Tag: Madhyom

Madhyom

  • Nepal PM: নেপালে পালাবদল! তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কেপি শর্মা ওলি

    Nepal PM: নেপালে পালাবদল! তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কেপি শর্মা ওলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে পালাবদল। সম্প্রতি নেপালের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী (Nepal PM) পুষ্পকমল দহল ওরফে প্রচণ্ডকে ভোটে হারিয়ে শের বাহাদুর দেউবার নেতৃত্বাধীন নেপালি কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কেপি শর্মা ওলি (KP Sharma Oli)। শুক্রবার ১২ জুলাই আস্থাভোটে ২৭৫ সদস্যের হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসের ২৫৭ জন ভোট দিয়েছিলেন। প্রচণ্ডকে সমর্থন করেছেন মাত্র ৬৩ জন। আর বাকি ১৯৪ জন বিরোধিতা করেছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নেপাল পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে বিজয়ী হয়েছেন কেপি শর্মা ওলি। 

    প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা পুষ্পকমল দহলের (Nepal PM) 

    শুক্রবার নেপাল পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজ়েনটেটিভসে আস্থাভোট পরাজিত হওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন মাওয়িস্ট সেন্টারের প্রধান প্রচণ্ড। তার আগেই অবশ্য নেপালি কংগ্রেস-সিপিএন (UML) জোটের কথা আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষিত হয়েছিল। জানা গিয়েছে, শনিবার ১৩ জুলাই আনুষ্ঠানিক ভাবে জোট সরকারের প্রধান হিসাবে ‘চিনপন্থী’ নেতা কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল (ইউনিফায়েড মার্কসিস্ট লেনিনিস্ট)-এর প্রধান কেপি শর্মা ওলির নাম ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নাম নিয়ে জল্পনা ছিল। যদিও নেপালি কংগ্রেসের ৮৯ জন এবং কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল (CPN)-এর ৭৮ মিলিয়ে মোট ১৬৭ জন সংসদের সমর্থন ওলির সঙ্গে রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন চর্চা হবে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে! কবে থেকে শুরু পঠনপাঠন?

    আগের ইতিহাস 

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালের নভেম্বরে নেপালের সাধারণ নির্বাচনে নেপালি কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেধে লড়েছিল প্রচণ্ডের মাওয়িস্ট সেন্টার। কিন্তু জোটে জেতার পরেই দেউবাকে ছেড়ে ওলির সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী (Nepal PM) হয়েছিলেন প্রচণ্ড। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের মধ্যপর্বে ওলির সঙ্গে মতবিরোধের সময় দেউবার সমর্থন নিয়ে কাঠমান্ডুর কুর্সি বাঁচিয়েছিলেন একদা গেরিলা যোদ্ধা। মোট চার বার জোট বদলে গদি বাঁচালেও এবার ‘চিনপন্থী’ ওলি (KP Sharma Oli) ‘জাতীয়তাবাদী’ দেউবার সঙ্গে হাত মেলানোয় আইনসভার গণিতের হিসাবে প্রচণ্ড তাঁর গদি হারান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: যুবক-যুবতীকে ‘ছেলেধরা’ সন্দেহে গুজব! পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা গ্রামবাসীর, উত্তেজনা আসানসোলে

    Asansol: যুবক-যুবতীকে ‘ছেলেধরা’ সন্দেহে গুজব! পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা গ্রামবাসীর, উত্তেজনা আসানসোলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্লু ফ্যাক্টারি সংলগ্ন এলাকায় যুবক-যুবতীকে দেখে ছেলেধরা সন্দেহে গুজব ছড়ায় আসানসোল (Asansol) উত্তর থানা এলাকায়। কিন্তু ঘটনায় পুলিশকে খবর দিলেও দীর্ঘক্ষণ পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর জনগণের রোষ গিয়ে পড়ে পুলিশের উপর। পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা করে উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    কেন পুলিশের উপর হামলা (Asansol)?

