Tag: Madhyom

Madhyom

  • Women’s Asia Cup 2024: নেপালকে ৮২ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের মেয়েরা

    Women’s Asia Cup 2024: নেপালকে ৮২ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের মেয়েরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপে বিধ্বংসী মেজাজে নেপালকে ৮২ রানে হারিয়ে (India vs Nepal) সেমিফাইনালে উঠল ভারতীয় মেয়েরা। মঙ্গলবার এই ম্যাচে জয়ের মধ্য দিয়ে সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা পুরোপুরি নিশ্চিত করলেন স্মৃতি মন্ধানারা। অন্যদিকে ভারতের এই জয়ের সঙ্গে মেয়েদের এশিয়া কাপের (Women’s Asia Cup 2024) সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল পাকিস্তানও। 

    ভারতীয় দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্বে স্মৃতি মন্ধনা 

    এশিয়া কাপে (Women’s Asia Cup 2024) মঙ্গলবার ভারত-নেপাল ম্যাচ (India vs Nepal) হয়েছে শ্রীলঙ্কার ডাম্বুলা শহরের রণগিরি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ভারত। হরমনপ্রীত কৌর এই ম্যাচে খেলেননি। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দেন মন্ধানা। মন্ধানার নেতৃত্বে শেফালি বর্মার সঙ্গে পাঠানো হয় দয়ালান হেমালতাকে। তাঁরা মিলে ১২২ রানের জুটি গড়েন। প্রথম উইকেট হিসেবে আউট হন হেমলতাই। ৪২ বলে ৪৭ রানে মূলত ইনিংস অ্যাঙ্কর করেন।

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্স ফুটবলের প্রথম দিনই মাঠে নামছে ইউরো জয়ী স্পেন ও কোপা আমেরিকা জয়ী আর্জেন্টিনা

    অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস শেফালির (Women’s Asia Cup 2024) 

    অন্যদিকে মেয়েদের এশিয়া কাপে একমাত্র সেঞ্চুরি হয়েছে দু-দিন আগেই। শ্রীলঙ্কার চামারি আতাপাত্তু ইতিহাস গড়েছেন। এদিনের ম্যাচেও হয়তো দ্বিতীয় সেঞ্চুরিয়ও পাওয়া যেত। বিধ্বংসী ব্যাটিং করছিলেন শেফালি ভার্মা। কিন্তু নেপালের বাঁ হাতি স্পিনার শর্ট লেন্থে বোলিং করেন, অফ স্টাম্পের বেশ কিছুটা বাইরে। শেফালি স্টেপ আউট করেছিলেন। বড় শট খেলার চেষ্টা করলেও বলের লাইন মিস হয়। তবে স্টাম্পিং মিস করেননি নেপালের কিপার। ফলে ৪৮ বলে ৮১ রানে খেলা শেষ করেন শেফালি। তিনি আউট হন ইনিংসের ১৬তম ওভারে। ফলে সেঞ্চুরির দুর্দান্ত সুযোগ মিস করে শেফালি।  
    উল্লেখ্য, এদিন নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট নিয়ে দ্রুত ম্যাচ (Women’s Asia Cup 2024) শেষ করাই টার্গেট ছিল ভারতীয় বোলারদের। যদিও নেপালকে অলআউট করতে পারেনি ভারত। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ৯৬ রান করে নেপাল। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে অভিজ্ঞ অফস্পিনার দীপ্তি শর্মা মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন অরুন্ধতী রেড্ডি ও রাধা যাদব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget 2024: ভারত-চিন সংঘাত! সীমান্তের পরিকাঠামো উন্নয়নে আগের থেকে বরাদ্দ বাড়ল ৩০ শতাংশ

    Budget 2024: ভারত-চিন সংঘাত! সীমান্তের পরিকাঠামো উন্নয়নে আগের থেকে বরাদ্দ বাড়ল ৩০ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অর্থ বছরের থেকে ৩০ শতাংশ বেশি অর্থ বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় সরকার (Budget 2024) চিন সীমান্তের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে। বিগত ২-৩ বছরের তুলনায় এই বরাদ্দ দ্বিগুণের থেকেও বেশি ছাড়িয়েছে। প্রসঙ্গত, দুই পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছে। জানা গিয়েছে, চলতি বছরেই (Budget 2024) ভারত সরকার চিন সীমান্তের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার নির্মাণে ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই বরাদ্দ করা হয়েছে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনকে।

    সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহলের একাংশ

    এই সংস্থা সীমান্তে সড়ক নির্মাণের কাজ দেখাশোনা করে। ভারত-চিন সীমান্তের উত্তেজনার আবহে সরকারের এমন সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। শুধু তাই নয় মঙ্গলবার বাজেট পেশ করার সময় সরকারের (Central Government) পক্ষ থেকে তা মেনেও নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগেই ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনকে বরাদ্দ করা হয়েছিল পাঁচ হাজার কোটি টাকা কিন্তু চলতি বছরের (Budget 2024) সেই পরিমাণ অনেকটাই বাড়ল বলে মনে করছেন ওয়াকিবহল মহলের একাংশ।

    প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা (Budget 2024)

