Tag: Madhyom

Madhyom

  • Mangla Haat: মঙ্গলাহাটে প্রকাশ্যেই চলছে অবাধে ‘তোলাবাজি’, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

    Mangla Haat: মঙ্গলাহাটে প্রকাশ্যেই চলছে অবাধে ‘তোলাবাজি’, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলাহাটে (Mangla Haat) প্রকাশ্যেই চলছে অবাধে ‘তোলাবাজি’। অভিযোগ তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, হাটে বসার জন্য জায়গা বাবদ টাকা দিতে হচ্ছে। আবার, হাটের দিনগুলিতে ফুটপাতের উপর বসার জন্য তৃণমূলের নেতাদের দাবি অনুসারে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা দিতে হয়। প্রকাশ্যে এইরকম তোলাবাজির অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    খাতায় নাম লিখে নেওয়া হচ্ছে টাকা (Mangla Haat)!

    তখন সকাল ৬টা ২০ মিনিট, হাওড়া নগরপালের কার্যালয়ের সামনে রাস্তায়, সবুজ রঙের গোল গলা গেঞ্জি পরনে হাফ প্যান্টে এক যুবককে দেখা গেল, হাত পেতে ফুটের উপরে বসা এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা চাইছেন। ব্যবসায়ীও কথা না বাড়িয়ে যুবকের দাবি অনুযায়ী হাতে টাকা গুঁজে দিলেন। মুহূর্তে এক এক করে সমস্ত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা আদায় করে যুবক। আবার সকাল ৭টায় দেখা গেল, হাওড়া থানার সামনে বঙ্কিম সেতুর নিচে ফাঁসিতলা মোড় পর্যন্ত যখন ব্যবসায়ীদের (Mangla Haat) বিক্রিবাট্টা চলছিল, সেই সময় কাঁধে সবুজ শার্ট আর নীল জিন্‌স পরা এক ব্যক্তি হাতে খাতা ও দলবল নিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে যাচ্ছেন। এরপর খাতায় নাম লিখে টাকা নেওয়া শুরু করেন। টাকা তুলে দ্রুত এলাকা থেকে চম্পট দেন। এক ব্যবসায়ীকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “আমরা অন্য জেলা থেকে এসে দুদিনের জন্য ব্যবসা করি। তার মধ্যে ঝামেলা করতে ভালো লাগে না। তৃণমূলের লোকজন এই টাকা তোলেন। পুলিশকে জানিয়েও কোনও লাভ নেই।”

    ব্যবসায়ীদের অভিযোগ

    মঙ্গলাহাটের (Mangla Haat) ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, “হাটে বসার জন্য জায়গা বাবদ ভাড়া দিতে হয়, কিন্তু হাটের দিন ফুটপাতে বসার অনুমতি পেতে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে। হাটে আগুন লাগার পর থেকে এই জুলুম বেশি করে শুরু হয়েছে। শাসক দল (TMC) ঘনিষ্ঠ হকার ইউনিয়ানের নেতৃত্বে এই তোলাবাজি চলছে।”

    আরও পড়ুনঃ রূপনারায়ণ নদে চলছে দেদার বালি চুরি! ফাটল রেলের সেতুতে, শোরগোল

    মঙ্গলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির বক্তব্য

    মঙ্গলাহাট (Mangla Haat) ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে রাজকুমার সাহা বলেছেন, “আমরা জানি, এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে, আমাদের কাছে লিখিত কোনও অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবসায়ীদের জন্য যা উপযুক্ত তাই করব। প্রশাসনের উচিত কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা।” আবার পশ্চিমবঙ্গ প্রগতিশীল হকার ইউনিয়ানের সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা (TMC) সমর মুখোপাধ্যায় বলেছেন, “আমাদের কোনও লোক তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত নন। টাকা নেওয়া কোনও ভাবেই উচিত নয়। পুলিশের কাছে আমরা অভিযোগ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Budget 2024: বদলে গিয়েছে বাজেট পেশের সময়, কারণ জানলে অবাক হবেন

    Budget 2024: বদলে গিয়েছে বাজেট পেশের সময়, কারণ জানলে অবাক হবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর ছিল অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। ভোট থাকায় দ্বিতীয় মোদি সরকার পেশ (Budget Presentation Time) করেছিল ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’। তৃতীয়বারের জন্য কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেছে বিজেপির নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। এই সরকারই পেশ করবে পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Budget 2024)। বাজেট পেশ হবে ২৩ জুলাই। এই বাজেটেই প্রতিফলিত হবে বিশ্ব অর্থনীতির তালিকায় ভারত কত নম্বরে রয়েছে, দেশের অর্থনৈতিক গ্রোথই বা কেমন, আগামী অর্থবর্ষে উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক নীতিই বা কী হতে চলেছে।

