Tag: Madhyom

Madhyom

  • RG Kar: দলীয় পতাকা ছাড়াই ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক, ‘ব্যক্তিগত’ভাবে অংশ নেবেন শুভেন্দু

    RG Kar: দলীয় পতাকা ছাড়াই ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক, ‘ব্যক্তিগত’ভাবে অংশ নেবেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হত্যাকাণ্ডে (RG Kar) ন্যায় বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য। আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। মমতা সরকারের বিরুদ্ধে রাগে ফুঁসছেন রাজ্যবাসী। কোনও রকম দলীয় পতাকা বা প্রতীক ছাড়া ‘পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র সমাজ’-এর নামে ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযানে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ‘ব্যক্তিগত’ ভাবে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে মঙ্গলবার শ্যামবাজার মোড়ে বিজেপি পাঁচদিনের জন্য ধর্না-বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে। একই ভাবে জুনিয়র ডাক্তাররা স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে নেমেছিলেন। কলকাতা এবং জেলার বিভিন্ন জায়গায় একাধিক সামাজিক সংগঠনও তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়ে রাস্তায় নেমেছে।

    ঠিক কী বললেন শুভেন্দু(RG Kar)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), একজন মহিলা চিকিৎসককে (RG Kar) ধর্ষণ করে খুনের প্রতিবাদে বলেন, “সব পরিবারের পক্ষ থেকে একজন করে এই আন্দোলনে যোগদান করুন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে সেখানে যাব। তবে এটা কোনও দলের আহ্বান নয়। সকলেই বুঝে গিয়েছেন, সব সমস্যার মাথা মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে বলব, ২৬ তারিখের মধ্যে পদত্যাগ করুন, যাতে ২৭ তারিখে কোনও গুলি চালাতে না হয়।”

    আরও পড়ুনঃ টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    বিক্ষোভ-প্রতিবাদে উত্তাল রাজ্য

    আরজি করের (RG Kar) ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে সোমবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযান করেছিল আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। কিন্তু স্বাস্থ্য ভবন যাওয়ার আগেই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দিয়েছিল। এরপর এবিভিপি এবং পুলিশের মধ্যে ধুন্ধুমার বাধে, উভয় পক্ষের মধ্যে চলে সংঘর্ষ। ছাত্রদের দাবি, পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ করেছে। এরপর ২০ জন ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। একই ভাবে মহিলা ডাক্তার খুনের ঘটনায় পুলিশমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে, বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলেজ স্ট্রিটে আন্দোলন হয়েছিল। অপর দিকে গড়িয়াহাটে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল এবং যুবমোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ-র নেতৃত্বে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা পথ অবরোধ করে প্রতিবাদ সভা করেছিলেন। ঠিক একই সময়ে আবার হাওড়া ব্রিজে বিজেপির পক্ষ থেকে পথ অবরোধ করে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখানো হয়। তাতে পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এইভাবে দিকে দিকে ক্রমেই জোরদার হচ্ছে রাজ্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Starbucks: বাড়ি থেকে অফিস ১৬০০ কিমি, স্টারবাক্সের নতুন সিইও যাতায়াত করবেন প্রাইভেট জেটে!

    Starbucks: বাড়ি থেকে অফিস ১৬০০ কিমি, স্টারবাক্সের নতুন সিইও যাতায়াত করবেন প্রাইভেট জেটে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ি থেকে অফিসের দূরত্ব একটু বেশিই, ক্যালিফোর্নিয়া থেকে সিয়াটেল প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিমি। ওই রাস্তা পেরিয়ে প্রতিদিন প্রাইভেট জেটে করে অফিসে যাতায়াত করবেন স্টারবাকস (Starbucks)-এর নতুন সিইও ব্রায়ান নিকোল (Brian Niccol)। তাঁকে প্রাইভেট জেট কেনার মূল্য দিয়েছে সংস্থাই। সম্প্রতি কোম্পানির হৃতগৌরব ফেরাতে আমেরিকান বহুজাতিক কফিহাউস এবং রোস্টারি রিজার্ভের চেইন, স্টারবাকস (Starbucks) নতুন সিইও  হিসেবে ব্রায়ান নিকোলকে (Brian Niccol) নিয়োগ করেছে।

    ব্রায়ানকে বিশেষ সুবিধা (Starbucks)

    ব্রায়ান থাকেন ক্য়ালিফোর্নিয়ায়। আর স্টারবাকসের (Starbucks) সদর দফতর সিয়াটেলে। আমেরিকার দুই শহরের মধ্য়ে দূরত্ব ১৬০০ কিলোমিটার। ব্রায়ান তাঁর বাড়ি বদলাবেন না। কোম্পানির হাইব্রিড কাজের নীতি মেনে, ব্রায়ানকে সপ্তাহে কম করে তিনদিন অফিসে যেতেই হবে। আর এই পরিস্থিতিতে পড়ে ব্রায়ান কিনে ফেলেছেন একটি প্রাইভেট জেট। যা চেপে তিনি বাড়ি থেকে অফিস ও অফিস থেকে বাড়িতে যাতায়াত করবেন। কোম্পানির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, “ব্রায়ান তাঁর বেশিরভাগ সময় কাটাবেন আমাদের সিয়াটেল সাপোর্ট সেন্টারে বা আমাদের স্টোর, রোস্টারি, রোস্টিং সুবিধা এবং সারা বিশ্বে অফিসে অংশীদার এবং গ্রাহকদের সঙ্গে দেখা করে। তাঁর সময়সূচি আমাদের সমস্ত অংশীদারদের জন্য হাইব্রিড কাজের নির্দেশিকা এবং কর্মক্ষেত্রের প্রত্যাশাকেও অতিক্রম করবে বলে আশা করা হচ্ছে।”