    বর্তমানে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্য়ে সীমান্তে পরিকাঠামো উন্নয়নেই বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ৬,৫০০ কোটি টাকা। একথা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রসঙ্গত, ২০২০ সাল থেকেই ভারত-চিন সংঘাত দুই দেশের সামরিক এবং কূটনৈতিক মহলে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, তার পরের বছর থেকেই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে সীমান্তে পরিকাঠামো তৈরির বরাদ্দ। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে সীমান্তে সড়ক পরিকাঠামোতে বরাদ্দ হয়েছিল ২,৫০০ কোটি টাকা, পরের অর্থবর্ষে ২০২২-২৩ সালে তা ৪০ শতাংশ বেড়ে হয় ৩,৫০০ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে তা ফের ৪০ শতাংশ বাড়ে, বরাদ্দ করা হয় ৫ হাজার কোটি টাকা (Central Government)। চলতি আর্থিক বছরে ফের ৩০ শতাংশ বেড়ে হল ৬ হাজার ৫০০ কোটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Swastika: হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ ও নাৎসিদের ‘হুকড ক্রস’-এ রয়েছে বড় ফারাক, বলল আমেরিকা

    Swastika: হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ ও নাৎসিদের ‘হুকড ক্রস’-এ রয়েছে বড় ফারাক, বলল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কী বলবেন একে? বিলম্বিত বোধোদয়? হয়তো তাই। তবে দেরিতে হলেও, শেষমেশ মার্কিনরা বুঝতে পেরেছেন সনাতনীদের ‘স্বস্তিকে’র (Swastika) সঙ্গে কী পার্থক্য রয়েছে নাৎসিদের ‘হ্যাকেনক্রেউজে’র। আমেরিকার (US) অরিগন ডিপার্টমেন্ট অফ এডুকেশন দুই প্রতীকের পার্থক্য খুঁজে বের করেছে। যার জেরে স্বস্তিতে জো বাইডেনের দেশের হিন্দুরা।

    ‘স্বস্তিক’ শব্দের অর্থ (Swastika)

    সনাতন ধর্মের সঙ্গে ‘স্বস্তিক’ চিহ্নের যোগ দেহের সঙ্গে আত্মার মতো। ‘স্বস্তিক’ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘স্বস্তিক’ থেকে। যার অর্থ ‘মঙ্গলের জন্য সহায়ক’। ‘স্বস্তিক’ শব্দটিকে ভাঙলে দুটি শব্দ পাই। একটি ‘সু’, অন্যটি ‘অস্তি’। ‘সু’ মানে ‘ভালো’। ‘অস্তি’ শব্দের বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় ‘অস্তিত্ব’। তাই ‘স্বস্তিক’ শব্দটির মধ্যে সব ধর্মের মানুষেরই মঙ্গল বা কল্যাণ নিহিত রয়েছে। কেবল হিন্দু নয়, বৌদ্ধ এবং জৈন-সহ বিভিন্ন ধর্মে দেবত্ব ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই চিহ্নটি। শুধু তাই নয়, কয়েকটি নেটিভ আমেরিকান ধর্ম এবং সংস্কৃতিতেও ‘স্বস্তিক’ চিহ্নের গুরুত্ব অপরিসীম।

    ‘স্বস্তিকে’র স্বীকৃতিতে খুশির হাওয়া

    এহেন একটি মঙ্গলের প্রতীককে জার্মানির নাৎসিদের প্রতীক ‘হ্যাকেনক্রেউজে’র সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছিলেন আমেরিকার নাগরিকরা। সেই কারণে আমেরিকায়ও অনেক ক্ষেত্রেই আড় চোখে দেখা হয় হিন্দুদের। তবে এবার বোধহয় ফুরোতে চলেছে সেই জমানা। সৌজন্যে, আমেরিকার অরিগন ডিপার্টমেন্ট অফ এডুকেশন। অফিসিয়ালি তারা স্বীকার করেছে, হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ এবং নাৎসিদের ‘হ্যাকেনক্রেউজে’র মধ্যে ফারাক রয়েছে বিস্তর। মার্কিন মুলুকে গড়ে উঠেছে হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন। অরিগন ডিপার্টমেন্ট অফ এডুকেশনের এই স্বীকৃতিতে যারপরনাই খুশি তারা। তাদের বক্তব্য, এবার অন্তত মার্কিনরা পবিত্র একটি হিন্দু প্রতীককে (Swastika) মর্যাদা দেবে। গুলিয়ে ফেলবে না নাৎসিদের প্রতীকের সঙ্গে। এই সংগঠনের তরফেই সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় করা হয়েছে একটি পোস্ট। তাতে তারা আনন্দ প্রকাশের পাশাপাশি অরিগনে তাদের যারা সমর্থক রয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছে। ঐতিহাসিক এই জয় (স্বস্তিকের স্বীকৃতি) পেতে যে লড়াই তাঁরা করেছেন, সেজন্যও অভিনন্দন জানানো হয়েছে অরিগনে থাকা হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশনের সদস্যদের।

