Tag: Madhyom

Madhyom

  • AIIMS Study: যোগের বলে মুক্তি মিলবে আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা থেকে, বলছে এইমসের সমীক্ষা

    AIIMS Study: যোগের বলে মুক্তি মিলবে আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা থেকে, বলছে এইমসের সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যোগ বলে রোগ আরোগ্য। বাক্যটি যে নেহাৎ কথার কথা নয়, তা জানা গেল এইমসের সাম্প্রতিক এক গবেষণাও (AIIMS Study)। জানা গিয়েছে, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের প্রদাহ ও ব্যথা (Arthritis Pain) কমাতেও দারুণ কাজ করে যোগ ব্যায়াম। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস হল একটি ক্রনিক অটোইমিউন রোগ। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে হয় প্রদাহ, গাঁটে গাঁটে হয় ব্যথা। ফুসফুস, হার্ট এবং মস্তিষ্কেও প্রভাব পড়ে এই ব্যথার। যার জেরে রোগী ক্রমেই অথর্ব হয়ে পড়েন।

    যোগ বলে রোগ আরোগ্য (AIIMS Study)

    এইমসের চিকিৎসকদের করা গবেষণা বলছে, এর থেকে মুক্তি দিতে পারে যোগ ব্যায়াম। শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে এটি কাজ করে দারুণভাবে। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন, তাঁরা দিব্যি সুস্থ রয়েছেন। অথর্ব বেদে যোগের গুণগান গাওয়া হলেও, সিংহভাগ ভারতীয়ই চর্চা করতেন না যোগের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই প্রথম যোগের গুণাগুন তুলে ধরেন সারা বিশ্বের কাছে। তার পর থেকে ফি বছর ২১ জুন দিনটি পালিত হয় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে। সেই যোগেরই নয়া কার্যকারিতার কথা জানা গেল এইমসের সমীক্ষায় (AIIMS Study)।

    এইমসের গবেষণা

    সমীক্ষাটি করেছে এইমসের ল্যাব ফর মলিকিউলার রিপ্রোডাকশন অ্যান্ড জেনেটিক্স, দ্য অ্যানাটমি ডিপার্টমেন্ট এবং রিউম্যাটোলজি ডিপার্টমেন্ট। তাদের সাহায্য করেছিল ডিএসটি। সেই সমীক্ষায়ই জানা গিয়েছে, কীভাবে রিউমাটেড আর্থ্রাইটিসের রোগীদের কোষ এবং মলিকিউলার লেভেলে কাজ করে যোগ। কেবল যন্ত্রণামুক্তিই নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু কাজ করে যোগ। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং সেলুলার ড্যামেজ কন্ট্রোল করে যোগ যে প্রদাহও হ্রাস করে, তা-ও জানা গিয়েছে ওই সমীক্ষায়। প্রো এবং অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি সাইটকিনসের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে যোগ।

    আরও পড়ুন: শ’য়ে শ’য়ে মসজিদ ভাঙছে চিন, নিশ্চিহ্ন করছে উইঘুরদের, নীরব মুসলিম দুনিয়া

    রোগীর শরীরে বাড়িয়ে দেয় এনডর্ফিনের স্তর, হ্রাস করে কর্টিসল এবং সিআরপির মাত্রা। মেলাটনিন রিদমও বজায় রাখে যোগ। প্রদাহ চক্রকে ভেঙে এটা করে যোগ। গড়ে তোলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। মলিকিউলার লেভেলে যোগ টেলোমের্স এনজাইম এবং জিনের অ্যাক্টিভিটি বাড়িয়ে দেয়। এই জিন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে ডিএনএ এবং কোষ চক্র রেগুলেশন করতে। এগুলোই রোধ করে কোষের বয়স বেড়ে যাওয়াকে। যার জেরে রোগী থাকেন চনমনে। রিউমাটোলজি বিভাগের প্রধান উমা কুমার বলেন, “যোগ যে কেবল রোগীর (Arthritis Pain) জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করে তাই নয়, রোগীদের মধ্যে থাকা চাপ এবং উদ্বেগও কমায় (AIIMS Study)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Nadia: সরকারি দফতরে তৃণমূলের মদতে নির্বিচারে কাটা পড়ল গাছের ডাল, প্রতিবাদে বিজেপি

    Nadia: সরকারি দফতরে তৃণমূলের মদতে নির্বিচারে কাটা পড়ল গাছের ডাল, প্রতিবাদে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের বিডিও অফিসের ক্যাম্পাসের মধ্যে রয়েছে ফুটবল খেলার মাঠ। এই খেলার মাঠের চারিদিকে রয়েছে বড় বড় আমগাছ। সেই আম গাছের ডাল নির্বিচারে কাটা হয়েছে । এখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে অরণ্য সপ্তাহ চলছে। অরণ্য সপ্তাহ পালনের মধ্যে এইভাবে ব্লক প্রশাসনের ভিতর যেভাবে গাছের ডালগুলি কাটা হয়েছে তা নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এলাকায়। তৃণমূলের (Trinamool Congress) মদতেই এসব হয়েছে। এমনই অভিযোগ বিজেপির।

