Tag: Madhyom

Madhyom

  • Durga Puja 2024: স্বপ্নদীপের মৃত্যুই অনুপ্রেরণা, ফেলে দেওয়া পেন-পেন্সিল দিয়ে অভিনব দুর্গাপ্রতিমা

    Durga Puja 2024: স্বপ্নদীপের মৃত্যুই অনুপ্রেরণা, ফেলে দেওয়া পেন-পেন্সিল দিয়ে অভিনব দুর্গাপ্রতিমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, কোনও কিছুই ফেলে দিতে নেই। ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়েই গড়ে উঠতে পারে অনেক কিছু। এবার হাজার হাজার কালি ফুরানো পেন ও পেন্সিল দিয়ে দৃষ্টিনন্দন দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করলেন নদিয়ার এক গৃহবধূ। প্রায় ৯ মাসের প্রচেষ্টায় এখন পুরোপুরি সম্পূর্ণ দুর্গাপ্রতিমা (Durga Puja 2024) তৈরির কাজ। হ্যাঁ, এমনই এক দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিলেন নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জ বাজার সংলগ্ন সত্যনগর পাড়ার গৃহবধূ পাপিয়া কর। তিনি একজন পেশায় হস্তশিল্পী। যদিও সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে তাঁর অনেক। সমাজের পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিশুদের দেখাশোনা করেন তিনি এবং নির্দিষ্ট সময় বের করে শিক্ষা প্রদান করে। এই নিয়েই বর্তমানে দিন কাটে পাপিয়ার।

    স্বপ্নদীপের মৃত্যুই নাড়িয়ে দিয়েছিল (Durga Puja 2024)

    প্রায় এক বছর আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল নদিয়ার যুবক স্বপ্নদ্বীপের। তরতাজা প্রাণ চলে যাওয়ার কারণে তাঁর মনে উঠে এসেছিল প্রতিবাদের ভাবনা। তিনি মনে মনে ভেবেছিলেন, এমন কিছু করে দেখাবেন যেখানে দুর্গামূর্তির মধ্যে দিয়ে প্রতিবাদ তুলে ধরতে পারেন। এরপর থেকেই সংগ্রহ করতে থাকেন কালি ফুরিয়ে যাওয়া পেন ও পেন্সিল। তার পর থেকেই শুরু করেন দুর্গাপ্রতিমা তৈরির কাজ।

    লক্ষ্য, শিক্ষিত অসুরদের বিনাশ

    প্রায় ৩০ হাজার পেন ও পেন্সিল দিয়ে তৈরি করে ফেলেন দুর্গাপ্রতিমা (Durga Puja 2024), সঙ্গে রয়েছে মা দুর্গার চার সন্তান। কার্তিক, গণেশ, সরস্বতী ও  লক্ষ্মী-প্রত্যেকটি মূর্তি পেন ও পেন্সিল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। নাম দিয়েছেন অশুভ শক্তির বিনাশ হোক, শুভ শক্তির আগমন হোক, অর্থাৎ কলমকারী দুর্গা। এ প্রসঙ্গে গৃহবধূ পাপিয়ার কথায়,, স্বপ্নদ্বীপের মৃত্যুতে তিনি খুবই ভেঙে পড়েছিলেন, ভেবেছিলেন হয়তো সবাই ঝাঁপিয়ে প্রতিবাদে নামবে। তার পরও ঘটে গেল আরজি করের ডাক্তারি পড়ুয়ার সঙ্গে নৃশংস ঘটনা। তাই শিক্ষিত অসুরদের বিনাশ করতে তিনি প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে দুর্গাপ্রতিমার নাম দিয়েছেন কলমকারী দুর্গা (Durga Puja 2024)। তাঁর তৈরি দুর্গাপ্রতিমা পাড়ি দেবে নদিয়ার রানাঘাট পাইকপাড়া ব্রতী সঙ্ঘের পুজো মণ্ডপে। জানা গিয়েছে, ওই মণ্ডপের থিম তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে, এখন শুধু পুজো আসার অপেক্ষা। একটা সময় কাজের প্রতিভার মধ্যে দিয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছিলেন দিদি নম্বর ওয়ান এবং দাদাগিরির মঞ্চ জি বাংলার রান্নাঘরের মতো জায়গায়। তাঁর পরিচিতি এখন গোটা বাংলা জুড়ে, কারণ তিনি শুধু হস্তশিল্পী নন, প্রতিদিনই অনেক দুঃস্থ পরিবারের ৩০ থেকে ৪০টি বাচ্চার দেখাশোনা করেন। হাতে-কলমে শেখানো হয় পড়াশুনো, পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বলের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: ২২ জানুয়ারি বেঙ্গালুরুতে বিজেপি দফতর ওড়ানোর ছক ছিল জঙ্গিদের, দাবি এনআইএ-এর

    NIA: ২২ জানুয়ারি বেঙ্গালুরুতে বিজেপি দফতর ওড়ানোর ছক ছিল জঙ্গিদের, দাবি এনআইএ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনই বেঙ্গালুরুতে বিজেপির সদর দফতরে আইইডি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করেছিল রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণের অভিযুক্তরা। তদন্তে নেমে চার্জশিটে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ (NIA)। এই তথ্য ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

    এনআইএ-এর বক্তব্য(NIA)

    ৯ সেপ্টেম্বর, এক বিবৃতি দিয়ে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি অর্থাৎ এনআইএ (NIA) জানিয়েছে, রামেশ্বরমে বিস্ফোরণের পিছনে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও বেঙ্গালুরুর মল্লেশ্বরামে বিজেপির সদর দফতরকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল৷ একই ভাবে এনআইএ আরও দাবি করে, অভিযুক্তরা গত ২২ জানুয়ারি, অযোধ্যায় প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানের দিনেই ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। তবে এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় যার পরে, গত মার্চের ১ তারিখ অভিযুক্তরা রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল। সেখানে মোট ৯ জন আহত হয়েছিলেন।

    কোন কোন ধারায় মামলা?

