Tag: Madhyom

Madhyom

  • Snake: জ্যান্ত কেউটেকে দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হয় বর্ধমানের চার গ্রামে

    Snake: জ্যান্ত কেউটেকে দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হয় বর্ধমানের চার গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেউ বলেন কেউটে, কারও দাবি গোখরো। গ্রামের বয়স্করা বলেন কালনাগিনী (Snake)। পূর্ব বর্ধমানের চার গ্রামে জ্যান্ত সাপকে দেবী জ্ঞানে পুজো করা হয়। এখানে তাই কেউ সাপ বলেন না, সাপ এখানে ‘ঝাঁকলাই’ নামে পরিচিত। ফি বছর ঝাঁকলাইয়ের পুজো হয়। এবার পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের পলসোনা গ্রামে দেখা গেল, মন্দিরে এক পুরোহিতের লাঠির মধ্যে জড়িয়ে রয়েছে বিশাল একটি সাপ। অন্য পুরোহিত তখন মন্ত্র উচ্চারণ করতে করতে সেই কেউটের মাথায় দুধ, গঙ্গাজল ঢালছেন। নিজের হাতে সিঁদুর মাখিয়ে দিচ্ছেন ফণাধারী কেউটের মাথায়। সোমবার এ ভাবেই জ্যান্ত কেউটেকে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হল।

    কবে থেকে শুরু হয়েছে পুজো? (Snake)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৯০০ বঙ্গাব্দ থেকে শুরু হয়েছে এই পুজো। প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লা প্রতিপদ তিথিতে ভাতারের বড়পোশলা, শিকোত্তর, মুকুন্দপুর এবং মঙ্গলকোটের ছোটপোশলা, পলসোনা, মুশারু, নিগন মিলে মোট সাতটি গ্রামে ঝাঁকলাইয়ের (Snake) পুজো হয়। স্থানীয়রা জানান, এক সময় সাতটি গ্রামেই দেখা যেত ঝাঁকলাই। তবে এখন বড়পোশলা, ছোটপোশলা, মুশারু এবং পলসোনা এই চার গ্রামেই শুধু দেখা মেলে এই কেউটের। সাপ এখানে ঘরের লোক। কাছের আত্মীয়। বিষধর জীব নয়, বরং দেবতা। সাপের সঙ্গে দিব্যি খেলে কচিকাঁচারা। প্রতি ঘরে সাপের বিশ্রামের জন্য বিছিয়ে রাখা হয় খড়ের গাদা। সাপে-মানুষে দিব্যি সহাবস্থান এখানে। সাপের কামড়ানোকে গ্রামবাসীরা প্রসাদ বলেন। কাউকে সাপে কামড়ালে তাঁর চিকিৎসা না করিয়ে মন্দিরের মাটি শরীরে বুলিয়ে দেওয়া হয়। 

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে অভিযান সেনার, জখম এক জওয়ান

    ঝাঁকলাইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে লোককথা!

    মুশারু,পলসোনা, বড়পোশলা, ছোটপোশলার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে মনসামঙ্গলের বেহুলা-লখিন্দরের উপাখ্যান। ঝাঁকলাই নিয়ে অনেক লোককথা। গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, ঝাঁকলাই আসলে ‘কালনাগিনী’। লখিন্দরকে লোহার বাসরঘরে দংশন করে পালানোর সময় বেহুলা কাজললতা ছুড়ে মেরেছিলেন। সেই কাজললতার আঘাতে কালনাগিনীর (Snake) লেজ কেটে যায়। পূর্ব বর্ধমানের কয়েকটি গ্রামে যে ঝাঁকলাইয়ের দেখা মেলে, তাদেরও লেজ কাটা। মনসামঙ্গলে কালনাগিনী বেহুলার শাপে মর্ত্যে আসে। গ্রামবাসীরা আরও বলেন, ‘ঝঙ্কার’ শব্দটা এসেছে বেহুলার বালার আওয়াজ থেকে। লোহার বাসরে লখিন্দরকে ছোবল মারার পরে কালনাগিনীর (Snake) বিষ প্রয়োগের ক্ষমতা চলে যায়। বেহুলা শর্ত দেন, নির্বিষ হয়ে তাকে সাত গ্রামে লুকিয়ে থাকতে হবে। পূর্ব বর্ধমানের (Burdwan) এই সাত গ্রামেই নাকি এখন কালনাগিনীর বাস। তারই নাম ‘ঝাঁকলাই।’ তাকেই ঝঙ্কেশ্বরী দেবী রূপে পুজো করা হয় গ্রামে।

     মহারাষ্ট্রের কেউটে গ্রামের সঙ্গে মিল রয়েছে

    বর্ধমান-কাটোয়া রাস্তা ধরে বলগোনা পেরিয়ে নিগনের ঠিক আগে বাস থামে মুশারুতে। এখান থেকে ভ্যান রিকসা বা ই-রিকসা চেপে যাওয়া যায় গ্রামের ভিতরে। পলসোনাতে যাওয়ার পথও এখান থেকেই। মহারাষ্ট্রের কেউটে গ্রাম শেতপালের মতো বাংলার পূর্ব বর্ধমানের এই চারটে গ্রাম। গ্রামবাসীদের কথায়,ঝাঁকলাই (Snake) কামড়ায় না। পরোপকারী বন্ধু। বংশ পরম্পরায় সাপের পুজো করি আমরা।

    কী বললেন সর্প বিশেষজ্ঞ?

