Tag: Madhyom

Madhyom

  • Lucknow: ‘ভোট-প্রতিশ্রুতি’র ১ লক্ষ টাকা নিতে লখনউ কংগ্রেস দফতরে ভিড় জমালেন মুসলিম মহিলারা

    Lucknow: ‘ভোট-প্রতিশ্রুতি’র ১ লক্ষ টাকা নিতে লখনউ কংগ্রেস দফতরে ভিড় জমালেন মুসলিম মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই প্রকাশিত হয়েছে ২০২৪ লোকসভা ভোটের ফলাফল। ফলাফলে ইন্ডিয়া জোট অপ্রত্যাশিতভাবে উত্তর প্রদেশে বিজয়ী হয়েছে। আর সেই ফল প্রকাশের পরেই বুধবার লখনউ (Lucknow) এর একটি কংগ্রেস অফিসের বাইরে প্রচারের সময় প্রতিশ্রুত ‘গ্যারান্টি কার্ডের’ দাবিতে ভিড় জমায় অসংখ্য মহিলা। কারন নির্বাচনের আগে প্রচারের সময় কংগ্রেস অনেক পরিবারকে ‘গ্যারান্টি কার্ড’ বিতরণ করেছিল। একইসঙ্গে প্রতি দরিদ্র পরিবারের মহিলা প্রধানকে বার্ষিক ১ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। আর এদিন সেই প্রতিশ্রুতির দাবি নিয়েই কংগ্রেস অফিসের (Congress office) বাইরে ভিড় জমান অসংখ্য মহিলা। 

    প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ (Lucknow)

    সম্প্রতি একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে এই গরমে রোদ মাথায় নিয়ে বেশ কিছু সংখ্যক মুসলিম মহিলা লখনউতে কংগ্রেস অফিসের (Congress office)  বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তাদের মধ্যে কিছু মহিলা ‘গ্যারান্টি কার্ড’ দাবি করেছেন। অন্যদিকে যারা ইতিমধ্যে তাদের গ্যারান্টি কার্ড পেয়েছেন তারা তাদের অ্যাকাউন্টে প্রতিশ্রুত অর্থ জমা দেওয়ার জন্য ফর্ম জমা দিয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেছেন যে তারা তাদের ফর্ম জমা দেওয়ার পরে কংগ্রেস অফিস থেকে রসিদ পেয়েছেন।

     

    ‘ঘর ঘর গ্যারান্টি’ কর্মসূচি  

    নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস ২৫টি গ্যারান্টি কার্ড সহ প্রায় ৮ কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছানোর জন্য ‘ঘর ঘর গ্যারান্টি’ কর্মসূচি চালু করেছিল। এর মধ্যে ছিল মহালক্ষ্মী স্কিম, যা দারিদ্র্য সীমার নীচে (বিপিএল) পরিবারের মহিলা প্রধানদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি প্রতি মাসে ৮,৫০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। এই প্রকল্পটি আসলে কর্ণাটকের কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন গৃহ লক্ষ্মী প্রকল্পের অনুরূপ। যদিও কর্ণাটকে দরিদ্র পরিবারের মহিলা প্রধানদের ২,০০০ টাকা প্রদান করে এই স্কিম।  

    আরও পড়ুন: সপ্তাহের শেষে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাতিল বহু ট্রেন! আবারও ভোগান্তির আশঙ্কা নিত্য যাত্রীদের

    অন্যদিকে ইন্ডি জোট ক্ষমতায় এলে এসব সুযোগ সুবিধা পাওয়ার লক্ষ্যে সম্প্রতি অনেক মহিলা বেঙ্গালুরুর জেনারেল পোস্ট অফিসে অ্যাকাউন্ট খুলতে ছুটে এসেছেন। কারন তাঁরা আশা করেছিলেন যদি ইন্ডি জোট কেন্দ্রে ক্ষমতা পায় তাহলে মাসিক ৮,৫০০ টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তবে ফলাফল প্রকাশের পর দেখা গেছে ইন্ডি জোট এক্সিট পোলকে মিথ্যে করে দিয়ে ২৩৪টি আসনে জয়ী হয়েছে। একইসঙ্গে এনডিএ পরবর্তী সরকার গঠনের জন্যও প্রস্তুত করেছে নিজেদের। কারন বিজেপির (BJP) নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২৯২টি আসন লাভ করে, ২৭২টি আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অতিক্রম করেছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: মনোজের ওপর আস্থা রাখলেন আলিপুরদুয়ারবাসী, শহরাঞ্চলে বাজিমাত করল বিজেপি

    Alipurduar: মনোজের ওপর আস্থা রাখলেন আলিপুরদুয়ারবাসী, শহরাঞ্চলে বাজিমাত করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) ফের বাজিমাত করল বিজেপি। ২০১৯ এ প্রায় আড়াই লক্ষ ভোটের ব্যবধানে আলিপুরদুয়ারের এই আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপির প্রার্থী জন বারলা। এবার জয়ের মার্জিন কমলেও এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী মনোজ টিজ্ঞার ওপর আস্থা রেখেছেন আলিপুরদুয়ারবাসী।