    রামেশ্বরম বিস্ফোরণ মামলায় দায়ের করা চার্জশিটে প্রধান অভিযুক্ত হিসেব যে সব দুষ্কৃতীদের নাম রয়েছে, তারা হল—মুসাভির হুসেন শাজিব, আবদুল মতিন আহমেদ ত্বহা, মাজ মুনির আহমেদ এবং মুজাম্মিল শরিফ। এই চারজনকে তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করছে। তাদের বিরুদ্ধে এনআইএ (NIA) আইপিসি (IPC), ইউএপিএ (UAPA) আইন, বিস্ফোরক পদার্থ আইন এবং পিডিএলপি (PDLP) আইনের ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে সংযোগ

    এনআইএ (NIA) ২০১২ সাল থেকে লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি) বেঙ্গালুরু ষড়যন্ত্র মামলায় মহম্মদ শাহিদ ফয়জালকে পলাতক জঙ্গি হিসাবে নাম প্রকাশ করেছিল৷ নাশকতামূলক কাজের জন্য শাজিব ও ত্বহাকে অর্থ সহায়তা করত ওই জঙ্গি। বিস্ফোরণ মামলায় ফয়জালকে নাশকতামূলক কার্যকলাপে টাকা সরবরাহ করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে। ত্বহাকে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের পিছনে মাস্টারমাইন্ড বলে দাখিল করা চার্জশিটে উল্লেখ করেছে এনআইএ। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, ৩ মার্চ মামলাটি হাতে নেওয়ার পরে বেশ কয়েকটি রাজ্য পুলিশ ইউনিট এবং অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতা, বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তদন্ত প্রক্রিয়া চালানো হয়। জানা গিয়েছে, ২০২০ সাল থেকে আল-হিন্দ মডিউলটি ভাঙার পর থেকে শাজিব এবং ত্বহা পলাতক হয়ে যায়। পরবর্তীতে তাদের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    আল-হিন্দের ১৭ জন সদস্যের বিরুদ্ধে চার্জশিট

    আল-হিন্দ হল ২০-সদস্যের আইসিস মডিউল। বেঙ্গালুরুতে যার নেতৃত্বে ছিল মেহবুব পাশা, কুড্ডালোর নেতৃত্বে ছিল খোয়াজা মইদিন। আবার বেঙ্গালুরুর গুরুপানপাল্যাতে পাশার আল-হিন্দ ট্রাস্ট অফিস থেকে নাশকতামূলক কাজের পরিকল্পনা করা হত। তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, এবং কেরলেও এই গ্রুপ বেশ সক্রিয় রয়েছে। মূলত জঙ্গলে আত্মগোপন করে ষড়যন্ত্রের কাজ চালানো হত। এমনকী, গভীর জঙ্গলে কীভাবে বেঁচে থাকা যায় তা শিখতে বিখ্যাত চন্দন দস্যু বীরাপ্পনের বইও কিনেছিল জঙ্গিরা। আল-হিন্দের ১৭ জন সদস্যের বিরুদ্ধে এনআইএ (NIA) চার্জশিট দিয়েছে। তাদের প্রধান টার্গেট ছিল হিন্দু ধর্মীয় নেতা, রাজনৈতিক নেতা, পুলিশ অফিসার, সরকারী আধিকারিক এবং নির্দিষ্ট উচ্চ-প্রোফাইল যুক্ত ব্যক্তি।

    আরও পড়ুনঃ মাওবাদী দমনে সক্রিয় সরকার, ৪ হাজার সিআরপিএফ পৌঁছল ছত্তিশগড়ে

    ত্বহা ছিল হামলার মূলচক্রী

    এনআইএ (NIA) জানিয়েছে, অভিযুক্তরা জালিয়াতি করে ভারতীয় সিম কার্ড এবং ভারতীয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি নিয়েছিল। সেই সঙ্গে ডার্ক ওয়েব থেকে ডাউনলোড করা বিভিন্ন ভারতীয় ও বাংলাদেশি পরিচয় নথিও ব্যবহার করেছিল। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে যে, পলাতক জঙ্গি মহম্মদ শাহিদ ফয়জালের সঙ্গে লস্কর জঙ্গি শোয়েব আহমেদ মির্জার পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল ত্বহা। মামলায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এনআইএ-র মতে, ত্বহা ছিল হামলার মূলচক্রী। মুসাভির হোসেন শাজিব ছিল বিস্ফোরণ হামলাকারী। মুজাম্মিল শরিফ, হামলার সরঞ্জাম হিসেবে সিম কার্ড-স্মার্টফোনের সরবরাহ করেছিল। বিস্ফোরণ বাস্তবায়নে মাজ মুনির আহমেদ এবং শোয়েব আহমেদ মির্জা সক্রিয় ভাবে কাজ করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Derailment Attempt: লাইনে সিলিন্ডার, সিমেন্টের ব্লক! রেল দুর্ঘটনা ঘটানোর চক্রান্ত! নেপথ্যে জঙ্গি-হাত?

    Train Derailment Attempt: লাইনে সিলিন্ডার, সিমেন্টের ব্লক! রেল দুর্ঘটনা ঘটানোর চক্রান্ত! নেপথ্যে জঙ্গি-হাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার কানপুরের শিবরাজপুরের কাছে রেললাইনের ওপর রাখা ছিল রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার (Train Derailment Attempt)। অল্পের জন্য রক্ষা পায় কালিন্দি এক্সপ্রেস। সোমবার, রাজস্থানের আজমের মালবাহী করিডরের রেললাইনে প্রায় ৭০ কেজি ওজনের সিমেন্টের দুটি ব্লক রেখে দেওয়া হয়েছিল। যার এক-একটির ওজন প্রায় ৭০ কেজি! 