    কাটমানি নিয়ে গাছ চুরির অনুমতি! (Nadia)

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মাঠ পরিষ্কারের নামে যেভাবে কৃষ্ণগঞ্জের (Nadia) বিডিও অফিস চত্বরে গাছগুলির ডাল কাটা হয়েছে, এটা কখনও কাম্য নয়। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা তথা বিশিষ্ট আইনজীবী অমিত প্রামাণিক বলেন, কীভাবে অফিস ক্যাম্পাসের মধ্যে গাছগুলিকে কাটা হয়েছে, বন দফতর কীভাবে গাছগুলি ন্যাড়া করার অনুমতি দেয়। না আদৌ এই ন্যাড়া করার পিছনে অন্য কারণ লুকিয়ে আছে? তিনি আরও বলেন, তৃণমূল সরকারের আমলে কয়লা চুরি, বালি চুরি, চাকরি চুরির পর এবার গাছ চুরির ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল নেতারা কাটমানি নিয়ে গাছ চুরির অনুমতি দিয়েছে। আমাদের দাবি, ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    প্রতিবাদে সরব পরিবেশপ্রেমী

    পরিবেশপ্রেমী (Nadia) স্বপন কুমার ভৌমিক বলেন, কোনও অবস্থাতেই এইরকমভাবে ফলন্ত গাছের ডাল কাটা যায় না। গাছের ডাল যেভাবে কাটা হয়েছে, কয়েকদিনের মধ্যেই অধিকাংশ গাছ মারা যাবে। প্রতিবছর টেন্ডারের মাধ্যমে বিডিও অফিস থেকে এই আম গাছগুলির ফল বিক্রি করা হয় অর্থাৎ লিজ দেওয়া হয়। যে বা যারা এই গাছের ডাল নির্মমভাবে কাটার সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন তদন্ত করে করে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেত্রী তথা কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাকলি দাস বলেন, মাঠের সৌন্দর্যায়নের জন্য গাছের ডাল কাটা হয়েছে। বিজেপির লোকেরা উন্নয়ন দেখতে পান না বলেই তাঁরা এই সমস্ত অভিযোগ করছেন। যে ডালগুলি কাটা হয়েছে, সেগুলি আইন মাফিক করা হয়েছে। গাছের কাটা ডাল টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diljit Trudeau Controversy: কনসার্টের মাঝে দিলজিতের সঙ্গে ট্রুডোর সাক্ষাৎ ঘিরে বিতর্ক

    Diljit Trudeau Controversy: কনসার্টের মাঝে দিলজিতের সঙ্গে ট্রুডোর সাক্ষাৎ ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো টরন্টোর রজার্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত হওয়া কনসার্টের সমস্ত টিকিট বিক্রির ঐতিহাসিক ঘটনায় অভিনন্দন জানানোর জন্য পাঞ্জাবি গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্জের সঙ্গে দেখা করতে গেলে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    বিজেপি আপত্তি জানিয়েছে

    ট্রুডোর অভিনেতা-গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্জকে ‘পাঞ্জাবের গায়ক’ বলার বিষয়ে বিজেপি নেতাদের একাংশ আপত্তি জানিয়েছে। তাঁদের বক্তব্য কানাডার প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে শব্দ নিয়ে খেলার চেষ্টা করেছেন। দিলজিৎ ভারতের গায়ক না বলে পাঞ্জাবের ব্যক্তি বলায় আপত্তি তৈরি হয়েছে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ইনস্টাগ্রামে দিলজিতের সঙ্গে নিজের একটি ভিডিও শেয়ার করার পরে ক্ষমতাসীন বিজেপি এই আপত্তি তোলে। যাতে তাঁকে উষ্ণভাবে ওই গায়ককে আলিঙ্গন করতে দেখা যায়। বিজেপির মুখপাত্র মনজিন্দর সিং সিরসা টুইটারে একটি পোস্টে বলেছেন, ট্রুডো পাঞ্জাবি গায়কের প্রশংসা করতে বেছে বেছে শব্দ ব্যবহার করেছেন। দিলজিৎ শুধু পাঞ্জাবের নয়, আগে ভারতের। তবে প্রোপ্যাগান্ডার জন্য ওকে পাঞ্জাবের বলা হয়েছে।

    কী বললেন ট্রুডো?