    শহরাঞ্চলে বাজিমাত করেছে বিজেপি (Alipurduar)

    চা বলয়ের মধ্যে মাদারিরহাট বিধানসভা এলাকায় রয়েছে মানোজ টিগ্গার বাড়ি। গত লোকসভায় ৪৩ হাজার ৮৩৮ ভোটের ব্যবধানে  তৃণমূল প্রার্থীর থেকে এগিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী। এবারে বিজেপি প্রার্থী প্রায় ৯০০০ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। তবে, তৃণমূলের ভোট আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। একইভাবে কালচিনি, ফালাকাটা বিধানসভায় গত লোকসভার তুলনায় চা বলয়ে ভোটের ব্যবধান কমিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রকাশ চিক বরাইক চা বলয়ে জোরদার টক্কর দিলেও পুরসভাসহ শহরাঞ্চলের ভোটে খারাপ ফল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসকদল সূত্রে খবর, আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) ও ফালাকাটা পুরসভার সবকটি ওয়ার্ডে পিছিয়ে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। অথচ গত প্রায় দু বছর আগে পুরসভা নির্বাচনে আলিপুরদুয়ার পুরসভার ২০ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৬ টি তে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীরা জয়ী হন। ফালাকাটায় ১৮ টি ওয়ার্ডের সবকটি ওয়ার্ড তৃণমূলের দখলে এসেছিল। আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা ও আলিপুরদুয়ার দুই পুরসভার ফল খারাপ হওয়ার পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল রয়েছে বলে দলের আন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলালকে শাসকদলে যোগদান করিয়েও আলিপুরদুয়ার বিধানসভা এলাকায় বিজেপির ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাতে পারেনি তৃণমূল।

    আরও পড়ুন: জলপাইগুড়িতে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বিজেপি, জয়ী প্রার্থীকে দিল্লিতে তলব

     উন্নয়ন করা আমার একমাত্র লক্ষ্য

    বিজেপি সাংসদ (Alipurduar) মনোজ টিগ্গা বলেন, মানুষ ফের বিজেপির ওপর আস্থা রেখেছেন। সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তবে, গতবারের তুলনায় আমাদের জয়ের ব্যবধান কমেছে। চা বলয়ে মূলত আমাদের ভোট কিছুটা কমেছে। তবে, এরজন্য কাউকে দায়ী না করে চা বলয়ে কেন ভোট কমল, সেটা আমরা দলগতভাবে বসে আলোচনা করে কারণ খুঁজে বের করতে হবে। জেলার আরও উন্নয়ন করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: প্রেমের ফাঁদ পাতা বাংলাদেশে! হিন্দুদের নিয়ে গিয়ে চলছে ইসলামে দীক্ষিতকরণ

    Love Jihad: প্রেমের ফাঁদ পাতা বাংলাদেশে! হিন্দুদের নিয়ে গিয়ে চলছে ইসলামে দীক্ষিতকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অপহরণ করে বাংলাদেশে নিয়ে চলে যাওয়া হচ্ছে হিন্দু নারী-পুরুষ-শিশুদের। পরে জোর করে তাঁদের করা হচ্ছে মুসলমান ধর্মে ধর্মান্তকরণ (Love Jihad)। জানা গিয়েছে, পাচারকারীরা নানা অছিলায় হিন্দু তরুণীদের নিয়ে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশে। সেখানেই চলছে জোর করে ধর্মান্তকরণ। সম্প্রতি এমনই ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় তাজ্জব প্রশাসন।

    অপহৃত হিন্দু কিশোরী (Love Jihad)

    কিছু দিন আগেই বাংলাদেশের সিপাহিজেলা থেকে অপহৃত হয় বছর পনেরোর এক হিন্দু কিশোরী। জনৈক সাব্বির আহমেদ ও তার বাবা তাকে অপহরণ করে বলে অভিযোগ। এর পরেই বাংলাদেশ প্রশাসন বর্ডার গার্ডকে (বিবিজি) এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়। ভারত থেকে অপহৃত মহিলা কিংবা তরুণীকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার সময় পাকড়াও করার নির্দেশও দেওয়া হয়। বিবিজিকে এই নির্দেশ দেওয়া হলেও, স্থানীয় ম্যারেজ রেজিস্ট্রার এবং আদালতকে এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়নি। তার জেরেই বন্ধ হয়নি তরুণী অপহরণ কিংবা জোর করে ধর্মান্তকরণ (Love Jihad)। ফলশ্রুতি হিসেবে বাংলাদেশে বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে লভ জিহাদ ও হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তকরণ।