    সর্প বিশেষজ্ঞ ধীমান ভট্টাচার্য বলেন, “ঝাঁকলাই একটি বিরল প্রজাতির সাপ। এই গ্রামবাসীদের এই ভক্তি এবং শ্রদ্ধার জন্যই বিরল প্রজাতির সাপটি এখনও টিকে রয়েছে এখানে। এটা অবশ্যই এক বিরল ঘটনা। তবে, সিঁদুরে রাসায়নিক থাকে। ঝাঁকলাইয়ের পুজোর সময় সিঁদুর মাখানো এড়িয়ে যাওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Quota Reform: কোটা আন্দোলনের জেরে বন্ধের মুখে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য

    Bangladesh Quota Reform: কোটা আন্দোলনের জেরে বন্ধের মুখে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Quota Reform) অশান্তি থামার কোনও লক্ষণ নেই। সেনা নামিয়েও মিলছে না স্বস্তি। আন্দোলনকারী সংগঠনগুলি জানিয়েছে তাঁরা লড়াই ছাড়ছে না। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের অশান্তির প্রভাব পড়েছে ভারতেও। বাংলাদেশে পড়াশোনার জন্য যাওয়া ছাত্রদের একটা বড় অংশ ইতিমধ্যেই ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। ব্যবসা-বাণিজ্যে (Business with Bangladesh) প্রভাব পড়েছে। আটকে পড়েছে ৩০০ টি পণ্যবাহী যানবাহন।

    বাংলাদেশ থেকে ফিরে ছাত্রের বক্তব্য (Bangladesh Quota Reform)

    বাংলাদেশে এমবিবিএস পড়তে যাওয়া গুজরাটের বাসিন্দা মোহাম্মদ সমন বলেন, “ওখানে পরিস্থিতি খুব খারাপ। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থায় কাটছাঁট করে দেওয়া হয়েছে। ইন্টারনেট পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ। মোবাইলেও ঠিকমত কথা শুনতে পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়ির সঙ্গে কোনও ভাবে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এরপর দূতাবাসের তরফে আমাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়।” দেশে ফিরে আসলেও (Bangladesh Quota Reform) পরিস্থিতি ফের কবে স্বাভাবিক হবে, পড়াশোনার কি হবে, তা নিয়েও চিন্তায় রয়েছে বাংলাদেশে যাওয়া পড়ুয়ারা। কারণ ইউক্রেনের স্মৃতি এখনও টাটকা। যুদ্ধের জন্য যারা ইউক্রেনে পড়তে গিয়েছিল তাঁদের মাঝপথে ফিরে আসতে হয় । তাদের আর ইউক্রেনে যাওয়া হয়নি। ডিগ্রি সম্পূর্ণ করা হয়নি।

    ব্যবসায় ক্ষতি (Business with Bangladesh)

    বাংলাদেশের অশান্তির প্রভাব পড়েছে ব্যবসা বাণিজ্যেও। বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে মাছ ভারতে আসত। ভারত থেকে বিভিন্ন ধরণের পণ্য বাংলাদেশে যেত। বাংলাদেশ থেকে ইলিশ, ট্যাংরা, পাবদা, পাঙাস জাতীয় মাছ ভারতে আসত। ভারত থেকেও চাষ করার রুই, কাতলা, কই, কাচকি, পুঁটি, ভেটকি সহ বিভিন্ন ধরনের মাছ এবং কাঁকড়া  যত বাংলাদেশে। অশান্তির জেরে আমদানি রফতানি (Business with Bangladesh) সব বন্ধ। দক্ষিণ এশিয়ার তথা ভারতের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর পেট্রাপোল। প্রত্যেকদিন কয়েকশত কয়েকশো পণ্যবাহী ট্রাক এপার-ওপার হতো। কিন্তু এই মুহূর্তে পেট্রাপোল একেবারে শুনশান। মানুষের যাতায়াত অল্প-স্বল্প হচ্ছে ঠিকই, তবে পণ্য পরিবহন একেবারে তলানিতে।

    বাংলাদেশে বিরোধীদের ভারত বিরোধী চক্রান্ত

    এমনিতে বাংলাদেশে ভারতের প্রতি অসন্তোষ বৃদ্ধির চক্রান্ত চলছে। যার মূলে রয়েছে শাসকবিরোধী রাজনৈতিক শক্তি জামাত-এ-ইসলামি এবং বিএনপি। তাঁরা ক্রমেই বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ভারত বিরোধী সেন্টিমেন্ট তৈরি করার চেষ্টা করছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের পক্ষে সওয়াল করেছেন। এমতাবস্থায় পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, চন্ডিগড় থেকে বাংলাদেশে আটকে পড়া প্রায় ৩০০ পণ্যবাহী ট্রাকের চালকরা খুবই সমস্যায় আছেন। একদিকে তাঁদের গাড়ির সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন, অন্যদিকে তাঁদের খাদ্য এবং নিরাপত্তা নিয়েও সংকট তৈরি হয়েছে। প্রত্যেকদিন ১৫০ কোটি টাকার বাণিজ্য ঘাটতি (Business with Bangladesh) হচ্ছে। প্রতি বছর শুধুমাত্র পেট্রাপোল বন্দরের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হয়ে থাকে। 

    আরও পড়ুন: জামাত-বিএনপির চক্রান্তে ছড়িয়েছে হিংসা, অভিযোগ হাসিনার ছেলের

    বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই কোটা বিরোধী (Bangladesh Quota Reform)আন্দোলনের ১৫৫ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কোটা ব্যবস্থা সংস্কার হওয়ার পর আন্দোলন অনেক থিতু হয়েছে। তা সত্ত্বেও দেশ থেকে এখনই কারফিউ তোলা হয়নি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছোটখাটো অশান্তি এখনও অব্যাহত। এমতাবস্থায় পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হয় এবং ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vitamin D: আমাদের শরীরে কতটা ভিটামিন-ডি প্রয়োজন? এর উৎস কী কী?

