Tag: Madhyom

Madhyom

  • Suvendu Adhikari: ‘রাজ্যে হিন্দুদের ভোট দিতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘রাজ্যে হিন্দুদের ভোট দিতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুলিশ প্রশাসনকে সামনে রেখে তৃণমূল বিধানসভা উপনির্বাচনের আগেরদিন হিন্দুদের বেছে বেছে বাড়ি ভাঙচুর করেছে। ভোটের দিন দুপুরে হিন্দু ভোটারদের গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু বিজেপি নয়, হিন্দু ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না।” শুক্রবার নদিয়ার পায়রাডাঙ্গায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে একথা বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, পুলিশকে সামনে রেখে তৃণমূলের জেহাদিরা এসব করে বেড়াচ্ছে। এসব বেশিদিন চলতে পারে না। আক্রান্তদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই এসেছিলাম। আমাদের স্পষ্ট বার্তা, স্বৈরাচারী মমতার সরকারের অবসান করতে হবে। এরজন্য হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

    শুভেন্দুকে বাধা তৃণমূলের (Suvendu Adhikari)

    বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে রানাঘাট এবং গাংনাপুর এলাকার বিভিন্ন বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর এবং তাঁদের মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়িতে যান। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি যখন গাংনাপুরে গিয়ে পৌঁছান, ঠিক তখনই তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বেশ কয়েকজন দলীয় কর্মী তাঁকে ঘিরে স্লোগান দিতে শুরু করেন। পাশাপাশি কালো পতাকা দেখানো হয়। এরপরই দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর প্রতিবাদ জানান। প্রকাশ্যে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখালেও পুলিশ নীরব দর্শক ছিল বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    তৃণমূল-পুলিশকে তুলোধনা করলেন শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এটা তৃণমূলের কালচার। আমাকে ওরা আক্রমণ করেছিল। ভেবেছিল আমি ভয়ে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাব। কিন্তু, আমি একা তার প্রতিবাদ করেছি। ওদের বিক্ষোভ রুখে দিয়েছি। পুলিশের সামনেই সব কিছু হয়েছে। ওরা কিছু করেনি। আসলে গাংনাপুর থানার ওসি সম্পূর্ণ বিষয়টি সামনে থেকে করিয়েছেন। আমি সকলকে চিহ্নিত করব এবং গাংনাপুর থানার ওসির বিরুদ্ধে আদালতে জানাব। আমি কোনওভাবেই এই ধরনের নোংরামো সহ্য করব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: “সনাতন ধর্ম বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে”, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “সনাতন ধর্ম বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উন্নয়নের শেষ বলে কিছু হয় না।” ঝাড়খণ্ডের গুমলায় ‘বিকাশ ভারতী’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কথাগুলি বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “মানুষের লক্ষ্যই হল নিরন্তর উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাওয়া। তাই সে সব সময় উন্নয়নের পেছনে ছোটে।” সরসঙ্ঘচালক বলেন, উন্নয়নের কি কোনও শেষ আছে? যখন আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছই, তখন আমরা দেখি, আমাদের আরও যেতে হবে। মানুষ দেবতাকে ছাপিয়ে গিয়ে সুপারম্যান হতে চায়।”

    কী বললেন আরএসএস কর্তা? (Mohan Bhagwat)

    তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন হোক কিংবা বাহ্যিক, উন্নয়নের কোনও শেষ নেই।” আরএসএস কর্তা বলেন, “উন্নয়ন একটা লাগাতার প্রসেস। তাই আমাদের কোনও না কোনও কাজ সমাধানহীন হয়ে থাকে।” তিনি বলেন, “দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। এখনও অনেক বাকি রয়েছে। একজন কার্যকর্তার সব সময় ভাবা উচিত, তিনি অনেক করেছেন, তবে বাকি রয়ে গিয়েছে ঢের বেশি। কারণ সব সময়ই কিছু না কিছু করার থাকে। যদি উন্নয়ন নিরন্তর চলতেই থাকে, তাহলে সমাধানও খুঁজে পাওয়া যাবে।”

    বিশ্ব চিনেছে ভারতকে

    দ্রুত বদলে যাওয়া বিশ্বের প্রেক্ষিতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং মূল্যবোধ ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তারও উল্লেখ করেন সরসঙ্ঘচালক (Mohan Bhagwat)। ভাগবত বলেন, “গত দু’হাজার বছর ধরে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। তবে সেগুলো আমাদের সুখ-শান্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। অথচ এগুলো আমাদের জীবনের অঙ্গীভূত ছিল। করোনার পরে বিশ্ব চিনেছে ভারতকে। তারা এও জেনেছে সুখ-শান্তির রোডম্যাপও রয়েছে ভারতের হাতেই।” তিনি বলেন, “সনাতন ধর্ম সর্বদাই বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে।”

