Tag: Madhyom

Madhyom

  • Gautam Gambhir: এবার কি জাতীয় দলের দায়িত্বে? গম্ভীর-জয় শাহ আলাপ বাড়াল জল্পনা

    Gautam Gambhir: এবার কি জাতীয় দলের দায়িত্বে? গম্ভীর-জয় শাহ আলাপ বাড়াল জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারিয়ে তৃতীয়বার আইপিএল ট্রফি জেতার পর আনন্দে আত্মহারা নাইট রাইডার্সের ক্রিকেটাররা। চিপক জুড়ে চলছে সেলিব্রেশন। একে অপরকে জড়িয়ে ধরছেন। শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। দলের মালিক শাহরুখ খানের সঙ্গে কেউ কেউ তখন সেলফি তুলতে ব্যস্ত। এই ভিড়ে তখন একজনই অনুপস্থিতি। তিনি গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir)। কেকেআরের মেন্টর। তিনি ব্যস্ত ছিলেন বোর্ড সচিব জয় শাহর (Jay Shah) সঙ্গে সাক্ষাতে। যে খবর সামনে আসতেই জল্পনা শুরু হয়েছে। তাহলে কি বিরাট কোহলিদের হেড স্যার হতে চলেছেন প্রাক্তন ওপেনার?

    এবার কি জাতীয় দলের কোচ?

    আসলে রাহুল দ্রাবিড়ের জায়গায় নতুন কোচ খোঁজা শুরু করেছে বিসিসিআই। দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞাপন। এখনও পর্যন্ত যে দু’জনের নাম নিয়ে সবচেয়ে বেশি চর্চা চলছে, তাঁর একজন হলেন চেন্নাই সুপার কিংসের কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। শোনা যাচ্ছে, প্রাক্তন কিউই অধিনায়ককে রাজি করাতে বোর্ড কর্তারা নাকি খোদ মহেন্দ্র সিং ধোনির সাহায্য নিতে পারেন। তবে জয় শাহ কয়েকদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ভারতীয় ক্রিকেট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রয়েছে এমন কাউকেই টিম ইন্ডিয়ার কোচ করা হবে। সেক্ষেত্রে গম্ভীর (Gautam Gambhir) অবশ্যই সেরা পছন্দ হতে পারেন। আইপিএলের মাঝেই তাঁর সঙ্গে বোর্ড কর্তাদের একপ্রস্থ কথা হয়েছিল। রবিবার আইপিএল ফাইনালের মঞ্চে জয় শাহ ও গম্ভীরের সাক্ষাৎকার জল্পনা আরও তীব্র করেছে।

    আরও পড়ুন: ট্রফি জিতে গম্ভীর-মুখে ফুটল হাসি, গৌতিকে কোলে তুললেন সহাস্য নারিন

    গম্ভীর কি কলকাতা নাইট রাইডার্স ছাড়বেন?

    ২০১১ সালের বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন গম্ভীর (Gautam Gambhir)। সফল ক্রিকেটার। মেন্টর অর্থাৎ কোচিংয়েও তিনি ছাপ ফেলেছেন। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ক্যাপেটন হিসেবে দু’বার আইপিএল জিতেছিলেন তিনি। মেন্টর হিসেবে আবার ট্রফির স্বাদ পেলেন। এমন নজির আর কারও নেই। তাই গম্ভীরকে ভীষণভাবেই চাইছে বোর্ড। প্রশ্ন হচ্ছ, তিনি কি কলকাতা নাইট রাইডার্স ছাড়বেন? কারণ, শাহরুখ খান তাঁকে রীতিমতো ব্ল্যাঙ্ক চেক দিয়ে রেখেছেন। তাঁর পারিশ্রমিক নিয়ে যাতে কোনও সমস্যা না হয়। আর গম্ভীরও জানেন, আইপিএলের মতো জনপ্রিয় টুর্নামেনেট কোচিং করালে যশ ও প্রতিপত্তি দু’টো পাওয়া যাবে।

    রাজা হওয়ার সাধ কোনওদিনই ছিল না তাঁর। চেয়েছিলেন শুধু দেশের জয়, দলের জয়। সেসব তাঁর অর্জন করা হয়ে গিয়েছে বহু আগেই। দুটো বিশ্বকাপ ফাইনালে তাঁর দুর্ধর্ষ ইনিংসের কথা নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার দরকার নেই। ক্রিকেটীয় কর্তব্য তাঁর কাছে সবার আগে। তবে এবার তিনি দোটানায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: “বিজেপি নেতা গ্রামে এলে পিছমোড়া করে বেঁধে রাখুন”, নিদান তৃণমূল নেতার

    Lok Sabha Election 2024: “বিজেপি নেতা গ্রামে এলে পিছমোড়া করে বেঁধে রাখুন”, নিদান তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও শেষ দফা ভোট (Lok Sabha Election 2024) বাকি রয়েছে। ১ জুন বারাসত লোকসভা কেন্দ্রে ভোট। সপ্তমদফা ভোটের আগে বিজেপির জেলা সভাপতিকে তীব্র আক্রমণ করলেন বনগাঁর তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস। তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল প্রার্থী? (Lok Sabha Election 2024)

