশ্বিন। ৩৭ বছরের তারকা স্পিনার এবার কি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন? সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে বলেছেন, ‘‘আমি অবসর নিয়ে কিছুই ভাবছি না। কিন্তু আমি শুধু ভাবছি একদিন সবার বয়স বাড়তে থাকে। তখন বেশি করে এফর্ট দিতে হয় প্রতি মুহূর্তে। আমি গত ৩-৪ বছর ধরে সেটাই করে যাচ্ছি।’’

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বাধিক উইকেট: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ১৭৪টি উইকেট পেয়েছেন অশ্বিন। আর মাত্র ১৪টি উইকেট পেলেই ভারতীয় স্পিনার ছাপিয়ে যাবেন অস্ট্রেলিয়ার নাথান লিয়ঁকে (১৮৭টি উইকেট)। এই টুর্নামেন্টের চলতি পর্যায়ে অশ্বিনের উইকেট ৪২। আর ১০ উইকেট পেলে জোস হ্যাজেলউডকে টপকে যাবেন অশ্বিন। 

    বাংলাদেশের বিপক্ষে বেশি উইকেট: দেশের মাটিতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অশ্বিনের উইকেট সংখ্যা ২৩। এই রেকর্ড ভাঙতে তাঁর লাগবে আর ৯টি উইকেট। তাহলেই দেশের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে জাহির খানকে পিছনে ফেলতে পারবেন অশ্বিন। জাহিরের উইকেট সংখ্যা ৩১।

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বাধিক ৫ উইকেট: অশ্বিন এখনও পর্যন্ত খেলা ৩৪টি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে ১০ বার পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন। অশ্বিন যদি পরের দুই টেস্টে আর একবার পাঁচ উইকেট নিতে পারেন তাহলে তিনি একাই এই কৃতিত্বের দাবিদার হবেন। এখনও পর্যন্ত, তিনি লিয়ঁর সঙ্গে এই কৃতিত্ব ভাগ করছেন।

    ভারতে সর্বাধিক উইকেট: অশ্বিন ভারতে বিভিন্ন ফর্ম্যাটে খেলা ১২৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে মোট ৪৫৫ উইকেট নিতে সক্ষম হয়েছেন। যদি তিনি ২২টি উইকেট নিয়ে বাংলাদেশ সিরিজ শেষ করেন, তবে তিনি ভারতের মাটিতে অনিল কুম্বলের ৪৭৬টি আন্তর্জাতিক উইকেটের রেকর্ড ভেঙে দেবেন। এখনও পর্যন্ত অশ্বিনের ঝুলিতে রয়েছে ৫১৬টি উইকেট। তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তী কোর্টনি ওয়ালশ (৫১৯) এবং অস্ট্রেলিয়ার লিয়ঁকে (৫৩০) ছাড়িয়ে গিয়ে টেস্টে শীর্ষ উইকেট শিকারীর তালিকায় চলে যাবেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Dharna: ধর্না শেষ, লাগাতার আন্দোলনে বিজেপি, নবান্ন অভিযানের ডাক মিঠুনের

    BJP Dharna: ধর্না শেষ, লাগাতার আন্দোলনে বিজেপি, নবান্ন অভিযানের ডাক মিঠুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার (Kolkata) ধর্মতলায় ওয়াই চ্যানেলে বিজেপির (BJP Dharna) ধর্না কর্মসূচি শেষ হলেও আন্দোলনের ময়দান ছাড়ছে না বিজেপি। মাঝে একটা দিন বাদ। ১৮ তারিখ থেকে ফের পথে নামছে বঙ্গ গেরুয়া ব্রিগেড। জানা গিয়েছে, আর জি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে রাস্তার কর্মসূচিকে পুজোর মুখ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে চলেছে রাজ্য বিজেপি।

    বিজেপির লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা (BJP Dharna)