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    সরসঙ্ঘচালক বলেন, “সনাতন সংস্কৃতি এবং ধর্ম রাজপ্রাসাদ থেকে আসেনি, এসেছে আশ্রম এবং বনজঙ্গল থেকে। বদলে যাওয়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পোশাক বদলেছে। কিন্তু আমাদের (পড়ুন, সনাতনীদের) প্রকৃতি বদলায়নি।” দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি যে আদৌ চিন্তিত নন, তাও এদিন জানিয়ে দিয়েছেন আরএসএস (RSS) প্রধান। বলেন, “দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। ভালো ভালো কাজই হবে। কারণ যা হচ্ছে, তা ভালোর জন্যই হচ্ছে। আমরা ভালো করারই চেষ্টা করে চলেছি (Mohan Bhagwat)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূলের অন্দরে আরও প্রবল অখিল-উত্তম কোন্দল!

    Purba Medinipur: একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূলের অন্দরে আরও প্রবল অখিল-উত্তম কোন্দল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একুশে জুলাইয়ের আগে আরও প্রবল অখিল-উত্তম কোন্দল! রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরির শিবির ২১ জুলাই উপলক্ষে সভা এবং মিছিল করলে, তার পাল্টা কর্মসূচি গ্রহণ করে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বকে আরও প্রকাশ্যে এনেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) জেলা পরিষদের সভাপতি উত্তম বারিকের গোষ্ঠী। গতকাল শুক্রবার রামনগরে এই ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    রামনগর স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের মাঠে সভা হয়েছিল (Purba Medinipur)!

    গত বৃহস্পতিবার রামনগরে ২১ জুলাই কর্মসূচী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা এবং মিছিল আয়োজন করেছিল তৃণমূলের একাংশ। রামনগর বাজারের পথসভার পাশাপাশি স্থানীয় বাড় সোলেমানপুর থেকে মিছিল করা হয়। এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন অখিল গিরি। একই সঙ্গে মিছিলে যোগদান করেছিলেন কাঁথি তৃণমূল যুব সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি এবং স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাই সার। ঠিক তারপরের দিন শুক্রবার এই একুশে জুলাই উপলক্ষে তৃণমূল নেতা উত্তম বারিক গোষ্ঠী পাল্টা প্রস্তুতি কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে রামনগর স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের মাঠে। আর তাকে ঘিরেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    লোকসভার ভোটের সময় থেকেই কোন্দল

    মন্ত্রীপুত্র সুপ্রকাশ গিরি প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “চক্রান্তকারীদের ধোলাই হবে, পেটাই হবে।” তবে এই চক্রান্তকারী বলতে যে তৃণমূল নেতা উত্তমা বারিকের (Purba Medinipur) কথাই বলছেন, সে কথা তৃণমূলের সমর্থকেরা মেনেও নেন। লোকসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী উত্তম বারিকের পরাজয়ের পর থেকে শাসকদলের মধ্যে কোন্দলের ঘটনা ঘটে চলেছে। তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটির জায়গায় মন্ত্রী অখিলের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছিলেন উত্তম বারিক। ভোট পর্ব থেকে একুশে জুলাই, যেন এই কোন্দল থামছেই না। দল চরম অস্বস্তির মধ্যে পড়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    জেলা তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলার (Purba Medinipur) সভাপতি পীযূষকান্তি পণ্ডা বলেছেন, “সব শাখা সংগঠনগুলিকে নিজের মতো করে প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আর তাই যুব তৃণমূলের ব্যানারে কর্মসূচি করা হয়েছে। কোন্দলের কোনও ব্যাপার নেই। দল বড় হলে একটু সমস্যা হয়। তাই নিজেদের পরিবারের বিষয়।” তবে বিজেপির পক্ষ থেকে জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর মণ্ডল এই কোন্দলকে কটাক্ষ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: অশান্ত বাংলাদেশ, দেশে ফিরছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা, বিশেষ নির্দেশ জারি হাই কমিশনের

    Bangladesh Protest: অশান্ত বাংলাদেশ, দেশে ফিরছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা, বিশেষ নির্দেশ জারি হাই কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ-বিতর্কে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি বাংলাদেশে (Bangladesh Protest)। এই অশান্ত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় ছাত্রদের জন্য উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। বাংলাদেশে অবস্থিত ছাত্রদের জন্য বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় হাই কমিশন (Indian High Commission)। ভারতীয় হাই কমিশনের তরফে অ্যাডভাইসরি রিপোর্টে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্য এবং বাংলাদেশে পড়তে আসা পড়ুয়াদের বাইরে না বেরনোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্ব-স্ব স্থানে থাকুন। কোথাও ভ্রমণের জন্য বেরবেন না।’ 

    উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি (Bangladesh Protest)