    কেন বাজেট পেশ হত বিকেলে? (Budget 2024)

    এবারও বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। লোকসভায় বাজেট পেশ হবে বেলা ১১টায়। বিভিন্ন মাধ্যমে সম্প্রচারিত হবে বাজেট পেশের সেই ছবি। গত ২৫ বছর ধরে বাজেট পেশ হচ্ছে বেলা ১১টায়। তার আগে অবশ্য তা হত না। বাজেট পেশ হত বিকেল ৫টায়। জানা গিয়েছে, ১৯৯৯ সালের আগে পর্যন্ত বাজেট বিকেলে পেশ হত। ব্রিটিশ জমানা থেকেই এই ব্যবস্থা চলে (Budget 2024) আসছে। কেন ভারতের ব্রিটিশ শাসকরা বিকেলবেলায় বাজেট পেশ করতেন? এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনের সময়ের সঙ্গে ভারতের সময়ের পার্থক্য। ভারতের সঙ্গে ব্রিটেনের সময়ের পার্থক্য সাড়ে ৫ ঘণ্টার। ভারতে যখন বিকেল ৫টা, তখন গ্রিনিচ মিন টাইম অনুযায়ী লন্ডনে বেলা সাড়ে ১১টা। ভারতে বাজেট পেশ হলে তা যাতে একই সঙ্গে ব্রিটেনেও সম্প্রচারিত হয়, তাই বিকেলে বাজেট পেশের ব্যবস্থা করেছিলেন ব্রিটিশ শাসকরা।

    সময় বদলেছিলেন যশোবন্ত সিনহা

    ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয়েছে ভারত। তবে গ্লানিমুক্ত হয়নি পরাধীনতার। ১৯৯৯ সালের আগে স্বাধীন ভারতের কোনও অর্থমন্ত্রীই বাজেট পেশের সময় বদলাননি। ১৯৯৯ সালে দেশের গা থেকে পরাধীনতার গ্লানি মুছে ফেলতে উদ্যোগী হন তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের এই অর্থমন্ত্রীই সিদ্ধান্ত নেন বাজেট পেশ হবে বেলা ১১টায়। তার পর থেকে সেই রীতিই চলে আসছে।

    আর পড়ুন: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়”, অস্ট্রিয়ায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বাজেট পেশের এই সময় পরিবর্তনের দু’টি উদ্দেশ্য ছিল – এক, লন্ডনের সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার আর কোনও প্রয়োজন নেই ভারতের। আর দুই, সকালে বাজেট পেশ হয়ে গেলে বাজেট পড়ার এবং তা নিয়ে আলোচনার সময় পাবেন সাংসদ এবং আধিকারিকরা। ওই বছর যশোবন্ত বাজেট পেশ করেছিলেন ২৭ ফেব্রুয়ারি। পরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি সেই ট্র্যাডিশন ভেঙে বাজেট পেশ করতে শুরু (Budget Presentation Time) করেন ১ ফেব্রুয়ারি। সেই থেকে এ পর্যন্ত বাজেট পেশ হয়ে আসছে পয়লা ফেব্রুয়ারি, বেলা ১১টায় (Budget 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Landslide In Uttarakhand: বদ্রীনাথ জাতীয় সড়কে ধস, চলছে পরিষ্কারের কাজ, আটকে তীর্থযাত্রীরা

    Landslide In Uttarakhand: বদ্রীনাথ জাতীয় সড়কে ধস, চলছে পরিষ্কারের কাজ, আটকে তীর্থযাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত গোটা উত্তরাখণ্ড (Landslide In Uttarakhand)। আবহাওয়া দফতর ইতিমধ্যে জানিয়েছে, ১২ জুলাই পর্যন্ত এমন বৃষ্টি চলবে। এরই মাঝে বৃষ্টির জেরে বদ্রীনাথ জাতীয় সড়কে (Badrinath Highway) ধস নামে। যে কারণে আটচল্লিশ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করা হয়েছে জাতীয় সড়ক। আটকে পড়েছেন হাজার হাজার তীর্থযাত্রী। গতকাল বুধবার স্থানীয় পটল গঙ্গায় ফের একটি ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সেই ভূমিধস পরিষ্কারে কাজ চলছে। জোশী মঠের কাছের রাস্তাও এখনও বন্ধ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। চামোলির জেলাশাসক হিমাংশু খুরানা গতকাল বুধবারই এএনআইকে জানিয়েছিলেন, বদ্রীনাথ জাতীয় সড়ক ধসের (Landslide In Uttarakhand) কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এর পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছিলেন, ওই রাস্তায় বর্তমানে গাড়ি না চললেও পায়ে হেঁটে পুণ্যার্থীরা এলাকা পার হতে পারেন।