    দিলজিৎ দোসাঞ্জের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘রজার সেন্টারে যখন দিলজিৎ দোসাঞ্জের শো-এর সব টিকিট বিক্রি হয়ে গিয়েছে। কানাডা একটি মহান দেশ। পাঞ্জাবের এক ছেলে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে এবং স্টেডিয়ামের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গিয়েছে। বৈচিত্র্য আমাদের শক্তি নয়। এটা একটা সুপার পাওয়ার।’

    চার দেশ সফরে পাঞ্জাবি গায়ক

    দিলজিৎ দোসাঞ্জের ভ্যাঙ্কুভার বিসি প্লেস এবং টরন্টো রজার্স সেন্টার স্টেডিয়ামের জন্য যথাক্রমে ৫৪ হাজার এবং ৪৯ হাজারের বেশি আসনের সমস্ত টিকিট বুক হয়ে গিয়েছে। পাঞ্জাবি গায়ক তার ‘দিল-লুমনাতি’ কনসার্টের জন্য কানাডা সহ চারটি দেশ সফরে রয়েছেন। প্রসঙ্গত কিছু দিন আগেই দিলজিত দোসাঞ্জ অভিনীত ‘অমর সিং চমকিলা’ সিনেমা রিলিজ হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রসঙ্ঘে বক্তব্য রাখবেন মোদি, তুলতে পারেন নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের দাবি

    ওই সিনেমায় শিখ প্রভাবিত উগ্রপন্থী সংগঠনের অত্যাচার দেখানো হয়েছিল। কীভাবে শুধুমাত্র গান গাওয়ার জন্য এবং ওই সংগঠনের কথামত না চলার জন্য সেই সময়ের জনপ্রিয় গায়ক অমর সিংকে সস্ত্রীক হত্যা করা হয়েছিল, তা দেখানো হয় ওই সিনেমায়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Doda Encounter: ডোডায় জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ দার্জিলিঙের ছেলে ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ, ‘আক্ষেপ নেই’ বাবার

    Doda Encounter: ডোডায় জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ দার্জিলিঙের ছেলে ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ, ‘আক্ষেপ নেই’ বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ২৭ বছর। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। বি-টেক পাশ করে ইঞ্জিনিয়ার হয়ে কোনও মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে সহজেই কাজ করতে পারতেন দার্জিলিঙের (Darjeeling) ছেলে ব্রিজেশ থাপা (Brijesh Thapa)। কিন্তু ছোট থেকেই সেনার পোশাক তাঁকে টানত। বাবা ভারতীয় সেনার কর্নেল। ছোট বেলা থেকেই ‘জয় হিন্দ’ ছিল ব্রিজেশের মন্ত্র। সেই মন্ত্র জপ করতে করতেই সোমবার সন্ধ্যায় কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) ডোডা জেলায় (Doda Encounter) জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করছিলেন ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ। হঠাতই গুলির পর গুলি, ঝাঁঝরা হয়ে গেল শরীর। শহিদ হয়ে গেলেন বাংলার ছেলে। শহিদের রক্তে চোখে জল পড়তে নেই তাই মঙ্গলবার সকালে খবর পেয়েও বাড়ির বাইরে থমথমে, উদাস ব্রিজেশের বাবা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ভুবনেশ থাপা। বললেন, ‘‘কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু আক্ষেপ নেই। আমার সন্তান দেশকে রক্ষা করতে গিয়ে শহিদ হয়েছে।”

    ব্রিজেশের স্মৃতিচারণায় বাবা ভুবনেশ

    ব্রিজেশের জন্ম দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) লেবংয়ে। সেখানেই প্রাথমিক পড়াশোনা করেন। কিন্তু ভুবনেশকে কর্মসূত্রে যেতে হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তাই তাঁর সঙ্গে সঙ্গে যেতে হয়েছে পরিবারকেও। ২০১৪ সালে সেনা থেকে অবসর নেন কর্নেল ভুবনেশ। তার পর তিনি দার্জিলিংয়ের লেবংয়েই এক্স সার্ভিসম্যান হেলথ্ সার্ভিস স্কিমে কাজ করেন। বাবা-মা ছাড়াও ব্রিজেশের এক দিদিও রয়েছেন। বর্তমানে সঙ্গীত নিয়ে পড়াশোনা করতে অস্ট্রেলিয়াতে রয়েছেন নিকিতা থাপা। স্কুল জীবনের পড়াশোনা শেষ করে মুম্বইয়ের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন ব্রিজেশ। সেখান থেকে বি-টেক শেষ করে কম্বাইন্ড ডিফেন্স সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন তিনি। ২০১৮ সালে ব্রিজেশ ডিফেন্স সার্ভিসের শর্ট সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় পাশ করেন ও ২০১৯ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তারপর ১০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের মোতায়েন ছিলেন। এরপর এক্সট্রা রেজিমেন্টাল ডিউটির জন্য ভারতীয় সেনার বিশেষ বিভাগ ১৪৫ আর্মি এয়ার ডিফেন্সের অধীন জম্মু ও কাশ্মীরের ডোডা সেনা ছাউনিতে বদলি হন। সেখানে ব্রিজেশ থাপা এ-কোম্পানির কমান্ডার ছিলেন।