    বাংলাদেশে (Bangladesh Protest) এই মুহূর্তে ১৫ হাজারের বেশি ভারতীয় রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে পড়ুয়ার সংখ্যা ৮৫০০। অশান্ত পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে নয়াদিল্লির। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ‘‘বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যে ভারতীয় পড়ুয়ারা আটকে পড়েছেন, তাঁদের ফেরানো হচ্ছে।’’ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব ভারতের চার রাজ্য— অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরামের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। এ রাজ্যের পেট্রাপোল, চ্যারাবান্ধার পাশাপাশি ত্রিপুরার আখাউড়া এবং মেঘালয়ের ডাউকির সীমান্তে অভিবাসন কেন্দ্র (ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট) দিয়েও ফেরানো হচ্ছে ভারতীয় পড়ুয়াদের। মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা শনিবার জানান, বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে তাঁর রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৪০৫ জন ভারতীয় পড়ুয়া এসেছেন। তিনি বলেন, ‘‘গত ২৪ ঘণ্টায় সীমান্তবর্তী অভিবাসন কেন্দ্রে অনেক ভারতীয় পড়ুয়া পৌঁছেছেন।’’

    বিদেশি ছাত্রছাত্রীও ফিরছেন

    বাংলাদেশ (Bangladesh Protest) থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ত্রিপুরা এবং মেঘালয় দিয়ে শুধু শুক্রবারই ভারতে ফিরেছেন ৩০০-র বেশি পড়ুয়া। তাঁদের মধ্যে  অনেক বিদেশি ছাত্রছাত্রীও ভারত হয়ে দেশে ফিরছেন। শুক্রবার কোচবিহারের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মেখলিগঞ্জ গেট দিয়ে বাংলাদেশের রংপুর মেডিক্যাল কলেজের বেশ কয়েক জন ডাক্তারি পড়ুয়া ভারতে প্রবেশ করেন। তাঁদের মধ্যে ছ’জন ভারতীয় ছাত্রছাত্রী। এ ছাড়া নেপালের ন’জন পড়ুয়া এবং ভুটানের ১৮ জন ছাত্রছাত্রী ভারতে ঢোকেন। এখান থেকে তাঁরা নিজেদের দেশে চলে যাচ্ছেন। 

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০৫, কার্ফু জারি দেশজুড়ে, নামল সেনা

    কেন সংরক্ষণ, কাদের জন্য 

    সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ-বিতর্ক নিয়েই অশান্তির (Bangladesh Protest) সূত্রপাত। মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ বাতিলের দাবি জানান হয়। ১৯৭২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মুজিবর রহমান বাংলাদেশে সংরক্ষণ-ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। যেখানে  ৩০ শতাংশ সরকারি চাকরি মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য সংরক্ষিত রাখার কথা বলা হয়। কিন্তু এই সংরক্ষণের বিরুদ্ধে ডাক ওঠে। সেই ইস্যুই নিয়েই দেশের অন্দরে কার্যত যুদ্ধের চেহারা নেয়।

    আন্দোলনকারীদের দাবি (Bangladesh Protest)

    আন্দোলনকারীদের (Bangladesh Protest) দাবি, এই সংরক্ষণের জন্যই সরকারি চাকরির সুযোগ পাচ্ছে না সাধারণ মেধাবীরা। অন্যদিকে, হাসিনা সরকারের দাবি, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতেই তাঁদের পরিবারের জন্য় ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ। এদিকে সংরক্ষণ বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে জাহাঙ্গির নগর এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও। পথে নামে হাজার হাজার ছাত্র। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাসে। আন্দোলনে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বিভিন্ন হাইওয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protests: বাংলাদেশে হিংসার নেপথ্যে মৌলবাদীরা! মনে করছেন ভারতের প্রাক্তন বিদেশ সচিব

    Bangladesh Protests: বাংলাদেশে হিংসার নেপথ্যে মৌলবাদীরা! মনে করছেন ভারতের প্রাক্তন বিদেশ সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে বাংলাদেশে (Bangladesh Protests) অশান্তি কি মৌলবাদী সংগঠনগুলি ছড়াচ্ছে? এমন প্রশ্নই মাথাচাড়া দিল এবার। এই প্রশ্ন তুললেন প্রাক্তন বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শৃঙলা। ক্রমশই সেখানকার পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। এর পাশাপাশি পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্সও সে দেশে কলকাঠি নাড়তে পারে বলে দাবি করলেন ভারতের প্রাক্তন বিদেশ সচিব তথা বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের প্রাক্তন হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শৃঙলা।

