Tag: Madhyom

Madhyom

  • Wayanad Landslide: দুর্গতদের জন্য তৈরি মানবসেতু! বৃষ্টির মধ্যেও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনা

    Wayanad Landslide: দুর্গতদের জন্য তৈরি মানবসেতু! বৃষ্টির মধ্যেও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন কেটে গেলেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি ওয়েনাড়ের পরিস্থিতি। ভয়াবহ ভূমি ধসে (Wayanad Landslide) প্রাণহানি ক্রমশ বেড়েই চলেছে। কাদা ও বালির স্তূপ থেকে একের পর এক দেহ উদ্ধার হচ্ছে৷ তবে বৃষ্টি মাথায় নিয়েও প্রতিকূল পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সেনা জওয়ানরা (Indian Army)। এবার দুর্গতদের উদ্ধার করতে মানবসেতু তৈরি করলেন তাঁরা। কোলে করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিলেন শিশুদের।  

    সেনাবাহিনীর উদ্ধারকাজের ভিডিও প্রকাশ্যে

    কাদা আর বালির স্তূপ ঘেঁটে ঘেঁটে এখনও প্রাণের খোঁজ চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। সম্প্রতি ওয়েনাড়ে (Wayanad Landslide) সেনাবাহিনীর উদ্ধারকাজের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানেই দেখা গিয়েছে, কীভাবে হাতে হাত ধরে মানবসেতু তৈরি করেছেন জওয়ানেরা (Indian Army)। ওয়েনাড়ের চূড়ামালা গ্রামে এই মানবসেতু তৈরি করেছিলেন জওয়ানরা।

    প্রবল স্রোতে বইছে নদী। তার উপরে দুদিকের স্থলভাগে দড়ি টাঙিয়ে কোনও রকমে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মানুষকে। মাঝে সেনা জওয়ানেরা দুহাত বিছিয়ে দড়ি ধরে সংযোগ রক্ষার চেষ্টা করছেন। শিশুদের কোলে তুলে নিরাপদ স্থানে তাঁদের পৌঁছে দিচ্ছেন জাওয়ানরা। ১২ জন জওয়ান মিলে এই মানবসেতু তৈরি করেছিলেন ওই গ্রামে।

    মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৫০-র গণ্ডি

    এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে (Wayanad Landslide) এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৫০-র গণ্ডি। ২০০ জনেরও বেশি আহত গ্রামবাসীকে উদ্ধার করেছে এনডিআরএফ৷ তাঁদের চিকিৎসাও শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই৷ এখনও পর্যন্ত ৩,০০০ জনেরও বেশি লোককে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিয়েছেন উদ্ধারকারীরা৷ উদ্ধারকাজে নামানো হচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টারও। যাঁরা বেঁচে গিয়েছেন, তাঁরা এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই ইট, কাঠ বালি, কাদা সরিয়ে স্বজনদের খুঁজে বেড়াচ্ছেন। 

    আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টিতে কেরলের ওয়েনাড়ে ধস, মৃত্যু ৮০ পার! চাপা পড়ে শতাধিক

    তবে এখনই শেষ হচ্ছে না এলাকাবাসীর দুর্ভোগ (Wayanad Landslide)। আবহাওয়া দফতরের তরফে ওয়েনাড় এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে ‘কমলা’ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১ অগাস্ট ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এই সব স্থানে। আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, ২ অগাস্টও ওয়েনাড়ে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নতুন করে আবার চিন্তার ভাঁজ পড়ছে সকলের কপালে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anshuman Gaekwad:  “ভারতের তিন সাহসী ক্রিকেটারের একজন”, গায়কোয়াড়ের মৃত্যুতে শোকাহত গাভাসকর

    Anshuman Gaekwad: “ভারতের তিন সাহসী ক্রিকেটারের একজন”, গায়কোয়াড়ের মৃত্যুতে শোকাহত গাভাসকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছিলেন অংশুমান গায়কোয়াড় (Anshuman Gaekwad)। অবশেষে সেই লড়াই থেমে গেল। বুধবার প্রয়াত হন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। বেশ কিছুদিন ধরেই ক্যান্সারের চিকিৎসা চলছিল। নিয়ে যাওয়া হয়েছিল লন্ডনে। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া ক্রিকেট মহলে। জাতীয় দলের প্রাক্তন কোচের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শোকজ্ঞাপন করেছেন।

    শোকাহত ক্রিকেটমহল

    তাঁর চিকিৎসায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন কাপিল দেব, সন্দীপ পাতিলরা। তাঁদের অনুরোধে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড এক কোটি টাকা আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এমনকী, প্রয়োজনে চিকিৎসার জন্য অংশুমান গায়কোয়াড়কে (Anshuman Gaekwad) আরও অর্থ প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছিলেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। লন্ডনে চিকিৎসার পর অনেকটাই ভালো ছিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ব্যাটার। গত মাসেই তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। ভদোদরায় নিজের শহরেই চিকিৎসা চলছিল তাঁর। কিন্তু বুধবার রাতে সব চেষ্টাই ব্যর্থ হল।  সুনীল গাভাসকর, সচিন তেন্ডুলকর, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, অনিল কুম্বলের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও শোকস্তব্ধ। শেক প্রকাশ করেছেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ।