    স্বস্তিক ও ক্রসড হুডের ফারাক

    স্বস্তিক এবং ‘হ্যাকেনক্রেউজ’ – এই দুই প্রতীকের ক্ষেত্রে যে টার্ম ব্যবহার করা হয়, তার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে মার্কিন মুলুকের এই শিক্ষা দফতর। তারা সাফ জানিয়েছে, স্বস্তিকের সঙ্গে নাৎসিদের প্রতীকের পার্থক্য রয়েছে। ‘স্বস্তিক’ নাৎসিদের ব্যবহৃত ‘হুকড ক্রস’ (‘হ্যাকেনক্রেউজ’) নয়। ‘স্বস্তিকে’র মধ্যে নিহিত রয়েছে পবিত্রতা ও মঙ্গলের ধারণার বীজ। যা নেই ‘হুকড ক্রসে’।হিন্দুদের প্রতীক বনাম নাৎসিদের প্রতীকের এই যে পৃথকীকরণ, তার গুরুত্বও কিন্তু কম নয়। এতে কেবল ‘স্বস্তিকে’র পবিত্রতাই বজায় রইল না, দুই প্রতীকের পার্থক্য সম্পর্কেও সচেতন হবে আগামী প্রজন্ম। দুই প্রতীকের প্রকৃত অর্থ কী, তাও বুঝতে পারবেন মানুষ। মার্কিনদের একটা বড় অংশই ‘স্বস্তিক’কে ‘হুকড ক্রসে’র সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে ঘৃণা এবং অসহিষ্ণুতার প্রতীক বলে মনে করত। এবার তাঁদের সেই ধারণাও ভেঙে যাবে। সম্মান করতে শিখবেন ‘স্বস্তিক’কে, ভারতীয় সংস্কৃতিকে। যে সংস্কৃতি কেবল হিন্দু-মুসলমান-খ্রিস্টান নয়, সব ধর্মের মানুষের কল্যাণ কামনা করে। যে সংস্কৃতির মূল সুরই হল, ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’।

    আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুলকে, নিট নিয়ে সুপ্রিম-নির্দেশের পরই বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    ‘স্বস্তিকে’র ‘বয়স’

    ‘স্বস্তিকে’র এই স্বীকৃতিতে আরও একটি উপকার হল বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা সনাতনীদের। দুই চিহ্নের মিল দেখে অনেকেই তাঁদের উগ্রপন্থায় বিশ্বাসী বলে মনে করত। এবার তাদেরও সেই ধারণা ভেঙে খান খান হয়ে যাবে। ‘স্বস্তিক’ (Swastika) কেবল মঙ্গলের প্রতীক নয়, সৌভাগ্যেরও প্রতীক, সমৃদ্ধির প্রতীক। হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ প্রতীকের জন্ম আজকে নয়। ৬ হাজার বছর আগেও পাহাড় এবং গুহাচিত্রে এই প্রতীকের দেখা পাওয়া যায়। এবং এই প্রতীকের শেকড় যে ভারতেই প্রোথিত, তাও প্রমাণিত হয় পুরাণাদি বিভিন্ন গ্রন্থের কল্যাণে। হিন্দুদের পবিত্র গ্রন্থ বেদেও উল্লেখ রয়েছে ‘স্বস্তিকে’র।

    বিশ্ববাসীর মঙ্গল কামনা করে, ‘স্বস্তিক’

    ‘স্বস্তিক’ কেবল যে মঙ্গল-কল্যাণ কিংবা সুখের প্রতীক তা নয়, সূর্য এবং ব্রহ্মকে বোঝাতেও এই প্রতীক ব্যবহার করা হয়। ‘স্বস্তিক’ শক্তির প্রতীক, আবার সৌভাগ্যের দেবতা গণেশেরও প্রতীক এই পবিত্র চিহ্ন। হিন্দু এবং জৈনরা হিসেবের নতুন খাতায়, বইয়ের প্রথম পাতায়, দরজা এবং ঠাকুরঘরে স্বস্তিক প্রতীক রাখেন। এতে কতটা মঙ্গল তাঁদের হয়, তা বলতে পারবেন (US) তাঁরাই। তবে এই প্রতীক যে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্ববাসীর মঙ্গল কামনা করে, ‘স্বস্তিকে’র (Swastika) অর্থই তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Agniveer Budget: বাজেটে অগ্নিবীর প্রকল্পকে বিশাল গুরুত্ব, বরাদ্দ বেড়ে ৫,২০৭ কোটি

    Agniveer Budget: বাজেটে অগ্নিবীর প্রকল্পকে বিশাল গুরুত্ব, বরাদ্দ বেড়ে ৫,২০৭ কোটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনাবাহিনীতে অল্প সময়ের জন্য সৈনিক ভর্তির উদ্দেশ্যে সরকার অগ্নিবীর (Agniveer Indian Army) প্রকল্প চালু করেছে। সরকারের উদ্দেশ্য অল্প সময়ের জন্য তিন বাহিনীতে তরুণ সৈনিক ভর্তি করা। ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনায় প্রায় এক লক্ষ অগ্নিবীর ভর্তি করা হয়েছে। বেশি সংখ্যায় তরুণ প্রজন্মকে ভর্তি করলে সেনায় তারুণ্য ও সংখ্যা বল দুটোই বাড়বে। এই লক্ষ্যেই সরকার অগ্নিবীরের (Agniveer Budget) বাজেটেও রেকর্ড হারে বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

    অগ্নিবীরের বাজেট বরাদ্দ (Agniveer Budget)

    ২০২২-২৩ প্রাথমিকভাবে অগ্নিবীর প্রকল্পের জন্য ১৫৯.৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। শুধুমাত্র প্রকল্প চালু জন্য প্রাথমিক বাজেট ছিল এটি।