    জামাত-ই-ইসলামির মতো মৌলবাদী সংগঠন (Bangladesh Protests) ঢুকে পড়েছে

    ভারতের প্রাক্তন বিদেশ সচিব বলেন, ‘‘বিভিন্ন রিপোর্ট থেকে জানতে পারছি যে এই বিষয়ে নাক গলাচ্ছে বিভিন্ন মহল। জামাত-ই-ইসলামির মতো মৌলবাদী সংগঠন ঢুকে পড়েছে। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে বিরোধী দল বিএনপি। যা এই বিক্ষোভের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিষয় যুক্ত করেছে।’’ সেইসঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘‘আইএসআই-ও (ISI) এই অস্থিরতার পিছনে যুক্ত থাকতে পারে। মানে এরকম রিপোর্ট শুনতে পাচ্ছি। সেটা ঠিক বা বেঠিক, সেটা তদন্ত চালিয়ে বাংলাদেশ (Bangladesh Protests) সরকারকে খুঁজে বের করতে হবে। তবে হ্যাঁ, এই পরিস্থিতির ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছেন লোকজন। আর ঘোলাজলে মাছ ধরার চেষ্টা করছেন।’’

    সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ হয়েছে বাংলাদেশ

    সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ হয়েছে বাংলাদেশ (Bangladesh Protests)। ঠিক এই আবহে সংবাদ সংস্থা এনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন বিদেশ সচিব জানিয়েছেন, সংরক্ষণ নিয়ে পড়ুয়ারা যা দাবি তুলেছেন সেটা নিয়ে শেখ হাসিনা সরকার অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ করেছে। পড়ুয়াদের দাবি পূরণ করার বার্তাও দিচ্ছে কিন্তু এই আবহে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছে কয়েকটি সংগঠন। তিনি আরও বলেন, ‘‘হাসিনা সরকারের সিদ্ধান্তের ওপরে স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদালত। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আদালত। বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে জনসক্ষমে এসে বলেছেন যে আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি। তোমাদের সঙ্গে সহমত পোষণ করছি আমরা। কিন্তু বিষয়টি আদালতে ঝুলে আছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Microsoft Global Outage: বিমানবন্দরে ফিরল পুরনো স্মৃতি, যাত্রীরা পেলেন হাতে লেখা বোর্ডিং পাস

    Microsoft Global Outage: বিমানবন্দরে ফিরল পুরনো স্মৃতি, যাত্রীরা পেলেন হাতে লেখা বোর্ডিং পাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বড়সড় গোলযোগ। শুক্রবার ক্রাউডস্ট্রাইকের (CrowdStrike) প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরে গোটা বিশ্বে মুখ থুবড়ে পড়েছিল পরিষেবা। দীর্ঘ সময় ধরে টানা কাজের পরে আপাতত পরিস্থিতি অনেকটাই সামলে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট (Microsoft Global Outage) এবং ক্রাউডস্ট্রাইক। কিন্তু এই পরিস্থিতির জেরেই শুক্রবার ডিজিটাল যুগ থেকে এক ধাক্কায় কাগজ-কলমের যুগে ফিরেছিলেন সকলে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ‘পুরানো সেই দিনের কথা’ মনে করিয়ে দিল ভারতীয় বিমানবন্দরগুলি। সৌজন্যে মাইক্রোসফ্টের সফ্টওয়্যার সমস্যা। বর্তমানে সমস্যা সমাধান হয়ে গেলেও এদিন হাজার-হাজার বিমানযাত্রীদের সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল।

    ফিরল হাতে লেখা বোর্ডিং পাস

    জানা গিয়েছে, এদিন মাইক্রোসফটের সমস্যার (Microsoft Global Outage) কারণে ভারতের অনেক বিমানবন্দরে যান্ত্রিক গোলোযোগ দেখা দিয়েছিল। ফলে বাধ্য হয়ে রাজীব গান্ধি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাতে লেখা বোর্ডিং পাস দিতে হয় বিমানযাত্রীদের। এই ডিজিটাল যুগে দাঁড়িয়ে এমন হাতে লেখা বোর্ডিং পাসের ছবি মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সাধারণ মুদ্রিত বোর্ডিং পাস থেকে এটি ছিল অনেকটাই আলাদা। ছবিতে বোর্ডিং পাসের সমস্ত বিবরণ যেমন নাম, আসন, তারিখ এবং ডিপারচার সহ সব লেখা রয়েছে। ইন্ডিগো এয়ারলাইন কর্মীদের হাতে লেখা এই পাস দেখা গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।  
    এ প্রসঙ্গে অক্ষয় কোঠারি নামের এক ব্যক্তির সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে হাতে লেখা বোর্ডিং পাসের ছবি দিয়ে তিনি লিখেছেন, “মাইক্রোসফট/ ক্রাউডস্ট্রাইক বিভ্রাট ভারতের অধিকাংশ বিমানবন্দরের স্বাভাবিক পরিষেবা ব্যহত করেছে। আমি আজ আমার প্রথম হাতে লেখা বোর্ডিং পাস পেয়েছি।”