    ২৯ অগাস্ট থেকে ধর্না (BJP Dharna) কর্মসূচি শুরু করে বিজেপি। ধর্মতলায় প্রতিবাদ-অবস্থান শুরু হয় তাদের। তার আগে শ্যামবাজারে ছিল পাঁচদিনের কর্মসূচি। এবার, ধর্না শেষ হওয়ার পর ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে লাগাতার কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির। জানা গিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর পথসভা শুরু হবে বিজেপির। চলবে ১ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিটি ওয়ার্ডে পথসভা করবেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। পঞ্চায়েত এলাকায় দু’ থেকে তিনটি করে পথসভা করবে বিজেপি। এক কোটি সই সংগ্রহ করে তা বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে সাংসদ ও বিধায়করা তুলে দেবেন রাজ্যপালের হাতে। ২৫ সেপ্টেম্বর ‘হাজরা চলো’ কর্মসূচি বিজেপির। ‘থানা সাফাই’ অভিযানেরও ডাক দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। ঝাঁটা আর গঙ্গাজল দিয়ে ২৩ তারিখ এই অভিযান করবে দলের মহিলা মোর্চা। এছাড়া ২৩ সেপ্টেম্বর রাজ্যের প্রতিটি রেল স্টেশনে সভা করার ঘোষণা করা হয়েছে। ২৫ তারিখ ‘কালীঘাট চলো’-র ডাক দেওয়া হয়েছে। ওই দিন হাজরা মোড়ে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জ্বলবে না উনুন! আজ পালিত হচ্ছে অরন্ধন উৎসব, জানুন রান্না পুজোর তাৎপর্য

    সরকার উৎখাতের দাবি

    শ্যামবাজারের পরে ধর্মতলায় টানা ধর্না (BJP Dharna) কর্মসূচির শেষ দিনে সোমবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের ঘোষণা, “ধর্না হয়তো শেষ হল। কিন্তু যত ক্ষণ না বিচার পাচ্ছি, তত ক্ষণ আমারা রাস্তাতেই থাকব। আমরা রাজ্যপালের কাছে ১ কোটি সই মাথায় নিয়ে যাব। ৩৫৬ বা ৩৫৫ যাই হোক, আপনি এই সরকারকে উৎখাত করুন।”

    নবান্ন অভিযানের ডাক মিঠুনের

    ধর্না-মঞ্চে (BJP Dharna) উপস্থিত হয়ে এ দিনই অভিনেতা তথা রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির সদস্য মিঠুন চক্রবর্তী আবার এক ধাপ এগিয়ে নবান্ন অভিযানের ডাক দিলেন। প্রয়োজনে বুক পেতে গুলি খাওয়ার জন্য প্রত্যেককে প্রস্তুত হতে বললেন! তিনি বলেন, “আবার নবান্ন অভিযান হবে। আমি সেই অভিযানে থাকব। আর এই অভিযান ব্রিজের কাছে থেমে যাবে না। নবান্নের ১৪ তলায় গিয়েই থামবে! ওরা এর আগে জল কামান চালিয়েছে, কাঁদানে গ্যাস চালিয়েছে। এ বার হয়তো গুলি চালাবে। আত্মাহুতি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন! আমরা থাকব সামনের সারিতে। দেখি কত গুলি চালাতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranna Puja 2024: জ্বলবে না উনুন! আজ পালিত হচ্ছে অরন্ধন উৎসব, জানুন রান্না পুজোর তাৎপর্য

    Ranna Puja 2024: জ্বলবে না উনুন! আজ পালিত হচ্ছে অরন্ধন উৎসব, জানুন রান্না পুজোর তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় আছে, বাঙালিদের বারো মাসে তেরো পার্বণ। সারা বছর ধরেই বাঙালিদের কিছু না কিছু উৎসব লেগেই থাকে। এরই মধ্যে একটি পার্বণ হল অরন্ধন উৎসব (Ranna Puja 2024) বা রান্না পুজো। ভাদ্রপদ মাসের শেষ দিনে হয় এই অরন্ধন উৎসব (Arandhan Utsav)। আবার এদিন মনসা পুজোও করা হয়। এই মনসা পুজোরই একটি অংশ হল এই রান্না পুজো। সাধারণত বিশ্বকর্মা পুজোর আগের দিন সারা রাত ঘরে বিভিন্ন পদ রান্না করা হয় ও পরের দিন বাসি খাবার খাওয়া হয়। একেই বলে অরন্ধন।

    বছরে দুবার অরন্ধন উৎসব (Arandhan Utsav)

