Tag: Madhyom

Madhyom

  • Jammu and Kashmir Terror Attack: ‘‘যুদ্ধ করতে বাধ্য করছে পাকিস্তান’’! কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার তদন্তে এনআইএ

    Jammu and Kashmir Terror Attack: ‘‘যুদ্ধ করতে বাধ্য করছে পাকিস্তান’’! কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার তদন্তে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir Terror Attack) রিয়াসি জেলায় জঙ্গি হামলায় ৯ জনের প্রাণহানির একদিন পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আঠাওয়ালের হুঙ্কার “যে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) যেদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন, সেদিনই আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য এটি একটি “ইচ্ছাকৃতভাবে করা” হামলা। ভারতকে যুদ্ধ করতে বাধ্য করার দিকে নিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান।”

    মোদির শপথের দিনেই হামলার নিন্দা দেশজুড়ে

    টানা তৃতীয় মেয়াদ। তৃতীয় মোদি মন্ত্রিসভার অংশ হিসাবে আঠাওয়ালেও শপথ গ্রহণ করেছেন। জওহরলাল নেহরুর পর একমাত্র নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি টানা তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হলেন। রিয়াসি জেলায় সন্ত্রাসী হামলার (Jammu and Kashmir Terror Attack) বিষয়ে কথা বলার সময়, আঠাওয়ালে দাবি করেছিলেন যে, “জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের অবসান হয়েছে। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছিলেন যে এই ধরনের ঘটনা অব্যাহত থাকলে দেশকে যুদ্ধ শুরু করতে হবে। “আমি বিশ্বাস করি জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের অবসান হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করায় ভয় তৈরি করতে এই হামলাটি ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা করা হয়েছে। কিন্তু, যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকে তবে আমাদের পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করতে হবে।” অনেক সন্ত্রাসী পাক অধিকৃত কাশ্মীর হয়ে ভারতে প্রবেশ করে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর।

    হামলার তদন্তে নামল এনআইএ (Jammu and Kashmir Terror Attack)

    প্রসঙ্গত একটি এনআইএ দল জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলায় পৌঁছেছে এবং জঙ্গি হামলার তদন্তে স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করছে। জঙ্গি হামলার পর, নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং (Jammu and Kashmir Terror Attack) হামলার জন্য দায়ী সন্ত্রাসীদের সন্ধানে অনুসন্ধান অভিযান শুরু করে। ৯ জুন, জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি অঞ্চলে বাসের উপর জঙ্গি সন্ত্রাসী হামলায় ৯ জন নিহত এবং ৪১ জন আহত হয়েছিল। শিবখোরি মন্দির থেকে কাটরায় মাতা বৈষ্ণোদেবীর মন্দিরে যাওয়ার সময় পনি এলাকার টেরিয়াথ গ্রামের কাছে তীর্থযাত্রীদের বহনকারী ৫৩ সিটের বাস লক্ষ্য করে জঙ্গিরা গুলি চালায়। হামলার পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে যায়। হামলায় বাসে থাকা অন্তত ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: জমকালো অনুষ্ঠানে ফের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ মোদির, মন্ত্রিসভায় কারা?

    হামলার পরপরই, কাটরা, ডোডা শহর এবং কাঠুয়া জেলা সহ জম্মু অঞ্চল জুড়ে পাকিস্তান-বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর আহ্বান জানায় তাঁরা। বিক্ষোভকারীরা এই অঞ্চলে (Jammu and Kashmir Terror Attack) হামলা চালানোর জন্য পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করেছে এবং প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের এল-জি মনোজ সিনহা সন্ত্রাসী হামলায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পরিবারের জন্য ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। যারা হামলায় আহত হয়েছেন তাদের ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raksha khadse: মোদি মন্ত্রিসভার সবচেয়ে কম বয়সি মহিলা মন্ত্রী ইনি, কে এই রক্ষা খডসে?

    Raksha khadse: মোদি মন্ত্রিসভার সবচেয়ে কম বয়সি মহিলা মন্ত্রী ইনি, কে এই রক্ষা খডসে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে টানা তৃতীয়বারের (Modi 3.0) মতো গঠিত এনডিএ সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন সাত মহিলা মন্ত্রী। আর এই তালিকায় সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে নাম রয়েছে ৩৭ বছর বয়সি রক্ষা খডসের (Raksha khadse)। কিন্তু কে এই রক্ষা খাডসে? 