    জঙ্গিদের পদ্ধতি বদল

    দু’দিন। দু’জায়গা। দুটি ক্ষেত্রেই লাইনচ্যুত (Train Sabotage Foiled) করানোর চেষ্টা হয়েছে ট্রেন। গত কয়েক মাসে এ ধরনের ঘটনা বেড়েছে বই কমেনি। এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, জঙ্গিরা এখন বিস্ফোরণের ছক থেকে বেরিয়ে এসে বিকল্প পন্থা অবলম্বন করার চেষ্টা করছে। প্রথমত, সড়ক, জল বা আকাশপথে এখন নজরদারি কঠোর যাওয়ায়, বিস্ফোরণ ঘটানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে জঙ্গিদের কাছে। দ্বিতীয়ত, চারদিকে, সিসি ক্যামেরার ফলে, তাদের সব কার্যকলাপ ধরা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যে কারণে, শহর থেকে দূরে, জনমানসহীন এলাকায় রেললাইনে ফাঁদ পেতে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা (Train Derailment Attempt) করছে জঙ্গিরা। 

    কানপুরে লাইনে সিলিন্ডার

    সোমবার কানপুরে অল্পের জন্য রক্ষা পায় কালিন্দি এক্সপ্রেস। যাত্রীবাহি ট্রেনটি প্রয়াগরাজ থেকে যাচ্ছিল মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্ডিতে। রেল সূত্রে খবর, কানপুরের শিবরাজপুরের কাছে রেললাইনের ওপর রাখা ছিল রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার। চালকের তৎপরতায় এড়ানো গিয়েছে বড়সড় দুর্ঘটনা। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে আসে আরপিএফ। সিলিন্ডারটি উদ্ধার করার পাশাপাশি আরও কিছু সন্দেহজনক জিনিসও উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। রেল লাইনে যে জায়গা থেকে সিলিন্ডারটি উদ্ধার হয়েছে, সেখান থেকে বোতল ভর্তি একটি হলুদ রংয়ের পদার্থও পাওয়া গিয়েছে (Train Derailment Attempt)। লাইনের ওপর থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক পেট্রল ভরা বোতল ও দেশলাই। ট্র্যাকে ভারী কিছু লোহার জিনিস ঘষার চিহ্নও দেখা গিয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সিলিন্ডারটিতে বিস্ফোরক কিছু থাকলেও, থাকতে পারে। তদন্তকারীরা একটি ব্যাগও উদ্ধার করেছেন।

    রেললাইনে সিমেন্টের ব্লক

    কানপুরের এই ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি, ফের একই রকম দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টার খবর এল রাজস্থানের আজমের থেকে। এবার মালবাহী করিডরের রেললাইনে প্রায় ৭০ কেজি ওজনের সিমেন্টের দুটি ব্লক রেখেছিল দুষ্কৃতীরা। এই করিডর দিয়েই একটি মালগাড়ি গিয়েছিল। সিমেন্টের ব্লকের সঙ্গে মালগাড়িটির ধাক্কা লাগলেও, ট্রেনটির কোনও ক্ষতি হয়নি। ট্রেনটি ঠিকঠাকই গন্তব্যে পৌঁছেছে। সোমবার রাত প্রায় সাড়ে ১০টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে ফুলেরা-আমেদাবাদ অংশের সরাধনা ও বাঙ্গাদ স্টেশনের মাঝে। খবর পেয়ে এলাকায় যান রেলকর্মীরা। তাঁরা প্রথমে রেললাইনের ওপর সিমেন্টের একটি ব্লক দেখতে পান। পরে কিছুটা দূরেই দেখা মেলে আরও একটি ব্লকের। রেলওয়ে আইন ও সরকারি সম্পত্তি ক্ষতি প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। এই ঘটনায়ও নাশকতার চেষ্টার হাত দেখছেন তদন্তকারীদের একাংশ। লাইনের ওপর সিমেন্টের ব্লক না রাখলে, সেটি কোনওভাবেই সেখানে আসার কথা নয়। তাই দুষ্কৃতীদের উদ্দেশ্য কী, কেনই বা তারা মালগাড়ির করিডরে সিমেন্টের ব্লক রাখল, তাও স্পষ্ট নয়। এসবই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।  

    আরও পড়ুন: মণিপুর হিংসায় আন্তর্জাতিক যোগ! শান্তি ফেরাতে সরকারকে আর্জি আরএসএস-এর

    রেললাইনে বাইকের স্ক্র্যাপ 

    রাজস্থানের বারান জেলার ঘটনার কথাই ধরা যাক। ২৯ অগাস্ট রাতে ছাবড়া এলাকার চাচাউদা গ্রামের কাছে কে বা কারা রেললাইনের ওপর রেখে দিয়েছিল বাইকের স্ক্র্যাপ। ঘটনাটি নজরে পড়ায় চালক ব্রেক কষেন। বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায় ট্রেনটি। এই ঘটনার নেপথ্যে যে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে, তা জলের মতো স্পষ্ট। কারণ দুর্ঘটনা ছাড়া রেলের লাইনে বাইকের স্ক্র্যাপ আসার কথা নয়। সেদিন ওই এলাকায় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে রেল সূত্রে খবর। প্রশ্ন হল, রেলওয়ে ট্র্যাকের ওপর কারা রাখল বাইকের স্ক্র্যাপ?

    রেললাইনে বোল্ডার

    রেললাইনের ওপর (Train Derailment Attempt) বোল্ডার ফেলে রাখায় লাইনচ্যুত হয়েছে সবরমতী এক্সপ্রেস। ভোর রাতে বারাণসী থেকে আমেদাবাদ যাওয়ার ১৯১৬৮ নম্বরের ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয় উত্তরপ্রদেশের কানপুর ও ভীমসেন স্টেশনের মাঝে। ঝাঁসির দিকে যাওয়ার সময় ট্রেনটি গিয়ে ধাক্কা মারে লাইনের ওপর থাকা বোল্ডারে। বেলাইন হয় ট্রেনটি। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই। স্থানীয়দের দাবি, রেলের গতি কম থাকায়ই এড়ানো গিয়েছে মৃত্যু। দুর্ঘটনার নেপথ্যে নাশকতার ছক রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে রেল। লাইনের ওপর বোল্ডার আসার কথা নয়। তাই বোল্ডারটি কীভাবে রেলওয়ে ট্র্যাকে চলে এল, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। ঘটনার পরে (Train Sabotage Foiled) পরে রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছিলেন, বোল্ডারের সঙ্গে ধাক্কা লাগায় ট্রেনের সামনে থাকা ক্যাটল গার্ডের ক্ষতি হয়েছে। নাশকতার ইঙ্গিত মিলেছে রেলমন্ত্রী অশ্বনী বৈষ্ণবের কথায়ও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছিলেন “ভারী ধাক্কার চিহ্ন রয়েছে। তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গোয়েন্দা বিভাগ ও উত্তরপ্রদেশ পুলিশ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।”

    সরকারকে হেয় করার চেষ্টা!