    রাস্তা পরিষ্কারের কাজে (Landslide In Uttarakhand) বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর 

    অন্যদিকে উত্তরাখণ্ড রাজ্যের পুলিশের তরফ থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা তীর্থযাত্রীদের রাস্তা পারাপার হতে সাহায্য করছেন। সাধারণভাবে প্রতি বর্ষাতেই উত্তরাখণ্ডে এমন ভূমিধসের (Badrinath Highway) ঘটনা ঘটেই থাকে। সে রাজ্যের বদ্রীনাথ, জোশীমঠ, মানা, তপোবন, লতা, পাণ্ডু প্রভৃতি এলাকা চলতি বছরে বৃষ্টির জেরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।

    ২ হাজারেরও বেশি তীর্থযাত্রী আটকে পড়েছেন

    জানা গিয়েছে বদ্রীনাথ এবং হেমকণ্ডু সাহেব এই দুই জায়গাতেই দু হাজারেরও বেশি তীর্থযাত্রী আটকে পড়েছেন এখনও পর্যন্ত। জোর কদমে চলছে রাস্তা পরিষ্কারের (Landslide In Uttarakhand) কাজ। বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনও রাস্তা পরিস্কারের কাজ চালাচ্ছে। অন্যদিকে, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি ইতিমধ্যে বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিদর্শন করেছেন। গাড়োয়ালের কমিশনার বিনয় শঙ্কর পাণ্ডে জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ৩৮৭টি রাস্তা। 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Defence Production: প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে রেকর্ড ভারতের

    Defence Production: প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে রেকর্ড ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড গড়ল ভারতে (India) বার্ষিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন (Defence Production)। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই উৎপাদন গড়েছে রেকর্ড। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফেই জানানো হয়েছে একথা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, “২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারতের বার্ষিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১.২৭ লাখ কোটি টাকা। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রোগ্রামেই উৎপাদন ছুঁয়েছে এই মাইলস্টোন।” ২০২২-২৩ আর্থিকবর্ষে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৮ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা। একলপ্তে সেটাই বেড়ে গিয়েছে অনেকখানি।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য (Defence Production)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে মেক ইন ইন্ডিয়া প্রোগ্রাম বছরের পর বছর নতুন নতুন মাইলফলক অতিক্রম করছে। আমাদের শিল্পকে অনেক অভিনন্দন যার মধ্যে রয়েছে ডিপিএসইউ, অন্যান্য পিএসইউএস যারা প্রতিরক্ষা সামগ্রী তৈরি করে এবং ব্যক্তিগত শিল্প। ভারতকে শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকার আরও সহায়ক ব্যবস্থা তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রতিরক্ষা (Defence Production) খাতে ভারতের এই বিকাশকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তিনি বলেন, “এই যাত্রায় যাঁরা শামিল হয়েছেন, তাঁদের অবদান অস্বীকার করা যায় না। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে আমাদের দক্ষতা বাড়াতে এবং উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে আমরা পুরোপুরি দায়বদ্ধ।” তিনি বলেন, “ভারতকে আমরা বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের নেতৃত্বস্থানীয় হাবে পরিণত করব।”

    আর পড়ুন: পশুপতিনাথ মন্দিরের কাছেই মিলল মধ্যযুগের ইতিহাস, জনতার ভিড়

    প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা সামগ্রী রফতানি দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদনের সামগ্রিক বৃদ্ধিতে অসাধারণ অবদান রেখেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা সামগ্রী রফতানি ছুঁয়েছে ২১ হাজার ৮৩ কোটি টাকার রেকর্ড। যা গত বছরের তুলনায় ৩২.৫ শতাংশ বেশি। গত বছর টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার ৯২০ কোটি টাকা।’ বিবৃতিতে এ-ও বলা হয়েছে, ‘গত পাঁচ বছরে প্রতিরক্ষা উৎপাদনের মূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। শতাংশের বিচারে (India) এই বৃদ্ধির হার ৬০ (Defence Production)।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sand Mining: রূপনারায়ণ নদে চলছে দেদার বালি চুরি! ফাটল রেলের সেতুতে, শোরগোল

