Tag: Madhyom

Madhyom

  • India VS Zimbabwe: সপ্তাহের ব্যবধানে ভূলুণ্ঠিত বিজয়ীর তাজ, হারারেতে ফিকে ভারতের বিশ্বজয়ের রং

    India VS Zimbabwe: সপ্তাহের ব্যবধানে ভূলুণ্ঠিত বিজয়ীর তাজ, হারারেতে ফিকে ভারতের বিশ্বজয়ের রং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক শনিবার ভারতের মাথায় উঠেছিল বিজয়ীর তাজ। ঠিক তার পরের শনিবার হারারেতে (Harare Sports Club) লজ্জার হার ভারতের (India VS Zimbabwe)। ২৯ জুন, শনিবার বার্বাডোজে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারতের টি২০ দল। আর ৬ জুলাই হারারেতে জিম্বাবোয়ের কাছে ১৩ রানে ধরাশায়ী টিম ইন্ডিয়া (টি২০)।

    প্রকাশ্যে টিমের কঙ্কালসার চেহারা (India VS Zimbabwe)

    দেশের মাথায় বিশ্বজয়ীর মুকুট তুলে দিয়ে টি২০ ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন টিম ইন্ডিয়ার তিন সুপারস্টার বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা এবং রবীন্দ্র জাডেজা। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে দলের প্রবীণ তারকাদের বিশ্রাম দিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। তার পরেই এদিনের ম্যাচে বেরিয়ে এল শুভমন গিলের নেতৃত্বে ভারতীয় তরুণদলের কঙ্কালসার চেহারা। ০ রানে আউট হন মুকেশ কুমার।

    ধরাশায়ী ভারত

    ১৮ ওভারের শেষে ভারতের (India VS Zimbabwe) স্কোর দাঁড়ায় ৯৮/৯। শেষ দুওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ১৮ রান। প্রয়োজনীয় সেইটুকু রানও করতে পারেনি ভারত। ১০২ রানে অল আউট হয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। ১৩ রানে জিম্বাবোয়ের কাছে ধরাশায়ী শুভমনের ভারতীয় দল। কেবল মুকেশ নন, ব্যর্থতার নজির টিম ইন্ডিয়ার পরতে পরতে। ৮ বলে ৯ রান করে সাজঘরে ফিরে যান রবি বিষ্ণোই। জিম্বাবোয়ের ৯ উইকেটে ১১৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৫ ওভারে ১০২ রানে অল আউট হয়ে যায় ভারত। ৩.৫ ওভারে ১৬ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট দখল করেন চাতারা।

    আর পড়ুন: “যাঁরা ইসলাম ধর্মে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা”, ‘হাকিমি’ মন্তব্যে তোপ বিজেপির

    তার আগে ১৭তম ওভারে (Harare Sports Club) বল করতে নামেন সিকন্দর রাজা। ১৬.৬ ওভারে সিকন্দরের বলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন মুকেশ। ৩ বল খেলেও খাতা খুলতে পারেননি তিনি। সিকন্দর ৪ ওভারে ২৫ রান খরচ করে তুলে নেন ৩টি উইকেট। ম্যাচের সেরা ক্রিকেটারের ট্রফি জিতে নেন জিম্বাবোয়ের ক্যাপ্টেন (India VS Zimbabwe)। এদিনের সিরিজে তিনজনের অভিষেক হয়েছে। এঁরা হলেন, অভিষেক শর্মা, রিয়ান পরাগ ও ধ্রুব জুরেল। তারুণ্যে ভরপুর দলে রয়েছেন শুভমান গিল, রুতুরাজ গায়কোয়াড়, অভিষেক শর্মা, রিঙ্কু সিং, ধ্রুব জুরেল, রিয়ান পরাগ, ওয়াশিংটন সুন্দর, রবি বিষ্ণোই, আবেশ খান, খলিল আহমেদ, মুকেশ কুমার, তুষার দেশপান্ডে, সাই সুদর্শন, জিতেশ শর্মা, হর্ষিত রানা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Cataract Surgery: ছানি অস্ত্রোপচারকাণ্ডে অসুস্থ আরও ৪, অস্বস্তিতে স্বাস্থ্য ভবন