    কে এই রক্ষা খাডসে? (Raksha khadse)

    ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব রক্ষা খাডসে। তিনি তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেন ২০১০ সালে। রাভের থেকে দুই বারের সাংসদ রক্ষা খডসে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি সর্বকনিষ্ঠ সাংসদ হয়েছিলেন। এরপর মিসেস খাডসে ২০১৯ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন। তার সোশ্যাল মিডিয়া বায়ো অনুসারে, মিসেস খাডসে “নারী ক্ষমতায়ন, শিশু শিক্ষা এবং কৃষক কল্যাণ সম্পর্কে উৎসাহী।”মিসেস খাডসের শ্বশুর একনাথ খাডসে একজন সিনিয়র বিজেপি নেতা এবং মহারাষ্ট্র বিধানসভার প্রাক্তন বিরোধী নেতা। তার স্বামী নিখিল খাডসে ২০১৩ সালে মারা যান। 
    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে, খাডসে (Raksha khadse) রাভারে তার আসনে জয়ী হয়েছিলেন। ২,৭২,১৮৩ ভোটের ব্যবধানে নিকটতম এনসিপি-শারদ পাওয়ার প্রার্থীর বিরুদ্ধে তিনি জয়লাভ করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: চিরঞ্জীবী থেকে অনিল কাপুর! মোদিকে অভিনন্দন বার্তা পর্দার তারকাদের

    রক্ষা খাডসের মন্তব্য (Raksha khadse)

    টানা তিনবার (Modi 3.0) লোকসভায় তাকে নির্বাচিত করার জন্য সম্প্রতি রাভারের জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেছিলেন,”আমাকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি নেতৃত্বের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। এটি আমার জন্য একটি বিশেষ পাওয়া। আমি কোনও পদ পাওয়ার জন্য কাজ করিনি, শুধুমাত্র একজন সাধারণ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছি।” একইসঙ্গে তিনি জানান, পরবর্তীকালে জলগাঁও এলাকায় জলের ঘাটতি মোকাবেলা এবং রাস্তার সংযোগ বাড়ানোর দিকে তিনি মনোনিবেশ করবেন। যা ভবিষ্যতে এলাকার উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হবে। উপরন্তু, তিনি রাভারে একটি সেচ প্রকল্পের জন্যও ধীরে ধীরে তহবিল সুরক্ষিত করেছেন।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: “একযোগে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশ”, মোদিতে আস্থা রেখে বার্তা হাসিনার

    India Bangladesh Relation: “একযোগে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশ”, মোদিতে আস্থা রেখে বার্তা হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন বাংলাদেশের (India Bangladesh Relation) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশে ফেরার আগে মোদিকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান হাসিনা। মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে আগামী দিনে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন মুজিব-কন্যা। হাসিনার কথায়, ‘‘ভারতের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসাবে বাংলাদেশ দুই দেশের উন্নতির স্বার্থে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আগামী দিনেও একযোগে কাজ করবে।’’

    মোদি-হাসিনা বৈঠক

    তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই বাংলাদেশের (India Bangladesh Relation) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, বৈঠকে শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশে একই সরকারের ধারাবাহিকতা থাকায় পারস্পারিক সম্পর্কের মাত্রা আরও দৃঢ় হবে। যার মাধ্যমে উপকৃত হবে উভয় দেশের মানুষ। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ নেওয়ার পরই নরেন্দ্র মোদির সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় দুই নেতা একে অপরের খোঁজ-খবর নেন। এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ অন্যদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের ব্যাঙ্কোয়েট হলে যান নরেন্দ্র মোদি, যোগ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুরের দেওয়া নৈশভোজে।

    আরও পড়ুন: চিরঞ্জীবী থেকে অনিল কাপুর! মোদিকে অভিনন্দন বার্তা পর্দার তারকাদের

    বৈঠক প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী

    মোদি-হাসিনা বৈঠক প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী (India Bangladesh Relation) বলেন, “পরপর তিনবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে এবং নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারতের অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে পরিকাঠামোর উন্নয়ন সহ আরও উন্নতি প্রকল্পে একযোগে কাজ করতে হবে।” তিনি বলেন, ” শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও গভীর হবে।”