    আরও পড়ুন: মাইক্রোসফ্‌টের সমস্যায় বিশ্ব জুড়ে ব্যাহত বিমান পরিষেবা, ব্যাঙ্ক ও শেয়ার বাজার

    ঠিক কী সমস্যা হয়েছে মাইক্রোসফটের? (Microsoft Global Outage) 

    তবে ঠিক কী কারনে এমন সমস্যা হয়েছে মাইক্রোসফটের, সে প্রসঙ্গে ১৯ জুলাই ভারতীয় সময় রাত ৯টা ২৯ মিনিটে এক্স হ্যান্ডেলে মুখ খুলেছেন মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেলা (Satya Nadella)। তিনি জানান, ‘গতকাল ক্রাউডস্ট্রাইক একটি আপডেট বের করেছিল যা গোটা বিশ্বের আইটি সিস্টেমকে প্রভাবিত করেছিল। বিষয়টি নিয়ে ক্রাউডস্ট্রাইকের সঙ্গে আমরা কাজ করছি। সর্বক্ষেত্রে গ্রাহকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা করা হচ্ছে তাদের সিস্টেমকে অনলাইনে আনার জন্য।’

    সত্য নাদেলার (Satya Nadella) এই পোস্টের পরেই এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন এক্স-এর মালিক এলন মাস্ক। তিনি লিখেছেন, ‘এই সমস্যা অটোমেটিভ সাপ্লাই চেনকে কাঁপিয়ে দিয়েছে।’  

    উল্লেখ্য, শুক্রবারে বিমান সংস্থাগুলির সার্ভারে সমস্যা (Microsoft Global Outage) হওয়ায় থমকে যায় টিকিট বুকিং। একের পর এক উড়ান বাতিল হতে থাকে। কোথাও কোথাও হাতে লেখা বোর্ডিং পাস দিতে হয়েছে যাত্রীদের। আমেরিকায় ২০০টিরও বেশি উড়ান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বিশ্ব জুড়ে ব্যহত হয়েছে একাধিক পরিষেবা। আর এর ফলেই চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    South 24 Parganas: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) সোনারপুরে জামালউদ্দিন সর্দারের গত চারদিন ধরে পুলিশ টিকি পর্যন্ত ছুঁতে পারেনি। অবশেষে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। তবে, প্রশ্ন উঠেছে গত চারদিন ধরে পুলিশের চোখে ধূলো দিয়ে কোথায় ছিলেন জামাল? প্রসঙ্গত, বাড়িতে সালিশি সভা বসিয়ে তোলাবাজি, নৃশংস অত্যাচার করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁর গ্রেফতারিতে নির্যাতিতারা বেজায় খুশি।

    গত চারদিন কোথায় ছিলেন জামাল? (South 24 Parganas)

    মঙ্গলবার ১৬ই জুলাই গ্রেফতারির আশঙ্কায় দুপুরের দিকে বাড়ি ছাড়েন (South 24 Parganas) জামাল। সন্ধ্যার দিকে পাঁচিল টপকে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান জামালের স্ত্রী ও ছেলে। ওইদিন ঘুটিয়ারি শরিফ এলাকায় শ্বশুরবাড়ির কাছে কোথাও থাকার পরিকল্পনা থাকলেও পুলিশের ঘোরাঘুরির কারণে জঙ্গলের মধ্যে রাত কাটান জামাল। দিনের আলো ফুটতেই মাস্ক মুখে দিয়ে ঘুটিয়ারি ষ্টেশন থেকে ট্রেন ধরে সোনারপুরের ওপর দিয়েই বিধাননগর ষ্টেশনে নেমে বিধাননগর কমিশনারেট এলাকায় এক পরিচিতের কাছে যান তিনি। সেদিনটা ওখানেই ছিলেন। এরইমধ্যে সংবাদমাধ্যমে তাঁর খবর সম্প্রচার হওয়া দেখে মত পরিবর্তন করেন তিনি। আত্মসমর্পণের কথাও ভেবেছিলেন জামাল। এই কারণে বৄহস্পতিবার সোনারপুর থানার কাছাকাছি মিলনপল্লি এলাকায় তিনি চলেও আসেন। কিন্তু, তাঁর আইনজীবী তাঁকে আত্মসমর্পণের বিষয়ে মানা করলে ফের এলাকা ছাড়েন জামাল। এরইমধ্যে নিজের ফোন পরিবর্তন করে নতুন সিম নেন। স্ত্রী ও সন্তানের জন্য চিন্তা হচ্ছিল তাঁর। তাঁদের কোথাও একটা নিরাপদ আশ্রয়ে রাখার পরিকল্পনা করেন। এই কারণে শাশুড়িকে ফোন করেন। এরপরই পুলিশের ট্র্যাকে চলে আসেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর শ্যালককে তুলে আনে সোনারপুর থানার পুলিশ। নিজের কাছের লোককেও আর বিশ্বাস করতে পারছিলেন না জামাল। যদিও বৄহস্পতিবার রাতে ডানকুনি এলাকায় তাঁর এক পরিচিতের বাড়িতে ছিলেন তিনি।  শুক্রবার স্ত্রী ও সন্তানকে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখার ব্যবস্থা করেন। তারপর আগামী ৬ মাসের জন্য তিনি আত্মগোপন করার পরিকল্পনা করে ফেলেন। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    কীভাবে গ্রেফতার জামাল?