    Cataract Surgery: ছানি অস্ত্রোপচারকাণ্ডে অসুস্থ আরও ৪, অস্বস্তিতে স্বাস্থ্য ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেটিয়াবুরুজে (Metiaburuz) ছানি অস্ত্রোপচারকাণ্ডে ক্রমেই অস্বস্তি বেড়ে চলেছে স্বাস্থ্য ভবনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের শিকার হয়েছেন আরও চার রোগী। সব মিলিয়ে সরকারি হাসপাতালে ছানি অপারেশন (Cataract Surgery) করিয়ে এ পর্যন্ত সংক্রমণের শিকার হলেন ২০ জন। শনিবার আরও দুই রোগী সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে গিয়েছেন আরআইওতে। ঘটনায় প্রশ্নের মুখে ছানি অপারেশন থিয়েটারের প্রোটোকল। মেটিয়াবুরুজের ওই হাসপাতালে ওটির প্রোটোকল মানা হয়নি বলেই অভিযোগ। অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত ওষুধের গুণমান নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। আতশ কাচের তলায় অপারেশন থিয়েটারের নিয়মিত স্যানিটাইজেশন, গজ এবং তুলোও।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? (Cataract Surgery)

    রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অফ অপথ্যালমোলজি (আরআইও)-র প্রাক্তন (Cataract Surgery) অধিকর্তা গৌতম ভাদুড়ি বলেন, “ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন হলে রাতারাতি তা ছড়িয়ে পড়ে। এখানে তো অনেকে দু’দিন পরে আসছেন। হতে পারে ফাঙ্গাল ইনফেকশন।” তিনি বলেন, “ফ্লুইডের বোতল থেকে ফ্লুইড নিয়েই ছানি অপারেশন করা হয়। সেই সময় পরিষ্কার করা, ছানি বের করতে জলের একটা বড় ভূমিকা থাকে। সেই জল যদি স্বচ্ছ না থাকে, তাতে যদি ছত্রাক থাকে, তা দেখা সম্ভব নয় যে চিকিৎসক অপারেশন করছেন, তাঁর পক্ষে। কারণ এই জল আসে সিলড বোতলে।”

    ফ্লুইডের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন

    চিকিৎসকদের একাংশের মতে, ছানি অস্ত্রোপচারকাণ্ডে যে ফ্লুইড ব্যবহার করা হয়েছিল তার গুণমানেই সমস্যা রয়েছে। তাঁদের যুক্তি, গত ছ’মাস ধরে একাধিক মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল এই ফ্লুইডের গুণমান নিয়ে সরব হয়েছে। গত ২৫ জুন এনআরএসে ফ্লুইডের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় অর্থো-ওটিতে স্থগিত রাখা হয়েছিল অস্ত্রোপচার। ঘটনাচক্রে এদিনই ঘটেছিল মেটিয়াবুরুজের হাসপাতালে ছানি অপারেশনকাণ্ড। অভিযোগ পেয়ে তড়িঘড়ি সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোরের তরফে ছানি অপারেশনে ব্যবহৃত ফ্লুইডের গুণমান যাচাই করতে পাঠানো হয়েছে ব্যাচের নমুনা।

    আর পড়ুন: “যাঁরা ইসলাম ধর্মে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা”, ‘হাকিমি’ মন্তব্যে তোপ বিজেপির

    জানা গিয়েছে, এই নমুনা পাঠানো হয়েছে এনএবিএল, রাজ্য ড্রাগ রিসার্চ ল্যাবরেটরি এবং পূর্ব ভারতের সেন্ট্রাল ড্রাগ ল্যাবরেটরিতে (Metiaburuz)। স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, একটি নির্দিষ্ট সংস্থার ফ্লুইডের গুণমান নিয়েই যাবতীয় অভিযোগ উঠেছে (Cataract Surgery)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bogtui: ফের খবরে বগটুই! মাটির নীচে মিলল জার ভর্তি বোমা, শোরগোল

    Bogtui: ফের খবরে বগটুই! মাটির নীচে মিলল জার ভর্তি বোমা, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরে বীরভূমের বগটুই (Bogtui) গ্রাম। এই গ্রামে জার ভর্তি বোমা উদ্ধার হয়েছে। মাটি চাপা দেওয়া ছিল জারটি। বগটুই গণহত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে ১০০ ফুটের মধ্যে এই বোমাগুলি উদ্ধার করা হয়। শনিবার রামপুরহাট থানার পুলিশ সেগুলি উদ্ধার করে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কীভাবে মিলল বোমা?(Bogtui)

    জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের ২১ মার্চ বগটুই (Bogtui) গণহত্যাকাণ্ড ঘটেছিল। তার প্রায় আড়াই বছর পর সেই গ্রামে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ২০২২ সালের ঘটনার অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মিহিলাল শেখ। বগটুইকাণ্ডে তিনি হারিয়েছিলেন স্ত্রী, মা ও সন্তানকে। পরে, বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটেও লড়েন পদ্ম প্রতীকে। বগটুই গণহত্যাকাণ্ডে মিহিলাল শেখের আত্মীয় ফটিক শেখের বাড়িও আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই মিহিলাল ও ফটিকের বাড়ির অদূরে প্লাস্টিকের জারে বোমাগুলি রাখা ছিল। অভিযোগ, অন্ধকারে কেউ মাটি খুঁড়ে এই জার রেখে যায়। শনিবার সেখানে গাছ বসানোর সময় মাটি গর্ত করতে গেলে তা নজরে আসে। এরপরই রামপুরহাট থানায় তা জানানো হয়। রামপুরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমাগুলি উদ্ধার করে। খবর দেওয়া হয় বম্ব স্কোয়াডেও।