    ভারত সফরে হাসিনা

    তিনদিনের সফরে ভারতে (India Bangladesh Relation) এসেছিলেন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। শনিবার দুপুরে নয়াদিল্লির (New Delhi) বিমানবন্দরে তিনি নামেন। সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মা ও ভারতের বাংলাদেশীয় হাইকমিশনার মহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান। রবিবার সন্ধ্যায় রাইসিনা হিলসে তিনি যোগ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। তার পর রাষ্ট্রপতি ভবনে নৈশভোজে যোগ দেন তিনি। আগেই তৃতীয়বার সরকার গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান হাসিনা। তিনি লেখেন, ‘‘বাংলাদেশের মানুষের তরফে এবং ব্যক্তিগত ভাবে আমি বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের জয়ের জন্য আপনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক নেতা হিসাবে আপনি ভারতের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাহক। আপনার এই জয় প্রমাণ করে, ভারত আপনার নেতৃত্বে অটল আস্থা রেখেছে।’’ সোমবার বিকেলেই দেশে ফিরছেন হাসিনা। রাত ৮টা তাঁর ঢাকা পৌঁছনোর কথা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: “চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি”, দলের চেয়ারম্যানকে তোপ হুমায়ুনের

    Murshidabad: “চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি”, দলের চেয়ারম্যানকে তোপ হুমায়ুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটতেই ফের দলের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন মু্র্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এতদিন ভোটের আগে ইউসুফ পাঠানের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। এবার তাঁর আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছেন রেজিনগরের বিধায়ক তথা জেলার চেয়ারম্যান রবিউল আলম চৌধুরী। হুমায়ুনের বক্তব্য সামনে আসতেই তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি (Murshidabad)

    এমনিতেই বহরমপুর (Murshidabad) লোকসভায় ইউসুফ পাঠান প্রার্থী হতেই দলের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। প্রার্থীর হয়ে খাটবেন না বলে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। যদিও দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ তাঁর মুখ বন্ধ করা সম্ভব হয়। এরপর ভোটপর্বে ‘লক্ষ্মীছেলে’ হয়েই থেকেছেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। দল বিড়ম্বনায় পরে, এমন কোনও কথা তাঁর মুখে অন্তত ভোটপর্বে শোনা যায়নি। তবে, ভোট মিটতেই আবারও দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন হুমায়ুন। হুমায়ুন বলেন, “ইউসুফকে জেতাতে আমাকে অনেক বাধা বিপত্তি পার করতে হয়েছে। জেলার সভাপতি বা জেলার যে নেতাদের হাতে ভোট পরিচালনার দায়িত্ব ছিল, তাঁরা আমার এলাকায় প্রচারে পর্যন্ত আসতে দেননি ইউসুফকে। একদিন আনা হয়, তাও ভরদুপুরে। আমার যে বিধায়ক, যিনি দলের চেয়ারম্যান হয়ে বসে আছেন, তিনি পর্যন্ত আমাদের মতো লোককে একদিনও বলেননি ইউসুফ পাঠানের হয়ে ভোটটা করতে হবে। এমনকী একদিন আসা বা কোনওভাবে সহযোগিতা করা, চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি। আমি নিজে যতটুকু পেরেছি, কর্মীদের পাশে থেকে তাঁদের সহযোগিতা করে কাজ করেছি।”

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    দলে প্রচুর প্রতিদ্বন্দ্বী আমার!

    হুমায়ুন আরও বলেন, “আমি অনেক পোড় খাওয়া রাজনীতির লোক। তাই মেনে নিয়েছি। ২০১২ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে আসি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে স্নেহ করেন, বকাঝকাও করেন। তবে, আমি মনে করি শাসন করার অধিকার তারই থাকে যিনি স্নেহও করেন। দলের মধ্যেও আমার প্রচুর প্রতিদ্বন্দ্বী আছে। তাঁরা চান না হুমায়ুন কবীর সম্মান নিয়ে দলে থাকুন। আমার ভোট করতে গিয়ে যেটা মনে হয়েছে, সেটাই বললাম।”

  • Malda: মালদায় ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! জেলা সভাপতির নামে দুর্নীতিবাজের পোস্টার

    Malda: মালদায় ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! জেলা সভাপতির নামে দুর্নীতিবাজের পোস্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর মালদায় (Malda) ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এবার তৃণমূল জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতিবাজের পোস্টার পড়ল। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে জেলাজুড়ে। রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল একক ভাবে পেয়েছে ২৯টি আসন। কিন্তু মালদা উত্তর এবং দক্ষিণ দুই কেন্দ্রেই হেরেছে তৃণমূল। জেলার উত্তরের আসনে জয়ী বিজেপি এবং দক্ষিণে জয় পেয়েছে কংগ্রেস। এই হারের দায় নিয়ে শাসক দলের অন্দরে ফাটল আরও স্পষ্ট হয়েছে।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Malda)?

    ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় তৃণমূলের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয়ে গিয়েছে। কয়েকদিন ধরেই সামজিক মাধ্যমে মালদা (Malda) জেলা সভাপতি ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে নানা সমালোচনার কথা প্রকাশ করছিলেন দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা। একই সঙ্গে জেলার শীর্ষ নেতা-নেত্রীরা একাধিকবার জেলার চেয়ারম্যান এবং সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এর মধ্যেই মালতিপুরের তৃণমূল কার্যালয়ে জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সির বিরুদ্ধে দুর্নীতিবাজের পোস্টার পড়েছে। শনিবার রাতে এই ঘটনা ঘটায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত জেলা সভাপতি নিজে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    মালদা (Malda) জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র আশিষ কুণ্ডু বলেন, “লোকসভা নির্বাচনে দুটি কেন্দ্রে আমাদের ফল খারাপ হয়েছে। এই নিয়ে কে কোথায় কে কী করেছে তা বলা সম্ভব নয়। আমাদের দলের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। আমরা আলোচনায় বসবো। নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলে সব ঠিক করে নেব।”

    আরও পড়ুনঃ রায়গঞ্জে মহিলাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কিডনি বিক্রি! পাচার চক্রের হদিশে চাঞ্চল্য

    বিজেপির বক্তব্য

    ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপির জেলা (Malda) সাধারণ সম্পাদক অম্লান ভাদুড়ি বলেন, “তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল সর্বত্র। তৃণমূলের জেলা সভাপতিকে কেউ মানতে চাইছেন না আর। গোটা মালদা জেলা জুড়েই এই ঘটনা ঘটছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ঘরছাড়া কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী

    Post Poll Violence: ঘরছাড়া কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১-এর ভয়ানক রাজনৈতিক রোগ ফিরে এসেছে ২০২৪-এ। ভোট মিটতেই শাসকদলের অত্যাচারে (Post Poll Violence) ঘরছাড়া হয়েছেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের হাজার হাজার কর্মী। আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগ বিজেপির সদস্য। এবার লোকসভা ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় ঘর ছাড়াদের নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিচারপতি প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার আদালতে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

    হাইকোর্টে বিজেপি কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে মামলা

    প্রসঙ্গত এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের গ্রীষ্মকালীন বেঞ্চের বিচারপতি কৌশিক চন্দ্র এবং অপূর্ব সিনহার ডিভিশন বেঞ্চ ৬ই জুন ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যের তীব্র সমালোচনা করেছিল। একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে সেদিন শুনানি হয়। শুনানি চলাকালীন ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে অবিলম্বে যাতে (Post Poll Violence) হিংসা বন্ধ হয় তার জন্য প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেদিন হাইকোর্টে রাজ্য পুলিশ অক্ষম হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার হুঁশিয়ারি দেয়। অভিযোগ উঠছে ভোট পরবর্তী হিংসায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘর ছাড়া হয়েছেন কয়েক হাজার। ইতিমধ্যেই কলকাতার মাহেশ্বরী ভবনে ঠাঁই দাওয়া হয়েছে বহু বিজেপি কর্মীদের। তাঁরা কবে বাড়ি ফিরতে পারবেন তার জন্য দিন গুনছেন। রাজ্যে সাত দফায় ভোট হয়েছে। অন্য বারের তুলনায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু ভোট শেষ হতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। এরপরই শুরু হয়েছে শাসক দলের অত্যাচার। খুন, জখম, মারধরের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁদের বাড়িঘর ঘিরে হামলা করা হচ্ছে। অনেকেই এর জেরে ঘরছাড়া হয়েছেন। তাই আক্রান্তদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ফিরে এল ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস (Post Poll Violence)

    প্রসঙ্গত ২০২১ সালেও ভোটের পর রাজনৈতিক হিংসার (Post Poll Violence) ঘটনা ঘটেছিল। বিজেপির কয়েক হাজার কর্মী এক বছরের বেশি সময় ঘরছাড়া ছিলেন। যারা ঘরে ফিরেছিলেন তাঁরাও নিজের ভিটে মাটিতে উঠতে পেরেছিলেন কয়েক মাস পর। অনেকে কোন রাজনৈতিক দল না করার মুচলেকা লিখে বাড়ি ফিরেছিলেন। এবারও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সেদিকেই যাচ্ছে বলে অভিযোগ রাজ্য বিজেপির নেতাদের। সেবার ভোটের পর বিভিন্ন কমিশন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরার পর প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছিল।