    গত ২০ মে বনগাঁ লোকসভায় ভোটের (Lok Sabha Election 2024) দিন মালিদা ১১৭ নম্বর বুথে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ঝামেলা হয়। হামলা এবং পাল্টা হামলার জেরে দুপক্ষের কর্মী-সমর্থক জখম হন। তবে, তৃণমূলের হামলায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী জখম হন। জখম কর্মীদের দেখতে গিয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি দেবদাস মণ্ডল তৃণমূলের হামলার প্রতিবাদ করেছিলেন। কর্মীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে শাসক দলকে আক্রমণ করেছিলেন তিনি। বিজেপির জেলা সভাপতি ঘুরে যাওয়ার পর আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীদের দেখতে যান তৃণমূল প্রার্থী তথা বনগাঁর জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস। ভোটপ্রচারে বেরিয়ে তাঁর মতো তৃণমূল নেতার মুখে শোনা গেল বিতর্কিত মন্তব্য। তিনি বলেন, “বিজেপির জেলা সভাপতি গ্রামে এলে পিছমোড়া করে তাঁকে বেঁধে রাখবেন।” কর্মীদের এই নিদান দেওয়ায় তৃণমূলের জেলা সভাপতির সমালোচনায় মুখর হয়েছে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    বিজেপির জেলা সভাপতি কী বললেন?

    যদিও এ নিয়ে বনগাঁ জেলা বিজেপি সভাপতি দেবদাস মণ্ডলও পাল্টা এক হাত নেন বিশ্বজিৎ দাসকে। তিনি বলেন, তৃণমূলের কাজ হল হুমকি দিয়ে ভয় দেখানো। এসব বলে কোনও লাভ নেই। মানুষ আর ওদের সঙ্গে নেই। সেটা ওরা বুঝতে পেরেছে। তাই, এই ধরনের আওয়াজ দিচ্ছে। আমি দলীয় কর্মীদের ওপর হামলার পর ওই এলাকা. গিয়েছিলাম। আবারও যাব। আমি ওইসব হুমকি কে ভয় পাই না। তবে, এটুকু বলতে পারি, ৪ জুনের পর সাধারণ মানুষই বিশ্বজিৎ দাসকে বেঁধে রাখবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pune Porshe Case: রক্তের নমুনা বদলে অভিযুক্তকে বাঁচাবার চেষ্টা, গ্রেফতার দুই চিকিৎসক

    Pune Porshe Case: রক্তের নমুনা বদলে অভিযুক্তকে বাঁচাবার চেষ্টা, গ্রেফতার দুই চিকিৎসক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুণের পোর্শে কাণ্ডে (Pune Porshe Case) দুই সিনিয়র ডাক্তারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দিতে তাঁরা রক্তের নমুনা বদল করে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। সরকারি হাসপাতাল সাসুন জেনারেল হাসপাতালে দুই বর্ষীয়ান চিকিৎসক এই কাজ করেছেন বলে পুলিশের দাবি। যে আলালের দুলাল প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই মদের নেশায় চুর হয়ে বেপরোয়া গতিতে বিলাসবহুল পৌঁছে গাড়ির ধাক্কায় ২ যুবক-যুবতীর প্রাণ কেড়ে নেয়। অভিযুক্তের রক্তের নমুনা বদল করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। ধৃত চিকিৎসকরা হলেন ডক্টর অজয় তাওড়ে এবং ডক্টর শ্রীহরি হারনোল। অজয় বাবু হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান।

    ঠিক কী হয়েছিল

    ১৯ মে পুণেতে পোর্শে গাড়ির ধাক্কায় (Pune Porshe Case) দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল। অভিযোগ, গাড়িটির চালকের আসনে ছিল ১৭ বছরের ওই নাবালক। মদ্যপ অবস্থায় পার্টি থেকে ফিরছিল সে। ওইসময় দ্রুতগতিতে পোর্শে গাড়ি দিয়ে বাইকে থাকা যুগলকে ধাক্কা মারে অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় পেশায় আইটি কর্মী আনিস দুদিয়া ও তাঁর বান্ধবী অশ্বিনী কস্তারের। পরদিন ওই অভিযুক্ত তরুণকে সাসুন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। বেলা ১১ টার সময় তাঁর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন চিকিৎসকরা। এক্ষেত্রে পুলিশের বিরুদ্ধেও গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। রক্তের নমুনা যে অনেক দেরিতে সংগ্রহ করা হয়েছিল তার স্বীকার করেছেন পুনের পুলিশ কমিশনার অমিতেশ কুমার। তিনি বলেন, “পুলিশ জানতে পেরেছে শাসন হাসপাতালে ওই নাবালকের রক্তের নমুনার পরীক্ষার রিপোর্ট বদলে দেওয়া হয়েছিল। যাতে রক্তের অ্যালকোহলের উপস্থিতি না পাওয়া যায়। ১৯ মে বিকেলের পর আরও একবার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেটা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।” জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের বাবা বিশাল অগ্রওয়াল ধনকুবের। তিনি পেশায় রিয়েল এস্টেট সংস্থার মালিক। দুর্ঘটনার দুদিন পর ঘরে বাইরে চাপের মুখে পড়ে গিয়ে পুলিশ ওই নাবালকের বিরুদ্ধে গাফিলতি, অনিচ্ছাকৃত খুন এবং মোটর ভেহিকেলস আইন লঙ্ঘন সহ মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর অপরাধ এফআইআরে এই যুক্ত করে।

