Tag: Madhyom

Madhyom

  • Barrackpore: তোলা না দিলেই অ্যাকশন! বাইক নিয়ে রেইকি, আতঙ্কে ঘুম উড়েছে বিরিয়ানি ব্যবসায়ীর

    Barrackpore: তোলা না দিলেই অ্যাকশন! বাইক নিয়ে রেইকি, আতঙ্কে ঘুম উড়েছে বিরিয়ানি ব্যবসায়ীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশের কোড ব্যবহার থেকে বারাকপুরের (Barrackpore) প্রতিষ্ঠিত বিরিয়ানি ব্যবসায়ীর অনির্বাণ দাসের মোবাইলে ফোন আসে। কুখ্যাত দুষ্কৃতী সুবোধ সিংয়ের বাহিনী ওই ব্যবসায়ীকে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, বিরিয়ানির মালিককে ২০ লক্ষ টাকা তোলা চেয়েছে সুবোধ বাহিনীর লোকজন। আর তার জেরেই রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে ব্যবসায়ী অনির্বাণ দাসের। ঘটনার পর থেকে কার্যত নিজেকে গৃহবন্দি করে রেখেছেন ওই ব্যবসায়ী।

    ব্যবসায়ীর গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে দুই দুষ্কৃতী (Barrackpore)

    জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ী অনির্বাণবাবুর বারাকপুরের (Barrackpore) পাশাপাশি মধ্যমগ্রামে বিরিয়ানির দোকান রয়েছে। সোমবার রাত ১টা ২০ মিনিট নাগাদ তিনি গাড়ি করে বাড়ি ফিরছিলেন। মুড়াগাছা মোড় থেকে দুটি বাইক তাঁর গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে। বাইক দুটির কোনও নম্বর প্লেট ছিল না। অনির্বাণের বাড়ি বারাকপুরের মোহনপুর এলাকায়। বাড়ির কাছাকাছি আসতেই একজন বাইক আরোহী তাঁর মোহনপুর বাড়ির দিকে চলে যায়। আরেকজন অনির্বাণকে লক্ষ্য করতে থাকে। অনির্বাণ কোনওরকমে ভয়ে কর্তব্যরত এক পুলিশের সাহায্য নেন। বেগতিক বুঝে বাইক আরোহী এলাকা থেকে চলে যায়। এই ঘটনার কথা পুলিশ কমিশনারেটের কর্তাদের জানান অনির্বাণ। পুলিশ বিভিন্ন এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খোঁজার চেষ্টা করছে। দীর্ঘদিন ধরেই অনির্বাণকে ফোনে হুমকি দিত। বারুইপুর আদালতে এক দুষ্কৃতীর সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়েছিল। অনির্বাণ সেখানে গিয়ে দেখা পাননি। পরে, বারাকপুর আদালতে একবার গিয়েছিলেন। সেখানেও তিনি নিরাশ হন। তবে, গাড়ির সামনে এই রেইকির ঘটনায় চরম আতঙ্কে রয়েছেন ওই ব্যবসায়ী।

    আরও পড়ুন: ২০ টাকায় রাজি হয়নি! পুলিশের তোলাবাজি থেকে বাঁচতে দুর্ঘটনার কবলে পিকআপ ভ্যান

    তোলা না দিলেই অ্যাকশন, ঘুম উড়েছে ব্যবসায়ীর

    কয়েকদিন আগেই আগেই এক ব্যবসায়ী অজয় মণ্ডলের গাড়ি লক্ষ্য করে বেলঘরিয়ার রথতলায় পরপর ৮ রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। বিহার থেকে এসেছিল হুমকি ফোন। কোনও ক্রমে প্রাণে বেঁচে যান ওই ব্যবসায়ী। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও আতঙ্ক বারাকপুরে। ব্যবসায়ীর গাড়ি ঘিরে রেইকি করল দুষ্কৃতীরা! নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন, অনির্বাণ। তিনি বলেন, ২০ লক্ষ টাকা তোলা চাওয়া হয়েছে। না দিলে ‘অ্যাকশন’ নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। কখনও ফোন করে, কখনও মোবাইলে মেসেজ করে হুমকি দেওয়া হয়েছে। কখনও বিহার থেকে এসেছে ফোন। আতঙ্কে নিজেকে বাঁচাতে কখনও বাড়ি পাল্টাচ্ছি, আবার কখনও গাড়ি পাল্টাচ্ছি। চরম আতঙ্কে রয়েছি। প্রসঙ্গত, বছর দুয়েক আগে বারাকপুরে তাঁদের বিরিয়ানি দোকান লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়েছিল। সেবারও সেই তোলাবাজির গল্প ছিল। সেবার বিরিয়ানি ব্যবসায়ীকে টার্গেট ছিল দুষ্কৃতীদের। এবার টার্গেট ব্যবসায়ীর ছেলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “হকার উচ্ছেদ রুখতে প্রয়োজনে আমি বুলডোজারের সামনে দাঁড়াব”, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “হকার উচ্ছেদ রুখতে প্রয়োজনে আমি বুলডোজারের সামনে দাঁড়াব”, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হকার উচ্ছেদ রুখতে প্রয়োজনে আমি নিজে গিয়ে বুলডোজারের সামনে দাঁড়াব।” বুধবার কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দখলদার উচ্ছেদ করতে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে নির্দেশ দিয়েছেন, তাকে ‘অমানবিক’ আখ্যাও দিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। শুভেন্দুর সাফ কথা, তিনি বা তাঁর দল বেআইনিভাবে সরকারি জমি অধিগ্রহণের বিপক্ষে। তাঁর দাবি, রাজ্যের সর্বত্র নির্দিষ্ট একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই কাজ করতে হবে। এজন্য আগে রাজ্য সরকারকে স্ট্যান্ডার্ড ওপারেটিং প্রসিডিওয়র তৈরি করতে হবে।