    আরও পড়ুন: মানিকতলা সহ রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন, তারিখ জানাল কমিশন

    এবার পরিস্থিতি আরো বিপজ্জনক বলে দাবি করা হচ্ছে বিজেপির তরফ থেকে। বিজেপির অভিযোগ এলাকায় এতটাই সন্ত্রাস (Post Poll Violence) যে বিষয়গুলো সামনে সামনে আনাও কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বহু ক্ষেত্রে বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমের সামনে আসছে না এতটাই সন্ত্রাস রয়েছে ওই সমস্ত গ্রামীণ এলাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mount Abu: মনোরম আবহাওয়া, অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্য আর ‘দিলওয়ারা টেম্পল’! ঘুরে আসুন মাউন্ট আবু

    Mount Abu: মনোরম আবহাওয়া, অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্য আর ‘দিলওয়ারা টেম্পল’! ঘুরে আসুন মাউন্ট আবু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থান। মরুভূমির দেশ, হাভেলির দেশ, রঙিন রাজ্য আর স্বাধীনচেতা বীরদের রাজ্য। এই রুক্ষ মরু আর ইতিহাসের গন্ধে ভরা রাজ্যেরই একমাত্র হিল স্টেশন ‘মাউন্ট আবু’। পৌরাণিক মতে, হিমালয়পুত্র অর্বুদের নাম থেকেই এই ‘আবু’ নামটি এসেছে (Mount Abu)। আরাবল্লী পর্বতমালার একেবারে দক্ষিণে অবস্থিত এই মাউন্ট আবু বিখ্যাত এখানকার মনোরম আবহাওয়া আর অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য। শুধু তাই-ই নয়, বিশ্ববিখ্যাত জৈন মন্দির ‘দিলওয়ারা’ এই স্থানকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে।

    দিলওয়ারা মন্দির! (Mount Abu)

    মাউন্ট আবু থেকে সামান্য দূরে এই দিলওয়ারা মন্দিরের অবস্থান। ১১ শো থেকে ১৩ শো শতাব্দীর মধ্যে নির্মিত এই জৈন মন্দিরটি হল মাউন্ট আবুর অন্যতম সেরা আকর্ষণ। অনেকগুলি মন্দিরের সমাহার এই দিলওয়ারা টেম্পল। এর মধ্যে ১০৩১ সালে তদানীন্তন গুজরাটের শাসকদের অমাত্য বিমল শাহ নামের এক ব্যবসায়ীর তৈরি ‘বিমল বসাহি’ মন্দিরটি প্রথম জৈন তীর্থঙ্করের নামে উৎসর্গীকৃত। ১২৩১ সালে বাস্তুপাল এবং তেজপাল, গুজরাটের শাসক রাজা বীর ধবলের মন্ত্রী দুই ভাইয়ের তৈরি লুন বসাহি মন্দিরটি ২২ তম তীর্থঙ্কর নেমিনাথের নামে উৎসর্গীকৃত। এমন আরও ছোট-বড় ৫২টি মন্দির আছে এখানে। প্রত্যেক মন্দিরে একজন করে জৈন তীর্থঙ্কররের মূর্তি আছে। মূল মন্দিরে রয়েছে ঋষভনাথের মূর্তি। শ্বেত পাথরের অপরূপ শিল্পশৈলীতে গড়া এই মন্দির সত্যিই এক অবাক করার মতো সৃষ্টি। উল্লেখ্য, ব্রহ্ম কুমারীর সদর দফতরও এই মাউন্ট আবুতেই।