    অপহৃত ১১ জন গ্রেফতার

    এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে বলে ২০২০ সালে বাংলাদেশের কিছু মিডিয়া খবর করে। সেই সংবাদ প্রতিবেদনের লিঙ্ক শেয়ার করা নিষিদ্ধ করে দেয় ফেসবুক, কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘনের অজুহাতে। বাংলাদের নামী দৈনিক ‘যুগান্তর’ ও নিউজ পোর্টাল ‘জাগো নিউজ’ একটি প্রতিবেদনে জানায়, রামগঞ্জ উপজিলার লক্ষ্মীপুর জেলা থেকে স্থানীয় পুলিশ গ্রেফতার করেছে ১১ জন ভারতীয় নাগরিককে। এদের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশে অপহরণ করে নিয়ে আসা হয়েছিল, করা হয়েছিল ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তকরণও। মৌলবাদী ঘৃণা প্রচারক মিজানুর রহমান আজহারি স্বয়ং ধর্মান্তকরণের অনুষ্ঠান করেছিল। এই প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছিল, ২০০৬ সালে মাত্র চোদ্দ বছর বয়সে নিখোঁজ হয়ে যায় স্থানীয় কাউন্সিল সদস্য ফতেমা বেগম ও মোজিবল হকের ছেলে মনির হোসেন।

    ওপার বাংলার মনির এপারে এসে শঙ্কর!

    পশ্চিমবঙ্গে এসে সে যোগ দিয়েছিল তবলিঘি জামাতে। শঙ্কর অধিকারী নাম নিয়ে দিব্যি সে বাস করছিল এপার বাংলায়। এখানেই সে এক হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করে। এক দশকেরও বেশি সময় এ দেশে বসবাস করার পর মনির ও তাঁর স্ত্রী ফাঁদে পড়ে তবলিঘি জামাতের। ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। জামাতের তরফে মনির ওরফে শঙ্করের সঙ্গে বাংলাদেশের এক ব্যক্তির পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশি এই নাগরিক মনিরকে হিন্দু তরুণী ও মহিলাদের বাংলাদেশের পাচারের অফার দেয়। তাঁদের ইসলামে দীক্ষিত করাতে হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। তার বিনিময়ে মনিরকে ওই বাংলাদেশি মোটা টাকা মিলবে বলেও টোপ দেয়। টোপ গেলে মনির। জানা গিয়েছে, এ রাজ্যের ছ’জন মহিলা, যাঁদের অধিকাংশই তার স্ত্রীর (যিনি আদতে হিন্দু) আত্মীয়, তাঁদের ভিসা দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বাংলাদেশে। মনিরের স্ত্রী ও দুই সন্তানকেও পাঠানো হয় তাঁদের সঙ্গে। সেখানে তাঁদের প্রত্যেককেই জোর করে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত করা হয়।

    লভ জিহাদের ফাঁদ

    ‘যুগান্তরে’র অন্য এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচাং উপজিলার হিন্দু মহিলা করফুল সরকারকে লভ জিহাদের ফাঁদে ফেলে জোর করে ধর্মান্তকরণ করা হয়। সে পড়েছিল কাজল মিঞার খপ্পরে। প্রেমের জালে (Love Jihad) জড়িয়ে তাঁকে মুসলমান করার পর ফের হিন্দু ধর্মে ফিরে আসেন করফুল। এতেই খেপে যান স্থানীয় মুসলমান নেতারা। তাঁকে তাঁর বাবার বাড়ির বাইরে বসবাস করতে বাধ্য করেন। শর্ত দেওয়া হয়, তাঁর বাবা-সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের হিন্দু ধর্ম ছেড়ে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হলে, তবেই মিলবে এক সঙ্গে বসবাসের অনুমতি।

    হিন্দু পরিবারকে মুসলমান হতে চিঠি!

    বাংলাদেশের এক প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক শামিম আহমেদ। সে-ও এক হিন্দু তরুণীকে অপহরণ করে বিয়ে করে জোর করে দীক্ষিত করে মুসলমান ধর্মে। পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়ের করায় গ্রেফতার করা হয় শামিমকে। ২০২৩ সালের অগাস্টে কয়েকজন মুসলমান ঐশী বণিক নামে এক হিন্দু তরুণীকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে বাধ্য করে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার নামকরা বাংলা দৈনিক ‘ইত্তেফাকে’র একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ, সে দেশের কয়েকজন মুসলমান মাগুরা জেলার ৫০টি হিন্দু পরিবারকে মুসলিম ধর্মে দীক্ষিত হতে হবে বলে চিঠি দেয়। ওই ঘটনায় চারজন মুসলমানকে গ্রেফতার করেছিল বাংলাদেশের প্রশাসন। যদিও তারা প্রত্যেকেই জামিন পেয়ে যায়।

    অন্য একটি সংবাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, সৌদি আরবে ৩ লাখ ৪৭ হাজার হিন্দুকে ইসলামি গ্রুপের তরফে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার টোপ দেওয়া হয়। ৩ লাখ ৪৭ হাজার হিন্দু ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন বলে ভুয়ো খবরও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পাকিস্তান এবং আরও কয়েকটি দেশেও রমরমিয়ে চলছে জোর করে ধর্মান্তকরণের ব্যবসা।

