Tag: Madhyom

Madhyom

  • Smartphone Exports: পিছিয়ে পড়ছে চিন-ভিয়েতনাম! মোবাইল রফতানির ক্ষেত্রে এগোচ্ছে ভারত

    Smartphone Exports: পিছিয়ে পড়ছে চিন-ভিয়েতনাম! মোবাইল রফতানির ক্ষেত্রে এগোচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ ভারত (India)। বিশ্বের একাধিক দেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্ব ব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে আইএমএফ-ও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির প্রতি আস্থাশীল। অন্যদিকে চিনের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে শঙ্কার কথা শুনিয়েছে সংস্থাগুলো। এই আবহে চিনকে স্মার্টফোন রফতানির ক্ষেত্রেও মাত দিতে উদ্যোগী ভারত। দেশে স্মার্টফোন (Smartphone Exports) রফতানির পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে। অন্যদিকে, চিন (China) এবং ভিয়েতনাম (Vietnam) থেকে স্মার্টফোন রফতানি ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে বলে খবর।

    স্মার্টফোন রফতানির ক্ষেত্রে ভারত (Smartphone Exports)

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-এর অর্থবর্ষে চিনে মোবাইল রফতানির (Smartphone Exports)পরিমাণ ২.৭৮ শতাংশ কমেছে। ভিয়েতনামেও মোবাইল রফতানিতে ১৭.৬ শতাংশের পতন লক্ষ্য করা গিয়েছে। এদিকে, ভারত মোবাইল রফতানিতে ৪.৫ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটিয়েছে। একটা সময়ে সমগ্র বিশ্বে চিন এবং ভিয়েতনাম থেকে সবচেয়ে বেশি স্মার্টফোন রফতানি করা হত। বর্তমান সময়ে ওই দেশগুলি মোবাইল রফতানির নিরিখে ভারতের কাছ থেকে জোরদার প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে। স্মার্টফোনের বাজারে চিনের একচেটিয়া আধিপত্য ভাঙতেই এখন সক্রিয় হয়েছে ভারত। 

    ভারতের উত্থানে শঙ্কিত চিন (Smartphone Exports)

    ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টারের (ITC) রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ অর্থবর্ষে চিন থেকে স্মার্টফোন রফতানি (Smartphone Exports) হয়েছে ১৩৬.৩ বিলিয়ন ডলারের। যা ২০২৪-এর অর্থবর্ষে কমে হয়েছে ১৩২.৫ শতাংশ। অপরদিকে ভিয়েতনামে, ২০২৩ অর্থবর্ষে স্মার্টফোন রফতানি হয়েছে ৩১.৯ শতাংশ। যেখানে ২০২৪ অর্থবর্ষে, স্মার্টফোন রফতানি ২৬.২৭ শতাংশে নেমে এসেছে। অন্যদিকে ভারতে ২০২৩ অর্থবর্ষে স্মার্টফোন রফতানি হয়েছে ১১.১ বিলিয়ন ডলারের। যেখানে ২০২৪-এর অর্থবর্ষে এটি বৃদ্ধি পেয়ে পৌঁছেছে ১৫.৬ বিলিয়ন ডলারে। ভারতের (India) এই উত্থানে চিন ও ভিয়েতনাম ছাড়াও হংকং ও দক্ষিণ কোরিয়ার মোবাইল রফতানিও বেশ কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে বলে ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ঝুলনের রেকর্ডে ভাগ বসালেন স্নেহ, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ী ভারতের মেয়েরাও

    কীভাবে ভারতের অগ্রগতি

    গত কয়েক বছরে আমেরিকান কোম্পানিগুলো চিন থেকে নিজেদের কোম্পানি ভারতে (India) নিয়ে এসেছে। আর এই বদলেই ভারত স্মার্টফোন রফতানিতে (Smartphone Exports) হু হু করে এগিয়ে চলেছে। যেখানে আটকে যাচ্ছে চিনা মোবাইলের রফতানি।বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে মোবাইল উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলেই মোবাইল রফতানিতে গতি এসেছে। উৎপাদন বৃদ্ধির কারণ হল পিএলআই স্কিম ও আমেরিকান আইফোন উৎপাদনকারী সংস্থা অ্যাপল-এর ভারতে আগমন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: তৃণমূল নেতার হাতে হেনস্থা অভিনেত্রী-কাউন্সিলর শ্রীতমা, কামারহাটিতে কোন্দল প্রকাশ্যে