    Sand Mining: রূপনারায়ণ নদে চলছে দেদার বালি চুরি! ফাটল রেলের সেতুতে, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রূপনারায়ণের বালি চুরির (Sand Mining) অভিযোগে রেলের সেতুতে ফাটল দেখা দিয়েছে। কোলাঘাটে রূপনারায়ণ নদের উপর রেলের দুটি সেতু, একটিতে ডাউন লাইন এবং মেইন লাইন। অপর দিকে আরেকটি সেতুতে আপ লাইন রয়েছে। এই ফাটলের ঘটনায় রেললাইনে ট্রেন চলাচলে বিপদ বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

    তবে রাজ্যে অজয়, দামোদর, কংসাবতী সহ একাধিক নদ-নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালি তোলার অভিযোগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আগেও সরব হয়েছে বিজেপি। ইতিমধ্যে বালি পাচারের তদন্তে একাধিক তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার রেল, বালি চুরির অভিযোগ তুলেছে।

    ১৭ মিটার পর্যন্ত গর্ত তৈরি হয়েছে (Sand Mining)!

    রূপনারায়ণ (Rupnarayanan) নদের উপর ৫৭ নম্বর রেল সেতুর লোহার বিমে গত মে মাসেই ফাটল দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সময়মতো ঠিক করে মেরামত করলেও ফের আরেকবার ফাটল লক্ষ্য করা গিয়েছে। এই ফাটল নিয়ে রেলের আধিকারিকরা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন। এই রেল সেতুর কাছেই তোলা হচ্ছে দেদার বালি। অবৈধ ভাবে বালি তোলার (Sand Mining) ঘটনায় সেতুর পিলারের গোড়া থেকে বালি সরে গিয়েছে। প্রায় ১৭ মিটার পর্যন্ত গর্ত তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে সেতু বাঁচাতে বিমের গোঁড়ায় বোল্ডার ফেলা হয়েছে। কিন্তু তাতেও খুব একটা উপকার হচ্ছে না। বিপদের আশঙ্কা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    রেলের আধিকারিকের বক্তব্য

    এই বিষয়ে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের এক আধিকারিক বলেছেন, “কোলাঘাটে ৫৭ নম্বর রেল সেতুতে বারবার ফাটল দেখা যাচ্ছে। সেতুর পাইলের গোড়া আলগা হয়ে গিয়েছে। পিলারের ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের উচিত ওই এলাকায় অবৈধ ভাবে বালি (Sand Mining) উত্তোলন বন্ধ করা।”

    আরও পড়ুনঃ ক্লাস রুমের মেঝেতে ধস! বেঞ্চ সমেত ৫ ফিট মাটির ভিতরে ঢুকে গেল ৪ ছাত্র, চাঞ্চল্য

    সেচ দফতরের বক্তব্য

    সেচ দফতরের অনুমতি ছাড়াই দেনানে (Rupnarayanan) বাঁধের গায়ে গর্ত করে বালি মজুত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে খোদ এই দফতরই। এই নিয়ে সেচ দফতর কোলাঘাট থানাকে একটি চিঠি পাঠায়। তবে এর পরেও বন্ধ হয়নি বালি চুরি (Sand Mining)। এই বিষয়ে পাঁশকুড়া-১ ডিভিশনের এসডিও নাজেস আফরোজ বলেছেন, ‘‘কেন্দ্রীয় অভ্যন্তরীণ জল পরিবহণ বিভাগের নির্দেশে প্রথমে বালি তোলার কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু বালি তোলার মেয়াদ শেষ যাওয়ার পরও কীভাবে আবার অনুমতি না নিয়ে অবৈধ ভাবে বালি তোলা হচ্ছে? সেই বিষয়ে তথ্য জানতে কেন্দ্রীয় অভ্যন্তরীণ জল পরিবহণ বিভাগে চিঠি পাঠাবো।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shaurya Doval: ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমি অফ আর্ট অ্যান্ড সায়েন্সের ফেলো মনোনীত শৌর্য, চেনেন তাঁকে?