    আর পড়ুন: রেকর্ড গড়ল বিজেপি, বিরোধীশূন্য মধ্যপ্রদেশ পদ্মময়

    বাংলাদেশেরই আর একটি সংবাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ক্রমাগত চাপের কাছে নতি স্বীকার করে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশের মাদারিপুরের হিন্দু দম্পতি অশোক মিত্র ও তাঁর স্ত্রী পার্বতী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এই মাসেই জনৈক সাগরিকা দাস লভ জিহাদের খপ্পরে পড়ে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে বাধ্য হন। চেন্নাই পুলিশ কীভাবে আন্তর্জাতিক লভ জিহাদের একটি ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে দিয়েছিল, সে খবর ফাঁস করে বাংলাদেশের নিউজ পোর্টাল ‘বাংলা ট্রিবিউন’।

    ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যখন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ হিসেবে, তখন জীবন ও জীবিকা বাঁচাতে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিল অনেক হিন্দু পরিবার। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৫৪ বছর আগে। যদিও আজও সেই ট্র্যাডিশন সমানে (Love Jihad) চলছে…

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Adhir Chowdhury: হারের পর কি রাজনীতি ছাড়ছেন অধীর? কী বললেন সাংবাদিক সম্মেলনে?

    Adhir Chowdhury: হারের পর কি রাজনীতি ছাড়ছেন অধীর? কী বললেন সাংবাদিক সম্মেলনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুর লোকসভার পাঁচ বারের সাংসদ ছিলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury)। টানা ২৫ বছর ধরে দিল্লি, বহরমপুরে রাজনৈতিক জীবন কাটিয়েছেন। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে নিজের কেন্দ্রে তৃণমূলের কাছে পারাজিত হয়েছেন তিনি। যদিও নির্বাচনের আগে ঘোষণা করেছিলেন যে, হেরে গেলে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। একইভাবে, ইন্ডি জোট নিয়ে এই রাজ্যে মমতাকে সমর্থন করার বিষয়ে দলের সঙ্গে মতান্তর হয়েছিল তাঁর। পাল্টা দলের জাতীয় সভাপতির কাছ থেকে দল ছেড়ে গেলে কিছুই যাবে আসবে না এমন মন্তব্য শুনতে হয়েছিল। কিন্তু অধীর নিজের ভাবনায় স্থির ছিলেন।

    পরাজয়ের পর কী বললেন অধীর (Adhir Chowdhury)?

    নিজের পরাজয়ের পর সাংবাদিক সম্মেলন করে অধীর (Adhir Chowdhury) বলেন, “হেরে যাওয়া মানে হেরেই যাওয়া। আমার কোনও অভিযোগ নেই। আমি আমার কথা থেকে সরে আসিনি। আমার সিদ্ধান্ত আমি স্পষ্ট করে জানাব। আপনারা জানেন এখানে কোনও ভোট হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে সমীকরণ বদলে গিয়েছে। ইন্দিরা গান্ধী, রাহুল গান্ধীকেও নির্বাচনে হারতে হয়েছিল। আমিও ভোটে হেরেছি। মানুষ আমাকে ভোট দেননি এটাই সত্য। আমিও মানুষের রায় মেনে নিলাম।”

    আরও পড়ুনঃ ক্যানিংয়ে তৃণমূলের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, বাড়ি ভাঙচুর! দিকে দিকে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

    আর কী বললেন?

    সাংবাদিক সম্মেলন করে অধীর (Adhir Chowdhury) আরও বলেন, “আমরা এই নির্বাচনে এটা কখনই বলিনি সারা পশ্চিমবঙ্গে জয়ী হব। কিন্তু আমাদের যেখানে যেখানে সম্ভব ছিল আমরা চেষ্টা করেছি। আমাদের সমস্ত শক্তি দিয়ে লড়াই করেছি। তবে হ্যাঁ, এখন পরাজয় স্বীকার করছি। ইউসুফ পাঠানকে আমি অনেক অনেক অভিনন্দন জানাই। বঙ্গে ধর্মনিরপেক্ষের উপর চরম আঘাত আসতে চলেছে। মোদি কখনই ৪০০ সিট পাবেন না বলে আমরা আগেই জানিয়ে দিয়েছি। কিন্তু কিছু সংবাদ মাধ্যম মোদির হয়ে প্রচার করেছে। রাহুল গান্ধীর ন্যায় যাত্রা আমাদের আরও শক্তিশালী করেছে। কঠোর পরিশ্রম এবং মানুষের বিশ্বাস আমাদের বড় জয়ের দিকে নিয়ে গিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sealdah Division: সপ্তাহান্তে শিয়ালদা ডিভিশনে বাতিল বহু ট্রেন! আবারও যাত্রী-ভোগান্তির আশঙ্কা

    Sealdah Division: সপ্তাহান্তে শিয়ালদা ডিভিশনে বাতিল বহু ট্রেন! আবারও যাত্রী-ভোগান্তির আশঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটতেই আবারও যাত্রী ভোগান্তির আশঙ্কা শিয়ালদা ডিভিশনে (Sealdah Division)। বাতিল হতে পারে বহু ট্রেন। ৭ জুন অর্থাৎ শুক্রবার থেকে তিনদিন ট্রেন বাতিলের পরিকল্পনা নিয়েছে পূর্ব রেল। মঙ্গলবার ভোটের ফল প্রকাশ হতেই আলোচনায় বসেন রেলকর্তারা। আগামী শুক্রবার থেকে টানা তিনদিনে বেশ বহু ট্রেন বাতিলের (Local train cancelled) পাশাপাশি বহু ট্রেনের যাত্রাপথেও কাটছাঁট করা হবে।

    কী কারণে ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্ত? 