    Kamarhati: তৃণমূল নেতার হাতে হেনস্থা অভিনেত্রী-কাউন্সিলর শ্রীতমা, কামারহাটিতে কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিনেত্রী তথা তৃণমূল কাউন্সিলরকে প্রকাশ্যে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠল দলেরই এক নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চা়ঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কাউন্সিলরের নাম শ্রীতমা ভট্টাচার্য। আর অভিযুক্ত তৃণমূল (TMC Conflict) নেতার নাম অমিত সাহা। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কামারহাটি পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের (Kamarhati)  শ্রীপল্লি কমিটির উদ্যোগে সরকারি জমি বেহাত হয়ে যাচ্ছে বলে কাউন্সিলরের কাছে অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগ পেয়ে কাউন্সিলর শ্রীতমা ভট্টাচার্য সরজমিনে খতিয়ে দেখতে যান। অভিযোগ, শ্রীপল্লি কমিটির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা অমিত সাহা দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সামনেই দলীয় কাউন্সিলরকে হেনস্থা করেন। কাউন্সিলর শ্রীতমা ভট্টাচার্য বলেন, সরকারি জমি দখল হওয়ার অভিযোগ পেয়ে তা খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম। জমি বেহাত হওয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়েই আমাকে অমিত সাহা অশ্রাব্যভাষায় গালিগালাজ করেন। আমার ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। বিষয়টি স্থানীয় বিধায়ক মদন মিত্রকে জানিয়েছি। বেলঘরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি এর সুবিচার চাই।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    সরব তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র

    তৃণমূল বিধায়ক (Kamarhati) মদন মিত্র বলেন, তৃণমূলের স্থানীয় নেতা বলে মহিলা কাউন্সিলরের সঙ্গে যা খুশি করবে তা হতে পারে না। দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি। কারণ, কাউন্সিলর সেখানে একটি বিষয়ে জানতে গিয়েছিল। শ্রীপল্লি কমিটির সভাপতি হিসেবে তাঁর সহযোগিতা করার কথা ছিল। কিন্তু, সেটা না করেই সকলের সামনেই মহিলা কাউন্সিলরকে হেনস্থা করা হয়েছে। এতে দলের ভাবমূর্তি খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দলের পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয় দেখি। আর প্রশাসনগতভাবেই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। কারণ, এই ধরনের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য। আশা রাখব, দলের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    জানা গিয়েছে, এক সময় এই অমিত সাহা এই তৃণমূল (TMC Conflict) কাউন্সিলরের ইলেকশন এজেন্ট ছিলেন। তারপর এই ঘটনায় দলের কর্মীরাও হতবাক। তৃণমূল নেতা অমিত সাহা বলেন, রাতের দিকে মহিলা কাউন্সিলরের ক্লাবের মধ্যে আসা ঠিক হয়নি। কারণ, সেখান পাঁচরকম ছেলে থাকে। আর কাউন্সিলরের সঙ্গে কোনও খারাপ আচরণ করা হয়নি। আমি শ্রীপল্লি কমিটির বিষয়ে নাক গলাতে নিষেধ করেছি। এখন এই বিষয়টি নিয়ে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Saket Gokhale: আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য, তৃণমূল সাংসদের জরিমানা ৫০ লাখ

    Saket Gokhale: আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য, তৃণমূল সাংসদের জরিমানা ৫০ লাখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫০ লাখ টাকা জরিমানা তৃণমূল সাংসদের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী ও তাঁর স্ত্রী তথা প্রাক্তন কূটনীতিক লক্ষ্মী পুরীর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের সাকেত গোখেলের (Saket Gokhale) বিরুদ্ধে। সেই কারণেই তাঁকে জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)।

    সাকেতকে আদালতের নির্দেশ (Saket Gokhale)

    সোমবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি অনুপ জয়রাম ব্রহ্মাণীর বেঞ্চের নির্দেশ, লক্ষ্মীর কাছে ক্ষমা চেয়ে সাকেতকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করতে হবে। আদালতের নির্দেশ, অন্তত ছমাস সাকেতের (Saket Gokhale) ওই পোস্ট থাকতে হবে এক্স হ্যান্ডেলে। এর পাশাপাশি একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিকে লক্ষ্মীর কাছে ক্ষমা চেয়ে বার্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ব্রহ্মাণীর বেঞ্চ। ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের জুন মাসে। লক্ষ্মী ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ তুলে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিলেন সাকেত। পোস্টে তৃণমূলের এই সাংসদ লিখেছিলেন, লক্ষ্মী পুরী সুইৎজারল্যান্ডে সম্পত্তি কিনেছেন। লক্ষ্মী ও তাঁর মন্ত্রী স্বামীর আয়ের উৎস নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিকবার পোস্ট করেছিলেন তৃণমূলের এই সাংসদ।