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হামলা! নিহত মেজর-সহ চার জওয়ান, ডোডায় চলছে তল্লাশি অভিযান

    ব্রিজেশকে শ্রদ্ধা

    সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকালে দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) লেবংয়ের বড়াগিঙ্গের বাড়িতে ব্রিজেশের শহিদ (Doda Encounter) হওয়ার খবর এসে পৌঁছেছে। বুধবার ব্রিজেশের দেহ বিশেষ বিমানে শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হবে। এর পর তাঁকে বাগডোগরা সেনা ছাউনিতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা জানানো হবে। সেখান থেকে তাঁর দেহ সড়কপথে নিয়ে যাওয়া হবে লেবংয়ে তাঁর বাড়িতে। সেখানে রয়েছেন ব্রিজেশের মা নীলিমা। দেশ মা-য়ের জন্য ব্রিজেশ বলিদান দিলেও মঙ্গলবার থেকে সারা জীবন পুত্র হারানোর যন্ত্রণা নিয়েই যে বাঁচতে হবে নীলিমাকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WBSSC: ২৬ হাজার চাকরি মামলায় সিদ্ধান্ত হল না সুপ্রিম কোর্টে, পাঁচ পক্ষের বক্তব্য শুনবে শীর্ষ আদালত

    WBSSC: ২৬ হাজার চাকরি মামলায় সিদ্ধান্ত হল না সুপ্রিম কোর্টে, পাঁচ পক্ষের বক্তব্য শুনবে শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসির (WBSSC) মাধ্যমে নিয়োগ হওয়া ২৬ চাকরি বহাল থাকবে কি থাকবে না, তা নিয়েই মঙ্গলবার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। তবে এ দিন দেশের শীর্ষ আদালতে কোনও রকম সিদ্ধান্ত হল না। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে মঙ্গলবার সকালে উঠেছিল এই মামলা। প্রধান বিচারপতি এদিন জানান, তাঁর বেঞ্চ আগে চাকরি বাতিল মামলার সঙ্গে যুক্ত পাঁচ পক্ষের বক্তব্য শুনবে তারপরেই পরবর্তী নির্দেশ দেবে। সুপ্রিম কোর্টের এই পাঁচ পক্ষ হল, রাজ্য সরকার, এসএসসি (WBSSC), সিবিআই, মূল মামলাকারী এবং যাঁদের চাকরি নিয়ে বিতর্ক চলছে তাঁরা। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে মঙ্গলবার থেকে তিন সপ্তাহ পরে। অর্থাৎ অগাস্টের শুরুতেই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। প্রসঙ্গত, এ দিন সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি শুরু হতে রাজ্য সরকার আবেদন জানায় যে তারা এ সংক্রান্ত একটি হলফনামা জমা দিতে চায়। এরপরে এসএসসিও সুপ্রিম কোর্টকে জানায়, তারাও হলফনামা জমা দিতে ইচ্ছুক। পরবর্তীকালে দু পক্ষের বক্তব্য শুনে নোডাল কাউন্সিলার নিয়োগ করার কথা বলে দেশের শীর্ষ আদালত।

    এপ্রিলে গোটা প্যানেল বাতিল করে কলকাতা হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই ২০১৬ সালের এসএসসির (Supreme Court) নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বাতিল করে কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বার রশিদের ডিভিশন বেঞ্চের এই রায়ের ফলে চাকরি যায় ২৫ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীর। সুপ্রিম কোর্ট গত ৭ মে মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টে নির্দেশে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। সে সময়ে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধেও তদন্তে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিল সুপার নিউমেরারি পদ তৈরি নিয়ে মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তে স্থগিতাদেশ বহাল থাকল।

    যোগ্য-অযোগ্য আলাদা করার কথা বলেছিল এসএসসি (WBSSC)

    প্রসঙ্গত, সে সময়ে এসএসসির (WBSSC) তরফে সুপ্রিম কোর্টে মৌখিকভাবে জানানো হয়, যাঁদের চাকরি বাতিল করা হয়েছে তাদের মধ্যে ১৯ হাজার যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এসএসসির আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, যোগ্য এবং অযোগ্য চাকরিপ্রার্থী কিভাবে আলাদা করছেন আপনারা? এটা করার মতো কোনও তথ্য বা নথি আপনাদের কাছে রয়েছে কি? এর উত্তরে এসএসসির আইনজীবী জানান, সিবিআইয়ের বাজেয়াপ্ত করা ডিজিটাল ডেটা দেখা সম্ভব হলেই যোগ্য ও অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব। এখন তাই ওয়াকিবহালমহল মনে করছে, এতদিনে কি যোগ্য আর যোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব হয়েছে? কারণ তার ওপরে নির্ভর করছে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ। ফলে আগামী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কী নির্দেশ দেয় সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Prosenjit Chatterjee: অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে নয়, ফের বলিউড ছবির সুবাদে মুম্বইয়ে পাড়ি প্রসেনজিতের

