Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope 11 June 2024: আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে, এতে কান দেবেন না

    Daily Horoscope 11 June 2024: আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে, এতে কান দেবেন না

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে আজকের দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে। এতে মনে খুশি আসবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন। 

    বৃষ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে। 

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) অতিরিক্ত কাজের চাপে শরীরে ব্যথাবেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    কর্কট

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা। সতর্ক থাকুন।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণাবোধ দেখা দিতে পারে। 

    সিংহ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ প্রকাশ থেকে সংযত থাকুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি। 

    কন্যা

    ১) খরচ বাড়তে পারে। হিসাব করে চলুন।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে। 

    তুলা

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে, এতে কান দেবেন না।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে। 

    বৃশ্চিক

    ১) রক্তহীনতা বাড়তে পারে। ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ। 

    ধনু

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট। ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ। বিশ্রাম নিন।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা। 

    কুম্ভ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন। মনোমালিন্য করবেন না কারও সঙ্গে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে। 

    মীন

    ১) কর্মস্থানে সহকর্মীদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি। ভেবো চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বাকিরা কে কোন দফতর পেলেন?

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বাকিরা কে কোন দফতর পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার, ৯ জুন তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন বিজেপির নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শপথ নেওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই নয়া মন্ত্রিসভার সদস্যদের মন্ত্রক ভাগ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার বসেছিল মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। সেখানেই ভাগ করে দেওয়া হয় দায়িত্ব।

    পূর্ণমন্ত্রী (PM Modi)

    নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি তাঁর হাতে থাকছে কর্মীবর্গ, জনসাধারণের অভিযোগ, অবসরকালীন ভাতা, পারমাণবিক শক্তি এবং মহাকাশ মন্ত্রক।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক – রাজনাথ সিং

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক – অমিত শাহ

    অর্থমন্ত্রক – নির্মলা সীতারামণ

    সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক – নীতিন গডকরি

    বিদেশমন্ত্রক – এস জয়শঙ্কর

    কৃষিমন্ত্রক – শিবরাজ সিং চৌহান

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রক – জিতন রাম মাঝি

    নগরোন্নয়ন ও বিদ্যুৎ – মনোহর লাল খট্টর

    স্বাস্থ্যমন্ত্রক – জেপি নাড্ডা

    মহিলা ও শিশুকল্যাণমন্ত্রক – অন্নপূর্ণা দেবী

    বন্দর, জাহাজ (PM Modi) ও জল পরিবহণমন্ত্রক – সর্বানন্দ সোনোয়াল

    শিক্ষামন্ত্রক – ধর্মেন্দ্র প্রধান

    অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক – রামমোহন নাইডু

    রেল ও তথ্য এবং প্রযুক্তি মন্ত্রক – অশ্বিনী বৈষ্ণব

    টেলিকম ও উত্তরপূর্ব ভারত উন্নয়ন মন্ত্রক – জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া

    বাণিজ্যমন্ত্রক – পীযূষ গোয়েল।

    ভারী শিল্প ও ইস্পাতমন্ত্রক – এইচ ডি কুমারস্বামী

    পঞ্চায়েত, মৎস্য ও পশু প্রতিপালন এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রক – লালন সিং

    সামাজিক ন্যায়মন্ত্রক – বীরেন্দ্র কুমার

    ক্রেতা সুরক্ষামন্ত্রক – প্রহ্লাদ জোশী

    আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রক – জুয়েল ওঁরাও

    বস্ত্রমন্ত্রক – গিরিরাজ সিং

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন – ভূপেন্দ্র যাদব

    সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রক – গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত

    সংখ্যালঘু বিষয়ক ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রক – কিরেন রিজিজু

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রক – হরদীপ সিং পুরী

    শ্রম ও যুবকল্যাণ এবং ক্রীড়ামন্ত্রক – মনসুখ মাণ্ডব্য

    খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রক – চিরাগ পাশোয়ান

    কয়লা ও খনিমন্ত্রক – জি কিষান রেড্ডি

    জলশক্তিমন্ত্রক – সিআর পাটিল

    রাষ্ট্রমন্ত্রীর তালিকা

    জাহাজ রাষ্ট্রমন্ত্রী – শান্তনু ঠাকুর

    বিদ্যুৎ রাষ্ট্রমন্ত্রী – শ্রীপদ নায়েক

    সড়ক পরিবহণ রাষ্ট্রমন্ত্রী – অজয় টামটা, হর্ষ মালহোত্রা

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প রাষ্ট্রমন্ত্রী – শোভা করন্দলাজে