    স্থানীয় (Asansol) সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিশকে খবর দেওয়া হলেও অনেক দেরি করে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। এরপর উত্তেজিত গ্রামবাসী পুলিশের উপর হামলা চালায়। পুলিশের পাঁচটি গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। সেই সঙ্গে চলে ইট বর্ষণ। ইটের আঘাতে এক সিভিক ভলান্টিয়ার এবং কয়েকজন পুলিশ কর্মী দারুণ ভাবে আঘাত পান। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে বিরাট সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। কিন্তু ওই যুবক-যুবতীর কোনও আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। এদিকে হামলার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, এলাকায় গুজব ছড়ানো হয়েছিল। দোষীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইতি মধ্যে বেশ কিছু জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ “শুকুনের দৃষ্টি মমতার আমাদের ওপর পড়েছে”, বুক চাপড়ে আর্তনাত এক হকারের

    গুজব ছড়িয়ে মারধরে উত্তাল রাজ্য

    গুজব ছড়িয়ে মারধরের ঘটনায় রাজ্যে সম্প্রতি ব্যাপক ভাবে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এমন ঘটনা প্রায় প্রত্যেকে দিন জেলা থেকে উঠে আসছে। প্রশাসন এই বিষয়ে ভীষণ ভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কোথাও চোর সন্দেহে পিটিয়ে মারা হচ্ছে, আবার কোথাও ছেলে ধরার গুজব ছড়িয়ে মারা হচ্ছে। সম্প্রতি চোপড়ায় এক প্রাতপশালী তৃণমূল নেতা, রাস্তায় ফেলে কঞ্চি দিয়ে তরুণ-তরুণীকে বেধড়ক মারধর করেছেন। সেই ঘটনা সামজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। আবার চোর সন্দেহে, বউবাজার, সল্টলেক, পাণ্ডয়া, জামবনি, তারকেশ্বরে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। কোথাও টাকা চুরি, কোথাও গাড়ি চুরি আবার কোথাও মোবাইল চুরির ঘটনার কথা উঠে এসেছিল। ফের একবার গুজেব শোরগোল পড়েছে আসানসোলে (Asansol)।

    আবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ গণপিটুনির ঘটনায় ন্যায় সংহিতার ব্যাখ্যায় বলেছেন, “জাতি, সম্প্রদায়, লিঙ্গ, জন্মস্থান, ভাষা ও অন্যান্য যেসব কারণে মারধরের ঘটনা ঘটে, তাতে ৭ বছরের জেল থেকে শুরু করে মৃত্যুদণ্ডের সাজা, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা যুক্ত করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nambi Narayanan: সাজানো চর-কাণ্ডে নির্দোষ নাম্বি নারায়ণন, কী বলছে সিবিআই-এর চার্জশিট?

    Nambi Narayanan: সাজানো চর-কাণ্ডে নির্দোষ নাম্বি নারায়ণন, কী বলছে সিবিআই-এর চার্জশিট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্দোষ ছিলেন ইসরোর মহাকাশ বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণন (Nambi Narayanan)। তাঁকে গুপ্তচরবৃত্তির মিথ্যা মামলায় (ISRO 1994 Espionage Case) ফাঁসানো হয়েছিল। সিবিআই-এর চার্জশিটই এর প্রমাণ। কেরিয়ারের মধ্যগগনে থাকতেই নামের পাশে সেঁটে গিয়েছিল ‘দেশদ্রোহী’ তকমা। চরবৃত্তির অভিযোগে জেলও খাটতে হয়েছিল তাঁকে। সেই বদনাম কাটিয়ে উঠতে দু’দশকেরও বেশি সময় লেগে গিয়েছিল। তবে এত দিনে প্রকৃত অর্থে ‘সুবিচার’ পেলেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো)-র প্রাক্তন বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণন। 

    সিবিআই-এর চার্জশিটে কী বলা হয়েছে

    ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টে চরবৃত্তির অভিযোগ (ISRO 1994 Espionage Case) থেকে রেহাই পান নাম্বি নারায়ণন (Nambi Narayanan)। শীর্ষ আদালত এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন। সম্প্রতি এই মামলায় চার্জশিট দিল সিবিআই। সেই চার্জশিটে নাম রয়েছে পুলিশের দুই প্রাক্তন ডিজি সিবি ম্যাথুস (কেরলের) এবং গুজরাটের আর বি শ্রীকুমারের। এছাড়াও চার্জশিটে নাম রয়েছে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তা এস বিজয়ন এবং থাম্পি এস দুর্গা দত্তের। তিরুবনন্তপুরমের মুখ্য বিচার বিভাগীয় বিচারকের কাছে চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। আদালত সূত্রের খবর, এই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র, বেআইনিভাবে আটকে রাখা, স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি করতে আঘাত করা, মিথ্যা নথি তৈরি করা, প্রমাণ জালিয়াতি করা সহ মহিলাদের উপর অত্যাচারের ধারায় চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। সিবিআই এই মামলার তদন্তে প্রাক্তন পুলিশ কর্তা ও আইবি সহ ১৮ জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখে।