    Prosenjit Chatterjee: অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে নয়, ফের বলিউড ছবির সুবাদে মুম্বইয়ে পাড়ি প্রসেনজিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে প্রায়শই মুম্বই পাড়ি দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee)। গত রবিবার সকালেও মুম্বইয়ে ছিলেন তিনি। সেখানে যশ দাশগুপ্ত, নুসরত জাহানের সঙ্গে এক ফ্রেমে দেখা গিয়েছে তাঁকে। আর সেসব ছবি, ভিডিও দেখেই ভক্তদের প্রশ্ন, তিনি কি এখন বলিউডেই (Bollywood Film) বেশি মনোনিবেশ করতে চাইছেন? সেই উত্তরে জল্পনা থাকলেও এবার সূত্র মারফত খবর মিলেছে, আবারও বলিউড সিনেমায় দেখা যাবে টালিগঞ্জ স্টুডিওপাড়ার সুপারস্টারকে। জানা গিয়েছে, রবিবার নতুন ছবির নির্মাতাদের সঙ্গে কথা বলতে মুম্বই উড়ে গিয়েছেন প্রসেনজিৎ। 

    কী জানিয়েছেন অভিনেতা? (Prosenjit Chatterjee)

    প্রসঙ্গত, রবিবার অনন্ত অম্বানি-রাধিকা মার্চেন্টের প্রীতিভোজের অনুষ্ঠান ছিল মুম্বইতে। তাই স্বাভাবিকভাবেই সকলের মনে প্রশ্ন জাগছে, আম্বানিদের বিয়েতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও আমন্ত্রিত ছিলেন কিনা। সেই উত্তরে তিনি জানিয়েছেন, বিয়ের আমন্ত্রণ রক্ষার জন্য তিনি মায়ানগরীতে উড়ে যাননি। নতুন হিন্দি ছবির কাজের সুবাদেই তিনি মুম্বইতে পা রেখেছেন। সব ঠিক থাকলে আবারও হিন্দি ছবিতে তাঁর দেখা মিলবে। সেই ছবিরই আলোচনায় যোগ দিতেই শনিবার রাতে টিকিট কেটে রবিবার সকালে মুম্বইয়ের বিমান ধরেন টলিউডের বুম্বা দা।  

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়! জানালেন কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি

    এর আগেও বলিউডে একাধিক কাজ করেছেন (Bollywood Film) 

    শেষবার বছর খানেক আগে বলিউড সিনেমা ট্রাফিক-এ দেখা গিয়েছিল অভিনেতাকে। সেই ছবিতে প্রসেনজিতের (Prosenjit Chatterjee) পাশাপাশি পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ও ছিলেন। তারপর অবশ্য, ২০২৩ সালে ‘স্কুপ’ এবং ‘জুবিলি’ ওয়েব সিরিজের সুবাদে নতুন করে বলিউডের পরিচালক-প্রযোজকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। কোথাও বলিউডের ডাকসাইটে প্রযোজকের ভূমিকায় আবার কোথাও তদন্তকারী সাংবাদিকের ভূমিকায় নজর কেড়েছেন টলিউডের সুপারস্টার। এছাড়াও নীরজ পাণ্ডের ‘খাকি: বেঙ্গল চ্যাপ্টার’-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকছেন টলিউড সুপারস্টার। যে সিরিজের শুটিং খানিকটা কলকাতায় সেরেও ফেলেছেন তিনি।
    জানা গিয়েছে, এই নতুন হিন্দি ছবিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে (Prosenjit Chatterjee)। শোনা যাচ্ছে ছবির প্রযোজক এবং পরিচালকও প্রথম সারির। সব ঠিক থাকলে শুটিং শুরু হবে সেপ্টেম্বরে। 
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য? উত্তর পেতে মক পোলের ব্যবস্থা করছে নির্বাচন কমিশন

    Election Commission: ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য? উত্তর পেতে মক পোলের ব্যবস্থা করছে নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বেরোলে বহু ক্ষত্রে পরাজয়ের জন্য প্রার্থীরা ইভিএম মেশিনকে দায়ী করেন। বলা হয়, তাতে কারচুপির জন্যই হার মানতে হয়েছে। সেই অভিযোগ দূর করতে ইভিএম মেশিনগুলো কতটা গ্রহণযোগ্য , তা দেখার জন্য মক পোলের (Mock Poll) আয়োজন করল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতোই এই আয়োজন করেছে কমিশন। কিন্তু তাতে প্রার্থীদের তেমন সাড়া মিলছে না বলে কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর। 

    কীভাবে হবে মক পোল (Election Commission)