    ব্রায়ানকে ভরসা স্টারবাকসের

    স্টারবাকসের (Starbucks) বিক্রি সম্প্রতি অনেকটাই কমেছে। তাই কোম্পানিকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য ব্রায়ানে আস্থা রাখছে স্টারবাকস। গত ৫০ বছরে নিকোলের কাজের অভিজ্ঞতা প্রশ্নাতীত। তাঁর দূরদর্শিতা প্রমাণিত অতীতের কাজেও। চিপোটেল মেক্সিকান গ্রিলে যখন তিনি সিইও পদে ছিলেন, তখন কোম্পানির স্টক ভ্য়ালু বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। এহেন ব্রায়ানকে স্টারবাকস বছরে ১.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বেতন দেবে। ক্যাশ বোনাসও রয়েছে সঙ্গে। যা ৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ৭.২ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি হতে পারে। বার্ষিক ইকুইটি পুরস্কার হিসেবেও তাঁর পকেটে সর্বাধিক ২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঢুকতে পারে। ব্রায়ান চিপোটেলে যখন ছিলেন, তখনও এই বাড়ি-অফিসের দূরত্বের জন্য় ভুগেছিলেন। যে কারণে ব্রায়ান যোগ দেওয়ার ৩ মাসের মধ্যেই চিপোটেলের সদর দফতর কলোরাডো থেকে ক্য়ালিফোর্নিয়ায় চলে এসেছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    Asansol: টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের জঙ্গি আন্দোলনের জের। কার্যত বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করলেন আসানসোলের (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ইমেল মারফত আচার্য তথা রাজ্যপালকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, পদত্যাগপত্র গ্রহণও করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আর তৃণমূল সরকার পরিচালিত এই রাজ্যে আর চাকরি করতে চান না তিনি। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, রাজ্য ছেড়েই তিনি চলে যাচ্ছেন।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Asansol)

    বেশ কিছু দিন ধরেই তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপি পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ-এর অভিযোগ, ছাত্র ভর্তির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের খাতে খরচ করা হয়েছে। ব্যয় হওয়া প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা কখন, কোথায়, কী কারণে খরচ করা হয়েছে, তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে উপাচার্যকে জানাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে ওই টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়। টিএমসিপির জঙ্গি আন্দোলন এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়িতে বসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ করছিলেন উপাচার্য দেবাশিসবাবু। এ নিয়ে তিনি চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যপালকে। গত ১৬ অগাস্ট প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এক বার বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন উপাচার্য। কিন্তু, ফের আন্দোলনের মুখে পড়েন। দেবাশিসবাবুর অভিযোগ, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতেই সেদিন কয়েক জন বহিরাগত ঢুকে শাসিয়েছিল, আরজি কর বানিয়ে দেব!” ওই বিষয়ে নিয়ে থানায় অভিযোগও করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পদত্যাগ প্রসঙ্গে টিএমসিপি-র পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সভাপতি অভিনব মুখোপাধ্যায় বলেন, “উনি ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। ইস্তফাপত্র গৃহীতও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আমরা মনে করি, লক্ষ লক্ষ টাকা তছরুপ হয়েছে তাঁর আমলে। সেই হিসেব না দিয়ে আন্দোলন এড়াতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে গেলেন!”

    আরও পড়ুন: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    কী বললেন পদত্যাগী উপাচার্য?

    দেবাশিসবাবু বলেন, “আন্দোলনের জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কাজ করতে পারছিলাম না। ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করতে হচ্ছিল। তাই ইস্তফাই দিলাম। রাজ্যপাল পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।” এই রাজ্যে আর থাকতে চান না বলে জানান পদত্যাগী উপাচার্য। তিনি বলেন, “ভিনরাজ্যে একটি ‘ভালো অফার’ পেয়েছি। সেখানে চলে যাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mukhtar Abbas Naqvi: ওয়াকফ সংশোধনী বিল ‘সময়ের দাবি’, বললেন মুক্তার আব্বাস নাকভি

    Mukhtar Abbas Naqvi: ওয়াকফ সংশোধনী বিল ‘সময়ের দাবি’, বললেন মুক্তার আব্বাস নাকভি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Amendment Bill) ২০২৪ নিয়ে দেশজুড়ে চলছে বিতর্ক। এহেন আবহে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি (Mukhtar Abbas Naqvi)। তাঁর মতে, এই বিলটি সময়ের দাবি।