    সাধারণত এই অরন্ধন উৎসব বছরে দুবার পালন করা হয়। একবার অরন্ধন উৎসব (Ranna Puja 2024) হয় মাঘ মাসে, সরস্বতী পুজোর পরের দিন। ঐদিন থাকে শীতল ষষ্ঠী। ঐদিন শিলনোড়া পুজো করা হয়। এইদিন বাড়িতে গোটা সেদ্ধ খাওয়ার রীতিও রয়েছে। আর একবার হয় আজ, ভাদ্র মাসের সংক্রান্তিতে। অরন্ধনে রান্নাঘরে উনুন জ্বালানোর নিয়ম নেই। তাই আগের দিন রাতেই রান্না করে পরের দিন খাওয়ার রীতি রয়েছে। আগের দিন সারা রাত জেগে গৃহস্থ বাড়িতে রান্নাবান্না করে এই পার্বণ পালন করা হয়। আর ভাদ্রমাসের রান্না পুজোর পরের দিন, অর্থাৎ বিশ্বকর্মা পুজোয় বাসি খাবার খাওয়ার রীতি চলে আসছে বহু বছর ধরে। এই পার্বণে সাধারণত আমিষ ও নিরামিষ উভয় পদই রান্না করা হয়। আমিষ রান্নার মধ্যে থাকে ইলিশ ও চিংড়ি মাছ। এছাড়াও আরও অন্যান্য মাছ রান্না করা হয়। আর অপরদিকে নিরামিষ পদে নানা রকম ভাজা, ডাল, নারকেল দিয়ে কচু শাক, পান্তা ভাত, চাটনি, তালের বড়া, মালপোয়া ইত্যাদি রান্না করা হয় (Ranna Puja 2024)।

    আরও পড়ুন: পেটকাটি, চাঁদিয়াল, মোমবাতি, বগ্গা! বিশ্বকর্মা পুজো মানেই আকাশে ঘুড়ির মেলা

    মনসা পুজো ও পান্তা ভাত

    এই উৎসব  (Arandhan Utsav) শহরাঞ্চলে অনেকটা বিলুপ্ত হলেও গ্রামাঞ্চলে এখনও পর্যন্ত প্রত্যেক বাড়িতে হয়ে থাকে। ভাদ্র মাসের সংক্রান্তির অরন্ধনে মা মনসার পুজো করা হয়। এই দিন রান্নাঘরের সমস্ত জায়গা ভালো করে পরিষ্কার করে ফণীমনসার ডাল অথবা শালুক গাছের ডাল দিয়ে মনসার ঘট প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং মা মনসার পুজো করা হয়। প্রাচীনকালের এক উৎসব যা শস্য উৎসব নামে পরিচিতি, এই উৎসবেরও কিছুটা স্মৃতি বহন করে এই অরন্ধন পার্বণ (Ranna Puja 2024)। বিশেষত গ্রামাঞ্চলে বর্ষাকালে প্রচণ্ড সাপের উপদ্রব বাড়ে। তাই এই সমস্যা থেকে সবাইকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে দেবী মনসার পুজো করা হয় ঠিক ভাদ্র মসের শেষ দিন। আর এই মনসা দেবীর প্রতীক হিসেবে সিঁদুর ও তেল দিয়ে রান্নাঘর ও উনুনকে পুজো (Ranna Puja) করা হয়। পুজোতে ভোগ হিসেবে দেওয়া হয় মরশুমি শাক, সবজি, মাছ ইত্যাদি। তবে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকমের ভোগ দেওয়া হয়, কোথাও আমিষ বা কোথাও আবার নিরামিষ। যার মধ্যে পান্তা ভাত উল্লেখযোগ্য। নিরামিষ ভোগের ক্ষেত্রে ইলিশ ও চিংড়ি মাছ অন্যতম ও নিরামিষের ক্ষেত্রে নানা রকমের ভাজা, ছোলা -নারকেল দিয়ে কচু শাক সহ একাধিক শাক ইত্যাদি। 

    দেবীপক্ষের আগে রান্না পুজোই বাঙালিদের শেষ উৎসব। এরপর মহালয়ার পরেই শুভক্ষণে উৎসব শুরু হয়। যদিও এই অরন্ধন উৎসব বা রান্না পুজোর (Ranna Puja 2024) রীতিনীতি এখন আর বেশি দেখা যায় না। তবে শহরে কম হলেও, গ্রামে  এখনও এই উৎসব ব্যাপকভাবে উদযাপিত হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED at Sudipta Roy House: দুর্নীতি তদন্তে তৃণমূলের চিকিৎসক-নেতা সুদীপ্ত রায়ের বাড়ি, নার্সিংহোমে অভিযান ইডির