    ক্রিকেটার ও কোচ হিসেবে সাফল্য

    ২২ বছরের ক্রিকেট জীবনে বহু সাফল্য যোগ হয়েছে অংশুমানের (Anshuman Gaekwad) মুকুটে। খেলেছেন ৪০টি টেস্ট ম্যাচ। দুটি শতরান-সহ তাঁর সংগ্রহ মোট ১৯৮৫ রান। ১৯৭৪ সালের কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে তাঁর টেস্ট অভিষেক হয়। প্রতিপক্ষ বোলারদের বিরুদ্ধে তাঁর চোয়াল চাপা লড়াই সর্বজনবিদিত। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি ম্যাচে ১১ ঘণ্টার বেশি সময় তিনি ক্রিজে কাটিয়েছিলেন। ১৯৮৫ সালে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন অংশুমান গায়কেয়াড়। একদিনের ফরম্যাটেও দেশের হয়ে ১৫টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি। খেলা ছাড়ার পর ভারতীয় দলের কোচের দায়িত্ব সামলে ছিলেন। তাঁর কোচিংয়ে ১৯৯৯ সালে দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্টে এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়ে নজির গড়েছিলেন প্রাক্তন স্পিনার অনিল কুম্বলে।

    আরও পড়ুন: ২৩ থেকে ৩৫ বছর বয়সিদের মধ্যে বাড়ছে লিভারের সমস্যা, কেন জানেন?

    ভারতীয় ক্রিকেটে সাহসী চরিত্র

    অংশুমান গায়কোয়াড়ের মৃত্যুর খবর শুনে মন খারাপ সুনীল গাভাসকরের (Sunil Gavaskar)। সানির কথায়, “ভারতীয় ক্রিকেটের তিন সাহসী ক্রিকেটার একনাথ সোলকার, মহিন্দর অমরনাথ এবং অংশুমান গায়কোয়াড়ের (Anshuman Gaekwad) সঙ্গে খেলতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি। আমরা নরি কনট্র্যাক্টরের সাহসের কথা শুনেছি। কী ভাবে তিনি ভাঙা পাঁজর নিয়ে লর্ডসে ৮১ রান করেছিলেন। উদীয়মান ক্রিকেটারদের সেই ঘটনা অনুপ্রেরণা দেয়। কীভাবে দেশের হয়ে সর্বস্ব দিয়ে লড়তে হয়, সেটাই এক্কি (একনাথ), জিমি (মহিন্দর) এবং চার্লি (অংশুমান) দেশের হয়ে খেলার সময় করেছিলেন।” তিনি আরও বলেন, “মন খারাপ করে দেওয়ার মতো খবর। চার্লি দেখিয়ে দিল, বিনা লড়াইয়ে সে জীবনের উইকেটও ছুড়ে দেবে না। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে গেল। ওর আত্মার শান্তি কামনা করি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “হিসেব দাও, টাকা নাও”, রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদকে মুখের মতো জবাব অমিত শাহের

    Amit Shah: “হিসেব দাও, টাকা নাও”, রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদকে মুখের মতো জবাব অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের প্রকল্প থেকে আবাস যোজনা— সব ক্ষেত্রেই বার বার কেন্দ্রীয় সরকার বঞ্চনা করছে। অর্থ বরাদ্দ করছে না বলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের সাংসদ, বিধায়করা সরব হয়েছেন। বাস্তবে এই সব প্রকল্পে ভুরি ভুরি দুর্নীতি হয়েছে। ভুয়ো মাস্টার রোল তৈরি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। ফলে, এই সব প্রকল্পের সঠিক হিসেব দিলেই টাকা মিলবে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বার বার একথা বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গকে আর্থিক বঞ্চনা করা হয়েছে দাবি তুলে বুধবার রাজ্যসভায় ফের একবার সরব হন তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখলে। যদিও তাঁর প্রশ্নের পর পরই মুখের ওপর মোক্ষম জবাব দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    কী বলেছেন তৃণমূল সাংসদ?