    আরও পড়ুন: রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছল দেশের বিদেশি অর্থ ভাণ্ডার, জানেন এর প্রভাব

    কী ঘটেছিল নাম্বিদের সঙ্গে (Nambi Narayanan)

    ১৯৯৪ সালে ইসরোর গুপ্তচর বৃত্তির (ISRO 1994 Espionage Case) মামলায় বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণনকে (Nambi Narayanan) অভিযুক্ত করা হয়েছিল। তিনি ভারতের সাইক্রোজেনিক ইঞ্জিন টেকনোলজিকে পাকিস্তানের কাছে বিক্রি করে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। মলদ্বীপের কোনও নাগরিকের মাধ্যমে তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ তোলা হয়। এই অভিযোগে ইসরোর সহকর্মী ডি শশীকুমার সহ আরও চারজন অভিযুক্তের সঙ্গে নাম্বিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তিনি প্রায় ৫০ দিন জেলে কাটান। পরে কেরল পুলিশের হাত থেকে মামলা সিবিআইয়ের হাতে গেলে মুক্তি পান তাঁরা। সিবিআই জানিয়ে দেয়, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনও সারবত্তা নেই। পরবর্তী কালে নাম্বি নারায়ণন দাবি করেন, ইসরো চর-কাণ্ড আসলে একটি আন্তর্জাতিক ছক। যা ভারতে রকেটে তরল জ্বালানি ব্যবহারের প্রযুক্তিকে ১৫ বছর পিছিয়ে দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jawaharlal Nehru University: হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন চর্চা হবে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে! কবে থেকে শুরু পঠনপাঠন?

    Jawaharlal Nehru University: হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন চর্চা হবে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে! কবে থেকে শুরু পঠনপাঠন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়ুয়াদের জন্য এক দারুণ খবর। জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় এবার (Jawaharlal Nehru University) হিন্দু পঠনপাঠনের (Hindu Studies) পাশাপাশি বৌদ্ধ (Buddhist) ও জৈন পঠনপাঠনের (Jain Studies) কেন্দ্র খুলবে। নতুন এই বিষয়গুলো চালু করার জন্য এর আগে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠক হয়। জাতীয় শিক্ষা নীতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থার অন্বেষণ এবং সুপারিশ করার জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এরপর গত ২৯ মে বৈঠকের সিদ্ধান্তটি অনুমোদন পেয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিষয়টি (JNU new centres) জানানো হয়েছে।

    জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগটি ঘোষণা করে, এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে জানানো হয়েছে যে, “এটি আমাদের আধুনিকতার সাথে ঐতিহ্য, পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা, অঞ্চলের সাথে রাজ্য এবং বাস্তবতার সাথে মিথকে একীভূত করার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।” 

    Delhi: JNU to establish Centres for Hindu Studies, Buddhist Studies and Jain studies pic.twitter.com/gcKK7ERD67

    — ANI (@ANI) July 12, 2024

    কবে থেকে শুরু হবে এই পঠনপাঠন? (Jawaharlal Nehru University)

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ২০২৫-২৬ সাল থেকে তিনটি নতুন পঠনপাঠন কেন্দ্র (JNU new centres) চালু করা হবে। যার মধ্যে থাকবে ‘হিন্দু, বৌদ্ধ এবং জৈন’ অধ্যয়নের সুযোগ। শিক্ষার্থীরা এই তিনটি পঠনপাঠন কেন্দ্র থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং পিএইচডি ডিগ্রি করতে পারবেন। কমন ইউনিভার্সিটি এন্ট্রান্স টেস্ট-এর মাধ্যমে বিষয়গুলোতে ভর্তি নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে তিনটি কেন্দ্রেই ২০টি করে আসন থাকবে। পরে সংখ্যা বাড়ানো হবে।

    আরও পড়ুন: জুনের শুরুতেই তীব্র প্রশাসনিক সংকট অন্ধ্রপ্রদেশে! ভারতের একমাত্র রাজ্য, যার রাজধানী নেই