    শিক্ষা ও উত্তর ভারত উন্নয়নমন্ত্রক রাষ্ট্রমন্ত্রী – সুকান্ত মজুমদার

    বাণিজ্য ও শিল্প এবং ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি রাষ্ট্রমন্ত্রী – জিতিন প্রসাদ

    অর্থ রাষ্ট্রমন্ত্রী – পঙ্কজ চৌধুরী

    কো-অপারেশন রাষ্ট্রমন্ত্রী – কৃষ্ণণ পাল

    সামাজিক ন্যায় ও উন্নয়ন – রামদাস আঠাওয়ালে

    কৃষি রাষ্ট্রমন্ত্রী – রামনাথ ঠাকুর

    স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী – নিত্যানন্দ রাই

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, রাসায়নিক ও সার – অনুপ্রিয়া প্যাটেল

    জলশক্তি ও রেল রাষ্ট্রমন্ত্রী – ভি সোমান্না

    গ্রামোন্নয়ন ও যোগাযোগ রাষ্ট্রমন্ত্রী – চন্দ্রশেখর পেম্মাসানি

    মৎস্য, পশু প্রতিপালন, দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ ও পঞ্চায়েত রাষ্ট্রমন্ত্রী – এসপি সিং বাঘেল

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও বিদেশ রাষ্ট্রমন্ত্রী –কীর্তি বর্ধন সিং

    ক্রেতাসুরক্ষা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সামাজিক ন্যায় ও উন্নয়ন রাষ্ট্রমন্ত্রী বিএল বর্মা

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস, পর্যটন রাষ্ট্রমন্ত্রী – সুরেশ গোপী

    তথ্য ও সম্প্রচার, সংসদীয় বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী – এল মুরুগণ

    স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী – বন্দি সঞ্জয় কুমার

    গ্রামোন্নয়ন রাষ্ট্রমন্ত্রী – কমলেশ পাশওয়ান

    কৃষি রাষ্ট্রমন্ত্রী – ভগীরথ চৌধুরী

    কয়লা ও খনি রাষ্ট্রমন্ত্রী – সতীশ চন্দ্র দুবে

    প্রতিরক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী – সঞ্জয় শেঠ

    খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও রেল রাষ্ট্রমন্ত্রী –রভনীত সিং বিটু

    আদিবাসী বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী – দুর্গাদাস

    যুবকল্যাণ ও ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী – রক্ষা নিখিল খাদসে

    মহিলা ও শিশুকল্যাণ রাষ্ট্রমন্ত্রী – সাবিত্রী ঠাকুর

    আবাসন ও নগরোন্নয়ন রাষ্ট্রমন্ত্রী – তোখান সাহু

    জলশক্তি রাষ্ট্রমন্ত্রী – রাজভূষণ চৌধুরী

    ভারী শিল্প ও ইস্পাত রাষ্ট্রমন্ত্রী – ভূপতি রাজু শ্রীনিবাস বর্মা

    ক্রেতা সুরক্ষা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ রাষ্ট্রমন্ত্রী – নিম্বুবেন জয়ন্তিভাই বোম্ভানিয়া

    কো-অপারেশন ও অসামরিক বিমান পরিবহণ রাষ্ট্রমন্ত্রী – মুরলিধর মোহল

    সংখ্যালঘু বিষয়ক, মৎস্য ও পশু প্রতিপালন এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ রাষ্ট্রমন্ত্রী – জর্জ কুরিয়েন

    বিদেশ, বস্ত্র রাষ্ট্রমন্ত্রী – পবিত্র মার্ঘেরিটা

    স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী

    পরিসংখ্যান ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও সংস্কৃতিমন্ত্রক – রাও ইন্দরজিৎ সিং

    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ভূবিজ্ঞান মন্ত্রক –জিতেন্দ্র সিং