    বাবা জেলে, ঠাকুরদা পুলিশ হেফাজতে (Pune Porshe Case)

    আরও জানা গিয়েছে, প্রথমে জুভেনাইল আদালত ওই অভিযুক্তের জামিন মঞ্জুর করে দেয়। কিন্তু বিতর্কের ঝড় ওঠায় পুনরায় ২২ মে জুভেনাইল আদালত তাঁকে পর্যবেক্ষণ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। ইতিমধ্যেই ওই তরুনের বাবা এবং ঠাকুরদাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাবা জেল হেফাজত এবং ঠাকুরদা পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। ওই পরিবারের সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Remal Cyclone: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    Remal Cyclone: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেমাল (Remal Cyclone) ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চূড়ান্ত বিপর্যস্ত হাওড়ার একাধিক এলাকা। নিচু এলাকাগুলিতে জল জমে গিয়েছে। রবিবার রাত থেকেই ঝড় এবং বৃষ্টির প্রভাবে হাওড়া পুরসভার একাধিক জায়গায় জল জমে জনজীবন সঙ্কটের মধ্যে পড়েছে। সালকিয়া, বেলগাছিয়া, টিকিয়াপাড়া, রামরাজাতলা, ঘুসুড়ি, কোনা এক্সপ্রেস এবং লিলুয়ার একাধিক জায়গায় জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে এলাকার মানুষ পড়েছেন দুর্ভোগে। অপর দিকে নামখানার মৌসিুনি দ্বীপে এক ৮০ বছরের বৃদ্ধা ঝড়ের কবলে গাছ চাপা পড়ে মারা গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে কলকাতায় বিপজ্জনক বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ায় মারা গিয়েছেন আরও এক ব্যক্তি।

    হাওড়া পুরসভার বক্তব্য (Remal Cyclone)

    রেমাল (Remal Cyclone) ঝড় এবং বৃষ্টির কারণে জলমগ্ন হয়ে সমস্যায় পড়েছেন হাওড়া সদর এলাকার মানুষ। হাওড়া পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১টি পাম্পের মাধ্যমে জল নামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও আরও সাতটি মোবাইল ভ্রাম্যমান পাম্পের মাধ্যমে জল নামানোর কাজ করা হচ্ছে। নিচু এলাকা থেকে জল নামানোই এখন প্রধান কাজ। ঝড়ের দাপটে মধ্যহাওড়া হালদারপাড়া সেকেন্ড বাই লেন-সহ কয়েকটি বাড়িতে গাছ ভেঙে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভার পক্ষ থেকে বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী কাজ করে চলেছে। তবে ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই।

    হাওড়ায় ট্রেন চলাচল মোটের উপর স্বাভবিক

    হাওড়া স্টেশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোটের উপর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রেমালের কারণে ঘূর্ণিঝড়ে সোমবার হাওড়া-দিঘা এবং ডাউন তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস বন্ধ রাখা হয়েছে। চালু হয়েছে অন্য কিছু ট্রেন। যোগাযোগ সচল করার জন্য প্রয়োজনীয় সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে হাওড়া-কলকাতায় ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আবহাওয়ার (Remal Cyclone) উন্নতি না ঘটলে নদীপথে পরিবহণ স্বাভাবিক করা যাবে না।

    আরও পড়ুন:রেমালের প্রকোপে প্রায় দশ ঘণ্টা পর শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় চলল ট্রেন

    নামখানায় মৃত ১

    রেমালের (Remal Cyclone) দাপটে গাছ ভেঙে ঘরের উপর পড়লে ৮০ বছরের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। টিনের ছাউনি দেওয়া ঘরের মধ্যে রান্না করছিলেন রেণুকা মণ্ডল নামের ওঁই বৃদ্ধা। কিন্তু আচমকা ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়লে চাপা পড়ে মারা যান বৃদ্ধা। কিন্তু দ্রুত তাঁকে হাসপাতলে নিয়ে গেলে শেষ রক্ষা হয়নি। ডাক্তাররা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যে সেখানে গিয়ে পৌঁছেছেন ফেজারগঞ্জের পুলিশ। তাঁর দেহ এরপর ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এই ঝড়ের দাপটে বহু কাঁচা বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। অনেক গাছপালা ভেঙে গিয়েছে। ইতিমধ্যে সুন্দরবনের উপকূল এলাকার ১ লক্ষ ১০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gymnast Dipa Karmakar: এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা ছিনিয়ে ইতিহাস দীপা কর্মকারের