    ২০২৩-২৪ সালে ধাক্কায় এই বছর বাজেট বরাদ্দ (Agniveer Budget) বাড়িয়ে ৩,৮০০ কোটি টাকা করা হয়। এবারের বাজেট বরাদ্দ ছিল নিয়োগ, পরিকাঠামো বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন খাতে খরচ বাবদ।

    ২০২৪-২৫ চলতি বছর বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ৫,২০৭.২৮ কোটি টাকা করা হয়। নিয়োগ পরিকাঠামো বৃদ্ধি সহ অগ্নিবীর প্রকল্পে আরও কিছু উল্লেখ্যযোগ্য পরিবর্তন ও উন্নয়নের জন্য এই উদ্যোগ সরকারের।

    অগ্নিবীরের উপর সরকারের ভরসা  (Agniveer Indian Army)

    সরকার চাইছে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ৪ থেকে ৫ লক্ষ অগ্নিবীর ভারতীয় সেনার ৩ বিভাগে ভর্তি করা হবে। এর ফলে সৈন্যবাহিনীর সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যাবে। ফলে ভারত যে কোন সময় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকবে। সরকার পরপর বাজেট (Agniveer Budget) বৃদ্ধি করার পিছনে যুক্তি হল, অগ্নিবীদের প্রয়োজনীয় অস্ত্র, উর্দি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস প্রদান করা। সরকার সব দিকে নজর রেখেই পরপর বরাদ্দ বাড়িয়ে চলেছে। প্রাথমিক বাজেটে সরকার পরিকাঠামগত উন্নয়নের দিকে নজর দিয়েছিল। ধীরে ধীরে সরকার অগ্নিবীদের কৌশলগত বৃদ্ধির সংক্রান্ত বিনিয়োগের দিকে নজর দিতে শুরু করে।

    অগ্নিবীর প্রকল্পে সরকারের আস্থা

    অগ্নিবীর প্রকল্পে ক্রমাগত (Agniveer Budget) বিনিয়োগ বৃদ্ধি সরকারের এই প্রকল্পের সাফল্যের দিক নির্দেশ করে। বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বোঝা যায় সরকার অগ্নিবীরদের  (Agniveer Indian Army) উপরে যথেষ্ট আস্থা রেখেছে। প্রসঙ্গত চীন ও পাকিস্তান দু দিক থেকেই ভারতের উপর যুদ্ধের মেঘ ঘনিয়ে আসছে।

    আরও পড়ুন: সেনাবাহিনীতে ‘অগ্নিবীর’ সুমন, প্রত্যন্ত গ্রামে প্রথম সরকারি চাকরিতে খুশির হাওয়া

    একদিকে লাইন অফ একচুয়াল কন্ট্রোলে ড্রাগনের ক্রমাগত আগ্রাসন বৃদ্ধি অন্যদিকে ভারতের পশ্চিম সীমান্তে পাকিস্তানের পাঠানো জঙ্গিদের তান্ডব ও মাদক পাচারের সমস্যা ঠেকাতে অতিরিক্ত বাহিনীর প্রয়োজন বোধ করে সেনা। প্রয়োজনে অগ্নিবীদের দুই ফ্রন্টে পাঠানোর জন্য তৈরি করা হচ্ছে।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Digha: তীব্র জলোচ্ছ্বাসে ভাসল তাজপুরের হোটেল-দোকান, পার্কিং জোন, আতঙ্কিত পর্যটকরা

    Digha: তীব্র জলোচ্ছ্বাসে ভাসল তাজপুরের হোটেল-দোকান, পার্কিং জোন, আতঙ্কিত পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দিকে কোটাল, তার সঙ্গে নিম্নচাপ এবং পুবালি হাওয়ার দাপটে তীব্র সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস দেখা দিচ্ছে দিঘা (Digha)-সহ পার্শ্ববর্তী উপকূল এলাকাগুলিতে। সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসের দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাজপুর। ফলে, তাজপুরে ঘুরতে আসা হাজার হাজার পর্যটকদের মন খারাপ।

    তাজপুরে ভাসল ২০ টি হোটেল-দোকান (Digha)

    দিঘার (Digha) পাশাপাশি মন্দারমনি, তাজপুর, শঙ্করপুরের মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেও চোখে পড়ার মতো ভিড় হচ্ছে। ইট-পাথরের জঙ্গলের বাইরে কয়েক দিন কাটানোর জন্য পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের জায়গা তাজপুর। অন্য সমুদ্র সৈকতের চেয়ে অপেক্ষাকৃত নিরিবিলি এই পর্যটন স্থানে দিন কয়েক ঘুরে যান অনেকেই। এই এলাকার পর্যটকদের রসনা তৃপ্তি করতে সমুদ্রতটে অস্থায়ী কিছু হোটেল-দোকানপত্র রয়েছে। গত দুই-তিন দিনে এমনই প্রায় কুড়ি থেকে পঁচিশটি অস্থায়ী দোকানের অস্তিত্ব সঙ্কটে। মঙ্গলবার জলের তোড়ে ভাসল তাজপুরে (Tajpur) কুড়িটির বেশি হোটেল এবং দোকান। যার ফলে ব্যাপক ভাঙনের কবলে তাজপুর পর্যটনকেন্দ্র। এমনকী সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস এবং ভাঙনের জেরে তাজপুরের সৈকত আসা পর্যটকদের গাড়ি রাখার জন্য যে পার্কিংয়ের জায়গা ছিল, সেটিও ভেঙে গিয়েছে। এখন গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা কোথায় হবে, তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    পর্যটকরা কী বললেন?