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    এদিন বিকেলে কলকাতায় বিজেপির সদর দফতরে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “বিভিন্ন পুরসভা এলাকায় মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্তদের সামান্য রোজগারের ওপর ভয়াবহ অর্থনৈতিক অবরোধ নামিয়ে আনা হয়েছে। বিজেপির তরফে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা। সরকারি জমি দখলের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার যে উদ্যোগী হয়েছে, আমরা প্রথমে তা মহৎ বলে মনে করেছিলাম। কিন্তু পরে দেখলাম, সরকারি জমি আদৌ উদ্ধার হচ্ছে না। বিশেষ কয়েকটি এলাকায় সাধারণ গরিব মানুষের ক্ষতি করা হচ্ছে। সবটাই হচ্ছে ক্যামেরার সামনে। অর্থাৎ কাজের চেয়ে প্রচারের তাগিদ বেশি।”

    ‘এসওপি তৈরি করুন’

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “জেলা থেকে যে গরিব মানুষেরা প্রতিদিন কলকাতায় এসে সামান্য হকারি করে পেট চালান, এটা কি শুধু তাঁদের জন্য? না গোটা রাজ্যে এ নিয়ে কোনও নীতি তৈরি হয়েছে? আমার দাবি, প্রথমে একটি এসওপি তৈরি করুন। সরকারি জমি চিহ্নিত করুন। তারপর মানুষকে নোটিশ দিয়ে জমি ছাড়তে বলুন।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “হকার উচ্ছেদ করার পর প্রান্তিক গরিব মানুষকে বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী তো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় বলেছেন, তিনি অনেককে চাকরি দিয়েছেন। এবার কয়েক লক্ষ হকারকেও চাকরি দিন।”

    আর পড়ুন: প্রসঙ্গ মারুতি তৈরি, কংগ্রেসের আরও একটি কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এভাবে অন্যায় অত্যাচার চললে আমরা হকারদের পাশে থাকব। প্রয়োজনে আমি নিজে বুলডোজারের সামনে গিয়ে দাঁড়াব। লালবাজারের পুলিশ অন্যায়ভাবে গরিব মানুষদের ব্যবসার জিনিসপত্র তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এটা মানবতাবিরোধী কাজ।” তিনি বলেন, “কলকাতা-সহ বিভিন্ন পুরসভা এলাকায় তৃণমূলের চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে বিজেপি। এটা ওদের সেই হারের জ্বালার বহিঃপ্রকাশ (Suvendu Adhikari)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorist Arrest: হাবিবুল্লা গ্রেফতার হতেই নদিয়া ছেড়ে বাংলাদেশ পালানোর ছক কষেছিল হেরাজ

    Terrorist Arrest: হাবিবুল্লা গ্রেফতার হতেই নদিয়া ছেড়ে বাংলাদেশ পালানোর ছক কষেছিল হেরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ‘শাহাদাত’ জঙ্গি সংগঠনের এরাজ্যে অন্যতম মাথা মহম্মদ হাবিবুল্লার সঙ্গে যোগ ছিল হেরাজ শেখ (Terrorist Arrest) নামে বছর ২৭ এর যুবকের। তার বাড়ি নদিয়ার মায়াপুর। জঙ্গি যোগে সে গ্রেফতার হওয়ায় কিছুটা হতবাক এলাকার মানুষ।