    আরও পড়ুন: সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা, স্ত্রী-পুত্রকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দা মিহিলাল শেখ বলেন, “এর আগেও বোমা (Bomb) উদ্ধার হয়েছে। খুবই স্পর্শকাতর এলাকা। এর আগেও তো এ গ্রামে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আমার পরিবারকে আগুন লাগিয়ে শেষ করা হয়েছে। আমার পুরো পরিবারকে শেষ করেছে। এখন এ গ্রাম তৃণমূলেরই হাতে। গ্রাম, পঞ্চায়েত সবই ওদের হাতে। সেখানে বোমা (Bomb) উদ্ধার হলে সেটাও দেখতে হবে। এটা নিয়ে নতুন করে আর কী বলব। তবে প্রশাসন এখন যথেষ্ট সজাগ। কোথাও কোনও ঝামেলা যাতে না হয় সেদিকে নজর রয়েছে। আমরা এই ঘটনার তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: বুলডোজার নিয়ে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা, তৃণমূল কাউন্সিলরদের ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    Kamarhati: বুলডোজার নিয়ে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা, তৃণমূল কাউন্সিলরদের ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুলডোজার নিয়ে উচ্ছেদ করতে গিয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল তৃণমূল কাউন্সিলরদের। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের উড়ানপাড়া এলাকায়। এলাকাবাসীর বিক্ষোভের জেরে কার্যত এদিন তৃণমূল কাউন্সিলররা উচ্ছেদ করার সাহস দেখাননি। বাধ্য হয়ে বুলডোজর ঘুরিয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হন। আর এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

    মুখ্যমন্ত্রী সরকারি জায়গায় দখলদারদের উচ্ছেদ করার নির্দেশ জারি করেন। আর তারপরই রাজ্যজুড়ে শুরু হয় তৎপরতা। টনক নড়ে কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভারও। এই পুরসভার আগরপাড়ার উড়ানপাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে ড্রেন দখল করে দোকান রয়েছে। বহু বসতি রয়েছে সরকারি জায়গায়। এর আগে পুরসভার পক্ষ থেকে দোকান সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু, পুরসভার নির্দেশ মেনে কেউ দোকান সরিয়ে নিয়ে যাননি। এদিন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিমল সাহার নেতৃত্বে একাধিক কাউন্সিলর উড়ানপাড়া এলাকায় যান। সঙ্গে বুলডোজার নিয়ে যান। উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে গিয়ে তাঁরা বিক্ষোভের মুখে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, “আমরা এখন কোথায় যাব। দোকান করেই সংসার চলে। গায়ের জোরে উচ্ছেদ করে দিলে পরিবার নিয়ে সকলকে পথে বসতে হবে। তাই, আমরা এদিন উচ্ছেদ করতে দিইনি। এই বিষয় নিয়ে সব জায়গায় দরবার করব। আমরা উচ্ছেদ করতে দেব না।” জানা গিয়েছে, উড়ানপাড়ার বাসিন্দাদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে তৃণমূল কাউন্সিলররা (Trinamool Congress) বাধ্য হয়ে বুলডোজার ঘুরিয়ে নিয়ে চলে যান।

    আরও পড়ুন: সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা, স্ত্রী-পুত্রকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    তৃণমূল কাউন্সিলর কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর বিমল সাহা বলেন, “এদিন এলাকার মানুষ কোনও বিক্ষোভ দেখাননি। তাঁরা আমাদের কাছে অনুরোধ করেন। তাঁদের অনুরোধ মেনে আমরা আরও দুদিন সময় দিয়েছি। তবে, সামনের সোমবার ফের আমরা আসব। এই দুদিনের মধ্যে তাঁদের সব কিছু সরিয়ে নিতে বলেছি। কারণ, ড্রেনে দখলদার থাকার কারণে তা পরিষ্কার করা যাচ্ছে না। তাই, ওরা না সরালে আমরা সোমবার গিয়ে সব ভেঙে দেব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর! কুলগামে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ, হত এক জওয়ান

    Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর! কুলগামে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ, হত এক জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) কুলগামে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে (Jammu Kashmir) শহিদ হলেন এক সেনা জওয়ান। শনিবার কুলগাম (Kulgam) জেলার মদেরগাম গ্রামে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে যৌথ অভিযান শুরু করেছিল সিআরপিএফ জওয়ান এবং স্থানীয় পুলিশ। গ্রামে বাহিনী ঢোকার খবর পেয়েই গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। সেই সময় এক সেনা জওয়ান গুরুতর জখম হন। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি নিহত হন। 

    চলছে তল্লাশি অভিযান (Kulgam)

    পুলিশ সূত্রে খবর, কুলগাম জেলায় মোদারগাও গ্রামে দুই, তিনজন জঙ্গির লুকিয়ে থাকার খবর পায় গোয়েন্দা বিভাগ। এরপর সিআরপিএফ, সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশ একসঙ্গে অভিযান চালায়। জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়েই শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। এই ঘটনা প্রসঙ্গে কাশ্মীর (Jammu Kashmir) জোন পুলিশের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানান হয় যে, ‘‘কুলগামে গুলি চলেছে। পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত।’’ সেনা সূত্রে খবর, সাময়িকভাবে গুলির লড়াই বন্ধ থাকলেও জঙ্গিদের খোঁজে এলাকায় তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে সেনা।

    আরও পড়ুন: তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ ২৩ জুলাই

    জঙ্গি দমনে অভিযান (Jammu Kashmir)

    সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) জঙ্গিদের দাপট বেড়েছে। গত জুন মাসেও ডোডা জেলায় সেনা ও জঙ্গিদের গুলির লড়াই হয়। আর তাতে ৩ সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা যায়। প্রসঙ্গত, কুলগাম-সহ (Kulgam) দক্ষিণ কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ অংশে সম্প্রতি সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এই অঞ্চলকে জঙ্গিদের প্রভাবমুক্ত করতে একের পর এক অভিযানে নামছে সেনাও। গত মাসেই সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার ‘রেসিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’-এর দু’জন কম্যান্ডার সেনার সঙ্গে গুলির লড়াই চলার সময়ে পুলওয়ামা জেলার একটি বাড়িতে লুকিয়ে ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Puri Chappanna Bhog: রথযাত্রায় জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় বিশেষ ছাপ্পান্ন ভোগ, কী এর মাহাত্ম্য?

    Puri Chappanna Bhog: রথযাত্রায় জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় বিশেষ ছাপ্পান্ন ভোগ, কী এর মাহাত্ম্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথের দিনগুলিতে (Rath Yatra 2024) পুরীতে তুমুল আয়োজন পুরীর জগন্নাথধামে৷ রথযাত্রার একাধিক উপাচারের অন্যতম আকর্ষণ হল জগন্নাথদেবকে ৫৬ ভোগ (Puri Chappanna Bhog) নিবেদন। ৫৬ ভোগের রাজকীয় সেই খাবারের পদগুলি থেকে নিয়ম সবক্ষেত্রেই পাওয়া যায় পুরাণকথার একাধিক আঙ্গিক। কিন্ত কেন দেওয়া হয় এই বিশেষ ভোগ? 

    ৫৬ ভোগ নিয়ে কী বলছে পুরাণ? (Puri Chappanna Bhog)

    পুরাণ মতে, যশোদা বালক কৃষ্ণকে আট প্রহর খেতে দিতেন। কিন্তু, একটা সময় ইন্দ্রের রোষে পড়ে মহাপ্রলয়ের সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সময় প্রাণীদের রক্ষা করতে নিজের কনিষ্ঠ আঙুলে গোবর্ধন পাহাড় তুলে নিয়েছিলেন তিনি। সাতদিন ওইভাবেই তিনি ছিলেন। খাবার ও জল কোনও কিছুই মুখে দেননি। প্রলয় বন্ধ হওয়ার পর সেই পাহাড় নামিয়ে রেখেছিলেন। এদিকে যে ছেলে দিনে আটবার খাবার খেত তাকে টানা সাতদিন অনাহারে থাকতে দেখে কেঁদে উঠেছিল যশোদার মন। তখন ব্রজবাসী-সহ যশোদা সাতদিন ও আট প্রহরের হিসেবে কৃষ্ণের জন্য ৫৬টি পদ পরিবেশন করেছিলেন। আর সেই থেকেই নারায়ণের ছাপ্পান্ন ভোগ (Puri Chappanna Bhog) চলে আসছে।