    Shaurya Doval: ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমি অফ আর্ট অ্যান্ড সায়েন্সের ফেলো মনোনীত শৌর্য, চেনেন তাঁকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমি অফ আর্ট অ্যান্ড সায়েন্সের (ডাব্লএএএস) (WAAS)  ফেলো মনোনীত করা হল এক ভারতীয়কে। এই পদে মনোনীত করা হয়েছে শৌর্য ডোভালকে (Shaurya Doval)। ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমি অফ আর্ট অ্যান্ড সায়েন্সের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আলবার্ট আইনস্টাইন, রবার্ট ওপেনহেইমার এবং জোসেফ রটব্লার্টের মতো বিশ্বশ্রুত ব্যক্তিরা। তারই ফেলো পদে এবার মনোনীত হলেন শৌর্য।

    ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমি অফ আর্ট অ্যান্ড সায়েন্স (Shaurya Doval)

    মানবতার সামনে যেসব জটিল সমস্যাগুলি এসে হাজির হয়, তারই মোকাবিলায় কাজ করে ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমি অফ আর্ট অ্যান্ড সায়েন্স। এই অ্যাকাডেমিতে রয়েছেন বিজ্ঞানী, শিল্পী এবং পণ্ডিতরা, যাঁরা জ্ঞানের অগ্রগতি ও সামাজিক নানা উন্নয়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। শৌর্য ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর। তাঁর এই মনোনয়নের জেরে মান্যতা পেল বৈশ্বিক চিন্তা-নেতৃত্ব এবং নীতি উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে শৌর্যের অবদান। উল্লেখ্য, দিল্লি ভিত্তিক একটি থিঙ্কট্যাঙ্ক হল ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন।

    ভূতপূর্ব ভারতীয় সদস্য

    ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমি অফ আর্ট অ্যান্ড সায়েন্সের ভূতপূর্ব ভারতীয় সদস্যদের মধ্যে (Shaurya Doval) ছিলেন ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ, ডক্টর বিক্রম সারাভাই। প্রথমজন ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। আর ভারতীয় পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন বিক্রম সারাভাই। মনোনয়নের খবর পাওয়ার পর শৌর্য বলেন, “ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমি আর্ট অ্যান্ড সায়েন্সের ফেলো মনোনীত হওয়া একটি সম্মানের বিষয়। আমি আন্তঃবিভাগীয় সংলাপ প্রচার ও মানবতার উন্নতির জন্য টেকসই সমাধান খুঁজতে অ্যাকাডেমির মিশনে অবদান রাখতে উন্মুখ।”

    আর পড়ুন: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়”, অস্ট্রিয়ায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    শৌর্যের আরও একটি পরিচয় রয়েছে। তিনি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের ছেলে। রাজনৈতিকভাবে তিনি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। গৈরিক শিবিরের উত্তরাখণ্ডের কার্যনির্বাহী সদস্য তিনি। ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমি আর্ট অ্যান্ড সায়েন্স একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা। ১৯৬০ সালে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন তৎকালীন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী বুদ্ধিজীবীরা। সংস্থার লক্ষ্য হল, আন্তঃবিভাগীয় সংলাপের মাধ্যমে বৈশ্বিক সমস্যাগুলির মোকাবিলা করা এবং মানবতার জয়গান গাওয়া (WAAS)। জন্মলগ্ন থেকে সেই কাজই করে চলেছে ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমি আর্ট অ্যান্ড সায়েন্স (Shaurya Doval)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: জমি বিক্রি করে তোলা না দেওয়ায় তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করল দলেরই লোকজন