    ছোট্ট ওই বদ্ধ ঘরে মোবাইলে বুঁদ হয়ে থাকত হেরাজ (Terrorist Arrest)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হেরাজের (Terrorist Arrest) জন্মের এক বছরই পরই তার বাবা মাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিল। এরপর থেকে মা, ভাইয়ের সঙ্গে মামার বাড়িতে থাকত হেরাজ। মামার বাড়ির পাশেই একটি ছোট্ট ঘরে থাকত তারা। জানা যাচ্ছে, হেরাজের মা অসুস্থতার কারণে বেশিরভাগ সময়ই কাটাতেন বদ্ধ ঘরেব মধ্যে। হেরাজ  শারীরিকভাবে কিছুদিন অসুস্থ ছিল। অসুস্থতার কারণে তিন বছর ধরে সেরকম কোনও কাজ করতে পারেনি। পরে কখনও রাজমিস্ত্রির জোগাড়ে খেটে, কখনও আবার শ্রমিকের কাজ করে টাকা জমিয়ে একটি মোবাইল কিনেছিল। ছোট্ট ওই কাজ করে টাকা জমিয়ে একটি মোবাইল কিনেছিল। ছোট্ট ওই বদ্ধ ঘরে মোবাইলই ছিল হেরাজের সঙ্গী। সেই মোবাইলে হাত দেওয়ার অধিকার ছিল না পরিবারের কারও। বন্ধুদের সঙ্গে ফোন কথাবার্তা হত। তার মধ্যে কখন কার সঙ্গে কী কথা বলত, তা পুরোপুরি অজানা পরিবারের সদস্যদের কাছে।

    বাংলাদেশ পালানোর ছক কষেছিল হেরাজ

    এসটিএস অফিসাররা জানিয়েছেন, হেরাজ (Terrorist Arrest) ও হাবিবুল্লাকে জেরা করে এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনের নাম পাওয়া গিয়েছে। হাবিবুল্লার গ্রেফতারির খবর জানাজানি হতে ধরা পড়ার ভয়ে নদিয়া ছেড়ে পালানোর ছক কষেছিল সে। মূলত, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ চলে যাওয়ার ছক কষেছিল সে। তার আগেই এসটিএফের হাতে সে ধরা পড়ে। হাবিবুল্লার মতো হারেজও কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্র ছিল। পড়ত নবদ্বীপ কলেজে। তবে আর্থিক কারণে প্রথম বর্ষের পর পড়়া ছেড়ে দেয়। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, কয়েকমাস আগে টেলিগ্রামের মাধ্যমে শাহাদাতের সঙ্গে যুক্ত হয় সে। রাজ্যে ১৫ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। তবে, হেরাজের দাবি, তার হাত ধরে কেউ নিয়োগ হয়।

    আরও পড়ুন: ২০ টাকায় রাজি হয়নি! পুলিশের তোলাবাজি থেকে বাঁচতে দুর্ঘটনার কবলে পিকআপ ভ্যান

    মানসিকভাবে সুস্থ নয়, দাবি পরিবারের

    মানসিকভাবে সুস্থ নয় বলে দাবি করেছেন তার দাদু হায়দার শেখ। তিনি বলেন, ‘ ওর কানে সমস্য রয়েছে। লকডাউনের আগে বেশ কয়েকবার ডাক্তার দেখাতে হয়েছিল। বছর তিনেক আগে হারেজের দুই কানে  অপারেশন করাতে হয়েছিল। তারপর থেকে কিছু জিজ্ঞেস করলে ঠিক উত্তর দেয় না। কোনও কাজ করে না, আমরাও আর ওকে কিছু বলি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Zika Virus: চিকিৎসকের শরীরে মিলল জিকা ভাইরাস, আক্রান্ত কিশোরী কন্যেও

    Zika Virus: চিকিৎসকের শরীরে মিলল জিকা ভাইরাস, আক্রান্ত কিশোরী কন্যেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষা শুরু হতেই উপদ্রব বাড়ছে মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের। এবার প্রকাশ্যে এল জিকা ভাইরাসে (Zika Virus) আক্রান্ত হওয়ার খবর। যিনি আক্রান্ত হয়েছেন তিনি নিজেই পেশায় চিকিৎসক। মহারাষ্ট্রের পুণের এই ঘটনায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক।

    জিকা ভাইরাস (Zika Virus)

    জানা গিয়েছে, দিন কয়েক ধরে জ্বরে ভুগছিলেন বছর ছেচল্লিশের ওই চিকিৎসক ও তাঁর কিশোরী কন্যা। জ্বর না সারায় তাঁদের ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। রক্তের নমুনা পাঠানো হয় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে। সেখানে রক্ত পরীক্ষায় জানা যায়, জিকা ভাইরাসে (Zika Virus) আক্রান্ত পিতা-পুত্রী। যদিও তাঁদের পরিবারের অন্য সদস্যদের রক্তে জিকা ভাইরাসের সন্ধান মেলেনি। জিকা ভাইরাস ডিজিজ একটি মশাবাহিত রোগ। এই রোগের ভাইরাস বহন করে এডিস মশা। এই এডিস মশাই ছড়ায় ডেঙ্গি, চিকুনগুনিয়া এবং ইয়োলো ফিভার। এই মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়।