    মানহানির মামলা দায়ের

    এর পরেই সাকেতের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন লক্ষ্মী। দাবি করেন পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণও। তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যে, অসত্য ট্যুইট ডিলিট করার নির্দেশ সাকেতকে দিতে আদালতে আবেদন জানান লক্ষ্মী। ওই বছরেরই ১৩ জুলাই লক্ষ্মীর বিরুদ্ধে করা সমস্ত পোস্ট চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ডিলিট করার নির্দেশ সাকেতকে দিয়েছিল দিল্লি হাইকোর্ট। লক্ষ্মীর বিরুদ্ধে আর কোনও মানহানিকর পোস্ট করা থেকেও সাকেতকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

    আর পড়ুন: ইভিএম নিয়ে ভুয়ো খবর, মিড ডে-র রিপোর্টার সহ একাধিক ব্যক্তির নামে এফআইআর

    লক্ষ্মীর মতো প্রাক্তন আমলা তাঁর স্বামী হরদীপও। তিনি ১৯৭৪ ব্যাচের আইএফএস। ব্রাজিল, জাপান, ব্রিটেন-সহ বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেছেন। চাকরিজীবন শেষে ২০১৩ সালে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। বর্তমানে হরদীপের কাঁধে রয়েছে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের দায়িত্ব। এহেন এক আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করার খেসারত দিতে হবে (Delhi High Court) তৃণমূলের সাংসদকে (Saket Gokhale)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RSS: শিক্ষায় দখলের অভিযোগ খড়্গের! পাল্টা তোপ ধনখড়ের

    RSS: শিক্ষায় দখলের অভিযোগ খড়্গের! পাল্টা তোপ ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দিনেও রাজ্যসভায় শাসক বিরোধী তরজা অব্যাহত। এদিন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের মধ্যে প্রথমে মজার ছলে কথোপকথন শুরু হয়। কিন্তু খাড়গে তাঁর বক্তব্য আরএসএস (RSS) কেন্দ্রিক করতেই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় দুজনের মধ্যে। নিটের বিষয়ে আলোচনা ইস্যুতে আরএসএসকে অহেতুক জড়িয়ে তির্যক মন্তব্য করেন কংগ্রেস সভাপতি। পাল্টা জবাব দিতে সময় নষ্ট করেননি জগদীপ ধনখড়।  

    ঠিক কী হয়েছিল?

    এদিন রাজ্যসভায় মল্লিকার্জুন খাড়গে অভিযোগ করেন, নিটের ৭০ টি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সাত বছরে লিক হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সবকিছু জেনেও চুপ থেকেছে মোদি সরকার। এর সঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের লোকেরা (RSS) দেশের পঠন-পাঠন সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি সংস্থায় ঢুকে পড়েছে। তাঁর অভিযোগ এনসিইআরটি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর পদে আরএসএস-এর লোকেরা বসে আছেন।

    জগদীপ ধনখড়ের পাল্টা জবাব (RSS)

    পাল্টা জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) প্রশ্ন করেন, আরএসএস করা কি অপরাধ? আরএসএস করলে কি কোনও ব্যক্তির কোনও সংস্থার প্রবেশাধিকার নষ্ট হয়ে যায়। আরএসএসের (RSS) প্রশংসা করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “আরএসএস রাষ্ট্রের অগ্রগতির জন্য দায়বদ্ধ। রাষ্ট্রের উন্নয়নে স্বয়ংসেবকদের অবদান অনস্বীকার্য।” সোমবার কংগ্রেস সভাপতি আরও অভিযোগ করে বলেন, রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ ভাষণের প্রস্তাবের আড়ালে সরকার তাদের ব্যর্থতা লুকোতে চাইছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণে গরীব, দলিত ও সংখ্যালঘুদের কথা উল্লেখ করা হয়নি। বিরোধীরা যখন সাধারণ মানুষের কথা বলছে, সেই সময় মোদি শুধু মন কি বাত করে যাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: ইভিএম নিয়ে ভুয়ো খবর, মিড ডে-র রিপোর্টার সহ একাধিক ব্যক্তির নামে এফআইআর

    প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচনের সময় বিভাজনমূলক বক্তব্য রাখার জন্য অভিযুক্ত করে খাড়গে বলেন, “এর আগে দেশের কোনও প্রধানমন্ত্রী এ কাজ করেননি।” কংগ্রেস পার্টির ম্যানিফেস্টোকে যেভাবে ধর্মের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল তা অবাঞ্ছিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mid Day: ইভিএম নিয়ে ভুয়ো খবর, মিড ডে-র রিপোর্টার, ধ্রুব রাঠির বিরুদ্ধে এফআইআর