    কলকাতা থেকে তাজপুরে (Tajpur) বেড়াতে আসা মনোজ বিশ্বাস নামে এক পর্যটক বলেন, জলের দাপটে এলাকা তছনছ হয়ে গিয়েছে। তাজপুরের বেশ কিছুটা এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। গাড়ি রাখার ব্যবস্থা নেই। চরম অব্যবস্থা। তাজপুরে আনন্দ করতে এসে মন খারাপ নিয়ে বাড়ি ফিরতে হবে। এখানে থাকতে ভয় লাগছে। মন্দারমণিতে মেরিন ড্রাইভ-সহ সমুদ্র তীরবর্তী এলাকাগুলিকে যে ভাবে বাঁধানো হয়েছে, সে ভাবেই তাজপুরের সৈকত বেঁধে দেওয়া হলে এই ভাঙন কিছুটা প্রতিরোধ করা যাবে।

    প্রশাসনের কর্তারা কী বললেন?

    সমুদ্র পাড়ে ভাঙনের খবর পেয়ে এলাকা পর্যবেক্ষণ করেছেন রামনগর-১ ব্লকের বিডিও-সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাঙন প্রতিরোধ করতে কাঠের বল্লি, বোল্ডার, বালির বস্তা ইত্যাদি ফেলা হয়েছিল। তবে জলের তোড়ে সে সবই ভেসে গিয়েছে। ব্লক প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, “ভাঙন প্রতিরোধে তাজপুর থেকে একেবারে মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রপাড়ের বিপজ্জনক অংশটি কংক্রিট দিয়ে বাঁধাতে হবে। সেচ দফতরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা! মমতার মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হাসিনা সরকার, কেন্দ্রকে চিঠি ঢাকার

    Bangladesh: বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা! মমতার মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হাসিনা সরকার, কেন্দ্রকে চিঠি ঢাকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি ক্ষেত্রে সংরক্ষণ নিয়ে অশান্ত প্রতিবেশী বাংলাদেশ (Bangladesh)। সম্প্রতি ২১ জুলাই-এর সভা থেকে বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা নিয়ে নিজের মত ব্যক্ত করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এরপরই তাঁর মন্তব্যে বিরোধিতা করে ঢাকা। এ নিয়ে দিল্লিতে চিঠি পাঠিয়েছে হাসিনা সরকার। ঢাকার দাবি, প্রতিবেশী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অন্য দেশের আভ্যন্তরীন বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারেন না। তাঁর মন্তব্যে বিভ্রান্তির সুযোগ রয়েছে।

    কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়া

    সম্প্রতি মমতা বলেছিলেন, বাংলাদেশের (Bangladesh) মানুষ দরজায় কড়া নাড়লে রাজ্যে তাঁদের আশ্রয় দেবেন। মমতার এই মন্তব্য ঘিরেই শোরগোল শুরু হয়। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ রবি শঙ্কর প্রসাদ মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী এই অধিকার রাজ্য সরকারের নেই। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।” রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমার মনে হয়, এ নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলা উচিত। রাজ্য ওঁর একার নয়। যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো রয়েছে দেশে।” এবার বাংলাদেশের তরফেও মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের বিরোধিতা করা হল।

    বাংলাদেশের চিঠি

    মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতার (Mamata Banerjee) মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান বাংলাদেশের (Bangladesh) বিদেশমন্ত্রী হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা করি, ওঁর সঙ্গে ভাল সম্পর্ক আমাদের। তবে ওঁর মন্তব্যে বিভ্রান্তির সুযোগ রয়েছে যথেষ্ট।  তাই ভারত সরকারকে এ নিয়ে নোট দিয়েছি আমরা।” বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মমতা মন্তব্য করেছেন বলেও জানান হাসান। বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলেও জানান তিনি। তবে ঢাকার চিঠি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুলকে, নিট নিয়ে সুপ্রিম-নির্দেশের পরই বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    রিপোর্ট তলব রাজভবনের

    বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও মুখ্যমন্ত্রীর বাংলাদেশ (Bangladesh) নিয়ে মন্তব্যের প্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করেছেন। রাজ্যপাল বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) প্রকাশ্যে অন্য দেশ থেকে আসা মানুষজনকে আশ্রয় দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন। সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন উনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: আজ শুরু অলিম্পিক্স ফুটবল, নামছে ইউরো জয়ী স্পেন, কোপা জয়ী আর্জেন্টিনা

    Paris Olympics 2024: আজ শুরু অলিম্পিক্স ফুটবল, নামছে ইউরো জয়ী স্পেন, কোপা জয়ী আর্জেন্টিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে অপেক্ষার অবসান। প্যারিস অলিম্পিক্সের (Paris Olympics 2024) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে ২৬ জুলাই, শুক্রবার। তবে তার দুদিন আগেই ফুটবল (Olympic Football)-সহ কিছু খেলা চালু হয়ে যাচ্ছে। বুধবার প্রথম দিনেই মাঠে নামছে ইউরো কাপ জয়ী স্পেন এবং কোপা আমেরিকা জয়ী আর্জেন্টিনা। স্পেন খেলবে উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে। আর আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ মরক্কো। এবারের প্যারিস অলিম্পিক্সে ভারত থেকে অংশ নেবেন মোট ১১৭ জন প্রতিযোগী।