    এর আগেও এমনতর ঘটনা (Train Derailment Attempt) ঘটেছে। মোদি সরকারকে জনমানসে হেয় করতে রেললাইনের ওপর ফেলে রাখা হয়েছে আস্ত গাছের গুঁড়ি। গত জুনে ঘটনাটি ঘটে ওড়িশার ভদ্রকে। ওই বছরেরই অক্টোবরে ছত্তিশগড় ও রাজস্থানের মধ্যে সংযোগকারী রেললাইনে ফেলে রাখা হয় পাথর। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তামিলনাড়ুতে বন্দে ভারত লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। পশ্চিমবঙ্গের মালদায় সিগন্যাল টেম্পারিং করা হয়। পশ্চিমবঙ্গেরই বীরভূমে ভাঙচুর করা হয় লোকাল ট্রেনে। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে আবার রেললাইনের ওপর ফেলে রাখা হয় গ্যাস সিলিন্ডার, হাতুড়ি। এরই কিছুদিন পরেই ফের এই এলাকায় রেললাইনে ফেলে রাখা হয় গ্যাস সিলিন্ডার এবং সাইকেল। রেললাইনের ওপর আস্ত বাইক রেখে চলে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। এবারও অকুস্থল সেই প্রয়াগরাজ। তেলঙ্গনায় আবার রেললাইনের ওপর ফেলে রাখা হয়েছিল লোহার ইয়া বড় রড (Train Derailment Attempt)। উত্তরপ্রদেশের কানপুরে রেললাইন থেকে উদ্ধার হয় গ্যাস সিলিন্ডার।

    কী বলছে বিজেপি

    বারংবার এমন ঘটনা ঘটার নেপথ্যে যে কোনও গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র রয়েছে তা মনে করেছেন অনেকেই। বিজেপির মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেন, “কিছু ব্যক্তি ও সংস্থা দেশে অরাজকতা ও অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এমনটা সহ্য করবে না। ঘটনাপ্রবাহকে তিনি ষড়যন্ত্র বলেই মনে করেন।” ভাটিয়া বলেন, “এটা উদ্বেগের বিষয় যে কিছু ব্যক্তি ও সংস্থা রয়েছে যারা ক্ষমতার লোভে দেশে দাঙ্গা ও অশান্তি পাকাতে চায়। এ ধরনের কাজের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: ‘‘টাকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন’’, মমতাকে তোপ নির্যাতিতার মায়ের

    জঙ্গি-যোগের প্রমাণ!

    এদিকে, উত্তরপ্রদেশের কানপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত করার চেষ্টায় জঙ্গি যোগের প্রমাণ মিলেছে। জঙ্গিরা প্রয়াগরাজ-ভিওয়ানি কালিন্দি এক্সপ্রেস উল্টে দেওয়ার ছক কষেছিল। তদন্তকারীদের অনুমান, যে এই ষড়যন্ত্রের চাঁই, সে স্ব-উগ্রপন্থী। সে আইসিসের খোরাসান মডিউলের সঙ্গে জড়িত বলে অনুমান তদন্তকারীদের। ঘটনাস্থলে যাচ্ছে এনআইএ। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে জানা যাবে, ঘটনার (Train Sabotage Foiled) নেপথ্যে কোন জঙ্গি গোষ্ঠী কিংবা কোন দুষ্কৃতীর হাত (Train Derailment Attempt)। কানপুরের ঘটনা খতিয়ে দেখছে এনআইএ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • North Bengal Medical: আন্দোলনের ঝাঁঝ! নম্বর দুর্নীতিতে প্রাক্তন ডিন সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    North Bengal Medical: আন্দোলনের ঝাঁঝ! নম্বর দুর্নীতিতে প্রাক্তন ডিন সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের মতো উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল (North Bengal Medical) কলেজেও টিএমসিপি নেতাদের ‘থ্রেট কালচার’-এর ফলে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। সেই সঙ্গে পরীক্ষায় কারচুপির বিস্তর অভিযোগ ছিল। বিশেষ করে নম্বর দুর্নীতির বিষয়টি সামনে আসতেই জুনিয়র ডাক্তার ও পড়ুয়াদের আন্দোলনের চাপে ১২ জনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে প্রাক্তন ডিন ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিন ও একজন আরএমও রয়েছেন।

     কীভাবে চলত থ্রেট কালচার? (North Bengal Medical)

    আন্দোলনকারী পড়ুয়া-চিকিৎসকদের অভিযোগ, টিএমসিপি নেতাদের হাতের পুতুল হয়েছিলেন মেডিক্যাল কলেজ (North Bengal Medical) কর্তৃপক্ষ। থ্রেট কালচারের পাশাপাশি টিএমসিপি নেতাদের নির্দেশে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে (Siliguri) এতদিন চলে এসেছিল পরীক্ষায় নম্বরে কারচুপি, নকলে মদত দেওয়ার ঘটনা। কলেজ অনুষ্ঠানে টাকা তোলার জন্য জুলুম ও হুমকি দেওয়া হত। সেই টাকার কোনওদিন অডিট হয়নি। ৫২ নম্বর পাওয়া এক পড়ুয়ার নম্বর বাড়িয়ে ৮২ করে দেওয়া হয়েছিল।

    গত ৪ সেপ্টেম্বর এর প্রতিবাদে পড়ুয়া ও জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের চাপে একথা স্বীকার করে পদত্যাগ করেন মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন ডিন সন্দীপ সেনগুপ্ত, সহকারি ডিন সুদীপ্ত শীল। এই দু’জনের সঙ্গে মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিত সাহার পদত্যাগের দাবিতে গত ৪ সেপ্টেম্বর আন্দোলনকারীরা তাঁদের ঘেরাও করে রাখেন। রাতে সন্দীপ সেনগুপ্ত, সহকারি ডিন সুদীপ্ত শীল পদত্যাগ করলেও আশ্চর্যজনকভাবে অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিত সাহার পদত্যাগের দাবি থেকে সরে আসেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    আরও পড়ুন: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

     প্রাক্তন ডিন সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা!

