Tag: Madhyom

Madhyom

  • WB Election 2026 Results: বঙ্গে গেরুয়া ঝড় নিশ্চিত হতেই ঝালমুড়ি বিলি বিজেপির, দই-কাতলা দিয়ে লাঞ্চের বিপুল আয়োজন

    WB Election 2026 Results: বঙ্গে গেরুয়া ঝড় নিশ্চিত হতেই ঝালমুড়ি বিলি বিজেপির, দই-কাতলা দিয়ে লাঞ্চের বিপুল আয়োজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভোট প্রচারে ঝাড়গ্রামে এসে নিজে দোকানে গিয়ে ঝালমুড়ি কিনে খেয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদি। নিজে পকেট থেকে বার করে দিয়েছিলেন টাকাও। বলাইবাহুল্য মুহূর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল নেটদুনিয়ায়। কিন্তু মোদির ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে ময়দানে নেমেছিল তৃণমূল। তবে এদিন প্রাথমিক ট্রেন্ডে গেরুয়া ঝড়ে, সেই ঝালমুড়িই বিতরণ করতে দেখা গেল বিজেপি কর্মীদের।

    ঝালমুড়ির ঝাঁঝে উড়ে গেল তৃণমূল!

    ১৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী মোদি ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী সফর করেন। দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সেখানে জনসভা করে ফেরার পথে রাস্তার ধারে একটি ঝালমুড়ির দোকান থেকে কিনে মুড়ি খান। সেই থেকেই ঝালমুড়ি হয়ে গেল বঙ্গ রাজনীতির এক অঙ্গ। ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে মোদিকে অবশ্য কম কটাক্ষ শুনতে হয়নি। প্রধানমন্ত্রীও পালটা বলেছিলেন, ‘‘আমি শুনেছি যে ঝালমুড়িও নাকি কাউকে কাউকে বেশ জোরদার একটা ধাক্কা দিয়েছে। ঝালমুড়ি খেলাম আমি আর ঝাল লাগল ওদের (তৃণমূল)।” সেই ঝাড়গ্রামের মাটিতে ঘাসফুলের অস্তিত্ব একেবারে শেষের মুখে। জেলার চারটি আসনেই বড় ব্যবধানে জয়ের পথে বিজেপি প্রার্থীরা। সপ্তম রাউন্ড ভোট শেষে ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মীকান্ত সাহু। সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সেই মুহূর্ত ঝাড়গ্রামের মানুষের মনেও গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছিল। আর আজকের প্রাথমিক ফল বলছে, ঝাড়গ্রামে আসলেই বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলার চারটি বিধানসভা আসনই অর্থাৎ ঝাড়গ্রাম, বিনপুর, নয়াগ্রাম এবং গোপীবল্লভপুরে বিজেপি প্রার্থীরা ভালো ফলাফল করেছে। তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে সবকটি আসনেই। অনেকেই বলছেন, সবটাই মোদি-ম্যাজিক।

    কলকাতা-দিল্লিতে বিজেপি দফতরে ঝালমুড়ি বিলি

    ভোটের ফলাফলের ট্রেন্ডে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া ঝড় নিশ্চিত হতেই কলকাতা থেকে দিল্লি— ঝালমুড়ি বিলি করে আনন্দে মেতে উঠেছেন বিজেপি কর্মীরা। বঙ্গজয়ের ছবি স্পষ্ট হতে শুরু করতেই বিজেপির সদর দফতরে ঝালমুড়ি দিয়ে উদযাপন শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্য বিজেপির পুরনো অফিস, মুরলিধর সেন লেন— সেখানে রীতিমত ঝালমুড়ির বিতরণ করা হচ্ছে। ঝালমুড়ির ডালা সাজিয়ে বসেছে দলীয় নেতা-কর্মীরা। একেবারে বিজেপি কার্যালয়ের ভিতরেই বসে গিয়েছে ঝালমুড়ির স্টল। হাতে হাতে উঠে যাচ্ছে সেই ঝালমুড়ির প্লেট৷ উচ্ছ্বাসে, আনন্দে সেই স্বাদ আস্বাদন করছেন বিজেপি কর্মীরা৷ আবার, সল্টলেকে বঙ্গ বিজেপির বর্তমান দফতরে সল্টলেকে মাছ-ভাত রান্না হচ্ছে। জয় উদযাপন করতে বিশেষ পদ রান্না। বিজেপি এলে মাছ-মাংস বন্ধ হয়ে যাবে বলে যে প্রচার করেছিল তৃণমূল, তার জবাব দিতেই এমন পদক্ষেপ। রান্না হচ্ছে কাতলা মাছ, দই কাতলা। মেনুতে রয়েছে, মিক্সড ভেজ, বেবি কর্ন, মুসুর ডাল, আমের চাটনি। একইভাবে, সকাল থেকেই উচ্ছ্বাসের ছবি দেখা গেল দিল্লিতে পন্ডিত দিন দয়াল উপাধ্যায় মার্গের বিজেপির সদর দফতরে। বাংলা জয়ের গন্ধ পেতে শুরু করলে সেখানেও তৈরি হতে শুরু করেছে ঝালমুড়িও৷ ইতিমধ্যেই সদর দফতরে ভোজের প্রস্তুতি জোরদার। ৪০০-৫০০ জনের খাবারের আয়োজনে রয়েছে বাঙালির মিষ্টি দই, রসগোল্লা। সঙ্গে ঝালমুড়ির স্টল৷ ব্যান্ড পার্টি আনা হয়েছে অফিসের সামনে। কোথাও মিষ্টি খাওয়ানো হচ্ছে, কোথাও ঝালমুড়ি খাওয়ানো হচ্ছে। মোদির কাটআউট হাতে আবীর মাখছেন বিজেপি কর্মীরা।