    ED at Sudipta Roy House: দুর্নীতি তদন্তে তৃণমূলের চিকিৎসক-নেতা সুদীপ্ত রায়ের বাড়ি, নার্সিংহোমে অভিযান ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar Incident) আর্থিক দুর্নীতি মামলার তদন্তে আরও তৎপর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজ্যের ৬ জায়গায় হানা দিয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। তৃণমূলের চিকিৎসক নেতা সুদীপ্ত রায়ের (ED at Sudipta Roy House) উত্তর কলকাতার ঠিকানায় অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। তল্লাশি চলছে সুদীপ্তের নার্সিংহোম ও বাংলোতেও। বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে এক ওষুধ ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি। এর আগে, গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার এই মামলাতেই সুদীপ্ত রায়ের দুয়ারে পৌঁছেছিল অপর কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই। দীর্ঘ তল্লাশি চলে। এবার অ্যাকশনে ইডি।

    সকাল সকাল সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে ইডি-অভিযান (ED at Sudipta Roy House)

    সুদীপ্ত রায় শ্রীরামপুরের তৃণমূল বিধায়ক। পাশাপাশি আরজি করের (RG Kar Incident) রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি। তিনি রাজ্যের হেল্‌থ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের সদস্য এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিলের প্রাক্তন সভাপতিও বটে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সিঁথির মোড়ের কাছে বিটি রোডের ধারে সুদীপ্তর বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআইয়ের একটি তদন্তকারী দল। আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, সেই তালিকায় ছিলেন তৃণমূলের এই চিকিৎসক নেতাও। এদিন সকাল ৬টা ৪৫ নাগাদ ইডির একটি টিম সুদীপ্ত রায়ের সিঁথির মোড়ের বাড়ি ও নার্সিংহোমে এসে পৌঁছয়। ভিতরে রয়েছেন সুদীপ্ত রায়ও। হুগলির দাদপুরের দাঁড়পুর গ্রামে সুদীপ্ত রায়ের বাংলোতেও চলছে ইডি অভিযান (ED at Sudipta Roy House)।

    আরও পড়ুন: চাপের কাছে নতিস্বীকার সরকারের, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি এখনই উঠছে না

    সাতসকালে সন্দীপ জৈনের বাড়িতে ইডি, কে তিনি?

    অন্যদিকে, এদিন সকালে বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে সন্দীপ জৈনের বাড়িতে পৌঁছয় ইডি। আরজি করে (RG Kar Incident) মেডিক্যালের ইক্যুয়েপমেন্ট সাপ্লাই করতেন সন্দীপ জৈন। সেখান থেকে কমিশন পেতেন সন্দীপ ঘোষ বলেও অভিযোগ। সেই তদন্তেই বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে সন্দীপ জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি তল্লাশি চালাচ্ছে। সন্দীপ জৈনের কোম্পানির নাম শ্রী ইয়স ট্রেডিং কোম্পানি। মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে আরজি করে ধর্ষণ ও খুনের মামলার শুনানি রয়েছে। শীর্ষ আদালতে সেই শুনানির কয়েক ঘণ্টা আগেই আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে অভিযানে নামল ইডি (ED at Sudipta Roy House)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Incident: চাপের কাছে নতিস্বীকার সরকারের, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি এখনই উঠছে না

    RG Kar Incident: চাপের কাছে নতিস্বীকার সরকারের, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি এখনই উঠছে না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ৩৮ দিন আন্দোলনের পর জুনিয়র ডাক্তারদের চাপের কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হল সরকার। আরজি কর কাণ্ডে আন্দোলনরত পড়ুয়া চিকিৎসকদের চাপে কার্যত মাথা নত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনকে ভয় দেখিয়ে দমাতে না পেরে পিছু হটতে বাধ্য হলেন। সোমবার গভীর রাতে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, কলকাতার পুলিশ কমিশনার, ডিসি নর্থকে বদলি করা হবে। সরানো হবে শিক্ষা অধিকর্তা, শিক্ষা-স্বাস্থ্য অধিকর্তাকেও। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আজ, মঙ্গলবার বিকেল ৪টের মধ্যে সরকারি নির্দেশ আসবে। সরকার বৈঠক সদর্থক বললেও, জুনিয়র ডাক্তাররা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের তিন দাবি পূরণের কথা মুখ্যমন্ত্রী মৌখিক ভাবে বললেও ভরসা পাচ্ছেন না তাঁরা। দাবি যতক্ষণ না বাস্তবায়িত হচ্ছে ততক্ষণ আন্দোলন থেকে সরছেন না তাঁরা। 