    আন্দোলনের (North Bengal Medical) চাপে সুপারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন অধ্যক্ষ। তদন্তে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে আলোকপাত করা হয়নি। থ্রেট কালচারের হুমকি নিয়ে তদন্ত কমিটি সবপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সোমবার রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টেই তিন আধিকারিক সহ মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ৯ ছাত্র নেতা। আধিকারিকদের মধ্যে প্রাক্তন ডিন সন্দীপ সেনগুপ্ত, সহকারি ডিন সুদীপ্ত শীল ও আরএমও নিলাব্জ ঘোষকে আপাতত ছুটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে কলেজ কাউন্সিল। অধ্যক্ষ বলেন, তিন হাউসস্টাফ শাহিন সরকার, শাহিনুল ইসলাম ও রিতুরম্ভ সরকার, সোহম মণ্ডল, জয় লাকড়া, তীর্থঙ্কর রায়, অরিত্র রায়, ঐশি চক্রবর্তী, শ্রীজা কর্মকারকেও বহিষ্কার করার সুপারিশ করা হয়েছে। সোহম মণ্ডল সহ যাদের নম্বর কারচুপি করার অভিযোগ রয়েছে, তাদের সকলের খাতা ফের মুল্যায়ন করা হবে। এদের মধ্যে তৃণমূল ছাত্র নেতা সোহম মণ্ডল ইন্টার্ন। অরিত্র ও তীর্থঙ্কর ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র। ঐশি, শ্রীজা ও জয় লাকড়া তৃতীয় বর্ষের পার্ট-১ এর ছাত্র।

    অধ্যক্ষ কেন তদন্তের বাইরে?

    অন্যতম অভিযুক্ত টিএমসিপির বরখাস্ত নেতা অভীক দে এখানে অবৈধভাবে অডিটোরিয়াম (North Bengal Medical) দখল করে তাঁর জন্মদিন পালন করেছিলেন। অধ্যক্ষ সেই অনুষ্ঠানে থেকেছেন। অভীকের হাত থেকে কেকও খেয়েছেন তিনি। সেকথা স্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ। তাতেই প্রশ্ন, অধ্যক্ষ কেন তদন্তের বাইরে? এই প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, ‘‘এখানে সবাই আমার অধস্তন। তাই আমার বিরুদ্ধে যা অভিযোগ রয়েছে, তার সবটাই রাজ্য স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।’’ এ প্রসঙ্গে আন্দোলনকারীদের তরফে শাহরিয়ার আলম বলেন,  ‘‘আমরা অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবি থেকে সরে আসছি না। তাঁর ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নেয় দেখে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rainbow Diet: খাবারের তালিকায় ‘রামধনু’ রয়েছে তো? শরীর ও মন সুস্থ রাখতে কেন এটি জরুরি?

    Rainbow Diet: খাবারের তালিকায় ‘রামধনু’ রয়েছে তো? শরীর ও মন সুস্থ রাখতে কেন এটি জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আধুনিক জীবন যাপনের ধরনের জেরে বাড়ছে নানা রোগ। হৃদরোগ, স্নায়ুর সমস্যা, স্থূলতা থেকে বন্ধ্যাত্বের মতো জটিল অসুখের অন্যতম কারণ খাবার, এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস কেমন, তার ওপরই সুস্থতা অনেকটা নির্ভর করে। তাই কী খাওয়া হচ্ছে, কতটা পরিমাণে খাওয়া হচ্ছে, সে দিকে নজরদারি জরুরি। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, খুব কম বয়স থেকেই নিয়মিত খাবারের তালিকায় থাকবে ‘রামধনু’!  ‘রেইনবো’ খাদ্যাভ্যাস শরীর ও মনকে (Body and Mind) সুস্থ রাখে‌।

    ‘রেইনবো’ খাদ্যাভাস কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, খাবারের তালিকায় রামধনু রাখার অর্থ নির্দিষ্ট কিছু ধরনের সব্জি এবং ফল নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। রামধনুতে (Rainbow Diet) থাকে সাত রকমের রং। নিয়মিত খাবারের তালিকাতেও রাখতে হবে এমন নানা রঙের সব্জি এবং ফল। এই প্রত্যেকটি ফল এবং সব্জির কিছু নির্দিষ্ট পুষ্টিগুণ রয়েছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিট, গাজর, পালং শাক, ব্রকোলি, ডুমুর, রাঙা আলুর মতো সব্জির পাশপাশি পাকা পেঁপে, কমলালেবু, আপেল, আম, কলা, নাশপাতির মতো ফল নিয়মিত খেতে হবে। তবেই শরীর সুস্থ থাকবে। কিন্তু কেন‌ ডায়েটে রামধনু রাখলে বাড়তি উপকার? চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, রামধনু সব্জি এবং ফল হিসেবে যেগুলো‌ তালিকায় রাখা হয়, সেগুলো বাড়তি উপকারী। তার কিছু নির্দিষ্ট কারণ আছে বলেও তারা জানিয়েছে। 

    কমলা (Rainbow Diet)

    পুষ্টিবিদেরা জানাচ্ছেন, কমলা রঙের গাজর নিয়মিত খেলে চোখের সমস্যা কমে। বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশই চোখের নানা সমস্যায় ভোগে। নিয়মিত গাজর খেলে রেটিনা ভালো থাকে। পাশাপাশি গাজর অন্ত্রের জন্যও বিশেষ উপকারী। আবার ফলের মধ্যে কমলা রঙের কমলালেবু কিংবা মাল্টা জাতীয় ফল রাখলে শরীরে ভিটামিন সি-র চাহিদা সহজেই পূরণ হয়। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায় না।‌ আবার মাল্টা রক্ত সঞ্চালনে বিশেষ সাহায্য করে। তাই উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও কমে।

    লাল

    লাল রঙের সব্জি হিসেবে বিট কিংবা টমেটো নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তারা জানাচ্ছে, এতে শরীরে ভিটামিন ই এবং এ-র চাহিদা সহজেই পূরণ হয়। এর ফলে ত্বক ভালো থাকে। দেহে একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। আবার লাল ফল হিসেবে স্ট্রবেরি জাতীয় ফল খেলেও উপকার পাওয়া যায়। এতে চোখের উপকার হয়। এর জেরে শুষ্ক চোখ বা ড্রাই আইয়ের মতো রোগের ঝুঁকিও কমে।