    Gymnast Dipa Karmakar: এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা ছিনিয়ে ইতিহাস দীপা কর্মকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সের দলে ঠাঁই হয়নি জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকারের (Gymnast Dipa Karmakar)। তবে সে ক্ষত ভুলে প্রথম ভারতীয় হিসেবে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা ছিনিয়ে নিলেন তিনি। রবিবার তাসখন্দে জিমন্যাস্টিকের ভল্ট ফাইনালে সোনা জিতে নিলেন বছর তিরিশের দীপা। ফাইনালে দীপার গড় ১৩.৫৬৬। উত্তর কোরিয়ার দুই প্রতিযোগীকে পরাস্ত করে ভিকট্রি ল্যাপের সব চেয়ে উঁচু জায়গাটা দখল করেন এই ভারতীয়। দ্বিতীয় হয়ে রুপো জিতেছেন কিম সন হ্যাং। ব্রোঞ্জ জিতেছেন কিয়ং বিয়ল। তাঁদের গড় যথাক্রমে ১৩.৪৬৬ এবং ১২.৯৬৬।

    ভুললেন দুঃখ (Gymnast Dipa Karmakar)

    ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিক্সে অল্পের জন্য পদক হাতছাড়া হয়েছিল দীপার (Gymnast Dipa Karmakar)। তার আগের বছরই এশিয়ান সিনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে যোগ দিয়েছিলেন এই সোনার মেয়ে। তবে সেবার সোনা জিততে পারেননি। ব্রোঞ্জ নিয়েই ফিরতে হয়েছিল তাঁকে। সেদিনের সেই দুঃখ ভুলিয়ে দিল এদিনের সোনার পদক। সাইয়ের তরফে দীপার এদিনের কীর্তিকে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করা হয়েছে। ২০১৮ সালে তুরস্কের মার্সিনে এফআইজি বিশ্বকাপে ভল্টে সোনা জিতেছিলেন এই মহিলা জিমন্যাস্ট। এবার তিনি জিতলেন এশিয় পর্যায়ে সোনা।

    কী বললেন সোনার মেয়ে?

    পদক জেতার পর সোনার মেয়ে বলেন, “অস্ত্রোপচার ও সাসপেনশনের পর এই পারফরম্যান্স ভালো লাগছে। আগে কোনও ভারতীয় জিমন্যাস্ট এই প্রতিযোগিতায় সোনা জেতেননি। তাই এই পদকটি আমার কাছে স্পেশাল।” তিনি বলেন, “অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জন করতে না পারার হতাশা রয়েছে। কিন্তু এখনকার মুহূর্ত উপভোগ করতে চাই।”

    ডোপ টেস্টে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় ২১ মাসের জন্য নির্বাসিত করা হয়েছিল দীপাকে। তার জেরেই তাঁর প্যারিস অলিম্পিক্সে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কমতে শুরু করেছিল। প্যারিস অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জনের শেষ ইভেন্ট ছিল অল-অ্যারাউন্ড বিভাগ। এই বিভাগের পারফরমেন্সে অলিম্পিক্সের টিকিট অর্জনে ব্যর্থ হন দীপা। এপ্রিলে এফআইজি অ্যাপারেটাস বিশ্বকাপে ভল্ট ফাইনালে তিনি হন চতুর্থ। তার আগে কটবাসে বিশ্বকাপ ইভেন্টে মাঠে নামেননি তিনি। কায়রোয় বিশ্বকাপে হয়েছিলেন ফিফথ।

    আর পড়ুন: ২৮ তারিখ কলকাতায় রোড-শো মোদির, আগে যাবেন বাগবাজারে সারদা মায়ের বাড়ি

    দীপার কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী। তিনি বলেন, “এশিয়ান সিনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে অলিম্পিক্সের একটিমাত্র জায়গাই ফাঁকা ছিল। সেরা অল-অ্যারাউন্ড পারফর্মারের, যেটি পেয়েছেন তৃতীয় স্থানাধিকারী ফিলিপিন্সের এম্মা মালাবুয়ো। তাই দীপার (Gymnast Dipa Karmakar) কাজটা কঠিনই ছিল।” সেই হার্ডল পেরিয়েই দেশকে সোনা এনে দিলেন এই ভারতীয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • MP Murder: কলকাতায় বাংলাদেশি সাংসদ হত্যাকাণ্ডে নেওয়া হবে ইন্টারপোলের সাহায্য

    MP Murder: কলকাতায় বাংলাদেশি সাংসদ হত্যাকাণ্ডে নেওয়া হবে ইন্টারপোলের সাহায্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ঝিনাইদহের আওয়ামি লিগের সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনোয়ারের খুনের ঘটনায় রবিবার থেকে যৌথ তদন্ত শুরু করেছে দুই দেশের গোয়েন্দারা। একদিকে বাংলাদেশের গোয়েন্দা অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের সিআইডি। যদিও এই খুনের ঘটনায় মাস্টারমাইন্ড আখতারুজ্জামান শাহিন এখনও ধরা পড়েনি। বাংলাদেশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হারুন ওর রশিদের আশঙ্কা, খুনের আখতারুজ্জামান শাহিন আমেরিকা পালিয়ে গিয়েছে।