    শিয়ালদা মেইন এবং বনগাঁ শাখায় প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ সহ ইন্টারলকিংয়ের কাজের পরিকল্পনা বেশ কিছুদিন ধরেই করছিল রেল। তবে এতদিন ধরে ভোট চলার কারণে যাত্রী হয়রানির কথা ভেবে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা হয়নি। তবে এবার ভোট মিটতেই সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। বুধবার রেলের কর্তারা বৈঠক করেছেন। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই কাজের জন্য মেগা পাওয়ার ব্লক করা হবে। সেই কারণে শিয়ালদা ডিভিশনের (Sealdah Division) বেশ কিছু শাখায় বহু ট্রেন বাতিল (Local train cancelled) থাকবে।

    পূর্ব রেল সূত্রের খবর, ১২ কোচের ট্রেন চালানোর জন্য প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ করা হবে। এর পাশাপাশি রেল চলাচলকে আরও মসৃণ করতে ইন্টারলকিংয়ের কাজ করা হবে। তার জন্য শিয়ালদা মেইন এবং বনগাঁ শাখায় পাওয়ার ব্লক করা হবে। ১ থেকে ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে এই কাজ হবে।  এই সমস্ত কারণে শিয়ালদা ডিভিশনে (Sealdah Division) প্রচুর সংখ্যক ট্রেন বাতিল (Local train cancelled) করা হবে। এছাড়া বহু ট্রেন দমদম এবং বিধাননগর পর্যন্ত চলতে পারে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী পদে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দিলেন পদত্যাগপত্র

    সড়ক পথে অতিরিক্ত যান চালানোর আবেদন 

    রেলের এই সিদ্ধান্তে সপ্তাহের শেষে টানা তিন দিন শিয়ালদা মেন (Sealdah Division) ও বনগাঁ শাখার যাত্রীদের চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হবে। তাই যাত্রী দুর্ভোগ এড়াতে সড়ক পথে অতিরিক্ত যান চালানোর জন্য সরকারের কাছে রেলের পক্ষ থেকে আবেদন করা হবে। একইসঙ্গে এ প্রসঙ্গে রেলের তরফে তরফে জানানো হয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত রেল লাইন রক্ষণাবেক্ষণ করলে বড়সড় মেরামতি এবং যন্ত্রাংশ পাল্টানোর প্রয়োজনীয়তা কমে যায়। সেক্ষেত্রে যাত্রী হয়রানি কমানো সম্ভব হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tomato: স্যালাড কিংবা তরকারিতে নিয়মিত একটা টম্যাটো খেলে কমবে পাঁচ রোগের ঝুঁকি! 

    Tomato: স্যালাড কিংবা তরকারিতে নিয়মিত একটা টম্যাটো খেলে কমবে পাঁচ রোগের ঝুঁকি! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্যালাড হিসেবে, কিংবা স্যান্ডুইচে কয়েক টুকরো টম্যাটো (Tomato) ব্যবহার করা হয়। অথবা, যে কোনও নিরামিষ কিংবা আমিষ তরকারিতেও দেওয়া হয় টম্যাটো। আর নিয়মিত টম্যাটো খেলে উপকার অনেক! চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত অন্তত একটি টম্যাটো খেলে কমবে একাধিক রোগের ঝুঁকি। তাই ভারী খাবারের সঙ্গে স্যালাড হিসেবে কিংবা যে কোনও তরকারিতে টম্যাটো ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। জেনে নিন, কোন কোন রোগের ঝুঁকি কমায় টম্যাটো?

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় (Tomato)

    হৃদ সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হৃদরোগের একাধিক লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। এমনকি দেশ জুড়ে বেড়েছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। টম্যাটো হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, টম্যাটোতে রয়েছে একাধিক ভিটামিন এবং টম্যাটোয় শর্করার পরিমাণ কম থাকে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত টম্যাটো খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে।

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়

    টম্যাটো রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, টম্যাটোতে (Tomato) থাকে ভিটামিন সি। এই ভিটামিন সি দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে‌ তোলে। তাই নিয়মিত টম্যাটো খেলে নানা ধরনের ভাইরাস ঘটিত রোগের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হয়। দেহে প্রতিরোধ শক্তি বেড়ে যায়।