    Vitamin D: আমাদের শরীরে কতটা ভিটামিন-ডি প্রয়োজন? এর উৎস কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ভিটামিন-ডি (Vitamin D) এর অভাবজনিত সমস্যায় অনেক মানুষই ভোগেন। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ভিটামিন-ডি মূলত ক্যালসিয়ামকে শরীরে শোষণ করতে প্রয়োজন হয়। আমরা সবাই জানি, ক্যালসিয়াম হাড়কে শক্ত করে। এ ছাড়া ক্যালসিয়ামের আরও অনেক কাজ মানবদেহে রয়েছে। ভিটামিন-ডি (Vitamin D) এর অভাবে শিশুদের রিকেট রোগ হয়। শিশুদের পা ধনুকের মতো বেঁকে যায় এবং মাথার খুলি বড় হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন এই রোগে ভুগলে দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিও ব্যাহত হয়। এর পাশাপাশি শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমে যায়। দেহে ভিটামিন-ডি এর অভাবে চোয়ালের গঠনও ঠিকঠাক হয় না, অসময়ে দাঁত পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়। বড়দের অস্টিওম্যালেসিয়া নামের এক প্রকার রোগ হয় ভিটামিন-ডি এর অভাবে। এই রোগে বয়স্কদের হাড় থেকে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস ক্ষয় হয়ে পড়ে। কখনও কখনও কোমরে ও মেরুদণ্ডে বাতের ব্যথার মতো ব্যথা অনুভূত হয়। অনেক ক্ষেত্রে মেরুদণ্ডও বেঁকে যায়।

    চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, দৈনিক ছোট ছোট ভিটামিন-ডি এর ডোজ আপনারা নিতেই পারেন

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ১৯ থেকে ৭০ বছর বয়সি প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন নিয়মিত (Health Tips) করে ১৫ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-ডি গ্রহণ করা উচিত। বিভিন্ন খাদ্যের মাধ্যমে, পিলের মাধ্যমে ভিটামিন-ডি নেওয়া যেতেই পারে। এর পাশাপাশি রোদেও প্রচুর ভিটামিন-ডি থাকে। তবে ভিটামিন-ডি এর পরিমাণ শরীরে বেড়ে যাওয়াও ঠিক নয়, এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা। কারণ এর প্রভাবে হাইপারক্যালসেমিয়া রোগ হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, দৈনিক ছোট ছোট ভিটামিন-ডি এর ডোজ আপনারা নিতেই পারেন। ডি-২, ডি-৩ সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতেই পারে। কিন্তু অবশ্যই তা যে কোনও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিতে হবে। কারণ এর সঙ্গে অনেক কিছু ফ্যাক্টর কাজ করে, যেমন আপনার শরীরের অবস্থা কেমন, আপনি কোন পরিবেশে থাকেন- এ সমস্ত কিছুই। তবে শরীরে মারাত্মক পরিমাণে ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি হলে সাপ্তাহিক বড় ডোজ নেওয়া যেতে পারে।

    উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন-ডি (Vitamin D) নিলে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে

    ২০২৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তিদের মৃত্যুহার কমিয়ে দিয়েছে ভিটামিন-ডি এর বড় পরিমাণের সাপ্তাহিক ডোজ (Health Tips)। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে বেশিরভাগ আমেরিকার নাগরিকই ভিটামিন-ডি (Vitamin D) এর অভাবে ভোগেন বা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-ডি তাঁরা পান না। ২০২২ সালে এই সমীক্ষাটি হয়। যেখানে দেখা যাচ্ছে ৪১ শতাংশ আমেরিকার নাগরিকের শরীরে ভিটামিন-ডি এর অভাব রয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ জনেরই বয়স ২০ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে। ভিটামিন-ডি এর অভাবে ক্লান্তি দেখা যায় শরীরে, কাজে অনীহা থাকে, হাড়ের ব্যথার মতো নানা রকমের উপসর্গও দেখা যায়। তবে কখনও আপনি বুঝতে পারবেন না যে আপনার ভিটামিন-ডি এর অভাবের জন্য শরীরে এইগুলি রোগগুলি হচ্ছে। আপনার শরীরে ভিটামিন-ডি এর অভাব রয়েছে কিনা তা জানতে আপনাকে রক্ত পরীক্ষা করতেই হবে। তবে প্রতিবেদনে শুরুতেই যেমন বলা হয়েছে, শরীরে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন-ডি নিলে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে। এই হাইপারক্যালসেমিয়া রোগে ঘনঘন প্রস্রাব, দুর্বলতা ভাব, বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা যায়।  ভিটামিন-ডি এর অত্যধিক পরিমাণের ফলে কিডনিতে পাথরও হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এর পাশাপাশি নানা রকমের কিডনির জটিলতাও হতে পারে।

    ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ অনেক খাবারই রয়েছে

    ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ অনেক খাবারই রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে আপনি নিতে পারেন পনির, ডিমের কুসুম, চর্বিযুক্ত যে কোনও মাছ, যেমন ম্যাকরাল, স্যামন, টুনা ইত্যাদি। এর পাশাপাশি প্রাতঃরাশের টেবিল আপনি রাখতে পারেন দুধ, কমলার রস, মাশরুম ইত্যাদি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অ্যাভোকাডো এবং বাদামেও ভরপুর পরিমাণে ভিটামিন-ডি থাকে। অনেক মানুষই সকালে ঘুম থেকে উঠে অথবা রাতে শোবার আগে ভিটামিন-ডি সাপ্লিমেন্ট নিতে বেশি পছন্দ করেন। তবে এর ফলে ভিটামিন-ডি এর কার্যকারিতা বাড়ে নাকি, তা নিয়ে চিকিৎসকরা কিছু বলতে পারছেন না।

    সূর্যালোক থেকে কীভাবে নেবেন ভিটামিন-ডি

    ১) চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, রোদে আপনার ছায়া আপনার তুলনায় যখন ছোট হেব সেসময়ই আপনার ত্বক সবচেয়ে বেশি ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করতে পারবে। 

    ২) অতিবেগুনি রশ্মি কাচ ভেদ করতে পারে না। তাই গাড়ি বা ঘরের ভেতর জানালা বন্ধ অবস্থায় রোদ এলেও লাভ নেই, পর্যাপ্ত ভিটামিন-ডি মিলবে না।