    এখনও উদ্ধার হয়নি সাংসদের দেহ

    কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হারুন ওর রশিদ, তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “বাংলাদেশের দন্ডবিধিতে একটি ধারা আছে যেখানে বাংলাদেশের বাইরেও অপরাধ হলে আমরা তদন্ত করতে পারি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য মূল অভিযুক্তদের পাকড়াও করে আইনি প্রক্রিয়ায় মধ্যে আনা। এছাড়াও প্রয়াত এমপির দেহ বা দেহাংশ বিশেষ উদ্ধার করা। আমরা দুই দেশের পুলিশ তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করতে চাই। এই হত্যার পরিকল্পনাকারী, সুবিধাভোগী এবং যারা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে সকলেই বাংলাদেশি। হত্যার পরিকল্পনাও বাংলাদেশেই করা হয়েছিল। আমাদের প্রধান কাজ এই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

    আমেরিকায় গা ঢাকা দিয়েছে আখতারুজ্জামান

    বাংলাদেশের গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, অপরাধস্থল পরিদর্শন ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করার দিকে মন দিয়েছে তাঁরা। একই সঙ্গে আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করার জন্য ইন্টারপোলের সাহায্য নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশের গোয়েন্দা দল বৃষ্টি উপেক্ষা করে অ্যাকোয়াটিকার ওয়াটার পার্ক সংলগ্ন সঞ্জিভা গার্ডেনে পৌঁছে যায়। ওই তদন্তকারী দল ভবানী ভবনেও পৌঁছয়। সেখানে তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়। সিআইডি হেফাজতে থাকা জাহির হাওলাদারকে জেরা করেন দুই অধিকারিক। খুনের মোটিভ ধীরে ধীরে তদন্তকারীদের কাছে পরিষ্কার হচ্ছে। তবে সাংসদ খুনের নেপথ্যে সোনা পাচারের কোন যোগসূত্র আছে কী না তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

    আরও পড়ুন: এক মাস ধরে পরিকল্পনা শহরে, বাংলাদেশ সাংসদকে খুনের ঘটনা স্বীকার অভিযুক্তের

    তদন্তে উঠে এসেছে আনোয়ারুলের ব্যবসায়িক পার্টনার ছিলেন আখতারুজ্জামান। তিনি নিজেকে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার এবং ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিলেও সোনা পাচারের সঙ্গে তাঁর যোগসূত্র ছিল। এখনও পর্যন্ত যে সকল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার হয়েছে তারা সকলেই সোনা পাচারের সঙ্গে কোনও না কোনওভাবে যুক্ত ছিল। আখতারুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ থাকায় সীমান্ত দিয়ে সোনা পাচারের মত অপরাধ নিয়ে অতীতেও প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন ওই সাংসদ। মনে করা হচ্ছে কলকাতাকে কেন্দ্র করে সোনা পাচারের যে বিরাট র‍্যাকেটের দখল কার হাতে থাকবে তা নিয়েই মনোমালিন্য হয়েছিল ওই দুই পার্টনারের মধ্যে।

    খুনের সঙ্গে সোনা পাচারের যোগ

    শিলিস্তা রহমান নামে যে রহস্যময়ী নারীর কথা সামনে এসেছে তাকে হানি ট্র্যাপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং সম্পত্তি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মাত্র ২২ বছর বয়সে প্রচুর অর্থের মালিক হয়ে উঠেছিলেন। এই খুনের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্যদেরও মানি ট্রেল খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ধৃত জাহির শেখ জানিয়েছে দিনে ৫ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বেনাপোল বর্ডার পার করে সোনার বাট আনার চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু এখানে আসার পর সেই অ্যাসাইনমেন্ট নাকি বদলে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Remal: রেমালের থাবা ! দুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন মথুরাপুরের বিজেপি প্রার্থী অশোক পুরকাইত

    Cyclone Remal: রেমালের থাবা ! দুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন মথুরাপুরের বিজেপি প্রার্থী অশোক পুরকাইত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী শনিবার মথুরাপুর লোকসভায় রয়েছে সপ্তম দফার শেষ ভোট। ভোট প্রচারের ব্যস্ততার পরিবর্তে রেমাল আছড়ে পড়ার পর সোমবার সকালে দুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন মথুরাপুরের বিজেপি প্রার্থী অশোক পুরকাইত। কারণ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Cyclone Remal) কারণে একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও ঘরের চাল উড়ে গিয়েছে, কোথাও নদীবাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে। দুর্গতদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন বিজেপি প্রার্থী।  

    দুর্গতদের পাশে বিজেপি প্রার্থী (Cyclone Remal)