    ডায়াবেটিস আক্রান্তদের বিশেষ সাহায্য করে (Tomato)

    ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য টম্যাটো বিশেষ উপকারী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে টম্যাটো খুব কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তাই ডায়াবেটিস রুখতে নিয়মিত টম্যাটো খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।

    কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

    টম্যাটো অন্ত্রের জন্য ভালো। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত টম্যাটো (Tomato) খেলে অন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিকমতো হয়। এর জেরে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর হয়। 

    তবে, শিশু ও বয়স্কদের টম্যাটো খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্ক থাকা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, টম্যাটো অনেক সময় হজম করতে সময় লাগে। বিশেষত হজমের সমস্যা থাকলে টম্যাটো নিয়মিত খাওয়া উচিত নয়। তাতে নানান সমস্যা বাড়তে পারে। তাই শিশু ও বয়স্করা নিয়মিত টম্যাটো হজম করতে পারছে কিনা, সেদিকে নজর রেখেই মেনুতে টম্যাটো (Tomato) রাখা যাবে কিনা,তার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: জলপাইগুড়িতে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বিজেপি, জয়ী প্রার্থীকে দিল্লিতে তলব

    Jalpaiguri: জলপাইগুড়িতে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বিজেপি, জয়ী প্রার্থীকে দিল্লিতে তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা রাজ্যে বিজেপির বেশ কিছু আসন সংখ্যা কমলেও জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বিজেপি। ভোটের ফল ঘোষণার পরই জলপাইগুড়িতে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা উল্লাসে মেতে ওঠেন। লোকসভার প্রায় সবকটি বিধানসভা এলাকাতেই বিজেপি তাদের জয়ের ধারা বজায় রেখেছে।

    আবির খেলায় মেতে ওঠেন (Jalpaiguri)

    ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটেও এই আসন জয় লাভ করেছিল বিজেপি। এবারও সেই জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বিজেপি। জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) মানুষ বিজেপির ওপরই ভরসা রাখলেন এবারেও। ৮৬ হাজারের ও বেশি ভোটে জয়লাভ করেছেন বিজেপির প্রার্থী জয়ন্ত রায়।  বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, “সাংসদ হিসেবে গত পাঁচ বছরে এলাকার জন্য প্রচুর কাজ করেছেন তিনি। যেমন, বেশ কিছু ট্রেনের স্টপেজের ব্যবস্থা করেছেন। পাশাপাশি সমস্ত রেলস্টেশনগুলিকে উচ্চ মানের পরিকাঠামো তৈরি এবং যাত্রীদের বিভিন্ন সুবিধার ব্যবস্থা করেছেন। জলপাইগুড়ি হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজে উন্নিত হওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর বড় ভূমিকা রয়েছে। তাই, জলপাইগুড়ির মানুষ এবারও জয়ন্ত রায় কে দুহাত ভরে আশীর্বাদ করেছেন।” এবারও দলীয় প্রার্থী জয়লাভ করার পর কর্মীরা আবির খেলায় মেতে ওঠেন।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রাম-সন্দেশখালিতে বিজেপির জয়, নত মস্তকে প্রণাম জানালেন শুভেন্দু

     জয়ী প্রার্থীকে দিল্লিতে তলব

    এলাকায় নানা উন্নয়নমূলক কাজকর্ম করে সাধারণ মানুষের কাছে নিজেকে প্রমাণ করেছেন জয়ন্তবাবু। আর তাতেই সাধারণ মানুষও তাঁকে আশীর্বাদ করেছেন। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। জেলার প্রতিটি প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন। পাশাপাশি প্রত্যেকটি এলাকার সমস্যা শুনে তা সমাধানে এগিয়ে এসেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তাঁকে দিল্লি তলব করেছেন। বুধবারই তিনি দিল্লি যাচ্ছেন। সূত্রের খবর, এবার তিনি কেন্দ্রের মন্ত্রীসভায় স্থান পেতে চলেছেন। সেই কারণেই তাঁকে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। যদি তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সভায় জায়গা পান, তাহলে এই এলাকার আরও উন্নতি হবে বলে আশা এলাকাবাসীর।

    জলপাইগুড়ির আরও বেশি উন্নয়ন করা আমার একমাত্র লক্ষ্য

    দ্বিতীয়বার জয়ী হয়ে জয়ন্ত রায় বলেন, গত পাঁচ বছর আমি জেলাবাসীর (Jalpaiguri) সঙ্গে ছিলাম। তাঁদের কথা রাখার চেষ্টা করেছি। তাঁরা ফের আমার ওপর আস্থা রাখাই আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। আগামীদিনে জলপাইগুড়ির আরও বেশি উন্নয়ন করা আমার একমাত্র লক্ষ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ক্যানিংয়ে তৃণমূলের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, বাড়ি ভাঙচুর! দিকে দিকে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