    জুনিয়র ডাক্তারদের বক্তব্য

    তবে মুখ্যমন্ত্রীর মুখের কথায় চিঁড়ে যে ভেজার নয়, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তার দেবাশিস হালদারের কথায়, “যতক্ষণ না অবধি এর বাস্তবায়ন ঘটছে, ততক্ষণ অবধি আমরা আমাদের আন্দোলন, অবস্থান, কর্মবিরতি নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেব না। আগে বাস্তবায়ন হবে, সুপ্রিম কোর্টে মঙ্গলবার শুনানি হবে, তারপর আমরা প্রত্যেকটা কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা সকলে বসে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেব। তার আগে নয়।” জুনিয়র চিকিৎসক অনিকেত মাহাতো বলেন, আন্দোলনের ৩৮তম দিনে এসে মুখ্যমন্ত্রী আলোচনা করলেন। তাঁর কথায়, “সুপ্রিম কোর্টে যেমন মামলা চলছে, তেমনই রাজ্য সরকারের কাছেও আমাদের কিছু দাবিদাওয়া আছে। বারবার আমরা তাই আলোচনায় বসতে চেয়েছি। আমাদের সদিচ্ছার কোনও অভাব ছিল না। ৯ তারিখের ঘটনা ও পরবর্তী ঘটনাক্রমে বাধ্য হয়েছেন উনি বলতে যে, সিপিকে সরানো হবে। ডিসি নর্থকেও সরানোর কথা বলেন।”

    অর্ডার না বেরোনো অবধি আন্দোলন চলবে

    মুখ্যমন্ত্রী মেডিক্যাল কলেজের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দের কথা বললেও জুনিয়র চিকিৎসকদের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক পরিবেশ যদি না থাকে যত টাকাই দেওয়া হোক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। আন্দোলনের অন্যতম মুখ কিঞ্জল নন্দ বলেন, “প্রথম থেকে যে স্বচ্ছতার কথা আমরা বলেছি, সেটাই আমাদের শক্তি। আজ সরকার বাধ্য হয়েছে আমাদের দাবি মেনে নিতে। তবে এখনও বহু দাবি মানা বাকি। এখনও কোনও অর্ডার বেরোয়নি। তাই অর্ডার না বেরোনো অবধি আমাদের আন্দোলন চলবে। আমরা কোনও আপস করতে আসিনি। আমরা বিচার চাই। সেই বিচারের দাবিতে আমাদের লড়াই চলছে চলবে।”

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে এবার ‘আকাশ দখল’, বিশ্বকর্মা পুজোয় কালো ঘুড়ি উড়িয়ে প্রতিবাদ

    দাবি এখনও অধরা

    সোমবার হল বৈঠক। পাঁচ দফা দাবিতে অনড় জুনিয়র ডাক্তাররা কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন। কিন্তু, সেই বৈঠকেও জুনিয়র ডাক্তারদের সব দাবি মানা হল না। আরজি কর কাণ্ডের পর স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে দুর্নীতি, থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে সরব হন জুনিয়র ডাক্তাররা। স্বাস্থ্য অধিকর্তা, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা ও স্বাস্থ্য সচিবকে সরানোর দাবি জানান। বৈঠকে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তাকে বদল করা হবে। তবে স্বাস্থ্য সচিবকে সরানো হচ্ছে না। স্বাস্থ্য সচিবকে না সরানোয় আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা যে খুশি নন, তা তাঁরা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। 

    অন্যদিকে, আরজি কর কাণ্ডের পর কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠক করেছেন। আরজি করে ঘটনার পর সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন এসএসকেএমের জুনিয়র ডাক্তার অভীক দে। তাঁকে ফ্রিঙ্গারপ্রিন্ট এক্সপার্ট বলেছিলেন ডিসি সেন্ট্রাল। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও ডিসি নর্থকে সরানো হলেও ডিসি সেন্ট্রালের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। 