    এই মক পোলের (Mock Poll) ক্ষেত্রে ভোটদানের সময় ইভিএমের কন্ট্রোল ইউনিট, ব্যালট ইউনিট এবং ভিভিপ্যাট মেশিন পাশাপাশি বসাতে হবে। সবগুলিই সংশ্লিষ্ট প্রার্থী বা তাঁর প্রতিনিধি ব্যবহার করবেন। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকেরা শুধু পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় থাকবেন। ভিভিপ্যাটের কাগজও গোনা হবে সকলের সামনে। 

    কী বলেছিল শীর্ষ আদালত

    ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে বিরোধীরা বারবার সরব হয় বলে, এবার ভোটের আগেই সুপ্রিম কোর্ট ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য নির্বাচন মেটার পরও সে ব্যাপারে পরীক্ষা নিরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছিল। ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য, তাতে আদৌ কারচুপি সম্ভব কিনা তা খতিয়ে দেখতে ভোটের আগে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রটোকল তৈরি করে দিয়েছিল আদালত। সেই সঙ্গে সর্বোচ্চ আদালত আরও বলে, নির্বাচনের ফল বেরোনোর পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারী প্রার্থীরা তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্রে ব্যবহৃত ইভিএমের বাছাই করা কয়েকটিতে ১৪০০টি করে ভোট দিতে পারবেন। প্রার্থীর পরিবর্তে তাঁর কোনও প্রতিনিধিও এই ভোট দিতে পারবেন বলে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় ডাক বিভাগে ৪৪ হাজার কর্মী নিয়োগ! জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন

    প্রার্থীদের অনীহা (Mock Poll)

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো কমিশন (Election Commission) সবকিছু ব্যবস্থা করলেও প্রার্থীদের মধ্যে এই পদক্ষেপ করতে অনীহা চোখে পড়েছে। তাঁরা মুখে অভিযোগ করলেও এখনও পর্যন্ত মাত্র আটজন প্রার্থী নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন। তাঁরা সকলেই ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা। ওই দুই রাজ্যে লোকসভার সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনও হয়েছে। আট জন বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Justice Amrita Sinha: ‘‘মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই প্রকাশ করুন’’, টেটের ৪২০০০ নিয়োগ নিয়ে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Justice Amrita Sinha: ‘‘মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই প্রকাশ করুন’’, টেটের ৪২০০০ নিয়োগ নিয়ে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসিতে ২৬ হাজারের চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছেই। এরই মাঝে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High court) প্রশ্ন উঠল, প্রাথমিকের ৪২ হাজার পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে। মঙ্গলবারই হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Justice Amrita Sinha) ওই ৪২ হাজার চাকরির নিয়োগ প্যানেল দেখতে চান। এছাড়া, এ বিষয়ে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে বিশেষ নির্দেশও দিয়েছেন। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রাথমিকের ওই নিয়োগ প্যানেল আদালতে জমা করতে হবে বলে জানা গিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ৩০ জুলাই।

    নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন জনৈক সোমনাথ সেন নামে এক চাকরিপ্রার্থী

    মঙ্গলবারে বিচারপতি অমৃতা সিনহার (Justice Amrita Sinha) এজলাসে শুনানির জন্য ওঠে ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষার নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলা। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে যে টেট পরীক্ষা হয়েছিল তার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০১৬ সালে। সে সময় রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে ৪২০০০ পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। কিন্তু ২০১৬ সালের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বিতর্কের ঊর্ধ্বে ছিল না। নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগ আনেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন জনৈক সোমনাথ সেন নামে এক চাকরিপ্রার্থী। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার (Justice Amrita Sinha) এজলাসে। 

    বিচারপতির (Justice Amrita Sinha) প্রশ্ন

    মামলা চলাকালীন বিচারপতি (Justice Amrita Sinha) সিনহা জানতে চান, ‘‘ওই ৪২ হাজার নিয়োগের তালিকা কোথায়? কারা ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চাকরি পেয়েছিলেন?’’ জবাবে মামলাকারীর যুক্তি শোনার পর তাঁর পর্যবেক্ষণ, ‘‘প্যানেল মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলেও নিয়োগের তালিকা থাকা দরকার। কারা যোগ্য এবং কারা চাকরি পেলেন, তা প্যানেল থেকেই জানা সম্ভব।’’ এর পরেই বিচারপতি নির্দেশ দেন, ‘‘নিয়োগ যখন হয়েছে, প্যানেল তো থাকবেই। সেই প্যানেলই আদালত দেখতে চায়।’’ এখন দেখার আগামী ৩০ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন বিচারপতি কী নির্দেশ দেন। তার আগে অবশ্য ২০১৪ সালের টেটের ৪২ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্যানেল আদালতে (Calcutta High court) জমা দিতে হবে পর্ষদকে।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhagwati Devi Temple: ৩৪ বছর আগে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ফের খুলল কাশ্মীরের এই মন্দির