    কোন কোন দেশ অংশ নিচ্ছে? (Paris Olympics 2024) 

    আর্জেন্টিনার গ্রুপে রয়েছে মরক্কো, ইরাক এবং ইউক্রেন। স্পেনের গ্রুপে রয়েছে উজবেকিস্তান, মিশর এবং ডমিনিকান প্রজাতন্ত্র। ফ্রান্সের গ্রুপে রয়েছে আমেরিকা, গিনি এবং নিউ জিল্যান্ড। অপর গ্রুপটিতে রয়েছে জাপান, প্যারাগুয়ে, মালি এবং ইজরায়েল। ২০০৮ সালের পর অলিম্পিক্স ফুটবলে (Olympic Football) ফিরেছে আমেরিকা। আর্জেন্টিনা দলে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ জয়ী দলের চার জন খেলোয়াড় রয়েছেন। এঁরা হলেন জুলিয়ান আলভারেস, নিকোলাস ওটামেন্ডি, জেরোনিমো রুলি এবং থিয়াগো আলমাদা। অলিম্পিক্সের ফুটবলে মূলত অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবলারেরাই খেলেন। সঙ্গে তিন জন সিনিয়র ফুটবলার খেলতে পারেন। এই নিয়মের কারণে আলভারেস, ওটামেন্ডি এবং রুলি অলিম্পিক্সে খেলতে পারছেন। সোনার দাবিদার মনে করা হচ্ছে আর্জেন্টিনাকেই। তবে স্পেন, ফ্রান্স এবং মরক্কোও জোর টক্কর দিতে পারে। 
    অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) ১৯০০ সাল থেকে চালু হয়েছে ফুটবল। অর্থাৎ ফুটবল বিশ্বকাপেরও আগে থেকে। তবে একচ্ছত্র আধিপত্য কোনও দেশেরই নেই। সর্বোচ্চ তিন বার করে সোনার পদক জিতেছে হাঙ্গেরি এবং গ্রেট ব্রিটেন। দুবার করে সোনা জিতেছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, অবিভক্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং উরুগুয়ে। এ ছাড়া, অবিভক্ত যুগোশ্লাভিয়া, স্পেন, পোল্যান্ড, অধুনালুপ্ত পূর্ব জার্মানি, নাইজেরিয়া, পূর্বতন চেক প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স, ইটালি, সুইডেন, মেক্সিকো, বেলজিয়াম, কানাডা এবং ক্যামেরুন একটি করে সোনা জিতেছে।

    আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুলকে, নিট নিয়ে সুপ্রিম-নির্দেশের পরই বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    সেজে উঠেছে প্যারিস

    উল্লেখ্য, গত কয়েকবছর ধরে ধীরে ধীরে সেজে উঠেছে প্যারিস। হাজারও বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে শুক্রবার অলিম্পিক্সের (Paris Olympics 2024)  গ্র্যান্ড ওপেনিং। জানা গিয়েছে, এবার প্রথম স্টেডিয়ামের বাইরে খোলা আকাশে হবে অলিম্পিক্সের উদ্বোধন। আইফেল টাওয়ারের পূর্ব দিক থেকে শেইন নদীতে ৬ কিলোমিটার জুড়ে চলবে এই অ্যাথলেটদের প্যারেড। নদীবক্ষে বোটে অংশ নেবেন ৬০০০-৭০০০ অ্যাথলেট। এই অনুষ্ঠান দেখতে পাবেন প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ। গ্র্যান্ড ওপেনিংয়ে একটি টিকিটের দাম ২৯০০ মার্কিন ডলার। অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জন করেছে ১৬টি দল। চারটি করে দল রেখে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতি গ্রুপের শীর্ষস্থানীয় দুই দল যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে। সেখান থেকে সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল। ব্রোঞ্জ পদক জয়ের ম্যাচও থাকছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: স্বামীর নিথর দেহতে মাথা রেখে কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হল স্ত্রীর, শোকে পাথর গ্রাম

    Murshidabad: স্বামীর নিথর দেহতে মাথা রেখে কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হল স্ত্রীর, শোকে পাথর গ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের কয়েক বছর যেতে না যেতেই ডিভোর্স। এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। আবার অনেকে ৬০ বছরে বয়সে এসে স্ত্রীকে ছেড়ে অন্যজনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন। এই আবহের মধ্যে একেবারে নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী থাকলেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরবাসী। পাঁচ দশক ধরে এক ছাতার তলায় কাটানো দম্পতি, জীবনের শেষবেলায় এসেও মৃত্যুও আলাদা করতে পারল না তাঁদের। স্বামীর মৃত্যুর কয়েক মিনিটের মধ্যে তাঁর বুকে মাথা দিয়ে মৃত্যু হল স্ত্রীর। হয়তো এরই নাম ভালোবাসা। মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানা এলাকার ভোলতা গ্রামের বাসিন্দারা চোখের সামনে এই ঘটনা দেখে কার্যত থ হয়ে গিয়েছেন।