    আইনমন্ত্রক – অর্জুন রাম মেঘওয়াল

    আয়ূষ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রক – যাদব প্রতাপ রাও

    দক্ষতা উন্নয়ন (PM Modi) ও উদ্যোগমন্ত্রক – জয়ন্ত চৌধুরী

    আর পড়ুন: অফিসে গিয়ে প্রথমেই কিষান নিধি প্রকল্পের কিস্তির ফাইলে সই করলেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: অফিসে গিয়ে প্রথমেই কিষান নিধি প্রকল্পের কিস্তির ফাইলে সই করলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: অফিসে গিয়ে প্রথমেই কিষান নিধি প্রকল্পের কিস্তির ফাইলে সই করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের কাজই যে তাঁর ধ্যান-জ্ঞান, ভারতবাসীর কল্যাণই যে নিরন্তর সাধনা, তা আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ৯ জুন, রবিবার প্রধানমন্ত্রী পদে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিয়েছেন এনডিএর সর্বসম্মত নেতা বিজেপির নরেন্দ্র মোদি।

    অফিসে প্রথম দিন মোদির (PM Modi)

    সোমবার প্রথম অফিস করেন তিনি। এদিন অফিসে প্রথম যে কাজটি করলেন প্রধানমন্ত্রী, সেটি হল পিএম কিষান নিধি প্রকল্পের সপ্তদশ ইনস্টলমেন্টে স্বাক্ষর। এর ফলে উপকৃত হবেন ৯.৩ কোটি কৃষক। তাঁদের মধ্যে বিলি করা হবে ২৯ হাজার কোটি টাকা। শপথ নেওয়ার পর এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) যান সাউথ ব্লকে, অফিসে। সেখানেই তিনি স্বাক্ষর করেন পিএম কিষান নিধি প্রকল্পে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বার জয়ী হয়ে কিষান নিধি প্রকল্প চালু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কৃষক কল্যাণ

    কৃষক কল্যাণে তাঁর সরকার যে দায়বদ্ধ, এনডিএ সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে তিনি যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এদিন কিষান নিধি প্রকল্পে সপ্তদশ ইনস্টলমেন্টে স্বাক্ষর করে তা বুঝিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নানা সময় প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা গিয়েছে, তাঁর সরকার পুরোপুরি কৃষকদের প্রতি দায়বদ্ধ। এদিন ফাইলে স্বাক্ষর করে তিনি বলেন, “আমাদের সরকার কিষান কল্যাণে পুরোপুরি দায়বদ্ধ। তাই দায়িত্ব নিয়েই আমি প্রথম যে ফাইলটিতে সই করলাম, সেটি কৃষক কল্যাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমি আরও বেশি করে কৃষক এবং কৃষি ক্ষেত্রে কাজ করে যাব।”

    আর পড়ুন: “তৃণমূলের অত্যাচারে বহু কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, দোকানে তালা,” অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ১৬তম কিস্তির টাকা পাওয়ার দিন ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সরকার ৯ কোটিরও বেশি কৃষকের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে ২১ হাজার কোটি টাকা। এই প্রকল্পে ১৫তম কিস্তির টাকা ঢুকেছিল ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ায় বন্ধ ছিল ওই প্রকল্পে বরাদ্দ। নির্বাচন-পর্ব সাঙ্গ হতেই এ সংক্রান্ত ফাইলে সই করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: শহরাঞ্চলের ভোট বিজেপির পক্ষে, রাজ্যের কতগুলি পুরসভায় এগিয়ে পদ্মশিবির?

    Lok Sabha Election 2024: শহরাঞ্চলের ভোট বিজেপির পক্ষে, রাজ্যের কতগুলি পুরসভায় এগিয়ে পদ্মশিবির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ভোটের নিরিখে (Lok Sabha Election 2024) কলকাতা পুরসভার অনেকগুলি ওয়ার্ডে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি (BJP)। শুধু কলকতা নয় লোকসভা ভোটের ফলাফল পুরসভাওয়াড়ি বিশ্লেষণ করলে বিজেপি এবং তৃণমূলের ব্যবধান চোখে পড়ার মতো। বাংলার ১২১টি পুরসভার মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৬৯টি পুরসভা এলাকায়। ধুলিয়ান এবং বহরমপুর পুরসভায় এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। বাকি ৫১টিতে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। কলকাতা পুরসভাতেও ওয়ার্ডভিত্তিক ভাবে বাড়ল বিজেপির ভোট।