    সবুজ (Rainbow Diet)

    সবুজ সব্জি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষত পালং শাক, লাউ, পটলের মতো সবুজ সব্জি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, এই ধরনের সব্জিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই ধরনের সব্জি অন্ত্র এবং লিভারের জন্য খুবই উপকারী। তাই নিয়মিত সবুজ সব্জি খাদ্যতালিকায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। সবুজ ফল হিসেবে কিউই কিংবা নাশপাতি রাখারও পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, এই ধরনের ফলে ফাইবার, ভিটামিন সি থাকে। ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে।

    হলুদ

    পেঁপে, কলা কিংবা আমের মতো ফল নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে পুষ্টিবিদদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, পরিমিত পরিমাণে এই ধরনের ফল নিয়মিত খেলে শরীরে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। শিশুর বয়স ছ’মাস হলেই তাকে নিয়মিত একটা কলা খাওয়ানো উচিত। এতে শরীরে প্রয়োজনীয় আয়রনের চাহিদা সহজেই পূরণ হয়। পেঁপে অন্ত্র ভালো রাখে। এতে হজমের গোলমাল কম হয়। আবার আম (Rainbow Diet) ত্বক ভালো রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। আমে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট। এতে শরীর বাড়তি এনার্জি পায়। পাশপাশি হলুদ রঙের বেল পেপার জাতীয় সব্জি নিয়মিত রান্নায় দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে পুষ্টিবিদদের একাংশ।

    বেগুনি এবং নীল

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, স্থূলতা রুখতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করবে ডায়েট চার্টের এই বেগুনই রং। তারা জানাচ্ছে, নিয়মিত খাদ্য তালিকায় বেগুনের তরকারি রাখা যেতে পারে। কারণ, বেগুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। তাই অল্প পরিমাণ বেগুন খেলেও তাড়াতাড়ি পেট ভরে যায়। তাই স্থূলতা রুখতে বেগুন সাহায্য করে। আবার বেগুনে ভিটামিন বি-সিক্স রয়েছে। এই উপাদান হৃদরোগ রুখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই বেগুন (Rainbow Diet) অত্যন্ত উপকারী। 
    পাশপাশি নিয়মিত আঙুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, শরীরকে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচাতে আঙুর সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: মাওবাদী দমনে সক্রিয় সরকার, ৪ হাজার সিআরপিএফ পৌঁছল ছত্তিশগড়ে

    Chhattisgarh: মাওবাদী দমনে সক্রিয় সরকার, ৪ হাজার সিআরপিএফ পৌঁছল ছত্তিশগড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদী মুক্ত (Action against Maoist) দেশ গঠনের লক্ষ্যে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) দক্ষিণ বস্তারে ৪ হাজার বাড়তি জওয়ান মোতায়েন করল সিআরপিএফ (CRPF)। মাওবাদী ডেরা হিসাবে পরিচিত ছত্তিশগড়ের বস্তার (Bastar)। জানা গিয়েছে, ছত্তিশগড়ের বস্তারে তিন ব্যাটালিয়ান ফোর্স আনা হয়েছে ঝাড়খণ্ড থেকে। একটি ব্যাটালিয়ান ফোর্স যাচ্ছে বিহার থেকে। 

    মাও দমনে পরিকল্পনা

    ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা সোমবার বস্তারে জানিয়েছেন যে, নকশালবাদের (Action against Maoist) বিরুদ্ধে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য যা যা করা দরকার তা তাঁরা করবেন। তিনি বলেন, “এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য যা যা প্রয়োজন, সবই করা হবে। আমরা বড় লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বানে এবং মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই-এর নির্দেশনায় এই সমস্ত করা হচ্ছে যাতে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে থাকে।” উল্লেখ্য, মাওবাদী ডেরার আঁতুরঘরে গত কয়েক বছর ধরে গোয়েন্দা তথ্য ভিত্তিক কাউন্টার অপারেশন চলছে। দক্ষিণ বস্তারে মাওবাদীদের ডেরায় হানা দিয়ে বড়সড় অভিযানে নামে ফোর্স। বস্তারের মাওবাদী দুর্গে আঘাত হানা হয়। আগে, এই এলাকাগুলিতে প্রবেশ করতে পারত না সরকার। সাধারণ মানুষ তো একেবারেই না। এখন, মাওবাদীদের ১০০টি ফরোয়ার্ড অপারেটিং বেসে সিআরপিএফ টিম রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: আরজি কর কাণ্ডে এবার ইডির নজরে সন্দীপের ‘অতি পরিচিত’ নার্গিস, কে এই মহিলা?

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর লক্ষ্য

    এর আগে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) রায়পুরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেছিলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে মাওবাদী (Action against Maoist) মুক্ত হবে দেশ। তিনি জানান, মাওবাদীদের জন্য নতুন আত্মসমর্পণ নীতি আনা হবে। তাই মাওবাদীরা যাতে আত্মসমর্পণ করেন, সেই আর্জি জানান তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মাওবাদীদের সন্ত্রাস দেশের গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। এখনও পর্যন্ত মাওবাদী হামলায় অন্তত ১৭,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সেই লক্ষ্য পূরণে সক্রিয় ছত্তিশগড় সরকার। উল্লেখ্য, মাওবাদী ডেরা চূর্ণ করতে, প্রথমেই সাধারণ মানুষকে নিজের পক্ষে নেওয়ার পথে এগোয় প্রশাসন। সেখানে উন্নতমানের রাস্তা, সামাজিক উন্নয়ন, সহ একাধিক পদক্ষেপ সরকার করেছে। এর হাত ধরে ধীরে ধীরে মাওবাদীদের প্রভাব থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে আনা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Al Qaeda: ভারতে আত্মঘাতী জঙ্গি বাহিনী গড়তে চেয়েছিল ধৃত আল-কায়েদা জঙ্গি ইশতিয়াক!