    এর পরই, আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা জানালেন, তাঁদের স্বাস্থ্য ভবন সাফাই অভিযান সম্পূর্ণ হয়নি। সব দাবি মানা হয়নি। ফলে, তাঁদের আন্দোলনও থামছে না। তাঁদের কর্মবিরতিতেও ছেদ পড়ছে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vishwakarma Puja 2024: আজ বিশ্বকর্মা পুজো, জানুন দেবশিল্পীর পৌরাণিক কথা

    Vishwakarma Puja 2024: আজ বিশ্বকর্মা পুজো, জানুন দেবশিল্পীর পৌরাণিক কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বিশ্বকর্মা পুজো। প্রতিবছর ভাদ্রপদ মাসের সংক্রান্তির দিন উদযাপিত হয় এই পুজো। মধ্যবিত্ত বাঙালির বিশ্বকর্মা পুজো (Vishwakarma Puja 2024) মানে সকালে উঠেই সাইকেল বা মোটরবাইক ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা। এরপর ফুল-চন্দন দিয়ে তা পুজো করা। যা কিছু যন্ত্র, তাই যেন আমাদের কাছে বিশ্বকর্মা। বড় বড় শিল্পকারখানা তো বটেই, পাশাপাশি ছোটখাট কল-কারখানাগুলোতে বা দোকানগুলোতেও হয় পুজো। সকালে বিশ্বকর্মার আরাধনা, দুপুরে পেট ভরে মাংস-ভাত। শুধু বাংলায় নয়, সারা দেশেই সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বকর্মা পুজো। শ্রমজীবী মানুষের আপন দেবতা বিশ্বকর্মা (Vishwakarma Puja)। বক্স বাজিয়ে, প্রতিমা সাজিয়ে, আলোর মালায় চলে দেবকূলের ইঞ্জিনিয়ারের আরাধনা।

    দেবশিল্পীর পৌরাণিক কাহিনী (Vishwakarma Puja 2024)

    পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, সত্যযুগে স্বর্গ গড়েছিলেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা। ভক্তদের বিশ্বাস, মর্ত্যলোকেও তাঁর অবদান কম নয়, পুরীর জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার নির্মাণ করেন তিনি। আবার ত্রেতা যুগে ভগবান কৃষ্ণের সাম্রাজ্য দ্বারকা তাঁর হাতেই গড়া। হস্তিনাপুরও তাঁর হাতেই গড়া বলে পৌরাণিক মত রয়েছে। মহাদেবের ত্রিশূল হোক বা শ্রীহরির সুদর্শন চক্র, সবটাই তৈরি করেছিলেন বিশ্বকর্মা (Vishwakarma Puja 2024)। পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, হনুমানের গদা, যমরাজের কালদণ্ড, কর্ণের কুণ্ডল এবং কুবেরের পুষ্পক বিমানও তৈরি করেছিলেন তিনি। দধীচির হাড় থেকে ইন্দ্রের জন্য বজ্র, রাবণের লঙ্কাপুরী ইনিই নির্মাণ করেছিলেন। রামসেতু তৈরির সময় ইনি নলবানরকে সৃষ্টি করেন বলে পৌরাণিক মত রয়েছে।

    বিশ্বকর্মা অনেক জন ছিলেন! 

    বিশ্বকর্মার জন্ম নিয়ে নানা মত রয়েছে পুরাণে। শাস্ত্রবিদরা মনে করেন, এখন বিশ্বকর্মাকে (Vishwakarma Puja 2024) একজন দেবতা হিসাবে ভাবা হলেও, আসলে বিশ্বকর্মা অনেক জন ছিলেন। নানা দেবতা নানা সময়ে বিশ্বকর্মার দায়িত্ব পালন করেছেন। মোট কথায় এটি কোনও দেবতার নাম নয়, এটি আসলে দেবতার মধ্যেকার একটি উপাধি বা পদ। কারুকার্যে পারদর্শী দেবতা হতেন বিশ্বকর্মা । বিশ্বকর্মা পুরাণ অনুসারে, আদি নারায়ণ প্রথমে সৃষ্টি করেন ব্রহ্মার এবং তারপরেই বিশ্বকর্মার সৃষ্টি করেন। বরাহ পুরাণও বলছে, ভগবান ব্রহ্মা বিশ্বকর্মাকে সৃষ্টি করেছিলেন। পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, বিরাট বিশ্বকর্মা প্রথম, ধর্মবংশী বিশ্বকর্মা হলেন দ্বিতীয়, অঙ্গিরাবংশী বিশ্বকর্মা হলেন তৃতীয়, সুধন্ব বিশ্বকর্মা (Vishwakarma Puja) হলেন চতুর্থ। অসুরগুরু শুক্রাচার্যের নাতি ছিলেন ভৃগুবংশী বিশ্বকর্মা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি নয়, গাফিলতিতে মৃত্যু, সরকারি ক্ষতিপূরণ ফেরাল পরিবার