    মঙ্গলবার ভোরে, টানা বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ ধস নেমেছে কেরলে। তছনছ হয়ে গিয়েছে ওয়েনাড় জেলার একাধিক গ্রাম। সেই বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে, বুধবার রাজ্যসভায় ফের কেন্দ্রীয় বাজেটে থাকা বন্যা প্রসঙ্গ ওঠে। প্যাকেজ থেকে বাংলাকে বঞ্চিত করার প্রসঙ্গ তোলেন রাজ্যসভার (Rajya Sabha) তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সাকেত গোখলে। তিনি বলেন, “বন্যাত্রাণে থাকা রাজ্যগুলির তালিকায় কেরল ও পশ্চিমবঙ্গকে যোগ করা যায় কিনা তা কেন্দ্রীয় সরকারকে বিষয়টি দেখার জন্য বলছি।” একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী তহবিলের ২৫ শতাংশ দেয় রাজ্য সরকার। তাও, কোনও বিপর্যয়কে কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা না করলে, সেই তহবিলের মাত্র ১০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারে রাজ্য। রাজ্যগুলিকে এই তহবিলের ২৫ শতাংশ খরচ করার অধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণ রুখতে আইন করা উচিত অন্য রাজ্যগুলোরও, বললেন ভিএইচপি কর্তা

    পশ্চিমবঙ্গকে ৪,৬১৯ কোটি দেওয়া হয়েছে (Amit Shah)

    জবাবে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “২০১৪ থেকে ২০২৪ – এই ১০ বছরে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য পশ্চিমবঙ্গের ৬,২৪৪ কোটি টাকার দাবি আমরা মঞ্জুর করেছি। পশ্চিমবঙ্গ থেকে যেমন যেমন খরচের হিসেব আসে, আমরা টাকা দিয়ে দিই। হিসেব দিলেই টাকা দিয়ে দিই। এইভাবে ৪,৬১৯ কোটি টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, সেখান থেকে হিসেব আসা নিয়ে সমস্যা আছে। আমি তো তা করতে পারি না। সেই হিসেব বাংলাকেই করতে হবে। হিসেব দিতে হয়। এটা তো সরকারের বিষয়। কোনও রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়। সরকারের নিয়ম আছে, বিধি আছে, খরচের হিসেব রাখতে হয়, অডিট হয়। যদি কাউকেই না মানি, তাহলে তো কিছু সমস্যা হবেই। তবে, ধীরে ধীরে অভ্যাসের বদল হচ্ছে। উন্নতি হয়েছে। তাই, ৬,২৪৪ কোটি টাকার মধ্যে ৪,৬১৯ কোটি টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।” রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) জবাবি বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী তহবিলের ১০ শতাংশ নিজের ইচ্ছামতো খরচ করতে পারে সংশ্লিষ্ট রাজ্য। কিন্তু, ওই তহবিলের অর্থ যাতে অন্য কোনও প্রকল্পে খরচ করা না হয়, তার জন্যই বাকি ৯০ শতাংশ খরচ করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের গাইডলাইন মেনে চলতে বলা হয়েছে। সেই গাইডলাইন মেনে রাজ্যগুলি ওই ৯০ শতাংশও খরচ করতে পারে। তার জন্য কেন্দ্রের অনুমতি লাগে না।” তৃণমূল সাংসদের দাবি যে ভুল, এভাবেই অমিত শাহ ব্যাখ্যা করে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anti Conversion Law: যোগী রাজ্যে আরও কঠোর বেআইনি ধর্মান্তকরণ আইন, কী কী বদল এল?

    Anti Conversion Law: যোগী রাজ্যে আরও কঠোর বেআইনি ধর্মান্তকরণ আইন, কী কী বদল এল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় পাশ হয়েছে বেআইনি ধর্মান্তকরণ প্রতিরোধ আইন (সংশোধনী) ২০২৪। এই সংশোধনী বিলে (Anti Conversion Law) শাস্তির বিধানকে আরও কঠোর করা হয়েছে। দোষী প্রমাণিত হলে, এখন সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। যোগী আদিত্যনাথ সরকারের পাশ করা বিলে এই বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যা পূর্বের বেআইনি ধর্মান্তকরণ প্রতিরোধ আইন ২০২১-এ ছিল না।

    দুর্বল জনগোষ্ঠীর রক্ষাকবচ নয়া বিল (Anti Conversion Law)

    উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সরকারের তরফে জানানো হয়েছে নতুন এই বিল আগের থেকে আরও কঠোর করা হয়েছে এবং তা রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে অপ্রাপ্তবয়স্ক, শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, মহিলা, তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি সমেত সমাজের অন্যান্য দুর্বল বা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে। এছাড়া যে কোনও রকমের গণ ধর্মান্তকরণ প্রক্রিয়াকে প্রতিরোধ করবে এই বিল। আগের আইনে দুর্বল জনগোষ্ঠীর কোনও সদস্যকে বেআইনিভাবে ধর্মান্তকরণ করা হলে ১০ বছরের সাজার বিধান ছিল, বর্তমান বিলে তা বাড়িয়ে ১৪ বছর করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, জরিমানার পরিমাণও ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, গণ-ধর্মান্তকরণের ক্ষেত্রে আগের আইনের ৩ বছরের সাজার মেয়াদগুলি বেড়ে হয়েছে ১০ বছর ও ৭ বছরের সাজার মেয়াদগুলি বেড়ে হয়েছে ১৪ বছর। জরিমানার পরিমাণও আগের থেকে বেড়েছে, ৫০ হাজার থেকে বেড়ে তা হয়েছে ১ লাখ।