    মর্ত্যে এসে চার ধাম যাত্রা করেন ভগবান বিষ্ণু…

    এও কথিত আছে, ভগবান বিষ্ণু মর্ত্যলোকে এসে তাঁর চার ধামে যাত্রা করেন। এই চার ধাম হল- বদ্রীনাথ ধাম, দ্বারিকা ধাম, পুরী ধাম এবং রামেশ্বরম। প্রথমে হিমালয়ের শিখরে অবস্থিত বদ্রীনাথ ধামে স্নান করেন, তারপর গুজরাটের দ্বারিকা ধামে গিয়ে বস্ত্র পরিধান করেন, ওড়িশার পুরী ধামে ভোজন করেন আর সবশেষে রামেশ্বরমে গিয়ে বিশ্রাম নেন। আর পুরী ধামে যেখানে তিনি ভোজন করেন সেখানে ভোগের কোনও চমক থাকবে না এটা কখনও হয়। পুরাণ মতে, ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার কৃষ্ণের সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত করা হয় জগন্নাথদেবকে। জগন্নাথের মধ্যে বিষ্ণুর সকল অবতারের চিহ্ন আছে। আর সেই কারণে তাঁকেও অর্পণ করা হয় ছাপান্ন ভোগ। 

    কী কী পদ থাকে এই ছাপ্পান্ন ভোগে? 

    জগন্নাথকে দেওয়া ৫৬ ভোগে (Puri Chappanna Bhog) রাখা হয়— ১) উকখুড়া অর্থাৎ মুড়ি, ২) নাড়িয়া কোড়া অর্থাৎ নারকেল নাড়ু, ৩) খুয়া অর্থাৎ খোয়া ক্ষীর, ৪) দই, ৫) পাচিলা কদলি অর্থাৎ পাকা কলা, ৬) কণিকা অর্থাৎ সুগন্ধী ভাত, ৭) টাটা খিচুড়ি অর্থাৎ শুকনো খিচুড়ি, ৮) মেন্ধা মুণ্ডিয়া অর্থাৎ বিশেষ ধরণের কেক, ৯) বড়া কান্তি অর্থাৎ বড় কেক, ১০) মাথা পুলি অর্থাৎ পুলি পিঠে, ১১) হামসা কেলি অর্থাৎ মিষ্টি কেক, ১২) ঝিলি অর্থাৎ এক ধরণের প্যান কেক, ১৩) এন্ডুরি অর্থাৎ নারকেল দিয়ে তৈরি কেক, ১৪) আদাপচেদি অর্থাৎ আদা দিয়ে তৈরি চাটনি, ১৫) শাক ভাজা, ১৬) মরিচ লাড্ডু অর্থাৎ লঙ্কার লাড্ডু, ১৭) করলা ভাজা, ১৮) ছোট্ট পিঠে, ১৯) বরা অর্থাৎ দুধ তৈরি মিষ্টি, ২০) আরিশা অর্থাৎ ভাত দিয়ে তৈরি মিষ্টি, ২১) বুন্দিয়া অর্থাৎ বোঁদে, ২২) পাখাল অর্থাৎ পান্তা ভাত, ২৩) খিরি অর্থাৎ পায়েস, ২৪) কাদামবা অর্থাৎ বিশেষ মিষ্টি ২৫) পাত মনোহার মিষ্টি ২৬) তাকুয়া মিষ্টি, ২৭) ভাগ পিঠে, ২৮) গোটাই অর্থাৎ নিমকি, ২৯) দলমা অর্থাৎ ভাত ও সবজি, ৩০) কাকারা মিষ্টি ৷ ৩১) লুনি খুরুমা অর্থাৎ নোনতা বিস্কুট, ৩২) আমালু অর্থাৎ মিষ্টি লুচি, ৩৩) বিড়ি পিঠে, ৩৪) চাড়াই নাডা মিষ্টি, ৩৫) খাস্তা পুরি, ৩৬) কদলি বরা, ৩৭) মাধু রুচি অর্থাৎ মিষ্টি চাটনি, ৩৮) সানা আরিশা অর্থাৎ রাইস কেক, ৩৯) পদ্ম পিঠে, ৪০) পিঠে, ৪১) কানজি অর্থাৎ চাল দিয়ে বিশেষ মিষ্টি. ৪২) দাহি পাখাল অর্থাৎ দই ভাত, ৪৩) বড় আরিশা, ৪৪) ত্রিপুরি, ৪৫) সাকারা অর্থাৎ সুগার ক্যান্ডি, ৪৬) সুজি ক্ষীর, ৪৭) মুগা সিজা, ৪৮) মনোহরা মিষ্টি, ৪৯) মাগাজা লাড্ডু, ৫০) পানা, ৫১) অন্ন, ৫২) ঘি ভাত, ৫৩) ডাল, ৫৪) বেসর অর্থাৎ সবজি বিশেষ, ৫৫) মাহুর অর্থাৎ লাবরা, ৫৬) সাগা নাড়িয়া অর্থাৎ নারকেলের দুধ দিয়ে মাখা ভাত। (Rath Yatra 2024)