    জামাল ফেরার হওয়ার পর থেকে তাঁর বিশাল বাড়ির সামনের গেটে ঝুলছিল বড় তালা। আগের দিনই তাঁর ৫০টি সিসি ক্যামেরার ঘেরাটোপে থাকা বাড়ির (Sonarpur) সুইমিং পুলে কচ্ছপ মেলে। যা নজরে আসতেই পদক্ষেপ করতে চায় বন দফতর। কিন্তু, বৃহস্পতিবার কচ্ছপ উদ্ধার করতে গিয়েও বাড়ির গেটে তালা দেখে খালি হাতে ফিরে যেতে হয় তাদের। পুলিশ জামালের মোবাইল লোকেশন ‘ট্র্যাক’ করতে শুরু করে। কিন্তু, মঙ্গলবার দুপুরের পর সেই মোবাইল ফোন ভাঙড়ের কাছে গিয়ে বন্ধ হয়ে যায়। মাস্ক পরে থাকায় কাল হল জামালের। তাতেই পুলিশের সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাসন্তী হাইওয়ে থেকে সোনারপুর যাওয়ার রাস্তায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    জেলা পুলিশের এক কর্তা কী বললেন?

    জামালকে গ্রেফতার করতে পুলিশের একাধিক টিম তৈরি করা হয়েছিল। সোনারপুর থানার আইসি আশিস দাসের নেতৄত্বে একটি টিম শুক্রবার সারাদিন নানান জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায়। তারাই শেষ পর্যন্ত জামালকে গ্রেফতার করে। জামালের গ্রেফতারির পর বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালি বলেন, জামালকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হবে। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Women’s Asia Cup 2024: নির্ভীক ক্রিকেটই লক্ষ্য, পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপে যাত্রা শুরু ভারতের মেয়েদের

    Women’s Asia Cup 2024: নির্ভীক ক্রিকেটই লক্ষ্য, পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপে যাত্রা শুরু ভারতের মেয়েদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের এশিয়া কাপের (Women’s Asia Cup 2024) প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১০ উইকেটে হারিয়ে দিল ভারত। প্রথমে ব্যাট করে নিদা দারের দল ১৯.২ ওভারে করে ১০৮ রান। জবাবে হরমনপ্রীত কৌরেরা ১৪.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে তুলল ১০৯ রান। অনুশীলন ম্যাচ খেলার মেজাজে সহজ জয় তুলে নিল ভারত (India beats Pakistan)। গোটা প্রতিযোগিতায় আগ্রাসী ক্রিকেট খেলাই লক্ষ্য ভারতের জানালেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। ম্যাচের সেরা দীপ্তি শর্মা। ভারতের মেয়েদের দুরন্ত পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন বিসিসিআই সভাপতি জয় শাহ।

    পাক-ম্যাচে একাধিপত্ব ভারতের (Women’s Asia Cup 2024) 

    জয়ের জন্য ১০৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে ভারতীয় দল। স্মৃতি মন্ধানা এবং শেফালি বর্মার প্রথম উইকেটের জুটিতে ৯.৩ ওভারে ওঠে ৮৫ রান। তাতেই ভারতীয় দলের জয় এক রকম নিশ্চিত হয়ে যায়। স্মৃতি ৩১ বলে ৪৫ রান করলেন। ৯টি চার এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। শেফালি করলেন ২৯ বলে ৪০। মারলেন ৬টি চার এবং ১টি ছক্কা। এর আগে টস জিতে ডাম্বুলার ২২ গজে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। তাঁর সেই রণকৌশল সফল হল না ভারতীয় বোলারদের দাপটে। দীপ্তি শর্মা, রেণুকা সিং, পূজা বস্ত্রকারদের বল বুঝতেই পারলেন না পাক ব্যাটারেরা। ভারতের সফলতম বোলার দীপ্তি ২০ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। ১৪ রানে ২ উইকেট রেণুকার। ১৪ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন শ্রেয়াঙ্কা পাতিল। পূজার ২ উইকেট ৩১ রানের বিনিময়। 

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একডজন জয় (Women’s Asia Cup 2024) 