    রোগের লক্ষণ

    এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির হালকা জ্বর হবে। সারা গায়ে ফুসকুড়ি দেখা দেবে। মাথাব্যথা করবে। পেশি এবং গাঁটে গাঁটে ব্যথা হবে। চোখের নীচে হবে প্রদাহ। এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির স্নায়বিক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। কোনও গর্ভবতী এই রোগে ভুগলে তাঁর শিশুর দেখা দিতে পারে জন্মগত ত্রুটি। পুণে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট হেল্থ অফিসার রাজেশ দিঘে বলেন, “৪৬ বছরের এক চিকিৎসক ও তাঁর কিশোরী মেয়ে যাঁরা পুণে শহরের এরান্ডওয়ান এলাকার বাসিন্দা, তাঁদের শরীরে জিকা ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। দুজনকেই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকের শরীরে জিকা ভাইরাসের লক্ষণ দেখে রক্তের নমুনা পাঠানো হয়েছিল পুণের এনআইভিতে। ২১ জুন রিপোর্ট মেলে। তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদেরও নমুনা পাঠানো হয়েছিল। তাতেই জানা যায়, তাঁর মেয়েও এই ভাইরাসে আক্রান্ত। যদিও পরিবারের অন্য সদস্যদের শরীরে এই ভাইরাসের সন্ধান মেলেনি।”

    আর পড়ুন: জরুরি অবস্থা নিয়ে স্পিকারের মন্তব্য, হট্টগোলে মুলতুবি লোকসভার অধিবেশন

    তিনি জানান, এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রুখতে এলাকাবাসীকে তাঁদের বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, জিকা ভাইরাসের (Zika Virus) প্রথম সন্ধান মেলে ১৯৪৭ সালে, আফ্রিকার উগান্ডায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mithun Chakraborty: গায়ের রং-এর জন্য অপমানিত! বলিউডে এক সময় মিঠুন ছিলেন গরিবের অমিতাভ

    Mithun Chakraborty: গায়ের রং-এর জন্য অপমানিত! বলিউডে এক সময় মিঠুন ছিলেন গরিবের অমিতাভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও রকম বিশেষ সুবিধা ছাড়াও যে বলিউডে বড় তারকা হওয়া যায় তা প্রমাণ করে দেখিয়েছিলেন বাংলার ছেলে মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। কলকাতা থেকে গিয়ে এক অচেনা অজানা শহরে সহায় সম্বলহীন ভাবে দিনের পর দিন পরিশ্রম করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। বলিউডে পা রাখার পর, প্রথমদিকে নাকি টেম্পো-তে চড়েও যাতায়াত করতে হয়েছিল মিঠুনকে। গায়ের রং কালো বলে শুনতে হয়েছিল কটুক্তিও। আবার সেই বলিউডেই এক সময় অমিতাভ বচ্চনের (Amitabh Bachchan) সঙ্গে তুলনা করা হত তাঁর।

    মিঠুনের আগমন

    সালটা ছিল ১৯৭৬, সেবছরই পরিচালক মৃণাল সেনের ‘মৃগয়া’ ছবির হাত ধরে অভিনয় জীবনে পা রেখেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। প্রথম ছবিতে অভিনয়ের পরই সেরা অভিনেতা হিসাবে জাতীয় পুরস্কার জিতে নিয়েছিলেন মিঠুন। পরবর্তী সময়ে মুম্বইতে গিয়ে তারকা হয়ে ওঠেন মিঠুন চক্রবর্তী। ১৯৭৯ সালে রাজশ্রী প্রোডাকশনের ‘তারনা’ ছবির হাত ধরে বলিউডে পথ চলা শুরু হয়েছিল তাঁর। তারপর ১৯৮২ সালে ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ ছবিতে অভিনয়ের পর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি, জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছেছিলেন। 

    গায়ের রং কালো

    মুম্বইয়ে গিয়ে একটা লম্বা সময় ধরে সংগ্রাম করতে হয়েছিল মিঠুনকে (Mithun Chakraborty)। বলিউডে তাঁর কোনও চেনা পরিচিতি ছিল না। এমনকি গায়ের রং কালো বলে পরিচালকরাও অপমান করতেন তাঁকে। তবুও তথাকথিত কোনো গডফাদার ছাড়াই নিজের পরিশ্রম এবং প্রতিভার জোরে নিজের ভবিষ্যৎ নিজে লিখেছেন বাগবাজারের ছেলে। আশির দশকের সুপারস্টারদের মধ্যে একজন ছিলেন ‘ডিস্কো কিং’। বিগ বি-র ঔজ্জ্বল্যের সামনে যখন ফিকে পড়ে যাচ্ছিলেন অন্য অভিনেতারা। তখন ব্যতিক্রম ছিলেন মিঠুন। অমিতাভের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সিনেমায় অভিনয় করছিলেন তিনি। সে সময়েই তিনি তকমা পান ‘গরিবের অমিতাভ বচ্চন’ (Gareebon ka Amitabh)।