    প্রসঙ্গত, এর আগে গত বছর, দিল্লি ইউনিভার্সিটি (DU) হিন্দু পঠনপাঠনের জন্য একটি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছে, যেটি বর্তমানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করে এবং ভবিষ্যতে স্নাতক কোর্স চালু করার পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি বৌদ্ধ পঠনপাঠনের জন্যও একটি বিভাগের চিন্তা ভাবনা চলছে। জানা গিয়েছে, এবছর মার্চ মাসে, ৩৫ কোটি টাকার বাজেটে বৌদ্ধ ধর্মে উন্নত পঠনপাঠন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারী অনুমোদন পেয়েছে।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nitin Gadkari: ‘‘কংগ্রেসের ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন বিজেপি না করে’’, গোয়ায় বললেন গড়করি

    Nitin Gadkari: ‘‘কংগ্রেসের ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন বিজেপি না করে’’, গোয়ায় বললেন গড়করি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিকে (BJP) বলা হয় ‘এ পার্টি উইথ ডিফারেন্স’, এবার এই কথা আর একবার শোনা গেল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করির (Nitin Gadkari) মুখে। গোয়াতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘কংগ্রেসের ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন বিজেপি না করে, কারণ আমরা হলাম এ পার্টি উইথ ডিফারেন্স।’’ তাঁর কথায়, ‘‘কংগ্রেস যা করত, আমরা যদি তা চালিয়ে যাই, তবে তাদের চলে যাওয়া এবং আমাদের ক্ষমতায় থাকা – এ দুটোরই কোনও পার্থক্য থাকবে না।’’ প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনে তৃতীয় মোদি সরকার গঠন হওয়ার এক মাসের মধ্যে নীতিন গড়করির (Nitin Gadkari) এমন মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    ‘‘আমাদের বুঝতে হবে আমরা অন্যান্য দলগুলির থেকে ঠিক কতটা আলাদা’’ 

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি (Nitin Gadkari) পানাজির কাছে বিজেপির (BJP) কার্যনির্বাহী সভায় হাজির ছিলেন। সেখানে তিনি বক্তব্যও রাখেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গোয়ার রাজ্য সভাপতি সদানন্দ তানাভাবে ও মুখ্যমন্ত্রীর প্রমোদ সাওয়ান্ত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শুক্রবার ৪০ মিনিটের বক্তব্য রাখেন এবং সেই সময় তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের প্রাক্তন-উপ প্রধানমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা এল কে আদবানীর বক্তব্যকেও। গেরুয়া শিবিরের সংগঠন গড়ে তুলতে অনবদ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন লাল কৃষ্ণ আদবানি এবং সে সময় তিনি বারবার বলতেন, ‘বিজেপি এ পার্টি উইথ ডিফারেন্স’। সেই মন্তব্য টেনে এনে  নীতিন গড়করি বলেন, ‘‘আমাদের বুঝতে হবে আমরা অন্যান্য দলগুলির থেকে ঠিক কতটা আলাদা।’’

    জাতপাতের রাজনীতি চলবে না মহারাষ্ট্রে, বললেন গড়করি (Nitin Gadkari) 

    নাগপুরের সাংসদ আরও জানিয়েছেন, কংগ্রেসের ভুলের কারণেই সাধারণ মানুষ বিজেপিকে নির্বাচিত করেছে। একই ভুলের ক্ষেত্রে বিজেপি কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। মহারাষ্ট্রের রাজনীতি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি (Nitin Gadkari) বলেন, ‘‘মহারাষ্ট্রে জাতপাতের রাজনীতি চলে না। যাঁরা এটা করবে তাঁদেরকে ক্ষমতা থেকে বের করে দেওয়া হবে। একজন ব্যক্তিকে তাঁর মূল্যবোধের মাধ্যমেই পরিচিতি দেওয়া উচিত, জাতের মাধ্যমে নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: “শুকুনের দৃষ্টি মমতার আমাদের ওপর পড়েছে”, বুক চাপড়ে আর্তনাদ এক হকারের

    Nadia: “শুকুনের দৃষ্টি মমতার আমাদের ওপর পড়েছে”, বুক চাপড়ে আর্তনাদ এক হকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও হকার উচ্ছেদ শুরু হল নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে। বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হল থানার কাছে রাস্তার পাশে ফুটপাতে তৈরি হওয়া একাধিক দোকান। কান্নায় ভেঙে পড়লেন হকাররা। উচ্ছেদ হওয়া হকাররা (Hawker) প্রকাশ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন।

    বুলডোজার চলতেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন হকাররা (Nadia)