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: “যাঁরা ইসলাম ধর্মে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা”, ‘হাকিমি’ মন্তব্যে তোপ বিজেপির

    Firhad Hakim: “যাঁরা ইসলাম ধর্মে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা”, ‘হাকিমি’ মন্তব্যে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাঁরা ইসলাম ধর্ম নিয়ে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা।” কথাগুলি যিনি বললেন তিনি সাধারণ কোনও মানুষ নন, তিনি কলকাতার মেয়র (Firhad Hakim)। রাজ্যের মন্ত্রীও বটে। আজ্ঞে হ্যাঁ, তৃণমূল পরিচালিত মন্ত্রিসভার সদস্য ফিরহাদ হাকিমই দিন তিনেক আগে ‘অল ইন্ডিয়া কোরান কম্পিটিশনে’ কথাগুলি বলেছিলেন বলে অভিযোগ। রাজ্যের এক মন্ত্রীর এহেন ‘অপমানজনক’ ও ‘বিভাজনমূলক’ কথাবার্তায় হইচই রাজ্যজুড়ে। এই অনুষ্ঠানেই মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ এই নেতা বলেন, “যাঁরা ইসলাম ধর্ম নিয়ে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা। তাঁরা দুর্ভাগ্য নিয়েই জন্মেছেন। তাঁদের ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করতে হবে আমাদের।”

    ফিরহাদকে তোপ সুকান্তের (Firhad Hakim)

    ফিরহাদের এহেন মন্তব্যে হাতে অস্ত্র পেয়ে গিয়েছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “ফিরহাদ হাকিম যে মন্তব্য করেছেন, সেটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। (উনি) ইঙ্গিত দিয়েছেন যে যাঁরা মুসলিম হয়ে জন্মগ্রহণ করেননি, তাঁরা দুর্ভাগ্য নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন। (আর ইঙ্গিত করেছেন যে) আল্লাহকে খুশি করার উপায় হল ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়া। এই মন্তব্য অত্যন্ত আপত্তিকর এবং বিভাজনকারী। এই ধরনের মন্তব্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্যের নীতি ক্ষুণ্ণ হয়।”

    বিস্ফোরক মালব্যও

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তৃণমূলকে এক হাত নিয়েছেন বিজেপির (BJP) আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “তৃণমূল যে বাংলায় চূড়ান্তভাবে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে, তা ওপেন-সিক্রেট। পার্টির (পড়ুন, তৃণমূলের) এই নিরন্তর তু্ষ্টিকরণের রাজনীতির উদাহরণ এটি। নির্বাচনে জয় এবং নির্বাচনোত্তর হিংসাই তৃণমূলকে সাহসী করে তুলেছে। তাই এরা আগের চেয়েও বিস্ফোরক সব মন্তব্য করছে।

    আর পড়ুন: ইরানের নয়া প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন মাসুদ, কেমন হবে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক?

    তৃণমূলের জেসিবির সেই তরুণকে প্রকাশ্যে রাস্তায় ফেলে মারের ঘটনা শারিয়া আইনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই ঘটনাকে আবার সমর্থন করেছেন চোপড়ার বিধায়ক তৃণমূলের হামিদুর রহমান। এই কাজ একটি মুসলিম রাষ্ট্রে পরিচিত ঘটনা। এই ঘটনা তৃণমূলের লুকোনো অ্যাজেন্ডার বহিঃপ্রকাশ। তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমও প্রকাশ করে ফেললেন দলের লুকোনো অ্যাজেন্ডা (Firhad Hakim)।…”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রামপুরহাটের স্কুলে শুক্রবার স্পেশাল ‘টিফিন ব্রেক’ কোন ছাত্রদের জন্য? সরব সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: রামপুরহাটের স্কুলে শুক্রবার স্পেশাল ‘টিফিন ব্রেক’ কোন ছাত্রদের জন্য? সরব সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের রামপুরহাট জীতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবনের একটি নোটিশকে কেন্দ্র করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। স্কুল তার পড়ুয়াদের জন্য এই ধরনের নোটিশ দিতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিতর্কিত এই ইস্যুতে তোপ দেগেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদরও (Sukanta Majumdar)।

    কী রয়েছে নোটিশে? (Sukanta Majumdar)