    নক্কি লেক

    মাউন্ট আবুর পরবর্তী আকর্ষণ অবশ্যই নক্কি লেক। শহরের প্রাণকেন্দ্রে (Mount Abu) অবস্থিত চারদিকে পাহাড় দিয়ে ঘেরা ছবির মতো সুন্দর এক লেক। প্রচলিত বিশ্বাস, ভগবান নাকি নখ দিয়ে খুঁড়ে এই সরোবর সৃষ্টি করেছিলেন। তাই এর নাম নক্কি লেক। প্রসঙ্গত, এই নক্কি লেকই ভারতের একমাত্র কৃত্রিম লেক যেটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৯০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। লেকের মাঝে ইতিউতি উঁকি মারে ছোট্ট ছোট্ট দ্বীপ। এই দ্বীপগুলোতে আবার ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে বিভিন্ন আকারের ও রং-এর পাথর। এরকমই একটি পাথরের নাম ভেক বা ব্যাংপাথর। এরপর চলুন অধর দেবীর মন্দির দর্শনে। কেউ কেউ বলেন এটি নাকি অন্যতম সতীপীঠ। এখানে নাকি সতীর অধর পড়েছিল। একটি বিশাল পাথর কেটে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় ৩৬০টি সিঁড়ি ভেঙে পৌঁছতে হয় দেবী দুর্গার এই মন্দিরে।

    দুর্গ, মন্দির, পর্বতশৃঙ্গ (Mount Abu)

    অচলগড়-প্রায় ১১ কিমি দূরে রানা কুম্ভ চতুর্দশ খ্রিষ্টাব্দে এই দুর্গটি নির্মাণ করেন। দুর্গের মধ্যে রয়েছে ১৪১২ সালে নির্মিত অচলেশ্বর মহাদেব মন্দির এবং ১৫১৩ সালে নির্মিত কান্তিনাথ জৈন মন্দির। আছে মন্দাকিনী কুণ্ড। গুরুশিখর-১৮ কিমি দূরে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭৭২ মিটার উচ্চতায় গুরুশিখর হল মাউন্ট আবুর সর্বোচ্চ শিখর। এখান থেকে মাউন্ট আবুর চমৎকার দৃশ্যাবলী দেখা যায়। এখানে রয়েছে একটি সুন্দর শিব মন্দির ও দত্তাত্রেয় মন্দির।

    যাতায়াত ও থাকা-খাওয়া

    যোধপুর থেকে বাস ছাড়ছে মাউন্ট আবুর (Mount Abu) উদ্দেশে। এছাড়াও বাস আসছে ১৮৫ কিমি দূরের উদয়পুর থেকেও। ট্রেনে এলে নামতে হবে আবু রোড স্টেশনে। এখান থেকে ২৯ কিমি পথ মাউন্ট আবু। যাচ্ছে বাস, শেয়ার ট্যাক্সি প্রভৃতি। সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা। এখানে রয়েছে রাজস্থান পর্যটন উন্নয়ন নিগম বা RTDC-র হোটেল শিখর (ফোন (০২৯৭৪) ২৩৮৯৪৪। এছাড়াও মাউন্ট আবুতে থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে বহু বেসরকারি হোটেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Celebs Congratulate PM Modi: চিরঞ্জীবী থেকে অনিল কাপুর! মোদিকে অভিনন্দন বার্তা পর্দার তারকাদের

    Celebs Congratulate PM Modi: চিরঞ্জীবী থেকে অনিল কাপুর! মোদিকে অভিনন্দন বার্তা পর্দার তারকাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ জুন, ২০২৪-এ ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি নরেন্দ্র মোদির তৃতীয় মেয়াদের সূচনা। এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের কয়েক ডজন সেলিব্রিটি উপস্থিত ছিলেন। ভিআইপি অতিথিদের মধ্যে ছিলেন মুকেশ আম্বানি এবং তার ছেলে অনন্ত আম্বানি, শাহরুখ খান, অক্ষয় কুমার, রজনীকান্ত সহ আরও অনেকে (Celebs Congratulate PM Modi)।

    তবে এদিন শপথ গ্রহণের পর সোশ্যাল মিডিয়াতেও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা বার্তায় ভরিয়ে দেন চিরঞ্জীবী থেকে অনিল কাপুর সকলেই। বলিউড সেলেব্রিটিরা তাঁদের এক্স হ্যান্ডেলে অভিনন্দন জানান মোদিকে। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে মেগাস্টার চিরঞ্জীবী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা বার্তা (Celebs Congratulate PM Modi) দিয়ে জানিয়েছেন, “অনেক অনেক অভিনন্দন নরেন্দ্র মোদিজি। তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার আগামী পথ খুব উন্নত ও গৌরবময় হোক।”

    এ প্রসঙ্গে বলিউড স্টার অনিল কাপুর তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লিখেছেন, “নরেন্দ্র মোদিজি তৃতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শপথ গ্রহনে আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা। আমি শুধু চাই দেশের উন্নতি হোক।” 