    Al Qaeda: ভারতে আত্মঘাতী জঙ্গি বাহিনী গড়তে চেয়েছিল ধৃত আল-কায়েদা জঙ্গি ইশতিয়াক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পক্ষকাল আগে পুলিশ গ্রেফতার করে আল কায়েদা-লিঙ্কড (Al Qaeda) সন্ত্রাসী (Suicide Squad) মডিউলের প্রধান ডঃ ইশতিয়াককে। ঝাড়খণ্ডের রাঁচি থেকে তাকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। এবার, পুলিশের সামনে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, এই ইশতিয়াক ভারতে একটি আত্মঘাতী জঙ্গি বাহিনী তৈরি করার চেষ্টায় ছিল।

    ইশতিয়াকের কীর্তি (Al Qaeda)

    দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন ট্রেনিংয়ের। সেজন্য একটি পার্বত্য এলাকা বেছে নিয়েছিল ইশতিয়াক। এখানেই জঙ্গি তৈরি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তরুণদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও হচ্ছিল এই এলাকায়। চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য প্রকাশ করেছে দিল্লি পুলিশ। জানা গিয়েছে, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ধৃত ইশতিয়াক, ইনামুল আনসারি, শাহবাজ আনসারি, মতিউর রহমান এবং আলতাফকে নিয়ে রাঁচি পৌঁছেছে। অভিযুক্তরা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে কতদূর এগিয়েছিল, তা জানতেই রাঁচি নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের।

    ঘন জঙ্গলে শিবির

    জঙ্গিরা তদন্তকারীদের জানিয়েছে, তারা রাঁচির চানহো গ্রামের কাছে নকাটা জঙ্গলে যেত। এই জঙ্গলের আশপাশে কোনও জনবসতি নেই। তাই ঘন জঙ্গলের ভেতরে কী হচ্ছে, বাইরে থেকে কারও নজরে আসে না। তাই জায়গাটি জঙ্গিদের প্রশিক্ষণের জন্য সব চেয়ে উপযুক্ত স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। অপরাধীরা পুলিশকে জানিয়েছে, সেখানে তাদের আত্মঘাতী জঙ্গি (Suicide Squad) হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছিল। অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছিল। ধৃতেরা জানিয়েছে, তারা ইশতিয়াকের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছিল। এই ইশতিয়াকই তাদের প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিল। তাদের সবার লক্ষ্য, ভারতে ইসলামি শাসন কায়েম করা।

    আরও পড়ুন: ‘‘আমার বাড়িতে আর কোনওদিন…’’, মমতার উৎসব-মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নির্যাতিতার মা

    এই জঙ্গি দলের (Al Qaeda) নেতা ইশতিয়াক। সন্ত্রাসীদের কয়েকজন সদস্যকে একই রকম প্রশিক্ষণ দিতে রাজস্থানে পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ জেনেছে, তারা আল কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (আকিস) মডিউলের সদস্য (Suicide Squad)। তদন্তকারীরা জেনেছেন, ইশতিয়াক তার সন্ত্রাসী মডিউলকে উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানেও বিস্তৃত করেছিল। সে বিহারের লখিসরাই থেকে অস্ত্র কিনেছিল। রাজস্থানে অভিযান চালানো হয়। সেখানে থেকে একে-৪৭ রাইফেল, .৩৮ বোর রিভলভার, ৬টি তাজা কার্তুজ, .৩২ বোরের ৩০টি তাজা কার্তুজ, একে-৪৭ রাইফেলের ৩০টি কার্তুজ, ডামি ইনসাস, এয়ার রাইফেল, লোহার কনুই পাইপ, হ্যান্ড গ্রেনেড ও অন্যান্য জিনিস উদ্ধার করা হয়।

    প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ড পুলিশের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড ঝাড়খণ্ডের লোহারদাগা-সহ ১৪টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ৮ জনকে আটক করেছিল । পরে গ্রেফতার করা হয় তাদের (Al Qaeda)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • Sandip Ghosh: বহরমপুরেও রয়েছে এক জোড়া ফ্ল্যাট! সন্দীপ ঘোষের নয়া সম্পত্তির হদিশ

    Sandip Ghosh: বহরমপুরেও রয়েছে এক জোড়া ফ্ল্যাট! সন্দীপ ঘোষের নয়া সম্পত্তির হদিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর পরই  দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের নারায়ণপুরে সন্দীপ ঘোষের বাংলোর আর কয়েকশো বিঘা জমির হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। পরে বেলেঘাটা, নিউটাউনেও তাঁর সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। এবার সন্দীপের (Sandip Ghosh) নতুন ঠিকানার হদিশ পাওয়া গেল মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে। সেখানে একটি আবাসনের পাঁচতলায় রয়েছে সন্দীপের ফ্ল্যাট। যা নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বললেন আবাসনের আবাসিকরা? (Sandip Ghosh)

    আবাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্মসূত্রে যখন মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে ছিলেন সন্দীপ, সেই সময় ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন তিনি। বহরমপুরের গোরাবাজার এলাকার ‘সবিতা রেসিডেন্সি’ নামে একটি আবাসনের পাঁচতলায় রয়েছে ফ্ল্যাটটি। তবে এই ফ্ল্যাটে তিনি (Sandip Ghosh) নিয়মিত যেতেন না বলে জানিয়েছেন আবাসিকরা। এক আবাসিকের দাবি, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে বদলি হয়ে আসার পর একবার মাত্র ওই ফ্ল্যাটে এসেছিলেন সন্দীপ। আবাসনের এক নিরাপত্তারক্ষী বলেন, ‘গত চার বছরের মধ্যে একবারও চোখে দেখিনি ডাক্তারবাবুকে (সন্দীপ)। তবে অনেকের মুখে জেনেছিলাম, এই আবাসনে তাঁর ফ্ল্যাট রয়েছে। ফ্ল্যাটে না এলেও আবাসনের রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ প্রতি মাসের খরচ অনলাইনে মিটিয়ে দিতেন সন্দীপ। ইলেকট্রিকের বিলও অনলাইনে মিটিয়ে দিতেন, এমনটাই জানিয়েছেন আবাসিকরা।

    আরও পড়ুন: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

    ‘স্বর্ণময়ী’ এলাকায় ফ্ল্যাট!