    ৩) পোশাক ও সানস্ক্রিন ত্বকে সরাসরি ভিটামিন-ডি লাগতে বাধা দেয়। তাই আপাদমস্তক ঢেকে বাইরে বের হয়ে লাভ নেই। অন্তত হাত-পা বা মুখের কিছু অংশ খোলা রাখুন।

    ৪) বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে  ত্বকের ভিটামিন-ডি তৈরি করার ক্ষমতা কমতে থাকে। তাই বয়স্কদের বেশি পরিমাণে ভিটামিন-ডি এর প্রয়োজন হয়। সূর্যালোকে দিনে অন্তত ২০ মিনিট কাটাতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Economy: মোদি জমানায় স্বাস্থ্য ফিরেছে ভারতীয় অর্থনীতির, বড় খবর শোনালেন নাগেশ্বরণ

    Indian Economy: মোদি জমানায় স্বাস্থ্য ফিরেছে ভারতীয় অর্থনীতির, বড় খবর শোনালেন নাগেশ্বরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০৪৭ সালে ভারত যখন স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপন করবে, তখন দেশে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ১৪.৯ লাখ টাকা (Indian Economy)। বর্তমানে যা মাথাপিছু আয় রয়েছে, তার সাতগুণ বেড়ে যাবে আগামী ২৪ বছরে। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনই আশার কথা শোনালেন ভারতের মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরণ (Chief Economic Advisor Nageswaran)।

    কী বললেন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা?

    তিনি জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষেও ভারত থাকবে দ্রুততম বর্ধনশীল মেজর অর্থনীতির দেশ (Indian Economy)। ২৩ জুলাই, মঙ্গলবার সংসদে চলছে বাজেট-পেশ পর্ব। তার আগে সোমবার সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ করেন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। সংসদ থেকে বেরিয়ে করেন সাংবাদিক বৈঠক। সেখানেই আশার বাণী শোনান নাগেশ্বরণ। এদিন সংসদে যে ইকনোমিক সার্ভে রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির হার হবে ৬.৫ থেকে ৭ শতাংশ।

    ভারতের মাথাপিছু আয়

    তিনি যে ভুল কিছু বলেননি, তার প্রমাণ মেলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডার, ওইসিডি, ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক, এস অ্যান্ড পি, এডিবি এবং ফিচের রিপোর্টেও। এই সংস্থাগুলোও জানিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে শতাংশের হিসেবে ভারতে বৃদ্ধির হার থাকবে ৬.৬ থেকে ৭.২ এর মধ্যে। যার অর্থ হল, নরেন্দ্র মোদির জমানায় চড়চড়িয়ে উঠছে ভারতীর অর্থনীতির উন্নতির গ্রাফ (Indian Economy)। এদিন ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট পেশের পর মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে ভারতের মাথাপিছু আয় ২.১২ লাখ টাকা। মার্কিন ডলারের নিরিখে অঙ্কটা দাঁড়ায় ২৫০০-এ। স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তিতে এটাই বেড়ে গিয়ে দাঁড়াবে ১৪.৯ লাখ টাকায়। তিনি জানান, গত এক দশকে ভারতে মাথাপিছু আয় বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ (Indian Economy)। প্রসঙ্গত, এই সময়টাই কেন্দ্রের কুর্সিতে রয়েছেন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আরও পড়ুন: বাংলা সহ পূর্ব ভারতের উন্নয়নে বিশেষ নজর কেন্দ্রের, বাজেটে জানালেন নির্মলা

    সরকারি পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে (Chief Economic Advisor Nageswaran), ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারতে জিডিপির হার বেড়েছিল ৮.২ শতাংশ। তার আগের অর্থবর্ষে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ছিল ৭.২ শতাংশ। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে এই হার ছিল ৮.৭ শতাংশ। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে মোদি সরকার শপথ নেওয়ার সময় বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারত ছিল ১০ নম্বরে। বর্তমানে ওই তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারত। অচিরেই জাপানকে টপকে গিয়ে ভারত চতুর্থ স্থান দখল (Indian Economy) করে নেবে বলেও ভবিষ্যদ্বাণী আন্তর্জাতিক একাধিক সংস্থার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mumbai First Underground Metro: চালু হচ্ছে মুম্বইয়ের প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো! কোথা দিয়ে চলবে?

    Mumbai First Underground Metro: চালু হচ্ছে মুম্বইয়ের প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো! কোথা দিয়ে চলবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইবাসীদের জন্য সুখবর। খুব শীঘ্রই মুম্বাইয়ের প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো লাইন (Mumbai First Underground Metro) চালু হবে। সম্প্রতি বিজেপির জাতীয় সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন, ”২৪ জুলাই থেকে মুম্বইয়ে প্রথম মেট্রো চালু হবে। এর ফলে শহরের পরিবহণ ব্যবস্থা অনেকটাই উন্নত হবে৷ পরিবহণে অনেকটা গতি আসবে৷” তাওদে আরও বলেছেন যে, ”প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মুম্বাইবাসীদের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বদ্ধপরিকর৷ প্রধানমন্ত্রী মুম্বইবাসীদের জীবন সহজ করার যে গ্যারান্টি দিয়েছিলেন, তা এবার পূরণ হতে চলেছে। মুম্বাইয়ের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রো চালু হচ্ছে ২৪ শে জুলাই থেকে। এই পরিষেবা শহরের গতিতে নতুন প্রেরণা দেবে।” 

    আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রোর যাত্রাপথ (Mumbai First Underground Metro) 