  • Suvendu Adhikari: “ডায়মন্ড হারবারেও বিজেপি প্রার্থী এগোচ্ছে, এটা ভালো সংকেত”, বললেন শুভেন্দু অধিকারী

    Suvendu Adhikari: “ডায়মন্ড হারবারেও বিজেপি প্রার্থী এগোচ্ছে, এটা ভালো সংকেত”, বললেন শুভেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বিজেপিই সরকার গড়ছে’’, গণনার (West Bengal Elections 2026) শুরুর দিকেই আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “ভাষার নামে আর জাতের নামে ভাগ হয়নি হিন্দু ভোট। ডায়মণ্ড হারবারেও বিজেপি প্রার্থী এগোচ্ছে,  সিদ্দিকুল্লা হারছেন, এটা খুব ভালো সংকেত। মোদিজির জয়, পশ্চিমবঙ্গের জনগণের জয়। জনগণের স্পষ্ট মতামত, বিজেপি সরকার গড়ছে।” প্রাথমিক প্রবণতার পরই মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারী এবং সেই সঙ্গে দিলেন কর্মীদের সংযত থাকার বার্তা।

    শান্তি বজায় রাখার আবেদন (Suvendu Adhikari)

    রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে যখন রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে, ঠিক তখনই রাজ্যের শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি স্পষ্ট ভাবে বলেন, “জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, বাংলার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং শান্তি বিঘ্নিত হওয়া কোনওভাবেই কাম্য নয়।” দলীয় কর্মীদের উস্কানিমূলক আচরণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মতে, “ভোট গণনা একটি গণতান্ত্রিক পদ্ধতি এবং একে সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হতে দেওয়া সকলের নৈতিক দায়িত্ব।”

    ব্যক্তিগত বা সামাজিক শত্রুতার নয়

    নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) ফলাফল পরবর্তী সময়ে রাজ্যে যে কোনও প্রকার হিংসাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে শুভেন্দু কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক লড়াই কেবল আদর্শের হওয়া উচিত, ব্যক্তিগত বা সামাজিক শত্রুতার নয়। বাংলার মানুষ শান্তি চায়। গণনার দিন এবং পরবর্তী সময়ে শান্তি বজায় রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।”

    ১৯৩ আসনে এগিয়ে বিজেপি

    এই মুহূর্তে বিজেপির এগিয়ে থাকা আসনসংখ্যা ১৯৩। অন্যদিকে, রাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তৃণমূলের এগিয়ে থাকা আসনসংখ্যা ৯৩। ২৯৪ আসনের এই বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনও দলের প্রয়োজন ১৪৮ আসনে জয়। ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৭৭টি আসন। অন্যদিকে তৃণমূল পেয়েছিল ২১৪টি আসন। এবারে সরকার গঠন নিয়ে বিজেপি অত্যন্ত প্রত্যয়ী।

  • Assembly Election 2026: যে দলই জিতুক, আজ বিজয় মিছিল নয়! রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের

    Assembly Election 2026: যে দলই জিতুক, আজ বিজয় মিছিল নয়! রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে (Three-tier security zone) চলছে রাজ্যের ভোটগণনা (west Bengal Counting)। ইতিমধ্যেই প্রাথমিক ট্রেন্ড সামনে আসতে শুরু করেছে। সবুজ বাংলায় গেরুয়া ঝড় উঠেছে। গণনা কেন্দ্রগুলিতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা। ২৩ টি জেলার ২৯৩টি বিধানসভার (Assembly Election 2026) আসনে আজ ফল ঘোষণা। একটি বকি থাকবে। সেটি হল ফলতা বিধানসভা। যেখানে ২১ মে পুনর্নির্বাচন (Re Poll) , ফল ঘোষণা ২৪ মে। ভোটগণনা (Vote Counting) শুরুর পরে নিজের দফতরে এসেই রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলিকে বড় বার্তা দিলে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal)। যে দলই জিতুক না কেন, কেন আজ কোনও বিজয় মিছিল নয় বলে আগেই জানিয়েছিলেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত (Special Observer Subrata Gupta)। এদিন তাতেই শিলমোহর দিলেন মনোজ।

    শান্তি বজায় রাখতে সক্রিয় কমিশন

    নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত এদিন সকালেই স্পষ্ট করে দেন আজ কোনও রাজনৈতিক দলই বিজয় মিছিল করতে পারবে না। পাশাপাশি গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়েও আশ্বস্ত করেছেন তিনি। রাজ্যের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে করতে একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন। সেইমতো দুই দফায় মিটেছে ভোটগ্রহণ পর্ব। বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি ছাড়া বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। রেজাল্টের দিনও যাতে অশান্তি এড়ানো যায়, তার জন্য আগেভাগেই ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। সাংবাদিক বৈঠকে সিইও জানিয়েছেন, “প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় থাকবে। প্রোটোকল অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরে থাকবেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সিইও স্পষ্ট বলেছেন, যদি দ্বিতীয় স্তরে কোনও অনিয়ম বা ত্রুটি ধরা পড়ে, তার দায় নিতে হবে প্রথম স্তরের কর্মীদের। একই নিয়ম প্রযোজ্য দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের জন্যও।”

    কড়া নজরদারিতে চলছে ভোটগণনা

    কলকাতায় কড়া নজরদারিতে চলছে ভোটগণনা। সামনে চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের কড়া নজরদারি। পোস্টাল ব্যালট পেপার শেষে চলছে ইভিএমের ভোটগণনা। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় ভোটগণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটার পরিধিতে বিএনএস ১৬৩ জারি করা হয়েছে। যান চলাচলে বেশ একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এলাকায় টহল দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। ভোটগণনার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের পরিচয়পত্রে এবার কিউআর কোড ব্যবহার করা হয়েছে। কোন‌ও ভোটকর্মী কিউআর কোড স্ক্যান না-করে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এমনকি গণনাকেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময়ও সময়ও কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে।

  • Samik Bhattacharya: “শ্যমাপ্রসাদের মাটিতে প্রথমবার শ্যামাপ্রসাদের সরকার হতে চলেছে”, বললেন শমীক

    Samik Bhattacharya: “শ্যমাপ্রসাদের মাটিতে প্রথমবার শ্যামাপ্রসাদের সরকার হতে চলেছে”, বললেন শমীক


    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের প্রাক্কালে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) দলের জয় নিয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়েছেন যে, আসন্ন গণনায় ভারতীয় জনতা পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে। সংখ্যা গরিষ্ঠ আসনে এখন বিজেপি এগিয়ে। তৃণমূল কংগ্রেস টানা ১৫ বছরের শাসন ধরে রাখার পর এবার ধরাশায়ীর পথে। দলের কর্মীদের জয়ের উচ্ছ্বাসকে ধরে রাখতে কর্মীদের সংযত রাখার বার্তা দিয়েছেন রাজ্য সভাপতি।

    রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত যাতে না হয় (Samik Bhattacharya)

    জয়ের আগাম আভাস পেয়েই দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি শমীক ভট্টাচার্য বিশেষ বার্তা—ফলাফল পরবর্তী পরিস্থিতিতে যেন কোনওভাবেই রাজ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়। তিনি কর্মীদের শান্ত ও সংযত থাকার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। শমীক ভট্টাচার্যের (Samik Bhattacharya) কথায়, “জয়ের আনন্দে আত্মহারা হয়ে এমন কিছু করা উচিত নয় যাতে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হয় বা রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত হয়।” ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শমীক বলেন, “২৭ দিনে আমাদের ৫৬ জন বিজেপি কর্মী খুন হয়েছিলেন। ২৭ জন মহিলা ক‍্যামেরার সামনে এসে জানিয়েছিলেন যে তাঁরা গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন।”

    যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছিলেন

    দলের রাজ্য সভাপতি শমীক (Samik Bhattacharya)  বলেন, “এর আগের নির্বাচনগুলির পরে বিজেপি কর্মীরা যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছিলেন, এ বার যেন বিজেপি কর্মীরা তার পাল্টা পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা না করেন। আমরা যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছি, আমাদের কর্মীদের পরিবারগুলি যে যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, আমরা চাই না অন্যদের এখন সেই যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হোক। স্বাধীনতার পরে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ একটা ভিন্ন নির্বাচনের স্বাদ পেয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবে এই জয় সংসদীয় গণতন্ত্রের জয়, সামগ্রিক ভাবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতার জয়। প্রথম দিন থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে, শ্যামাপ্রসাদের মাটিতে প্রথম বার শ্যামাপ্রসাদের সরকার হতে চলেছে।”

    শান্তিপূর্ণভাবে জয়ের আনন্দ উদযাপন

    পশ্চিমবঙ্গের ভোট-সংস্কৃতির পরিবর্তন চান। অতীতে যেমন ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠে এসেছিল, তার পুনরাবৃত্তি চাইছেন না তিনি। গণনা কেন্দ্রের বাইরে বা রাজ্যের কোথাও যাতে কোনও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে বিজেপি নেতৃত্ব সতর্ক দৃষ্টি রাখার কথা বলেছেন। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মর্যাদা রক্ষা করে শান্তিপূর্ণভাবে জয়ের আনন্দ উদযাপনের জন্য তিনি কর্মীদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন। বিজেপি কর্মীরা যাতে কোনও ভাবেই হিংসা বা অশান্তিতে জড়িয়ে না-পড়েন, যাতে তাঁরা কোনও ভাবেই হিংসার আশ্রয় না-নেন, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক করেছেন শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।

  • Assembly Election 2026: বাংলার ছাড়াও অসম, কেরলম, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে  চলছে গণনা, সেখানেও ক্ষমতায় কে, জানা যাবে আজ

    Assembly Election 2026: বাংলার ছাড়াও অসম, কেরলম, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে চলছে গণনা, সেখানেও ক্ষমতায় কে, জানা যাবে আজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার পাশাপাশি আজ ভোটগণনা (Assembly Election 2026) চলছে আরও ৩ রাজ্য ও ১টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও আজ সকাল থেকেই ভোটগণনা শুরু হয়েছে। অসমে বিজেপি সরকার ফিরে আসার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তামিলনাড়ুতে এমকে স্ট্যালিনের প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে। কেরলের ভোটের ফলাফলে আপাতত পিছিয়ে বামেরা। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ ১০ বছর পরে ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বলে এগজিট পোলে পূর্বাভাস মিলেছে। নির্বাচন কমিশনের (ECI) সরকারি ওয়েবসাইট eci.gov.in-এ নাগরিকরা সোমবার সকাল ৮টা থেকে সরাসরি ফলাফলের লাইভ আপডেট দেখতে পাবেন।

    কোথায় কে এগিয়ে

    কমিশন সকাল সকাল সাড়ে ৯টায় যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে, সেই অনুসারে, অসমে ১৬টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। কেরলে ২৪টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস জোট। তামিলনাড়ুতে ৯টি আসনে আপাতত এগিয়ে এডিএমকে। টিভিকে পাঁচটি আসনে এগিয়ে। পুদুচেরিতে এনডিএ এগিয়ে ২টি আসনে। অসমের জালুকবাড়ি আসনে এগিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। জোরহাটে এগিয়ে কংগ্রেসের গৌরব গগৈ। তামিলনাড়ুর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন এগিয়ে। উদয়নিধি স্ট্যালিনও এগিয়ে। পেরাম্বুর আসনে এগিয়ে বিজয়। তবে ত্রিচিতে পিছিয়ে।

    অসমে ফের বিজেপি

    ২০১৬, ২০২১ সালের পরে আবার অসমে ক্ষমতা দখল করতে চলেছে বিজেপি। গত দু’বার অসম গণপরিষদের সঙ্গে জোট গড়ে সরকারে এসেছিল বিজেপি। তবে মনে করা হচ্ছে, এবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ক্ষমতায় আসবেন হিমন্ত। কংগ্রেসের জন্য বড় পরীক্ষা অসমে। অসমে ১৯৫১ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ ৮৫.৩৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। ভোটের দিন রাজ্যে হিংসার ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। অসমে ৬৮টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। অসমে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৬৪ আসনের সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে ইতিমধ্যেই । কংগ্রেস জোট এগিয়ে ১৯টি আসনে।

    জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা

    কেরলে ভোটগণনার জন্য নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তামিলনাড়ুতে চলছে ত্রিশঙ্কু লড়াই। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে ছয়টি গণনা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে দেশের এই ৩ রাজ্য ও ১টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের আগামী ৫ বছরের ভবিষ্যৎ। কেরলের ১৪০টি আসনে গত ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে ৭৯.৬৩ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন। সেখানে মূল লড়াই বামপন্থী এলডিএফ (LDF) এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ-এর (UDF) মধ্যে। তামিলনাড়ুতে ২৩ এপ্রিল এক দফায় ভোট হয়েছে এবং সেখানে ৮৪.৬৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। এনডিএ (NDA) ও ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের পাশাপাশি অভিনেতা বিজয়-এর দলের উপস্থিতিতে সেখানে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা প্রবল। পুদুচেরিতেও রেকর্ড ৮৯.৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছে, যেখানে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারদের ৯১.৮১ শতাংশ অংশগ্রহণ। সব মিলিয়ে, সোমবারের ফলাফল ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে চলেছে।

  • Daily Horoscope 04 May 2026: কাঙ্খিত ফল লাভের ইচ্ছা পূরণ হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 04 May 2026: কাঙ্খিত ফল লাভের ইচ্ছা পূরণ হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বন্ধুদের সহযোগিতা পাবেন।

    ২) দাম্পত্য জীবন সুখে কাটবে।

    ৩) জীবনসঙ্গীর পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    বৃষ

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) কাঙ্খিত ফল লাভের ইচ্ছা পূরণ হবে।

    ৩) সন্ধ্যাবেলা সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    মিথুন

    ১) পরিবারের ছোট সদস্য বা বাচ্চারা সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।

    ২) বদহজমের সমস্যায় ভুগতে পারেন।

    ৩) পরিবারে সমস্ত জটিলতার অবসান ঘটবে।

    কর্কট

    ১) পারিবারিক জীবনে সমস্যা হতে পারে।

    ২) তাড়াহুড়োয় কোনও কাজ করলে তা ভেস্তে যেতে পারে।

    ৩) সন্ধ্যা নাগাদ ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    সিংহ

    ১) আপনার কাজের বিরোধিতা হবে।

    ২) শত্রুদের থেকে সাবধান।

    ৩) পারিবারিক সমস্যার ক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্ত নিলে দুর্ভোগ বাড়তে পারে।

    কন্যা

    ১) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে।

    ২) সন্ধ্যাবেলা পরিবারের ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

    ৩) মানসিক অবসাদ কমবে।

    তুলা

    ১) মনের মধ্যে আনন্দ অনুভূতি থাকবে।

    ২) চাকরিজীবী জাতকরা রোজগারের নতুন সুযোগ পাবেন।

    ৩) কাউকে টাকা ধার দেবেন না, কারণ সেই টাকা ফিরে পাবেন না।

    বৃশ্চিক

    ১) পরিবারে কোনও শুভ অনুষ্ঠান হতে পারে।

    ২) বাড়িতে অতিথি আগমন হবে।

    ৩) সমস্ত কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন আজ।

    ধনু

    ১) ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    ২) অধিক দৌড়ঝাঁপ করতে হবে আজ।

    ৩) চোখে সমস্যা হতে পারে।

    মকর

    ১) বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ২) দাম্পত্য সুখ বৃদ্ধি হবে।

    ৩) ব্যবসায়ে উন্নতি হবে।

    কুম্ভ

    ১) প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    ২) ব্যবসায়ীদের অর্থাভাবের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) সাবধানে গাড়ি চালান।

    মীন

    ১) অধিক পরিশ্রম করতে হবে আজ।

    ২) ব্যবসার জন্য দিনটি ভালো নয়।

    ৩) সবার সাহায্য নিয়ে এগিয়ে যাবেন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Guinness World Record: আন্দামানে সমুদ্রের অতলে তেরঙা উড়িয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ল ভারত

    Guinness World Record: আন্দামানে সমুদ্রের অতলে তেরঙা উড়িয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমুদ্রের অতল গভীরে ভারতের তেরঙা উড়িয়ে এক অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়ল ভারত। আন্দামান (Anandaman) ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের নীল জলরাশির নীচে বিশ্বের বৃহত্তম জাতীয় পতাকা উন্মোচন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে (Guinness World Record) নাম তুলল ভারত।

    কীভাবে সম্পন্ন হল এই অভিযান (Guinness World Record)?