    আরও পড়ুন: কল্কি কে? ট্রেলারের ধোঁয়াশা কাটিয়ে জানতে হলে যেতে হবে হলে

    অমিতাভের সঙ্গে সম্পর্ক

    এক সাক্ষাৎকারে অমিতাভকে ‘শতাব্দীর সেরা তারকা’ আখ্যা দিয়ে মিঠুন (Mithun Chakraborty) বলেছিলেন, “সে সময়ে বচ্চন সাব সব বড় ব্যানারের সিনেমা করতেন। আর আমার কাছে কোনও ব্যানারই ছিল না। কিন্তু আমার ছবির ব্যবসাও প্রায় ওঁর কাছাকাছিই যেত। মানুষ বলত, এ-ও অমিতাভ বচ্চন, কিন্তু গরিবের’’। লোকের ঠাট্টায় খুশিই হয়েছিলেন মিঠুন। অভিনেতার কথায়, এটা তাঁর কাছে সবথেকে বড় প্রশংসা ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Adjourned: জরুরি অবস্থা নিয়ে স্পিকারের মন্তব্য, হট্টগোলে মুলতুবি লোকসভার অধিবেশন

    Lok Sabha Adjourned: জরুরি অবস্থা নিয়ে স্পিকারের মন্তব্য, হট্টগোলে মুলতুবি লোকসভার অধিবেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হট্টগোলের জেরে মুলতুবি হয়ে গেল লোকসভার অধিবেশন (Lok Sabha Adjourned)। তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন এনডিএর নেতা বিজেপির নরেন্দ্র মোদি। স্পিকার মনোনীত হয়েছেন ওম বিড়লা। স্পিকার হিসেবে বুধবারই ছিল তাঁর প্রথম বক্তৃতা। আর এদিনই বিরোধীদের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন নয়া স্পিকার।

    ‘জরুরি অবস্থার কালো দিন’ (Lok Sabha Adjourned)

    স্পিকার হিসেবে প্রথম বক্তৃতায়ই ‘জরুরি অবস্থার কালো দিনে’র প্রসঙ্গ টানেন ওম। জরুরি অবস্থার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাংসদদের দু’মিনিট নীরবতা পালন করতেও বলেন। জনগণের জীবনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর স্বৈরাচারী শাসনের ক্ষতিকর প্রভাবও তুলে ধরেন তিনি। স্পিকার বলেন (Lok Sabha Adjourned), “এই হাউস ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা জারির তীব্র বিরোধিতা করছে। একই সঙ্গে যাঁরা জরুরি অবস্থার বিরোধিতা করেছিলেন, ভারতের গণতন্ত্র রক্ষায় সচেষ্ট হয়েছিলেন, তাঁদের অ্যাপ্রিসিয়েট করছে।” তিনি বলেন, “১৯৭৫ সালের ২৫ জুন ভারতের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবেই থেকে যাবে।”

    কী বলছেন বিরোধীরা?

    স্পিকারের এহেন বক্তব্যের প্রবল বিরোধিতা করেন বিরোধীরা। ‘দেশ কো জেল বানা দিয়া হ্যায়’, ‘তানাশাহি বন্ধ কর’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’-র সাংসদরা। এদিকে, দেশে জরুরি অবস্থা জারির জন্য কংগ্রেসকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করতে থাকেন এনডিএর সাংসদরা। বাদানুবাদের জেরে চরমে ওঠে হট্টগোল। তখনই এদিনের মতো সভা মুলতুবি করে দেন স্পিকার।

    এদিকে, লোকসভার অধ্যক্ষের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গলায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, “মাননীয় স্পিকার জরুরি অবস্থার তীব্র নিন্দা করেছেন, সেই সময় ঘটনার বাড়াবাড়িগুলো তুলে ধরেছেন এবং যেভাবে গণতন্ত্রের শ্বাসরোধ করা হয়েছিল, তারও উল্লেখ করেছেন। এতে আমি আনন্দিত। সেই দিনগুলিতে যাঁরা নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, তাঁদের সম্মানে নীরবতা পালন করাও দুর্দান্ত পদক্ষেপ।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “৫০ বছর আগে জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও, আজকের যুবকদের এই ঘটনা সম্পর্কে জানা উচিত।” তিনি জানান, সংবিধানকে উপেক্ষা করা হলে, জনমতকে দাবিয়ে দেওয়া হলে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হলে কী ঘটে, তার উপযুক্ত উদাহরণ হল জরুরি অবস্থা। তিনি লিখেছেন, “জরুরি অবস্থার সময় যা ঘটেছিল, তা স্বৈরাচারী শাসনের উদাহরণ (Lok Sabha Adjourned)।”