    Mid Day: ইভিএম নিয়ে ভুয়ো খবর, মিড ডে-র রিপোর্টার, ধ্রুব রাঠির বিরুদ্ধে এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংবেদনশীল ভুল রিপোর্ট (Fake News) প্রকাশ করে বিপাকে মুম্বইয়ের মিড ডে (Mid Day) পত্রিকা গোষ্ঠী। ভুয়ো খবর ছড়ানোর জন্য ক্ষমাও চেয়েছে তারা। তবে সংবেদনশীল বিষয়ে ভুয়ো খবর ছড়ানোর দায়ে পত্রিকা গোষ্ঠী এবং যারা খবরটি ছড়িয়েছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে অভিযোগ।

    কী বলছেন আইনজীবী? (Mid Day)

    আইনজীবী বিবেকানন্দ দয়ানন্দ গুপ্ত এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘মুম্বইয়ের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। জাল নিউজ প্রকাশ এবং অন্যরা যারা খবরটি ছড়িয়েছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশকে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ অভিযোগে তিনি নাম দিয়েছেন মিড ডে (Mid Day) পত্রিকার রিপোর্টার শিরীষ ভাকাতানিয়ার (ইনিই খবরটি লিখে মিথ্যে দাবি করেছিলেন)। অভিযোগ দায়ের হয়েছে ‘ইন্ডিয়া টুডে’র জার্নালিস্ট রাজদীপ সরদেশাই, শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী, এনসিপি এমএলএ জিতেন্দ্র আওহাদ, কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের প্রধান সুপ্রিয়া শ্রীনাটে, প্রো-আপ ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি, কংগ্রেস নেতা সরল প্যাটেল এবং জনৈক অর্পিতা শর্মার বিরুদ্ধে। ওই আইনজীবীর আবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪ এবং ১২০ বি ধারা-সহ ৫০৫(২) ধারায় পুলিশকে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হোক।

    মিড ডে-র সেই প্রতিবেদন

    গত ১৬ জুন মিড ডে-তে প্রকাশিত হয় একটি সংবেদনশীল প্রতিবেদন। তাতে বলা হয়, মুম্বইয়ের এক প্রার্থীর আত্মীয়ের হাতে এমন একটি মোবাইল ছিল যার মাধ্যমে ইভিএম আনলক করা সম্ভব। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছিল ওই পত্রিকার ৬ নম্বর পাতায়। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছিল শিবসেনা সাংসদ রবীন্দ্র ওয়াইকার গোটা ভোটিং প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করেছিলেন। তার জেরেই জিতে গিয়েছেন তিনি। প্রতিবেদনটিতে এমনও দাবি করা হয়েছিল যে শিবসেনা প্রার্থী জিতেছিলেন কারণ তাঁর এক আত্মীয় এমন ফোন ব্যবহার করেছিলেন যার মাধ্যমে ওটিপি জেনারেট করে ইভিএম খোলা হয়েছিল।

    আর পড়ুন: ৪২০-র বদলে ৩১৮! নতুন ফৌজদারি আইনে কলকাতায় দায়ের প্রতারণার মামলা

    প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হতেই হইচই পড়ে যায় দেশজুড়ে। ময়দানে নেমে পড়ে কংগ্রেস। গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীও বিষয়টি নিয়ে বাজার গরম করার চেষ্টা করতে থাকেন।এর পরের দিনই পত্রিকা(Mid Day) গোষ্ঠীর তরফে ভুল স্বীকার করা হয়। প্রথম পাতায় সেই ভুল কবুলের (Fake News) পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের বক্তব্যও প্রকাশ করা হয়। তার পর এবার দায়ের হল অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Women’s Cricket Team: ঝুলনের রেকর্ডে ভাগ বসালেন স্নেহ, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ী ভারতের মেয়েরাও

    Indian Women’s Cricket Team: ঝুলনের রেকর্ডে ভাগ বসালেন স্নেহ, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ী ভারতের মেয়েরাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোহিত-বিরাটরা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে। হরমনপ্রীতরাও পিছিয়ে নেই। দেশের মাটিতে টেস্ট ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে পর্যদুস্ত করল ভারতের মেয়েরা (Indian Women’s Cricket Team)। ভারতের ৬০৬ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে প্রোটিয়ারা ২৬৬ রানে অল আউট হয়ে যায়। দ্বীতীয় ইনিংসে তাঁরা ৩৭৩ রান করেন। জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল ৩৭ রান। সহজেই সে রান তুলে নেয়ে দেশের মেয়েরা। হরমনপ্রীতদের এই লড়াইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিসিসিআই (BCCI)সচিব জয় শাহ।

    ম্যাচ আপডেট (India Women vs South Africa Women)

    এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই টেস্ট ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত ব্যাটং করেন ভারতের শেফালি বর্মা। ১৯৪ বলে তিনি দুর্দান্ত একটি ডবল সেঞ্চুরি করেন। এই ইনিংসে তিনি ২২টি বাউন্ডারি এবং আটটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। ভারতীয় ক্রিকেট দল (Indian Women’s Cricket Team) প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট হারিয়ে ৬০৬ রান তোলার পর ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেয়। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে প্রোটিয়ারা মাত্র ২৬৬ রানে  অলআউট হয়ে যায়। প্রথম ইনিংসে একাই আট উইকেট শিকার করেছেন স্নেহ রানা (Sneh Rana)। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে লরা উলভার্ট এবং সিউন লুস দুর্দান্ত ব্যাটিং শুরু করেছিলেন। তাঁরা দুজনেই শতরান করেন। লরার ব্যাট থেকে বেরিয়ে আসে ১২২ রানের ইনিংস। অন্যদিকে সিউন ১০৩ রানের ইনিংস খেলেন। এই ইনিংসেও দুটি উইকেট নেন স্নেহ। ম্যাচে মোট ১০টি উইকেট নিয়ে ঝুলন গোস্বামীর রোকর্ডে ভাগ বসালেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে শেষপর্যন্ত ৩৭৩ রান করে এবং টিম ইন্ডিয়ার সামনে ৩৭ রানের টার্গেট রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। 


    ঝুলনের রেকর্ডে ভাগ

    ভারতের জার্সিতে যে যে মহিলা ক্রিকেটার (Indian Women’s Cricket Team) টেস্টে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন, তাঁদের মধ্য প্রথমেই রাখতে হয় ভারতীয় কিংবদন্তি ঝুলন গোস্বামীর নাম। তিনি টনটনে ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন। এরপর এই তালিকায় রয়েছেন স্নেহ রানা। ভারতের ডান হাতি বোলার স্নেহ রানা দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ২৫.৩ ওভারে ৭৭ রান খরচ করে ৮টি উইকেট নিয়েছিলেন। তাতে ছিল ৪ ওভার মেডেন। আর তিনি প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪০ ওভারে ১১১ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট।

    এই তালিকায় তিন, চার ও পাঁচ নম্বরে রয়েছেন যথাক্রমে — দীপ্তি শর্মা (২০২৩ সালে মুম্বইয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে), হরমনপ্রীত কৌর (২০১৪ সালে মাইসোরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে) এবং নীতু ডেভিড (১৯৯৫ সালে জামশেদপুরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NAAC: ন্যাকের A+ রেটিং পেল চন্দননগর মহাবিদ্যালয়! কোন পরিকাঠামো গুণে এই স্বীকৃতি

    NAAC: ন্যাকের A+ রেটিং পেল চন্দননগর মহাবিদ্যালয়! কোন পরিকাঠামো গুণে এই স্বীকৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের চেষ্টাতেই ন্যাক (NAAC) থেকে এ প্লাস (A+) রেটিং অর্জন করল চন্দননগর মহাবিদ্যালয়। বিগত দুটি দফায়, ২০০৭ এবং ২০১৬ সালে, এই মহাবিদ্যালয় B+ + গ্রেড পেয়েছিল। তৃতীয় দফার (NAAC) মূল্যায়নে ৩.৪৬ মান সহ A+ গ্রেড পেয়েছে। সর্বভারতীয় স্তরে, ১৯৯৪ সালে এই মূল্যায়ন শুরু হওয়ার পর, এটিই এখনও পর্যন্ত রাজ্যে কোনও সরকারি কলেজের সর্বাধিক গ্রেড নম্বর বলে কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি।

    বিপ্লবী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিল এই কলেজ! (NAAC)