    Bhagwati Devi Temple: ৩৪ বছর আগে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ফের খুলল কাশ্মীরের এই মন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনন্তনাগের শাঙ্গাসের ঐতিহাসিক উমা ভগবতী দেবীর মন্দির (Bhagwati Devi Temple) ৩৪ বছর পর রবিবার ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হল। মন্দিরের দরজা খুলে দেবীর দর্শন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। এ সময় বিপুল সংখ্যক ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ এক সময় সন্ত্রাসের ঘাঁটি ছিল। ১৯৯০ সালে, সন্ত্রাসবাদের কারণে, ভগবতী উমা দেবী মন্দিরটি বন্ধ হয়ে যায়। মৌলবাদী জঙ্গিরা এই মন্দিরে আগুন দেওয়া হয়েছিল।

    ২০১০ সাল পর্যন্ত জরাজীর্ণ ছিল (Bhagwati Devi Temple)

    একসময় এখানে (Uma Bhagwati Temple) ভক্তদের থাকার জন্য দুটি যাত্রী নিবাস ছিল। এতে একসঙ্গে দেড় হাজার ভক্ত থাকতে পারতেন। এসব যাত্রী নিবাসও সন্ত্রাসের শিকার হয়। মন্দিরে স্থাপিত মাতার মূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। ২০১০ সাল পর্যন্ত এই মন্দিরটি জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। এরপর থেকে এর সংস্কার শুরু হয়।

    গর্ভগৃহে মায়ের মূর্তি স্থাপিত 

    সংস্কার চলাকালীন মন্দিরের সমস্ত অংশ মেরামত করা হয়েছে। কাজ শেষ হওয়ার পর ধর্মীয় মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে গর্ভগৃহে মায়ের মূর্তি স্থাপন করা হয়। রাজস্থান থেকে নয়া মূর্তি আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দের উপস্থিতিতে রবিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্দিরটি ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। স্থানীয় মানুষ, মুসলিম সম্প্রদায় সহ কাশ্মীরি হিন্দুরাও (Bhagwati Devi Temple) মন্দির খুলে যাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

    এক বছর পর মন্দিরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন

    স্থানীয় বাসিন্দা গুলজার আহমেদ বলেন, “আমরা এখানে আমাদের কাশ্মীরি হিন্দু ভাইদের সম্ভাব্য সব উপায়ে সাহায্য করতে এসেছি। ৩৪ বছর পর (Uma Bhagwati Temple) মন্দিরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় আমরা খুশি। ১০ জুলাই, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ হাইকোর্ট রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের জন্য প্রাচীন রঘুনাথ মন্দির এবং অনন্তনাগ জেলার নাগবল গৌতমনাগ মন্দির প্রশাসনকে হস্তান্তর করেছে।

    শান্তির অনুভূতি

    মন্দির দর্শনে আসা ভক্তরা জানান, এখানে এসে তাঁরা শান্তি অনুভব করছেন। সব ধর্মের মানুষ এখানে পৌঁছেছেন। এখন অন্যান্য মন্দিরেরও সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে কাশ্মীরের সব মন্দির স্বাভাবিক হয়ে যাবে। উমা ভগবতী দেবী মন্দিরের দায়িত্বে থাকা উমা ভগবতী ট্রাস্টের সহ-সভাপতি পুষ্কর নাথ কৌল বলেন, “মন্দিরের দরজা খোলার আগে মন্দিরে হবন ও যজ্ঞ করা হয়।”

    ইতিহাস (Uma Bhagwati Temple)

    উমা ভগবতী দেবী মন্দিরের (Uma Bhagwati Temple) ইতিহাস সত্যযুগের সঙ্গে সম্পর্কিত। মা পার্বতী আবার মহাদেবের অর্ধাঙ্গিনী হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তারপর তিনি হিমালয়ের গর্ভ থেকে জন্মগ্রহণ করেন এবং উমা নামে ডাকা হয়। মা মীনার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে তিনি মহাদেবের সন্ধানে ব্রায়াঙ্গন (শাঙ্গাস এলাকার সেই স্থান যেখানে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত) পৌঁছেন।

    আরও পড়ুন: এই ধরণের সেতু ভারতের এই প্রথম, জানুন নতুন পামবান সেতুর বৈশিষ্ট্য

    ভগবতী উমা এই স্থানে তপস্যা করেছিলেন। এরপর এই স্থানের নাম হয় উমা নগরী। এই স্থানে একটি মন্দির নির্মিত হয় এবং নাম দেওয়া হয় উমা ভগবতী দেবী মন্দির।

    বছরে দুটি উৎসব পালিত হত 

    এই মন্দিরে প্রতি বছর দুটি উৎসব পালিত হত। একটি হল উমা জয়ন্তী যা এপ্রিল মাসে পালিত হয় এবং অন্যটি হল শিবরাম সন্তের নির্বাণ দিবস (যিনি ১৭ শতকে উমা শহরের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন) যা পালিত হয় জানুয়ারিতে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Singur: সিঙ্গুরে যেন উলট পুরাণ! অনাবাদি জমিকে চাষের যোগ্য করে বাকি অংশে শিল্প চান তৃণমূল নেতা