    মালায়ালাম সুপারস্টার মোহনলাল (Celebs Congratulate PM Modi) তার এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “অনেক অনেক শুভ কামনা মোদিজি। আপনার নেতৃত্বে দেশের ভবিষ্যৎ আগামী দিনে আর উজ্জ্বল হোক।”

    দেশ খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের   হোয়াটসঅ্যাপ , ফেসবুকটুইটার , টেলিগ্রাম  এবং গুগল নিউজ  ।

  • Balurghat: বিজেপি’কে লিড দেওয়ার ‘অপরাধে’ চারদিন বন্ধ পানীয় জল-বিদ্যুৎ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Balurghat: বিজেপি’কে লিড দেওয়ার ‘অপরাধে’ চারদিন বন্ধ পানীয় জল-বিদ্যুৎ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার পরই বালুরঘাটের (Balurghat) গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ সামনে এল। এবার লোকসভায় গঙ্গারামপুর বিধানসভায় বিপুল ভোটে লিড পেয়েছে বিজেপি। এরপর পানীয় জল সরবরাহ এবং পথবাতি জ্বালানো নিয়ে টালবাহানা করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে। রবিবারই বিজেপি এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করে। এরপরই টানা চারদিন পরিষেবা বন্ধ রাখার পর পানীয় জল সরবরাহ ঠিক করা হয়। আর আংশিকভাবে পথবাতি জ্বালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    গঙ্গারামপুরে বিজেপি লিড পেতেই পরিষেবা শিকেয়! (Balurghat)

    গত ৬ জুন থেকে গঙ্গারামপুর (Balurghat) পুরসভা এলাকায় আচমকা পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকী  পুরসভা এলাকার পথবাতির কোনও আলো জ্বলেনি। গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকা থেকেই ভোটে পিছিয়ে ছিল গঙ্গারামপুরের ভূমিপুত্র তথা পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। ১২ হাজারেরও কিছু বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার লিড পেয়েছেন। এই গঙ্গারামপুর শহরের পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র। তিনি আবার তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রের ভাই। এই শহরেরই মানুষ তাঁরা। তারপরেও তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়েছেন ভোটাররা। কেন তৃণমূলের এই খারাপ ফল? এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে কাঁটা ছেড়া চলছে প্রতিনিয়ত।

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    আন্দোলনে বিজেপি

    সন্ধ্যার পর থেকে গঙ্গারামপুর (Balurghat) পুরসভার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে। শহরের ১৮ টি ওয়ার্ডের পানীয় জল ও পথবাতি বন্ধ রাখার প্রতিবাদে রবিবার বিজেপির পক্ষ থেকে গঙ্গারামপুরের জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। বিজেপির আন্দোলনের ফলে এলাকায় পানীয় জল পরিষেবা ঠিক হয়। গত চার দিন ধরে গোটা পুরসভায় এলাকায় পথবাতি পরিষেবা ঠিক হয়নি। এই বিষয়ে গঙ্গারামপুরবাসী বলেন, গত চারদিন ধরে গঙ্গারামপুরে  রাস্তার বেশিরভাগ জায়গায় কোনও আলো জ্বলছে না। কী কারণে এমনটা হচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি না।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, গঙ্গারামপুরে তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ি। এই এলাকার মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। এটাই অপরাধ! সেই রাগে তৃণমূল এসব করেছে। এই ধরনের নোংরামি করা ঠিক নয়।  কর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়ে আন্দোলন করেছে। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, বিজেপি সবসময় মিথ্যে কথা বলে, মিথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে ওরা রাজনীতি করতে চায়। কোনও যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য সমস্যা হতে পারে। অন্য কোনও কারণ নয়। আমরা বিষয়টি দেখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vertical Vegetable Garden: ছাদে এবং বারান্দায় পিভিসি পাইপের মাধ্যমে কীভাবে ভার্টিক্যাল সবজি বাগান বানাবেন?

    Vertical Vegetable Garden: ছাদে এবং বারান্দায় পিভিসি পাইপের মাধ্যমে কীভাবে ভার্টিক্যাল সবজি বাগান বানাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেট্রো শহরে ছাদে বাগান করার শখ অনেকেরই থাকে। কিন্তু বাধ সাধে জায়গার অভাব। জায়গার অভাবের সমাধান সূত্র নিয়ে এসেছেন উত্তরপ্রদেশের মিথিলেশ সিং এবং বিহারের বাসিন্দা সুনিতা প্রসাদ। গার্ডেনিং ব্যাগ এবং পিভিসি পাইপে (Vertical Vegetable Garden) তাঁরা ছাদে ভার্টিক্যাল বাগানে দেদার চাষ করছেন টমেটো, লঙ্কা, ধনেপাতা, বেগুন, মটর, উচ্ছে জাতীয় সবজি।

    ছাদ বাগানে কী কী চাষ করা যায়?