    ‘ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৪’ (Mukhtar Abbas Naqvi)

    সংসদের সদ্য সমাপ্ত অধিবেশনে ‘ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৪’ পেশ করেছে মোদি সরকার। এই বিল নিয়ে আলোচনার জন্য আজ, বৃহস্পতিবার প্রথমবার বৈঠকে বসতে চলেছে জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি। তার আগে বিলটিকে সময়ের দাবি বলে দাবি করেছেন বিজেপির সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি নাকভি। জানা গিয়েছে, সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই বিলটি পাশ করাতে চায় এনডিএ সরকার।

    পার্লামেন্টারি জয়েন্ট কমিশনের বৈঠক

    তবে বিলটি সম্পর্কে যাবতীয় পর্যালোচনা করবে পার্লামেন্টারি জয়েন্ট কমিশন। এই কমিশনের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করবে বিলটির ভবিষ্যৎ। বিলটি পাশ করাতে মরিরা সরকার যে কেবল বিরোধীদের দাবির কথা শুনছে তা নয়, বিলটি যাতে বিতর্ক ছাড়াই পাশ করিয়ে নেওয়া যায়, সেজন্য বোঝানোর চেষ্টা চলছে এনডিএর গুরুত্বপূর্ণ শরিক দলের নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু এবং চিরাগ পাশোয়ানকেও। তাঁরা যাতে বিলটি সমর্থন করেন, জোর কদমে সেই চেষ্টাই করে চলেছে মোদি সরকার।

    ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে নাকভি (Mukhtar Abbas Naqvi) আগেই বলেছিলেন, “ওয়াকফ এবং ওয়াক্ত উভয়ের জন্যই এটি ভালো।” তাঁর মতে, সংস্কারগুলি সময়োপযোগী এবং প্রয়োজনীয়। এদিন তিনি বলেন, “পুরো সিস্টেমটাকে (ওয়াকফ বোর্ডে) বেরিয়ে আসতে হবে টাচ মি নট পলিটিক্স থেকে। ওযাকফ সিস্টেমটাকে উন্নত করতেই সরকার এই বিল এনেছে।”

    আরও পড়ুন: পোল্যান্ড সফরে মোদি, গুজরাটের রাজার স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা অর্পণ, বৈঠক প্রবাসীদের সঙ্গে

    তিনি বলেন, “এমন নয় যে এই প্রথম ওয়াকফ আইন সংশোধন করা হচ্ছে। এর আগেও ওয়াকফ আইন সংশোধন হয়েছে।” নাকভি বলেন, “কংগ্রেস এবং অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের জমানায় এই আইন সংশোধন হয়েছে। সরকার যে বিল পেশ করেছে, তা নিয়ে বিতর্ক হওয়া উচিত, আলোচনা হওয়া উচিত, ডিটেইলসে বিশ্লেষণও করা উচিত। সেই কারণেই বিলটিকে পাঠানো হয়েছে জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটিতে।” তিনি (Mukhtar Abbas Naqvi) বলেন, “জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি একটা সাংবিধানিক বডি। এর (Waqf Amendment Bill) বৈঠকে বিলটি নিয়ে খোলা মনে আলোচনা হওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: এবার একেবারে স্বাস্থ্য ভবনে, এক রাতের ব্যবধানে আবার বড় আশ্রয় সন্দীপ ঘোষকে!

    RG Kar Incident: এবার একেবারে স্বাস্থ্য ভবনে, এক রাতের ব্যবধানে আবার বড় আশ্রয় সন্দীপ ঘোষকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আশ্রয় সন্দীপ ঘোষকে! আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের অধ্যক্ষের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার চার ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের দায়িত্ব দেয় সরকার। তাঁকে কাজে যোগ দিতে বাধা দেন সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা। হাইকোর্ট সন্দীপকে ছুটিতে যেতে নির্দেশ দেয়। সুপ্রিম কোর্টেও সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh) নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্য। চিকিৎসকদের চাপের মুখে পডে ফের সন্দীপকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে সরানোর বিজ্ঞপ্তি বুধবার প্রকাশ করে স্বাস্থ্যভবন। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালেই পট পরিবর্তন। মাত্র এক রাতের ব্যবধানে আবার আশ্রয় সন্দীপ ঘোষকে। এবার স্বাস্থ্য ভবনে ‘অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি’ পদ পেলেন তিনি। সেই বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ হয়েছে ইতিমধ্যেই।

    কাদের সরানো হল?