    রামপুরহাট জীতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবনে ২৯ জুন জারি করা নোটিশকে ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। স্কুল কর্তৃপক্ষ একটি নোটিশ জারি করে নির্দেশ দিয়েছে, শুক্রবার দুই দফায় টিফিন ব্রেক দেওয়া হবে স্কুলে। প্রথম ব্রেক বেলা ১২:১০ মিনিট থেকে ১ :১০ মিনিট পর্যন্ত। দ্বিতীয় ব্রেক অন্যান্য দিনের মতোই বেলা ১: ৪৫ মিনিটে শুরু হয়ে ২:২০ তে শেষ হবে। আর এই নোটিশকে উল্লেখ করেই রাজ্য বিজেপির ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে, যে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুজো করতে দেন না, সেই রাজ্যেই মুসলিম ছাত্রদের জন্য শুক্রবার বেলা বারোটা থেকে একটা পর্যন্ত স্পেশাল টিফিন আওয়ারের ব্যবস্থা করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার এই সময়ে মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা নমাজ পড়তে মসজিদে যায়। সেই সময় ছাত্র-ছাত্রীদের নমাজের সুবিধা করে দিতে এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজ্য বিজেপি (BJP)।

    আরও পড়ুন: সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা, স্ত্রী-পুত্রকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    শুক্রবার বিশেষ টিফিনের নির্দেশ নিয়ে সরব সুকান্ত

    আর এর বিরুদ্ধে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পার্টি অফিসে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৪ তম জন্ম জয়ন্তী পালন অনুষ্ঠানে মুখ খুলেছেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, স্কুলে এই ধরনের নির্দেশিকার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। স্কুলের সকলের সমান অধিকার। সকলের জন্যই সমানভাবে চলবে। স্কুলে যে কারণে ইউনিফর্ম বা ড্রেস কোড চালু রয়েছে। এই ধরনের নির্দেশ বা সিদ্ধান্ত ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • The Good Gift: পুরনো কাপড় দিয়ে নতুন পুতুল!  লক্ষাধিক টাকা উপার্জনের নয়া পন্থা তামিলনাড়ুর দম্পতির

    The Good Gift: পুরনো কাপড় দিয়ে নতুন পুতুল! লক্ষাধিক টাকা উপার্জনের নয়া পন্থা তামিলনাড়ুর দম্পতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশির দশকে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গেই। দিদার কাছে শিখেছিলেন পুরনো কাপড় দিয়ে পুতুল তৈরি করতে। সেই পুতুলই ছিল তাঁর খেলার সঙ্গী। পরে বড় হয়ে পড়াশোনা করে বেঙ্গালুরু পাড়ি। সেখানে আইটি কোম্পানিতে চাকরি। সেখানেই জীবনসঙ্গী সুহাস রামগৌড়ার সঙ্গে ঘর বেঁধছিলেন সুনীতা। কিন্তু কিছুতেই ওই যান্ত্রিক কাজে নিজেদের মন বসাতে পারছিলেন না সুনীতা ও সুহাস। মন টানছিল প্রকৃতি। রাঙা মাটির পথে পাড়ি জমাতে চাইলেন দুজনে। চলে গেলেন নীলগিড়ির পাদদেশে তামিলনাড়ুর একটি গ্রামে। গড়ে তুললেন স্বপ্নের কুঁড়ে ঘর। শুরু করলেন পুতুল (Rag Dolls) তৈরি করতে। তৈরি করেছেন ‘দ্য গুড গিফট’ (The Good Gift)।

    পুরনো কাপড় দিয়েই নতুন পুতুল (The Good Gift)

    ২০১৭ সাল থেকে তামিলনাড়ু নীলগিড়ি অঞ্চলে এরকম পুতুল তৈরি করছেন সুনীতা। সঙ্গে নিয়েছেন গ্রামের আদিবাসী মহিলাদের। তৈরি করেছেন ‘দ্য গুড গিফট’ (The Good Gift)। সুনীতা বলেন,”আমার মনে আছে আমার দাদি তার পুরনো কাপড় দিয়ে আমার জন্য পুতুল তৈরি করত। সেই কথা মাথায় রেখে আমি এই গ্রামে এসে প্রথমে শখে সময় কাটানোর জন্য পুতুল তৈরি করতে থাকি। অনেকে এই পুতুল পছন্দ করে। এরপরেই মনে অন্য ভাবনা আসে। গ্রামের মেয়েরাও এই পুতুল তৈরি করে নিজেরা কিছু রোজগার করতে পারে। এই ভাবনা থেকেই নতুন ভাবে পুতুল তৈরি করি।”  আদিবাসী সম্প্রদায়ের ২৩০ জন এখন সুনীতার সংস্থায় কাজ করে। তাঁরা প্রত্যেকে এই পুতুল তৈরি করে মাসে ৪ থেকে ৮ হাজার টাকা রোজগার করে। পুতুল বিক্রি করে সুনীতারা মাসে প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকা আয় করেন। যা সকলের মধ্যে ভাগ করা হয়।

    আরও পড়ুন: অ্যাপলের পর গুগল! ভারতেই তৈরি হবে পিক্সেল ফোন, যাবে ইউরোপ-আমেরিকায়

    পুতুলের নতুন রূপ (The Good Gift)