    আত্মীয় নয়, অভিযোগ জানাতে পারবেন যে কোনও ব্যক্তি

    পূর্বের ধর্মান্তকরণ (Anti Conversion Law) সংক্রান্ত যে আইন ছিল, সেখানে যাঁদেরকে জোর করে ধর্মান্তকরণ করা হত তাঁদের আত্মীয়রাই শুধুমাত্র অভিযোগ দায়ের করতে পারতেন। আগে এই ধরনের মামলায় অভিযোগ নথিভুক্ত করাতে, নির্যাতিত বা নির্যাতিতা অথবা তাঁর মা-বাবা অথবা ভাই-বোনের উপস্থিত থাকাটা আবশ্যক ছিল। এঁদের উপস্থিতি ছাড়া, যে কেউ চাইলেই অভিযোগ জানাতে পারতেন না। তবে, সংশোধিত বিলে বলা হয়েছে, ধর্মান্তকরণের অভিযোগের ক্ষেত্রে যে কোনও ব্যক্তি এফআইআর নথিভুক্ত করতে পারবেন। যে কেউ এই বিষয়ে পুলিশকে লিখিত তথ্য দিতে পারবেন। অর্থাৎ, সেই ব্যক্তি নির্যাতিত বা নির্যাতিতার নিকতাত্মীয় না হলেও চলবে। এই পরিবর্তনের ফলে আইনটি আরও ব্যাপক ও বিস্তৃত হল বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

    বাড়ানো হয়েছে শাস্তির মেয়াদ

    এর পাশাপাশি নতুন বিলে শাস্তিও বাড়ানো হয়েছে। নতুন বিল অনুযায়ী যদি কোনও ব্যক্তি হুমকি, বিয়ের প্রতিশ্রুতি বা অন্যান্য উপায়ের মাধ্যমে অন্য কোন ব্যক্তিকে ধর্মান্তকরণ করতে বাধ্য করেন বা ধর্মান্তকরণ করতে প্ররোচনা দেন, তবে তাঁদের ন্যূনতম কুড়ি বছরের কারাদণ্ড হতে পারে যা আজীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত বাড়ানো (Anti Conversion Law) হতে পারে। এই একই শাস্তি তাঁদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যাঁরা নাবালিকা, নারী বা অন্যান্য পাচার কাজের সঙ্গে যুক্ত।

    বিদেশি বা অবৈধ উৎস থেকে ধর্মীয় কাজে ফান্ডিং রোধ

    নতুন যে বিল পাশ করা হয়েছে সেখানে বিদেশ থেকে বা অন্য কোন অবৈধ উৎস থেকে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে আর্থিক ফান্ডিং রোধ করার বিষয়ে নজর দেওয়া হয়েছে এবং এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ন্যূনতম সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে বিলে। এর পাশাপাশি তা বেড়ে ১৪ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

    দায়রা আদালতের নীচে কোনও আদালতে এই ধরনের মামলার শুনানি নয়

    এই বিলে বলা হয়েছে, দায়রা আদালতের নীচে কোনও আদালতে এই ধরনের মামলার শুনানি করা যাবে না। এছাড়া, এই আইনের অধীনে সমস্ত অপরাধকেই জামিন অযোগ্য করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সরকার পক্ষের আইনজীবী তাঁর যুক্তি দেওয়ার আগে কোনও অভিযুক্তর জামিনের আবেদন বিবেচনা করা যাবে না।

    নির্যাতিত বা নির্যাতিতার যাবতীয় চিকিৎসার এবং পুনর্বাসনের খরচ বহন করবে অভিযুক্ত

    জানা গিয়েছে, নয়া বিল অনুযায়ী অভিযুক্তদের কাছ থেকেই নির্যাতিত বা নির্যাতিতার যাবতীয় চিকিৎসার এবং পুনর্বাসনের খরচ বহন করা হবে। অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণও দিতে হবে অভিযুক্তকে। যার পরিমাণ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। উল্লেখ্য, ক্ষতিপূরণের (Uttar Pradesh) এই টাকা অভিযুক্তদের দিতে হবে মূল জরিমানার বাইরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: আগাম সতর্ক করা সত্ত্বেও ব্যবস্থা নেয়নি কেরল, ওয়েনাড় নিয়ে বিস্ফোরক অমিত শাহ