    রবিবার রাত সাড়ে দশটা থেকে রাত সাড়ে বারোটায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Cyclone Remal) ল্যান্ডফল করেছে। বাংলাদেশের খেপুপাড়া ও সাগর আইল্যান্ডের মাঝে মোংলা বন্দরের দক্ষিণ পশ্চিমে ঘূর্ণিঝড় ল্যান্ডফল করেছে। ল্যান্ডফলের সময় এর গতিবেগ ছিল ১৩৫ কিমি প্রতি ঘন্টায়। বাংলার ওপর দিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। তার ওপরে ভরা কোটাল। প্লাবিত ফ্রেজারগঞ্জ। জল ঢুকেছে নীচু এলাকায়। যে কোনও মুহূর্তেই ভাঙতে পারে বাঁধ। আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দারা। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার একাধিক অঞ্চল বিদ্যুৎহীন। মূলত বিভিন্ন জায়গায় ইলেকট্রিক তারের ওপর গাছ পড়ে যাওয়াতেই এই সমস্যা। তাই, সকাল থেকেই পুরসভার কর্মীরা নানান জায়গায় গাছ কাটার কাজ করছেন। মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অশোক পুরকাইত নামখানার ফেজারগঞ্জ এলাকার সহ বিভিন্ন জায়গায় নদী বাঁধ পরিদর্শন করেন। দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তাদের পাশে থাকার বার্তা দেন। যত শীঘ্রই সম্ভব সেই নদী বাঁধ সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা তিনি জানান। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী বাপি হালদার প্রত্যন্ত সুন্দরবন এলাকার লালুয়া রায়দিঘি সহ বিভিন্ন এলাকায় এদিন সকাল থেকে দুর্গতদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন।

    আরও পড়ুন: সকালেও ঝোড়ো হাওয়ার দাপট, সঙ্গে ভারী বৃষ্টি, রেমালের রেশ সোমেও

    বিজেপি প্রার্থী কী বললেন?

    বিজেপি প্রার্থী অশোক পুরকাইত বলেন, দুর্যোগ মাথায় নিয়ে এদিন সকালে ফ্রেজারগঞ্জ এলাকায় যাই। দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলি। তৃণমূলের দুর্নীতির কারণে বাঁধ সংস্কারের স্থায়ী সমাধান হয়নি। এবারও রেমালের (Cyclone Remal) দাপটে এলাকা প্লাবিত হয়েছে। আমরা দুর্গতদের নিরাপদ আশ্রয়ে রাখার ব্যবস্থা করেছি। দুর্গতদের পাশে আমরা সবসময় রয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi Roadshow: প্রধানমন্ত্রীর রোড-শোয়ের পথে কত ম্যানহোল, জানতে চাইল এসপিজি

    PM Modi Roadshow: প্রধানমন্ত্রীর রোড-শোয়ের পথে কত ম্যানহোল, জানতে চাইল এসপিজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে চলছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। ভোটগ্রহণ হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচন হবে ১ জুন। এদিন নির্বাচন হবে এ রাজ্যের কয়েকটি আসনেও। তার আগে দু’দিনের বাংলা সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Roadshow)। ২৮ মে, মঙ্গলবার উত্তর কলকাতার বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়ের সমর্থনে আয়োজিত রোড-শোয়ে অংশ নেবেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর রোড-শো (PM Modi Roadshow)

    এদিন সন্ধ্যায় শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড় থেকে সিমলা স্ট্রিটে স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ি পর্যন্ত রোড-শো করবেন তিনি। শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে থাকা নেতাজির মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই শুরু হবে রোড-শো। বিধান সরণি হয়ে শোভাযাত্রা যাবে স্বামী বিবেকানন্দের বাড়িতে। সেখানে স্বামীজিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে কর্মসূচি শেষ করবেন তিনি। যে পথ ধরে হবে প্রধানমন্ত্রীর রোড শো, সোমবার সেই পথ পরীক্ষা করে দেখতে বললেন স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) আধিকারিকরা। হকার থেকে ম্যানহোল সবই খতিয়ে দেখতে বললেন তাঁরা।

    এসপিজির প্রশ্ন

    রবিবার রাত থেকে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে রাজ্যে চলছে ঝড়-বৃষ্টি। চলবে সোমবার পর্যন্ত। মঙ্গলবার হবে আবহাওয়ার উন্নতি। এদিনই সন্ধ্যায় রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর রোড-শো (PM Modi Roadshow) কর্মসূচি। স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের তরফে পুরসভার নিকাশি দফতরের আধিকারিকদের কাছ থেকে যে রাস্তায় প্রধানমন্ত্রীর রোড-শো হবে, সেই রাস্তায় কতগুলি ম্যানহোল রয়েছে, সে সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। ওই রাস্তায় কোথায় কোথায় হকার রয়েছেন, সেসবও জানতে চেয়েছেন তাঁরা।