    মোট ৩৩.৫ কিলোমিটার জুড়ে প্রাথমিকভাবে মেট্রোলাইনের কাজ চলছে৷ আরে কলোনি (Aarey Colony), সাহার রোড, সান্তাক্রুজ, বিদ্যানগরী, ধারাভি, শীতলদেবী মন্দির, দাদর, সিদ্ধিবিনায়ক মন্দির, ওরলি, আচার্য আত্রেয় চক, বিজ্ঞান জাদুঘর, মহালক্ষ্মী, মুম্বাই সেন্ট্রাল, গ্রান্ট রোড, গিরগাঁও, কালবাদেবী, ছত্রামা, শিবমহারাজ, মহালক্ষ্মী, চার্চগেট, বিধান ভবন, এবং পারাডে ক্যাফে প্রভৃতি জায়গায় এই মেট্রোর যাত্রাপথ রয়েছে৷ মনে করা হচ্ছে এই লাইনে প্রায় দৈনিক ১.৭ মিলিয়ন যাত্রী যাতায়াত করবে। সম্পূর্ণ প্রজেক্টটিতে প্রায় ২৭টি স্টেশনের মধ্যে ২৬টি স্টেশনই হবে মাটির তলায়৷

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে অভিযান সেনার, জখম এক জওয়ান

    চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি (Mumbai metro) 

    বর্তমানে মুম্বাই মেট্রোপলিটন রিজিওন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (MMRDA) মেট্রো লাইন ৩ এর প্রয়োজনীয় গবেষণা ও ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে। তাছাড়াও বৈদ্যুতিক সিস্টেমের পরীক্ষা এবং সিগন্যালিং সহ নানা দিকের পরীক্ষা চলছে। সমস্ত পরীক্ষা সফল ভাবে শেষ হওয়ার পর, মেট্রো রেল সেফটি কমিশনারকে (CMRS) পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। তারপরেই চালু হবে এই পরিষেবা (Mumbai First Underground Metro)। 
    মুম্বাই মেট্রোর ওয়েব সাইটে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এই বছরের ডিসেম্বরে এই পরিষেবা (Mumbai First Underground Metro) চালু হওয়ার কথা ছিল,  কিন্তু মন্ত্রিসভার বৈঠক চলাকালীন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য সরকারের ১,১৬৩ কোটি টাকা সরাসরি মুম্বাইকে দেওয়ার জন্য অনুমোদন দিয়েছিলেন। এরফলেই এ বছর জুলাই মাসের মধ্যে পরিষেবাটি (Mumbai metro) চালু করা সম্ভব হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই গোটা প্রকল্পে খরচ হয়েছে প্রায় ৩৭,২৭৫.৫০ কোটি টাকা।
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Budget 2024: বাংলা সহ পূর্ব ভারতের উন্নয়নে বিশেষ নজর কেন্দ্রের, বাজেটে জানালেন নির্মলা

    Union Budget 2024: বাংলা সহ পূর্ব ভারতের উন্নয়নে বিশেষ নজর কেন্দ্রের, বাজেটে জানালেন নির্মলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট (২০২৪-২৫) প্রস্তাব পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। মঙ্গলবার লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে বাজেট (Union Budget 2024) পেশ করেন নির্মলা। স্পিকারের চেয়ারে আসীন ওম বিড়লা। দেশের পূর্ব দিকের চার রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধপ্রদেশ এবং‌ বিহারের উন্নয়নে বিশেষ নজর দিচ্ছে কেন্দ্র, বাজেটের শুরুতেই জানিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা। বাজেট ভাষণে নির্মলা বলেন, এই প্রস্তাবে সরকার ৯টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েছে। সেগুলি হল, কৃষি উৎপাদন ও কৃষিতে স্থিতিস্থাপকতা, কর্মসংস্থান ও দক্ষতার উন্নয়ন বৃদ্ধি, মানবসম্পদ বৃদ্ধি ও সামাজিক ন্যায়বিচার, কলকারখানা ও পরিষেবা বৃদ্ধি, চাকরির সুযোগ তৈরি, নগরোন্নয়ন, বিদ্যুৎ, পরিকাঠামো, গবেষণা ও আগামী প্রজন্মের জন্য সংস্কার। সরকারের লক্ষ্য থাকবে গরিব, মহিলা, যুব এবং অন্নদাতাদের প্রতি।

    কৃষিতে জোর (Union Budget 2024)

    কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হয় এই বাজেটে (Union Budget 2024)। বেসরকারি ক্ষেত্রকেও কৃষি উৎপাদনের গবেষণায় উৎসাহিত করা হবে, বলে জানান অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, “কৃষিতে আমরা গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছি যাতে উৎপাদশীলতা বাড়ে। সরকার এবং বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই এই গবেষণায় ওপর জোর দেওয়া হবে। ৩২টি হর্টিকালচারাল শস্যের ওপর জোর দেওয়া হবে। ১ কোটি কৃষককে ন্যাচরাল ফার্মিং-এ নিয়ে আসা হবে। আমরা তৈলবীজ, সয়াবীন, চীনেবাদামে আত্মনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করব। কৃষকদের সমবায়ের দিকে নজর দেওয়া হবে। কিষাণ ক্রেডিট কার্ড ৫টি রাজ্যে চালু হবে।”

    যুব সম্প্রদায়ের উন্নয়ন (Union Budget 2024)

    আগামী পাঁচ বছরের জন্য যুব সম্প্রদায়ের উন্নয়নের লক্ষ্যে ৪.১ কোটি তরুণকে নিয়ে আসা হবে। এর জন্য সরকার পাঁচটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। ছোট সংস্থাগুলির কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে ভর্তুকি দেওয়া হবে। প্রথম যাঁরা কাজে ঢুকছেন, তাঁদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে এক মাসের বেতন দেওয়া হবে, বলে জানালেন অর্থমন্ত্রী। বিভিন্ন ক্ষেত্রের চাকরিতে ১ কোটি যুবক-যুবতী ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবেন। বাংলা সহ পূর্ব ভারতের উন্নয়নে বিশেষ নজর দিচ্ছে কেন্দ্র বলে জানান নির্মলা (Nirmala Sitharaman)। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় আরও তিন কোটি বাড়ি তৈরি করা হবে। কৃষি খাতে বরাদ্দ করা হচ্ছে ১.৫২ লক্ষ কোটি টাকা।