    Singur: সিঙ্গুরে যেন উলট পুরাণ! অনাবাদি জমিকে চাষের যোগ্য করে বাকি অংশে শিল্প চান তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আরও একটি বর্ষার মরসুম চলছে, কিন্তু সিঙ্গুরের (Singur) জমির একাংশে এখনও চাষের কাজ শুরু হয়নি। জমির মালিকরা এখনও চাষ করতে পারেননি। উল্লেখ্য এই জমিতে সিপিএম টাটার কারখানা করতে চেয়েছিল, কিন্তু জমি আন্দোলনের চাপে তা হয়নি। ক্ষমতায় এসে তৃণমূল নেত্রী ওই জমিতে সর্ষে ফেলেছিলেন, দিয়েছিলেন জমি ফেরানোর প্রতিশ্রুতি। এখন জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তৃণমূল নেতারাই চাষের যোগ্য জমি এবং শিল্প চেয়ে সরকারের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই বিস্ফোরক দাবিতে সিঙ্গুরে উলট পুরাণ!

    তৃণমূল নেতা ‘শিল্প’ চান (Singur)!

    সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত পরিচিত মুখ তথা তৃণমূল নেতা দুধকুমার ধাড়া বলেছেন, “জমিকে চাষযোগ্য করার জন্য কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই কাজ থমকে গিয়েছে। এবার এই কাজ শুরু হোক। এই নিয়ে ঘরোয়া ভাবে আমরা ইতিমধ্যে পাঁচটি বৈঠক করেছি। বৈঠকে সকলে একমত হয়েছেন যে ওই জমির একাংশে আর চাষ করা সম্ভব নয়। তাই ওই অংশে কোনও শিল্পোদ্যোগী শিল্প করুক আর বাকি অংশে চাষ হোক। এই জমি চাষযোগ্য করে দিতে রাজ্য সরকারের কাছে আমরা আবেদন করব।” উল্লেখ্য এই তৃণমূল নেতারা কারখানা চাইছেন আবার চাষযোগ্য জমিও চাইছেন। অপরে সিঙ্গুরের মাটিতে কারখানা চাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, জমি বাঁচাও আন্দোলনের নামে কারখানার বিরোধিতা করেছিলেন তখন, ফলে চাষ বা শিল্প কোনটাই জোটেনি সিঙ্গুরবাসীর কপালে।

    ১২টি কালভাট ছাড়া কোনও কাজ এগোয়নি

    সিঙ্গুরের চাষিরা বলেছেন, “গোপাল নগর, খাসেরভেড়ি এবং সিংহেরভেড়ির ওই জমিতে মূল কারখানা (Industry) হয়েছিল। ওই অংশের জমি বেশি ক্ষতিগ্রস্থ। সরকার জমির চেহারা ফেরাতে ডিনামাইট ফাটিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। ফলে জমিতে কোঁদলে উঠে আসছে কংক্রিট। একই ভাবে সেচের জন্য নিকাশি ১২টি কালভাট তৈরি হলেও আর কোনও কাজ এগোয়নি। তাই এই বর্ষায় জমিতে চাষ করতে না পারায় সকলের মনে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।” আবার সিঙ্গুরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী বেচারাম মান্না বলছেন, ‘‘যাঁরা এই আবেদন করবেন, নিশ্চিত ভাবে প্রশাসনের তরফে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’’

    প্রশাসনের বক্তব্য

    জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক কর্তা বলেছেন, “সিঙ্গুরের (Singur) ওই জমিতে যে সমস্যা আছে তা দূর করতে আগেই কাজ শুরু হয়েছিল। প্রথমে বর্ষা ও পরে নির্বাচনের কারণে তা বিলম্বিত হয়েছে। সেই কাজের পরিকল্পনা এখনও রয়েছে। তবে কেউ পরামর্শ দিলে ভেবে দেখার সুযোগ রাখব।”

    আরও পড়ুনঃইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    মমতার প্রতিশ্রুতি ছিল চাষযোগ্য করে দেবো

    বাম আমলে টাটার গাড়ি কারখানার (Industry) জন্য সিঙ্গুরে (Singur) প্রায় এক হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল। সুপ্রিম কোর্ট ২০১৬ সালে এই অধিগ্রহণকে অবৈধ জানিয়ে জমি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই জমিকে চাষযোগ্য করে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কাজ শুরু হলেও অর্ধেকের বেশি জমি এখনও চাষের অযোগ্য বলে চাষিদের একাংশের দাবি। কিন্তু রাজ্য প্রশাসন এই দাবি ঠিক নয় বলে মানতে নারাজ। প্রশাসনের দাবি মাত্র অল্প পরিমাণ জমি চাষের আওতার বাইরে আছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share