    আর পড়ুন: আয়কর দিতে হবে মন্ত্রীদেরই, বড় সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রদেশ সরকারের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Siliguri: তিলক কেটে ছাত্রীকে স্কুলে না আসার ফতোয়া! অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    Siliguri: তিলক কেটে ছাত্রীকে স্কুলে না আসার ফতোয়া! অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের পর এবার শিলিগুড়ি (Siliguri)। সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী স্কুলে তিলক কেটে যাওয়ায় এক শিক্ষিকা তাতে আপত্তি করেন। এই ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হয়। এই বিতর্ককে সামনে রেখে বুধবার স্কুলে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির মাটিগাড়া ব্লকের মেডিক্যাল মোড় ঠিকনিকাটা জুনিয়র হাইস্কুলে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুর্শিদাবাদেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে অভিভাবক ও এলাকার বাসিন্দারা খোল-কর্তাল নিয়ে নাম-সংকীর্তণ করে স্কুলে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। 

     ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Siliguri)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ঠিকনিকাটা (Siliguri) জুনিয়র হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী রত্না বর্মন ও তার পরিবারের সকলে ইসকনের ভক্ত। মঙ্গলবার স্কুলে রত্না কপালে তিলক কেটে স্কুলে গিয়েছিল। রত্না বলে, শিউলি ম্যাম আমাকে স্কুলে তিলক কেটে আসতে মানা করেন। বাড়িতে গিয়ে মা’কে বলি। তারপর বাবা ও পাড়ার সকলে বিষয়টি জানতে পারে। বাবা-মা,পাড়ার সকলে এবং ইসকনের সদস্যরা বুধবার স্কুলে এসে মঙ্গলবারের ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। তাই এদিন তিলক কেটে স্কুলে এসেছি। ম্যাম আর কিছু বলেননি। 

    আরও পড়ুন: ২০ টাকায় রাজি হয়নি! পুলিশের তোলাবাজি থেকে বাঁচতে দুর্ঘটনার কবলে পিকআপ ভ্যান

     অভিভাবকদের কী বক্তব্য?

    এদিন সকালে স্কুল খুলতেই দল বেধে অভিভাবক ও ইসকনের শিষ্যরা জমায়েত হন। অভিযুক্ত শিক্ষিকা শিউলি পালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। জানতে চান, কেন রত্না বর্মনকে তিলক কেটে আসতে মানা করা হয়েছে। এক অভিভাবক মলয় সরকার বলেন, স্কুলের শিক্ষিকা  এভাবে তিলক কেটে আসতে মানা করায় হিন্দুধর্মের আবেগে আঘাত করেছেন। এর প্রতিবাদ জানাতে এদিন আমরা স্কুলে এসে ওই শিক্ষিকার কাছে জানতে চাই, স্কুলের কোন নিয়মে লেখা রয়েছে যে তিলক কেটে কেউ স্কুলে আসতে পারবে না। শিক্ষিকা এব্যাপারে সদুত্তর দিতে পারেননি। এতে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। শেষে সকলের সামনে তিনি ক্ষমা চেয়ে নেওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

     ক্ষমা চাইলেও অভিযোগ মানছেন না শিক্ষিকা

    শিক্ষিকা শিউলি পাল বলেন, এদিন অভিভাবকরা স্কুলে জমায়েত হওয়ায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে। তাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য আমি ক্ষমা চেয়ে নিই। তবে, আমি ওই ছাত্রীকে তিলক কেটে আসতে মানা করিনি। রত্নার বাবা নির্মল বর্মন বলেন, আমার মেয়ে মিথ্যা কথা বলে না। নিজেকে বাঁচাতে শিক্ষিকা এখন এসব কথা বলছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: ভোট মিটতেই শওকত -আরাবুল সংঘাত! টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েতের টিকিট দেওয়ার অভিযোগ

    Arabul Islam: ভোট মিটতেই শওকত -আরাবুল সংঘাত! টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েতের টিকিট দেওয়ার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীকে খুন করার চক্রান্ত করেছে আরাবুল।” এবার ভাঙড়ের জেলবন্দি নেতা আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা। প্রকাশ্য সভা থেকে শওকতের (Saokat Molla) দাবি, আরাবুলের কাজকর্মে ক্ষুব্ধ ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল বিধায়কের অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোটে টিকিট দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন আরাবুল। নিজের ছেলেকে জেলা পরিষদের টিকিট পাইয়ে দিতে তাঁর কাছে দরবার করেছেন।

    শওকত মোল্লার মন্তব্য (Saokat Molla) 

    এ প্রসঙ্গে শওকত মোল্লা বলেন, “পঞ্চায়েত সদস্য ও পঞ্চায়েত প্রধান করার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছে আরাবুল (Arabul Islam)। যে তথ্য সামনে এসেছে, তার প্রত্যেক বিষয়ে তদন্ত হবে। সে বিষয়ে পদক্ষেপও করা হবে। আমাদের সামনে অনেক তথ্য এসেছে। সেগুলো সময় মতো সামনে আনা হবে।” শওকত মোল্লার দাবি, জেলা পরিষদ সদস্য খাদিজা বিবি দলের সঙ্গে গদ্দারি করেছেন। তাঁদেরকে দলের কোনও মিছিলে ডাকা হবে না। প্রশাসনিকভাবে যাতে ওঁরা কোনও সহযোগিতা না পান, সে চেষ্টা করা হবে।

    আগে কী ঘটেছিল? 