    TMC Conflict: জমি বিক্রি করে তোলা না দেওয়ায় তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করল দলেরই লোকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলাবাজির টাকা না দেওয়ায় দলের কর্মীদের হাতেই আক্রান্ত হলেন তৃণমূলের বুথ সভাপতি। রাতের অন্ধকারে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল দলেরই অন্য গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার নলুয়াপাড়া এলাকায়। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (TMC Conflict)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তিনদিন আগে নলুয়াপাড়া (TMC Conflict) এলাকার ৭৬ নম্বর বুথ সভাপতি সৌমিত্র সাহা  পৈত্রিক জমি বিক্রয় করেন। জমিটি কেনেন মোহাবুল শেখ নামে এক ব্যক্তি। জমিটি বিক্রয় করার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু দুষ্কৃতী তাঁর কাছে তোলা চেয়ে হুমকি দিতে থাকে। তারা এক লক্ষ টাকা দাবি করে। তৃণমূল নেতা তা দিতে অস্বীকার করেন। বুধবার রাত তিনটে নাগাদ ৪০ জন দুষ্কৃতী তৃণমূল নেতার বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র এবং দা নিয়ে গিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির দরজা-জানলা ভাঙচুর করে। সৌমিত্র সাহা সঙ্গে সঙ্গে প্রাক্তন কাউন্সিলর স্বপন সাহাকে ফোন করে জানান। পুলিশেও খবর দেওয়া হয়। কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। তৃণমূলের বুথ সভাপতি সৌমিত্র সাহা বলেন, নিজের জমি বিক্রি করেছি। তারজন্য ১ লক্ষ টাকা তোলা চেয়েছিল। আমি তা দিতে রাজি হইনি বলে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। আমার ছেলের চাকরির পরীক্ষা ছিল বৃহস্পতিবার। আতঙ্কে সে চাকরির পরীক্ষা দিতে যেতে পারল না। আমরা দোষীদের শাস্তি চাই।

    আরও পড়ুন: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    নদিয়া (Nadia) জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবাশিস রায় বলেন, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে। নদিয়া (Nadia) জেলা উত্তরের বিজেপির মুখপাত্র সন্দীপ মজুমদার বলেন, এই রাজ্যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার পাশাপাশি তৃণমূল নেতাদেরও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই হামলার ঘটনায় দলের লোকজনই জড়িত। আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Snake Bite: বর্ষার জমা জলে বাড়ছে সাপের উপদ্রব! দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে ওষুধের আকাল

    Snake Bite: বর্ষার জমা জলে বাড়ছে সাপের উপদ্রব! দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে ওষুধের আকাল

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    উত্তর থেকে দক্ষিণ, রাজ্যের সর্বত্র বর্ষা হাজির। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপটে ভোগান্তি বাড়ছে। একাধিক জেলায় জমা জলে সমস্যা হচ্ছে। আর সেই ভোগান্তিকে আরও প্রাণঘাতী করে তুলছে সাপের উপদ্রব (Snake Bite)। উত্তরের আলিপুরদুয়ার, মালদা থেকে দক্ষিণবঙ্গের নদীয়া, বর্ধমান, দুই চব্বিশ পরগনা, বর্ষায় সাপের উপদ্রবে নাজেহাল সাধারণ মানুষ।

    কী অভিযোগ উঠছে?

    রাজ্যের একাধিক জেলার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বর্ষা (Rainy Season) শুরু হতেই জল জমছে। নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশা। তাই নর্দমা দিয়ে জল যাচ্ছে না। রাস্তায় জল জমার পাশপাশি ঘরেও জল জমছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিভিন্ন স্কুলের ক্লাসরুমেও জল জমছে‌। আর এর জেরেই বাড়ছে সাপের উপদ্রব। একাধিক সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলে ক্লাসরুমের ভিতরে সাপ থাকার জেরে পড়ুয়ারা ক্লাস করতে পারছে না। জমা জলের জেরে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, ডায়ারিয়ার মতো নানান রোগের প্রকোপ বাড়ছে। তার উপরে সাপের উপদ্রব (Snake Bite)। সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। 
    তবে, সাপের উপদ্রবের চেয়েও বড় দুশ্চিন্তা ওষুধের আকাল। সাপে কামড়ের পরে হাসপাতালে গেলেও‌ ওষুধ পাওয়া যায়নি, এমন অভিযোগ উঠছে। রাজ্যের একাধিক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে অ্যান্টি স্নেক ভেনম (এএসভি) ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। সাপের কামড়ের টিকা না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। রোগীকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে যাওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠছে বলেই জানাচ্ছেন ভুক্তভোগীদের একাংশ।