    ভারতীয় নৌবাহিনী এবং দক্ষ স্কুবা ডাইভারদের একটি বিশেষ দল এই দুঃসাহসিক অভিযানে অংশ নেন। আন্দামান সাগরের (Anandaman) প্রায় কয়েক ফুট গভীরে বিশালাকার এই জাতীয় পতাকাটি অতি সতর্কতার সঙ্গে উন্মোচন করা হয়। সমুদ্রের স্রোত এবং জলের চাপের প্রতিকূলতাকে জয় করে তেরঙা ওড়ানোর এই দৃশ্য ছিল যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনই গর্বের। গিনেস (Guinness World Record) কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে এই অভাবনীয় কৃতিত্বকে পর্যবেক্ষণ করেন এবং আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দান করেন।

    জাতীয় সংহতির বার্তা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে

    আন্দামান (Anandaman) ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা (Guinness World Record)। সেই পুণ্যভূমিতেই এই কৃতিত্ব অর্জনের মাধ্যমে জাতীয় সংহতির বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    সাহস ও দক্ষতার পরিচয়

    জলের নীচে এত বড় মাপের একটি পতাকা সফলভাবে উন্মোচন করা ভারতের ডাইভারদের (Guinness World Record) পেশাদারিত্ব এবং কারিগরি দক্ষতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

    পর্যটন ও অনুপ্রেরণা

    এই বিশ্বরেকর্ড আন্দামানের (Anandaman) পর্যটনকে যেমন উৎসাহিত করবে, তেমনই দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও রোমাঞ্চকর কর্মকাণ্ডের (Guinness World Record) প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে দেবে।

    বিশ্বের বুকে ভারতের ক্রমবর্ধমান শক্তি

    এই সাফল্যের পর আন্দামান (Anandaman) ও নিকোবর প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা এবং নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন (Guinness World Record)। তাঁরা জানান, এটি কেবল একটি রেকর্ড নয়, বরং বিশ্বের বুকে ভারতের ক্রমবর্ধমান শক্তি ও সাহসিকতার প্রতীক। ভারতের এই জয়গাথা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা গর্বিত করছে প্রত্যেক ভারতীয়কে।

  • Suvendu Adhikari: গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য ও ডিউটি রস্টার ফাঁসের অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য ও ডিউটি রস্টার ফাঁসের অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল ৪ মে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) ভোট গণনা। তার ঠিক আগে গণনা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুললেন বিধানসভার বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, “গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য এবং তাঁদের ডিউটি রস্টার আগেই ফাঁস হয়ে গিয়েছে, যা আদতে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন। গণনাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হবে।”

    শুভেন্দুর মূল অভিযোগ (West Bengal Election 2026)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দুর দাবি, গণনা কর্মীদের তালিকা ও তাঁদের কর্মস্থলের তথ্য নির্দিষ্ট মহলের হাতে পৌঁছে গিয়েছে। তাঁর মতে, এটি ‘ইলেকশন প্রোটোকল’ বা নির্বাচনী শিষ্টাচারের গুরুতর অবমাননা। তাই তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “আমার নজরে এসেছে যে, গণনার দিনের (Counting Day) দায়িত্বে থাকা বেশ কিছু আধিকারিক তাঁদের নির্দিষ্ট ডিউটির বিবরণ, স্থান এবং পদমর্যাদার তথ্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সংস্থা ও সংগঠনগুলিকে জানিয়ে দিয়েছেন। আমি তথ্য পেয়েছি যে, কিছু স্প্রেডশিট এবং তালিকা প্রচার করা হচ্ছে যেখানে আধিকারিকরা স্বেচ্ছায় বা চাপের মুখে তাঁদের ‘নির্বাচন ডিউটি সংক্রান্ত তথ্য’ এবং গণনা প্রক্রিয়ায় তাঁদের নির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে, তা পূরণ করছেন। এই তথ্য ফাঁস হওয়ার ফলে গণনার (West Bengal Election 2026) দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে, যা নিরপেক্ষ ফল ঘোষণায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।”

    কমিশনের কাছে দাবি

    নির্বাচনী (West Bengal Election 2026) গণনাকেন্দ্রে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জোরালো অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, যেভাবে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে, গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোনওভাবেই যেন গণনা প্রভাবিত না হয়। সর্বোপরি, যেসব আধিকারিক বা কর্মীরা এই তথ্য ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