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্য জুড়েই শুরু হয়েছে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ। যারা মূলত বেআইনিভাবে রাস্তার ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছিলেন, তাঁদেরকে উঠে যাওয়ার জন্য প্রথমে মাইকে প্রচার চালানো হয়। যদিও কৃষ্ণনগরে প্রথমে হকার উচ্ছেদ শুরু করলেও বিরোধীদের প্রতিবাদের জেরে তা কিছুটা থমকে ছিল। বিশেষ করে জেলা বিজেপি নেতারা হকারদের নিয়ে আন্দোলন করেছিলেন। উচ্ছেদ বন্ধ করার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। বেশ কিছুদিন উচ্ছেদ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এরইমধ্যেই শনিবার সকালে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার সামনে রাস্তার পাশে যে সমস্ত দোকানদাররা ফুটপাতে ব্যবসা করছিলেন, তাঁদের দোকান বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দিতে দেখা যায়। দোকান ভাঙা নিয়ে সুচিত্রা মিত্র নামে এক হকার বলেন, “শুকুনের দৃষ্টি মমতার আমাদের ওপর পড়েছে। এখন আমরা কোথায় যাব।” সংসার চালাবো কী করে, তা বুঝে উঠতে পারছি না বলে বুক চাপড়ে কাঁদতে শুরু করলেন। অন্য এক হকার (Hawker) বিপ্লব সাহা বলেন, “৪০ বছর ধরে ব্যবসা করছি। আমাদের কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। শুধু মাইকিং করা হয়েছিল। এরপরই এদিন দোকান বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। আমাদের পুনর্বাসন দিতে হবে।”  

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    এই বিষয়ে কৃষ্ণনগর (Nadia) পুরসভার চেয়ারম্যান রিতা দাস বলেন, “এতে আমাদের কিছু করার নেই। ওপর থেকে আমাদের যেভাবে নির্দেশ দিচ্ছে, আমরা তা শুধু পালন করছি। তবে, বিরোধীদের যে সমস্ত লিখিত অভিযোগ রয়েছে তা আমরা ওপরতলায় জানিয়ে দেব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dr. George Matthew: আবু ধাবির একটি রাস্তার নামকরণ হল ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডাক্তারের নামে

    Dr. George Matthew: আবু ধাবির একটি রাস্তার নামকরণ হল ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডাক্তারের নামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে একটি রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ৮৪ বছর বয়সী ডাক্তারের নামে। মিউনিসিপ্যালিটিস অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্ট (ডিএমটি) আবু ধাবিতে এই রাস্তার নামকরণ করেছে। ডাক্তার জর্জ ম্যাথিউ (Dr. George Matthew)-এর “অনারিং ইউএইস ভিশনারিস: মেমোরেটিভ স্ট্রিটস” প্রকল্পে বিশেষ অবদানের জন্য তাঁর নামে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আসুন জেনে নিই এই চিকিৎসকের জীবন কেমন ছিল।

    বৃহৎ জাতির জন্য অবদানের জন্য সম্মাননা (Dr. George Matthew)

    সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাজধানী আবু ধাবির একটি রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত (Indian origin doctor) ডাক্তার জর্জ ম্যাথিউ-র (Dr. George Matthew) নামে। এই নামকরণের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায়, ভারতীয় বংশোদ্ভূতের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণে রেখে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। এর মূল কারণ হল, তিনি সেই দেশের বৃহৎ জাতির জন্য একনিষ্ঠ হয়ে কাজ করেছেন। আল মাফরাকের শেখ শাকবুথ মেডিকেল সিটির কাছের রাস্তাটি এখন জর্জ ম্যাথিউ স্ট্রিট নামে নামাঙ্কন হয়েছে।

    কী বলেন ডাক্তার ম্যাথিউ?

    ডাক্তার ম্যাথিউ (Dr. George Matthew) বলেছেন, “আমি যখন প্রথম সংযুক্ত আরব আমিরশাহে আসি, তখনও শহরের পরিকাঠামো বিকশিত হচ্ছিল। জাতির পিতা প্রয়াত এইচএইচ শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, আমি মানুষকে সাহায্য করার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছি। সেই সঙ্গে আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ যে আমার প্রচেষ্টা স্বীকৃত হয়েছে।”