    নানা ওয়ার্ডে এগিয়ে বিজেপি

    গ্রামীণ ভোটে তৃণমূলের ‘আধিপত্য’ থাকলেও দেখা যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ— পুর এলাকায় বিজেপির (BJP) পক্ষে সমর্থন বেশি। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩৭টিতে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু লোকসভা ভোটে সেই দাপট কিছুটা স্তিমিত। ৪৭ টি আসনে এগিয়ে গিয়েছে বিরোধী বিজেপি ও সিপিএম। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর ও ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় (Lok Sabha Election 2024) ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ডগুলি। ২০২২-এ কলকাতা পুরসভায় ১৩৪টি ওয়ার্ডে জিতেছিল তৃণমূল এবার তাদের লিডের সংখ্যা কমে হয়েছে ৯৮। 

    উত্তর কলকাতার ছবি

    উত্তর কলকাতার ২৪টি ওয়ার্ডে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি (BJP)। ৩৬টি ওয়ার্ডে এগিয়ে তৃণমূল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ২০টি ওয়ার্ড এগিয়েছিল বিজেপি। এ বার আরও বাড়তি চারটি ওয়ার্ডে এগিয়েছে তারা। উত্তর কলকাতার কাশীপুর বেলগাছিয়া বিধানসভার ২ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। শ্যামপুকুর বিধানসভা ৮,২১, ২৪ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জিতেছে বিজেপি। জোড়াসাঁকো বিধানসভার ২২, ২৩, ২৫, ২৭,৩৮,৪০, ৪১, ৪২ ও ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়। চৌরঙ্গী বিধানসভার ৪৫, ৪৭,৪৮,৪৯, ৫০, ৫১ ও ৫২ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছিল বিজেপি।

    দক্ষিণ কলকাতার ছবি

    কলকাতা দক্ষিণ লোকসভার অন্তর্গত মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের পাঁচটি ওয়ার্ড থেকে এগিয়েছে বিজেপি (BJP)। ভবানীপুর বিধানসভার ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২ ও ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভাল ব্যবধান এগিয়ে গিয়েছিল বিজেপি। কসবা বিধানসভার  ৬৭, ৯২, ১০৭ ও ১০৮ ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে গিয়েছে। কলকাতা বন্দর বিধানসভার ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছে বিজেপি।  বেহালা পূর্ব বিধানসভার ১১৬ ও ১১৮ নম্বর ওয়ার্ড এবং বেহালা পশ্চিমের ১১৯ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছে বিজেপি। 

    পিছিয়ে তৃণমূলের হেভিওয়েটরা 

    একাধিক হেভিওয়েট কাউন্সিলরদের ওয়ার্ডে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়ক, দক্ষিণ কলকাতার জেলা সভাপতি ও মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার-তাঁর ওয়ার্ড ৮৫। সেখানে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর আস্থাভাজন শশী পাঁজার নিজের ওয়ার্ড এবং তাঁর মেয়ে পূজা পাঁজার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডেও পিছিয়ে তৃণমূল। ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ও মেয়র পরিষদ অসীম কুমার বসুর ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। একই ছবি ৭২ নম্বরের তৃণমূল কাউন্সিলর ও মেয়র পরিষদ সন্দীপরঞ্জন বক্সীর ওয়ার্ডেও। এছাড়াও তৃণমূলের হেভিওয়েট কাউন্সিলর ও বরো চেয়ারপার্সন জুঁই বিশ্বাস, সুশান্ত ঘোষ, সুদীপ পোল্লে,  সাধনা বসু, সুস্মিতা ভট্টাচার্যের ওয়ার্ডে তৃণমূলের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তৃণমূল কাউন্সিলর সুদর্শনা মুখোপাধ্যায়ের ৬৪ নম্বর ওয়ার্ডেও ফুটেছে পদ্ম। তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে-র ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডেও এগিয়ে রয়েছে বিজেপি (BJP)। 

    আরও পড়ুন: “একযোগে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশ”, মোদিতে আস্থা রেখে বার্তা হাসিনার