    গ্রামোন্নয়নে বরাদ্দ

    বাজেটে (Union Budget 2024) গ্রামোন্নয়নের জন্য ২.৬৬ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র। স্ট্যাম্প ডিউটি কমিয়ে মহিলাদের সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রে ছাড়ও দেওয়া হল। ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পে বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার। করা হবে ঋণের ব্যবস্থা। জানালেন নির্মলা। বন্যা রুখতে অসম, হিমাচল প্রদেশকে বিশেষ সাহায্যের কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী। একই ভাবে সাহায্য করা হবে উত্তরাখণ্ড এবং সিকিমকেও। 

    পর্যটনে সাহায্য, দাম কমল সোনা-রুপোর

    ভারতকে বিশ্বের পর্যটন মানচিত্রে শীর্ষে তুলে ধরার কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী। পর্যটন সংক্রান্ত অধিকাংশ প্রকল্পই যেতে চলেছে বিহারে। নতুন করে সাজানো হবে বুদ্ধগয়া, রাজগির এবং নালন্দাকে। সরকার শুল্ক কমিয়ে নেওয়ায় দাম কমছে সোনা-রুপো, মোবাইল ফোন, লিথিয়াম ব্যাটারি, চামড়াজাত দ্রব্যের। দাম কমছে সৌর বিদ্যুতেরও। ক্যানসারের তিনটি জীবনদায়ী ওষুধের শুল্কেও ছাড় দিচ্ছে কেন্দ্র। চার শতাংশ শুল্ক কমায় দাম কমতে পারে তামার তৈরি যে কোনও দ্রব্যের।

    পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর (Union Budget 2024)

    বাজেটে (Union Budget 2024) পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিল কেন্দ্র। চলতি অর্থবর্ষে পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য খরচ করা হবে ১১.১১ লক্ষ কোটি টাকা। এই টাকা ভারতের জিডিপি-র ৩.৪ শতাংশ। পরিকাঠামো উন্নয়নে বেসরকারি বিনিয়োগেও উৎসাহ দেওয়ার কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী। চলতি অর্থবর্ষে সম্ভাব্য রাজকোষ ঘাটতি হতে পারে ৪.৯ শতাংশ। রাজকোষ ঘাটতি ক্রমশ কমানোর কথা জানালেন নির্মলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: সরকারি জমি দখলে জড়িত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ, অবশেষে গ্রেফতার

    Darjeeling: সরকারি জমি দখলে জড়িত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ, অবশেষে গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি জমি দখল নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই হুঁশ ফিরল পুলিশ-প্রশাসনের। অবশেষে সরকারি জমি দখলের অভিযোগে সোমবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার হলেন দার্জিলিং (Darjeeling) জেলার নকশালবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল নেতা আশরফ আনসারি। বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে নকশালবাড়ি থানার পুলিশ। এই ঘটনায় জমি কারবারের সঙ্গে যে তৃণমূল নেতারা জড়িত তা আরও একবার প্রমাণিত হয়ে গেল।

    কেন গ্রেফতার? (Darjeeling)

    জানা গিয়েছে, জমি কারবারে যুক্ত থাকার অভিযোগে তৃণমূল নেতা গৌতম গোস্বামীকে পুলিশ আগেই গ্রেফতার করেছে। তিনি ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি (Darjeeling) ব্লকের তৃণমূলের সহ-সভাপতি ছিলেন। সোমবার ফের তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নের সভাঘর থেকে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি এলাকায় জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এরপরই গত ১২ জুলাই নকশালবাড়ির সেবদেল্লা মৌজায় ধৃত তৃণমূল নেতা সহ কয়েকজনের নামে সরকারি জমি দখলের বিষয়ে নকশালবাড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক। এই ঘটনায় তদন্তে নেমে প্রথমে ১৯ জুলাই শিলিগুড়ি থেকে দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আর সোমবার গ্রেফতার করা হয় নকশালবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আশরফ আনসারিকে।

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে অভিযান সেনার, জখম এক জওয়ান

    ধৃত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    ধৃত তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির (Darjeeling) পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আশরফ আনসারি বলেন, “আমাকে মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি নাকি জমির দালাল। আসলে আমি মুখ্যমন্ত্রীকে অভিযোগ করেছি বলেই আমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক অসুবিধায় পড়ে আমাকে গ্রেফতার করিয়েছে। আমাকে পুরোপুরি ফাঁসানো হয়েছে।”

    দাঁড়কাককে বাঁচানোর চেষ্টা!

    শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “একই কথা বারবার বলার যে দক্ষতা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রয়েছে তা অনস্বীকার্য। তৃণমূলের (Trinamool Congress) ছোট ছোট কাককে গ্রেফতার করে দাঁড়কাককে বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। আমি ২০২৬ সালে এই মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের সমস্ত কাক ও দাঁড়কাকের বিসর্জন দেখতে চাই। ছোট নয় বড় মাথাদের কবে গ্রেফতার করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lokmanya Tilak Jayanti: ব্রিটিশরা তাঁকে বলতেন ‘অস্থিরতার জনক’, আজ লোকমান্য তিলকের জন্মদিন