    ছাত্রছাত্রীদের চাপের কাছে নতি স্বীকার করে সরানো হল আরজি করে (RG Kar Incident) সদ্য অধ্যক্ষ পদে আসা সুহৃতা পালকে। সুহৃতার জায়গায় আরজি করের নতুন অধ্যক্ষ হচ্ছেন মানস কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন সুপার হচ্ছেন সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়। সুহৃতাকে বারাসত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ করা হয়েছে। আরজি করের এম‌এসভিপি এবং ডিন অব স্টুডেন্টসের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বুলবুল মুখোপাধ্যায়কে। তাঁকে শুধু আরজি করের ফিজিওলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে হিসেবে রাখা হল। এদিকে, চেস্ট মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অরুণাভ দত্ত চৌধুরীকে বদলি করে পাঠানো হল উত্তরবঙ্গে। মালদা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন তিনি। এই চেস্ট মেডিসিন বিভাগেরই চিকিৎসক তথা ছাত্রী ছিলেন নির্যাতিতা।

    কেন সরানো হল?

    বুধবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযান চালান জুনিয়র ডাক্তাররা। রাস্তায় নামেন হাজারো চিকিৎসক। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে হেঁটে পৌঁছে যান কয়েক হাজার জুনিয়র ডাক্তার। স্বাস্থ্য ভবনের সামনে বসে পড়েন তাঁরা। আন্দোলনকারীরা বলেন, যে ১০ দফা দাবি শুরু থেকে জানানো হচ্ছে, তা মেনে নেওয়ার জন্য ১ ঘণ্টা সময় দেওয়া হল। তার মধ্যে সব মেনে নিতে হবে। সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) সহ যাঁরা ঘটনার সময় আরজি করের বিভিন্ন পদে ছিলেন, তাঁদের অপসারণ সহ একগুচ্ছ দাবি জানানো হয়। দিনভর বিক্ষোভের পর অবশেষে রাতে আন্দোলকারীদের দাবি মেনে বদলি করা হয় আরজি করের চার আধিকারিককে। 

    আরও পড়ুন: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    সন্দীপকে কেন আশ্রয়?

    রাজ্য সরকার আরজি করের (RG Kar Incident) চার আধিকারিককে সরালেও এখনই কর্মবিরতি তোলা হবে না বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh) ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদ থেকেও সরাতে হবে। এটা নিশ্চিত করতে হবে, উনি যাতে ভবিষ্যতে কোনও প্রশাসনিক কাজে যোগ দিতে না পারেন। এটা যত ক্ষণ না হচ্ছে,কর্মবিরতি চলবে। তবে জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি মেনে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ন্যাশনাল মেডিক্যালের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের সার্কুলার প্রত্যাহার করা হলেও তাঁকে স্বাস্থ্যভবনে পদ দিল সরকার। কেন বারবার যাঁর আমলে আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মতো ঘটনা ঘটেছে, তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না করে তাঁকে উল্টে ‘পুরস্কৃত’ করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসক থেকে গোটা রাজ্য। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Incident: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    RG Kar Incident: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) পড়ুয়া চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল কলকাতা থেকে কাকদ্বীপ, দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু। মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যবাসী। তখন এই ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন’ বলে বিপাকে পড়েছিলেন বাংলার আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। সমাজ মাধ্যমে ট্রোলের শিকার হন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। ওঠে দাদাগিরি বয়কটের ডাক-ও। তারপরই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে নিজের ইমেজ বাঁচাতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন সৌরভ। সোশ্যাল সাইটে ডিপি কালো করা থেকে শুরু এবার স্ত্রী ডোনার নাচের স্কুল দীক্ষা মঞ্জরীর প্রতিবাদ মিছিলেও সামিল সৌরভ। যদিও বৃষ্টির কারণে নাকি মিছিলে হাঁটেননি মহারাজ। মিছিলের পরে কন্যা সানার সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদে শামিল হন তিনি।

    প্রতিবাদ মিছিল ডোনার (RG Kar Incident) 

    আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদে বিচার চেয়ে বুধবার সন্ধ্যায় পথে নামলেন নৃত্যশিল্পী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারের দাবিতে পা মেলালেন কন্যা সানা গঙ্গোপাধ্যায়ও। বুধবার দীক্ষা মঞ্জরীর পদযাত্রায় না থাকলেও মিছিলের পরে সকলের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদে শামিল হন সৌরভও (Sourav Ganguly)। নাচের স্কুল দীক্ষা মঞ্জরী থেকে ছাত্রীদের নিয়ে বেহালা ব্লাইন্ড স্কুল পর্যন্ত পদযাত্রা করেন ডোনা। প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই হয় পদযাত্রা। ডোনা বলেন, ‘‘আমাদের প্রতিবাদ ধর্ষণের বিরুদ্ধে। আমাদের নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে হবে।’’ সানা বলেন, ‘‘আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে বিচারের দাবিতে। দোষীদের এমন শাস্তি দিতে হবে যাতে, আর কেউ এ রকম করার কথা ভাবতেও না পারে।’’

    আরও পড়ুন: RG Kar Incident: ‘‘বেফাঁস বলে এখন নাটক করছেন’’! সৌরভের আরজি কর প্রতিবাদকে ‘ট্রোল’ নেটপাড়ার

    মত পাল্টালেন সৌরভ (Sourav Ganguly)