    দুশ্চিন্তা কোথায়? (Snake Bite)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অ্যান্টি স্নেক ভেনম একটি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই এই টিকা সমস্ত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নেই। চিকিৎসক মহলের একাংশের অভিযোগ, বারবার প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে জানানোর পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। বিশেষত সরকারি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এই টিকা অমিল।‌ কিন্তু কুকুরে কামড়ানোর অ্যান্টি রেবিস টিকা কিংবা সাপে কামড়ানোর অ্যান্টি স্নেক ভেনম-র মতো‌ ওষুধ প্রত্যেকটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে থাকা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, সাপে কামড়ানোর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে এই টিকা দিলে প্রাণনাশের ঝুঁকি কমে‌। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সাপের কামড়ে মৃত্যুঝুঁকি কমাতে পারে একমাত্র অ্যান্টি স্নেক ভেনম। কামড়ের পরে যত দ্রুত এই ওষুধ দেওয়া হবে, তত মৃত্যুর আশঙ্কা কমবে। পাশপাশি কিডনি সহ শরীরের একাধিক অঙ্গ ক্ষতির ঝুঁকিও কমবে। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই রাজ্যে অনেকক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, ওষুধের জন্য রোগী ও পরিজনদের বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরতে হচ্ছে‌। এর জেরে অনেকটাই দেরি হয়ে যাচ্ছে। মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।

    কী বলছেন রাজ্য প্রশাসনের কর্তারা? (Snake Bite)

    স্বাস্থ্য ভবন অবশ্য ওষুধের আকালের অভিযোগ মানতে নারাজ। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, অনেক সময়েই প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলি থেকে নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধের তালিকা পাঠানো‌ হয় না। কোন ওষুধের প্রয়োজন বেশি, সে সম্পর্কে স্পষ্ট তালিকা না পৌঁছলে, সরাবরাহ করতে দেরি হয়। আবার বর্ষার সময়ে (Rainy Season) রাস্তার অবস্থা স্বাভাবিক থাকে না। তাই অনেক সময়েই প্রত্যন্ত এলাকায় ওষুধ পৌঁছতে সময় লাগে। কিন্তু এক-দুদিনের মধ্যেই সেই সমস্যা মিটে যায়। ওই স্বাস্থ্যকর্তার কথায়, “ওষুধের কোনও আকাল নেই। সব হাসপাতালেই অ্যান্টি স্নেক ভেনম ওষুধ রয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রেও প্রয়োজন মতো‌ ওষুধ পৌঁছে যাচ্ছে। দুশ্চিন্তার কারণ নেই।”

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Organ Transplant Racket: অঙ্গ প্রতিস্থাপন র‍্যাকেটের পর্দাফাঁস! দিল্লি পুলিশের জালে অভিযুক্তরা

    Organ Transplant Racket: অঙ্গ প্রতিস্থাপন র‍্যাকেটের পর্দাফাঁস! দিল্লি পুলিশের জালে অভিযুক্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়সড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। প্রতিবছরই ভারতে চিকিৎসা করাতে আসেন প্রচুর বাংলাদেশি নাগরিক। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই দিনের পর দিন ধরে চলছে কিডনি পাচার চক্র (Organ Transplant Racket)। এবার সেই অঙ্গ প্রতিস্থাপন র‍্যাকেটের পর্দাফাঁস করেই সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ। ইতিমধ্যেই পুলিশের জালে ধরা পড়েছে অভিযুক্তরা।   

    বাংলাদেশ থেকে চলত এই চক্র পরিচালনা (Organ Transplant Racket)

    এই চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তার মধ্যে আবার একজন ডাক্তারও রয়েছেন। ৫০ বছর বয়সী ওই ডাক্তার উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় একটি হাসপাতালে ১৬টিরও বেশি অপারেশন করেছেন। মূলত বাংলাদেশ থেকে এই চক্র পরিচালনা করা হত বলে জানা গিয়েছে। কারণ মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এই র‍্যাকেটের সঙ্গে জড়িতদের বাংলাদেশ যোগ রয়েছে। প্রতি ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্য তারা ২৫-৩০ লক্ষ টাকা নিত। ২০১৯ সাল থেকে তারা এই অঙ্গ প্রতিস্থাপন চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। 

    কীভাবে চলত এই পাচার চক্র?  

    ক্রাইম ব্রাঞ্চের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, অভিযুক্তরা হাসপাতাল থেকে একজন ডাক্তারকে টাকার লোভ দেখিয়ে তাঁকে দিয়ে কাজ চালাত। এ প্রসঙ্গে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ জানিয়েছে যে, দুটি হাসপাতাল মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট ৩৫টি ট্রান্সপ্লান্ট (Organ Transplant Racket) করা হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নথিগুলো সঠিকভাবে যাচাই করেছে কিনা তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। কর্মকর্তাদের মতে, অভিযুক্তরা বাংলাদেশের হাসপাতাল থেকে জাল লেটারহেড তৈরি করে শুধুমাত্র ইমেল পরিবর্তন করত। এই অভিযুক্তরা ভালো করেই জানে যে তাদের ইমেল আইডি বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হবে। তাই নতুন ইমেল আইডি তৈরি করা হত, যাতে কোনোভাবেই ইমেল আইডি হ্যাক হয়ে তাদের কারসাজি ধরা না পড়ে যায়।  