    আর পড়ুন: ২৮ তারিখ কলকাতায় রোড-শো মোদির, আগে যাবেন বাগবাজারে সারদা মায়ের বাড়ি

    প্রধানমন্ত্রীর রোড-শো হবে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড় থেকে স্বামীজির বাড়ি পর্যন্ত। এসপজির তরফে বার্তা পাওয়ার পরেই এই আড়াই কিলোমিটার রাস্তায় সমীক্ষা করতে মাঠে নেমে পড়েছেন পুরসভার নিকাশি দফতরের কর্মীরা। নিকাশি দফতরের তরফে এক আধিকারিক বলেন, “শ্যামবাজার থেকে স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৫০টি ম্যানহোল আমরা চিহ্নিত করেছি। এসপিজিকে সেই তথ্যই জানিয়ে দেওয়া হবে। যেহেতু এটা প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার প্রশ্ন, তাই আমরা কোনও ঝুঁকি নেব না।” তিনি জানান, ম্যানহোল পরিষ্কারের প্রয়োজনে জেটিং কাম সাকশান মেশিন ব্যবহার করা হবে (PM Modi Roadshow)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BSF: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অভিযানে ১২ কোটির সোনার বিস্কুট উদ্ধার করল বিএসএফ

    BSF: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অভিযানে ১২ কোটির সোনার বিস্কুট উদ্ধার করল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সপ্তম দফা নির্বাচন ১ জুন। ইতিমধ্যে লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা ভোটারদের মন জয় করতে নির্বাচনী প্রচারে ব্যাপক ব্যস্ত। কিন্তু ইতি মধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত হালদারপাড়া সীমান্তে ১২ কোটি টাকার ১৬ কেজির ৮৯টি বিস্কুট উদ্ধার করেছে। একই ভাবে এই সোনাপাচারকারী কাজের সঙ্গে যুক্ত একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে বিএসএফের (BSF) গোয়েন্দা বিভাগ একটি গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে এই সোনা উদ্ধার করে।

    সোনার মোট ওজন ১৬.০৬৭ কেজি (BSF)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, চৌকি গুনারমঠের ০৫ ব্যাটালিয়নের বিএসএফ (BSF) জওয়ানরা সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দার বাড়ি থেকে নানা আকৃতির মোট ৮৯টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করেছেন। পাচারকারীরা চোরা পথে অবৈধ উপায়ে এই সোনাগুলিকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে নিয়ে এসে একটি বাড়িতে রেখে দিয়েছিল। এরপর পর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালায় সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী বিএসএফের একটি বিশেষ দল। উদ্ধার হওয়া সোনার মোট ওজন ১৬.০৬৭ কেজি। যার আনুমানিক ভারতীয় বাজার মূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা।

    চারদিক থেকে বাড়ি ঘিরে উদ্ধার সোনা

    গত শনিবার ২৫ মে সীমান্ত চৌকি গুনারমঠের সীমান্ত গ্রামের হালদারপাড়ের একটি বাড়ি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে বিএসএফ (BSF)। তারপর শুরু হয় তল্লাশি। বাইরের থেকে পাহারা দিয়ে চলে ভিতরে অভিযান। একটি কাপড়ের বেল্টে লুকিয়ে রাখা ছিল এই সোনাগুলিকে। কাপড়ের বেল্ট খুলতেই বিভিন্ন আকৃতির ৮৯টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার হয়। এরপর প্রাপ্ত সোনা এবং একজনকে গ্রেফতার করে সোনার চালানসহ সীমান্ত চৌকি কল্যাণীতে নিয়ে আসা হয়। সেনাবাহিনীর এই সাফল্যে শোরগোল পড়ে যায় গোটা এলাকায়।

    আরও পড়ুন: রেমালের প্রকোপে প্রায় দশ ঘণ্টা পর শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় চলল ট্রেন

    ধৃতের বক্তব্য

    ধৃত, বিএসএফের (BSF) জেরায় জানিয়েছে, ২০২৪ সালের মার্চ মাসের শেষে বাংলাদেশ থেকে একজন স্বর্ণ চোরাকারবারীর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল। এরপর কিছু সোনা পাচারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। আর সেই অনুযায়ী সোনা বাড়িতে লুকিয়ে রাখার জন্য তাকে প্রতিদিন ৪০০ টাকা দেওয়া হবে বলে মৌখিক কথাও হয়। ফলে টাকার জন্য এই কাজে যোগদান করতে হয় ধৃতকে। ২৫ মে রাত্রি ১২.৪০ নাগাদ একজন অজ্ঞাত চোরাকারবারী তাকে বাড়িতে লুকানোর জন্য ৮৯ টি স্বর্ণের বিস্কুট ও সোনার ইট দিয়ে যায়। তবে এই চক্রীর মাথা কে তা এখনও জানা যায়নি, সবটাই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: ট্রফি জিতে গম্ভীর-মুখে ফুটল হাসি, গৌতিকে কোলে তুললেন সহাস্য নারিন