    Amit Shah: আগাম সতর্ক করা সত্ত্বেও ব্যবস্থা নেয়নি কেরল, ওয়েনাড় নিয়ে বিস্ফোরক অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধ্বংসী ধসে তছনছ হয়ে গিয়েছে কেরলের ওয়েনাড় জেলা (Wayanad landslides)। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, মৃতের সংখ্যা ছুঁয়েছে ২৭৬। এর পাশাপাশি, ২০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, মাটির নীচে আরও অনেকেই চাপা পড়ে রয়েছেন। এমন বিপর্যয়ের জন্য কেরলের বামপন্থী সরকারকেই দায়ী করলেন অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যসভায় জানিয়েছেন, কেরল সরকারকে আগাম সতর্ক করা হলেও তারা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। বামপন্থী সরকারের কাছে এতজন মানুষের প্রাণের কি কোনও মূল্য নেই? কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুধবার জানিয়েছেন, এমন মহাবিপর্যয় যে হতে পারে তার আগাম সতর্কবার্তা ২৩ জুলাই কেরল সরকারকে জানানো হয়েছিল।

    ভূমিধস নিয়ে বিরোধীদের রাজনীতি না করার আহ্বান শাহের (Amit Shah)

    রাজ্যসভায় বুধবার অমিত শাহ (Amit Shah) নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে এই ভূমিধস নিয়ে বিরোধীদের রাজনীতি না করার আহ্বান জানান তিনি। রাজ্যসভায় অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “আমি একটা বিষয় স্পষ্ট করতে চাই। ২৩ জুলাই, ঘটনার সাত দিন আগে কেরল সরকারকে (Wayanad landslides) একটি আগাম সতর্কবার্তা দিয়েছিল কেন্দ্র। তারপরে ২৪ এবং ২৫ জুলাই, আমরা আবার তাদের সতর্ক করেছিলাম। ২৬ জুলাইয়ে পাঠানো সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল, ২০ সেন্টিমিটারের বেশি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং সেখানে ধস নামার সম্ভাবনা রয়েছে।”

    প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কমপক্ষে ৭ দিন আগে সর্তকতা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে ভারতে

    রাজ্যসভায় অমিত শাহ (Amit Shah) বুধবার আরও জানিয়েছেন যে, বিশ্বের মধ্যে মাত্র চারটি দেশই রয়েছে, যারা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কমপক্ষে ৭ দিন আগে সেই সংক্রান্ত সতর্কতা দিতে পারে। আমাদের দেশ তাদের মধ্যে একটি। অমিত শাহ আরও জানিয়েছেন, বিপদের আভাস পাওয়া মাত্রই কেরলে আগে থেকেই জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর নয়টি দলকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রের পাঠানো সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও মানুষকে নিরাপদ এলাকায় সরায়নি কেরলের বামপন্থী সরকার। সেই কারণেই এই বিপর্যয় ঘটেছে বলে রাজ্যসভায় জানিয়েছেন অমিত শাহ।

    ১,২০০ উদ্ধারকর্মী অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন বলে জানা গিয়েছে

    অমিত শাহ (Amit Shah) বুধবার দাবি করেন, এনডিআরএফ দল আসার পরই কেরল সরকার সতর্ক হয়ে গেলে, ধসে এত মৃত্যু হত না। তবে, এখন ওয়েনাড় বিপর্যয় মোকাবিলায় কেরল সরকার এবং সেখানকার জনগণের পাশে দৃঢ়ভাবে রয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার, এমনই আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এনডিআরএফ, এসডিআরএফ এবং একটি ডগ স্কোয়াডের নেতৃত্বে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত চুরমালা এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে। বর্তমানে, ভারতীয় সেনাবাহিনী, ডিএসসি সেন্টার, টেরিটোরিয়াল আর্মি, এনডিআরএফ, ভারতীয় নৌবাহিনী এবং বায়ুসেনার অন্তত ১,২০০ উদ্ধারকর্মী অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ফের আগুন, আবারও পুড়ল কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বাড়ি, নাশকতা?

    Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ফের আগুন, আবারও পুড়ল কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বাড়ি, নাশকতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়ে ভূস্বর্গে আগুন জ্বালানোর সুযোগ করে দিয়েছিল কংগ্রেস। যার জেরে ভিটেছাড়া হতে হয়েছিল কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandit)। তাঁদের ফেলে আসা (Jammu And Kashmir) জমি-জিরেত দখল করে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে কড়া হাতে জঙ্গি দমন করে উপত্যকায় অশান্তির আগুনে জল ঢালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পর থেকে মোটামুটি শান্তই জম্মু-কাশ্মীর।

    পুড়ল পাঁচ বাড়ি (Jammu And Kashmir)

    মঙ্গলবার গভীর রাতে ফের অশান্তির আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গেল পাঁচ-পাঁচটি বাড়ি। সবগুলোই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার মাত্তান এলাকার ঘটনা। মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের অভিযোগ, তাঁদের হুমকি দিতেই আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বাড়িগুলিতে। তাঁরা যাতে ভূস্বর্গে আর না ফেরেন, তাই নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। বাড়িতে আগুন লাগিয়ে হুমকি দেওয়া হল ভিটে ছেড়ে আসা পণ্ডিতদের।