    সুনীতা ও সুহাসদের তৈরি পুতুল সকলের পছন্দের। পুতুলগুলির (Rag Dolls) পোশাক পরিবর্তন করা যায়। পুরনো কাপড় ও কম্বলকে সেলাই করে তার উপর এমব্রয়ডারি করে পুতুল তৈরি করা হয়। করা হয় ফেব্রিকের কাজ। সুহাস বলেন, “আমরা বেঙ্গালুরুতে প্রায় ১৫ বছর কাজ করেছি। আমাদের জীবন তখন অনেক স্বচ্ছল ছিল। কিন্তু এখানে এসে মনে হয়ে আমরা নতুন কিছু করছি। সমাজের জন্য কিছু করতে পারছি। আমরা যখন এখানে আসি তখন এখানকার মেয়েদের সে অর্থে কোনও কাজ ছিল না। এখন এরা নিজেরা কিছু করছে।” সুনীতা জানান, প্রথমে তাঁরা সংস্থা (The Good Gift) তৈরি করেনি। ২০২৩ সালে ‘দ্য গুড গিফট’তৈরি করে তাঁরা। তাঁদের তৈরি পণ্যের মার্কেটিং-এর জন্য ওয়েবসাইটও তৈরি করেছে সুহাস। আরও ভাল কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছেন সুনীতা-সুহাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: টানা ৩ বছর সহবাস করেও অস্বীকার! তৃণমূল কাউন্সিলরের কুকীর্তি ফাঁস যুবতীর

    Barrackpore: টানা ৩ বছর সহবাস করেও অস্বীকার! তৃণমূল কাউন্সিলরের কুকীর্তি ফাঁস যুবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক তরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘ তিন বছর ধরে সহবাস করেছেন তৃণমূল নেতা। বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা ভঙ্গ করেছেন। চাঞ্চল্যকর অভিযোগটি উঠেছে উত্তর বারকপুর (Barrackpore) পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের শাসকদলের কাউন্সিলর (TMC Councilor) প্রসূন সরকার ওরফে শুভদীপ সরকারের বিরুদ্ধে। তবে এই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, যুবনেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। যদিও তৃণমূল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তবে অভিযোগে তৃণমূল অত্যন্ত চাপের মুখে। এলাকায় শোরগোল পড়েছে।

    অভিযোগকারিণী মহিলার বক্তব্য (Barrackpore)

    অভিযোগকারিণী মহিলা বলেছেন, “গত তিন বছর আগে তৃণমূল কাউন্সিলর (Barrackpore) প্রসূনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। প্রথমে কাউন্সিলর প্রেমের প্রস্তাব দেন কিন্তু তাতে আমি রাজি না হলে আমাকে ব্যাপক ধমক-চমক দেন। এরপর সম্পর্ক করতে চেয়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিলে আমি সম্পর্কে রাজি হই। পরবর্তীতে আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়। আমাদের মধ্যে দুজনের ঘনিষ্ঠতার অনেকটা বেড়ে যায়। আমার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বেশ কয়েকবার সহবাসও করে ওঁই কাউন্সিলর। এরপর পরবর্তী সময়ে তাঁর ফোন থেকে জানতে পারি, তিনি বিবাহিত এবং তাঁর একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে। কিন্তু বাচ্চার পরিচয় জানতে চাইলে অস্বীকার করেন তিনি। আমি জানতে পারি আগেও তিনি ৩টি বিয়ে করেছেন, আমি ৪ নম্বর হতে পারতাম। তাঁর পরিবারে জানালে, পরিবারের লোক আমাকে গুরুত্ব দেননি। এরপর আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের বিচার চাই।”

    আরও পড়ুনঃ “নরেন্দ্র মোদি শ্রীরামচন্দ্রের অবতার”, ছবিতে দুধ ঢেলে পুজো করা হল বর্ধমানে

    তৃণমূল কাউন্সিলরের পরিবারের বক্তব্য

    শুক্রবার দুপুরে নির্যাতিতা তরুণী বারাকপুর (Barrackpore) মহিলা থানায়, ওঁই তৃণমূল কাউন্সিলরের (TMC Councilor) বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অপর দিকে অভিযুক্ত কাউন্সিলরের পরিবারের পক্ষ থেকে বাবা বলেছেন, “একটি মেয়ে, প্রসূনের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন কিন্তু এসব একতরফা অভিযোগ। আমার ছেলে বিবাহিত, ওঁর একটা ছেলে সন্তান আছে। ওঁই মেয়ের অভিযোগের ভিত্তি নেই। মেয়েটির মানসিক চিকিৎসা করা দরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share