    রাজ্যের নানা পুরসভায় এক ছবি

    গ্রামীণ ভোটে (Lok Sabha Election 2024) তৃণমূলের ‘আধিপত্য’ থাকলেও দেখা যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ— পুর এলাকায় বিজেপির (BJP) পক্ষে সমর্থন বেশি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যের ১২১টি পুরসভায় ভোট হয়েছিল। ভোটের ফলাফলে দেখা গিয়েছিল, নদিয়ার তাহেরপুর বাদ দিয়ে বাকি ১২০টি পুরসভাই জিতেছে তৃণমূল। তাহেরপুর ছিল সিপিএমের দখলে। কিন্তু এই লোকসভা ভোটে দেখা যাচ্ছে, সেই হিসেব উল্টে গিয়েছে। বালুরঘাট থেকে ঘাটাল, খড়্গপুর থেকে বাঁশবেড়িয়া— পুর এলাকায় পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। অধিকাংশ ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের অত্যাচারে বহু কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, দোকানে তালা”, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের অত্যাচারে বহু কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, দোকানে তালা”, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার জেরে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া। সোমবার ঘরছাড়া কর্মীদের সঙ্গে দেখা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের আমতলায় বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাসের বাড়িতে রয়েছেন ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীরা। সেখানে গিয়ে তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা শুনলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ঘরছাড়াদের সঙ্গে দেখা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)

    আক্রান্ত ঘরছাড়া কর্মীদের নামের তালিকা, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর নেতৃত্বের কাছ থেকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নিয়ে নেন। ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীরা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপত্তায় বাড়ি গিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন, তার জন্য অতি শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী স্বাধীনভাবে যাতে কাজ করতে পারে এবং আগামী দুর্গাপুজো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে রাখা হয়, সেই আবেদনও হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রাখা হয়েছে বলে বিরোধী দলনেতা জানান। শুভেন্দু বলেন, “এই লুটের ভোটের শেষ দেখে ছাড়ব। তবে, এই বিষয়টি আজকে বলছি না, আগামী বুধবার কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন করে জানাবো। চারটি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করব।” তারমধ্যে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী অভিজিৎ দাস থাকবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: “চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি”, দলের চেয়ারম্যানকে তোপ হুমায়ুনের

    এক হাজার কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, ছশো কর্মীর দোকানে তালা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “ডায়মন্ড হারবারে মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। সাংবাদিকরা পর্যন্ত নিজেদের ভোট দিতে পারেননি। এর আগেও এই কেন্দ্রে সৌমেন মিত্র, শমীক লাহিড়ীর মতো নেতারা ভোটে দাঁড়িয়ে জয়ী হয়েছিলেন। তাঁরা তো অত ভোট পাননি। আর তিনি (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) এত বড় নেতা যে তিনি ৭ লক্ষ ভোটে জয়ী হয়ে গেলেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না।” আর তৃণমূলের সন্ত্রাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ১০০০ বাড়ি ভাঙচুর করেছে তৃণমূল। ৬০০ কর্মীর দোকানে তালা ঝোলানো হয়েছে। বহু কর্মী ঘরছাড়া। আক্রান্ত সকল কর্মীর পাশে রয়েছে বিজেপি। এদিন সকলের অভাব-অভিযোগ শুনতে এসেছি। “

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wishes for Pm Modi: ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে তৃতীয় বার সরকার গড়ার শুভেচ্ছা জানালেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী

    Wishes for Pm Modi: ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে তৃতীয় বার সরকার গড়ার শুভেচ্ছা জানালেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও কানাডার মধ্যে বিপর্যস্ত কূটনৈতিক সম্পর্কের মধ্যে লোকসভা নির্বাচনে টানা তৃতীয় জয়ী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জাস্টিন ট্রুডো অভিনন্দন জানিয়েছেন। ট্রুডোর অফিস থেকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা হয়েছে। তাতে লেখা হয়েছে, “মোদি বলেছিলেন যে ভারত পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং একে অপরের উদ্বেগের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে কানাডার সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ।”