    অবশেষে নিজের ভুল বুঝতে পারলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। চাপে পড়ে আরজি কর হাসপাতালের মর্মান্তিক কাণ্ডে নিজের মত পাল্টালেন সৌরভ। আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের ওপর হওয়া নৃশংসতাকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলে ব্যাখ্যা করলেও ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্ন বলতেই সৌরভের উপর মেজাজ হারায় তাঁর ভক্তরা। সমাজ মাধ্যমে ঝড় ওঠে। অনেকে সৌরভের জনপ্রিয় টিভি শো ‘দাদাগিরি’ বয়কটেরও ডাক দেন। তার পরই নিজের মত থেকে সরে গিয়ে তাঁর অবস্থান ব্যাখ্যা করেন মহারাজ। কিন্তু প্রশ্ন নিজের ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়েই কি এখন বাধ্য হয়ে প্রতিবাদের ঝান্ডা ধরছেন সৌরভ? নিজের ভাবমূর্তি ঠিক করতেই এক প্রকার বাধ্য হয়ে সামিল হলেন প্রতিবাদ-কর্মসূচিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Astronaut: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন এক ভারতীয়, ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’-এ বড় ঘোষণা

    Indian Astronaut: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন এক ভারতীয়, ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’-এ বড় ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আন্তর্জাতিক মহকাশ স্টেশনে (International Space Station) যাচ্ছেন এক ভারতীয় (Indian Astronaut)। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে মহাকাশে পাড়ি দেবেন তিনি। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো হবে ওই মহাকাশচারীকে। এ খবর জানালেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ।

    এএক্স-৪ মিশন (Indian Astronaut)

    নাসা এবং ইসরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মহাকাশ অভিযানের নাম এক্সিওম স্পেস এএক্স-৪ মিশন। এই অভিযানে ভারত থেকে পাঠানো হবে দুই নভশ্চরকে। এঁরা হলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা ও প্রশান্ত বালকৃষ্ণণ নায়ার। বর্তমানে নাসায় চলছে এঁদের প্রশিক্ষণ। জানা গিয়েছে, এএক্স-৪ মিশনের জন্য ইসরো বেছে নিয়েছেন শুক্লাকে। আর নায়ার হবেন ব্যাকআপ ক্যান্ডিডেট। নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, “একজন ভারতীয় মহাকাশচারী আগামী এপ্রিলের মধ্যে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাবেন।” এবার আজ ২৩ অগাস্ট পালিত হবে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’। গত বছর এই দিনে চাঁদে ল্যান্ড করেছিলেন বিক্রম ল্যান্ডার। তারই বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পালিত হবে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’। তার আগেই এক ভারতীয় মহাকাশচারীর (Indian Astronaut) আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ পালন বিজেপির, কার সম্মানে পালন হয় জানেন?

    জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিম

    জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিমও জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। এবার থিম হল, ‘টাচিং লাইভস হোয়াইল টাচিং দ্য মুন: ইন্ডিয়াজ স্পেস সাগা।’ এ উপলক্ষে এদিন ইসরোর তরফে চন্দ্রযান-৩ অভিযানের সায়েন্টিফিক ডেটা প্রকাশ করবে ইসরো। গবেষকরা যাতে এই ডেটা ব্যবহার করতে পারেন, তা-ই এই ব্যবস্থা। চন্দ্রযান-৩ সাফল্যের বর্ষপূর্তিতে গত দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে হাজারো অনুষ্ঠান হচ্ছে দেশজুড়ে। ভারত মণ্ডপমে ‘জাতীয় মহাকাশ ডে’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ হ্যাকাথন’ ও ‘ইসরো রোবোটিক্স চ্যালেঞ্জ’ জয়ীদের পুরস্কারও দেবেন তিনি। আসন্ন স্পেস মিশনের বিষয়ে বলতে গিয়ে ইসরোর সায়েন্টিফিক সেক্রেটারি সান্ত্বনু ভাটাদেকর বলেন, “ইসরো-নাসার (International Space Station) যৌথ অভিযান এনআইএসএআর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির পরেই লঞ্চ করা হবে (Indian Astronaut)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: নকশাল দমনের গতিপ্রকৃতি জানতে দু’দিনের ছত্তিশগড় সফরে যাচ্ছেন অমিত শাহ

    Amit Shah: নকশাল দমনের গতিপ্রকৃতি জানতে দু’দিনের ছত্তিশগড় সফরে যাচ্ছেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি (PM Modi) জমানায় উপদ্রব কমেছে মাওবাদীদের (Anti Naxal Review Meet)। তবে এখনও নির্মূল হয়নি। ছত্তিশগড়ে এখনও মাঝেমধ্যেই হামলা চালায় ‘বনপার্টি’রা। এই মাওবাদীদের নির্মূল করে প্রত্যন্ত এলাকায়ও উন্নয়নের জোয়ার পৌঁছে দিতে পণ করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই কারণেই দু’দিনের ছত্তিশগড় সফরে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    নকশাল বিরোধী অভিযান নিয়ে মূল্যায়ণ (Amit Shah)