    এশিয়া কাপের (Women’s Asia Cup 2024)  ইতিহাসে সফলতম দল ভারত। টুর্নামেন্টে সাত বারের চ্যাম্পিয়ন। শুরুতেই পাকিস্তানের (India beats Pakistan) বিরুদ্ধে ম্যাচ হওয়ায় উত্তেজনা ছিল আরও তুঙ্গে। এর আগে টি-টোয়েন্টিতে ১৪ বারের সাক্ষাতে ১১ বার জিতেছিল ভারত। পরিসংখ্যান আরও উন্নত হল। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একডজন জয়। এদিনের জয়ের পর হরমনপ্রীত বলেছেন, টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে সবসময় চাপ থাকে। তিনি বলেন, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে চাপ ছিল, কিন্তু ভারতীয় দল তা ভালোভাবে সামলেছে। ম্যাচের পর হরমনপ্রীত কৌর বলেন, ‘আমাদের বোলার এবং ওপেনিং ব্যাটসম্যানরা তাদের কাজ করেছেন। প্রথম ম্যাচ সবসময় চাপে পূর্ণ থাকে, কারণ আপনাকে মোমেন্টাম তৈরি করতে হয়। কিন্তু আমাদের পুরো দল এটাকে ভালোভাবে পরিচালনা করেছে এবং দুর্দান্ত খেলেছে। এরকমই গোটা টুর্নামেন্টে নির্ভীক ক্রিকেট খেলে যেতে চাই আমরা।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০৫, কার্ফু জারি দেশজুড়ে, নামল সেনা

    Bangladesh: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০৫, কার্ফু জারি দেশজুড়ে, নামল সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ (Bangladesh)। নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০৫, এখনও পর্যন্ত সেই পরিসংখ্যানই জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি। এই আবহে দেশজুড়ে হাসিনা সরকার জারি করল কার্ফু। শুক্রবার রাতেই এ কথা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন শেখ হাসিনার সরকারের প্রেস সচিব নাইমুল ইসলাম খান বলেন, “সরকার কার্ফু জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।” পাশাপাশি, আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, “স্থানীয় প্রশাসনকে সাহায্যের পাশাপাশি শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেনা নামানো হয়েছে (Anti Reservation protest)।”

    বেড়েই চলেছে মৃত্যু সংখ্যা

    হিংসাত্মক আন্দোলনে প্রতিবাদী পড়ুয়া ও পুলিশ-সরকারপক্ষের সংঘর্ষে একের পর এক প্রাণের বলি হচ্ছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে। বিভিন্ন বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই একশ পার করেছে। শেষ খবর অনুযায়ী, ১০৫ জন মারা গিয়েছেন। বৃহস্পতিবার মৃতের সংখ্যা ৪০-র ঘরে ছিল। শুক্রবার সেই সংখ্যাটা একলাফে বেড়ে ১০০-র গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে বলে এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আহতের সংখ্যাও। এখনও পর্যন্ত যা খবর মিলেছে, তাতে ২৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন  বলে জানা গিয়েছে।

    কী বলছেন বাংলাদেশের (Bangladesh) আন্দোলনকারীদের নেতা?

    অন্যদিকে, সংরক্ষণ ইস্যুতে হাসিনা সরকার (Bangladesh) আন্দোলনকারীদের আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিলেও তাঁরা তা খারিজ করেছেন। শীর্ষস্থানীয় আন্দোলনকারী নেতা সরোয়ার তুষার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। শেখ হাসিনার পদত্যাগ চাই।” প্রসঙ্গত, আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে বন্ধ (Anti Reservation protest) রাখা হয়েছে ট্রেন চলাচল। আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে আনতে ইতিমধ্যে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রেখেছে হাসিনা সরকার। বৃহস্পতিবার রাত থেকে বাংলাদেশের স্তব্ধ হয়ে গেছে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, গুজব রুখতেই এমন ব্যবস্থা। এর পাশাপাশি যে কোনও ধরনের মিছিল-সমাবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাসিনা সরকার। তবে এতেও পরিস্থিতি খুব একটা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।

    জেলে হামলা বিক্ষোভকারীদের

    এর মধ্যেই নরসিংডি জেলার একটি জেলে আগুন লাগিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা। সে দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলির দাবি, ওই আগুন লাগানোর ফলে জেল থেকে শতাধিক কয়েদি পালিয়ে (Bangladesh) গিয়েছে। এক জেল আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীরা জেলে হামলা করার পরে শতাধিক কয়েদি পালিয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, তিনি নিজেই অন্তত কুড়ি জন কয়েদিকে পালাতে দেখেছেন। এদিকে যে সমস্ত ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ ছিলেন তাঁরা দেশে ফিরছেন। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের চুয়াডাঙ্গা দর্শন চেক পোস্ট হয়ে তাঁরা ফিরছেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ৭০জন পড়ুয়া ভারতে ফিরেছেন। এর পাশাপাশি পড়শি দেশ নেপালেও ফিরে যাচ্ছেন পড়ুয়ারা।

    কেন সংরক্ষণ ইস্যুতে উত্তাল বাংলাদেশ?