    জানা গিয়েছে, ওই আবাসনের পার্কিং লটে একটি গ্যারেজ রয়েছে সন্দীপের নামে। তবে বর্তমানে গ্যারেজটি ইসলামপুরের এক ব্যক্তিকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সূত্রের খবর, গোরাবাজারের ফ্ল্যাট ছাড়াও মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের সামনে ‘স্বর্ণময়ী’ এলাকায় ২০০০ স্কোয়ার ফুটের আরেকটি ফ্ল্যাট রয়েছে সন্দীপের (Sandip Ghosh) নামে। স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, নতুন হাসপাতালে (মেডিক্যাল কলেজ) থাকার সময় ডাক্তারবাবু গোরাবাজের ফ্ল্যাটে থাকতেন। তখন আমার দোকানে জিনিসপত্র কিনতে আসতেন। সেই সময় তাঁকে দেখেছিলাম। এখান থেকে চলে যাওয়ার পর আর তাঁকে দেখিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 11 September 2024: সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 11 September 2024: সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) পারিবারিক ভ্রমণে যাওয়ার আলোচনা এখন বন্ধ রাখাই ভালো হবে।

    ২) সম্মানহানির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) বাড়তি ব্যবসায় বিনিয়োগ করবেন না।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিশেষ আলোচনা।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) ব্যবসার কাজে ক্রোধের প্রকাশ ঘটাবেন না।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কর্কট

    ১) মনের মতো স্থানে বেড়াতে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) সতর্ক থাকতে হবে।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) দাম্পত্য কলহ হতে পারে।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    কন্যা

    ১) ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের জন্য সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় বিবাদের যোগ থাকলেও লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) দুর্বুদ্ধি বাড়তে দেবেন না।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক-বিতর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    মকর

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ।

    ২) সকালের দিকে দুশ্চিন্তা মাথা খারাপ করবে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কুম্ভ

    ১) বিষয়-সম্পত্তি কেনাবেচা নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের সম্ভাবনা।

    ২) কোনও মহিলার জন্য বাড়িতে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) সমাজে খ্যাতি বাড়বে।

    মীন

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কেনাকাটার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arindam Sil: ‘যৌন হেনস্থা’র ঘটনায় দায়ের হল এফআইআর, আরও বিপাকে পরিচালক অরিন্দম শীল

    Arindam Sil: ‘যৌন হেনস্থা’র ঘটনায় দায়ের হল এফআইআর, আরও বিপাকে পরিচালক অরিন্দম শীল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যার আবহে টলিউডের পরিচালক অরিন্দম শীলের (Arindam Sil) বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার (Sexual Harassment) অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনায় আরও বিপাকে পড়লেন পরিচালক। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হল এফআইআর। এর আগে, এই অভিযোগে তাঁকে সাসপেন্ড করে ডিরেক্টর্স গিল্ড। অরিন্দমের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগে দায়ের করেছেন এক অভিনেত্রী। সম্প্রতি, অরিন্দমের বিরুদ্ধে মহিলা কমিশনেও অভিযোগ জানিয়েছিলেন ওই অভিনেত্রী। যদিও এই ঘটনার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত এই পরিচালক। ‘অভয়া’র ন্যায় বিচারের দাবিতে রাস্তায় হেঁটেছিলেন অরিন্দম। এবার তাঁর বিরুদ্ধেই গুরুতর অভিযোগ ওঠায় উত্তাল টলিউড।

    বিষ্ণুপুর থানায় এফআইআর (Arindam Sil)

    জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানায় এফআইআর করা হয়েছে অরিন্দম শীলের বিরুদ্ধে (Arindam Sil)। ওই এলাকায় একটি রিসর্টে শুটিং চলছিল। ফলে নিকটবর্তী জায়গায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। রাজ্যের মহিলা কমিশনের কাছেও অভিযোগ জানিয়ে সরব হয়েছিলেন অভিনেত্রী। এরপর টলিউডের ডিরেক্টর্স গিল্ডের পক্ষ থেকে অরিন্দম শীলকে  সাসপেন্ড করা হয়েছে।

    অভিযোগকে অস্বীকার (Sexual Harassment)

    যদিও প্রথম থেকেই অরিন্দম (Arindam Sil) অভিযোগকে অস্বীকার করে আসছেন। তিনি এফএইআর দায়ের হওয়ার কথা শুনে বলেন, “আইন আইনের পথে চলবে। যা যা দরকার তাই তাই করব। আমি সব সময় আমার অবস্থান নিয়ে একই কথা বলেছি। একটি দৃশ্য অভিনয় করার সময় আমার শিল্পী যদি অস্বস্তি অনুভব করে থাকেন, তাহলে তখন কেন বলেননি? আর যদি সত্যই অস্বস্তি বোধ করে থাকেন, তাহলে তার জন্য আমি দুঃখিত। এই ঘটনা অনভিপ্রেত।”

    আরও পড়ুনঃ আরজি কর কাণ্ডে এবার ইডির নজরে সন্দীপের ‘অতি পরিচিত’ নার্গিস, কে এই মহিলা?

    দৃশ্যে কী ছিল?

    ছবির ‘দৃশ্য’ সম্পর্কে অরিন্দম (Arindam Sil) আরও বলেন, “ছবি পরিচালনার সময় একটি দৃশ্যের অভিনয় চলছিল। কোলে তথা হাঁটুতে বসিয়ে দেখাতে হত দৃশ্যটা। ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের অভিনয় দেখানোর কথা ছিল। এই দৃশ্যটা যখন দেখাতে গিয়েছি, তখন আমার মুখটা ওনার গালে ছুঁয়ে যায়। সেটা নিয়েই বলা হচ্ছে আমি নাকি চুমু খেয়েছি। তবে শুটিং-এর সময় অভিনেত্রী কোনও অভিযোগ করেননি। আমার পাশেই বসে ছিলেন।” উল্লেখ্য অরিন্দমের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিনেত্রী অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন। অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্রও অভিযোগ করেছিলেন। চিত্রনাট্য পড়ার জন্য নিজের অফিসে ডেকে নাকি তাঁকে যৌন হেনস্থা (Sexual Harassment) করেছিলেন অরিন্দম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share