    আরও পড়ুন: কর্ণাটকের নেহা হত্যাকাণ্ডে ৪৮৩ পৃষ্ঠার চার্জশিটে উল্লেখ নেই লাভ জিহাদের

    অপরাধ দমন শাখার ডিসিপির মন্তব্য (Delhi Police)

    এ প্রসঙ্গে অপরাধ দমন শাখার ডিসিপি অমিত গোয়েল বলেছেন, “ গত ৯ জুলাই আন্তর্জাতিক অঙ্গ প্রতিস্থাপন র‍্যাকেটের (Organ Transplant Racket) সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই র‍্যাকেটের মূল মাস্টারমাইন্ড একজন বাংলাদেশি। দাতা এবং গ্রহণকারী উভয়ই বাংলাদেশের নাগরিক। আমরা রাসেল নামে একজনকে গ্রেফতার করেছি, যে রোগী ও দাতাদের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দিত। এছাড়াও ট্রান্সপ্লান্টের সঙ্গে যুক্ত এক মহিলা ডাক্তারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manohar Lal Khattar: আরএসএস প্রচারক থেকে ৭০ বছর বয়সে ক্যাবিনেট মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর!

    Manohar Lal Khattar: আরএসএস প্রচারক থেকে ৭০ বছর বয়সে ক্যাবিনেট মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে কার্নাল কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেন মনোহরলাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। তাঁর নিকটবর্তী কংগ্রেস প্রার্থী দিব্যাংশু বুধিরাজাকে প্রায় দু লক্ষ ৩৫ হাজারেরও বেশি ভোটে হারান এই প্রবীণ বিজেপি নেতা। গেরুয়া শিবিরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ নেতা বলেই পরিচিত খট্টর, ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে নিজের কাজ শুরু করলেন। দেশের আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে।

    সঙ্ঘ-এর একনিষ্ঠ কর্মী (Manohar Lal Khattar)

    হরিয়ানার রোহতকের ভূমিপুত্র মনোহরলাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। মনোহর লাল খট্টর জন্ম ৫ মে, ১৯৫৪ সালে নিন্দানা গ্রামে। আরএসএস এর স্থায়ী সদস্য খট্টর ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘে (RSS Pracharak) যোগ দেন। ১৯৯৪ সালে বিজেপির সদস্য হওয়ার আগে ১৭ বছর সক্রিয়ভাবে সংগঠনের সেবা করেছিলেন তিনি। এরপর তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। ২০০০-২০১৪  পর্যন্ত খট্টর হরিয়ানায় বিজেপির সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। 

    হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী (Manohar Lal Khattar)

    ২০১৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কার্নাল থেকে জয়লাভ করেন খট্টর। ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৪-এ, ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে হরিয়ানার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি। মনোহর লাল খট্টর কর্নাল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ৬৩ হাজার ৭৭৭ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। তাঁর রাজনৈতিক সফরের এক উল্লেখযোগ্য পর্ব ছিল রামরহিমকাণ্ড। ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিমের গ্রেফতারির সময় হরিয়ানা জুড়ে যে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি হয়েছিল তা কড়া হাতে সামলান বিজেপির এই নির্ভরযোগ্য নেতা। তাঁকে সেবার পদ থেকে সরানোর পক্ষে সায় দেয়নি পার্টি।  

    আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব

    মোদি-ঘনিষ্ঠ (Manohar Lal Khattar)

    জাতীয় রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ নেতা বলে পরিচিত মনোহর লাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। তাঁরা একসঙ্গে দীর্ঘ সময় সংগঠনের কাজ করেছেন। প্রায় ৪০ বছর আরএসএস প্রচারক (RSS Pracharak)হিসেবে কাজ করেছেন খট্টর। ১৯৯৬ সালে যখন হরিয়ানা বিজেপির দায়িত্ব নেন মোদি, তখন থেকেই তাঁর সঙ্গে কাজ করছেন খট্টর। এবার তৃতীয় মোদদি সরকারের মন্ত্রী তিনি। নতুন পথ চলা শুরু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share