    ঠিক কী হয়েছিল? (Murshidabad)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম শঙ্কর মণ্ডল (৮৫) এবং  তাঁর স্ত্রী নিয়তি মণ্ডল (৬৮)। ছেলেপুলে, নাতি-নাতনি নিয়ে ভরা সংসার। একসঙ্গে দু’জনে ভরতপুরের (Murshidabad) ভোলতা  গ্রামে কাটিয়ে ফেলেছেন ৫০টা বছর। দীর্ঘদিন থেকেই শঙ্করবাবু ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত সমস্যায়। কয়েকদিন আগে তাঁকে ভরতপুর (Bharatpur) গ্রামীণ হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু, হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর ফের শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তিনি। প্রায় ৬ দিন আর বিছানা ছেড়ে উঠতে পারেননি। অবশেষে রাত সাড়ে আটটা নাগাদ মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন তিনি। সবে তখন বাড়িতে উঠেছে কান্নার রোল। গ্রামের লোকজনও বাড়িতে এসে ভিড় জমান। বৃদ্ধ স্ত্রীকে অনেকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ৫০ বছর ধরে এক সঙ্গে পথ চলার সাথীকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বৃদ্ধের স্ত্রী। স্বামীর বুকের ওপর মাথা দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে এক সময় থেমে যান। কিছুক্ষণ পর পাড়ার লোকজন লক্ষ্য করেন, শঙ্করবাবুর বুক থেকে আর মাথা তুলছেন না নিয়তিদেবী। চুপচাপ হয়ে রয়েছেন। এ দৃশ্য দেখে সকলে ততক্ষণে ভেবেছেন হয়তো শোকের ধাক্কায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। কিন্তু, কাছে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও কাজ হয়নি। কিছু সময় পর দেখা গেল তাঁর নিথর দেহ পড়ে গেল মাটিতে। খবর গেল গ্রামের চিকিৎসকের কাছে। চিকিৎসক এসে জানালেন স্বামীর মৃত্যুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই মৃত্যু হয়েছে স্ত্রীর। স্বামীর মৃত্যু শোক সামলাতে না পেরেই বোধহয় স্ত্রী নিজেও মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েছেন বলে মনে করছেন সকলে।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    গ্রামবাসীরাও হতহবাক

    একযোগে মা-বাবাকে হারিয়ে শোকে পাথর সন্তান-সন্ততি থেকে নাতিনাতনিরাও। নতুন করে নিয়তি দেবীর মৃত্যুর খবর জানাজানি হতেই একেবারে গোটা গ্রাম (Bharatpur) ভেঙে পড়ে মণ্ডল বাড়িতে। গ্রামবাসীরা হতবাক হয়ে যান। তাঁরা বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দারুন মিলছিল। গ্রামে সকলে দাদু-ঠাকুমা বলত। কিন্তু, দুজনেই এভাবে একসঙ্গে চলে যাবে তা ভাবতেই পারছি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET Row: ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুলকে, নিট নিয়ে সুপ্রিম-নির্দেশের পরই বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    NEET Row: ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুলকে, নিট নিয়ে সুপ্রিম-নির্দেশের পরই বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট (NEET Row) বাতিলের দাবি খারিজ সুপ্রিম কোর্টের। শীর্ষ আদালতের অভিমত, পরীক্ষায়  এমন ব্যাপক দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি, যে কারণে পুনরায় নিট পরীক্ষা নিতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)৷ তাঁর মতে, আদালতে সত্যের জয় হয়েছে৷ একইসঙ্গে বিরোধীদের, যারা দিনকয়েক আগেই সংসদে একযোগে তাঁকে আক্রমণ করেছিলেন, তাদেরও পাল্টা জবাব দিতে ভোলেননি শিক্ষামন্ত্রী।

    শীর্ষ আদালতের অভিমত

    মঙ্গলবার নিট-ইউজি (NEET Row) নিয়ে একগুচ্ছ মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। শুনানি শেষে দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের গঠিত বেঞ্চ নিট-ইউজি বাতিল এবং ফের পরীক্ষা নেওয়া সংক্রান্ত সব মামলা খারিজ করে দেয়৷ বেঞ্চ জানায়, পরীক্ষায় এমন কোনও বিস্তর অনিয়ম নজরে আসেনি, যার জন্য ফের নিট পরীক্ষা নিতে হবে।   

    কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী  

    শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তে দারুণ খুশি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তিনি বলেন, “এটা দেশের যুবদের জয়। সুপ্রিম কোর্টের এই ঐতিহাসিক রায়ের পর আমি একটাই কথা বলতে চাই, সত্যমেব জয়তে। যখন নিটের (NEET Row) প্রসঙ্গটি সামনে আসে, তখন আজকের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরই বিরোধীদের ভূমিকা স্পষ্ট হয়ে গেল। গতকাল পর্যন্ত লোকসভার বিরোধী দলনেতার আচরণ যা ছিল…দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ‘রাবিশ’ বলা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলাই ওনার মানসিক অবস্থা স্পষ্ট করে।” নিটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে ক্ষমা চাইতে বলেন শিক্ষামন্ত্রী। 