    দক্ষিণ ভারতের কেরলের বড় হয়েছেন 

    তাঁর চিকিৎসা চর্চা এবং মানব সেবার জন্য স্বীকৃতিস্বরূপ, সংযুক্ত আরব আমিরশাহ সরকার ১০ বছর আগে ডাঃ ম্যাথিউ (Dr. George Matthew) এবং তাঁর পরিবারকে নাগরিকত্ব প্রদান করেছে। তিনি সেই দেশের আরেকজন সনামধন্য বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ আব্দুল রহিম জাফরের সঙ্গে বেসরকারী স্বাস্থ্য বিভাগে কাজ করেছেন। ডাঃ ম্যাথিউ দক্ষিণ ভারতের কেরলের পাথানামথিত্তার থুম্পামনে বেড়ে ওঠেন এবং ১৯৬৫ সালে ত্রিবান্দ্রম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস নিয়ে স্নাতক হন। বিয়ের পর তিনি তাঁর স্ত্রী ভালসাকে নিয়ে সংযুক্ত আরবে চলে যান। তাঁদের মেয়েও সরকারি চাকরি করেন।

    আল আইনে প্রথম সরকারি ডাক্তার হিসেবে কাজ শুরু

    ডাঃ ম্যাথিউ (Dr. George Matthew) ১৯৬৭ সালে, মাত্র ২৬ বছর বয়সে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসেছিলেন। প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। এরপর তিনি আল আইনের একজন মিশনারি বন্ধুর কাছে থাকতে রাজি হন। আল আইনে প্রথম সরকারি ডাক্তার হিসেবে তাঁর আবেদন গ্রহণ হয়। আর এরপর শেখ জায়েদের আশীর্বাদে প্রথম ক্লিনিক চালু হয়। এই ভাবেই তাঁর পথ চলা শুরু হয়। একজন জেনারেল ফিজিশিয়ান হিসাবে তাঁর ডাক্তারি পেশার পরিষেবা শুরু করেছিলেন। ডঃ ম্যাথিউকে স্থানীয়রা ভালোবেশে স্নেহের সঙ্গে ম্যাটিউস নামে ডাকতেন। তিনি দেশের আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রেখেছেন।

    আরও পড়ুনঃ মহরমে হতে পারে জঙ্গি হামলা, পাক-সরকারকে সতর্ক করল পুলিশ

    স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিশেষ অবদান

    ডাঃ ম্যাথিউ (Dr. George Matthew) ১৯৭২ সালে আল আইন অঞ্চলের মেডিকেল ডিরেক্টর এবং ২০০১ সালে হেলথ অথরিটি কনসালটেন্ট সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। তাঁর অবদান সেই দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে এবং দেশের আধুনিক চিকিৎসা সংস্কৃতির প্রচারও শ্রীবৃদ্ধি করেছে। ডাঃ ম্যাথিউ গ্রীষ্মকালীন রোগের ব্যবস্থাপনা শিখতে ইংল্যান্ডে যান এবং পরে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় বিশেষ গবেষণার জন্য হার্ভার্ডেও যান। শিক্ষা এবং পেশাগত উন্নয়নে তাঁর প্রতিশ্রুতি সংযুক্ত আরবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ল্যান্ডস্কেপ গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের শিক্ষিত ও প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর কর্মনিষ্ঠা, উৎসাহ সহকর্মীদেরও আস্থা ও প্রশংসায় মুখরিত হয়েছিলেন। চিকিৎসা শাস্ত্রের জ্ঞানের জন্য তিনি (Indian origin doctor) সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে বিশেষ অনুপ্রেরণা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI: রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছল দেশের বিদেশি অর্থ ভাণ্ডার, জানেন এর প্রভাব

    RBI: রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছল দেশের বিদেশি অর্থ ভাণ্ডার, জানেন এর প্রভাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেটের গতিতে ছুটছে ভারতের অর্থনীতি। যত সময় গড়াচ্ছে ততই ফুলে ফেঁপে উঠছে কোষাগার। বাড়তে বাড়তে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে দেশের বিদেশি অর্থ ভাণ্ডার (India’s Foreign Exchange), যা বিশ্ব মানচিত্রে ভারতের গুরুত্ব কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে, বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। শুক্রবার আরবিআই (RBI) জানিয়েছে, দেশে বিদেশি মুদ্রা ভাণ্ডার সর্বকালীন উচ্চতায় পৌঁছেছে। পশ্চিম সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, গত অর্থবর্ষে হু হু করে কমেছে চিনের বিদেশি মুদ্রা ভাণ্ডার। 

    আরবিআই-এর রিপোর্ট (RBI)