    ২৩ অগাস্ট ওই রাজ্যে যাচ্ছেন তিনি। এখানে তিনি নকশাল বিরোধী অভিযান নিয়ে মূল্যায়ণ করবেন। কথা বলবেন পুলিশ কর্তা ও নকশাল অধ্যুষিত পড়শি রাজ্যের মুখ্য সচিবদের সঙ্গে। পুলিশ কর্তা ও মুখ্য সচিবদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক হতে চলেছে ছত্তিশগড়ের রাজধানী রায়পুরে। দেশে নকশাল-পীড়িত রাজ্য রয়েছে ৯টি। এই অঞ্চলকে রেড করিডর বলে। নকশাল দমনে এই রাজ্যগুলিতে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো রয়েছে কিনা, এবং নকশাল দমনে কতগুলি অভিযান চালানো হয়েছে, তাতে সাফল্যের হারই বা কেমন, এসবই জানার চেষ্টা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    শাহের সফর সূচি

    জানা গিয়েছে, ২৩ অগাস্ট রাতে রায়পুরে পৌঁছবেন শাহ। পরের দিন একাধিক বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। এই বৈঠকগুলির উদ্দেশ্যই হল, নকশাল-পীড়িত রাজ্যগুলির মুখ্যসচিব এবং পুলিশের ডিজিদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের মধ্যে সমন্বয় রয়েছে কিনা, তা জানার চেষ্টা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রেড করিডরে নিরাপত্তা এবং উন্নয়নমূলক কী কী কাজকর্ম হচ্ছে, তাও জানার চেষ্টা করবেন শাহ (Amit Shah)।

    আরও পড়ুন: ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ পালন বিজেপির, কার সম্মানে পালন হয় জানেন?

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, ছত্তিশগড়ের সর্বোচ্চ ১৫টি জেলায় মাওবাদীদের রমরমা। এগুলি হল, বীজাপুর, বস্তার, দান্তেওয়াড়া, ধামতাড়ি, কোন্দাগাঁও, মহাসামুন্ড, নারায়ণপুর, রাজনন্দগাঁও, মোহল্লা-মানপুর-আমবাগড়া চৌকি, ক্ষীরগড় চুইখান্ডান গান্ডাই, সুকমা, কবীরধাম এবং মুঙ্গেলি। ওড়িশার সাতটি জেলায়ও রয়েছে মাওবাদীদের দাপট। এগুলি হল, কালাহান্ডি, কান্ধামাল, বোলাঙ্গির, মালকানগিরি, নবরঙ্গপুর, নৌপাদা এবং রায়াগাদা। মাওবাদীদের উপদ্রব রয়েছে মহারাষ্ট্র-সহ আরও সাত রাজ্যেও।

    সরকারি পরিসংখ্যান থেকেই জানা গিয়েছে, ২০১০ সালের তুলনায় দেশে মাওবাদী হামলার ঘটনা কমেছে ৭৩ শতাংশ। নিরাপত্তা রক্ষী ও সাধারণ মানুষের মৃত্যুর হার কমেছে ৮৬ শতাংশ। ২০১০ সালে মাও হামলার বলি হয়েছিলেন ১ হাজার ৫ জন (Anti Naxal Review Meet)। ২০২৩ সালে সেটাই কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৩৮জনে (Amit Shah)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Protest Rally: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল বিজেপির, পা মেলালেন কে জানেন?

    BJP Protest Rally: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল বিজেপির, পা মেলালেন কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডকে ঘিরে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলতে চাইছে বিজেপি। বুধবার কলকাতার রাজপথে মিছিল করে পদ্ম-পার্টি (BJP Protest Rally)। শ্যামবাজারে ধর্নামঞ্চ গড়ে ‘দফা এক, দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’ স্লোগান দিচ্ছে গেরুয়া শিবির। সেই একই দাবিতে মিছিল করা হল মৌলালি এলাকায়ও।

    মিছিলে রেখা, শুভেন্দু, বিবেক (BJP Protest Rally)

    মৌলালি থেকে ডোরিনা ক্রসিংয় মিছিল (BJP Protest Rally) করার জন্য প্রথমে পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল বিজেপির তরফে। পুলিশের অনুমতি না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতৃত্ব। আদালতের পক্ষ থেকে মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়। সেই নির্দেশ মেনে এদিন প্রতিবাদ মিছিল হয়। মিছিলে পা মেলান ‘কাশ্মীর ফাইলস’ খ্যাত পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, কৌস্তুভ বাগচি, অঞ্জনা বসু, শঙ্কুদেব পণ্ডা, অর্জুন সিং, তাপস রায়ও। সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রও ছিলেন মিছিলে। কৌস্তুভ বলেন, “২৭ তারিখ নবান্ন ছেড়ে পালাবে। মমতা রাজ্যকে শান্ত রাখতে চাইলে, রাজ্যের মঙ্গল চাইলে, হেলিকপ্টার, বিমান রেডি রাখুন। নবান্নর ছাদ থেকে চেপে পালান। শেখ হাসিনা যেভাবে বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছিলেন, মমতাকেও বাংলা ছেড়ে পালাতে হবে।” অর্জুনও জানান, ২৭ তারিখে নবান্ন ছেড়ে পালাতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    কী বললেন বিবেক?