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানালেন ট্রুডো

    গত বছর ট্রুডো যখন খালিস্তানিপন্থী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যায় ভারতের জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিলেন তখন দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে অবনমন হয়। ভারত এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। পাল্টা বার্তায় ট্রুডোকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন “অভিনন্দন বার্তার জন্য @CanadianPM আপনাকে ধন্যবাদ। ভারত পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং একে অপরের উদ্বেগের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে কানাডার সাথে কাজ করার জন্য উন্মুখ।” সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ ৬ জুন একটি পোস্টে, ট্রুডোর অফিস বলেছে, যে কানাডা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে তার সরকারের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত। “ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তাঁর নির্বাচনী বিজয়ের জন্য অভিনন্দন। কানাডা সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে ভারত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে। মানবাধিকার, বৈচিত্র্য এবং আইনের শাসনের প্রতি আমরা দায়বদ্ধ”

    নিজ্জার মামলার তথ্য জানায়নি কানাডা দাবি নয়া দিল্লির

    প্রসঙ্গত গত মাসে কানাডা নিজ্জার হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তারের কথা ভারতকে জানায়। নয়াদিল্লি, এদিকে,দাবি করেছে যে কানাডা “আজ পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট বা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ বা তথ্য ভারতের সঙ্গে ভাগ করেনি”। গত সপ্তাহে, একটি কানাডিয়ান সংসদীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, কানাডার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং প্রক্রিয়াগুলির জন্য “দ্বিতীয়-সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিদেশী হস্তক্ষেপের হুমকি হিসেবে উঠে এসেছে ভারত”। প্রতিবেদনে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে ভারতের কথিত বিদেশী হস্তক্ষেপ কানাডায় “খালিস্তানপন্থী উপাদানগুলির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের বাইরেও প্রসারিত হয়েছে”। ৯২ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে ৪৪ বার ‘ভারত’ উল্লেখ করা হয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী লোকসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য মোদীকে অভিনন্দন জানানোর একদিন পরে এই প্রতিবেদনটি এসেছে। অর্থাৎ ভারতের সঙ্গে নরমে গরমে সম্পর্ক রাখতে চায় কানাডা। যদিও সরকারে এসে পাল্টা কৌশল নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে নয়াদিল্লী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wishes for PM Modi on Third Term: পাকিস্তানের বর্তমান ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মোদিকে শুভেচ্ছা

    Wishes for PM Modi on Third Term: পাকিস্তানের বর্তমান ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মোদিকে শুভেচ্ছা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দলের প্রধান নওয়াজ শরিফ ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ সোমবার তৃতীয়বারের মত কেন্দ্রীয় সরকার গঠনের জন্য নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। নওয়াজ সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন যে, “লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে জনগণের আস্থা প্রতিফলিত করে এবং আশা করি ঘৃণার বদলে শান্তি আসবে। তৃতীয়বারের মত দায়িত্ব নেওয়ায় মোদীজিকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন (Wishes for PM Modi on third term)। সাম্প্রতিক নির্বাচনে আপনার দলের সাফল্য আপনার নেতৃত্বের প্রতি জনগণের আস্থা প্রতিফলিত করে। আসুন ঘৃণাকে আশা দিয়ে প্রতিস্থাপন করি এবং দুই বিলিয়ন মানুষের ভাগ্য গঠনের সুযোগটি কাজে লাগাই। দক্ষিণ এশিয়ার,” তিনি সমাজ মাধ্যম X এ লেখেন।

    পাকিস্তানে বর্তমান ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোদিকে অভিনন্দন জানালেন (Wishes for PM Modi on third term)

    পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র মমতাজ জাহরা বালোচ এক সপ্তাহ আগে একটি বিবৃতিতে বলেন যে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে অভিনন্দন জানানো এখনও খুব দ্রুততা হবে। এখন পাক প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন (Wishes for PM Modi on third term) জানানোয় জবাবে প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁকে ধন্যবাদ ও শুভ কামনা জানান। প্রধানমন্ত্রী মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে। অন্যদিকে, ভারতের প্রতিবেশী দেশ এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কামাল দাহাল, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে।


    অতীতে ব্যর্থ ভারতের শান্তির প্রয়াস

    ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক সবসময় হিমশীতল ছিল, কিছু ক্ষেত্রে উভয় দেশের নেতারা (Wishes for PM Modi on third term) সংঘাত কমানোর জন্য একসঙ্গে বসেছিলেন। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে “অমন কি আশা” বাংলায় বলতে গেলে শান্তির প্রয়াস। পাকিস্তানের সেনার রুজি রুটির সঙ্গে জড়িত জঙ্গি কার্যকলাপ।