    নিভল আগুন 

    আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে আসেন মাত্তানের এসএইচও। পুলিশ ও দমকলকে সঙ্গে নিয়েই আসেন তিনি। ঘণ্টা চারেকের চেষ্টায় আগুন আয়ত্তে আসে (Jammu And Kashmir)। এসএইচও-র আশ্বাস, তদন্ত করে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে। দমকলের আধিকারিক নাসির আহমেদ বলেন, “খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে চলে আসি। দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিনের চেষ্টায় ঘণ্টা চারেকের মধ্যেই আগুন আয়ত্ত্বে আসে।”

    বুধবার গভীর রাতের এই আগুনের দিন দুয়েক আগে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল এই মাত্তান এলাকায়ই। সেদিন কাশ্মীরি হিন্দু পণ্ডিতদের তিনটি বাড়ি পুড়ে ছারখার হয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগে ফের অগ্নিকাণ্ড। এবং লক্ষ্যবস্তু পণ্ডিতদের বাড়িই।

    আরও পড়ুন: অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান জনসংখ্যা, চোখ কপালে তুলবে পরিসংখ্যান

    কাশ্মীর সারদাপীঠ আস্থাপনের সভাপতি রবীন্দ্র পণ্ডিত জানান, এই বাড়িগুলির বাসিন্দারা সকলেই বাইরে থাকেন। তাঁরা কাশ্মীরি উদ্বাস্তু। বাড়িগুলিতে কেউ থাকেন না। তাই শর্ট সার্কিট কিংবা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুন লাগার কোনও সম্ভাবনা নেই। স্পষ্টতই এটা নাশকতার ঘটনা। তিনি বলেন, “সংখ্যালঘু সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্ব জেলার ডেপুটি কমিশনারের। তিনি উপযুক্ত পদক্ষেপ করছেন না। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandit) ফেলে যাওয়া সম্পদ রক্ষায় সরকার পদক্ষেপ করুক।” পুড়ে যাওয়া বাড়িগুলির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানান তিনি (Jammu And Kashmir)।

    অল টেম্পলস অ্যান্ড শ্রাইনস ইন সাউথ কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট অশোক কুমার বলেন, “আমরা এতে ভীত নয়, পরোয়াও করি না। ১৯৯০ সাল থেকে এই হুমকি আমরা পাচ্ছি। কিন্তু এটা আমাদের জন্মভূমি। আমরা আমাদের মন্দির ও বিল্ডিংগুলো সংস্কার করছি। ওদের কাজে আমরা পিছিয়ে আসব না। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের সম্পত্তি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 01 August 2024: শত্রুর কোপ থেকে মুক্তিলাভ, এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 August 2024: শত্রুর কোপ থেকে মুক্তিলাভ, এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) শত্রুর কোপ থেকে মুক্তিলাভ।

    ২) কোনও ধর্মীয় কাজে দান করতে হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) কীটপতঙ্গ থেকে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) সংসারে ব্যয়সঙ্কোচ করার ব্যাপারে আলোচনা।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে শরীরে আঘাত লাগতে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে শান্তি পেতে পারেন। 

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    কর্কট

    ১) কোনও আশা ভঙ্গ হতে পারে।

    ২) দূরে কোথাও ভ্রমণের আলোচনা হতে পারে।

    ৩) ভবিষ্যত পরিকল্পনা করুন।

    সিংহ

    ১) অতিরিক্ত কথা বলার জন্য বাড়িতে বিবাদ।

    ২) শরীরে কষ্ট বাড়তে পারে। 

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমে বিরহ দেখা দিতে পারে।

    ২) বন্ধুরা আপনার পাশে দাঁড়াবে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) মনের মতো পরিবেশ পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য জীবন ভালো কাটতে পারে। 

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলুন।

    ২) ব্যবসায় ভালো লাভের সময়।

    ৩) বন্ধুদের থেকে সাহায্য পাবেন।

    ধনু

    ১) জেদের কারণে কোনও ক্ষতি হতে পারে।

    ২) সম্পত্তির ব্যাপারে কোনও আত্মীয়ের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মকর

    ১) অভিনয়ের প্রতি অনুরাগ বাড়তে পারে।

    ২) আয়ের দিক থেকে দিনটি ভালো।

    ৩) ব্যবসায় বিপুল লাভ।

    কুম্ভ

    ১) শুভ কাজে বাধা পাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) নতুন চাকরির জন্য চেষ্টা করতে পারেন। 

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) রাজনীতির লোকেদের জন্য ভালো খবর আসতে পারে।

    ২) সারা দিন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হবে। 

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: কেরলের বিপর্যয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল আরএসএস, উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকরা

    RSS: কেরলের বিপর্যয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল আরএসএস, উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে যে কোনও বড় ধরনের বিপর্যয় হলেই ঝাঁপিয়ে পড়ে আরএসএস। কেরলের ওয়েনাড়ে (Wayanad) প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা ১৮০ পার হয়েছে। এখনও নিখোঁজ শতাধিক মানুষ। এমতাবস্থায় রাহুল গান্ধী তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্র ওয়েনাড়ে পৌঁছতে না পারলেও পৌঁছে গিয়েছেন আরএসএসের (RSS) শতাধিক স্বেচ্ছাসেবকরা। রাহুল গান্ধী বৃষ্টির অজুহাত দিয়েছেন। যদিও সেই একই কঠিন পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা। পাশাপাশি তাঁদের হাতে ত্রাণ তুলে দিচ্ছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা।

    সেনার পাশাপাশি কাজ করছে আরএসএস (RSS)

    সেনার সঙ্গে হাত মিলিয়ে আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা রাস্তা পরিষ্কার করার পাশাপাশি মানুষের উদ্ধার কাজ শুরু করেছেন। ইতিমধ্যেই সেনা এবং এনডিআরএফ-এর দল দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। দুর্গতদের খাবার সরবরাহ করছে আরএসএস (RSS) । এমনকি মৃতদেহও উদ্ধার করছে তাঁরা। সেনা এবং এনডিআরএফ-এর কাধে কাঁধ মিলিয়ে কয়েকশো স্বয়ংসেবক মানুষকে (Wayanad) নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিচ্ছেন। কেউ কোথাও যেতে চাইলে, সেখানে পৌঁছে দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। যারা আহত হয়েছেন, তাদেরকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থাও করছে আরএসএস। ‘চিতাগ্নি’ নামে চুরালমলা এলাকায় একটি চলমান সৎকার ব্যবস্থার মাধ্যমে তাঁরা মৃতদেহের সৎকার করছেন। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় এখনোও গাছের গুড়ি পড়ে আছে। কাদা জমে আছে। রাস্তা পরিষ্কার করার কাজেও সেনা ও এনডিআরএফ-এর পাশাপাশি হাত লাগিয়েছেন ওই স্বেচ্ছাসেবকরা।

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস (Wayanad)

    ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়নের সঙ্গে কথা বলে রাজ্য সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি জে পি নাড্ডাকেও পার্টির সদস্যদের (Wayanad) উদ্ধারকাজে হাত লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর তরফে নিহতদের পরিবারের জন্য ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ৫০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ রাহুল গান্ধী এখনও ওয়েনাড়ে যাওয়ার সুযোগ পাননি। নিজের কেন্দ্রের উপস্থিত হননি তিনি। সংসদীয় এলাকায় যাওয়ার বদলে সংসদে ভাষণ দেওয়াকে হয়ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন তিনি। এই কেন্দ্রের দুবারের সাংসদ হিন্দু-মুসলিম, জাতিভিত্তিক জনগণনা সহ নানান বিষয়ে সংসদে কথা বললেও ওয়েনাড়ের জন্য সেভাবে শব্দ খরচ করেননি।

    আরও পড়ুন: আরএসএস সম্পর্কে কুকথা বরদাস্ত করলেন না ধনখড়, রাজ্যসভায় দিলেন যোগ্য জবাব

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে রাহুল গান্ধী লেখেন, “প্রিয়াঙ্কা এবং আমি ওয়েনাড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম। অথচ অতিভারী বৃষ্টি এবং খারাপ আবহাওয়ার জন্য প্রশাসন আমাদের জানিয়েছে, আমরা ওখানে পৌঁছতে পারব না। আমি ওয়েনাড়ের মানুষকে আশ্বাস দিচ্ছি, যত দ্রুত সম্ভব আমি সেখানে পৌঁছে যাব। এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে আরএসএসের (RSS) স্বেচ্ছাসেবক, সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ পৌঁছে গেলেও সাংসদের কি সদিচ্ছা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Midnapore: স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একী হাল! এক সপ্তাহে ১২১ জন রোগী নিখোঁজ মেদিনীপুর মেডিক্যালে

    Midnapore: স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একী হাল! এক সপ্তাহে ১২১ জন রোগী নিখোঁজ মেদিনীপুর মেডিক্যালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একী অবস্থা! মেডিক্যাল কলেজ থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছেন রোগীরা। আর সেটা জানেই না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে  মেদিনীপুর (Midnapore) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। আর এই বিষয়টি জানাজানি হতেই মুখ পুড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

    এক সপ্তাহে ১২১ জন রোগী নিখোঁজ! (Midnapore)

    মেদিনীপুর (Midnapore) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিটি ওয়ার্ডে নিরাপত্তা রক্ষী রয়েছে। রোগীদের ডিসচার্জ সার্টিফিকেট দেখার পরই রোগীদের হাসপাতাল থেকে ছাড়ার কথা। কিন্ত,  বাস্তবে তা কিছুই হচ্ছে না। বরং, প্রতিদিন খাতায়কলমে বেড়ে চলেছে নিখোঁজ রোগীর সংখ্যা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সাত দিনে এই হাসপাতাল থেকে ১২১ জন রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। বেশিরভাগই চিকিৎসাধীন ছিলেন পুরুষ বিভাগে। চলতি সপ্তাদের প্রথমদিন সোমবারই ২০ জন রোগী হাসপাতাল থেকে উধাও হয়ে যান।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বারিকের রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কী সাফাই?