    কালো টি-শার্ট পরে মিছিলে (BJP Protest Rally) হাঁটেন শুভেন্দু। তাতে লেখা, ‘দফা এক, দাবি এক মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। আরও অনেকের পরনেই ছিল ওই স্লোগান লেখা টি-শার্ট। বিজেপি-র সাংস্কৃতিক মঞ্চ ‘খোলা হাওয়া’র তরফেই এদিন মিছিল বেরোয়। মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ওঠে মিছিল থেকে। মিছিলে যোগ দেন ‘কাশ্মীর ফাইলস’ খ্যাত পরিচালক বিবেক। বলেন, “আরজি করের ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে শামিল হতেই শহরে এসেছি। আরজি করকাণ্ডে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। কলকাতায় এমন হলে, গ্রামে কী হচ্ছে জানি না আমরা। আমার মতো মানুষ, যাঁদের কিছুটা হলেও, প্রভাব রয়েছে, বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে আসা উচিত, যাতে সকলের কাছে বার্তা পৌঁছয়। মুখ্যমন্ত্রী নিজের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছেন দেখে আশাহত আমি। বাংলা শেষ হয়ে যাবে, এই আশঙ্কা থেকেই ছুটে এসেছি।”

    মিছিলে হাঁটল গোটা কলকাতা

    শুভেন্দু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাস্তাটিকে অপবিত্র করে দিয়েছিলেন। আমরা আজ পবিত্র করলাম। ওদের ক্ষমতা ছিল ৫০০-৭০০। আজ হাঁটল গোটা কলকাতা। কেউ কাউকে ডাকেনি। আমাদের একটাই দাবি, দফা এক, দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ।”  বিজেপি নেতা তাপস রায় বলেন, “বাংলার সর্বত্র যা হচ্ছে, তা হল সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ। কেউ কাউকে ডাকেনি। আমাদের একটাই দাবি, দফা এক, দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। রাজনৈতিক জীবনে একসঙ্গে এত মানুষকে প্রতিবাদে নামতে দেখিনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyan Singh: ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ পালন বিজেপির, কার সম্মানে পালন হয় জানেন?

    Kalyan Singh: ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ পালন বিজেপির, কার সম্মানে পালন হয় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২১ অগাস্ট। ১৯২১ সালের এই দিনেই প্রয়াত হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিংহ (Kalyan Singh)। তাঁর মৃত্যুদিনটিকে ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ হিসেবে পালন করল বিজেপি। কল্যাণের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর এই অনুষ্ঠান পালিত হয় ইন্দিরা গান্ধী প্রতিষ্ঠানে। উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, বিজেপির রাজ্য সভাপতি ভূপেন্দ্র সিংহ, উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য এবং ব্রজেশ পাঠক। এছাড়াও উত্তরপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী, এমপি এবং এমএলএরা।

    আদর্শ মুখ্যমন্ত্রী (Kalyan Singh)

    যে মানুষটিকে নিয়ে এত অনুষ্ঠানের আয়োজন সেই কল্যাণ সিংহ ছিলেন একজন (Ram Mandir) আদর্শ মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, এমন রাজ্যপাল যিনি তাঁর কথাকে সব সময় কাজে পরিণত করতেন। তিনি ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক, পরিশ্রমী নেতা। আদর্শের সঙ্গে কখনও আপোশ করেননি কল্যাণ। রাম জন্মভূমি আন্দোলন প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, “সরকার থাকুক কিংবা যাক, মন্দির (রাম মন্দির) নিশ্চিতভাবেই তৈরি হবে।” রাজ্যপাল হিসেবে কল্যাণ সিংহ গ্রামীণ সম্প্রদায়, ছাত্র এবং অন্যদের আত্মোন্নতি এবং দেশপ্রেমের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। রাজনীতির কারবারিদের মতে, কল্যাণ সিংহ ইতিহাসের অংশ নন, তিনি ছিলেন ইতিহাস রচয়িতা।

    আদর্শের প্রতি নিষ্ঠাবান

    ১৯৩৫ সালের ৫ জানুয়ারি জন্ম গ্রহণ করেন কল্যাণ (Kalyan Singh)। ছোট থেকেই নীতি এবং আদর্শের প্রতি নিষ্ঠাবান ছিলেন তিনি। স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে তিনি ছিলেন লয়্যাল, নেতা হিসেবে দৃঢ়। দক্ষ সংগঠকও ছিলেন কল্যাণ। একজন আদর্শ মুখ্যমন্ত্রীর যেমন হওয়া প্রয়োজন, কল্যাণ ছিলেন তেমনই। রাজ্যপাল হিসেবেও তিনি ছিলেন অননুকরণীয়। অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের কাঠামো ভাঙার সময় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কল্যাণ। এই সময়টা ভারতীয় ইতিহাসের একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৯২ সালের ৬ অগাস্ট অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সময় কল্যাণ ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। লিবারহান কমিশন যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, করসেবকরা মসজিদ ভাঙছে দেখেও গুলি না চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন?