    লোকসভা ভোটের আগে পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়নে এক আইএসএফ সমর্থকের মৃত্যুর মামলায় ভাঙড় ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে জেলবন্দি রয়েছেন তিনি। এরপর লোকসভা নির্বাচনে ভাঙড় থেকে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন যাদবপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সায়নী ঘোষ। মঙ্গলবার দলীয় নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানাতে ভাঙড় কলেজের মাঠে সভার আয়োজন করেছিল তৃণমূল। সেখানে হাজির ছিলেন ওই বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের দায়িত্বপ্রাপ্ত শওকত মোল্লাও। সেখানেই জেলবন্দি আরাবুলের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: ফের গুলির লড়াইয়ে কেঁপে উঠল ভূস্বর্গ! এনকাউন্টারে খতম দুই জঙ্গি

    তৃণমূল বিধায়ক শওকতের (Saokat Molla) দাবি, দিন দুয়েক আগে তিনি একটি চিঠি পান। তাতে ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার একটি হিসাব পেয়েছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, পঞ্চায়েত ভোটের টিকিট দেওয়ার নাম করে কারও কাছ থেকে ৬ লক্ষ, তো কারও কাছ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তোলা হয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান করার জন্য ২৫ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। আর এ সবের মূলে ছিলেন আরাবুল। তিনি বলেন, এসব ছাড়াও আরাবুলের (Arabul Islam) বিরুদ্ধে আরও অনেক অপকর্মের অভিযোগ এসেছে। সমস্ত অভিযোগের তদন্ত হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sudha Murty: “কালাম ফোন করেছেন ভাবতেই পারিনি”, কী বললেন সুধা মূর্তি?

    Sudha Murty: “কালাম ফোন করেছেন ভাবতেই পারিনি”, কী বললেন সুধা মূর্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত রাষ্ট্রপত এপিজে আবদুল কালামের ফোন ধরতে চাননি ভারতীয় শিক্ষাবিদ, লেখিকা তথা রাজ্যসভার সাংসদ (Rajya Sabha MP) সুধা মূর্তি (Sudha Murty)। সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে এই কথা জানিয়েছেন তিনি। সেদিনের স্মৃতিচারণা করে ট্যুইটও করেছেন সুধা। তিনি ভেবেছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি কালাম সে সময় তাঁর স্বামী ইনফোসিস কর্তা নারায়ণ মূর্তিকে ফোন করেছিলেন। কিন্তু পরে জানতে পারেন কালাম তাঁকেই ফোন করেছিলেন। 

    সুধার স্মৃতিচারণা

    সুধা (Sudha Murty) বলেন, “একদিন, আমি একটি কল পেয়েছিলাম যে মিঃ আব্দুল কালাম আপনার সাথে কথা বলতে চান। আমি (অপারেটরকে) বলেছিলাম আব্দুল কালামের সঙ্গে আমার কথা হতে পারে না। ভুল হচ্ছে হয়তো কলটি নারায়ণ মূর্তির জন্য হতে পারে। মিস্টার মূর্তির পরিবর্তে, আপনি মিসেস মূর্তির সাথে সংযোগ করেছেন।” কিন্তু ওই অপারেটর তাঁকে জানান, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি তাঁর সঙ্গেই কথা বলতে চান। সুধার কথায়, তিনি ভাবতে থাকেন কেন কালাম তাঁকে ফোন করছেন। এরপর তিনি জানতে পারেন তাঁর একটি লেখার প্রশংসা করার জন্যই কালাম তাঁকে ফোন করেছেন।