    আরও পড়ুন: “একযোগে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশ”, মোদিতে আস্থা রেখে বার্তা হাসিনার

    তাই আমন্ত্রণ তালিকা থেকে শেহবাজ শরীফকে বাদ দেওয়া দুই দেশের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনাকে প্রতিফলিত করে। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ৫৪৩ আসনের মধ্যে ২৯৩ টি আসন পাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী মোদি টানা তৃতীয় মেয়াদের জন্য শপথ নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘শাহজাহান-কর’ দিতে না পেরে ইটভাটা বিক্রি করেন একাধিক মালিক, আদালতে দাবি ইডির

    Sandeshkhali: ‘শাহজাহান-কর’ দিতে না পেরে ইটভাটা বিক্রি করেন একাধিক মালিক, আদালতে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের তৃণমূল দল লোকসভার ভোটে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেলেও, এখনও গলার কাঁটা সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। তিনি নাকি এলাকায় ‘শাহজাহান-কর’ চাপিয়েছিলেন। ইটভাটার মালিকদের উপর এই করের জুলুমবাজির জন্য বাধ্য হয়ে ভাটা বিক্রি করতে হয়েছে। এমনটাই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে আদালতে। বসিরহাটে শাসক দল তৃণমূল জয়ী হলেও, তৃণমূল নেতার এই কয়লা পাচারের তথ্য রাজনীতির আঙিনায় শোরগোল ফেলেদিয়েছে।

    ইটভাটা মালিকের বক্তব্য (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) অনেক ইটভাটার মালিক ইডির অফিসারদের কাছে তোলাবাজির অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। এক ভাটার মালিক জানিয়েছেন, “দাদার হুকুম মেনে ওঁদের কাছ থেকেই কয়লা কিনতে হতো।” প্রত্যেক ইটভাটার মালিকদের এই কর দিতে হতো। ভাটা চালাতে গেলে যে কয়লা লাগে, তা বলপূর্বক কিনতে হতো এই তৃণমূল নেতার কাছ থেকেই। এমনকী দাম বেশি দিয়ে খারাপ মানের কয়লাকেই ব্যবহার করতে হতো ভাটায়। এই ভাবে দিনের পর দিন চলতে থাকায় করের বোঝায় ইটভাটা বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। ঠিক এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। কিন্তু রাজ্যের কয়লা পাচার মামলায় শাহজাহানের কথা না উঠে আসলেও এইবার কয়লা দুর্নীতিতে তাঁর নামের সূত্র পাওয়া গিয়েছে।

    ইডির দাবি

    ইডি সূত্রের খবর, শাহজাহানের হুকুম মানতে বাধ্য হতেন সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ও ন্যাজাটের ২৯টি ইটভাটা মালিকেরা। ইট ভাটার ব্যবসায় প্রচুর কয়লা লাগে। তাই কয়লার জোগানে সবটাই নিয়ন্ত্রণ করতেন শাহজাহান। ইটভাটার মালিক রামালিক বার বার ‘দিদিকে বলো’ নম্বরে ফোন করে বেশ কয়েকবার অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি, বরং আরও অত্যাচারের শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। ভাটার মালিকদের প্রতি টন পিছু ২-৩ হাজার টাকা শাহজাহানকে দিতে হতো। কিন্তু এই বিরাট খরচের বোঝা বহন না করতে পেরে ধামখালির দুটি ইটভাটার মালিক নিজেদের ভাটা বিক্রি করে দিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ মালদায় ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! জেলা সভাপতির নামে দুর্নীতিবাজের পোস্টার

    বিজেপির বক্তব্য

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বিজেপি নেতা বিকাশ সিং বলেন, “আমরা অনেকবার বলে এসেছি, শেখ শাহজাহান অনেক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ইডির তদন্তে সেগুলিই উঠে আসছে। ২০১৬ সাল থেকে কয়লার কারবারের দিকে চোখ ছিল তাঁর।“

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nawaz Sharif wishes Modi: শপথের পরেরদিন পড়শি দেশ থেকে এল শুভেচ্ছা বার্তা! মোদিকে অভিনন্দন নওয়াজ ও শেহবাজের