    আরও পড়ুন: কার বিরুদ্ধে পথে? আরজি কর কাণ্ডে একের পর এক ভুল পদক্ষেপ মমতার, কী কী?

    গুলি না চালানোর নির্দেশ

    নির্ভীক কল্যাণের উত্তর, “আমি তো সব সময়ই বলে এসেছি যে, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর যা ঘটেছিল, তার পুরো দায় আমার। করসেবকদের ওপর গুলি না চালানোর নির্দেশ আমিই দিয়েছিলাম।” মসজিদের কাঠামো ভাঙার পর মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন কল্যাণ। তার আগেই অবশ্য তাঁকে বরখাস্ত করেছিল তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার। রাজনৈতিক কেরিয়ার শেষ হয়ে যেতে পারে জেনেও কল্যাণ যেভাবে করসেবকদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাতে তিনি একজন বহুলচর্চিত রাজনীতিক হয়েই থেকে গেলেন (Ram Mandir)। কল্যাণ প্রয়াত হয়েছেন তিন বছর আগে। তবে রেখে গিয়েছেন তাঁর উত্তরাধিকার।

    রাম জন্মভূমি ইস্যু

    রাম জন্মভূমি ইস্যুটি কল্যাণের রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৯১ সালে উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় কল্যাণকে। দ্রুত তিনি নিজেকে জাতীয় নেতা হিসেবে গড়ে তোলেন। শপথ নেন উত্তরপ্রদেশকে অপরাধমুক্ত করার। রাম জন্মভূমি এলাকার বিভিন্ন বাধা অপসারণের অঙ্গীকারও করেছিলেন কল্যাণ। রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের কাছে অ-বিতর্কিত ৪২ একর জমি হস্তান্তর করেছিলেন কল্যাণ। অতিরিক্ত ২.৭৭ একর জমিও অধিগ্রহণ করেছিলেন। কল্যাণের জমি হস্তান্তরের এই সিদ্ধান্তে বিরক্ত হয়েছিল কেন্দ্র। এ ব্যাপারে রিপোর্ট তলব করেছিলেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শঙ্কররাও চ্যবন। চ্যবন তাঁকে (Kalyan Singh) এই বলে সতর্ক করেছিলেন যে, যদি উত্তরপ্রদেশ সরকার কেন্দ্রের নির্দেশ না মানে, তাহলে সংবিধানের ৩৫৬ ধারা অনুযায়ী সরকারকে বরখাস্ত করা হবে।

    মন্দির নির্মাণ হবেই

    জমি হস্তান্তরের বিষয়টি নিয়ে যখন কল্যাণ এবং কেন্দ্রের দ্বন্দ্ব চলছে, তখন উত্তরপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সাফ বলেছিলেন, “সরকার থাকুক কিংবা যাক, মন্দির নির্মাণ হবেই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হুমকি থেকে এটা স্পষ্ট, রাম মন্দির নির্মাণ এখন দাঁড়িয়েছে জনগণের বাধ্যবাধকতা বনাম সংবিধানের ৩৫৬ ধারার প্রশ্ন। যদি সরকার ও মন্দিরের মধ্যে আমায় যে কোনও একটি বেছে নিতে বলা হয়, আমি মন্দিরটাই বেছে নেব।” জমি হস্তান্তর প্রসঙ্গে তাঁর (Kalyan Singh) যুক্তি, রাম জন্মভূমি ট্রাস্টকে যে ৪২ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে, তা নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই। অতিরিক্ত যে ২.৭৭ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল, তার বৈধতা বহাল রেখেছিল হাইকোর্ট। ১৯৯১ সালের ২ নভেম্বর উত্তরপ্রদেশ সরকার অধিগৃহীত জমির দখল নেয়। জমির মালিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের সম্মতি নিয়েই ভেঙে দেওয়া হয়েছিল অধিগৃহীত জমির নির্মাণ। কল্যাণ বলেছিলেন, “অযোধ্যায় যা কিছু হচ্ছে, তা আইন মেনেই।”

    ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে করসেবকরা এসে ভিড় করতে থাকেন অযোধ্যায়। ৪ তারিখে কেন্দ্রের মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী অর্জুন সিংহ বলেছিলেন, “অযোধ্যার ঘটনাবলীর ওপর নিবিড় নজর রাখছে কেন্দ্র। সংবিধান ও বিচার ব্যবস্থার মর্যাদা রক্ষায় প্রযোজনীয় যা কিছু করার, তা করা হবে।” এর ঠিক দু’দিন পরেই ভাঙা হয় তৎকালীন ‘বিতর্কিত’ কাঠামো।

    কল্যাণ (Kalyan Singh) নেই। বিতর্কের অবসান শেষে হয়েছে রাম মন্দিরও। দেবালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন রামলালা। স্বপ্ন পূরণ হয়েছে (Ram Mandir) কল্যাণের। যদিও তা দেখে যেতে পারেননি গর্বিত এই হিন্দু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share