    Balurghat: জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি নয়, গাফিলতিতে মৃত্যু, সরকারি ক্ষতিপূরণ ফেরাল পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে রাজ্যে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করে তাদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সরকারের প্রকাশিত তালিকাকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন চিকিৎসকরা। আর সেই তালিকায় থাকা প্রথম নামের পরিবারই প্রশ্নের মুখে ফেলে দিল সরকারকে। শিবম শর্মা নামে বালুরঘাটের (Balurghat) বাসিন্দা ওই শিশুর পরিবার জানিয়েছে, জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের সঙ্গে তাঁদের বাড়ির ছেলের মৃত্যুর কোনও সম্পর্ক নেই। এক চিকিৎসকের গাফিলতির কারণেই তাঁদের বাড়ির ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এমনই দাবি করল বালুরঘাটে পথদুর্ঘটনায় মৃত শিশুর পরিবার। এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে সরকারের দু’লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ নিতেও অস্বীকার করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    গত ৯ অগস্ট আরজি কর-কাণ্ডে বিচার চেয়ে কর্মবিরতি শুরু করেছিলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা (Junior Doctor)। আর তার তিন দিন পরে ১২ অগাস্ট পথদুর্ঘটনায় জখম হয়ে পরে বালুরঘাট (Balurghat) হাসপাতালে মারা যায় তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া শিবম শর্মা। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি করানোর কয়েক ঘণ্টা পরেও সেখানে কোনও চিকিৎসক আসেননি। কার্যত বিনা চিকিৎসায় ওই শিশুর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে শিবমের আত্মীয়স্বজন অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে হাসপাতালে ভাঙচুর করেন। তাঁরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন হাসপাতালের সুপার এবং জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে। সেই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কমিটিও তৈরি করে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। কিন্তু ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা জানানো হয়নি বলে দাবি পরিবারের। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুন: আরজি করকাণ্ডে টালা থানার প্রাক্তন ওসির স্ত্রী, আরও ৪ পুলিশ অফিসারকে তলব

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    মৃতের পরিবারের লোকজনের (Balurghat) বক্তব্য, জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের জেরে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে বলে যা প্রচার করা হচ্ছে, তা মিথ্যা। তাই তাঁরা টাকা চান না, বিচার চান। চিকিৎসকের শাস্তিও দাবি করেন তাঁরা। মৃত শিশুর পিসতুতো দাদা পবিত্র সূত্রধর বলেন, “ঘটনার দিন আমার ভাইকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর কয়েক ঘণ্টা পরে চিকিৎসক আসেন। চিকিৎসায় দেরির কারণেই আমার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।” নিহত শিশুর দিদি রিঙ্কি শর্মা বলেন, “বালুরঘাটে কোনও মেডিক্যাল কলেজই নেই, জুনিয়র ডাক্তার থাকবে কী করে? জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের সঙ্গে আমার ভাইয়ের মৃত্যুর কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা দোষী চিকিৎসকের শাস্তি চাই। কিন্তু পুলিশ অভিযোগ নিচ্ছে না।”

    সরব সুকান্ত

    বালুরঘাটের (Balurghat) শিশুর নাম ক্ষতিপূরণ প্রাপকদের তালিকায় দেখে প্রশ্ন তুলেছিলেন স্থানীয় সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর প্রশ্ন, আমার জেলায় কোনও মেডিক্যাল কলেজ নেই, তাহলে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির জন্য সেখানে কারও মৃত্যু হতে পারে কী করে? সুকান্তর সাংবাদিক বৈঠকের পরেই মুখ খোলে শিবম শর্মার পরিবার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share