    Nawaz Sharif wishes Modi: শপথের পরেরদিন পড়শি দেশ থেকে এল শুভেচ্ছা বার্তা! মোদিকে অভিনন্দন নওয়াজ ও শেহবাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটানা তৃতীয়বার (PM 3.0) ভারতের প্রধানমন্ত্রী হলেন নরেন্দ্র মোদি। রবিবার সন্ধ্যায় তৃতীয়বারের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। মোদি শপথ নেওয়ার পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শুভেচ্ছা-বার্তা পেয়েছেন তিনি। এবার পাকিস্তান থেকেও এল শুভেচ্ছা-বার্তা। সোমবার পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও নওয়াজ শরিফ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তবে কি এবার পড়শি দেশের সঙ্গে শত্রুতা ঘুচবে ভারতের? মোদির জয়ে পাকিস্তানের এই শুভেচ্ছা বার্তায় আশার আলো দেখছেন অনেকেই। 

    শেহবাজ শরিফের শুভেচ্ছা বার্তা (Shehbaz Sharif) 

    সোমবার দুপুর ১২.৫৫ মিনিট নাগাদ মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্স-এ একটি পোস্ট করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সেই এক্স-বার্তায় মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন শরিফ। এক্স-বার্তায় তিনি লেখেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ (PM 3.0) নেওয়ার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন।” 

    নওয়াজ শরিফের শুভেচ্ছা বার্তা (Nawaz Sharif wishes Modi)

    অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে নওয়াজ শরিফ তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ” মোদিজি কে আমার উষ্ণ অভ্যর্থনা, তাঁর তৃতীয়বার (PM 3.0) প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার জন্য।” 

    তবে মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সরকারপ্রধানরা উপস্থিত থাকলেও পাকিস্তানের কোনো নেতাকে দেখা যায়নি। অথচ, ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ের পর প্রথমবার যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদি, সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শেহবাজ শরিফের বড়ভাই এবং পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ (Nawaz Sharif)। তারপর দশ বছর ধরে টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দুই প্রতিবেশী দেশ। এখন দেখার ভবিষ্যতে দুই দেশের সমকরণ ঠিক কোন অবস্থায় থাকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে ভোট পরবর্তী হিংসা! বিজেপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Cooch Behar: কোচবিহারে ভোট পরবর্তী হিংসা! বিজেপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত কোচবিহারে (Cooch Behar)। জেলার তুফানগঞ্জ -২ ব্লকে বিজেপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপির পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের (Cooch Behar) গাবুয়ারডাঙা এলাকায় বিজেপির দলীয় কার্যালয় রয়েছে। রবিবার রাতে সেই কার্যালয়ে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এমনই অভিযোগ বিজেপির। ভেঙে ফেলা হয় কার্যালয়ে থাকা চেয়ার-টেবিল। একটি টিভিও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সোমবার বিজেপি কর্মীরা কার্যালয় ভাঙচুরের বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তৃণমূলই এই হামলা চালিয়েছে বলে বিজেপি কর্মীরা সরব হন। যদিও বিজেপির তোলা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির (Cooch Behar) শালবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পঙ্কজ দাস বলেন, “রবিবার রাত দশটা পর্যন্ত আমরা দলীয় কার্যালয়ে ছিলাম। সেখানে বৈঠক করছিলাম। কার্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পরই সেখানে তৃণমূল হামলা চালায়। আসলে আমাদের দলীয় কর্মসূচি ভেস্তে দিতেই তৃণমূল এই হামলা চালিয়েছে। এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে ওরা। এসব করে কোনও লাভ হবে না। বিষয়টি নিয়ে আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।” অন্যদিকে, শালবাড়ি-২ তৃণমূল অঞ্চল কমিটির চেয়ারম্যান পরিমল কারজি বলেন, “কিছু দিন আগেই ওই এলাকায় সালিশি সভার নাম করে বিজেপির শক্তি প্রমুখ-সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আর তার জেরেই এই ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। তৃণমূল সব সময় এলাকায় শান্তিরক্ষার চেষ্টা করে আসছে। সবই বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল। গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে বিজেপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share