    Lokmanya Tilak Jayanti: ব্রিটিশরা তাঁকে বলতেন ‘অস্থিরতার জনক’, আজ লোকমান্য তিলকের জন্মদিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছর ২৩ জুলাই পালিত হয় বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্মদিন (Lokmanya Tilak Jayanti)। জাতীয়তাবাদী নেতা তথা সমাজ সংস্কারক বাল গঙ্গাধর তিলক জনপ্রিয় ছিলেন লোকমান্য তিলক (Bal Gangadhar Tilak) নামেও। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। দেশের চরমপন্থী জাতীয়তাবাদের তিনিই ছিলেন অন্যতম প্রবক্তা। ব্রিটিশরা তাঁকে ‘ফাদার অফ ইন্ডিয়ান আনরেস্ট’ বা ‘অস্থিরতার জনক’ বলতেন। আজকে আমরা বাল গঙ্গাধর তিলকের (Bal Gangadhar Tilak)  জীবনের বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা সম্পর্কে জানব।

    ‘লোকমান্য তিলকে’র জন্ম ও শিক্ষা

    বাল গঙ্গাধর তিলকের (Lokmanya Tilak Jayanti) জন্ম ১৮৫৬ সালের ২৩ জুলাই মহারাষ্ট্রের রত্নগিরিতে হয়। ছাত্র জীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। মহারাষ্ট্রের ডেকান কলেজ থেকে গণিতে স্নাতক হন তিনি। বাল গঙ্গাধর তিলক পরবর্তীকালে আইনের ডিগ্রিও নিয়েছিলেন। দেশের জনগণই তাঁকে উপাধি দিয়েছিলেন ‘লোকমান্য’, যার অর্থ সমস্ত জনগণের গ্রহণযোগ্য নেতা। তাঁর এই উপাধি দেখেই বোঝা যায় ঠিক কতটা জনপ্রিয় ছিলেন তিনি এবং ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রামে মানুষের কতটা আস্থা ও বিশ্বাস তিনি অর্জন করতে পেরেছিলেন।

    কেন ‘ফাদার অফ ইন্ডিয়ান আনরেস্ট’ বলা হত?

    তিলক মহারাজকে (Lokmanya Tilak Jayanti) ব্রিটিশরা ‘ফাদার অফ ইন্ডিয়ান আনরেস্ট’ বলতেন। কারণ চরমপন্থী ভাবধারায় যুব সমাজকে দীক্ষিত করে ব্রিটিশ বিরোধী যে সংঘর্ষ তিনি গড়ে তুলেছিলেন, তাতেই বিদেশী শাসনের ভীত কেঁপে উঠেছিল। এমন উপাধি তাই ব্রিটিশরা দিয়েছিলেন তাঁকে। তিলক মহারাজের জনপ্রিয় উক্তি ছিল, ‘‘স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার আমি তা অর্জন করবই।’’ দেশের জনগণের কাছে খুবই জনপ্রিয় হয় তিলক মহারাজের এই বাণী।

    শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা (Lokmanya Tilak Jayanti)

    সমাজ সংস্কার, স্বাধীনতা সংগ্রামের পাশাপাশি শিক্ষার বিস্তারেও উদ্যোগী হয়েছিলেন তিলক মহারাজ (Lokmanya Tilak Jayanti)। তিনি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই গড়ে তুলেছিলেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘ডেকান এডুকেশন সোসাইটি’- যা স্থাপিত হয়েছিল ১৮৮৪ সালে। এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ছিল উন্নতমানের শিক্ষা ভারতীয় যুবকদের মধ্যে ছড়ানো এবং জাতীয় গর্ব ও সামাজিক কর্তব্যবোধের শিক্ষা পড়ুয়াদের দেওয়া। তিলক মহারাজ সাংবাদিকতাতেও খুব আগ্রহ রাখতেন। তিনি ছিলেন একজন সুলেখকও। তিনি দুটি সংবাদপত্র চালাতেন ‘কেশরী’ ও ‘মারাঠা’। এর মধ্যে ‘মারাঠা’ সংবাদপত্র ইংরেজিতে চলত। তাঁর এই সংবাদপত্রগুলির মাধ্যমেই তিলক মহারাজ জাতীয়তাবাদী ভাবধারার প্রসার ঘটাতেন ও ব্রিটিশ সরকারের সমালোচনা করতেন।

    চরমপন্থী ভাবধারার অন্যতম প্রবক্তা

    বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ক উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন তিলক মহারাজ। সমাজ সংস্কারেও তিনি ব্রতী হয়েছিলেন। বিধবা বিবাহকে তিনি প্রকাশ্যেই সমর্থন করেন। অন্যদিকে বাল্যবিবাহ প্রথার বিরুদ্ধেও তিনি আওয়াজ তোলেন। নারী শিক্ষার প্রসারেও তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে জানা যায়। রাজনীতিতেও অসামান্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেন বালগঙ্গাধর তিলক। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন তিনি। জাতীয় কংগ্রেসের মধ্যে নরমপন্থী ভাবধারার বিরোধিতা করে ব্রিটিশ বিরোধী চরমপন্থী আন্দোলনের সুর তিনিই বেঁধেছিলেন।

    মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থী ও শিবাজী উৎসবের প্রচলন

    বাল গঙ্গাধর তিলক মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থী ও শিবাজী উৎসবের প্রচলন শুরু করেন। এর মাধ্যমে দেশের জনগণের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটান তিনি। বাল গঙ্গাধর তিলককে একাধিকবার জেলে পাঠানো হয়। দেশদ্রোহিতা আইনে তাঁকে বারবার গ্রেফতার হতে হয়েছে। ছ’বছরের জন্য তাঁকে মান্দালয় জেলে পাঠায় ব্রিটিশ সরকার। কিন্তু এতেও বালগঙ্গাধর তিলকের চরমপন্থী জাতীয়তাবাদকে রোধ করা যায়নি। বাল গঙ্গাধর তিলক বেশ কতগুলি বইও লিখেছিলেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘গীতা রহস্য’, এটা ছিল ভগবত গীতার ব্যাখ্যা। মান্দালয়ের জেলে বসে এই গ্রন্থখানি রচনা করেছিলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে অভিযান সেনার, জখম এক জওয়ান