    বিরোধীদের রাজনীতি

    নিট (NEET Row) নিয়ে বিরোধীরা রাজনীতি করছে বলে দাবি করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তিনি বলেন, “দেশের পড়ুয়াদের বিভ্রান্ত করে, ভুল পথে চালনার চেষ্টা করছে বিরোধীরা। এগুলি সবই তাদের রাজনীতির অংশ ছিল। আমি বিরোধী পক্ষে থাকা সকলকে, যারা এই ধরনের দায়িত্বহীন আচরণে যুক্ত ছিলেন, তাদের বলছি, দেশের পড়ুয়া, যুব সমাজ ও অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তোমরা দেশের ক্ষতি করেছো, দেশে অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করেছো। দেশ কখনও ক্ষমা করবে না। রাজনৈতিক শত্রুতা আলাদা বিষয়, কিন্তু পড়ুয়ারা দেশের ভবিষ্যত।”

    রাহুলকে আক্রমণ

    এদিন এক্স হ্যান্ডলে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (Dharmendra Pradhan) লেখেন, “লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং তাঁর ক্ষুদ্র চক্রীদল মায়াকান্না করছে। কিন্তু, বাস্তব বলছে, কেন্দ্রে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের সময় এবং উত্তর প্রদেশের মসনদে অখিলেশ যাদব থাকাকালীন যা প্রশ্নফাঁস হয়েছে, তাতে রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদবের জন্য পোকাভর্তি পাত্র খুলে যাবে।” লোকসভার বিরোধী দলনেতাকে আক্রমণ করে ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও লেখেন, “হতে পারে অন্যায্য কাজের মৌলিক বিষয়গুলি খুব ভাল জানেন রাহুল গান্ধী। সেজন্যই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে অপকর্ম রুখতে বিল বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে কংগ্রেস। কোন চাপে এবং কোন সমঝোতায় বেনিয়ম রুখতে কংগ্রেস আইন আনতে অস্বীকার করেছিল, সেটা কি বিরোধী দলনেতা বলবেন?”

    দুদিনের মধ্যে ফল প্রকাশের ঘোষণা

    পাশাপাশি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিক্ষামন্ত্রী জানান, দু’দিনের মধ্যেই ২০২৪ সালের নিট-ইউজি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হবে ৷ তিনি এ-ও জানান, এনটিএ পুনর্গঠনের জন্য উচ্চ পর্যায়ের কমিটিও গঠন করেছে কেন্দ্র। ধর্মেন্দ্র বলেন, ‘‘এনটিএ-কে সম্পূর্ণ রূপে ত্রুটিমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। আগামী দু’দিনের মধ্যে এনটিএ নিট-ইউজির চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করবে। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে পরীক্ষার মেধাতালিকা স‌ংশোধন করা হবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hardeep Puri: ইউপিএ আমলে চাকরি হয়েছে ২.৯ কোটি, মোদি জমানায় ১২.৫ কোটি, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Hardeep Puri: ইউপিএ আমলে চাকরি হয়েছে ২.৯ কোটি, মোদি জমানায় ১২.৫ কোটি, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্টেট ব্যাঙ্কের রিপোর্টকে (SBI Report On Employment) হাতিয়ার করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Puri) তোপ দাগলেন ইউপিএ-কে। তিনি জানিয়েছেন, ইউপিএ সরকারের জমানায় ১০ বছরে মাত্র ২.৯ কোটি কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছিল অন্যদিকে, মোদির আমলে দশ বছরে ১২.৫ কোটি চাকরি হয়েছে। পেট্রোলিয়াম ও ন্যাচারাল গ্যাস মন্ত্রকের মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে ভারতবর্ষ ক্রমশই এগিয়ে চলেছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার দিকে। 

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ পুরী (Hardeep Puri)?

    সংবাদ মাধ্যমকে হরদীপ পুরী (Hardeep Puri) বলেন, ‘‘স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রধান অর্থনীতিবিদ একটি রিপোর্ট সামনে এনেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে মোদি জমানায় অর্থাৎ ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১২.৫ কোটি যুবক-যুবতীর চাকরি হয়েছে, এর সঙ্গে যদি আমরা যদি তুলনা করি ইউপিএ জমানার, তাহলে সে ক্ষেত্রে তখন শুধু চাকরি (SBI Report On Employment) হয়েছিল ২.৯ কোটি মানুষের।’’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, আগামী আর্থিক বছরে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ৭.৫ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। আগামী দুবছরের মধ্যে ভারতের অর্থনীতি পাঁচ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছে যাবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর পাশাপাশি ভারতীয়দের মাথাপিছু আয় অনেকটাই বেড়ে যাবে বলে ধারণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর (Hardeep Puri)।

    দেশ তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ পুরী (Hardeep Puri) আরও বলেন, ‘‘একসময় বিশ্বের অর্থনৈতিক মানচিত্রে ভারতের স্থান ছিল দশ ও এগারো নম্বরে, বর্তমানে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে ভারত। দেশ এগিয়ে চলেছে মোদিজীর নেতৃত্বে। বিগত ১০ বছরেই এমনটা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে দেশ তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে। আপনারা যদি আবাসন থেকে পরিকাঠামো থেকে মোবাইল রফতানি দেখেন তাহলে সব কিছুতেই আমাদের দেশ এগিয়ে রয়েছে। শুধু তাই নয়, যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও গত ১০ বছরে আমরা অনেকটাই উন্নতি করতে পেরেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share