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সংরক্ষণের নিয়ম নিয়েই এই অশান্তির সূত্রপাত। ২০১৮ সালেও একই বিষয়ে আন্দোলন উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশটি। প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে সে দেশে মোট ৫৬ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল, যার মধ্যে ৪৪ শতাংশ আসন সাধারণের জন্য নির্ধারিত ছিল। ৫৬ শতাংশ আসনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০%, জেলার জন্য ১০%, জনজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ ছিল। ২০১৮ সালে সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ৩০ শতাংশ, নারীদের ১০ শতাংশ ও জেলার ১০ শতাংশ আসন বাতিল করে দেন। রাখা হয় শুধু জনজাতিদের ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ সংরক্ষণ। এ নিয়ে মামলা গড়ায় বাংলাদেশের হাইকোর্টে। চলতি বছরের ৫ জুন হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, হাসিনা সরকারের নির্দেশ অবৈধ। ফের প্রতিবাদ আন্দোলনে নামেন পড়ুয়ারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Type 1 Diabetes: টাইপ-১ ডায়াবেটিস আক্রান্ত শিশুরা বেশি মানসিক সমস্যায় ভোগে, বলছে রিপোর্ট

    Type 1 Diabetes: টাইপ-১ ডায়াবেটিস আক্রান্ত শিশুরা বেশি মানসিক সমস্যায় ভোগে, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময় পাল্টেছে, জীবনযাপনের পদ্ধতি বদলেছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে শিশুদের ডায়াবেটিস (Type 1 Diabetes)। সব দেশে শিশুদের এ রোগে আক্রান্তের হার বাড়ছে। শিশু-কিশোরদের ডায়াবেটিস মূলত দুই ধরনের। প্রথমটির কারণ শরীরে ইনসুলিন তৈরি না হওয়া, যাকে বলে টাইপ১ ডায়াবেটিস। দ্বিতীয়টিতে ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা কমে যায়, যার নাম টাইপ২ ডায়াবেটিস। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন যে সমস্ত শিশুরা টাইপ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তাদের মধ্যে বড় ঝুঁকি থাকে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার। তারা উদ্বেগজনিত সমস্যায় (Mental Health Issues) ভুগতে থাকে, যাকে বলে অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার। ব্রিটেন ও চেক রিপাবলিকের একটি গবেষণা দল এমনই তথ্য সামনে এনেছে সম্প্রতি।

    মুড ডিসঅর্ডার এবং অ্যাংজাইটিজ ডিসঅর্ডার ভোগে টাইপ১ ডায়াবেটিসে (Type 1 Diabetes) আক্রান্ত শিশুরা 

    এই গবেষক দল আরও জানিয়েছে যে শিশুদের যারা টাইপ১ ডায়াবেটিসে (Type 1 Diabetes) আক্রান্ত তাদেরকে সর্বদাই পর্যবেক্ষণে রাখা দরকার। একটি গবেষণা বলছে, বর্তমানে সারা পৃথিবীতে ৮৭ লাখ শিশু টাইপ১ ডায়াবেটিসে। আক্রান্তদের মধ্যে ব্রিটেনেই এই সংখ্যা চার লাখ। সম্প্রতি, চেক প্রজাতন্ত্রের গবেষকরা সাড়ে চার হাজার শিশুর কাছ থেকে বিভিন্ন ডেটা সংগ্রহ করে, যারা টাইপ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। সেই ডেটাতেই গবেষকরা লক্ষ্য করেন, যে সমস্ত শিশুরা ডায়াবেটিস আক্রান্ত নয়, তাদের সাপেক্ষে এই শিশুরা বেশি অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার এবং মুড ডিসঅর্ডারে ভোগে। প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ বেশি মুড ডিসঅর্ডার এবং অ্যাংজাইটিজ ডিসঅর্ডার স্বাভাবিক শিশুদের থেকে বেশি দেখা যায় টাইপ১ ডায়াবেটিস আক্রান্ত শিশুদের।

    টাইপ১ ডায়াবেটিস (Type 1 Diabetes) আক্রান্তের লক্ষণ 

    শিশুদের টাইপ১ ডায়াবেটিসের উপসর্গ দেখা দেয় তুলনামূলক কম বয়সে (Mental Health Issues)। আক্রান্ত শিশু দিন দিন শুকিয়ে যায়, ঘন ঘন প্রস্রাব করে আর দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ে -এমনকি রক্তে শর্করা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় শিশুরা অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। টাইপ১ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে আগে থেকে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, দৈনন্দিন পরিশ্রম ও নিয়ন্ত্রিত জীবনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন সম্ভব, এমনটাই বলছেন গবেষকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share