    Post Poll Violence: ক্যানিংয়ে তৃণমূলের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, বাড়ি ভাঙচুর! দিকে দিকে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল (Post Poll Violence) ঘোষণা হয়েছে। তৃণমূল ২৯টি আসনে জয়ের পর থেকেই রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে বলে দাবি বিজেপির। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কলকাতার বেশ কিছু জায়গায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি ছাড়া করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দুষ্কৃতীরা লাঠি, বন্দুক, বাঁশ নিয়ে বাসিন্দাদেরকে হুমকি দিচ্ছে অনবরত। আক্রান্ত বিজেপির কর্মীদের বক্তব্য, “তৃণমূল হুমকি দিয়ে বলে গিয়েছে, এলাকায় থাকতে গেলে বিজেপি করা যাবে না।” অপর দিকে ক্যানিংয়ে বিজেপি নেত্রীর মায়ের চোখ মেরে ফাটিয়ে দিল তৃণমূল। উল্লেখ্য ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচনেও বিরোধীরা, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছিল।

    ক্যানিংয়ে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা (Post Poll Violence)

    মঙ্গলবার রাতে ক্যানিং থানার দিঘিরপাড় পঞ্চায়েতের কাঠপোল এলাকায় তৃণমূল দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে আক্রমণ (Post Poll Violence) করেছে। গুরুতর জখম হয়েছেন বিজেপি নেত্রীর স্বামী অসীম কুমার দাস ও মা অনিতা সিনহা। হামলার পর বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন তাঁরা। বিজেপি নেত্রী বলেন, “রাত নটার পর অস্ত্র হাতে হামলা চালায় ওরা। হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও ছিল। এর আগেও হামলা হয়েছে। আমি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েও রেখেছিলাম। আমি সে সময় বাড়িতে ছিলাম না, তখনই হামলা হয় আমার মা ও স্বামীর ওপর। ইতিমধ্যে পুলিশকে অভিযোগ জানিয়েছি।”

    মধ্যমগ্রামে বাড়ি ভাঙচুর

    ভোট পরবর্তী হিংসায় প্রায় ১০-১২টি বাড়ি ভাঙচুর (Post Poll Violence) হয়েছে মধ্যমগ্রাম বিধানসভার নেতাজী পল্লী এলাকায়। গতকাল রাতে ডাক্তার কাকলি ঘোষ দস্তিদারের জয় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর এই এলাকার তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হাতে লোহার রড বাস বন্দুক নিয়ে তাণ্ডব চালায়। বিজেপির কার্যালয়ের সাটারে লাগাতার লোহার রড দিয়ে মারতে থাকে এবং সেই সঙ্গে ওই বাড়ি ভাঙচুর চালায় গুন্ডারা। কখনও মহিলাদের বন্দুকের নল ঠেকিয়ে দেওয়া হয় হুমকি। আবার কখনও বিজেপি করার অপরাধে লাগাতার কিল ঘুষি চড় মারে দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে। বাহিনী চলে যাবার পরে আবার দুষ্কৃতীরা এসে তাণ্ডব চালায়, এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি দত্তপুকুর থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুনঃ গণনার পর রাতভর চলল বারাকপুর-নৈহাটি-ভাটপাড়ায় ভোট পরবর্তী হিংসা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    নিউটাউনে বাড়ি ভাঙচুর

    ভোট পরবর্তী হিংসায় (Post Poll Violence) এবার নিউটানে বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাংচুর হয়েছে। অভিযোগ মঙ্গলবার রাতের অন্ধকারে নিউটাউনের বিবেকানন্দ পল্লী এলাকায় এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে মদ্যপ অবস্থায় ১২ থেকে ১৪ জন পাথর, লাঠি ও মদের বোতল নিয়ে হামলা চালায়। শুধু তাই নয় ২টি বাইক ভাঙচুর করা হয়। মদের বোতল মেরে বাড়ির জানলার কাঁচ ভেঙে দেওয়া হয়। ঘটনায় বিজেপির মূল অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দিলেন পদত্যাগপত্র, ৮ জুন প্রধানমন্ত্রী পদে তৃতীয়বার শপথ মোদির

    PM Modi: রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দিলেন পদত্যাগপত্র, ৮ জুন প্রধানমন্ত্রী পদে তৃতীয়বার শপথ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয় বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জানা গিয়েছে আগামী শনিবার, ৮ জুন রাত ৮টা নাগাদ শপথ নিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ (Lok Sabha Election Results) হয়েছে। কেন্দ্রে এবারও ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। তাই এবার সরকার গঠনের পালা। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা জওহরলাল নেহরুর পর মোদি তৃতীয় মেয়াদে সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। 

    বর্তমান পদ থেকে ইস্তফা মোদির (PM Modi)