    Jammu Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে অভিযান সেনার, জখম এক জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অশান্ত উপত্যকা। এবার জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) বাত্তাল সেক্টরে (Battal Sector) জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখল ভারতীয় সেনা। মঙ্গলবার ভোর থেকে জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলির লড়াই শুরু হয়েছে ওই অঞ্চলে। দু’পক্ষের গুলির লড়াইয়ে এক জন জওয়ান গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    ভোর থেকে চলছে অভিযান

    সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, বাত্তাল এলাকায় (Battal Sector) জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়েছিল ভারতীয় সেনা। পাহাড়ি (Jammu Kashmir) এলাকায় জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে জঙ্গিরা প্রবেশ করার চেষ্টা করলেই জওয়ানরা গুলি চালান। পাল্টা জঙ্গিদের দিক থেকেও ধেয়ে আসে গোলাগুলি। জঙ্গিদের ছোড়া গুলি লাগে এক সেনা জওয়ানের গায়ে। মঙ্গলবার ভোর ৩টে থেকে জঙ্গি এবং ভারতীয় সেনার মধ্যে গুলির লড়াই চলছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর হোয়াইট নাইট কর্পস এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট করে এই অভিযানের কথা জানিয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, ভারতীর সেনার সাহসিকতার সামনে পড়ে জঙ্গিরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ আটকানো গিয়েছে। তবে এখনও ওই এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা।

    পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে ৪০-৫০ জন জঙ্গি

    বিগত কিছুদিন ধরে বারেবারে অশান্ত হয়ে উঠছে জম্মু কাশ্মীর (Jammu Kashmir)। কখনও সেনা ক্যাম্পে, কখনও আবার সেনা কনভয়ে হামলা চালাচ্ছে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ভারতীয় সেনাও। দু’পক্ষের লড়াইয়ে প্রাণ দিয়েছেন বেশ কয়েকজন ভারতীয় সেনা। অন্যদিকে সেনার গুলিতে নিকেশ হয়েছে কয়েকজন জঙ্গি। এরই মধ্যে জম্মুর পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে থাকা ৪০ থেকে ৫০ জন জঙ্গির খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশ করেছে তারা। তাদের সঙ্গে আধুনিক অস্ত্রও রয়েছে। তাদের কাছে অত্যাধুনিক নাইট ভিশন যুক্ত মার্কিন রাইফেল রয়েছে। রয়েছে রাবার বুলেট সহ একাধিক অস্ত্র। সেই কারণেই যে কোনও সময়ে বড়সড় হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই আগে থেকেই সর্তকতা অবলম্বনে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চলছে গোপন অভিযান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Budget 2024: আজ সারা দেশ তাকিয়ে নির্মলার দিকে, কখন, কোথায় দেখবেন বাজেট অধিবেশন?

    Union Budget 2024: আজ সারা দেশ তাকিয়ে নির্মলার দিকে, কখন, কোথায় দেখবেন বাজেট অধিবেশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Union Budget 2024) পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। যা তৃতীয় নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। গত ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় মোদি সরকারের শেষ বাজেট পেশ করেছিলেন সীতারামন। সেটা ছিল অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট (ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট)। সংসদের নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, এদিন সকাল ১১টা থেকে সংসদে সীতারামনের বাজেট ভাষণ শুরু হবে। যা দেড় থেকে দু’ঘণ্টা চলতে পারে।

    নির্মলার রেকর্ড (Nirmala Sitharaman)

    এদিন বাজেট (Union Budget 2024) ভাষণ শুরু করলেই ইতিহাস তৈরি করবেন নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। একটানা সর্বাধিক বাজেট পেশের নজির গড়বেন তিনি। একটানা সপ্তম বাজেট পেশ করবেন নির্মলা। ভেঙে দেবেন মোরারজি দেশাইয়ের রেকর্ড। তিনি একটানা ছয়বার বাজেট পেশ করেছিলেন। সার্বিকভাবে সর্বাধিক বাজেট পেশের তালিকার শীর্ষে আছেন মোরারজি দেশাই। তিনি মোট ১০ বার বাজেট পেশ করেছিলেন। সেই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন পি চিদম্বরম। তিনি মোট নয়বার বাজেট পেশ করেছিলেন। তৃতীয় স্থানে আছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। তিনি মোট আটবার বাজেট পেশ করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ভারতে ৯২ শতাংশ অফিসের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত হয় চ্যাটজিপিটি! দাবি রিপোর্টে

    কী কী প্রত্যাশা (Union Budget 2024) 

    দেশ দীর্ঘ সময় ধরে সুস্থিত ও সংহত একটি সরকার পেয়েছে। তাই সেই সরকারের থেকে প্রত্যাশাও অনেক বেশি সাধারণ মানুষের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) প্রাক-বাজেট ভাষণে জানান, এই বাজেট খুবই বিশেষ, এটি ‘অমৃত কালে’র বাজেট হতে চলেছে। বাজেট (Union Budget 2024) আগামী পাঁচ বছরের দিশা দেখাবে। তা ছাড়া এই বাজেট ‘বিকশিত ভারতে’র স্বপ্নকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। এখনও পর্যন্ত মনে করা হচ্ছে নতুন সরকার সড়ক নির্মাণ খাতে ও রেল-খাতে বড় পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করতে চলেছে। পাশাপাশি ‘নিউ ট্যাক্স রেজিমে’র ক্ষেত্রে আনতে পারে করছাড়ের বিশেষ ঘোষণাও।

    কখন, কোথায় দেখবেন (Union Budget 2024) 

    সকাল ১১টায় বাজেট (Union Budget 2024) বক্তৃতা শুরু করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। সংসদ টিভিতে (Sansad TV) এটি সম্প্রচার করা হবে। তাছাড়াও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম বাজেটের সরাসরি সম্প্রচার করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share