    ছাদের অল্প পরিসরে পাঁচিলের ওপরে টব তৈরি করে বাগান আগেই বানিয়েছেন অনেকে। এবার মোটা পিভিসি পাইপের মধ্যে ছোট ছোট ফুটো করে তাতে (Vertical Vegetable Garden) সবজি চাষ করার অভিনব পন্থা বের করে নিয়ে এসেছেন মিথিলেশ প্রসাদ সিং। পিভিসি পাইপে মাটি ভরে তাতে নির্দিষ্ট দুরত্বে ফুটো করে সেখানে বীজ বা চারা রোপন করে সফলভাবে চাষ করছেন মিথিলেশ এবং সুনীতা। পিভিসি পাইপকে দেয়ালের সাহায্যে লম্বা করে দাঁড় করিয়ে বা স্ক্রুর সাহায্যে ঝুলিয়ে তাঁর মধ্যে বেগুন, ভিন্ডি, লঙ্কা, উচ্ছে, টমেটো সহজেই চাষ করা যায়। তবে কীভাবে পিভিসি পাইভেটকে চাষযোগ্য করা যায় এর উপায় জানাচ্ছেন মিথিলেশ। প্রথমে পাঁচ ফুট করে পিভিসি পাইপকে কেটে নিতে হবে। এরপর তার মধ্যে মাটি এবং গোবর সার মিশিয়ে পাইপে ভরে দিতে হবে। ১৮ ইঞ্চি অন্তর পাইপে ফুটো করে নিতে হবে। সেখানে বীজ কিংবা গাছের চারাগাছ লাগিয়ে দিতে হবে। গ্রীষ্মকালে দিনে দুবার এবং শীতকালে দুদিন অন্তর কিংবা দিনে একবার আবহাওয়া বুঝে জল দিতে হবে। মাত্র এটুকু কাজ করলেই সময় মত ফলন হবে গাছে।

    ছাদে পিভিসি পাইপের অভিনব বাগান (Vertical Vegetable Garden)

    পিভিসি পাইপ ছাড়াও চারাগাছ লাগানোর টব ও ব্যাগ পাওয়া যায়। ব্যাগ এবং টবেও ছাদের সবজি চাষ করে ভালো ফলন পাওয়া যায়। একইসঙ্গে টব এবং ব্যাগ ঠিকঠাক ভাবে রাখা সম্ভব হলে ছাদ বাগান থেকে ভাল পরিমাণে সবজি কিংবা ফল পাওয়া সম্ভব। তবে পিভিসি পাইপের মাধ্যমে জায়গা কম হলেও ভার্টিক্যাল গার্ডেন (Vertical Vegetable Garden) তৈরি করে অল্প জায়গায় অতিরিক্ত চাষ করা সহজেই সম্ভব। প্রায়শই মেট্রোপলিটন শহরে বসবাসকারীরা জায়গার অভাবে বাড়িতে বাগান করতে দ্বিধাবোধ করেন।

    আরও পড়ুন: তাইল্যান্ডের পিঙ্ক কাঁঠালের চাষ করে আয়ের দিশা দেখাচ্ছেন মাজদিয়ার প্রশান্ত

    মিথিলেশ সিং এবং বিহারের সুনিতা প্রসাদ তাঁদের কমপ্যাক্ট বাগানে (Vertical Vegetable Garden) লংকা, ধনে, টমেটো, বেগুন, ওকড়া, মটর এবং করলা সহ বিভিন্ন ধরণের ফসল সফলভাবে চাষ করেছেন। দুজনেই সপ্তাহে অন্তত পাঁচ কেজি সব্জির ফলন পাচ্ছেন। মিথিলেশ বলেন, “পিভিসি পাইপ ব্যবহার করলে জায়গার পাশাপাশি টাকাও বাঁচে। “সাধারণভাবে, পিভিসি পাইপগুলি সস্তা, খুঁজে পাওয়া সহজ এবং অনেক জায়গা বাঁচাতে পারে। তদুপরি, এটির জন্য একটি জটিল সেটআপের প্রয়োজন নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share