    শুক্রবারই দেশের বিদেশি অর্থ ভাণ্ডারের (India’s Foreign Exchange) তথ্য প্রকাশ্যে আনে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। আরবিআই-এর (RBI) রিপোর্ট অনুযায়ী ৫ জুলাই শেষ হওয়া সপ্তাহে, ৫.১৫৮ বিলিয়ান মার্কিন ডলার বেড়ে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৫৭.১৫৫ বিলিয়ান মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৬০ লক্ষ কোটি টাকা। আরবিআই জানিয়েছে, শুধু তাই নয়, পরপর টানা ৫ সপ্তাহ বেড়েছে ডলারের পরিমাণ। চলতি বছরে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার স্থির বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়। 

    সোনার সঞ্চয়ের পরিমাণ (RBI)

    বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ের পরিমাণ বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের সোনার সঞ্চয়ের পরিমাণও বেড়েছে লক্ষ্যনীয়ভাবে। গত এক সপ্তাহে সোনা রিজার্ভের (RBI) পরিমাণ বেড়েছে ৯০৪ মিলিয়ন ডলার। এক সপ্তাহে দেশে সোনার রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৫৭.৪৩২ বিলিয়ান ডলার। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের জানিয়েছেন, “প্রতিকূল আর্থিক পরিবেশে খরচ করার জন্য এখন বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার (India’s Foreign Exchange) শক্তিশালী করা দরকারি।” 

    আরও পড়ুন: অনন্ত-রাধিকাই প্রথম নয়! আর যারা রাজকীয় বিয়ের আসর বসিয়েছিলেন

    বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডার-এর প্রভাব (India’s Foreign Exchange)

    লোকসভা ভোটের প্রচারে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে মোদি সরকারকে বার বার আক্রমণ করছে বিরোধীরা। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে যে সর্বকালের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছল ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার। যে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার যত বড় হয়, তার অর্থনৈতিক স্থিরতা তত বেশি বলে মনে করা হয়ে থাকে। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্তরের অর্থনৈতিক ওঠা-পড়ার প্রভাবও সেই দেশের ওপর তত কম পড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Andhra Pradesh: জুনের শুরুতেই তীব্র প্রশাসনিক সংকট অন্ধ্রপ্রদেশে! ভারতের একমাত্র রাজ্য, যার রাজধানী নেই

    Andhra Pradesh: জুনের শুরুতেই তীব্র প্রশাসনিক সংকট অন্ধ্রপ্রদেশে! ভারতের একমাত্র রাজ্য, যার রাজধানী নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতি রাজ্যে রাজধানী শহর থাকবে, এ অতি পরিচিত বিষয়। তবে ভারতেই রয়েছে এমন এক রাজ্য (State Without Capital), এই মুহূর্তে যার কোনও রাজধানীই নেই। শুনতে অবাক লাগলেও, এটাই সত্যি। অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) এই মুহূর্তে কোনও রাজধানী নেই। আর রাজধানীহীন রাজ্য হওয়ায় বিভিন্ন প্রশাসনিক সংকটের মধ্যে পড়ছে অন্ধ্রপ্রদেশ। তবে অমরাবতী এবং বিশাখাপত্তনমকে অন্ধ্রপ্রদেশের রাজধানী করা নিয়ে আইনি লড়াই চলছে। 

    কেন এমন পরিস্থিতি? (State Without Capital)

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৪ সালে অন্ধ্রপ্রদেশ (Andhra Pradesh) থেকে আলাদা হয়ে পৃথক এবং নতুন রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল তেলেঙ্গানা। সেই সময়, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলেঙ্গানা দুই রাজ্যের যৌথ রাজধানী ছিল হায়দ্রাবাদ। ঠিক হয়েছিল ১০ বছর পর্যন্ত, অর্থাৎ ২০২৪ পর্যন্ত এই নিয়ম বলবৎ থাকবে। তারপর, ২০২৪-এর ২ জুন থেকে হায়দ্রাবাদ হয়ে যাবে শুধুমাত্র তেলেঙ্গানার রাজধানী। সেই হিসেব অনুযায়ী ২ জুন, ২০২৪-এ পেরিয়ে গিয়েছে ১০ বছরের সমসয়সীমা। সেদিন থেকিই রাজধানীহীন রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। 

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    অন্ধ্রপ্রদেশের রাজধানী হবে কোন শহর? (Andhra Pradesh) 