    অযাচিত প্রভাবের ঝুঁকি

    যখন কোনও আধিকারিকের নির্দিষ্ট নিয়োগের তথ্য রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত কোনও সংগঠন বা ইউনিয়নের কাছে জানাজানি হয়ে যায়, তখন তা অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক প্রভাব এবং হুমকির পথ প্রশস্ত করে।

    নিরপেক্ষতার সঙ্কট 

    গণনা প্রক্রিয়ার পবিত্রতা নির্ভর করে কর্মীদের নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার ওপর। এই গোপনীয়তা ভঙ্গ হলে তা সরাসরি ফলের নিরপেক্ষতাকে প্রভাবিত করে।

    চাপ সৃষ্টির কৌশল

    সংগঠনগুলির দ্বারা এই ধরণের ‘তথ্য সংগ্রহ’ করার বিষয়টি অনেক সময় আধিকারিকদের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি প্রচ্ছন্ন প্রচেষ্টা মাত্র, যাতে গণনার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁরা শাসক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেন।

    অবিলম্বে কঠোর নির্দেশিকা জারির দাবি

    ভোট পরবর্তী হিংসা এবং স্ট্রংরুম পাহারা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তার মধ্যে শুভেন্দু অধিকারীর এই নতুন অভিযোগ আগামিকালের গণনা প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। শুভেন্দু বলেন, “আমি ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে জোরালো আবেদন জানাচ্ছি। কোনও আধিকারিক যাতে কোনও সংস্থা বা সংগঠনের কাছে তাঁদের নির্ধারিত গণনা ডিউটির তথ্য প্রকাশ না করেন, সেই মর্মে অবিলম্বে কঠোর নির্দেশিকা জারি করা হোক। এছাড়া, যে সমস্ত সংগঠন এই ধরণের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।”

    বিজেপি শিবিরের দাবি, শাসক দল প্রশাসনকে ব্যবহার করে গণনায় কারচুপি করার চেষ্টা করছে। যদিও শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং ‘হারার আগে অজুহাত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনী গণনা (West Bengal Election 2026) বিষয়ে বিরোধী দলনেতার এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন শেষ মুহূর্তে কোনো বড় পদক্ষেপ নেয় কি না।

  • Brahmos: ভারত-ভিয়েতনাম কৌশলগত মৈত্রী, ৫,৮০০ কোটি টাকার ব্রহ্মোস চুক্তিতে সিলমোহর দিতে দিল্লি আসছেন প্রেসিডেন্ট তো লাম

    Brahmos: ভারত-ভিয়েতনাম কৌশলগত মৈত্রী, ৫,৮০০ কোটি টাকার ব্রহ্মোস চুক্তিতে সিলমোহর দিতে দিল্লি আসছেন প্রেসিডেন্ট তো লাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে। ভারতের তৈরি শক্তিশালী ‘ব্রহ্মোস’ (Brahmos) সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল কেনার লক্ষ্যে ৫,৮০০ কোটি টাকার ($700 Million) একটি বিশাল প্রতিরক্ষা চুক্তির পথে এগোচ্ছে ভিয়েতনাম। এই লক্ষ্যেই একটি উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত মিশনে ভারত সফরে আসছেন ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লাম (To Lam)।

    উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Brahmos)

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তিটি সম্পন্ন হলে তা হবে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম মাইলফলক। এর আগে ফিলিপিন্স ভারতের থেকে ব্রহ্মোস কেনার চুক্তি করলেও, ভিয়েতনামের এই সম্ভাব্য চুক্তির আর্থিক মূল্য এবং কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেশি। মূলত সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতেই ভিয়েতনাম (To Lam) ভারতের এই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির (Brahmos) ওপর আস্থা রাখছে।

    কেন এই সফর গুরুত্বপূর্ণ?