    ফরাসি আমলে তৈরি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে নানা ধাপ পেরিয়ে কলেজ দুপ্লে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০১ সালে। পরবর্তীকালে ১৯৪৮ সালে ওই কলেজের নামকরণ হয় চন্দননগর মহাবিদ্যালয়। বিপ্লবী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে দীর্ঘ ২৩ বছর (১৯০৮-১৯৩১) বন্ধ ছিল এই প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৪ সালের ২রা অক্টোবর থেকে এই মহাবিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চ শিক্ষা দফতরের পরিচালনাধীন। ধীরে ধীরে কলেজের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে উৎকর্ষের শিরোপা আদায় করেছে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    মূলত পরিকাঠামো ও শিক্ষাব্যবস্থা কতটা উন্নত তার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রেটিং দেয় ন্যাক। গত ২৫-২৬ জুন চন্দননগর মহাবিদ্যালয়ে ন্যাকের (NAAC) মূল্যায়নকারী দলের সদস্যরা উপস্থিত হয়েছিলেন। সর্বভারতীয় স্তরে নথিভুক্ত প্রায় পঞ্চাশ হাজার কলেজের মধ্যে এক শতাংশেরও কম কিছু কলেজ এখনও পর্যন্ত A+গ্রেড পেয়েছে। ন্যাকের তরফে A+ রেটিং পেলে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের বিশেষ সুযোগ পাওয়া যায়। পাশাপাশি পড়ুয়ারাও প্লেসমেন্ট ও উচ্চশিক্ষার সময় নানা সুবিধা পায়। মহাবিদ্যালের অধ্যক্ষ দেবাশিস সরকার  বলেন, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে ১৯টি বিভাগে স্নাতক স্তরের ও ৩টি বিভাগে স্নাতকোত্তর স্তরের পঠনপাঠন চলছে। কলেজের ঐতিহ্যবাহী, প্রায় দুশ বছরের বেশি প্রাচীন, ভবনে বিপ্লবীদের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গীকৃত চন্দননগর কলেজ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয় ২০২৩ সালে। বর্তমানে নানা বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী সহ বহু দেশী-বিদেশি পর্যটকদের কাছে অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান হয়ে উঠেছে এই মিউজিয়াম। ন্যাকের পরিদর্শক দল বেশ খুশি কলেজের কাজে। পরে, এই রেটিং জানার পর আমাদের খুবই ভালো লাগছে। আরও প্রতিষ্ঠানকে উন্নত করার জন্য আমরা সবরকম উদ্যোগ গ্রহণ করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bharatiya Nyaya Sanhita: ৪২০-র বদলে ৩১৮! নতুন ফৌজদারি আইনে কলকাতায় দায়ের প্রতারণার মামলা

    Bharatiya Nyaya Sanhita: ৪২০-র বদলে ৩১৮! নতুন ফৌজদারি আইনে কলকাতায় দায়ের প্রতারণার মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে চালু হল নতুন ফৌজদারি আইন। সোমবার থেকে সেই আইনেই মামলা দায়ের হচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কলকাতাও তার অঙ্গ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-সহ (Bharatiya Nyaya Sanhita) নতুন তিন ফৌজদারি আইন চালু হওয়ার পর প্রথম মামলা দায়ের হল কলকাতায়। সোমবার প্রতারণার অভিযোগে (New Criminal Laws) বাঁশদ্রোণি থানায় দায়ের হয়েছে সেই এফআইআর। 

    কে দায়ের করলেন মামলা (Bharatiya Nyaya Sanhita) 

    সোমবার বাঁশদ্রোণি থানায় ৩১৮ (৪) ধারায় (New Criminal Laws) প্রতারণার ওই মামলাটি দায়ের করেছেন এক মহিলা। এই ৩১৮ ধারা আগে ছিল ৪২০, যা প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা হত। ওই মহিলার অভিযোগ, তাঁকে সরকারি ব্যাঙ্কের আধিকারিক সেজে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার প্রতারণা করেছেন এক ব্যক্তি। পুলিশে কাছে করা অভিযোগে ওই মহিলা জানিয়েছেন, সরকারি ব্যাঙ্কের আধিকারিক সেজে এক ব্যক্তি ভুয়ো এফডি (স্থায়ী আমানত) শংসাপত্র তৈরি করেছিলেন। সেই ভুয়ো শংসাপত্র দেখিয়েই মহিলার কাছ থেকে দফায় দফায় ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা নেন। তারপর আমানতের মেয়াদ সম্পূর্ণ হওয়ার সময় হলে তিনি ফেরার হয়ে যান। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩১৮ (৪)-সহ ৬১ (২)(এ), ২০৪, ৩১৬ (২), ৩৩৬ (৩), ৩৩৮, ৩৪০ (২) ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।

    নতুন ফৌজদারি আইন (New Criminal Laws) কার্যকর হওয়ার পর প্রথম এফআইআর দায়ের হয় মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে। একটি বাইক চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ জানান এক ব্যক্তি। রবিবার রাত ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ ওই এফআইআর দায়ের হয়। এর আগে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, নতুন আইনের অধীনে প্রথম এফআইআর দায়ের হয়েছিল দিল্লির এক হকারের বিরুদ্ধে। কিন্তু সেই খবর ঠিক নয় বলে সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • National Medical College Hospital: রোগীর আত্মীয়দের বেধড়ক মার পুলিশের, ন্যাশনাল মেডিক্যালে ধুন্ধুমার