    সুধার কর্মজীবন

    ভারতীয় শিক্ষাবিদ এবং লেখক সুধা মূর্তিকে (Sudha Murty) সম্প্রতি রাজ্যসভায় সাংসদ (Rajya Sabha MP) হিসাবে মনোনীত করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সমাজসেবা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ইনফোসিসের কর্তা নারায়ণ মূর্তির স্ত্রী সুধা শিক্ষাবিদ, বিশিষ্ট লেখিকা হিসাবে পরিচিত। ১৯৫০ সালে ১৯ অগস্ট কর্নাটকে জন্মগ্রহণ করেন সুধা। তিনি নিজে এক জন ইঞ্জিনিয়ার। নারায়ণ মূর্তির স্ত্রী তাঁর কর্মজীবন শুরু করেছিলেন ‘টাটা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড লোকোমোটিভ কোম্পানি’তে। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে তিনি কাজ করেছেন। শুধু তা-ই নয়, বেঙ্গালুরুর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিকা হিসাবেও কাজ করেছেন সুধা। কন্নড়, মারাঠি, ইংরেজি-সহ বিভিন্ন ভাষায় তাঁর ৪০টির বেশিও বই আছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে একাধিক কলম লিখেছেন তিনি। ২০০৬ সালে সুধাকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। ২০২৩ সালে তিনি পান পদ্মভূষণ সম্মান। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: ৮ বছর আগে যাত্রীর ব্যাগ চুরি, রেলকে লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ কমিশনের

    Indian Railway: ৮ বছর আগে যাত্রীর ব্যাগ চুরি, রেলকে লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রেনে লাগেজ নিয়ে যাওয়ার সময় চুরির ঘটনায় (Indian Railway) রেলকে জরিমানা করল কনজিউমার কমিশন। ২০১৬ সালে এক মহিলা যাত্রীর ব্যাগ চুরি হয়ে যায়। যাতে ৮০ হাজার টাকা জিনিস ছিল। সেই চুরি যাওয়া ব্যাগ উদ্ধার করে না দিতে পারা এবং যাত্রীর হয়রানির জন্য এবার ওই মহিলা যাত্রীকে ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হল রেল কর্তৃপক্ষকে।

    যাত্রীকে হেনস্থার অভিযোগ (Indian Railway)

    জানা গিয়েছে ঝাঁসি ও গোয়ালিয়ার স্টেশনের মাঝে ২০১৬ সালে ওই ব্যাগ চুরি হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটেছিল মালওয়া এক্সপ্রেসে। যাত্রীর অভিযোগ ছিল (Indian Railway) রেল তাঁদের সুরক্ষার দায়িত্ব নেয়নি। এমনকি কোন স্টেশনে অভিযোগ জানাতে হবে তা নিয়ে রেল পুলিশ কর্তৃপক্ষ যাত্রীকে সঠিক নির্দেশ দিতে পারেনি। ওই মহিলা নিউ দিল্লী স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠেছিলেন এবং নেমেছিলেন ইন্দোর স্টেশনে। রেল পাল্টা দাবি করে ওই যাত্রীর অবহেলাই ছিল চুরির কারণ। কিন্তু সে কথায় আমল দেয় নি কমিশন।

    চুরির জন্য রেলকেই দায়ী করল কমিশন

    কমিশনের সভাপতি জীত সিং এবং রশ্মি বনসল চুরি এবং যাত্রীর হয়রানির জন্য রেলের কর্মীদের দায়ী করেছেন। এদিকে যাত্রীর অভিযোগ ছিল তিনি এফ আই আর করার জন্য বিভিন্ন স্টেশনে ঘুরেছেন। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। কোন স্টেশনের কত দূরে এবং কত নম্বর পিলারের কাছে তাঁর ব্যাগ খোয়া যায় তা জানতে এবং সেখানে গিয়ে খুঁজে দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। অর্থাৎ সব রকম ভাবে রেল পুলিশ তাঁকে হয়রান করে বলে অভিযোগ। পরে অবশ্য গড়িমসি করে তদন্ত শুরু হয়। কিন্তু সেই ব্যাগ আর ফেরত পাওয়া যায়নি। রেলের (Indian Railway)  বিরুদ্ধে পরিষেবায় ঘাটতি এবং অবহেলার অভিযোগ তোলেন ওই যাত্রী।

    লক্ষাধিক টাকা জরিমানা মেটাল রেল

    দুপক্ষের শুনানির পর কমিশনের নির্দেশ, পরিষেবা বা সুরক্ষায় খামতির অভাবে চুরির ঘটনায় অবিলম্বে ৮০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে (Indian Railway) রেলকে। এছাড়াও মামলা চালাবার খরচ বাবদ ৮ হাজার টাকা দিতে হবে। অতিরিক্ত ২০ হাজার দিতে হবে ক্ষতিপূরণ বাবদ। প্রসঙ্গত রেলের চুরির ঘটনা নতুন কিছু নয়। রেল কর্তৃপক্ষের দাবি আগের তুলনায় চুরি

    আরও পড়ুন: বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম থানায় ৪৭টি অভিযোগ, কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না, জানাল হাইকোর্ট

    ছিনতাইয়ের ঘটনা অনেকটাই কমেছে। কিন্তু এখনও চুরি যে হয় তা মেনে নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। তবে রেলের ডাকাতির ঘটনা অনেকটাই কমেছে আগের তুলনায়। এমন কি এখনও ছোটখাটো চুরির ঘটনায় রেল পুলিশ এফআইআর নিতে গড়িমসি করে বলে অভিযোগ।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share