    IPL 2024: ট্রফি জিতে গম্ভীর-মুখে ফুটল হাসি, গৌতিকে কোলে তুললেন সহাস্য নারিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘হ্যাপি এন্ডিং’…এবার হাসলেন গুরু গম্ভীর। চরম আধিপত্য নিয়ে আইপিএলে (IPL 2024) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কেকেআর। চেন্নাইয়ে ফিরে এসেছে ১২ বছর আগের স্মৃতি। এবারও সকলের কাঁধে গম্ভীর। সেবার ছিলেন অধিনায়ক, এবার মেন্টর। কিন্তু জাদু-কাঠি যে তাঁরই তা জানতেন কিং খান। তাই ম্যাচ শেষে ‘জাদু-কি-ঝাঁপ্পি’। গম্ভীরকে জড়িয়ে ধরলেন শাহরুখ, উষ্ণ আলিঙ্গন-চুম্বন। সবার আগে এগিয়ে এসে নিজের ক্যাপ্টেনকে অবশ্য কোলে তুলে নিয়েছিলেন সুনীল নারিন। ‘মোস্ট ভ্যুলুএবেল প্লেয়ার’ নারিনকেও মাথায় তুলে রাখলেন গম্ভীর (Gautam Gambhir)। তিনি তো নেতা, তিনি গুরু। 

    নারিন-গম্ভীর রসায়ন

    ১২ বছর আগে কলকাতা যে প্রথম ট্রফি জিতেছিল, সেই দলের সদস্যও ছিলেন সুনীল নারিন। তখন তাঁর সবে শুরু। সেই সময় নারিন কিংবদন্তি-ক্যারিবিয়ান স্পিনার। এখন তিনি পরিণত-ক্রিকেটের গোধূলি লগ্নে দক্ষ অলরাউন্ডার। শান্ত-ধীর-স্থির, খানিকটা গম্ভীরের ক্যারিবিয়ান সংস্করণ বললেও ভুল হয় না। দুজনে অভিন্ন হৃদয় বন্ধু। তাঁরা জানেন লক্ষ্য পূরণ করেই হাসতে হয়। ট্রফি (IPL 2024) জিতেই উচ্ছ্বাসে ভাসতে হয়। 

    গম্ভীর স্পর্শেই বাজিমাত বাজিগরের

    আইপিএল-এর প্রথম কয়েকটা বছর ঘরের ছেলে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত ধরেও সাফল্য আসেনি কলকাতার। শহরবাসীকে হতাশ করেই কিং খানের হাত ধরে নাইট শিবিরে আগমন গৌতম গম্ভীরের (Gautam Gambhir)। সাল-২০১১। এরপর দ্বিতীয় বছর সাল-২০১২, চ্যাম্পিয়ন কেকেআর। প্রথম আইপিএল (IPL 2024) ট্রফি নাইটদের ঘরে। কলকাতার নায়ক গম্ভীর। ২০১৪-তাঁর হাত ধরেই ফের ট্রফি জয়। তারপর ১০ বছর পার। সেই চেনা ব্যর্থতা নিয়েই নতমুখে বাড়ি ফিরেছে ইডেনের জনতা। অসংখ্য ক্রিকেট তারকায় গড়া টিম প্রখর আলো জ্বালিয়ে আইপিএল ট্রফির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেনি নাইটদের। কোথাও যেন অভাব ছিল জাদুকাঠির ছোঁয়ার। যার অন্য নাম গৌতম গম্ভীর। এবার সেই জাদুর স্পর্শেই বাজিমাত করলেন বাজিগর। 

    শুরুতে সংশয়

    মরশুমের শুরুতে কেকেআর-কে নিয়ে সংশয়ের কমতি ছিল না। মিচেল স্টার্ককে কিনে ২৫ কোটি টাকা জলে ভাসানো হল কিনা সেই প্রশ্নও উঠছিল। সঙ্গে নারিন, রাসেল, মণীশ পাণ্ডের মতো বুড়ো ঘোড়া। বাকি বিদেশি বলতে ‘বাতিল’ ফিল সল্ট। বিতর্ক বিদ্ধ শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্ব নিয়ে গুঞ্জন। পাহাড় প্রমাণ কাজ বলতে যা বোঝায়, এ যেন ঠিক তাই। কিন্তু গম্ভীর (Gautam Gambhir) তো চিরকাল সেই কাজটাই করে এসেছেন। কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিতদের সঙ্গে নিয়ে এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। প্রমাণ করে দিলেন খেলাটা খাতায়-কলমে হয় না। হয় মাঠে। যেখানে প্রতিটা দিন শুরু করতে হয় শূন্য থেকে।

    এক অনুষ্ঠানে গম্ভীর বলেছিলেন, “সমর্থকেরা আমার হাসি দেখতে আসে না, দলের জয় দেখতে আসে।” তাঁর সেই গম্ভীর উক্তিই বুঝিয়ে দিয়েছিল, তিনি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। রবিবার কাজ শেষ করেই হাসলেন গম্ভীর। ই মুহূর্তে তিনিই ক্রিকেট ইতিহাসের একমাত্র প্লেয়ার (IPL 2024) যিনি অধিনায়ক ও মেন্টর হিসেবে আইপিএল জিতলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share