    এখনও পর্যন্ত অন্ধ্রপ্রদেশের রাজধানী কোন শহর হবে, তা সিদ্ধান্ত না হওয়ায়, সে রাজ্যের রাজধানীই নেই। যদিও ২০১৫ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের রাজধানী হিসেবে অমরাবতীর নামের পাশে সিলমোহর দেওয়ার কথা বলেছিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু। অমরাবতীতে স্মার্ট এবং বিশ্বমানের রাজধানী বানানোর জন্য ৫১ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। কৃষকদের থেকে জমি অধিগ্রহণসহ একগুচ্ছ পদক্ষেপও গ্রহণ করেন। তবে ২০১৯ সালে নির্বাচনে হেরে যান চন্দ্রবাবু। তেলেগু দশম পার্টির পরিবর্তে সে রাজ্যের মসনদে বসে জগমোহন রেড্ডির দল। ক্ষমতায় এসেই তারা নাইডুর পরিকল্পনা স্থগিত করে, কমিয়ে দেয় বাজেটও। ফলে অমরাবতীকে আর রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হয়নি।

    কী জানালেন চন্দ্রবাবু নাইডু? 

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে হেরে গেলেও এবছর লোকসভা নির্বাচনে ফের অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) ক্ষমতায় ফিরেছে চন্দ্রবাবু নাইডুর দল তেলেগু দশম পার্টি। তাই শপথ গ্রহণের দিনেই নাইডু জানিয়েছেন, অমরাবতীই হবে অন্ধ্রপ্রদেশের রাজধানী। এর সঙ্গেই জানিয়েছেন অমরাবতীর পাশাপাশি বিশাখাপত্তনমকে সে রাজ্যের ‘ইকোনমিক ক্যাপিটাল’ এবং উন্নত শহর হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “দলীয় কর্মীর খুনিকে সাতদিনের মধ্যে ধরতে হবে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “দলীয় কর্মীর খুনিকে সাতদিনের মধ্যে ধরতে হবে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি কর্মী বন্ধুবিহারী মাহাতর খুনের ঘটনায়  আগামী সাতদিনের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে মূল অভিযুক্তকে, নাহলে এই মামলা কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে হস্তান্তরের জন্য আবেদন  জানাব”, শুক্রবার বাঁকুড়ার খাতড়ায় এসে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন খাতড়ার দেদুয়া গ্রামে প্রয়াত দলীয় কর্মীর বাড়িতে পৌঁছে তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু। দেন পাশে থাকার আশ্বাসও।

    পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের (Suvendu Adhikari)

    মঙ্গলবার খাতড়ার (Bankura) দেদুয়া গ্রামে মৃত্যু হয় বিজেপি কর্মী বন্ধুবিহারী মাহাতর। মৃতের ছেলে সনাতন মাহাত থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিজেপি কর্মী খুনে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অবিলম্বে সকল অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। জানা গিয়েছে, নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের পক্ষ থেকে করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বাদল মাহাত, হারু ওরফে হারাধন মাহাত ও তারাপদ পালকে গ্রেফতার করে। কিন্তু, মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    বুথে তৃণমূল হেরেছে, সেই আক্রোশে বিজেপি কর্মী খুন!

    এই ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারির দাবিতে খাতড়া পাম্প মোড় থেকে দাসের মোড় পর্যন্ত দলের কর্মীদের নিয়ে মিছিল করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। লাগাতার তোপ দাগেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তদন্তের আগেই মুখ্যমন্ত্রী কীভাবে ঘটনাটিকে জমি নিয়ে বিবাদে গন্ডগোল বলে দাবি করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপ প্রধান তথা স্থানীয় তৃনমূল নেতা উত্তম মাহাতকে এখনও গ্রেফতার করেনি পুলিশ। সাতদিনের মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করানোর জন্য হাইকোর্টে আবেদন জানানো হবে। এদিন মৃতের বাড়িতে দাঁড়িয়ে এই ঘটনার জন্য বাঁকুড়ার নব নির্বাচিত সাংসদ তথা তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি অরূপ চক্রবর্তীকেও একহাত নেন শুভেন্দু। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “বন্ধুবিহারী  মাহাতর অপরাধ, ২০১৮ সাল থেকে তিনি বিজেপি করতেন। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে তাঁর বুথে তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। সেই আক্রোশ থেকেই এই খুন। নিহত কর্মীর পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে তাঁর বাড়ির বাইরে সিসিটিভি লাগানোর কথা বলেছি। মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যর পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যে-কোনও সমস্যায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছি।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share