    National Medical College Hospital: রোগীর আত্মীয়দের বেধড়ক মার পুলিশের, ন্যাশনাল মেডিক্যালে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যথা কেন সারছে না? প্রশ্ন করায় প্রথমে নার্সের অবাঞ্ছিত ব্যবহার ও পরে রোগী তাঁর পরিবারকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। খাস কলকাতার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ঘটনা (National Medical College Hospital) । অভিযোগ করতে গেলে এফআইআর না নেওয়ার অভিযোগ খোদ পুলিশের বিরুদ্ধে।  অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি করেছে আক্রান্ত পরিবার। খাস কলকাতায় (Kolkata) হাসপাতালের মধ্যেই রোগী ও তাঁর পরিবারকে লাঠিপেটা করার মারাত্মক অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে।  

    পুলিশের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ (National Medical College Hospital)  

    এক রোগীকে ইঞ্জেকশন দেওয়াকে কেন্দ্র করে বচসার সূত্রপাত। কলকাতার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (National Medical College Hospital) বাইরে রোগী সুস্থ না হওয়ায় বিক্ষোভ দেখান তাঁর আত্মীয়রা। সংশ্লিষ্ট রোগীর পরিবারের সদস্যদের উপর বেধড়ক লাঠিচার্জ করার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। লাঠি নিয়ে তেড়ে আসতে দেখা যায় সিভিক ভলন্টিয়ারকেও। ঘটনায় হুলস্থুল পড়ে যায় ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ চত্বরে। লাঠিচার্জের ভিডিও ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এনেছেন রোগীর আত্মীয়রা। হাসপাতালে সুপারের কাছে এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রোগীর শাহনওয়াজ বেগম জানিয়েছেন, তিনি রবিবার বুকে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে দুপুর বারোটা নাগাদ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে এসেছিলেন। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে দেখে বুকে ব্যথার একটি ইঞ্জেকশন লিখে দেন। হাসপাতালে দু-বার ইনজেকশন দেওয়ার পর তৃতীয়বার ইনজেকশন দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর তাঁর বুকের ব্যথা কমার বদলে আরও বেড়ে যায়। বারংবার ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরেও কেন ব্যথা বেড়ে যাচ্ছে? জিজ্ঞেস করায় নার্স এবং হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীরা দুর্ব্যবহার শুরু করেন বলে অভিযোগ। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে হাজির হয় পুলিশ এবং কয়েকজন সিভিক ভলেন্টিয়ার। অভিযোগ তাঁদের টেনে হিঁচড়ে জরুরী বিভাগ থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং গালিগালাজ করা হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্থার  অভিযোগ তুলেছেন রোগী এবং তাঁর আত্মীয়রা। এরপর হাসপাতাল চত্বরে শাহনওয়াজ বেগম এবং তাঁর স্বামীকে বেধড়ক মারধর করে পুলিশ। তাঁর ছেলেকেও লাঠির বাড়ি মারা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার ভিডিও তুলে রাখলে পুলিশ মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ভিডিও করতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই রোগীর পরিবার যে ভিডিও প্রকাশ্যে এনেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে পুরুষ পুলিশকর্মী লাঠির বাড়ি মারছেন এক ব্যক্তিকে। তাঁকে বাঁচাতে মহিলারা এগিয়ে গেলে তাঁদের লাঠির আঘাত লাগে।

    পুলিশের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার অভিযোগ  

    রোগীর পরিবারের আরও অভিযোগ তাঁরা বিষয়টি নিয়ে থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাঁদের অভিযোগ গ্রহণ না করে ফিরিয়ে দিয়েছে। এমনকি এফআইআর তো দুর-অস্ত, জিডিও নেওয়া হয়নি। রোগীর ছেলে মোহাম্মদ শাহাদাত বলেন, “আমরা থানায় গিয়েছিলাম। লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু অভিযোগ নেওয়া হয়নি। উল্টে আমাদের একটা কাগজে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমাকে, আমার মা, বাবা সকলকে মারধর করা হয়েছে। সাহায্যের জন্য আমরা আত্মীয়দের হাসপাতালে ডাকি। পুলিশ তাঁদের সাথেও খারাপ আচরণ করে। আমরা ওই পুলিশের শাস্তি চাই। হাসপাতালের (National Medical College Hospital) সিসি ক্যামেরা দেখলেই বোঝা যাবে আমরা কিছুই করিনি। তা সত্ত্বেও আমাদের মারধর করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: কোচবিহার-চোপড়া নিয়ে চাপে রাজ্য, বিধানসভায় ধর্না বিজেপির, রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    পাল্টা পুলিশের দাবি, রোগী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল চত্বরে চেঁচামেচি জুড়ে দিয়েছিলেন। তাই তাঁদের শান্ত হতে বলা হয়। কিন্তু ওরা কর্তব্যরত পুলিশের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামলাতে ব্যবস্থা নেয় পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi vs Rahul Gandhi: সংসদে রাহুল-মোদি বাকযুদ্ধ! বিরোধী দলনেতার ‘হিন্দুত্ব’ মন্তব্যে পাল্টা জবাব প্রধানমন্ত্রীর