    এমনিতেই এই হাসপাতালের (Midnapore) পরিষেবা নিয়ে রোগীদের অভিযোগ ছিল। এবার হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। হাসপাতালের (Medical College) এক আধিকারিক বলেন, আসলে রোগীরা নিয়ম অনুযায়ী ছুটি না নিয়ে চলে যাচ্ছেন। ফলে, আমাদের কাছে রোগীর তথ্য না থাকার কারণে আমরা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে বাধ্য হচ্ছি। তবে, নিরাপত্তারক্ষী থাকার পরও এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। ইতিমধ্যেই একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এর সমাধান হবে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূলের আমলে হাসপাতালের এই ঢিলেঢালা নিরাপত্তার অবস্থার কারণে মুখ পুড়েছে শাসক দলের। তৃণমূল সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা অরূপ দাস বলেন, মেডিক্যাল কলেজে (Medical College) শতাধিক রোগী নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের গাফিলতি অন্যতম কারণ। আর এই হাসপাতালে চিকিৎসা হয় না বলেই রোগীরা পালিয়ে যাচ্ছেন। তৃণমূলের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, “কেন রোগীরা চলে যাচ্ছেন, সেটা প্রশাসনের দেখা উচিত।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: আরএসএস সম্পর্কে কুকথা বরদাস্ত করলেন না ধনখড়, রাজ্যসভায় দিলেন যোগ্য জবাব

    RSS: আরএসএস সম্পর্কে কুকথা বরদাস্ত করলেন না ধনখড়, রাজ্যসভায় দিলেন যোগ্য জবাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) নামে রাজ্যসভায় কুকথা বরদাস্ত করলেন না রাজ্যসভার অধ্যক্ষ জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) । বুধবার সংসদে মাল্লিকার্জুন খড়গে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ রামলালজী সুমনের বক্তব্যকে সমর্থন করলে পাল্টা ধনখড় বলেন, “আরএসএসের সমালোচনা যারা করছেন তাঁরা সংবিধানের বিরোধিতা করছেন। আরএসএস দেশের সেবা করে। মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ ভাব নিয়ে কাজ করে। যারা দেশের কাজ করছেন, এমন সংগঠনের সমালোচনা করা সংবিধান বিরোধী। আরএসএসের মত সংগঠনের জন্য সকলের গর্ববোধ করা উচিত।

    সমাজবাদী সাংসদ রামলালজি সুমনের বক্তব্য (Jagdeep Dhankhar)

    প্রসঙ্গত সমাজবাদী পার্টির সাংসদ রাম লালজি সুমন এনটিএ-র অধ্যক্ষের আরএসএসের (RSS) সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ করেন। তিনি শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, শাসক দল সবসময় এটা দেখে যে ব্যক্তি পদে আছে, সে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত কি না। এর পাল্টা বক্তব্য রাখতে গিয়েই জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) আরএসএস-এর পক্ষে দাঁড়ান।

    কংগ্রেসের নেতাদের টার্গেট আরএসএস (RSS)

    এদিন রাজ্যসভায় স্পষ্টভাবে জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) বলেন, আরএসএসের (RSS)  নামে কুমন্তব্য করলে তা রেকর্ডে রাখা হবে না। প্রসঙ্গত এর আগেও মাল্লিকার্জুন খড়গের বিরুদ্ধে আরএসএস সম্পর্কে কুমন্তব্য করার দৃষ্টান্ত রয়েছে। অন্যদিকে রাহুল গান্ধী সহ কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব এর আগেও আরএসএস সম্পর্কে সংসদের ভিতরে এবং বাইরে কুমন্তব্য করেছেন। এর আগে সংসদে মালিকার্জুন খড়গে বলেছিলেন, “আরএসএস এবং বিজেপি সম্মিলিতভাবে দেশের বিভিন্ন সংস্থাকে ভেঙে ফেলার কাজ করছে।

    আরও পড়ুন: এসসি, এসটি, ওবিসি প্রশ্নে রাহুলকে ধুয়ে দিলেন নির্মলা

    পাল্টা সে সময় ধনখড় বলেন, “আরএসএস বিশ্ববিখ্যাত সামাজিক সংস্থা, যারা মানব কল্যাণ এবং দেশের উন্নতির জন্য কাজ করে।” মল্লিকার্জুন খড়গের সেই মন্তব্যকে রেকর্ড থেকে সরিয়ে ফেলা হয়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share