    কৌশলগত ভারসাম্য: দক্ষিণ চিন সাগরে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ভারত ও ভিয়েতনামের এই ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা (Brahmos)  সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    মেক ইন ইন্ডিয়া: ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ব্রহ্মোস (Brahmos)  ক্ষেপণাস্ত্রের বিশ্ববাজারে চাহিদা বাড়ছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন হলে ভারতের ‘প্রতিরক্ষা রফতানি লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হবে।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক: প্রেসিডেন্ট তো লামের এই সফরে কেবল প্রতিরক্ষা নয়, বরং মহাকাশ গবেষণা, সাইবার নিরাপত্তা এবং বাণিজ্যিক আদান-প্রদান নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের বিশেষত্ব

    ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রটি বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলগুলির (Brahmos) মধ্যে অন্যতম। এটি জল, স্থল এবং আকাশ—তিনটি মাধ্যম থেকেই উৎক্ষেপণ করা যায়, যা ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে কয়েক গুণ শক্তিশালী করে তুলবে।

    প্রেসিডেন্ট তো লামের এই ভারত সফরকে ঘিরে নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে প্রস্তুতি তুঙ্গে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ৫,৮০০ কোটি টাকার চুক্তি কেবল অস্ত্রের লেনদেন নয়, বরং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে (Indo-Pacific Region) শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের একজোট হওয়ার একটি জোরালো বার্তা। ফলে ভারতের প্রতিরক্ষা সুরক্ষার ক্ষেত্রে স্বদেশী অস্ত্র বিদেশের বাজারে বিরাট চাহিদা সৃষ্টি করেছে বলেই মনে করছেন অনেকে। এই রফতানি প্রতিরক্ষা দফতরের  বড় সাফল্য।

  • West Bengal Elections 2026: নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত, ফলতা বিধানসভার ২৮৫টি বুথেই পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ কমিশনের

    West Bengal Elections 2026: নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত, ফলতা বিধানসভার ২৮৫টি বুথেই পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য রাজনীতির ইতিহাসে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। ভোট গণনার ঠিক পূর্বমুহূর্তে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের সমস্ত বুথ অর্থাৎ মোট ২৮৫টি কেন্দ্রেই ভোট বাতিলের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। শনিবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন জানিয়েছে, আগামী ২১ মে এই কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) হবে, ফল ঘোষণা হবে ২৪ মে।

    কেন কমিশন ফের ভোট করবে (West Bengal Elections 2026)?

    বিশেষ পর্যবেক্ষক তথা জেলা নির্বাচন আধিকারিকের তদন্তে দেখা গিয়েছে, একদিকে বুথের ভিডিও ফুটেজ সম্পূর্ণ নয়। পরে সম্পূর্ণ ভিডিও রেকর্ড প্রকাশ্যে এসেছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রেকর্ড ইচ্ছাকৃত ভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৩টি বুথের ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বড়সড় তথ্য লোপাটের ঘটনা সামনে এসেছে। ভোটকক্ষে বারবার একাধিক অনুমতি নেই এমন লোকজনের অবাধ প্রবেশও দেখা গিয়েছে। ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) ওপর রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করতে দেখা গিয়েছে। একই ভাবে স্ক্রুটিনির নোটিশ রাজনতিক দলের প্রার্থীদের দেওয়া হয়নি। কেবলমাত্র ইমেলে বা মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপে জানানো হয়েছে। এই কাজ নির্বাচনী বিধিভঙ্গের শামিল। তাই এবার পর্যবেক্ষকরা (Election Commission India) ফলতায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন।

    কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপট

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফলতার বহু ভোটকেন্দ্র থেকে গুরুতর নির্বাচনী বিধিভঙ্গ (West Bengal Elections 2026) এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ মিলেছে। বিশেষ পর্যবেক্ষকের রিপোর্টে ইভিএমে কারচুপি এবং সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ রাখার মতো চাঞ্চল্যকর তথ্যও উঠে আসায় বাতিল করা হয়েছে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন। রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

    কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ বলেন, “এটি একটি সাহসী ও সময়োচিত পদক্ষেপ। যে সব ভোটারদের ভয় দেখিয়ে ভোটদান থেকে বিরত রাখা হয়েছিল, তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত জরুরি ছিল।”

    শাসক দলের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তীর দাবি, পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিজেপিকে সুবিধা করে দিতেই কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে গণনা স্থগিত রেখে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছে।

    গণনা প্রক্রিয়ায় প্রভাব

    ৪ মে রাজ্যের অবশিষ্ট ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট (West Bengal Elections 2026) গণনা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই চলবে। কমিশনের মতে, একটি মাত্র কেন্দ্রের গণনা স্থগিত থাকায় সামগ্রিক ফলে (Election Commission India) তেমন কোনও বড় প্রভাব পড়বে না। তবে গণনা ও ফল প্রকাশের এই অন্তর্বর্তী সময়ে ফলতাজুড়ে কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখা হচ্ছে।

LinkedIn
Share