    সরকার গঠন নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে বুধবার দুপুরে নরেন্দ্র মোদি ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করতে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছন। রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতির হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দেন তিনি। রাষ্ট্রপতি তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত এই পদের দায়িত্ব সামলাতে মোদিকে (PM Modi) অনুরোধ করেছেন মুর্মু। 
    প্রসঙ্গত, এবারের লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election Results) বিজেপি ২৪০টি আসনে জয়ী হয়েছে, যা ৫৪৩ আসনের লোকসভায় সরকার গড়ার পক্ষে যথেষ্ট নয়। লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ২৭২টি আসন। কিন্তু সবমিলিয়ে এনডিএ জোট পেয়েছে ২৯২টি আসন। ফলে সরকার গঠনে ৩২টি আসনের জন্য শরিক দলগুলির উপর নির্ভর করতে হচ্ছে বিজেপি-কে। এই প্রথম বার সহযোগীদের সমর্থনের উপর নির্ভর করে সরকার গড়তে হবে বিজেপিকে (BJP)। যেখানে শরিকদলগুলির বড় ভূমিকা থাকবে। 

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে ৯০ শতাংশের বেশি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

    বুধেই বৈঠক এনডিএ দলগুলির   

    বুধবার বিজেপির শরিকদলগুলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটা বৈঠক রয়েছে। যেখানে চন্দ্রবাবু নাইডু, নীতীশ কুমার সহ একাধিক এনডিএ শরিক উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার ফলাফল প্রকাশের (Lok Sabha Election Results) পরেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার বাড়িতে যান শাহ। সেখানে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয়। আর সেই বৈঠকের পরেই আজ বুধবার বৈঠক হতে চলেছে এনডিএ (NDA) দলগুলির মধ্যে। যেখানে আগামী কৌশল এবং মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Honey: নিয়মিত মধু খান? জানেন, শরীরে কী প্রভাব পড়ছে? শিশুদের বিপদ বাড়াচ্ছে না তো? 

    Honey: নিয়মিত মধু খান? জানেন, শরীরে কী প্রভাব পড়ছে? শিশুদের বিপদ বাড়াচ্ছে না তো? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে গরম জলে মিশিয়ে, কিংবা‌‌ জলখাবারে এক চামচ, অথবা রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে অনেকেই নিয়মিত মধু (Honey) খান। দিনের যে কোনও সময় এক চামচ মধু নিয়মিত খেলে একাধিক উপকার পাওয়া যায় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। বিশেষত বাড়ির ছোটদের নিয়মিত মধু খাওয়ালে দীর্ঘ জীবনে নানা উপকার পাওয়া যায়। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশের সতর্কবার্তা, এক বছরের কম বয়সি শিশুদের একেবারেই মধু খাওয়ানো উচিত নয়। মধুর কিছু উপাদান সদ্যোজাতদের শরীরে সহ্য হয় না। এর জেরে পেটে নানান সংক্রমণ শুরু হয়।  আবার মধু মিষ্টিজাতীয় খাবার, তাই ডায়াবেটিস আক্রান্তেরা নিয়মিত মধু খেলে শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে‌। তবে ডায়াবেটিসের সমস্যা না থাকলে কিংবা বয়স এক বছরের বেশি হলে নিয়মিত মধু খাওয়া শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী।

    নিয়মিত মধু খেলে শরীরে কী প্রভাব পড়ে? (Honey)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত মধু খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। পাশপাশি যে কোনও সংক্রামক রোগের ঝুঁকিও কমে। কারণ, মধুতে একাধিক প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে‌, যার পুষ্টিগুণ অপরিসীম। পাশপাশি মধুতে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি ভাইরাল বৈশিষ্ট্য। এই কারণে ঋতু পরিবর্তনের সময়ে নিয়মিত মধু খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়। শরীরে ভাইরাস ঘটিত রোগের প্রকোপ কমে। গলাব্যথা, কাশি কিংবা আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশনের মতো রোগের ঝুঁকিও কমায়। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত মধু খান, তাঁদের ভাইরাস ঘটিত রোগের প্রকোপ কমে।

    মধু হৃদপিণ্ডের জন্য খুবই উপকারী

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মধু (Honey) নিয়মিত খেলে রক্তে পলিফোনিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বাড়ে। এর জেরে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। তাছাড়া, মধু কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। নিয়মিত দারুচিনি গুঁড়ো মধু দিয়ে খেলে ১০ শতাংশ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর জেরে হৃদরোগের ঝুঁকি, বিশেষত হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে। মধু ডায়রিয়া কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্থুলতা কমাতে মধু বিশেষ সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, মধুতে রয়েছে একাধিক প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান। এর জেরে মধু নিয়মিত গরম জলে খেলে দেহের অতিরিক্ত মেদ সহজেই কমে যায়।

    মধু হজম শক্তি বাড়ায় (Honey)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মধু নিয়মিত খেলে অন্ত্র ভালো থাকে। তাই মধু হজমশক্তি বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। তাছাড়া, মধু ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মধু দেহের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে‌। মধুতে রয়েছে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। তাই মধু নিয়মিত খেলে ত্বক উজ্জ্বল হয়। ত্বকের শুষ্কভাব কমে যায়। তাই যাঁরা নিয়মিত মধু খান, তাঁদের ত্বকের সমস্যা কম থাকে (Honey)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share