    Modi vs Rahul Gandhi: সংসদে রাহুল-মোদি বাকযুদ্ধ! বিরোধী দলনেতার ‘হিন্দুত্ব’ মন্তব্যে পাল্টা জবাব প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দলনেতা হিসেবে প্রথমবার অষ্টাদশ লোকসভায় ভাষণ রাহুল গান্ধীর। কিন্তু বিরোধী দলনেতার প্রথম ভাষণেই তুলকালাম বাঁধল লোকসভায়। এদিন নিজের ভাষণে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) মন্তব্য করেন, ”হিন্দুরা কখনই হিংসা ছড়ায় না। কিন্তু বিজেপি গোটা দেশে হিংসা এবং ঘৃণা ছড়িয়ে চলেছে। যদিও আমাদের মনে রাখতে হবে যে বিজেপি এবং আরএসএসই সম্পূর্ণ হিন্দু সম্প্রদায় নয়।” আর কংগ্রেস নেতার এই মন্তব্যের পরেই পাল্টা জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)।   

    রাহুল গান্ধীর মন্তব্য (Modi vs Rahul Gandhi) 

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতেই সংসদে (Lok Sabha) ঝড় তুললেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস সাংসদ এদিন গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণ শানিয়ে বলেন, ”ভারতের ধারণা, সংবিধানকে বিজেপি আক্রমণ করেছে।” তিনি আরও বলেন, ”ভারতের ধারণা, সংবিধান এবং বিজেপির প্রস্তাবিত ধারণার বিরোধী লক্ষ লক্ষ লোকের উপর নিয়ম মাফিক আক্রমণ করা হচ্ছিল। আমার ওপরেও আক্রমণ শানানো হয়েছে। আমাদের বিরোধীদের অনেকের ওপরই ব্যক্তিগতভাবে হামলা হয়েছে। যারা যারা ক্ষমতা, সম্পদের কেন্দ্রীভূত করার বিরোধিতা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানানো হয়েছে এবং যারা দরিদ্র, দলিত, সংখ্যালঘু ও আদিবাসীদের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তাদেরও নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা হয়েছে। লোকজনকে জেলে ঢোকানো হয়েছে এবং হুমকি দেওয়া হয়েছে।” এরপর রাহুল গান্ধী বলেন, ”আমাদের সমস্ত মহাপুরুষরা অহিংসার কথা বলেছেন। কিন্তু, যারা নিজেদেরকে হিন্দু বলে দাবি করে, তারা শুধু হিংসা, ঘৃণা, অসত্যের কথা বলে… আপনারা হিন্দুই না।” 

    কী জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী?   

    এরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাঁড়িয়ে উঠে বলেন, ”গোটা হিন্দু সমাজকে এভাবে হিংসত্মক বলে দাবি করা হচ্ছে। এটা খুবই গুরুতর বিষয়।” এরপর রাহুল (Modi vs Rahul Gandhi) পাল্টা জবাবে বলেন, ”নরেন্দ্র মোদি সমগ্র হিন্দু সমাজ নন। বিজেপি পুরো হিন্দু সমাজ নয়। আরএসএস সমগ্র হিন্দু সমাজ নয়। এটা বিজেপির কোনও চুক্তি নয়।” 

    আরও পড়ুন: কোচবিহার-চোপড়া নিয়ে চাপে রাজ্য, বিধানসভায় ধর্না বিজেপির, রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    প্রসঙ্গত, এদিন প্রথম থেকেই সংসদে (Lok Sabha) আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন রাহুল গান্ধী। নিজের ভাষণ দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী শিবঠাকুরের একটি ছবি তুলে ধরেন। এরপর তাঁর হিন্দু মন্তব্যের জেরে সংসদে হট্টোগোল শুরু হয়। যদিও সেসময় রাহুলকে বাধা দিয়ে স্পিকার ওম বিড়লা বলেন, ”সংসদে কোনও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের নিয়ম নেই।” বিরোধী দলনেতার বক্তব্যের মাঝেই আসরে নামেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি রাহুলের হিন্দু মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। বিজেপির বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগের প্রতিবাদ করেন তিনি। বলেন, এভাবে কোনও দলকে দোষারোপ করা যায় না। এমনকি এদিন বিরোধী দলনেতাকে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share